আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রিটেনের কনজারভেটিভ দলের নেতৃত্বে থাকার প্রশ্নে আস্থা ভোটে টিকে গেলেন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। এর ফলে আরো অন্তত এক বছর তিনি দলকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন। আগামী এক বছরের মধ্যে দলে তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন গ্রহণ করা হবে না। বুধবার রাতে ভোটাভুটিতে থেরেসা মের পক্ষে পড়েছে ২০০ ভোট আর বিপক্ষে ১১৭। আস্থা ভোটে থেরেসা মে জিতেছেন ৮৩ ভোটে। দলের ৬৩ শতাংশ এমপি ছিল তাঁর পক্ষে আর বিপক্ষে ভোট দিয়েছে ৩৭ শতাংশ। ভোটে হেরে গেলে দলের প্রধানের পদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর পদও ছাড়তে হতো তাঁকে। জয়ের পর থেরেসা মে দলের এমপিদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি এটি ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে তাঁকে সহায়তা করবে বলেও জানান। মূলত ব্রেক্সিট নিয়েই সমস্যার সূত্রপাত। থেরেসা মের মন্ত্রিসভা থেকে দু-দুজন ব্রেক্সিটবিষয়ক মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। তারপর মন্ত্রিপরিষদ ছেড়ে যান ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীও। পদত্যাগের ধারায় সর্বশেষ যোগ দেন বিজ্ঞান ও বিশ্ববিদ্যালয়বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী। এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতেই অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হন থেরেসা মে। সংসদে আস্থা ভোটের ডাক দেওয়ার জন্য দরকার ছিল ৪৮ জন কনজারভেটিভ পার্টির সংসদ সদস্যের আবেদন। টিকে থাকার জন্য থেরেসা মের দরকার ছিল ১৫৯টি ভোট। যদিও ভোটের আগেই ১৭৪ জন এমপি জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁরা মের পক্ষে ভোট দেবেন। আর প্রকাশ্যে থেরেসা মের বিরোধিতা করেছিলেন ৩৪ জন।...

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে বিজেপিকে হটিয়ে ক্ষমতায় কংগ্রেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতে বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে কংগ্রেস। গতকাল রাতে টুইটারে হার মেনে কংগ্রেসকে ইতোমধ্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। কংগ্রেস সভাপতি পদে নাম ঘোষণার ঠিক এক বছর পূর্ণ হওয়ার দিনেই জয় পেলে রাহুল। ভারতে লোকসভা ভোটের বাকি এখনও কয়েক মাস। লোকসভার আগে এই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে ধরা হয় সেমিফাইনাল। কিন্তু তার আগেই থেমে গেল নরেন্দ্র মোদীর বিজয়রথ। গোটা দেশের হিন্দি-বলয়ের রাজস্থান এবং ছত্তীসগঢ়ে বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতায় ফিরল কংগ্রেস। মোদী-জমানায় প্রথম বার হিন্দি-বলয়ের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে বিজেপিকে হারালেন রাহুল। ঘোষিত ফলে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটে কোনটাতেই কংগ্রেসের চেয়ে বেশি আসন পায়নি বিজেপি। মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্রিশগঢ়, তেলঙ্গানা, মিজোরাম সব কটি রাজ্যে বিজেপির চেয়ে অনেক বেশি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশের ২৩০ আসনের মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছে ১১৪টি আসন। সেখানে বিজেপি পেয়েছে ১০৯টি। রাজস্থানেও বিজেপির চেয়ে বেশ এগিয়ে কংগ্রেস। এখানকার ২০০ আসনের ১০১টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। সেখানে বিজেপি পেয়েছে মাত্র ৭৩টি আসন। ছত্রিশগড়ে মাত্র কয়েকটি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। এখানকার ৯০ আসনের মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছে ৬৮টি আসন। আর তেলাঙ্গানাতে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে টিআরেএস। এখানে বিজেপি পেয়েছে মাত্র একটি আসন। সেখানে কংগ্রেস ও টিডিপি জোট পেয়েছে ২১ আসন। মিজোরামেও বিজেপির চেয়ে এগিয়ে কংগ্রেস। এ রাজ্যে মোট আসন সংখ্যা ৪০টি। এখানে অবশ্য সবচেয়ে বেশি পেয়েছে এমএনএফ ২৬ আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ৫টি। আর বিজেপির্ পেয়েছে মাত্র একটি আসন। যদিও মাত্র দুইটি আসনের জন্য রাজস্থানে কংগ্রেস একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। আর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে মধ্যপ্রদেশে রাত পর্যন্ত ম্যাজিক সংখ্যার নীচেই থেকে গিয়েছে দুইদল। সেখানেও সরকার গড়া নিয়ে নিশ্চিত কংগ্রেস। কারণ, অখিলেশ, মায়াবতীর দল সেখানে আসন পেয়েছে, যা সরকার গড়ার অন্যতম চাবি হয়ে উঠেছে। মোদীর প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ গতকালই বলেছিলেন, সব রাজ্যেই জিতবে বিজেপি। সকালে সংসদে গেলেও ভোটের ফল স্পষ্ট হওয়ার পরে তাঁকে আর দেখা যায়নি। পাঁচ বছর আগে এ রকমই এক ডিসেম্বর মাসে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ আর ছত্তীসগঢ়ে বিধানসভা নির্বাচনে মোদী-ঝড়ে বিপুল ভোট বিজেপি ক্ষমতাসীন হয়েছিল। নির্বাচনের ফলে স্বাভাবিক ভাবেই উজ্জীবিত কংগ্রেস। দলের নেতাদের মতে, ২০১৮-র এই ভোটই ২০১৯-এর ভোটের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দিল। ঠিক যেমন হয়েছিল ২০১৩ সালে।...

ফ্রান্সে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ,আহত ১২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কড়া নিরাপত্তার মাঝেও ফ্রান্সে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবার রাজধানী প্যারিসের বিভিন্ন রাস্তায় জড়ো হয়ে পুলিশি বেস্টনিতে প্রতিবাদ করেন ইয়েলো ভেস্ট পরিধান করা হাজারো বিক্ষোভকারী। আন্দোলনের একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় আন্দোলনকারীদের অনেকেই গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে প্রতিবাদকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস, পেপার স্প্রে ও রাবার বুলেট ছুড়ে পুলিশ। সংঘর্ষে অন্তত ১২৬ জন আহত হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সারা দেশে আটক করা হয় এক হাজার বিক্ষোভকারীকে। চার সপ্তাহ ধরে চলে আসা এই সহিংস বিক্ষোভের কারণে আইফেল টাওয়ার এবং পর্যটক-প্রিয় অন্যান্য জায়গায় প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর হাজার হাজার লোক মোতায়েন রয়েছে। এদিকে, ফ্রান্সের পর ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে নেদারল্যান্ড এবং বেলজিয়ামেও।...

তালেবান হামলায় আফগানিস্তানে ১৪ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত প্রদেশে দুটি সেনা ফাঁড়িতে তালেবান হামলায় অন্তত ১৪ সেনা নিহত হয়েছেন। শুক্রবার এক প্রাদেশিক কর্মকর্তা জানান, হামলার পর ২১ সেনাকে বন্দি করে নিয়ে গেছে তালেবানরা। হেরাত প্রাদেশিক কাউন্সিলের সদস্য নাজিবুল্লাহ মোহেবি জানান, বৃহস্পতিবার শেষ রাতের দিকে শিনধান্দ জেলায় হামলা শুরু হয়। ছয় ঘণ্টা সংঘর্ষ চলায় আরও সেনা সদস্য সেখানে হাজির হয়। কিন্তু তার আগেই তালেবানরা ২১ সেনাকে বন্দী করে নিয়ে যায়। তবে আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গফুর আহমেদ জাওয়িদ নিহত ও আহত সেনার সংখ্যা ১০ বলে দাবি করেছেন। হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শিনধান্দ জেলার প্রধান হেকমতুল্লাহ হেকমাত জানান, হামলায় অন্তত ২০০ তালেবান যোদ্ধা অংশ নেয়। তারা রকেটচালিত গ্রেনেড ও স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। সংঘর্ষে অন্তত ৩০ তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে। শুক্রবার সংঘর্ষ ১২ কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি কক্ষে সৈন্যদের বন্দী করে রাখা হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা ...

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস স্মরণে আলোচনা সভা

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের স্মরণে আলোচনা সভা বঙ্গবন্ধু একাডেমি কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ফজল আহমদ। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কাউন্সিলর আবিদা আজাদ। বঙ্গবন্ধু একাডেমির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক বিপ্লব দাশগুপ্তের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল্লাহ বাহার, মুক্তিযোদ্ধা বাদশা মিঞা, মুক্তিযোদ্ধা দয়াল হরি দে, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা এস এম আবু তাহের, সৈয়দ দিদার আশরাফী, আলী আহমেদ শাহিন, মোহাম্মদ এজাহারুল হক, প্রবণরাজ বড়–য়া, কাজী মোহাম্মদ আইয়ূব, রোজী চৌধুরী, ইউনুস মিঞা, মোঃ তিতাস, জামাল উদ্দিন কান্টু, ফারুকুল ইসলাম, আবদুল হান্নান হীরা, সালমা আকতার শীলা, ফারহানা শান্তা, রিয়ান রাজু প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পুুরো সময়টুকুতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের জ্ঞানীগুণী ও মুক্তিবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষদের হত্যা করা হয়েছিল উল্লেখ করে বক্তারা আরো বলেন, পাকিস্তানি দোসরদের অমানবিক নির্যাতনে অনেক শিক্ষাবিদ এখনো পঙ্গুত্ব জীবন যাপন করছেন। বক্তারা বলেন যুদ্ধাপরাধীর বিচার বাংলাদেশের হয়েছে এর সাথে শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের দোষী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে আইননের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির দাবি জানান। বক্তারা আরো বলেন আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচন অতিবগুরুত্বপূর্ণ। দেশরতœ শেখ হাসিনার উন্নয়ন সমৃদ্ধির বাংলাদেশকে ব্যাপকতরভাবে বাস্তবায়নের জন্য ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে নৌকা মার্কা প্রতীকের ভোট দিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্রে আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটকে ক্ষমতায় বসাতে পারলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা চলমান থাকবে। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে স্মরণ সভা সমাপ্তি ঘটে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি ...

কাভার্ডভ্যান চাপায় তিনজন নিহত

অনলাইন ডেস্ক: ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় কাভার্ডভ্যানের চাপায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো একজন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার চুরখাই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুজনের নাম জানা গেছে। তাঁরা হলেন কৃষক জাকির হোসেন ও কৃষিশ্রমিক আবদুল খালেক। দুর্ঘটনায় আহত একজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা আবদুর রহমান এনটিভি অনলাইনকে বলেন, সকালে জাকির হোসেন কৃষিশ্রমিক খালেককে নিয়ে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় পেছন থেকে একটি কাভার্ডভ্যান তাঁদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। আহত দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে আরো একজন মারা যান। লাশ দুটো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা।...

চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন

অনলাইন ডেস্ক: দেশের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জনগণ আবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনবে বলে বিশ্বাস করেন কুমিল্লা-৮ আসনের সাবেক সাংসদ ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাছিমুল আলম চৌধুরী নজরুল। তিনি বলেন,জনগণ কখনও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের সার্বিক উন্নয়নকে অস্বীকার করতে পারবে না। তারা আবার তাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করবে। মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লার একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নাছিমুল এসব কথা বলেন। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এসময় তিনি তার নির্বাচনী এলাকার জণগনকে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন,নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে আসনটি ছেড়ে দিয়েছিলাম। আসন্ন নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী আবার আমাকে প্রার্থী করেছেন। নির্বাচিত হয়ে উন্নয়নের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সেই আস্তার প্রতিফলন ঘটাতে চাই। নাছিম বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকাকে মাদকে গ্রাস করে ফেলেছে। আমি দায়িত্বে থাকাকালে এখান থেকে মাদক বিতাড়িত করেছিলাম। দেশের এতো উন্নয়নেও নেতৃত্বের অভাবে এই আসনটি এতদিন অবহেলিত ছিল। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এলাকাটিকে আবার নতুন করে সাজাব।...

কেরানীগঞ্জ ঢাকা-২ আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় খাদ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: কেরানীগঞ্জে ঢাকা-২ আসনের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে এই সভায় যোগ দেন তিনি। এই সভাতে বক্তব্য রাখেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ। তিনি ভেদাভেদ ভুলে ঢাকা-২ আসনে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) উপজেলা কমপ্লেক্সে কর্মী সমাবেশে এডভোকেট কামরুল ইসলামের নির্বাচনী এলাকা কেরানীগঞ্জ-২ আসনের জন্য ভোট চেয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় বক্তারা জনগণকে একত্রিত হয়ে নৌকায় ভোট দেবার আহ্বান জানান। নির্বাচনী প্রচারণায় মঙ্গলবার বিকেল ৬টায় এডভোকেট কামরুল ইসলাম কলাতিয়া যাবেন। সাভার উপজেলার আমিনবাজার ইউনিয়ন, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ও ভাকুর্তা ইউনিয়ন, কেরানীগঞ্জ উপজেলার কিছু অংশ, কামরাঙ্গীরচর ও হাজারীবাগ থানার সুন্দরগঞ্জ ইউনিয়ন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নং ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-২ আসন গঠিত।...

গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত শ্রীপুর থানার এসআইর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুর রহমান (৪৫) মারা গেছেন। গতকাল সোমবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবদুর রহমান মারা যান বলে পুলিশ জানিয়েছে। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার পুলাইদ গ্রামের আবদুল হালিমের ছেলে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদুল ইসলাম ও মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি দেলোয়ার হুসেন জানান, দেড় মাস আগে শ্রীপুর মডেল থানায় যোগদান করেন আবদুর রহমান। গত শনিবার রাতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের মাওনা থেকে গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ী এলাকায় অন্য সহকর্মীদের সঙ্গে স্পেশাল নাইট ডিউটিতে ছিলেন তিনি। তাঁদের পরিবহনের কাজে একটি লেগুনা গাড়ি নিয়োজিত ছিল। ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে মাস্টারবাড়ী থেকে মাওনা চৌরাস্তার দিকে যাওয়ার পথে মাওনা ফ্লাইওভারের দক্ষিণে নোমান উইভিং কারখানার সামনে পৌঁছে পুলিশবাহী লেগুনাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সে সময় ময়মনসিংহগামী লেনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা খায় লেগুনাটি। এতে এসআই আবদুর রহমান গুরুতর আহত হন। আহত আবদুর রহমানকে উদ্ধার করে স্থানীয় আল-হেরা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানেই সোমবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।...

নৌকাকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : মুহিত

অনলাইন ডেস্ক :অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশের শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার ধারাকে সমুন্নত রাখতে নৌকাকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট মনোনীত প্রার্থী ড. এ. কে আব্দুল মোমেনের নৌকা প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার লক্ষ্যে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন মুহিত।আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, আওয়ামী লীগ গণমানুষের দল। এদেশে যতসব ভালো অর্জন সবই আওয়ামী লীগের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সবসময়ই জনকল্যাণে নিবেদিত একটি রাজনৈতিক সংগঠন। তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সততা ও নিষ্ঠার সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার বিগত ১০ বছরে সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে -যা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। দেশের চলমান উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনেও নৌকা প্রতীকে ভোট প্রদানের জন্য সকলের কাজে আবেদন জানান অর্থমন্ত্রী।...

মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশের সম্পদ : মেয়র

আগামী প্রজন্মকে মেধাবী ও সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২২ ডিসেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আ জ ম নাছির উদ্দিন মেধাবৃত্তি পরীক্ষা। পরীক্ষায় অংশ নিতে ইতোমধ্যে ফরম সংগ্রহ করেছেন তৃতীয় থেকে নবম শ্রেণীর ২ হাজার ৬৩১ জন শিক্ষার্থী। আ জ ম নাছির উদ্দীন শিক্ষা ও বৃত্তি পরিষদের প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিষদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।প্রস্তুতি সভায় মেয়র বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশের সম্পদ। তাদের মাধ্যমে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি আসবে। গরীব ও অসহায় শিক্ষার্থীদের আমি সহযোগিতা করবো।সভায় জানানো হয়, ২২ ডিসেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আ জ ম নাছির উদ্দীন শিক্ষা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা চলবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ, কাপাসগোলা সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বাগমনিরাম আবদুর রশীদ সিটি করপোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় অংশ নেবে নগরের ৮৪টি স্কুলের ২ হাজার ৬৩১ জন শিক্ষার্থী। এতে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন চসিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান। পরীক্ষার পরপরই সব উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে ওইদিনই ফলাফল প্রস্তুত করা হবে। ফলাফল স্ব-স্ব বিদ্যালয়ে এবং স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে প্রচার করা হবে।আ জ ম নাছির উদ্দীন শিক্ষা পরিষদ সভাপতি ফয়সল বাপ্পির সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চসিক শিক্ষা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা এবং স্বাস্থ্য রক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের প্রাক্তন স্কুল পরিদর্শক অধ্যাপক আলী হোসেন, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক অপর্ণাচরণ সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জারেকা বেগম, সুকুমার দেবনাথ, এশিয়ান আবাসিক স্কুল এন্ড কলেজ এর উপাধ্যক্ষ দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম পত্রিকার সাংবাদিক লায়ন এইচ এম ওসমান সরোয়ার, জয় নিউজ সম্পাদক অহীদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, মো. ঈছা, রায়হান ইউসুফ, তিমির বরণ চৌধরী, কে এম শহিদুল কাউসার, রিদুয়ানুল ইসলাম, দিদারুল আলম, আব্দুল আল সুমন ,ইমরান হোসাইন ও আব্দুল্লাহ আল একে খান।এর আগে আ জ ম নাছির উদ্দিন মেধাবৃত্তি পরীক্ষার জন্য ৫ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি এবং ১১ সদস্যের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়।উপদেষ্টা কমিটিতে রয়েছেন চসিক শিক্ষা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা এবং স্বাস্থ্য রক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের প্রাক্তন স্কুল পরিদর্শক অধ্যাপক আলী হোসেন, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক এবং অপর্ণাচরণ সিটি করপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জারেকা বেগম।ব্যবস্থাপনা কমিটিতে বাগমনিরাম আবদুর রশিদ সিটি করপোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুকুমার দেবনাথকে আহবায়ক এবং ফতেয়াবাদ শৈলবালা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কমলেশ ধরকে সদস্য সচিব করা হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি ...

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ির ফল প্রকাশ ২৪ ডিসেম্বর

অনলাইন ডেস্ক: পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল আগামী ২৪ ডিসেম্বর (সোমবার) প্রকাশিত হবে। একই দিনে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলও প্রকাশ হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার (১১ ডিসেম্বর) সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানান। পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় এবার প্রায় ৫৭ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত ১৮ নভেম্বর শুরু হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শেষ হয় ২৬ নভেম্বর। ছয়টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দেয়া হয়। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীতে এ বছর ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ১২৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৭ লাখ ৭৭ হাজার ২৭০ জন। আর ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ লাখ ১৭ হাজার ৮৫৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা ১ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হয় ১৫ নভেম্বর। সারাদেশে এবার ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশে নেয়। আট বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে ২২ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৩ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে ৪ লাখ ২ হাজার ৯৯০ জন পরীক্ষা দেয়। এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য ২৬ থেকে ২৭ ডিসেম্বর এবং জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল ২৫-২৭ ডিসেম্বর বা সুবিধাজনক সময়ের মধ্যে প্রকাশের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুরোধ-প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২৪ ডিসেম্বর ফল প্রকাশের জন্য সময় দেয়া হয় বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। গত কয়েক বছর ধরে একই দিন দুই সামপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছিল। রেওয়াজ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর হাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী কর্মকর্তাদের নিয়ে ফলের অনুলিপি তুলে দেন। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে দুই মন্ত্রণালয় পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশ করে। এরপরই ফল জানতে পারে পরীক্ষার্থীরা।...

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক মাশরাফি!

ক্রীড়া ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক কে? চোখ বুঝে নিশ্চয় আপনিও বলতে পারবেন তার নাম। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। সবার প্রিয় অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। শুধু জনপ্রিয়তার দিক থেকেই নয়। পারফরমেন্সের গুণেও তিনি সবার ওপরে। সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাসার সুমনের সমান ৬৯ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ দলকে জিতিয়েছেন রেকর্ড ৩৯টি ম্যাচে। যা অধিনায়ক হিসেবে এত ম্যাচ জয়ের রেকর্ড নেই অন্য কারও। ১০ জুলাই ২০১০ ইংল্যান্ডের দম্ভ চূর্ণ করে লাল সবুজের বাংলাদেশ ক্রিকেট। ব্রিস্টলে ঐতিহাসিক ঐদিনে বাংলাদেশ সব টেস্ট খেলুড়ে দলকে হারানোর কোঠা পূরণ করে। যার নেতৃত্বে ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। দলকে স্বপ্নীল জয় এনে দেওয়া মাশরাফি/ ব্যাট বলের অসামান্য অবদানে হয়েছিলেন ম্যাচ সেরা। ২০০৯ সালেই অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। কিন্তু, ইনজুরির কারণে ছিটকে যেতে হয়েছে মাঠের বাইরে। এরপর ফিরলেন আবারো পড়লেন ইনজুরিতে। পরে অনেকটা ফিট হয়ে উঠেছিলেন। বুক ভরা স্বপ্ন দেখেছিলেন। ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপ খেলবেন। কিন্তু, অদৃশ্য এক কারণে খেলা হয়নি। তখনই ম্যাশের শেষ দেখেছিলেন অনেকেই। কিন্তু জীবন যুদ্ধে পরাজিত হননি নড়াইল এক্সপ্রেস। পুনরায় ২০১৪ সালে পেলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব তিনি। এরপর থেকেই দুরন্ত দুর্বার গতিতে ছুঁটে চলছে নড়াইল এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন। জং পড়েনি কখনো। বরং, অবীরাম লাল সবুজের কেতন উড়িয়েছেন ক্রিকেট বিশ্বের মানচিত্রে। মাশরাফী মানুষটি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্তপ্রাণ। অনুজদের শাসন বারনে আপসহীন। ঠিক তেমনি /ভালোবেসে বুকে নিয়ে সাহস জুগিয়েছেন বারবার। তার নেতৃত্ব গুনেই বাংলাদেশ এখন বিশ্ব ক্রিকেটে ওয়ানডেতে পরাশক্তি দল। এই তো ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাসারকে পেছনে ফেলেছেন ম্যাশ। বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটে ৩৫৪ ম্যাচের এর মধ্যে ১৩জন অধিনায়ক টাইগারদের নেতৃত্বে দিয়েছেন। যাদের মধ্যে মাশরাফি সবার ওপরে। বাসারের সমান ৬৯ ম্যাচ খেলে সবচেয়ে বেশি ৩৯টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ড ম্যাশের। সাকিব, আশরাফু মুশফিকরা আছেন পেছনে। আর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েও একটি জয় দলকে এনে দিতে পারেননি এমন অধিনায়ক আছেন পাঁচজন। পরিসংখ্যানে স্পটই নেতৃত্বগুণে মাশরাফি এখন পর্যন্ত সর্বকালের সেরা অধিনায়ক। বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলবেন ম্যাশ। তার নেতৃত্বে গুণে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সবারই শুভ কামনা থাকছে বিশ্ব ক্রিকেট বাংলাদেশ পৌঁছাবে দূর বহু দূরে।...

বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় উইন্ডিজ

ক্রীড়া ডেস্ক: প্রথম ওয়ানডে জিতে এগিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডে জিতলেই তিন ম্যাচের সিরিজ উঠে যেত টাইগারদের ঘরে। কিন্তু শাই হোপের ব্যাটে আশার বেলুন চুপসে গেল মাশরাফিদের। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সমতায় ফেরালেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। ফলে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচ পরিছত হলো অঘোষিত ফাইনালে। স্বাগতিক বাংলাদেশের ছুঁরে দেয়া ২৫৬ রানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে উইন্ডিজ। নিজের প্রথম স্পেলে প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই চন্দ্রপল হেমরাজকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর প্রতিরোধ গড়েন শাই হোপ এবং ড্যারেন ব্রাভো। তাদের প্রতিরোধ ভাঙেন রুবেল হোসন। ৪৩ বলে এক চার, এক ছক্কায় ২৭ রান করা ব্রাভো সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে ফেরৎ পাঠান রুবেল। ৭০ রানে ২ উইকেট হারানো ক্যারিবীয়দের ইনিংস নতুন করে গোছাতে চেষ্টা করে শাই হোপ আর মারলন স্যামুয়েলস। প্রথম ওয়ানডেতে ৭ রানের জন্য হাফসেঞ্চুরি মিস করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ভুল করেননি শাই হোপ। ক্যারিয়ারের ৮ম অর্ধ শতক তুলে নেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। স্যামুয়েলসের হোপের ৬২ রানের জুটির ভেঙে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। মুশফিকের হাতে ধরা পড়ে বিদায় নেয়ার আগে ২৭ রান করেন স্যামুয়েলস। পরের ওভারেই আরও একটি উইকেট পেতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু রুবেল হোসেনের করা ৩০তম ওভারের ৫ম বলটি হেটমায়ারের ব্যাটে লেগে উপরে উঠে গেলেও তালুবন্দি করতে পারেননি ইমরুল কায়েস। উল্টো আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন এই ওপেনার। তবে হেটমায়ারকে বেশি দুর এগোতে দেননি মোস্তাফিজুর রহমান। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার মুহুর্তেই এই উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান শিকার করেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার। বদলি খেলোয়াড় নাজমুল ইসলামের তালুবন্দি হওয়ার আগে ১০ বলে ১৪ রান করেন তিনি। পরের ওভারে বল হাতে আক্রমণে আসেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ক্যারিবীয় দলপতি রোভম্যান পাওয়েলকে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন নড়াইল এক্সপ্রেস। এরপর আবার আঘাতা হানেন মোস্তাফিজ। এবার ফিজের শিকার হন রোস্টন চেজ। তামিমের হাতে ধরার পড়ার আগে ৯ রান করেন এই ক্যারিবীয় পেসার। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে উইন্ডিজকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন শাই হোপ। দলের বিপর্যয়ে একাই লড়াই চালিয়ে যান তিনি। শুধু তাই নয়, ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ক্যারিবীয় এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ১৪৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে তবেই মাঠ ছাড়লেন শাই হোপ। বাংলাদেশ হারল ৪ উইকেটে। সিরিজে সমতা ফেরাল উইন্ডিজ। এর আগে নিজেদের শততম ওয়ানডে খেলতে নামেন মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মাইলফলকের ম্যাচে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেন সাকিব, মুশফিক এবং তামিম ইকবাল। তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। তাদের হাফ সেঞ্চুরিতে ভর করে ৭ উইকেটে ২৫৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ দল। সাকিব ৬২ বলে সর্বোচ্চ ৬৫, তামিম ৬৩ বলে ৫০ এবং মুশফিক করেন ৮০ বলে ৬২ রান। উইন্ডিজের পক্ষে ওশানে থমাস সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া রোভম্যান পাওয়েল, কেমার রোচ, দেবেন্দ্র বীশু ও কেমো পল একটি করে উইকেট নিয়েছেন। ...

রাজপথে একঝাঁক তারকা নৌকার প্রচারে

বিনোদন ডেস্ক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশব্যাপী এখন নির্বাচনের আমেজ।নির্বাচনী ডামাডোলে শামিল হয়েছেন একঝাঁক তারকা শিল্পী। আগামী নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করার আহ্বান জনগণের কাছে। নৌকার প্রচারে রুপালি জগতের একঝাঁক তারকার সঙ্গে শামিল নামকরা চিত্রশিল্পী, সঙ্গীতশিল্পী, নাট্যকর্মী, খেলোয়াড়রা। বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ঢাকার বিভিন্ন সড়দে কাভার্ডভ্যানে করে নৌকার পক্ষে প্রচারপত্র বিলি করতে নামেন তারা। নৌকার প্রচারে আজ রাজপথে শামিল ছিলেন জাহিদ হাসান, শাকিল খান, অরুণা বিশ্বাস, বাঁধন, নূতন, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, তানভীন সুইটি, মাহফুজ, তারিন, শামীমা তুষ্টি, এস ডি রুবেল, সায়মন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন স্বনামখ্যাত অভিনেতা সৈয়দ হাসান ইমাম, কবি তারিক সুজাত, এক সময়ের তারকা ফুটবলার সত্যজিৎ দাস রুপুসহ আরো অনেকে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে নৌকাকে জয়ী করতে তারকাসমৃদ্ধ এই প্রচারাভিযান উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এই প্রচণ্ড রোদের মধ্যে আপনারা বসে আছেন, এটা একটা চেতনার বিষয়, আদর্শের বিষয়। এই আদর্শ, চেতনা, মূল্যবোধ আপনাদের এখানে বসিয়ে রেখেছে। এতে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচনে আমরাই বিজয়ী হব। নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাভূত করবে সাংস্কৃতিক চেতনা- এই আশাবাদ প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‌'আজকে শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের সবাই বসে আছেন একটি চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে। আমাদের দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন এখন মরাগাঙ্গ নয়। সারা দেশের নৌকার যে গণজোয়ার তা আছড়ে পড়ছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। নবমুকুটে তারা আবার পরাজিত করবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে, আমরাই আবার বিজয়ী হবো। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিকে আবার একাদশ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ের মাসে পরাজিত করার শপথে প্রচারে নামার আহ্বান জানান তিনি। একাত্তর সালে আমরা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে পরাজিত করেছি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরেও আমরা এই পরাজিত শক্তিকে পরাজিত করার শপথ নিয়েই প্রচার শুরু করব, এই হবে আজকে আমাদের শপথ।' ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলার মাটিতে আজও সেসব সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আছে, তাদের মধ্যে জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে অনেকেই বাই চান্স মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মতো ২০১৮ সালেও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নৌকার জোয়ার উঠেছে বলে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, 'সাংস্কৃতিক অঙ্গন আজ জেগে উঠেছে নব জোয়ারে। ১৯৭১ সালের মতো সংস্কৃতি অঙ্গন ২০১৮ সালেও জেগে উঠেছে। আসুন, বিজয়ের মাসে আমরা আরেকটি বিজয় ছিনিয়ে আনি। বিএনপি শিবিরে ‘গণভাটা’ পড়েছে বলে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, একদিকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী গণজোয়ার শুরু হয়েছে, আরেক দিকে বিএনপিতে গণভাটা। নির্বাচনের দিন যতই এগুচ্ছে তারা ততই পরাজয়ের দিকে যাচ্ছে। বক্তব্য শেষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় প্রচারাভিযান শুরু হয়। এই শোভাযাত্রা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে, শাহবাগ, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেইট, জাতীয় সংসদ ভবন হয়ে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর গিয়ে শেষ হয়। আটটি ট্রাক থেকে দেশের তারকা শিল্পীরা সাধারণ মানুষের কাছে আওয়ামী লীগের প্রচারপত্র বিলি করেন। এতে তুলে ধরা হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের ১০ বছরের উন্নয়নচিত্র। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান প্রমুখ।...

পরীমনি আসছেন প্রীতি হয়ে ১৩ ডিসেম্বর

বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি কিছুদিন আগেই কাজ করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত প্রীতি শিরোনামের একটি ওয়েব সিরিজে-এ খবর পুরোনো। নতুন খবর হলো আগামী ১৩ ডিসেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে এই ওয়েব সিরিজটি। প্রীতি শিরোনামের এই ওয়েব সিরিজটিতে পরীমনিকে একজন অনুসন্ধানী প্রতিবেদকের চরিত্রে দেখা যাবে। এ প্রসঙ্গে পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম বলেছেন,পরীমনির সঙ্গে স্বপ্নজাল এ কাজ করতে গিয়ে মনে হয়েছে, যেকোনো চরিত্রে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আছে তার। তাই সিরিজটিতে পরীমনিকে নেওয়া। পরীমনি আবারও তার অভিনয় যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। ১৩ ডিসেম্বর এটি মুক্তি পাবার পর আশা করছি দর্শকরাও এটি পছন্দ করবেন। সম্প্রতি প্রীতি নামের এই ওয়েব সিরিজটির ফার্স্ট লুক প্রকাশ করা হয়েছে। আর প্রীতি প্রথম লুকেই দর্শকদের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। এই ওয়েব সিরিজটিতে আরও অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, সূচনা আজাদ, শহীদুল আলম সাচ্চু, রহমত আলী, মোমেনা চৌধুরী, সুজাত শিমুল, কালিন্দী কনা, আমিরুল ইসলামসহ অনেকে।...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে

বর্ষা মৌসুম তারপরও ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার। সৈকত শহরের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেষ্টহাউজ ও কটেজ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও শেষ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশও। রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় প্রথমে পর্যটকের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কক্সবাজারে। তবে সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান। হোটেল কর্তৃপক্ষও পর্যটকদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ শেষ করছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তারা আশা , প্রতি বছরেই মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ভালো ব্যবসা হবে। বর্ষা মৌসুম তাই সাগর উত্তাল থাকবে। এক্ষেত্রে অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে স্নান ও নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেন হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের এ নেতা। কক্সবাজার হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, 'সমুদ্র উত্তাল থাকবে। এখানে লাইফগার্ড ও পুলিশ ট্যুরিস্টদের তৎপরতাটা বৃদ্ধি করলে আমার মনে হয়, যারা কক্সবাজারে আসবেন তারা নিবিঘ্নে এখান থেকে ফিরতে পারবেন।' আর ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা জানালেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।...

চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন নিয়েছেন যারা

অনলাইন :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ২২৫ এবং বিএনপির ৯৭ জন এ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র : মানবজমিন।আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু জানান, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২২৫ জন। যা প্রতিটি আসনে গড়ে ১৪ জনে পৌছেছে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২৬ জন। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৫ জন। এরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, একই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, তাঁর ছেলে মো. শোয়েব রিয়াদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি বেগম ফাতেমা বাদশা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাকলিয়া-কোতোয়ালীর ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটি চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হিসেবে বিবেচিত। এরপর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, সাবেক এমপি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বেগম নুরী আরা ছাফা, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাবেক পিজিআর প্রধান কর্নেল (অব.) আজিমুল্লাহ বাহার চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, সরোয়ার আলমগীর, চসিকের কাউন্সিলর জেসমিনা খানম ও শিল্পপতি রফিকুল আলম চৌধুরী। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, প্রয়াত সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমসহ ২৫ জন। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. মোহসিন জিল্লুর করিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এহছানুল মৌলা, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন, মোক্তার আহমেদ ও চন্দনাইশ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ ২৩ জন। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউপি) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, তাঁর ভাতিজা শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, কুতুব উদ্দিন বাহার, ইলিয়াছ চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত, মোহাম্মদ আইয়ুব, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এ মুরাদ চৌধুরী ও এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জন। আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, বিএমএ নেতা ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক চৌধুরীর ছোট ভাই ওসমান গণি চৌধুরীসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, গোলাম আকবর খোন্দকার, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার ও এডভোকেট ফরিদা আকতার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, তাঁর পুত্র ব্যরিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরীসহ ১০ জন। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক যুবদল নেতা কাজী বেলাল উদ্দীন, নগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন, বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদসহ ১৬ জন। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালামসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ আলী আব্বাস, আবু মোহাম্মদ নিপার, মোস্তাফিজুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক সালাউদ্দিন সুমন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড-কাট্টলী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তি, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, সাবেক সচিব ও আইজিপি এ আই ওয়াই বি সিদ্দিকী, এ কে এম আবু তাহের বিএসসি, উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী, পারভেজ মুন্না, মোহাম্মদ ফেরদৌস মুন্না ও দিদারুল আলম দিদার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়াসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান জুয়েল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ সাদাত আহমদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, এনামুল হক এনাম ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, বিজিএমইএ নেতা মোহাম্মদ নাছিরসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মো. মহিউদ্দীন, প্রচার সম্পাদক নাজমুল মোস্তফা আমিন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল গফফার চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীসহ ১৮ জন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, সাবেক পৌর মেয়র ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মহিলা দল নেত্রী মাহমুদা সুলতানা চৌধুরী ঝর্ণা প্রমুখ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শিল্পপতি আবদুল্লাহ কবির লিটনসহ ১২ জন । চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক এমপি এম. এ জিন্নাহ, মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, মেজর (অব.) নুরুল মোস্তফা, সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম লতিফী, সাবেক ছাত্রদল নেতা সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, ড. এম এম এমরান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ফখরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমান চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল এবং ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ এলিটসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ফোরকান উদ্দিন রিজভী, উপজেলা বিএনপি সদস্য নুরুল মোস্তফা খোকন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট আবদুল হামিদ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আশরাফ উদ্দিন জনি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাসহ ১৪ জন।...

চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন নিয়েছেন যারা

অনলাইন :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ২২৫ এবং বিএনপির ৯৭ জন এ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র : মানবজমিন।আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু জানান, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২২৫ জন। যা প্রতিটি আসনে গড়ে ১৪ জনে পৌছেছে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২৬ জন। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৫ জন। এরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, একই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, তাঁর ছেলে মো. শোয়েব রিয়াদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি বেগম ফাতেমা বাদশা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাকলিয়া-কোতোয়ালীর ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটি চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হিসেবে বিবেচিত। এরপর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, সাবেক এমপি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বেগম নুরী আরা ছাফা, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাবেক পিজিআর প্রধান কর্নেল (অব.) আজিমুল্লাহ বাহার চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, সরোয়ার আলমগীর, চসিকের কাউন্সিলর জেসমিনা খানম ও শিল্পপতি রফিকুল আলম চৌধুরী। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, প্রয়াত সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমসহ ২৫ জন। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. মোহসিন জিল্লুর করিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এহছানুল মৌলা, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন, মোক্তার আহমেদ ও চন্দনাইশ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ ২৩ জন। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউপি) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, তাঁর ভাতিজা শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, কুতুব উদ্দিন বাহার, ইলিয়াছ চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত, মোহাম্মদ আইয়ুব, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এ মুরাদ চৌধুরী ও এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জন। আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, বিএমএ নেতা ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক চৌধুরীর ছোট ভাই ওসমান গণি চৌধুরীসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, গোলাম আকবর খোন্দকার, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার ও এডভোকেট ফরিদা আকতার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, তাঁর পুত্র ব্যরিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরীসহ ১০ জন। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক যুবদল নেতা কাজী বেলাল উদ্দীন, নগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন, বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদসহ ১৬ জন। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালামসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ আলী আব্বাস, আবু মোহাম্মদ নিপার, মোস্তাফিজুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক সালাউদ্দিন সুমন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড-কাট্টলী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তি, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, সাবেক সচিব ও আইজিপি এ আই ওয়াই বি সিদ্দিকী, এ কে এম আবু তাহের বিএসসি, উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী, পারভেজ মুন্না, মোহাম্মদ ফেরদৌস মুন্না ও দিদারুল আলম দিদার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়াসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান জুয়েল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ সাদাত আহমদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, এনামুল হক এনাম ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, বিজিএমইএ নেতা মোহাম্মদ নাছিরসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মো. মহিউদ্দীন, প্রচার সম্পাদক নাজমুল মোস্তফা আমিন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল গফফার চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীসহ ১৮ জন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, সাবেক পৌর মেয়র ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মহিলা দল নেত্রী মাহমুদা সুলতানা চৌধুরী ঝর্ণা প্রমুখ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শিল্পপতি আবদুল্লাহ কবির লিটনসহ ১২ জন । চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক এমপি এম. এ জিন্নাহ, মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, মেজর (অব.) নুরুল মোস্তফা, সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম লতিফী, সাবেক ছাত্রদল নেতা সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, ড. এম এম এমরান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ফখরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমান চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল এবং ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ এলিটসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ফোরকান উদ্দিন রিজভী, উপজেলা বিএনপি সদস্য নুরুল মোস্তফা খোকন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট আবদুল হামিদ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আশরাফ উদ্দিন জনি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাসহ ১৪ জন।...

বিজয় উপভোগ করবে বিজয়ের মাসে আ.লীগ: কাদের

অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বেশির ভাগ আসনে বিজয়ী হয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাসে বিজয় উপভোগ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বিজয়ের মাসে আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আরেকটি বিজয় ছিনিয়ে আনবে। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও আমরা বিজয়ী হবো ইনশাল্লাহ। ওবায়দুল কাদের আজ রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলের প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির উদ্যোগে দেশের সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচার অভিযান শুরুর আগে এক সমাবেশে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সারাদেশে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। আর বিএনপির শুরু হয়েছে গণভাটা। আওয়ামী লীগের এ গণজোয়ার দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও লেগেছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচনে প্রমাণ হবে দেশের জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৎ, সাহসী, বিচক্ষণ নেতৃত্বের সঙ্গে রয়েছে, তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী শুভ শক্তির সঙ্গে রয়েছে। জনগণ যে সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে নেই তাও প্রমান হবে। তিনি বলেন, এ নির্বাচনে আমাদের শপথ হল, একাত্তরের পরাজিত সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পরাজিত করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করা। একাত্তরে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা যেভাবে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করেছিলাম সেভাবেই জাতীয় নির্বাচনেও আমরা বিএনপি নেতৃত্বাধীন সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তিকে পরাজিত করব। কাদের বলেন, বিএনপি খুনীদের দল, দুর্নীতিবাজদের দল, যারা পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান হয়েছিল। এ দলের নেতৃত্বে রয়েছে যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত, লন্ডনে পালতক তারেক রহমান। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্না, সুলতান মনসুর, মোস্তফা মহসিন মন্টু ও কাদের সিদ্দিকীর মত রাজনীতিবিদরা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনীতিতে মূল্যবোধ যে কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের দেখলেই বোঝা যায়। নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেয়া বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, একটি চেতনাকে ধারণ করে আজ প্রখর রোদের মধ্যে দীর্ঘ সময় আপনারা যেভাবে অপেক্ষা করছেন তাতে বোঝা যাচ্ছে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবে। তিনি বলেন, দেশের সাংস্কৃতিক অংগন এখন আর মরা গাঙ নয়, জাতীয় নির্বাচনে নৌকার জোয়ার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে লেগেছে। তাই তারাও আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারে শামিল হয়েছেন। অনুষ্ঠানে নাট্য ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন শীল ঘোষাল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদ, মাহফুজ আহমেদ, জাহিদ হাসান, চিত্রনায়িকা নূতন, অরুণা বিশ্বাস, অখিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী, শমী কায়সার, আজমেরী হক বাধন, সুইটি, তারিন, অভিনেতা শাকিল খান, সাইমন, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নু, সঙ্গীত শিল্পী এসডি রুবেলসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে সংস্কৃতি কর্মীরা সুসজ্জিত বিশাল আকৃতির পাঁচটি ট্রাকে করে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বিভিন্ন দেশাত্মবোধক গান বাজানো হয় এবং বর্তমান সরকারের টানা দশ বছরের বিভিন্ন উন্নয়ন ও অর্জন ও বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের নামে নানা নাশকতার তথ্য নিয়ে তৈরি লিফলেট বিতরণ করা হয়। তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রাখা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট চান। ট্রাক বহরটি টিএসসি, শাহবাগ, বাংলা মোটর, ফার্মগেইট, মানিক মিয়া এভিনিউ হয়ে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।...

আগামী ৩০ ডিসেম্বর ব্যালেটের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগের পতন ঘটাতে হবে: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর হচ্ছে এই স্বৈরাচার সরকারের পতনের দিন। আপনরাই পারেন ব্যালটের মাধ্যমে ধানের শীষে একটি করে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদরে স্থানীয় সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাঁও মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার আবারো ক্ষমতায় আসতে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করে যাচ্ছে। দুনীর্তি, নির্যাতন, নিপীড়ন গণতন্ত্র ধ্বংস করা দিন দিন চরম পর্যায়ে পৌছাচ্ছে। জাতির এই কঠিন সংকটে নির্বাচনই হচ্ছে একমাত্র পথ, যার মাধ্যমে আমরা অবস্থার পরিবর্তন আনতে পারি। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ এখন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। জনগণ আওয়ামী লীগের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। সে কারণে তারা এখন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেছে নিয়েছে। একদিকে প্রশাসনকে ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হাজার হাজার বিএনপির নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করছে, অপরদিকে তারাই হামলা ও ভাংচুর চালাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশনের যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করার কথা ছিল, তা কোনোভাবে সম্ভব হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন যদি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায় তাহলে এ সব বন্ধ করতে হবে। বিএনপির তৃনমূল নেতাকর্মীদের ধানের শীষে ভোট দিয়ে সরকার পতন করে দেশ মাতা খালেদা জিয়াকে মুক্ত আহবান জানান মির্জা ফখরুল। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সহ-সভাপতি পয়গাম আলীসহ জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ঠাকুরগাঁওয়ে তিনদিন ধরে মির্জা ফখরুল নির্বাচনী পথসভা, জনসভা করছেন। পরে সালন্দর, রাজাগাঁও, রহিমানপুর, জামালপুর ইউনিয়নের ১৫ স্থানে পথসভায় বক্তব্য রাখবেন।...

নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন !

অনলাইন ডেস্ক :মনের মানুষটাকে কাছে পেতে কার না ভাল লাগে? কার না ইচ্ছা করে মন খুলে তার সঙ্গে ২টি কথা বলতে। কিন্তু নানা আশঙ্কায় পিছিয়ে আসেন অনেকেই। বিশেষ করে যে সমস্ত ছেলেদের দেখতে তেমন সুপুরুষ নয়, তারা অনেক সময়ই পছন্দের মেয়েটিকে খুলে বলতে পারেন না। কিন্তু জানেন কি? শুধু দেখতে সুন্দর হওয়াই মেয়েদের পছন্দের তালিকায় থাকার একমাত্র শর্ত নয়। অন্য নানা উপায়ে পছন্দের মেয়েটির মন জিততে পারেন আপনি। তাকে চিনুন রাতারাতি যেমন কারও ঘনিষ্ঠ হওয়া যায় না, তেমনই কথা শুরু না করলে কোনও দিনও তার মনের কথা জানতে পারবেন না আপনি। দূর থেকে দেখা মেয়েটির সঙ্গে সাধারণ কথাবার্তা শুরু করুন। তার ছোটবেলা, বেড়ে ওঠা ও পরিবারের সম্পর্কে জানতে চান। বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে মতবিনিময় করুন। তার মত জানতে চান। এভাবেই ক্রমশ তাকে জানতে শুরু করবেন আপনি। জানতে পারবেন তার পছন্দ-অপছন্দ। মিল খুঁজে বার করুন কথায় কথায় নিজেদের মধ্যে নানা মিল খুঁজে বের করুন। পছন্দের রং, পছন্দের লেখক, পছন্দের গান মিলে গেলে তাকে জানান। এভাবেই গড়ে ওঠে সম্পর্কের বুনন। বন্ধু হোন যে কোনও প্রণয়ের সম্পর্কের প্রথম ধাপ হল বন্ধুত্ব। ফলে বন্ধুত্বকে টপকে কারও মন জেতা সম্ভব নয়। বন্ধুত্বকে গাঢ় করতে একসঙ্গে সময় কাটান। রেস্তোরাঁয়, পার্কে বা কোনও কলাকেন্দ্রে। মানুষ হিসেবে আপনি যে তার কাছে কতটা আনন্দের, ভাললাগার সেটা তাকে বুঝতে দিন। চালাকি করার চেষ্টা করবেন না মেয়েরা ছেলেদের মতলব ছেলেদের থেকেও ভাল বোঝে। তাই চালাকি করার চেষ্টা করবেন না। তার দিকে বেশি তাকাবেন না। চোখে চোখ যাতে না পড়ে সে দিকে খেয়াল রাখবেন। আর যৌন প্রস্তাব তো একেবারেই নয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তুলনা করবেন না নিজেকে কখনও কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না। কোনও নায়ক বা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের মতো করে নিজেকে তুলে ধরবেন না। নিজে যেমন তেমনই থাকুন। এ সব মেয়েরা খুব সহজেই ধরে ফেলে। পরিস্কার থাকুন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। শরীর থেকে যেন দুর্গন্ধ না বের হয়। জামা কাপড় পরিষ্কার রাখুন।...

জেনে নিন, কীভাবে দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন

অনলাইন ডেস্ক : ব্রণের সমস্যা, গরমে ঘেমে নাজেহাল হওয়ার সমস্যা, মেকআপ গলে যাওয়ার সমস্যা আরও অনেক সমস্যা এসে হাজির হয়। তবে গরমে যে সমস্যা সবথেকে বেশি সমস্যা দেয়, তা বোধহয় ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা। বহু মানুষের মধ্যে ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা দেখা দেয়। আর এর জন্য শুধু সেই ব্যক্তিই নন, আশেপাশের অনেকেই সমস্যায় পড়েন। রাস্তা-ঘাট, ট্রেন, বাস, বাড়িতেও ঘামের দুর্গন্ধে বিরক্ত হয়ে যান চেনা পরিচিত, অপরিচিত থেকে কাছের মানুষ প্রত্যেকে। জেনে নিন কীভাবে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন- ১। দিনের দু-বার ভালো ভাবে স্নান করলে ঘাম এবং ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। গরমকালে গিনে দুবার স্নান আপনার শরীরকে ঠাণ্ডাও রাখে আবার ঘামের দুর্গন্ধ থেকেও মুক্তি দেয়। ২। স্নান করে পোশাক পরার আগে শরীরটাকে ভালো করে হাওয়ায় শুকিয়ে নিন। ভেজা শরীরে কখনওই পোশাক পরবেন না। ভেজা শরীরে পোশাক পরলে, বেশি ঘাম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আরও পড়ুন নববর্ষ স্পেশাল রেসিপি: মিষ্টি দই ৩। আপনি স্লিভলেস পোশাক পরুন অথবা না পরুন, অবশ্যই শরীরের অবাঞ্ছিত রোমগুলি নির্মূল করুন। শরীরে অবাঞ্ছিত রোম ঘামের জন্ম দেয়, এবং তা থেকেই দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। ৪। স্নানের সময়ে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করুন। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করে। যদি আপনার ত্বকে অ্যালার্জি কিংবা ইনফেকশনের ঝুঁকি থাকে, তাহলে সাবান পছন্দের সময়ে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। ৫। শরীর থেকে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে ল্যাভেন্ডার, পিপারমেন্ট, পাইন প্রভৃতির এসেন্সিয়াল ওয়েল ব্যবহার করুন। কিংবা একেবারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে স্নানের জনে একটি পাতিলেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। ৬। অনেক সময়ে আমাদের খাদ্যাভাসের কারণেও ঘামের দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে। তেল-ভাজা-মশলা দেওয়া খাবার শরীরে ঘাম উত্পাদন করে। ঘামের হাত থেকে রক্ষা পেতে ৭। নাইলন কিংবা সিন্থেটিকের পোশাক একেবারেই পরবেন না। এতে ঘাম আটকে থাকে। সুতির হালকা পোশাক পরুন। সুতির পোশাক ঘাম টেনে নিয়ে শরীরকে শুকনো রাখে। জুতো পরার সময়েও সুতির মোজা পরুন। ৮। শুধু ডিওডোরেন্ট ব্যবহারেই ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি দেয় না। তার সঙ্গে অ্যান্টিপার্সপিরেন্ট ব্যবহার করুন।...

তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে কতটা সমর্থন দেবে?

অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার সারা দেশ থেকে নির্বাচিত কিছু তরুণদের সঙ্গে বিশেষ এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বসেছিলেন। বলা হচ্ছে, তাদের পরামর্শ ও পরিকল্পনার কথা শুনেছেন তিনি। বাংলাদেশে কাছাকাছি সময়ে বড় যে আন্দোলনগুলো হয়েছে সেগুলো প্রায় সবই তরুণদের আন্দোলন। সবচাইতে আলোচিত কোটা আন্দোলন বা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন যেভাবে সামাল দেয়া হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের সাথে তরুণ প্রজন্মের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটারের সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। পাঁচই জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে পাঁচটি বিষয় সবচাইতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিলো তার অন্যতম হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যু। ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ইস্যুও তরুণদের আকর্ষণ করতে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয় সেবার তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলো। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা তরুণদের এবার কিভাবে আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন? তিনি বলছেন, আমরাতো পৃথিবীটা তাদের হাতের মুঠোর ভেতরে এনে দিয়েছি, দিন বদলের সনদ ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে। তারা পৃথিবীর যে প্রান্তে বিচরণ করতে চায় সেখানেই তারা যেতে পারে। এই যে সুবিধাগুলো তাদেরকে দিয়েছে বর্তমান সরকার। তথ্য প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছি। এগুলো সবকিছু হচ্ছে তরুণদের জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা বুঝতে শেখার পর গত দশ বছর আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলকে ক্ষমতায় দেখেনি। অন্য কোন দলকে যাচাই করার কোন সুযোগ তারা পায়নি। কাছাকাছি সময়ে তাদের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল কোটা সংস্কার ও সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলন। এ দুটি আন্দোলনই একটি পর্যায়ে ক্ষমতাসীনদের জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠেছিলো। দুটি আন্দোলনের ক্ষেত্রেই সরকারের ভূমিকা সেসময় প্রশ্নের মুখে পড়েছিলো। কোটা সংস্কারের আন্দোলনের ক্ষেত্রে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রাখছে না বলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিলো। শেষমেশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলেও অনেক নাটক ও বিলম্বের পর। এই আন্দোলন দুটি তারা সঠিকভাবে সামাল দেননি বলে মনে করেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ। তিনি বলছেন এর প্রভাব ভোটে হয়ত পরতে পারে। তিনি বলছেন, দুটো আন্দোলনই নির্বাচনের খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যেই হয়েছে। আরও সেনসিটিভভাবে এটা সামাল দেয়া যেতো। তা করা হয়নি বা করতে পারেনি সরকার। তরুণদের কিছু ইনসেনসিটিভ কিছু ঘটনার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেটার কিছু প্রভাবতো পড়বে তবে তিনি মনে করছেন, বর্তমান সরকার একটা যায়গায় তরুণদের উপর অনেক নজর দিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তারা করার চেষ্টা করেছে সেখানে তরুণদের মাথায় রেখে অনেক কাজ হয়েছে। সেটিও নিশ্চয়ই কোন প্রভাব ফেলবে। তবে এই মুহূর্তে তরুণদের জন্য কোন ইস্যুটা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, তারা কি চায়, তাদের কোন বিষয়টি সবচাইতে দরকার, তাদের উদ্দেশ্য করে ইশতেহারে এমন কিছু থাকে না যা তাদের আকর্ষণ করতে পারে, বলছিলেন তিনি। তরুণরা আসলে কি চায়? সেটি বোঝার জন্য অনেকের সংগে কথা বলে মনে হল চাকরী বিষয়টা এই বেশিরভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কথা হচ্ছিলো নিশিতা মিতুর সাথে। তিনি এবছর ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হয়েছেন। বাংলাদেশে এই বয়সী আরও অনেকের মতোই সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। তিনি বলছিলেন তার কাছে এখন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটা ভালো চাকরি। তিনি বলছেন, কোটা আন্দোলন নিয়ে একটা সেইযে ঘোলাটে পরিবেশ, তার একটা স্বচ্ছ অবস্থান এটাই বোধহয় তরুণরা এখন সবচেয়ে বেশি ভাবছে।...

আচার বিক্রেতা হিরো আলমের স্বপ্ন এবার সংসদ সদস্য হওয়া

অনলাইন :স্যোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল তিনি। সেখান থেকে এখন হচ্ছেন খবরের শিরোনাম। দেশের গণমাধ্যম ছাড়াও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাকে নিয়ে ফিচার প্রকাশ করছে। তিনি হিরো আলম। অনলাইন ভিডিও প্লাটফর্ম ইউটিউবে বাংলা ছবির বিভিন্ন গানের ভিডিও বানিয়ে এবং তাতে অভিনয় করে এসেছেন আলোচনায়। ঢাকাই চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ এবং পেজে তাকে নিয়ে ট্রোল হলেও স্বপ্ন পূরণে থেমে নেই তার যাত্রা। প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু নিয়ে আলোচনায় থাকছেন তিনি । হচ্ছেন খবরের শিরোনাম। সম্প্রতি বগুড়া-৪ আসনে এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জাতীয় পার্টি থেকে কিনেছেন মনোনয়নপত্র। স্বপ্ন এবার সংসদ সদস্য হওয়া! সে স্বপ্ন পূরণের পথেই ছুটছেন তিনি। হিরো আলমকে নিয়ে অনেকে হাস্যরস ও ট্রোল করলেও তিনি কিন্তু তার গতিতেই এগিয়ে যাচ্ছেন। তার এ এগিয়ে যাওয়ার পিছনে রয়েছে অনেক গল্প। রয়েছে সংগ্রাম। জানিয়েছেন তিনি তার সেই সংগ্রামের কথা। হিরো আলম তখন ছোট। সবে সপ্তম শ্রেণিতে পড়েন। বাবা অন্যত্র বিয়ে করায় সেই ছোট বয়সেই ধরতে হয় সংসারের হাল। ফলে চুকে যায় লেখাপড়ার পাট। গ্রামে-গঞ্জে ঘুরে ঘুরে মায়ের বানানো আচার-চানাচুর বিক্রি করা শুরু করেন। দিনশেষে মা আনোয়ারা বেগমের হাতে অর্জিত টাকা তুলে দিতেন। আর সন্ধ্যার পর এরুলিয়া বাজারে একটি সিডি ভাড়া দেওয়ার দোকানে বসতেন। এভাবেই কেটে যায় টানা তিন বছর। পরে একদিন দোকানের মালিক শহীদুল ইসলাম চলে যান মালয়েশিয়ায়। দোকানের মালপত্র বিক্রি করে দেন দোকানের কর্মচারি হিরো আলমের কাছে। সেই শুরু হয় নতুন পথ চলা। হিরো আলমের ভাষায়, 'মালিক চলে যাওয়ার আগে আমাকে বলেন দোকান বিক্রি করে দিবেন। আমি মায়ের সঙ্গে আলাপ করে ১৬ হাজার টাকায় দোকানের সব মালপত্র কিনে নেই। দোকানে পেয়েছিলাম, একটা সাদাকালো টেলিভিশন, একশ' সিডি ও কিছু ভিসিআরের ক্যাসেট। সেই সিডির দোকানে ভালো আয়-রোজগার শুরু হয়। পরে আচার-চানাচুর বিক্রি বাদ দেই। স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ খুঁজি। কী ছিল সেই স্বপ্ন? জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, 'মেরিনা সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখতাম। নায়ক নায়িকারা নাচতেন। আমি সেই গানগুলোতে নাচার স্বপ্ন দেখতাম। পরে টাকা-পয়সা খরচ করে একটা কমেডি গানের ভিডিওতে মডেল হন আলম। সেই গান বের হয় ভিডিও ক্যাসেটে। ভিডিওর সেই সিডি ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। আলম মনে মনে বেশ খুশি, কারণ টিভিপর্দায় তাকে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু গ্রামের অনেকেই খুশি হতে পারছিলেন না আলমের এইসব 'পাগলামো'তে। আলম বলেন,গ্রামের লোকজন আমাকে গালি দিতো। আমি কেন এমন জোকারগিরি করছি। কেন এমন ফালতু জিনিস বানাচ্ছি। মুরুব্বিদের অনেকে আমাকে ডেকে নিয়ে বলতেন, এইসব করে কী হবে? তার চেয়ে বরং টাকা খবচ করে হিরো হও। আমার মাথায় এটা বসে গেলো। টাকা যেহেতু খরচ করছি; হিরো হওয়ার পিছনেই করবো। এরপর স্থানীয় এক এনজিও থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে এলাকায় ডিশ সংযোগের ব্যবসা শুরু করেন আলম। পাশাপাশি বানান বিভিন্ন গানের মিউজিক ভিডিও। তাতে মডেল হন নিজেই। ডিশে সেই গান প্রচার করেন। এভাবে একে একে প্রায় ছয়শ' মিউজিক ভিডিও করে ফেলেন আলম। শুধু আলম থেকে হয়ে উঠেন হিরো আলম।] এরপর ২০০৯ সালে পাশের গ্রামের সুমী নামের এক তরুণীকে বিয়ে করেন। সুমী এসএসসি পাস। আবির ও আলো নামে দুই সন্তান রয়েছে তাদের। সংসার আর ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েন হিরো আলম। পাশাপাশি কিছু মিউজিক ভিডিও করেন। সেগুলো নিজের ক্যাবল চ্যানেলেই প্রচার করেন। গ্রামের মানুষ এবার তাকে বাহবা দেয়। সেই বাহবা থেকে উৎসাহ পান আলম। ২০১৬ সাল। বছরটা হিরো আলমের জন্য অনেক গুরুত্বের। কারণ এ বছরের মাঝামাঝি হুট করেই ফেসবুকে আলমের কয়েকটি মিউজিক ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ভিডিও কেবল বাংলাদেশেই নয়, ভারতেও হৈচৈ ফেলে দেয়। আলমকে খুঁজে বের করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিভিন্ন গণমাধ্যম। ওই বছরে গুগলে তাকেই সবচেয়ে বেশি খোঁজে মানুষ। আলমের এই জনপ্রিয়তা নজরে আসে চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও। ঢাকার কয়েকজন উঠতি নির্মাতা তাকে নিয়ে কয়েকটি মিউজিক ভিডিও এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। আলম বলেন,প্রথম যখন মিউজিক ভিডিও বানাই তখন কেউই আমার সঙ্গে মডেল হতে চাইত না। দ্বিগুণ টাকা দিয়ে তাদের নিতাম। এখন অনেকেই আমার সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ চায়। সিনেমার পর্দায় নায়কের মারামারি দেখে একদিন অবাক হয়েছিলাম, এখন আমি নিজে নায়ক হয়ে মারামারি করি, লোকে সেটা দেখছে। এই যে এমপি হতে মনোনয়ন পেপার নিয়েছি সবাই আলোচনা-সমালোচনা করছে- এটাই আমার প্রাপ্তি। হিরো আলম আরও বলেন, 'এলাকার মানুষের ভালোবাসা আর আর্শিবাদ আমার সঙ্গে রয়েছে। আর আমার রয়েছে ইচ্ছাশক্তি। আমার বিশ্বাস মনোয়ন পেলে আমি বিজয়ী হবো। এখন আমার মনোনয়নপত্র নেওয়া নিয়ে যারা হাসছেন, তারা শুরু থেকেই আমার সব কাজে হাসছেন। আমি তো থেমে থাকিনি। থাকলে আজকে দেশ-বিদেশের মানুষ আমাকে চিনতো না।...

চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন নিয়েছেন যারা

অনলাইন :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের ২২৫ এবং বিএনপির ৯৭ জন এ পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সূত্র : মানবজমিন।আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা উপকমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু জানান, চট্টগ্রামের ১৬ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২২৫ জন। যা প্রতিটি আসনে গড়ে ১৪ জনে পৌছেছে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আসনে। এখানে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা ২৬ জন। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ৫ জন। এরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, একই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল আলম, তাঁর ছেলে মো. শোয়েব রিয়াদ, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর মহিলা দলের সিনিয়র সহ সভাপতি বেগম ফাতেমা বাদশা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, পিপি অ্যাডভোকেট এম এ নাসের, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর রয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বাকলিয়া-কোতোয়ালীর ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনটি চট্টগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার আসন হিসেবে বিবেচিত। এরপর চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন ১১ জন। এরা হলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, সাবেক এমপি ও মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বেগম নুরী আরা ছাফা, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, সাবেক পিজিআর প্রধান কর্নেল (অব.) আজিমুল্লাহ বাহার চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, সরোয়ার আলমগীর, চসিকের কাউন্সিলর জেসমিনা খানম ও শিল্পপতি রফিকুল আলম চৌধুরী। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম, প্রয়াত সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমসহ ২৫ জন। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. মোহসিন জিল্লুর করিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক এহছানুল মৌলা, সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সালাউদ্দিন, মোক্তার আহমেদ ও চন্দনাইশ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ ২৩ জন। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউপি) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, তাঁর ভাতিজা শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, কুতুব উদ্দিন বাহার, ইলিয়াছ চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত, মোহাম্মদ আইয়ুব, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এস এ মুরাদ চৌধুরী ও এডভোকেট রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জন। আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, বিএমএ নেতা ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা সাদেক চৌধুরীর ছোট ভাই ওসমান গণি চৌধুরীসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, গোলাম আকবর খোন্দকার, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জসিম সিকদার ও এডভোকেট ফরিদা আকতার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, তাঁর পুত্র ব্যরিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক, ব্যরিস্টার শাকিলা ফারজানা, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস গণি চৌধুরী, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরীসহ ১০ জন। চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক যুবদল নেতা কাজী বেলাল উদ্দীন, নগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফছারুল আমিন, বিএনপির সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদসহ ১৬ জন। চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চুসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, সিডিএ চেয়ারম্যান মো. আবদুচ ছালামসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ আলী আব্বাস, আবু মোহাম্মদ নিপার, মোস্তাফিজুর রহমান ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক সালাউদ্দিন সুমন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খানসহ চার জন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড-কাট্টলী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও দলের যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী, নগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তি, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, সাবেক সচিব ও আইজিপি এ আই ওয়াই বি সিদ্দিকী, এ কে এম আবু তাহের বিএসসি, উত্তর জেলা কৃষক দলের সভাপতি ইসহাক কাদের চৌধুরী, পারভেজ মুন্না, মোহাম্মদ ফেরদৌস মুন্না ও দিদারুল আলম দিদার। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি এস এম আল মামুন, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য মোস্তফা কামাল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়াসহ ১৭ জন। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী শাহজাহান জুয়েল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ সাদাত আহমদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, এনামুল হক এনাম ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব, বিজিএমইএ নেতা মোহাম্মদ নাছিরসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ মো. মহিউদ্দীন, প্রচার সম্পাদক নাজমুল মোস্তফা আমিন, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবদুল গফফার চৌধুরী এবং তাঁর ছেলে তরুণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরীসহ ১৮ জন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, সহ সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, সাবেক পৌর মেয়র ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মহিলা দল নেত্রী মাহমুদা সুলতানা চৌধুরী ঝর্ণা প্রমুখ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শিল্পপতি আবদুল্লাহ কবির লিটনসহ ১২ জন । চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক এমপি এম. এ জিন্নাহ, মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক নুরুল আমিন, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, মেজর (অব.) নুরুল মোস্তফা, সাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম লতিফী, সাবেক ছাত্রদল নেতা সরোয়ার উদ্দিন সেলিম, ড. এম এম এমরান চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ফখরুল ইসলাম ও আজিজুর রহমান চৌধুরী। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহেল এবং ব্যবসায়ী নিয়াজ মোর্শেদ এলিটসহ ৯ জন। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ফোরকান উদ্দিন রিজভী, উপজেলা বিএনপি সদস্য নুরুল মোস্তফা খোকন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, এডভোকেট আবদুল হামিদ ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আশরাফ উদ্দিন জনি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতাসহ ১৪ জন।


তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে কতটা সমর্থন দেবে?

অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার সারা দেশ থেকে নির্বাচিত কিছু তরুণদের সঙ্গে বিশেষ এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বসেছিলেন। বলা হচ্ছে, তাদের পরামর্শ ও পরিকল্পনার কথা শুনেছেন তিনি। বাংলাদেশে কাছাকাছি সময়ে বড় যে আন্দোলনগুলো হয়েছে সেগুলো প্রায় সবই তরুণদের আন্দোলন। সবচাইতে আলোচিত কোটা আন্দোলন বা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন যেভাবে সামাল দেয়া হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের সাথে তরুণ প্রজন্মের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটারের সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। পাঁচই জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে পাঁচটি বিষয় সবচাইতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিলো তার অন্যতম হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যু। ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ইস্যুও তরুণদের আকর্ষণ করতে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয় সেবার তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলো। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা তরুণদের এবার কিভাবে আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন? তিনি বলছেন, আমরাতো পৃথিবীটা তাদের হাতের মুঠোর ভেতরে এনে দিয়েছি, দিন বদলের সনদ ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে। তারা পৃথিবীর যে প্রান্তে বিচরণ করতে চায় সেখানেই তারা যেতে পারে। এই যে সুবিধাগুলো তাদেরকে দিয়েছে বর্তমান সরকার। তথ্য প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছি। এগুলো সবকিছু হচ্ছে তরুণদের জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা বুঝতে শেখার পর গত দশ বছর আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলকে ক্ষমতায় দেখেনি। অন্য কোন দলকে যাচাই করার কোন সুযোগ তারা পায়নি। কাছাকাছি সময়ে তাদের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল কোটা সংস্কার ও সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলন। এ দুটি আন্দোলনই একটি পর্যায়ে ক্ষমতাসীনদের জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠেছিলো। দুটি আন্দোলনের ক্ষেত্রেই সরকারের ভূমিকা সেসময় প্রশ্নের মুখে পড়েছিলো। কোটা সংস্কারের আন্দোলনের ক্ষেত্রে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রাখছে না বলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিলো। শেষমেশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলেও অনেক নাটক ও বিলম্বের পর। এই আন্দোলন দুটি তারা সঠিকভাবে সামাল দেননি বলে মনে করেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ। তিনি বলছেন এর প্রভাব ভোটে হয়ত পরতে পারে। তিনি বলছেন, দুটো আন্দোলনই নির্বাচনের খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যেই হয়েছে। আরও সেনসিটিভভাবে এটা সামাল দেয়া যেতো। তা করা হয়নি বা করতে পারেনি সরকার। তরুণদের কিছু ইনসেনসিটিভ কিছু ঘটনার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেটার কিছু প্রভাবতো পড়বে তবে তিনি মনে করছেন, বর্তমান সরকার একটা যায়গায় তরুণদের উপর অনেক নজর দিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তারা করার চেষ্টা করেছে সেখানে তরুণদের মাথায় রেখে অনেক কাজ হয়েছে। সেটিও নিশ্চয়ই কোন প্রভাব ফেলবে। তবে এই মুহূর্তে তরুণদের জন্য কোন ইস্যুটা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, তারা কি চায়, তাদের কোন বিষয়টি সবচাইতে দরকার, তাদের উদ্দেশ্য করে ইশতেহারে এমন কিছু থাকে না যা তাদের আকর্ষণ করতে পারে, বলছিলেন তিনি। তরুণরা আসলে কি চায়? সেটি বোঝার জন্য অনেকের সংগে কথা বলে মনে হল চাকরী বিষয়টা এই বেশিরভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কথা হচ্ছিলো নিশিতা মিতুর সাথে। তিনি এবছর ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হয়েছেন। বাংলাদেশে এই বয়সী আরও অনেকের মতোই সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। তিনি বলছিলেন তার কাছে এখন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটা ভালো চাকরি। তিনি বলছেন, কোটা আন্দোলন নিয়ে একটা সেইযে ঘোলাটে পরিবেশ, তার একটা স্বচ্ছ অবস্থান এটাই বোধহয় তরুণরা এখন সবচেয়ে বেশি ভাবছে।

নির্বাচনী ইশতেহার, প্রতিশ্রুতি চাই ডিপ্লোমা শিক্ষার প্রসার

ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখি প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিসের নগর রাষ্ট্রগুলোতে গণতন্ত্রের উদ্ভব এবং অনুশীলন শুরু হয়। বর্তমানে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা দেশ শাসনের প্রচলিত ধারণাই গণতন্ত্র। গণতন্ত্র আজ বিশ্বনন্দিত একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা। গণতন্ত্র যেহেতু জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শাসন, তাই নির্বাচনের এত গুরুত্ব। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সম্মেলন গৃহ বা পরিষদ হচ্ছে পার্লামেন্ট বা সংসদ। সংসদের দুটি প্রধান কাজ হচ্ছে দেশের আইন প্রণয়ন এবং নীতিনির্ধারণ। তাছাড়া দেশ ও জনগণের নানা গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও দাবি-দাওয়ার কথা তুলে ধরা ও আলোচনা করাও সাংসদ বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাজ। আমাদের মতো স্বল্পোন্নত এবং স্বল্পশিক্ষিত মানুষের দেশে গণতন্ত্রের নামে যে নির্বাচন হয় তা জনস্বার্থের প্রতিফলন ঘটায় কিনা তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। তবু অনেকটা অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তাকে আমরা বিশ্বাসযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য বলে ধরে নেই।নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে দেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ ডিসেম্বর। এই নির্বাচন কেন্দ্র করে দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহার তৈরিতে ব্যস্ত। নির্বাচনে জনগণ শুধু দল ও মার্কা নয়, প্রার্থীর যোগ্যতা, দক্ষতা, সততা, অতীত কর্মকা- ও সার্বিক বিষয় বিবেচনা করেই ভোট দিয়ে থাকে। নির্বাচন-পরবর্তী রাষ্ট্র পরিচালনা কিভাবে করা হবে তার রূপরেখাই হল নির্বাচনী ইশতেহার। ইশতেহার রাজনৈতিক দলের অঙ্গীকারপত্র। রাজনৈতিক দলগুলোর রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং ক্ষমতায় গেলে করণীয় ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থার খসড়া তুলে ধরা হয় ইশতেহারে। বাস্তব পর্যবেক্ষণে আমাদের ধারণা রাজনৈতিক দলগুলো কী নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে তা জানার জন্য মানুষ কৌতুহল নিয়ে অপেক্ষা করছে। প্রতিটি দল জরুরি ভিত্তিতে সাড়া জাগানো ও জনগণকে ভোটে উদ্বুদ্ধ করতে একটি ইশতেহার ঘোষণা করে। একইভাবে মুখে মুখে স্থানীয় সাংসদও এলাকার অনেক কিছু করবেন বলে জনসভায় বলে রাখেন ভোটের আগে। ভোট শেষে জাতীয় বা স্থানীয় পর্যায়ে তা নিয়ে আলাপ আলোচনা ও বাস্তবায়নে প্রদক্ষেপ নিয়ে থাকেন। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের নতুন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে তরুণরাই হবে মূলশক্তি। কারণ তাদের হাতে রয়েছে একটা বড় অংকের ভোটব্যাংক। আওয়ামীলীগ সরকারের দুই আমলে নতুন ভোটার হয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ ১২ হাজার ৯৯৭ জন। এর মধ্যে ২৭ বছর বয়সী ভোটার সংখ্যা রয়েছে ১ কোটি ৮ লাখ ৮৪ হাজার ১৪৬ জন। আর ২১ থেকে ২২ বয়সী ভোটার রয়েছে ৮০ লাখ ২৮ হাজার ৮৩৩ জন। অন্যদিকে একেবারে নতুন অর্থাৎ ১৮ বছর বয়সী ভোটার হচ্ছে ৪৬ লাখের মতো। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি তাদের চূড়ান্ত হিসেবের ফিরিস্থি এটি। ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১০,১৪,৪০৬০১ । এর সঙ্গে নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছিল ৩৩,৩২,৫৯৩ জন। এখানে নতুন পুরুষ ভোটার ১৬,৩২,৯৭১ আর নারী ভোটার ১৬,৯৯,৬২২ জন যুক্ত হয়েছেন। অন্যদিকে মৃত ভোটার ১৭,৪৮,৯৩৪ জনকে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। সবশেষে বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী দেশে মোট ভোটার রয়েছে ১০,৪১,৪২,৩৮১ জন। সংখ্যার দিক থেকে নতুন ভোটারদের মধ্যে তরুণরা কয়েক ধাপ এগিয়ে রয়েছে। আগামী নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব ও বাংলাদেশকে কেমন দেখতে চায়- সে বিবেচনায় তারা ভোট প্রয়োগ করবে। তাদের ওপরই নির্বাচনের ফলাফল নির্ভর করবে বলে ধারণা করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরাও। সেক্ষেত্রে এ তরুণরা কোনো দলের জন্য নতুন সরকার গঠনে বাধা হয়েও দাঁড়াতে পারে। ২০১৫ সালে জাতিসংঘ যে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছিল, তার ১৭টি অভীষ্টের মধ্যে অন্তত ১০টির সঙ্গে যুবশক্তি সরাসরি জড়িত। কিন্তু তিন বছর পার হলেও যুবক বা তরুণদের ভাগ্যোন্নয়নে বাংলাদেশ বড় ধরণের সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। এখনও আমাদের যুবকদের একাংশ দারিদ্র্যের নিগড়ে বন্দি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবাসহ মৌলিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত। আবার নানা বাধাবিঘ পেরিয়ে যেসব তরুণ উচ্চ শিক্ষা নিয়েছে, তাঁরাও চাকরি পাচ্ছে না। তরুণরা তাদের সৃজনশীল শক্তি প্রয়োগ করে গবেষণামনস্ক সমাজ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে চায়। তরুণরা লেখক, কবি, সাহিত্যিক, অভিনয় শিল্পীসহ সংস্কৃতির বিভিন্ন অঙ্গনে তাদের জয়যাত্রার পদচিহ্ন এঁকে দিতে চায়। তরুণরা সমাজ সংস্কারক, উদার মনোভাবাপন্ন এবং তারা রাষ্ট্রের উন্নয়নের নীতিমালা প্রণয়নে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে চায়। এবারের নির্বাচনে তরুণদের বিকাশের পরিকল্পনার বিষয়গুলোকে অবশ্যই জোড় দিতে হবে। প্রতিটি তরুণই চায়Ñ লেখাপড়া শেষে প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ মেধা অনুযায়ী কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হোক। হাতেঘোনা দুই-একজন বাদে লেখাপড়া শেষে প্রায় প্রত্যেকেই কর্মসংস্থানের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে না। শিক্ষিত বেকারের বড় একটি অংশ সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত। তাঁরা পারছে না সাধারণ স্বল্পশিক্ষিত মানুষের মতো শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে। আবার অফিশিয়াল কাজের সুযোগ সীমিত এবং দুষ্প্রাপ্য। ফলে তারা কর্মক্ষম হওয়া সত্বেও বেকার হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার গলদের জন্য কোনো কোনো বিষয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত গ্রাজুয়েট আমরা তৈরি করছি, আবার কোথাও প্রয়োজনের কম প্রযুক্তিবিদ তৈরি হচ্ছে। ফলে চাকরির ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলাফল দেশে অনেক বেকার জনবল আর প্রয়োজনে দেশের বাইরে থেকে লোক এনে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। অথচ সুনির্দিষ্ট পেশাভিত্তিক ডিপ্লোমা শিক্ষায় শিক্ষিত কিংবা প্রশিক্ষিতদের শুধু দেশে নয়; দেশের বাইরেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। আমাদের দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ বিদেশে থাকে; যাদের অধিকাংশই অদক্ষ শ্রমিক। কিন্তু তারাই আবার রেমিট্যান্স অর্জনে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। বিপুলসংখ্যক শ্রমিক শুধু দক্ষতার অভাবে নিমানের কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। তারা যদি বাজার চাহিদাভিত্তিক কোনো ডিপ্লোমা ট্রেডে প্রশিক্ষিত হতো, তাহলে তিন থেকে চার গুণ বেশি উপার্জন করার সুযোগ পেত। কেন বেশির ভাগ মানুষ সবসময় গরীব থেকে যায়, এই বিষয়ে রবার্ট টি. কিউস্যাকির ‘ধনী পিতা গরীব পিতা’ বইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রবার্টের মতে, ‘গরীব থাকার অন্যতম মূল কারণ হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা। কারণ আমরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকি, ব্যবহারিক জীবনে শুধুমাত্র ১০ ভাগ শুধু কাজে লাগে, বাকি ৯০ ভাগ কোন কাজে আসে না’। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা যেন ব্যবহারিক জীবনে কাজে লাগতে পারে সেজন্য ডিপ্লোমা শিক্ষার প্রতি জোর দিতে হবে। কারণ এর মাধ্যমে অর্জিত সকল জ্ঞানই ব্যবহারিক ভাবে কাজে লাগে। শুধু প্রশিক্ষিত জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমেই বেকারত্বের হার শুন্যের কোঠায় নামানো সম্ভব। বর্তমানে দেশের প্রধান সমস্যা বেকারত্ব। নির্বাচনী ইশতেহারে তরুণদের কর্মসংস্থানের স্বীকৃতির পাশাপাশি নেতৃত্বে তরুণদের অবস্থানের কথাও থাকা দরকার। সবকিছুতেই মেধার ভূমিকা অনেক সন্দেহ নেই, কিন্তু রাজনীতিতে মেধার প্রয়োজন আরো বেশি। কারণ রাজনীতি শুধু একের নয়, বহুর; শুধু বর্তমানের নয়, ভবিষ্যতেরও; শুধু কোনো গোষ্ঠীর নয়, পুরো জাতি, সমাজ ও দেশের। অতএব সুদূরপ্রসারী দূরদর্শিতা, দিকনির্দেশনা, প্রজ্ঞা রাজনীতিতে বড় প্রয়োজন এবং এ সবকিছুর জন্য দরকার মেধা ও মননের। আমাদের উপমহাদেশের রাজনীতিতে নানা সময়ে মেধাবী ও মননশীল ব্যক্তিত্বরা নানা ভূমিকা রেখেছেন। তাতে দেশ, জাতি ও সময় সমৃদ্ধ হয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রাজনীতি ও জনসেবা মেধাকে আকৃষ্ট করতে চায় নানাভাবে। রাজনীতিতে তরুণ মেধার আগমনকে স্বাগত জানানোর সংস্কৃতি তৈরী করতে হবে। তরুণদের ভবিষ্যৎ তৈরি করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ভাবনা ইশতেহারে জানা দরকার। আমাদের প্রত্যাশা, নির্বাচনী ইশতেহারে দল ও জোট ডিপ্লোমা শিক্ষার আলাদা বোর্ড প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থান বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনিদের্শনা দেবে।খন রঞ্জন রায়, মহাসচিব ডিপ্লোমা শিক্ষা গবেষণা কাউন্সিল, বাংলাদেশ ৮৭, চট্টেশ্বরী রোড, চকবাজার, চট্টগ্রাম,Khanaranjanroy@gmail.com

আজকের মোট পাঠক

33245

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত