শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
সিটি কর্পোরেশন হবে দুর্নীতিমুক্ত ও আস্থার প্রতিষ্ঠান: তাপস
১৮মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, নগর ভবন হবে নগরবাসীর আস্থার প্রতিষ্ঠান। এটি হবে দুর্নীতিমুক্ত। কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং সততার সাথে সেবার ব্রত নিয়ে স্ব স্ব দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনকে একটি দুর্নীতিমুক্ত, গর্বের, আস্থার এবং মর্যাদাশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। রোববার (১৭ মে) কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে মেয়র এসব কথা বলেন। কোনরূপ দুর্নীতি এবং দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না উল্লেখ করে ফজলে নূর তাপস বলেন, এ ধরনের কোন কিছু নজরে আসার সাথে সাথেই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং যত বড় কর্মকর্তাই হোক কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। এজন্য যদি কাউকে বিদায় দিতে হয় তাতেও পিছপা হবো না। সভার শুরুতেই তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জেলখানায় নিহত জাতীয় ৪ নেতাসহ ১৫ আগষ্টে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। নগর ভবনস্থ মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ মত বিনিময় সভায় সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো. ইমদাদুল হকও বক্তৃতা করেন। মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সরকারের বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম আইন, নীতিমালা ও বিধিমালা অনুসরণ করা হবে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে এটি যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশনা দেন। তিনি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন কর্মকর্তারা আন্তরিকভাবে সততার সাথে সেবার মনোভাব নিয়ে নগরবাসীর সেবাদানে এগিয়ে আসবেন বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীর বিচার হয়েছে : ওবায়দুল কাদের
১৮মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে বাংলাদেশে এসেছিলেন বলেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে জাতি কলংকমুক্ত হয়েছে। আজ রোববার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লী সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি আয়োজিত বিভিন্ন সংগঠনের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এই ত্রাণ সামগ্রী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার জন্যই বাংলাদেশ আজ বিশ্ব মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ফিরে এসেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার ও জাতি কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার করে জাতিকে পাপমুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময়ের দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত বাংলাদেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করে সেই দেশকে আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলেছে। তার নেতৃত্বে বিশ্বসভায় বিশেষ মর্যাদায় আজ বাংলাদেশ আসীন। কাদের বলেন, করোনা সংকটের শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কার্যকরি পদক্ষেপ নিয়েছেন বলেই বাংলাদেশে এখনো বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এই সংক্রমণ থেকে কিছুটা ভালো অবস্থানে আছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈশ্বিক মহামারী করোনা সংকটের ক্রান্তিলগ্নে জনগণের জীবন ও জীবিকা নিশ্চিত করতে দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ভিডিও কনফারেন্সে ধানমন্ডি প্রান্তে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য একেএম রহমতুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও এসএম কামাল হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এবং উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মাঝে চিকিৎসা সরঞ্জাম ও খাদ্য সামগ্রি বিতরণ করা হয়।
বসুন্ধরা করোনা হাসপাতালে সাংবাদিকদের জন্য ২০০ শয্যা বরাদ্দের প্রস্তাব সায়েম সোবহান আনভীরের
১৮মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য স্থাপিত ২০১৩ শয্যাবিশিষ্ট আইসোলেশন ইউনিটে সাংবাদিকদের জন্য কমপক্ষে ২০০ শয্যা বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা বাইরে কাজ করছে। এই হাসপাতালে কমপক্ষে তাদের জন্য ২০০টি শয্যা বরাদ্দ করা উচিত। আজ রবিবার বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহানকে নিয়ে ফিতা কেটে ২০১৩ শয্যার হাসপাতালটি উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সেখানে সায়েম সোবহান আনভীর এ প্রস্তাব দেন। এ সময় বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহানও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, কভিড-১৯ বিপর্যয় শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং সরকারের যত দিন ব্যবহারের প্রয়োজন শেষ না হবে তত দিন বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে আইসিসিবিকে ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছে। বসুন্ধরার কাছ থেকে আইসিসিবি'র সকল স্থাপনা বুঝে নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপ দিতে গত ১২ এপ্রিল কাজ শুরু করে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর (এইচইডি)। জনবল নিয়োগসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ চিকিৎসাসেবার জন্য খুলে দেয়া হলো হাসপাতালটি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক এবং নিউজ টুয়েন্টিফোর ও রেডিও ক্যাপিটালের সিইও নঈম নিজাম, দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বসুন্ধরা গ্রুপের গণমাধ্যম উপদেষ্টা আবু তৈয়ব, বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. সাজ্জাদ হায়দার ও আইসিসিবি'র প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান, ডেইলি সান সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এর সম্পাদক জুয়েল মাজহার, আইসিসিবি হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. এহসানুল হক, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ওসমান সরোয়ার প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ দেশের অন্যতম বড় শিল্পগোষ্ঠী। দেশের এই দুর্যোগে গ্রুপটি দেশ ও মানুষের সেবায় এগিয়ে এসেছে। তাদের অন্যতম বড় স্থাপনা ছেড়ে দিয়েছে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল নির্মাণে। এছাড়া সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। ২০১৩ শয্যার এই আইসোলেশন সেন্টারটি দেশের সবচেয়ে বড় আইসোলেশন সেন্টার। এছাড়া এখানে অক্সিজেন, ভেন্টিলেশনসহ ৭১ বেডের আইসিইউ প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। প্রয়োজন হলেই রোগীকে আইসিইউ সেবা দেওয়া যাবে। এত বড় একটি হাসপাতাল করার সুযোগ করে দেওয়ায় বসুন্ধরা গ্রুপকে ধন্যবাদ। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে পর্যায়ক্রমে জনবল নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রথমে ৫০০ রোগীর চিকিৎসার জন্য জনবল নিয়োগ করা হয়েছে। রোগীর উপর ভিত্তি করে পরে আরও ৫০০ রোগীর জন্য জনবল নিয়োগ করা হবে। এভাবে ধাপে ধাপে বাকি শয্যাগুলোর জন্য জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান বলেন, আমরা সুষ্ঠুভাবে হাসপাতালটি করতে পেরেছি এটা বড় আনন্দের। এজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই যে, উনি আমাদের হাসপাতাল তৈরির প্রস্তাবটি গ্রহণ করেছেন। আমরা যতটুকু সম্ভব ততটুকু করেছি, এখন হাসপাতালটি যাতে ঠিকভাবে পরিচালিত হয়, রোগীরা যাতে কাঙ্ক্ষিত সেবা পায় এজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানাই। এজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি। দেশ এখন কঠিন সময় পার করছে। সবার প্রতি আমার অনুরোধ আমরা যেন এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলায় যার যার জায়গা থেকে এগিয়ে আসি। তিনি করোনাকালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকদের জন্য হাসপাতালে ২০০ টি বেড বরাদ্দ রাখার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। উল্লেখ্য, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা দিতে সরকারকে আইসিসিবিতে ৫ হাজার শয্যার একটি সমন্বিত অস্থায়ী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি দিলে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল পরিদর্শন করে হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। নানা হিসাব-নিকাশ শেষে সেখানে ২ হাজার ১৩ শয্যার হাসপাতাল ও ৭১ শয্যার আইসিইউ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। আইসিসিবির সুবিশাল চারটি কনভেনশন হল ও একটি এক্সপো ট্রেড সেন্টারে দেশের অন্যতম বৃহৎ এ হাসপাতালটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করে সরকারের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর।- বিডি প্রতিদিন
ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ১৯ মে আঘাত হানতে পারে, প্রস্তুত সরকার
১৮মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৯ মে দিবাগত রাতে ঘূর্ণিঝড়- আম্ফান বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানতে পারে জানিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে। রবিবার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আবহাওয়া অধিদফতরের পর্যালোচনা অনুযায়ী যদি ঘূর্ণিঝড় আম্ফান তার গতি ও দিক পরিবর্তন না করে তাহলে আগামী ১৯ মে দিবাগত রাতে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাসমূহে আঘাত হানতে পারে। তিনি বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আশ্রয় কেন্দ্রসমূহে যেন মানুষজনকে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা যায়, সে লক্ষ্যে এবার আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপকূলীয় জেলার জেলা প্রশাসকদের ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকালে যাতে খাবারের অভাব না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার এবং গোখাদ্যের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনে আরও বরাদ্দ দেয়া হবে। দুর্যোগকালীন বিদ্যুৎ না থাকলে তার বিকল্প ব্যবস্থা করে রাখার জন্য জেলা প্রশাসনদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি ও করণীয় বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সিনিয়র সচিব এবং উপকূলীয় জেলার জেলা প্রশাসকদের সাথে অনলাইনে সভা করেন। এদিকে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত আম্ফান প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ফলে ঝড়ো হাওয়া আকারে এটি সর্বোচ্চ ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এটি কার্যত এখনও একই এলাকায় রয়েছে।
গণমাধ্যমকর্মী ছাঁটাই বন্ধ ও বেতন-ভাতা পরিশোধের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
১১মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ গণমাধ্যমকর্মীদের চাকুরিচ্যুতি বন্ধ ও তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে প্রতিষ্ঠান কর্ণধারদের আহ্বান জানিয়েছেন । তিনি আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ব্রাকের সহায়তায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের নমুনা সংগ্রহ বুথ উদ্বোধনকালে এ আহ্বান জানান। করোনা দুর্যোগ পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি, কিছু মিডিয়া হাউজে চাকুরিচ্যুতি ঘটেছে, অনেকের বেতন দেয়া হয়নি উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন সংবাদপত্র, টেলিভিশন, অনলাইন কর্ণধারদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাই, মহামারীর এই দুঃসময়ে দয়া করে কাউকে চাকুরিচ্যুত করবেন না এবং যাদের বেতন বাকি আছে, তা দিয়ে দিন। হাছান মহমুদ বলেন, কারো অপরাধ থাকলেও, শাস্তি দেয়ার সময় এটি নয়। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা হয়তো বলবেন- সমস্যা আছে, কিন্তু আমি বলবো, আগে সমস্যা ছিলো না এবং কয়েক মাস পরেও সমস্যা থাকবে না। সাংবাদিকদের বেতন-ভাতা যাতে ঠিকমতো হয়, সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে অনেকগুলো পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ক্রোড়পত্রের বিল দেয়ার ব্যবস্থা করছি আমরা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ৫৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, তাদের সংস্থা থেকে গণমাধ্যমের যত বিল বাকি আছে, সেগুলো পরিশোধের জন্য। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকেও একটি তাগিদপত্র দেয়া হচ্ছে। এসব বিলের পরিমাণ শত শত কোটি টাকা। মালিকপক্ষ নিশ্চয়ই যোগাযোগ রাখছেন এবং তারা সহসাই বিল পাবেন। ইতোপূর্বে কখনো এধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, এরূপ চিঠিও দেয়া হয়নি। এখন দেয়া হয়েছে, যাতে গণমাধ্যম, বিশেষত: সংবাদপত্রে কারো বেতন-ভাতা বকেয়া না থকে সেজন্য। ড. হাছান বলেন, আমি সবসময় মন্ত্রী ছিলাম না কিন্তু সাংবাদিকদের সাথে ছিলাম। এখন আমার দায়িত্ব আপনাদের সাথে থাকা, আমি আছি। যখন মন্ত্রী থাকবো না, তখনও আপনাদের সাথে থাকবো। সাংবাদিকদের বিপদে আপদে সাহায্য করা ও কল্যাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমিও সবসময় আপনাদের সাথে রয়েছি। মন্ত্রী করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে চিকিৎসক-নার্স, পুলিশ, সেনাবাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী ও দায়িত্বপালনরত সকলকে অভিনন্দন জানান। সম্প্রতি প্রয়াত তিন সাংবাদিকের আত্মার শান্তি ও করোনায় আক্রান্ত প্রায় একশ সাংবাদিকের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীরা জীবনটাকে হাতের মুঠোয় নিয়ে যেমন সম্মুখভাগে কাজ করছে, তেমনি গুজব নিরসনেও সোচ্চার ভূমিকা রাখছে, তাদের জন্য অভিনন্দন। বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্ব করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ড. হাছান বলেন, মানবজাতি আজ এক মহা চ্যালেঞ্জের মুখে। হাছান বলেন,ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য যে প্রস্তুতি প্রয়োজন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের উন্নত-সমৃদ্ধ দেশগুলোসহ কারোই তা ছিলো না। আমরা লিপ্ত ছিলাম একে অপরের সাথে অস্ত্রের প্রতিযোগিতায়। অথচ, ১৮ বছর দীর্ঘ মার্কিন-ভিয়েতনাম যুদ্ধে ৫৬ হাজারের মতো মার্কিন সেনা নিহত হয়েছিল, সেখানে দু মাসেই করোনায় এপর্যন্ত পৌনে এক লাখের বেশি মার্কিনী প্রাণ হারিয়েছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন,ভবিষ্যতেও যুদ্ধ-বিগ্রহ নয়, এধরনের মহামারীতেই লোকক্ষয়ের সম্ভাবনা বেশি বলে আমি মনে করি, আর তা মোকাবেলার জন্য গবেষণা ও সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। ডিআরইউ সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও গবেষণা) ও কোভিড-১৯ রেসপন্স প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা: ইকবাল কবীর, আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ সভাপতি সাইদুর রহমান সাইদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ আজগর নস্কর, ডিআরইউর সহসভাপতি নজরুল কবীর, কল্যাণ সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ, দৈনিক বর্তমানের প্রধান প্রতিবেদক মোতাহার হোসেন, আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ কেন্দ্রীয় সদস্য শফিউল আলম শফিক প্রমুখ। স্বাস্থ্য অধিদফতর ও আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের পক্ষ থেকে দেয়া স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী ডিআরইউ নেতৃবৃন্দের হাতে তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী।
চট্টগ্রামে মহিউদ্দীন চৌধুরীর চশমা হিলের ভবনসহ নগরীর ৮ ভবন লকডাউন
১১মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীতে নতুন করে ১১ জন করোনা রোগী শনাক্তের ঘটনায় প্রয়াত মেয়র বিএবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর নগরীর চশমা হিলের ভবনসহ বিভিন্ন এলাকার ৮টি ভবন লকডাউন করে দিয়েছে প্রশাসন। নগরীর ৮ ভবন লকডাউন করার বিষয়ে আজ দুপুরে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের বিশেষ শাখার (সিটিএসবি) উপ-কমিশনার আব্দুল ওয়ারিশ। তিনি জানান, প্রয়াত মেয়র এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর ছোট ছেলে বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ায় নগরীর চশমা হিলে তাদের ভবনটিও লকডাউন করে দেওয়া হয়। সোমবার ভোররাতে সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে নগর পুলিশের বিশেষ শাখার (সিটিএসবি) একটি দল ৮টি ভবন লকডাউন করেন। এখন থেকে লকডাউন হওয়া ৮টি ভবন সিটিএসবির হেফাজতে থাকবে নিশ্চিত করে সিটিএসবির উপ-কমিশনার বলেন, ভবনগুলো থেকে আগামি ১৪ দিন কেউ বাইরে যেতে পারবে না। আবার কেউ ভবনগুলোতে প্রবেশও করতে পারবে না। ভবনের বাসিন্দাদের কিছু প্রয়োজন হলে প্রশাসন তা দেখভাল করবেন। মহিউদ্দিনের জামাতা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আক্তার চৌধুরী বলেছেন, ‘সালেহীন স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে কিছুদিন ঢাকায় ছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পর গত বৃহস্পতিবার তার জ্বর আসে। নমুনা পরীক্ষার জন্য বিআইটিআইডিতে পাঠালে সেখান থেকে ১০ মে রাতে পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে। তাকে আপাতত বাসায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এখন জ্বর নেই। উপসর্গ বেশি দেখা না গেলে বাসায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত, মৃত ১১
১১মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ ক্রমাগত বাড়ছেই। গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে করোনায় মারা গেছেন ১১ জন। এ নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৩৯ জনে। এদিন সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছে ১০৩৪ জন। করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে সোমবার (১১ মে) এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত ডিসেম্বরে চীনের উহানে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হলেও তা মূলত প্রকাশ্যে আসে জানুয়ারিতে। ফেব্রুয়ারিতে চীনে যখন এটি ভয়াবহ রূপ নেয়, তখন ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতে। সবাই প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয়া শুরু করে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও বিদেশ ফেরতদের ক্ষেত্রে স্ক্রিনিংসহ নানা পদক্ষেপ নেয়। তবে এত কিছুর পরও ৮ মার্চ দেশে প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম ভাইরাসটির সংক্রমণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এরপর ক্রমেই বাড়তে থাকে এর প্রাদুর্ভাব। এপ্রিলে এসে ভাইরাসটি যেন মারাত্মক রূপ ধারণ করে। যার ফলশ্রুতিতে মৃতের সংখ্যা পেরিয়ে যায় দুই’শ। বিশ্বের অন্যান্য দেশ যখন এর করাল গ্রাসে দিশেহারা তখন অনেকটাই যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছিল চীন। অনেকদিন ধরে সেখানে মৃত্যুর তথ্যও পাওয়া যায়নি। এছাড়া ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল উহানে সংক্রমণের ঘটনা ঘটেনি অনেকদিন। কিন্তু রোববার (১০ মে) সেখানে আবার নতুন করে ভাইরাসটিতে সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া ভাইরাস দমনে অনেকটাই সফল জার্মানি লকডাউন শিথিল করে বিপাকে পড়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত লকডাউন শিথিল করার পর থেকে সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে। এরপর থেকে বারবার ঘুরে ঘুরে বিশেষজ্ঞদের সতর্ক বাণী সামনে আসছে। তারা বলেছিলেন, ভাইরাসের ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক যতদিন বাজারে না আসবে ততদিন লকডাউনই একমাত্র ভরাস। এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী এ ভাইরাসটিতে সংক্রণের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে ৪১ লাখ ৮১ হাজার ২১৮ জনের শরীরে। এছাড়া এতে মারা গেছেন ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৭ জনের শরীরে। ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯২ জন।
কালবৈশাখী ঝড়ের পূর্বাভাস
১১মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের বেশকিছু অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। এছাড়া দুই-এক জায়গায় হানা দিতে পারে কালবৈশাখী ঝড়। সোমবার (১১ মে) এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, কুমিল্লাসহ রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, ঢাকা ও সিলেট বরিশাল বিভাগের দু এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কিশোরগঞ্জ, সন্দ্বীপ, সীতাকুণ্ড, রাঙ্গামাটি, ফেনী, হাতিয়া, রাজশাহী এবং পাবনা অঞ্চলসহ খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গা ২০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৪৬ হাজার গ্রাম পুলিশকে ৬ কোটি টাকা প্রণোদনা
১১মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের ৪৬ হাজার গ্রাম পুলিশকে ছয় কোটি টাকা প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। গ্রাম পুলিশের প্রত্যেক সদস্য ১৩০০ টাকা করে এই প্রণোদনা পাবেন। আজ সোমবার (১১ মে) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রণোদনার অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব তানভীর আজম সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত বরাদ্দপত্র এরইমধ্যে জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্রমতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের চার হাজার ৫৬৯টি ইউনিয়র পরিষদের অধীনে ৪৬ হাজার গ্রাম পুলিশ বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। গ্রামবাসীকে সচেনতামূলক মাইকিং করা, কেউ অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি কাজে সহযোগিতা করেন এসব সদস্য। এজন্য জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এসব গ্রাম পুলিশকে ১৩০০ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম নিউজ একাত্তরকে বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। এছাড়া সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। তৃণমূলের সবচেয়ে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারী গ্রাম পুলিশ। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরাও অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এসব গ্রাম পুলিশের মানবিক দিক বিবেচনায় বিশেষ এ প্রণোদনা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর