শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
যুগ্ম সচিব হলেন ১২৩ কর্মকর্তা
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রশাসনের ১২৩ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির দিয়ে শুক্রবার (৫ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে এ কর্মকর্তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিবদের পদায়ন করা হয়নি। পদোন্নতি পাওয়াদের মধ্যে ১১৭ জন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অন্যান্য সরকারি দফতরে কর্মরত আছেন। আর বাকি ৬ জন বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাইকমিশনে কর্মরত আছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদোন্নতির পর যুগ্ম-সচিবের মোট সংখ্যা হল ৭৩৯ জন। যুগ্ম-সচিবের নিয়মিত পদের সংখ্যা ৪১১টি। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৬ জুন ১৩৬ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছিল।
মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা অত্যন্ত সংঙ্কটাপন্ন
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা অত্যন্ত সংঙ্কটাপন্ন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তার জ্ঞান এখনো ফেরেনি। ৭২ ঘণ্টা পার হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। আজ শনিবার বিষয়টি জানিয়েছেন মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য তানভির শাকিল জয়। এর আগে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে গতকাল শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে মোহাম্মদ নাসিমের অস্ত্রোপচার করা হয়। তানভির শাকিল জয় জানান, তার বাবা মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। ৭২ ঘণ্টা পার হলে চিকিৎসকরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। রক্তচাপজনিত সমস্যা নিয়ে গত ১ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম। ওইদিনই তার করেনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করতে হয়। এ অস্ত্রোপচার সফল হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎকরা। উল্লেখ্য, মোহাম্মদ নাসিম আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মুখপাত্রও তিনি। ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। এর আগে ১৯৯৬- ২০০১ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিক মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
লন্ডনে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট ১৩ জুন
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে ঢাকা-রোম রুটের একটি বিশেষ প্লেনকে রি-রুট করা হয়েছে। প্লেনটি আগামী ১৩ জুন (শনিবার) সকাল ১০টায় লন্ডন হিথ্রো বিমানবন্দর টার্মিনাল ২ থেকে ছেড়ে যাবে। দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের ১১ জুনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করে নিজেদের আসন সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ সম্পর্কে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম বলেন, বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই বিশেষ বিমানটি মূলত রোম থেকে বাংলাদেশি যাত্রীদের নিয়ে ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লন্ডন মিশনের বিশেষ অনুরোধে ও সরকারের নির্দেশে প্লেনটি ১৩ জুন লন্ডন হিথ্রো হয়ে ঢাকা যাবে। এর ফলে এখনো যেসব বাংলাদেশি যুক্তরাজ্যে আটকেপড়ে আছেন তারা দেশে ফিরতে পারবেন। এই বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। একইসঙ্গে দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের ১১ জুনের মধ্যে বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডনের এই লিংকে https.//forms.gle/qFXRvriFCLUUVV857 রেজিস্ট্রেশন করে নিজেদের আসন সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান হাই কমিশনার। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেবলমাত্র বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডনের রেজিষ্টার্ড যাত্রীরাই এই বিমানে ভ্রমণ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে যাত্রীদের অবশ্যই বাংলাদেশি পাসপোর্ট, এনভিআর এবং বিদেশী পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ভিসা ও করোনায় আক্রান্ত নন এ সংক্রান্ত মেডিক্যাল সনদ থাকতে হবে। বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডন যথা নিয়মে রেজিস্টার্ড বাংলাদেশি যাত্রীদের মেডিক্যাল সনদপত্র দেবে। আগামী ১৩ জুন বিশেষ বিমানে (ফ্লাইট নং ৪১০৬) নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে যাত্রীদের আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ বিশেষ প্লেনের জন্য ইকোনোমী শ্রেণীর ভাড়া শুল্কসহ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০০ ব্রিটিশ পাউন্ড, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৫৫০ ব্রিটিশ পাউন্ড এবং শিশুদের জন্য ১৫০ ব্রিটিশ পাউন্ড। বিজনেস শ্রেণীর ভাড়া ১৪৩৫ ব্রিটিশ পাউন্ড, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ১৩১৫ ব্রিটিশ পাউন্ড এবং শিশুদের ৩৬০ ব্রিটিশ পাউন্ড। এ ভাড়া কেবল লন্ডন থেকে ঢাকা একমূখী যাত্রার জন্য নির্ধারিত। ইকোনোমী শ্রেণীর প্রতি যাত্রী দুই ব্যাগে ৪০ কেজি এবং বিজনেস শ্রেণীর প্রতি যাত্রী দুই ব্যাগে ৫০ কেজি ব্যাগেজ সুবিধা পাবেন। ভাড়া বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিডেটের নামে নিন্মোক্ত যেকোনো ব্যাংক হিসাবে ট্রান্সফারের মাধ্যমে পরিশোধ করার পর টিকিট ইস্যু করা হবে। ব্যাংক হিসাবগুলো- হাবিব ব্যাংক, হিসাব নম্বর ৭০০২৪৯৩৫, শর্ট কোড ৬০৯৫১১ (যুক্তরাজ্য থেকে ট্রান্সফারের জন্য) এবং স্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, হিসাব নম্বর -০১২৭০২৫১৭০১, IBN : GB74 SCBL6091 0412 7025 17, SWIFT: SCBLGB2L (আন্তর্জাতিক ট্রান্সফারের জন্য)। এই বিশেষ বিমানের ব্যাপারে বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউকে ফরেন ও কমনওয়েলথ অফিস, ইউকে হোম অফিস, ইউকে বর্ডার এজেন্সি এবং হিথ্রো এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে কাজ করছে। এদিকে বর্তমানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে- অন এরাইভাল ভিসা প্রদান সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় যেসব যাত্রীর বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ভিসা প্রয়োজন তাদের পক্ষে এই বিশেষ বিমানে ভ্রমণ সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের নিন্মোক্ত টেলিফোন ও ই-মেইলে যোগাযোগ করা যেতে পারে: +৪৪-০৭৪৫৯৭৫৫৪৫৭, +৪৪৭৪৩৮৪২৯৯৩৯ এবং ইমেইল: mahfuza.sultana@mofa.gov.bd ও monirul.hoque@mofa.gov.bd। গত ১০ মে বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে ও বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ভাড়া করা একটি বিশেষ বিমানে শতাধিক আটকেপড়া বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩০ মৃত্যু, শনাক্ত ২৮২৮
৫জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৮১১ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮২৮ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৩৯১ জনে। শুক্রবার (০৫ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬৪৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছে ১২ হাজার ৮০৪ জন। তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৬৪৫টি। আর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা হয়েছে ১৪ হাজার ৮৮টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে তিন লাখ ৭২ হাজার ৩৬৫টি। নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩০ জনের মধ্যে পুরুষ ২৩ জন, নারী সাত জন। এদের মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিভাগের ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১২ জন, সিলেট বিভাগের তিন জন, রাজশাহী বিভাগের দুইজন, বরিশাল বিভাগের এক জন, খুলনা বিভাগের এক জন ও রংপুর বিভাগের এক জন। বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে দুই জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ছয় জন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যে ১১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিন জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিন জন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ১৭ জন এবং বাড়িতে মারা গেছেন ১৩ জন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৩৬৫ জন। মোট আইসোলেশনে আছেন ছয় হাজার ৯৪৬ জন।
ঈদযাত্রায় ১৪৯ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৬৮, আহত ২৮৩: যাত্রী কল্যাণ সমিতি
৫জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণপরিবহন বন্ধ থাকা অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের যাতায়াতে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ১৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬৮ জন নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে ২৮৩ জন আহত হয়েছেন। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সম্মিলিতভাবে ১৫৬টি দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত ও ২৮৩ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। শুক্রবার (৫ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান। তিনি জানান, সংগঠনটির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল প্রতিবেদনটি তৈরি করে। বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক ও অনলাইন দৈনিক এ প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সাধারণ ছুটি চলাকালীন দেশে গণপরিবহন বন্ধ ছিল। ৯০ শতাংশ যাত্রীর যাতায়াত বন্ধ থাকলেও সেই তুলনায় এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে। এখন ব্যক্তিগত যানবাহনের চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। ছোট যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও গণপরিবহনকে বিকশিত করা এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনাকেও মহামারির মতো গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর গণপরিহন বন্ধ থাকায় ঈদযাত্রা ব্যক্তিগত পরিবহনে সীমিত থাকলেও ঈদের আগে-পরে সড়ক দুর্ঘটনা ছিল অতীতের তুলনায় বেশি। বিগত ১৯ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ১৩ দিনে ১৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬৮ জন নিহত ২৮৩ জন আহত হয়েছেন। উল্লেখিত সময়ে রেলপথে ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষে একটি ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। একই সময়ে নৌ-পথে ছয়টি ছোট-বড় বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত ও ৪৫ জন নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এসময় সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয় ২৫ মে। এদিন ২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ৪৮ জন আহত হন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয় ২৪ মে। এদিন ছয়টি সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত ও দুইজন আহত হন। এসময় একদিনে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত হয় গত ১৯ মে। এদিন ১৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ৫৪ জন আহত হন। 'এসময় একদিনে সর্বোচ্চ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে ঈদের দিন ২৫ মে। এদিন ১৬টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত ও ২৪ জন আহত হন।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদযাত্রায় সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ৪৫ জন চালক, ৩৩ জন নারী, ২৮ জন পথচারী, ২৭ জন পরিবহন শ্রমিক, ২৪ জন শিশু, ১৯ জন শিক্ষার্থী, পাঁচজন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, তিনজন শিক্ষক, তিনজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, তিনজন সাংবাদিক ও একজন প্রকৌশলীর পরিচয় মিলেছে। এরমধ্যে নিহত হয়েছেন তিনজন পুলিশ সদস্য, ১৮ জন নারী, ১২ জন শিশু, ১৪ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষক, ৩২ জন চালক, সাতজন পরিবহন শ্রমিক, একজন প্রকৌশলী ও তিনজন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ছিল। সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মোট যানবাহনের ৩৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ড ভ্যান-লরি, ১২ দশমিক ০৭ শতাংশ কার-মাইক্রো-জিপ, ৮ দমমিক ২১ শতাংশ অটোরিকশা, ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ ব্যাটারি রিকশা-ইজিবাইক-ভ্যান-সাইকেল, ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ নছিমন-করিমন-ট্রাক্টর-লেগুনা-মাহিন্দ্রা ও ০ দশমিক ৯৭ শতাংশ বাস এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল। সংগঠিত দুর্ঘটনার ২৪ দশমিক ১৬ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩৮ দশমিক ২৫ শতাংশ পথচারীকে গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনা, ২৭ দশমিক ৫১ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায়, ৯ দশমিক ৪০ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারণে ও ০ দশমিক ৬৮ শতাংশ রেল-যানবাহন সংঘর্ষ দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। এসময় দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩০ দশমিক ২০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৪৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ১৮ দশমিক ১২ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এছাড়া সারাদেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ২ দশমিক ৬৮ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০ দশমিক ৬৭ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০ দশমিক ৬৭ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বুয়েটের সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুন নেওয়াজ, ড্রাইভার্স ট্রেনিং সেন্টারের চেয়ারম্যান নুর নবী শিমু, যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি, তাওহীদুল হক লিটন, যাত্রী কল্যাণ সমিতির যুগ্ম মহাসচিব এম মনিরুল হক প্রমুখ।
ভিন্ন প্রেক্ষাপটে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস
৫জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়। এবারে করোনা মহামারিতে ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২০ এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির এ বছরের স্লোগান হচ্ছে ইটস টাইম ফোর নেচার (সময় এখন প্রকৃতির)। জীববৈচিত্র্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে না পারার কারণে আমরা মানবজাতি বুঝে বা না বুঝে নিজেদের ক্ষতি নিজেরাই করছি সব থেকে বেশি। বিশ্বব্যাপী মহামারী কোভিড-১৯ মোকাবিলা ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বড় সংকটের বিষয়কে সামনে রেখে এবারের বিশ্ব পরিবেশ দিবস পরিবেশ বিজ্ঞানীদের জন্য নতুন আঙ্গিকে ভাবনার বিষয় হয়ে উঠবে। জলবায়ু, পরিবেশ এবং মানুষ একে অপরের সঙ্গে অতি নিবিড়ভাবে যুক্ত। প্রত্যেকটি জীব প্রজাতির মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত নিবিড় পারস্পরিক সম্পর্ক। মানুষ তার দৈনিন্দন জীবনের প্রায় সব কিছুই পায় পরিবেশ থেকে। আবার এই মানুষই তার প্রয়োজনে এবং অপ্রয়োজনে সব থেকে বেশি ক্ষতি করে পরিবেশের। মানুষ যতই আধুনিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত হচ্ছে, পরিবেশের উপরে ততই চাপ পড়ছে। ফলে বাড়ছে কল কারখানার কালো বিষাক্ত ধোঁয়া এবং বর্জ্য। বর্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য, বাসস্থান এবং অন্যান্য চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে বিলুপ্ত হচ্ছে বনাঞ্চল, নদী-নালা, খাল-বিল। সেই সঙ্গে বিলুপ্ত হচ্ছে এসব স্থানে বসবাস করা বিভিন্ন ধরণের ছোট বড় বন্যপ্রাণী। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচারের (আইইউসিএন) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী সারা বিশ্বে প্রায় ৩১ হাজার জীববৈচিত্র্য বিলুপ্তির হুমকিতে রয়েছে, যা মোট প্রজাতির শতকরা ২৭ ভাগ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের করণীয় কি হতে পারে এমন প্রশ্নের উত্তরে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) সাধারণ সম্পাদক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক সচিব প্রকৌশলী আব্দুস সোবহান বলেন, মানুষের জীবন ধারণের জন্য যা কিছু প্রয়োজন তার প্রায় সব কিছুই পরিবেশ থেকে সংগ্রহ করে। মানুষ তার নিজের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন বাঁচানোর তাগিদেই প্রকৃতি এবং পরিবেশকে রক্ষা করা প্রয়োজন। কারণ প্রকৃতি এবং জীববৈচিত্র ধ্বংস হলে মানুষের ধ্বংসও অনিবার্য। তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যতই উন্নয়ন করি, দালানকোঠা, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করি না কেন, তা হতে হবে প্রকৃতি এবং পরিবেশ রক্ষা করে। পরিবেশের ক্ষতি করে, বনাঞ্চল ধ্বংস করে জীববৈচিত্রকে হুমকির মুখে ফেলে কোনো উন্নয়ন করা যাবে না। এটা করলে মানুষ তার নিজের বিপদ নিজেরাই বয়ে আনবে।
নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি
৫জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় আক্রান্ত আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ১৪ দলের মুখপাত্র সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনীতি হয়েছে। গত রাতে ব্রেন স্টোক করার পর এখন তার অপারেশন চলছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদ নাসিমের ব্যক্তিগত সহকারি মীর মোশাররফ হোসেন। জানা গেছে, করোনায় আক্রান্ত মোহাম্মদ নাসিম রাজধানীর স্পেশাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রাতে হাসপাতালের আইসিইউতে তার ব্রেন স্ট্রোক করে। সিএমএইচ এর অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল। কিন্তু রোগীর অবস্থা খারাপ হওয়ায় নেয়া যায়নি। তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাজড হসপিটালেই অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. রাজিউল হকের নেতৃত্বে অপারেশন চলছে। এর আগে, গত সোমবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে মোহাম্মদ নাসিমের।
৫০ এমপিকে সংসদে যেতে মানা
৫জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজেট অধিবেশনকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নিরাপত্তায় আরোপ করা হচ্ছে বেশ কড়াকড়ি। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা থেকে অর্ধশতাধিক বয়স্ক সংসদ সদস্যকে নিষেধ করা হচ্ছে অধিবেশনে যোগ না দিতে। মূল অডিটরিয়ামে প্রধানমন্ত্রীসহ সংসদ সদস্যদের আসন বিন্যাসে আনা হচ্ছে পরিবর্তন। এছাড়া প্রতিদিনের পরিবর্তে একদিন পরপর অধিবেশন চালানোর পরিকল্পনা সংসদ সচিবালয়ের। ৩১ মে থেকে দেশে অফিস চালু হলেও সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছে স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপক কড়াকড়ি। এর মাঝেই বসছে একাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন। সংরক্ষিত ৫০ জনসহ সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে ৬০ জন সদস্য উপস্থিত হলেই পূরণ হয় কোরাম। সংবিধানের অক্ষুন্নতা রাখতে এর আগে গত ১৮ এপ্রিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাত্র এক দিনের জন্য বসেছিলো অধিবেশন। এবারও প্রধানমন্ত্রীর আশপাশের কয়েকটি চেয়ার রাখা হবে খালি। সংশ্লিষ্টদের মধ্যে করোনা ভাইরাস টেস্টে উর্ত্তীন কর্মকর্তারাই সুযোগ পাবেন তার সাথে কাজ করার।- somoynews.tv
প্রধানমন্ত্রীকে আরএসএফসহ পাঁচ সংগঠনের খোলা চিঠি
৪জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)-সহ দেশ-বিদেশের পাঁচটি সংগঠন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি খোলা চিঠি লিখেছে। এতে করোনাভাইরাস মহামারির সময় বাংলাদেশে সাংবাদিক সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য তিন দফা আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনগুলো। চিঠিতে স্বাক্ষরকারী অন্য চার সংগঠন হলো ফোরাম ফর ফ্রিডম এক্সপ্রেশন (মুক্ত প্রকাশ), আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), কার্টুনিস্ট রাইটস নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল (সিআরএনআই) এবং কার্টুনিস্ট ফর পিস (সিএফপি)। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর সংকটে সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতে কাজ করা একটি সংগঠনকে তহবিল প্রদানের সময় আপনি বলেছিলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। আপনি আরও বলেছিলেন, কেউ বলতে পারবে না আমরা কখনও কারও কণ্ঠরোধ করেছি; আমরা কখনও তা করিনি এবং কখনও তা করবো না। তবু এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, আপনার দাবির সঙ্গে তথ্য সাংঘর্ষিক। আপনার ওই বক্তব্যের পর আরএসএফ কর্তৃক প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ফ্রিডম ইনডেক্সে বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ অবনতি হয়েছে। ২০২০ সালের সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫১তম। আর গত কয়েক সপ্তাহে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা লঙ্ঘনের ঘটনায় আমরা আশঙ্কা করছি, আগামী বছরে বাংলাদেশের আরও অবনতি হতে পারে। শুধু মে মাসেই ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অন্তত ১৬ সাংবাদিক ও ব্লগারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে গত ৬ মে বাংলাদেশের সন্ত্রাস দমন সংস্থা Rapid Action Battalion (Rab)কর্তৃক গ্রেফতার হন কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর। তার একমাত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছিল লাইফ ইন টাইম অব করোনা শিরোনামে রাজনীতিকদের নিয়ে একটি কার্টুন সিরিজ প্রকাশ করা। তিনি এখনও কারাবন্দি এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা হতে পারে তার। এই আইনে গ্রেফতার হওয়া বেশিরভাগ সাংবাদিক শুধু এমন তথ্য প্রকাশ করেছেন, যা স্থানীয় রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে গেছে। বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি ছুটি শুরুর পর অন্তত ১৩ সাংবাদিক পরিকল্পিত সহিংসতার শিকার হয়েছেন। কয়েকটি ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তারা। গত ১ এপ্রিল শাহ সুলতান আহমদ নামের সাংবাদিককে লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়। মহামারিতে সরকারের পাঠানো জরুরি খাদ্য সহায়তা বিতরণে অনিয়মের খবর প্রকাশের কারণে স্থানীয় এক রাজনীতিক প্রতিশোধ নিতে মারধরের নির্দেশ দেওয়ায় ঘটনাটি আরও ভয়ংকর রূপ নেয়। আরএসএফের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মানবিক ত্রাণ বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত জেলা কর্মকর্তাদের দুর্নীতি অনুসন্ধানের কারণে আরও ছয় সাংবাদিক একই ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন। জাতিসংঘ এই সময়কে ভুল তথ্যের মহামারি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এমন সময়ে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা নাগরিকদের নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীনভাবে প্রতিবেদন তৈরিতে সামনে থেকে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের সহিংসতার শিকার হওয়া মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। সাংবাদিকোচিত স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং শারীরিক বা বিচারিক প্রতিহিংসার আতঙ্ক ছাড়াই যেন সাংবাদিকরা কাজ করতে পারেন তা নিশ্চিত করতে আপনার সরকারের কর্তব্য রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক পাঁচটি সংগঠন প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে কয়েকটি আহ্বান জানিয়েছে। * সাংবাদিকদের ওপর শারীরিক হামলা চালানো ব্যক্তিরা যেন বিচারহীন না থাকে সেজন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের পক্ষ থেকে তদন্তের নির্দেশ এবং প্রয়োজনে হামলাকারী ও উসকানিদাতাদের গ্রেফতার ও বিচার করা। * ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে সাংবাদিক, ব্লগার ও কার্টুনিস্টদের অবমাননাকর শাস্তির ধারা বাতিল করা। * সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার আইন সংস্কার করা, যাতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাকে ২০১৮ সালের ১৪ মে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হয়। এক্ষেত্রে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কার করা উচিত এবং সাংবাদিকদের সুরক্ষায় একটি খসড়া আইন প্রণয়ন করা দরকার। এসব লক্ষ্য অর্জনে সরকারের সঙ্গে সংলাপ শুরুর জন্য সংগঠনগুলো প্রস্তুত আছে বলে চিঠিতে জানানো হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর