মঙ্গলবার, জানুয়ারী ১৬, ২০১৮

আমি বর্ণবাদী নই : ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রোববার জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি বর্ণবাদী নন। শিথলি দেশগুলোর পক্ষ থেকে অভিবাসন নিয়ে দেয়া ট্রাম্পের বক্তব্যের কঠোর নিন্দা জানানোর এবং এটা নিয়ে বিশ্বব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠার পর তিনি এমন মন্তব্য করলেন। ওয়াশিংটন পোস্ট ও নিউইয়র্ক টাইমস ট্রাম্পের এ মন্তব্যের কথা প্রকাশ করে এবং বৈঠকে অংশ নেয়া ডেমোক্রেটিক সিনেটর ডিক ডারবিন নিশ্চিত করার পরও শুক্রবার টুইটার বার্তায় ট্রাম্প এমন মন্তব্যের কথা অস্বীকার করেন। ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক গলফ ক্লাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন,আমি বর্ণবাদী নই। আপনারা এ যাবৎ যাদের সাক্ষাতকার নিয়েছেন এক্ষেত্রে আমি আপনাদের বলতে পারি আমিই সবচেয়ে কম বর্ণবাদী ব্যক্তি। সেখানে তিনি রিপাবলিকান হাউস সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা কেভিন ম্যাক্কার্থির সঙ্গে নৈশভোজ করছিলেন। ...

হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের দিকে ধেয়ে আসছে ক্ষেপণাস্ত্র

আতঙ্কের ৩৮ মিনিট! শনিবার সকাল ৮টা ৭ মিনিট নাগাদ হঠাৎই বেজে উঠেছিল সকলের মোবাইল ফোন। ইনবক্সে ভেসে উঠেছিল কলাইনের বার্তাব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হানা। এখনই নিরাপদ আশ্রয় খুঁজুন। সেনা-মহড়া নয় কিন্তু। হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের দিকে ধেয়ে আসছে ক্ষেপণাস্ত্র! এমনিতেই ঘনঘন হুমকি দিয়ে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। কিছু দিন আগেই সে দেশের শাসক কিম জং উন বলেছিলেন, তাঁদের কাছে দারুণ শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা পিয়ংইয়ংয়ে বসেই গোটা আমেরিকা উড়িয়ে দিতে পারে। ফলে ক্ষেপণাস্ত্র-হানার খবরটা অবিশ্বাস করতে পারেননি কেউই। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে নিমেষে। আত্মীয়-বন্ধুদের সাহায্য চেয়ে ফোন করতে শুরু করেন বাসিন্দারা। ধোঁয়াশা কাটতে প্রায় ৩৮ মিনিট লেগে যায়। হাওয়াইয়ের গভর্নর ডেভিড ইগে জানান, কোনও এক সরকারি কর্মী ভুল করে একটা বোতাম টিপে দিয়েছিল। তাতেই ওই বিপত্তি। কী ভাবে সেটা ঘটল, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হাওয়াইয়ের ওয়াহু দ্বীপের বাসিন্দা অ্যাডাম কুর্ৎজের ঘুম ভেঙেছিল মোবাইলে খবর আসার মিনিট চারেক পরে। হিসেব করতে শুরু করেছিলেন পালানোর জন্য হাতে কতটুকু সময় রয়েছে। কোত্থেকে আবার শুনেছিলেন, ১৫ মিনিটের মধ্যে সব শেষ হয়ে যাবে। ওইটুকু সময়ে কোথায় পালাবেন বুঝে পাননি কুর্ৎজ। বললেন, পোষ্যদের নিয়ে আমি আর স্ত্রী জানলা-দরজা বন্ধ করে বাথরুমে আশ্রয় নিই। যদিও পরে এক বন্ধুর ফোনে জানতে পারেন, সরকারি ভুলে ওই কাণ্ড। ইগে জানান, কর্মীদের শিফ্ট বদলের সময়ে এক কর্মী ভুল করে ওই বোতামটি টিপে দিয়েছিলেন। পরে সংবাদিক বৈঠকে ইগে ও হাওয়াই বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্তা বার্ন মিয়াগি জানান, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুল না হয়, লক্ষ রাখা হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই নতুন নিয়ম জারি করা হয়েছে। সেনা মহড়া বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা যে কোনও ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ভাবে ওই বোতামের কাছে দুজন কর্মী রাখা হবে। ভুল করে যদি মেসেজ চলেও যায়, সেটা বাতিল করার মেসেজের টেমপ্লেটও তৈরি রাখতে হবে। মার্কিন সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, ওই সতর্কবার্তা চলে যাওয়ার সঙ্গে-সঙ্গে আদৌ এমন কিছু ঘটেছে কি না, কম্পিউটার সিস্টেম পরীক্ষা করে তা দেখা হয়। নর্থ আমেরিকান এয়ারোস্পেস ডিফেন্স কম্যান্ডও তড়িঘড়ি আকাশসীমা খতিয়ে দেখে জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চিহ্ন নেই। দ্রুত সেই খবর সরকারি দফতরগুলোকে জানানো হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সবাই টের পান, পুরোটা ভুল। কিন্তু কী ভাবে ভুল বোঝাবুঝি মেটানো হবে, সেটাই বুঝে উঠতে পারছিলেন না কেউ। ১২ মিনিটের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র হানা নয়, সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেটা শুধু বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের টুইটার অ্যাকাউন্টে পৌঁছয়। সকলের মোবাইল ফোন, টেলিভিশনে খবর পৌঁছতে ৮টা ৪৫ বেজে যায়। হাওয়াইয়ের সেনেটর ব্রায়ান শাৎজ বলেন, আজ যা হল, তা ক্ষমার অযোগ্য। গোটা দেশ ভয় পেয়ে গিয়েছিল। হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি লিন্ডসে ওয়াল্টার অবশ্য বলেন, পুরোপুরি প্রাদেশিক সরকারি কর্মীদের ভুল। ঘটনার সময়ে মার-আ-লাগোর গল্ফ কোর্সে ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি জানানো হয় তাঁকেও। ...

আফগানিস্তানে আকাশ পথে ড্রোন হামলা, কমপক্ষে ১৭ জঙ্গি নিহত

আফগানিস্তানে আকাশ পথে ড্রোন হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ১৭ জন আইএস জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে। রোববার আফগানিস্তানের নানগারহর প্রদেশের কাছে আইএস জঙ্গিরা লুকিয়ে আছে বলে খবর পায় মার্কিন সেনাবাহিনী। মার্কিন ড্রোন হামলায় তাদের হত্যা করা হয়। একটি আর্ন্তজাতিক সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, রোববার নানগারহর প্রদেশের হাসকা মীনা এবং আচিন জেলায় আইএস জঙ্গিদের খোঁজে ড্রোন হামলা করা হয়। আচিনে ১৪ জন এবং মীনা জেলাতে তিন আইএস জঙ্গিকে হত্যা করা হয়। আফগানিস্তানে এই প্রদেশে গত এক বছর ধরে মার্কিন সেনারা আফগান সেনাদের সঙ্গে যৌথভাবে আইএস নিধনে অভিযান চালাচ্ছে। এই এক বছরে একশর উপর আকাশ পথে হামলা করে দেশটির বিমানবাহিনী। মাটিতে অপারেশন চালানোর জন্য স্পেশাল ফোর্সও নামানো হয়। তাছাড়া, এই মুহূর্তে আফগানিস্তানে ১৪ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। নানগারহার প্রদেশসহ আটটি প্রদেশে বেশ কিছুদিন আগে ২৪ ঘন্টার সেনা অভিযানে মোট ৭৬ জন জঙ্গিকে হত্যা করেছে আফগান সেনারা। ৭৬ জন জঙ্গির মধ্যে অন্তত তিনজন তালেবান কমান্ডার রয়েছে বলে জানা যায়। ...

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ তুলেছে জাতিসংঘ

আফ্রিকান অভিবাসীদের কটাক্ষ করায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ তুলেছে জাতিসংঘ। ট্রাম্পকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আফ্রিকান ইউনিয়নের নেতারা। এ অবস্থায় নিজের বক্তব্য অস্বীকার করে গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে তথ্য বিকৃতির অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী হাইতি, এল সালভাদর ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের আবর্জনা বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। এর পরপরই তার বক্তব্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। এমন মন্তব্যকে চূড়ান্ত অপরাধ বলেও আখ্যা দেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এ অবস্থায় নিজের বক্তব্য অস্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুক্রবার এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি আফ্রিকান অভিবাসীদের আবর্জনা বলেননি; বরং তাদেরকে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। গণমাধ্যমে বিরুদ্ধে তার বক্তব্য বিকৃত করে প্রচারের অভিযোগ তোলেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার হোয়াট হাউসের ওভাল দপ্তরে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট সিনেটরদের সঙ্গে অভিবাসী ইস্যুতে বৈঠকে কাণ্ডটি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক কথায় দু'কথায় এক পর্যায়ে হাইতি, এল সালভাদর ও আফ্রিকান অভিবাসীদের আবর্জনা বলে আখ্যা দেন তিনি। সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের বরাতে মার্কিন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ক্যারাবিয়ানদের কটাক্ষ করায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বসবাসকারী হাইতির নাগরিকরা। ট্রাম্পের এ বক্তব্যকে লজ্জাজনক বলে উল্লেখ করেন তারা। হাইতির নাগরিকরা বলেন, এ ধরনের বক্তব্য সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। যুক্তরাষ্ট্রে সবাই সমান। প্রত্যেকের জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা উচিৎ। বিতাড়িত করা, বা এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ লজ্জাজনক। শুক্রবার রাজধানী পোর্ট অ প্রিন্সে আয়োজিত শোকসভায়ও ট্রাম্পের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন হাইতিয়ানরা। এছাড়া, ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে আফ্রিকানদের ইতিহাস জানার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কেনিয়রা। তারা বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্য এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। আদিকাল থেকে মার্কিনীদের সঙ্গে হইতিয়ানদের ভালো সম্পর্ক চলে আসছে। এটা খুবই দুঃখজনক প্রেসিডেন্ট আমাদেরকে নিয়ে অসম্মানজনক কথা বলছেন। আমার মনে হয় ট্রাম্পের নিজেকে শোধরানো উচিৎ। কারণ এসব বক্তব্য তাকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেবে। ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের তুলনা করতে পারে না। কারণ যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন ২শ বছরেরও বেশি সময় ধরে। আমরা আমাদের জায়গায় উন্নতি করে যাচ্ছি। আমাদেরকে অসম্মান করার কোনো অধিকার ট্রাম্পের নেই। আমি আশা করি ট্রাম্প তার অসুস্থ বক্তব্য প্রত্যাহার করবে। আফ্রিকানদের আবর্জনা বলায় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ক্ষমা চাইতে বলেছে আফ্রিকার রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা আফ্রিকান ইউনিয়ন। ট্রাম্পের এ বক্তব্যে আফ্রিকান জাতি মর্মাহত, অপমানিত এবং উদ্বিগ্ন বলেও জানায় সংস্থাটি। এর সালভাদরের নাগরিকদের সম্মান দিয়ে কথা বলার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট সানচেজ ক্যারেন। এছাড়া, ট্রাম্পের বক্তব্যকে চূড়ান্ত অপরাধ বলে আখ্যা দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এসবরে মধ্যেই ট্রাম্পের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বর্ণবাদী বলে উল্লেখ করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা সংস্থার মুখপাত্র রুপার্ট কোলভিল বলেন, 'অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও লজ্জাজনক বক্তব্য দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ জন্য তাকে বর্ণবাদী ছাড়া অন্য শব্দে অভিহিত করা যায়। তিনি কোনো ভাবেই একটি দেশের মানুষকে অবহেলা করতে পারে না। পুরো জাতিকে আবর্জনা বলে অবজ্ঞা করতে পারেন না।' এছাড়া, ট্রাম্পের বক্তব্যকে দুঃখজনক এবং উচ্ছৃঙ্খল বলে মন্তব্য করেছেন নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো। ঘরে বাইরে তীব্র সমালোচনার মুখে শুক্রবার নিজের বক্তব্য অস্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, আবর্জনা শব্দ তিনি ব্যবহার করেননি। আফ্রিকান অভিবাসীদের কঠোর বার্তা দিতে চেয়েছেন। গণমাধ্যমে তার বক্তব্য সঠিকভাবে আসেনি বলেও অভিযোগ করেন ট্রাম্প। তবে ট্রাম্প চাপে পড়ে টুইটে নিজের পক্ষে সাফাই গাইছেন বলে অভিযোগ করেন গত ওভার অফিসে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে উপস্থিত থাকা ডেমোক্রেট সিনেটর ডিক ডারবিন। তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো প্রেসিডেন্টকে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করতে দেখিনি। আমি নিজের কানে শুনেছি তিনি কয়েকবার বর্ণবাদী এবং ঘৃণিত শব্দ ব্যবহার করেছেন। পরে গণমাধ্যমে এসব তথ্য দেখে আমি মোটেও বিস্মিত হয়নি। কারণ গণমাধ্যমে ভুল কিছু আসেনি।' ...

শীগ্রই কমছে পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত থাকছে চলের দাম

এক মাসেই ৩০ টাকায় নামবে পেঁয়াজের দাম, আপাতত কমছে না চালের ।আগামী এক মাসের মধ্যেই রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দর নেমে আসবে ৩০-৩৫ টাকায়, এমন আশা পাইকারি পর্যায়ে। ব্যবসায়ীদের যুক্তি নতুন পেঁয়াজ আমদানির সঙ্গে ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে পরিস্থিতিরও। তবে, ব্যতিক্রম চালের বাজার, আড়তদাররা বলছেন, নাজিরশাইল মিনিকেটের দাম কমবে না বৈশাখের আগে। এদিকে, হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে সব ধরনের মশলার দাম। স্বাভাবিক নিয়ম মেনে রাজধানীর পাইকারি বাজারে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে আসতে শুরু করেছে শিকড় থেকে চাষ করা পেঁয়াজ। আড়াই মিলিয়ন টন বার্ষিক চাহিদার খুব সামান্যই পূরণ হয় এ সময়ে উৎপাদিত পেঁয়াজ দিয়ে। তবে, আশার কথা হলো উন্নতি হয়েছে আমদানি পরিস্থিতির, ভারতের বাজারেও কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম ক্রেতাদের নাগালে আসতে সময় লাগবে এক মাস। ব্যবসায়ীরা বলেন, আবহাওয়া ভাল থাকলে আমাদের পেঁয়াজ উঠে যাবে। এক মাসের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে চলে আসবে। ঠিক বিপরীত চিত্র চালের আড়তে, চলতি সপ্তাহে আবারো চড়া হয়েছে দেশীয় চালের বাজার। মিনিকেট, নাজিরশাইল কিংবা আটাশ, বাজারে সরবরাহ কম প্রত্যেকটি চালের। আমদানি করা ভারতীয় চাল থাকলেও তার প্রতি আগ্রহ কম ক্রেতাদের, এমন মত পাইকারদের। তারা বলেন, দেশি আর আমদানি চালের মধ্যে আট দশ টাকা ফারাক। এই সপ্তাহে বাজার বেশি। বেনাপোল থেকে ১৫ টনের জায়গায় ১৩ টন আসছে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে বড় পরিবর্তন এসেছে মশলার বাজারে, এলাচ গোলমরিচ, লবঙ্গ, জিরা কিংবা বাদাম, বেড়েছে সব কিছুরই দাম। ব্যবসায়ীরা বলেন, এলাচের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বেড়েছে। পেস্তা বাদাম ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেড়েছে। যারা আমদানি করে তারা বলছে ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে এমন হয়েছে। তুলনামুলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে গুড়োদুধ, চিনি, আর সব ধরণের ডালের দাম। বোতলজাত সয়াবিনের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও প্রতিকেজি খোলা সয়াবিন আর পাম অয়েলের দর বেড়েছে কিছুটা। ...

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের শৈতপ্রবাহ কেটে যেতে পারে আগামীকাল থেকে

সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে বুধবার থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিরাজমান শৈতপ্রবাহ কেটে যেতে পারে। তবে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এদিকে টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া, অঞ্চলসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। আজ সকাল ৬ টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ৩৩ মিনিটে এবং আগামীকাল শনিবার সূর্যোদয় ভোর ৬টা ৪৪ মিনিটে। আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। ...

মেয়র পদের উপ-নির্বাচনে আজ মঙ্গলবার সন্ধায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) মেয়র পদের উপ-নির্বাচনে আজ মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। আজ সন্ধ্যা ৭টায় গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরে বৈঠকে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করার পর রাতেই তার নাম ঘোষণা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে গত শনি থেকে সোমবার এই তিন দিনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নের জন্য আবেদনপত্র ক্রয় করেন ১৬ জন। প্রথম দিনেই মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য এইচবিএম ইকবাল, কবি রাসেল আশিকী, ব্যবসায়ী আদম তমিজি হক, মণিপুর স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন, শিক্ষক শাহ আলম, এফবিসিসিআই পরিচালক হেলাল উদ্দিন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জোবায়ের আলম। দ্বিতীয় দিনে ফরম সংগ্রহ করেন আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মমতাজ উদ্দিন আহমেদ মেহেদী, তেজগাঁও থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর শামীম হাসান, ব্যবসায়ী আবেদ মনসুর, সাবেক সেনা কর্মকর্তা ইয়াদ আলী ফকির ও যুবলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি, বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল বাশার। শেষ দিন গতকাল সোমবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র ওসমান গণিসহ তিন জন ফরম সংগ্রহ করেন। অন্য দুজন হলেন জামান ভূঞা ও আসমা জেরিন ঝুমু। প্রসঙ্গত, আনিসুল হকের মৃত্যুতে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদটি শুণ্য হয়। এই পদের ভোটের লড়াইয়ে দাঁড়াতে হলে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ জানুয়ারি। আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সংকেত পেয়ে ভোটের জন্য জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন আতিকুল ইসলাম। তবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী আতিকুলকে কাজ চালিয়ে যেতে বলেছেন, কিন্তু তাকে কোনও সিদ্ধান্ত জানাননি। ...

ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা দরকার

নগরজুড়ে আলোচনায় এখন ঢাকা উত্তরের সিটি নির্বাচন। পূর্ণ মেয়াদের না হলেও এই নির্বাচন এখন আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনের বছর হলেও এই উপনির্বাচনে সবার নজরে থাকবে কমিশন। প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ, অভিযোগ আমলে নিয়ে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ কিংবা সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে নির্বাচন পরিচালনায় এসব বিষয়ে কমিশনের কি ভূমিকা থাকবে সেটাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা। নির্বাচন বিশ্লেষক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, 'এবারে আমার মনে হয় অভিযোগের প্রতিকার করার বিষয়টা শুধু ঢাকা উত্তরে নয় ভবিষ্যতে যে জাতীয় নির্বাচন আসছে ওটাতেও নির্বাচন কমিশন অনেক বেশি সচেষ্ট হবে। মানুষ নির্বাচন কমিশনের যোগ্যতার ওপরও নজর রাখবে যে, তারা সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারছেন কিনা। সরকারের প্রতিও নজর থাকবে তারা বাড়তি কোনো প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে কিনা।' তবে নির্বাচন কমিশন একা নয় সফল একটি নির্বাচন সম্পন্ন করতে সরকার, আর রাজনৈতিক দলের সহায়তাও গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিচালক মো. আব্দুল আলিম বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের একার প্রচেষ্টায় কোনো নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। এখানে রাজনৈতিক দলের, প্রার্থীর ভূমিকা থাকতে হয় এবং সরকারের একটা বড় ভূমিকা থাকতে হয়। কাজেই কমিশন এখানে উদ্যোগ নেবে এবং বাকি যারা আছে তারা এতে সহায়তা করবে।' এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সবাইকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাশেম বলেছেন, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো আপোষ করবেন না তারা। তিনি বলেন, 'নির্বাচন কমিশন একটা নির্দিষ্ট আইন-কানুনের মাধ্যমে নির্বাচন করে থাকে। আমরা আশা করবো, আমাদের প্রার্থীরা সবসময় যেনো আইন-কানুনগুলো মেনে চলেন। যাতে নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়।' আগামী ৩০ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় মাঠে নামবেন প্রার্থীরা। ...

চলতি সপ্তাহের শেষে স্বাভাবিক হতে পারে তাপমাত্রা

বৃহস্পতিবার থেকে স্বাভাবিক হতে পারে তাপমাত্রা। শৈত্য প্রবাহ। ইতোমধ্যে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় (দুই দশমিক ছয় ডিগ্রী সেলসিয়াস) অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে গেছে। তবে চলতি সপ্তাহের বুধবারের পর স্বাভাবিক হতে পারে তাপমাত্রা। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ১৭ জানুয়ারি বুধবারের পর থেকে স্বাভাবিক হতে পারে দেশের তাপমাত্রা। বিক্ষিপ্তভাবে দেশের কয়েকটি স্থান ব্যতীত আর কোথাও শৈত্য প্রবাহ থাকবে না। সে হিসেবে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শীতের প্রকোপ থেকে মুক্তি পেতে পারে দেশবাসী। কুয়াশার সাথে উত্তরীয় ঠান্ডা বাতাসই গত দুই সপ্তাহ যাবত প্রবল শীতের কারণ বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রবিবার রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ২৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়ার তাপমাত্রার হিসেব অনুযায়ী, ৮-১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬-৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ আর ৬ ডিগ্রির নিচের তাপমাত্রাকে তীব্র শৈত্য প্রবাহ বলা হয়। ...

শীগ্রই কমছে পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত থাকছে চলের দাম

এক মাসেই ৩০ টাকায় নামবে পেঁয়াজের দাম, আপাতত কমছে না চালের ।আগামী এক মাসের মধ্যেই রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দর নেমে আসবে ৩০-৩৫ টাকায়, এমন আশা পাইকারি পর্যায়ে। ব্যবসায়ীদের যুক্তি নতুন পেঁয়াজ আমদানির সঙ্গে ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে পরিস্থিতিরও। তবে, ব্যতিক্রম চালের বাজার, আড়তদাররা বলছেন, নাজিরশাইল মিনিকেটের দাম কমবে না বৈশাখের আগে। এদিকে, হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে সব ধরনের মশলার দাম। স্বাভাবিক নিয়ম মেনে রাজধানীর পাইকারি বাজারে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে আসতে শুরু করেছে শিকড় থেকে চাষ করা পেঁয়াজ। আড়াই মিলিয়ন টন বার্ষিক চাহিদার খুব সামান্যই পূরণ হয় এ সময়ে উৎপাদিত পেঁয়াজ দিয়ে। তবে, আশার কথা হলো উন্নতি হয়েছে আমদানি পরিস্থিতির, ভারতের বাজারেও কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম ক্রেতাদের নাগালে আসতে সময় লাগবে এক মাস। ব্যবসায়ীরা বলেন, আবহাওয়া ভাল থাকলে আমাদের পেঁয়াজ উঠে যাবে। এক মাসের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে চলে আসবে। ঠিক বিপরীত চিত্র চালের আড়তে, চলতি সপ্তাহে আবারো চড়া হয়েছে দেশীয় চালের বাজার। মিনিকেট, নাজিরশাইল কিংবা আটাশ, বাজারে সরবরাহ কম প্রত্যেকটি চালের। আমদানি করা ভারতীয় চাল থাকলেও তার প্রতি আগ্রহ কম ক্রেতাদের, এমন মত পাইকারদের। তারা বলেন, দেশি আর আমদানি চালের মধ্যে আট দশ টাকা ফারাক। এই সপ্তাহে বাজার বেশি। বেনাপোল থেকে ১৫ টনের জায়গায় ১৩ টন আসছে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে বড় পরিবর্তন এসেছে মশলার বাজারে, এলাচ গোলমরিচ, লবঙ্গ, জিরা কিংবা বাদাম, বেড়েছে সব কিছুরই দাম। ব্যবসায়ীরা বলেন, এলাচের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বেড়েছে। পেস্তা বাদাম ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেড়েছে। যারা আমদানি করে তারা বলছে ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে এমন হয়েছে। তুলনামুলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে গুড়োদুধ, চিনি, আর সব ধরণের ডালের দাম। বোতলজাত সয়াবিনের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও প্রতিকেজি খোলা সয়াবিন আর পাম অয়েলের দর বেড়েছে কিছুটা। ...

চাল রপ্তানিতে এলসি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত সরকার

ভারত চাল রপ্তানিতে এলসিমূল্য বাড়ায় দেশের বাজারে আবারো বেড়েছে চালের দাম। প্রতি মেট্রিক টন চালে এলসি মূল্য ৩০ ডলার বাড়িয়ে সাড়ে ৪শ' ডলার নির্ধারণ করায় দেশের বাজারে কেজিতে ৩ টাকা বেড়েছে চালের দর। অন্যদিকে আমদানিকারকরা বলছেন, দেশে ডলারের পাশাপাশি পরিবহন খরচ বাড়ায় বেড়েছে চালের দাম। দেশে চালের বাজার স্বাভাবিক রাখতে ৩৯ টাকা দরে ৩ লাখ মেট্রিক টন আমন চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে এ কর্মসূচি চলবে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপরই চাল রপ্তানিতে এলসি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত সরকার। টন প্রতি রফতানির এলসি মূল্য ৩০ ডলার বাড়িয়ে সাড়ে ৪শ' ডলার নির্ধারণ করায় দেশের বাজারে বেড়ে গেছে সব ধরনের চালের দর। আমদানিকারকরা বলছেন, ডলারের দাম এবং পরিবহন খরচ বাড়ার প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে। হিলি স্থলবন্দর আমদানিকারক রাজেশ পোদ্দার বলেন, এক সপ্তাহে চালের বাজার ছিল ৪২০ থেকে ৪২৫ ডলার। আর বর্তমানে এটা বেড়ে ৪৪০ থেকে ৪৫০ ডলার হয়েছে। হিলি স্থলবন্দর আমদানিকারক মামুনুর রশিদ লেবু বলেন, তিন আগে এই চালটা বিক্রি হয়েছে ৩৬ থেকে ৩৫ টাকায়। আর সরকার ৩৯ টাকায় চাল কেনার ঘোষণা দেয়ার পর সেটা বেড়ে এখন ৩৯ ও ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকাররা জানান, হিলি স্থলবন্দরে গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ৩ টাকা বেশি দিয়ে চাল কিনতে হচ্ছে তাদের। অন্যদিকে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা অভিযোগ করেন নানা প্রতিবন্ধকতার। চালের পাইকারি ক্রেতা জানান, যে চাল কিনছি ৩৬ টাকায়। আর সেই এখন চাল ৩৯ টাকায় কিনতেই হিমশিম খাচ্ছি। অন্য ক্রেতা জানান, গত তিন দিনে প্রতি কেজি চালে তিন টাকা বেড়েছে। গত ১ সপ্তাহে এ বন্দর দিয়ে ২০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে বলে জানিয়েছে হিলি কাস্টমস। ...

আগামী ২ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল শুরু হবে। চলবে ১৩ মে পর্যন্ত আগামী ১ এপ্রিল ইস্টার সানডে উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় একদিন পিছিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব পাঠিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। সোমবার সন্ধ্যায় উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অদ্বৈত কুমার রায় এ তথ্য জানান। উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, গত বছরের মতোই এ বছরের রুটিন প্রস্তত করে সোমবার (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জানা গেছে, প্রস্তাবিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ২ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্র (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তত্ত্বীয় পরীক্ষা পরীক্ষা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। এরপর পরবর্তী পাঁচদিন চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে রুটিন প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় ১২ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। ...

আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ

আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে থেকে শুরু করে সব পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে কোন কোচিং সেন্টার খোলা রাখা যাবে না। আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় মনিটরিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় পরীক্ষা শুরুর আগে থেকে পরীক্ষার সময় দেশে ইন্টারনেট ও ফেসবুক বন্ধ রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এখনও ইন্টারনেট ও ফেসবুক বন্ধ রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি জানিয়ে কর্মকর্তারা বলেছেন, সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আরও আলোচনা চলবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সভায় আরও ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর মোঃ মাহাবুবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ, ড. অরুনা বিশ্বাস ও জাবেদ আহমেদ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, বিজি প্রেসের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, সভায় আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, নির্বিঘœ ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানো রোধ, ফেসবুকে প্রশ্ন সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয় এবং বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে স্ব স্ব আসনে বসতে হবে। এক্ষেত্রে কোন ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এর অন্যথা পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না। কোন পরীক্ষার্থীর হাতে কোন মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তাকে তৎক্ষণাৎ বহিস্কার করা হবে। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় আরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর ৩ দিন আগে থেকে শুরু করে সব পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে কোন কোচিং সেন্টার খোলা রাখা যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রে কেউ স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারবে না। শুধু কেন্দ্র সচিব একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। ...

রিয়াল ছেড়ে ম্যাঞ্চেস্টারে ফিরতে পারেন রোনাল্ডো

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো-কে কি পরের মরসুমে রিয়াল মাদ্রিদে খেলতে দেখা যাবে? স্প্যানিশ প্রচারমাধ্যমের খবর যদি ঠিক হয়, তা হলে কিন্তু সে রকম সম্ভাবনা কম। স্পেনের একটি প্রথম শ্রেণির সংবাদপত্র তো তাদের প্রথম পৃষ্ঠায় বড় করে লিখে দিয়েছে, রোনাল্ডোর নতুন গন্তব্য হতে চলেছে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের যে ক্লাবে তিনি ছবছর কাটিয়ে এসেছেন। কেন হঠাৎ রোনাল্ডো এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন? প্রচারমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রোনাল্ডো নাকি রিয়াল প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের ওপর ভীষণ অসন্তুষ্ট। সি আর সেভেন মনে করেন, তাঁকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখেনি ক্লাব। তাঁর সঙ্গে কথার খেলার করা হয়েছে। এও জানা গিয়েছে, কার্ডিফে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার পরে নাকি রোনাল্ডোকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তাঁর সঙ্গে নতুন যে চুক্তি করা হবে, তাতে বর্তমান আর্থিক অঙ্কের চেয়ে তা অনেক বাড়িয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু সেই কথা রাখা হয়নি। এও জানা গিয়েছে, কার্ডিফে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়ালকে চ্যাম্পিয়ন করানোর পরে পেরেজ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, রোনাল্ডোর সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করবে ক্লাব। এবং স্বাভাবিক ভাবেই সেই চুক্তির আর্থিক মূল্য অনেক বেশি হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। রোনাল্ডো নাকি নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা তাঁর ঘনিষ্ঠদের জানিয়েও দিয়েছেন। রোনাল্ডো ঘনিষ্ঠ এক জন বলেছেন, যা ঘটেছে, তাতে রোনাল্ডো তীব্র অসন্তুষ্ট। ও মনে করে ওর সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে।রোনাল্ডো এর আগেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তিনি রিয়ালেই থাকতে চান, কিন্তু সে জন্য তাঁর শর্ত মানতে হবে। জাপানে ক্লাব কাপের পরে তিনি বলেছিলেন, আমি চাই রিয়ালে খেলেই ফুটবল থেকে অবসর নিতে। কিন্তু সেটা হবে কি না, তা একা আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়। আমি তো ক্লাব চালাই না। ক্লাবের দায়িত্বে অন্য লোক জন আছে। রোনাল্ডোর কথায় সে দিন পরিষ্কার ইঙ্গিত ছিল, তিনি রিয়ালেই থাকতে চান। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তাঁর শর্ত মানতে হবে। এবং সেই শর্ত যে পারিশ্রমিক বৃদ্ধি, তা নিয়েও কোনও সন্দেহ নেই। রিয়াল মাদ্রিদের মুখ হয়ে উঠলেও ক্লাব প্রেসিডেন্ট পেরেজের সঙ্গে কিন্তু কখনও সে রকম ভাল সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি সি আর সেভেনের। কারণ, ওই সময় বলা হতো রোনাল্ডো আসলে র্যাভমন ক্যাল্দেরনের নিয়ে আসা ফুটবলার। যে কারণে পেরেজের সঙ্গে কখনও সম্পর্কটা সহজ হয়নি পর্তুগিজ মহাতারকার। যার জেরে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন রোনাল্ডো। সমস্যা হল, শেষ চারটে ব্যালন ডিওর জিতলেও রোনাল্ডো কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার নন। এমনকী উপার্জনের দিক দিয়েও তিনি পাঁচ নম্বরে রয়েছেন। লিওনেল মেসি, নেমার দ্য সিলভা স্যান্টোস জুনিয়রের পরে। যা গর্বে আঘাত করেছে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারের। যার ফল হতে পারে রিয়াল ত্যাগ। ...

দারুণ জয়ে সিরিজ শুরু টাইগারদের

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। তামিম ইকবালের ৮৪ ও মুশফিকুর রহিমের ১৪ রানে ভর করে এই জয় পান টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের দেয়া ১৭১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামেন তামিম ও এনামুল হক। তাদের ৩০ রানের উদ্বোধনী জুটি করার কর ব্যক্তিগত ১৯ রান করে ফিরে যান বিজয়। আর বিজয়ের ফিরে যাওয়ার পর ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান। আর সাকিব ও তামিমের ৭৮ রানের জুটিতে মূলত জয়ের ভিত্তি পান বাংলাদেশ। সাকিব ব্যক্তিগত ৩৭ রানের ফিরে যাওয়ার পর বাকি কাজটা শেষ করেন তামিম ও মুশফিক। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সিকান্দার রাজার ৫২, পিজে মুরের ৩৩, ব্রেন্ডন টেলরের ২৪ রানের ইনিংসগুলোতে ভর করে স্কোরবোর্ডে ১৭০ রান জমা করতে পেরেছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের পক্ষে দারুণ বোলিং করে তিন উইকেট নিয়েছেন সাকিব। দু'টি করে উইকেট পেয়েছেন রুবলে, মুস্তাফিজুর রহমান ও সানজামুল ইসলামের ঝুলিতে। ...

প্রিয়াংকা আবারো সেরা

এক বছর ভাটা পড়েছিল প্রিয়াংকার। কারণ দীপিকা পাড়কোন সেরা আবেদনময়ী নারীর আসনে বসেছিলেন। তবে এর আগে চারবার অর্জন করা আসনটি এবার আর হাতছাড়া করেননি প্রিয়াংকা। পঞ্চমবারের মতো সেটি দখল করে নিয়েছেন। এশিয়ার ৫০ জন সেরা আবেদনময়ী নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডন-ভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা ইস্টার্ন আই। সেই তালিকায় সবার উপরে রয়েছে প্রিয়াংকা চোপড়ার নাম। দ্বিতীয় হয়েছেন ভারতীয় টেলিভিশন তারকা নিয়া শর্মা। আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন গতবারের প্রথম দীপিকা পাড়ুকোন। এমন বিজয়ের খবরে প্রিয়াংকা তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, আসলে বিজয়ের এই কৃতিত্ব আমি নিতে চাই না। এর সমস্ত কৃতিত্ব আমার শারীরিক গঠন এবং আপনাদের দৃষ্টিভঙ্গির। আমি কৃতজ্ঞ, সম্মানিত। কেননা, ধারাবাহিক সাফল্য থেকে প্রেরণা পাওয়া যায়।...

শিল্পী শাহীন সামাদ ও তপন মাহমুদকে সম্মাননা দিল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সংগঠন

বাংলা বেতারকেন্দ্রের শিল্পী শাহীন সামাদ ও তপন মাহমুদকে সম্মাননা দিল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সংগঠন মুক্ত আসর ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বলছি শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রধান অতিথি হিসেবে শাহীন সামাদ ও তপন মাহমুদকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মিলনায়তনের ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও কলাকুশলীদের অবদান সমরাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের মতোই। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র হাতে মাঠে ময়দানে যুদ্ধ করেছি। আর স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীরা কণ্ঠ দিয়ে আমাদের অনুপ্রেরণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীরা সেদিন কণ্ঠ দিয়ে যুদ্ধ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পথকে ত্বরান্বিত করেছেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি ছিল না উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁদের স্বীকৃতির ব্যবস্থা করেছি। শুধু তা-ই নয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় যাঁরা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেননি, কিন্তু বিভিন্নভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, সেবা করেছেন এবং সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধে অবদান রেখেছেন, সবাইকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমার জীবনে অহংকার করার মতো দুটি ঘটনা রয়েছে। একটি ১৯৭১ সালে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা এবং অপর হচ্ছে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া। মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এর মধ্য দিয়ে অর্জিত লাল-সবুজের পতাকা ও বাংলাদেশকে চিনতে ও জানতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অবদানের কথা তৃণমূল পর্যায়ে সর্বসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। এ জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের সম্মাননা প্রদানে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য মুক্ত আসর ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে শিল্পী শাহীন সামাদ বলেন, একটা দেশের জন্মের লড়াইয়ের সঙ্গে নিজের কণ্ঠ দিয়ে যুক্ত থাকতে পেরেছিলাম বলে নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে করি। এখনকার তরুণ প্রজন্মও নিজেদের সেই সৌভাগ্যের অংশীদার করতে পারবে, যদি তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে পারে। অনুষ্ঠানে শাহীন সামাদ খালি কণ্ঠে জনতার সংগ্রাম চলবেই গানটি গেয়ে শোনান। শিল্পী তপন মাহমুদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, তোমরা একটা স্বাধীন দেশ পেয়েছে। এই দেশকে শোষণ-বঞ্চনা ও সাম্প্রদায়িকতামুক্তভাবে গড়ে তুলতে হলে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। আশা করি, লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা তোমরা নস্যাৎ হতে দেবে না। অনুষ্ঠানে তপন মাহমুদ যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে গানটি গেয়ে শোনান। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ইউসুফ মাহবুবুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে ছিলেন একই ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ হামিদুল হক খান, মুক্ত আসরের উপদেষ্টা রাশেদুর রহমান তারা, মুক্ত আসরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবু সাঈদ প্রমুখ। পরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাবের সদস্যদের অংশগ্রহণে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন নাফিজা মৌ ও আশফাকুজ্জামান।...

সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছেন সাত শতাধিক পর্যটক

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে বেড়াতে গিয়ে আটকা পড়েছেন সাত শতাধিক পর্যটক। এ ছাড়া ভ্রমণে আসা প্রায় তিন হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিনে যেতে পারেননি। বঙ্গোপসাগর নিম্নচাপের প্রভাবে বৈরী আবহাওয়ায় উপকূলে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি থাকায় শনিবার সকালে টেকনাফ থেকে কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিন যায়নি। ফলে পর্যটকরা ফিরতে পারছেন না। তবে আটকাপড়া পর্যটকরা নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। আটকে পড়া এই পর্যটকরা শুক্রবার সকালে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে গিয়েছিলেন। কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল বলেন, নিম্নচাপটি আরও উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাগর ও নাফ নদীতে মাছ শিকার ও পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। সেনমার্টিনে আটকে পড়া ঢাকার পেট্রোবাংলার ব্যবস্থাপক (সাধারণ) জিয়াউর করিম মুঠোফোনে বলেন, শুক্রবার সকালে ১৭ জন বন্ধু মিলে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে আসি। শনিবার সকালে জানতে পারি বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ থেকে কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিন যাচ্ছে না। ফলে দ্বীপে আটকা পড়েছি সবাই। আমাদের মতো দ্বীপে আরও শত শত পর্যটক আটকা পড়েছে। পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদের ব্যবস্থাপক মো. শাহ আলম বলেন, সাগর উত্তাল ও বৈরী আবহাওয়ার জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে ভ্রমণে আসা প্রায় সাত শতাধিক পর্যটক দ্বীপে আটকা পড়েছেন। তারা বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে নিরাপদে আছেন। সাগর স্বাভাবিক হয়ে গেলে সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনা হবে। শনিবার দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে প্রায় পাচঁ শতাধিক পর্যটক সেন্টমার্টিন যেতে পারেননি উল্লেখ করে শাহ আলম জানান, এতে যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দিতে হয়েছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় শনিবার সকাল থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সেন্টমার্টিনে হাজার খানেক পর্যটক আটকা পড়ে। এর মধ্যে শনিবার সকালেই ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করে প্রায় তিনশ পর্যটক টেকনাফ ফিরে গেছেন। এরপরও দ্বীপে সাত শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। তাদের যাতে খাবারসহ কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা হচ্ছে। টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন, সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া পর্যটকরা যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় তারা টেকনাফ ফিরতে পারেনি। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া পর্যটকদের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। তারা সবাই নিরাপদে আছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে।...

জীর্নদশায় দাঁড়িয়ে আছে নওগাঁর জেলার প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দুবলহাটি রাজবাড়ী

রাজা নেই, রাজত্বও নেই, ২শত বছরের স্মৃতি নিয়ে রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে জীর্নদশায় দাঁড়িয়ে আছে নওগাঁর জেলার প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দুবলহাটি রাজবাড়ী। নওগাঁ জেলা সদর হতে ৬ কিমি দুরে অবস্থিত প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দুবলহাটি রাজবাড়ীটি দীর্ঘ দিন পর্যটকদের আকর্ষনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। কতিথ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস থেকে জানা যায়, দুবলহাটি রাজবাড়ী ও রাজত্ব স্থাপিত হবার পুর্বে সেখানে রঘুনাথনামের এক ব্যাক্তি দীঘলি বিলের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত বর্তমানে অস্থিত্বহীন খয়রা নদী দিয়ে যাতায়যাত করে লবণ ও গুড়ের ব্যবসা করতেন। একদিন তিনি নদীতে নৌকা নোঙ্গর করলে স্বপ্নে দেখেন কে যেন তাকে বলছে তুই যেখানে নৌকা বেধেছিস সেখানে রাজেশ্বরী দেবীর প্রতিমা আছে, তুই সেখান থেকে তুলে স্থাপন কর। রঘুনাথ ভোরে নদীতে নেমে রাজেশ্বরী দেবীর প্রতিমা পেয়ে মাটির বেদী তৈরী করে প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর তার ব্যবসার ব্যাপক উন্নতি হলে তার বিত্ত বৈভবের সংবাদ পৌছে যায় মোঘল দরবারে। মুশিদাবাদ মোঘল দরবার রঘুনাথের কাছ থেকে প্রতি বছর ২২ শত কৈ মাছ রাজস্ব নিয়ে তাকে জমিদারি প্রদান করেন। হরনাথ রায় চৌধুরী প্রথম রাজা খেতাব পেয়ে ছিলেন। রাজা হরনাথ রায় চৌধূরী ও তার পুত্র রাজা কিঙ্করী রায় চৌধুরী রাজত্ব আমলে ব্যাপক উন্নতি সাধিত রাজ বংশের। তখন তাদের বার্ষিক আয় ছিল সাড়ে চার লাখ টাকা। সে সময় ৫ একর এলাকা জুড়ে নির্মিত বিশাল রাজ প্রাসাদে ৩ তলা, ৪ তলা ভবনের সাড়ে ৩ শত ঘর ও ৭ টি আঙ্গিনা ছিল। প্রাসাদে ১ টি গোল্ডেন সিলভার ও ১টি আইভরির তৈরি সিংহাসন ছিল। ব্রিটিশরা উক্ত সিংহাসন দুটি নিয়ে যায় বলে যায়। প্রাসাদের ভিতরে মঞ্চ ছিল, নাটক ও যাত্রাপালা মঞ্চাঅনের জন্য । প্রসাদের বাইরে ছিল বিশাল দীঘি, মন্দির, দাতব্য চিকিৎসালয়, ১৬ চাকার রথসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ১৮৬৪ সালে রাজ পরিবারের উদ্যোগে স্থাপিত স্কুলটি বর্তমানে রাজা হরনাথ উচ্চ বিদ্যালয় নামে পরিচালিত হচ্ছে। রাজ প্রাসাদের সামনের রোমান নকশার বড় বড় পিলারগুলো দেখলেই নওগাঁ, সিলেট, দিনাজপুর , পাবনা, বগুড়া, রংপূর, ভারতের কিছু অংশে রাজত্ব করা রাজা হরনাথ রায় চৌধুরীর রুচির পরিচয় পাওয়া যায়। রাজা হরনাথ রায় চৌধুরীর প্রজা নির্যাতনের অনেক করুন কাহিনী এখনো এলাকার সাধারন মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত রয়েছে। পাশাপাশি রাজা হরনাথ রায় চৌধুরীর জনহিতকর ও শামাজিক কিছু কাজের কথাও এলাকায় প্রচলিত আছে। দুবলহাটি রাজবাড়ীটি ঐতিহ্যবাহী হলেও প্রততত্ত্ব বিভাগ রাজবাড়ীটির সামনে একটি সাইন বোর্ড টানানো ছাড়া আর কোন দায়িত্ব পালন করছেনা। যার কারনে প্রততত্ত্ব বিভাগের সম্পদ রাজবাড়ীটির লোহার বিম, দরজা-জানালা এলাকার দুর্বৃত্তরা আগেই খুলে নিয়ে গেছে। এখন দেয়ালের ইট খুলে নিয়ে যাচ্ছে কিছু এলাকাবাসী। এলাকার সচেতন মহল মনে করেন সরকার সু-দৃষ্টি দিয়ে রাজবাড়ীটি রক্ষনাবেক্ষন করলে এটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। সাপাহার (নওগাঁ) থেকে হাফিজুল হক :Press Release ...

মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এর পক্ষ থেকে দুঃস্থদের মাঝে চাল বিতরণ কর্মসূচী।

শনিবার বেলা ৩ ঘটিকায় মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর কমিটির পক্ষ হইতে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় দুঃস্থদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়। উক্ত চাল বিতরণ কর্মসূচীতে প্রধান অতিথী ও উদ্ভোদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব নেছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মেয়র, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম, বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ লোকমান আলী চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম জেলা, এম.এ নুরনবী চৌধুরী চেয়ারম্যান উত্তর জেলা ও মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন কাদের চেয়ারম্যান মহানগর কমিটি, এতে সার্বিক সহোযোগীতায় ছিলেন ফয়সাল হাসান মহাসচীব চট্টগ্রাম জেলা ও মৃদুল মজুমদার মহাসচীব চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি, এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ এম.এ হক চৌধুরী রানা সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম জেলা, মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া চেয়ারম্যান পাহাড়তলী থানা কমিটি, মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদ চেয়ারম্যান আকবরশাহ্ থানা কমিটি, মোহাম্মদ তসলিম কাদের চৌধুরী সাংঘঠনিক সচীব চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি, সাইফুল ইসলাম যুগ্ন মহাসচিব চট্টগ্রাম জেলা, বিজয় রঞ্জন পাল প্রচার ও প্রকাশনা সচিব চট্টগ্রাম জেলা, নেহার কন্তি দাশ সমাজ কল্যান সচিব চট্টগ্রাম জেলা, মোহাম্মদ শাহ আলম, বিশ্বজীত, মোহাম্মদ করিম প্রমুখ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথী ভারপ্রাপ্ত নিছার উদ্দিন আহম্মদ মঞ্জ বলেন উক্ত সংঘটন অসহায় ও দরিদ্রদের কল্যানে নিরর্দিধায় কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের সামাজিক কর্মকান্ডে আমি সুন্তুষ্ট, আশাকরি উক্ত সংঘঠন সকল মানুষের কল্যানে ও অধিকার আদায়ে আরো অধিক ভূমিকা রাখবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি ...

দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাধীনতার পর আমরা ঐক্য ধরে রাখতে পারিনি

মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী : মহান বিজয় দিবস। এ দিনটি জাতির জন্য পরম গৌরবের। ১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আত্মসমর্পণ করেছিল পাক হানাদার বাহিনী। চূড়ান্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে অভ্যুদয় ঘটে বাঙালির স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের। বিজয়ের অনুভূতি সবসময়ই আনন্দের। তবে একই সঙ্গে দিনটি বেদনারও। অগণিত মানুষের আত্মত্যাগের ফসল আমাদের স্বাধীনতা। আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের; যেসব নারী ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, তাদের। এদিনে আমরা স্মরণ করব ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধিকার আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদেরও। এদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার তথা স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সফল নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কোটি কোটি মানুষকে তিনি স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে তুলেছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন একই লক্ষ্যে অবিচল একদল রাজনৈতিক নেতা। স্বাতন্ত্র্যমণ্ডিত সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমেও আমাদের জাতীয়তাবোধকে শাণিত করে তোলা হয়েছিল। একটি চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের মাধ্যমে এ জাতিকে স্তব্ধ করে দেয়া ছিল অসম্ভব। জনবহুল ও সীমিত সম্পদের এ দেশকে স্বয়ম্ভর করে তোলার কাজও সহজ ছিল না। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের কঠিন দিনগুলোয় রাষ্ট্রের প্রশাসনযন্ত্র চালু করতে হয়েছিল। স্বাধীন দেশের উপযোগী একটি সংবিধানও প্রণয়ন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন ছিল গণতান্ত্রিক ও মুক্ত পরিবেশে নিরবচ্ছিন্ন যাত্রার। সদ্যস্বাধীন দেশের নেতৃত্বের এ বিষয়ে অঙ্গীকারের অভাব ছিল না। দুর্ভাগ্যজনক যে, পরে এক্ষেত্রে মারাত্মক বিচ্যুতি ঘটে এবং তার খেসারত দিতে হয় জাতিকে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়লেও দারিদ্র্য এখনও প্রকট। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেলেও সুশাসন যেন সোনার হরিণ। সাংবিধানিক সংস্থা শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা এখানে আজও দুর্বল। অব্যাহত সংস্কারের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে সর্বস্তরে পৌঁছে দেয়ার ব্যাপারে অঙ্গীকারের অভাব পীড়াদায়ক। রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর বিভক্তি; এর পাশাপাশি জাতীয় প্রশ্নে অনৈক্য আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে। দেশে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি এখনও তৎপর। অর্থনৈতিকভাবেও আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত মূল্যবোধ রক্ষায় হতে হবে যত্নবান। তবেই বিজয় হয়ে উঠবে অর্থবহ। যে কোনো জাতির শক্তির প্রধান উৎস ঐক্য। প্রায় সব ক্ষেত্রেই অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন এটি। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয়ের পেছনে কাজ করেছিল মত-পথ-জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ। এজন্যই সম্ভব হয়েছিল আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত শক্তিশালী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে মাত্র নয় মাসে পরাজিত করা। দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাধীনতার পর আমরা সে ঐক্য ধরে রাখতে পারিনি। গুরুত্বহীন বিষয়েও রাজনৈতিক বিভক্তি দেশে গণতন্ত্রের ভিত সুদৃঢ় করার পথে বড় অন্তরায় হয়ে রয়েছে। এ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে আমাদের নেতৃত্বকে। সেই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোয় অভিন্ন নীতি অনুসরণ অপরিহার্য। আমাদের সামনে সম্ভাবনা অসীম। জাতীয় ঐক্য ছাড়া তা যথার্থভাবে কাজে লাগানো যাবে না। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সব সমস্যা মোকাবেলায় সচেষ্ট হলে আমাদের অগ্রগতি ঘটবে দ্রুত। বিভেদ ভুলে আমরা সে পথেই অগ্রসর হব- এই হোক আমাদের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার। মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী সম্পাদক নিউজ একাত্তর ডট কম ও সাপ্তাহিক সংবাদের কাগজ...

ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করবে রুহুল কবির রিজভী

আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হলে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আওয়ালই জয়লাভ করবে বলে জানিয়েছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে তিনি এ কথা বলেন। এছাড়াও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন তিনি। রিজভী বলেন, 'আমি বিএনপির পক্ষ থেকে সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে দ্রুত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির উদ্যোগ নিন।' ধানের শীষের প্রার্থী ও সমর্থকেরা যাতে নির্ভয়ে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড করতে পারে সে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান রিজভী। ...

স্থানীয় নির্বাচন আর জাতীয় নির্বাচনকে এক করে দেখা যাবে না : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তার দল মনে করছে জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে ‘চেঞ্জ দা গভর্নমেন্ট’ আর স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে নির্বাচন সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মনোভাব বুঝা যায়। তাই স্থানীয় নির্বাচন আর জাতীয় নির্বাচনকে এক করে দেখা যাবে না। তবে স্থানীয় নির্বাচনকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভিহিত করে ফখরুল বলেন, এ নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে আবার প্রমাণিত হবে এ সরকার সত্যিকার অর্থে কী করতে যাচ্ছে ? অতীতের নির্বাচনগুলোর মতো তারা আচরণ করবে কিনা। নির্বাচন কমিশন কতটুকু নিরপেক্ষতার সঙ্গে অবাধ নির্বাচন পরিচালনা করতে পারবে কিনা তা নির্বাচনের জন্য একটা লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারবে কিনা যদি ইতিমধ্যে আমাদের যথেষ্ট অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে এবং সব ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। আমাদের দলের চেয়ারপারসন থেকে শুরু করে সিনিয়র লিডারসহ সারাদেশের অনেকের মিথ্যা মামলার মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তারপরেও আমরা গণতান্ত্রিক লেবেলগুলো আছে এর প্রত্যেকটিকে আমরা অংশ গ্রহণ করতে চাই। বিবিসি বাংলার সাথে এক সাক্ষাতকারে ফখরুল আরো বলেন, বিএনপির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন উপ-নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে তাবিথ আউয়ালকেই বেছে নিয়েছেন। সকল প্রার্থীর চেয়ে তাকেই যোগ্য মনে করছে বিএনপি। অন্যান্য প্রার্থীরাও তার পক্ষে কাজ করার কথা বলেছে। সোমবার রাতে ঢাকায় দলটির চেয়ারপারসন কার্যালয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার শেষে বিএনপির পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের পাঁচজন নেতা এর আগের দিন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এদের মধ্যে তাবিথ আউয়াল গত সিটি নির্বাচনে প্রয়াত আনিসুল হকের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। তবে ভোটের দিন তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। কী বিবেচনায় তাবিথ আউয়ালকে বেছে নেয়া হলো দলের পক্ষ থেকে ? এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গতবার আমাদের দলের সমর্থনে তাবিথ আউয়াল নির্বাচন করেছিলেন। তাকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়ার পরেও সে প্রায় ৩ লাখ থেকে সাড়ে ৩ লাখ ভোট পেয়েছিল। তাবিথ আউয়াল শিক্ষিত ছেলে এবং গত নির্বাচনে তার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা হয়েছিল। তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে আমরা মনে করি তাবিথ আউয়াল বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো প্রার্থী হবে। অন্যান্য যারা ছিলেন তারাও যোগ্য ছিলেন, কিন্তু অন্যান্যের তুলনায় তাকে বেশি যোগ্য মনে করেছি। স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পরে বিষয়টি চূড়ান্ত হলো, মূল বিষয়ে কী সামনে রেখে আপনারা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন ? জবাবে ফখরুল ইসলাম বলেন, যারা প্রার্থীর জন্য ফরম নিয়েছে তাদের আমরা ইন্টারভিউ নিয়েছি এবং সকলের কাছ থেকে আমরা জানতে চেয়েছি, তারা মেয়র পদের জন্য নিজের যোগ্যতা কিভাবে মনে করে ? মেয়র নির্বাচিত হলে তারা কী কী কাজ করবে ? সবার মতামতের ভিত্তির ওপরে আমাদের বোর্ডের সর্বসম্মতিক্রমে তাবিথ আউয়ালকে মনোনিত করা হয়েছে। ...

পায়ের গন্ধ দূর করবেন কীভাবে?

ছোট থেকে বড় অনেকেই পায়ে মোজা পরতে ভয় পান। কারণ কিছুক্ষণ পায়ে পরে থাকলেই মোজা থেকে কটু গন্ধ বেরয়। এমনকী এও দেখা গিয়েছে, মোজা না পরলেও পায়ে গন্ধ হচ্ছে অনেকের। গন্ধ হয়ে থাকে জুতো। প্রতিদিন রোদে না শুকিয়ে নিলে পায়ে পরা যায় না। খেয়াল করলে দেখা যাবে এই সব মানুষের পায়ের সঙ্গে হাতের তালুও ঘামে। বস্তুত, এই ঘাম বেরনোর সঙ্গেই রয়েছে শরীরে দুর্গন্ধ হওয়ার মূল যোগাযোগ। #ঘাম কেন হয়? ঘাম হল আমাদের শরীর থেকে বেরনো তরল পদার্থ। ত্বকের নিচে থাকা এক্রাইন গ্রন্থি থেকে ঘাম নির্গত হয়। দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘর্মগ্রন্থির যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। দেহের উষ্ণতার তুলনায় বাইরে পরিবেশের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে আমরা ঘামতে শুরু করি। এভাবেই শরীর ঠান্ডা হয়। মানবশরীরে প্রায় ৪০ লক্ষ এক্রাইন গ্রন্থি ছড়িয়ে রয়েছে। মজার ব্যাপার হল, সারা শরীরে ঘর্মগ্রন্থি ছড়িয়ে থাকলেও হাত পায়ের তালুতে ঘর্মগ্রন্থির ঘনত্ব সবচাইতে বেশি। কারও কারও ক্ষেত্রে হাতের এবং পায়ের তালু বেশি ঘামে। এইসব মানুষের হাত ও পায়ের তালুর এক্রাইন গ্রন্থি কোনও কারণ ছাড়াই বেশি পরিমাণে ঘাম নিঃসরণ করে। এই ধরনের সমস্যাকে বলে পামোপ্লান্টার হাইপারহাইড্রোসিস। বাচ্চা থেকে বড় সবাই এই অসুখে ভুগতে পারেন। দেখা গিয়েছে, আবেগ, মানসিক চাপ নানা কারণে হাত এবং পায়ের তালু ঘামতে থাকে। অফিসের একটু কঠিন কাজ পড়ে গেলে, টেনশন হলে, বাড়ির বাইরে হঠাৎ কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে পড়লে হাতের ও পায়ের তালু ঘামার সঙ্গে হাত কাঁপার সমস্যাও হয়। ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে হাত ঘামার কারণে পরীক্ষার খাতা ভিজে যায়। বড়দের ক্ষেত্রে জরুরি কাগজে সই করার সময় কাগজ ভিজে নষ্ট হয়ে যায়। এমনকী যাদের হাতের তালু ঘামার সমস্যা থাকে তাদের সেনাবাহিনীতেও নেওয়া হয় না। কারণ ঘামের কারণে হাত থেকে অস্ত্র পিছলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। দেখা গিয়েছে যাঁদেরই বেশি ঘাম হয়, তাঁরা শরীর থেকে খুব খারাপ গন্ধ হওয়ার অভিযোগ জানান। #কেন হয় দুর্গন্ধ? আসলে শরীর থেকে ঘাম বেরলে বিশেষ ধরনের ব্যাকটেরিয়া বংশবৃদ্ধি করতে থাকে। এই ব্যাকটেরিয়ার নাম স্ট্যাফাইলোকক্কাস হোমিনিস। এই ব্যাকটেরিয়াই দুর্গন্ধের মূল উৎস। তাই যাঁদের পা বেশি ঘামে তারা মোজা পরলে পায়ে আর মোজায় বেশ দুর্গন্ধ হয়। # চিকিৎসা: এই ধরনের সমস্যার চটজলদি সমাধান নেই। তবে নানাভাবে চিকিৎসা করার সুযোগও রয়েছে। রোগীর অবস্থা বুঝে চিকিৎসক অ্যালুমিনিয়াম হেক্সাহাইড্রেট লোশন, ফর্ম্যালডিহাইড এবং গ্লুটারালডিহাইড দ্রবণ, বটুলিনিয়াম টক্সিন জাতীয় ইঞ্জেকশন ও আয়নটোফোরেসিস পদ্ধতিতে চিকিৎসা করার কথা ভাবেন। এমনকী দরকার পড়লে অপারেশনও রয়েছে। #লোশন: প্রতিদিন রাতে পা শুকনো করে মুছে নিয়ে তারপর অ্যালুমিনিয়াম হেক্সাহাইড্রেট লোশন মাখতে হবে। সকালে উঠে পা ধুয়ে ফেললেই চলে। রোগীকে একটানা বেশ কিছুদিন ধরে এইভাবে লোশন দিয়ে চিকিৎসা করতে হতে পারে। সাধারণত যে পথে ঘাম বেরিয়ে ত্বকে আসে, সেই কূপের মুখ বন্ধ করে দেয় লোশন। তবে পায়ের ফাটা অংশে এই লোশন ব্যবহার করা যাবে না। সেক্ষেত্রে পায়ে নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে। # দ্রবণ: রোগীরা চাইলে ফর্ম্যালডিহাইড এবং গ্লুটারালডিহাইড দ্রবণে হাত এবং পা ডুবিয়ে রাখতে পারেন। এভাবে ত্বকের উপরে আক্রান্ত জায়গাগুলির চিকিৎসা করা যায়। # আয়নটোফোরেসিস: একটি যন্ত্র এবং ট্যাপ কলের জলের সাহায্যে মৃদু বিদ্যুৎ তরঙ্গ (১৫ থেকে ২০ মিলি অ্যাম্পেয়ার) প্রয়োগ করা হয় ত্বকের উপরিভাগে। পর পর ১০ দিন ৩০ মিনিট করে এই চিকিৎসা চালাতে হয়। এরপর সপ্তাহে ১ বা ২ দিন এই চিকিৎসা করালেই চলে। এর সঙ্গে অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধও দেওয়া হতে পারে। # বটুলিনাম টক্সিন: হাত ও পায়ের ঘাম ও দুর্গন্ধ বাগে আনতে বটুলিনাম টক্সিন ইঞ্জেকশন দেওয়া যায়। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই চিকিৎসা প্রায় ব্যথাহীন। ক্ষুদ্রাকৃতি সুঁচের সাহায্যে হাত পায়ের তালুতে ইঞ্জেকশনের সাহায্যে ওষুধ পুরে দেওয়া হয়। # মুখে খাওয়ার ওষুধ: মুখে খাওয়ার অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ রয়েছে। ওষুধগুলি ঘাম নিঃসরণ রোধ করে। তবে এই ওষুধগুলির কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। নিয়মিত এই ওষুধ সেবনে রোগীর মুখ ও চোখে চোখ শুষ্কভাব দেখা যায়। হতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্য। কারও কারও ক্ষেত্রে ইউরিন করতেও সমস্যা দেখা দেয়। দুঃশ্চিন্তা কমানোর যে সমস্ত ওষুধ রয়েছে সেগুলি খেলেও সমস্যা কিছুটা কমে, তবে এই ধরনের ওষুধের প্রতি রোগীর আসক্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। #অপারেশন: রোগীর শোচনীয় অবস্থা না হলে এবং সব ধরনের চিকিৎসা ব্যর্থ হলে তারপর অপারেশনের কথা ভাবেন চিকিৎসক। তবে সার্জারি করালে রোগীর সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়। এই অপারেশনের নাম সার্জিকাল সিমপ্যাথেকটমি। বড়সড় কাটাছেঁড়া করতে হয় না। মিনিমালি ইনভেসিভ এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতিতে সার্জারি করা হয় বলে রোগীর শরীরে সামান্য ক্ষত তৈরি হয়। রোগী খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। ঘরোয়া উপায় #পায়ের দুর্গন্ধের কারণ কী? # শরীরের অত্যধিক ঘাম এবং মৃত কোষ হল ব্যাকটেরিয়ার খাবার। সেই খাবার খেয়ে ব্যাকটেরিয়া একধরনের রাসায়নিক নিঃসরণ করে। এই রাসায়নিকই দুর্গন্ধের উৎস। সারা শরীরের অন্যান্য অংশের থেকে পায়ে বেশি দুর্গন্ধ হওয়ার কারণ হল পা বেশি ঢাকাঢাকিতে থাকে। দেখবেন, বেশিরভাগ মানুষেরই মোজা খোলার পর পা থেকে দুর্গন্ধ বেরচ্ছে। মোজা এবং ঢাকা জুতো পরার কারণে পায়ে বায়ু চলাচলে সমস্যা হয়ে অতিরিক্ত ঘাম তৈরি হয়। তবে এছাড়াও নির্দিষ্ট অঞ্চলে রক্ত সঞ্চালন কম হওয়াও অত্যধিক ঘামের অন্যতম কারণ। ডায়াবেটিস মেলিটাস, হার্টের রোগ ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা থেকে পায়ে স্বাভাবিক রক্তসঞ্চালন ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, বায়ু, পিত্ত এবং কফ হল শরীরের চালিকাশক্তির উৎস। শরীরে এগুলির অসামঞ্জস্যতা নানাবিধ সমস্যা ডেকে আনে। এখানে সমস্যার মূলে রয়েছে পিত্ত। আয়ুর্বেদ মতে, পিত্ত প্রকৃতির মানুষের ঘাম বেশি হয়। পিত্ত প্রকৃতির মানুষের লক্ষণগুলি হল—এরা গরম সহ্য করতে পারেন না। অম্ল জাতীয় খাদ্য খান (টক)। অন্যান্যদের তুলনায় একটু বেশিই চনমনে থাকেন ইত্যাদি। এছাড়াও পিত্ত বৃদ্ধিকারক আহার (খাদ্য) এবং বিহারের (জীবনযাপন) মাধ্যমেও অনেকের শরীরে পিত্ত বৃদ্ধি পায়। আবার শরীর গঠনের সাতটি ধাতুর মধ্যে মেদ ধাতুর (ফ্যাট) পরিমাণ বেশি থাকলেও অতিরিক্ত ঘাম হয়। # শীতে পায়ে দুর্গন্ধের সমস্যা বাড়ে কেন? #এভাবে শীত বলে নির্দিষ্ট কোনও ঋতুকে দায়ী করা ঠিক নয়। আসলে সমস্যাটা হল ঘামের। বেশিরভাগ মানুষ সারা বছর খোলা জুতো পরেন। মোজাও পরেন না। ফলে পায়ে ভেন্টিলেশনের কোনও সমস্যা হয় না। তাই দুর্গন্ধও থাকে না। অথচ শীত আসতেই শুরু হয় মোজা এবং পা ঢাকা জুতোর ব্যবহার। সেখান থেকে ঘাম। ঘাম থেকে দুর্গন্ধ। তাই শীত বলে আলাদা করে বলা যায় না। যাঁদের বেশি ঘাম হয়, তাঁরা সারা বছরই এই সমস্যায় ভুগতে পারেন। # চিকিৎসা কী? # চিকিৎসার প্রথম ধাপ হল শরীরের সেই নির্দিষ্ট জায়গার যত্ন। এটা দুভাবে করা যেতে পারে। প্রথমটি হল, পায়ের ভেন্টিলেশন নিশ্চিত করা। আর দ্বিতীয়টি অবশ্যই সেই জায়গার ব্যাকটেরিয়া নিধন। এবার এমন কয়েকটি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতি সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক # জলে কয়েকটি নিম পাতা ফেলে ফুটিয়ে ফেলুন। এবার সেই জল সহনযোগ্য ঊষ্ণতায় এলে পা দুটিকে ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। নিমের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ক্ষমতা জীবাণু নিধনে বিশেষভাবে কার্যকরী # অগ্নেয়গিরি থেকে উঠে আসা লাভা জমে পাথরে (ভলক্যানিক রক) পরিণত হয়। এই পাথরের নাম জিওলাইট। বাজারে প্যাকেটের মধ্যে জিওলাইট ভরে বিক্রি করা হয়। এই পাউচ প্যাকেটটি মোজার মধ্যে ভরে ব্যবহার করলেও পায়ের দুর্গন্ধ দূর হয় # গরম জলে চা মিশিয়ে তার মধ্যে দুটি পা আধঘণ্টা চুবিয়ে রাখলেও উপকার পাবেন। চায়ে উপস্থিত ট্যানিন নামক পদার্থটি ভালো অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ক্ষমতাসম্পন্ন # স্নান করার মোটামুটি আধঘণ্টা আগে পায়ে চন্দনাদি তেল ভালো করে মালিশ করে নিলেও পায়ে দুর্গন্ধের সমস্যা প্রতিহত করা সম্ভব # পায়ে ব্রাহ্মী তেল লাগালেও দুর্গন্ধ দূর হয় # এক্ষেত্রে আয়ুর্বেদের পঞ্চকর্ম থেরাপির অন্তর্গত বিরেচন (পারগেশন) অত্যন্ত ফলপ্রসূ। এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন উপায়ে শরীরে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রেখে প্রায় ৩০ বার মলত্যাগ করানো হয় # আমলকী হল পিত্তনাশক ফল। তাই প্রতিদিন ১ চামচ বা ৩ থেকে ৬ গ্রাম আমলকী চূর্ণ (পাউডার) ঘি-এর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে শরীরের পিত্তবৃদ্ধিজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আসে # প্রতিদিন ১ চামচ ত্রিফলা চূর্ণ (হরীতকী, আমলকী ও বহেরা) ঘি মিশিয়ে খেলে ভালো ফল পাবেন # বিভিন্ন যোগ ব্যায়ামের মধ্যে পিত্তনাশক হিসাবে প্রাণায়াম করা খুবই উপকারী। তাই নিয়মিত প্রাণায়াম করুন # এছাড়াও নিয়মকরে ব্যবহৃৎ মোজা ও জুতো পরিষ্কার করতে হবে। চেষ্টা করুন খোলা জুতো পরার। মোজা সুতির কাপড়ের হলেই ভালো। দিনের শেষে পা ভালো করে পা ধুয়ে নিন। পায়ের গন্ধ দূর করবেন কীভাবে? ...

মোবাইলে বেশি কথা বললে কী কী ক্ষতি হতে পারে

নানা সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, মোবাইলের রেডিয়েশনের ফলে শুধু শরীর নয়, ক্ষতি হয় মনেরও। আমাদের অজান্তেই মোবাইলের অদৃশ্য তরঙ্গ পাল্টে দেয় দেহ-মনের রসায়ন। মোবাইল ব্যবহারের করার আগে বেশ কিছু সাবধানতা গ্রহণ করা অবশ্য কর্তব্য। * মোবাইল ফোন থেকে শরীরে সমস্যা তৈরি হয় কীভাবে? ** মোবাইল ফোনের এক প্রান্তের বার্তা অন্য প্রান্তে পৌঁছানোর কাজটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশনের মাধ্যমে হয়। সমস্যা হল, এই ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন মানব শরীরেও গৃহীত হয়। সাধারণত মোবাইলের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশেনের মাত্রা ৪৫০ থেকে ৩৮০০ মেগাহার্টজের মধ্যে থাকে। এবার প্রশ্ন হল, ঠিক কতটা পরিমাণ ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন শরীরে গৃহীত হলে সমস্যা সৃষ্টি করে? উত্তর হল, ঠিক যতটা পরিমাণ রেডিয়েশন থেকে শরীরের কেমিক্যাল বন্ড ভেঙে যায় বা শরীরের মধ্যে আয়োনাইজিং এফেক্ট তৈরি হয়। বিষয়টিকে একটু বুঝিয়ে বলি, আসলে আমাদের শরীরের সমস্তটাই রাসায়নিক পদ্ধতিতে একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত। মাত্রাতিরিক্ত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন শরীরের রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে ফেলতে সক্ষম। আবার রেডিয়েশনের মাধ্যমে শরীরে আয়োনাইজিং এফেক্ট তৈরি হলেও কোষের মধ্যে হঠাৎ পরিবর্তন আসে। তৈরি হয় নানাবিধ শারীরিক সমস্যা। মোবাইলের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন মানুষের ক্ষতি করতে পারে বলে প্রাথমিক পর্যায়ে মোবাইলের স্রষ্টারা বিশ্বাসই করতেন না। তাঁদের যুক্তি ছিল, মোবাইল থেকে এতই সামান্য পরিমাণে রেডিয়েশন উৎপন্ন হয় যে তা শরীরে কোনও ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন গবেষণায় অত্যধিক মোবাইল ব্যবহারের বিভিন্ন ক্ষতিকর শারীরিক প্রভাবগুলি নিয়ে নানা মতামত উঠে আসছে। * কী কী সমস্যা হয়? ** বিভিন্ন গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী মোবাইল ফোন থেকে মানবশরীরে ঘটে যাওয়া নেতিবাচক প্রভাবগুলিকে দুভাবে চিহ্নিত করা যায়। প্রথমটি হল ছোটদের উপর প্রভাব। আর দ্বিতীয়টি প্রাপ্তবয়স্কদের উপর প্রভাব। এবার ছোটদের উপর ক্ষতিকর প্রভাবের প্রশ্নে বলি, প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় ছোটদের শরীরে ৬০ শতাংশ বেশি হারে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন গৃহীত হয় বলে গবেষণায় দেখা গিয়েছে। এর কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, ছোটদের মস্তিষ্কের হাড় এবং সফ্ট টিস্যু সরু এবং পাতলা হওয়ার জন্যই প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ রেডিয়েশন গৃহীত হয়। তাই এটা সহজেই অনুমেয় যে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব বড়দের তুলনায় ছোটদের অনেক বেশি। ছোটদের মধ্যে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের মুখ্য সমস্যা হল লার্নিং ইম্পেয়ারমেন্ট। জটিল এই সমস্যায় ছোটদের নতুন কিছু শেখার আগ্রহ এবং ক্ষমতা দুই-ই কমে আসে । * অনেক বাচ্চাই শুয়ে-বসে বিভিন্ন ভুল শারীরিক কায়দায় মোবাইল ব্যবহার করে। এভাবে ব্যবহারে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যথা হওয়ায় আশঙ্কা থাকে * দীর্ঘক্ষণ মোবাইল স্ক্রিনে চোখ রাখার জন্য মাথা ব্যথার সমস্যা হওয়ারও আশঙ্কা থাকে * রাতে মোবাইল ব্যবহারে ঘুমের সমস্যা হয় * ক্লান্তি এবং দুর্বলতাও আসতে পারে * দুশ্চিন্তা এবং মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা থাকে * কান গরম হয়ে আসে। বড়দের ক্ষেত্রে তালিকার প্রথমেই রয়েছে মাথা ব্যথা। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় মোবাইলের ব্যবহারে ঘুমের সমস্যা, দুশ্চিন্তা এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির মতো সমস্যাও হামেশাই ঘটে। এছাড়াও মোবাইলের ব্যবহার অনেকক্ষেত্রেই দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মোবাইল কানে রাস্তা পারাপার, রেললাইন পার বা গাড়ি চালালে যে কোনও মুহূর্তে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আবার বেশ কিছু গবেষণায় মোবাইল ফোনের বেশি ব্যবহারের সঙ্গে ক্যান্সার এবং প্রজননের অক্ষমতার দিকেও নির্দেশ করা হয়েছে। এখানে বলা দরকার, ইতিমধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু মোবাইল রেডিয়েশনকে প্রোবাবেল কার্সিনোজেনিক হিসাবে বর্ণনা করেছে। অর্থাৎ মোবাইলের রেডিয়েশন থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে বলেই সংস্থার মতামত। তবে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ এখনও পর্যন্ত নেই। অপরদিকে কোনও শক্তিশালী প্রমাণ না মেলায় প্রজনন ক্ষমতা হ্রাসজনিত সমস্যাটিকেও তেমন কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয় না। * কী করলে ভালো হয়? ** বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল থেকে এটা পরিষ্কার যে সুস্থ শরীরে বাঁচতে মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমানোই একমাত্র উপায়। তবে ঠিক কতটা কমালে ভালো হয়? উত্তরে বলা যায়, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের সারা দিনে ৩০ মিনিটের বেশি মোবাইল ফোনে কথা বলা উচিত নয়। আর বয়স ১৮ বছরের নীচে হলে মোবাইল ফোনে কথা বলার সময়টা সারাদিনে ২০ মিনিটের মধ্যে রাখাই শ্রেয় * মোবাইল কেনার আগে অবশ্যই মোবাইলের স্পেসিফিক অ্যাবসর্পশন রেট বা সার ভ্যালু সম্বন্ধে জেনে নিন। বর্তমানে সরকারি নিয়ম মতো সব মোবাইল ফোনেই এই ভ্যালু উল্লেখিত থাকে * ফোনটিকে শরীর থেকে অন্তত ২০ সেন্টিমিটার দূরে সরিয়ে রাখলে রেডিয়েশনের প্রভাব কম পড়ে * মোবাইল টাওয়ারের সিগন্যাল কম থাকলে মোবাইলের রেডিয়েশনের প্রভাব অনেকাংশে বেড়ে যায়। তাই এমন সময় মোবাইল ব্যবহার না করাই ভালো * রাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার ঘুমের সমস্যার প্রধান কারণ। তাই কোনওভাবেই রাতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন শরীর থেকে অনেকটা দূরে রেখে শোওয়াই ভালো। পারলে ঘুমের সময় মোবাইল বন্ধ বা সাইলেন্ট মোডে রাখুন * মোবাইল ব্যবহার করার সময়ে সঠিক দেহভঙ্গি বজায় রেখে কথা বলুন। বেঁকে-টেরে বসে বা শুয়ে কথা না বলাই ভালো * দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ফোন কানে নিয়ে কথা বলার বদলে হেডফোন ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে হেডফোনের বেশি ব্যবহার আবার কানের নানাবিধ ক্ষতি করে। তাই এক্ষেত্রেও মেপেবুঝে চলতে হবে * মোবাইলে চোখ রেখে বা কথা বলতে বলতে অন্য কাজ না করাই ভালো * মোবাইলে ব্যবহার করতে করতে রাস্তায় হাঁটা, রেললাইন পারাপার, রাস্তা পার, গাড়ি চালানো একদমই উচিত নয় * ছোটদের উপর মোবাইলের খারাপ প্রভাবকে লক্ষ করে বলা যায়, বয়সের গণ্ডি ১৮ না পেরনো পর্যন্ত মোবাইল না ব্যবহার করাই ভালো। ...

ম্যানিটোবায় কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিশেষ কন্স্যুলার সেবা প্রদান

ম্যানিটোবাস্থ বাংলাদেশিদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন কানাডা-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) এবং অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের যৌথ ব্যবস্থাপনায় ম্যানিটোবায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও অভিবাসীদের জন্য তিনদিনব্যপী বিশেষ কন্স্যুলার সেবা প্রদান করা হয়। কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার জনাব মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যবিশিষট কন্স্যুলার সেবা প্রদানকারী দল ৪ ডিসেম্বত হতে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ম্যানিটোবাস্থ বাংলাদেশীদের প্রত্যক্ষ সহায়তা দেন। এই সর্বাংগীন সেবা কার্যক্রমের মধ্যে ছিল হাতে লেখা পাসপোর্ট প্রতিস্থাপন, নতুন মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রাপ্তি ও নবায়ন, এবং নাগরিকত্ব, জন্ম-নিবন্ধন ও ভোটার কার্ড এর আবেদনপত্র গ্রহণ, ফরম পুরণের খুঁটিনাটি সরাসরি তত্ত্বাবধান, প্রয়োজনীয় পরামর্শ দান, এবং আবেদনকারীদের ছবি ও আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ বা বায়োমেট্রিক তথ্য নিবন্ধন। সিবিএ সভাপতি মিসেস নাসরিন মাসুদ-এর নেতৃত্বে সংগঠনেরসকল নির্বাহীবৃন্দ সহযোগে একদল স্বেচ্ছাসেবি কন্স্যুলার সেবাসংশ্লিষ্ট যাবতীয় কর্মকান্ড তত্ত্ববধান করেন। আড়াইশত জনেরও অধিক বাংলাদেশি এই প্রত্যক্ষ সেবাসমূহ গ্রহণ করেন। ম্যানিটোবায় অবস্থানকালে হাইকমিশনার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের দায়িত্বে নিযুক্ত প্রথম সচিব মহোদয় স্থানীয় বণিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কৃষিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানীসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচিত হয়। বাংলাদেশকে অযুত সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিমূখী দেশ হিসেবে উপস্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে কানাডিয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সুবিধাদিও আলোচিত হয়। ম্যানিটোবার বাংলাদেশিদের উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রাণপ্রাচুর্যে আয়োজনটিশতভাগসফল হয়। ভবিষ্যতে সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন প্রবাসী কর্মকান্ডে হাইকমিশন আরো বর্ধিত কলেবরে সেবা প্রদানের অংগীকার করেন। (ড. হেলাল মহিউদ্দীন, গবেষণা ফেলো, সেইন্ট পলস কলেজ, ম্যানিটোবা বিশ্ববিদ্যালয়) Press Release ...

জাতিসংঘের মানবাধিকার সমন্বয় সংস্থা পরিসংখ্যান,বাংলাদেশে রোহিঙ্গার সংখ্যা ৬,২৪,০০০ ছাড়িয়ে গেছে

২৫ শে আগস্টের পর মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আশা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৬,২৪,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। সোমবার এ পরিসংখ্যান দিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার সমন্বয় সংস্থা। এ খবর দিয়েছে চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া। বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৪৩০ জন বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে আশ্রয় নিয়েছে। আগের চেয়ে গত সপ্তাহের এই গড় তুলনামূলক কম। মিয়ানমারের উত্তর রাখাইনে ভয়াবহ নিপীড়ন চালিয়েছে সে দেশের সেনাবাহিনী। এর ফলে লাখ লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। সেনাবাহিনীর নির্যাতন এতোটাই ভয়াবহ ছিলো যে, অনেক সাঁতার না জানা রোহিঙ্গা পানির গ্যালনে ভর দিয়ে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করেন। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে শোনা যাচ্ছে ভয়াবহ অত্যাচার, নিধন যজ্ঞের বিবরণ। সম্প্রতি বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে স্বাক্ষরিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পর্কে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফানি ডুজাররিক বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবার সময় এটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে, মিয়ানমারে ফিরে তারা যেন নিরাপদে, স্বসম্মানে এবং সুরক্ষিত অবস্থায় বসবাস করতে পারে। উল্লেখ্য, বৌদ্ধপ্রধান মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয় না। ...

মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এর পক্ষ থেকে দুঃস্থদের মাঝে চাল বিতরণ কর্মসূচী।

শনিবার বেলা ৩ ঘটিকায় মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস্ এন্ড জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর কমিটির পক্ষ হইতে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সহায়তায় দুঃস্থদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়। উক্ত চাল বিতরণ কর্মসূচীতে প্রধান অতিথী ও উদ্ভোদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব নেছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মেয়র, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম, বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ লোকমান আলী চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম জেলা, এম.এ নুরনবী চৌধুরী চেয়ারম্যান উত্তর জেলা ও মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন কাদের চেয়ারম্যান মহানগর কমিটি, এতে সার্বিক সহোযোগীতায় ছিলেন ফয়সাল হাসান মহাসচীব চট্টগ্রাম জেলা ও মৃদুল মজুমদার মহাসচীব চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি, এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ এম.এ হক চৌধুরী রানা সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম জেলা, মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া চেয়ারম্যান পাহাড়তলী থানা কমিটি, মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদ চেয়ারম্যান আকবরশাহ্ থানা কমিটি, মোহাম্মদ তসলিম কাদের চৌধুরী সাংঘঠনিক সচীব চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি, সাইফুল ইসলাম যুগ্ন মহাসচিব চট্টগ্রাম জেলা, বিজয় রঞ্জন পাল প্রচার ও প্রকাশনা সচিব চট্টগ্রাম জেলা, নেহার কন্তি দাশ সমাজ কল্যান সচিব চট্টগ্রাম জেলা, মোহাম্মদ শাহ আলম, বিশ্বজীত, মোহাম্মদ করিম প্রমুখ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথী ভারপ্রাপ্ত নিছার উদ্দিন আহম্মদ মঞ্জ বলেন উক্ত সংঘটন অসহায় ও দরিদ্রদের কল্যানে নিরর্দিধায় কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের সামাজিক কর্মকান্ডে আমি সুন্তুষ্ট, আশাকরি উক্ত সংঘঠন সকল মানুষের কল্যানে ও অধিকার আদায়ে আরো অধিক ভূমিকা রাখবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি


ম্যানিটোবায় কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিশেষ কন্স্যুলার সেবা প্রদান

ম্যানিটোবাস্থ বাংলাদেশিদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন কানাডা-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) এবং অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের যৌথ ব্যবস্থাপনায় ম্যানিটোবায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও অভিবাসীদের জন্য তিনদিনব্যপী বিশেষ কন্স্যুলার সেবা প্রদান করা হয়। কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার জনাব মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যবিশিষট কন্স্যুলার সেবা প্রদানকারী দল ৪ ডিসেম্বত হতে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ম্যানিটোবাস্থ বাংলাদেশীদের প্রত্যক্ষ সহায়তা দেন। এই সর্বাংগীন সেবা কার্যক্রমের মধ্যে ছিল হাতে লেখা পাসপোর্ট প্রতিস্থাপন, নতুন মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট প্রাপ্তি ও নবায়ন, এবং নাগরিকত্ব, জন্ম-নিবন্ধন ও ভোটার কার্ড এর আবেদনপত্র গ্রহণ, ফরম পুরণের খুঁটিনাটি সরাসরি তত্ত্বাবধান, প্রয়োজনীয় পরামর্শ দান, এবং আবেদনকারীদের ছবি ও আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ বা বায়োমেট্রিক তথ্য নিবন্ধন। সিবিএ সভাপতি মিসেস নাসরিন মাসুদ-এর নেতৃত্বে সংগঠনেরসকল নির্বাহীবৃন্দ সহযোগে একদল স্বেচ্ছাসেবি কন্স্যুলার সেবাসংশ্লিষ্ট যাবতীয় কর্মকান্ড তত্ত্ববধান করেন। আড়াইশত জনেরও অধিক বাংলাদেশি এই প্রত্যক্ষ সেবাসমূহ গ্রহণ করেন। ম্যানিটোবায় অবস্থানকালে হাইকমিশনার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের দায়িত্বে নিযুক্ত প্রথম সচিব মহোদয় স্থানীয় বণিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ কৃষিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানীসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচিত হয়। বাংলাদেশকে অযুত সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিমূখী দেশ হিসেবে উপস্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশে কানাডিয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সুবিধাদিও আলোচিত হয়। ম্যানিটোবার বাংলাদেশিদের উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রাণপ্রাচুর্যে আয়োজনটিশতভাগসফল হয়। ভবিষ্যতে সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন প্রবাসী কর্মকান্ডে হাইকমিশন আরো বর্ধিত কলেবরে সেবা প্রদানের অংগীকার করেন। (ড. হেলাল মহিউদ্দীন, গবেষণা ফেলো, সেইন্ট পলস কলেজ, ম্যানিটোবা বিশ্ববিদ্যালয়) Press Release

গরিবের বউ সকলের ভাবি ধণীর বউ ম্যাডাম

ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম: গরিবের বউ সকলের ভাবি, ধণীর বউ ম্যাডাম। তেমনি ধণীর সন্তান সুকান্ত গরিবেরটি ক্যবলাক্যান্ত টোকাই ও বলা যায়। হায়রে বিধি কেমন তোমার বিধান মানুষে মানুষে হেথা আজ কত ব্যবধান। আসলে এখানে ছোটর নেই কোন স্থান, রবীন্দ্রনাথ বলেছেন,তের চৌদ্দ বছরের ছেলেরা বলাই আমিতো বলি ভালই, কেন তা পরে বলবো। কবি গুরু বলেন,তাদের কাচামাখা কথা ন্যাকামি আর আধাপাখা কথা জ্যাটামি সব দোষ যেন তাদের। আহারে বাঙ্গালী আসলে আমরা যেন সবাই কাঙ্গালী তাই দিন বন্ধু মিত্রনিল দর্পন নাটকে বলেছেন কাঙ্গালির কথা বাসি হলে ফলে। কত বাসী? পুরান চালের ভাত বাড় পুরান কথা তর্কে সার, অত টাইম কারো নাই। তবে সব্জি দুয়েক বেলায় বাসী হলে মজে ভালো তাই মজাও হয় ভালো। এখন আবার প্রেশার কুকারের যুগ চাপ দিয়ে তরকারি মজিয়ে ফেলে তাই বাসী হওয়ার আর দরকার হয় না। তাই তো যুক যার মুল্লুক তার- আর কথাটি সার্থক দেখুন না,বস ভুল করলে হয় অভিঞ্জতা আর কর্মি করলে অঞ্জতা। বসের কথা বানী কর্মির কথা পানি। আসলে ছোট যেন সব জায়গায় অবহেলিত। এটি ঠিক না, আমরা দেখি ইশফের গল্পে ক্ষুদ্র ইদুর বিশাল সিংহকে বাচিঁয়েছে,পিপড়ে ঘুঘুকে বাঁচিয়েছে। আবার ভিখারির ছেলেকে রাজা হতে দেখেছি এবং রাজার ছেলেকে দেখেছি ভিখারি হতে। তাই ছোট বলে কখনো অবহেলা করতে নেই। যেহেতু গরিবের বউ একাধটু ঠাট্টা-মশকারা তো সবাই করবে। তাই বলে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য মোটেই উচিত না। সকলকে আবশ্যক জ্ঞান করা ভালো। এক সময় আমাদের দেশে একটি গান বড় চাউর হয়েছিল, রিক্সাওয়ালা বলে কাকে তুমি আজ ঘৃণা কর। এর পর হতে দেখলাম মানুষের রুচিতে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। অনেক খানদানি লোক দেখলাম বিউটি পার্লারের নাম দিয়ে নাপিতের কাজ করছে, পল্ট্রি নাম দিয়ে মুরগী দোকান, ডেইরি নাম দিয়ে গোয়ালার কাম,এমনকি মিট শপ নাম দিয়ে কসাই কাজ পর্যন্ত করছেন। অথচ এক সময় ছিলো খানদানি লোকেরা ডাক্তারি করতেন না আর আজ ডাক্তারি হলো এক নম্বর পেশা!যুগে যুগে অবশ্য নেশা পরিবর্তন আসে পেশার পরিবর্তন আসে, তেমনি রুচির ও পরিবর্তন আসে কিন্তু ছোটকে অবহেলা-এটি এখনো তেমন পরিবর্তন হয়নি। কথায় বলে ছোটর জায়গা যেখানে সেখানে,বড়র জায়গা নেই কোনখানে। কথাটি কত টুকু ঠিক জানি না। তবে আমরা দেখি সব খানে বড়রাই আগে জায়গা করে নেই। আরো বলে, বড় হবি তো আগে ছোট হ! এখন কত ছোট হবো, ইজ্জত-সম্মান সব ফেলে দিয়ে? একটি কৌতুক মনে পড়ে গেল ঃ মালিক ভৃত্যকে বলেছেন, বুঝলি গেঁদা; বড় হতে গেলে নিজেকে আগে ছোট হতে হয়। গেঁদা; কত ছোট? মালিক; যত ছোট হলে নিজেকে তোর আর মানুষ বলে মনে হবে না। গেঁদা; তাহলে কী বলে মনে হবে? মালিক; মনে হবে তুই আস্থ একটা পশু! গেঁদা; তা কেমনে? মালিক; তাতো তুই ঠিক করবি। গেঁদা; পড়লো মহাভাবনায়। তার পর একদিন পুরো দিগম্বর হয়ে মালিকের সামনে হাজির! মালিক বিষ্মিত হয়ে, এটি কি? গেঁদা; কেন, আপনি বলেছেন পশু হতে তাই পশু হয়েছি, একমাত্র পশুরাই তো কাপড় পড়ে না! তেমন বড় অবশ্য আমরা হতে চাই না, কারণ এতে সম্মান নেই। পৃথিবিতে অর্থ আয়ের অনেক উপায় আছে তাই বলে বউ বেটি ভাড়া দিয়ে অর্থ আয় কারো কাম্য নয় বড় হওয়ার ও তেমন অনেক উপায় আছে তবে তা সম্মানের সহিত হতে হবে। তাই বড় হওয়ার জন্যে ছোট অবশ্যই হবো তবে তা সম্মানের সাথে। সূত্র: আজাদী

আজকের মোট পাঠক

32691

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : নুরুল ইসলাম ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা। ফোন : ০৩১-২৭৭১১৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১০/১১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত