কুয়েতে অবৈধ বিদেশীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মেয়াদ শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার

উপসাগরীয় দেশ কুয়েতে অবৈধভাবে বসবাসরত বিদেশীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মেয়াদ শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার। এ ঘোষণায় ২৫ হাজারের বেশি বাংলাদেশী কর্মী বৈধ হওয়ার আবেদনের সুযোগ পেয়েছেন। আর কোন অবৈধ কর্মী দেশটিতে বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন না। অবৈধদের দেশে ফিরতে হবে। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেয়া ঘোষণা গত ২৯ জানুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর ছিল। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আবেদনকৃত সবাইকে বৈধ করে নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। কুয়েতের সাধারণ ক্ষমার বিষয়ে বিএমইটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিটি শ্রম বাজারেই এ রকম একটি বিষয় থাকে। প্রতিবছরই অল্প কয়েকদিন সময় বেঁধে দেয়া হয় অবৈধদের বৈধ হওয়ার জন্য। কুয়েতও তাই করেছে। বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক। কুয়েতে বাংলাদেশী কর্মীরা ভাল বেতনে কাজ করেন। অবৈধ বৈধ হলে দেশে রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়বে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কুয়েতে কর্মীরা বৈধ হওয়ার আবেদন করতে পেরেছেন। তারা অচিরেই বৈধতার কাগজপত্র পেয়ে যাবেন। কুয়েতে কর্মরত কয়েক কর্মী টেলিফোনে জানান, দেশটিতে বাংলাদেশী প্রায় ৩ লাখ লোক বিভিন্ন পেশায় কাজ করছেন। এখান থেকে প্রতিবছরই কিছু লোক অবৈধ হয়ে পড়েন। তারা আবার কুয়েত সরকার সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলে বৈধ হওয়ার সুযোগ পান। ২০১৭ সালে দেশটির সরকার সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা না করায় বহু লোককে দেশে ফিরতে হয়েছে। তবে এর আগের বছর দেশটির সরকার কর্মীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলে ৩০ হাজারের বেশি কর্মী বৈধ হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। এক বছর বাদ দিয়ে এবার আবার সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত ২৯ জানুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুযোগ দেয়া হয় অবৈধ বসবাসকারীদের জন্য। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশীরাও এই সুযোগ নিয়েছেন। দেশটিতে অবৈধভাবে থাকা ২৫ হাজারের বেশি কর্মী বৈধ হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবৈধ কর্মীরা বৈধ হওয়ার জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। তবে এবার সাধারণ ক্ষমার বিষয়ে নির্দিষ্ট জরিমানা দিয়ে বৈধ হতে হবে। জরিমানার বিষয়টি সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বসবাস করার কারণে যারা দেশে ফিরতে পারছিলেন না তাদের বৈধ হতে কোন টাকা লাগবে না। কারণ তাদের বৈধ করে দেশে ফেরার সুযোগ দেয়া হবে। যারা দেশেটিতে কাজের জন্য থাকতে চান তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিয়ে বৈধ হতে হবে। যাদের নামে আদালতে মামলা চলছে তারা এই সুযোগ পাবেন না। আবার যাদের ওপর কুয়েতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তারাও এ সুযোগ পাবেন না। সূত্র জানিয়েছে, সরকার ঘোষিত জরিমানার পরিমাণ ৬শকেডি (কুয়েতি দিনার)। বাংলাদেশী টাকায় এক লাখ ৬৬ হাজার ৩১৭ টাকা। ২০১৬ সালে সাধারণ ক্ষমায়ও জরিমানার পরিমাণ একই ছিল। যারা বৈধ হয়ে দেশে ফিরবেন তাদের জন্য কুয়েতে নতুন ভিসা নিয়ে আসতে পারবেন। যারা অবৈধ থেকেই দেশে ফিরবেন তারা আর কুয়েতে যেতে পারবেন না। কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস কুয়েত সরকারের সাধারণ ক্ষমার বিষয়টি কর্মীদের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য ফেসবুক পেজসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছিল। দূতাবাস প্রচারপত্র ও মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে কর্মীদের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। দূতাবাসের পক্ষ থেকে কর্মীদের কাছে এসএমএস পাঠানো শুরু হয়। ফেসবুক খোলার বিষয়ে দেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছিল। দূতাবাসের নানা উদ্যোগের কারণেই নির্দিষ্ট সময়ে কর্মীরা বৈধ হওয়ার কাগজপত্র জমা দিতে পেরেছেন। উল্লেখ কুয়েত সরকার সর্বশেষ ২০১৬ সালে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিল। মাঝখানে এক বছর কেটে যাওয়ার পর চলতি বছর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করল। ২০১৬ সালে সাধারণ ক্ষমায় ৩০ হাজারের বেশি কর্মী বৈধ হওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। এবার দেশটিতে ২৫ হাজারের বেশি অবৈধ কর্মী ছিল। যারাই এ সুযোগ হাত ছাড়া করেছে তাদেরই দেশে ফিরে আসতে হবে। ...

জেরুজালেমে দূতাবাস স্থানান্তর করবে যুক্তরাষ্ট্র

আগামী মে মাসেই যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে তাদের দূতাবাস স্থানান্তর করবে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের বরাতে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো। আসন্ন ১৪ই মে ইসরায়েলের ৭০তম স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরাইল। শুক্রবার স্থানীয় গণমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট মার্কিন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানায়, দূতাবাস সরিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে হোয়াইট হাউস তার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আসন্ন স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আগেই যুক্তরাষ্ট্র এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে। গত ডিসেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা দেয়া এবং তার দেশের দূতাবাস সেখানে স্থানান্তরের ঘোষণার পর থেকে বিশ্বজুড়ে নিন্দার মুখে পড়ে ওয়াশিংটন। এ পরিকল্পনা ২০১৯ সালে বাস্তবায়ন হবে বলে সেসময় বলা হয়েছিল। তবে এ বছরের মে মাসেই যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে সেটি নির্দিষ্ট করে এবারই জানা গেলো। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ কার্যক্রম ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি আলোচনা নতুনভাবে বাধাগ্রস্ত করবে। ...

সিরিয়ার পূর্ব গৌতা পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগ

মানবিক মূলনীতি সমুন্নত রাখার আহবান জানিয়ে সিরিয়ার পূর্ব গৌতা পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগ সিরিয়ার বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত গৌতার পূর্বাঞ্চলে সরকারি বাহিনীর কয়েকদিনের টানা বোমাবর্ষণের পর সেখানকার পরিস্থিতিকে ধারণাতীত হিসেবে অভিহিত করেছেন দেশটিতে জাতিসংঘের সমন্বয়ক পানোস মৌমজিস। ক্ষেপণাস্ত্র ও মর্টার গোলা পড়ছে বৃষ্টির মতো। বিবিসিকে তিনি বলেছেন, রাজধানী দামেস্কের কাছের এ এলাকায় আসাদবাহিনীর গোলাবর্ষণ চরম যন্ত্রণাদায়কপরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এ দফার হামলায় বিদ্রোহীদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ওই এলাকাটিতে অন্তত আড়াইশ মানুষ নিহতের খবর পাওয়া গেছে। সিরীয় বাহিনীর দাবি, তারা পূর্ব গৌতাকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্ত করতে লড়ছে। অপরদিকে, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস মঙ্গলবার বলেছেন, সিরিয়ার পূর্ব গৌতায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় তিনি গভীরভাবে শঙ্কিত। সেখানে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় দু শতাধিক লোক নিহত হওয়ার পর তিনি এ শঙ্কা প্রকাশ করলেন। খবরে বলা হয়, গুতেরেস বেসামরিক নাগরিক রক্ষাসহ মানবিক আইনের মূল নীতি সমুন্নত রাখতে সকল পক্ষের প্রতি আহবান জানান। জাতিসংঘ মুখপাত্র স্টিফান দুজারিক বলেন, পূর্ব গৌতায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এর ভয়াবহ প্রভাব পড়ায় জাতিসংঘ মহাসচিব গভীরভাবে শঙ্কিত। বিবিসি বলছে, রুশ সমর্থিত সিরিয়ার সরকারপন্থি বাহিনী রোববার রাত থেকে বিদ্রোহীদের অন্যতম শক্ত ঘাঁটি পূর্ব গৌতা পুনরুদ্ধারে তৎপরতা বাড়ায়। দামেস্কের কাছে পূর্ব গৌতাই বিদ্রোহীদের সর্বশেষ বড় ঘাঁটি। এখানকার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইসলামপন্থি দল জঈশ-ই-ইসলাম। আল কায়েদা সংশ্লিষ্ট সাবেক জিহাদি জোট হায়াত তাহির আল-শামও এলাকাটিতে বেশ সক্রিয়। নারী ও শিশুদের চিৎকার-কান্নার শব্দ তাদের বাড়ির জানালা দিয়ে শুনতে পাচ্ছি আমরা। ক্ষেপণাস্ত্র ও মর্টার পড়ছে যেন বৃষ্টির মতো। এই দুঃস্বপ্ন থেকে পালানোর জায়গা নেই, এটি শেষও হয় নি,বলেন পূর্ব গৌতার অধিবাসী ফিরাস আব্দুল্লাহ। আসাদবাহিনীর সমর্থক হিসেবে পরিচিত রাশিয়া ও ইরানের পাশাপাশি তুরস্কের অ্যাখ্যা দেওয়া এ ডি-এস্কেলেশন জোনে২০১৩-র রাসায়নিক হামলার পর এবারের বোমাবর্ষণকেই সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী বলছেন এলাকাটিতে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার কর্মীরা।তারা জানান, সরকারি বাহিনীর হামলায় নিহতদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা ৫০-রও বেশি; আহতের সংখ্যা প্রায় ১২০০। মানবাধিকার বিষয়ক সিরীয় পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, মঙ্গলবার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত পূর্ব গৌতায় সিরিয়া ও রাশিয়ার ব্যাপক বিমান হামলায় কমপক্ষে ১০৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে ১৯ শিশু রয়েছে। সেখানে এরআগের দিন সোমবারের বিমান হামলায় সিরিয়ার ১২৭ নাগরিক নিহত হয়। দুজারিক বলেন, পূর্ব গৌতায় বিমান হামলা ও গোলা বর্ষণের কারণে সেখানকার প্রায় চার লাখ লোক আতংকের মধ্যে রয়েছে।তিনি আরো বলেন,সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর অবরোধের কারণে পূর্ব গৌতার বাসিন্দারা অপুষ্টিসহ চরম দূরাবস্থার মধ্যে বসবাস করছে। গুতেরেস স্মরণ করিয়ে দেন যে পূর্ব গৌতা রাশিয়া, ইরান, তুরস্ক ঘোষিত একটি অস্ত্রবিরতি অঞ্চল হিসেবে আখ্যায়িত। এ ব্যাপারে তিনি সকল পক্ষকে তাদের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি মনে করিয়ে দেন। এদিকে জরুরি মানবিক সাহায্য সরবরাহ ও চিকিৎসার সুযোগ দিতে ৩০ দিনের অস্ত্রবিরতি দাবির খসড়া প্রস্তাবের বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার পূর্ব গৌতার আরও ১০টি শহর ও গ্রামে সরকারি বাহিনী নতুন করে বোমাবর্ষণ করেছে বলেও দাবি তাদের। মানবিক সাহায্য পৌঁছাতে এবং আহতদের সরিয়ে নিতে এলাকাটিতে যুদ্ধবিরতির আহন জানিয়েছে জাতিসংঘ। মানুষের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই; তারা টিকে থাকার চেষ্টা করছে, কিন্তু অবরোধের কারণে সৃষ্ট ক্ষুধা তাদের আরও দুর্বল করে ফেলছে, ইউনিয়ন অব মেডিকেল কেয়ার অ্যান্ড রিলিফ অর্গানাইজেশনকে এমনটাই বলেন স্থানীয় এক চিকিৎসক। ...

আজ বিশ্ব স্কাউট দিবস

আজ ২২ ফেব্রুয়ারি স্কাউটিং আন্দোলনের প্রবক্তা লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন। তারই হাত ধরে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে স্কাউটিং আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। তাই ২২ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী স্কাউট দিবস হিসেবে পালিত হয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৩৮ মিলিয়ন স্কাউট আজ এই দিবসটি পালন করছে। বর্তমানে বিশ্বের ২১৭টি দেশে তিন কোটি ৮০ লাখ স্কাউট ও গাইড রয়েছে। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে স্কাউটিং আন্দোলনের সূত্রপাত হলেও আমাদের এই অঞ্চলে (ভারতীয় উপমহাদেশে) স্কাউটিংয়ের যাত্রা শুরু হয় ব্রিটিশ আমলে। আর ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ইস্ট পাকিস্তান বয়স্কাউট অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৭২ সালে তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ বয়স্কাউট অ্যাসোসিয়েশন। ১৯৭৮ সালে আবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ স্কাউটস। ১৯৯৪ সাল থেকে মেয়েরা এর সদস্য হওয়ার অধিকার লাভ করে। দিবসটি উদযাপন বিষয়ে বাংলাদেশ স্কাউটসের পরিচালক (প্রোগ্রাম) মো. আবু সালেক গণমাধ্যমকে জানান, আমরা এ দিনটিকে কেন্দ্র করে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আজ (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় স্কাউটস ভবনে রচনা প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ স্কাউটস সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে ১০ লাখ ১৫ হাজার ১১৬ জন স্কাউট রয়েছেন। কমিউনিটি সেবা, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিশুকল্যাণ, নির্মাণ ও সস্তায় বাড়িঘর তৈরিতে তারা সহায়তা করে থাকেন। এ ছাড়া বন্যা, ঝড় ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ সামাল দিতে, অসহায় মানুষের আশ্রয় বা পুনর্বাসনে তারা স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করেন। ...

আরো একধাপ বাড়লো চাল, পেঁয়াজের দাম

রাজধানীর পাইকারি বাজারে আবারো বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। আড়তদারদের অতি মুনাফা আর বাড়তি মজুতদারির কারণেই চালের দাম কমছে না বলে দাবি পাইকারদের। রসুন আর আলুর দামে স্বস্তির খবর থাকলেও দাম বেড়েছে পেঁয়াজ ও আদার। মসলার বাজার কিছুটা বাড়লেও স্থিতিশীল রয়েছে সব ধরনের ডালের দাম। তবে হঠাৎ করেই বেড়েছে খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম। গেল কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজধানীর চালের বাজারে নেই তেমন কোন স্বস্তির খবর। সপ্তাহ ব্যবধানে এক থেকে দেড় টাকা বেড়েছে সবধরনের চালের দাম। শিগগিরই বাজার স্বাভাবিক হওয়ারও কোন সুখবর নেই পাইকারদের কাছেও। তবে বাজার মনিটরিংয়ের পাশাপাশি মিল পর্যায়ে মনিটরিং করলে চালের দাম স্থিতিশীল রাখা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। এক পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, 'যে মিনিকেট বিক্রি করেছি ৩ হাজার টাকা আজ সেটা বিক্রি করছি ৩ হাজার ৬৫ টাকা। ২৫ বিক্রি করতাম আড়াই হাজার টাকা সেটা আজ বিক্রি করছি পঁচিশ' পঞ্চাশ টাকা।' আরেক পাইকার বলেন, 'বর্তমানে অটোরাইসমিলের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। যে পরিমাণ ধানের প্রয়োজন সেটা বাজারে নেই। প্রতিযোগিতা করে ধান কিনে এই মিল মালিকরা। এতে ধানের দাম বেশি হয়। এতে করে চালের দামও বেড়ে যায়। এটা যদি সরকার মনিটরিং করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সরকার তাহরে বাজার শিথিলই থাকবে।' পাইকারি পর্যায়ে রসুন আর আলুর দাম কমলেও ৩ টাকা বেড়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়। তবে সরবরাহ ভালো থাকায় শিগগিরই দাম কমার ব্যাপারে আশাবাদী পাইকাররা। মসলার বাজারে জিরা আর এলাচের দাম কিছুটা বাড়লেও স্থিতিশীল রয়েছে সবধরনের ডালের দাম রাজধানীর পাইকারি বাজারে ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১০ টাকা বেড়ে ৫শ' ১০ টাকা আর ২ থেকে তিন টাকা বেড়ে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৯৩ টাকায়। ...

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এন.ডি.এম এর সদরঘাট থানা কার্যালয়ে সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন এন.ডি.এম অদ্য ১৯/০২/২০১৮ ইং সদরঘাট, চট্টগ্রাম থানা কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা যুগ্ম আহবায়ক আবুল বশর চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আহবায়ক গণতন্ত্রের অতন্ত্র প্রহরী গণমানুষের এন.ডি.এম নেতা জননেতা জনাব, খোকন চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক চট্টগ্রাম জেলা জনাব, মোঃ কামাল উদ্দিন। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক চট্টগ্রাম জেলা জনাব, ডাঃ মোঃ মহসিন। আরো উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা আহবায়ক জনাব, গোলাম কিবরিয়া, সদরঘাট থানা আহবায়ক জনাব, মোঃ রাকিব হোসেন সেলিম, ই.পি.জেড থানা আহবায়ক জনাব, মোঃ ইব্রাহিম, ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম এর সদস্য সচিব জনাব, শাহীন আলম, যুগ্ম আহবায়ক তানভির হোসেন। সকলে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্বরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করেন। প্রধান অতিথি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা। ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলাকে মাতৃভাষা করার দাবিতে কিছু ছাত্রজনতা আন্দোলন করলে ঐ আন্দেলনে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাই এই দিনটি শহীদ দিবস হিসাবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারীতে যারা বাংলা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছিলেন সেই সকল ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়। ২১শে ফেব্রুয়ারী আমাদের বাঙ্গালিদের জন্য একটি গৌরব উজ্জ্বল দিন। ইতিহাসের এই দিনেই মাতৃভাষার জন্য রাজপথে জীবন দিতে হয়ে ছিল সালাম, বরকত, জব্বার ও রফিকসহ নাম না জানা আরও অনেকেই। তাদের জন্য আজ আমরা মন খুলে বাংলা বলছি ও লিখছি। বিশ্বের ইতিহাসের বুকে মাতৃভাষার জন্য বীরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলাম আমরা এই বাঙ্গালীরাই। আর তাই এই দিনটি আজ শুধু বাংলাদেশ স্মরণ করে না এর পাশাপাশি সার বিশ্বও স্মরণ করে। পরিশেষে আমি সকল শহীদদের নফসের মাগফিরাক কামনা করি। ...

রেকর্ড ভাঙ্গা উষ্ণতম সময় আসছে বাংলাদেশে

গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের প্রভাবের সঙ্গে এল-নিনোর দাপটে বাংলাদেশে চলতি বছরটি উষ্ণতম বছর হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এক মাস আগেই ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে হাড় কাঁপানো শীত বয়ে গেছে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে। সামনে আসছে অসহনীয় তাতানো গরমের সময়। প্রচণ্ড গরমে অস্থির হয়ে পড়তে পারে জনজীবন। জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) বলছে, গত দশ মাসে বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী গড়ের চেয়ে শূন্য দশমিক ৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা কোনো নিশ্চল অবস্থায় নেই। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। যা ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় ঘটছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরের এল-নিনোর প্রভাবে জলতলের তামপাত্রাও বেড়ে গেছে। ফলে ভারত মহাসাগর, আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে জলীয় বাষ্পের জোগানে টান পড়েছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী এপ্রিল পর্যন্ত ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দিয়ে বলেছে, এপ্রিল মাসে তীব্র তাপপ্রবাহ, সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় আর কালবৈশাখী ও বজ্রঝড়ের দাপট থাকবে। এপ্রিল মাসটি বাংলাদেশের জন্য এক ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময় হয়ে আসছে। তাপমাত্রার তীব্রতা এপ্রিলে চরমভাবাপন্ন থাকতে পারে, বিশেষ করে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। ওই অঞ্চলে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে; যার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র দু-এক দিন মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বইতে পারে; যার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ুর বিরূপ প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের ওপর বেশ কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে। ২০১৫ সাল থেকে এল-নিনোর প্রভাবে পুড়েছে পুরো উপমহাদেশ, সেটা চলে ২০১৬ সালের জুন-জুলাই পর্যন্ত। এর পর থেকে প্রতিবছরই প্রকৃতির বিরূপ আচরণের মুখোমুখি হতে হয়েছে বাংলাদেশকে। গত বছরও দেশ দেখেছে প্রকৃতির বৈরী আচরণ। রেকর্ড হয়েছে ৩৫ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের। এ রকমই বৈরী আচরণের দেখা মিলতে পারে আগামী এপ্রিল মাসে। তবে মার্চ জুড়ে প্রকৃতির আচরণ স্বাভাবিক থাকবে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। তারপর থেকেই তাপমাত্রা অসহনীয় হতে থাকবে। মার্চের শেষ থেকে এপ্রিল মধ্যভাগ জুড়েই তীব্র কালবৈশাখী এবং তীব্র বজ্রঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এপ্রিল মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসেই বঙ্গোপসাগরে দু-একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার একটি রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে। দেশের উত্তর থেকে মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত দু-তিনদিন বজ্রসহ মাঝারি অথবা তীব্র কালবৈশাখী বইতে পারে। দেশের অন্যত্র চার-পাঁচ দিন হালকা থেকে মাঝারি কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, আবহাওয়ার তারতম্য ঘটছে। উষ্ণতার হার ব্যাপকভাবে বাড়ছে। আবার শীতও তীব্র হচ্ছে। এ দিকে আগামী বাহাত্তর ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তত্সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ এখন বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। প্রসঙ্গত যে, জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাব চলতি বছর থেকে ভয়ঙ্কর রূপ পরিগ্রহ করেছে। বিশ্বের এক প্রান্তে তীব্র তাবদাহ আর অপর প্রান্তে তীব্র শীত। জানুয়ারিতে পৃথিবীর দক্ষিণ-পূর্বের দেশ অস্ট্রেলিয়া ও উত্তর-পশ্চিমের দেশ কানাডায় সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা চলেছে। অস্ট্রেলিয়ায় অসহ্য গরম আর কানাডায় হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। অন্যদিকে তপ্ত সাহারা মরুভূমির বুকেও বরফ শীতল তুষার জমে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আর একই সময়ে সিঙ্গাপুরে অতীতের রেকর্ড ভেঙে বৃষ্টিপাত হয়। তখন বাংলাদেশের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ২ ডিগ্রিতে নেমে আসে। শীত বিদায় নিয়েছে। সামনে আসছে নির্ঘাতের দিন। ইতোমধ্যেই সারা দেশের রাত ও দিনের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ৩১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ...

মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এর চট্টগ্রাম জেলা কমিটি গঠন

মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর চট্টগ্রাম জেলা কমিটি গঠন কল্পে এক আলোচনা সভা সংস্থার স্থায়ী কার্যালয়ে চট্টগ্রাম জেলা কমিটির মহাসচিব ফয়সাল হাসান এর সঞ্চালনায় ১৯শে ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার চট্টগ্রাম জেলা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ লোকমান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আকবরশাহ্ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন, চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, হাবিবুর রহমান হাবিব, এম এ নুরুন নবী চৌধুরী, নুরা বেগম, সাইফুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান ভুইয়া উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সভায় সকলের সম্মতি ক্রমে ২০১৮ সালের চট্টগ্রাম জেলা কমিটিতে মোঃ লোকমান আলীকে চেয়ারম্যান ও ফয়সাল হাসানকে মহাসচিব মনোনীত করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট চট্টগ্রাম জেলা কমিটি অনুমোধন প্রদান করেন সংস্থার কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সাংবাদিক মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী। উক্ত কমিটিতে আলহাজ্ব দিদারুল আলম এম.পি, প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, কাজী মোঃ আলতাফ হোসেন, এনায়েত হোসেন নয়নকে উপদেষ্টা ও এম.এ নুরুন নবী চৌধুরী এবং মোঃ হাবিবুর রহমান হাবীবকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, মোছাম্মৎ নুরা বেগম, মোঃ জমির উদ্দিন মাসুদ, এমদাদুল হক চৌধুরী রানা, মোঃ মিজানুর রহমান ভুইয়াকে ভাইস চেয়ারম্যান, মোঃ ওসমান সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, সাইফুল ইসলাম, শেখ জয়নাল আবেদিন, মোঃ ফজলুল ইসলাম ভুইয়া কে যুগ্ম মহাসচিব, জুয়েল বড়–য়া সাংগঠনিক সচিব, জহিরুল আলম সিনিয়র যুগ্ম সাংগঠনিক সচিব, আবু নছর চৌধুরী যুগ্ম সাংগঠনিক সচিব, আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আনোয়ার (দুলাল) কে অর্থ সচিব, বাবলু বড়–য়াকে দপ্তর সচিব, মোঃ হারুন রশিদকে সহ দপ্তর সচিব, এডভোকেট জিয়া উদ্দিনকে আইন বিষয়ক সচিব, নিহার কান্তি দাশ কে সমাজ কল্যান সচিব, সবিতা রাণী বিশ্বাস কে মহিলা বিষয়ক সচিব, সুজন আশ্চার্য কে প্রচার ও প্রকাশনা সচিব, সৈয়দ মামুনুল ইসলাম কে ক্রীড়া বিষয়ক সচিব, মোঃ শরীফ উল্যাহ কে ধর্ম বিষয়ক সচিব, মোঃ সালা উদ্দিন কে নির্বাহী সদস্য হিসাবে মনোনীত করা হয়। উক্ত কমিটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে। ...

আরো একধাপ বাড়লো চাল, পেঁয়াজের দাম

রাজধানীর পাইকারি বাজারে আবারো বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। আড়তদারদের অতি মুনাফা আর বাড়তি মজুতদারির কারণেই চালের দাম কমছে না বলে দাবি পাইকারদের। রসুন আর আলুর দামে স্বস্তির খবর থাকলেও দাম বেড়েছে পেঁয়াজ ও আদার। মসলার বাজার কিছুটা বাড়লেও স্থিতিশীল রয়েছে সব ধরনের ডালের দাম। তবে হঠাৎ করেই বেড়েছে খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম। গেল কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজধানীর চালের বাজারে নেই তেমন কোন স্বস্তির খবর। সপ্তাহ ব্যবধানে এক থেকে দেড় টাকা বেড়েছে সবধরনের চালের দাম। শিগগিরই বাজার স্বাভাবিক হওয়ারও কোন সুখবর নেই পাইকারদের কাছেও। তবে বাজার মনিটরিংয়ের পাশাপাশি মিল পর্যায়ে মনিটরিং করলে চালের দাম স্থিতিশীল রাখা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। এক পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, 'যে মিনিকেট বিক্রি করেছি ৩ হাজার টাকা আজ সেটা বিক্রি করছি ৩ হাজার ৬৫ টাকা। ২৫ বিক্রি করতাম আড়াই হাজার টাকা সেটা আজ বিক্রি করছি পঁচিশ' পঞ্চাশ টাকা।' আরেক পাইকার বলেন, 'বর্তমানে অটোরাইসমিলের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। যে পরিমাণ ধানের প্রয়োজন সেটা বাজারে নেই। প্রতিযোগিতা করে ধান কিনে এই মিল মালিকরা। এতে ধানের দাম বেশি হয়। এতে করে চালের দামও বেড়ে যায়। এটা যদি সরকার মনিটরিং করে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে সরকার তাহরে বাজার শিথিলই থাকবে।' পাইকারি পর্যায়ে রসুন আর আলুর দাম কমলেও ৩ টাকা বেড়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়। তবে সরবরাহ ভালো থাকায় শিগগিরই দাম কমার ব্যাপারে আশাবাদী পাইকাররা। মসলার বাজারে জিরা আর এলাচের দাম কিছুটা বাড়লেও স্থিতিশীল রয়েছে সবধরনের ডালের দাম রাজধানীর পাইকারি বাজারে ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১০ টাকা বেড়ে ৫শ' ১০ টাকা আর ২ থেকে তিন টাকা বেড়ে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৯৩ টাকায়। ...

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার , বিমানে যুক্তরাজ্যে সরাসরি কার্গো

ঢাকা-লন্ডন রুটে সরাসরি কার্গো পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। আজ রোববার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানান। এরপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসংক্রান্ত পত্র বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামালের কাছে হস্তান্তর করেন। এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশ থেকে যেকোনো পণ্য যেকোনো বিমানে করে লন্ডনে পাঠানো যাবে। অ্যালিসন ব্লেক বলেন, কঠোর পরিশ্রম ও দুই দেশের আন্তরিক সহযোগিতার কারণেই সমস্যা চিহ্নিত করে সেখান থেকে উত্তরণ সম্ভব হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্লেক বলেন, নিষেধাজ্ঞা দেওয়া বা প্রত্যাহার কোনোটাই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল না। সম্পূর্ণ নিরাপত্তার কারণেই এটা করা হয়েছিল। বিমানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য তাদের এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় অস্ট্রেলিয়াও তাদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেবে, এমনটা আশা করা যায়। ২০১৬ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাজ্যের ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কার্গো পণ্য পরিবহনে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে কার্গো পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে অস্ট্রেলিয়া। ...

অভিভাবকরা উৎকন্ঠায়

৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।এদিকে ২০১৮ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে ১ ফেব্রুয়ারি। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি। কালও পরীক্ষা আছে। এখনও এ বিষয়ে সরকার কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। একারণে অভিভাবকরা আছে চরম উৎকন্ঠায়। পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সাধারণ আট বোর্ডে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, বৌদ্ধ ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং খ্রিস্ট ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। মাদরাসা বোর্ডে এদিন বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।কারিগরি বোর্ডের অধীন এদিন কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। বৃহস্পতিবারের পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কি হবে না, তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। পরীক্ষা বাতিলের পরিস্থিতি হয়নি। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে ভাবা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবারের পরীক্ষার আগে যদি রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়, সেক্ষেত্রে পরীক্ষা বাতিল করে আগের মতো বন্ধের দিন আয়োজনের ব্যবস্থা করা হবে। ...

পিএসএল অভিষেকেই মোস্তাফিজের ২ উইকেট

মোস্তাফিজুর রহমানের গত বছর তেমন একটা ভালো কাটেনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ভালো করতে পারেননি। পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) দিয়ে কি তাহলে ফিরলেন সেই পুরোনো ফিজ? মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে কাল আসরটিতে অভিষেকেই তাঁর শিকার ২২ রানে ২ উইকেট। ডট বল ছিল ১৪টি। লাহোর কালান্দার্সের ৬ বোলারের মধ্যে মোস্তাফিজই সবচেয়ে কম রানে বেশি উইকেট পেয়েছেন। কিন্তু কালান্দার্স জিততে পারেনি। মোস্তাফিজের অভিষেক মাটি করেছেন সুলতানদের পেসার জুনায়েদ খান। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেট ১৭৯ রান তুলেছিল সুলতানস। জবাবে ১৭.২ ওভারেই ১৩৬ রানে গুটিয়ে গেছে মোস্তাফিজের কালান্দার্স। এর মধ্যে তারা শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছে মাত্র ৪ রানে! সুলতানদের ৪৩ রানের এই জয়ের মূল কারিগর জুনায়েদ। পাকিস্তানের এ পেসার পিএসএলের ইতিহাসে তুলে নিয়েছেন দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক! ১৫তম ওভারের শেষ বলে ফখর জামান (৪৯) যখন আউট হন, সুলতানসের স্কোর ৪ উইকেটে ১৩২। এরপর কীভাবে যেন দলটির আশ্চর্য পতন ঘটল! আর মাত্র ৪ রান যোগ করতেই তারা হারিয়েছে বাকি ৬ উইকেট। ১৬তম ওভারে ইমরান তাহির তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট। এরপর জুনায়েদ খান এসে ১৭তম ওভারের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বলে ফিরিয়েছেন যথাক্রমে ইয়াসির শাহ, ক্যামেরন ডেলপোর্ট ও রাজা হাসানকে। পিএসএলের ইতিহাসে প্রথম হ্যাটট্রিক মোহাম্মদ আমিরের। ২০১৬ সালে দুবাইয়ে আসরটির প্রথম সংস্করণে এই লাহোর কালান্দার্সের বিপক্ষেই হ্যাটট্রিক করেছিলেন পাকিস্তানের এ পেসার। এবার সেই দুবাইয়েই কালান্দার্সের কাছ থেকে আরও একটি হ্যাটট্রিক ছিনিয়ে নিলেন জুনায়েদ। ...

সিলেটে স্মরণীয় অভিষেক চায় বাংলাদেশ

নিজেদের সর্বোচ্চ স্কোর গড়ে দুই টুয়েন্টি টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে সফরকারী শ্রীলংকার কাছে ৬ উইকেটে হারের স্বাদ পেতে হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশকে। তাই সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে টাইগাররা। সিরিজ হার এড়াতে হলে দ্বিতীয় ও শেষ টি-২০ ম্যাচে জিততেই হবে বাংলাদেশকে। আগামীকাল সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই টি-২০টি। এই ভেন্যুতে প্রথমবারের মত খেলতে নামছে বাংলাদেশ। বলতে গেলে, সিলেটের মাটিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভিষেক হচ্ছে টাইগারদের। তাই সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-২০ জিতে সিরিজ হার এড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের অভিষেক ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখাই লক্ষ্য হবে বাংলাদেশের। পক্ষান্তরে ত্রিদেশীয় ও টেস্ট জয়ের পর টি-২০ সিরিজও জিততে মরিয়া থাকবে শ্রীলংকা। বিকেল পাঁচটায় শুরু হবে সিরিজের শেষ ম্যাচটি। ত্রিদেশীয় সিরিজের দুর্দান্ত শুরুর পরও রানার-আপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় বাংলাদেশকে। একইভাবে টেস্ট সিরিজেও শুরুটা ভালো ছিলো টাইগারদের। ব্যাটসম্যানদের দৃঢ়তায় চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম ম্যাচ ড্র করে বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে লজ্জার হার বরণ করে সিরিজ হেরে বসে টাইগাররা। ত্রিদেশীয় ও টেস্ট সিরিজ হারের দুঃস্মৃতিকে সঙ্গী করে দুই ম্যাচের টি-২০ লড়াই শুরু করে বাংলাদেশ। মিরপুরে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুরুটা দুর্দান্ত ছিলো বাংলাদেশের। সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ও সৌম্য সরকারের জোড়া হাফ-সেঞ্চুরিতে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৩ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। টি-২০ ফরম্যাটে টাইগারদের সর্বোচ্চ দলীয় রানের রেকর্ড এটি। রেকর্ড গড়া ম্যাচে মুশফিকুর অপরাজিত ৬৬ ও সৌম্য ৫১ রান করেন। বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেয়া বড় টার্গেট হেসেখেলেই টপকে যায় শ্রীলংকা। ওপেনার কুশল মেন্ডিসের ৫৩, দাসুন শানাকার অপরাজিত ৪২ ও থিসারা পেরেরার অপরাজিত ৩৯ রানে ২০ বল হাতে রেখেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে শ্রীলংকা। ফলে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে লিড নেয় তারা। সিরিজ হার এড়াতে হলে দ্বিতীয় ম্যাচে জিততেই হবে বাংলাদেশকে। তবে কাজটি কঠিনই হবে তাদের। কারন সিলেটের ভেন্যুতে প্রথমবারের মত খেলতে নামছে বাংলাদেশ। এই ভেন্যুতে আগে কখনোই আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি টাইগাররা। তারপরও সাহস যোগানোর রসদ রয়েছে বাংলাদেশের। কারন গত নভেম্বরে এই্ ভেন্যুতেই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-২০ ক্রিকেটে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে বেশকটি ম্যাচ খেলে গেছে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। সেই অভিজ্ঞতা শ্রীলংকার বিপক্ষে কতটা কাজে লাগাতে পারে বাংলাদেশ, সেটি এখন দেখার বিষয়। বাংলাদেশ দল : মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আবু হায়দার রনি, আবু জায়েদ রাহি, নাজমুল ইসলাম অপু, আরিফুল হক, মেহেদি হাসান, আফিফ হোসেন ও জাকির হাসান। শ্রীলংকা দল : দিনেশ চান্ডিমাল (অধিনায়ক), উপুল থারাঙ্গা, দানুস্কা গুনাথিলাকা, কুশল মেন্ডিস, থিসারা পেরেরা, আসলে গুনারতে নিরোশান ডিকবেলা, দাসুন শানাকা, ইসুরু উদানা, শেহান মাদুশঙ্কা, জেফরি ভান্দারসে, আকিলা ধনঞ্জয়া, আমিলা আপোনসো, জীবন মেন্ডিস ও আসিথা ফার্নান্দো। ...

প্রিয়াংকা আবারো সেরা

এক বছর ভাটা পড়েছিল প্রিয়াংকার। কারণ দীপিকা পাড়কোন সেরা আবেদনময়ী নারীর আসনে বসেছিলেন। তবে এর আগে চারবার অর্জন করা আসনটি এবার আর হাতছাড়া করেননি প্রিয়াংকা। পঞ্চমবারের মতো সেটি দখল করে নিয়েছেন। এশিয়ার ৫০ জন সেরা আবেদনময়ী নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডন-ভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা ইস্টার্ন আই। সেই তালিকায় সবার উপরে রয়েছে প্রিয়াংকা চোপড়ার নাম। দ্বিতীয় হয়েছেন ভারতীয় টেলিভিশন তারকা নিয়া শর্মা। আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন গতবারের প্রথম দীপিকা পাড়ুকোন। এমন বিজয়ের খবরে প্রিয়াংকা তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, আসলে বিজয়ের এই কৃতিত্ব আমি নিতে চাই না। এর সমস্ত কৃতিত্ব আমার শারীরিক গঠন এবং আপনাদের দৃষ্টিভঙ্গির। আমি কৃতজ্ঞ, সম্মানিত। কেননা, ধারাবাহিক সাফল্য থেকে প্রেরণা পাওয়া যায়।...

শিল্পী শাহীন সামাদ ও তপন মাহমুদকে সম্মাননা দিল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সংগঠন

বাংলা বেতারকেন্দ্রের শিল্পী শাহীন সামাদ ও তপন মাহমুদকে সম্মাননা দিল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সংগঠন মুক্ত আসর ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বলছি শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রধান অতিথি হিসেবে শাহীন সামাদ ও তপন মাহমুদকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তনের ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও কলাকুশলীদের অবদান সমরাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের মতোই। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র হাতে মাঠে ময়দানে যুদ্ধ করেছি। আর স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীরা কণ্ঠ দিয়ে আমাদের অনুপ্রেরণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীরা সেদিন কণ্ঠ দিয়ে যুদ্ধ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পথকে ত্বরান্বিত করেছেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি ছিল না উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁদের স্বীকৃতির ব্যবস্থা করেছি। শুধু তা-ই নয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় যাঁরা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেননি, কিন্তু বিভিন্নভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, সেবা করেছেন এবং সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছেন, সবাইকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমার জীবনে অহংকার করার মতো দুটি ঘটনা রয়েছে। একটি ১৯৭১ সালে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা এবং অপর হচ্ছে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া। মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এর মধ্য দিয়ে অর্জিত লাল-সবুজের পতাকা ও বাংলাদেশকে চিনতে ও জানতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অবদানের কথা তৃণমূল পর্যায়ে সর্বসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। এ জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের সম্মাননা প্রদানে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য মুক্ত আসর ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে শিল্পী শাহীন সামাদ বলেন, একটা দেশের জন্মের লড়াইয়ের সঙ্গে নিজের কণ্ঠ দিয়ে যুক্ত থাকতে পেরেছিলাম বলে নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে করি। এখনকার তরুণ প্রজন্মও নিজেদের সেই সৌভাগ্যের অংশীদার করতে পারবে, যদি তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে পারে। অনুষ্ঠানে শাহীন সামাদ খালি কণ্ঠে জনতার সংগ্রাম চলবেই গানটি গেয়ে শোনান। শিল্পী তপন মাহমুদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তোমরা একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছে। এই দেশকে শোষণ-বঞ্চনা ও সাম্প্রদায়িকতামুক্তভাবে গড়ে তুলতে হলে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। আশা করি, লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা তোমরা নস্যাৎ হতে দেবে না। অনুষ্ঠানে তপন মাহমুদ যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে গানটি গেয়ে শোনান। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ইউসুফ মাহবুবুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন একই ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ হামিদুল হক খান, মুক্ত আসরের উপদেষ্টা রাশেদুর রহমান তারা, মুক্ত আসরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু সাঈদ প্রমুখ। পরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাবের সদস্যদের অংশগ্রহণে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন নাফিজা মৌ ও আশফাকুজ্জামান।...

সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছেন সাত শতাধিক পর্যটক

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে বেড়াতে গিয়ে আটকা পড়েছেন সাত শতাধিক পর্যটক। এ ছাড়া ভ্রমণে আসা প্রায় তিন হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিনে যেতে পারেননি। বঙ্গোপসাগর নিম্নচাপের প্রভাবে বৈরী আবহাওয়ায় উপকূলে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি থাকায় শনিবার সকালে টেকনাফ থেকে কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিন যায়নি। ফলে পর্যটকরা ফিরতে পারছেন না। তবে আটকাপড়া পর্যটকরা নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। আটকে পড়া এই পর্যটকরা শুক্রবার সকালে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে গিয়েছিলেন। কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল বলেন, নিম্নচাপটি আরও উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাগর ও নাফ নদীতে মাছ শিকার ও পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। সেনমার্টিনে আটকে পড়া ঢাকার পেট্রোবাংলার ব্যবস্থাপক (সাধারণ) জিয়াউর করিম মুঠোফোনে বলেন, শুক্রবার সকালে ১৭ জন বন্ধু মিলে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে আসি। শনিবার সকালে জানতে পারি বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ থেকে কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিন যাচ্ছে না। ফলে দ্বীপে আটকা পড়েছি সবাই। আমাদের মতো দ্বীপে আরও শত শত পর্যটক আটকা পড়েছে। পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদের ব্যবস্থাপক মো. শাহ আলম বলেন, সাগর উত্তাল ও বৈরী আবহাওয়ার জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে ভ্রমণে আসা প্রায় সাত শতাধিক পর্যটক দ্বীপে আটকা পড়েছেন। তারা বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে নিরাপদে আছেন। সাগর স্বাভাবিক হয়ে গেলে সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনা হবে। শনিবার দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে প্রায় পাচঁ শতাধিক পর্যটক সেন্টমার্টিন যেতে পারেননি উল্লেখ করে শাহ আলম জানান, এতে যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দিতে হয়েছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় শনিবার সকাল থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সেন্টমার্টিনে হাজার খানেক পর্যটক আটকা পড়ে। এর মধ্যে শনিবার সকালেই ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করে প্রায় তিনশ পর্যটক টেকনাফ ফিরে গেছেন। এরপরও দ্বীপে সাত শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। তাদের যাতে খাবারসহ কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা হচ্ছে। টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন, সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া পর্যটকরা যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় তারা টেকনাফ ফিরতে পারেনি। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া পর্যটকদের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। তারা সবাই নিরাপদে আছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে।...

জীর্নদশায় দাঁড়িয়ে আছে নওগাঁর জেলার প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দুবলহাটি রাজবাড়ী

রাজা নেই, রাজত্বও নেই, ২শত বছরের স্মৃতি নিয়ে রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে জীর্নদশায় দাঁড়িয়ে আছে নওগাঁর জেলার প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দুবলহাটি রাজবাড়ী। নওগাঁ জেলা সদর হতে ৬ কিমি দুরে অবস্থিত প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দুবলহাটি রাজবাড়ীটি দীর্ঘ দিন পর্যটকদের আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। কতিথ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস থেকে জানা যায়, দুবলহাটি রাজবাড়ী ও রাজত্ব স্থাপিত হবার পুর্বে সেখানে রঘুনাথনামের এক ব্যাক্তি দীঘলি বিলের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত বর্তমানে অস্থিত্বহীন খয়রা নদী দিয়ে যাতায়যাত করে লবণ ও গুড়ের ব্যবসা করতেন। একদিন তিনি নদীতে নৌকা নোঙ্গর করলে স্বপ্নে দেখেন কে যেন তাকে বলছে তুই যেখানে নৌকা বেধেছিস সেখানে রাজেশ্বরী দেবীর প্রতিমা আছে, তুই সেখান থেকে তুলে স্থাপন কর। রঘুনাথ ভোরে নদীতে নেমে রাজেশ্বরী দেবীর প্রতিমা পেয়ে মাটির বেদী তৈরী করে প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর তার ব্যবসার ব্যাপক উন্নতি হলে তার বিত্ত বৈভবের সংবাদ পৌছে যায় মোঘল দরবারে। মুশিদাবাদ মোঘল দরবার রঘুনাথের কাছ থেকে প্রতি বছর ২২ শত কৈ মাছ রাজস্ব নিয়ে তাকে জমিদারি প্রদান করেন। হরনাথ রায় চৌধুরী প্রথম রাজা খেতাব পেয়ে ছিলেন। রাজা হরনাথ রায় চৌধূরী ও তার পুত্র রাজা কিঙ্করী রায় চৌধুরী রাজত্ব আমলে ব্যাপক উন্নতি সাধিত রাজ বংশের। তখন তাদের বার্ষিক আয় ছিল সাড়ে চার লাখ টাকা। সে সময় ৫ একর এলাকা জুড়ে নির্মিত বিশাল রাজ প্রাসাদে ৩ তলা, ৪ তলা ভবনের সাড়ে ৩ শত ঘর ও ৭ টি আঙ্গিনা ছিল। প্রাসাদে ১ টি গোল্ডেন সিলভার ও ১টি আইভরির তৈরি সিংহাসন ছিল। ব্রিটিশরা উক্ত সিংহাসন দুটি নিয়ে যায় বলে যায়। প্রাসাদের ভিতরে মঞ্চ ছিল, নাটক ও যাত্রাপালা মঞ্চাঅনের জন্য । প্রসাদের বাইরে ছিল বিশাল দীঘি, মন্দির, দাতব্য চিকিৎসালয়, ১৬ চাকার রথসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ১৮৬৪ সালে রাজ পরিবারের উদ্যোগে স্থাপিত স্কুলটি বর্তমানে রাজা হরনাথ উচ্চ বিদ্যালয় নামে পরিচালিত হচ্ছে। রাজ প্রাসাদের সামনের রোমান নকশার বড় বড় পিলারগুলো দেখলেই নওগাঁ, সিলেট, দিনাজপুর , পাবনা, বগুড়া, রংপূর, ভারতের কিছু অংশে রাজত্ব করা রাজা হরনাথ রায় চৌধুরীর রুচির পরিচয় পাওয়া যায়। রাজা হরনাথ রায় চৌধুরীর প্রজা নির্যাতনের অনেক করুন কাহিনী এখনো এলাকার সাধারন মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত রয়েছে। পাশাপাশি রাজা হরনাথ রায় চৌধুরীর জনহিতকর ও শামাজিক কিছু কাজের কথাও এলাকায় প্রচলিত আছে। দুবলহাটি রাজবাড়ীটি ঐতিহ্যবাহী হলেও প্রততত্ত্ব বিভাগ রাজবাড়ীটির সামনে একটি সাইন বোর্ড টানানো ছাড়া আর কোন দায়িত্ব পালন করছেনা। যার কারনে প্রততত্ত্ব বিভাগের সম্পদ রাজবাড়ীটির লোহার বিম, দরজা-জানালা এলাকার দুর্বৃত্তরা আগেই খুলে নিয়ে গেছে। এখন দেয়ালের ইট খুলে নিয়ে যাচ্ছে কিছু এলাকাবাসী। এলাকার সচেতন মহল মনে করেন সরকার সু-দৃষ্টি দিয়ে রাজবাড়ীটি রক্ষনাবেক্ষন করলে এটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। সাপাহার (নওগাঁ) থেকে হাফিজুল হক :Press Release ...

আবার মুখোমুখি দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল , টান টান উত্তেজনা

আগামীকাল ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে টান টান উত্তেজনা চলছে। দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা হবে নাকি তিনি খালাস পাবেন, আর সাজা হলে কেমন হবে পরিস্থিতি তা নিয়ে সর্বমহলে আলোচনা আছে। এ অবস্থায় দীর্ঘদিন পর আবার মুখোমুখি দেশের দুই বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। ৮ ফেব্রুয়ারি মাঠ দখলে মরিয়া উভয় দল। পাল্টাপাল্টি প্রস্তুতি চলছে দুই পক্ষেই। রায় নেতিবাচক হলে প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। আর রাজপথে কোনো ধরনের সহিংসতা করতে না দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। ওইদিন গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলারও ঘোষণা দিয়েছে সরকারি দল। যে কোন অরাজক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিএনপির নেতা-কর্মীদের ধারণা, দুর্নীতি মামলায় দলের চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে নেতিবাচক রায় হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বাইরে রাখতেই সরকার এ পথে হাঁটছে বলে তারা মনে করে। সে কারণে রায় নেতিবাচক হলেই আন্দোলনে যাবে বিএনপি। এ জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে কার পরামর্শে দল চলবে সেসব সিদ্ধান্তও হয়েছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই গুলশান বিএনপি নেত্রীর বাড়ি থেকে পুরান ঢাকার বকশীবাজারের বিশেষ আদালত পর্যন্ত রাজপথে থাকবে দলটির নেতা-কর্মীরা। এ জন্য দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। সহযোগী সংগঠনগুলোকেও সেভাবে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। গুলশান থেকে বকশীবাজার পর্যন্ত খালেদা জিয়া যে পথ দিয়ে আদালতে যাবেন সে পথে মানববন্ধনের মাধ্যমে নেতা-কর্মীরা ঢাকার শক্তি জানান দেবেন। তবে কোনো ধরনের উসকানি দেবে না তারা। আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হবে বলে মনে করেন তারা। সে কারণে ওইদিন রাজপথে বিএনপি ব্যাপক সহিংসতা করতে পারে বলে তাদের কাছে খবর আছে। তাই ওইদিন সকাল থেকে রাজধানীর পাড়া-মহল্লায় সতর্ক থাকবে আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠন ও ১৪ দলের নেতা-কর্মীরা। তারা পরিস্থিতির আলোকেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে রাজধানীর সকল থানাসহ এবং সারাদেশে পুলিশ সুপারদের প্রয়োজনীয় নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ৮ ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে সব ধরনের নৈরাজ্য পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত আছে। কোনো নাশকতা ও নৈরাজ্য করতে দেওয়া হবে না। এদেশের মানুষ তা সহ্য করবে না। এদিকে কেন্দ্রীয় ১৪ দল বৈঠক করে খালেদা জিয়ার রায়ের দিন মাঠে সতর্ক থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সংগঠনের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ১৪ দলের নেতা-কর্মীরা সতর্ক থাকবে। শুধু ৮ ফেব্রুয়ারি নয়, নির্বাচন পর্যন্ত সজাগ ও সতর্ক থাকবে তারা। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে বর্ধিত সভা করে তারা রাজপথে সক্রিয় থাকার কথা জানান দিয়েছেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আজ গুলিস্তানের দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভার আয়োজন করেছে। একইভাবে আজ আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যৌথ সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভা থেকে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির করণীয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। কারা কোথায় এবং কীভাবে অবস্থান করবেন সেটা নির্দেশনা দেওয়া হবে। রাজনীতির অন্দরমহলে আলোচনা হচ্ছে, বকশীবাজারের আদালত থেকে কোন দিকে যাবেন খালেদা জিয়া। নানা আলোচনা। নানা মত। খালেদা জিয়া খালাস পেলে বিকল্পের আলোচনা নেই। তিনি সোজা গুলশানে যেতে পারবেন। অন্য কোথাও যাওয়াও তারই মর্জি। রায় বিপক্ষে গেলে গন্তব্য কোন দিকে হবে। বাংলাদেশের প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় সাধারণত কারও দণ্ড হলে কারাগারে না গিয়ে আপিলের সুযোগ নেই। তৃণমূল অবশ্য খালেদা জিয়ার বিপক্ষে রায় গেলে হার্ডলাইনে যাওয়ার পক্ষে। ঢাকার বাইরের নেতাদের কেউ কেউ ইতিমধ্যে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তাদের মনোভাবের কথা জানিয়েছেন। সূত্রমতে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস, জ্বালাও পোড়াও করা শুরু করে তাহলে স্থানীয় জনগণ, পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে আওয়ামী লীগ। বিএনপিকে রাজপথে সহিংসতা করতে দেবে না তারা। মূলত জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপিকে সাংগঠনিক শক্তি দেখানোর সুযোগ দিতে নারাজ ক্ষমতাসীন দল। ...

একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এটি বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের একাধারে মর্মান্তিক ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন। ১৯৫২ সালের এ দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৯) বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাই এ দিন শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। বঙ্গীয় সমাজে বাংলা ভাষার অবস্থান নিয়ে বাঙালি মুসলমানের আত্ম-অন্বেষায় যে ভাষাচেতনার উন্মেষ ঘটে, তারই সূত্র ধরে বিভাগোত্তর পূর্ববঙ্গের রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভাষা-বিক্ষোভ শুরু হয়। ১৯৪৮ সালের মার্চে এ নিয়ে সীমিত পর্যায়ে আন্দোলন হয় এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তার চরম প্রকাশ ঘটে। ওই দিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে বেরিয়ে এলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে আবুল বরকত, আবদুল জববার ও আবদুস সালামসহ কয়েকজন ছাত্রযুবা হতাহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ঢাকাবাসী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে সমবেত হয়। নানা নির্যাতন সত্ত্বেও ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানাতে পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় রাজপথে নেমে আসে। তারা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে শহীদদের জন্য অনুষ্ঠিত গায়েবি জানাজায় অংশগ্রহণ করে। ভাষাশহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি এক রাতের মধ্যে মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গড়ে ওঠে একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যা সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি গুঁড়িয়ে দেয়। একুশে ফেব্রুয়ারির এ ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়। ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৯ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তখন থেকে প্রতি বছর এ দিনটি জাতীয় শোক দিবস হিসেবে উদ্যাপিত হয়ে আসছে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনায় ২১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা এক মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে একাদিক্রমে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষকবৃন্দ, ঢাকাস্থ বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ এসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। এ সময় আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারিগানের করুণ সুর বাজতে থাকে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষিত হয়। এদিন শহীদ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে রেডিও, টেলিভিশন এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। দেশের সংবাদপত্রগুলিও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি যে চেতনায় উদ্দীপিত হয়ে বাঙালিরা রক্ত দিয়ে মাতৃভাষাকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিল, আজ তা দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি লাভ করেছে। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসঙ্ঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সম্পাদক, নিউজ একাত্তর ডট কম ও সাপ্তাহিক সংবাদের কাগজ...

বিএনপির 'কালো পতাকা' মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ

বিএনপির আজকের কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি পুলিশের প্রবল বাধার মুখে পড়েছে। দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সকালে ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি শুরু হলে পুলিশ তা ভন্ডুল করে দেয়। এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ অন্তত ৩০ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। পুলিশ বলেছে, অনুমোদন ছাড়া রাস্তায় দাঁড়ানোর জন্য সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা হয়। বিএনপির কয়েক নেতা-কর্মীকে আটক করা হলেও সংখ্যাটা পুলিশ জানাতে পারেনি। আজ বেলা ১১টার দিকে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি ছিল। এ উপলক্ষে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির নেতা-কর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। নির্দিষ্ট সময়ের আগে পতাকাও প্রদর্শন শুরু করেন অনেকে। এ সময় হঠাৎ করেই জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশ চড়াও হয়। সেখান থেকে ১০ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। পরে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অন্য নেতা-কর্মীদের ধাওয়া করে পুলিশ। বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর জলকামান থেকে পানি ছিটানো হয়। তাদের ধাওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতারা কার্যালয়ের ভেতর ঢুকে পড়েন। পুরো এলাকায় হুড়োহুড়ি শুরু হয়। এরপর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কলাপসিবল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই ফটকের কাছ থেকে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের এটা কোন ধরনের আচরণ? সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ একটা কর্মসূচির মধ্যে এভাবে জলকামান দিয়ে পানি ছিটানো, লাঠিপেটা, নির্বিচারে গ্রেপ্তার কোনো সভ্য গণতান্ত্রিক দেশের আচরণ হতে পারে না। রিজভী বলেন, ‘দলের মহাসচিবকেও তারা পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।’ বিএনপির সূত্র জানায়, আজকের কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের ধাওয়ার সময় হুড়োহুড়ির মধ্যে পড়ে আহত হন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন ও স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায়ের পুত্রবধূ বিএনপি নেতা নিপুণ রায় চৌধুরী। বেলা সোয়া ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বের হয়ে যাওয়ার সময় যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে আটক করা হয়। সবমিলিয়ে অন্তত ২০ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শিবলী নোমান আটকের কথা স্বীকার করলেও এর সংখ্যা বলতে পারেননি। এ ঘটনার পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আজকে তাঁদের কর্মসূচিতে রাস্তায় দাঁড়ানোর কোনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি। অনুমোদন ছাড়া রাস্তায় দাঁড়ানোর জন্যই তাঁদের পানি ছিটিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। ...

রাজনীতি করতে হলে জেলে যেতে হয় :এরশাদ

এনপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ ও জনপ্রিয় নেতা জাতীয় পার্টিতে যোগদান করছেন—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ। এরশাদ আজ মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এরশাদ এসব কথা বলেন। ‘শোনা যাচ্ছে, আপনার দলে বিএনপির কিছু নেতা যোগ দিচ্ছেন’—এমন প্রশ্নের উত্তরে এরশাদ বলেন, ‘কেউ যদি ইচ্ছে করে আমার দলে যোগ দিতে চায়, কেন তাদের নেব না?’ এরশাদ বলেন, ‘তারা যদি ভালো নেতা হয়, যোগ্য প্রার্থী হয়, তাদের অবশ্যই দলে নেব এবং আগামী নির্বাচনে তাদের মনোনয়ন দেব।’ জাপায় আসতে চাওয়া বিএনপির এসব নেতা কারা? এমন প্রশ্নের জবাবে এরশাদ বলেন, ‘এটা এখন বলা যাবে না।’ এ কথা বলে হাসেন এরশাদ। এরশাদ বলেছেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক বা না করুক, তাতে কিছুই যায়-আসে না। তাদের জন্য নির্বাচন বন্ধ হবে না। নির্বাচন হবে। ওই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশ নেবে। অন্যান্য রাজনৈতিক দল আছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, আর আওয়ামী লীগ তো আছেই। ফলে, নির্বাচন না করার ব্যাপারে বিএনপির হুমকি-ধমকি দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। খালেদা জিয়ার কারাগারে যাওয়া নিয়ে এরশাদ বলেন, ‘রাজনীতি করলে জেলে যেতে হবে। আমিও জেলে গেছি। এ নিয়ে এত বাড়াবাড়ির কী আছে। রায় দিয়েছেন বিচারক। দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিচার হয়েছে। তাঁর জেল হয়েছে। এখানে এ নিয়ে হইচই করে লাভ কী?’ খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির আন্দোলন করাকে তিনি দোষের কিছু মনে করেন না জানিয়ে বলেন, তারা আন্দোলন করতেই পারে। তবে কোনো ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি না দেওয়াই তাদের জন্য মঙ্গল মনে করেন তিনি। এর আগে সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করে সরাসরি মোটর শোভাযাত্রাসহকারে রংপুর সার্কিট হাউসে আসেন। এ সময় নবনির্বাচিত সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান, মহানগর জাপা সম্পাদক ইয়াসির আহামেদসহ বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় এরশাদের সঙ্গে ছিলেন জাপার নেতা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মসিয়ার রহমান রাঙ্গা। এরশাদের ছোট ভাই জাপার কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ...

পায়ের গন্ধ দূর করবেন কীভাবে?

ছোট থেকে বড় অনেকেই পায়ে মোজা পরতে ভয় পান। কারণ কিছুক্ষণ পায়ে পরে থাকলেই মোজা থেকে কটু গন্ধ বেরয়। এমনকী এও দেখা গিয়েছে, মোজা না পরলেও পায়ে গন্ধ হচ্ছে অনেকের। গন্ধ হয়ে থাকে জুতো। প্রতিদিন রোদে না শুকিয়ে নিলে পায়ে পরা যায় না। খেয়াল করলে দেখা যাবে এই সব মানুষের পায়ের সঙ্গে হাতের তালুও ঘামে। বস্তুত, এই ঘাম বেরনোর সঙ্গেই রয়েছে শরীরে দুর্গন্ধ হওয়ার মূল যোগাযোগ। #ঘাম কেন হয়? ঘাম হল আমাদের শরীর থেকে বেরনো তরল পদার্থ। ত্বকের নিচে থাকা এক্রাইন গ্রন্থি থেকে ঘাম নির্গত হয়। দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘর্মগ্রন্থির যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। দেহের উষ্ণতার তুলনায় বাইরে পরিবেশের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে আমরা ঘামতে শুরু করি। এভাবেই শরীর ঠান্ডা হয়। মানবশরীরে প্রায় ৪০ লক্ষ এক্রাইন গ্রন্থি ছড়িয়ে রয়েছে। মজার ব্যাপার হল, সারা শরীরে ঘর্মগ্রন্থি ছড়িয়ে থাকলেও হাত পায়ের তালুতে ঘর্মগ্রন্থির ঘনত্ব সবচাইতে বেশি। কারও কারও ক্ষেত্রে হাতের এবং পায়ের তালু বেশি ঘামে। এইসব মানুষের হাত ও পায়ের তালুর এক্রাইন গ্রন্থি কোনও কারণ ছাড়াই বেশি পরিমাণে ঘাম নিঃসরণ করে। এই ধরনের সমস্যাকে বলে পামোপ্লান্টার হাইপারহাইড্রোসিস। বাচ্চা থেকে বড় সবাই এই অসুখে ভুগতে পারেন। দেখা গিয়েছে, আবেগ, মানসিক চাপ নানা কারণে হাত এবং পায়ের তালু ঘামতে থাকে। অফিসের একটু কঠিন কাজ পড়ে গেলে, টেনশন হলে, বাড়ির বাইরে হঠাৎ কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে পড়লে হাতের ও পায়ের তালু ঘামার সঙ্গে হাত কাঁপার সমস্যাও হয়। ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে হাত ঘামার কারণে পরীক্ষার খাতা ভিজে যায়। বড়দের ক্ষেত্রে জরুরি কাগজে সই করার সময় কাগজ ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। এমনকী যাদের হাতের তালু ঘামার সমস্যা থাকে তাদের সেনাবাহিনীতেও নেওয়া হয় না। কারণ ঘামের কারণে হাত থেকে অস্ত্র পিছলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। দেখা গিয়েছে যাঁদেরই বেশি ঘাম হয়, তাঁরা শরীর থেকে খুব খারাপ গন্ধ হওয়ার অভিযোগ জানান। #কেন হয় দুর্গন্ধ? আসলে শরীর থেকে ঘাম বেরলে বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধি করতে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়ার নাম স্ট্যাফাইলোকক্কাস হোমিনিস। এই ব্যাকটেরিয়াই দুর্গন্ধের মূল উৎস। তাই যাঁদের পা বেশি ঘামে তারা মোজা পরলে পায়ে আর মোজায় বেশ দুর্গন্ধ হয়। # চিকিৎসা: এই ধরনের সমস্যার চটজলদি সমাধান নেই। তবে নানাভাবে চিকিৎসা করার সুযোগও রয়েছে। রোগীর অবস্থা বুঝে চিকিৎসক অ্যালুমিনিয়াম হেক্সাহাইড্রেট লোশন, ফর্ম্যালডিহাইড এবং গ্লুটারালডিহাইড দ্রবণ, বটুলিনিয়াম টক্সিন জাতীয় ইঞ্জেকশন ও আয়নটোফোরেসিস পদ্ধতিতে চিকিৎসা করার কথা ভাবেন। এমনকী দরকার পড়লে অপারেশনও রয়েছে। #লোশন: প্রতিদিন রাতে পা শুকনো করে মুছে নিয়ে তারপর অ্যালুমিনিয়াম হেক্সাহাইড্রেট লোশন মাখতে হবে। সকালে উঠে পা ধুয়ে ফেললেই চলে। রোগীকে একটানা বেশ কিছুদিন ধরে এইভাবে লোশন দিয়ে চিকিৎসা করতে হতে পারে। সাধারণত যে পথে ঘাম বেরিয়ে ত্বকে আসে, সেই কূপের মুখ বন্ধ করে দেয় লোশন। তবে পায়ের ফাটা অংশে এই লোশন ব্যবহার করা যাবে না। সেক্ষেত্রে পায়ে নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে। # দ্রবণ: রোগীরা চাইলে ফর্ম্যালডিহাইড এবং গ্লুটারালডিহাইড দ্রবণে হাত এবং পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন। এভাবে ত্বকের উপরে আক্রান্ত জায়গাগুলির চিকিৎসা করা যায়। # আয়নটোফোরেসিস: একটি যন্ত্র এবং ট্যাপ কলের জলের সাহায্যে মৃদু বিদ্যুৎ তরঙ্গ (১৫ থেকে ২০ মিলি অ্যাম্পেয়ার) প্রয়োগ করা হয় ত্বকের উপরিভাগে। পর পর ১০ দিন ৩০ মিনিট করে এই চিকিৎসা চালাতে হয়। এরপর সপ্তাহে ১ বা ২ দিন এই চিকিৎসা করালেই চলে। এর সঙ্গে অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধও দেওয়া হতে পারে। # বটুলিনাম টক্সিন: হাত ও পায়ের ঘাম ও দুর্গন্ধ বাগে আনতে বটুলিনাম টক্সিন ইঞ্জেকশন দেওয়া যায়। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই চিকিৎসা প্রায় ব্যথাহীন। ক্ষুদ্রাকৃতি সুঁচের সাহায্যে হাত পায়ের তালুতে ইঞ্জেকশনের সাহায্যে ওষুধ পুরে দেওয়া হয়। # মুখে খাওয়ার ওষুধ: মুখে খাওয়ার অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ রয়েছে। ওষুধগুলি ঘাম নিঃসরণ রোধ করে। তবে এই ওষুধগুলির কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। নিয়মিত এই ওষুধ সেবনে রোগীর মুখ ও চোখে চোখ শুষ্কভাব দেখা যায়। হতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্য। কারও কারও ক্ষেত্রে ইউরিন করতেও সমস্যা দেখা দেয়। দুঃশ্চিন্তা কমানোর যে সমস্ত ওষুধ রয়েছে সেগুলি খেলেও সমস্যা কিছুটা কমে, তবে এই ধরনের ওষুধের প্রতি রোগীর আসক্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। #অপারেশন: রোগীর শোচনীয় অবস্থা না হলে এবং সব ধরনের চিকিৎসা ব্যর্থ হলে তারপর অপারেশনের কথা ভাবেন চিকিৎসক। তবে সার্জারি করালে রোগীর সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়। এই অপারেশনের নাম সার্জিকাল সিমপ্যাথেকটমি। বড়সড় কাটাছেঁড়া করতে হয় না। মিনিমালি ইনভেসিভ এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতিতে সার্জারি করা হয় বলে রোগীর শরীরে সামান্য ক্ষত তৈরি হয়। রোগী খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। ঘরোয়া উপায় #পায়ের দুর্গন্ধের কারণ কী? # শরীরের অত্যধিক ঘাম এবং মৃত কোষ হল ব্যাকটেরিয়ার খাবার। সেই খাবার খেয়ে ব্যাকটেরিয়া একধরনের রাসায়নিক নিঃসরণ করে। এই রাসায়নিকই দুর্গন্ধের উৎস। সারা শরীরের অন্যান্য অংশের থেকে পায়ে বেশি দুর্গন্ধ হওয়ার কারণ হল পা বেশি ঢাকাঢাকিতে থাকে। দেখবেন, বেশিরভাগ মানুষেরই মোজা খোলার পর পা থেকে দুর্গন্ধ বেরচ্ছে। মোজা এবং ঢাকা জুতো পরার কারণে পায়ে বায়ু চলাচলে সমস্যা হয়ে অতিরিক্ত ঘাম তৈরি হয়। তবে এছাড়াও নির্দিষ্ট অঞ্চলে রক্ত সঞ্চালন কম হওয়াও অত্যধিক ঘামের অন্যতম কারণ। ডায়াবেটিস মেলিটাস, হার্টের রোগ ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা থেকে পায়ে স্বাভাবিক রক্তসঞ্চালন ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, বায়ু, পিত্ত এবং কফ হল শরীরের চালিকাশক্তির উৎস। শরীরে এগুলির অসামঞ্জস্যতা নানাবিধ সমস্যা ডেকে আনে। এখানে সমস্যার মূলে রয়েছে পিত্ত। আয়ুর্বেদ মতে, পিত্ত প্রকৃতির মানুষের ঘাম বেশি হয়। পিত্ত প্রকৃতির মানুষের লক্ষণগুলি হল—এরা গরম সহ্য করতে পারেন না। অম্ল জাতীয় খাদ্য খান (টক)। অন্যান্যদের তুলনায় একটু বেশিই চনমনে থাকেন ইত্যাদি। এছাড়াও পিত্ত বৃদ্ধিকারক আহার (খাদ্য) এবং বিহারের (জীবনযাপন) মাধ্যমেও অনেকের শরীরে পিত্ত বৃদ্ধি পায়। আবার শরীর গঠনের সাতটি ধাতুর মধ্যে মেদ ধাতুর (ফ্যাট) পরিমাণ বেশি থাকলেও অতিরিক্ত ঘাম হয়। # শীতে পায়ে দুর্গন্ধের সমস্যা বাড়ে কেন? #এভাবে শীত বলে নির্দিষ্ট কোনও ঋতুকে দায়ী করা ঠিক নয়। আসলে সমস্যাটা হল ঘামের। বেশিরভাগ মানুষ সারা বছর খোলা জুতো পরেন। মোজাও পরেন না। ফলে পায়ে ভেন্টিলেশনের কোনও সমস্যা হয় না। তাই দুর্গন্ধও থাকে না। অথচ শীত আসতেই শুরু হয় মোজা এবং পা ঢাকা জুতোর ব্যবহার। সেখান থেকে ঘাম। ঘাম থেকে দুর্গন্ধ। তাই শীত বলে আলাদা করে বলা যায় না। যাঁদের বেশি ঘাম হয়, তাঁরা সারা বছরই এই সমস্যায় ভুগতে পারেন। # চিকিৎসা কী? # চিকিৎসার প্রথম ধাপ হল শরীরের সেই নির্দিষ্ট জায়গার যত্ন। এটা দুভাবে করা যেতে পারে। প্রথমটি হল, পায়ের ভেন্টিলেশন নিশ্চিত করা। আর দ্বিতীয়টি অবশ্যই সেই জায়গার ব্যাকটেরিয়া নিধন। এবার এমন কয়েকটি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক # জলে কয়েকটি নিম পাতা ফেলে ফুটিয়ে ফেলুন। এবার সেই জল সহনযোগ্য ঊষ্ণতায় এলে পা দুটিকে ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। নিমের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ক্ষমতা জীবাণু নিধনে বিশেষভাবে কার্যকরী # অগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা লাভা জমে পাথরে (ভলক্যানিক রক) পরিণত হয়। এই পাথরের নাম জিওলাইট। বাজারে প্যাকেটের মধ্যে জিওলাইট ভরে বিক্রি করা হয়। এই পাউচ প্যাকেটটি মোজার মধ্যে ভরে ব্যবহার করলেও পায়ের দুর্গন্ধ দূর হয় # গরম জলে চা মিশিয়ে তার মধ্যে দুটি পা আধঘণ্টা চুবিয়ে রাখলেও উপকার পাবেন। চায়ে উপস্থিত ট্যানিন নামক পদার্থটি ভালো অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ক্ষমতাসম্পন্ন # স্নান করার মোটামুটি আধঘণ্টা আগে পায়ে চন্দনাদি তেল ভালো করে মালিশ করে নিলেও পায়ে দুর্গন্ধের সমস্যা প্রতিহত করা সম্ভব # পায়ে ব্রাহ্মী তেল লাগালেও দুর্গন্ধ দূর হয় # এক্ষেত্রে আয়ুর্বেদের পঞ্চকর্ম থেরাপির অন্তর্গত বিরেচন (পারগেশন) অত্যন্ত ফলপ্রসূ। এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন উপায়ে শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রেখে প্রায় ৩০ বার মলত্যাগ করানো হয় # আমলকী হল পিত্তনাশক ফল। তাই প্রতিদিন ১ চামচ বা ৩ থেকে ৬ গ্রাম আমলকী চূর্ণ (পাউডার) ঘি-এর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে শরীরের পিত্তবৃদ্ধিজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আসে # প্রতিদিন ১ চামচ ত্রিফলা চূর্ণ (হরীতকী, আমলকী ও বহেরা) ঘি মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাবেন # বিভিন্ন যোগ ব্যায়ামের মধ্যে পিত্তনাশক হিসাবে প্রাণায়াম করা খুবই উপকারী। তাই নিয়মিত প্রাণায়াম করুন # এছাড়াও নিয়মকরে ব্যবহৃৎ মোজা ও জুতো পরিষ্কার করতে হবে। চেষ্টা করুন খোলা জুতো পরার। মোজা সুতির কাপড়ের হলেই ভালো। দিনের শেষে পা ভালো করে পা ধুয়ে নিন। পায়ের গন্ধ দূর করবেন কীভাবে? ...

মোবাইলে বেশি কথা বললে কী কী ক্ষতি হতে পারে

নানা সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, মোবাইলের রেডিয়েশনের ফলে শুধু শরীর নয়, ক্ষতি হয় মনেরও। আমাদের অজান্তেই মোবাইলের অদৃশ্য তরঙ্গ পাল্টে দেয় দেহ-মনের রসায়ন। মোবাইল ব্যবহারের করার আগে বেশ কিছু সাবধানতা গ্রহণ করা অবশ্য কর্তব্য। * মোবাইল ফোন থেকে শরীরে সমস্যা তৈরি হয় কীভাবে? ** মোবাইল ফোনের এক প্রান্তের বার্তা অন্য প্রান্তে পৌঁছানোর কাজটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশনের মাধ্যমে হয়। সমস্যা হল, এই ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন মানব শরীরেও গৃহীত হয়। সাধারণত মোবাইলের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশেনের মাত্রা ৪৫০ থেকে ৩৮০০ মেগাহার্টজের মধ্যে থাকে। এবার প্রশ্ন হল, ঠিক কতটা পরিমাণ ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন শরীরে গৃহীত হলে সমস্যা সৃষ্টি করে? উত্তর হল, ঠিক যতটা পরিমাণ রেডিয়েশন থেকে শরীরের কেমিক্যাল বন্ড ভেঙে যায় বা শরীরের মধ্যে আয়োনাইজিং এফেক্ট তৈরি হয়। বিষয়টিকে একটু বুঝিয়ে বলি, আসলে আমাদের শরীরের সমস্তটাই রাসায়নিক পদ্ধতিতে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত। মাত্রাতিরিক্ত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন শরীরের রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে ফেলতে সক্ষম। আবার রেডিয়েশনের মাধ্যমে শরীরে আয়োনাইজিং এফেক্ট তৈরি হলেও কোষের মধ্যে হঠাৎ পরিবর্তন আসে। তৈরি হয় নানাবিধ শারীরিক সমস্যা। মোবাইলের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন মানুষের ক্ষতি করতে পারে বলে প্রাথমিক পর্যায়ে মোবাইলের স্রষ্টারা বিশ্বাসই করতেন না। তাঁদের যুক্তি ছিল, মোবাইল থেকে এতই সামান্য পরিমাণে রেডিয়েশন উৎপন্ন হয় যে তা শরীরে কোনও ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন গবেষণায় অত্যধিক মোবাইল ব্যবহারের বিভিন্ন ক্ষতিকর শারীরিক প্রভাবগুলি নিয়ে নানা মতামত উঠে আসছে। * কী কী সমস্যা হয়? ** বিভিন্ন গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী মোবাইল ফোন থেকে মানবশরীরে ঘটে যাওয়া নেতিবাচক প্রভাবগুলিকে দুভাবে চিহ্নিত করা যায়। প্রথমটি হল ছোটদের উপর প্রভাব। আর দ্বিতীয়টি প্রাপ্তবয়স্কদের উপর প্রভাব। এবার ছোটদের উপর ক্ষতিকর প্রভাবের প্রশ্নে বলি, প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় ছোটদের শরীরে ৬০ শতাংশ বেশি হারে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন গৃহীত হয় বলে গবেষণায় দেখা গিয়েছে। এর কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, ছোটদের মস্তিষ্কের হাড় এবং সফ্ট টিস্যু সরু এবং পাতলা হওয়ার জন্যই প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ রেডিয়েশন গৃহীত হয়। তাই এটা সহজেই অনুমেয় যে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব বড়দের তুলনায় ছোটদের অনেক বেশি। ছোটদের মধ্যে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের মুখ্য সমস্যা হল লার্নিং ইম্পেয়ারমেন্ট। জটিল এই সমস্যায় ছোটদের নতুন কিছু শেখার আগ্রহ এবং ক্ষমতা দুই-ই কমে আসে । * অনেক বাচ্চাই শুয়ে-বসে বিভিন্ন ভুল শারীরিক কায়দায় মোবাইল ব্যবহার করে। এভাবে ব্যবহারে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যথা হওয়ায় আশঙ্কা থাকে * দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রিনে চোখ রাখার জন্য মাথা ব্যথার সমস্যা হওয়ারও আশঙ্কা থাকে * রাতে মোবাইল ব্যবহারে ঘুমের সমস্যা হয় * ক্লান্তি এবং দুর্বলতাও আসতে পারে * দুশ্চিন্তা এবং মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা থাকে * কান গরম হয়ে আসে। বড়দের ক্ষেত্রে তালিকার প্রথমেই রয়েছে মাথা ব্যথা। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় মোবাইলের ব্যবহারে ঘুমের সমস্যা, দুশ্চিন্তা এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির মতো সমস্যাও হামেশাই ঘটে। এছাড়াও মোবাইলের ব্যবহার অনেকক্ষেত্রেই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মোবাইল কানে রাস্তা পারাপার, রেললাইন পার বা গাড়ি চালালে যে কোনও মুহূর্তে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আবার বেশ কিছু গবেষণায় মোবাইল ফোনের বেশি ব্যবহারের সঙ্গে ক্যান্সার এবং প্রজননের অক্ষমতার দিকেও নির্দেশ করা হয়েছে। এখানে বলা দরকার, ইতিমধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু মোবাইল রেডিয়েশনকে প্রোবাবেল কার্সিনোজেনিক হিসাবে বর্ণনা করেছে। অর্থাৎ মোবাইলের রেডিয়েশন থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে বলেই সংস্থার মতামত। তবে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ এখনও পর্যন্ত নেই। অপরদিকে কোনও শক্তিশালী প্রমাণ না মেলায় প্রজনন ক্ষমতা হ্রাসজনিত সমস্যাটিকেও তেমন কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয় না। * কী করলে ভালো হয়? ** বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল থেকে এটা পরিষ্কার যে সুস্থ শরীরে বাঁচতে মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমানোই একমাত্র উপায়। তবে ঠিক কতটা কমালে ভালো হয়? উত্তরে বলা যায়, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের সারা দিনে ৩০ মিনিটের বেশি মোবাইল ফোনে কথা বলা উচিত নয়। আর বয়স ১৮ বছরের নীচে হলে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময়টা সারাদিনে ২০ মিনিটের মধ্যে রাখাই শ্রেয় * মোবাইল কেনার আগে অবশ্যই মোবাইলের স্পেসিফিক অ্যাবসর্পশন রেট বা সার ভ্যালু সম্বন্ধে জেনে নিন। বর্তমানে সরকারি নিয়ম মতো সব মোবাইল ফোনেই এই ভ্যালু উল্লেখিত থাকে * ফোনটিকে শরীর থেকে অন্তত ২০ সেন্টিমিটার দূরে সরিয়ে রাখলে রেডিয়েশনের প্রভাব কম পড়ে * মোবাইল টাওয়ারের সিগন্যাল কম থাকলে মোবাইলের রেডিয়েশনের প্রভাব অনেকাংশে বেড়ে যায়। তাই এমন সময় মোবাইল ব্যবহার না করাই ভালো * রাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার ঘুমের সমস্যার প্রধান কারণ। তাই কোনওভাবেই রাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন শরীর থেকে অনেকটা দূরে রেখে শোওয়াই ভালো। পারলে ঘুমের সময় মোবাইল বন্ধ বা সাইলেন্ট মোডে রাখুন * মোবাইল ব্যবহার করার সময়ে সঠিক দেহভঙ্গি বজায় রেখে কথা বলুন। বেঁকে-টেরে বসে বা শুয়ে কথা না বলাই ভালো * দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ফোন কানে নিয়ে কথা বলার বদলে হেডফোন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে হেডফোনের বেশি ব্যবহার আবার কানের নানাবিধ ক্ষতি করে। তাই এক্ষেত্রেও মেপেবুঝে চলতে হবে * মোবাইলে চোখ রেখে বা কথা বলতে বলতে অন্য কাজ না করাই ভালো * মোবাইলে ব্যবহার করতে করতে রাস্তায় হাঁটা, রেললাইন পারাপার, রাস্তা পার, গাড়ি চালানো একদমই উচিত নয় * ছোটদের উপর মোবাইলের খারাপ প্রভাবকে লক্ষ করে বলা যায়, বয়সের গণ্ডি ১৮ না পেরনো পর্যন্ত মোবাইল না ব্যবহার করাই ভালো। ...

দেশের বেসরকারি চিকিৎসাসেবা নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে :টিআইবি

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, দেশের বেসরকারি চিকিৎসাসেবা খাতে বাণিজ্যিকীকরণের প্রবণতা প্রকট আকার ধারণ করেছে। ঘাটতি রয়েছে বেসরকারি চিকিৎসাসেবায় সরকারের যথাযথ মনোযোগের । এতে একদিকে এটি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে কিছু ব্যক্তির এ খাত থেকে বিধিবহির্ভূত সুযোগ-সুবিধা আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। আজ বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে বেসরকারি চিকিৎসাসেবা : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। গবেষণায় দেশের বিভিন্ন জেলায় নিবন্ধিত ১১৬টি (হাসপাতাল ৬৬টি এবং রোগনির্ণয় কেন্দ্র ৫০টি) বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় বেসরকারি চিকিৎসা খাত সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতি পর্যালোচনা, প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, এসব প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা, বেসরকারি চিকিৎসাসেবার বিপণন ব্যবস্থা, তথ্যের স্বচ্ছতা, তদারকির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা সুমাইয়া খায়ের, টিআইবির গবেষণা ও পলিসি পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান। গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন টিআইবির প্রোগ্রাম ম্যানেজার তাসলিমা আক্তার এবং ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. জুলকারনাইন। ফলাফলে দেখা যায়, গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ১১৬টির মধ্যে ৯৭টি প্রতিষ্ঠান পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেয়নি। এ ছাড়া বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রধান আইন দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অরডিন্যান্স ১৯৮২ প্রণয়নের পর এখন পর্যন্ত হালনাগাদ করা হয়নি। এ আইনের কোনো বিধিমালাও করা হয়নি। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় বেসরকারি চিকিৎসাসেবা আইনের খসড়া নিয়ে কাজ করা হলেও তা এখনো আইন হিসেবে প্রণয়ন করা হয়নি। অনুষ্ঠানে টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি সুলতানা কামাল বলেন, বেসরকারি চিকিৎসা খাতে তদারকির চিহ্ন দেখতে পাই না। সরকার এ ক্ষেত্রে পুরো উদাসীন। সেখানে কি স্বার্থের দ্বন্দ্ব আছে সরকারের? কোনো ধরনের জবাবদিহির সম্মুখীন না হয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যাঁরা তদারকের দায়িত্বে আছেন, তাঁরা তাঁদের কাজ গুরুত্বসহকারে নিচ্ছেন না। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারী খানার প্রায় সাড়ে ৬৩ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হতে সেবা নেয়। কিন্তু বাংলাদেশে বেসরকারি চিকিৎসাসেবা উচ্চ মুনাফাভিত্তিক খাত। মালিকেরা বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়েছে। তদারকির অভাব থাকায় সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে উচ্চ মুনাফা আদায়ের সুযোগ রয়েছে।...

ম্যানিটোবায় কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিশেষ কন্স্যুলার সেবা প্রদান

ম্যানিটোবাস্থ বাংলাদেশিদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন কানাডা-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) এবং অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের যৌথ ব্যবস্থাপনায় ম্যানিটোবায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও অভিবাসীদের জন্য তিনদিনব্যপী বিশেষ কন্স্যুলার সেবা প্রদান করা হয়। কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার জনাব মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যবিশিষট কন্স্যুলার সেবা প্রদানকারী দল ৪ ডিসেম্বত হতে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ম্যানিটোবাস্থ বাংলাদেশীদের প্রত্যক্ষ সহায়তা দেন। এই সর্বাংগীন সেবা কার্যক্রমের মধ্যে ছিল হাতে লেখা পাসপোর্ট প্রতিস্থাপন, নতুন মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রাপ্তি ও নবায়ন, এবং নাগরিকত্ব, জন্ম-নিবন্ধন ও ভোটার কার্ড এর আবেদনপত্র গ্রহণ, ফরম পুরণের খুঁটিনাটি সরাসরি তত্ত্বাবধান, প্রয়োজনীয় পরামর্শ দান, এবং আবেদনকারীদের ছবি ও আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ বা বায়োমেট্রিক তথ্য নিবন্ধন। সিবিএ সভাপতি মিসেস নাসরিন মাসুদ-এর নেতৃত্বে সংগঠনেরসকল নির্বাহীবৃন্দ সহযোগে একদল স্বেচ্ছাসেবি কন্স্যুলার সেবাসংশ্লিষ্ট যাবতীয় কর্মকান্ড তত্ত্ববধান করেন। আড়াইশত জনেরও অধিক বাংলাদেশি এই প্রত্যক্ষ সেবাসমূহ গ্রহণ করেন। ম্যানিটোবায় অবস্থানকালে হাইকমিশনার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের দায়িত্বে নিযুক্ত প্রথম সচিব মহোদয় স্থানীয় বণিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কৃষিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানীসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচিত হয়। বাংলাদেশকে অযুত সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিমূখী দেশ হিসেবে উপস্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে কানাডিয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সুবিধাদিও আলোচিত হয়। ম্যানিটোবার বাংলাদেশিদের উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রাণপ্রাচুর্যে আয়োজনটিশতভাগসফল হয়। ভবিষ্যতে সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন প্রবাসী কর্মকান্ডে হাইকমিশন আরো বর্ধিত কলেবরে সেবা প্রদানের অংগীকার করেন। (ড. হেলাল মহিউদ্দীন, গবেষণা ফেলো, সেইন্ট পলস কলেজ, ম্যানিটোবা বিশ্ববিদ্যালয়) Press Release ...

আবার মুখোমুখি দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল , টান টান উত্তেজনা

আগামীকাল ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে টান টান উত্তেজনা চলছে। দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা হবে নাকি তিনি খালাস পাবেন, আর সাজা হলে কেমন হবে পরিস্থিতি তা নিয়ে সর্বমহলে আলোচনা আছে। এ অবস্থায় দীর্ঘদিন পর আবার মুখোমুখি দেশের দুই বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। ৮ ফেব্রুয়ারি মাঠ দখলে মরিয়া উভয় দল। পাল্টাপাল্টি প্রস্তুতি চলছে দুই পক্ষেই। রায় নেতিবাচক হলে প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। আর রাজপথে কোনো ধরনের সহিংসতা করতে না দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। ওইদিন গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলারও ঘোষণা দিয়েছে সরকারি দল। যে কোন অরাজক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিএনপির নেতা-কর্মীদের ধারণা, দুর্নীতি মামলায় দলের চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে নেতিবাচক রায় হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বাইরে রাখতেই সরকার এ পথে হাঁটছে বলে তারা মনে করে। সে কারণে রায় নেতিবাচক হলেই আন্দোলনে যাবে বিএনপি। এ জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে কার পরামর্শে দল চলবে সেসব সিদ্ধান্তও হয়েছে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই গুলশান বিএনপি নেত্রীর বাড়ি থেকে পুরান ঢাকার বকশীবাজারের বিশেষ আদালত পর্যন্ত রাজপথে থাকবে দলটির নেতা-কর্মীরা। এ জন্য দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। সহযোগী সংগঠনগুলোকেও সেভাবে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। গুলশান থেকে বকশীবাজার পর্যন্ত খালেদা জিয়া যে পথ দিয়ে আদালতে যাবেন সে পথে মানববন্ধনের মাধ্যমে নেতা-কর্মীরা ঢাকার শক্তি জানান দেবেন। তবে কোনো ধরনের উসকানি দেবে না তারা। আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হবে বলে মনে করেন তারা। সে কারণে ওইদিন রাজপথে বিএনপি ব্যাপক সহিংসতা করতে পারে বলে তাদের কাছে খবর আছে। তাই ওইদিন সকাল থেকে রাজধানীর পাড়া-মহল্লায় সতর্ক থাকবে আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠন ও ১৪ দলের নেতা-কর্মীরা। তারা পরিস্থিতির আলোকেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে রাজধানীর সকল থানাসহ এবং সারাদেশে পুলিশ সুপারদের প্রয়োজনীয় নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ৮ ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে সব ধরনের নৈরাজ্য পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত আছে। কোনো নাশকতা ও নৈরাজ্য করতে দেওয়া হবে না। এদেশের মানুষ তা সহ্য করবে না। এদিকে কেন্দ্রীয় ১৪ দল বৈঠক করে খালেদা জিয়ার রায়ের দিন মাঠে সতর্ক থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সংগঠনের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ১৪ দলের নেতা-কর্মীরা সতর্ক থাকবে। শুধু ৮ ফেব্রুয়ারি নয়, নির্বাচন পর্যন্ত সজাগ ও সতর্ক থাকবে তারা। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে বর্ধিত সভা করে তারা রাজপথে সক্রিয় থাকার কথা জানান দিয়েছেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আজ গুলিস্তানের দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভার আয়োজন করেছে। একইভাবে আজ আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যৌথ সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভা থেকে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির করণীয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। কারা কোথায় এবং কীভাবে অবস্থান করবেন সেটা নির্দেশনা দেওয়া হবে। রাজনীতির অন্দরমহলে আলোচনা হচ্ছে, বকশীবাজারের আদালত থেকে কোন দিকে যাবেন খালেদা জিয়া। নানা আলোচনা। নানা মত। খালেদা জিয়া খালাস পেলে বিকল্পের আলোচনা নেই। তিনি সোজা গুলশানে যেতে পারবেন। অন্য কোথাও যাওয়াও তারই মর্জি। রায় বিপক্ষে গেলে গন্তব্য কোন দিকে হবে। বাংলাদেশের প্রচলিত বিচার ব্যবস্থায় সাধারণত কারও দণ্ড হলে কারাগারে না গিয়ে আপিলের সুযোগ নেই। তৃণমূল অবশ্য খালেদা জিয়ার বিপক্ষে রায় গেলে হার্ডলাইনে যাওয়ার পক্ষে। ঢাকার বাইরের নেতাদের কেউ কেউ ইতিমধ্যে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তাদের মনোভাবের কথা জানিয়েছেন। সূত্রমতে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস, জ্বালাও পোড়াও করা শুরু করে তাহলে স্থানীয় জনগণ, পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে আওয়ামী লীগ। বিএনপিকে রাজপথে সহিংসতা করতে দেবে না তারা। মূলত জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপিকে সাংগঠনিক শক্তি দেখানোর সুযোগ দিতে নারাজ ক্ষমতাসীন দল।


দেশের বেসরকারি চিকিৎসাসেবা নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে :টিআইবি

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, দেশের বেসরকারি চিকিৎসাসেবা খাতে বাণিজ্যিকীকরণের প্রবণতা প্রকট আকার ধারণ করেছে। ঘাটতি রয়েছে বেসরকারি চিকিৎসাসেবায় সরকারের যথাযথ মনোযোগের । এতে একদিকে এটি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে, অন্যদিকে কিছু ব্যক্তির এ খাত থেকে বিধিবহির্ভূত সুযোগ-সুবিধা আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। আজ বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে বেসরকারি চিকিৎসাসেবা : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। গবেষণায় দেশের বিভিন্ন জেলায় নিবন্ধিত ১১৬টি (হাসপাতাল ৬৬টি এবং রোগনির্ণয় কেন্দ্র ৫০টি) বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় বেসরকারি চিকিৎসা খাত সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতি পর্যালোচনা, প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, এসব প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা, বেসরকারি চিকিৎসাসেবার বিপণন ব্যবস্থা, তথ্যের স্বচ্ছতা, তদারকির বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা সুমাইয়া খায়ের, টিআইবির গবেষণা ও পলিসি পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান। গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন টিআইবির প্রোগ্রাম ম্যানেজার তাসলিমা আক্তার এবং ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. জুলকারনাইন। ফলাফলে দেখা যায়, গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত ১১৬টির মধ্যে ৯৭টি প্রতিষ্ঠান পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেয়নি। এ ছাড়া বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রধান আইন দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অরডিন্যান্স ১৯৮২ প্রণয়নের পর এখন পর্যন্ত হালনাগাদ করা হয়নি। এ আইনের কোনো বিধিমালাও করা হয়নি। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় বেসরকারি চিকিৎসাসেবা আইনের খসড়া নিয়ে কাজ করা হলেও তা এখনো আইন হিসেবে প্রণয়ন করা হয়নি। অনুষ্ঠানে টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি সুলতানা কামাল বলেন, বেসরকারি চিকিৎসা খাতে তদারকির চিহ্ন দেখতে পাই না। সরকার এ ক্ষেত্রে পুরো উদাসীন। সেখানে কি স্বার্থের দ্বন্দ্ব আছে সরকারের? কোনো ধরনের জবাবদিহির সম্মুখীন না হয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যাঁরা তদারকের দায়িত্বে আছেন, তাঁরা তাঁদের কাজ গুরুত্বসহকারে নিচ্ছেন না। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারী খানার প্রায় সাড়ে ৬৩ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হতে সেবা নেয়। কিন্তু বাংলাদেশে বেসরকারি চিকিৎসাসেবা উচ্চ মুনাফাভিত্তিক খাত। মালিকেরা বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়েছে। তদারকির অভাব থাকায় সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে উচ্চ মুনাফা আদায়ের সুযোগ রয়েছে।

ধণীর সন্তান সুকান্ত গরিবেরটি ক্যবলাক্যান্ত

ধণীর সন্তান সুকান্ত গরিবেরটি ক্যবলাক্যান্ত টোকাই ও বলা যায়। তেমনি গরিবের বউ সকলের ভাবি, ধণীর বউ ম্যাডাম। হায়রে বিধি কেমন তোমার বিধান মানুষে মানুষে হেথা আজ কত ব্যবধান। আসলে এখানে ছোটর নেই কোন স্থান, রবীন্দ্রনাথ বলেছেন,তের চৌদ্দ বছরের ছেলেরা বলাই আমিতো বলি ভালই, কেন তা পরে বলবো। কবি গুরু বলেন,তাদের কাচামাখা কথা ন্যাকামি আর আধাপাখা কথা জ্যাটামি সব দোষ যেন তাদের। আহারে বাঙ্গালী আসলে আমরা যেন সবাই কাঙ্গালী তাই দিন বন্ধু মিত্রনিল দর্পন নাটকে বলেছেন কাঙ্গালির কথা বাসি হলে ফলে। কত বাসী? পুরান চালের ভাত বাড় পুরান কথা তর্কে সার, অত টাইম কারো নাই। তবে সব্জি দুয়েক বেলায় বাসী হলে মজে ভালো তাই মজাও হয় ভালো। এখন আবার প্রেশার কুকারের যুগ চাপ দিয়ে তরকারি মজিয়ে ফেলে তাই বাসী হওয়ার আর দরকার হয় না। তাই তো যুক যার মুল্লুক তার- আর কথাটি সার্থক দেখুন না,বস ভুল করলে হয় অভিঞ্জতা আর কর্মি করলে অঞ্জতা। বসের কথা বানী কর্মির কথা পানি। আসলে ছোট যেন সব জায়গায় অবহেলিত। এটি ঠিক না, আমরা দেখি ইশফের গল্পে ক্ষুদ্র ইদুর বিশাল সিংহকে বাচিঁয়েছে,পিপড়ে ঘুঘুকে বাঁচিয়েছে। আবার ভিখারির ছেলেকে রাজা হতে দেখেছি এবং রাজার ছেলেকে দেখেছি ভিখারি হতে। তাই ছোট বলে কখনো অবহেলা করতে নেই। যেহেতু গরিবের বউ একাধটু ঠাট্টা-মশকারা তো সবাই করবে। তাই বলে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য মোটেই উচিত না। সকলকে আবশ্যক জ্ঞান করা ভালো। এক সময় আমাদের দেশে একটি গান বড় চাউর হয়েছিল, রিক্সাওয়ালা বলে কাকে তুমি আজ ঘৃণা কর। এর পর হতে দেখলাম মানুষের রুচিতে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। অনেক খানদানি লোক দেখলাম বিউটি পার্লারের নাম দিয়ে নাপিতের কাজ করছে, পল্ট্রি নাম দিয়ে মুরগী দোকান, ডেইরি নাম দিয়ে গোয়ালার কাম,এমনকি মিট শপ নাম দিয়ে কসাই কাজ পর্যন্ত করছেন। অথচ এক সময় ছিলো খানদানি লোকেরা ডাক্তারি করতেন না আর আজ ডাক্তারি হলো এক নম্বর পেশা!যুগে যুগে অবশ্য নেশা পরিবর্তন আসে পেশার পরিবর্তন আসে, তেমনি রুচির ও পরিবর্তন আসে কিন্তু ছোটকে অবহেলা-এটি এখনো তেমন পরিবর্তন হয়নি। কথায় বলে ছোটর জায়গা যেখানে সেখানে,বড়র জায়গা নেই কোনখানে। কথাটি কত টুকু ঠিক জানি না। তবে আমরা দেখি সব খানে বড়রাই আগে জায়গা করে নেই। আরো বলে, বড় হবি তো আগে ছোট হ! এখন কত ছোট হবো, ইজ্জত-সম্মান সব ফেলে দিয়ে? একটি কৌতুক মনে পড়ে গেল ঃ মালিক ভৃত্যকে বলেছেন, বুঝলি গেঁদা; বড় হতে গেলে নিজেকে আগে ছোট হতে হয়। গেঁদা; কত ছোট? মালিক; যত ছোট হলে নিজেকে তোর আর মানুষ বলে মনে হবে না। গেঁদা; তাহলে কী বলে মনে হবে? মালিক; মনে হবে তুই আস্থ একটা পশু! গেঁদা; তা কেমনে? মালিক; তাতো তুই ঠিক করবি। গেঁদা; পড়লো মহাভাবনায়। তার পর একদিন পুরো দিগম্বর হয়ে মালিকের সামনে হাজির! মালিক বিষ্মিত হয়ে, এটি কি? গেঁদা; কেন, আপনি বলেছেন পশু হতে তাই পশু হয়েছি, একমাত্র পশুরাই তো কাপড় পড়ে না! তেমন বড় অবশ্য আমরা হতে চাই না, কারণ এতে সম্মান নেই। পৃথিবিতে অর্থ আয়ের অনেক উপায় আছে তাই বলে বউ বেটি ভাড়া দিয়ে অর্থ আয় কারো কাম্য নয় বড় হওয়ার ও তেমন অনেক উপায় আছে তবে তা সম্মানের সহিত হতে হবে। তাই বড় হওয়ার জন্যে ছোট অবশ্যই হবো তবে তা সম্মানের সাথে।

আজকের মোট পাঠক

32577

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : নুরুল ইসলাম ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা। ফোন : ০৩১-২৭৭১১৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১০/১১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত