দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনায় শহরগুলোর রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে গেছে

২৪ফেব্রুয়ারী,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাস আতংক কতটা জেঁকে বসেছে তা আক্রান্ত শহরগুলোর রাস্তায় বেরুলেই বোঝা যায়। রাস্তাঘাটে কেউ নেই, একদমই ফাঁকা। শিশুরা নেই, বয়স্ক লোকদেরও কাউকেই রাস্তাঘাটে দেখা যাচ্ছে না। গত দুই দিন ধরে এমন অবস্থা দেখছি - দেগু শহর থেকে বলছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় এই শহরে আছেন আট বছর ধরে, কাজ করেন একটি কারখানায়। দক্ষিণ কোরিয়ায় ইতিমধ্যে করোনাভাইরাস বা কোভিড নাইনটিন সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছে ৬ শতাধিক লোক - মারা গেছেন ৫ জন। সংক্রমিতদের একটা বড় অংশই এই দেগু শহরের। জিয়াউর রহমান বলেন, দেগুতে চার হাজারের বেশি বাংলাদেশি রয়েছে, এবং তাদের মধ্যে ফেসবুক বা অন্য উপায়ে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। তাতে যেসব কথাবার্তা শুনছি - তাতে বুঝতে পারছি যে বাংলাদেশিরা ভীষণভাবে আতংকিত। আজকে একটা শপিং মলে গিয়েছিলাম বাজার করতে। খাদ্যদ্রব্য তেমন একটা নেই। ফলমূলের অভাব দেখা যাচ্ছে। মানুষজন আগেই সব কিনে ফেলেছে। বেচাকেনা মোটামুটি শেষ। হ্যান্ডওয়াশ কিনতে গিয়েছিলাম, পাইনি। ঘরে খাবার মজুতের প্রবণতা দেখা গেছে দক্ষিণ কোরিয়ায় অন্য বাংলাদেশিদের মধ্যেও । দেগু থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের বুসান শহরে থাকেন এ জামান শাওন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় আছেন চার বছর ধরে। তিনিও বলছেন, বুসান শহরে ৬/৭ জন করোনাভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন বলে গতকাল পর্যন্ত জানা গেছে। শহরের রাস্তায় লোকজন কমে গেছে। লোকজনের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে। অনেকেই দোকান থেকে নানা জিনিসপত্র কিনে ঘরে জমিয়ে রাখছেন। এ জামান শাওন বলছেন, তিনি নিজেও এক মাসের খাবার কিনে ঘরে জমিয়ে রেখেছেন, এবং তার পরিচিত অন্য অনেকেই এটা করেছেন। তিনি বলছেন, কর্তৃপক্ষ ১০ মিনিট পর পর মোবাইলে টেক্সট মেসেজ করে লোকজনকে নানা স্বাস্থ্য নির্দেশিকা জানাচ্ছে। তবে দেগু থেকে জিয়াউর রহমান বলছেন, আমি অতটা করি নাই। শাকসব্জি তো আর কেনা যায় না। আলু বা মাছের মতো যা ফ্রিজে রাখা যায় - সেগুলো কিছু কিনেছি। আমি যে কারখানায় কাজ করি - তার কাছেই একটি এলাকা আছে সেখানে প্রায় পাঁচ হাজার লোক বাস করে। সেখানকার কোন লোককে রাস্তায় বের হতে দেয়া হচ্ছে না। আপনি কি এ রোগের কথা ভেবে আতংকিত? এ প্রশ্ন করা হলে জিয়াউর রহমান বলেন,আতংক তো অবশ্যই আছে। তবে একদিন তো মৃত্যু হবেই - কিন্তু আমি যদি আক্রান্ত হই তাহলে আমাকে হয়তো এক মাস হাসপাতালে থাকতে হবে, তার মধ্যে রোগ না সারলে আরো এক মাস। আমি এ দেশে একা - সে জন্য এতদিন হাসপাতালে থাকার কথা ভেবে ভয় হচ্ছে। আল্লাহ না করুক, কোন প্রবাসী বাংলাদেশি যদি এখানে মারা যায় - তাহলে তার লাশটাও কিন্তু দেশে পাঠানোর কোন ব্যবস্থা নেই। এটাও একটা আতংক। আমি মনে মনে এটা চিন্তা করি। এটা একটা বিরাট জিনিস। এ অবস্থায় কিছুদিনের জন্য হলেও দেশে চলে যাবার চিন্তা করছেন কিনা - এ প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, না আমি এরকম চিন্তা করি নাই। আমি এখানেই নিরাপদ থাকার চেষ্টা করবো। আমি আমার কাজের জায়গা থেকে এক কিলোমিটার দূরে থাকি। এই পথটা আমি সাইকেল চালিয়ে আসি। এই যাতায়াতটা আমার কাছে এক বিরাট আতংকের বিষয়। এই রাস্তাটুকুতে আমার কারো সাথে দেখা হলে কি হবে না হবে - এটা আমার এক বিরাট আতংক। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন বলছেন, এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে আগামি কয়েকদিন কী ঘটে তা হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ...

ইরান থেকে ৭শ নাগরিককে দ্রুত ফিরিয়ে নিচ্ছে কুয়েত

২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীনের উহানে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের থাবা পড়েছে ইরানেও। এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইরানের ছয় নাগরিক মারা গেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আরও ২৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা শংকটাপন্ন। দেশটির কুয়াম থেকে বাবোল, আরাক, ইসফাহান ও রাশত অঞ্চলে ভাইরাসটির বিস্তার ঘটেছে। এমনকি রাজধানী তেহরানেও কভিড-১৯ রোগী শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মিনোও মোহরেজ। এমন পরিস্থিতিতে দেশটিতে থাকা ৭শর বেশি নাগরিককে ফিরিয়ে নিতে চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে কুয়েত। ইতোমধ্যে শনিবার প্রথম পাঁচটি ফ্লাইটে ১৩০ জন যাত্রী কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। শনিবার কুয়েত এয়ারওয়েজ ও কুয়েত বার্তা সংস্থা (কুনা) এ তথ্য জানিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মিনোও মোহরেজ ইসলামি বলেছেন, ২৮ আক্রান্তের অধিকাংশই কুয়াম শহরের। শহরটি রাজধানী তেহরান থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে এটির অবস্থিত। তবে ভাইরাসটির অস্তিত্ব ইরানের সব শহরে পাওয়া গেলেও অসম্ভব কিছু না। এমন পরিস্থিতিতে কুয়ামে সব ধরনের ধর্মীয় সমাবেশ বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। মোহরেজ বলেন, শহরগুলোতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে; এটা পরিষ্কার। কুয়ামে কাজ করা চীনা শ্রমিকরাই এই বিস্তারের মূল উৎস হতে পারেন। তারা নিয়মিত চীন ভ্রমণ করেন। এর আগে বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে ইরানে দুজনের মৃত্যু হয়। শুক্রবার মৃত্যু হয় আরও দুজনের। পরে ইরানের মারকাজী প্রদেশের কেন্দ্রীয় শহর আরাকে শনিবার আরও এক করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যান।শনিবার নতুন করে ১০ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানান তিনি। গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানে এক নারী দেহে প্রথম কভিড-১৯ এর ভাইরাস ধরা পড়ে। এরপর গত দেড় মাসে দ্রুত বিস্তার লাভ করে ভাইরাসটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের অন্তত ২৯টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। চীনে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে থেকে সৃষ্ট কোভিড-১৯ নামক রোগে এখন পর্যন্ত আক্রান্তেন সংখ্যা এখন ৭৬ হাজার ২৮৮ জন। এছাড়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৩৪৫। ...

ইরানে সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইরানের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুক্রবার তেহরান সময় রাত ১২টায় শেষ হয়েছে। এর শুরু হয় ভোট গণনার কাজ। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করার কথা থাকলেও বিকেলের দিকে ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ কয়েক দফায় সময় বাড়ায়। বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, প্রথমে দুই দফায় দুই ঘণ্টা করে এবং পরে দুই দফায় এক ঘণ্টা করে ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানো হয়। এর আগে শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় নির্বাচনি কেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে বেশ ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এবারের নির্বাচনে ২৯০টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে সাত হাজারের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইরানে প্রতি চার বছর পরপর সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ২০১৬ সালে ইরানে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ বছর বা এর বেশি বয়সি সব নাগরিক ভোট দিতে পারেন। ভোটগ্রহণের সময় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সকাল ৮টায় ভোট দেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একইদিন ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদের মধ্যবর্তী নির্বাচনেরও ভোটগ্রহণ করা হয়। ভোটাররা বিশেষজ্ঞ পরিষদের সাত সদস্যকে নির্বাচিত করবেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে সারাদেশে তবে বিশেষজ্ঞ পরিষদের ভোটগ্রহণ হয়েছে শুধুমাত্র তেহরান,কোম,উত্তর খোরাসান,খোরাসান রাজাভি এবং ফার্স প্রদেশে। ...

চসিক নির্বাচন: ১৪জন ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামছেন বৃহস্পতিবার

২৬ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে ১৪ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে মাঠে নামাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।এরই মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান।তিনি বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের কপি আমরা হাতে পেয়েছি। আজ অথবা কালকের মধ্যে ১৪জন ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্বাচনের বিষয়গুলো অবহিত করবো। তারা মূলত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাঠে থাকবেন এবং প্রার্থীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীদের শুভেচ্ছা সম্বলিত ব্যানার পোষ্টার অপসারণের নির্দেশ দেন নির্বাচন কমিশন। এছাড়া প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের সময় মিছিল, শোডাউন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেয় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।এবারের চসিক নির্বাচনে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত মেয়র পদে ৯ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬২ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৬৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। মেয়র পদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জান্নাতুল ইসলাম মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। আগামী ২৯ মার্চ চসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ তারিখ ১ মার্চ। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৮ মার্চ। এছাড়া ৯ মার্চ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এবারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। ...

পাপিয়ার আমলনামা,ভিডিও ক্লিপ দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতেন পাপিয়া

২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আজকে সবচেয়ে আলোচিত নাম পাপিয়া । রাজনীতির আড়ালে মাদক ও নারী বাণিজ্য করেন তিনি। রাজধানীর তারকা হোটেলগুলোতে আয়োজন করতেন পার্টির। সাপ্লাই দিতেন নারী। এসকর্ট সার্ভিস। সুন্দরী তরুণীদের চাকরি দেয়ার নামে নরসিংদী থেকে ঢাকায় নিয়ে আসতেন। তারপর তাদের জিম্মি করে দিনের পর দিন করাতেন দেহ ব্যবসা।নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাাদক পাপিয়ার আমলনামা প্রকাশের পর সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে তাকে। তার কুকর্মের ভিডি ক্লিপ রয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। কী আছে এসব ভিডিও ক্লিপে? তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নরসিংদী ও ঢাকার অনেক তরুণীদের চাকরির নামে তারকা হোটেলে ডেকে নিতেন পাপিয়া। পার্টি গার্ল হিসেবে ব্যবহার করতেন তাদের। তারপর টাকার প্রলোভন দেখিয়ে অনেকের শয্যা সঙ্গী করতে বাধ্য করতেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, তারকা হোটেলে এসকর্ট সার্ভিস দিতে বাধ্য করা হতো তরুণীদের। তার আগে পার্টিতে মদ পান করিয়ে মাতাল করা হয়। মাতাল অবস্থায় হোটেলের রুমে তরুণীর কক্ষে ঢুকানো হয় খদ্দেরকে। এভাবেই নির্যাতনের শিকার হন তার সংগ্রহ করা প্রায় সকল তরুণী। পরবর্তীতে পাপিয়ার হাত থেকে মুক্তি চাইলেও বিপাকে পড়ে যান তারা। কারণ ইতিমধ্যে মদ্য পান ও পরবর্তী দৃশ্য গোপনে ধারণ করা হয়েছে ক্যামেরায়। কথামতো না চললে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দেয়া হয়। এভাবেই জিম্মি করা হয় তরুণীদের। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, এভাবেই তরুণীদের ভিডিও ধারণ করে জিম্মি করতেন পাপিয়া। সুন্দরী তরুণীদের পাঠানো হতো প্রভাবশালীদের বাসায়, হোটেলের রুমে। এছাড়াও ভয়ঙ্কর অনেক অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত শামীমা নূর পাপিয়া ওরফে পিউ। পাপিয়ার কাছ থেকে গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত অনেক ভিডিও ক্লিপ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে অনেক ধনাঢ্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে তরুণীদের একান্ত মুহূর্তের দৃশ্য রয়েছে। কিছু ধনাঢ্যদেরও এসব ভিডিও ক্লিপ দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতেন পাপিয়া। কয়েক ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে, রাতের পার্টির দৃশ্য। গর্জিয়াস মেকাপে সেজে পাপিয়া উপভোগ করছে পার্টি। মেয়েরা সেখানে নাচছে। অভিযোগ রয়েছে, কোনো মেয়ে আপত্তি করলে ভিডিও ক্লিপ দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ছাড়াও লাঠি দিয়ে পেটাতেন যুব মহিলী লীগের এই নেত্রী। লাঠি হাতে সোফায় বসে পার্টি উপভোগ করার ভিডিও পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। গত শনিবার সকালে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান সুমনসহ সহযোগীদের গ্রেপ্তার করেছে RAB।...

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,বান্দরবান প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বান্দরবান সদরে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত পাঁচজন। উপজেলার জামছড়িমুখে একটি চায়ের দোকানে শনিবার সন্ধ্যায় এ হামলা হয় বলে সদর থানা ওসি শহিদুল আলম চৌধুরী জানান। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় নিহত আওয়ামী লীগ নেতা স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। গুলিবিদ্ধ বাকিদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বান্দরবানের জামছড়িতে হঠাৎ করেই একদল সন্ত্রাসী গুলি শুরু করলে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন আওয়ামী লীগ নেতা বাচনু মারমা (৬০)। সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য অং প্রু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে বাতখই মারমা (৬৩) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আহতরা হলেন- মংক্য চিং (২৫), ক্য প্রু মং (৪০), আদাসে (৩২), লা মং সিং (৩৫), সাবেক মেম্বার উ চ থোয়া (৬০)। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা। জানা যায়, এ ঘটনার পর থেকেই ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। ...

সাংবাদিক সুমন হত্যাচেষ্টা,আরও এক আসামী গ্রেপ্তার

২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন ৩৪ নাম্বার ওয়ার্ড থেকে ইমন মোল্লা (৩১) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ পুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই ) আলতাফ হোসেন জানান, শনিবার ভোরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন ৩৪ নাম্বার ওয়ার্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে এ ঘটনায় আরো চারজনকে গ্রেপ্তার করে Rab। তারা কারাগারে রযেছেন। প্রসঙ্গত, গত ১ ফেব্রয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপেরেশনন নির্বাচন চলাকালিন সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন সুমন। মোহাম্মদপুর এলাকার এক ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থিীর লোকজন তার ওপর হামলা চালায় বলে ওই সময় ধারনকুত ভিডিও ফুটেজ থেকে নজানতে পেরেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। ...

বিয়ের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা দাবি,পুড়িয়ে দেয়া হল যুবকের যৌনাঙ্গ

২০ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নরসিংদীতে এক যুবককে প্রেম-বিয়ের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে নিপীড়ণের ঘটনা ঘটেছে। অপহরণকারীদের হাত থেকে পালিয়ে এসে নির্যাতিত যুবক নিজেই সময় সংবাদকে এ তথ্য ও ভিডিও দিয়েছেন। রাসেল জানান, তিনি একজন সৌদি প্রবাসী। তিন মাসের ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি। বিদেশে থাকাকালীন তার শ্বশুর নয়ন ইসলাম ব্যবসা করার কথা বলে তার কাছ থেকে দু লাখ টাকা ধার নেন। তিনি দেশে ফেরার পর পাওনা টাকা ফেরত চাইলে শ্বশুর তালবাহানা করতে থাকেন। পরে তার স্ত্রী মন্টির সহায়তায় মিথ্যা মামলায় রাসেলসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে মামলা করেন। রাসেল আরো জানান, জামিনে বেরিয়ে এলে একপর্যায়ে বিবাদ মিমাংসা করার কথা বলে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর তাকে শ্বশুরবাড়ি এলাকায় ডেকে নেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। এসময় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা ভুয়া পুলিশ সাজিয়ে গ্রেফতারের নামে অপহরণ করে তাকে। রাসেল অভিযোগ করেন, অপহরণের পর তার উপর নির্যাতন করা হয়। তার বড় শ্যালক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পাপ্পু ও তার বন্ধুরা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় পাপ্পু ও তার বন্ধুরা শ্বশুর নয়ন ইসলামের নির্দেশে আবারো নির্যাতন করে। রাসেল অভিযোগে জানান, এসময় তাকে বিবস্ত্র করে তার পুরুষাঙ্গে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দিয়ে ছবি তোলে, মোবাইলে ভিডিও করে। রাসেলের উপর নির্যাতনের ভিডিও তার মাকে পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হয়। আইনের সহায়তা না নেয়ার জন্য হুমকিও দেয়া হয়। এতে তার মা হার্ট অ্যাটাক করেন বলে জানান রাসেল। তিনি অভিযোগ করেন, চক্রের মূল হোতা তার কথিত স্ত্রী মন্টি। প্রতারণার জন্য সে অন্তত ৮/১০টি বিয়ে করেছে। পরে, কৌশলে অপহরণকারীদের কাছ থেকে পালিয়ে আসেন রাসেল। নরসিংদী মডেল থানায় মামলা করতে গেলে অস্ত্র হাতে তোলা সেসব ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকিতে মামলা না করেই ফেরত আসেন রাসেল।সময় সংবাদ...

পুঁজিবাজারে আসছে আরও ৪ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক

০৯ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ দরকার। আমরা যেকোনো মূল্যে পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে চাই। তাই আগামী অক্টোবরের মধ্যে আরও চারটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারে আসছে। এছাড়া বাজারে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের শেয়ার আরও বাড়ানো হবে। জানালেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল), অগ্রণী, জনতা ও সোনালী ব্যাংকে ২৫ শতাংশ শেয়ার ছাড়া হবে। তবে এরমধ্যে সোনালী ব্যাংকের একটু সময় লাগবে। একই সঙ্গে বাজারে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের শেয়ার ১০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। বৈঠকে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন, অর্থসচিব আবদুর রউফ তালুকদার, আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ...

মৌলভীবাজারে এক বছরে ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজি চা উৎপাদন

২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের চা শিল্পের ইতিহাসে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিল ২০১৯ সালে । সে বছর মোট চা উৎপাদন হয়েছিল ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজি, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ৬০ লাখ কেজি বেশি। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. একে এম রফিকুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেন। বিটিবি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে উৎপাদিত চায়ের পরিমাণ ৮ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার কেজি, যা দেশের চা উৎপাদন মৌসুমের (২০১৮) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে, ২০১৬ সালে আগের সব রেকর্ড ভেঙে ৮ কোটি ৫৫ লাখ কেজি চা পাতা উৎপাদন হয়েছিল। বাংলাদেশ চা বোর্ডের উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা) মো. মুনির আহমদ বলেন, চা উৎপাদনে সর্বকালের রেকর্ড করলো বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে ৯৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। বিদেশি কোম্পানি, সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ছোটবড় মিলিয়ে বাংলাদেশে ১৬২টি চা বাগান গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে ৯২টি চা বাগানই মৌলভীবাজারে। শ্রীমঙ্গল জেমস ফিনলে টি কোম্পানির ভাড়াউড়া ডিভিশনের জিএম ও বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন সিলেট ব্রাঞ্চের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী বলেন, চায়ের উৎপাদন ভালো হলেও ন্যায্য মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। ভারত থেকে নিম্নমানের চা চোরাইপথে বাংলাদেশে আসছে। যা অত্যন্ত নিম্নমানের, খাওয়ার অযোগ্য। ভারত থেকে নিম্নমানের চা আমদানি ও চোরাপথে আসা চা-পাতা বন্ধ করতে হবে। তা না হলে দেশীয় চায়ের মূল্য থাকবে না। আর এদেশের চা শিল্পকে বাচানো যাবে না।- আমাদের সময় ...

শিক্ষকতা পেশাকে আর ও আকর্ষণীয় করা হবে:শিক্ষামন্ত্রী

০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্যকে পরাজিত করে একধরনের আনন্দ পাওয়ার মনোভাব শেখাচ্ছি। জিপিএ ৫ পাওয়া এবং এক ধরনের অনভিপ্রেত প্রতিযোগীতার মাধ্যমে শিশুরা গড়ে উঠছে। যা কোনভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষার্থীদেরকে এ ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগীতা থেকে বের করে আনতে হবে। মঙ্গলবার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন লার্নিং ফর ইমপ্যাথি বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলে তিনি। ডা. দীপু মনি বলেন, পরিবর্তিত কারিকুলামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সব কিছুর পরও ভাল মানুষ হয়ে উঠবে। তবে কারিকুলাম যতই ভাল হোক না কেন শিক্ষকের মান ঠিক না থাকলে এর উদ্যেশ্য বাস্তবায়ন হবে না।শিক্ষকতা পেশাকে আর ও আকর্ষণীয় করা হবে। তিনি আরো বলেন, মূল্যায়ন পদ্ধতি ও কারিকুলম পরিবর্তন করা হচ্ছে।শিক্ষকতা পেশা হতে হবে জীবনের ব্রত।শিক্ষকদের মান বৃদ্ধি করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। পরীক্ষারভারে শিক্ষার্থী যেন ভারাক্রান্ত না হয় সে দিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: সানোয়ার হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ডাক্তার মো: ফারুক হোসেন প্রমুখ।...

আজ থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। চলতি বছর ৯টি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ১০ লাখ ২৪ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র ও ১০ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ জন ছাত্রী। এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রের তুলনায় ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৪ জন বেশি। দাখিল পরীক্ষায় ছাত্রের তুলনায় ছাত্রী ১২ হাজার ৯৭৮ জন বেশি। ২০১৯ সালের তুলনায় চলতি বছরে পরীক্ষার্থী কমেছে ৮৭ হাজার ৫৪৪ জন। এরমধ্যে ছাত্র কমেছে ৪৬ হাজার ৭৮ জন এবং ছাত্রী কমেছে ৪১ হাজার ৪৭৬ জন। নিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৮৮ জন। অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৬১ হাজার ৩২৫ জন। গত বছর বিভিন্ন বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দুই লাখ ৮২ হাজার ৫৯৪ জন। এবার এসএসসি পরীক্ষায় বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া সকল বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্র বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫ টি। এরআগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এসএসসি, এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) ও দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিশ্চিত করতে ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে । এই আদেশ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন থেকে পরীক্ষা চলাকালীন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।...

জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ব্যবধানে হারাল বাংলাদেশ

২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা ছয় ম্যাচ হারের পর ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ টেস্ট ক্রিকেটে অবশেষে জয়ের মুখ দেখল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে হারায় টাইগাররা। মুশফিক-মুমিনুলের অনবদ্য ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়ে নাঈম-তাইজুলের অবিশ্বাস্য বোলিংয়ে বড় জয় পায় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়েকে ২৬৫ রানের মধ্যে আটকে রাখার পর ব্যাট করতে নেমে ৫৬০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ২৯৫ রানের লিডে খেলতে নেমে গতকাল সোমবার শেষ বিকেলে প্রথম দুই বলেই দুই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। আজ মঙ্গলবার চতুর্থ দিন দুপুর গড়ানোর আগেই ১৮৯ রানে সবকটি উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। দিনের শুরুতে ষষ্ঠ ওভারে কাসুজাকে ফেরান তাইজুল ইসলাম। দ্বিতীয় স্লিপে মোহাম্মদ মিথুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ১০ রানে সাজঘরে ফেরেন কাসুজা। তখনো মাঠে ছিলেন অভিজ্ঞ টেইলর। এবার আঘাত হানেন নাঈম হাসান। টেইলরকে তাইজুলের হাতে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে পাঠান তিনি। টেইলরের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। দুজন দিনের শুরুতে ফিরে গেলেও প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ক্রেইগ আরভিন খেলছিলেন দুর্দান্ত। মুমিনুলের দুর্দান্ত থ্রোতে বেশিদূর যেতে পারেননি, রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ৪৩ রান করেই। মুমিনুলের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ের পর এবার মুশফিকের বাতাসে ভেসে ধরা ক্যাচে সাজঘরে গেলেন সিকান্দার রাজা। তাইজুলের বলে মিড উইকেটে উড়ে গিয়ে এই ক্যাচ ধরেন মুশফিক। আউট হঅয়ার আগে সিকান্দার রাজার ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। একে একে চাকাবা, এনডল্বু ও মারুমারা ফ্রেন সাজঘরে। মারুমার ব্যাট থেকে আসে ৪১ রান। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও দুর্দান্ত বোলিং করেন নাঈম হাসান। এই স্পিনার একাই নেন পাঁচ উইকেট। এ ছাড়া তাইজুল নেন চার উইকেট। টাওগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ২০৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। ৩১৫ বলে ৪৩৪ মিনিটে ২৮টি চারে তিনি ডাবল সেঞ্চুরি করেন। একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে তিনটি ডাবলের মালিক মুশফিক। ১৩২ রান করে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল হক। মুমিনুলের আউটের পর ক্রিজে এসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি মোহাম্মদ মিথুন। ১৭ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ৫৩ রান। তাইজুল ১৪ রান করে মুশফিকের সঙ্গে অপরাজিত থাকেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন এনডলবু। এর আগে গত শনিবার প্রথম ইনিংসে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিনের সেঞ্চুরিতে ভর করে ২৬৫ রান করে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে চারটি করে উইকেট নেন আবু জায়েদ রাহী ও নাঈম হাসান। ...

কথা রাখলেন মুমিনুল

২৪ফেব্রুয়ারী,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের তৃতীয় দিনে টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল হক। টেস্ট শুরুর আগের দিন, গত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে টাইগার অধিনায়ক বলেছিলেন কথা দিচ্ছি আমাদের টিমের কেউ সেঞ্চুরি, ডাবল সেঞ্চুরি কিংবা ট্রিপল সেঞ্চুরি করবে। কথা দিলাম কেউ একজন বড় ইনিংস খেলবে, ইনশাল্লাহ। প্রায় ১ বছর ৩ মাস পর দেখা পেলেন সেঞ্চুরি মুমিনুল। ২০১৮ সালের ২২ নভেম্বর চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। তবে এই সেঞ্চুরিটির অলাদা একটি গুরুত্ব রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। দেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ৯টি সেঞ্চুরি করেছেন মুমিনুল। তবে সবকটি সেঞ্চুরি দেশের মাটিতে। ছয়টি সেঞ্চুরি করেছেন চট্টগ্রামে বাকি তিনটি সেঞ্চুরি ঢাকায়। ...

আত্মহত্যাই করেছিলেন চিত্রনায়ক সালমান শাহ : পিবিআই

২৪ফেব্রুয়ারী,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহর মৃত্যু আত্মহত্যা বলে তদন্তে প্রমাণ পেয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে পিবিআইয়ের সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার। উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে- কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমা দিয়ে দেশীয় চলচ্চিত্র আগমন ঘটে সালমান শাহর। স্মার্টনেস, নিজস্বতার কারণে রাতারাতি তরুণ প্রজন্মের কাছে ভীষণ জনপ্রিয় হঠেন তিনি। মাত্র সাড়ে তিন বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমা করেন। যার অধিকাংশই সুপারহিট। সালমান শাহ-এর জনপ্রিয়তা যখন তুঙ্গে তখন ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। তবে সেই থেকে তার মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। হত্যা নাকি আত্মহত্যা? অবশেষে পিবিআই জানালো, আত্মহত্যাই করেছিলেন সালমান শাহ।...

গাজী মাজহারুল আনোয়ারের জন্মদিন আজ

২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,মো.ইরফান চৌধুরী,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশিষ্ট চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, প্রযোজক-পরিচালক-পরিবেশক এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের জন্মদিন আজ। ১৯৪৩ সালের আজকের এই দিনে তিনি কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার তালেশ্বর গ্রামে জন্মগহণ করেন। গাজী মাজহারুল আনোয়ার ২০ হাজারেরও বেশি গানের রচয়িতা। তিনি ১৯৬৪ সাল থেকে রেডিও পাকিস্তানে গান লেখা শুরু করেন এবং ১৯৬৫ সাল থেকে যুক্ত হন চলচ্চিত্রে। গানের পাশাপাশি তিনি লিখতে শুরু করেন বাংলা সিনেমার কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্মলগ্ন থেকেই নিয়মিত গান ও নাটক রচনা করেন। তিনি বেশ কয়েকটি টিভি নাটকও পরিচালনা করেন। বেশ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ার ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন। এছাড়া স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য স্বাধীন দেশের সর্বপ্রথম পুরস্কার বাংলাদেশ প্রেসিডেন্ট গোল্ড মেডেল অ্যাওয়ার্ড ও লাভ করেন তিনি। কয়েকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একাধিকবার বাচসাস পুরস্কারসহ তার অর্জিত পুরস্কারের সংখ্যা শতাধিক। প্রসঙ্গত, আজ গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ৭৭তম জন্মদিন। জন্মদিনে বড় পরিসরে বিশেষ কোনো আয়োজন না থাকলেও তার সুযোগ্য কন্যা দিঠি আনোয়ার বাবাকে জন্মদিনে একটি গান উপহার দিচ্ছেন। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা সিনেমার প্রথম গান- আকাশের হাতে আছে এক রাশ নীল, গানটি নতুন করে গেয়েছেন দিঠি আনোয়ার। নতুন করে গানটির সংগীতায়োজন করেছেন এ প্রজন্মের মেধাবী সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক ইউসুফ আহমেদ খান। বাবার জন্মদিনে বাবারই লেখা গান নতুন করে গেয়ে জন্মদিনে প্রকাশ করা প্রসঙ্গে দিঠি আনোয়ার বলেন, সত্যি বলতে কী আব্বুর জন্মদিনটা সবসময়ই আমার কাছে বিশেষ কিছু। তাই এবার ভাবলাম, আব্বুর সিনেমায় লেখা প্রথম গানটা নতুন করে গেয়ে আব্বুকে উপহার দিই। সেই ভাবনা থেকে গানটি করা। গানটি করতে আমাকে ভীষণ সহযোগিতা করেছে আমারই আদরের ছোট ভাই ইউসুফ আহমেদ খান। খুব চমৎকার পুনঃসংগীতায়োজন করেছে ইউসুফ। আর আমি শ্রদ্ধেয় আঞ্জুমান আরা আন্টির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমার মতো করেই গেয়েছি। আশা করছি শ্রোতা-দর্শকদের গানটি ভালো লাগবে। গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, দিঠি তার মতো করেই গানটি গাওয়ার চেষ্টা করেছে। গানে তার নিজস্বতা রেখেই গানটি গেয়েছে। শ্রোতা-দর্শকদের ভালো লাগবে আশা করছি। ...

ঘুরে আসুন গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত

মো:ইরফান চৌধুরী,পর্যটন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় নদীর মোহনায় অবস্থিত গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত। এই সৈকতটি স্থানীয় মানুষজনের কাছে মুরাদপুর সৈকত নামেই বেশি পরিচিত। গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতটি সীতাকুণ্ড জেলার সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি ও গঠনগত দিক থেকে এই সৈকতটি আমাদের দেশের অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এর একদিকে যেমন দিগন্ত জোড়া জলরাশি, আর অন্যদিকে কেওড়া বন দেখা যায়। কেওড়া বনের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের চারদিকে কেওড়া গাছের শ্বাসমূলগুলো স্পষ্ট দেখা যায়। এই বন সমুদ্রের অনেকটা গভীর পর্যন্ত চলে গেছে। এই সৈকতের পরিবেশ অনেকটা সোয়াম্প ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনের মত। পুরো সৈকত জুড়ে সবুজ গালিচার বিস্তীর্ণ ঘাস একে আর সব সমুদ্র সৈকত থেকে করে তুলেছে ভিন্ন। এই সৈকতের সবুজের মাঝ দিয়ে এঁকে বেঁকে চলে গেছে সরু নালা। নালাগুলো জোয়ারের সময় পানিতে ভরে ওঠে। আকাশের উড়ন্ত পাখি, সমুদ্রের ঢেউ আর বাতাসের মিতালীর অনন্য অবস্থান দেখা যায় এই গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকতে। অল্প পরিচিত এই সৈকতে মানুষজনের আনাগোনা কম বলে আপনি পাবেন নিরবিলি পরিবেশ। সাগরের মতো অতটা ঢেউ বা গর্জন না থাকলেও এই নিরবিলি পরিবেশের গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত আপনার কাছে ধরা দিবে ভিন্নভাবেই। চাইলে জেলেদের বোটে সমুদ্রে ঘুরে আসতে পারেন। এক্ষেত্রে দরদাম করে বোট ঠিক করে নিতে হবে। যেভাবে যাবেন: চট্রগ্রামের অলংকার মোড়, এঁকে খান মোড়, কদমতলী থেকে সীতাকুণ্ড যাওয়ার বাস ও মেক্সি পাওয়া যায়। পছন্দ মতো জায়গা থেকে যেতে পারবেন সীতাকুণ্ড বাজারে। এরপর সীতাকুন্ডের বাস স্ট্যান্ড ব্রীজের নিচ থেকে সরাসরি সিএনজি/অটো নিয়ে গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন। যাওয়া-আসা সহ রিজার্ভ করে নিতে পারেন। সন্ধ্যা হয়ে গেলে অনেক সময় ফিরে আসার সময় সিএনজি/অটো পাওয়া যায় না। ...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

দক্ষিণপন্থীও নই বামপন্থীও নই, আমি দেশবাসীর স্বার্থের পক্ষে

১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৬৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোর বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন যে, লাহোর উপস্থিতির পর তথাকার অধিবাসীবৃন্দ তাহাকে যে আন্তরিক সংবর্ধনা জ্ঞাপন করিয়াছে, তাহাতে তিনি অভিভূত হইয়াছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গোলটেবিল বৈঠকে যোগদানের উদ্দেশ্যে রাওয়ালপিন্ডি যাত্রার পূর্বে লাহোর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বলেন যে, লাহোরের বীর নাগরিকদের ভালোবাসা ও অনুরাগের কথা তিনি সর্বদাই স্মরণ রাখিবেন। এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজম খান প্রমুখ স্বতন্ত্র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহিত তাহার আলোচনা প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু বলেন যে, তিনি তাহাদের সহিত আলোচনায় পুরোপুরি সন্তুষ্ট হইয়াছেন। পূর্বাহ্নে শেখ মুজিবুর রহমান এবং পিপলস পার্টি প্রধান জনাব জেড এ ভুট্টো একই বিমানযোগে ঢাকা হইতে লাহোর পৌঁছিলে বিমানবন্দরে তাহাদের বিপুল সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। পিডিএম, পিপলস পার্টি এবং আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক কর্মী সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করেন। তন্মধ্যে মালিক গোলাম জিলানী, জনাব জেএ রহীম, জনাব মাহমুদ আলী কাসুরী, এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আজম খান উল্লেখযোগ্য। বিমানবন্দরে এত বিপুল জনসমাগম হয় যে, বিমানের পক্ষে পার্কিং বে’তে পৌঁছানো একরূপ অসম্ভব হইয়া পড়ে। শেষ পর্যন্ত বিমানটি ট্যাক্সিওয়েতে থামিয়া যায় এবং জনাব ভুট্টো জনগণকে পিছনে সরিয়া যাইতে বলেন, কিন্তু জনতা তাহাকে সেখানেই অবতরণ করিতে বাধ্য করে এবং তাহার পার্টির একটি ট্রাকে উঠিয়া বসিতে বলে। তখন তাহাকে শোভাযাত্রা সহকারে বাহিরে লইয়া যাওয়া হয়। অনরূপভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবও সেখানেই বিমান হইতে অবতরণ করেন এবং তাহাকে শোভাযাত্রা সহকারে বাহিরে নেওয়া হয়। এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লে. জেনারেল আজম খান তাঁহার কর্মসূচি সমর্থন করিবেন কিনা, এই প্রশ্নের জবাবে তাঁহার কোন ‘মন্তব্য নাই’ বলিয়া জানান। তিনি বলেন, তাহাদের সহিত আলোচনায় আমি সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হইয়াছি, এত আগে সে কথা বলা যায় না। বামপন্থী কিংবা দক্ষিণপন্থী নই, স্বদেশপন্থী: জনৈক বিদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেন, আমি বামপন্থীও নই, কিংবা দক্ষিণপন্থীও নই, আমি আমার স্বদেশবাসীর স্বার্থের পক্ষে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাহার দল নিরপেক্ষ এবং ‘সকলের সহিত বন্ধুত্ব কাহারও সহিত শত্রুতা নয়- এই বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাসী। দুর্নীতি প্রসঙ্গ: দেশে বিরাজমান দুর্নীতি প্রসঙ্গে শেখ মুজিব বলেন যে, উহা বর্তমান সরকারেরই অবদান এবং দুর্নীতি বিরোধী কমিটি ও কমিশন গঠনের দ্বারা উহা উচ্ছেদ করা যাবে না। তবে জনগণের প্রতিনিধিবৃন্দ ক্ষমতা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে উহার অবসান ঘটিবে। তিনি বলেন যে, দুর্নীতি কঠোর হস্তে দমন করিতে হইবে। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব মুসলিম লীগকে বিরোধী দলে পরিণত করার যে প্রস্তাব করিয়াছেন, তিনি সেই সম্পর্কে কোন মন্তব্য করিতে বিরত থাকেন। বঙ্গবন্ধু পিন্ডি অবস্থানকালে ডাক নেতৃবৃন্দের সহিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করিবেন বলিয়া জানান। তথ্যসূত্র : এই দেশ এই মাটি গ্রন্থ। ...

বর্তমানে দেশে দৈনিক পত্রিকা ১২৭৭টি : সংসদে তথ্যমন্ত্রী

০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে প্রচলিত দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা এক হাজার ২৭৭টি। এরমধ্যে ইংরেজী দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ৪০টি।সংসদে প্রশ্নোত্তরে মঙ্গলবার সরকারি দলের বেনজীর আহমদের (ঢাক-২০) লিখিত প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এই তথ্য জানান। মঙ্গলবার বিকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়। মন্ত্রী প্রচার সংখ্যার ক্রমানুসারে পত্রিকাগুলোর তালিকা সংসদে তুলে ধরেন। সেখানে শীর্ষে বাংলাদেশ প্রতিদিন। পত্রিকাটির প্রচার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৩০০। এরপরে রয়েছে দৈনিক প্রথম আলো ৫ লাখ ১ হাজার ৮০০টি। তৃতীয় থেকে সপ্তম স্থানে যৌথভাবে রয়েছে দৈনিক জনকন্ঠ, কালেরকণ্ঠ, ইত্তেফাক, আমাদের সময়। এসব পত্রিকার প্রচার সংখ্যা ২ লাখ ৯০ হাজার ২শ। ৮ম স্থানে সমকাল, ৯ম এ সংবাদ এবং দশম স্থানে রয়েছে ভোরের কাগজ। এরপরে রয়েছে বিজনেস বাংলাদেশ, অন্যদিকে ইংরেজি দৈনিকের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ডেইলি স্টার (প্রচার সংখ্যা ৪৪ হাজার ৮১৪), দ্বিতীয় স্থানে যৌথভাবে ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস ও ডেইলি সান (৪১ হাজার) এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা ট্রিবিউন (৪০ হাজার ৬শ)। সরকার দলের অসীম কুমার উকিলের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান সংস্কৃতিবান্ধব সরকারের আমলে চলচ্চিত্রকে যুগোপযোগী উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মানসম্পন্ন ও সৃষ্টিশীল চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকার অনুদান প্রদান করছে। অনুদানপ্রাপ্ত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসা অর্জন করেছে। এছাড়াও দেশীয় সংস্কৃতি লালনে বর্তমান সরকার সৃজনশীল চলচ্চিত্র নির্মাতাদের আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারি অনুদানে ছবি নির্মাণের সুযোগ বৃদ্ধি করেছে। মন্ত্রী জানান, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র, শিশুতোষ চলচ্চিত্র ও দেশীয় সংস্কৃতি লালনে যেকোনো ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণে কেউ আগ্রহী হলে সরকার বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে। সরকারের এই সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করার ফলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে বলে আশা করা যায়। সংরক্ষিত মহিলা আসনের মোছাঃ শামীমা আক্তার খানমের প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ জানান, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতর মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনা-সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও উন্নয়ন শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্রগুলো তৈরি করা হচ্ছে। প্রামাণ্যচিত্রগুলো তৈরি সম্পন্ন হলে সেগুলো গণযোগাযোগ অধিদফতরের মাধ্যমে দেশের সকল জেলা, উপজেলা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা নেয়া হবে।...

আওয়ামী লীগে অপরাধীদের স্থান নেই : ওবায়দুল কাদের

২৬ফেব্রুয়ারী,বুধবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অতীতে অনেক সরকার নিজ দলের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অপরাধ করে পার পেয়ে গেছে। কিন্তু শেখ হাসিনা নিজের দল থেকেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছেন। কেউ অপরাধ করলে সে পার পাবে না। অপরাধীর স্থান আওয়ামী লীগে হবে না। আজ বুধবার জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, অপরাধকারীদের আওয়ামী লীগে স্থান হবে না। তার অপরাধের বিচার হবে। পার পাবে না। অপরাধীর কোনো ক্ষমা নেই। এরই ধারাবাহিকতায় পাপিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই পাপিয়া গ্রেফতার হয়েছেন। আমরা নিজের ঘরের অপরাধীকেও ক্ষমা করছি না। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পর্কে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক বক্তব্য প্রসঙ্গে কাদের বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার সারা দুনিয়ায় এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এত দ্রুত বিচার দুনিয়ার ইতিহাসে কোথাও হয়নি। মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন তারা ক্ষমতায় এলে নতুন করে বিচার করবেন। ফখরুল সাহেব নতুন করে বিচার করতে গেলে কেঁচো খুঁজতে সাপ বেরিয়ে যাবে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের দিন খালেদা জিয়া সকাল ৭টায় বাসা থেকে বেরিয়ে কোথায় গিয়েছিলেন তার কোনও হদিস নেই। যিনি দুপুর ১২টার আগে ঘুম থেকে উঠেন না তিনি এত সকালে কোথায় গেলেন। ভোর ৫টা থেকে তারেক রহমানের সঙ্গে ১১ বার ফোনে কথা হয়েছিল। কী কথা হয়েছিল এসব বেরিয়ে আসবে নতুন করে বিচার করতে গেলে। শিশু-কিশোরদের বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর পরিবার থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,তোমাদের বিশ্বের কোনও বরেণ্য ব্যক্তির আদর্শ থেকে শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তোমাদের সামনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর মতো এত সৎ, সাহসী নেতা আর বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেনি। তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে বিশ্বের তিনজন সৎ, পরিশ্রমী প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একজন। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যরা শিক্ষিত, মেধাবী। তোমাদের বঙ্গবন্ধু পরিবারের আদর্শ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের সংগঠক মাহমুদুস সামাদ, কে এম শহীদুল্লাহ প্রমুখ। ...

চসিক নির্বাচন: কাউন্সিলর পদে বিএনপির তালিকা প্রকাশ

২৪ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে নগর বিএনপি প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, মহিলাসহ মোট ৫৫ প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। যারা মনোনয়ন পেলেন: ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে সিরাজুল ইসলাম রাসেদ, ২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ডে মো. ইয়াকুব চৌধুরী, ৩ নম্বর পাঁচলাইশ ওয়ার্ড মো. ইলিয়াছ, ৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডে মাহাবুবুল আলম, ৫ নম্বর মোহরায় মো. আজম, ৬ নম্বর পূর্ব ষোলশহরে হাসান লিটন, ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহরে ইসকান্দর মির্জা, ৮ নম্বর শুলক বহরে হাসান চৌধুরী, ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলীতে আবদুস সাত্তার সেলিম, ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলীতে রফিক উদ্দিন চৌধুররী, ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলীতে সোহরাব হোসেন চৌধুরী, ১২ নম্বর সরাইপাড়ায় শামসুল আলম, ১৩ নম্বর পাহাড়তলী, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, ১৪ নম্বর লালখান বাজারে আবদুল হালিম (শাহ আলম), ১৫ নম্বর বাগমনিরাম, চৌধুরী সাইফুদ্দিন রাসেদ সিদ্দিকী। ১৬ নম্বর চকবাজারে এ কে এম সালাউদ্দিন কাউসার লাবু, ১৭ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া, এ কে এম আরিফুল ইসলাম, ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়ায় মো. মহিউদ্দিন, ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়া ইয়াসিন চৌধুরী, ২০ নম্বর দেওয়ান বাজার হাফিজুল ইসলাম মজুমদার মিলন। ২১ নম্বর জামালখানে আবু মো. মহসিন চৌধুরী, ২২ নম্বর এনায়েত বাজার এম এ মালেক, ২৩ নম্বর উত্তর পাঠানটুলিতে মো. মহসিন, ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে এস এম ফরিদুল আলম, ২৫ নম্বর রামপুরায় শহীদ মো. চৌধুরী, ২৬ নম্বর উত্তর হালিশহর মো. আবুল হাশেম, ২৭ নম্বর দক্ষিণ আগ্রাবাদে মো. সেকান্দর, ২৮ নম্বর পাঠানটুলিতে এস এম জামাল উদ্দিন জসিম, ২৯ নম্বর পশ্চিম মাদারবাড়িতে মো. সালাহ উদ্দিন, ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়িতে হাবিবুর রহমান, ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ড দিদারুর রহমান লাভু, ৩২ নম্বর আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড সৈয়দ আবুল বসর, ৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গী বাজারে আকতার খাঁন, ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ইসমাইল বালি, ৩৫ নম্বর বক্সিরহাট অ্যাডভোকেট তারিক আহমদ, ৩৬ নম্বর গোসাইল ডাঙ্গায় মো. হারুন (ডক), ৩৭ নম্বর উত্তর মধ্যম হালিশহর মো. ওসমান, ৩৮ নম্বর দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর হানিফ সওদাগর, ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর সরফরাজ কাদের, ৪০ নম্বর উত্তর পতেঙ্গা মো. হারুন, ৪১ নম্বর দক্ষিণ পতেঙ্গা মো.নুরুল আফছার। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর (১,২,৩) ওয়ার্ড রোকসানা বেগম,( ৪,৫,৬) ওয়ার্ড শাহেনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, ( ৭,৮ ওয়ার্ড) জিন্নাতুন নেছা জিনু, (৯,১০,১৩ ওয়ার্ড) সকিনা বেগম, (১৪,১৫,২১) মনোয়ারা বেগম মনি, (১৭,১৮,১৯) মাহমুদা সুলতানা ঝর্ণা, ( ১৬, ২০, ৩২) অ্যাডভোকেট পারভীন আক্তার চৌধুরী, (২২,৩০,৩১) আরজুন নাহার মান্না,( ১২,২৩,২৪) খালেদা বোরহান, ( ১১,২৫,২৬) জেসমিনা খানম, (২৮,২৯,৩৬) কামরুন নাহার লিজা, (২৭,৩৭,৩৮) সাহিদা খানম, (৩৩,৩৪,৩৫) মনোয়ারা বেগম, (৩৯,৪০,৪১) জাহিদা হোসেন । ...

কট্টর দেশভক্ত- পাত্রী চেয়ে ভারতীয় চিকিৎসকের বিজ্ঞাপন

১৯ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাত্র-পাত্রীর বিজ্ঞাপনে মাঝে মধ্যেই মজার উপাদান দেখা যায়। বিশেষত পাত্রপক্ষের এমন সব চাহিদা থাকে, যা এক কথায় অসাধারণ। এবার এমনই এক চমকদার বিজ্ঞাপনের সন্ধান মিলেছে, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাচ্ছে মজার রসদ। ভারতীয় এক যুবকের দেয়া ওই বিজ্ঞাপন ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে। সেখানে এক হিন্দু ব্রাহ্মণ মেয়ের জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে। জাত-ধর্ম উল্লেখ করে বিজ্ঞাপন দেয়া অবশ্য নতুন কিছু নয়। তবে তার সঙ্গে আর যা কিছু যোগ করা হয়েছে, তা খুঁজে বের করাটা মোটেই সহজ নয়। বিজ্ঞাপনটিতে পাত্রের যে বিবরণ রয়েছে, তাতে পাত্রের নাম ডা. অভিনব কুমার। পেশায় দন্ত্য চিকিৎসক, লম্বা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। বিহারের ভাগলপুরের বাসিন্দা। ব্রাহ্মণ, গোত্র-ভরদ্বাজ। আর নিজের চাহিদার কথা জানিয়ে তিনি লিখেন, পাত্রী হতে হবে ফর্সা, সুন্দরী, বিশ্বাসযোগ্য, যত্নশীল, সাহসী, ধনী। কট্টর দেশভক্তি থাকতে হবে। ভারতীয় সেনার ক্ষমতা বাড়ানোয় বিশেষ আগ্রহী হতে হবে। সন্তানের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। ভালো রাঁধতে জানতে হবে। বিহার কিংবা ঝাড়খণ্ডের ভারতীয়, হিন্দু, ব্রাহ্মণ, চাকরিরত মেয়ে চাই। ও হ্যাঁ, অবশ্য কুণ্ডলী আর ৩৬ গুণ মিলিয়ে নিতে হবে। তবে পাত্রের বিয়ে করার কোনও তাড়া নেই। সেকথাও জানিয়েছেন বিজ্ঞাপনের নিচে। ফোন নম্বর দিয়ে লেখা হয়েছে, আমি কোনও ফোন রিসিভ করবো না। শুধু এসএমএস-এ কথা বলবো। ...

বসন্ত রঙিন ভালোবাসার দিন,নারী পুরুষ সবাই রঙে রঙিন

১৪ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দখিন হাওয়ার গুঞ্জরণে হৃদয়ে জেগেছে রেশমি পরশ। নিসর্গ জেগেছে নতুন রূপে। হাওয়ায়-হাওয়ায় দোল লেগেছে বাংলার প্রকৃতিতে। প্রকৃতি আজ জানান দিচ্ছে, আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ,ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। কবির শঙ্কা দূর করে ফুল ফুটেছে। গাছে গাছে ফুটেছে আমের মুকুল। শীতের খোলসে থাকা কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, নাগলিঙ্কন এখন অলৌকিক স্পর্শে জেগে উঠেছে।প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজ বাসন্তি রঙের শাড়ি পরবে নারীরা। রঙে রঙিন হবে নারী, পুরুষ সবাই। ১লা ফাল্গুনের সঙ্গে আজ যোগ হয়েছে ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস। একই দিনে দুটি দিবসের আনন্দ ছুঁয়ে যাবে প্রাণে। বসন্তের এই দিনে হৃদয় উদার, উন্মুক্ত করতে হবে। বসন্তকে আজ বরণ করে নিতে হবে। কবিগুরু তাই বলেছেন, আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে/তব অবগুণ্ঠিত কুণ্ঠিত জীবনে/কোরো না বিড়ম্বিত তারে/ আজি খুলিয়ো হৃদয়দল খুলিয়ো/ আজি ভুলিয়ো আপনপর ভুলিয়ো। বসন্তকে বরণ করে নিতে বেশ কিছু দিন ধরে ছিল নানা প্রস্তুতি। শপিং মল থেকে বিউটি পার্লার, ফুলের দোকানে ব্যস্ত তরুণ-তরুণীরা। ব্যস্ততা ছিলো, সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের। শোভাযাত্রার বৈচিত্রময় আয়োজনের ব্যস্ততা শেষে আজ বরণ করা হচ্ছে বসন্তকে।...

এলাকার অবহেলিত মানুষের পাশে থাকবো ও প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবো: কাউন্সিলর প্রার্থী

২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসন ১৬,২০ ও ৩২ এর মহিলা কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। রবিবার ২৩শে ফেব্রুয়ারি সকালে তার নিজ বাসায় নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। মহিলা কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, তিনি তৃণমুল থেকে উঠে এসেছেন। বর্তমানে তিনি ৩২ নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা। সেই সাথে তিনি বেশ কিছু সামাজিক সংগঠনের সাথে ও যুক্ত আছেন, একাধারে তিনি চট্টগ্রাম জন্মাষ্টমী কেন্দ্রীয় পরিষদ এর কেন্দ্রীয় সদস্য, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের চট্টগ্রাম মহানগর এর মহিলা সম্পাদিকা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের দপ্তর সম্পাদিকা, দ্যা চট্টগ্রাম ট্রাস্টের যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ মানবাধিকার চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার এর মহিলা সম্পাদিকা। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী। প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তিনি তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তার তিন ওয়ার্ডের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এলাকার বিশেষ বিশেষ সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করে যাবেন। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করে যাবেন। তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র এর যৌথ সমন্বয়ে এলাকার সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাবেন। এলাকার যে সকল যুবকরা নানা অপরাধে জড়িয়ে আছে তাদেরকে কর্মমুখী করার জন্য কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে আমাকে মনোনয়ন দেয়া তিন ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশী অবহেলিত নারী ও শিশু। আমি এদের জীবন মান উন্নয়ন ও কল্যানে সাধ্যমত কাজ করে যাব। তিনি ১৬, ২০ ও ৩২ ওয়ার্ডের জনগনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তাকে একটি বার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারি। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে জনগনের পাশে থাকবেন এবং একজন দলীয় একনিষ্ঠ কর্মী হিসাবে কাজ করে যাবেন। ওয়ার্ডের জনগনের দারে দারে দিয়ে তাদের সমস্যার কথা শুনবো ও সমাধানে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাবো। ...

এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে আবারো নির্বাচিত হবার আশাবাদ ব্যক্ত

২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী জানিয়েছেন, জনগন চাইলে তিনি আবার নির্বাচন করবেন এবং তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি এলাকার উন্নয়নে কাজের ধারা অব্যহত রাখতে চান। তিনি তার ওয়ার্ডকে একটি জনবাদ্ধব ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলেছেন। আর এই জনমুখি সেবা প্রদানের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদ যথেষ্ট নয়।এলাকার উন্নয়নে কাজের ধারা অব্যহত রাখতে আবারো নির্বাচিত হবার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরো জানান, এরমধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ হয়েছে তার এলাকায়। তারমধ্যে এলাকার ১১৭ টি রাস্তা পাকাকরনের কাজ করেছেন। প্রায় ৯০ শতাংশ রাস্তা পাকাকরনের কাজ হয়েছে। বাকি কাজ গুলো চলমান আছে। শতভাগ কাঁচা রাস্তা মুক্ত ওয়ার্ড করার জন্য কাজ করছেন। এলাকার স্কুল গুলোতে শিক্ষা প্রসারে লজিস্টিক সহায়তা করা হয়েছে। ড্রেন গুলো সম্প্রসারণ করেছেন। রাস্তায় ব্যপক এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন। প্রায় ১৩শ সড়ক বাতি লাগিয়েছেন। এলাকার ময়লা আবর্জনা অপসারনের জন্য ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। প্রতি ঘরে ময়লা ফেলার জন্য প্রায় ৪৫ হাজার বিম বিতরন করা হয়েছে। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওয়ার্ডকে বর্জ্য মুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে ঘোষণা করতে কাজ করে যাচ্ছেন। এখানে প্রায় ৯২ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী রয়েছে যারা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এখানে ময়লা আবর্জনা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। যারা নিয়মিত মনিটরিং করে থাকে। ময়লা আবর্জনা অপসারনে ব্যাকের সহযোগিতায় বেশ কিছু গাড়ি সংযুক্ত করা হয়েছে। অচিরেই এটি একটি আবর্জনা মুক্ত মডার্ন ওয়ার্ডে রুপান্তরিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। ওয়ার্ডের জনগনেকে সাথে নিয়ে মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে জগননের মধ্যে ব্যপক সচেতনতা তৈরি হয়েছে। মেয়র মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতায় ও এলাকার জনগনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাদক বিরোধী সভা সমাবেশ করেছেন। অভাবগ্রস্ত মাদকাসক্ত পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। মাদক, সন্ত্রাস নির্মূলে এলাকার জনগন সোচ্চার আছে। এই ওয়ার্ড অনেকটাই মাদক, সন্ত্রাস মুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে পরিনত হয়েছে। তিনি জানান,তার ওয়ার্ডে কিছু জলাবদ্ধ প্রবন এলাকা রয়েছে। জলাবদ্ধতা নরসনে বেশ কিছু পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন। খতিবের হাট, মরাদপুর, জাংগাল পাড়া, মোহাম্মদ পুর, নাজির পাড়া,হাদি নাজির পাড়া এইসব এলাকাগুলো বর্ষা মৌসুমে জলমগ্ন থাকে। ইতিমধ্যে ওই সব এলাকার সকল ড্রেন থেকে ময়লা ও মাটি অপসারন করা হয়েছে। সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঙ্গিনিয়ারিং ব্রিগেড জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে যে প্রকল্পের কাজ হচ্ছে তাদের সাথে সমন্নয় করে কাজ করে যাচ্ছি। তাছাড়া ত্রিপুরা খাল খনন, সিডিএ এভিনিউর পাশের মির্জা খালের অংশটি সম্প্রসারন করা। আশা করছি এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। তিনি আরো জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি তার কাজের ধারা অব্যহত রাখবেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন এবং তার ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা মনির হোসেন চৌধুরী (৪৩) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী সাহেব এলাকা্র উন্নয়নে অনেক করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও অনেক উন্নয়ন করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে অনেক কাজ হাতে নিয়েছেন। মাদক নির্মূলে ওনি বলিষ্ঠ ভুমিকা রেখেছেন। আগামী নির্বাচনে আবার নির্বাচিত হবে বলে আশা করি। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এক হোটেল ব্যবসায়ী সাইমন জাকির (৪৭) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর মোবারক আলী ভাই ব্যক্তি হিসাবে ভালো।এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতা আছে। তাকে যে কোন সময় কাছে পাওয়া যায়। তিনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী মোঃ ফারুক হাসান ভূঁইয়া (৪৬) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোবারক আলী ভাই একসময় ছাত্র রাজনীতি করেছেন।বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথেও তিনি জড়িত আছেন। এলাকার লোকজনের সাথে ওর ভালো সম্পর্ক আছে । আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি তিনি আবার নির্বাচিত হবেন। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এক স্থানীয় বাসিন্দা মইনুল হাসান চৌধুরী (৫৪) জানান, জলাবদ্ধতার সমস্যা আমাদের এখানে বড় সমস্যা যা বর্ষা মৌসুমে আমাদের বড় ভোগান্তিতে ফেলে। সন্ত্রাস ও মাদকের সমস্যা তেমন নেই আমাদের এলাকায়। তাছাড়া কাউন্সিলর এলাকায় মোটামুটি উন্নয়ন কাজ করেছেন।...

দক্ষিণপন্থীও নই বামপন্থীও নই, আমি দেশবাসীর স্বার্থের পক্ষে

১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৬৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোর বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন যে, লাহোর উপস্থিতির পর তথাকার অধিবাসীবৃন্দ তাহাকে যে আন্তরিক সংবর্ধনা জ্ঞাপন করিয়াছে, তাহাতে তিনি অভিভূত হইয়াছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গোলটেবিল বৈঠকে যোগদানের উদ্দেশ্যে রাওয়ালপিন্ডি যাত্রার পূর্বে লাহোর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বলেন যে, লাহোরের বীর নাগরিকদের ভালোবাসা ও অনুরাগের কথা তিনি সর্বদাই স্মরণ রাখিবেন। এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজম খান প্রমুখ স্বতন্ত্র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহিত তাহার আলোচনা প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু বলেন যে, তিনি তাহাদের সহিত আলোচনায় পুরোপুরি সন্তুষ্ট হইয়াছেন। পূর্বাহ্নে শেখ মুজিবুর রহমান এবং পিপলস পার্টি প্রধান জনাব জেড এ ভুট্টো একই বিমানযোগে ঢাকা হইতে লাহোর পৌঁছিলে বিমানবন্দরে তাহাদের বিপুল সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। পিডিএম, পিপলস পার্টি এবং আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক কর্মী সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করেন। তন্মধ্যে মালিক গোলাম জিলানী, জনাব জেএ রহীম, জনাব মাহমুদ আলী কাসুরী, এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আজম খান উল্লেখযোগ্য। বিমানবন্দরে এত বিপুল জনসমাগম হয় যে, বিমানের পক্ষে পার্কিং বে’তে পৌঁছানো একরূপ অসম্ভব হইয়া পড়ে। শেষ পর্যন্ত বিমানটি ট্যাক্সিওয়েতে থামিয়া যায় এবং জনাব ভুট্টো জনগণকে পিছনে সরিয়া যাইতে বলেন, কিন্তু জনতা তাহাকে সেখানেই অবতরণ করিতে বাধ্য করে এবং তাহার পার্টির একটি ট্রাকে উঠিয়া বসিতে বলে। তখন তাহাকে শোভাযাত্রা সহকারে বাহিরে লইয়া যাওয়া হয়। অনরূপভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবও সেখানেই বিমান হইতে অবতরণ করেন এবং তাহাকে শোভাযাত্রা সহকারে বাহিরে নেওয়া হয়। এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লে. জেনারেল আজম খান তাঁহার কর্মসূচি সমর্থন করিবেন কিনা, এই প্রশ্নের জবাবে তাঁহার কোন ‘মন্তব্য নাই’ বলিয়া জানান। তিনি বলেন, তাহাদের সহিত আলোচনায় আমি সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হইয়াছি, এত আগে সে কথা বলা যায় না। বামপন্থী কিংবা দক্ষিণপন্থী নই, স্বদেশপন্থী: জনৈক বিদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেন, আমি বামপন্থীও নই, কিংবা দক্ষিণপন্থীও নই, আমি আমার স্বদেশবাসীর স্বার্থের পক্ষে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাহার দল নিরপেক্ষ এবং ‘সকলের সহিত বন্ধুত্ব কাহারও সহিত শত্রুতা নয়- এই বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাসী। দুর্নীতি প্রসঙ্গ: দেশে বিরাজমান দুর্নীতি প্রসঙ্গে শেখ মুজিব বলেন যে, উহা বর্তমান সরকারেরই অবদান এবং দুর্নীতি বিরোধী কমিটি ও কমিশন গঠনের দ্বারা উহা উচ্ছেদ করা যাবে না। তবে জনগণের প্রতিনিধিবৃন্দ ক্ষমতা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে উহার অবসান ঘটিবে। তিনি বলেন যে, দুর্নীতি কঠোর হস্তে দমন করিতে হইবে। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব মুসলিম লীগকে বিরোধী দলে পরিণত করার যে প্রস্তাব করিয়াছেন, তিনি সেই সম্পর্কে কোন মন্তব্য করিতে বিরত থাকেন। বঙ্গবন্ধু পিন্ডি অবস্থানকালে ডাক নেতৃবৃন্দের সহিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করিবেন বলিয়া জানান। তথ্যসূত্র : এই দেশ এই মাটি গ্রন্থ।


এলাকার অবহেলিত মানুষের পাশে থাকবো ও প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবো: কাউন্সিলর প্রার্থী

২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসন ১৬,২০ ও ৩২ এর মহিলা কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। রবিবার ২৩শে ফেব্রুয়ারি সকালে তার নিজ বাসায় নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। মহিলা কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, তিনি তৃণমুল থেকে উঠে এসেছেন। বর্তমানে তিনি ৩২ নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা। সেই সাথে তিনি বেশ কিছু সামাজিক সংগঠনের সাথে ও যুক্ত আছেন, একাধারে তিনি চট্টগ্রাম জন্মাষ্টমী কেন্দ্রীয় পরিষদ এর কেন্দ্রীয় সদস্য, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের চট্টগ্রাম মহানগর এর মহিলা সম্পাদিকা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের দপ্তর সম্পাদিকা, দ্যা চট্টগ্রাম ট্রাস্টের যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ মানবাধিকার চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার এর মহিলা সম্পাদিকা। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী। প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তিনি তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তার তিন ওয়ার্ডের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এলাকার বিশেষ বিশেষ সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করে যাবেন। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করে যাবেন। তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র এর যৌথ সমন্বয়ে এলাকার সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাবেন। এলাকার যে সকল যুবকরা নানা অপরাধে জড়িয়ে আছে তাদেরকে কর্মমুখী করার জন্য কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে আমাকে মনোনয়ন দেয়া তিন ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশী অবহেলিত নারী ও শিশু। আমি এদের জীবন মান উন্নয়ন ও কল্যানে সাধ্যমত কাজ করে যাব। তিনি ১৬, ২০ ও ৩২ ওয়ার্ডের জনগনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তাকে একটি বার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারি। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে জনগনের পাশে থাকবেন এবং একজন দলীয় একনিষ্ঠ কর্মী হিসাবে কাজ করে যাবেন। ওয়ার্ডের জনগনের দারে দারে দিয়ে তাদের সমস্যার কথা শুনবো ও সমাধানে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাবো।

ভয়াবহ অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করেছিল

২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে কালবিলম্ব না করে রাতে তিনি পাকিস্তানের পিআইএর একটি বিমানে লন্ডন যাত্রা করে ৮ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৬টায় হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁঁছেন। অনেক আনুষ্ঠানিকতা শেষে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর রাজকীয় কমেট বিমানে ৯ জানুয়ারি সকালে বঙ্গবন্ধু দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন। পথে তেল নেওয়ার জন্য সাইপ্রাসে যাত্রাবিরতি ঘটেছিল বিমানের। ১০ জানুয়ারি সকালে বঙ্গবন্ধু দিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখানে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতিতে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা এবং রাষ্ট্রপতি ভবনে সৌজন্য কথাবার্তার পর ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানেই যাত্রা করেছিলেন ঢাকার উদ্দেশে। ব্রিটিশ কমেট বিমানটি তেজগাঁও বিমানবন্দর স্পর্শ করে বিকেল ৩টায়। সেখান থেকে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে লাখ লাখ বাঙালির ভালোবাসা আর স্নেহের পরশ ভেদ করে পৌঁছাতে তাঁর সময় লেগেছিল আড়াই ঘণ্টা। রেসকোর্সে লাখো জনতার মাঝ থেকে বঙ্গবন্ধু তাঁর পরিবারের কাছে পৌঁছেন সন্ধ্যা পৌনে ৬টায়। এত দীর্ঘ পথযাত্রা, দীর্ঘ আনুষ্ঠানিকতা, জনসভা, আবেগ-উচ্ছ্বাস-কান্না বিনিময়ের পর ১১ জানুয়ারি থেকে বঙ্গবন্ধু সব ক্লান্তি-ভাবাবেগ উপেক্ষা করে এক মুহূর্ত বিলম্ব না করে দেশ পরিচালনা শুরু করেন। সেদিনই মন্ত্রিসভার সঙ্গে দুদফা বৈঠক করেন এবং বৈঠকে সংবিধান প্রণয়নসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু অস্থায়ী সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের পর থেকে বস্তুত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সরকারি-বেসরকারি সব সংস্থাসহ সারা দেশ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চলতে থাকে। এবং সেনাবাহিনীর বাঙালি অংশ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশের অপেক্ষায় থাকে। ১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ বাংলার জনগণ ও প্রগতিশীল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের দাবিতে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের শাসনভার স্বহস্তে গ্রহণ করেন। এক ঘোষণায় তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের কল্যাণের জন্যই তাঁকে এ দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছে। তিনি সুস্পষ্টভাবে দেশবাসীকে জানান, এই শাসনভার স্বহস্তে গ্রহণ করার অর্থ বাংলাদেশের স্বাধীনতা। জনগণ যেন তা রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত থাকে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মুক্তির স্পৃহাকে স্তব্ধ করা যাবে না। আমাদের কেউ পরাভূত করতে পারবে না। কারণ প্রয়োজনে আমরা প্রত্যেকে মরণ বরণ করতে প্রস্তুত। জীবনের বিনিময়ে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধরদের স্বাধীন দেশের মুক্ত মানুষ হিসেবে স্বাধীনভাবে আর আত্মমর্যাদার সঙ্গে বাস করার নিশ্চয়তা দিয়ে যেতে চাই। মুক্তির লক্ষ্যে না পৌঁছা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম নবতর উদ্দীপনা নিয়ে অব্যাহত থাকবে। আমি জনগণকে যেকোনো ত্যাগের জন্য এবং সম্ভাব্য সব কিছু নিয়ে যেকোনো শক্তির মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে আবেদন জানাই।(দৈনিক পূর্বদেশ, ১৬ মার্চ ১৯৭১)। বলা বাহুল্য, বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণাও স্বাধীনতার ঘোষণার নামান্তর। বঙ্গবন্ধু দেশের শাসনকার্য পরিচালনার জন্য ৩৫টি বিধি জারি করেন, যার মাধ্যমে ১৫ মার্চ থেকে সারা দেশ পরিচালিত হয়। বস্তুত ১৫ মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায়। দেশের শাসনভার স্বহস্তে গ্রহণ করার পর জনসাধারণ ও সরকারি কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বঙ্গবন্ধুকে সাহায্য করতে লাগলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের সর্বত্র ছিল পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর ধ্বংসলীলার ক্ষতচিহ্ন। নাগরিকদের খাদ্য-বস্ত্র, বাসস্থানের অভাব ছিল প্রকট। কলকারখানায় উৎপাদন শূন্যের কোঠায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু রাখা ও এক কোটি শরণার্থীর পুনর্বাসনসহ দেশের সমস্যা ছিল অগণিত। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন ছিল বঙ্গবন্ধুর সামনে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ, যা তিনি সাফল্যের সঙ্গে মোকাবেলা করেন। স্বাধীনতা-উত্তর কালের বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থার পর্যালোচনা করে বিশ্বজুড়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ৫০ লাখ মানুষ অনাহারে প্রাণ হারাবে, দেখা দেবে দুর্ভিক্ষ। এমনি এক ভয়াবহ অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ শাসনভার গ্রহণ করেছিল। নিঃসন্দেহে তাঁর পরিচালনায় আওয়ামী লীগ সরকার প্রাথমিক অসুবিধা ও সংকটগুলো কাটিয়ে উঠেছিলেন। দেশের প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সে অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ প্রমাণ করে যে বঙ্গবন্ধুর সরকার প্রাথমিক অনিশ্চয়তা কাটিয়ে একটি সুনিশ্চিত পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য অর্জন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের উল্লেখযোগ্য কিছু দিক হলো : মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসন : মুক্তি বাহিনীর জওয়ানদের কাজে লাগানোর জন্য বঙ্গবন্ধু ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী, মিলিশিয়া, রিজার্ভ বাহিনী সংগঠনের বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেন। মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সা এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এ ছাড়া দেশ গড়ার বিভিন্ন কাজে যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ প্রদান করেন। ত্রাণ কার্যক্রম : রিলিফ ও পুনর্বাসনের জন্য বঙ্গবন্ধু দেশের বিভিন্ন স্থানে জনসংখ্যার ভিত্তিতে মঞ্জুরি দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ : মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহূত অস্ত্র নিজেদের কাছে না রেখে তা ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সমর্পণের আহ্বান জানান। এতে সব মুক্তিযোদ্ধা সাড়া দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র জমা দেন। স্বাধীন বাংলার প্রশাসনিক পদক্ষেপ : ঢাকা মুক্ত হওয়ার পর একটা প্রশাসনিক শূন্যতা বিরাজ করছিল রাজধানীসহ দেশের সর্বত্র। নিরাপত্তার বিষয়টি আরো গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু প্রত্যাবর্তনের পর প্রশাসনকে কর্মোপযোগী করে তোলেন। ভারতীয় বাহিনীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : ১২ মার্চ ১৯৭২ ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রত্যাবর্তন করে। ১৯৭২ সালের সংবিধান : ৩০ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশ যে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, তারই আদর্শ হিসেবে রচিত হলো রক্তে লেখা এক সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২। সাধারণ নির্বাচন : ১৯৭৩ সালে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা : বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের পর দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশের জনগণের দ্রারিদ্র্য দূরীকরণ তথা অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে জাতির জনক প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এই পরিকল্পনার লক্ষ্যগুলো ছিল, ক. মূল লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য দূরীকরণ। এ জন্য যারা কর্মহীন বা আংশিক কর্মহীন তাদের সবার কর্মসংস্থানের আয়োজন প্রয়োজন। তা ছাড়া জাতীয় আয় বৃদ্ধির সঙ্গে এই আয় বণ্টনের জন্য যথাযথ আর্থিক ও মুদ্রানীতি প্রণয়ন ত্বরান্বিত হওয়া প্রয়োজন। খ. জনগণের অত্যাবশ্যক পণ্যের চাহিদা যাতে মেটে সে জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর (খাদ্যদ্রব্য, পোশাক, ভোজ্য তেল, কেরোসিন ও চিনি) উত্পাদন বাড়াতে হবে। গ. কৃষির প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রযুক্তিগতকাঠামোতে এমনভাবে রূপান্তর সাধন প্রয়োজন, যাতে খাদ্যশস্যের উত্পাদনের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়, কৃষিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে এবং শ্রমশক্তির শহরমুখী অভিবাসন বন্ধ হয়। পররাষ্ট্রনীতি : বঙ্গবন্ধু পররাষ্ট্রনীতি সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো প্রতি বৈরী মনোভাব নয়। প্রথম তিন মাসের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন, ব্রিটেন, ফ্রান্সসহ ৬৩টি দেশের স্বীকৃতি লাভ। ৩ মাস ২১ দিনের মধ্যে স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয় দুই বছর দুই মাসের মধ্যে। সর্বমোট ১২১টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন গঠন : ইসলামের যথার্থ শিক্ষা ও মর্মবাণী সঠিকভাবে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রচার-প্রসারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ প্রতিষ্ঠা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ইসলাম আদর্শের যথাযথ প্রকাশ তথা ইসলামের উদার মানবতাবাদী চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা ছিল জাতির জনকের সুদূরপ্রসারী চিন্তার এক অমিত সম্ভাবনাময় ফসল। যুদ্ধাপরাধীর বিচার : বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ কোলাবরেটরস স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল অর্ডার জারি করে। এতে দালাল, যোগসাজশকারী কিংবা কোলাবরেটরদের সংজ্ঞায়িত করা হয় এভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীকে বস্তুগত সহযোগিতা প্রদান বা কোনো কথা, চুক্তি ও কার্যাবলির মাধ্যমে হানাদার বাহিনীকে সাহায্য করা। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা বা যুদ্ধের চেষ্টা করা। মুক্তিবাহিনীর তত্পরতার বিরুদ্ধে ও মুক্তিকামী জনগণের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা। পাকিস্তানি বাহিনীর অনুকূলে কোনো বিবৃতি প্রদান বা প্রচারে অংশ নেওয়া এবং পাকিস্তানি বাহিনীর কোনো প্রতিনিধিদল বা কমিটির সদস্য হওয়া। হানাদারদের আয়োজনে উপনির্বাচনে অংশ নেওয়া। চার ধরনের অপরাধীর বিচার : পরবর্তীকালে একই বছরে এই আইন দুই দফা সংশোধন করা হয়। এই সংশোধনীতেও চার ধরনের অপরাধীকে ক্ষমা করা হয়নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে নেই, তাদের ক্ষমা করা হয়। কিন্তু যারা লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও হত্যাএই চারটি অপরাধ করেছে, তাদের ক্ষমা করা হয়নি। ১৯৭৩ সালে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩৭ হাজার ৪৭১ জনকে দালাল আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ১৯৭৩ সালে অক্টোবর পর্যন্ত দুই হাজার ৮১৮টি মামলার সিদ্ধান্ত হয়। এতে একজনের মৃত্যুদণ্ডসহ ৭৫২ দালাল দণ্ডিত হয়। তৎকালীন সরকার আইনগত ব্যবস্থা ত্বরিত করার জন্য ৭৩টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল। বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ১১ হাজার আটক থাকে। উপরন্তু বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালের ১৯ জুলাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট জারি করেন, যা পরবর্তী সময়ে আইন হিসেবে সংবিধানে সংযোজিত হয় এবং অদ্যাবধি তা বহাল রয়েছে। ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছিল। ১৯৭৩ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধানের ১২ ও ৩৮ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সংবিধানের ৬৬ ও ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী তথাকথিত ধর্ম ব্যবসায়ীদের ভোটাধিকার ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার বাতিল করা হয়েছিল। হজে প্রেরণ : ১৯৭২ সালে সৌদি আরবে মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে ছয় সহস্রাধিক বাংলাদেশি মুসলমানকে হজ পালনে প্রেরণ করা হয়। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চুক্তি : ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পাদিত হয় ২৫ বছরমেয়াদি বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীচুক্তি। শিক্ষা কমিশন গঠন : কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন ও শিক্ষানীতি প্রণয়ন। যমুনা সেতু : ১৯৭৩ সালের ১৮-২৪ অক্টোবর জাপান সফরকালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কাকুই তানাকার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণের সূচনা করেন। বিভিন্ন সংস্থার সদস্যপদ গ্রহণ : জাতিসংঘের বেশির ভাগ সংস্থা বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদস্যপদ গ্রহণ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পুনর্গঠন : স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে একটি আধুনিক সুসজ্জিত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ : ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ ও ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ প্রদান। প্রথম জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন : বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৪-২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ প্রথম জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ছাড়াও বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিক কিছু পদক্ষেপ : ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ, পাঁচ হাজার টাকার ওপরে কৃষিঋণ মওকুফকরণ এবং ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান কমিয়ে এনে সামাজিক অর্থে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জমি মালিকানার সিলিং পুনর্নির্ধারণ ছিল ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। স্বাস্থ্যব্যবস্থা : বঙ্গবন্ধু সরকার নগর ভিত্তিক ও গ্রামীণজীবনের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণের পদক্ষেপ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ৫০০ ডাক্তারকে গ্রামে নিয়োগ করেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে আইজিএমআর শাহবাগ হোটেলে স্থানান্তর হয়। তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে থানা স্বাস্থ্য প্রকল্প গ্রহণ বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আজও স্বীকৃত। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি : ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সংগতি রেখে বাংলাদেশকে শিল্প-সংস্কৃতিবদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গঠন এবং বাঙালির হাজার বছরের কৃষ্টি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য ধরে রেখে আরো সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশি শিল্পকলা একাডেমি গঠন করেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি বিকাশের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। বৈদেশিক বাণিজ্য শুরু : শূন্য বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে বঙ্গবন্ধু সরকারকে শুরু করতে হয়েছে বৈদেশিক বাণিজ্য। এ ছাড়া জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন, কমনওয়েলথ, জাতিসংঘ, ইসলামী সম্মেলন সংস্থা ইত্যাদি আন্তর্জাতিক সংস্থায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে বঙ্গবন্ধু তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের ছাপ রাখতে সমর্থ হন। পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা রোধ এবং বিশ্বশান্তির প্রতি ছিল তাঁর দৃঢ় সমর্থন। এ ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭২ সালে বিশ্বশান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে প্রদান করে জুলিওকুরি শান্তিপদক। দুর্নীতির বিরদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা : ১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে জাতির ভবিষ্যৎ তমিস্রায় ছেয়ে যাবে। দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, চোরাচালানি, মজুদদারি, কালোবাজারি ও মুনাফাখোরদের সমাজ ও রাষ্ট্রের শত্রু বলে আখ্যায়িত করে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, এদের শায়েস্তা করে জাতীয় জীবনকে কলুষমুক্ত করতে না পারলে আওয়ামী লীগের দুই যুগের ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্বদানের গৌরবও ম্লান হয়ে যেতে পারে। লেখকঃ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক,কলামিষ্ট ,সম্পাদক নিউজ একাত্তর ডট কম ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান,দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ । সূত্র : বঙ্গবন্ধু আর্কাইভ

আজকের মোট পাঠক

33398
O relaxamento vascular leva a um aumento na perfusão sanguínea, após o que os sintomas da hiperplasia prostática benigna são reduzidos.cialis tadalafil buy online White or white with a slightly yellowish tinge with a characteristic odor.cost of cephalexinIt is difficult and slow to dissolve in water, almost insoluble in alcohol. Cialis super active aumenta la producción de esperma, aumenta el deseo sexual.Cialis super active Sin Receta En EspañaCialis Super Asset lo ayudará en una situación difícil. Complications with prolonged use: rarely - psychoses that resemble alcoholic ones; hepatitis, gastritisCheap no Prescription disulfiramdetoxification therapy, administration of analeptics, and symptomatic therapy are necessary Nolvadex helps reduce the level of sex hormones in the blood of men and women Nolvadex online which ensures its therapeutic effect in this pathology.

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত