কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ৬টা নাগাদ বাংলাদেশের খুলনা ও সাতক্ষীরাসহ উপকূলীয় এলাকাসমূহে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এনামুল হক বলেন,ঘূর্ণিঝড়টি এখন আগের চেয়ে আরো বেশি শক্তিসঞ্চয় করে সামনের দিকে এগিয়ে আসছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আমাদের সার্বক্ষণিক আপডেট দিচ্ছে। মন্ত্রণালয়ে মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামীকাল শুক্রবার দেশব্যাপী মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে দোয়া ও প্রার্থনা করার আহ্বান জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণী ও অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার থেকে পাঁচ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। প্রতিমন্ত্রী বলেন,সিপিপির (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) হেডকোয়ার্টার এবং উপকূলীয় ১৯টি জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। এসব জেলার উপজেলা পর্যায়েও নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে। রেডক্রিসেন্টের নিয়ন্ত্রণকক্ষও খোলা হয়েছে। উপকূলীয় আর্মি স্টেশনগুলোতেও ঢাকা থেকে বার্তা পাঠানো হয়েছে। তারা প্রস্তুতি রেখেছে। সিপিপির ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে বার্তা পাঠানো হয়েছে। তাঁরা প্রস্তুত আছেন। স্বেচ্ছাসেবকরা এরই মধ্যে মাইকিং করে প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করেছেন। মানুষের অন্ন, বস্ত্র ও চিকিৎসার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এসব জেলার প্রশাসকদের কাছে ২০০ মেট্রিকটন চাল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে পাঁচ লাখ করে টাকাও দেওয়া হয়েছে। ৪১ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। স্যালাইনের জন্য সুপেয় পানির ট্রাক পাঠানো হয়েছে।
ফণীর আপডেট জানতে হটলাইন ১০৯০
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড়ের যে কোনো খবর জানতে ১০৯০ নম্বরে ফোন করলে সব ধরনের আপডেট পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। শুক্রবার (৩ মে) সকাল ১০টা থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে মন্ত্রণালয়টি। ফণীর আশঙ্কায় দেশের ৪ হাজার ৮০০ টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রকে প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও ৪১ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, প্রতি জেলা প্রশাসনে ৫ লাখ করে টাকা, ২শ টন করে চাল সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগামীকাল শুক্রবার (৩ মে) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে খুলনা সাতক্ষীরা অঞ্চলে ফণী আঘাত হানতে পারে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশে থাকাকালীন এর গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার। তাই ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তুলনামূলক কম। ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণহানির আশঙ্কা নেই বলে আশা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তবে, ঘরবাড়ি, ফসলসহ বিভিন্ন ধরনের সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও, ফণীর সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় কন্ট্রোল রুম খুলেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম নম্বর হলো ৮০১/ক এবং এর টেলিফোন নম্বর ০২-৯৫৪৬০৭২।
দোয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণীর কবল থেকে দেশবাসীকে যেন মহান আল্লাহ তায়ালা রক্ষা করেন সেজন্য শুক্রবার (৩ মে) জুমার নামাজের পর দোয়া ও মোনাজাতের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমনন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড় ফণীর বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানার কথা রয়েছে, এই অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় থেকে আল্লাহ যেন দেশবাসীকে রক্ষা করেন, সেজন্য বাদজুমা সারা দেশের মসজিদে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৩টার দিকে প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ফণী বাংলাদেশ উপকূল থেকে ৭শ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। বর্তমানে এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে ধাবিত হচ্ছে, যদি এভাবে অগ্রসর হতে থাকে তাহলে পশ্চিমবঙ্গে আঘাত করার প্যাটার্ন দুর্বল হয়ে যাবে।
৪০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ফণী,সতর্কতা জারি
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধীরে এগিয়ে এলেও ফণী বেশ শক্তিশালী হয়ে গেছে। এখন তার গতি বেড়ে গেছে। তাই ফণী ৪ মের আগেও বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশে আছড়ে পড়ার আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশা রাজ্যের উপকূলে আঘাত করতে পারে। তাই কিছুটা দুর্বল অবস্থায় ফণী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকার দিকে আসবে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ এক সপ্তাহ আগে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। নাম হয় ফণী। এ কারণে পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ভারতের দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ফণী আগামীকাল শুক্রবার ভারতের ওডিশা রাজ্য উপকূলে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আছড়ে পড়ার সময় ঘণ্টায় প্রায় ২০৫ কিলোমিটার গতি থাকবে এই ঘূর্ণিঝড়ের। গত চার দশকেরও (৪৩ বছর) বেশি সময়, অর্থাৎ ১৯৭৬ সালের পর ভারত মহাসাগরে এত শক্তিশালী ঝড়ের মুখোমুখি হয়নি দেশটি। ঘূর্ণিঝড় ফণী বর্তমানে তামিলনাড়ুর বিশাখাপট্টনমের পূর্ব উপকূল থেকে ৬০০ কিলোমিটার ও পুরী থেকে ৮০০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। ১৯৭৬ সালের (গত ৪৩ বছরে) পর এখন পর্যন্ত এপ্রিলে বঙ্গোপসাগরে যত ঘূর্ণিঝড় হয়েছে, তার কোনোটি কখনই এত শক্তিশালী আকার ধারণ করেনি। ঘূর্ণিঝড় ফণীর বিষয়ে সতর্কতা জারি করে রেখেছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর। ওডিশায় এরই মধ্যে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও অন্ধ্র প্রদেশের উত্তর উপকূল দিয়েও বয়ে যেতে পারে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী। এ ঘূর্ণিঝড়কে সামাল দিতে এরই মধ্যে অন্ধ্র প্রদেশ, ওডিশা, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের জন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ১ হাজার ৮৬ কোটি রুপি আগাম বরাদ্দ দিয়েছে। কাল দুপুরে ঘণ্টায় ১৭৫ থেকে ২০৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইবে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ। ভারতের আবহাওয়া বিভাগের ঘূর্ণিঝড়সংক্রান্ত তথ্য দেখা গেছে, ১৯৬৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে ৪৬টি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হয়েছে। এর মধ্য ২৮টি হয়েছে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্য। সাতটি ছিল মে মাসে। দুটি ছিল এপ্রিলে। এ দুটি ঘূর্ণিঝড় ১৯৬৬ ও ১৯৭৬ সালের এপ্রিলের মধ্যে হয়েছে। ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার গতির ঝড় হলে তা শক্তিশালী ঝড় এবং ২২১ কিলোমিটার গতির হলে সুপার সাইক্লোনিক স্টর্ম বলে। প্রবল ঝড়ের সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতও চলবে এই ফণীর কারণে। ভারতীয় কোস্টগার্ড, নৌবাহিনীর জাহাজ ও হেলিকপ্টার সাহায্যের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যরাও প্রস্তুত। পাশাপাশি ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স ৪১ টিমকেও প্রস্তুত রেখেছে। পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে আরও ১৩ টিম এবং অন্ধ্র প্রদেশের রয়েছে ১০ টিম। ফণী আজ বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর, উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। স্বল্প সময়ের নোটিশে তারা যাতে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে, সে জন্য সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বাতাসে ১৭০ কি.মি. বেগ তুলে এগুচ্ছে ফণী, সব নৌ চলাচল বন্ধ
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী এখন মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। কেন্দ্রের চারপাশে বাতাসে ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার বেগ তুলে এটি এখন এগুচ্ছে বাংলাদেশের উপকূলে। তবে কখনও কখনও এই বেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আগামীকাল সন্ধ্যায় এই ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। এটি ক্রমে উপকূলের দিয়ে ধেয়ে আসায় প্রতিকূল আবহাওয়ার শঙ্কায় সারা দেশে সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ)। একইসঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় বিআইডাব্লিউটিএ-এর সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। নৌ-পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন,পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত দেশের সকল রুটে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। এদিকে ফণী বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসায় সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মোংলা, পায়রায় ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রামে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে আগের মতই ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশের নদী বন্দরগুলোতে ১ নম্বর বিপদ সংকেত দেওয়া হয়েছে, যা পরে বাড়ানো হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আফতাব উদ্দীন জানিয়েছেন। অতি প্রবল এ ঘূর্ণিঝড় ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার বেগের বাতাসের শক্তি নিয়ে শুক্রবার ভারতের পুরীর কাছে গোপালপুর ও চাঁদবালির মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এরপর সন্ধ্যার দিকে ফণী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে পৌঁছাতে পারে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে। বাংলাদেশে এখনও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব তেমন একটা দেখা না গেলেও শুক্রবার সকাল থেকেই ঝড়ের অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চলে দেখা যেতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি এখন চট্টগ্রাম থেকে ১০৬৫ কিলোমিটার, পায়রা থেকে ৯২৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১০২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা, রংপুর হয়ে দিনাজপুরের দিকে যেতে পারে। সেইসঙ্গে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম উপকূলেও আঘাত হানতে পারে।
ফণীর চাপে আবহাওয়া ওয়েবসাইট ডাউন!
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাইটে সবাই একযোগে প্রবেশ করায় ওয়েবসাইটটি ডাউন হয়ে গেছে। এছাড়া ইন্টারনেট সংযোগও নেই সেখানে। বৃহস্পতিবার (২ মে) সকাল থেকেই আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাইটে প্রবেশের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছিল। দুপুরের কিছু আগে থেকে ওয়েবসাইটটি একেবারে ডাউন হয়ে যায়। অ্যাড্রেস সার্চ দিলে লেখা উঠছে- This site cant be reached। বাংলাদেশের আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য দেয়া একমাত্র সরকারি সংস্থা আবহাওয়া অধিদফতর। সাধারণ মানুষ আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাইট (www.bmd.gov.bd) থেকে তথ্য জেনে থাকে। বৃহস্পতিবার সকালে পায়রা ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর ও চট্টগ্রাম বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। শুক্রবার (৩ মে) বিকেলের দিকে ভারতের ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করে সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে ফণী। এ অবস্থায় বিপুল সংখ্যক মানুষ আবহাওয়ার তথ্য জানতে একযোগে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে সাইট ডাউন হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন এক আবহাওয়াবিদ। আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক মো. সামছুদ্দিন আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমাদের ওয়েবসাইট ডাউন হয়ে গেছে। একসঙ্গে বেশি হিট হওয়ার কারণে এমনটা হয়েছে। ঠিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সাইটটি ঠিক হতে ৪ ঘণ্টার মতো লাগবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের ইন্টারনেটও নেই। তাই ডাটা ডাউনলোড করা যাচ্ছে না। কেন ইন্টারনেট নেই, সেটা বিটিসিএল বলতে পারবে। আমরা তাদেরকে সমস্যার কথা জানিয়েছি। দুপুর থেকে ১০৯০ নম্বরে ফোন করেও আবহাওয়ার সংবাদ শোনা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিচালক। সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, এই প্রেক্ষাপটে আমরা নিজেরাও অসহায় হয়ে গেছি।
ফণীর আশঙ্কায় ১৯ জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, ৫৬ হাজার কর্মী প্রস্তুত
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম ঘূর্ণিঝড় ফণী আগামীকাল শুক্রবার দেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এ বিষয়ে বার বার পূর্বাভাস দিয়ে সতর্ক করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বলছে,অতি শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি। মন্ত্রণালয় থেকে ১৯টি উপকূলীয় জেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে সেখানে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে আবার সভা হবার কথা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,ঘূর্ণিঝড় ফণী সাগর থেকে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। এটি এরইমধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে এই ঘূর্ণিঝড় খুলনা ও তৎসংলগ্ন জেলার পূর্বাঞ্চলের প্রভাব ফেলতে পারে। সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলাগুলোতে আঘাত হানতে পারে। অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দীন আহমেদ জানান, ফণী শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। তাই ৪ মের আগেও বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। এদিকে ঝড়ের আশঙ্কায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর ও চট্টগ্রাম বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদসংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, ফণীর এখনকার গতিবেগ এবং পথ যদি ঠিক থাকে, তবে ভারতের ওডিশা, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে আমাদের খুলনা, সাতক্ষীরা ও মোংলায় আঘাত করবে শনিবার সকালে। এটি যশোর হয়ে দিনাজপুর পর্যন্ত প্রবাহিত হবে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়টি এখন চট্টগ্রাম থেকে ১০৬৫ কিলোমিটার, পায়রা থেকে ৯২৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১০২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
বিএনপির পরিণতির জন্য তারাই দায়ী: প্রধানমন্ত্রী
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির রাজনৈতিক দুরাবস্থার জন্য দলটির নেতারাই দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বিএনপির পরিণতির জন্য তারাই দায়ী। গত নির্বাচনে তারা তিনশ আসনে ছয়শর বেশি দলীয় প্রার্থী দিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে সেন্ট্রাল লন্ডনের একটি অভিজাত হোটেলে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সংসদে সত্যিকারের শক্তিশালী বিরোধী দল চেয়েছিলাম। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিএনপি নিজেদের কারণেই শোচনীয় পরাজয় বরণ করেছে। তারা মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে। জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে- এতে আমাদের কী করার আছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী দলের নেতাদের মুজিববর্ষ পালনে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। প্রবাসী বাংলাদেশি প্রজন্মের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন ও আদর্শ পৌঁছে দিতেও প্রবাসী নেতাদের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার বিকাল ৩টা ৫৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভিভিআইপি ফ্লাইট। এ সময় বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকের নেতৃত্বে এ সময় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। ১০ দিনের সরকারি সফরে বুধবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন সরকারপ্রধান। এই সফরে লন্ডনে ছোট বোন শেখ রেহানার পরিবারের সঙ্গেও সময় কাটাবেন শেখ হাসিনা। শেখ রেহানার মেয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এমপি টিউলিপ সিদ্দিক গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয় সন্তানের মা হয়েছেন। নাতির সঙ্গে এবারই প্রথম দেখা হবে নানি শেখ হাসিনার। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম প্রমুখ।-আলোকিত বাংলাদেশ
মোংলা-পায়রায় ৭, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত
০২ মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণি ক্রমে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠায় সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে সাত নম্বর বিপদ সংকেত, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ছয় নম্বর ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২ মে) সকালে আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-২৮) জানানো হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় -ফণি সামান্য উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ সকাল ০৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১০২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৯২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত ও উত্তর/উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল (০৩ মে) বিকেল নাগাদ ভারতের উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করতে পারে এবং পরবর্তীতে উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে হয়ে ০৩ মে সন্ধ্যা নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগড়ব বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এলাকায় পৌঁছাতে পারে। খুলনা ও তৎসংলগড়ব বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ০৩ মে সকাল নাগাদ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণি এর অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব শুরু হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিঃ মিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ০৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০৭ (সাত) নম্বর পুনঃ ০৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ০৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ০৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল নিমড়বাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা সমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৯০-১১০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর