আবারও জোড়া ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল উ. কোরিয়া

২৪আগস্ট,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাপান সাগরের আজ শনিবার আবারও দুটি স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপ্রণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত বিরতিতে পূর্ব উপকূল থেকে দুটি করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী। শনিবার ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রদুটি এর আগে উৎক্ষেপিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মতো বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। এ নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহে সপ্তমবারের মতো জোড়া ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করল উত্তর কোরিয়া। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গত জুনে দুই কোরিয়ার সীমান্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের মধ্যে সাক্ষাতের পর থেকে নিয়মিত বিরতিতে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। এমন পরিস্থিতিতে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রমের ভবিষ্যত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর প্রক্রিয়া ক্রমে জটিল হয়ে পড়ছে। জুন মাসের সাক্ষাতে ট্রাম্প ও কিম পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে কার্যকরী সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়ে একমত হলেও এরপর আর দুদেশের মধ্যে কোনো ফলপ্রসূ আলোচনা হয়নি। বিভিন্ন সময়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সমঝোতার পথ খুঁজে পেতে চলতি সপ্তাহে সিউল সফর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর কোরিয়াবিষয়ক রাষ্ট্রদূত স্টিফেন বাইগুন। বাইগুন গত বুধবার বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে সাড়া পেলেই আমরা মাঠে নেমে পড়ব। কিন্তু সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যেকার অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যৌথ সামরিক মহড়া, দক্ষিণ কোরিয়ার রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান আমদানি করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মাঝারি-পাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোকে হুমকি ও আলোচনা চলার পথে বাধা উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সমালোচনা করছে উত্তর কোরিয়া। মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন,উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি আমরা জানি। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। পাশাপাশি আমাদের মিত্র জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে এ নিয়ে কথাও বলছি। এদিকে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকে জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন দাবি করে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাকেশি আইওয়া জানিয়েছেন, বিষয়টি কোনোভাবেই উপেক্ষা করার মতো নয়। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে পড়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে নেই জাপান। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেএসসি) জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার হ্যামগিয়ং রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলের সন্দক এলাকা থেকে আজ শনিবার স্থানীয় সময় সকাল পৌনে ৬টা ও সকাল ৭টা ২ মিনিটে ক্ষেপণাস্ত্রদুটি ছোড়া হয়। উত্তর কোরিয়ার সামরিক বিমানবন্দরটি সন্দকে অবস্থিত। ক্ষেপণাস্ত্রদুটি ভূমি থেকে প্রায় ৬০ মাইল উচ্চতায় ২৩৬ মাইল উড়ে যায় বলে জেএসসি জানান। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জাপান সাগরে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে কোনো ধ্বংসাবশেষ দেখলে কাছে না যেতে সতর্ক করেছে জাপানের কোস্ট গার্ড। এদিকে গতকাল শুক্রবার জাপানের সঙ্গে একটি প্রযুক্তিবিষয়ক চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয় দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার তরফ থেকে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা হুমকির পরেও দক্ষিণ কোরিয়ার এমন পদক্ষেপ হতাশাজনক বলে জানান জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাকেশি আইওয়া। ...

ভারতের নতুন কেবিনেট সচিব রাজীব

২২আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:ভারতের বর্তমান স্বরাষ্ট্র সচিবকে কেবিনেট সচিব করা হয়েছে। ৩০ আগষ্ট থেকে আগামী দুই বছরের জন্য তিনি এই দায়িত্বে থাকবেন। কেবিনেটের নিয়োগ কমিটি তাকে এই পদে নিয়োগ করেছে। তিনি বর্তমান কেবিনেট সচিব পি কে সিনহার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। তবে কেবিনেট সচিব পদের পূর্ণ দায়িত্ব নেবার আগে পর্যন্ত তাকে কেবিনেট সচিবালয়ের অফিসার অন স্পেশাল ডিউটিতে নিয়োগ করা হয়েছে। ১৯৮২ ব্যাচের ঝাড়খন্ডের এই আইএএস অফিসারকে ২০১৭ সালের ৩১ আগষ্ট স্বরাষ্ট্র সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। প্রতিরক্ষা উৎপাদন দপ্তরের সচিব অজয় কুমারকে প্রতিরক্ষা সচিব পদে নিয়োগ করা হয়েছে। এই পদে দুবছরের বেশি সময় ছিলেন সঞ্জয় মিত্র। প্রতিরক্ষা উৎপাদন সচিব পদে আনা হয়েছে সুভাষ চন্দ্রকে। এছাড়া ব্রিজকুমার আগরওয়ালকে নিয়োগ করা হয়েছে লোকপালের সচিব হিসেবে। ...

কাশ্মীরে নিহত ২

২২আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে এক বিদ্রোহী ও এক পুলিশ কর্মকর্তা। অঞ্চলটির স্বায়ত্তশাসন বাতিলের পর সেখানে এটিই প্রথম প্রকাশিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা। বুধবার ভারতীয় পুলিশ এক বিবৃতিতে বন্দুকযুদ্ধের এ খবর নিশ্চিত করেছে। আল জাজিরা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছে এক কাশ্মীরি সশস্ত্র বিদ্রোহী। সংবাদমাধ্যমটিকে ভারতীয় পুলিশের পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বিদ্রোহীরা পুলিশের ওপর গ্রেনেড হামলা চালায়। এতে দুই পুলিশ আহত হয়। যার মধ্যে একজন পরে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। অপর একজনকে সেনা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বিদ্রোহীদের ওপর পাল্টা হামলা চালালে মমিন গুজরি নামের ওই বিদ্রোহী নিহত হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বারামুল্লাহ এলাকার ওই বাসিন্দা জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই- তৈয়বার সদস্য ছিল। এদিকে, পাকিস্তান অভিযোগ করেছে লাইন অব কন্ট্রোলে ভারতীয় গুলিতে ৩ পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হয়েছে। এ অঞ্চলে পুলিশের সঙ্গে প্রায়শই বিদ্রোহীদের সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। গত তিন দশকে কাশ্মীরে ব্যাপক পরিমাণে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে অন্তত অর্ধলক্ষ কাশ্মীরি। ৩৭০ ধারা বাতিলের পর গত ১৯শে আগস্ট থেকে পরিষেবা ও স্কুল-কলেজ চালু হতে শুরু করেছে। ফলে আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠছে কাশ্মীর উপত্যকা। ...

কাশ্মীরে পুলিশসহ বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২

২১আগস্ট,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কাশ্মীরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আজ বুধবার একজন সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত হওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর এই প্রথম হিমালয়ের উপত্যকায় এমন ঘটনা ঘটল। পুলিশ আরো জানায়, উত্তর কাশ্মীরের বারামুল্লা এলাকায় হওয়া এই বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের দুজন সদস্যও আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫-ক অনুচ্ছেদ দুটি বাতিল করে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে ভারতের অন্য রাজ্যের বাসিন্দাদের কাশ্মীরে সম্পত্তি ক্রয় করার ওপর বিধিনিষেধ উঠে যায়। পাশাপাশি অন্য রাজ্যে বসবাসরত ভারতীয়দের কাশ্মীরে সরকারি চাকরি পাওয়া কিংবা কাশ্মীরে স্থায়ীভাবে বসবাসের বিধিনিষেধও বাতিল হয়ে যায়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার শপথ নেয় মুসলিম-অধ্যুষিত কাশ্মীরে যুদ্ধরত জঙ্গিরা। এদিকে কাশ্মীরকে নিজেদের অংশ দাবি করা পাকিস্তান কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কাশ্মীরে সম্ভাব্য নৈরাজ্য নিয়ন্ত্রণের কথা বলে এ মাসের শুরু থেকেই প্রচুর বাড়তি আধাসামরিক সেনা মোতায়েন রেখেছে মোদি সরকার। স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপত্যকার বারামুল্লার এলাকায় অভিযান চালিয়েছে আধাসামরিক সেনারা। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেডে দুজন পুলিশ সদস্য আহত হন বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। কাশ্মীরে কারফিউ জারির পর থেকে কমপক্ষে দুই হাজার তিনশর বেশি কাশ্মীরিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত সোমবার রাতভর শ্রীনগরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এপি এসব তথ্য জানিয়েছে। আকস্মিক এক পদক্ষেপে গত ৫ আগস্ট মোদি সরকার জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা বাতিল করে অঞ্চলটিকে পুরোপুরি ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা দেয়। ভারত সরকার ৪ আগস্ট থেকেই হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে পুরো কাশ্মীর উপত্যকাকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে রেখেছে। দুই সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন কাশ্মীরবাসী। সে নিরাপত্তার ঘেরাটোপ উপেক্ষা করে স্বায়ত্তশাসন বাতিলের প্রতিবাদে মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে বিক্ষোভ করছেন কাশ্মীরের জনগণ। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষও হচ্ছে বিক্ষোভকারীদের।...

চট্টলা আবৃত্তি একাডেমীর আত্মপ্রকাশ

২৪আগস্ট,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ১৮ আগস্ট সন্ধ্যায় চট্টলা আবৃত্তি একাডেমীর আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীর জয়নুল আর্ট গ্যালারি হলে সংগঠনের পরিচালক সুপ্রিয়া চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন সাবেক অধ্যক্ষ রীতা দত্ত। বাঙালি সত্তায় চট্টলা বৃন্দ আবৃত্তির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন রাজকল্যাণ দত্ত, সাঁঝবাতি বিশ্বাস, রূপশ্রী দত্ত, অন্বেষা বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ঘোষ, কুমার প্রীয়ম দাশ, ঐন্দ্রিলা ঘোষ, প্রিয়ন্তী রায় ও সুজন নীল প্রমুখ। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল বন্ধু সংগঠন ও অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্য এবং আবৃত্তি পরিবেশনা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ...

টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ২ আসামি নিহত

২৪আগস্ট,শনিবার,টেকনাফ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যায় অভিযুক্ত দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিনগত রাত ২টার দিকে হ্নীলা জাদিমুড়া পাহাড়ের পাদদেশে গেলে পুলিশের সঙ্গে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডুর সব্বির আহমেদের ছেলে মুহাম্মদ শাহ ও একই জেলার রাসিদং থানা এলাকার সিলখালির আবদুল আজিজের ছেলে আবদু শুক্কুর। তারা উভয়ে বর্তমানে টেকনাফের হ্নীলার জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের তিন সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল হতে দুটি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), ৯টি শটগানের তাজা কার্তুজ ও ১২ রাউন্ড কার্তুজের খোসা পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে হ্নীলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ফারুকে হত্যা করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় টেকনাফ থানায় হত্যা মামলা রুজু করা হয়। মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামিরা জাদিমুড়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করছে এমন সংবাদে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রাশেল আহমদ শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে অভিযানে যান। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে এলোপাথাড়ি গুলি করতে থাকে। এসময় তাদের ছোরা গুলিতে পুলিশের এসআই মনসুর, এএসআই জামাল ও কনস্টেবল লিটন গুলিবিদ্ধ হন। জীবন ও সরকারি মালামাল রক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা ৪০ রাউন্ড গুলি করে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে পাহাড়ের গভীরের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফারুক হত্যা মামলার আসামি মুহাম্মদ শাহ ও আবদু শুক্কুরকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। তবে সদর হাসপাতালে পৌঁছালে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। ...

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

২২আগস্ট,বৃহস্পতিবার,মাধবপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার কায়সারনগর এলাকায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও ২ জন আহত হয়েছেন। বুধবার রাত ১০ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ওইদিন রাতে উপজেলার কালিনগর এলাকার ৩ ব্যক্তি মোটরসাইকেল যোগে বাদশা কোম্পানিতে কাজে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সিলেটগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় তাদের। এতে মোটরসাইকেলে থাকা কালিনগর এলাকার কাসিফ (২৭), জুনাইদ (২০), ও সুমন (২০) গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহতাবস্থায় কাসিফকে মাধবপুর উপজেলা সদর হাসাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। আহত জুনাইদ ও সুমনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ঘাতক ট্রাকসহ চালক ও হেলপারকে আটক করেছে। শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ওসি লিয়াকত আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।...

লালমনিরহাট আদিতমারীতে পুত্রবধূকে ধর্ষণ, শ্বশুর গ্রেপ্তার

২০আগস্ট,মঙ্গলবার,লালমনিরহাট প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউনুস আলী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের বারঘড়িয়া শেখেরদীঘি গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, প্রথম স্ত্রী থাকার পরেও এক ছেলে সন্তানসহ দ্বিতীয় স্ত্রীকে বিয়ে করেন কাঠমিস্ত্রী ইউনুস আলী। পাঁচ থেকে ছয় মাস আগে সেই ছেলের বিয়ে দেন। ছেলে (সৎ) কাজের সন্ধানে ঢাকায় অবস্থান করেন। এদিকে পুত্রবধূ ও স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে থাকতেন ইউনুস। গতকাল রোববার রাতে ঘুমন্ত পুত্রবধূর ঘরে কৌশলে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ করেন ইউনুস আলী। পুত্রবধূর চিৎকারে স্থানীয়রা এসে ধর্ষক শ্বশুরকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় আজ সোমবার দুপুরে ওই পুত্রবধূ বাদী হয়ে ধর্ষক শ্বশুর ইউনুস আলীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় থানা পুলিশ। নির্যাতিতা পুত্রবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওই পুত্রবধূ জানান, বিয়ের পর থেকে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন শ্বশুর ইউনুস আলী। প্রতিবাদ করলে ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুমকি দেন। রোববার রাতে ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন বলেও দাবি তার। আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ধর্ষিতার অভিযোগটি আমলে নিয়ে আটক ইউনুস আলীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ...

ঈদুল আজহায় ১৭৫ কোটি ডলারের নতুন রেকর্ড

১৭আগস্ট,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রায় ১৭৫ কোটি ডলারের রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। মুদ্রা বিনিময় হার (৮৪.৫০) অনুযায়ী যা ১৪ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকা। বন্ধের দিনগুলো বাদ দিলেও চলতি আগস্টের প্রথম ১০ দিনে এ রেমিটেন্সে এসেছে। বিপুল অংকের এ রেমিটেন্সের বেশিরভাগই মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ সময়ে তা রেকর্ড ১৮০ কোটি ডলার ছাড়ানোর । বিভিন্ন ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবারের মতো এবারও রেমিটেন্স গ্রহণের শীর্ষে ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটি ৯ আগস্ট পর্যন্ত রেমিটেন্স পেয়েছে ১৪ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। এছাড়া ১০ আগস্ট পর্যন্ত অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্স এসেছে ১০ কোটি ডলার। ৯ আগস্ট পর্যন্ত ৬ কোটি ২৯ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পেয়ে তৃতীয় স্থানে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এ সময় ৫ কোটি ৬৩ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পেয়েছে সোনালী ব্যাংক। জনতা ব্যাংক পেয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ডলার। সাউথইস্ট ব্যাংকের রেমিটেন্সও প্রায় ৩ কোটি ডলার। জানতে চাইলে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস উল ইসলাম বলেন, রেমিটেন্স পেতে ঈদের আগে শুক্র-শনিবার ছুটির দিনেও সারা দেশে ১৭৯টি শাখা খোলা রেখেছিলাম। এছাড়া সরকারি ব্যাংকের মধ্যে প্রথমবারের মতো অগ্রণী ব্যাংক সিঙ্গাপুর থেকে বিকাশের মাধ্যমে দেশে রেমিটেন্স এনেছে। সব মিলিয়ে মাত্র ১০ দিনেই ১০ কোটি ডলার রেমিটেন্স আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি। জনতা ব্যাংকের এমডি আবদুছ ছালাম আজাদ বলেন, কোরবানির ঈদে রেমিটেন্স প্রবৃদ্ধি ভালো। অন্য ঈদের তুলনায় এবার রেমিটেন্স বেশি এসেছে। মাস শেষ হলে রেমিটেন্স আরও বাড়বে। এদিকে ২০১৯-২০ অর্থবছর শুরু হয় রেমিটেন্স প্রবাহের সুখবর দিয়ে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৬০ কোটি ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। রেমিটেন্সের এ অংক মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে ২১ দশমিক ২০ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেও ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে শুরু হয়েছে। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে পরিবার-পরিজনের কাছে বেশি টাকা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এছাড়া ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়ার কারণেও রেমিটেন্স বাড়ছে। এর আগে রোজা ও ঈদ সামনে রেখে মে মাসে ১৭৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রেমিটেন্সে আসে, যা ছিল মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তার আগে ১ মাসে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স এসেছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে, ১৫৯ কোটি ৭২ লাখ ডলার। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, প্রস্তুতির অভাবে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেয়া এখনও শুরু করা যায়নি। যখনই শুরু করা হোক না কেন ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জুলাই থেকেই ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবেন প্রবাসীরা। তিনি বলেন, প্রণোদনা দেয়ার জন্য সিস্টেম আপডেট করতে আরও ২ থেকে ৩ মাস সময় লাগবে। এখন রেমিটেন্স পাঠালেও দুই শতাংশ প্রণোদনা, ৬ মাস পরে হলেও পাবে। বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হল বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স। বর্তমানে এক কোটির বেশি বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। জিডিপিতে রেমিটেন্সের অবদান ১২ শতাংশের মতো। স্থানীয় বাজারে ডলারের তেজিভাব এবং হুন্ডি ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা পদক্ষেপের কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই রেমিটেন্স বাড়ছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। প্রবাসীরা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১ হাজার ৬৪১ কোটি ৯৬ লাখ (১৬.৪২ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন, যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ এবং অতীতের যে কোনো বছরের চেয়ে বেশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ১৭ লাখ (১৪.৯৮ বিলিয়ন) ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। ...

কাঁচামরিচের দাম কমেছে অর্ধেক

৩০জুলাই২০১৯,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে ভারত থেকে আসা কাঁচামরিচের আমদানি। আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমছে কাঁচামরিচের দাম। হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে কয়েকদিন আগে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা। বর্তমানে সেই মরিচই বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। হিলি স্থলবন্দরের কাঁচা মরিচ আমদানিকারকরা জানান, চলতি মৌসুমে বন্যার কারণে মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশে উৎপাদিত কাঁচামরিচের সরবরাহ কমে যায়। এ কারণে দেশীয় বাজারে কাঁচামরিচের দামও বেড়ে যায়। আর দেশের বাজারে ভারতীয় কাঁচা মরিচের চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরাও ভারত থেকে আমদানি শুরু করে। প্রথম কয়েক দিন মরিচের দাম ভালো পেলেও গেল দুই দিন ধরে দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দাম কমার কারণ হিসেবে মরিচ ব্যবসায়ী বাবলু হোসেন জানান, হঠাৎ করে ভারতীয় মরিচের আমদানির পাশাপাশি দেশীয় মরিচের উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় মরিচের দাম কমেছে। ব্যবসায়ীরা আরও জানান, ভারত থেকে মরিচ আমদানি করে সরকারকে প্রতি কেজি মরিচে ২১ টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। এতে প্রতি কেজি মরিচ ৯০ টাকা হলেও সেই মরিচের দাম অর্ধেকও পাচ্ছে না তারা। এদিকে হিলি খুচরা বাজারের আড়তদাররা জানান, দেশি মরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা এবং ভারতীয় আমদানিকৃত মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। মরিচ কিনতে আসা ক্রেতা মিজানুর রহমান জানান, মরিচের দাম অনেকটা কমেছে। এরকম দাম থাকলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে। হিলি কাস্টম সূত্রে জানা গেছে, গেল আট কর্ম দিবসে ৫২ ট্রাকে ২৮৩ মেট্রিক টন মরিচ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে। যা থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ...

৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ ২০ হাজার ২৭৭

২৫জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চল্লিশতম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে ২০ হাজার ২৭৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এ ফল ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য, এ বছরের ৩ মে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ৪০তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৩২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষা দিয়েছেন ৩ লাখ ২৭ হাজার আর কেন্দ্রে অনুপস্থিত ছিলেন ৮৩ হাজার ৪৩৮ জন। এই পরীক্ষায় উপস্থিতির গড় হার ছিল ৭৯.৭০ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকায় ৭৭, রাজশাহীতে ৮২, চট্টগ্রামে ৭৯, খুলনা ও সিলেটে ৮১, বরিশালে ৭৯, রংপুরে ৮৪ ও ময়মনসিংহে সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ প্রার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন।-আলোকিত বাংলাদেশ ...

এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ

১৭জুলাই২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৭৩.৯৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ হাজার ৫৮৬ জন শিক্ষার্থী। আজ বুধবার সকালে ফলাফলের সার-সংক্ষেপ গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়ার আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ তথ্য জানান এরপরে দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। পরীক্ষার্থীরা বেলা ১টার পর নিজেদের ফল জানতে পারবে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইন্টারনেট বা মোবাইলের মাধ্যমে শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে। গত ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন। এরমধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুধু এইসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ১১ মে আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে শেষ হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ২৬২ জন।...

টাইগারদের প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো

১৭আগস্ট,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাইগারদের প্রধান কোচ হিসেবে দুই বছরের চুক্তিতে নিয়োগ পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। আজ শনিবার দুপুরে মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বাংলাদেশর প্রধান কোচ হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেন। বাংলাদেশের প্রধান কোচ আগামী ২১ আগস্ট বাংলাদেশ আসবেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে শুরু হবে তার মিশন। ৫ সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এ টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। গতকাল শুক্রবারই টাইগারদের প্রধান কোচ হিসেবে ডমিঙ্গোকে নিশ্চিত করা হয়। শনিবার বিসিবির কার্যালয়ে এক বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ...

দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার দেশে ফিরলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কায় তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ শেষে বিমান দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার পর নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। খেলোয়াড়রা ছাড়াও দলের সঙ্গে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ ঢাকায় পা রাখেন। বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে টাইগারদের বহনকারী বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে শ্রীলঙ্কার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে টাইগারদের বহনকারী বিমান ইউএলের ঢাকার পথে উড্ডয়ন করার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিমান না ছাড়ার কারণে সবার মধ্যে উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়। সকাল ৮টার সময় যাত্রীদের সবাইকে পাইলট জানান, বিমানের বাম উইংয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এরপর বিমান থেকে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের নামিয়ে দেয়া হয়। এ অবস্থায় বিমান আকাশে উড়লে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। তাই প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন দলের সবাই। পরে বাংলাদেশ দলের জন্য নতুন একটি ফ্লাইট দেয়া হয়। সেই ফ্লাইটে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে মুশফিক-তামিমরা। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আড়াই ঘণ্টা বিলম্ব হওয়ার পর ৩ ঘণ্টা ৫ মিনিট ভ্রমণ শেষে বাংলাদেশ দলকে বহনকারী বিমান ঢাকায় অবতরণ করে। ...

বাপ্পী-অপুর শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২,মুক্তি পেতে যাচ্ছে আসছে দূর্গা পূজায়

১৯আগস্ট,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসছে দূর্গা পূজায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস অভিনীত ও দেবাশীষ বিশ্বাস পরিচালিত শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২ ছবিটি। ছবিটিতে অপুর বিপরীতে রয়েছেন চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরী। বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া। গেল বছর ছবির বেশির ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি ছিল শুধু গানের শুটিং। এরইমধ্যে একটি গানের শুটিং শেষ হলো সম্প্রতি। গেল কয়েকদিন ধরেই গানের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন অপু বিশ্বাস ও বাপ্পী চৌধুরী। এই তথ্য নিশ্চিত করে পরিচালক দেবাশীষ বিশ্বাস বলেন,ঈদের ছুটির মধ্যে আমরা গানের শুটিং করেছি। আর একটি গানের দৃশ্যায়ণ বাকী আছে। দ্রুতই সেটি শেষ করে সেপ্টেম্বরে ছবিটি সেন্সরে জমা দিতে চাই। কারণ আমাদের লক্ষ্য আসন্ন দূর্গা পূজায় ছবিটি মুক্তি দেবার। নিজের এ ছবিটি নিয়ে অপু বিশ্বাস বললেন,দেবাশীষ দাদার সঙ্গে এর আগে শুভ বিবাহ নামে একটি ছবিতে কাজ করেছি। অভিজ্ঞতা ভালো ছিলো। নতুন করে এই ছবিটিকে ঘিরে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। আর বাপ্পীর সঙ্গে প্রথম কাজ নিয়েও আমি বেশ আশাবাদী। দর্শকরা বেশ কিছু চমক পাবেন শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২ ছবিতে। শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ-২ ছবির রচনা, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন দেবাশীষ বিশ্বাস। বাপ্পী-অপু ছাড়া শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২ ছবিতে আরও অভিনয় করছেন সাদেক বাচ্চু, রেবেকা, আফজাল শরীফ, চিকন আলী, কাবিলা, শাহীন খান, হারুন কিসিঞ্জার, বড় দা মিঠুসহ অনেকে।...

অবশেষে হানিমুনে গেলেন নুসরাত

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিখিল জৈনের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন দেড় মাস হলো। কিন্তু বিয়ের পর থেকে বিন্দুমাত্র সময় পাননি তৃণমূল সাংসদ নুসরাত। বিদেশের মাটিতে বিয়ে সেরে দেশে ফিরেই পরের দিন দিল্লিতে গিয়েছেন দেশের নয়া সাংসদ হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করতে। একমাথা সিঁদুর, গলায় মঙ্গলসূত্র, শাড়িধারী নবপরিণীতারূপে ফতোয়া খেয়েছেন মৌলবিদের কাছে। নব্য সাংসদ হিসেবে রাজ্যে তো বটেই, গোটা দেশে আপাতত আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বাংলার এই তরুণ তুর্কি। হাতে রয়েছে সিনেমার কাজও। রাজনীতির ময়দানে নামার পর এই অবশ্য প্রথম ছবিতে কাজ। পাভেলের ছবি অসুর। সংসদে দাঁড়িয়ে দৃঢ় কণ্ঠে বক্তব্য পেশ করে উড়িয়েছেন বাংলার সাংসদদের মৌনী মহাদেব তকমা। হ্যাঁ, তিনি নুসরাত জাহান। বেজায় ব্যস্ত মানুষ বর্তমানে। স্বামীর সঙ্গে -মধুচন্দ্রিমা পিরিয়ড কাটানোর সময়ই পাননি ফেরার পর থেকে। এবার তাই নিখিলের সঙ্গে মধুচন্দ্রিমার উদ্দেশে পাড়ি দিলেন বিদেশ-বিভুঁইয়ে। রাজনীতির ময়দান সামলে আবার সুগৃহিনীরূপেও ধরা দিয়েছেন। বসিরহাটের পাট সামলানো নিয়ে নিন্দুকেরা যতই সরব হোন না কেন, তিনি কিন্তু নিজের মতো করে দায়িত্ব সামলে দেখিয়ে দিয়েছেন। কোয়্যালিটি টাইম কাটাতে নবদম্পতি উড়ে গিয়েছেন মরিশাসে। মঙ্গলবার রাতেই নুসরাত বিমানবন্দর থেকে ছবি আপলোড করেছিলেন নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায়। নিখিল এবং নুসরাত প্রথমে কলকাতা থেকে মুম্বাই যান। তারপর সেখান থেকেই ভোরের বিমানে মরিশাসের উদ্দেশে রওনা হন তাঁরা। মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে ঘুমচোখে আদরমাখা ছবি পোস্ট করেছেন তারকা-সাংসদ খোদ।- বিনোদন২৪ ...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে

বর্ষা মৌসুম তারপরও ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার। সৈকত শহরের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেষ্টহাউজ ও কটেজ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও শেষ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশও। রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় প্রথমে পর্যটকের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কক্সবাজারে। তবে সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান। হোটেল কর্তৃপক্ষও পর্যটকদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ শেষ করছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তারা আশা , প্রতি বছরেই মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ভালো ব্যবসা হবে। বর্ষা মৌসুম তাই সাগর উত্তাল থাকবে। এক্ষেত্রে অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে স্নান ও নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেন হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের এ নেতা। কক্সবাজার হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, 'সমুদ্র উত্তাল থাকবে। এখানে লাইফগার্ড ও পুলিশ ট্যুরিস্টদের তৎপরতাটা বৃদ্ধি করলে আমার মনে হয়, যারা কক্সবাজারে আসবেন তারা নিবিঘ্নে এখান থেকে ফিরতে পারবেন।' আর ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা জানালেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।...

জেনে নিন,ডেঙ্গুজ্বরে আপনার করণীয় কী ?

২৮জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শরীরে কোন লক্ষণ দেখলে আপনি বুঝবেন যে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন এবং সেক্ষেত্রে আপনার করণীয় কী হতে পারে? আসুন জেনে নেই ডেঙ্গুজ্বর সম্পর্কে ১০টি গুরুত্বর্পর্ণ তথ্য। বিবিসি। ১. ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো : সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চেখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে। ২. জ্বর হলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন: এখন যেহেতু ডেঙ্গুর সময়, সেজন্য জ্বর হল অবহেলা করা উচিত নয়। জ্বরে আক্রান্ত হলেই সাথে-সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। ৩. বিশ্রামে থাকতে হবে: জ্বর হলে বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করা উচিত নয়। একজন ব্যক্তি সাধারণত প্রতিদিন যেসব পরিশ্রমের কাজ করে, সেগুলো না করাই ভালো। পরিপূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন। ৪. কী খাবেন: প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন গ্রহণ করা যেতে পারে। এমন নয় যে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, পানি জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। ৫. যেসব ঔষধ খাওয়া উচিত নয়: ডেঙ্গু জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে। স্বাভাবিক ওজনের একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি প্যারাসিটামল খেতে পারবে। চিকিৎসকরা বলছেন, প্যারাসিটামলের সর্বোচ্চ ডোজ হচ্ছে প্রতিদিন চার গ্রাম। কিন্তু কোন ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গায়ে ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর সময় অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে। ৬. প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা নিয়ে চিন্তিত?: ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা এখন আর মূল ফ্যাক্টর নয় । প্ল্যাটিলেট কাউন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোন প্রয়োজন নেই। বিষয়টি চিকিৎসকের উপর ছেড়ে দেয়াই ভালো। সাধারণত একজন মানুষের রক্তে প্ল্যাটিলেট কাউন্ট থাকে দেড়-লাখ থেকে সাড়ে চার-লাখ পর্যন্ত। ৭. ডেঙ্গু হলেই কি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?: ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে এবি এবংসি,প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী এ ক্যাটাগরির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হবার কোন প্রয়োজন নেই। বি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন তার পেটে ব্যথা হতে পারে, বমি হতে পারে প্রচুর কিংবা সে কিছুই খেতে পারছে না। অনেক সময় দেখা যায়, দুইদিন জ্বরের পরে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতাল ভর্তি হওয়াই ভালো। সি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। কিছু-কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন হতে পারে। ৮. ডেঙ্গুর জ্বরের সময়কাল: সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে। এখন জুন মাস থেকেই ডেঙ্গুজ্বরের সময় শুরু হয়ে যাচ্ছে। ৯. এডিস মশা কখন কামড়ায়: ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে উঠে। এডিস মশা কখনো অন্ধকারে কামড়ায় না। ১০. পানি জমিয়ে না রাখা: এডিস মশা ভদ্র মশা হিসেবে পরিচিত। এসব মশা সুন্দর-সুন্দর ঘরবাড়িতে বাস করে। এডিস মশা সাধারণত ডিম পাড়ে স্বচ্ছ পানিতে। কোথাও যাতে পানি তিন থেকে পাঁচদিনের বেশি জমা না থাকে। এ পানি যে কোন জায়গায় জমতে পারে। বাড়ির ছাদে কিংবা বারান্দার ফুলের টবে, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে, রাস্তার পাশে পড়ে থাকা টায়ার কিংবা অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে।...

অর্থ জমানোর কৌশল জানেন?

২২জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অর্থ জমানোর ইচ্ছা সকলেরই। কিন্তু অনেকেই আছেন যারা অর্থ জমাতে পারে না। অর্থ জমাতে গেলে খরচ করার সময় কিছুটা সতর্ক হতে হয়। আবার নানা কৌশল প্রয়োগ করা যেতে পারে। পরিকল্পনা: দৈনন্দিন আপনার খরচ কত হয় তা একটু চিন্তা করুন। সেখান থেকে আপনি সামান্য কিছু খরচ কমিয়ে জমানো শুরু করলে এক বছর পরে আপনার জমানো টাকা কত হবে ভাবুন। সেটা পাঁচ বছর পর কত হতে পারে? সেজন্য ছোট্ট একটি পরিকল্পনা করুন। এছাড়া আপনার বড় কোনো খরচ থাকলে সেটা কীভাবে সামলাবেন ঠিক করে ফেলুন। আর বর্তমান আপনার যা আয় সেটা সামান্য হলেও কীভাবে বাড়ানো যায় সেই পরিকল্পনা করে এগোতে শুরু করুন। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট: আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা থাকলেই খরচ করতে হবে এমন নয়। খরচ করার আগে চিন্তা করুন আপনার জরুরী প্রয়োজন মেটানোর পর অ্যাকাউন্টে সর্বশেষ কত ছিল। সেটা পরবর্তী মাসে বাড়ে কিনা। প্রতি মাসে জরুরী প্রয়োজন মিটিয়ে সামান্য হলেও অ্যাকাউন্টে ব্যালান্স বাড়াতে থাকুন। ক্রেডিট কার্ডে সতর্কতা: ক্রেডিট কার্ড আপনাকে সব সময় ঋণী করে রাখে। তাই এই কার্ড অযথা ব্যবহার করবেন না। খুব জরুরী প্রয়োজন ছাড়া এড়িয়ে চলুন। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটায় আপনাকে বেশিরভাগ সময় সুদ দিতে হবে। যা আপনার পকেট থেকে অহেতুক টাকা বের করে নেয়ার মতো। কেনাকাটার আগে ভাবুন: আপনার কোনো কিছু পছন্দ হয়েছে বলে সেটি কিন্তু মন চাইতে পারে। কিন্তু যেকোনো পছন্দের জিনিস কেনার আগে ভাবুন; এটি না কিনলে আপনার কোনো সমস্যা হবে কিনা বা এটি যে কাজে ব্যবহার করবেন সেই কাজ আপনি অন্য কোনো উপায় সারতে পারেন কিনা। যদি না কিনে পারা যায় তাহলে অহেতুক কেন পয়সা খরচ করবেন? পৃথিবীতে পছন্দের শেষ নেই। তাই পছন্দ হলেই যদি কিনতে থাকেন তাহলে আপনার কেনা কখনোই শেষ হবে না। ঋণ শোধ করুন: যদি আপনি ঋণী থাকেন তাহলে বছরের প্রথম থেকেই শোধ করা শুরু করুন। ঋণ মানুষের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করে এবং হৃদয়কে ছোট করে দেয়। আপনি ঋণমুক্ত থাকলে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারবেন। উপার্জন বাড়ানোর জন্য ব্যক্তিত্ব অন্যতম বিষয়। বিমা বা ডিপোজিট: বছরের শুরুতে একটি বিমা বা ডিপোজিট স্কিম শুরু করুন। সেটা আপনার সাধ্যমতো করুন। পরিমাণ যত ছোটই হোক এটি করলে আপনার সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে উঠবে। পরে এটিকে আপনি বাড়িয়ে ফেলতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান বেছে নিতে হবে।...

যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে তারাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার নেপথ্যে ছিল: কৃষিমন্ত্রী

২২আগস্ট,বৃহস্পতিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে তারাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার নেপথ্যে ছিল। দিবালোকে ১৩টি গ্রেনেড মেরে মানবতার মা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। ২১ আগস্টের পরিকল্পনা হয়েছে হাওয়া ভবন থেকে তারেক জিয়া ও খালেদা জিয়ার পরিচালনায়। এরকম নিশংস হত্যাকারীর মদদ দাতা খালেদা জিয়াকে আন্দোলন করে জেল থেকে বের করা যাবে না। বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত জননেত্রী কৃষকরত্ন শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২১আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি মো: মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদুন্নাহার লাভলী, কৃষি ও সমন্বয় বিষয়ক সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। কৃষিমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের দালালরা কোনদিন বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারে নাই। আর ২১ আগস্টে ব্যবহৃত গ্রেনেড গুলো ছিল পাকিস্তানের তৈরি। ৭৫এর পরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ও আদর্শকে ধ্বংশ করতে, গণতান্ত্রীক সমাজ ব্যবস্থাকে নষ্ট করতে ২১ আগষ্টের হামলা। পৃথিবীর এই নজির আর কোথাও নেই। তখনকার প্রশাসন, রাষ্ট্রযন্ত্র ও গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে এ পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড চালায় তারেক ও তার মা। নানা প্রতিকুলতা, জীবন মৃত্যুও মাঝখানে থেকেও শেখ হাসিনা দেশকে বিশ্বেও কাছে এক উদাহরণ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। বিদেশিরা আসে বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প শুনতে। কৃষক লীগককে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হতে হবে। কৃষকের পাশে থেকে কাজ করতে হবে। কৃষকের দল আওয়ামী লীগ তাই মন্ত্রণালয়ের সাথে কৃষক লীগককে সম্পৃক্ত করা হবে। ...

ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিলকে সামনে রেখে দ্বিতীয় দিন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন প্রার্থীরা

১৮আগস্ট,রবিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিলকে সামনে রেখে প্রার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় দিনের মতো মনোনয়নপত্র বিতরণ সকাল এগারোটায় শুরু হয়েছে। রোববার দুপুর ২টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিতরণ চলার কথা রয়েছে। মনোনয়নপত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু। ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিল আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। কাউন্সিল উপলক্ষে শনিবার থেকে নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। প্রথম দিনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১০ জন মনোননপত্র সংগ্রহ করেন। পুনঃতফসিল অনুযায়ী, ১৯ ও ২০ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা নেয়া হবে। ৩১ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ২২-২৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই শেষে ২ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। ১২ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ভোটের জন্য প্রচার চালাতে পারবেন। ...

রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের পরিচর্যায় অ্যালোভেরা

১৩জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের পরিচর্যায় অ্যালোভেরা কার্যকারি উপাদান। ত্বকের যত্নে অনেকেই নিয়মিত অ্যালোভেরার রস বা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু অ্যালোভেরাও যে ওজন কমাতে পারে সে খবর কয়জন জানে? অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালোইন নামের প্রোটিন। যা সরাসরি ফ্যাট না কমালেও শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। তবে একটা বিষয়ে সতর্ক থাকবে হবে সবাইকে। অ্যালোভেরার রস বেশি পরিমাণে শরীরে গেলে পেটের সমস্যা, ডায়রিয়া হতে পারে। তাই অ্যালোভেরার রস খান সঠিক পরিমাণে। কি পরিমাণ অ্যালোভেরার রস আমাদের শরীরে প্রয়োজন তা জানা থাকা দরকার। এক গ্লাস পানিতে ৫০ মিলিলিটার অ্যালোভেরা রস মিশিয়ে দিনের যে কোনও সময় খেতে পারেন। ব্লাড সুগার, হজমের সমস্যা, পাকস্থলির সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে এই রস। দ্রুত শরীরের বাড়তি ওজন কমানোর ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার রস অত্যন্ত কার্যকরী। তবে সাবধান! গর্ভবতী মহিলাদের জন্য অ্যালোভেরার রস অনেক বড় ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াতে পারে। ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ডার্মাটোলজি তে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গর্ভবতী মহিলা বা নতুন মায়েদের ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতিকর এই রস। কারণ অ্যালোভেরার রস জরায়ু বা ইউটেরাসের সংকোচন ঘটায়। এ ছাড়াও অন্ত্রনালীতে নানা সমস্যার সৃষ্টি করে।...

যেসব নারীকে বিয়ে করা হারাম

১২জুলাই২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:যেসব নারীকে বিয়ে করা হারাম নিম্নে বর্ণিত ১৩ প্রকার নারীকে বিয়ে করা হারাম: ১. আপন মা, বাবা ও দাদা-নানার স্ত্রীরা এবং তাদের কামভাব নিয়ে স্পর্শকৃত নারী। এরূপ ঊর্ধ্বতন সব দাদা-নানার স্ত্রীরা। ২. মেয়ে এবং ছেলে ও মেয়ের ঘরের সব নাতনি। ৩. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় ফুফু। ৪. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় খালা। ৫. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় বোন ও তাদের সন্তানাদি। ৬. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় ভ্রাতৃকন্যা ও তাদের সন্তানাদি। ৭. দুধমাতা, তার মাতা, দাদি, নানিএমনিভাবে ওপরের সব নারী। ৮. স্ত্রীর মেয়ে, যদি স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস হয়ে থাকে। ৯. পুত্রবধূ, আপন ছেলের হোক বা দুধছেলের হোক। ১০. আপন শাশুড়ি, দাদিশাশুড়ি, নানিশাশুড়ি এবং ওপরে যারা রয়েছে। ১১. দুই বোন একত্রীকরণ, এমনিভাবে ফুফু ও তার ভাতৃকন্যা, খালা ও তার ভাগ্নিকন্যাকে একসঙ্গে বিয়ের মধ্যে রাখা। ১২. উল্লিখিত রক্ত সম্পর্কের কারণে যারা হারাম হয়েছে, দুধ সম্পর্কের কারণেও তারা সবাই হারাম হয়। ১৩. যে মেয়ে অপরের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ রয়েছে। এ ছাড়া অন্য সব নারীকে বিয়ে করা হালাল। (দেখুন : সুরা : নিসা, আয়াত ২৩-২৪) স্ত্রীর বর্তমানে শালিকে বিয়ে করা অবৈধ কোনো নারী কারো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ থাকাকালীন তার বোনের সঙ্গে বিয়ে সম্পূর্ণ হারাম। প্রথম বোনের সঙ্গে তালাক হয়ে গেলে মহিলার ইদ্দত শেষ হওয়ার পর অথবা বোন মারা গেলে তখন তার বোনের সঙ্গে বিয়ে বৈধ। (হিন্দিয়া : ১/২৭৭) পরস্পর লেগে থাকা যমজ দুই বোনের বিয়ের বিধান জন্মগতভাবে পরস্পর জড়ানো যমজ দুই বোনের জন্ম হলে দুই বোনকে এক ব্যক্তি একত্রে বিয়ে করতে যেমন পারবে না, তেমনি দুই বোনকে দুই ব্যক্তির কাছে বিয়ে দেওয়াও সম্ভব নয়। শুধু এক বোনকে একজন লোকের কাছে বিয়ে দিলেও পর্দার বিধান রক্ষা করে তাকে নিয়ে সংসার করা সম্ভব হবে না। তাই এ সমস্যার একমাত্র সমাধান হবে, অপারেশনের মাধ্যমে দুই বোনকে আলাদা করার চেষ্টা করা, যা বর্তমান যুগে ব্যয়বহুল হলেও সম্ভব। অতঃপর দুই বোনকে পৃথক দুই ব্যক্তির কাছে বিয়ে দেওয়া। আর পৃথক করা কোনোভাবে সম্ভব না হলে তাদের চিরকুমারী থাকা ছাড়া কোনো উপায় নেই। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬২; ইমদাদুল ফাতাওয়া: ২/২৩৯) চাচাতো ভাই-বোনের মেয়েকে বিয়ে করা বৈধ আপন ভাই বা বোনের মেয়েকে বিয়ে করা হারাম। তবে চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাই ও বোনের মেয়ে মুহাররমাতের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই তাদের বিয়ে করা জায়েজ হবে। (বিনায়া : ৪/৫০৮) দুধবোন ও তার মেয়েকে বিয়ে করা হারাম শরিয়তের আলোকে দুধবোনকে বিয়ে করা সম্পূর্ণ হারাম ও নিষেধ। বংশীয় সম্পর্কে সহোদর বোনের মেয়েকে বিয়ে করা যেমন হারাম, দুধবোনের মেয়ে বিয়ে করাও তেমনি হারাম। (বুখারি, হাদিস: ২৬৪৫; বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২) প্রাপ্তবয়স্ক স্বামী স্ত্রীর দুধ পান করলে স্ত্রী হারাম হবে না সাবালক স্বামীর নিজ স্ত্রীর দুধ পান করা শরিয়তে নিষিদ্ধ ও গর্হিত কাজ। তবে এর দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হবে না। সহবাসের সময় উত্তেজনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্ত্রীর স্তন মুখে নিতে পারবে, তবে দুধ যেন ভেতরে না যায় তা খেয়াল রাখতে হবে। (আদ্দুররুল মুখতার: ৩/২২৫) পালিত মেয়েকে বিয়ে করা বৈধ যদি কারো পালিত মেয়ে ওই ব্যক্তির স্ত্রীর অথবা কোনো মাহরামের দুধ দুই বছর বয়সের মধ্যে পান করে না থাকে, তাহলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে জায়েজ। এ ক্ষেত্রে পর্দা করাও ফরজ। (সুরা : আহজাব, আয়াত ৩৩; ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ: ৭/২৪৪) কামভাব নিয়ে পুত্রবধূকে স্পর্শ করা ও তাকানো শ্বশুরের জন্য পুত্রবধূর দিকে কুদৃষ্টিতে তাকানো মারাত্মক গুনাহ ও হারাম। যদি শ্বশুর কামভাব নিয়ে পুত্রবধূর খালি শরীরে বা পাতলা কাপড়ের ওপর দিয়ে স্পর্শ করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ছেলের জন্য ওই পুত্রবধূ হারাম হয়ে যাবে। তবে শর্ত হলো, স্পর্শের বিষয়টি স্বীকারোক্তি বা সাক্ষীর মাধ্যমে প্রমাণিত হতে হবে অথবা ছেলে ওই কথার দাবিকারীকে প্রবল ধারণামতে সত্য মনে করতে হবে। এ অবস্থায় উভয়ে পৃথক হয়ে যেতে হবে। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬০, রদ্দুল মুহতার ৩/৩৩) জামাতা-শাশুড়ি পরস্পর কামভাব নিয়ে দেখা বা স্পর্শ করা বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দিকে কামভাব নিয়ে তাকালে গুনাহ হলেও হুরমাতে মুসাহারাত সাব্যস্ত হয় না। বরং খোলামেলা কোনো অঙ্গ কামভাবে স্পর্শ করার দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয় তথা স্ত্রী চিরতরে হারাম হয়ে যায়। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস: ১০৮৩২) অবৈধ শয্যাসঙ্গিনীর মেয়েকেও বিয়ে করা হারাম যার সঙ্গে অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে তার মেয়েকে বিয়ে করাও অবৈধ। কেননা ওই মেয়ের সঙ্গে এখন তার কন্যার সম্পর্ক হয়ে গেছে। (বাদায়েউস সানায়ে: ২/২৬০) তালাক গ্রহণ ছাড়া অন্যজনের সঙ্গে বিয়ে আগের স্বামীর তালাক প্রদান ছাড়া অন্য কোনো বিয়ে শরিয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। ওই বিয়ে বাতিল বলে গণ্য হবে। তেমনি আগের স্বামীর ইদ্দত চলাকালেও বিয়ে বাতিল হবে। (তাফসিরুল জালালাইন, পৃষ্ঠা ১০৪; রদ্দুল মুহতার : ৩/৫১৯) ইহুদি-খ্রিস্টান মেয়ে বিয়ে করা বর্তমান যুগের ইহুদি-খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বলে যারা পরিচিত, নির্ভরযোগ্য মতানুসারে তারা ইহুদি-খ্রিস্টানদের মূলনীতির অবিশ্বাসী। বর্তমানে বাস্তব আহলে কিতাব নেই বললেই চলে। এ ছাড়া বর্তমানে তাদের নারীদের বিয়ে করা অনেক ফিতনার কারণ হয়ে থাকে বিধায় তাদের বিয়ে করা বৈধ নয়। তবে এ ধরনের নারীদের সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেলে তার ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে যে সে প্রকৃত অর্থে মুসা (আ.) ও ঈসা (আ.)-এর আনীত ধর্মে বিশ্বাসী কি না। তাওরাত বা ইঞ্জিলে বিশ্বাসী কি না। এবং আল্লাহকে বিশ্বাস করে কি না। যদি সত্যিই তা হয় তাহলে তাকে দাওয়াতের মাধ্যমে মুসলমান বানানোর চেষ্টা করার শর্তে ওই বিয়েকে বাতিল বলা যাবে না। আর যদি প্রমাণিত হয় যে সে নাস্তিকতায় বিশ্বাসী, তাহলে এই বিয়ে বাতিল বলে গণ্য হবে। (রদ্দুল মুহতার: ৩/৪৫; ফাতাওয়া দারুল উলুম: ৭/২৬১) হিন্দু-মুসলিম বিয়ের বিধান শরিয়তের দৃষ্টিতে মুসলিম পুরুষ কোনো হিন্দু মহিলাকে, তেমনি মুসলিম নারী হিন্দু পুরুষকে বিয়ে করতে পারে না, যতক্ষণ তারা ইসলাম গ্রহণ না করে। ইসলাম গ্রহণ ছাড়া বিয়ে অবৈধ। এ ধরনের বিয়ে শরিয়তে বিয়ে বলে গণ্য হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমরা মুশরিককে বিয়ে কোরো না, যতক্ষণ তারা ঈমান না আনে। (সুরা: বাকারা, আয়াত: ২২১)।...

শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।...

শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।...

জেনে নিন,ডেঙ্গুজ্বরে আপনার করণীয় কী ?

২৮জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শরীরে কোন লক্ষণ দেখলে আপনি বুঝবেন যে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন এবং সেক্ষেত্রে আপনার করণীয় কী হতে পারে? আসুন জেনে নেই ডেঙ্গুজ্বর সম্পর্কে ১০টি গুরুত্বর্পর্ণ তথ্য। বিবিসি। ১. ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো : সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চেখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে। ২. জ্বর হলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন: এখন যেহেতু ডেঙ্গুর সময়, সেজন্য জ্বর হল অবহেলা করা উচিত নয়। জ্বরে আক্রান্ত হলেই সাথে-সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। ৩. বিশ্রামে থাকতে হবে: জ্বর হলে বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করা উচিত নয়। একজন ব্যক্তি সাধারণত প্রতিদিন যেসব পরিশ্রমের কাজ করে, সেগুলো না করাই ভালো। পরিপূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন। ৪. কী খাবেন: প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন গ্রহণ করা যেতে পারে। এমন নয় যে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, পানি জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। ৫. যেসব ঔষধ খাওয়া উচিত নয়: ডেঙ্গু জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে। স্বাভাবিক ওজনের একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি প্যারাসিটামল খেতে পারবে। চিকিৎসকরা বলছেন, প্যারাসিটামলের সর্বোচ্চ ডোজ হচ্ছে প্রতিদিন চার গ্রাম। কিন্তু কোন ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গায়ে ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর সময় অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে। ৬. প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা নিয়ে চিন্তিত?: ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা এখন আর মূল ফ্যাক্টর নয় । প্ল্যাটিলেট কাউন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোন প্রয়োজন নেই। বিষয়টি চিকিৎসকের উপর ছেড়ে দেয়াই ভালো। সাধারণত একজন মানুষের রক্তে প্ল্যাটিলেট কাউন্ট থাকে দেড়-লাখ থেকে সাড়ে চার-লাখ পর্যন্ত। ৭. ডেঙ্গু হলেই কি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?: ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে এবি এবংসি,প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী এ ক্যাটাগরির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হবার কোন প্রয়োজন নেই। বি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন তার পেটে ব্যথা হতে পারে, বমি হতে পারে প্রচুর কিংবা সে কিছুই খেতে পারছে না। অনেক সময় দেখা যায়, দুইদিন জ্বরের পরে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতাল ভর্তি হওয়াই ভালো। সি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। কিছু-কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন হতে পারে। ৮. ডেঙ্গুর জ্বরের সময়কাল: সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে। এখন জুন মাস থেকেই ডেঙ্গুজ্বরের সময় শুরু হয়ে যাচ্ছে। ৯. এডিস মশা কখন কামড়ায়: ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে উঠে। এডিস মশা কখনো অন্ধকারে কামড়ায় না। ১০. পানি জমিয়ে না রাখা: এডিস মশা ভদ্র মশা হিসেবে পরিচিত। এসব মশা সুন্দর-সুন্দর ঘরবাড়িতে বাস করে। এডিস মশা সাধারণত ডিম পাড়ে স্বচ্ছ পানিতে। কোথাও যাতে পানি তিন থেকে পাঁচদিনের বেশি জমা না থাকে। এ পানি যে কোন জায়গায় জমতে পারে। বাড়ির ছাদে কিংবা বারান্দার ফুলের টবে, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে, রাস্তার পাশে পড়ে থাকা টায়ার কিংবা অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে।


শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।

আগস্টের সব অঘটনের মূলে রয়েছে অভিন্ন ভাবাদর্শগত অদৃশ্য সুতার টান

২১আগস্ট,বুধবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:এই উপমহাদেশে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও হত্যাকান্ড নতুন কোনো ঘটনা নয়। আমরা যদি মধ্যযুগের রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকাই, তা হলে দেখতে পাবো প্রাসাদ ষড়যন্ত্র ক্ষমতা দখল, হত্যা, লুট, পরদেশ আক্রমণ ও জয় কিংবা পরাজয়- এসব ইতিহাসের পাতায় পাতায় রয়েছে। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসও সুখকর নয়।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সংঘটিত হয়েছিল ইতিহাসের এক কলঙ্কিত বর্বরোচিত অধ্যায়। আমরা হারিয়েছি বাঙালির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান, বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসের মহাকাব্যিক বীর নায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। হারিয়েছি তার দুই কন্যা ব্যতিরেকে পুরো পরিবারকে। যা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট খুনিচক্র কেবল ব্যক্তি মুজিবকেই হত্যা করেনি, তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তির ওপর আঘাত হানে। বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতিকে পিছিয়ে নিয়ে যায়। রাষ্ট্রের ওপর জনগণের মালিকানা বেদখল করে এবং সংবিধানের কর্তৃত্ব ধ্বংস করে। দেশব্যাপী হত্যা, সন্ত্রাস, জোর-জবরদস্তি চলে। পরে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফ ও কর্নেল তাহেরের হত্যাকান্ড, বিচার প্রহসনের নামে সশস্ত্র বাহিনীর শত শত মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ও জোয়ানকে হত্যা এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিবেচনায় আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা, গ্রেপ্তার, নির্যাতন ইত্যাদি এর নজির হয়ে ওঠে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান নীতি।এমনকি বঙ্গবন্ধুর খুনিরাও প্রকাশ্যে পার্টির নামে সংগঠন গড়ে তুলে রাজনীতির অঙ্গ সক্রিয় হতে চেষ্টা করে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর প্রধানত সামরিক শাসনের ছায়াতলে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের স্লোগানের আড়ালে চরম দক্ষিণপন্থিসহ প্রতিক্রিয়াশীল সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলো সংগঠিত শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বিএনপি-জামায়াত জোটের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গড়ে তোলা হয় শক্ত প্রতিরোধ। অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে। একদিকে ধর্মীয় পরিচয়ের ওপর জোর দিয়ে, এমনকি একপর্যায়ে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা করে তারা যেমন নিজেদের প্রভাব দৃঢ়মূল করতে চেয়েছে তেমনি একই ধারায় অন্ধ ভারত বিরোধিতাকে পুঁজি করে নিজেদের রাজনীতি পরিচালনা করতে চেয়েছে সব সময়। বাংলাদেশের রাজনীতি বহুল পরিমাণে উথাল-পাতাল অবস্থার মধ্যদিয়ে কালাতিপাত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের ধারায় বাংলাদেশে ফিরে আসাকে অন্যান্য সাম্প্রদায়িক শক্তি মেনে নিতে পারেনি। নানা পোশাকে, নানা নামে একুশ বছর তো তারাই একচেটিয়াভাবে দেশ শাসন করেছে।পাকিস্তানি ভাবধারার অনুসারীরা প্রথম অনুভব করে বাংলাদেশ আবার তাদের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। আর এজন্যই যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামীসহ সব প্রতিক্রিয়াশীল সাম্প্রদায়িক শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়। দেশি ও বিদেশি প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির সম্মিলিত ষড়যন্ত্রের ফলে ২০০১ সালের কারচুপির নির্বাচনে এ অপশক্তি আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। শুরু হয় দেশব্যাপী দমন-পীড়ন, সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার। নানা জায়গায় বোমা ও গ্রেনেড হামলা। বিচারালয়ও এর থেকে রেহাই পায়নি। ক্ষমতার পালাবদলের পর শুরু হয় অভাবিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস তার বীভৎস রূপ নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। বাংলাদেশ পরিণত হয় মৃত্যু উপত্যকায়। ১৯৯৯ সালের মার্চ থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এই ৬ বছরে জঙ্গিগোষ্ঠী দেশে ১৩টি বোমা ও গ্রেনেড হামলা চালায়। এতে ১০৬ জন নিহত হন। আহত হন ৭ শোর বেশি মানুষ। আওয়ামী লীগ ও সিপিবির সমাবেশে, উদীচী ও ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও ব্রিটিশ হাইকমিশনারের ওপর এ হামলা হয়। বিচারপতি হত্যা সহ কত নৃশংস ঘটনাই না ঘটে।এর মধ্যে ঘটে মর্মান্তিক ও ভয়াবহ ঘটনা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের হত্যার সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হিসেবে যে এ হামলা চালানো হয় তা দিবালোকের মতো স্পষ্ট। কিন্তু গ্রেনেড হামলায় অলৌকিকভাবে প্রাণে রক্ষা পান বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের নেতাকর্মীরা মানবঢাল রচনা করে গ্রেনেড হামলা থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে যেভাবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেছেন তা ইতিহাসে বিরল। গ্রেনেড হামলায় দলের সিনিয়র নেত্রী সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভী রহমানসহ ২৪ জন প্রাণ হারান এবং আহত হন শতাধিক। ২০০৪ সালে ওই ন্যক্কারজনক গ্রেনেড হামলার সময় সরকারে ছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে বৃষ্টির মতো গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের পুরো কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে একবারে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়। প্রধান লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করা। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে শেখ হাসিনাকে চার দফা হত্যার চেষ্টা করে হুজি-বি। সর্বশেষ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ছিল সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ও রক্তক্ষয়ী। উল্লেখ্য, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ বর্বরোচিত ওই মামলার রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদন্ড, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন। মামলার ৫২ আসামির মধ্যে অন্য মামলায় তিনজনের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় তাদের মামলা থেকে বাদ রাখা হয়। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের মধ্যে তারেক রহমান ও হারিছ চৌধুরীসহ ১৮ জন পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামীদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সম্প্রতি মানববন্ধনও হয়েছে। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশবাসীর অপেক্ষার অবসান ঘটলেও, এখনো মামলার রায় কার্যকর হয়নি। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সর্বোচ্চ মহলের সবচেয়ে শক্তিধর অংশ যে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এতে আর বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। সরকার বা রাষ্ট্রের মদদ ছাড়া এবং দেশ বা বিদেশের কোনো না কোনো সামরিক উৎস ছাড়া এত বিপুলসংখ্যক আরজিএস গ্রেনেড অসামরিক জনসমাবেশে নিক্ষিপ্ত হতে পারে না। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ইন্ধনে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ (হুজি-বি) ওই নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়। আর ওই গ্রেনেড হামলার পর 'জজ মিয়া' নাটক সাজিয়ে ঘটনাটিকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই দফা তদন্তে বেরিয়ে আসে ঘটনার নেপথ্যের নীলনকশা। ইতিহাসের বর্বরোচিত ওই গ্রেনেড হামলায় নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন- প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী রহমান, সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফ, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী ল্যান্স করপোরাল (অব.) মাহবুবুর রশীদ, আবুল কালাম আজাদ, আওয়ামী লীগ কর্মী রেজিনা বেগম, নাসির উদ্দিন সরদার, আতিক সরকার, আবদুল কুদ্দুস পাটোয়ারী, আমিনুল ইসলাম, মোয়াজ্জেম, বেলাল হোসেন, মামুন মৃধা, রতন শিকদার, লিটন মুনশী, হাসিনা মমতাজ রিনা, সুফিয়া বেগম, রফিকুল ইসলাম, মোশতাক আহমেদ সেন্টু, আবুল কাশেম, জাহেদ আলী, মোমেন আলী, এম শামসুদ্দিন এবং ইসাহাক মিয়া। এছাড়াও ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশের ৬৩টি জেলায় একযোগে বোমা হামলা চালিয়ে যে নজির স্থাপন করেছে তাও ভয়াবহ। আগস্টের সব অঘটনের মূলে রয়েছে অভিন্ন ভাবাদর্শগত অদৃশ্য সুতার টান। আগস্ট আমাদের মাঝ থেকে কেড়ে নিয়েছে বাঙালির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু (১৫ আগস্ট, ১৯৭৫) এবং এই আগস্ট মাসেই সাম্প্রদায়িকতার ছুরি দিয়ে দেশ ভাগ করে হিন্দু-মুসলমানের রক্তগঙ্গা বইয়ে দিয়ে তথাকথিত স্বাধীনতার নামে আমাদের নতুন করে পাকিন্তানের পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা হয়েছিল।২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার নতুনভাবে তদন্ত শুরু করে। বেরিয়ে আসে অনেক অজানা তথ্য। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এক বছরের মধ্যে হুজিবির প্রায় সব শীর্ষস্থানীয় নেতা ও গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গি গ্রেপ্তার হন। শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নানসহ তিন জনের ফাঁসি কার্যকর হয়। আশার কথা দীর্ঘদিন এই জঙ্গিগোষ্ঠীর বড় ধরনের কোনো তৎপরতা চোখে পড়ছে না। এটা শেখ হাসিনা সরকারের সফলতা। কারণ জঙ্গি নির্মূলে তার রয়েছে জিরো টলারেন্স নীতি।তবে ২০১৬ সালের পহেলা জুলাই গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার মধ্যদিয়ে নতুন করে ভয়ঙ্কর রূপ দেখা দেয় জঙ্গিরা। সম্প্রতি ঢাকার কয়েকটি পুলিশবক্সের কাছে শক্তিশালী বোমা পেতে রাখা এবং পুলিশের একটি গাড়িতে সময়নিয়ন্ত্রিত বোমা ফাটিয়ে আইএস মতাদর্শী জঙ্গিরা নতুন করে আলোচনায় এলেও সরকার এ ব্যাপারে যথেষ্ট সজাগ রয়েছে। সম্প্রতি হাতিরঝিল এলাকা থেকে নতুন জঙ্গি সংগঠন আল্লাহর দলের ভারপ্রাপ্ত আমির সহ চার জঙ্গি গ্রেফতার হয়েছে। এর দ্বারা এটাই প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত হয়, দেশে জঙ্গি হামলার ঝুঁকি এখনো শেষ হয়ে যায় নি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী পাকিস্তানপন্থিদের দখলমুক্ত করেন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অসাম্প্রদায়িক ধ্যান-ধারণা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন, কঠোর হস্তে নির্মূল করেন জঙ্গিদের। টানা প্রায় ১১ বছর শেখ হাসিনা রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার কারণে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধি অর্জন করেছে, এগিয়ে যাচ্ছে গণতন্ত্রের পূর্ণতার পথে। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ, তার স্বপ্নকে পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। তবে বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। বাংলাদেশকে বলা হয় উন্নয়নের রোল মডেল। আমরা আশাবাদী। আমাদের এই অর্জনকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। লেখকঃ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক,প্রাবন্ধিক,কলামিষ্ট ও সম্পাদক নিউজ একাত্তর ডট কম।

আজকের মোট পাঠক

32773

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত