বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২০

লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যার মূল হোতা ড্রোন হামলায় নিহত

৩জুন,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ জনকে হত্যার সন্দেহভাজন মূল হোতা খালেদ আল-মিশাই ঘারিয়ানে এক ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (০২ জুন) তিনি নিহত হয়েছেন বলে নিজেদের ভেরিফাইড টুইটার পেজে পোস্ট করে জানিয়েছে দ্য লিবিয়া অবজারভার। টুইটে বলা হয়েছে, লিবিয়ার খলিফা হাফতারের দলের মিলিশিয়া খালেদ আল-মিশাই ঘারিয়ান শহরের দক্ষিণাঞ্চলে লিবিয়ার বিমানবাহিনীর চালানো এক ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন। টুইটে আরও জানানো হয়, ২৬ জন বাংলাদেশি ও চারজন আফ্রিকান অভিবাসী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ছিলেন আল-মিশাই। গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদা শহরে অপহরণকারীদের গুলিতে নিহত হন এই ৩০ জন অভিবাসী।...

যুক্তরাষ্ট্রে কারফিউ অমান্য করে চলছে বিক্ষোভ

৩জুন,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত সপ্তাহে মিনিয়াপোলিসে এক পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে হওয়া বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে ৪০টিরও বেশি শহরে জারি করা কারফিউর মধ্যেও বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে মানুষ। ওয়াশিংটন ও নিউ ইয়র্ক শহরে কিছুক্ষণ আগে কার্যকর হয়েছে কারফিউ। তবে কারফিউ শুরু হলেও ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউজের সামনে থেকে অবস্থান ত্যাগ করেনি বিক্ষোভকারীরা। তবে সোমবারের তুলনায় হোয়াইট হাউজের সামনে কম সংখ্যক মানুষ জড়ো হয়েছে। এছাড়া আগেরদিনের মত বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ এড়াতে হোয়াইট হাউজের সামনে প্রতিরক্ষা বাড়াতে একটি নতুন গেইট তৈরি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন রাজধানী ওয়াশিংটনে আরো বেশি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। নিউ ইয়র্ক শহরেও দেখা গেছে একই চিত্র। কারফিউ কার্যকর হওয়ার পরও বিক্ষোভকারীরা রাস্তা থেকে সরছেন না। ম্যানহাটান অঞ্চলে আগের রাতে লুটপাট ও ভাঙচুর হওয়ার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথাযথ পদক্ষেপ নিতে না পারার অভিযোগ তুলে নিউ ইয়র্ক রাজ্যের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো শহরের মেয়র বিল ডে ব্লাসিও ও পুলিশের সমালোচনা করেছেন। গভর্নর ইঙ্গিত দিয়েছেন যে শহরে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করতে পারেন তিনি। ওয়াশিংটনে কারফিউ কার্যকর হওয়ার কিছুক্ষণ আগে হোয়াইট হাউজের কাছে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের দিকে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয় যেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হেঁটে নিকটবর্তী একটি গির্জায় বাইবেল হাতে ছবি তুলতে যেতে পারেন। আজকেও ওয়াশিংটন ডিসি'র আরেকটি গির্জা সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে তার। যুক্তরাষ্ট্রে যখন করোনাভাইরাস মহামারি আর কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েড হত্যার প্রতিবাদে হওয়া বিক্ষোভে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এ ধরণের পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন ধর্মীয় নেতাদের অনেকে। ওয়াশিংটন আর নিউ ইয়র্ক বাদেও যুক্তরাষ্ট্রের অনেক শহরেই বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে মানুষ। জর্জ ফ্লয়েডের পরিবারের সাথে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় অংশ নিতে টেক্সাস রাজ্যের হিউস্টনে জড়ো হচ্ছে মানুষ। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষ জড়ো হয়েছে সেখানে। ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোতে দুই হাজারের বেশি মানুষ সিটি হলের দিকে পদযাত্রা করছে। পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়াতেও সিটি হলের দিকে বিক্ষোভকারীদের পদযাত্রা কর্মসূচি চলছে। টেনেসি'র ন্যাশভিলে বিক্ষোভকারীদের সমর্থনে নিজেদের সুরক্ষা উপকরণ নামিয়ে অবস্থান নিতে দেখা যায় ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যদের। গত সপ্তাহে মিনিয়াপোলিসে পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যুর ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষোভ ফুঁসে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায়। এসময় বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভের সময় লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। বিভিন্ন জায়গায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে বিক্ষোভকারীদের।...

বুধবার ভারতের মহারাষ্ট্র ও গুজরাট উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ

২জুন,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের মহারাষ্ট্র ও গুজরাট উপকূলে বুধবার (৩ জুন) আঘাত হানতে পারে গ্রীষ্মকালীন ঘূর্ণিঝড়- নিসর্গ। বর্তমানে নিম্নচাপ রূপে আরব সাগরে অবস্থান করলেও এটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে আছড়ে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য আরব সাগরের নিম্নচাপটি গত ছয় ঘণ্টা ধরে ১১ কিলোমিটার বেগে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে এটি মুম্বাই থেকে ৪৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যেই নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ও এর পরের ১২ ঘণ্টায় শক্তিবৃদ্ধি করে সেটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। বুধবার বিকেলে ঝড়টি মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে আঘাত হানতে পারে। এ দুটি রাজ্যে ইতোমধ্যেই জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) ৩১টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। একেকটি টিমে অন্তত ৪৫ জন করে সদস্য রয়েছেন। এনডিআরএফের মহাপরিচালক এস এন প্রধান বলেন, আশা করা হচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় নিসর্গে বাতাসের বেগ থাকবে ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে। সতর্কতাস্বরূপ উপকূলীয় এলাকা থেকে মানুষজনকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ...

আসামে ভয়াবহ ভূমিধসে ২০ জনের মৃত্যু

২জুন,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের আসামে ভয়াবহ ভূমিধসে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেও রাজ্যটির দক্ষিণ অংশে প্রচণ্ড বৃষ্টির ফলেই ভূমিধ্বসের ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গেছে, মারা যাওয়া ২০ জনের মধ্যে কাছার জেলার বাসিন্দা সাতজন, আরও সাতজন হাইলাকান্দি জেলার এবং করিমগঞ্জ জেলার ছয়জন। এ ঘটনায় আরও অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছেন উদ্ধারকারী দল। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ওই রাজ্য। আসামে মারাত্মক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কমপক্ষে সাড়ে ৩ লাখ মানুষ। সেখানকার গোয়ালপাড়া জেলা বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপরেই রয়েছে নাগাঁও এবং হোজাই জেলা। সরকারি হিসাবে আসামের বন্যায় এখনও পর্যন্ত ছয়জন মানুষ মারা গেছেন। ৩৪৮টি গ্রাম পানি নিচে। রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী জানিয়েছে, বন্যায় আসামে প্রায় ২৭,০০০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।...

প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিতে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি মেয়রের উদাত্ত আহবান

৩জুন,বুধবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ. জ. ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনা বৈশ্বিক মহামারিতে রূপ নেয়ার ফলে বাংলাদেশেও এর সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। সাম্প্রতিক সংক্রমণের হিসাবে চট্টগ্রামকে কোভিড হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও মৌসুমী আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণেও অনকেই হাঁচি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছেন। কিন্তু অনেক ডাক্তার নিরাপত্তাজনিত কারণে চেম্বার বন্ধ রাখায় এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঢালাওভাবে হাঁচি-কাশি,জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভোগা রোগীদের ফিরিয়ে দেয়ায় অনেক রোগী বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তাঘাটে মারা যাচ্ছেন। জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরাই সবার ভরসাস্থল। মেয়র বলেন, নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে সাহস নিয়ে এসব রোগীদের চিকিৎসা প্রদানে এগিয়ে আসতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যেভাবে বাঙালিরা নিজের জীবনের পরোয়া না করে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষার্থে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, ঠিক একইভাবে আজকের করোনা যুদ্ধের ফ্রন্টফাইটার তথা ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী ভাই-বোনদের দেশের এ ক্রান্তিকালে একই রকমের অনুভূতি ধারণ করে জনগণকে রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় দেশ এক মহাবিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে । চট্টগ্রামের সম্মানিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকগণ ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীগণদের প্রতি মেয়র হিসেবে বিনীত আরজ জানাচ্ছি, আপনারা যে যার যার অবস্থান থেকে করোনার এ মহাবিপর্যয়ে মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন। আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া এ যুদ্ধে জয়লাভ করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। আসুন, আমাদের কোন ভাই বা বোন যেন চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে না পড়েন সেটা নিশ্চিত করি। ইনশাআল্লাহ আপনাদের সহযোগিতায় আমরা শীঘ্রই করোনামুক্ত সুন্দর ও নির্মল বাতাসে আবার শ্বাস গ্রহণ করব, ফিরে পাব মানবিক ও সুস্থ বাংলাদেশ।...

ভালুকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু

৩জুন,বুধবার,মো,মোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) দিবাগত রাত ২ টার দিকে ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ক্লাবের বাজারের পানির পাম্পের এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- শেরপুর নালিতাবাড়ীর মৃত আবু শেখের ছেলে আক্কাছ আলী (৫৫) তার স্ত্রী মোছাঃ কোনেকা (৪৩) ও ভালুকা উপজেলার আব্দুল কাদেরের ছেলে কামরুল ইসলাম (৩৫) সে বার্ডেন ফার্মা লিমিটেডের চাকরি করতেন। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা মাল বোঝাই একটি ট্রাক ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ক্লাবের বাজারের পানির পাম্পের এলাকায় আসলে আরেকটি যাত্রীবাহী মিনি পিকআপের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে একজন মারা যান। একই দুর্ঘটনায় আরো দুইজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আক্কাছ আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর দিকে, উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সিডষ্টোর বাজারের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বুধবার (৩ জুন ) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে ভালুকা থেকে কামরুল মোটরসাইকেল যুগে সালমান বার্ডেন ফার্মা লিমিটেডে যাচ্ছিলেন। এ সময় লোবেট ঢাকাগামী একটি গাড়ি মোটরসাইকেলের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেলের আরোহী নিহত হয়। পরে খবর পেয়ে ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র অফিসার আল মামুনের নেতৃত্বে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ভালুকা ভরাডোবা হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বুধবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে ভালুকা ভরাডোবা হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট মোঃ সায়রুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, রাত ২ টার দিকে ক্লাবের বাজারের পানির পাম্পের এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে এবং আজ সকালে সিডষ্টোর বাজারে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় লোবেট ঢাকাগামী একটি গাড়ি মোটরসাইকেলের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে আরোহী নিহত হয়েছে।...

সাংবাদিক শরীফ আহম্মেদের মৃত্যুতে শোকাহত দাউদকান্দি উপজেলা প্রেসক্লাব

৩জুন,বুধবার,ইমরান মাসুদ,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোহনা টেলিভিশনের দাউদকান্দি উপজেলা প্রতিনিধি শরীফ আহম্মেদ(৫৫) আর নেই.....(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (৩ জুন) বেলা পৌনে ১১টায় জামালপুর জেলা সদরের নিজ বাড়ীতে হ্নদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান ৷ এদিকে, সাংবাদিক শরীফ আহম্মেদের মৃত্যুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অবঃ) সুবিদ আলী ভূইয়া, দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর (অবঃ) মোহাম্মদ আলী সুমন ,দাউদকান্দি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. রাশেদুল ইসলাম সরকার (লিপু মাষ্টার),সাধারণ সম্পাদক মো.জহিরুল ইসলাম (জিল্লু), শাহাদাৎ হোসেন হোসেন (শাকু) যুগ্ম সম্পাদক ,শরীফ প্রধান সাংগঠনিক সম্পাদক, ইমরান মাসুদ (দপ্তর সম্পাদক) এবং দাউদকান্দি প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাজারী, বৃহত্তর দাউদকান্দি প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল করিম সরকার, সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহম্মেদ,সাংবাদিক শরীফ আহম্মেদ মৃত্যুতে গভীর শোক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন । মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ মেয়ে লন্ডন (প্রবাসী) ও ১ ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। সাংবাদিক শরীফ দৈনিক দিনকাল পত্রিকার জামালপুর জেলা প্রতিনিধি (সাবেক), আজকের কাগজ, ভোরের কাগজ এর স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা সাব এডিটর পরিষদের সদস্য , বৃহত্তর দাউদকান্দি প্রেসক্লাব এর সহ-সভাপতি এবং মোহনা টেলিভিশনের দাউদকান্দি উপজেলা প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ।...

পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ১০ বাস ভাংচুর

২জুন,মঙ্গলবার,সিলেট প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেটে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অন্ত ১০টি গাড়ি ভাংচুর করা হয়। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা এনা পরিবহনের সিলেটের প্রধান কাউন্টার ভাংচুর করেছে। সংঘর্ষের প্রায় ঘন্টা খানেক পর পুলিশ ও RAB টিয়ারশ্যাল ছুটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঈদের আগে সাহায্য সহায়তা না দেয়ায় সিলেটের পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিকের উপর ক্ষুব্ধ হয় পরিবহন শ্রমিকদের একাংশ। সকাল থেকে তারা নিজ কার্যালয় বাবনা মোড়ে অবস্থা নিয়ে বিক্ষোভ করছিলো। এতে করে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল কমে আসে। বেলা ১ টার দিকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এদিকে- বিকাল তিনটার দিকে পরিবহন শ্রমিকদের বিক্ষুব্ধ অংশ নিজ কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ করে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় আসে। সেখানে আসার পর ফলিক অংশের লোকজন তাদের উপর হামলা চালালে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ কালে অন্তত ২০ জন পরিবহন শ্রমিক আহত হন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা এনা বাসের প্রধান কাউন্টারে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। তারা অন্তত ১০টি বাস ভাংচুর করে। পরে পুলিশ ও RAB গিয়ে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। সেলিম আহমদ ফলিক জানিয়েছেন- হামলা চালিয়ে এনা কাউন্টার ও বাস ভাংচুর করা হয়েছে। অন্যদিকে বিক্ষুব্ধরা জানিয়েছে- তাদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।...

কাপ্তাইয়ে করোনা আক্রান্ত ৬ জন নৌ বাহিনীর ও তাদের পরিবারের সদস্য

২জুন,মঙ্গলবার,মো.আল আমিন হোসেন,রাঙামাটি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে নতুন করে ৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন নৌ বাহিনীর সদস্য এবং বাকি চার নারী তাদের পরিবারের সদস্য। অপরজন কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টেকনিশিয়ান। সোমবার মধ্যরাতে সাতজনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি সিভিল সার্জন অফিসের চিকিৎসক ও করোনা ফোকাল পার্সন ডাক্তার মোস্তফা কামাল। কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাসুদ আহমেদ চৌধুরী জানান, কাপ্তাইয়ে আক্রান্তদের মধ্যে ২ জন কাপ্তাই নৌ বাহিনী শহীদ মোয়াজ্জম ঘাঁটির সদস্য এবং ৪ জন মহিলা যারা তাদের পরিবারের সদস্য। এছাড়া কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন টেকনিশিয়ানও রয়েছে। ডাঃ মাসুদ আরও জানান, তাদের প্রত্যেকের গত ২৮ মে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, বর্তমানে তাদের শরীরে অন্য কোন উপসর্গ না থাকায় তারা নিজ নিজ বাসায় হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। উল্লেখ্য,গত ৬ মে রাঙামাটিতে প্রথম ৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। সর্বমোট রাঙামাটি জেলায় ৬৮ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে, এর মধ্যে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন ১০ জন। ...

করোনাকালেও ১৪ কোটি টাকার লিচু বিক্রি হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

৩জুন,বুধবার,সুমন মজুমদার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাগানে বাগানে সারিবদ্ধ লিচু গাছ। প্রতিটি গাছে ঝুলে আছে থোকা থোকা বিভিন্ন জাতের রসালো লিচু। লিচুর ভারে গাছের ঢালগুলো মাটিতে নুয়ে পড়েছে। প্রতিটি থোকাতেই ১০/ ১২টি করে লিচু ধরেছে। গাছগুলোতে চোখ পড়লে নজর কাড়বে যেকোনো মানুষের। এ মনোরম দৃশ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা আখাউড়া, কসবা, ও বিজয়নগরে। এরই মধ্যে রসালো এই ফল কিনতে বাগানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় জমছে। চলমান করোনা সংকটে ব্যাপক আকারে না হলেও সীমিতভাবে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতারা এই লিচু ক্রয় করতে আসছেন। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে বাগান মালিকদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। সরেজমিনে বাগানগুলো ঘুরে দেখা যায়, চলতি মৌসুমে পাটনায়, বম্বে, চায়না থ্রি এবং দেশীয় জাতের লিচু আবাদ করা হয়েছে। মধুমাস জ্যৈষ্ঠের মাঝামাঝি হওয়ায় লিচুগুলো রসালো তো বটেই সুমিষ্ট ও মাংসল হয়েছে। পরিপক্ব লিচুগুলো বাগান থেকে পাড়তে ব্যস্ত সময় পার করছেন লিচু চাষিরা। প্রতিটি গাছ থেকে দুই/তিন জন করে লিচু পাড়ছেন। অন্যদিকে মাটিতে আরেকদল সারিবদ্ধভাবে বসে লিচু বাছাই করে ১০০টির থোকা বানাচ্ছেন। জাত ভেদে ১শ লিচু বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। ক্রেতারাও দরদাম করে লিচু কিনে তা বিভিন্ন পরিবহনে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন। কৃষিবিভাগ জানিয়েছে, জেলায় ২০০১ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে লিচুর আবাদ শুরু হয়। তারপর থেকে বছর বছর বাড়ছে আবাদের পরিমাণ। এবার ৪৫৫ হেক্টর জমিতে লিচু আবাদ হয়েছে। ছোট বড় মিলিয়ে বাগান রয়েছে ৪২০টির মত। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা হলো ১৩৬৮ মেট্রিকটন। জেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ রবিউল হক মজুমদার বলেন, করোনার মধ্যেও নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি। ফল ধরার সময় গাছে যাতে পোকামাকড় আক্রমণ না করতে পারে সময়ে সময়ে আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিয়মিত বাগানগুলো পরিদর্শন করেছেন এবং চাষিদের পরামর্শ দিয়েছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ফলন ভাল হয়েছে। জেলায় এ বছর প্রায় ১৪ কোটির টাকার মত লিচু বিক্রি হবে। চাষিরাও ভাল দাম পাবে।...

ব্যয় মেটাতে ব্যাংকনির্ভর সরকার

৩জুন,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারা বিশ্বেই ভোক্তা চাহিদা কমে গেছে। বাংলাদেশেরও আমদানি কমছে, রপ্তানিও কমে গেছে। প্রবাসী আয় এলেও সামনে কঠিন সময়। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি এখনো ভালো। অন্যদিকে দেশের রাজস্ব আয়ের পরিস্থিতি নাজুক। সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমে যাওয়ায় সরকারের সুদ পরিশোধ ব্যয় কমলেও আগের চেয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে অনেক বেশি। ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা এক দফা বাড়ানো হয়েছিল। করোনা পরিস্থিতিতে সেই লক্ষ্যও ছাড়িয়ে গেছে। এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানি হ্রাস ও সুদহার কমায় ব্যাংকগুলোর আয়ও কমে যাচ্ছে। ফলে সব মিলিয়ে ভালো নেই দেশের প্রধান প্রধান আর্থিক সূচক। সামনে খুব দ্রুত ভালো হওয়ার সম্ভাবনাও দেখছেন না অর্থনীতিবিদেরা। ইতিমধ্যে কর্মসংস্থানে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এ রকম প্রেক্ষাপটেই অর্থমন্ত্রীকে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট দিতে হচ্ছে। সামগ্রিক বিষয় নিয়ে অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, করোনাভাইরাস চলে গেলেও যদি ভোক্তা চাহিদা তৈরি না হয়, তাহলে সূচকগুলো সহজেই ভালো হবে না। এ জন্য আমাদের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। সুরক্ষাসামগ্রী উৎপাদন বাড়াতে হবে, রপ্তানি করতে হবে। আর কাঁচামাল সহজে আনার জন্য আমদানি জটিলতা দূর করতে হবে। জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ব্যাংকগুলোর সুদহার নির্দিষ্ট করে দিয়ে যে একতরফা নীতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা পুনর্বিবেচনা করতে হবে। যে প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তার জন্য সরকারকে গ্যারান্টি দিতে হবে, যাতে ব্যাংকগুলো ঋণ দিতে ভয় না পায়। এই ঋণ সঠিকভাবে ব্যবহার হলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারে। কমেছে আমদানি-রপ্তানি: বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসে ঋণপত্র খোলা হয়েছে ১৬০ কোটি ডলারের। আগের বছরের একই সময়ে ঋণপত্র খোলা হয় ৫২৬ কোটি ডলার। আর গত মার্চে খোলা হয়েছিল ৪৯৭ কোটি ডলারের। সে হিসাবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় গত এপ্রিলে ঋণপত্র খোলা কমেছে ২৬৮ শতাংশ। ঋণপত্র নিষ্পত্তিও কমেছে অনেক। গত এপ্রিলে ঋণপত্র নিষ্পত্তি হয়েছে ১৯৫ কোটি ডলারের, আগের বছরের এপ্রিলে যা ছিল ৫০৮ কোটি ডলার। ঋণপত্র নিষ্পত্তি কমেছে ৬২ শতাংশ। গত মার্চে ঋণপত্র নিষ্পত্তি হয়েছিল ৪১৭ কোটি ডলারের। দেশের পণ্য রপ্তানিতেও দেখা দিয়েছে বিপর্যয়। গত এপ্রিলে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৫২ কোটি বা ৪ হাজার ৪২০ কোটি ডলারের পণ্য, যা গত বছরের এপ্রিলের চেয়ে ৮২ দশমিক ৮৫ শতাংশ কম। এর মধ্যে ঈদের আগে প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে (রেমিট্যান্স) কিছুটা স্বস্তি দিলেও অস্বস্তি কিছুটা রয়েই গেছে। গত মে মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ১৫০ কোটি ৩০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ১২ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা। আর ২০১৯ সালের মে মাসে এসেছিল ১৭৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এ হিসাবে আয় কমেছে ১৪ শতাংশ। আর পুরো অর্থবছরের হিসাবে আগের একই সময়ের তুলনায় আয় বেড়েছে ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা সংকট চললেও ঈদের কারণে অনেকেই টাকা পাঠাচ্ছেন। অনেক সাহায্যও আসছে। যাঁরা দেশে চলে আসছেন, তাঁরাও টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। আবার প্রবাসী আয়ে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়ার প্রভাবও রয়েছে। তবে সামনের দিনে প্রবাসী আয় পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা। ফলে দেশের আমদানি ও রপ্তানির মতো অর্থনীতির প্রধান নাজুক সূচকের সঙ্গে প্রবাসী আয় যুক্ত হলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। এর মধ্যেও ভালো রয়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। গত ২০ মে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৩১৯ কোটি ডলার। তবে ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলারের সংকট আছে। সংকট কাটাতে ডলার বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান সামগ্রিক বিষয় নিয়ে বলেন, আমদানি ও রপ্তানি কমে যাওয়ায় ব্যাংকের আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এখনই ডলারের ওপর চাপ আছে। এর সঙ্গে প্রবাসী আয় কমে গেলে চাপ সামনে আরও বাড়তে পারে। এমনিতেই ব্যাংকগুলো চাপে, আবার অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় প্রধান দায়িত্ব ব্যাংকের হাতেই। অন্যদিকে সরকারের ব্যাংকঋণও বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। বাড়ছে ব্যাংকঋণ: সরকারের রাজস্ব আয় কমেছে। আবার আইনকানুন কঠোর করায় সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমে গেছে। সরকার সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যও কমিয়ে এনেছে। ফলে সরকার এখন সহজ পথ, অর্থাৎ ব্যাংকঋণের দিকেই ঝুঁকছে বেশি। চলতি অর্থবছরের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ৩ লাখ ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। গত এপ্রিল পর্যন্ত ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি আদায় হয়েছে, যা ওই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৬২ হাজার কোটি টাকা কম। অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে ৭ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৫ শতাংশ কম। এ জন্য চলতি অর্থবছরের সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ২৭ হাজার কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ১২ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে। এর ফলে খরচ মেটাতে সরকার পুরোপুরি ব্যাংকব্যবস্থার ওপর নির্ভর হয়ে পড়েছে। চলতি অর্থবছরের গত ১৩ মে পর্যন্ত সরকার ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ৮১ হাজার কোটি টাকা ঋণ করেছে। যদিও সরকার প্রথমে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য ঠিক করেছিল। পরে তা বাড়িয়ে ৭২ হাজার ৯৫৩ কোটি টাকা করা হয়। নতুন অর্থবছরের বাজেটে আয় বাড়াতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের ওপর করের বোঝা বাড়ানো হবে কি না, সেটাই এখন প্রশ্ন। বরং বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভোক্তা চাহিদা বাড়াতে পারলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে, তাহলেই অর্থনীতিতে গতি আসবে। তবে এ জন্য প্রয়োজন বিনিয়োগ বৃদ্ধি। বাজেটের মূল লক্ষ্য হতে হবে এটাই। অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন আরও যেমনটা বললেন, এখন ব্যবসায়ীদের চাপ দিয়ে লাভ নেই, সবাই বিপদে আছে। ব্যাংক থেকে এভাবে ঋণ নিলে ব্যবসায়ীরা ঋণবঞ্চিত হবে। এদিকে সরকারের নজর দিতে হবে। ...

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে

১জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত আড়াই মাস ধরে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গত ৩১ মে দুই মাস পর সীমিত আকারে সব কিছু খুললেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও বন্ধ রয়েছে। তবে এ প্রেক্ষাপটে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক, রক্ষণাবেক্ষণের ও শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়েরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। এ লক্ষ্যে ছাত্র ভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ইত্যাদি কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খোলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে অসুস্থ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, সন্তানসম্ভবা নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ/স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জারিকৃত সকল স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।...

এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ

৩১মে,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পরে দুপুর ১২টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি ফেসবুক লাইভে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন। এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল জানানো হবে না। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে এ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।তবে পরীক্ষার্থীরা নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট, ঢাকা বোর্ডের কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট এবং এসএমএসে ফল জানতে পারবে। এসএমএসে দুভাবে ফল জানানোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। একটি হচ্ছে, ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত পদ্ধতিতে এসএমএস করলে ফিরতি এসএমএসে ফল চলে যাবে। এই পদ্ধতিতে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা ঝক্কিতে পড়ে বলে অভিযোগ আছে। এ কারণে এবার ফল প্রকাশের পরই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসএমএসে শিক্ষার্থীর বাসায় মোবাইল ফোনে তা (পরীক্ষার ফল) পৌঁছানোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ছাত্রছাত্রীদের রোলনম্বর প্রাক-নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে। আজ দুপুর ২টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ৩ ফেব্রুয়ারি, শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ শিক্ষার্থী। যার মধ্যে আট লাখ ৪৩ হাজার ৩২২ ছাত্রী। ছাত্রের তুলনায় ৫১ হাজার ৪০৪ ছাত্রী বেশি। মাদরাসা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় দুই লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন। ছাত্রী অংশ নেয় এক লাখ ৪৭ হাজার ১১৬ জন। ছাত্রের তুলনায় ১২ হাজার ৯৭৮ জন বেশি। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় এক লাখ ৩১ হাজার ২৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।...

আইপিএল আয়োজনের পরিকল্পনা অক্টোবরে

২২মে,শুক্রবার,মো.ইরফান চৌধুরী,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানুষের জীবনের থেকে ক্রিকেট বড় নয়। তাই অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রয়েছে এবারের আইপিএল। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগের এবারের সংস্করণ শেষ পর্যন্ত মাঠে গড়াবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ২০২২ সালে পিছিয়ে গেলে ওই সময়ে অর্থাৎ অক্টোবরে আইপিএল আয়োজন করতে চাইছে বিসিসিআই। বোর্ড সূত্রের খবর, চলতি বছরে ১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসার কথা। কিন্তু এই বছরের বিশ্বকাপ চলে যেতে পারে ২০২২ সালে। এমন সম্ভবনা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চাইছে সৌরভ গাঙ্গুলির বোর্ড। আইপিএল না হলে যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিশাল অঙ্কের ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে কয়েকদিন আগেই এ কথা জানান বিসিসিআই'র কোষাধ্যক্ষ অরুন ধুমল এবং বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। যদি আইপিএল বাতিল হয় সেক্ষেত্রে বেতন কাটার পথে হাঁটতে পারে বিসিসিআই এমনও ইঙ্গিত দেন বোর্ড সভাপতি। উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ শুরু হওয়ার কথা ছিল এবারের আইপিএল। কিন্তু সেই সময় করোনার প্রকোপে প্রাথমিকভাবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয় আইপিএল। এরপর পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় আইপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিপুল ক্ষতির কথা মাথায় রেখে মেগা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগকে বাতিলও ঘোষণা করে নি ভারতীয় বোর্ড। ...

সাকিবের প্রিয় ব্যাট নিলামে কিনলেন যিনি

২৩এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,মো.ইরফান চৌধুরী,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাকিবের খুবই প্রিয় ব্যাট সেটি, কিন্তু করোনায় অসহায় হয়ে পড়া মানুষের জীবনের চেয়ে নয় বড়। তাই নিলামে তুললেন সবশেষ বিশ্বকাপ মাতানো ব্যাটটি। গোটা বিশ্ব থেকে অনেকেই দাম হাঁকালেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকায় কিনে নেন রাজ নামের এক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি। যদিও ব্যাটটির ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছিল ৫ লাখ টাকা। নিলাম পরিচালনার দায়িত্বে ছিল- অকশান ফর অ্যাকশন, নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে অনেক আগ্রহীর মধ্যে ২০ লাখ টাকায় রানের ফোয়ারা ছোটানো সাকিবের সেই এসজি ব্যাটটি কিনে নেন রাজ। তবে পেমেন্ট পাওয়ার পর, আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে জানিয়েছেন নিলাম পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ। এদিকে, ব্যাট বিক্রির এই টাকা যোগ হবে সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের তহবিলে, যা দিয়ে করোনা ভাইরাসের কারণে অসহায় হয়ে পড়া মানুষকে সাহায্য করা হবে। বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে নিলাম পরিচালনা করে অকশন ফর অ্যাকশন কর্তৃপক্ষ। সাকিব আল হাসান নিজে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে যুক্ত ছিলেন। রাত সোয়া ১১টায় নিলাম শেষ হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার ফেসবুক লাইভে এসে ব্যাটটি বিক্রির ঘোষণা দেন সাকিব আল হাসান। দুদিন ধরে চলে নিলাম। এর মাঝে সাকিব নিজেই একবার সেটা কিনে নিতে চান, কারণ এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের স্মারক। এমনকি এক ভক্ত ব্যাটটি কিনে সাকিবকেই উপহার দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম হাঁকিয়ে সেটা নিজের করে নেন রাজ নামের ওই প্রবাসী। নিলাম শেষে বুধবার রাত ১১টায় লাইভে এসে বিশসেরা এই অলরাউন্ডার জানান, এটি আমার সবচেয়ে প্রিয় ব্যাটের একটি। কিন্তু আমার এই প্রিয়র চেয়ে মানুষের জীবনের মূল্য অনেক বেশি। তাই করোনা মোকাবেলায় সাহায্য করার জন্য সেটি নিলামে তুলেছিলাম। রাজ ভাইকে ধন্যবাদ, সর্বোচ্চ দাম হাঁকিয়ে নিয়ে নেওয়ার জন্য।...

করোনায় মারা গেলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক মোজাম্মেল হক

২জুন,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন চলচ্চিত্র প্রযোজক হাজি মোজাম্মেল হক সরকার। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ভাইরাস ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত ১১টায় তার মৃত্যু হয়। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু এ খবর নিশ্চিত করেছেন। চারদিন আগে ৫৫ বছর বয়সি হাজি মোজাম্মেল হক সরকারের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। পরে তাকে গাজীপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে সোমবার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই রাতে তার মৃত্যু হয়। খসরু বলেন,করোনা ভাইরাসে এই প্রথম চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারো মৃত্যু হলো। তার মৃত্যুতে আমরা শোক জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, মোজাম্মেল হক বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সদস্য ছিলেন। নিজের মালিকানায় মেসার্স ভাওয়াল পিকচার্সের ব্যানারে বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন তিনি। তার প্রযোজিত শেষ সিনেমা শাকিব খান-অপু বিশ্বাস জুটির চলচ্চিত্র- পাংকু জামাই মুক্তি পায় ২০১৮ সালে। মোজাম্মেল হক সরকারের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরে নেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মেনে মঙ্গলবার সেখানে তার দাফন হবে বলে জানান খসরু।...

দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর দীর্ঘ রাত গান শ্রীঘ্রই আসছে

২৪ মে,রবিবার,দিলাল আহমদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুনামগঞ্জের নাট্যকার নাট্যভিনেতা দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর লিখা প্রথম গান রিলিজ হতে যাচ্ছে। রাত-চাঁদের গল্প নিয়ে লিখা গানটি চাঁদ রাতে রিলিজ হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের জনপ্রিয় এনটিভি অনলাইন পোর্টাল ইউটিউভ চ্যানেল ও ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজ থেকে রিলিজ হবে। দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর লিখা গানটিতে সুর করেছেন চ্যানেল আই ২০০৮র উদীয়মান তরুণ শিল্পী মোহন রায়। আর গানটির সুর করেছেন অনুপম প্রতীক। গানটির মিউজিক করেছেন সুমন কল্যান। গানের ভিডিওতে মডেল ছিলেন জয়ন্ত পাল জয় ও দীপান্বিতা দে হিয়া। গানের ভিডিও নির্দেশানা ও সম্পাদনা করেছেন রাজন। ক্যামেরায় ছিলেন মো. রফিক। ভিডিও সম্পাদনা করেছেন মো জাকির। গানটির ব্যাপারে দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী বলেন, যদিও আমি নাটক নিয়ে কাজ করি গান কবিতা লিখতাম না কিন্তু গত দেড় বছর আগে লিখা গানটি করোনা পরিস্থিতি শুরুর আগে রেকডিং করা ও ভিডিও ধারণ করা হয়। কথা ছিল আবার ব কিছু স্বভাবিক হয়ে গেলে রিলিজ করবো কিন্তু পরিস্থিতি স্বভাবিক কবে হবে কেউ জানে না। তাই এই পরিস্থিতির মধ্যেই বের করেছি আমরা। গানটি বন্ধু মোহন রায় চমৎকার ভাবে গেয়েছে। আর সুর করেছে তরুণ সুরকার অনুপম প্রতীক। আর আমাদের আবেগের সাথে গানটির মিউজিক কম্পোজ করেছেন সুমন কল্যান দা। আশা করি গানটি অনেকের ভালো লাগবে। যারা রাত, চাঁদ আর একা থাকতে ভালোবাসেন গানটি তাদের জন্য। গানের শিল্পী মোহন রায় বলেন, বন্ধু দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর খুব আবেগের এই গানটি তাই আমি চেষ্টা করেছি ভালো করে গাইতে। যদিও আমি বেছে বেছে গান করি। কিস্তু এই গানটি একটু অন্যরকম, গানের কথা ও সুর খুবই চমৎকার। আশা করি শুনলে যে কারোই ভালো লাগবে। গানের সুরকার অনুপম প্রতীক বলেন এই গানটি নিয়ে আমি আর গিয়াস ভাই দীর্ঘ দিন কাজ করেছি। প্রায় ৫মাস ধরে। আমি এর আগেও সুর কিছু গানের সুর করেছি। এই গানটা সেরা। আশা করি সবাই ভালো লাগবে।...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে বিদেশে পাঠায় চক্রের অন্যতম হোতা কামাল

১জুন,সোমবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় মানব পাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা কামাল হোসেন ওরফে হাজী কামালকে গ্রেফতার করেছে RAB। প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে তিনি বিদেশে পাঠায়। RAB বলছে, তিনিই বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মানবপাচারকারীর মূল হোতা। এরসঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে RAB। বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে অবৈধ ভাবে ইতালিতে যাওয়া। তারা বিভিন্ন শ্রমিকদের যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখানো হয়। এবং তাদের বিদেশে যাওয়ার পরই বাকি টাকা দেবে। এ ধরনের আশ্বাস দেয়া হয়। আমারা একাধিক দালাল পেয়েছি। তারা মাদারীপুর, শরিয়রতপুরসহ বিভিন্ন জেলার লোক রয়েছে। তারা প্রথমে বাইরুটে ঢাকা থেকে কলকাতা নেয়া হয়। এই হাজী কামালই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা বাংলাদেশ থেকে ১০-১৫ দিন লাগে বেনগাজীতে যাওয়ার। এ চক্রটি লিবিয়াতে যাওয়ার পরই তারা টাকার জন্য পেশার দেয়া শুরু হয়। RAB জানায়, লিবিয়ার ত্রিপোলিতে কিছু কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই বেনগাজীতে পৌঁছানোর পরই তাদের পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এরপর তাদের ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবারও পরিবারের কাছে ২ থেকে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেখানে তাদের শুরুতে ভূমধ্যসাগরে বোট চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তিনি গত ১০-১২ বছরে ৪শ লোককে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে যুক্ত আছেন ১৫-১৬ জন। আমরা পুরো সার্কিটের তথ্য পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলতে থাকবে। গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদা শহরে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মারা যাওয়া ২৬ জনসহ ৩৮ বাংলাদেশি ও কিছু সুদানি নাগরিক প্রায় ১৫ দিন ধরে ওই অপহরণকারী চক্রের হাতে আটক ছিলেন। ইতালিতে অভিবাসনের উদ্দেশে ওই ৩৮ জন বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে লিবিয়ায় যান।...

মানবতা হোক মানুষের জন্য

২৩মে,শনিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজও মানুষকে ভাবায় বিখ্যাত সংগীত শিল্পী ভূপেন হাজারিকার সেই গান- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে, একটু সহানুভূতি কি পেতে পারে না ও বন্ধু। পরপারে পাড়ি দেওয়া একজন বিখ্যাত সংগীত শিল্পী আজ আমাদের মাঝে না থাকলেও আছে তার গান। আমরা মানুষ যখন ক্রান্তিকাল সময় পার করি ঠিক তখনই আমাদের কাছে ফিরে আসে কালজয়ী সেই গানটি। কিন্তু আমরা আজও মানুষ হয়ে অসহায়দের পাশে দাঁড়াচ্ছি? অবশ্যই অনেকে দাঁড়াচ্ছেন। কিন্তু যাদের কে দেখতে চাই তাড়াই কি অসহায়দের পাশে দাঁড়াচ্ছি? নাকি নি:স্ব কোন মানুষই অসহায়দের পাশে গিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন? অথচ মহান আল্লাহ যাকে অর্থ-সম্পদ দিয়েছেন তিনি সে সম্পদ থেকে অভাবী অসহায় মানুষকে সাহায্য করলে তাতে মহান সৃষ্টি কর্তা খুশি হন। কিন্তু আমাদের অনেক বিত্তশালীরা হা-হুতাশ করে বেড়ায়। তাদের নাই নাই অভ্যাসটা যায় না। আপনার যা আছে তা নিয়েই সুখে থাকুন। বেশি চাওয়া পাওয়া করে লাভ কি বলুন, কতদিনেই বাঁচবেন এ জগতে একদিন না একদিনতো চলে যেতেই হবে। নিজের বিবেক-বুদ্ধি-মনুষ্যত্ব ও মূল্যবোধকে কাজে লাগালেই তো হয়। দেখুন বাইরে অসহায় মানুষরা একমুঠো খাবারের জন্য হাত বাড়িয়ে অপেক্ষা করছে। ওদের কোন কাজ নেই। তাই রোজগার ও নেই। একজন অসহায় মা তাঁর সন্তানের মুখে খাবার দিতে পারছেন না। সেই মায়ের যন্ত্রণা একটু বোঝার চেষ্টা করুন! তার সন্তান যখন কাঁন্নাকাটি করে, তখন তিনি কতটা অসহায় বোধ করেন! হঠাৎ বেকার হয়ে যাওয়া বাবা যখন তাঁর সন্তানের মুখে আহার জোগাতে ব্যর্থ হন, তখন তাঁর মনের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করুন। তিনিই হয়তো সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এই কঠিন বিপদে তাঁর যাওয়ার যায়গা কোথায় বলুন! ভালোই তো ছিলো সব কিছু। কেন হটাৎ এমনটি ঘটল? এতে কি ওই অসহায় মানুষগুলোর কোন হাত ছিলো? আমারা মানুষ হয়ে ওদের পাশে দাঁড়াবো না? ওদের কষ্টের সময় সহানুভূতির হাত বাড়াব না! তাহলে আর আমরা কিসের মানুষ! মানুষের মানবিক গুনাবলিই যদি না থাকে তাহলে কিসের মানুষ আমরা! মানবিকতাই তো মানুষের আসল পরিচয়! সাড়া বিশ্বে যখন করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ ক্রন্তিকাল সময় কাটাচ্ছেন, ঠিক তখনই শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের গান্ধীগাঁও গ্রামের একজন সাধারন ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিনই দেখিয়ে দিলেন মানবিক গুন। বয়স আশি বছর। একটা সময় কৃষি কাজ করলে ও দুর্ঘটনায় পা হারানো নাজিমুদ্দিন কাজ করতে না পারায় বর্তমানে ভিক্ষা করেন। ভিক্ষা করে সংসার চালান তিনি। নিজের বসতঘর মেরামতের জন্য ভিক্ষা থেকে খুব কষ্ট করে গত কয়েক বছরে জমিয়েছিলেন ১০ হাজার টাকা। তিনি তাঁর সে জমানো টাকা ঝিনাইগাতির কর্মহীনদের খাদ্য সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের তহবিলে দান করেন। ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিনের প্রসংসা করেছেন স্বয়ং সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ও। তিনি বলেন, তার এই উদারতা এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বিশ্বে। মানুষ বসবাসযোগ্য একটি গ্রহ। আর এই গ্রহটিকে আমরা যাতনা যত্মে রাখার কথা রাখিনি ততটা যত্মে। অন্যদিকে আমরা কিছু কিছু বিত্তশালীরা শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার জন্য এবং নিজেদের ভোগ বিলাস আর লোভ-লালসাকে পরিপূর্ণ করতে এই গ্রহটিকে নিংড়ে নিয়েছি। একবার ও ভাবিনি এর পরিণাম কি হবে? আমাদের অসীম চাহিদার লাগাম ধরব দূরে থাক বরঞ্চ ডাইনোসরের মতো খাই খাই লালসায় আজ আমরা নিজেদেরকেই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছি। মানুষ বাঁচলে বাঁচবে মানবতা, বাঁচবে দেশ। মানুষ বাঁচানোর সর্বজনীন প্রচেষ্টায় আমরা সকলে এক, এটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে। এখন থেকে আমাদের সক্রিয়তা, ঐক্যবদ্ধতা এবং দায়িত্বশীল আচরণ খুব বেশি প্রয়োজন। করোনাভাইরাস এমন এক অজানা আতঙ্ক যে বিশ্বের কোন দেশই এর থেকে মুক্ত হতে পারেনি, নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। পৃথিবীর সব মানুষরাই এখন অজানা আতঙ্কে ভূগছে। এ বুঝি করোনাভাইরাসের কবলে পড়ছে! মানবজাতির উপর প্রকৃতির এ এক ভয়ঙ্কর শাস্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। সামান্য এক ভাইরাস, যা চোখে দেখা যায় না, অথচ তার ভয়ে সবার ঘুম হারাম! জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে যখন খেটে খাওয়া মানুষেরা না খেয়ে দিন পার করছেন। তখন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ সামগ্রী ও উপহার সামগ্রী বিতরণের উদ্যেগ নেন। দেশের সরকার প্রধানের এমন মানবিকতাই সকলে সন্তুষ্ঠ হলেও অত্যান্ত দু:খ প্রকাশ করে বলতে হয়, ত্রাণ বিতরন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ত্রাণ চুরির ঘটনা ও শুরু হয়েছে দেশে। এই মহাবিপর্যয়ের সময় অনেক জনপ্রতিনিধি ত্রাণ চুরি করছে বলা হচ্ছে ভিবিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। আবার অধিকাংশ সময়ই দেখা যচ্ছে যে সকল জনপ্রতিনিধিরা ত্রাণ চুরি করছেন তার চেয়ে ঢের বেশি জনপ্রতিনিধিরা মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। আবার অনেক বিত্তশালী পরিবারের সন্তানেরা ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সহদরে নিনিন্মবিত্ত পরিবারকে সহযোগীতা করছেন। এই দুর্যোগ সময়ে যে শুধু অসহায়, নিন্মবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা কষ্ট পাচ্ছে তা কিন্তু নই, এর সাথে খাদ্য না পেয়ে কষ্ট পাচ্ছে, বিড়াল, কুকুর, কাক ও। বিড়াল, কুকুর, কাকদের প্রদান খাদ্যের উৎস হলো, হোটেলে বা ঘর বাড়ি থেকে বাদ পড়া খাবার গুলো। যা থেকে বঞ্চিত আজ এই প্রাণী গুলো ও। তবে বেশ কিছুদিন আগে এক নিউজ চ্যানেলে দেখলাম বেশ কিছু তরুণরা কিছু কুকুর এবং কাকদের খাবার দিয়েছেন। তা সত্যিই প্রসংশনীয়। কিন্তু এই প্রসংশনীয় উদ্যেগে আমরা আরো অনেক মানুষকে দেখতে চাই। আসুন আমরা মানবতার হাত বাড়াই। সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ায়। মানুষের চরিত্র নিয়ে লিখে শেষ করা যাবে না। তবে দিন শেষে এই কথাটি বলতে হবে, বিশ্বাস করতে হবে যে এখনো পৃথিবীতে খারাপ মানুষের চেয়ে ভালো মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। না হলে পৃথিবী টিকে থাকতো না। মহামারী এই করোনাভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচাতে দিনরাত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, ডাক্তার, স্বাস্থ্য কর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, পুলিশ সহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এমনকি প্রিয়জন, প্রিয়মুখকে এক নজর দেখার অদম্য ইচ্ছেটিকে দমন করছেন তারা। লেখক: মো.ইরফান চৌধুরী,এডমিন- তরুণ প্রজন্মের ডাক,প্রকাশক- অধিকার নিউজ বিডি,কলামিস্ট,মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠক। ...

মুক্ত করতে না পারায় আইনজীবীদের ওপর ক্ষুব্ধ খালেদা জিয়া

৪জুন,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করতে না পারায় আইনজীবীদের ওপর ক্ষুব্ধ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বিষয়টি স্বীকার না করলেও মামলা নিয়ে বেগম জিয়ার হতাশা প্রকাশ করার কথা জানিয়েছেন আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন। বেগম জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের সিনিয়র সদস্য খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, অভিজ্ঞ আইনজীবীদের দায়িত্ব না দেয়া, মামলা পরিচালনায় সমন্বয়হীনতা ছিলো। এ কারণেই হয়ত নেত্রী ক্ষুব্ধ। দুদক আইনজীবী বলছেন, মামলা পরিচালনার অনেক ক্ষেত্রে তার আইনজীবীদের পদক্ষেপ রহস্যজনক ছিলো। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনা প্যানেলে রয়েছেন অর্ধশতাধিক আইনজীবী। এ প্যানেলের আইনজীবীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্কোন্দল ছিলো ওপেন-সিক্রেট। সরকারি সিদ্ধান্তে মুক্তির পর আইনজীবীদের ব্যর্থতায় বেগম জিয়া ক্ষুব্ধ বলে জানা গেছে। এরইমধ্যে একজন আইনজীবী তার সঙ্গে দেখা করার পর বিষয়টি সামনে এসেছে। আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, মামলা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন নেত্রী। যদিও আইনজীবীদের ওপর ক্ষুব্ধতার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তিনি। আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, অপরাধ না করেও দুই বছর জেলে ছিলেন-এটা নিয়েও তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন। অনেক দুঃখ ও হতাশার কথা বলেছেন। আইনজীবী প্যানেলের সিনিয়র সদস্য খন্দকার মাহবুব হোসেন বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি জানান, মামলা নিয়ে হতাশ নন নেত্রী। তবে মামলা পরিচালনায় সমন্বয়হীনতায় হয়ত ক্ষুব্ধ। অ্যাড. খন্দকার মাহবুব বলেন, সিনিয়রদের বাদ দিয়ে বিশেষ কোনো ব্যক্তিকে মামলার দায়িত্ব দিয়েছিলেন, সেটা নিয়েই একটু হতাশায় ছিলেন। দুদক আইনজীবীও বলছেন, মামলা পরিচালনার অনেক ক্ষেত্রে তার আইনজীবীদের পদক্ষেপ রহস্যজনক ছিলো। দুদক আইনজীবী অ্যাড. খুরশীদ আলম বলেন, দেড় বছরেও তার আইনজীবীরা কেন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না তা আমাদের জানা নেই। আইনি প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিকভাবে মুক্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় সবশেষ পরিবারের আবেদনে মানবিক দিক বিবেচনায় গত ২৫ মার্চ বেগম জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয় সরকার। ...

বাস মালিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ভাড়া বাড়িয়েছে

১জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাস মালিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ভাড়া বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সোমবার (০১ জুন) সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় মিজা ফখরুল বলেন, সরকারের উদাসীনতা আর ব্যর্থতায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ নিচ্ছে। ক্ষমতাসীনদের দায়িত্বহীনতা জনগণকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার দাবি জানিয়ে আগামী ১০ জুন জেলা প্রশাসকদের স্মারকলিপি দেয়া হবে বলেও জানান বিএনপি মহাসচিব।...

দেখা মিলল পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন আকাশের

৩জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন আকাশের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। যার বায়ুমণ্ডল মানুষের কর্মকাণ্ড দ্বারা তৈরি ক্ষতিকর কণা থেকে মুক্ত। অ্যান্টার্কটিকা ঘিরে থাকা দক্ষিণ মহাসাগরে পাওয়া গেল সেই স্থান। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কলোরোডা স্টেট ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক দক্ষিণ সাগরে বায়োঅ্যারোসল কম্পোজিশনের ওপর গবেষণা করে বিরল এ বায়ুমণ্ডলের দেখা যান। এ ধরনের গবেষণা এবারই প্রথম। আবহাওয়া ও জলবায়ু ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। যা আবার বিশ্বের এক প্রান্তের সঙ্গে অন্য প্রান্তকে সংযুক্তও করে। এ কারণ এক অঞ্চলের পরিবর্তন অন্য অঞ্চলেও প্রভাব ফেলে। এরই মাঝে বিজ্ঞানী ও গবেষকরা মানুষের কর্মকাণ্ড দ্বারা প্রভাবিত হয়নি এমন অঞ্চল খুঁজে চলছিলেন। অধ্যাপক সনিয়া ক্রেইডেনউইজ ও তার দল আগেই সন্দেহ করেছিলেন পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে দক্ষিণ মহাসাগরের বায়ুমণ্ডল মানুষ ও ধূলিকণা দ্বারা কম ক্ষতিগ্রস্ত। তারা দেখেন বায়ু মণ্ডলের একদম নিচের স্তর জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার, নির্দিষ্ট ফসল বপন, সার উৎপাদন বা বর্জ্য পানি নিষ্কাশন বা এ ধরনের দূষণ দ্বারা প্রভাবিত নয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ফলাফল উত্তর গোলার্ধের চেয়ে একদম ভিন্ন। ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস জার্নালে সোমবার এ গবেষণা ফলাফল প্রকাশ হয়। সেখানে অ্যান্টার্কটিকার ওই অঞ্চলকে- সত্যিই আদিম বলে উল্লেখ করা হয়। বায়ু দূষণ ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট হিসেবে বিবেচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বছরে এ কারণে ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, বায়ু দূষণ ভৌগলিক সীমানা পার হতে পারে সহজে। দূষণের উৎসের শত শত মাইল দূরের মানুষকেও আক্রান্ত করে। ...

জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন। ...

জলাবদ্ধতা নিরসন,মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো

২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসন ২২, ৩০ ও ৩১ এর মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ২৪শে ফেব্রুয়ারি্ বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ জানিয়েছেন, তিনি চলতি মেয়াদে(২০১৬-২০২০ইং) ২২,৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ডের এর মহিলা কাউন্সিলর হিসাবে আছেন। বর্তমানে তিনি কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা। সেই সাথে তিনি বেশ কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে ও যুক্ত আছেন, একাধারে মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদিকা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট যুগ্ম সাধারন সম্পাদিকা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মহিলা শাখার মহানগর সাধারন সম্পাদিকা। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সাথে তার তিন ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসন ও মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্ভি করার জন্য কাজ করে যাবেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য।তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি গর্বিত প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হিসাবে। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তিনি তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তার তিন ওয়ার্ডের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এলাকার বিশেষ বিশেষ সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন। যেহেতু মহিলা কাউন্সিলরদের তেমন কাজ থাকে না তবুও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আগামীতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। তিনি জানান, তার তিন ওয়ার্ডের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। তার তিন ওয়ার্ডই জলাবদ্ধ প্রবন এলাকা তাই মেয়র ও সাধারন(পুরুষ)কাউন্সিলরের সহযোগিতা নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। তিনি বিগত পাঁচ বছরে মেয়রের সহযোগিতায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করেছেন। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করে যাবেন। তার ওয়ার্ডের সাধারন(পুরুষ) কমিশনার, মেয়র এর যৌথ সমন্বয়ে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে আমাকে মনোনয়ন দেয়া তিন ওয়ার্ডের নারীদের কে বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়ে স্বাবলম্ভি করে গড়ে তোলা। আমি এদের জীবন মান উন্নয়ন ও কল্যানে সাধ্যমত কাজ করে যাব। তিনি ২২,৩০ ও ৩১ ওয়ার্ডের জনগনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবেন। ...


জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন।

জেগে উঠুক বিবেক আর মানবতা

৩জুন,বুধবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্রগ্রামে জীবন নিয়ে চলছে ছিনিমিনি খেলা। দায়িত্বশীল সরকারী দলের নেতা,এমপি,মন্ত্রীরা নির্বিকার। কারো কোন দায়িত্ব নাই। সবাই নিজের মত চলছে, নেই কোন মানবিকতা, নেই কোন দয়া মায়া। মৃত্যুপরী হয়ে বিপন্ন আজ চট্রলবাসী। প্রাইভেট ক্লিনিক গুলো চলছে ডাক্তারদের সিন্ডিকেটে।এই সিন্ডিকেট লুফে নিচ্ছে টাকা আর টাকা।সব কিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে।নীরবে বীর চট্রলার জনগণ কাঁদছে আর মরছে।এমনকি উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম,ভাষা সৈনিক,মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,পীরে কামেল মাওলানা কাজী নুরুল ইসলাম হাশেমী রঃ ডেল্টা কেয়ার,ম্যাক্স ও মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে অবশেষে চট্রগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি হন,পরিশেষে তিনি আমাদের কাছ থেকে বিদায় নেন। তেমনিভাবে এছাক ব্রাদার্সের এমডি হাজী ইউনুস আইসিউর অভাবে মৃত্যুবরন করেন তদ্রূপ ম্যাক্স হাসপাতালের ডাঃ লুতফুল কবির করোনা রোগী হওয়া নিজ হাসপাতালে নেয়নি।এগুলো ছাড়াও অহরহ ঘটনা ঘটেছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।লাশের মিছিল চলছে।আরও ভয়ংকর হবে যা বলার উপেক্ষা রাখেনা। হাসপাতাল গুলো কত অমানবিক হলে এইরুপ কাজ করতে পারে তা চট্রলায় দেখতে পাবেন।তারা পশুর চেয়ে অধম যা বলার ভাষা নাই।কত অমানবিক নিষ্ঠুর তার প্রমাণ চট্রগ্রাম। এমনকি দেখতে পাবেন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে চট্রগ্রামে হাসপাতাল করার নামে এক গ্রুপ সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে টাকা হাতিয়ে নিয়ে নাম সর্বস্ব হাসপাতাল করেন।সেই হাসপাতালে চিকিৎসা বলতে কিছুই নাই।সব আইওয়াস।তেমনি আবার আরেকটা গ্রুপ হাসপাতালের নামে ভিন্ন কৌশলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ধান্ধায় লিপ্ত।সেই গ্রুপের সাথে আগের অনেক সদস্য দেখতে পাবেন তারা যোগ দিয়েছে যা চট্রলার জন্য খুব কষ্ট আর দুঃখজনক। চট্রগ্রামের সহজ সরল মানুষকে ঠকিয়ে তারা নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারছে।মানুষ না নিজেরা মরবে সেটা তারা টের পাচ্ছে না।চট্রগ্রাম নিউইয়র্কের মত রুপ নিচ্ছে।তাদের মানবতা ও দেশপ্রেমের অভাবে প্রিয় চট্রলা জ্বলে পুড়ে ছারখার। আজ চট্টগ্রামে বড়ই ক্রাইসিস চলছে তা বলার ভাষা নাই।কি হবে প্রিয় চট্রলার? কেমন ভাবে এই নিষ্টুর মানুষরুপী দানবের হাত থেকে রক্ষা পাবে? কখন মানুষের রক্ত চুষা শেষ হবে?সেটাই চট্রলার জনগণের প্রশ্ন? জাতির এ ক্রান্তিলগ্নে সচেতন,সাহসী আর দেশপ্রেমিক মানুষের এগিয়ে আসার বিকল্প নেই। লেখক: তসলিম উদ্দিন রানা, সাবেক ছাত্রনেতা।

আজকের মোট পাঠক

32772
O relaxamento vascular leva a um aumento na perfusão sanguínea, após o que os sintomas da hiperplasia prostática benigna são reduzidos.cialis tadalafil buy online White or white with a slightly yellowish tinge with a characteristic odor.cost of cephalexinIt is difficult and slow to dissolve in water, almost insoluble in alcohol. Cialis super active aumenta la producción de esperma, aumenta el deseo sexual.Cialis super active Sin Receta En EspañaCialis Super Asset lo ayudará en una situación difícil. Complications with prolonged use: rarely - psychoses that resemble alcoholic ones; hepatitis, gastritisCheap no Prescription disulfiramdetoxification therapy, administration of analeptics, and symptomatic therapy are necessary Nolvadex helps reduce the level of sex hormones in the blood of men and women Nolvadex online which ensures its therapeutic effect in this pathology.

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত