সাহারা খাতুনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি
২১,জুন,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। তিনি কিছুদিন ধরে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (১৯ জুন) তাকে ওই হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। রোববার (২১ জুন) দুপুরে সাহারা খাতুনের ভাগ্নে মজিবর রহমান এ কথা জানান। তিনি বলেন, উনার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তিনি এখনো আইসিইউতেই আছেন। শুক্রবার যখন তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয় তখনকার চেয়ে এখন তিনি ভালো আছেন। এখন তিনি কথা বলছেন। তার প্রেসার স্বাভাবিক আছে এবং ভেন্টিলেটর খুলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২ জুন জ্বর-অ্যালার্জি ও বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থবোধ করলে সাহারা খাতুন ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। পরে তাকে বেডে দেওয়া হয়। ১৮ জুন (বৃহস্পতিবার) তার শারীরিক অবস্থার ফের অবনতি হয়। পরে শুক্রবার সকালে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।
প্রকল্পের আওতায় আসছে আরও ৩ লাখ দরিদ্র পরিবার, বাড়ছে মেয়াদ
২১,জুন,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অসচ্ছল পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে দেশব্যাপী চলছে একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্প। করোনা সংকট মোকাবিলায় প্রকল্পের আওতায় আরও ৩ লাখ দরিদ্র পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। বর্তমানে প্রকল্পের আওতায় ৫২ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫৫ লাখ পরিবারকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা। প্রকল্পের লক্ষ্য এখনো অর্জিত না হওয়ায় বাড়ানো হচ্ছে মেয়াদ। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মেয়াদকাল নির্ধারিত ছিল ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ৫২ লাখ পরিবার ইতোমধ্যে সুফল পেয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদের বাকি ১০ দিনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব নয়। ফলে আবদার করা হয়েছে আরও এক বছর মেয়াদ বাড়ানোর। পরিকল্পনা কমিশনে ব্যয় ব্যতিরেকে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে। প্রস্তাবনার ওপর অনুষ্ঠিত হয়েছে কয়েকটি সভাও। জানা যায়, দ্রুত সময়ে মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে একনেক সভায়। একটি বাড়ি, একটি খামারের উপ-প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) নজির আহমেদ বলেন, প্রকল্পের টার্গেট ৫৫ লাখ পরিবারকে সুফলভোগী করা। কিন্তু এখনো তিন লাখ বাকি আছে অথচ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ। তাই আরও এক বছর সময় আমাদের লাগবে। বর্তমানে কোভিড-১৯ মোলাবিলায় প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ১০ কোটি টাকা। ইতোমধ্যেই প্রকল্পটি তৃতীয় বারের মতো সংশোধন করা হয়েছে। আর সংশোধনের সুযোগ নেই। অথচ লক্ষ্য এখনো অর্জিত হয়নি। তাই দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য একই ধরনের আরও একটা প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা করেছে সংশ্লিষ্টরা। দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য স্থায়ী তহবিলের ব্যবস্থা করা। ওই তহবিল আয়বর্ধক কাজে নিয়মিতভাবে ব্যবহার করে স্থায়ী আয়ের ব্যবস্থার মাধ্যমে দারিদ্র্য দূর করতেই আবারও এমন উদ্যোগ। প্রকল্পের আওতায় ৫৪ হাজার ভিক্ষুক পুনর্বাসন কাজ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রকল্পটি গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, তৃণমূলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করা, তাদের সঞ্চয়ে উৎসাহ দেওয়া, সদস্য সঞ্চয়ের বিপরীতে সমপরিমাণ অর্থ বোনাস দেওয়া, সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। এছাড়া রয়েছে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য পুঁজি গঠনে সহায়তা করা ও আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করাসহ বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনা। এসব উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্প হাতে নেয়। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ২০০১ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে প্রকল্পটি ফের চালু করা হয়। বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলায় ৪৮৫টি উপজেলায় ৪ হাজার ৫০৩টি ইউনিয়নের ৪০ হাজার ৫২৭টি ওয়ার্ডে প্রকল্পের কার্যক্রম চলছে। ওয়ার্ডগুলোর অধীনে প্রতিটি গ্রামে ৬০টি গরিব পরিবারের সমন্বয়ে একটি গ্রাম-উন্নয়ন সমিতি গঠন করে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ৫২ লাখ দরিদ্র পরিবার এ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সমিতি থেকে একজন ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। পূর্বের ঋণ পরিশোধ করার পর পুনরায় নেওয়া যাবে ঋণ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো আলেম-ওলামাদের জন্য কেউ ভাবেন না : তথ্যমন্ত্রী
২০জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার মতো দেশের আলেম-ওলামাদের জন্য কেউ ভাবেন না। আজ দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে তথ্যমন্ত্রী তার নিজ নির্বাচনী এলাকার রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পাঁচ শতাধিক মসজিদের ইমাম-ওলামাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। মন্ত্রী ড. হাছান বলেন, বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় থাকাকালেও আলেম-ওলামাদের কথা ভাবেনি। কিন্তু নির্বাচনের সময় তারা ঠিকই ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। অপরদিকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আলেম-ওলামাদের জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মসজিদ নির্মাণ, এক লাখ মসজিদে সাড়ে চার হাজার টাকা মাসিক ভাতায় একজন শিক্ষকসহ মক্তব স্থাপন, কওমী মাদ্রাসার সর্বোচ্চ পর্যায়ের শিক্ষাকে স্বীকৃতি প্রদান, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, করোনা পরিস্থিতিতে দেশের প্রায় সব মসজিদের জন্য পাঁচ হাজার টাকা করে বরাদ্দ প্রদানের এসব মাইলফলক উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক ভাবনারই ফসল। ড. হাছান মাহমুদ এসময় বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক কামাল লোহানী ও তথ্য অধিদফতরের সাবেক উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও সাহিত্যিক জাফর আলমের সদ্যপ্রয়াণে গভীর শোক জানান ও তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। রাঙ্গুনিয়া প্রান্তে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফখরুল ইসলাম। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ফিল্ড সুপারভাইজার মো. মোকাম্মেলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন তালুকদার। এ আয়োজনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে রাঙ্গুনিয়ার ৫০৪টি মসজিদের প্রত্যেকটির ইমাম-ওলামাদের মাঝে করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার নগদ পাঁচ হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সবাই দেশ ও বিশ্বের সবার নিরাপদ ও সুস্থ জীবনের জন্য প্রার্থনায় অংশ নেন।
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত ৩২৪০
২০জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৪২৫ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৪০ জন। এনিয়ে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮ হাজার ৭৭৫ জন। শনাক্তের বিবেচনায় মৃত্যর হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ। শনিবার (২০ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টা নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৭৭৯টি। আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৪ হাজার ৩১টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৯টি। যা নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে তাতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৪০ জন। মোট শনাক্ত এক লাখ ৮ হাজার ৭৭৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৪৮ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯৯৩ জন। শনাক্তের বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৪৪ শতাংশ। নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৬২৮ জন। আর ছাড় পেয়েছেন ১৮৭ জন।
অসাম্প্রদায়িক চেতনার একজন যোদ্ধাকে হারালাম: প্রধানমন্ত্রী
২০জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা কামাল লোহানীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২০ জুন) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, কামাল লোহানী বাঙালির ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। একজন আদর্শবান ও গুণী মানুষ হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠা এবং দেশের সংস্কৃতি বিকাশের আন্দোলনে পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা একজন প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার অসাধারণ যোদ্ধাকে হারালাম। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এর আগে সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর মহাখালীতে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কামাল লোহানী শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
কামাল লোহানী আর নেই
২০জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত দেশের প্রবীণ সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (২০ জুন) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর মহাখালীতে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৭ বছর। তিনি এক ছেলে, দুই মেয়েসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। কামাল লোহানীর মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করে তার ছেলে সাগর লোহানী বলেন, বাবার ফুসফুস ও কিডনিতে সমস্যা অনেক দিন ধরে। গত ১৮ জুন তার করোনা পজেটিভ আসে। এর আগে গত ১৮ জুন শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যার কারণে গত ১৭ মে সকালে তাকে একই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সাগর লোহানী জানান, করোনায় আক্রান্ত হওয়া ছাড়াও ফুসফুস-কিডনির জটিলতার সঙ্গে হৃদরোগ-ডায়াবেটিসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন কামাল লোহানী। কামাল লোহানী হিসেবে পরিচিত হলেও, তার পুরো নাম আবু নঈম মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খান লোহানী। ১৯৩৪ সালের ২৬ জুন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থানার খান সনতলা গ্রামে তার জন্ম। বাবা আবু ইউসুফ মোহাম্মদ মুসা খান লোহানী। মা রোকেয়া খান লোহানী। কর্মজীবনে কামাল লোহানী দৈনিক মিল্লাত পত্রিকা দিয়ে সাংবাদিকতার শুরু করেন। এরপর আজাদ, সংবাদ, পূর্বদেশ, দৈনিক বার্তায় গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। দুইবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন এই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। ছিলেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি, ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ২০১৫ সালে সাংবাদিকতায় একুশে পদক লাভ করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর