করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৮২ হাজার

0৮এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সাত হাজার ৩৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত ৮২ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় মারা গেছে। প্রতি মিনিটেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত হয়েছে ১৪ লাখ ৩১ হাজার মানুষ। সুস্থ হয়েছে ৩ লাখ দুই হাজার মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে এক হাজার ৯৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ১২৮৫৪ জনের। আক্রান্তের সংখ্যার দিক দিয়েই সবার চেয়ে ওপরে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত চার লাখের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যার দিক দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ফ্রান্সের অবস্থান। দেশটিতে এক হাজার ৪১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশটিতে ১০ হাজার ৩২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ নয় হাজারের বেশি মানুষ। তবে বৈশ্বিক মৃত্যুর দিক দিয়ে এখনও শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ইতালি। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৬০৪ জনের। যা ধারাবাহিকভাবে কমতির দিকে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এক লাখ সাড়ে ৩৫ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। সার্বিক মৃত্যুর সংখ্যার বিবেচনায় ইতালির পরই স্পেনের অবস্থান। সেখানে এখন পর্যন্ত ১৪ হাজার ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৭০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৪১ হাজার ৯৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। ইউরোপের অন্য দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেনে হঠাৎ করে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় এক লাফে ৭৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ছয় হাজার ১৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৫৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসেও বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। দেশ দুটিতেই মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ২ হাজার। নেদারল্যান্ডসে ২ হাজার ১০১ জন। বেলজিয়ামে ২ হাজার ৩৫ জন। জার্মানিতে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৯৪১ জন। দেশটিতে আক্রান্ত এক লাখ ৬ হাজার ৫০৪ জন।...

করোনায় মৃতের সংখ্যা ৭৪ হাজার ছাড়ালো

0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯)- এ মিনিটে মিনিটে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। লাশের সারি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। দুনিয়ার কোনো মেকানিজমই যেনো কাজে আসছে। মঙ্গলবার ঢাকার সময় সকাল সাতটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোভিড-১৯ মৃতের সংখ্যা ৭৪ হাজার ৬ শ ৮৫ ছাড়িয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের আপডট করা সর্বশেষ তথ্য হচ্ছে- বিশ্বব্যাপী মোট আক্রান্ত ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ৩ শ ৮১জন। এর মধ্যে ৭৪ হাজার ৬ 'শ র বেশি মারা গেলেও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫ শ ৩৪জন। দুনিয়ার ২০৯টি দেশ ও অঞ্চলে এ পর্যন্ত করোনা আঘাতে হেনেছে জানিয়ে জরীপ সংস্থাটি ৭ ই এপ্রিলের আপডেট দিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে- মোট নয় লাখ ৯৩ হাজার ১ শ ৭৫ জন করোনা আক্রান্ত দুনিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে রয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৫ ভাগের অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন। হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন এমন সংখ্যা ৪৭ হাজার, তবে চিকিতসাধীন অন্য ৯৫ভাগ অর্থাৎ ৯ লাখ ৪৫ হাজার ৯শ ১৯ জনের বেশিরভাগের অবস্থা স্থিতিশীল। অনেকের শরীরিক অবস্থার উন্নতির দিকে। মাঝারি মানের অসুস্থ কিংবা ক্রিটিকাল কন্ডিশনে থাকা উভয় রোগীর ক্ষেত্রেই চিকিৎসকরাও চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ওয়ার্ল্ডোমিটার জানিয়েছে- বলিভিয়ায় নতুন করে করোনায় ৩ জনের মৃত্যু এবং ১১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ঘানায় ৭৩ নতুন কেস রেকর্ড হয়েছে। ব্রাজিলে আরও দুজনের মৃত্যু এবং ৪৯জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। নিউজিল্যান্ডে ৫৪ নতুন রোগী ধরা পড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় আরও ৬ জনের মৃত্যুসহ ৪৭ নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মেক্সিকোতে আক্রান্ত ও মৃতের ঘটনা দুটোই নতুন রেকর্ড হয়েছে। ২৯৬ রোগী শনাক্ত হওয়া ছাড়াও ৩১ জন মারা গেছেন গত ২৪ ঘন্টায়।...

করোনার কারণে বেড়েছে নারী নির্যাতন

0৬এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস আতঙ্কের কারণে অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবে বিশ্বজুড়ে ঘরোয়া সহিংসতা ও নারী নির্যাতনের মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। রোববার রাতে এক বিবৃতিতে অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, অনেক নারী ও মেয়ের জন্য হুমকিটা আসছে সেখান থেকেই, যেখানে তারা সবচেয়ে নিরাপদে থাকা উচিত- নিজের বাড়িতে। একারণে আমি বিশ্বজুড়ে প্রতিটি বাড়িতে শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ জানাই। নাম উল্লেখ না করে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, কিছু কিছু দেশে নারীদের সহায়তা চাওয়ার হার দ্বিগুণ হয়ে গেছে। করোনা সংকটে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশ সদস্যের অভাব দেখা দিয়েছে, তারা অনেকটাই হতবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় সহায়তাকারী সংগঠনগুলো অর্থের অভাবে অচল হয়ে পড়েছে, নির্যাতিতদের কিছু আশ্রয়কেন্দ্র বন্ধ না হয় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। একারণে আমি সব সরকারের কাছে আহ্বান জানাই, কোভিড-১৯ মোকাবিলা পরিকল্পনায় নারী সহিংসতা প্রতিরোধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হোক। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ঘরোয়া নির্যাতনের শিকার হয়ে সাহায্যের জন্য ফোনকল আসা বেড়ে গেছে। লকডাউনের প্রথম সপ্তাহেই ভারতে নারী নির্যাতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তুরস্কে সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশনা দেয়ার পর থেকে নারী-হত্যার হার বেড়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় লকডাউনের প্রথম সপ্তাহে অন্তত ৯০ হাজার লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার অভিযোগ এসেছে। এছাড়াও অস্ট্রেলীয় সরকারের কাছে অনলাইনে সাহায্যপ্রার্থনার হার বেড়েছে ৭৫ শতাংশ। গত একসপ্তাহে ফ্রান্সে ঘরোয়া নির্যাতন বেড়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ।...

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ৬৭ হাজার ২৬০ জন

0৬এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৭ হাজার ২৬০ জনে পৌঁছেছে। আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ১২ লাখ ৩৭ হাজার ৪২০ জন। সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন ইতালিতে। সেখানে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৫ হাজার ৩৬২ জন ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৬৮১ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৩২ জন। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও আন্তর্জাতিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে হিসাবে এমন তথ্য উঠে এসেছে। শনিবার ইতালির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশটির হাসপাতালগুলোয় আইসিইউতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমছে। সেখানে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। এতে আশা জাগছে। কর্তৃপক্ষ জনগণকে লকডাউন মানতে ব্যাকুল আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও ফ্রান্সে তরতর করে বেড়েই চলেছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা ভয়াবহ গতিতে বাড়ছে। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা পর্যন্ত দেশটিতে মারা গেছেন ৯ হাজার ১৩২ জনের বেশি মানুষ। এছাড়া পুরো পৃথিবীর এক-চতুর্থাংশের বেশি আক্রান্ত হয়েছে কেবল সেখানেই। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা গেছে নিউ ইয়র্কে। স্পেনে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৬৭৪ জন। তবে দেশটির স্বাস্থ্যকর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, দেশটিতে মৃতের সংখ্যা কমছে। কর্মকর্তারা বলেছেন, রোববারের মৃতের সংখ্যা গত দুইদিনের তুলনায় কমেছে। এর আগে শুক্রবার দেশটিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৯৫০ জন ও শনিবার মারা যান ৮০৯ জন। সবমিলিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৪১৮ জনে। বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একক দেশ হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে দেশটিতে। এছাড়া মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৭৫৯ জন। তবে গত কয়দিন ধরে কমছে দৈনিক হারে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা অবধি ফ্রান্সে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭ হাজার ৫০০’র বেশি মানুষ। আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ হাজারের বেশি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দেশটিতে রোববারের আক্রান্ত ও মৃতের হিসাব প্রকাশ করা হয়নি। তবে এর আগের দিন দেশটিতে ১০০০ মানুষের বেশি মারা গেছে। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৮ হাজার। এদিকে, ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে তুলনামূলক মৃত্যুর হার কম জার্মানিতে। কিন্তু আক্রান্তের দিক দিয়ে দেশটি বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ স্থানে আছে। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৭ হাজার ৭০০ জনের বেশি। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন আরো ৫ হাজার ৯৩৬ জন। এ নিয়ে টানা তৃতীয় দিন সেখানে আক্রান্তের সংখ্যায় পতন দেখা গেছে। শনিবারের তুলনায় রোববার সেখানে ১৪৬ জন কম আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। রোববার সেখানে মারা গেছেন ১৮৪ জন। এতে মোট মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১ হাজার ৩৪২ জনে। তবে ইউরোপের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে রোগী সুস্থ হওয়ার দিকে বেশ এগিয়ে আছে জার্মানি। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি অনুসারে, সেখানে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৬ হাজার ৪০০ জন। তবে সুস্থ হওয়ার দিকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে চীন। ৮২ হাজার আক্রান্তের দেশটিতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৭ হাজারের বেশি মানুষ। মারা গেছেন মাত্র ৩ হাজার ৩৩৩ জন। অন্যদিকে ৩৮ হাজারের বেশি সুস্থ রোগী নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে স্পেন।...

ত্রাণ বিতরনের নামে নির্লজ্জ ফটোশেসন ও নয় ছয় সর্বত্র

0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশব্যাপী চলা সাধারন ছুটির কারনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে দুস্থ, শ্রমজীবী মানুষ। সেই সাথে মধ্যবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্ত মানুষ ও অনেকেই খেয়ে না খেয়ে আছে আবার অনেকেই কর্মহীন হয়ে পড়েছে। লোক লজ্জায় না পারছে কাউকে বলতে না পাড়ছে কারো কাছে কিছু চাইতে। এদের পাশে দাড়ানোর মত তেমন কেউ নেই। তার উপর বাড়ি ভাড়ার খড়গ । আয় রোজগার থাক বা না থাক পেটে খাবার জুটুক বা না জুটুক মাস ফুরালেই বাড়ি ভাড়া রেডি রাখতে হয়। অনেকটাই দিশেহারা মধ্যবিত্ত পরিবাব্রের লোকজন।ফটোশেসন ও প্রচারের কবলে আত্মসন্মানের ভয়ে ত্রাণও নিতে পারে না। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে মিডিয়ার কল্যানে দেখা যায় সবাই ত্রাণ বিতরণ করছে। আর চলে ত্রাণ বিতরনের নামে নির্লজ্জ ফটোশেসন। এর ফলে আত্মসন্মানের ভয়ে অনেকে ত্রাণ নিতে চায় না। রাস্তার ধারে যারা আসে তারা হয়ত কিছুটা পায়। যারা লোক লজ্জায় বাসা থেকে বের হতে পারে না তারা অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছে। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। আবার দেখা যাচ্ছে ত্রাণ সামগ্রী চলে যাচ্ছে জনপ্রতিনিধিদের পেটে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কঠোর সতর্ক করার পর ও ত্রাণ নিয়ে চলছে নয় ছয়। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ত্রাণ বিতরনের নামে ফটোশেসন না করার জন্য সতর্ক করেন। কিন্তু তারপরও থেমে নেই সেই নিলজ্জ ফটোশেসন । ত্রাণের জন্য ফটোশেসন না ফটোশেসনের জন্য ত্রাণ । ভাবতে অবাক লাগে খেটে খাওয়া মানুষের সাথে এ কোন তামাশা! ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন ত্রাণ বিতরণে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে। কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ, শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরন করছে। সেই সাথে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য গোপনে বাসায় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছে ।যদিও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকে বলেছে তারা ত্রাণ চেয়ে ত্রাণ পাচ্ছে না ।আবার ফোন করেও পাওয়া যাচ্ছে না নিয়ন্ত্রণ কক্ষে । পাশাপাশি চট্টগ্রাম পুলিশ সিএম পি'র উদ্দেগে একদিকে যেমন দুস্থ ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করেছে ,অন্যদিকে মধ্যবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্ত মানুষের মাঝেও খাদ্য সামগ্রী বিতরনের কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। সিএমপি'র সকল থানা থেকে ও ত্রাণ বিতরণ করছে। সি এমপি'র রয়েছে ডোর টু ডোর সপ সার্ভিস। ফোন করলেই মানুষের দ্বোর গোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য। সেবা মুলক কাজের মধ্য দিয়ে অনেকটাই এগিয়ে আছে টিম কোতোয়ালি। ব্যক্তি উদ্দেগে অনেকে তৈরী খাবার বিতরণ করছে কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। ব্যক্তি উদ্দেগে যারা বিতরণ করছে তাদের বেশীর ভাগই ফটোশেসন নিয়ে ব্যস্ত। আর এর পরিপ্রেক্ষিতে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার সাহায্য না নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। ওয়ার্ড ভিত্তিক কাউন্সিলরদের মাধ্যমে সরকারী ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে যা অনেকে নিজের বলে চালিয়ে দিচ্ছে।আবার অনেক ক্ষেত্রে নিজের পছন্দের লোকদের মাঝে বিতরন করছে যারা নির্বাচনে হাতিয়ার হয়ে কাজ করবে। মোট কথা নির্বাচনী ফায়দা হাসিলের জন্য ব্যবহার করছে। ত্রাণ বিতরণে সর্বত্র হচ্ছে নয় ছয়! সম্প্রতি মিডিয়ার কল্যানে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি দের বাসা থেকে সরকারী ত্রাণের চাল উদ্ধার করেছে। আবার দেখা গেছে একজন পঙ্গু ভিক্ষুক তার ভিক্ষার টাকায় কেনা ত্রাণ প্রতিবেশীর মাঝে বিতরন করছে। যা আমাদের বিবেককে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে! এদিকে"করোনাভাইরাসে সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘরবন্দি কর্মহীন মানুষের জন্য সরকারিভাবে চট্টগ্রামে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসাহায্য পাঠানো হলেও সেই ত্রাণ কারা বিতরণ করছে, কাদের কাছে বিতরণ করা হচ্ছে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খোদ চট্টগ্রাম নগরীর সংসদীয় আসনগুলোর সাংসদরাই ত্রাণ বিতরণের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সরকারি নির্দেশ না মেনে চট্টগ্রাম নগরীর চার সংসদ সদস্যকে পুরোপুরি অন্ধকারে রেখে তড়িঘড়ি ত্রাণের সব চাল তুলে দেওয়া হয়েছে কাউন্সিলরদের হাতে। সরকারের দেওয়া ত্রাণ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিজের নামে দিচ্ছে এমন ঘটনায় সরকারের ওপরমহলেই বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও এক্ষেত্রে সাংসদদের এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকি ইতিমধ্যে সরকারিভাবে বরাদ্দ ত্রাণ কাদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে, তার তালিকা চেয়েও পায়নি নগরীর অন্তত তিনজন সংসদ সদস্য। এমন অস্বচ্ছতার মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিয়েছেন, সামনে যা বিতরণ হবে সব স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সাথে সমন্বয় করেই বিতরণ করতে হবে। বর্তমান এই সংকটময় মুহূর্তে কঠোর মনিটরিং এর মাধ্যমে যদি ত্রাণ বিতরণ করা না হয় তবে একদিকে যেমন ত্রাণ পৌঁছবেনা সঠিক লোকের হাতে। অন্যদিকে ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম রোধ করা যাবে না। অভাবী লোক গুলো বঞ্চিত হবে নিজেদের পাওনা থেকে। সরকারী ত্রাণ বিতরণের সঠিক তালিকা / মাষ্টার সীট যাচাই করাও জরুরী।বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে। যার বেশীর ভাগ প্রভাব পড়বে গণমাধ্যেম,গার্মেন্টস শিল্প মধ্যবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে অনেকেই হয়ত কাজ হারাবে । যেখানে উন্নত দেশ গুলো চিন্তিত তাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি কিভাবে কেটে উঠবে। সেখানে বাংলাদেশকে আরো গভীর ভাবে চিন্তা করতে হবে কি ভাবে এটা সামাল দেওয়া যায় । পাশাপাশি অন্যন্য দেশের মত সরকারকে ভাবতে হবে কি করে মধ্যবিত্ত ,নিন্মমধ্যবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থার পরিবর্তন করা যায়।গণমাধ্যেম কর্মীদের নিয়েও সরকারকে ভাবতে হবে। কারন বেশির গণমাধ্যেম কর্মী এমনিতেই আর্থিক দীনতার মধ্যে কাটে।...

সুনামগঞ্জে করোনার উপসর্গ নিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

0৮এপ্রিল,বুধবার,দিলাল আহমদ,সুনামগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় করোনারভাইরাসের উপসর্গ জ্বর, গলা ব্যাথা ও শ্বাশকষ্ট নিয়ে মো. সালাম (২২) নামে এক শ্রমিক মারা গিয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার লক্ষিপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুর পর মৃতব্যক্তির বাড়িসহ আশে পাশের ১০টি বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন। স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানাযায়, মারা যাওয়া মো. সালাম সিলেটের একটি ইটভাটায় কাজ করতো। করোনাভাইরাসের কারণে সবকিছু বন্ধ ঘোষনা করায় বিগত ১০ দিন আগে সে বাড়িতে আসে। বাড়ির আসার পর সে প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হলেও সে সুস্থ হয়ে উঠে। কিন্তু পরবর্তীতে পুরনায় জ্বর দেখা দিলে ও সাথে গলা ব্যাথা এবং শ্বাশকষ্ট দেখা দেয় এবং মঙ্গলবার রাতে বাড়িতেই মারা যায়। এঘটনা পুরো উপজেলায় জানাজানি হলে সবার মধ্যে একটি আত্মঙ্ক ছড়িয়ে পরে। পরে প্রশাসন মাইকিং করে নিহত বাড়িসহ আশে আশের ১০ টি বাড়ি লকডাউন করার ঘোষনা প্রদান করে এবং নিহত ব্যক্তিসহ তার পরিবারের সকলের নমুনা সংগ্রহ করা হবে বলেও জানায় উপজেলা প্রশাসন। দোয়ারাবাজার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া সুলতানা বলেন, যেহেতু সে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গিয়ে তাই আমরা মৃত ব্যক্তির ও তার পরিবারের সকলের নমুনা সংগ্রহ করে কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য পাঠাবো। তাছাড়া সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে না পড়ে এবং সবার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মৃতব্যক্তির বাড়িসহ আশে পাশে ১০টি বাড়ি লোকডাউন করা নির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করিয়েছি। তিনি আরো বলেন, নিহতর ভাই আমাদের জানিয়েছেন সে আগে থেকেই শ্বাশকষ্টের রোগী ছিলো এবং সে প্রায় সময় অসুস্থ থাকতো। তবুও আমরা তার নমুনা সংগ্রহ করে পরবর্তীতে বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী তার দাফন সম্পন্ন হবে।...

নিউজ সুনামগঞ্জ'র উদ্যেগে অর্ধশতাধিক পরিবারকে খাদ্য সহায়তা

0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,দিলাল আহমদ,সুনামগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সুনামগঞ্জ শহরে প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবারকে খাদ্য সহায়তার উদ্যেগ নিয়েছে জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল- নিউজ সুনামগঞ্জ ডট কম। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে নিম্নবিত্ত পরিবারের মধ্যে সহায়তা দেয়া শুরু হয়। শহরের দুই জন সমাজ সেবক কার্যক্রমে সহায়তা করেছেন। চাল, ডাল, তেল, আলু, বিস্কুট, সাবান প্যাকেজাত করে অসহায় মানুষের হাতে তোলে দেয়া হচ্ছে। বড়পাড়া এলাকার সহায়তা পাওয়া রিকশা চালক(৪৫) বলেন, গত কয়েক দিন ধরে ঘর থেকেই বের হতে পারছি না। রিকশা চালানো বন্ধ, ঘরেও খাওয়ার তেমন কিছু নাই। আপনারা সহায়তা দেয়ায় কিছুটা উপকার হয়েছে। নিউজ সুনামগঞ্জ ডট কম-এর বার্তা সম্পাদক মোশাইদ রাহাত বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবার অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো উচিত। আমাদের পক্ষ অল্প কিছু মানুষকে সহায়তার উদ্যেগ নেয়া হয়েছে। আমাদের উদ্যেগ চলমান থাকবে।...

মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্র

0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,মোঃমোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তজাতিক সেচ্চাসেবী সংগঠন এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপু্এর উদ্যোগে সেবাকার্যক্রমের অংশ হিসেবে করোনা ভাইরাসজনিত মহামারীর কারণে কর্মহীন কম ভাগ্যবান, মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে বাড়ী বাড়ী গিয়ে খাদ্যসামগ্রী বিতরন করেন।গত শুক্রবার ৩ এপ্রিল থেকে পর্যায় ক্রমে ময়মনসিংহ শহর ও ভালুকা পৌরসভার বিভিন্ন জায়গায় ১৩০ টি পরিবারকে চাল, ডাল, আলু, লবন,আটা,মুড়ি,ডিম, তৈল,সাবান বিতরন করেন। এসময় এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের ফাউন্ডার ও চ্যাটার্ড প্রেসিডেন্ট এপেক্সসিয়ান এ এফ এম এনামুল হক মামুন,এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের সভাপতি এপেক্সিয়ান আলী ইউসুফ,এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের সেক্রেটারী এপেক্সিয়ান মোঃমোকছেদুর রহমান মামুন, এপেক্সিয়ান ফজলুল করিম রাজা এপেক্সিয়ান আশরাফ উদ্দিন, এপেক্সিয়ান মাজেদুল ইসলাম পিতুন, এপেক্সিয়ান রাসেদ সহ ক্লাবের অনান্য সদস্যরা উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন। এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের ফাউন্ডার এন্ড চ্যাটার্ড প্রেসিডেন্ট এ এফ এম এনামুল হক মামুন বলেন, এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুএের উদ্যোগে করোনায় কর্মহীন মানুষের জন্য কিছু করতে পারা এটি আমাদের একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস।আসুন আমরা যার যার অবস্থান থেকে দেশের দুর্যোগময় সময়ে সমাজের কম ভাগ্যবান মানুষের পাশে দাড়াই। এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের সভাপতি এপেক্সিয়ান আলী ইউসুফ বলেন,এইটা আমাদের চলমান কার্যক্রম।তিনি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করেন। তিনি আরো বলেন,যদি কোন ব্যাক্তি খাদ্যের সমস্যায় থাকেন, কাওকে লজ্জায় বলতে পারছেন না, তাহলে আমাকে জানাবেন আমরা তা গোপনে আপনার কাছে পৌঁছে দিব।আমরা এান দেওয়ার সময় কোন ছবি তুলি নাই।গোপনীয় তা অবশ্যই বজায় থাকবে। বিওবান ও ক্লাব সদস্যদের ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই সেবা কার্যক্রম করা সম্ভব হয়ছে।আসুন আমরা সবাই মিলে কম ভাগ্যবানদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসি। এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের সেক্রেটারী মোঃমোকছেদুর রহমান মামুন জানান আমাদের ধারাবাহিকভাবে এই ধরনের সেবা কার্যক্রম চলমান থাকবে। সেই সাথে অতীতের ন্যায় দেশের যেকোন দুর্যোগে মানবতার সেবায় আর্ন্তজাতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন এপেক্স ক্লাব অব ব্রম্মপুত্রের প্রতিটি সদস্য মানুষের কল্যানে প্রস্তুত রয়েছে।...

ত্রাণ দেওয়ার কথা বলে কাউন্সিলর উধাও!

0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা-মুহূর্তে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অঘোষিত লকডাউন ও মানুষকে ঘরে রাখতে সারাদেশেই সরকারিভাবে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ত্রাণ দেওয়ার কথা বলে লোক জড়ো করে ত্রাণ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। উপস্থিত লোকদের দাবি, তালিকায় নাম দেওয়ার কথা বলে আইডি কার্ড নিলেও ত্রাণ না দিয়ে কাউন্সিলর আত্মগোপন করেছে। রোববার সকালে শ্রীপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড মাওনা চৌরাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই ওয়ার্ড কাউন্সিলর অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবেন এমন সংবাদে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে মাওনা চৌরাস্তার রিয়াজ সরকার সুপার মার্কেটে লোকজন জড়ো হতে থাকে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত সেখানে প্রায় হাজার খানেক লোক সমবেত হয়। এত লোকের খবর পেয়ে ওই কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে না এসে অন্যত্র সরে পড়েন। এদিকে করোনা-মুহূর্তে লোক সমাগমের খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার, মেয়রসহ পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ ব্যাপারে ওই ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইজ্জত আলী ফকির জানান, তিনি সরকারিভাবে সীমিত কিছু ত্রাণ পেয়েছেন যা ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। নতুন করে কাউকে ওই মার্কেটে ত্রাণ দেবেন এমন কথা বলেননি। এটা তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত বলে তিনি জানান।যায়যায়দিন। শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক এখলাছ উদ্দিন জানান, লোক জড়ো হয়েছে এমন সংবাদে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকশ মানুষকে বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠান। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা নাসরীন জানান, দুপুরে লোক সমাগম সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে লোকজনকে বুঝিয়ে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ইউএনও শেখ শামছুল আরেফীন জানান, এভাবে লোক জড়ো করার বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে।...

করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

0৪এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে দেয়া জরুরি সহায়তার প্রথম ধাপ অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। প্রথম দিকে বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই জরুরি সহায়তার মাধ্যমে করোনা ভাইরাস রোগী শনাক্তকরণ, মহামারীকে প্রতিরোধ, কিভাবে তারা আক্রান্ত হয়েছেন, তার অনুসন্ধান, ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি, ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী ও নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড স্থাপনে ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যবহার করা হবে। বাংলাদেশ যাতে নিজেদের অর্থনৈতিক ক্ষত ও স্বাস্থ্যগত বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারে, সে জন্যই এই সহায়তা বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।এছাড়া এই অর্থ সন্দেহজনক, সংক্রমণ হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্য কর্মীদের পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকরি পরিষেবা সরবরাহকারী এবং জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের উন্নয়নে ব্যয় হবে। বাংলাদেশ ও ভুটানের বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মের্সি টেম্বন বলেন, করোনা ভাইরাস প্রসারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এই প্রকল্পটি করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাব জানতে বাংলাদেশের জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।পাশাপাশি এটি নজরদারি এবং ডায়াগনস্টিক সিস্টেমগুলি রয়েছে কিনা তা নির্ধারণে গ্রুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া দেশের স্বাস্থ্যবিধি, ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম, ভেন্টিলেটর এবং হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট স্থাপনে জোরালো ভূমিকা রাখেতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে করোনা ভাইরাস কঠিন আঘাত হানতে পারে। কাজেই চলমান সংকট উত্তরণে আঞ্চলিক ও দেশভিত্তিক সমাধানে জোর দেয়া হচ্ছে।...

বাংলাদেশকে ৩ হাজার কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

0১এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশকে ৩৫ কোটি ডলার অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণ এবং রোহিঙ্গাদের জন্য ইতোমধ্যেই এ অনুদান অনুমোদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রতি ডলার সমান ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদশি মুদ্রায় প্রায় তিন হাজার ১০ কোটি টাকা অনুদান অনুমোদন করে বাংলাদেশের অন্যতম সহযোগী সংস্থাটি। তিন প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ খরচ করা হবে। বুধবার (০১ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানায়। এই অনুদান স্বাস্থ্যসেবা, লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতার প্রতিক্রিয়া, সামাজিক সুরক্ষা, মৌলিক পরিষেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে কক্সবাজার জেলায় ব্যবহার করা হবে। বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, বাংলাদেশ প্রায় ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বিশাল উদারতা দেখিয়েছে। আশ্রয় পাওয়া এই জনগোষ্ঠী টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার স্থানীয় জনসংখ্যার চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি। স্বাভাবিকভাবেই এটি বিদ্যমান অবকাঠামো এবং সমাজসেবা সরবরাহের ওপর প্রচুর পরিমাণে চাপ সৃষ্টি করছে। এবং স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে। তিনি বলেন, এই অনুদান দেশের পরিষেবা সরবরাহের ক্ষমতা আরও জোরদার করবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও স্থিতি বাড়িয়ে তুলবে। কক্সবাজার জেলার জন্য ১৫ কোটি ডলারের হেলথ এবং জেন্ডার সহায়তা প্রকল্পটি রোহিঙ্গাসহ তিন দশমিক ছয় মিলিয়ন মানুষকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার পরিকল্পনা পরিষেবায় অ্যাক্সেস করতে সক্ষম করবে এবং প্রতিরোধমূলক ও প্রতিক্রিয়াশীল পরিষেবার মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলা করতে সক্ষম করবে। প্রকল্পটি উন্নত পাবলিক অবকাঠামোতে স্থানীয় লোকসহ প্রায় সাত লাখ ৮০ হাজার ৮০০ মানুষকে উপকৃত করবে। এরমধ্যে রয়েছে তিন লাখ ৬৫ হাজার ৮০০ মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা। এক লাখ ৭১ হাজার ৮০০ জনের জন্য আরও ভালো স্যানিটেশন। এছাড়া জেলাটির দরিদ্র মোকাবিলায় আরেকটি প্রকল্পের আওতায় খরচ করা হবে ১০ কোটি ডলার। দারিদ্র্য নিরসন কর্মসংস্থান জেনারেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করে হোস্ট সম্প্রদায়ের দরিদ্র ও দুর্বল পরিবারগুলোকে জীবিকা এবং আয়ের সহায়তা দেওয়া হবে।...

এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

২২মার্চ,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের কারণে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী এপ্রিলের প্রথম দিকে পরীক্ষাটির পরবর্তী তারিখ জানানো হবে। রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত এইচএসসির তত্ত্বীয় এবং ৫ থেকে ১৩ মের মধ্যে সব ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার সূচি নির্ধারিত ছিল। এর আগে আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ স্থগিত করেছিল শিক্ষাবোর্ডগুলো। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বাংলানিউজকে বলেন, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ১৩ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৬ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ থেকে ৩১ মার্চ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের নিজ বাড়িতে অবস্থানের নির্দেশনা দেয় সরকার। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে ২১ মার্চ পর্যন্ত ২৪ জন আক্রান্ত ও দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। এ অবস্থায় দেশের বিভিন্ন স্থান লকডাউন সহ পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।...

শিক্ষকতা পেশাকে আর ও আকর্ষণীয় করা হবে:শিক্ষামন্ত্রী

০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্যকে পরাজিত করে একধরনের আনন্দ পাওয়ার মনোভাব শেখাচ্ছি। জিপিএ ৫ পাওয়া এবং এক ধরনের অনভিপ্রেত প্রতিযোগীতার মাধ্যমে শিশুরা গড়ে উঠছে। যা কোনভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষার্থীদেরকে এ ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগীতা থেকে বের করে আনতে হবে। মঙ্গলবার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন লার্নিং ফর ইমপ্যাথি বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলে তিনি। ডা. দীপু মনি বলেন, পরিবর্তিত কারিকুলামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সব কিছুর পরও ভাল মানুষ হয়ে উঠবে। তবে কারিকুলাম যতই ভাল হোক না কেন শিক্ষকের মান ঠিক না থাকলে এর উদ্যেশ্য বাস্তবায়ন হবে না।শিক্ষকতা পেশাকে আর ও আকর্ষণীয় করা হবে। তিনি আরো বলেন, মূল্যায়ন পদ্ধতি ও কারিকুলম পরিবর্তন করা হচ্ছে।শিক্ষকতা পেশা হতে হবে জীবনের ব্রত।শিক্ষকদের মান বৃদ্ধি করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। পরীক্ষারভারে শিক্ষার্থী যেন ভারাক্রান্ত না হয় সে দিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: সানোয়ার হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ডাক্তার মো: ফারুক হোসেন প্রমুখ।...

জুলাই পর্যন্ত সব ধরণের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্থগিত

২৬মার্চ,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আগামী জুলাই পর্যন্ত সব ধরণের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্থগিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। বৃহস্পতিবার আইসিসির পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আইসিসির হেড অব ইভেন্ট ক্রিস টিটলে জানিয়েছেন, খেলোয়াড়, ফ্যান এবং সংশ্লিষ্ট সকলের নিরাপত্তার বিষয়টি আইসিসি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। আর একারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে ২০২১ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের যে ম্যাচগুলো জুন মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে মাঠে গড়ানোর কথা ছিলো সেগুলো স্থগিত হয়ে গেলো।...

সাকিব আল হাসানের জন্মদিন আজ

২৪মার্চ,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ক্রিকেটে সময়ের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের জন্মদিন আজ। ১৯৮৭ সালের ২৪ মার্চ তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আজ ৩৩ বছরে পা দিলেন বাংলাদেশি এ পোস্টারবয়। সকিব আল হাসানের ডাক নাম ছিল ফয়সাল। সেই ফয়সাল আজ বাংলাদেশ ক্রিকেটে সময়ের সেরা অলরাউন্ডার। তার বাবা মাশরুর রেজা একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। আর মা গৃহিণী শিরিন শারমিন। রেজা-শিরিন দম্পত্তির প্রথম ও একমাত্র ছেলে সন্তান সাকিব। তার জন্য শুভ কামনা। শুভ জন্মদিন সাকিব। বাবা মাশরুর রেজা মাগুরার ফুটবলার হওয়ায় তিনিও চেয়েছিলেন তার মতো ছেলেও ফুটবলার হোক। তার ছোটবেলাও কেটেছে ফুটবলে কিন্তু একটু বড় হওয়ার পরেই তা পরিবর্তন হয়ে যায়। বড় বল থেকে ছোট বলেই আগ্রহ সৃষ্টি হয় সাকিবের। করোনা আতঙ্কের মধ্যে সাকিব আল হাসান বর্তমানে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে তিনি নিজেকে আইসোলেশনে রেখেছেন। গত শনিবার (২১ মার্চ) ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় সাকিব নিজেই আইসোলশনের কথা জানান। সেই সঙ্গে করোনা ভাইরাস থেকে বাংলাদেশের সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। ২০০৬ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় সাকিবের। একই বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই খুলনায় টি-টুয়েন্টি ও পরের বছর চট্টগ্রামে ভারতের বিপক্ষে টেস্টে অভিষেক হয় সাকিবের। এখন পর্যন্ত ২০৬ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সাকিব রান করেছেন ৬৩২৩। ৫৬ টেস্টে রান করেছেন ৩৮৬২ এবং ৭৬টি আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে রান ১৫৬৭। টেস্টে উইকেট সংখ্যা ২১০, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ। ওয়ানডে ক্রিকেটে উইকেট সংখ্যা ২৬০। টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে উইকেট সংখ্যা ৯২, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ এবং বিশ্ব ক্রিকেটে তৃতীয়। টেস্টে সাকিবের অর্ধশতক ২৪, শতক ৫ ও ক্যারিয়ার সেরা ২১৭ রানের ইনিংস। ওয়ানডে ক্রিকেটে অর্ধশতক ৪৭ টি আর শতক ৯ টি। টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে অর্ধশতক ৯ টি, ক্যারিয়ার সেরা রান ৮৪। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেটের বাইরে আছেন সাকিব আল হাসান। এক বছরের জন্য ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়ে অংশ নিতে পারছেন না আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে । এই সময়টা তিনি ব্যয় করছেন বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির। তার একমাত্র মেয়ের নাম আলাইনা।...

করোনাকে স্বাভাবিকভাবে দেখার কোনও সুযোগ নেই: অহনা

২২মার্চ,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করনাভাইরাসের কারণে নাটকের শুটিং বন্ধ। ঘরে বসেই সময় কাটছে ছোট পর্দার ব্যস্ত অভিনেত্রী অহনার। তিনি চান সাধারণ মানুষ সতর্ক হোক। কারণ করোনা কোনও ছোট রোগ নয়। অবহেলার কোনও সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে অহনা বলেন, সারাবিশ্ব করোনা ভাইরাসে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। সেখানে এটিকে স্বাভাবিকভাবে দেখার কোনও সুযোগ নেই। গণমাধ্যমে দেখছি বিদেশ ফেরত অনেকেই বাসায় না থেকে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটি ঠিক না। একজনের কারণে অনেকের বিপদ হতে পারে। এই সময়টা কী সময় কাটছে তার জবাবে অহনা বলেন, নাটক দেখেই সময় কাটাছে। বাসা থেকে বিশেষ কোনও কারণ ছাড়া বের হচ্ছি না। এই সময়ে সচেতন থাকা আমাদের প্রত্যেকের জন্যই জরুরী। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার বিউটি পার্লার বন্ধ রাখবো আজ-কাল থেকে। দেশের পরিবেশ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে। এদিকে এই অভিনেত্রীর বিএফএফনা টকটি ইউটিউবে প্রকাশ হয়েছে। এরই মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে নাটকটি। এই নাটকে তাকে ভিন্ন লুকে দেখা গেছে। দর্শকরা দারুণ পছন্দ করেছেন কাজটি। এটি নির্মাণ করেছেন মেহেদি হাসান হৃদয়। তার বিপরীতে রয়েছেন তৌসিফ মাহবুব। মডেল হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু কড়া অহনা- চাকরের প্রেম সিনেমার মাধ্যমে ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক করেন। এরপর- দুই পৃথিবী এবং চোখের দেখা চলচ্চিত্রেও দেখা যায় তাকে। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে একাধিক কাজের প্রস্তাব পেলেও শেষ পর্যন্ত টিভি মিডিয়াতেই স্থায়ী হন অহনা। ...

করোনা সতর্কতায় দেশে সবধরণের শুটিং বন্ধ

২১মার্চ,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরো বিশ্ব করোনা ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত। সতর্কতাই এর থেকে মুক্তির পথ। এখনও যারা এ রোগের আক্রমনে পড়েননি তাদের সতর্ক হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনেও করোনার প্রভাব পড়েছে। ইতিমধ্যে সিনেমাহল বন্ধ করা হয়েছে। এবার বন্ধ করা হল দেশের নাটকসংশ্লিষ্ট সব শুটিং। ১৯ মার্চ এ ঘোষণা দেয় নাটকসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো। পাশাপাশি বিজ্ঞাপন নির্মাতা ও বিজ্ঞাপন এজেন্সিগুলোর নীতিনির্ধারকরাও শুটিং না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত, মহামারী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পূর্বসতর্কতা থেকে শুটিং বন্ধ রাখার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনগুলো। এর আগে ছোটপর্দার নির্মাতা, প্রযোজক, শিল্পী ও চিত্রনাট্যকারদের সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে করোনা পরিস্থিতিতে শুটিং বন্ধ করার বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে ছোটপর্দার ১৪টি সংগঠন শুটিং বন্ধ রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে। সমন্বিত উদ্যোগে শুটিং বন্ধে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এসএ হক অলিক বলেন, তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে শুটিং বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরে এ বিষয়ে এডকোর সঙ্গে ফোনে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক সাজু মুনতাসির বলেন, সবার জীবনের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।- একুশে টেলিভিশন...

ঘুরে আসুন গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত

মো:ইরফান চৌধুরী,পর্যটন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় নদীর মোহনায় অবস্থিত গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত। এই সৈকতটি স্থানীয় মানুষজনের কাছে মুরাদপুর সৈকত নামেই বেশি পরিচিত। গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতটি সীতাকুণ্ড জেলার সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি ও গঠনগত দিক থেকে এই সৈকতটি আমাদের দেশের অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এর একদিকে যেমন দিগন্ত জোড়া জলরাশি, আর অন্যদিকে কেওড়া বন দেখা যায়। কেওড়া বনের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের চারদিকে কেওড়া গাছের শ্বাসমূলগুলো স্পষ্ট দেখা যায়। এই বন সমুদ্রের অনেকটা গভীর পর্যন্ত চলে গেছে। এই সৈকতের পরিবেশ অনেকটা সোয়াম্প ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনের মত। পুরো সৈকত জুড়ে সবুজ গালিচার বিস্তীর্ণ ঘাস একে আর সব সমুদ্র সৈকত থেকে করে তুলেছে ভিন্ন। এই সৈকতের সবুজের মাঝ দিয়ে এঁকে বেঁকে চলে গেছে সরু নালা। নালাগুলো জোয়ারের সময় পানিতে ভরে ওঠে। আকাশের উড়ন্ত পাখি, সমুদ্রের ঢেউ আর বাতাসের মিতালীর অনন্য অবস্থান দেখা যায় এই গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকতে। অল্প পরিচিত এই সৈকতে মানুষজনের আনাগোনা কম বলে আপনি পাবেন নিরবিলি পরিবেশ। সাগরের মতো অতটা ঢেউ বা গর্জন না থাকলেও এই নিরবিলি পরিবেশের গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত আপনার কাছে ধরা দিবে ভিন্নভাবেই। চাইলে জেলেদের বোটে সমুদ্রে ঘুরে আসতে পারেন। এক্ষেত্রে দরদাম করে বোট ঠিক করে নিতে হবে। যেভাবে যাবেন: চট্রগ্রামের অলংকার মোড়, এঁকে খান মোড়, কদমতলী থেকে সীতাকুণ্ড যাওয়ার বাস ও মেক্সি পাওয়া যায়। পছন্দ মতো জায়গা থেকে যেতে পারবেন সীতাকুণ্ড বাজারে। এরপর সীতাকুন্ডের বাস স্ট্যান্ড ব্রীজের নিচ থেকে সরাসরি সিএনজি/অটো নিয়ে গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন। যাওয়া-আসা সহ রিজার্ভ করে নিতে পারেন। সন্ধ্যা হয়ে গেলে অনেক সময় ফিরে আসার সময় সিএনজি/অটো পাওয়া যায় না। ...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

মানুষ নয়, মনুষ্যত্বের মৃত্যুতে দু:খ হয়

২২মার্চ,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: দর্শন মানে দেখা, দেখলে দার্শনিক হয় না। কোপালের চোখ দিয়ে দেখার নাম দর্শন নয়, অন্তরের চোখ দিয়ে দেখলে দার্শনিক হয়। এই পৃথিবীতে কোন কিছুই স্থায়ী নয়। কোন জিনিসের সৃষ্টি হলে তার ধ্বংস হবেই - সেই কারণে পৃথিবীর উন্নত জীব মানুষ মরণশীল । মৃত্যু স্বাভাবিক - তাই মৃত্যুতে কোন দুঃখ নেই। কিন্তু এই মানুষের মধ্যে মুল্যবান জিনিস হল মনুষ্যত্ব - যার জন্য সে অন্নান্য প্রাণীর চেয়ে উন্নত। এই মনুষ্যত্ব যখন সে হারিয়ে ফেলে তখন সে পরিনত হয় হিংস্র পশুতে। প্রবাদ আছে, মানুষের জন্ম শিশু, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আদর্শ চেতন যিশু না হয় পশু। কবি কাজী নজরুল ইসলাম লেখেছেন- শুন আমরা বৃদ্ধি পাচ্ছি গরু-ছাগলের মত। কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমদ বলেছেন, পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ জানে না তারা মানুষ, জানলে অমানুষের কাজ করতো না। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, আমি মানুষের মৃত্যুতে দুঃখ পাই না মনুষ্যত্বের মৃত্যুতে দুঃখ পাই। মানুষের মৃত্যু স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু মনুষ্যত্বের নয়। পশুর গর্ভে পশুর জন্ম হয়, বৃক্ষের জন্ম বৃক্ষে, কিন্তু মানুষের গর্ভে মানুষ হয় না। মানুষ মনুষ্যত্ব অর্জন করতে হয়। পশুকে পশু হওয়ার, বৃক্ষকে বৃক্ষ হওয়ার আহ্বান জানানো হয় না, শুধু মানুষকেই মানুষ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। যে ব্যক্তি মানুষ ও অমানুষের পার্থক্য বুঝেনা সে প্রকৃত মানুষ নয়। মানুষ ও অমানুষের পার্থক্য বুঝতে লাগে পরিশুদ্ধ হৃদয়। পশুকে অপশু বলে কেউ সম্বোধন করে না, কিন্তু আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব হয়ে যখন পশুর কাজ করে তখন তাকে বলে অমানুষ। কোন মানুষের মনুষ্যত্ব এর মৃত্যু হলে প্রত্যক্ষ না হোক, পরোক্ষ ভাবে সেই মানুষের মৃত্যু হয়। যে মানুষ তার মনুষ্যত্ব হারিয়ে ফেলে সে গভীর অন্ধকারের অতলে হারিয়ে যায় এবং তার মৃত্যুর পর পৃথিবীর কেউ আর তাকে মনে রাখে না। আর যে মানুষের মনুষ্যত্ব বেঁচে থাকে, সে দেশের কল্যানে কিছু করে, তাই সে পৃথিবীর মানুষের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে। হয়তো তার নশ্বর দেহের পরিসমাপ্তি ঘটে, কিন্তু তার কৃতিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটে না, যার জন্য সে অমর হয়ে থাকে।লেখকঃ মো. ইরফান চৌধুরী,প্রচার ও প্রকাশনা সচিব(এমজেএফ), চট্টগ্রাম মহানগর,ব্লগার ও সোশ্যাল এওয়ারন্যাস ওয়ার্কার,প্রাবন্ধিক ও (ছাত্র)। ...

জনগণের জন্যই আমার জীবন ও মৃত্যু

১৭মার্চ,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিজ জন্মদিনে কেক কাটা এবং মোমবাতি জ্বালাতেন না বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বিশ্বাস করতেন জনগণের জন্যই তাঁর মৃত্যু এবং জীবন। একাত্তরের সেই উত্তাল দিনগুলোর ১৭ মার্চ ছিল বঙ্গবন্ধুর ৫২তম জন্মদিন। এদিন জনতা তাকে শুভেচ্ছা জানাতে গেলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্মদিনই কি আর মৃত্যু দিনই বা কি? সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তিনি জনগণের একজন। জনগণের জন্যই তাঁর মৃত্যু এবং জীবন। বঙ্গবন্ধু পরিষ্কারভাবে বলেন, তিনি জন্মদিন পালন করেন না। জন্মদিনে মোমবাতি জ্বালান না এবং কেকও কাটেন না । তবে এদিন বায়তুল মোকারম মসজিদে আছর নামাজের পর বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা শেখ মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ বিন সায়িদ জালালাবাদী। পরের দিন ১৮ মার্চ দৈনিক পূর্বদেশ, ইত্তেফাক ও আজাদ পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ ছাপা হয়। মাহমুদ হাসানের দিনপঞ্জি একাত্তর এবং ড. মোহাম্মদ হান্নানের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গ্রন্থেও একাত্তরের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন সংক্রান্ত এ বিবরণ পাওয়া যায় । দিনপঞ্জি একাত্তরে বলা হয়, এদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সমাজের সর্বস্তরের মানুষ মিছিল করে বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডস্থ বাসভবনে গিয়ে তাঁদের প্রানপ্রিয় নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। এদিন বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ছাড়াও ছিল তাঁর (বঙ্গবন্ধু) ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলনের ষোড়শ দিবস। সকাল ১০টায় তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠক করেন। কড়া সামরিক প্রহরার মধ্যে রমনার প্রেসিডেন্ট ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক প্রায় এক ঘন্টা স্থায়ী হয়। এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে তৃতীয় কেউ উপস্থিত ছিলেন না। বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্ট ভবন থেকে বেরিয়ে এলে প্রধান ফটকের সামনে অপেক্ষামান দেশী-বিদেশী সাংবাদিকরা বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে ধরেন। তিনি এসময় সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে নিজ বাসভবনে ফিরে যান। বাসভবনে পৌঁছানোর পর দেশী-বিদেশী সাংবাদিকদের আনুরোধে বঙ্গবন্ধু তাঁদের সঙ্গে ঘরোয়া আলোচনায় মিলিত হন। এসময় জনৈক বিদেশী সাংবাদিক বাংলাদেশের নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে জানতে চান ৫২তম জন্মদিনে বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে বড় কামনা কি? জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, জনগণের সার্বিক মুক্তি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান- তিনি জন্মদিন পালন করেন না। তিনি বলেন, আমার জন্মদিনে মোম বাতি জ্বালাই না , কেকও কাটিনা। বঙ্গবন্ধু বলেন, আমি জনগণেরই একজন । আমার জন্ম দিনও কি, আর মৃত্যু দিনও কি । আমার জনগণের জন্যই আমার জীবন ও মৃত্যু। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আপনারা আমাদের জনগণের অবস্থা জানেন। অন্যের খেয়ালে যে কোন মুহুর্তে তাদের মৃত্যু হতে পারে। লেখক কবি সাংবাদিক আবুল মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধু প্রকৃতপক্ষেই ছিলেন একজন ভূমিপুত্র এবং গণমানুষের নেতা । তাঁর জীবনটাই ছিল দেশ এবং মানুষের জন্য উৎসর্গিত। ফলে আলাদা করে ব্যাক্তিগত কোন কিছু তিনি উদযাপন করেননি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু একজন গণমানুষের মানুষ বলেই জন্মদিন নিয়ে তার এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের স্বপ্ন আকাঙ্খা প্রতিফলিত হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই বলতে পেরেছেন তিনি জন্মদিন পালন করেন না। ...

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি

0১ এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার নিজের উত্তরার বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এ কথাটা বার বার বলেছি, আমরা কখনোই সমালোচনার জন্য সমালোচনা করছি না, সরকারকে সাহায্য করতে চেয়েছি। আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি। মির্জা ফখরুল বলেন, এখন পর্যন্ত একটি জাতীয় কমিটি হয়নি। যেটা করা উচিত ছিল বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশ তো একশ ৬০ মিলিয়নের দেশ। এখানে একেবারের নিচের দিককার অর্থনীতি। সেখানে এই ধরনের সংকট মোকাবেলার ক্ষেত্রে যদি একটি জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করা যায়; সেটাই হবে দেশের জন্য ভালো কাজ। আমরা মনে করি, এখনও সময় আছে জাতীয় কমিটি করার, এটা গঠন করা উচিত। কীভাবে এই কমিটি হতে পারে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীকেই উদ্যোগ নিতে হবে, রাজনৈতিক দল, সিভিল সোসাইটি সবাই থাকবে। সবাইকে নিয়ে একখানে বসে মিটিং করতে হবে- তা বলছি না। ঘোষণা করে আপনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেই এটা করতে পারেন।তখন সবার মধ্যে একটা ধারণা আসবে- উই আর ওয়ান। আমরা এক। তিনি বলেন, এই মহামারীতে বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই ঘরবন্দি মানুষ বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষজনের জন্য খাবার পৌঁছে দেয়ার কাজ করছে। সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটা দাঁড়াচ্ছে, সেটা হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষজনের অর্থনৈতিক সমস্যা। বাংলাদেশে বেশিভাগ মানুষই এখন দিন আনে দিন খায়- এই বিশাল একটা অংশ তারা কিন্তু কয়েকদিন ধরে কোনো আয় করতে পারছেন না এবং এটা একটা টার্নিং পজিশনে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সেই মানুষগুলোর জন্য যদি ইমিডিয়েটলি উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করা না যায় তাহলে কিন্তু একটা বড় রকমের বিপর্য্য় দেখা দেবে।...

টাকাতেও এক দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে করোনাভাইরাস

0৮এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনাভাইরাস থেকে দূরে থাকতে সাধারণ মানুষ একের পর এক উপায় খুঁজে বের করছেন। কখনো মাস্ক কখনো আবার গ্লাভসের সহায়তা নিচ্ছেন। এদিকে করোনা থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করতে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিভিন্ন দেশের প্রশাসনগুলো। এমন পরিস্থিতিতে হংকংয়ের বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণা উঠে এলো। টাকার নোটে এক দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে করোনাভাইরাস। এমনকি ব্যাংক থেকে আসা নতুন টাকাতেও একদিন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের বেঁচে থাকার সম্ভবনা বেশি। অন্যদিকে, মাস্কে সাতদিন পর্যন্ত করোনাভাইরাস বেঁচে থাকতে পারে। এমনই তথ্য দিচ্ছে হংকংয়ের বিজ্ঞানীদের গবেষণা। হংকংয়ের বিজ্ঞানীদের নতুন গবেষণা বলছে, করোনাভাইরাস কাপড়ে সেভাবে বাঁচে না। তবে, কাপড় পরিষ্কার রাখা ও ধুয়ে রাখা জরুরি। গবেষকদের দাবি, সিজনড কাঠের ত্বকেও সেভাবে বাঁচে না করোনা। তবে সবকিছুই নির্দিষ্ট সময় পর ধুয়ে মুছে রাখা ভালো বলে মত তাদের।সূত্র,দেশে বিদেশে। এদিকে, হংকংয়ের বিজ্ঞানীদের দাবি, টাকায় একদিন করোনাভাইরাস বাঁচলেও টিস্যু পেপারে তিন ঘণ্টার বেশি বাঁচতে পারে না কোভিড-১৯ রোগের ভাইরাস। এমনকি প্রিন্টেড কোনো কাগজেও ৩ ঘণ্টার বেশি করোনা বাঁচবে না বলে মত বিজ্ঞানীদের।...

হোম কোয়ারেন্টিনে যে আমলগুলো করা যায়

২৭মার্চ,শুক্রবার,ইসলামী জীবন,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধৈর্য ও নামাজ : নামাজের মাধ্যমে বেশি বেশি বিপদ থেকে পরিত্রাণ প্রার্থনা করা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, আর তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য চাও। (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৪৫) ইস্তিগফার : দুনিয়ায় আমাদের ওপর বিপদাপদ আসার অন্যতম কারণ আমাদের গুনাহ। আমাদের কৃতকর্মের ফল হিসেবেই কখনো কখনো আমাদের ওপর বিভিন্ন বড় ধরনের বিপদ আসে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, আর তোমাদের প্রতি যে মুসিবত আপতিত হয়, তা তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল। আর অনেক কিছুই তিনি ক্ষমা করে দেন। (সুরা : শুরা, আয়াত : ৩০) মানুষ যখন আল্লাহকে ভুলে যায়, নিজেদের ক্ষমতাবান ভাবতে শুরু করে এবং দুর্বলদের ওপর প্রভুত্ব কায়েম করতে চায়, তখনই মহান আল্লাহ বিভিন্ন আজাব দিয়ে মনে করিয়ে দেন, মানুষ কতটা দুর্বল। অতীতে বহু জাতিকে এ ধরনের অভ্যাসের কারণে মহান আল্লাহ আজাব দিয়ে শাস্তি দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ফেরাউনের বংশ ও তাদের আগের লোকদের আচরণের মতো তারা আল্লাহর আয়াতগুলো অস্বীকার করেছে, ফলে তাদের পাপের কারণে আল্লাহ তাদের পাকড়াও করেছেন। নিশ্চয় আল্লাহ শক্তিশালী, কঠিন আজাবদাতা। (সুরা : আনফাল, আয়াত : ৫২) কিন্তু বান্দা যখন তার ভুল স্বীকার করে মহান আল্লাহর কাছে ফিরে আসে, তাওবায় লিপ্ত হয়ে যায়, তখন আল্লাহ তাকে আজাব থেকে রক্ষা করেন। মহান আল্লাহ বলেন, আল্লাহ তাদের আজাব দানকারী নন, এমতাবস্থায় যে তারা ক্ষমা প্রার্থনা করছে। (সুরা : আনফাল, আয়াত : ৩৩) আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণ হলো, তখন নবী (সা.) ভীত অবস্থায় উঠলেন এবং কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার ভয় করছিলেন। অতঃপর তিনি মসজিদে আসেন এবং এর আগে আমি তাঁকে যেমন করতে দেখেছি, তার চেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কিয়াম, রুকু এবং সিজদা সহকারে নামাজ আদায় করলেন। আর তিনি বললেন, এগুলো হলো নিদর্শন, যা আল্লাহ পাঠিয়ে থাকেন, তা কারো মৃত্যু বা জন্মের কারণে হয় না। বরং আল্লাহ তাআলা এর মাধ্যমে তাঁর বান্দাদের সতর্ক করেন। কাজেই যখন তোমরা এর কিছু দেখতে পাবে, তখন ভীত অবস্থায় আল্লাহর জিকির, দোয়া এবং ইস্তিগফারের দিকে ধাবিত হবে। (বুখারি, হাদিস : ১০৫৯) জিকির : সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ আল্লাহর নিদর্শনগুলোর মধ্য থেকে অন্যতম নিদর্শন। এগুলো দেখা দিলে রাসুল (সা.) ভীষণ চিন্তিত হয়ে যেতেন। লম্বা কিরাত ও সিজদায় নামাজ পড়তেন। এবং সাহাবায়ে কেরামকে এই মুহূর্তগুলোতে বেশি বেশি দোয়া, তাকবির, নামাজ ও সদকার প্রতি গুরুত্ব দিতেন। ইরশাদ হয়েছে, কাজেই যখন তোমরা তা দেখবে তখন তোমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করবে। তাঁর মহত্ত্ব ঘোষণা করবে এবং নামাজ আদায় করবে ও সদকা প্রদান করবে। (বুখারি, হাদিস : ১০৪৪) উল্লেখ্য, এখানে আল্লাহর মহত্ত্ব ঘোষণা বলতে যেমন আল্লাহর মহত্ত্ব বোঝায়, এমন জিকিরের প্রতি ইঙ্গিত বহন করে, তেমনি বিভিন্ন হাদিসে আজানের কথাও বলা হয়েছে। সম্প্রতি ফ্রান্সে দেখা গেছে, মানুষ করোনা থেকে বাঁচতে সবাই নিজেদের বেলকনিতে দাঁড়িয়ে আজান দিচ্ছে। আবার কুয়েতে সবাই জোরে তাকবির দিচ্ছে। বিপদের মুহূর্তে এই দুই ধরনের কাজই আমরা করতে পারি। বেশি বেশি আল্লাহু আকবার জিকির করতে পারি। সদকা : বিপদের মুহূর্তে আমরা বেশি বেশি সদকা করতে পারি। কারণ সদকার মাধ্যমে বিপদ দূর হয়ে যায়। মানুষের হায়াতে বরকত হয়, অপমৃত্যু কমে ও অহংকার অহমিকা থেকে মুক্ত থাকা যায়। (আত্তারগিব ওয়াত তারহিব : ২/৬৫) আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, একবার ঈদুল আজহা অথবা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের জন্য আল্লাহর রাসুল (সা.) ঈদগাহের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি মহিলাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন, হে মহিলা সমাজ! তোমরা সদকা করতে থাকো। কারণ আমি দেখেছি, জাহান্নামের অধিবাসীদের মধ্যে তোমরাই বেশি। তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন, কী কারণে, হে আল্লাহর রাসুল? তিনি বলেন, তোমরা বেশি পরিমাণে অভিশাপ দিয়ে থাকো আর স্বামীর অকৃতজ্ঞ হও। (বুখারি, হাদিস : ৩০৪) তা ছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে সমাজের একটি বড় অংশকে বেকার করে দিয়েছে, বেশি বেশি সদকার মাধ্যমে তাদেরও অনেক বড় সহযোগিতা হবে। দোয়া : জুবাইর ইবনে আবু সুলাইমান, ইবনু জুবাইর ইবনু মুত্বইম (রা.) সূত্র থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনে উমার (রা.)-কে বলতে শুনেছি, রাসুলুল্লাহ (সা.) সকাল ও সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে এই দোয়াগুলো পড়া ছেড়ে দিতেন না। উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়াতা ফিদদুনিয়া ওয়াল আখিরাতি, আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফওয়া, ওয়াল আফিয়াতা ফী দ্বিনি ওয়া দুনিয়ায়া, ওয়া আহলি, ওয়া মালি, আল্লাহুম্মাসতুর আওরাতি, ওয়া আমিন রওআতি, আল্লাহুম্মাহফাজনি মিন বাইনি ইয়াদাইয়া ওয়া মিন খলফি ওয়া আন ইয়ামিনি ওয়া আন শিমালি ওয়া মিন ফাউকি ওয়া আউজুবিকা বিআজামাতিকা আন উগতালা মিন তাহতি। অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ক্ষমা এবং আমার দ্বিন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদের নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ! আপনি আমার দোষত্রুটিগুলো ঢেকে রাখুন এবং ভীতিপ্রদ বিষয়গুলো থেকে আমাকে নিরাপদ রাখুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে হিফাজত করুন আমার সম্মুখ হতে, আমার পিছন দিক হতে, আমার ডান দিক হতে, আমার বাম দিক হতে এবং আমার ওপর দিক হতে। হে আল্লাহ! আমি আপনার মর্যাদার ওয়াসিলায় মাটিতে ধ্বংস হয়ে যাওয়া থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি। (আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৭৪) অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সুরা বাকারার শেষে এমন দুটি আয়াত রয়েছে যে ব্যক্তি রাতের বেলা আয়াত দুটি তিলাওয়াত করবে তার জন্য এ আয়াত দুটিই যথেষ্ট। (বুখারি, হাদিস : ৪০০৮) মুআজ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে খুবাইব (রা.) হতে তাঁর পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক বর্ষণমুখর খুবই অন্ধকার কালো রাতে আমাদের নামাজ পড়াবার জন্য আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে খুঁজছিলাম। আমরা তাঁকে পেয়ে গেলাম। তিনি বললেন, বলো। আমি কিছুই বললাম না। পুনরায় তিনি বলেন, বলো। আমি কিছুই বললাম না। তিনি আবার বললেন, বলো। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! কী বলব? তিনি বলেন, তুমি সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে তিনবার সুরা কুল হুয়াল্লাহু (সুরা ইখলাস), সুরা নাস ও ফালাক পড়বে; এতে তুমি যাবতীয় অনিষ্ট হতে রক্ষা পাবে। (আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৮২) কোরআন তিলাওয়াত : আমাদের যেহেতু সাধারণত ব্যস্ততার কারণে কোরআন তিলাওয়াতে সময় কম দেওয়া হয়, অনেকের রমজান ছাড়া কোরআন খতমের সুযোগই হয় না। তাদের জন্য বর্তমান সময়টা কোরআন খতম করার জন্য উপযুক্ত সময়। আল্লাহ হয়তো ঘরে ঘরে কোরআন তিলাওয়াতের উসিলায় আমাদের ক্ষমা করে দিতে পারেন।- কালের কন্ঠ...

জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন। ...

জলাবদ্ধতা নিরসন,মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো

২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসন ২২, ৩০ ও ৩১ এর মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ২৪শে ফেব্রুয়ারি্ বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ জানিয়েছেন, তিনি চলতি মেয়াদে(২০১৬-২০২০ইং) ২২,৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ডের এর মহিলা কাউন্সিলর হিসাবে আছেন। বর্তমানে তিনি কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা। সেই সাথে তিনি বেশ কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে ও যুক্ত আছেন, একাধারে মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদিকা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট যুগ্ম সাধারন সম্পাদিকা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মহিলা শাখার মহানগর সাধারন সম্পাদিকা। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সাথে তার তিন ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসন ও মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্ভি করার জন্য কাজ করে যাবেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য।তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি গর্বিত প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হিসাবে। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তিনি তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তার তিন ওয়ার্ডের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এলাকার বিশেষ বিশেষ সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন। যেহেতু মহিলা কাউন্সিলরদের তেমন কাজ থাকে না তবুও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আগামীতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। তিনি জানান, তার তিন ওয়ার্ডের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। তার তিন ওয়ার্ডই জলাবদ্ধ প্রবন এলাকা তাই মেয়র ও সাধারন(পুরুষ)কাউন্সিলরের সহযোগিতা নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। তিনি বিগত পাঁচ বছরে মেয়রের সহযোগিতায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করেছেন। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করে যাবেন। তার ওয়ার্ডের সাধারন(পুরুষ) কমিশনার, মেয়র এর যৌথ সমন্বয়ে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে আমাকে মনোনয়ন দেয়া তিন ওয়ার্ডের নারীদের কে বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়ে স্বাবলম্ভি করে গড়ে তোলা। আমি এদের জীবন মান উন্নয়ন ও কল্যানে সাধ্যমত কাজ করে যাব। তিনি ২২,৩০ ও ৩১ ওয়ার্ডের জনগনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবেন। ...

মানুষ নয়, মনুষ্যত্বের মৃত্যুতে দু:খ হয়

২২মার্চ,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: দর্শন মানে দেখা, দেখলে দার্শনিক হয় না। কোপালের চোখ দিয়ে দেখার নাম দর্শন নয়, অন্তরের চোখ দিয়ে দেখলে দার্শনিক হয়। এই পৃথিবীতে কোন কিছুই স্থায়ী নয়। কোন জিনিসের সৃষ্টি হলে তার ধ্বংস হবেই - সেই কারণে পৃথিবীর উন্নত জীব মানুষ মরণশীল । মৃত্যু স্বাভাবিক - তাই মৃত্যুতে কোন দুঃখ নেই। কিন্তু এই মানুষের মধ্যে মুল্যবান জিনিস হল মনুষ্যত্ব - যার জন্য সে অন্নান্য প্রাণীর চেয়ে উন্নত। এই মনুষ্যত্ব যখন সে হারিয়ে ফেলে তখন সে পরিনত হয় হিংস্র পশুতে। প্রবাদ আছে, মানুষের জন্ম শিশু, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আদর্শ চেতন যিশু না হয় পশু। কবি কাজী নজরুল ইসলাম লেখেছেন- শুন আমরা বৃদ্ধি পাচ্ছি গরু-ছাগলের মত। কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমদ বলেছেন, পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ জানে না তারা মানুষ, জানলে অমানুষের কাজ করতো না। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, আমি মানুষের মৃত্যুতে দুঃখ পাই না মনুষ্যত্বের মৃত্যুতে দুঃখ পাই। মানুষের মৃত্যু স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু মনুষ্যত্বের নয়। পশুর গর্ভে পশুর জন্ম হয়, বৃক্ষের জন্ম বৃক্ষে, কিন্তু মানুষের গর্ভে মানুষ হয় না। মানুষ মনুষ্যত্ব অর্জন করতে হয়। পশুকে পশু হওয়ার, বৃক্ষকে বৃক্ষ হওয়ার আহ্বান জানানো হয় না, শুধু মানুষকেই মানুষ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। যে ব্যক্তি মানুষ ও অমানুষের পার্থক্য বুঝেনা সে প্রকৃত মানুষ নয়। মানুষ ও অমানুষের পার্থক্য বুঝতে লাগে পরিশুদ্ধ হৃদয়। পশুকে অপশু বলে কেউ সম্বোধন করে না, কিন্তু আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব হয়ে যখন পশুর কাজ করে তখন তাকে বলে অমানুষ। কোন মানুষের মনুষ্যত্ব এর মৃত্যু হলে প্রত্যক্ষ না হোক, পরোক্ষ ভাবে সেই মানুষের মৃত্যু হয়। যে মানুষ তার মনুষ্যত্ব হারিয়ে ফেলে সে গভীর অন্ধকারের অতলে হারিয়ে যায় এবং তার মৃত্যুর পর পৃথিবীর কেউ আর তাকে মনে রাখে না। আর যে মানুষের মনুষ্যত্ব বেঁচে থাকে, সে দেশের কল্যানে কিছু করে, তাই সে পৃথিবীর মানুষের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে। হয়তো তার নশ্বর দেহের পরিসমাপ্তি ঘটে, কিন্তু তার কৃতিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটে না, যার জন্য সে অমর হয়ে থাকে।লেখকঃ মো. ইরফান চৌধুরী,প্রচার ও প্রকাশনা সচিব(এমজেএফ), চট্টগ্রাম মহানগর,ব্লগার ও সোশ্যাল এওয়ারন্যাস ওয়ার্কার,প্রাবন্ধিক ও (ছাত্র)।


জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন।

ভয়াবহ অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করেছিল

২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে কালবিলম্ব না করে রাতে তিনি পাকিস্তানের পিআইএর একটি বিমানে লন্ডন যাত্রা করে ৮ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৬টায় হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁঁছেন। অনেক আনুষ্ঠানিকতা শেষে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর রাজকীয় কমেট বিমানে ৯ জানুয়ারি সকালে বঙ্গবন্ধু দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন। পথে তেল নেওয়ার জন্য সাইপ্রাসে যাত্রাবিরতি ঘটেছিল বিমানের। ১০ জানুয়ারি সকালে বঙ্গবন্ধু দিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখানে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতিতে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা এবং রাষ্ট্রপতি ভবনে সৌজন্য কথাবার্তার পর ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানেই যাত্রা করেছিলেন ঢাকার উদ্দেশে। ব্রিটিশ কমেট বিমানটি তেজগাঁও বিমানবন্দর স্পর্শ করে বিকেল ৩টায়। সেখান থেকে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে লাখ লাখ বাঙালির ভালোবাসা আর স্নেহের পরশ ভেদ করে পৌঁছাতে তাঁর সময় লেগেছিল আড়াই ঘণ্টা। রেসকোর্সে লাখো জনতার মাঝ থেকে বঙ্গবন্ধু তাঁর পরিবারের কাছে পৌঁছেন সন্ধ্যা পৌনে ৬টায়। এত দীর্ঘ পথযাত্রা, দীর্ঘ আনুষ্ঠানিকতা, জনসভা, আবেগ-উচ্ছ্বাস-কান্না বিনিময়ের পর ১১ জানুয়ারি থেকে বঙ্গবন্ধু সব ক্লান্তি-ভাবাবেগ উপেক্ষা করে এক মুহূর্ত বিলম্ব না করে দেশ পরিচালনা শুরু করেন। সেদিনই মন্ত্রিসভার সঙ্গে দুদফা বৈঠক করেন এবং বৈঠকে সংবিধান প্রণয়নসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু অস্থায়ী সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের পর থেকে বস্তুত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সরকারি-বেসরকারি সব সংস্থাসহ সারা দেশ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চলতে থাকে। এবং সেনাবাহিনীর বাঙালি অংশ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশের অপেক্ষায় থাকে। ১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ বাংলার জনগণ ও প্রগতিশীল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের দাবিতে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের শাসনভার স্বহস্তে গ্রহণ করেন। এক ঘোষণায় তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের কল্যাণের জন্যই তাঁকে এ দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছে। তিনি সুস্পষ্টভাবে দেশবাসীকে জানান, এই শাসনভার স্বহস্তে গ্রহণ করার অর্থ বাংলাদেশের স্বাধীনতা। জনগণ যেন তা রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত থাকে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মুক্তির স্পৃহাকে স্তব্ধ করা যাবে না। আমাদের কেউ পরাভূত করতে পারবে না। কারণ প্রয়োজনে আমরা প্রত্যেকে মরণ বরণ করতে প্রস্তুত। জীবনের বিনিময়ে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধরদের স্বাধীন দেশের মুক্ত মানুষ হিসেবে স্বাধীনভাবে আর আত্মমর্যাদার সঙ্গে বাস করার নিশ্চয়তা দিয়ে যেতে চাই। মুক্তির লক্ষ্যে না পৌঁছা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম নবতর উদ্দীপনা নিয়ে অব্যাহত থাকবে। আমি জনগণকে যেকোনো ত্যাগের জন্য এবং সম্ভাব্য সব কিছু নিয়ে যেকোনো শক্তির মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে আবেদন জানাই।(দৈনিক পূর্বদেশ, ১৬ মার্চ ১৯৭১)। বলা বাহুল্য, বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণাও স্বাধীনতার ঘোষণার নামান্তর। বঙ্গবন্ধু দেশের শাসনকার্য পরিচালনার জন্য ৩৫টি বিধি জারি করেন, যার মাধ্যমে ১৫ মার্চ থেকে সারা দেশ পরিচালিত হয়। বস্তুত ১৫ মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায়। দেশের শাসনভার স্বহস্তে গ্রহণ করার পর জনসাধারণ ও সরকারি কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বঙ্গবন্ধুকে সাহায্য করতে লাগলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের সর্বত্র ছিল পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর ধ্বংসলীলার ক্ষতচিহ্ন। নাগরিকদের খাদ্য-বস্ত্র, বাসস্থানের অভাব ছিল প্রকট। কলকারখানায় উৎপাদন শূন্যের কোঠায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু রাখা ও এক কোটি শরণার্থীর পুনর্বাসনসহ দেশের সমস্যা ছিল অগণিত। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন ছিল বঙ্গবন্ধুর সামনে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ, যা তিনি সাফল্যের সঙ্গে মোকাবেলা করেন। স্বাধীনতা-উত্তর কালের বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থার পর্যালোচনা করে বিশ্বজুড়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ৫০ লাখ মানুষ অনাহারে প্রাণ হারাবে, দেখা দেবে দুর্ভিক্ষ। এমনি এক ভয়াবহ অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ শাসনভার গ্রহণ করেছিল। নিঃসন্দেহে তাঁর পরিচালনায় আওয়ামী লীগ সরকার প্রাথমিক অসুবিধা ও সংকটগুলো কাটিয়ে উঠেছিলেন। দেশের প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সে অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ প্রমাণ করে যে বঙ্গবন্ধুর সরকার প্রাথমিক অনিশ্চয়তা কাটিয়ে একটি সুনিশ্চিত পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য অর্জন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের উল্লেখযোগ্য কিছু দিক হলো : মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসন : মুক্তি বাহিনীর জওয়ানদের কাজে লাগানোর জন্য বঙ্গবন্ধু ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী, মিলিশিয়া, রিজার্ভ বাহিনী সংগঠনের বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেন। মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সা এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এ ছাড়া দেশ গড়ার বিভিন্ন কাজে যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ প্রদান করেন। ত্রাণ কার্যক্রম : রিলিফ ও পুনর্বাসনের জন্য বঙ্গবন্ধু দেশের বিভিন্ন স্থানে জনসংখ্যার ভিত্তিতে মঞ্জুরি দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ : মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহূত অস্ত্র নিজেদের কাছে না রেখে তা ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সমর্পণের আহ্বান জানান। এতে সব মুক্তিযোদ্ধা সাড়া দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র জমা দেন। স্বাধীন বাংলার প্রশাসনিক পদক্ষেপ : ঢাকা মুক্ত হওয়ার পর একটা প্রশাসনিক শূন্যতা বিরাজ করছিল রাজধানীসহ দেশের সর্বত্র। নিরাপত্তার বিষয়টি আরো গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু প্রত্যাবর্তনের পর প্রশাসনকে কর্মোপযোগী করে তোলেন। ভারতীয় বাহিনীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : ১২ মার্চ ১৯৭২ ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রত্যাবর্তন করে। ১৯৭২ সালের সংবিধান : ৩০ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশ যে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, তারই আদর্শ হিসেবে রচিত হলো রক্তে লেখা এক সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২। সাধারণ নির্বাচন : ১৯৭৩ সালে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা : বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের পর দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশের জনগণের দ্রারিদ্র্য দূরীকরণ তথা অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে জাতির জনক প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এই পরিকল্পনার লক্ষ্যগুলো ছিল, ক. মূল লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য দূরীকরণ। এ জন্য যারা কর্মহীন বা আংশিক কর্মহীন তাদের সবার কর্মসংস্থানের আয়োজন প্রয়োজন। তা ছাড়া জাতীয় আয় বৃদ্ধির সঙ্গে এই আয় বণ্টনের জন্য যথাযথ আর্থিক ও মুদ্রানীতি প্রণয়ন ত্বরান্বিত হওয়া প্রয়োজন। খ. জনগণের অত্যাবশ্যক পণ্যের চাহিদা যাতে মেটে সে জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর (খাদ্যদ্রব্য, পোশাক, ভোজ্য তেল, কেরোসিন ও চিনি) উত্পাদন বাড়াতে হবে। গ. কৃষির প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রযুক্তিগতকাঠামোতে এমনভাবে রূপান্তর সাধন প্রয়োজন, যাতে খাদ্যশস্যের উত্পাদনের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়, কৃষিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে এবং শ্রমশক্তির শহরমুখী অভিবাসন বন্ধ হয়। পররাষ্ট্রনীতি : বঙ্গবন্ধু পররাষ্ট্রনীতি সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো প্রতি বৈরী মনোভাব নয়। প্রথম তিন মাসের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন, ব্রিটেন, ফ্রান্সসহ ৬৩টি দেশের স্বীকৃতি লাভ। ৩ মাস ২১ দিনের মধ্যে স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয় দুই বছর দুই মাসের মধ্যে। সর্বমোট ১২১টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন গঠন : ইসলামের যথার্থ শিক্ষা ও মর্মবাণী সঠিকভাবে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রচার-প্রসারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ প্রতিষ্ঠা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ইসলাম আদর্শের যথাযথ প্রকাশ তথা ইসলামের উদার মানবতাবাদী চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা ছিল জাতির জনকের সুদূরপ্রসারী চিন্তার এক অমিত সম্ভাবনাময় ফসল। যুদ্ধাপরাধীর বিচার : বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ কোলাবরেটরস স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল অর্ডার জারি করে। এতে দালাল, যোগসাজশকারী কিংবা কোলাবরেটরদের সংজ্ঞায়িত করা হয় এভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীকে বস্তুগত সহযোগিতা প্রদান বা কোনো কথা, চুক্তি ও কার্যাবলির মাধ্যমে হানাদার বাহিনীকে সাহায্য করা। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা বা যুদ্ধের চেষ্টা করা। মুক্তিবাহিনীর তত্পরতার বিরুদ্ধে ও মুক্তিকামী জনগণের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা। পাকিস্তানি বাহিনীর অনুকূলে কোনো বিবৃতি প্রদান বা প্রচারে অংশ নেওয়া এবং পাকিস্তানি বাহিনীর কোনো প্রতিনিধিদল বা কমিটির সদস্য হওয়া। হানাদারদের আয়োজনে উপনির্বাচনে অংশ নেওয়া। চার ধরনের অপরাধীর বিচার : পরবর্তীকালে একই বছরে এই আইন দুই দফা সংশোধন করা হয়। এই সংশোধনীতেও চার ধরনের অপরাধীকে ক্ষমা করা হয়নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে নেই, তাদের ক্ষমা করা হয়। কিন্তু যারা লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও হত্যাএই চারটি অপরাধ করেছে, তাদের ক্ষমা করা হয়নি। ১৯৭৩ সালে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩৭ হাজার ৪৭১ জনকে দালাল আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ১৯৭৩ সালে অক্টোবর পর্যন্ত দুই হাজার ৮১৮টি মামলার সিদ্ধান্ত হয়। এতে একজনের মৃত্যুদণ্ডসহ ৭৫২ দালাল দণ্ডিত হয়। তৎকালীন সরকার আইনগত ব্যবস্থা ত্বরিত করার জন্য ৭৩টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল। বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ১১ হাজার আটক থাকে। উপরন্তু বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালের ১৯ জুলাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট জারি করেন, যা পরবর্তী সময়ে আইন হিসেবে সংবিধানে সংযোজিত হয় এবং অদ্যাবধি তা বহাল রয়েছে। ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছিল। ১৯৭৩ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধানের ১২ ও ৩৮ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সংবিধানের ৬৬ ও ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী তথাকথিত ধর্ম ব্যবসায়ীদের ভোটাধিকার ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার বাতিল করা হয়েছিল। হজে প্রেরণ : ১৯৭২ সালে সৌদি আরবে মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে ছয় সহস্রাধিক বাংলাদেশি মুসলমানকে হজ পালনে প্রেরণ করা হয়। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চুক্তি : ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পাদিত হয় ২৫ বছরমেয়াদি বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীচুক্তি। শিক্ষা কমিশন গঠন : কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন ও শিক্ষানীতি প্রণয়ন। যমুনা সেতু : ১৯৭৩ সালের ১৮-২৪ অক্টোবর জাপান সফরকালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কাকুই তানাকার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণের সূচনা করেন। বিভিন্ন সংস্থার সদস্যপদ গ্রহণ : জাতিসংঘের বেশির ভাগ সংস্থা বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদস্যপদ গ্রহণ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পুনর্গঠন : স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে একটি আধুনিক সুসজ্জিত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ : ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ ও ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ প্রদান। প্রথম জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন : বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৪-২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ প্রথম জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ছাড়াও বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিক কিছু পদক্ষেপ : ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ, পাঁচ হাজার টাকার ওপরে কৃষিঋণ মওকুফকরণ এবং ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান কমিয়ে এনে সামাজিক অর্থে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জমি মালিকানার সিলিং পুনর্নির্ধারণ ছিল ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। স্বাস্থ্যব্যবস্থা : বঙ্গবন্ধু সরকার নগর ভিত্তিক ও গ্রামীণজীবনের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণের পদক্ষেপ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ৫০০ ডাক্তারকে গ্রামে নিয়োগ করেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে আইজিএমআর শাহবাগ হোটেলে স্থানান্তর হয়। তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে থানা স্বাস্থ্য প্রকল্প গ্রহণ বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আজও স্বীকৃত। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি : ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সংগতি রেখে বাংলাদেশকে শিল্প-সংস্কৃতিবদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গঠন এবং বাঙালির হাজার বছরের কৃষ্টি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য ধরে রেখে আরো সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশি শিল্পকলা একাডেমি গঠন করেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি বিকাশের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। বৈদেশিক বাণিজ্য শুরু : শূন্য বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে বঙ্গবন্ধু সরকারকে শুরু করতে হয়েছে বৈদেশিক বাণিজ্য। এ ছাড়া জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন, কমনওয়েলথ, জাতিসংঘ, ইসলামী সম্মেলন সংস্থা ইত্যাদি আন্তর্জাতিক সংস্থায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে বঙ্গবন্ধু তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের ছাপ রাখতে সমর্থ হন। পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা রোধ এবং বিশ্বশান্তির প্রতি ছিল তাঁর দৃঢ় সমর্থন। এ ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭২ সালে বিশ্বশান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে প্রদান করে জুলিওকুরি শান্তিপদক। দুর্নীতির বিরদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা : ১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে জাতির ভবিষ্যৎ তমিস্রায় ছেয়ে যাবে। দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, চোরাচালানি, মজুদদারি, কালোবাজারি ও মুনাফাখোরদের সমাজ ও রাষ্ট্রের শত্রু বলে আখ্যায়িত করে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, এদের শায়েস্তা করে জাতীয় জীবনকে কলুষমুক্ত করতে না পারলে আওয়ামী লীগের দুই যুগের ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্বদানের গৌরবও ম্লান হয়ে যেতে পারে। লেখকঃ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক,কলামিষ্ট ,সম্পাদক নিউজ একাত্তর ডট কম ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান,দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ । সূত্র : বঙ্গবন্ধু আর্কাইভ

আজকের মোট পাঠক

33221
O relaxamento vascular leva a um aumento na perfusão sanguínea, após o que os sintomas da hiperplasia prostática benigna são reduzidos.cialis tadalafil buy online White or white with a slightly yellowish tinge with a characteristic odor.cost of cephalexinIt is difficult and slow to dissolve in water, almost insoluble in alcohol. Cialis super active aumenta la producción de esperma, aumenta el deseo sexual.Cialis super active Sin Receta En EspañaCialis Super Asset lo ayudará en una situación difícil. Complications with prolonged use: rarely - psychoses that resemble alcoholic ones; hepatitis, gastritisCheap no Prescription disulfiramdetoxification therapy, administration of analeptics, and symptomatic therapy are necessary Nolvadex helps reduce the level of sex hormones in the blood of men and women Nolvadex online which ensures its therapeutic effect in this pathology.

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত