বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৯

রাজধানীর চকবাজারের অগ্নিকাণ্ড আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে

২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের খবর স্থানীয় সব গণমাধ্যমের মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে। ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে সরকারি কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশের রাজধানীর পুরান ঢাকার একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৭০ জন এবং প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছেন। দমকলকর্মীরা নয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ডন ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে জানায়, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পুরোনো অংশের একটি ভবনে আগুন লেগে কমপক্ষে ৬৯ জন নিহত হয়েছেন। ভবনটিতে রাসায়নিক পদার্থের গুদাম ছিল বলেও এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। কাতার-ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার অনলাইন ভার্সনে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটিকে প্রধান খবর হিসেবে রাখা হয়েছে। দমকল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়, বাংলাদেশের রাজধানীর পুরান ঢাকার একটি ভবনের কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্টে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৭০ জন মারা গেছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, ঢাকার একটি ঐতিহাসিক এলাকায় একাধিক অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে আরও জানায়, রাসায়নিক দ্রব্যের গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত একটি ভবন থেকে আগুনের সূত্রপাত। যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সর পরিচালক জুলফিকার রহমানের বরাত দিয়ে জানায়, বাংলাদেশের রাজধানীর পুরান ঢাকায় কয়েকটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭০ জনের মতো মানুষ মারা গেছেন। এই সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও বার্তা সংস্থাটিকে জানান এই বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন এই অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৭০ জন নিহত এবং ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানায়। ঢাকা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ইবরাহিম খানের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমটি জানায়, একটি গাড়ির জ্বালানি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-ভিত্তিক গণমাধ্যম আনন্দবাজারে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দমকল বাহিনী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হয়, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঢাকার একটি বহুতলে। বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে এবং বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭০ জনের। দুর্ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ ঢাকার চকবাজার এলাকায়।...

চকবাজারের ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোক

২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চকবাজারের ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে মমতা লিখেন, বাংলাদেশে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের খবরে খুবই শোকাহত হলাম। নিহতদের পরিবারকে জানাই সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। রাজধানীর চকবাজারের আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি জানান, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, কেমিক্যাল গোডাউনে রাসায়নিক পদার্থ ছিল। ফলে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। দ্রুত আগুন ছড়িয়েও পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের কারণে তা নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। পুরো ভবন খুঁজে দেখা হচ্ছে আরও মৃতদেহ আছে কিনা। তিনি বলেন, রাসায়নিক গুদামের ভবনের সামনে কয়েকটি গাড়ি ছিল যেগুলো গ্যাসে চলতো। এই আগুনের কারণে গাড়িগুলো বিস্ফোরিত হয়। আরেকটি গাড়ির ভেতর অনেকগুলো সিলিন্ডার ছিল হয়তো আশপাশের বাড়িতে ও হোটেলে গ্যাস সরবরাহের জন্য সেগুলো ছিল। ওই গাড়িটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। ফলে মৃতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। ...

নিরাপত্তা তুলে নিল ১৮ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার ওপর থেকে ভারত

২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার জেরে এবার কাশ্মীরি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে আরো বড় পদক্ষেপ নিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন করে ১৮ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার ওপর থেকে নিরাপত্তা তুলে নিয়েছে তারা। বুধবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের তরফে জানানো হয়, ভারত সরকার মনে করছে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিরাপত্তা দিয়ে অর্থ নষ্ট হচ্ছে কেন্দ্রের। এই অর্থ আরো ভালোভাবে ব্যবহার করা সম্ভব। এবারে নতুন করে জম্মু-কাশ্মীরের যে সমস্ত বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের ওপর থেকে নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হলো তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন এসএএস গিলানি, ইয়াসিন মালিক, আব্দুল গনি শাহ, নঈম আহমেদ খান, জাফর আকবর ভাট প্রমুখ। এর আগে গত রোববার ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের পাঁচ হুরিয়ত নেতার নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিলো। সেই পাঁচ হুরিয়ত নেতার মধ্যে ছিলেন মিরওয়াইজ ওমর ফারুক, আব্দুল গনি ভাট, ওমর ফারুক, বিলাল লোন, হাসিম কুরেশি ও সাবির শাহ। সেই সময়েই সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়, কোনো কারণ বা অজুহাতেই ওই সমস্ত নেতাদের কোনো অবস্থাতেই নিরাপত্তা বা সরকারি গাড়ি দেওয়া যাবে না। শুধু গাড়ি বা নিরাপত্তাতেই শেষ নয়। এ ছাড়াও যদি কোনোরকম সরকারি সুবিধা এঁরা ভোগ করে থাকেন সেটাও প্রত্যাহার করার হুকুম জারি করা হয় ওই নির্দেশিকায়। গত রোববারের পর বুধবার জম্মু-কাশ্মীরের ১৮ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ছাড়াও আরো ১৫৫ জন রাজনৈতিক কর্মীর সুরক্ষা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে অন্তত এক হাজার পুলিশকর্মী ও ১০০টি গাড়ি নিরাপত্তা দেওয়ার কাজ থেকে মুক্ত হবে।...

আমরা চাই সৌদি আরব ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন হোক: সৌদি যুবরাজ

২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত সফররত সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন, আমরা চাই সৌদি আরব ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন হোক। বুধবার রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার পর সৌদির যুবরাজ এই মন্তব্য করেন। সৌদি যুবরাজে এই ভারত সফরে উভয় দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজ বিকেলে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে। আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের দুই দেশের নিজেদের স্বার্থেই আমরা ভালো সম্পর্ক বজায় এবং উন্নত করা নিশ্চিত করতে চাই। তিনি বলেন, ভারতের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে, আমি বিশ্বাস করি আমরা সৌদি আরব ও ভারতের জন্য ভালো কিছু তৈরি করতে পারবো। এসময় সৌদি যুবরাজ ভারত ও আরব উপসাগরের মধ্যে সম্পর্ক তাদের ডিএনএর মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে দিল্লি বিমানবন্দরে সৌদি যুবরাজকে বহনকারী বিমান অবতরণ করলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রোটোকল ভেঙে তাকে স্বাগত জানান। সৌদি যুবরাজের এই সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের চতুর্থ বৃহত্তম বাণিজ্যিক সহযোগী ভারত। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২৭.৪৮ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া ভারতের জ্বালানির অন্যতম সহযোগী দেশ সৌদি আরব। দেশটির অপরিশোধিত তেলের ১৭ ভাগ ও এলপিজির ৩২ ভাগই আসে সৌদি আরব থেকে। ...

সোহেল রানার ৭২তম জন্মদিন পালন

২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির অলংকারস্থ হানিমুন টাওয়ারের কার্যালয়ে ২১ শে ফেব্রয়ারী বিকেল ৫ ঘটিকার সময় উক্ত সংগঠনের চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আনিসুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক শাহাদাত হোসেন স্বপনের পরিচালনায় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ পারভেজ সোহেল রানার ৭২ জন্মদিন পালন করা হয়। উক্ত জন্মদিনের অনুষ্ঠানে প্রথমে দেশ,জাতি ও সোহেল রানার সু-সাস্থ এবং কল্যান কামনা করে দোয়া এবং মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রীত অতিতিরা কেক কেটে সোহেল রানার জন্মদিন পালন করেন। উক্ত জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাবুল,রেজাউল আহমেদ,রেজাউল করিম রেজা,ফজলে আজিম দুলাল,হাজী আলী আকবর,পিকাশ শীল সাগর,জসিম উদ্দিন,ডা: মঞ্জুরুল আলম,মোঃ ফয়সাল,রুজি চেধুরী,আরফাতুল মুনির,মহি উদ্দিন বাবু,ওমর সায়েদ,আবু হাসান,আব্দুল কাদের,আব্দুল আজিজ,আসমা আক্তার,অনামিকা বড়য়া,প্রিয়াংকা পাল,মীনা চাকমা,রেহেনা আকতার ফরিদা আকতার, পিয়াল খান,মোঃ আনিস,রিয়ান বাবু,সালাউদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতি আনিসুল ইসলাম চৌধুরী বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধ মাসুদ পারভেজ সোহেল রানার মত ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবী। সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন স্বপন বলেন তিনি দলের জন্য অনেক ত্যাগ শিকার ও পরিশ্রম করেছেন। উনাকে যথাযথ ভাবে মূল্যায়ন করার দাবি জানাচ্ছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ...

কক্সবাজারে ১০ হাজার ইয়াবাসহ সাবেক ছাত্রদল নেতা আটক

২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (সেক্রেটারি) হাবিব উল্লাহ হাবিবকে (৪৫) ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের রামুর তুলাবাগান এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় ইয়াবা পাচারে ব্যবহৃত হাবিবের মালিকানাধীন মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে। আটক হাবিব উল্লাহ কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ারছড়া এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। রামু থানার ওসি মো: আবুল মনছুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের রামুর তুলাবাগান এলাকায় কক্সবাজারমুখি একটি নোয়াহ মাইক্রোবাসে তল্লাশি করে তুলাবাগান হাইওয়ে থানা পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির ডেজবোর্ডের ভেতর থেকে ৫টি প্যাকেটে ১০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। হাবিব উল্লাহকে রামু থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ...

পাবনায় চাঞ্চল্যকর আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাবনায় চাঞ্চল্যকর আবু সাঈদ হত্যা মামলায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দুজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দয়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক রুস্তম আলী এই রায় দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, জেলার আতাইকুলা থানার কুমারগারী বিশ্বাসপাড়ার আব্দুল লতিফের ছেলে আব্দুস সালাম ওরফে খোকন, একই গ্রামের আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের ছেলে শাহিন বিশ্বাস, আড়িয়াডাঙ্গি গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে মাসুদ রানা, সুজানগর থানার তাঁতীবন্ধ গ্রামের আজিজ মোল্লার ছেলে শুকুর আলী মোল্লা ও একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাইফুল ইসলাম ওরফে কাঞ্চন। খালাসপ্রাপ্তরা হলো- সুজানগর থানার ভবানীপুরের সলিম উদ্দিনের ছেলে সেলিম উদ্দিন ও তাছির উদ্দিন মিয়ার ছেলে আলতাফ হোসেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৩ এপ্রিল রাতে আতাইকুলা থানার কুমারগারী গ্রামের আবু সাঈদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে তার বন্ধুরা। পরদিন নিহতের ভাই রবিউল বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে আতাইকুলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আতাইকুলা থানার তৎকালীন এসআই আখের আলী তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৭ জনকেই অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বুধবার দুপুরে পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দয়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক রুস্তম আলী পাঁচজনকে যাবজ্জীবন ও এক লাখ ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর ৬ মাস কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। অপর দুজনের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের মামলা থেকে খালাস দেয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় দুজন আসামি আদালতে হাজির ছিল। মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আইয়ুব খান খোকন আর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন সালমা আক্তার শিলু। ...

বৌ-ভাতের অনুষ্ঠান থেকে নববধূ অপহরণ, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুমিল্লার দেবিদ্বারে বৌ-ভাতের অনুষ্ঠান থেকে নববধূ অপহরণ মামলার প্রধান আসামি ও ছাত্রলীগ নেতা ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে কুমিল্লার আদালতে প্রেরণ করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। দেবিদ্বার থানার ওসি মো. জহিরুল আনোয়ার জানান, সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সোহরাব হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিমসার এলাকায় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে কুমিল্লার আদালতে প্রেরণ করে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি ইসমাইল ও সহযোগী সাকিবের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একটি দল দেবিদ্বার উপজেলার সাহারপাড় গ্রামে বৌ-ভাত অনুষ্ঠান থেকে কনেকে তুলে নিতে এসে গণধোলাইয়ের শিকার হয়। ইসমাইল ও সহযোগী সাকিবের নেতৃত্বে বরের বাড়ি থেকে কনেকে অপহরণ করতে যায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসীরা সন্ত্রাসীদের ঘেরাও করে গণধোলাই দেয়। এতে প্রায় ২৫ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ইসমাইলের সাত সহযোগীকে আটক করে। কিন্তু ইসমাইল ও তার সহযোগী সাকিব পালিয়ে যায়। ওই দিন রাতে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা ইসমাইল, সহযোগী সাকিব সহ আটক সাতজনের নাম উল্লেখ্য করে মোট ৩৯ জনকে আসামি করে নববধূর শ্বশুর ইউনুছ মাঝি বাদী হয়ে থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিমসার জুনাব আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করেন কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তৈয়ব অপি।-ইউএনবি ...

বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা, ছোট ভাই আটক লক্ষ্মীপুরে

২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে বড় ভাই হান্নানকে তার ছোট ভাই মো. মান্নান কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত মান্নানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের আঠিয়া বাজার এলাকা থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। মান্নান ও নিহত হান্নান ওই এলাকার আবুল কালামের ছেলে। নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিবাদ চলছে স্থানীয় আবুল কালামের ছেলে মান্নান ও হান্নানের পরিবারে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুই ভাইয়ের বাকবিতন্ডা হয়। পরে গভীর রাতে হান্নানকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে তার ছোট ভাই মান্নান। লক্ষ্মীপুর সদর থানার এএসআই রানা দাশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বড় ভাইকে খুনের অভিযোগে তার ছোট ভাইকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। ...

বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ উদ্ধার কাজ চলমান : অর্থমন্ত্রী

২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ উদ্ধার কাজ এখনও চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,রিজার্ভ চুরি সম্পর্কে পর্যাপ্ত প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। এসব প্রমাণাদিসহ যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা করার জন্য ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি আইনী প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা গত জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আমাদের পক্ষে মামলা দায়ের করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আমরা এ মামলাটি দায়ের করতে পেরেছি। অর্থমন্ত্রী বলেন, আর্থিক খাতে ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ব্যবস্থাপনাও বাংলাদেশ ব্যাংক করে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে সংরক্ষণ করা হয়। পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের রিজার্ভ এখানেই সংরক্ষণ করা হয়। তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো-বিগত ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে সংরক্ষিত আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার একটি অংশ শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে পাচার করা হয়। তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক হ্যাকাররা ৭০টি ভুয়া পেমেন্ট ইনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে ৯৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচারের চেষ্টা চালায়। এর মধ্যে ৫টি ভুয়া পেমেন্ট ইনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ট্রান্সফার কার্যকর করার পর নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ সন্দিহান হয়ে বাকি পেমেন্ট ইনস্ট্রাকশনগুলো এক্সিকিউট করেনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, রিজার্ভ চুরির বিষয়টি নজরে আসার সাথে সাথে সরকার চুরির অর্থ উদ্ধার, চুরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ চুরিরোধে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তিনি দ্রুত সরকারের কাছে একটি তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। পরবর্তীতে পুলিশের সিআইডিকে এ বিষয়ে অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে। ড. ফরাস উদ্দিনের রিপোর্টটি যাতে এ তদন্তে প্রভাব না ফেলে, এ জন্য তা প্রকাশ করা হয়নি। তিনি বলেন, রিজার্ভ চুরির বিষয়টি একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ এবং এর সাথে বিদেশী একাধিক প্রতিষ্ঠান জড়িত রয়েছে। এই বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে ইউএসর এফবিআই এবং ফিলিপাইন সরকার তদন্তে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় শ্রীলংকা থেকে ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা হয় এবং ফিলিপাইন থেকে ১৪ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত আনা হয়েছে। বাকি ৬৬ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উদ্ধারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই নিজ দেশে হ্যাকারদের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং ফিলিপাইনে এন্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল মানি লন্ডারিংয়ের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করে।...

নিয়মের মধ্যে থেকে সেবা দিলে ব্যাংকের সংখ্যা বাড়ানো কোনো সমস্যা নয়: অর্থমন্ত্রী

১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রেণিকৃত ঋণ বর্তমান ব্যাংক খাতের প্রধান সমস্যা উল্লেখ করে খুব শিগগিরই একটি অডিট পরিচালনা করার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সোমবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় যোগ দেয়ার আগে এ কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রয়োজনেই নতুন তিন ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আর নিয়মের মধ্যে থেকে সেবা দিলে ব্যাংকের সংখ্যা বাড়ানো কোনো সমস্যা নয়। দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে নানা বিতর্কের মধ্যেই রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় অনুমোদন দেয়া হয় নতুন তিন ব্যাংক। এর ফলে ৫৯টি ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছে বেঙ্গল, পিপলস ও সিটিজেন ব্যাংক। চাহিদা থাকলে ও কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারলে নতুন ব্যাংকের অনুমোদন কোনো সমস্যা নয় বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। শ্রেণিকৃত ঋণকে ব্যাংক খাতের মূল সমস্যা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ সমস্যা থেকে উত্তোরণে শিগগিরই পরিচালনা করা হবে বিশেষ অডিট। আগে ব্যাংক খাতে পরিশোধিত মূলধন ৪শ কোটি টাকা থাকলেও বর্তমানে ৫শ কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত ইতিবাচক বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। ...

আরও ১৩ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে আধুনিক ভবন

১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্যক সুযোগ-সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে ২০২১ সালের মধ্যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হচ্ছে ২৫ হাজার কোটি টাকা। এই অবকাঠামো নির্মাণ কাজে প্রাধান্য পেয়েছে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ বছরে সারা দেশের দুই হাজার ৪০০ মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। নির্বাচিত আরও এক হাজার ৮০০টি মাদ্রাসায় একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় গত ১০ বছরে ২০০৯ থেকে ২০১৮ শিক্ষাখাতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ১১ হাজার ৩০৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। আর ১২ হাজার ৬৭৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ ২০২১ সালের মধ্যে শেষ করা হবে। আর ব্যাপক সংস্কার করা হয়েছে পুরনো জরাজীর্ণ ভবনগুলোর। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের (ইইডি) মাধ্যমে গত ১০ বছরে সারা দেশে মোট ২৩ হাজার ৯৭৯টি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জরাজীর্ণ আরও সাত হাজার ৬৪১টি ভবন সংস্কার করা হয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাইড লাইন অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার বিবেচনা করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আর ই-টেন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অবকাঠামো নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়ায় নির্মাণ কাজের গুণগত মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা জানান, সরকারি হাইস্কুল ও কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে ৬ থেকে ১০তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। বাড়তি সুবিধা দিতে লিফটও স্থাপন করা হচ্ছে ভবনগুলোতে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে প্রতি বছর দেড় হাজার থেকে দুই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হবে। ২০২১ সালের পর স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় অবকাঠামো নির্মাণের আর কোনও কাজ বাকি থাকবে না। ...

আরো ২ কোটি মানুষের হাতে বই তুলে দিতে চায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র

৭ ফেব্রুয়ারী ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : আলোকিত মানুষের খোঁজে পেরিয়ে আসা চার দশক। জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালাতে ৯০ লাখ পাঠকের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে বই। আগামী এক দশকে বই তুলে দেয়া হবে আরো দুই কোটি পাঠকের হাতে। সেই স্বপ্নের কথা জানালেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। যাত্রা শুরু ১৯৭৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর। আজকের এই বহুতল ভবনের আড়ালে রয়ে গেছে লাল রঙের দোতালা দালান। উদার ছাদ। আম্রমুকুল আর মহুয়ার সৌরভ এবং এক চিলতে সবুজ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কাজও বেড়েছে। পাঠচক্র, স্কুল-কলেজ কর্মসূচি, আলোর ইশকুল এবং পাঠকের দরজায় বই পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য আমীরুল ইসলাম বলেন, স্কুল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা আছেই। এর সংগে যে ঘাটতি থাকে ভালোবাসা মানুষের প্রতি মমতা প্রকৃতির প্রতি প্রেম এই প্রত্যেকটি জিনিস সুন্দরভাবে অন্তর্জগতে তৈরি হয়। ঠিক এই কারণেই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনীয়তা ফুরাবে না।' পাঠ্যক্রমের বইয়ে হাঁপিয়ে উঠা শিক্ষার্থীদের আনন্দ পাঠ উপহার যেমন দিয়েছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, তেমনি সমাজের আঁধার কাটাতে সকল বয়সী মানুষকে বইয়ের আলোয় আলোকিত করতে সময়ের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নতুন উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছে কেন্দ্র। অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বিশ্বাস করেন, প্রযুক্তির আলো বইয়ের আলোকে ম্লান করতে পারবে না। তিনি বলেন, পুঁজিবাদ টাকা চায়, তার ফলে মানুষ সুন্দর বড় উন্নত জীবন থেকে সরে সে একটা পণ্যে পরিণত হয়েছে। এই বইকে যদি পৃথিবী ছেড়ে যায় তাহলে সেদিন মানুষ এবং জন্তুর কোন পার্থক্য থাকবে না।' জন্মদিন পেরিয়ে এসে ৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে ঘিরে উৎসবে মেতে উঠার জন্য তৈরি আলোর পথের যাত্রীরা। মানুষের স্বপ্ন এবং চিন্তার প্রতিফলন ঘটাতে হলে বই পাঠের কোন বিকল্প নেই। ৪০ বছর ধরে বই চর্চা করে যাচ্ছে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র। বর্তমানে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে গেলেও মানুষের মাঝে বই চর্চাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে চায় এই সংস্থাটি। ...

যা বললেন ম্যাচের পর মাশরাফি

২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ। সাদা বলের সিরিজটির একটি ম্যাচেও কিউইদের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়তে পারেনি মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। বুধবার ডানেডিনে ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন টাইগার দলপতি। পর পর তিন ম্যাচে ব্যর্থতার পাশাপাশি ইতিবাচক বিষয়গুলোও আলোচনা করেছেন মাশরাফি। তিনি বলেন, আমাদের মিডল ওয়ার্ডার-লোয়ার মিডল ওয়ার্ডারে কিছু রান পেয়েছে। মিঠুন দুইটা ম্যাচে রান পেয়েছে। সাব্বির ১০০ করেছে। সাইফুদ্দিন রান করছে আজকে ভালো বোলিংও করেছে। পজেটিভ বিষয় যেগুলো আছে সেগুলো হয়তো পেছনের দিকে। তবে দলের জন্য অবশ্যই এগুলো লাভজনক। তবে অবশ্যই ম্যাচ জিততে হলে টপ অর্ডার থেকে ভালো কিছু করতে হবে। নেগেটিভ যা আছে সঙ্গে পজেটিভ বিষয়গুলো বললাম। পাশাপাশি যে ভুল-ত্রুটিগুলো আমরা করেছি সেগুলো নিয়ে অবশ্যই আমাদের কাজ করার আছে। এদিন বল হাতে ব্যর্থ হলেও শুরুর দিকে ফিল্ডিংটা ঠিকই ছিল। গেল দুই ম্যাচ সেঞ্চুরি করা মার্টিন গাপটিলকে দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরিয়েছেন তামিম ইকবাল। তবে ইনিংসের শেষ দিকে ফের এলোমেলো বাংলাদেশ। অধিনায়কের মতে, ফিল্ডিং চাইলে ইমপ্রুভ করা যায়। বোলিং-ব্যাটিং কিছুটা সময়ের ব্যাপার। এখানে স্কিলের ব্যাপার আছে। ফিল্ডিংয়ে চেষ্টা করলে দেখতে ভালো লাগে, চেষ্টাটা বোঝা যায়।। হয়তো সবাই মানসিকভাবে একটু ধাক্কা খেয়েছিল। একটু তাড়াহুড়োও ছিল, তাই ওলট-পালট হয়েছে। যে ফিল্ডার থাকে তারা বিভ্রান্ত হয়ে যায়। আর সব সময় একই ছন্দে তো থাকা সম্ভব নয়, ক্যাচ মিস তো হতেই পারে। ৩৯তম ওভারের দ্বিতীয় ওভারে ফিরে যান রস টেইলর। চার উইকেটে ব্ল্যাকক্যাপসদের দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ২০৪ রান। ঠিক ওই সময়ে ২৪ বলে ৩৭ রানের একটি কার্যকরীয় ইনিংস খেলেন জিমি নিশাম। আর এই ইনিংসটিই সফরকারী অধিনায়কের চোখে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। মাশরাফি বলেন, নিশামের ইনিংসটাই টার্নিং পয়েন্ট। ৩৫ ওভার পর্যন্ত তাদেরকে আমরা এমন একটা জায়গায় রেখেছিলাম, ওই সময় আরেকটু ভালো বোলিং বা ফিল্ডিং করলে ওদেরকে ৩০০র নিচে রাখারও একটা সুযোগ ছিল। চারজন পড়ে যাওয়া মানে ওদের টেল এন্ডারে জুটি না হতে দিলে অবশ্যই ওদেরকে আটকে রাখার সুযোগ ছিল। তবে ওই সময় যে শট খেলেছে বা ঝুঁকি নিয়েছে তাতে ওরা সফল হয়েছে। আর আমরা পারিনি।...

পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করতে ভারতের প্রতি আহ্বান: হরভজন সিং!

২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় ভারতীয় আধাসামরিক বাহিনীর ৪০ সদস্য নিহত হয়েছে কদিন আগে। এর প্রতিবাদে আগামী জুনে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় আইসিসি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির সাবেক তারকা স্পিনার হরভজন সিং। এই হামলার মদদদাতা হিসেবে পার্শ্ববর্তী দেশ পাকিস্তানকে দায়ী করছে ভারত। দেশব্যাপী প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। এ ব্যাপারে হরভজন বলেন, কেবল ক্রিকেটে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের কাছে সবার আগে দেশ। পাকিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে এবং এ হামলা অবিশ্বাস্য হতাশাজনক। আসন্ন বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল ভারত। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬ জুন মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারতের। এ ব্যাপারে হরভজন বলেন, এতে কোনো সমস্যা হবে না। ভারত এমনিতেই যথেষ্ট শক্তিশালী দল। এ ঘটনার প্রতিবাদে এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ছবি ঢেকে ফেলেছে ভারতের ক্রিকেট ক্লাব অব ইন্ডিয়া (সিসিআই)। সিসিআই ক্লাবে এবং তাদের রেস্তোরাঁজুড়ে রয়েছে বিভিন্ন দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটারের প্রতিকৃতি। সেখানে ছিল ইমরানেরও ছবি। জঙ্গি হামলার পরই ইমরানের ছবি ঢেকে ফেলেছে সিসিআই। মুম্বাইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে সিসিআইর কার্যালয়। কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পরই পাকিস্তানের ঘাঁটি গাড়া সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ঘটনায় দায় স্বীকার করে। এরপরই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, ইমরান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেই পাকিস্তানে এই জঙ্গি সংগঠনের উৎপত্তি হয়। ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলেছিলেন ইমরান। ১৯৮৭ সালে একটি প্রদর্শনী ম্যাচও ছিল। আর ১৯৮৯ সালে নেহরু কাপের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল ইমরানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান। এ ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন ইমরান। তাই সিসিআইতে ছিল ইমরানের ছবি। ইমরানের ছবি কেন সরিয়ে ফেলা হয়েছে—এ ব্যাপারে সিসিআইর প্রেসিডেন্ট প্রেমাল উদানি বলেন, সিসিআই স্পোর্টস ক্লাব। এখানে সব দেশের অতীত ও বর্তমানের বিখ্যাত ক্রিকেটারদের ছবি আছে। তবু কাশ্মীরের ঘটনা বিব্রত করেছে সকলকে। তাই এটি আমাদের একরকম প্রতিবাদ। ...

সারাকে ডেট করা নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন সৎমা কারিনা

২১ফেব্রুয়ারী ,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বলিউডে অভিষেকের পরপরই নজর কেড়েছেন সারা আলী খান। কেদারনাথ- সিনেমায় অভিনয় দক্ষতা দেখে সারাকে মনে গেঁথেছেন অনেকেই। পরের ছবি সিম্বা তেও নিজেকে নতুন করে চিনিয়েছেন সারা। পরিবারের প্রায় সকলেই অভিনয় পেশার সঙ্গে যুক্ত হবার সুবাদে সারা বেশ কিছু সুবিধা পান। সদস্যদের কাছ থেকে পরামর্শ নেন নিয়মিত। সৎমা কারিনা তাকে বিভিন্ন পরামর্শের পাশাপাশি ডেট করা নিয়েও পরামর্শ দেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে জানিয়েছেন কারিনা নিজেই। সাক্ষাৎকারে কারিনার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার প্রিয় বন্ধু অমৃতা। তিনি কারিনার কাছে জানতে চান, ডেটিংয়ের কোনও পরামর্শ সারাকে দাও কি? হেসে জবাব দেন কারিনা। তিনি বলেন, প্রথম হিরোর সঙ্গে ডেট না করার পরামর্শ দিয়েছি। কেদারনাথ সিনেমায় সুশান্ত সিংহ রাজপুতের সঙ্গে কাজ করেছেন সারা। ভক্তরা ভাবছেন হয়ত সুশান্তের সঙ্গে ডেট না করার পরামর্শ দিয়েছেন কারিনা। ১৯৯১ সালে অমৃতা সিং-কে বিয়ে করেন সাইফ আলী খান। অমৃতা ছিলেন সাইফের থেকে ১২ বছরের বড়। তাদের ঘরে জন্ম হয় ছেলে ইব্রাহিম আলী খান এবং মেয়ে সারা আলী খান। দুই সন্তানের জন্মের পর পরই অমৃতা সিং-এর সঙ্গে ২০০৪ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় সাইফের। এরপর ২০১২ সালে এক সময়ের সহঅভিনেত্রী কারিনা কাপুরকে বিয়ে করেন সাইফ আলী খান। বর্তমানে সাইফ ও কারিনার ঘরে তৈমুর নামে এক পুত্র সন্তান রয়েছে।- আরটিভি...

বহুল আলোচিত ছবি -দেবী, এবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ১৬টি প্রেক্ষাগৃহে

২০ফেব্রুয়ারী ,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনীত ও প্রযোজিত বহুল আলোচিত ছবি দেবী এবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ১৬টি প্রেক্ষাগৃহে। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সংযুক্ত আরব-আমিরাত, বাহরাইন, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের ১০টি শহরে চলবে ছবিটি। মধ্যপ্রাচ্যে ছবিটি পরিবেশন করছে মিডিয়া মেজ। আরব-আমিরাতের মধ্যে দুবাইয়ে ভিওএক্স ডেইরা সিটি সেন্টার, নভো ড্রাগন মার্ট টু, শারজাহের নভো মেগা মল, ভিওএক্স শারজাহ সিটি সেন্টার, আবুধাবির ভিওএক্স ম্যারিনা মল, আল আইন শহরের আল আইন মল-এ প্রদর্শিত হবে দেবী। এছাড়া ওমানের রুইয়ি, সালালাহ, সোহার, সুর নামের শহরগুলোর সিটি সিনেমা এবং বাহরাইনের মানামা শহরে প্রদর্শিত হবে ছবিটি। এ প্রসঙ্গে ছবির প্রযোজক জয়া আহসান বলেন,মিসির আলি-রানু-নীলু-আনিস-আহমেদ সাবেতরা এখন মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে। বিষয়টি সত্যিই ভালো লাগার মতো। দেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা যেভাবে সবাই আমাদের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন, আশা করি মধ্যপ্রাচ্যেও তার ব্যতিক্রম হবে না। উল্লেখ্য,হুমায়ূন আহমেদের লেখা মিসির আলি চরিত্রকে নিয়ে প্রথম উপন্যাস দেবী অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। সরকারি অনুদান ও জয়া আহসানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সি তে সিনেমা প্রযোজিত এই ছবিটি নির্মাণ করেছেন অনম বিশ্বাস। গত বছর ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশের ২৮টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় দেবী। ছবিটিতে মিসির আলি চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী। রানু চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। আরও অভিনয় করেছেন শবনম ফারিয়া, ইরেশ যাকের, অনিমেষ আইচ প্রমুখ।...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে

বর্ষা মৌসুম তারপরও ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার। সৈকত শহরের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেষ্টহাউজ ও কটেজ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও শেষ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশও। রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় প্রথমে পর্যটকের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কক্সবাজারে। তবে সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান। হোটেল কর্তৃপক্ষও পর্যটকদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ শেষ করছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তারা আশা , প্রতি বছরেই মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ভালো ব্যবসা হবে। বর্ষা মৌসুম তাই সাগর উত্তাল থাকবে। এক্ষেত্রে অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে স্নান ও নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেন হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের এ নেতা। কক্সবাজার হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, 'সমুদ্র উত্তাল থাকবে। এখানে লাইফগার্ড ও পুলিশ ট্যুরিস্টদের তৎপরতাটা বৃদ্ধি করলে আমার মনে হয়, যারা কক্সবাজারে আসবেন তারা নিবিঘ্নে এখান থেকে ফিরতে পারবেন।' আর ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা জানালেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।...

আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের শুভ জন্মদিন

৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের আজ ১৫ তম জন্মদিন। মার্ক জাকারবার্গের হাত ধরে ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকের যাত্রা শুরু হয়। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অনলাইনে একত্রীকরণের পরিকল্পনা থেকে দ্য ফেসবুক নাম নিয়ে শুরু হয় ফেসবুকের যাত্রা। ৪৭৯ বিলিয়ন ডলার বাজারমূল্যের প্রতিষ্ঠানটির বর্তমানে ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২৩২ কোটি। ২০১৮ সালে ফেসবুকের মোট মুনাফা ছিল ২২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৭ সালের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি। ফেসবুকের বিরুদ্ধে গোপনীয়তা রক্ষা না করা এবং ক্ষতিকর কন্টেন্ট ছড়ানোয় ভূমিকা রাখার অভিযোগ উঠলেও ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ...

ফেসবুকের প্রতারণার শিকার লাখ লাখ শিশু

২৮ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক মাধ্যম জায়ান্ট ফেসবুকের বিরুদ্ধে লাখ লাখ শিশুর সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক মাধ্যমটি প্লাটফর্মে গেম খেলার সময় শিশুরা না বুঝেই বাবা-মায়ের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ফেসবুককে অস্বাভাবিকভাবে অর্থ প্রদান করলেও চুপ থেকেছে প্রতিষ্ঠানটি। ফেসবুকের আয় বাড়ানোর জন্য তারা শিশুদের সঙ্গে এই প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। সেন্টার ফর ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিংয়ের কাছে পৌঁছানো কয়েক বছরের পুরনো নথিতে এমন তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত আদালতের নথি অনুযায়ী, শিশুরা ফেসবুকে গেম খেলার সময় না বুঝেই মা-বাবার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বড় অংকের অর্থ খরচ করে ফেলে আর এ বিষয়ে জেনেও চুপ থাকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০১২ সালে এমন একটি অভিযোগে ফেসবুকের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। ফেসবুকের এমন নিশ্চুপ থাকাকে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতারণা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে গত শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) একটি বিবৃতি দিয়েছে ফেসবুক। সেখানে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যবসা নীতি নিয়মিত পর্যালোচনা করে। বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতারণার অভিযোগ নিষ্পত্তিতে নীতিমালা পরিবর্তনে সম্মত হয়ে অর্থ ফেরত দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। পাশাপাশি যেসব শিশু ফেসবুকে গেম খেলার সময় মাত্রাতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করেছে, তাদের অভিভাবকদের ক্ষতিপূরণ দিতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই অর্থ ফেরত বা ক্ষতিপূরণ দেয়নি ফেসবুক।-somoynews.tv ...

নির্বাচনে অংশ না নেয়ার অর্থ হচ্ছে জনগণ থেকে দূরে থাকা: তথ্যমন্ত্রী

২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়ার জন্য, তাদের নিয়ে জোট ও সরকার গঠন করার কারণেই জামায়াতের পাশাপাশি বিএনপিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত। বুধবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন। সুজন হালদার বইটি রচনা করেছেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক গোলাম রব্বানী বাবলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার রায় প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ড. হাছান বলেন, জামায়াতে ইসলামী যে এতদিন ধরে বাংলাদেশে রাজনীতি করছে এবং বিএনপি তাদের সঙ্গে জোট গঠন করেছে, একসঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, ফলে বিএনপিও সেই একই অপরাধে অপরাধী এবং দায়মুক্তি পাওয়ার যোগ্য নয়। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতার পদত্যাগের এবং ক্ষমা চাওয়ার কথা দেশের ভেতর ও বাইরের চাপ থেকে মুক্ত হওয়ার কৌশলের অংশ। তারা দলগতভাবে ক্ষমা চাইলেও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, নারী নির্যাতনের অপরাধ থেকে দায়মুক্তি পেতে পারে না। তথ্যমন্ত্রী নির্বাচনে অংশ না নেয়ার অর্থ হচ্ছে জনগণ থেকে দূরে থাকা; উল্লেখ করে বলেন, বিএনপির আসন্ন উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্তের অর্থ হচ্ছে জনগণ থেকে ক্রমেই আরো দূরে সরে যাওয়া। গত সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর তারা হয়তো নির্বাচন করতে সাহস পাচ্ছে না। কিন্তু বিএনপিকে আমি বলব খানিকটা সাহস সঞ্চয় করে নির্বাচনে আসতে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কীর্তিময় জীবনের ওপর আলোকপাত করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে যেমন উন্নয়ন, শান্তি, গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মুক্ত চেতনা ও অসাম্প্রদায়িকতার প্রতীক, তেমনি বিস্ময়কর মানবতারও প্রতীক। ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে তিনি আশ্রয় দিয়েছেন পরম মমতায়। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জাতির পিতার মৃত্যুতে পিতৃহীন সন্তানদের বুকে আগলে রেখেছেন মমতাময়ী মায়ের মতন; দেশকে এগিয়ে নিয়েছেন বিস্ময়কর উন্নয়নের গণতান্ত্রিক যাত্রায়; তিনি আজ শুধু ব্যক্তি নন, এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস শুধু তার প্রত্যাবর্তন নয়, সেটি ছিল উন্নয়ন, শান্তি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র- এসবেরই প্রত্যাবর্তন। মন্ত্রী এ সময় গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা গ্রন্থটি সকলকে পড়ে দেখতে অনুরোধ জানান। ...

নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে ৩ মার্চ ধার্য

২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আদালতে বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির কারণে নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে ৩ মার্চ ধার্য করা হয়েছে। বেগম জিয়ার আইনজীবীরা জানিয়েছেন তিনি অসুস্থ। অন্যপক্ষ বলছে, বেগম জিয়া ঘুমে থাকার কারণে আদালতে উপস্থিত করা যায়নি। বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতে, নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিলো। কিন্তু মামলার প্রধান আসামি কারাগারে থাকা বেগম জিয়া আদালতে হাজির না হওয়ায় শুনানি পিছিয়ে দেন আদালত। বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলছেন, বেগম জিয়া গুরুতর অসুস্থ। ব্যক্তিগত চিকিৎসক দিয়ে তার চিকিৎসার প্রয়োজন। কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির ফলে, রাষ্ট্রের প্রায় ১৪ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগে ২০০৭ সালে বেগম জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুদক।...

সুস্থ থাকতে সব খাবার পাতে

১১ ফেব্রুয়ারী ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : ষাটের দশকে সেভেন কান্ট্রিজ স্টাডিতে বিজ্ঞানীরা জানান যে ভূমধ্যসাগরের আশপাশের এলাকায় চর্বিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া সত্ত্বেও মানুষের হৃদরোগ কম হয়। তার অন্যতম কারণ হিসাবে উঠে আসে অলিভ অয়েল, বাদাম ও সামুদ্রিক মাছ। তাঁদের খাবারের প্রায় সব চর্বিটুকুই আসত অলিভ অয়েল, বাদাম ও সামুদ্রিক মাছ থেকে৷ অলিভ অয়েল ও বাদাম (আমন্ড, চিনেবাদাম, কাজু, হেজেলনাট, ম্যাকাডামিয়া নাট) হল মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বা মুফা-র বড় উৎস৷এছাড়া অ্যাভোক্যাডো, বাদাম ক্যানোলাস্যাফ্ তেল, ন্যাচারাল পিনাট বাটারেও প্রচুর মুফা আছে৷যদিও এদের ক্যালোরি একটু বেশি৷এছাড়া আর কোনও দোষ নেই৷কাজেই নিয়মিত অল্প করে মুফা সমৃদ্ধ খাবার খানা। সামুদ্রিক মাছে আছে পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বা পুফা৷আখরোট, সয়াবিনের দুধ ও টোফু, সূর্যমুখী তিসি ও কুমড়োর বীজ, সানফ্লাওয়ার সয়াবিন ও কর্ন অয়েলেও বেশ ভাল পরিমাণে আছে৷ ওমেগা থ্রি ভার্সেস ওমেগা সিক্স: পুফা মূলত দু রকম৷ওমেগাথ্রি ও ওমেগাসিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড৷খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে, ভাল কোলেস্টেরল বাড়াতে এদের ভূমিকা আছে৷শরীরের অন্যান্য আরও কাজেও লাগে তারা৷ সবচেয়ে ভাল ফল পেতে সারা দিনের খাবারে ওমেগাসিক্স ও ওমেগাথ্রির অনুপাত সমান থাকা দরকার৷ নাহলে ২ : ১ বা নিদেনপক্ষে ৪ : ১ রাখতেই হবে৷ না হলে হৃদরোগ, ডায়াবিটিস, অ্যার্থ্রাইটিস, অ্যালঝাইমার ডিজিজ, ক্যানসার ইত্যাদির আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে৷বয়সের ছাপ পড়তে পারে দ্রুত৷মন মেজাজ খারাপ হওয়া থেকে শুরু করে ডিপ্রেশনের প্রকোপ বাড়তে পারে৷কাজেই কীভাবে ওমেগাসিক্স কম খেয়ে ওমেগাথ্রি সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া যায়, তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা দরকার৷ খাবারে ওমেগা সিক্স ও ওমেগা থ্রি-র অনুপাত ঠিক থাকলে স্মৃতিশক্তি ভাল থাকে, ক্লান্তি কমে, প্রকোপ কমে স্কিজোফ্রেনিয়া এডিএইচ ডিসঅর্ডারের মতো রোগের৷ কী খাবেন, কীভাবে খাবেন: তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছে এবং অর্গানিক পশুর মাংসে ভাল জাতের ওমেগা থ্রি আছে প্রচুর পরিমাণে৷আছে আখরোট, তিসি, ব্রাসেল্স স্প্রাউট, পালং, পার্সলে ইত্যাদিতেও৷তবেতামানেকিছুটাখাটো৷তাও সবধরনের খাবার মিলিয়ে মিশিয়ে খেলে প্রয়োজন মিটে যায়৷কোনও কারণে খাওয়া সম্ভব না হলে সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন৷ প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খেলে ওমেগা সিক্স এর ঝামেলা কম থাকে৷কম থাকে ট্রান্সফ্যাটের বিপদ৷কাজেই কেক, বিস্কুট, প্যাকেটজাত ফুড, ইনস্ট্যান্ট নুডুল্স, আইসক্রিম ইত্যাদি খাওয়া কমান৷ সয়াবিন, বাদাম ও বীজে ওমেগা সিক্স বেশি থাকলেও এ সবের অন্য উপকার আছে বলে অল্প করে খাওয়া ভাল৷ ছাঁকা তেলে ভাজা যত কম খাওয়া যায় তত ভাল৷টাটকা তেলে ভেজে খেলে ক্ষতি কম হলেও, একেবারে নেই এমন নয়৷আর পোড়া তেলে ভাজলে তো কথাই নেই৷ট্রান্সফ্যাটে ভরপুর থাকে সে খাবার৷ অল্প করে ফুল ফ্যাট খাবার খান৷যেমন, হোল মিল্ক, ফুল ফ্যাট ইয়োগার্ট বা চিজ৷লো ক্যালোরি সুষম খাবার খাওয়ার পাশাপাশি সপ্তাহে দু এক দিন এক চামচ ঘি ও মাখন খেতে পারেন৷খেতেপারেনপিনাটবাটার৷তৈলাক্তমাছসপ্তাহেদু দিন অবশ্যই খাবেন৷বাকিদিনে দেশি চিকেন, জৈব খাবার বা ঘাস খেয়ে বড় হওয়া গরু বা পাঁঠার মাংসের লিন কাট, দেশি মুরগির ডিম, রাজমা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন খান৷কখনওসখনও পোর্ক খেলেও লিন কাটই খাবেন৷ বাঙালি রান্না সর্ষের তেলে করাই ভাল৷ক্যানোলা বা ফ্ল্যাক্সসিড অয়েলেও রাঁধতে পারেন৷আর অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন স্যালাড ড্রেসিংয়ে বা সতে শাক সব্জি চিকেনে৷পাউরুটিতে মাখনের বদলে লাগিয়ে খেতে পারেন। অলিভ অয়েল ফ্রিজে রাখুন৷নাহলে আলো ও তাপে তার উপকারী দিক কমে দিনে দিনে৷কম তেলে ঢিমে আঁচে রান্না করুন খাবারদাবার৷ স্ন্যাক্স হিসেবে অল্প সেঁকা বাদাম খান, সপ্তাহে ৪-৫ দিন৷ক্যালোরি বেশি বলে ২৫ গ্রামের বেশি না খাওয়াই ভাল৷হার্ট, কোলেস্টেরল, সব ঠিক থাকবে৷রক্তচাপ বেশি থাকলে নুন ছাড়া খাবেন৷তেল, বীজ বা বাদাম স্বাদে বা গন্ধে তেতো লাগলে বুঝবেন তার উপকার কমতে শুরু করেছে বা কমে গেছে৷তখন তাকে বাদ দিয়ে দেওয়াই শ্রেয়৷ ...

জেনে রাখুন,বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে যে খাবার

১ ফেব্রুয়ারী ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :সন্তান হওয়ার পর তাদের মেধাবিকাশ নিয়ে সব বাবা-মাই খুব চিন্তিত থাকেন। শুধু চিন্তা করলেই হবে না, বাচ্চার মেধাবিকাশের পাশাপাশি স্মৃতিশক্তিও যেন ভালো হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। জেনে রাখুন এমনই কিছু খাবার যা বাচ্চাদের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য উপকারী। ওটমিল : ব্রেকফাস্টে বাচ্চাকে খাওয়াতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকবে না। মাছ : মাছে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড এবং ডিএইচএ। বহু গবেষণায় দেখা গেছে যে খাবারে কম পরিমাণে ডিএইচএ থাকলে স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাদাম : আমন্ড বা যে কোনো বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন। তবে বিশেষ করে কাজু বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। তাই সন্তানকে বাদাম খাওয়াতে ভুলবেন না। ফল : যেসব ফল এবং সবজিতে বেসি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা মস্তিষ্কের পক্ষে খুব ভালো। ব্লুবেরি ও স্ট্রবেরিতে থাকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা মনোযোগ এবং শর্ট টার্ম মেমরি ভালো রাখতে সাহায্য করে। ড্রাই ফ্রুটস : ড্রাই ফ্রুটসে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে যা বাচ্চাকে সজাগ রাখতে সাহায্য করে। বাচ্চার ব্রেকফাস্টে বা টিফিনে কিশমিশ, চেরি ইত্যাদি ড্রাই ফ্রুটস দিয়ে দিতে পারেন। দই : যে বাচ্চারা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খায় তারা অনেক চটপট ও কোনো নতুন জিনিস শিখে নিতে পারে। ক্যালসিয়াম বাচ্চাদের হাড় মজবুত করে এবং অ্যাক্টিভ থাকতে সাহায্য করে। বাচ্চাকে দিনে একবার দই খাওয়াতে চেষ্টা করুন। ডিম : ডিমে প্রচুর পরিমাণে কোলিন থাকে যা শরীরে নিউরোট্রান্সমিটার অ্যাসিটিলকোলিন তৈরি করতে সাহায্য করে। শরীরে যদি সঠিক পরিমাণে অ্যাসিটিলকোলিন তৈরি না হয় তাহলে, কোনো কিছু মনে রাখতে অসুবিধা হতে পারে। ডিমে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে যা বাচ্চার মস্তিষ্কের পক্ষে খুবই ভলো।...

বাংলাদেশে জঙ্গি ঘাঁটি গড়তে দেব না: একান্ত সাক্ষাৎকারে হাসিনা

অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এলে লন্ডন থেকে খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানকে ফিরিয়ে এনে বিচার করতে চান শেখ হাসিনা। ভোটের মুখে ভারতীয় সাংবাদিকদের দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বুধবার এ কথা জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের নাম না-করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে ভারত-সহ কোনও প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের ঘাঁটি করতে দেব না। আসন্ন ভোটে জয়ের প্রশ্নে আশাবাদী হয়েও সতর্ক থাকতে চাইছেন আওয়ামি লিগ নেত্রী। তাঁর কথায়, বিএনপি ও জামাতে ইসলামির জোট ভালই জানে, তারা নির্বাচনে জিততে পারবে না। সন্ত্রাস প্রশ্নে তাদের অতীত রেকর্ড খুব খারাপ। ভোট বানচালের চেষ্টা করতে পারে তারা। কিন্তু এ বার আমরা শুধু নই, দেশবাসীও সতর্ক।আলাপচারিতায় এ দিন বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াই নিয়ে স্মৃতিতে ডুব দিয়েছেন হাসিনা। কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গাঁধীকে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক অতীত অর্থাৎ ২০১৩-১৪ সালের বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, মনে করে দেখুন ২০১৩ সালেরডিসেম্বরে বিএনপি-জামাত কী ভাবে স্কুলে, বাসে, অটোয়, স্টিমারে আগুন দিয়েছিল। বাবার সামনে শিশুর গায়ে আগুন ধরায়। বাস থেকে নামিয়ে ড্রাইভারের গায়ে পেট্রোল ঢালে। এটা কোন ধরনের আন্দোলন? কী অর্জন হয় এ থেকে? মানুষের সমর্থন পাচ্ছে না, তাই এ বারেও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নস্যাৎ করতে চাইছে তারা।চলতি ভোট প্রস্তুতিতে একটি চিত্র খুবই স্পষ্ট। বাংলাদেশের রাস্তাঘাটে আওয়ামি লিগের প্রতীক নৌকার অজস্র পোস্টার ব্যানার চোখে পড়লেও বিএনপির ধানের শিস কার্যত অনুপস্থিত। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, বিভিন্ন কেন্দ্রে ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে তাদের পোস্টার। প্রচারও করতে দিচ্ছে না আওয়ামি লিগ। অনেকে বলছেন, বিএনপি শিবির যেন ঝড়ের আগে থম মেরে রয়েছে। বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে শেখ হাসিনার ব্যাখ্যা, আমরাও দেখছি। ওদের প্রার্থী রয়েছে কিন্তু পোস্টার নেই। অভ্যন্তরীণ লড়াইয়ের কারণে ওরা অনেক জায়গায় পোস্টার লাগাতে পারছে না, আর নালিশ করছে আমাদের নামে। আসলে ওরা প্রত্যেকটি আসন নিলামে চড়িয়েছিল। যে বেশি টাকা দিয়েছে তাকে টিকিট দিয়েছে। এক একটি আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে প্রথমে। পরে এক জনকে রেখে বাকিদের বাতিল করেছে। স্বাভাবিক ভাবেই ওদের যারা পুরনো লোক, তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। পুরো বিষয়টির কলকাঠি নাড়া হচ্ছে লন্ডন থেকে। লন্ডনে থাকা তারেককে ফিরিয়ে আনার প্রশ্নে হাসিনার বক্তব্য, তিনি গ্রেনেড হামলা-সহ বহু অপরাধে যুক্ত। তারেক বাংলাদেশের নাগরিক। তাই বিচারের জন্য ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে ফিরিয়ে আনা হবে।ভোটের আগে পাক দূতাবাসের মাধ্যমে আইএসআই তৎপরতা বাড়াচ্ছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। হাসিনার বক্তব্য, আমরাও জানি এই তৎপরতা চলছে। আসলে বিএনপির অনেক নেতার শরীরটা পড়ে থাকলেও আত্মা রয়েছে ওখানে। তবে এ জন্য আইএসআইকে দোষ দিই না। বিএনপি নেতাদেরই দিই। অস্ত্র চোরাকারবার আর হাওয়ালা থেকে করা অঢেল টাকায় লন্ডনে বসে তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চাইছে।ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে হাসিনার বক্তব্য, গোটা বিশ্বের কাছে এটা একটা উদাহরণ। ছিটমহল বিনিময়ের মত বিষয় নিয়ে বহু দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। কিন্তু আমরা কি সুন্দরভাবে করলাম! একটা বিষয় দেখেছি যে বাংলাদেশের কোনও বিষয় এলে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধিতা ভুলে যেন এক হয়ে যায়।ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে হাসিনা বলেন, গোটা বিশ্বের কাছে এটা একটা উদাহরণ। ছিটমহল বিনিময়ের মতো বিষয় নিয়ে বহু দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। কিন্তু আমরা কী সুন্দর মিটমাট করলাম! একটা বিষয় দেখেছি, বাংলাদেশের কোনও বিষয় এলে ভারতের রাজনৈতিক দলগুলি বিরোধিতা ভুলে যেন এক হয়ে যায়! কিন্তু সব বিষয়ে এক হয় কি? এই মুহূর্তে কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করতে নারাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এমনকি বাংলাদেশের ইলিশের ভারতে রফতানির বিষয়টিতেও বিশদে কিছু বলতে চাইলেন না। হাসিমুখে শুধু জানিয়েছেন, পানি পেলেই তিনি ইলিশ দিতে তৈরি! আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হল।...

তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে কতটা সমর্থন দেবে?

অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার সারা দেশ থেকে নির্বাচিত কিছু তরুণদের সঙ্গে বিশেষ এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বসেছিলেন। বলা হচ্ছে, তাদের পরামর্শ ও পরিকল্পনার কথা শুনেছেন তিনি। বাংলাদেশে কাছাকাছি সময়ে বড় যে আন্দোলনগুলো হয়েছে সেগুলো প্রায় সবই তরুণদের আন্দোলন। সবচাইতে আলোচিত কোটা আন্দোলন বা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন যেভাবে সামাল দেয়া হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের সাথে তরুণ প্রজন্মের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটারের সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। পাঁচই জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে পাঁচটি বিষয় সবচাইতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিলো তার অন্যতম হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যু। ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ইস্যুও তরুণদের আকর্ষণ করতে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয় সেবার তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলো। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা তরুণদের এবার কিভাবে আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন? তিনি বলছেন, আমরাতো পৃথিবীটা তাদের হাতের মুঠোর ভেতরে এনে দিয়েছি, দিন বদলের সনদ ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে। তারা পৃথিবীর যে প্রান্তে বিচরণ করতে চায় সেখানেই তারা যেতে পারে। এই যে সুবিধাগুলো তাদেরকে দিয়েছে বর্তমান সরকার। তথ্য প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছি। এগুলো সবকিছু হচ্ছে তরুণদের জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা বুঝতে শেখার পর গত দশ বছর আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলকে ক্ষমতায় দেখেনি। অন্য কোন দলকে যাচাই করার কোন সুযোগ তারা পায়নি। কাছাকাছি সময়ে তাদের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল কোটা সংস্কার ও সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলন। এ দুটি আন্দোলনই একটি পর্যায়ে ক্ষমতাসীনদের জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠেছিলো। দুটি আন্দোলনের ক্ষেত্রেই সরকারের ভূমিকা সেসময় প্রশ্নের মুখে পড়েছিলো। কোটা সংস্কারের আন্দোলনের ক্ষেত্রে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রাখছে না বলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিলো। শেষমেশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলেও অনেক নাটক ও বিলম্বের পর। এই আন্দোলন দুটি তারা সঠিকভাবে সামাল দেননি বলে মনে করেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ। তিনি বলছেন এর প্রভাব ভোটে হয়ত পরতে পারে। তিনি বলছেন, দুটো আন্দোলনই নির্বাচনের খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যেই হয়েছে। আরও সেনসিটিভভাবে এটা সামাল দেয়া যেতো। তা করা হয়নি বা করতে পারেনি সরকার। তরুণদের কিছু ইনসেনসিটিভ কিছু ঘটনার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেটার কিছু প্রভাবতো পড়বে তবে তিনি মনে করছেন, বর্তমান সরকার একটা যায়গায় তরুণদের উপর অনেক নজর দিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তারা করার চেষ্টা করেছে সেখানে তরুণদের মাথায় রেখে অনেক কাজ হয়েছে। সেটিও নিশ্চয়ই কোন প্রভাব ফেলবে। তবে এই মুহূর্তে তরুণদের জন্য কোন ইস্যুটা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, তারা কি চায়, তাদের কোন বিষয়টি সবচাইতে দরকার, তাদের উদ্দেশ্য করে ইশতেহারে এমন কিছু থাকে না যা তাদের আকর্ষণ করতে পারে, বলছিলেন তিনি। তরুণরা আসলে কি চায়? সেটি বোঝার জন্য অনেকের সংগে কথা বলে মনে হল চাকরী বিষয়টা এই বেশিরভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কথা হচ্ছিলো নিশিতা মিতুর সাথে। তিনি এবছর ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হয়েছেন। বাংলাদেশে এই বয়সী আরও অনেকের মতোই সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। তিনি বলছিলেন তার কাছে এখন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটা ভালো চাকরি। তিনি বলছেন, কোটা আন্দোলন নিয়ে একটা সেইযে ঘোলাটে পরিবেশ, তার একটা স্বচ্ছ অবস্থান এটাই বোধহয় তরুণরা এখন সবচেয়ে বেশি ভাবছে।...

আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের শুভ জন্মদিন

৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের আজ ১৫ তম জন্মদিন। মার্ক জাকারবার্গের হাত ধরে ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকের যাত্রা শুরু হয়। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অনলাইনে একত্রীকরণের পরিকল্পনা থেকে দ্য ফেসবুক নাম নিয়ে শুরু হয় ফেসবুকের যাত্রা। ৪৭৯ বিলিয়ন ডলার বাজারমূল্যের প্রতিষ্ঠানটির বর্তমানে ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২৩২ কোটি। ২০১৮ সালে ফেসবুকের মোট মুনাফা ছিল ২২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৭ সালের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি। ফেসবুকের বিরুদ্ধে গোপনীয়তা রক্ষা না করা এবং ক্ষতিকর কন্টেন্ট ছড়ানোয় ভূমিকা রাখার অভিযোগ উঠলেও ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।


বাংলাদেশে জঙ্গি ঘাঁটি গড়তে দেব না: একান্ত সাক্ষাৎকারে হাসিনা

অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এলে লন্ডন থেকে খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানকে ফিরিয়ে এনে বিচার করতে চান শেখ হাসিনা। ভোটের মুখে ভারতীয় সাংবাদিকদের দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বুধবার এ কথা জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের নাম না-করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে ভারত-সহ কোনও প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের ঘাঁটি করতে দেব না। আসন্ন ভোটে জয়ের প্রশ্নে আশাবাদী হয়েও সতর্ক থাকতে চাইছেন আওয়ামি লিগ নেত্রী। তাঁর কথায়, বিএনপি ও জামাতে ইসলামির জোট ভালই জানে, তারা নির্বাচনে জিততে পারবে না। সন্ত্রাস প্রশ্নে তাদের অতীত রেকর্ড খুব খারাপ। ভোট বানচালের চেষ্টা করতে পারে তারা। কিন্তু এ বার আমরা শুধু নই, দেশবাসীও সতর্ক।আলাপচারিতায় এ দিন বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াই নিয়ে স্মৃতিতে ডুব দিয়েছেন হাসিনা। কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গাঁধীকে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক অতীত অর্থাৎ ২০১৩-১৪ সালের বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, মনে করে দেখুন ২০১৩ সালেরডিসেম্বরে বিএনপি-জামাত কী ভাবে স্কুলে, বাসে, অটোয়, স্টিমারে আগুন দিয়েছিল। বাবার সামনে শিশুর গায়ে আগুন ধরায়। বাস থেকে নামিয়ে ড্রাইভারের গায়ে পেট্রোল ঢালে। এটা কোন ধরনের আন্দোলন? কী অর্জন হয় এ থেকে? মানুষের সমর্থন পাচ্ছে না, তাই এ বারেও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নস্যাৎ করতে চাইছে তারা।চলতি ভোট প্রস্তুতিতে একটি চিত্র খুবই স্পষ্ট। বাংলাদেশের রাস্তাঘাটে আওয়ামি লিগের প্রতীক নৌকার অজস্র পোস্টার ব্যানার চোখে পড়লেও বিএনপির ধানের শিস কার্যত অনুপস্থিত। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, বিভিন্ন কেন্দ্রে ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে তাদের পোস্টার। প্রচারও করতে দিচ্ছে না আওয়ামি লিগ। অনেকে বলছেন, বিএনপি শিবির যেন ঝড়ের আগে থম মেরে রয়েছে। বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে শেখ হাসিনার ব্যাখ্যা, আমরাও দেখছি। ওদের প্রার্থী রয়েছে কিন্তু পোস্টার নেই। অভ্যন্তরীণ লড়াইয়ের কারণে ওরা অনেক জায়গায় পোস্টার লাগাতে পারছে না, আর নালিশ করছে আমাদের নামে। আসলে ওরা প্রত্যেকটি আসন নিলামে চড়িয়েছিল। যে বেশি টাকা দিয়েছে তাকে টিকিট দিয়েছে। এক একটি আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে প্রথমে। পরে এক জনকে রেখে বাকিদের বাতিল করেছে। স্বাভাবিক ভাবেই ওদের যারা পুরনো লোক, তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। পুরো বিষয়টির কলকাঠি নাড়া হচ্ছে লন্ডন থেকে। লন্ডনে থাকা তারেককে ফিরিয়ে আনার প্রশ্নে হাসিনার বক্তব্য, তিনি গ্রেনেড হামলা-সহ বহু অপরাধে যুক্ত। তারেক বাংলাদেশের নাগরিক। তাই বিচারের জন্য ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে ফিরিয়ে আনা হবে।ভোটের আগে পাক দূতাবাসের মাধ্যমে আইএসআই তৎপরতা বাড়াচ্ছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। হাসিনার বক্তব্য, আমরাও জানি এই তৎপরতা চলছে। আসলে বিএনপির অনেক নেতার শরীরটা পড়ে থাকলেও আত্মা রয়েছে ওখানে। তবে এ জন্য আইএসআইকে দোষ দিই না। বিএনপি নেতাদেরই দিই। অস্ত্র চোরাকারবার আর হাওয়ালা থেকে করা অঢেল টাকায় লন্ডনে বসে তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চাইছে।ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে হাসিনার বক্তব্য, গোটা বিশ্বের কাছে এটা একটা উদাহরণ। ছিটমহল বিনিময়ের মত বিষয় নিয়ে বহু দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। কিন্তু আমরা কি সুন্দরভাবে করলাম! একটা বিষয় দেখেছি যে বাংলাদেশের কোনও বিষয় এলে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধিতা ভুলে যেন এক হয়ে যায়।ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে হাসিনা বলেন, গোটা বিশ্বের কাছে এটা একটা উদাহরণ। ছিটমহল বিনিময়ের মতো বিষয় নিয়ে বহু দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। কিন্তু আমরা কী সুন্দর মিটমাট করলাম! একটা বিষয় দেখেছি, বাংলাদেশের কোনও বিষয় এলে ভারতের রাজনৈতিক দলগুলি বিরোধিতা ভুলে যেন এক হয়ে যায়! কিন্তু সব বিষয়ে এক হয় কি? এই মুহূর্তে কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করতে নারাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এমনকি বাংলাদেশের ইলিশের ভারতে রফতানির বিষয়টিতেও বিশদে কিছু বলতে চাইলেন না। হাসিমুখে শুধু জানিয়েছেন, পানি পেলেই তিনি ইলিশ দিতে তৈরি! আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হল।

বসবাসযোগ্য হোক ঢাকা পরিকল্পিত শিক্ষার আশা

লন্ডনভিত্তিক ম্যাগাজিন দ্যা ইকোনমিস্টের ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা ইআইইউ বাসযোগ্যতা নির্ণয়ে বিশ্বের ১৪০টি শহরের যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেখানে বসবাসের অযোগ্য শহর হিসেবে এবারও দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এটি অবশ্য প্রকাশ করেছে ১৪ আগস্ট ২০১৮ সালে। তাদের জরিপ অনুযায়ী বিশ্বের বাসযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে প্রথম ১০টি হলো- অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা, অস্টেলিয়ার মেলবোর্ন, জাপানের ওসাকা, কানাডার ক্যালগেরি, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, কানাডার ভ্যাঙ্কুভার, জাপানের টোকিও, কানাডার টরেন্টো, ডেনমার্কের কোপেনহেগেন ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড। বিপরীতে বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসের অযোগ্য শহরগুলোর প্রথমে রয়েছে সিরিয়ার দামেস্ক। তালিকার পরবর্তী শহরগুলো হলো- ঢাকা, নাইজেরিয়ার লাগোস, পাকিস্তানের করাচি, পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মরিসবি। ২০১১ সাল থেকে সিরিয়ায় দেশি-বিদেশি বহুমুখী যুদ্ধ চলছে। বিমান হামলা, বোমা বিস্ফোরণ এমনকি রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহারও হচ্ছে সেখানে। ফলে দামেস্কের বসবাস অযোগ্য শহরের তালিকায় এক নম্বরে থাকা অস্বাভাবিক নয়; কিন্তু আমাদের স্বপ্নছোঁয়া উন্নয়নশীল দেশের রাজধানী ঢাকা বছরের পর বছর বসবাস অযোগ্য শহরের তালিকার তলানিতে থাকাটা গভীর বেদনা আর শংকা তৈরি করে। যদি সিরিয়ায় যুদ্ধ না থাকত তবে ঢাকা বসবাস অযোগ্য নগরীর তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করত, এই ভাবনাও আমাদের কাচুঁমাচুঁ করে। অবশ্য আশংকা তো আর নতুন নয়। রাজধানী ঢাকা আর নাগরিক সমস্যা সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছে বহু আগেই। আমাদের প্রাণের শহর বর্তমানে ঢাকার ভেতরের চিত্র দিন দিন প্রত্যাশার বেড়াজাল ছিন্ন করছে। শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদী দখলদারিত্বের কবলে পড়ে আবদ্ধ জলাভূমিতে পরিণত হয়েছে ঐতিহাসিক এই নদ-নদী। নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে দুর্বিষহ যানজট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সংকট, পয়ঃনিস্কাশনের জটিলতা, দুর্গন্ধময় ও বিষাক্ত বাতাস, দূষিত পরিবেশ, অসম্ভব ঘনবসতি, ভেজাল খাবার, গাড়ির বিষাক্ত ধোঁয়া, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্দশা, জলাবদ্ধতা, ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি, মাদকের ভয়াল ছোবল, ছিনতাই, আকাশছোঁয়া দ্রব্যমূল্য, লাগামহীন বাসা ভাড়া, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতি ইত্যাদি নানা সমস্যা। অসংখ্য সমস্যার মধ্যে যেটি প্রধান হয়ে উঠেছে তা হচ্ছে যানজট। এ সমস্যা এখন নিত্যদিনের নৈমিক্তিক বিষয়। যানজটে মানুষের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়, তার হিসাব বিভিন্ন সংস্থা বিভিন্ন সময়ে দিয়েছে। বুয়েটের এক গবেষণায় বলা হয়েছে যানজটের কারণে বছরে ২২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পিপিআরসি বলেছে ২০ হাজার কোটি টাকা। সর্বশেষ জাতিসংঘের ইউএনডিপি এক গবেষণায় বলেছে, যানজটে বছরে ক্ষতি হয় ৩৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা। বাস্তবতা হয়তো আরো ব্যাপক, ভিন্ন, আমাদের অন্তরাত্মা বিমর্ষ বিদির্ণ। ঢাকা মহানগরে যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি ও বিভিন্ন নির্মাণকাজের কারণে বায়ুদূষণ আশঙ্কাজনক; মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে মাত্রা সবচেয়ে বেশি। সেখানে প্রতি ঘনমিটার বাতাসে পার্টিকুলেট ম্যাটার (পিএম) ১৭২ মাইক্রোগ্রাম। অথচ জাতীয়ভাবে পিএম ৬৫ মাইক্রোগ্রাম। জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতিও ভয়াল ভয়াবহ। মশাবাহিত রোগ; যেমন- চিকুনগুনিয়া, ডেঙ্গু প্রভৃতির ঝুঁকি রয়েছে যথেষ্ট মাত্রায়। ময়লা-আবর্জনার কারণে দূষিত পরিবেশ; পেটের পীড়া, জন্ডিস ও টাইফয়েড আক্রান্ত হয় মানুষ। ঢাকার একটি বার্ষিক উপদ্রব ডায়রিয়া। বছরে দুবার, বর্ষার শুরুতে ও শেষে এ উপদ্রব দেখা দেয়। পয়োনিস্কাশন ভালো নয়। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ঢাকার মলমূত্রের মাত্র ২ শতাংশের নিরাপদ নিষ্কাশন হয়। বাকিটা মিশে যায় প্রকৃতিতে, পানির উৎসে। বিবিএস ও ইউনিসেফের তথ্য মতে, ঢাকায় সরবরাহ করা পানির দুই-তৃতীয়াংশে মলবাহিত জীবাণু থাকে। এটি জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় ঝুঁকি। স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভালো নয় বলে একটু বৃষ্টি হলেই স্যুয়ারেজ, ড্রেন আর পাইপের পানি একাকার হয়ে যায়। বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা প্রকট সমস্যা। ঘন্টাখানেকের টানা বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় ঢাকার রাস্তাঘাট। কিছু এলাকা; যেমন- মিরপুর, মানিকনগর, মালিবাগ, ওয়্যারলেস, তেজগাঁও, পল্লবীর কালশী রোড, দৈনিক বাংলা মোড়ে রাস্তায় পানি থইথই করে। ভোগান্তিতে পড়ে নগরবাসী। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও অফিসগামী যাত্রীরা। বেশির ভাগ রাস্তা ও গলি অপ্রশস্ত, ইট-খোয়া-বিটুমিন ওঠা, ময়লায় ভর্তি। এসবের ফল যানজট। রাস্তার সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ নেই। সারা বছর খোঁড়াখুঁড়ি চলে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক না হলেও সন্তোষজনক নয়। ছিনতাই-রাহাজানি নিত্য ঘটনা; খুনখারাবি আছে। বাজারও নিয়ন্ত্রণহীন, বিশেষ করে শাকসবজির বাজার। পাইকারি ও খুচরা দরে পার্থক্য অনেক। বাসযোগ্যতার সূচকে এসব তথ্য-উপাত্ত বিবেচনা করেই তালিকা চূড়ান্ত করে। অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলশ্রুতিতে যেসব সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে তার সবগুলোর উপস্থিতি এখানে ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কোনো কোনো সমস্যা এতটাই প্রকট আকার ধারণ করেছে যে, সেগুলোর সমাধান আদৌ সম্ভবপর কিনা তা ভাবনার বিষয়। দেশের রাজধানী শহরে বসবাসকারী নাগরিকদের যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার কথা তার ধারে কাছেও নাই অভাগা নগরবাসী। তারপরও প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ ঢুকছে এ শহরের পেটে। বিদ্যমান জনগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরো কিছু মানুষ, সেই সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সমস্যা আর প্রকট হয়ে উঠছে পুরাতন সমস্যা। এক দুঃসহ জীবন পার করছে এই নগরবাসী। বিভিন্ন সময় ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করার উপায় নিয়ে অনেক নগরবিশারদ, জ্ঞানী গুণী ব্যক্তি তাদের মতামত তুলে ধরার চেষ্টা করেন। প্রতিটি সরকারই বিভিন্ন সময়ে তাদের নানামুখী পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করে নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে থাকে। কখনো কখনো কিছু বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপ চোখেও পড়ে। এসব পদক্ষেপের বেশির ভাগই সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছতে পারে না। মাঝপথেই হোঁচট খায়, অর্থের অপচয় হয়, জনগণের ভোগান্তি যে স্তরে ছিল সেই স্তরেই আটকে থাকে। ভাবা হয়ে থাকে অতিরিক্ত জনসংখ্যাই মূল সমস্যা। যে পরিমাণ মানুষ এখানে বাস করে তার ভার সহ্য করার ক্ষমতা এ শহরটি হারিয়ে ফেলেছে। বাকশক্তি থাকলে নিশ্চিত অনেক আগেই চিৎকার করে জানিয়ে দিত এ অক্ষমতার কথা। ঘর থেকে বের হলেই চোখে পড়বে হাজারো মানুষের নানামুখী । রাস্তাঘাট, টার্মিনাল, শপিংমল, পার্কÑ কোথায় নেই মানুষের ভিড়। সরকারি হিসাবে ঢাকায় বর্তমান বসবাসরত জনসংখ্যা ১ কোটি ৬৫ লক্ষ। আর প্রতি বর্গকিলোমিটার বাস করে ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। এসব মানুষের বাসস্থান পয়ঃনিস্কাশন সুবিধা পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ চলাচলের পর্যাপ্ত যানবাহন বাস, রিকশা, চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল, ক্লিনিক, শিক্ষার জন্য স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় তো কোন না কোনভাবে ব্যবস্থা হচ্ছে। এত মানুসের চাওয়া পূরণ করা এই শহরটির পক্ষে সম্ভব কিনা তাও তো ভাবনায় ফেলার কথা। সকল নাগরিকের পরিপূর্ণ সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার মতো সম্পদ, সামর্থ্য এ রাষ্ট্রের যেমন নেই, সামর্থ্য থাকলেও এই ছোট্ট জায়গায় সে ধরনের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করাও সম্ভব নয়। একারণেই জনসংখ্যার ভার কমানো, শহরমুখী প্রবণতা রোধ করার জোরালে পদক্ষেপই অযোগ্য এই শহরটিকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার প্রথম পদক্ষেপ। গ্রামে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, জীবনযাত্রার মান সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির জন্যই স্লোগান হচ্ছে আমার গ্রাম, আমার শহর আর তা সম্ভব হলে গ্রামাঞ্চলে বিকল্প কাজের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে মৌল মানবিক চাহিদা মিটিয়ে আমার গ্রাম স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হবে। অন্যদিকে শহরমুখী প্রবণতাও রোধ করা যাবে। গ্রামে প্রচুর সম্পদ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক যে, প্রতিটি সরকার ঢাকা শহরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান যত পদক্ষেপ নিয়েছে, যত অর্থ ব্যয় করেছে বা যত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তার এক-দশমাংশ পদক্ষেপও নেয়নি গ্রামাঞ্চলে। স্থানীয় সম্পদ কাজে লাগিয়ে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে শহরমুখী প্রবণতা রোধ করা যেতো। গ্রামীণ পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে প্রয়োজন নিরীখে কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষাতেও জোর দেওয়া হয়নি। একটি জাতির উন্নতির চাবিকাঠি হলো ডিপ্লোমা শিক্ষা। দারিদ্র বিমোচন, স্বনির্ভর জাতি গঠন ও সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ডিপ্লোমা শিক্ষাই হচ্ছে প্রধান অবলম্বন। মেধা ও মননে আধুনিক এবং চিন্তা চেতনায় অগ্রসর একটি সুশিক্ষিত জাতিই একটি দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। সেজন্যই ডিপ্লোমা শিক্ষাকে জাতির মেরুদ- বলা হয়। জাতির মেরুদ- শিক্ষা, জ্ঞান, প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা শিক্ষার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ডিপ্লোমা শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো- জ্ঞান সঞ্চারণ, নতুন জ্ঞানের উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। দুভার্গ্য যে এসমস্ত প্রযুক্তিমুখী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেশীরভাগই রাজধানীমুখী ঢাকা শহরে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ডিপ্লোমা শিক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী বিচ্ছিন্ন মতাদর্শের ভিন্ন ভিন্ন ৭টি প্রতিষ্ঠানও ঢাকা শহরে। বাংলাদেশের সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে স্বাস্থ্য, কৃষি, মেরিন প্রকৌশল শিক্ষায় ১১৭২ টি ইনস্টিটিউটের মধ্যে ঢাকাতেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে অর্ধেকের বেশি ৬১৮ টি। বাকি ৫৫৪ প্রতিটি করা হয়েছে ৩৩টি জেলায়। ৩০টি জেলায় কোন ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। উল্লেখ করা প্রয়োজন যে কেবল প্রকৌশল বিষয়টি নিয়ে মাতামাতি করলে উৎপাদনমুখী শিক্ষার মাত্র ৭/৮ ভাগ করা হয়, বাকীরা থাকে আঁধারে। ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত ৬১৮টি ইনস্টিটিউটে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়। শিক্ষার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকায় অবস্থিত সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বাকি অল্প কিছু নিজেই শিল্প, কারখানা, খামার, হাসপাতাল, ক্লিনিক গড়ে তুলেন। ঢাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করে ঢাকা শহরের উপর জনসংখ্যার বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে বাকি ৩৩টি জেলায় ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটের স্বল্পতা এবং ৩০টি জেলায় ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকা সত্বেও এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীরা প্রতিবছর ডিপ্লোমা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিভাগ, জেলা, উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত ইপিজেট, স্পেশাল ইকোনামিক জোন, বিসিক শিল্প নগরীতে প্রতিষ্ঠিত শিল্পগুলোতে প্রশিক্ষিত দক্ষ যোগ্যতাসম্পন্ন জনবল নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতাল, ক্লিনিকে প্রশিক্ষণবিহীন অদক্ষ লোক নিয়োগ দিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ভুল চিকিৎসার শিরোনাম হচ্ছে। ঢাকা শহরের জনসংখ্যার চাপ হ্রাস করতে হলে প্রতিটি উপজেলায় জেলায় ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট নির্মাণ করে শিল্প কারখানা, খামার, হাসপাতাল, ক্লিনিকে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকা শহরে নতুন করে কোন শিল্প কারখানা, হাসপাতাল, ক্লিনিক যাতে গড়ে না উঠে তার জন্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট অনুমোদন স্থগিত করতে হবে। এই চিন্তা থেকেই পরিকল্পিত ডিপ্লোমা শিক্ষা ব্যবস্থা, পরিকল্পিত শিল্প কারখানা, হাসপাতাল, ক্লিনিক পরিকল্পিত ঢাকা মহানগরী, পরিকল্পিত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। ডিপ্লোমা শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের সমন্বিত কর্মফলে দূর হবে আঞ্চলিক উন্নয়ন বৈষম্য। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি হবে আলোকিত রাজধানীর নাগরিকরাও আলাদা মর্যাদা ভোগ করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। খন রঞ্জন রায়, মহাসচিব,ডিপ্লেমা শিক্ষা গবেষণা কাউন্সিল,khanaranjanroy@gmail.com

আজকের মোট পাঠক

32790

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত