শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
মোদির বিরোধিতার নামে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দেওয়া হচ্ছে: আমু
২০,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের বিরোধিতার নামে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে উস্কে দিচ্ছে পাকিস্তানের দালাল ও আইএসের এজেন্টরা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ১০১তম জন্ম দিবস উপলক্ষে শনিবার (২০ মার্চ) সকালে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আমির হোসেন আমু বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভারতের অবদান কোনোদিন ভোলার নয়। তাই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিরোধিতা করা অনভিপ্রেত। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে মাঠে নামিয়েছে স্বাধীনতা বিরোধী চক্ররা। এই অপশক্তিকে কঠোরভাবে দমনের লক্ষ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান আমির হোসেন আমু। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন, অসাম্প্রদায়িক চেতনাবোধ ও দেশপ্রেম সঠিকভাবে জাতীয় জীবনে প্রতিফলনের মধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, রাজাকারদের ধারা চিরতরে বর্জন ও ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে দেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত করতে হবে। জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন ও দেশপ্রেম তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরে তাদের দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব রেজাউল হক চাদঁপুরী, বাংলাদেশ গণআজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে সিকদার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেনসহ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতারা।
তারুণ্যের শক্তির ওপরে বঙ্গবন্ধুর আস্থা ছিল: পলক
২০,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, তারুণ্যের শক্তির ওপরে বঙ্গবন্ধুর আস্থা ছিল। সেজন্য দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি তরুণদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত করেছিলেন। শনিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানমালার চতুর্থ দিনের আলোচনার স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মুজিব চিরন্তন- প্রতিপাদ্যে ১০ দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। শনিবার চতুর্থ দিনের আলোচনার প্রতিপাদ্য- তারুণ্যের আলোক শিখা। এ বিষয়ে আলোচনা করছেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। আলোচনা পর্বে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) মহাসচিব ড. ইউসুফ আল ওথাইমিন এবং ফ্রান্সের সিনেটর ও ইন্টার পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ ফর সাউথ ইস্ট এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেকোলিন ডেরোমেডির ভিডিও বার্তা প্রচার করা হবে। পলক বলেন, তরুণ বয়সেই বঙ্গবন্ধু বড় নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। তার নেতৃত্বে তরুণরা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেন। স্বাধীনতার সশ্রস্ত্র যোদ্ধাদের বেশিরভাগই ছিলেন তরুণ। তাদের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। তিনি বলেন, আজকের তারুণ্য বঙ্গবন্ধুর কাজ থেকে প্রাণশক্তির আগুনের পরশমনি পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর তর্জনী তরুণদের প্রেরণা দেয়। আলোচনা পর্ব শেষে রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যাতে রয়েছে বন্ধু রাষ্ট্র জাপানের শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক আয়োজন, মুজিব চিরন্তন- প্রতিপাদ্যের ওপর টাইটেল অ্যানিমেশন ভিডিও, সমসাময়িক শিল্পীদের পরিবেশনায় বঙ্গবন্ধুর পছন্দের গান, থিমেটিক কোরিওগ্রাফি ও দুই প্রজন্মের শিল্পীদের মেলবন্ধনে মিশ্র মিউজিক পরিবেশনা। আগামী রোববার (২১ মার্চ) পঞ্চম দিনের অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য- ধ্বংসস্তূপে জীবনের গান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। প্রতিপাদ্যের ওপরে আলোচনায় অংশ নেবেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও ইতিহাসবিদ ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। আলোচনা পর্বে জর্ডানের বাদশার পক্ষে উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিডিও বার্তা প্রচার করা হবে। সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত অনুষ্ঠান টেলিভিশন ও বেতার চ্যানেল, অনলাইন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে- কুইক রেসপন্স টিম
২০,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সৃষ্টিলগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। বিপদাপন্ন নারী ও শিশুদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ গঠন করেছে কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)। গত বছরের ২৭ অক্টোবর নারীদের অসুবিধা শুনতে ও সামাজিক নির্যাতন প্রতিরোধে একটি বিশেষ টিমের প্রয়োজন অনুধাবন করে কুইক রেসপন্স টিম গঠন করে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। সেইসঙ্গে এই টিমের জন্য একটি হটলাইন ০১৩২০০৪২০৫৫ নম্বর চালু করা হয়। ডিএমপির উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের অধীনে এই টিম ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। নারীরা রাস্তায় বা অন্য কোথাও অনিরাপদ বোধ করলে বা বিপদে পড়লে এই টিমের হটলাইনে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিক সাহায্য নিতে পারছেন। নারী ও শিশুকে যে কোনো সহায়তা দিতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যরা। উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হামিদা পারভীনের নেতৃত্বে ২৮ জনের এই টিম দায়িত্ব পালন করছেন। পথচলা শুরু থেকে কুইক রেসপন্স টিম অসংখ্য কলে সাড়া দিয়ে তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান করেছে বলে জানিয়েছেন উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার লায়লা ফেরদৌসী। তিনি জানান, উদ্ধারজনিত কোনো ফোন পেলেই ছুঁটে চলে কিউআরটি। পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীরা বেশি ফোন করে সহায়তা চাচ্ছেন। ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়েও ব্যবস্থা নিচ্ছে কুইক রেসপন্স টিম।
কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে আইএলওকে মূল ভূমিকা নিতে হবে: প্রতিমন্ত্রী
১৯,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান বলেছেন, শোভন কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ঘোষণার উদ্দেশ্যগুলো উপলব্ধি করে সদস্য দেশগুলোকে সহায়তার ক্ষেত্রে আইএলওকে মূল ভূমিকা নিতে হবে। শুক্রবার (১৯ মার্চ) রাতে আইএলওর গভর্নিং বডির ৩৪১তম সেশনে ভার্চ্যুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে অনেক লোক আজ কর্মহীন, কারখানাগুলো চলছে খুঁড়িয়ে, সারা বিশ্বের অর্থনীতি একপ্রকার লাইক সাপোর্টে। এ অবস্থায় আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি, মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং শ্রমিকদের চাকুরি রক্ষায়। আমাদের পাবলিক তহবিলের সর্বোত্তম ব্যবহার করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে একজনও নিরাপদ নয়, যতক্ষণ না আমরা সবাই নিরাপদ হচ্ছি। এজন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে নিদিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। এসময় প্রতিমন্ত্রী জন্মশতবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, জাতির জনক সারা বিশ্বে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। আইএলও'র সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী
১৯,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পঁচাত্তরের পর বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, রেসকোর্সের ঐতিহাসিক বক্তব্য ও ভাষা আন্দোলনে তার নেতৃত্বের ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। তার ভাষণ প্রচারে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা ছিল। সবাইকে ধন্যবাদ জানাই, সবার সহযোগিতায় আজকে আমরা সেই সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে পারছি। বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ করতে পেরেছি। আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। শুক্রবার (১৯ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার তৃতীয় দিনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশে আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, মার্চ মাস বাঙালি জাতির জন্য এক স্মরণীয় মাস। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি হাজার বছর ধরে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ বাঙালি জাতিকে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম আবাসভূমি এনে দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৮ সালের এই মার্চ মাসের ১১ তারিখে তিনি মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বপ্রথম কারাগারে অন্তরীণ হন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ পাকিস্তানি শাসকদের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন- এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা। এর সপ্তাহ আড়াই পর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে ঘোষণা করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা। সমগ্র জাতিকে নির্দেশ দেন প্রতিরোধ যুদ্ধের, মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করার। এ সময় প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের চিত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, শ্রীলঙ্কা আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু দেশ। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা বিভিন্ন আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক ইস্যুতে একই ধরনের মনোভাব পোষণ করে এবং আমরা পরস্পরকে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে থাকি। প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে বাংলাদেশের একজন অকৃত্রিম বন্ধু এবং তিনি সবসময়ই বাংলাদেশের পাশে অবস্থান করেন। আমিও চেষ্টা করি সেই বন্ধুত্বের প্রতিদান দিতে।
বঙ্গবন্ধুর রচিত ভিত্তির ওপর ভর করেই কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য : কৃষিমন্ত্রী
১৯,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষিতে যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুই তার ভিত্তি রচনা করেন। বঙ্গবন্ধুর গৃহীত কৃষিনীতির পথ ধরেই বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে । মন্ত্রী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভার্চুয়ালি- মুজিববর্ষে শতঘন্টা মুজিবচর্চা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এ কথা বলেন। মেহেরপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে ধারাবাহিক মুজিববর্ষে শতঘন্টা মুজিবচর্চা অনুষ্ঠানের এ পর্বের আলোচনার বিষয় ছিল- কৃষকের বঙ্গবন্ধু। কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। কৃষি উন্নয়নে নিয়েছিলেন যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। বঙ্গবন্ধু উৎপাদন বৃদ্ধিতে আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, সেচ সুবিধার সপ্রসারণ, উন্নত বীজের ব্যবহারে পদক্ষেপ নেন। বিদেশ থেকে ট্রাক্টর, সেচযন্ত্র আনার ব্যবস্থা নেন। কৃষিতে নতুন নতুন প্রযুক্তি ও উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবনের জন্য গবেষণায় গুরুত্ব দিয়ে কৃষি গবেষণা কাউন্সিলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেন। চাকরিতে কৃষিবিদদের প্রথমশ্রেণির পদমর্যাদা দেন। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কৃষি উন্নয়নের যে ভিত্তি রচনা করেছিলেন, সেটিকে অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কৃষিক্ষেত্রে ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ও মুজিববর্ষে শতঘন্টা মুজিবচর্চা প্রোগ্রামের মুখ্য উপদেষ্টা ফরহাদ হোসেন। মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য মো. মকবুল হোসেন, কৃষি সপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক স্বপন কুমার খাঁ, গাংনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম শাহিন ও প্রফেসর হাসানুজ্জামান মালেক। এসময় কৃষিমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের- মুজিববর্ষে শতঘন্টা মুজিবচর্চা অনুষ্ঠানকে ব্যতিক্রমী, সৃজনশীল ও অনন্য উদ্যোগ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মুজিববর্ষে আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ হবে বঙ্গবন্ধুর জীবনের নানা দিক সম্পর্কে আরও বেশি করে জানা। বঙ্গবন্ধুর জীবন হলো মহাকাব্য। আমাদেরকে বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা, ত্যাগ, জীবনসংগ্রাম, সাহস, প্রজ্ঞা, নেতৃত্ব ও মানবপ্রেমসহ সার্বিক গুণাবলী সম্পর্কে আরও বেশি করে জানতে হবে এবং তা তরুণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। এতে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও চেতনা সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ বিশেষভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে মেহেরপুর জেলা প্রশাসন চলমান মুজিববর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে মুজিববর্ষে শতঘণ্টা মুজিবচর্চা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। গত ৩০ আগস্ট ২০২০ জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ আলোচনা অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, ইতিহাসবিদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, বরেণ্য সাহিত্যিক ও লেখক জুম প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত থেকে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করেন। এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সৎ, আদর্শবান, নিঃস্বার্থ, নির্লোভ, নির্মোহ, নিরহংকার ও নির্ভীক এবং মাধুর্যসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির লক্ষ্য।
স্মৃতিসৌধে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
১৯,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় এসে প্রথমে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে। শুক্রবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১ টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর তিনি স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি পারিজাত ফুলের গাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি ১১টা ১৪ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। জাতীয় স্মৃতিসৌধের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসের আগমনকে কেন্দ্র করে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং এর আশেপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়।
বইমেলা ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১৮,মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এ বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) বিকালে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। করোনাভাইরাস কারণে ভাষার মাসের পরিবর্তে স্বাধীনতার মাসে এবার শুরু হলো- অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২১। বাঙালির প্রাণের এই মেলা চলবে ১৪ এপ্রিল ২০২১ পর্যন্ত। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২১ উৎসর্গিত হচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশে। এবারের বইমেলার মূল থিম- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। এ সময় অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু রচিত ও বাংলা একাডেমি প্রকাশিত- আমার দেখা নয়াচীন -এর ইংরেজি অনুবাদ নিউ চায়না-১৯৫২ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ মনোনীত সাহিত্যিকদের হাতে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ তুলেন দেন। যারা পুরস্কার গ্রহণ করেন- কবিতায় কবি মুহাম্মদ সামাদ, কথাসাহিত্যে ইমতিয়াজ শামীম, প্রবন্ধ সাহিত্যে বেগম আখতার কামাল, অনুবাদে সুরেশ রঞ্জন বসাক, নাটকে রবিউল আলম, শিশুসাহিত্যে আনজীর লিটন, মুক্তিযুদ্ধে সাহিদা বেগম, বিজ্ঞান ও কল্পবিজ্ঞানে অপরেশ বন্দোপাধ্যায়, আত্মজীবনী, স্মৃতিকথা ও ভ্রমণকাহিনী বিভাগে ফেরদৌসী মজুমদার এবং ফোকলোর বিভাগে হাবিবুল্লাহ পাঠান পুরস্কার গ্রহণ করেন। এবার বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এবং ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় ১৫ লাখ বর্গফুট জায়গায়। একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৭টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫৪টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৩৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৮০টি ইউনিট; মোট ৫৪০টি প্রতিষ্ঠানকে ৮৩৪টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মেলায় ৩৩টি প্যাভিলিয়ন থাকবে। বইমেলার লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থানান্তরিত হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মূল মেলা প্রাঙ্গণে। সেখানে ১৩৫টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দের পাশাপাশি ৫টি উন্মুক্ত স্টলসহ ১৪০টি স্টল দেওয়া হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে। অমর একুশে বইমেলা ২০২১-এর প্রচার কার্যক্রমের জন্য একাডেমিতে বর্ধমান ভবনের পশ্চিম বেদিতে ১টি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৩টি তথ্যকেন্দ্র থাকবে। বাংলা একাডেমির ৩টি প্যাভিলিয়ন, শিশু কিশোর উপযোগী বইয়ের জন্য ১টি এবং সাহিত্য মাসিক উত্তরাধিকার-এর ১টি স্টল থাকবে। এবারও শিশুচত্বর মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকবে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রথমদিকে শিশুপ্রহর থাকছে না। এবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পূর্ব প্রান্তে নতুন একটি প্রবেশ পথ করা হয়েছে। প্রকাশকদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল রমনা প্রান্তে একটি প্রবেশ পথ ও পার্কিং-এর ব্যবস্থা করা। এবার এটা করা সম্ভব হয়েছে। সবমিলে সোহরাওয়ার্দীতে ৩টি প্রবেশ পথ ও ৩টি বাহির পথ থাকবে। প্রত্যেক প্রবেশ পথে সুরক্ষিত ছাউনি থাকবে, যাতে বৃষ্টি ও ঝড়ের মধ্যে মানুষ আশ্রয় নিতে পারেন। বিশেষ দিনগুলোতে লেখক, সাংবাদিক, প্রকাশক, বাংলা একাডেমির ফেলো এবং রাষ্ট্রীয় সম্মাননাপ্রাপ্ত নাগরিকদের জন্য প্রবেশের বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। বইমেলা ১৯ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিন বেলা ১১ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।
৮৫ হাজার ল্যাপটপ কিনছে সরকার
১৮,মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির লক্ষ্যে নেয়া শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন প্রকল্পের জন্য ৮৫ হাজার ল্যাপটপ কিনতে যাচ্ছে সরকার। ৪৮৭ কোটি ২১ লাখ ৭ হাজার ৭৯১ টাকা টাকা ব্যয়ে ক্রয়ের তালিকায় রয়েছে পাঁচ হাজার ওয়েব ক্যামেরা; পাঁচ হাজার রাউটার এবং পাঁচ হাজার নেটওয়ার্ক সুইচসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। বুধবার (১৮ মার্চ) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন-২য় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় ৫ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসব প্রযুক্তি পণ্য সংগ্রহ, সরবরাহ ও স্থাপনের অনুমোদন দেয়া হয়। এসব প্রযুক্তিপণ্য সরবরাহে টেলিফোন শিল্প সংস্থা (টেশিস) সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখিয়েছে। সভা শেষে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহিদা আকতার বলেন, সকল নিয়মনীতি মেনে সবচেয়ে কম দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে পণ্য সরবরাহের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ২০২০ সালের ২৮ জুলাই একনেক বৈঠকে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন ২য় পর্যায় প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। এই প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, কলেজ, মাদ্রাসা বা সমপর্যায়ের প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে পাঁচ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করছে সরকার। এর মধ্য থেকে প্রতিটি সংসদীয় আসনে একটি করে মোট ৩০০টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবকে- স্কুল অব ফিউচার এ রূপান্তরিত করা হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর