শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
এসবি প্রধান হলেন মনিরুল ইসলাম
১৪,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান হয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম। রোববার (১৪ মার্চ) সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব ধঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) করে আদেশ জরি করা হয়েছে। মনিরুল ইসলাম এসবি প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মীর শহীদুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হলেন। ২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পুলিশের নবগঠিত কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম। মনিরুল ইসলামের জন্ম ১৯৭০ সালের ১৫ জুন। তিনি নর্থামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্রিটিশ আইনে স্নাতক। তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার মাধ্যমে এএসপি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি গোয়েন্দা শাখায় ৯ বছর এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চে দুই বছর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া তিনি সিটিটিসির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কর্মকর্তা। কর্মজীবনে স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ পদক ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পেয়েছেন।
অত্যাধুনিক মডেলের দুই প্লেন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১৪,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া অত্যাধুনিক ড্যাশ ৮-৪০০ মডেলের দুই প্লেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে 'আকাশতরী' ও 'শ্বেতবলাকা' নামে এই দুই প্লেন উদ্বোধন করেন তিনি। প্লেন দুটি উদ্বোধন করে বিমানের সেবা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্লেন দুটি উদ্বোধন উপলক্ষে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি ভবনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, মন্ত্রণালয়ের সচিব এম মোকাম্মেল হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোস্তফা কামালসহ মন্ত্রণালয় ও বিমানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ৭৪ আসন বিশিষ্ট প্লেন দুটি বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে ক্রয় করা ৩টি উড়োজাহাজের মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই এই উড়োজাহাজ দুটির নাম রাখেন আকাশতরী ও শ্বেতবলাকা। কানাডার বিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড নির্মিত অত্যাধুনিক ৭৪ আসন সম্বলিত নতুন ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজ। ড্যাশ-৮ বিমানটি খুব ছোট রানওয়ে থেকে উড্ডয়নে সক্ষম ও স্বল্প খরচে নিরবচ্ছিন্ন ও মসৃণ উড্ডয়নের জন্য বিখ্যাত। এই মডেলের বিমানগুলোতে কেবিন নয়েজ সাপ্রেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ও ৫ মার্চ বিমানের বহরে যুক্ত হয় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত সম্পূর্ণ ড্যাশ ৮-৪০০ মডেলের আকাশতরী ও শ্বেতবলাকা। এই দুটি যুক্ত হওয়ার ফলে বিমানের প্লেনের সংখ্যা দাঁড়ালো ২১টি। যা বাংলাদেশের কোনো এয়ারলাইন্সের মধ্যে সর্বোচ্চ।
মোদি বাংলাদেশে আসছেন এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১৩,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসছেন এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটা আমাদের জন্য বড় আনন্দের বিষয়। আজ শনিবার (১৩ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ পাঁচ দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান ঢাকা সফরে আসছেন। নরেন্দ্র মোদির সফরে তার সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সম্মত হওয়া আগের ইস্যুগুলোর অগ্রগতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথা বলতে পারেন। তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে সরাসরি যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মুহাম্মদ সলিহ, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে, নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারী ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং ঢাকায় আসার সম্মতি দিয়েছেন। সরাসরি যোগ দিতে না পারায় চীনের রাষ্ট্রপতি, ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী ভিডিও আকারে বক্তব্য পাঠাবেন। তবে চীনের রাষ্ট্রপতির বার্তা নিয়ে দেশটির একজন মন্ত্রী ঢাকায় আসবেন বলে তিনি জানান।
আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রেলের উন্নয়ন করতে চাই: রেলমন্ত্রী
১৩,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রেলের উন্নয়ন করতে চাই। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে লোকবল সংকট থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধি করা হচ্ছে। শনিবার (১৩ মার্চ) দুপুরে রাজশাহীর মনিবাজারে থাকা নানকিং দরবার হলে রেলওয়ে স্টেশনে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, সংস্কারসহ ওয়াশ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং পারস্পরিক শিখন বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। রেলপথ মন্ত্রী বলেন, রেলসেবা ত্বরান্বিত করতে খুব শিগগিরই ১০-১৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। রেল ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। বিগত সময়ে রেলসেবা ভেঙে পড়েছিল, তা থেকে আমরা কাটিয়ে উঠছি। মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল রেলওয়ে। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে রেল ব্যবস্থার সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালে তাকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে রেলের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পিছিয়ে পড়া রেলের ক্ষতি কাটিয়ে রেলওয়ে ব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করছেন। তিনি বলেন, রেলওয়েকে এগিয়ে নিতে সেকেলে চিন্তা-চেতনা পরিবর্তন করে নতুন নতুন চিন্তা-চেতনা যোগ করতে হবে। আমরা দেখতে চাই রেলওয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো যাত্রীর যেন অভিযোগ না থাকে। একইসঙ্গে যাত্রীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহারের চর্চা গড়ে তুলতে হবে। আমরা রেলকে একটি নিয়মতান্ত্রিক অবস্থায় আনতে এবং যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করার মাধ্যমে রেলের নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি করতে চাই। তিনি বলেন, রাজশাহী-আব্দুলপুর পর্যন্ত ডাবল লাইন এবং সমস্ত রেল ব্যবস্থাকে ব্রডগেজ লাইনে রূপান্তর করার কাজ চলছে। প্রতিটি জেলার সঙ্গে রেল লাইনের সংযোগ থাকবে। ঈশ্বরদী-জয়দেবপুর পর্যন্ত ডাবল লাইন করা হবে। মন্ত্রী বলেন, ওয়াটার এইডের সহায়তায় বাংলাদেশ রেলওয়ের উপযুক্ত স্থানে অন্তত তিনটি স্টেশনে ক্রমান্বয়ে তিনটি মানসম্পন্ন পাবলিক টয়লেট সংস্কার/নির্মাণ করা হবে। সবার জন্য পানি ও স্যানিটেশনের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণ, কাউকে বাদ দিয়ে নয় এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাবলিক টয়লেটগুলো যাত্রী, পথবাসী ও পথচারীদের স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানির চাহিদা মেটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। মহাপরিচালক ডি এন মজুমদারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী, মহাপরিচালক (পশ্চিম) মিহিরকান্তি গুহ, বাংলাদেশ ওয়াটার এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আতিকুর রহমান বক্তব্য রাখেন।
সন্ত্রাসমুক্ত বিশ্বের জন্য বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সংহতির আহ্বান: জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূত
১৩,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেছেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সন্ত্রাসবাদ একটি বড় হুমকি এবং এটি ২০৩০ উন্নয়ন এজেন্ডা অর্জনের ক্ষেত্রে অন্তরায়। যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমাদের প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সংহতি ও সব স্তরে একতাবদ্ধ প্রচেষ্টা। সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের বৈশ্বিক সন্ত্রাসদমন কৌশলের উচ্চ পর্যায়ের প্লেনারি সভায় তিনি একথা বলেন। শনিবার (১৩ মার্চ) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। রাবাব ফাতিমা আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের রয়েছে অটল রাষ্ট্রীয় নীতি। জাতিসংঘের বৈশ্বিক সন্ত্রাসদমন কৌশল বাস্তবায়নে কোভিড-১৯ এর প্রভাব বিষয়ক মহাসচিবের প্রতিবেদনটিকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। এক্ষেত্রে কোভিড-১৯ অতিমারির সময়ে সৃষ্ট ইনফোডেমিক, ঘৃণাত্মক বক্তব্য ও জাতিগত বিদ্বেষের মতো সন্ত্রাসবাদের নব্য ধারার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার ওপর জোর দেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘ সদস্য দেশসমূহের মধ্যে নিবিড় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সৃষ্টি ও পারস্পরিক আইনি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। জাতিসংঘের বৈশ্বিক সন্ত্রাস দমন কৌশলের বাস্তবায়ন এগিয়ে নিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধ ও নির্মূল করতে সদস্য দেশসমূহকে প্রয়োজনীয় সব প্রচেষ্টা গ্রহণ করা উচিত মর্মে উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া কৌশলটির বাস্তবায়নে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলো সক্ষমতা বিনির্মাণ ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে জাতিসংঘ থেকে যথোপযুক্ত সহায়তা পাবে। উল্লেখ্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সদস্য দেশসমূহকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তার লক্ষ্যে ২০০৬ সালে জাতিসংঘ বৈশ্বিক সন্ত্রাসদমন কৌশল গ্রহণ করে। বর্তমানে কৌশলটির ৭ম দ্বিবার্ষিক রিভিউ চলমান রয়েছে, যা ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে শেষ হবে।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান
১২,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সরকার। শুক্রবার (১২ মার্চ) বিকেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে মুজিবশতবর্ষ উদযাপন জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই ১০ দিন নানাভাবে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম তুলে ধরা হবে। এটি হবে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে। বিভিন্ন দেশের প্রধানগণ এতে অংশ নেবেন। এই আয়োজনের মূল থিম- মুজিব চিরন্তন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
৭৬ উপজেলায় কমিউনিটি ভিশন সেন্টার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১১,মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিব বর্ষে দেশের ২০ জেলার ৭৬ উপজেলায় কমিউনিটি ভিশন সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) সকাল সোয়া ১১টায় গণভবন থেকে এগুলোর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশ স্বাধীন করেছেন। এদেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সংগ্রাম করেছেন। জাতির পিতার অনেক স্বপ্ন ছিল এদেশ ও মানুষকে নিয়ে। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সময় পাননি তিনি। ৭৫ সালে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি তাকে সপরিবারে হত্যা করে। আমি ও ছোট বোন বিদেশে থাকায় বেঁচে যাই। সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান আমাকে ৫ বছর দেশে আসতে দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর জাতির পিতার সোনার বাংলা গঠনে হাত দেই। তখন সারাদেশে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করি। ফলে গ্রামের মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পায়। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসে ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দেয়। শেখ হাসিনা বলেন, এদেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, তারা আমার প্রতি আস্থা রেখে বারবার ক্ষমতায় এনেছে। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ শুরু করি। স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করি। কমিউনিটি ভিশন সেন্টার তারই একটি। কমিউনিটি ভিশন সেন্টারের মাধ্যমে চক্ষু সেবা সারাদেশে পৌঁছে যাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল উপজেলায় চালু করা হবে এই সেন্টার। কমিউনিটি ভিশন সেন্টারে অনলাইনে সেবা গ্রহণ করে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পাচ্ছে জনগণ। তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশকে কারো কাছে ভিক্ষা চাইতে হয় না। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। নিজেরা আত্মমর্যাদা নিয়ে চলতে পারে। অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যাগের ফলে দেশের প্রতিটি মানুষ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রামাঞ্চলেও চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যাগে কমিউনিটি ভিশন সেন্টার। এই সেন্টার দেশের মানুষের চোখের চিকিৎসায় বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, কমিউনিটি ভিশন সেন্টারের কার্যক্রম সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চাই। এজন্য জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন। এখন যাতে কেউ চিকিৎসার অভাবে অন্ধত্ব বরণ না করে, সেটা সরকার নিশ্চিত করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী ভালোবাসা দিচ্ছেন বলেই দেশের মানুষ আলো পাচ্ছে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান। বক্তব্য দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফা।
কুয়ালালামপুর হাইকমিশনে চালু হলো- বাংলা টাইগার ডিজিটাল
১১,মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন বাংলা টাইগার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসীদের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের নিজস্ব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম- বাংলা টাইগার ডিজিটাল তৈরি করা হয়। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশন এ তথ্য জানায়। বুধবার (১০ মার্চ) রাতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফী বিনতে শামস। পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের বিশাল অবদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রবাসীদের কল্যাণে বর্তমান সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করায় হাইকমিশনকে ধন্যবাদ জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মাশফী বিনতে শামস বলেন, এ প্ল্যাটফর্মটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার- ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জনসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ। হাইকমিশনের সময়োচিত উদ্যোগের ফলে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী উপকৃত হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন । হাই কমিশনার গোলাম সারওয়ার তার স্বাগত বক্তব্যে প্ল্যাটফর্মটির সংক্ষিপ্ত পটভূমি তুলে ধরে প্রবাসীদের সুবিধার্থে এটি ব্যবহারের পরামর্শ দেন। বাংলা টাইগার ডিজিটালে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান- ডটলাইনস হাইকমিশনের টেকনোলজি পার্টনার হিসেবে কাজ করছে। প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে প্রবাসীরা সহজেই পাসপোর্ট, বৈধকরণ, চাকরির আবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা পাবেন। এজন্য সেবাপ্রার্থীদের কোনো অর্থ ব্যয় করতে হবে না। এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলা টাইগার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্মিত অডিও-ভিজ্যুয়ালও প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন হাই কমিশনের উপ-হাইকমিশনার ও মিনিস্টার মো. খোরশেদ এ খাস্তগির। অনুষ্ঠান শেষে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব)-এর সাংবাদিকদের সঙ্গে হাই কমিশনার এ বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন বিদেশে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল মিশন হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে গেলো। হাইকমিশন ভবিষ্যতে মোবাইল ফোন, স্বাস্থ্যসেবা, রেমিটেন্সের মতো নতুন নতুন সেবা যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। এ উদ্যোগটি হাইকমিশনের সেবা কার্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
টিকা নিলেন রাষ্ট্রপতি
১০,মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার টিকা নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। বুধবার বিকেলে বঙ্গভবনে তিনি করোনা টিকার প্রথম ডোজ নেন। রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ৪ মার্চ বিকেলে গণভবনে টিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা টিকা নেন। প্রসঙ্গত, গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে করোনার গণটিকাদান শুরু করে সরকার। প্রত্যেককে টিকার দুটি ডোজ নিতে হবে। দেশে এখন প্রথম ডোজের টিকার প্রয়োগ চলছে। দুই মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ইতিমধ্যে ৪০ লাখের বেশি মানুষ টিকা নিয়েছেন। করোনা প্রতিরোধে ৪০ বছরের উপরের বয়সী সবাইকে টিকা নিতে আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

জাতীয় পাতার আরো খবর