মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এমপিদের পেঁয়াজ বিক্ষোভ

০৬ডিসেম্বর,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের আম আদমি পার্টির পর পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এবার বিক্ষোভ করেছেন কংগ্রেসের সংসদ সদস্যরা (এমপি)। গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদ চত্বরে ঝুড়িতে পেঁয়াজ নিয়ে রাস্তায় বসে এমন বিক্ষোভ করেন তারা। সাড়ে তিন মাস পর হাজত থেকে বেরিয়ে আসার একদিন পরই ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমও এই বিক্ষোভে অংশ নেন। তিনি বলেন, 'এই সরকার আমার কণ্ঠ রুখতে পারবে না। পার্স টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন সাংসদরা। মুদ্রাস্ফীতিতে পেঁয়াজের মার, নীরব কেন মোদি সরকার; কি রকম এই মোদি রাজ, ব্যয়বহুল রেশন, দামি পেঁয়াজ লেখা ও পেঁয়াজের ছবি সম্বলিত পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুখেন্দু শেখর রায় প্রতিবাদ করে বলেন, 'মহারাষ্ট্রের পেঁয়াজ চাষিরা যেখানে ৮ থেকে ১০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে, সেখানে সাড়া দেশে এরকম ১০০ টাকা দেড়শ টাকা কেজি পেঁয়াজের দাম! আমার কাছে খবর আছে এবং খবরের কাগজেও বেরিয়েছে যে মালদহ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রচুর পেঁয়াজ যাচ্ছে। তাদের নাকি রপ্তানির সমস্ত কাগজপত্র থাকায় পুলিশ কিছু করতেও পারছে না। তিনি বলেন,এই সরকার চোরাকারবারিদের প্রশ্রয় দিচ্ছে, মজুতদারদের প্রশ্রয় দিচ্ছে বলে আজকে দেশে পেঁয়াজের এই অবস্থা। এর বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করা প্রয়োজন। এর আগে গত মঙ্গলবার পেঁয়াজের মালা পড়ে সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ করেন আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতারা। সম্প্রতি দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বিদেশ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। মিসর থেকে ৬ হাজার ৯০ টন পেঁয়াজ চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দিল্লিতে পৌঁছার কথা রয়েছে। সম্প্রতি তুরস্কের কাছ থেকেও ১১ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার।...

আটলান্টিক সাগরে নৌকাডুবি, ৫৮ শরণার্থী নিহত

০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আটলান্টিক সাগরের পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মৌরিতানিয়ার উপকূলে শরণার্থীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেলে নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৫৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো বেশ কয়েকজন। দুর্ঘটনায় হতাহতরা সবাই আফ্রিকার আরেক দেশ গাম্বিয়ার বাসিন্দা। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (আইওএম) বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা। পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর শরণার্থীরা নিয়ে প্রায়ই নৌকা করে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করে থাকে। আর এই ভয়ঙ্কর যাত্রাপথে প্রায়ই নৌ দুর্ঘটনা হয়ে থাকে। জানা যায়, গত ২৭ নভেম্বর কমপক্ষে ১৫০ জন আরোহী নিয়ে গাম্বিয়া থেকে রওয়ানা হয়েছিল নৌকাটি। পরে এটি আটলান্টিক সাগরে মৌরাতানিয়া উপকূলে এসে ডুবে যায়। এ সময় মৌরতানিয়া কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এর ৮৩ জন যাত্রী তীরে আসতে সক্ষম হয়েছেন। দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়ারা জানান, নৌকাটিতে অনেক নারী ও শিশুও ছিল। দুর্ঘটনায় আহতদের মৌরতানিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় শহর নৌয়াধিবৌর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আহতদের কোনো সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। তবে এ ব্যাপারে গাম্বিয়া কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি। আইওএমর হিসাব মতে ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে গাম্বিয়ার ৩৫ হাজারের বেশি নাগরিক ইউরোপে পাড়ি জমিয়েছেন। ...

ভারতে স্টেশনারি ট্রাককে বাসের ধাক্কা, নিহত ৯

০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতে মধ্যপ্রদেশের রেবা জেলায় বৃহস্পতিবার ভোরে একটি বাস এক স্টেশনারি ট্রাককে ধাক্কা দেয়ায় নয় বাসযাত্রী নিহত এবং দশজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। খবর ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির। এই পুলিশ কর্মকর্তা ভারতীয় সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে জানায়, রেবা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এক সড়কের কাছে এদিন ভোর সাড়ে ছয়টায় রাজ্যটির সিধি জেলাগামী বাসটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। রেবার সুপারিন্টেনডেন্ট অব পুলিশ আবিদ খান বলেন, বাসটি পেছন থেকে স্টেশনারি ট্রাকটিকে ধাক্কা দেয়। আহতদেরকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখনও উদ্ধার অভিযান চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে। ...

৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর কাশ্মীরে এখন পর্যন্ত নিহত ১৯

০৪ডিসেম্বর,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর এখন পর্যন্ত ১৯ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। লোকসভায় পেশ করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৫ আগস্ট থেকে রাজ্যে বিভিন্ন সন্ত্রাসী ঘটনায় অ-কাশ্মীরি শ্রমিকসহ এখন পর্যন্ত ১৯ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মৃতদের জম্মু-কাশ্মীর সরকার এক লাখ টাকা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গত ৫ আগস্ট কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর সেখানে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয় এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বসহ বহু মানুষকে গৃহবন্দী অথবা আটক করা হয়। সেখানকার জনজীবন অবরুদ্ধ হয়ে পড়লে বিভিন্ন মহল থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করায় কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বার বার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানানো হয়। ...

চট্টগ্রামে সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা

০৬ডিসেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের পটিয়ায় সাংবাদিক জাবেদুর রহমানের উপর শুক্রবার সকালে ২০/৩০ জনের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। সাংবাদিক জাবেদুর রহমানকে সন্ত্রাসীরা দা কিরিছ দিয়ে কুপিয়ে হাত ও পায়ে মারাত্বকভাবে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর বর্তমান চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক জাবেদুর রহমান নগরীতে বসবাস করার কারণে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ বাড়ি ঘর অবৈধভাবে দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন। খবর পাওয়ার পর চট্টগ্রাম নগরী থেকে সাংবাদিক জাবেদুর রহমান বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পূর্ব ভাটিখাইন গ্রামের বাড়িতে যান। বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান সকালে স্থানীয় সন্ত্রাসী নিয়াজ ও এরাশাদের নেতৃত্বে বসত ভিটার জায়গার উপর জোর পূর্বক রাস্তা নির্মাণ করেন। বিষয়টি জানতে চাইলে ভিটে মাটির উপর কে রাস্তা নির্মাণ করছে এটা বলার সাথে সাথে সন্ত্রাসীরা হামলা লাঠি সোঠা দা কিরিচ নিয়ে হামলা চালায়। সাংবাদিক জাবেদুর রহমানের উপর হামলার ঘটনায় স্থানীয় সন্ত্রাসী শওকত হোসেনের পুত্র নিয়াজুর রহমান (৩৬), মৃত শফিকুর রহমানের পুত্র এরশাদ হোসেন (৪৫) সহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক জবেদ বাদী হয়ে পটিয়া থানায় অভিযোগ করেন। সূত্র:আমাদেরসময়ডটকম...

অস্ত্র ও ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক

০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,হাতিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া থেকে এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে ইয়াবা, অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড।গতকাল বুধবার গভীর রাতে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের বুড়িরদোনা ঘাট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির নাম গুল আজাদ। তিনি হাতিয়া পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীদিয়া গ্রামের মো. ইয়াছিনের ছেলে।তার কাছ থেকে ৭২ পিস ইয়াবা, একটি শটগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ৭২ পিস ইয়াবা, একটি শটগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। হাতিয়া কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. মেহেদী হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গুল আজাদ বুড়িরদোনা ঘাটে তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিল। সে অনুযায়ী কোস্টগার্ড সদস্যরা বুধবার রাতে বাড়িটি ঘেরাও করে ফেলে। পরে গভীর রাতে তাকে আটক করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাকে হাতিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়। আজাদ হাতিয়ার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। এ ব্যাপারে কোস্টগার্ড বাদী হয়ে অস্ত্র ও মাদক আইনে আজাদকে আসামি করে হাতিয়া থানায় একটি মামলা করেছে। ...

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ কোটি টাকার হোরোইনসহ আটক ১

০৩ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ কেজি হেরোইনের বড় চালান আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য প্রায় দশ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে Rab। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া কাউন্সিল বাজার থেকে ১০ কেজি হেরোইনসহ এক অটোরিকশা চালককে আটক করা হয়। তবে আটককৃত অটোচালকের দাবি তার ইজিবাইকে অন্য এক ব্যক্তি একটি প্লাস্টিকের ক্যারেট নিয়ে ওঠে। একপর্যায়ে Rabর উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তি ক্যারেটটি রেখে পালিয়ে যায়। রাত সাড়ে নয়টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ Rab ক্যাম্পে এক প্রেসব্রিফিংয়ে Rab-5 এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজ রহমান জানান, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী জানতে পেরে গামস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া কাউন্সিল বাজার এলাকায় অবস্থান নেয় Rab-5 চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অপারেশন দল। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে একটি ইজিবাইকে অভিযান চালিয়ে একটি টমেটোর ক্যারেট থেকে ২০টি প্যাকেকে রাখা ১০ কেজি হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এসময় আব্দুল আলীম (২১) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ভোলাহাট উপজেলার তাঁতীপাড়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দীন শেখের ছেলে। Rab জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল আলীম দীর্ঘদিন ধরে হেরোইনসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অভিযানের সময় আরও একজন অজ্ঞাত মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে জানান Rab-5 অধিনায়ক। এ ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ...

আমাকে নিয়ে রাজনীতি করবেন না: মাশরাফি

০৩ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,মঞ্জুরুল করিম,নড়াইল,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত নড়াইল গড়তে সকলের সাহায্য চাই। আমাকে নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না। বললেন নড়াই-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গতকাল সোমবার রাতে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন। আমরাও নড়াইলকে মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। সকলকে এক হয়ে এর বিরুদ্ধে কাজ করে যেতে হবে। মাশরাফি বলেন, আমাকে নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না। দলে কোনও গ্রুপিং করার কথা ভাববেন না।একটাই গ্রুপ। সেটা শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ। সকলে মিলে শেখ হাসিনার জন্য, আওয়ামী লীগের জন্য কাজ করে যেতে হবে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুন্সী আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, লোহাগড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সিকদার আব্দুর হান্নান রুনু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল করিম মুন, মল্লিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, সাবেক চেয়ারম্যান মো. শাহীদুর রহমান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিনজিরা খানম ও মল্লিকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম। ...

বিজয়ের মাস উপলক্ষে সিলেটে শোভাযাত্রা

০১ডিসেম্বর,রবিবার,এম মুরাদ হোসেন,সিলেট,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিজয়ের মাসকে স্বাগত জানিয়ে সিলেটে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। রোববার (১ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। এতে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন, সিলেট সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন। যোগ দেন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরাও। নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে সিলেট শহীদ মিনারের পাদদেশে গিয়ে শেষ হয় শোভাযাত্রাটি। নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে এবং দেশপ্রেমে উদ্ধুব্ধ করার লক্ষ্যে এ আয়োজন করে জেলা প্রশাসন। ...

সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে

২৮নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর খুচরা বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়লেও উৎপাদকরা বলছেন, এর পেছনে তাদের কোনো হাত নেই। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনও বলছে, এই সময়ে কোম্পানিগুলো তেলের দাম বাড়াবে না। কিন্তু খুচরা বাজারে তেলের দাম ঠিকই বেড়ে গেছে। পাইকারি ব্যবসায়ীদের অজুহাত, আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট বাড়ায় তেলের দাম বাড়ছে। যদিও এখনকার বুকিং করা তেল বাজারে আসবে কয়েক মাস পর। খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ১৫ দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫-৭ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে বিক্রি হতো ৭৮-৮০ টাকায়। আর পামওয়েলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বেড়ে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়েনি। কোম্পানিভেদে প্রতি লিটার সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকা দরে। জানতে চাইলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের তেল বিক্রেতা আবুল কাশেম জানান, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিনে ৫-৭ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণেই এই দাম বাড়ানো হয়েছে। রাজধানীর বৃহৎ পাইকারি বাজার মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তি। বুকিং রেট (এলসি মূল্য) বেড়ে যাওয়ায় প্রতি মণ সয়াবিনে ২০০ টাকা এবং পাম ওয়েলে ৩৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজার বিশ্লেষণ বলছে, এক মাসের ব্যবধানে খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রায় দুই শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। যেখানে পামওয়েলের দাম বেড়েছে ৮ শতাংশ পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পামওয়েলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে এর প্রভাব দেশি বাজারেও পড়েছে। তবে এ বিষয়টি স্বীকার করছে না ট্যারিফ কমিশন। তারা বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে চীন-মার্কিন বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে পামওয়েলের দাম বেড়েছে। জানা যায়, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিন ৬৭১-৬৮০ ডলার এবং পামওয়েল ৬৩১-৬৫০ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। দুটি কোম্পানি বোতলজাত তেলের দাম বৃদ্ধির একটি প্রস্তাবনা দিয়েছিল ট্যারিফ কমিশনের কাছে। তবে ট্যারিফ কমিশন তাদের আবেদনটি বাতিল করে দিয়ে বলেছে, দাম বৃদ্ধি করতে হলে ভোজ্যতেল পরিশোধন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে সম্মিলিতভাবে আবেদন করতে হবে। তখন যাচাই-বাছাই শেষ করে তবেই দাম বৃদ্ধির অনুমতি দেয়া হবে। গতকাল বুধবার ট্যারিফ কমিশনে ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী, পরিশোধনকারী শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে শীর্ষস্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, বাংলাদেশ এডিবল ওয়েল, এস আলমসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান উপস্থিত ছিলো। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মো. নূর-উর-রহমান বলেন, উৎপাদনকারী ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা তেলের দাম বাড়াবে না বলে আমাদের জানিয়েছে। তাই আপাতত তেলের দাম বৃদ্ধির কোনো সুযোগ নেই। খোলা সয়াবিনের দাম বৃদ্ধিতে কোম্পানিগুলোর কোনো ভূমিকা রয়েছে কিনা- জানতে চাইলে সিটি গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক বিশ^জিত সাহা বলেন, বোতলজাত তেলের দাম বাড়েনি, আগের দামেই আমরা বিক্রি করছি। তবে খোলা তেলের বাজার আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। এ বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না। ...

দেশে যানজটের কারণে রপ্তানি মূল্য বাড়ছে: বিশ্বব্যাংক

১৪ নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়কে যানজটের কারণে পণ্য রপ্তানির মূল্য বাড়ছে। এজন্য রপ্তানি প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় মসৃণ পরিবহন অবকাঠামো তৈরিতে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। বললেন বিশ্ব ব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি মার্সি টেম্বন। আজ বুধবার বিশ্ব ব্যাংকের মুভিং ফরওয়ার্ড: কানেক্টিভিটি অ্যান্ড লজিস্টিকস টু সাসটেইন বাংলাদেশ জ সাকসেস শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, যানজটমুক্ত সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার পাশাপাশি সাশ্রয়ী যোগাযোগ মাধ্যম রেল ও জলপথের অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে রপ্তানি সক্ষমতাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো উচিত। অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন বিশ্ব ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ম্যাটিয়াস হেরেরা ড্যাপে, প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমান। মার্সি টেম্বন আরও বলেন, আন্তর্জাতিক রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। এই প্রতিযোগিতায় যে দেশ যত বেশি কম দামে পণ্য দিতে পারছে, সে দেশ রপ্তানি বাজারে ততই এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে পণ্য পরিবহণে লজিস্টিক সহায়তা বাড়িয়ে বিশেষ করে যানজট কমানোর মাধ্যমে পণ্য পরিবহণ ব্যয় কমিয়ে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। টেম্বন বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগী দেশগুলো রপ্তানি পণ্য পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়ন করে এগিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো মসৃণ সংযোগ অবকাঠামোতে তৈরিতে পিছিয়ে আছে। বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ খাতের যানজট রপ্তানি পণ্য গন্তব্যে পৌঁছানোর খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারের প্রায় ৭ শতাংশ পোশাক রপ্তানি করে বাংলাদেশ। বর্তমান অবস্থায়ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ১০ শতাংশ রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ আছে। এছাড়াও বিশ্ববাজারে রপ্তানি বাড়ানোর ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আমদানিকারকরা কম দামে পণ্য চায়। যে দেশ কম দামে পণ্য দিতে পারে তারা সেই দেশ থেকেই পণ্য কেনে। রপ্তানি বাড়িয়ে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের দিকে এগিয়ে যেতে বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, কম খরচের পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো।...

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল চলতি মাসেই

০২ডিসেম্বর,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেছেন, এর মাধ্যমে সারাদেশে সাড়ে ১৮ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। সারাদেশে শূন্য আসনের ভিত্তিতেই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী জানুয়ারি থেকে এসব শিক্ষকরা পাঠদান শুরু করবে। সচিব বলেন, নিয়োগ কার্যক্রম শেষে নতুন করে সারাদেশে প্রাক প্রাথমিক পর্যায়ে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এ প্রস্তাব সচিব কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন পেলে প্রজ্ঞাপন জারি করে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে। নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে প্রস্তুতি শুরুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান তিনি। ...

৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

২৭নভেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৪১তম বিসিএসের জন্য ৫ ডিসেম্বর থেকে আবেদন করা যাবে। বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিসিএসে ২ হাজার ১৬৬ জনকে নেওয়া হবে। প্রার্থীর বয়স ১ নভেম্বর থেকে গণনা করা হবে। প্রার্থীকে অনলাইনে আবেদন জানুয়ারির ৪ তারিখের মধ্যে করতে বলা হয়েছে। এবার সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। এই ক্যাডারে ৯০৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে বিসিএস শিক্ষায় ৮৯২ জন প্রভাষক, কারিগরি শিক্ষা বিভাগে ১০ জন প্রভাষক নেওয়া হবে। শিক্ষার পর বেশি নিয়োগ হবে প্রশাসন ক্যাডারে। প্রশাসনে ৩২৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পুলিশে ১০০ জন, বিসিএস স্বাস্থ্যতে সহকারী সার্জন পদে ১১০ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৩০ জনকে নেওয়া হবে। পররাষ্ট্রে ২৫ জন, আনসারে ২৩ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহা হিসাবরক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) ২৫ জন, সহকারী কর কমিশনার (কর) ৬০ জন, সহকারী কমিশনার (শুল্ক ও আবগারি) ২৩ জন ও সহকারী নিবন্ধক ৮ জন নেওয়া হবে। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ১২ জন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী ৪ জন, সহকারী ট্রাফিক সুপারিনটেনডেন্ট ১ জন, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ১ জন, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০ জন, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) ৩ জন নেওয়া হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক বা তথ্য কর্মকর্তা বা গবেষণা কর্মকর্তা পদে ২২ জন, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) পদে ১১ জন, সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক পদে ৫ জন, সহকারী বেতার প্রকৌশলী পদে ৯ জন, স্থানীয় সরকার বিভাগে বিসিএস জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলে সহকারী প্রকৌশলী পদে ৩৬ জন, সহকারী বন সংরক্ষক পদে ২০ জন। সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল পদে ২ জন, বিসিএস মৎস্যে ১৫ জন, পশুসম্পদে ৭৬ জন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ১৮৩ জন ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ৬ জন, বিসিএস বাণিজ্যে সহকারী নিয়ন্ত্রক ৪ জন। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ৪ জন, বিসিএস খাদ্যে সহকারী খাদ্যনিয়ন্ত্রক ৬ জন ও সহকারী রক্ষণ প্রকৌশলী ২ জন, বিসিএস গণপূর্তে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ৩৬ জন ও সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) ১৫ জনসহ মোট ২ হাজার ১৩৫ জন কর্মকর্তাকে এই বিসিএসে নিয়োগ করা হবে। ...

মালদ্বীপ ৬ রানে অলআউট, বাংলাদেশের বিশাল জয়

০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ এশিয়ান গেমসের (এসএ গেমস) টি-টোয়েন্টিতে মালদ্বীপকে ৬ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ নারী দল। এতে ২৪৯ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করে নিগার সুলতানা ও ফারজানা হকের জোড়া শতকে ২ উইকেটে ২৫৫ রানের সংগ্রহ করে টাইগ্রেসরা। দুই ওপেনার শামিমা সুলতানা ৫ ও সানজিদা ইসলাম ৭ রান করে বিদায় নেন। নিগার ও ফারজানা ২৩৬ রানের জুটি গড়েন। ৬৫ বলে ১১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন নিগার। ১৪টি চার ও তিনটি ছয় হাঁকিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ৫৩ বলে ১১০ রানের ইনিংস খেলতে ২০টি চার দিয়ে ইনিংস সাজান ফারজানা। বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই গুটিয়ে যায় দুর্বল মালদ্বীপ। বাংলাদেশের হয়ে রিতু ইসলাম তিনটি উইকেট শিকার করেন। দুটি উইকেট তুলেছেন সালমা ইসলাম। দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত এই আয়োজনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয় পায় সালমার দল। দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক নেপালকে ১০ উইকেটে হারিয়ে দেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ...

এশিয়ান গেমসে মালদ্বীপকে হারিয়েছে সৌম্যরা

০৪ডিসেম্বর,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভিষেক না হওয়া মালদ্বীপকে উড়িয়ে দেয়াটাই স্বাভাবিক। এশিয়ান গেমস ছেলেদের ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলে আছে জাতীয় দলের সৌম্য সরকার, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নাঈম শেখরা। সেখানে বড় জয় না পাওয়াটাই অস্বাভাবিক বলা যায়। সকালে ত্রি-ভুবন ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট মাঠে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত। ব্যাটিংয়ে নেমে মালদ্বীপের বোলারদের তুলো ধুনো করলেও বলা যায় ব্যর্থ হয়েছেন ব্যক্তিগতভাবে। নাঈম, সৌম্য, আফিফরা খেলতে পারেনি বড় ইনিংস। নাঈমের ৩৮, সৌম্যর ৪৬ আর নাজমুল হাসান শান্তর ৪৯ রানে ভর করে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান তোলে বাংলাদেশ। মালদ্বীপের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন ইব্রাহীম হাসান, আযায়ান ফারাথ ও মোহাম্মদ মাহফুজ। বাংলাদেশের দেয়া ১৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শেষ ওভার পর্যন্ত খেলে মালদ্বীপের ব্যাটাররা। যদিও দুই ওপেনার আহমেদ হাসানের ১০ আর আলী ইভানের ১২ রান ছাড়া বাকি ৯ ব্যাটসম্যানের কেউই পার করতে পারেনি দশ রানের কোটা। তাতে ১০৯ রানে হেরে যায় মালদ্বীপ। স্পিনার তানভিরুল ইসলাম ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। এছাড়া মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি ও আফিফ হোসেন ধ্রুব নেন ২টি করে উইকেট, ১ উইকেট নেন সৌম্য সরকার। আগামী ৬ ডিসেম্বর ভুটানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ...

মাহফুজুর রহমান খানকে শ্রদ্ধা ও চোখের জলে শেষ বিদায়

০৬ডিসেম্বর,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিংবদন্তি চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খানের মৃত্যুতে শোকার্ত এখন পুরো চলচ্চিত্রাঙ্গন। তাঁকে শেষ বারের মতো বিদায় জানাতে এফডিসিতে জড়ো হন চলচ্চিত্রের নবীন-প্রবীন শিল্পী ও কলাকুশলীরা। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বিকেল ৩টায় শেষবারের মতো এফডিসিতে নিয়ে আসা হয় মাহফুজুর রহমান খানের মরদেহ। এসময় তাকে শ্রদ্ধা ও চোখের জলে শেষ বিদায় জানাতে সমবেত হন চিত্রনায়িকা সুচন্দা, ববিতা, কবরী, অঞ্জনা, চম্পা, শাহনূর, অরুণা বিশ্বাস, নায়ক-নির্মাতা আলমগীর, পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রজমান গুলজার, পরিচালক শাহ আলম কিরণ, চিত্রনায়ক নাঈম, বাপ্পারাজ, সম্রাট, ওমর সানী, অমিত হাসান, জায়েদ খান, সাইমন সাদিক, বাপ্পী, কায়েস আরজু, প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, চিত্রগ্রাহক সংস্থার সভাপতি আবদুল লতিফ বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মজনুসহ চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা। প্রথমে আজ জুম্মার নামাজের পর পুরাণ ঢাকার চকবাজারের শাহী মসজিদে মাহফুজুর রহমান খানের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপরই এফডিসিতে নিয়ে আসা হয় তাকে। এদিকে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বরেণ্য এফডিসিতে চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খানের দ্বিতীয় জানাজায় এফডিসিতে অংশ নেন। এরপর তিনি এই কিংবদন্তি চিত্রগ্রাহকের কর্মজীবন স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এদিকে আজ দুপুরে মাহফুজুর রহমানের মরদেহ এফডিসিতে নিয়ে আসার পর পরই রীতিমত হৃদয়বিদারক অবস্থার তৈরী হয়। এফডিসির জানাজায় আগতরা জানান, মাহফুজুর রহমান খান যতো ভালো চিত্রগ্রাহক ছিলেন তারচেয়ে ছিলেন একজন ভালো মনের মানুষ। ববিতা ও কবরী এই চিত্রগ্রাহককে মাটির মানুষ হিসেবে আখ্যা দেন। জানান, কাজের পাশাপাশি মাহফুজুর রহমান খানের সঙ্গে শুটিংয়ের নানা স্মৃতির কথা। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২ টা ২৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মাহফুজুর রহমান খান। পরিবারের ভাষ্য, গত ২৫ শে নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগের দিনও পুরোপুরি সুস্থ ছিলেন মাহফুজুর রহমান খান। কিন্তু ওইদিন সন্ধ্যায় খেতে বসলে তার কাশির সাথে প্রচন্ড ব্লিডিং শুরু হয়। এরপর দ্রুত হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখার পরামর্শ দেন। এরপর রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে প্রথমে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় এই চিত্রগ্রাহককে। কিন্তু ২৮ শে নভেম্বর ফুসফুস ও পাকস্থলীতে থেমে থেমে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো বলে জানান তার চিকিৎসকরা। এমনকি বিভিন্ন অঙ্গ অকার্যকর হয়ে পড়ে তার। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে মাহফুজুর রহমান খান ডায়াবেটিস ও ফুসফুসের রোগে ভুগছিলেন। এরপর গ্রীন লাইফ থেকে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার চিত্রগ্রহনে ছবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অভিযান মহানায়ক চাঁপা ডাঙ্গার বউ ঢাকা ৮৬ অন্তরে অন্তরে পোকা মাকড়ের ঘর বসতি আনন্দ অশ্রু শ্রাবণ মেঘের দিন দুই দুয়ারীচন্দ্রকথা নন্দিত নরকে হাজার বছর ধরে বৃত্তের বাইরে ঘেটুপুত্র কমলা ইত্যাদি। এফডিসিতে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মাহফুজুর রহমান খানের মরদেহ দাফন করার জন্য আজিমপুর কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।...

অভিনেত্রীকে হত্যার হুমকি

০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সম্প্রতি অঞ্জলি আমিরের একটি ফেসবুক লাইভ ভাইরাল হয়েছে। তিনি একজন দক্ষিণী ছবির অভিনেত্রী । অঞ্জলির অভিযোগ, তার লিভ-ইন পার্টনার তাকে অ্যাসিড ছুড়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে। তিনি এও বলেন, সম্পর্ক ভেঙে দিলে তাকে প্রাণে মারার কথাও বলেছে প্রেমিক। অঞ্জলি একজন রূপান্তরকারী। বিগ বস মালয়ালম ২০১৮-তে প্রতিযোগী ছিলেন তিনি। তামিল ছবি- পেরানবু-তে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। ওই ফেসবুক লাইভে অঞ্জলি আরও বলেন, একটি বিষাক্ত সম্পর্কের মধ্যে আটকে পড়েছি। আমি যখন তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তখন সে অ্যাসিড ছুড়ে আমাকে মেরে ফেলতে চায়। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, গত দু বছর তিনি লিভ-ইন সম্পর্কের মধ্যে আছেন। তার সঙ্গীর কাছ থেকে প্রতারিত হওয়ার কারণে তিনি সন্তুষ্ট নন। প্রেমিক তার কাছ থেকে ৪ লাখ রুপি টাকা ধার করেছে। তবে পরিবারের কোনও সহযোগিতা না পাওয়ায় অঞ্জলি শেষ পর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। কাজের দিকে নিজের বায়োগ্রাফি তৈরি করতে ব্যস্ত অঞ্জলি। ...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে

বর্ষা মৌসুম তারপরও ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার। সৈকত শহরের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেষ্টহাউজ ও কটেজ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও শেষ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশও। রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় প্রথমে পর্যটকের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কক্সবাজারে। তবে সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান। হোটেল কর্তৃপক্ষও পর্যটকদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ শেষ করছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তারা আশা , প্রতি বছরেই মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ভালো ব্যবসা হবে। বর্ষা মৌসুম তাই সাগর উত্তাল থাকবে। এক্ষেত্রে অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে স্নান ও নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেন হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের এ নেতা। কক্সবাজার হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, 'সমুদ্র উত্তাল থাকবে। এখানে লাইফগার্ড ও পুলিশ ট্যুরিস্টদের তৎপরতাটা বৃদ্ধি করলে আমার মনে হয়, যারা কক্সবাজারে আসবেন তারা নিবিঘ্নে এখান থেকে ফিরতে পারবেন।' আর ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা জানালেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।...

১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে ১৬ টাকায় মোবাইল ফোন

০১ডিসেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাত্র ১৬ টাকায় ফিচার ফোন কেনার সুযোগ দিচ্ছে ই-কমার্স ভিত্তিক মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি। ইভ্যালির স্মার্টফোন ভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ দিয়ে অর্ডার করলেই প্রথম তিন হাজার গ্রাহক পাবেন ১৬ টাকায় ফিচার ফোন কেনার এই সুযোগ। আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস এবং ইভ্যালির প্রথম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় এই অফারের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অফারের ঘোষণা দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী শনিবার (৭ ডিসেম্বর) গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এই অফার। সফলভাবে অর্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রথম তিন হাজার গ্রাহককে ১৬ টাকার বিনিময়ে দেয়া হবে ওয়ালটন অলভিও এমএম২১ মডেলের মোবাইল সেট। এ অফারে মোবাইল কিনতে হলে পুরনো বা নতুন গ্রাহক হওয়ার কোনোদিকের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। নতুন বা পুরনো উভয় ধরনের তিন হাজার গ্রাহকই পাবেন এই সুযোগ। তবে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ একটি (মোবাইল) কিনতে পারবেন মাত্র ১৬ টাকার বিনিময়ে। এ ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল নিউজ একাত্তরকে বলেন, প্রথম বর্ষ পূর্তি উদযাপন এবং দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণের মাহেন্দ্রক্ষণ আগামী ১৬ ডিসেম্বর। বাঙালি জাতির ইতিহাসের জন্যও এ দিনটি বেশ গুরত্বপূর্ণ। মূলত এসব বিষয়কে সামনে রেখেই গ্রাহকদের জন্য আমাদের এই অফার। তিনি বলেন, অফার শুরুর আগেই এবারও গ্রাহকদের পক্ষ থেকে দারুণ সাড়া পাচ্ছি। প্রথমে আমাদের পরিকল্পনা ছিল দুই হাজার গ্রাহককে এই অফারের আওতায় মোবাইল ফোন দেয়া হবে। কিন্তু ঘোষণা শুরুর মুহূর্ত থেকেই গ্রাহকেরা যে সাড়া দিয়ে আসছেন এবং প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তাতে আমরা সদস্য সংখ্যা বাডিয়ে তিন হাজারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেই। ...

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো নিয়ন্ত্রনে সু-দৃষ্টি দিন

২৪নভেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমানে তথ্য-আদান প্রদানের অন্য যে কোন মাধ্যমের তুলনায় অধিক শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মোট ব্যবহারকারীর তরুনদের সংখ্যাই বেশি। এতে পুথিবীর যে কোন প্রান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রকাশ হওয়ার সাঙ্গে সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ছে। আর ব্যবহারকারীরা তা দেখার পাশাপাশি তাদের মতামত দিতে পারছেন। প্রথমেই প্রশ্ন আসে কতটুকু সহায়তা বা উপকৃত হওয়া যাবে?এই মাধ্যমগুলো থেকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেটভিত্তিক আ্যাপ্লিকেশনগুলোর একটি গ্রুফ। এটি ওয়েব ২.০ এর আদর্শ ও প্রযুক্তিগত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এখানে ব্যবহারকারীরা তাদের তৈরি করা কনটেন্ট বিনিময় করে থাকে। এখানে সমস্যা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রত্যেক ব্যবহারকারীরাই কনটেন্ট তেরি করছেন এবং তা শেয়ার করছেন। এটি অনেক সময় খুবই বিপদজ্জনক। প্রসঙ্গত ফেলে আসা ২০১২ সালে কক্সবাজারের রামুতে দেখেছি। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভোলার বোরহানউদ্দিনে ও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখছি। নিয়ন্ত্রনের দিক দেখলে বলা যেতে পারে ব্যবহারকারীরা নিয়ন্ত্রনের মধ্যেই নেই। অনেক সময় দেখা যায় যাচাই-বাচাইয়ের বিষয়টি ও নেই। অনেকাংশে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই কনটেন্ট তৈরি করছেন এবং তা শেয়ার করছেন। এই কনটেন্ট সঙ্গে সঙ্গে থামানো অনেক সময় প্রশাসনের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। কোনো তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে প্রতিক্রিয়া,তা নিয়ন্ত্রনে আমরা এখনো অভ্যস্ত হইনি। তথ্যটি গুজব,নাকি সত্য-তা যাচাই করার ক্ষমতা আমরা এখনো অর্জন করতে পারিনি। এর প্রদান কারন কোনো তথ্য পাওয়ার সাথে সাথে কোনো ধরনের যাচাই-বাচাই না করে আমরা তা গ্রহন করছি নিজের মতো করে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারে বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম। ভালো-মন্দ মানুষ নিয়েই এই পৃথিবী। তাই ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যেও কিছু মানুষ রয়েছে যারা খারাপ মনমানসিকতা নিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করে। এই ধরনের মানুষগুলো নানান পন্থায় হ্যাক করছে অন্যজনের একাউন্ট ও। অসংখ্য নিরাপরাদ বাংলাদেশি কতিপয় এবং খারাপ স্বাভাব চরিত্রের মানুষের কাছে প্রতিনিয়ত মানমর্যদা হারাচ্ছে। তাই মাননীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানাব,উক্ত বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনের মাধ্যমে দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর সুরক্ষা প্রদানে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রী মহোদয়ের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।লেখক: মো: ইরফান চৌধুরী,প্রকাশক: ই-প্রিয়২৪,(ছাত্র)। ...

ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান জাগপার সভাপতি মনোনীত

০৬ডিসেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি মনোনীত হয়েছেন। তবে দলের সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়নি। পরে সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জাগপার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে দলটির প্রতিষ্ঠাতা প্রধানের শফিউল আলম প্রধানের মেয়ে তাসমিয়াকে সভাপতি মনোনীত করা হয়। ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে সভাপতির বক্তব্যে তাসমিয়া বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। যখন আমরা কাউন্সিল করছি ঠিক সেই মুহূর্তে গণতন্ত্রের মাতা বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়া আজ কারারুদ্ধ। তাকে কারাগারে রেখে আমরা কোনো কথা বলতে চাই না। আমাদের আন্দোলন করতে হবে। আমি জাতিকে জানিয়ে দিতে চাই দেশনেত্রীর মুক্তি ও গণতন্ত্র পূনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জাগপা সব সময় ছিল এবং থাকবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহিম বলেন, জাগপা কোনো মতেই নবীন দল নয়। জাগপার বয়স ৪০ বছর। এখানে ৪০টি জেলার নেতারা এসেছেন এতেই প্রমাণ হয় আপনারা সারাদেশে ছড়িয়ে আছেন। আমি আশা করি ২০ দলীয় জোটের মধ্যে যে সম্পর্ক আছে তা ভবিষ্যতেও থাকবে। আমাদের লক্ষ্য একটাই। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার। কাউন্সিল অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির প্রান্তিক জনগোষ্ঠি বিষয়ক সহ-সম্পাদক অর্পণা রায় দাস, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার সরোয়ার হোসেন, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, জাগপার সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, জাগপার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান খানসহ দলটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।...

খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় শুনানি পেছাল

০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সর্বশেষ স্বাস্থ্যগত অবস্থা জানাতে রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় তার জামিন শুনানি পিছিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। স্বাস্থ্যগত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার নতুন এ তারিখ ধার্য করা হয়েছে। এদিন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থা জানাতে রিপোর্ট জমা দিতেও বলেছেন আপিল বিভাগ। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদনটি বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা ছিল। এ বিষয়ে গতকাল উপাচার্য আমাদের সময়কে বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুসারে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে পর্যালোচনা সভা করেন। কিন্তু আমার কাছে বোর্ড এখনো প্রতিবেদন দেয়নি। ফলে বৃহস্পতিবার আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া যাচ্ছে না। প্রতিবেদনটি দাখিলে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। এর আগে গত ২৮ নভেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন জামিন শুনানি পিছিয়ে খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্ট ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। বিএসএমএমইউতে খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় নিয়োজিত বোর্ডকে এই আদেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি একই দিন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার শুনানির দিন ধার্য করা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্ট তৈরি না হওয়ায় তা আদালতে দাখিল করা হয়নি। গত বছরের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সাজা হয়েছে মামলার অপর তিন আসামিরও। খালেদা জিয়ার পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি হলেন-সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সদ্য প্রয়াত সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। গত বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এর বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। পরে গত ৩০ এপ্রিল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে অর্থদণ্ড স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দ করার ওপর স্থিতাবস্থা দিয়ে দুই মাসের মধ্যে ওই মামলার নথি তলব করেছিলেন। এরপর ২০ জুন বিচারিক আদালত থেকে মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ৩১ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। পরে ১১ সেপ্টেম্বর ফের জামিন আবেদন ফেরত দেন বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত শেষে ২০১২ সালে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হলে দুদকের পক্ষে এই মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণা করা হয়।...

স্বামীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ ঈমানদার স্ত্রী

৩০অক্টোবর,বুধবার,মো:ইরফান চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: যে কারণে স্বামীর জন্য ঈমানদার স্ত্রী শ্রেষ্ঠ সম্পদ: হাদিসে সে বিষয়গুলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্পষ্ট ভাষায় বর্ণনা করেছেন। তিনি পুরুষের জন্য চারটি বিষয়কে শুভলক্ষণ বলেছেন। আর তা হলো- নেককার নারী, প্রশস্ত ঘর, সৎ প্রতিবেশী এবং সহজ প্রকৃতির আনুগত্যশীল-পোষ্য বাহন। পক্ষান্তরে চারটি জিনিসকে কুলক্ষণা বলেছেন। তার মধ্যে একটি হলো বদকার নারী। (হাকেম, সহিহ আল জামে) অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন ঈমানদার স্ত্রীকে তার স্বামীর জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। হাদিসটি তুলে ধরা হলো- হজরত ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,যখন এ আয়াত নাজিল হলো- আর যারা সোনা-রূপা সঞ্চয় করে (আয়াতের শেষ পর্যন্ত); তখন আমরা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে কোনো এক সফরে ছিলাম। তখন তাঁর এক সাহাবি বললেন, এটাতো (আয়াত) সোনা-রূপা সর্ম্পকে নাজিল হলো। আমরা যদি জানতে পারতাম কোন সম্পদ উত্তম, তবে তা সঞ্চয় করতাম। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমাদের কারো শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো- আল্লাহর জিকিরকারী রসনা (জিহ্বা); কৃতজ্ঞ অন্তর; এবং ঈমানদার স্ত্রী, যে তার ঈমানের (দ্বীনের) ব্যাপারে তাকে (স্বামীকে) সহযোগিতা করে। (মুসনাদে আহমদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ, মিশকাত) হাদিসের ব্যাখ্যাগ্রন্থ মাজাহেরে হক এ হাদিসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা বর্ণনা করেছেন। এ হাদিসে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমানদার স্ত্রীর ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়েছেন। একজন ঈমানদার স্ত্রী তার স্বামীর জন্য সর্বোত্তম সম্পদও বটে। দ্বীনের ব্যাপারে স্বামীকে সহযোগিতার মর্মার্থ হলো- ঈমানদার স্ত্রী ধর্মীয় কার্যক্রম ও দ্বীনি দায়িত্বসমূহ পালনের ক্ষেত্রে তার স্বামীকে সহযোগিতা করবে। যেমন- নামাজের সময় হলে তার স্বামীকে নামাজের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে; রমজান মাসের রোজা রাখার ব্যাপারে স্বামীকে সহযোগিতা করবে। অনুরূপভাবে একজন ঈমানদার স্ত্রী তার স্বামীকে ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি, পরিবারের আনুসাঙ্গিক কাজকর্মসহ অন্যান্য সব ইবাদত-বন্দেগিতেও স্বামীকে বুদ্ধি পরামর্শ ও উপদেশ দিয়ে যথাসাধ্য সহযোগিতা করবে। ঈমানদার স্ত্রী বাড়িতে এমন পরিবেশ এবং আবহ সৃষ্টি করবে, যাতে স্বামী সারাক্ষণ পূণ্যকর্মে লিপ্ত থাকেন। অপকর্ম, অবৈধ উপার্জন এবং হারাম পেশা থেকে বিরত থাকেন। এমনকি স্বামী যদি কোনো মন্দ কাজে লিপ্ত হন তবে ঈমানদার স্ত্রী তাকে সেই মন্দ কাজ থেকে ফিরিয়ে আনবে। অবাধ্য স্বামীকে মন্দ কাজ থেকে ফিরিয়ে আনতে তার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ কারণেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈমানদার নেক্কার স্ত্রীকে স্বামীর জন্য সর্বোত্তম সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহ সব নারীকে দ্বীনদার ও ঈমানদার হিসেবে কবুল করুন। পৃথিবীর সব মুমিন নারীকে নেককার সন্তান, নেককার স্ত্রী ও নেককার মা হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন। ...

মিষ্টি খেয়েও নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ বাসা বাধে। তাই সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। অনেকে মনে করেন ডায়াবেটিস রোগীরা মিষ্টি খেতে পারবেন না। আপনি জানেন কি? নিয়ম মেনে ডায়াবেটিস রোগীরা মিষ্টি খেতে পারবেন। আসুন জেনে নিই যেসব নিয়ম মেনে ডায়াবেটিস রোগীরা মিষ্টি খেতে পারবেন? ১. ডায়াবেটিস রোগীদের সব থেকে বড় শত্রু হলো দুধ। মিষ্টি তৈরির জন্য প্রয়োজন হয় দুধের। তাই দুধ ছাড়া যদি অন্য কিছু দিয়ে মিষ্টি তৈরি করা যায়, তবে তা ডায়েটের প্রথম ধাপেই আমরা ব্লাড সুগার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। ২: দুধ ছাড়াও আরও অনেক উপাদান আছে, যা দিয়ে বাড়িতে বসে মিষ্টি বানানো যায়। দুধের বিকল্প হিসাবে আপনি বেছে নিতে পারেন, প্রাকৃতিক মধু, নারিকেলের মাখন, গুড়, নারিকেলের চিনি প্রভৃতি। ৩. দুধের বিকল্প হিসাবে মিষ্টি তৈরিতে অ্যালমণ্ড, সয়াদুধ বা নারিকেলের দুধ অথবা বাদাম দুধও ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ৪. এসব খাওয়ার আগে আপনাকে সুগারের লেভেল চেক করে নিতে হবে। কারণ না হলে আপনি বুঝতে পারবেন না যে খাবারগুলো আপনি রোজ গ্রহণ করছেন, সেগুলো আপনার শরীরের ব্লাড সুগারে কতটা প্রভাব ফেলছে। এ নিয়মগুলো মেনে চললে উৎসবের দিনে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে হয়ে উঠুন আরও চনমনে প্রাণবন্ত।...

দেশের বিস্ময় বালিকা নানজীবার গল্প

সাক্ষাৎকার ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানজীবা খান। তার বয়স কিন্তু এখনও পেরোয়নি ১৮র কোঠা। আর এই বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী টিনএজার এরই মধ্যে জন্ম দিয়ে চলেছেন এক একটি বিশ্বয়। ট্রেইনি পাইলট, সাংবাদিক, নির্মাতা, উপস্থাপিকা, টিভি টক শো'র অতিথি, লেখক, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, বিএনসিসি ক্যাডেট অ্যাম্বাসেডর এবং বিতার্কিক হিসেবে স্বাক্ষর রেখে চলেছেন নিজের প্রতিভার। আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে অ্যারিরাং ফ্লাইং স্কুল-এ ট্রেইনি পাইলট হিসেবে চলছে তার অধ্যয়ন। এছাড়া তিনি কাজ করছেন শিশু সাংবাদিক হিসেবে, কাজ করছেন বিটিভির নিয়মিত উপস্থাপক হিসেবে, ব্রিটিশ আমেরিকান রিসোর্স সেন্টারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন। প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে পেয়েছেন ইউনিসেফের মিনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড। আর সম্প্রতি ইউনিসেফের অধীনে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে এসেছেন দেশের বাইরেও। এই নিয়ে ১১টি দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা জমা হয়েছে তার ঝুলিতে। লেখক হিসেবে এবারের বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে তার গবেষণামূলক গ্রন্থ- অটিস্টিক শিশুরা কেমন হয়। প্রথম সংস্করণের সব বই বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর ২য় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে অন্বেষা প্রকাশন। বইটির প্রচ্ছদও করেছেন নানজীবা নিজে। তথ্যসমৃদ্ধ বইটি ইতোমধ্যে পাঠক সমাদৃত হয়েছে। প্রশ্ন আসে কিভাবে শুরু এই নানজীবার পথচলা? উত্তরে জানা যায়, নানজীবার শুরুটা হয়েছিল পাঁচ বছর বয়সে রঙ তুলি দিয়ে। মায়ের হাত ধরে গিয়েছিল কিশলয় কচিকাঁচার মেলায় ছবি আঁকা ও আবৃত্তি শিখতে। ২০০৭ সালে জীবনের প্রথম প্রতিযোগিতা জয়নুল কামরুল ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেন পেন্টিং কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ এবং পুরস্কার অর্জন করেন। জীবনের প্রথম অর্জনই ছিল আন্তর্জাতিক। সেই থেকে পথ চলা শুরু। ছবি আঁকার জন্য বেশ কিছু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার তার ঝুলিতে জমা হয়। ছবি আঁকার পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তিতেও প্রশিক্ষণ নেন। বিভিন্ন দিবসগুলোর সকাল থেকে সন্ধ্যা কাটতো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঞ্চে কবিতা আবৃত্তি করার মাধ্যমে। ২য় শ্রেণীতে পড়াকালীন বিটিভির- কাগজ কেটে ছবি আঁকি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মিডিয়ায় তার পথ চলা শুরু। বর্তমানে বিটিভিতে- আমরা রঙ্গিন প্রজাপতি, আমাদের কথা, আনন্দ ভুবন, ও শুভ সকাল অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন। ১৩ বছর বয়সে জীবনের প্রথম স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র- কেয়ারলেস পরিচালনা করেন। তার পরিচালিত প্রথম প্রামাণ্যচিত্র সাদা কালোর জন্য ইউনিসেফের মিনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। আর এটি তৈরি করতে যা টাকা খরচ হয়েছে তার সবই ছিল তার টিফিনের জমানো টাকা। তারপর- গ্রো আপ, দ্য আনস্টিচ পেইন সহ আরও কিছু প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করেন নানজীবা। ৮ম শ্রেণীতে পড়াকালীন শুরু হয় শিশু সাংবাদিক হিসেবে তার পথচলা। জীবনের ১ম সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। পর্যায়ক্রমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সংস্কৃতিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী,সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, টেলিযোগাযোগমন্ত্রী, তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, মেয়র সাঈদ খোকনসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট মানুষ যেমন- সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, সেলিনা হোসেন, ইমদাদুল হক মিলন, হাবিবুল বাশার, আবেদা সুলতানা, সাদেকা হালিম, নিশাত মজুমদার, ফরিদুর রেজা সাগর, জুয়েল আইচ, মীর আহসান, Rabর প্রধান বেনজির আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌস। বিদেশও উজ্জ্বল সাংবাদিক নানজীবা। ওয়ার্ল্ড ডিবেট সোসাইটির পরিচালক অ্যালফ্রেড স্পাইডার ও ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও হয়েছে তার। একাদশ শ্রেণিতে পড়াকালীন দায়িত্ব পালন করেছেন ক্যামব্রিয়ান ডিবেটিং সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে। স্কুল ও কলেজ জীবনে বিতার্কিক হিসেবে অর্জন করেছেন বেশ কিছু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার। পেয়েছেন উপস্থিত ইংরেজি বক্তৃতায় বিএনসিসি ও ভারত্বেশ্বরী হোমসের প্রথম পুরস্কার। দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াকালীন- বিএনসিসি ক্যাডেট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর থেকে ৩ ধাপে লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার পরে সারা দেশের হাজার হাজার ক্যাডেটদের মধ্য থেকে বিএনসিসি-র সবচেয়ে দীর্ঘ এবং ব্যয়বহুল সফর ভারতে অংশগ্রহণ করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর সাথে সাক্ষাৎ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাৎকার নেয়ার সুযোগ হয়। রাশিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুর, কাজাকিস্তান, কিরগিজস্তান, ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপসহ মোট ১১ টি দেশের সামনে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছেন। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রাইফেলে ফায়ারিং, অ্যাসোল্ট কোর্স, বেয়নোট ফাইটিং ও সশস্ত্র সালাম। শতগুণে গুণান্বিত নানজীবার বিনয়ের এক চরম উদাহরণ। সর্বশেষ তাই সময় নিউজকে তিনি বলেন, কাজ শেখার চেষ্টা করছি। আমি কখনই শুধু দেশ নিয়ে ভাবি না। আমার লক্ষ্য সবসময় আন্তর্জাতিক। আমি চাই মানুষ নানজীবাকে দিয়ে গোটা বাংলাদেশ চিনুক। সেই সাথে আকাশে ওড়ার স্বপ্নও পূরণ করতে চাই। আর আমার সব কাজের প্রেরণা আমার ছোট ভাই ও আমার মা। আমি সকলের ভালোবাসা চায়। ...

শোকাবহ আগস্ট,শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপি কর্মসূচি

০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শোকাবহ আগস্ট। ১৯৭৫ সালের এ মাসেই বাঙালি হারিয়েছে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ভাগ্যক্রমে সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও এই ঘটনায় প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী, আওয়ামী লীগের সেই সময়ের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পঁচাত্তরের পনেরই আগস্ট কালরাতে ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি, তার সহধর্মিনী আরজু মনি ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন। সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। প্রতিবারের মত এবারও ১৫ই আগস্টকে সামনে রেখে আগস্টের প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর মাসব্যাপি কর্মসূচি। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও এ মাসে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শোকের মাসের প্রথম দিন মধ্য রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে আলোর মিছিলের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ জানান, মিছিলটি ধানমন্ডি ৩২নং সড়ক ধরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর অভিমুখে যাত্রা করবে। আজ সকালে কৃষকলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ মাসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলতুন্নেসা মুজিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের জন্মদিন পালন, ১৭ই আগস্ট দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা এবং ২১শে আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা দিবস স্মরণ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালন। শোকাবহ আগষ্টে অনলাইন নিউজ পোর্টাল www.newsekattor.com ও সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ।...

১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে ১৬ টাকায় মোবাইল ফোন

০১ডিসেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাত্র ১৬ টাকায় ফিচার ফোন কেনার সুযোগ দিচ্ছে ই-কমার্স ভিত্তিক মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি। ইভ্যালির স্মার্টফোন ভিত্তিক মোবাইল অ্যাপ দিয়ে অর্ডার করলেই প্রথম তিন হাজার গ্রাহক পাবেন ১৬ টাকায় ফিচার ফোন কেনার এই সুযোগ। আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস এবং ইভ্যালির প্রথম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় এই অফারের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ অফারের ঘোষণা দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী শনিবার (৭ ডিসেম্বর) গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এই অফার। সফলভাবে অর্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রথম তিন হাজার গ্রাহককে ১৬ টাকার বিনিময়ে দেয়া হবে ওয়ালটন অলভিও এমএম২১ মডেলের মোবাইল সেট। এ অফারে মোবাইল কিনতে হলে পুরনো বা নতুন গ্রাহক হওয়ার কোনোদিকের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। নতুন বা পুরনো উভয় ধরনের তিন হাজার গ্রাহকই পাবেন এই সুযোগ। তবে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ একটি (মোবাইল) কিনতে পারবেন মাত্র ১৬ টাকার বিনিময়ে। এ ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল নিউজ একাত্তরকে বলেন, প্রথম বর্ষ পূর্তি উদযাপন এবং দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণের মাহেন্দ্রক্ষণ আগামী ১৬ ডিসেম্বর। বাঙালি জাতির ইতিহাসের জন্যও এ দিনটি বেশ গুরত্বপূর্ণ। মূলত এসব বিষয়কে সামনে রেখেই গ্রাহকদের জন্য আমাদের এই অফার। তিনি বলেন, অফার শুরুর আগেই এবারও গ্রাহকদের পক্ষ থেকে দারুণ সাড়া পাচ্ছি। প্রথমে আমাদের পরিকল্পনা ছিল দুই হাজার গ্রাহককে এই অফারের আওতায় মোবাইল ফোন দেয়া হবে। কিন্তু ঘোষণা শুরুর মুহূর্ত থেকেই গ্রাহকেরা যে সাড়া দিয়ে আসছেন এবং প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তাতে আমরা সদস্য সংখ্যা বাডিয়ে তিন হাজারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেই।


দেশের বিস্ময় বালিকা নানজীবার গল্প

সাক্ষাৎকার ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানজীবা খান। তার বয়স কিন্তু এখনও পেরোয়নি ১৮র কোঠা। আর এই বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী টিনএজার এরই মধ্যে জন্ম দিয়ে চলেছেন এক একটি বিশ্বয়। ট্রেইনি পাইলট, সাংবাদিক, নির্মাতা, উপস্থাপিকা, টিভি টক শো'র অতিথি, লেখক, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, বিএনসিসি ক্যাডেট অ্যাম্বাসেডর এবং বিতার্কিক হিসেবে স্বাক্ষর রেখে চলেছেন নিজের প্রতিভার। আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে অ্যারিরাং ফ্লাইং স্কুল-এ ট্রেইনি পাইলট হিসেবে চলছে তার অধ্যয়ন। এছাড়া তিনি কাজ করছেন শিশু সাংবাদিক হিসেবে, কাজ করছেন বিটিভির নিয়মিত উপস্থাপক হিসেবে, ব্রিটিশ আমেরিকান রিসোর্স সেন্টারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন। প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে পেয়েছেন ইউনিসেফের মিনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড। আর সম্প্রতি ইউনিসেফের অধীনে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে এসেছেন দেশের বাইরেও। এই নিয়ে ১১টি দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা জমা হয়েছে তার ঝুলিতে। লেখক হিসেবে এবারের বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে তার গবেষণামূলক গ্রন্থ- অটিস্টিক শিশুরা কেমন হয়। প্রথম সংস্করণের সব বই বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর ২য় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে অন্বেষা প্রকাশন। বইটির প্রচ্ছদও করেছেন নানজীবা নিজে। তথ্যসমৃদ্ধ বইটি ইতোমধ্যে পাঠক সমাদৃত হয়েছে। প্রশ্ন আসে কিভাবে শুরু এই নানজীবার পথচলা? উত্তরে জানা যায়, নানজীবার শুরুটা হয়েছিল পাঁচ বছর বয়সে রঙ তুলি দিয়ে। মায়ের হাত ধরে গিয়েছিল কিশলয় কচিকাঁচার মেলায় ছবি আঁকা ও আবৃত্তি শিখতে। ২০০৭ সালে জীবনের প্রথম প্রতিযোগিতা জয়নুল কামরুল ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেন পেন্টিং কম্পিটিশনে অংশগ্রহণ এবং পুরস্কার অর্জন করেন। জীবনের প্রথম অর্জনই ছিল আন্তর্জাতিক। সেই থেকে পথ চলা শুরু। ছবি আঁকার জন্য বেশ কিছু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার তার ঝুলিতে জমা হয়। ছবি আঁকার পাশাপাশি কবিতা আবৃত্তিতেও প্রশিক্ষণ নেন। বিভিন্ন দিবসগুলোর সকাল থেকে সন্ধ্যা কাটতো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঞ্চে কবিতা আবৃত্তি করার মাধ্যমে। ২য় শ্রেণীতে পড়াকালীন বিটিভির- কাগজ কেটে ছবি আঁকি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মিডিয়ায় তার পথ চলা শুরু। বর্তমানে বিটিভিতে- আমরা রঙ্গিন প্রজাপতি, আমাদের কথা, আনন্দ ভুবন, ও শুভ সকাল অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন। ১৩ বছর বয়সে জীবনের প্রথম স্বল্প দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র- কেয়ারলেস পরিচালনা করেন। তার পরিচালিত প্রথম প্রামাণ্যচিত্র সাদা কালোর জন্য ইউনিসেফের মিনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। আর এটি তৈরি করতে যা টাকা খরচ হয়েছে তার সবই ছিল তার টিফিনের জমানো টাকা। তারপর- গ্রো আপ, দ্য আনস্টিচ পেইন সহ আরও কিছু প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করেন নানজীবা। ৮ম শ্রেণীতে পড়াকালীন শুরু হয় শিশু সাংবাদিক হিসেবে তার পথচলা। জীবনের ১ম সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। পর্যায়ক্রমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সংস্কৃতিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী,সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, টেলিযোগাযোগমন্ত্রী, তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী, স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী, মেয়র সাঈদ খোকনসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট মানুষ যেমন- সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, সেলিনা হোসেন, ইমদাদুল হক মিলন, হাবিবুল বাশার, আবেদা সুলতানা, সাদেকা হালিম, নিশাত মজুমদার, ফরিদুর রেজা সাগর, জুয়েল আইচ, মীর আহসান, Rabর প্রধান বেনজির আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম ফেরদৌস। বিদেশও উজ্জ্বল সাংবাদিক নানজীবা। ওয়ার্ল্ড ডিবেট সোসাইটির পরিচালক অ্যালফ্রেড স্পাইডার ও ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও হয়েছে তার। একাদশ শ্রেণিতে পড়াকালীন দায়িত্ব পালন করেছেন ক্যামব্রিয়ান ডিবেটিং সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে। স্কুল ও কলেজ জীবনে বিতার্কিক হিসেবে অর্জন করেছেন বেশ কিছু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার। পেয়েছেন উপস্থিত ইংরেজি বক্তৃতায় বিএনসিসি ও ভারত্বেশ্বরী হোমসের প্রথম পুরস্কার। দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াকালীন- বিএনসিসি ক্যাডেট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর থেকে ৩ ধাপে লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার পরে সারা দেশের হাজার হাজার ক্যাডেটদের মধ্য থেকে বিএনসিসি-র সবচেয়ে দীর্ঘ এবং ব্যয়বহুল সফর ভারতে অংশগ্রহণ করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর সাথে সাক্ষাৎ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাৎকার নেয়ার সুযোগ হয়। রাশিয়া, ভারত, সিঙ্গাপুর, কাজাকিস্তান, কিরগিজস্তান, ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপসহ মোট ১১ টি দেশের সামনে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছেন। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রাইফেলে ফায়ারিং, অ্যাসোল্ট কোর্স, বেয়নোট ফাইটিং ও সশস্ত্র সালাম। শতগুণে গুণান্বিত নানজীবার বিনয়ের এক চরম উদাহরণ। সর্বশেষ তাই সময় নিউজকে তিনি বলেন, কাজ শেখার চেষ্টা করছি। আমি কখনই শুধু দেশ নিয়ে ভাবি না। আমার লক্ষ্য সবসময় আন্তর্জাতিক। আমি চাই মানুষ নানজীবাকে দিয়ে গোটা বাংলাদেশ চিনুক। সেই সাথে আকাশে ওড়ার স্বপ্নও পূরণ করতে চাই। আর আমার সব কাজের প্রেরণা আমার ছোট ভাই ও আমার মা। আমি সকলের ভালোবাসা চায়।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদান চিরস্মরণীয়

০৬ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গণপ্রতিরোধের এক উজ্জ্বল ইতিহাস। গণসংগ্রামের ইতিহাসের ভূমিকা অত্যন্ত উজ্জ্বল। ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ সেই কালরাতের পরের ইতিহাস প্রতিরোধ যুদ্ধে ভাস্বর। শহর থেকে গ্রামে মানুষ প্রথমে হতচকিত ও হতভম্ব বনে গেলেও তার পরেই শামিল হয়েছিল প্রতিরোধ যুদ্ধে। মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর অবদান তেমনি এক অধ্যায়। মুক্তিযুদ্ধের প্রতিরোধ পর্বে পুলিশের অবদান চিরস্মরণীয়। স্বাধীন দেশে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন অকুতোভয় পুলিশদের সে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে বর্বর পাক হানাদার বাহিনী যখন নির্বিচারে বাঙালিদের হত্যা করেছিল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনে তখন প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। ওয়্যারলেসযোগে রাজারবাগ থেকে প্রতিরোধের এ খবর সারা দেশের সব পুলিশ ফাঁড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়। এরপর প্রায় ১৩ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য পাকিস্তানি কমান্ড থেকে বেরিয়ে সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা ৩০৩ রাইফেল দিয়ে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং নিঃশঙ্ক চিত্তে লড়াই করে দেশের তরে, মাতৃভূমির তরে জীবন উৎসর্গ করে। হানাদারদের ভারী অস্ত্রের গোলায় ঝাঁজরা হয়ে গিয়েছিল সবকটি পুলিশ ব্যারাক, অসংখ্য পুলিশ সদস্য মৃত্যুবরণ করেন, তবুও কেউ মাথা নত করেনি। প্রকৃত অর্থে, মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর বিদ্রোহই পাকিস্তান বর্বর বাহিনীকে হোঁচট খাইয়ে দিয়েছিল।১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যরা অস্ত্রাগারের ঘণ্টা পিটিয়ে সবাইকে সতর্ক ও একত্রিত করে। অস্ত্রাগারে কর্তব্যরত সেন্ট্রির রাইফেল থেকে গুলি করে অস্ত্রাগারের তালা ভাঙে এবং তৎকালীন আরআই মফিজ উদ্দিনের কাছ থেকে জোর করে অস্ত্রাগারের চাবি নিয়ে নিজেদের মধ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ বিতরণ করে। প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যরা পুলিশ লাইনের চারদিকে, ব্যারাক ও বিভিন্ন দালানের ছাদে অবস্থান নেয় মাত্র ৫ মিনিট পর পাকসেনাদের কনভয় রাজারবাগ পুলিশ লাইনের মেইন গেটে এসে পৌঁছে এবং বাঙালি পুলিশ সদস্যরা কৌশলগত স্থানে পজিশন নেয়। রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে রাজারবাগ পুলিশ লাইনের দক্ষিণ-পূর্ব দিক (পুলিশ হাসপাতাল কোয়ার্টার সংলগ্ন) থেকে প্রথম গুলিবর্ষণ হয়। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই প্যারেড গ্রাউন্ডের উত্তর-পূর্ব দিক (শাহজাহানপুর ক্রসিং) থেকে গুলির শব্দ পাওয়া যায়। ব্যারাকের ছাদে অবস্থানরত বাঙালি পুলিশ সদস্যরা পাকসেনাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। শুরু হয় দখলদার পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ। রাত ১২টায় বাঙালি পুলিশ সদস্যদের মরণপণ প্রতিরোধে থমকে যায় ট্যাংক ও কামান সজ্জিত পাকবাহিনী। একটু পরেই মর্টার ও হেভি মেশিনগান দিয়ে গুলিবর্ষণ শুরু করে। পিআরএফ-এর ৪টি ব্যারাকে আগুন ধরে যায়। পাকবাহিনী ট্যাংক বহরসহ প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রবেশ করে। এ আক্রমণে পাকবাহিনীর সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় আটশ। রাত ১২টা ৩০ মিনিটে পাকবাহিনীর ভারী অস্ত্রের মুখে বাঙালি পুলিশ সদস্যরা তাদের কৌশল পরিবর্তন করে। গেরিলা পদ্ধতিতে পাকবাহিনীর ওপর হামলা চালায় এবং অনেককে হতাহত করে। পুলিশের অপর একটি গ্রুপ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ মালিবাগ চামেলিবাগ প্রান্ত দিয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। রাজারবাগ পুলিশ লাইনের সেদিনের সেই অস্ত্র আর গোলাবারুদ ব্যবহৃত হয়েছে সারা দেশে, সীমান্তবর্তী মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ শিবিরে এবং সম্মুখযুদ্ধে। রাত ৩টা ৩০ মিনিটে কামান আর মর্টারের আক্রমণ থামে, তবে বন্দি হয় প্রায় দেড়শ বাঙালি পুলিশ, রাজারবাগ পুলিশ লাইন দখল করে নেয় দখলদার বাহিনী, তার আগেই রাজারবাগ পুলিশ লাইনের কিছু বীর বাঙালি অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ রাজারবাগ ত্যাগ করেন। রাজারবাগ পুলিশ লাইনের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে। ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর বাংলাদেশের পুলিশের নাম প্রথমে ইস্ট বেঙ্গল পুলিশ রাখা হয়। পরবর্তীতে এটি পরিবর্তিত হয়ে ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ নাম ধারণ করে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত এ নামে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। মহান মুক্তিযুদ্ধে একজন ডিপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল, বেশ কয়েকজন এসপিসহ প্রায় সব পর্যায়ের পুলিশ সদস্য বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে জীবনদান করেন। ১৯৭১ সালের মার্চ মাস থেকেই প্রদেশের পুলিশ বাহিনীর ওপর কর্তৃত্ব হারিয়েছিল পাকিস্তানের প্রাদেশিক সরকার। পরবর্তীতে পুলিশের এ সদস্যরা ৯ মাসজুড়ে দেশব্যাপী গেরিলাযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে। স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্রে ১২৬২ জন শহীদ পুলিশ সদস্যের তালিকা উল্লেখ পাওয়া যায়। প্রসঙ্গত ঝিনাইদহের তৎকালীন সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে ঐতিহাসিক গার্ড অব অনার প্রদান করেন।২০১৩ সালের মার্চ যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর স্থাপন একটি মহতী উদ্যোগ। সেই দিনের ত্বরিত সিদ্ধান্ত, সাহসিকতা ও বীরত্ব গাথার বিভিন্ন প্রমাণ বহন করছে এ বাংলাদেশ পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেইসব পুলিশ সদস্যকে যারা বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সব মুক্তিযোদ্ধা, বীরাঙ্গনাসহ সব নারী যারা সম্ভ্রম হারিয়েছেন দেশের স্বাধীনতার জন্য। তোমাদের ঋণ শোধ হওয়ার নয়। লেখকঃ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক,কলামিষ্ট ,সম্পাদক নিউজ একাত্তর ডট কম ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান,দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ ।

আজকের মোট পাঠক

33294

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত