শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
ভোলার জনগণ কোনদিন বঙ্গবন্ধুর খুনির লাশ গ্রহণ করবে না
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজএকাত্তরডটকম:ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করা হোক। পাশাপাশি তার নিজ জেলা ভোলার মাটিতে এ ঘাতকের লাশ দাফন বন্ধের দাবিও জানান তিনি। বিকেলে লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। শাওন আরো বলেন, ভোলার ২৫ লক্ষ জনগণ কোনদিন এই লাশ গ্রহণ করবে না। এমনকি দেশের কোন জেলার মানুষও যদি এর লাশ গ্রহণ না করে তাহলে খুনি মাজেদের লাশ প্রয়োজনে সাগরে ভাসিয়ে দেয়ার কথাও বলেন তিনি। এ সময় উপস্থিতি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক দেওয়ান, লালামোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক ফখরুল আলম হাওলাদারসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।
ত্রাণ চুরির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজএকাত্তরডটকম:করোনার মহামারির মধ্যে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য দেয়া ত্রাণের চাল চুরির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে একটি আদেশও জারি করা হয়েছে। এদিকে শনিবার রাজধানীর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ত্রাণ বিতরণে জনপ্রিতিনিধি বা অন্য কেউ অনিয়ম করলে বরখাস্ত ও ফৌজদারি মামলাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু করে অদ্যাবদি সারাদেশে তিন হাজার বস্তার বেশি ত্রাণের চাল চুরি ও বিক্রির খবর পাওয়া গেছে। এরসঙ্গে জড়িত অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যারা প্রায় সবাই সরকারি দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতা। তাজুল ইসলাম স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সমূহের জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, করোনাভাইরাস জনিত কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতি করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে এ সংক্রান্ত জিও তথা অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশও করোনা ভাইরাসজনিত প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলা করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক আমরা সবাই একযোগে কাজ করছি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আমি আশা করি। এদিকে স্থানীয় সরকার বিভাগ হতে জারিকৃত অফিস আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের কারণে শহর ও গ্রামে বিপুলসংখ্যক মানুষের আয়-রোজগারের পথ বদ্ধ হয়ে পড়েছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সকল ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্য সহায়তা হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/ দপ্তর/সংস্থা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ নিজস্ব অর্থায়নে ত্রাণ কার্যক্রম যেমন-চাল, নগদ অর্থ, শিশু খাদ্য ও অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা/অনুশাসনের আলোকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের জনপ্রতিনিধি এবং কর্মকর্তা/কর্মচারীরা তৃণমূল পর্যায়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কাজে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছেন। কিন্তু বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জানা যায় যে, কোথাও কোথাও জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম/দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন। এদের বরখাস্তকরণ, তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলাসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মেজবাহ উদ্দিন
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বরবারই সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত মেজবাহ উদ্দিন তিনি অফিসার্স ক্লাবে কর্মরত ও এর আশে পাশের এলাকার দুস্থদের মাঝে ক্লাবের ফান্ড এবং নিজস্ব অর্থায়নে খাবার বিতরণ করেন। এর বাইরে প্রতিদিন ঢাকার অসহায় দরিদ্র প্রায় ২০০/৩০০ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন মেজবাহ উদ্দিন। এসময় তাদের মাঝে খাবার-দাবাড়, চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণসহ নগদ টাকা প্রদান করেন তিনি। এছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে করোনার লক্ষণ দেখা গেছে বা অসুস্থ এমন ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছেন তিনি। বিশেষ করে ক্লাবের প্রতিটি সদস্যের মোবাইলে এসএমএস করে তিনি জানিয়ে রেখেছেন এ সংক্রান্ত যে কোনো সেবায় তিনি প্রস্তুত রয়েছেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মেজবাহ উদ্দিন নিউজ একাত্তরকে জানান, আসলে এগুলো বলার কিছু নেই। সবারই উচিত যার যার অবস্থান থেকে ভালো কিছু করার চেষ্টা করা। আমরাও করছি। সবার প্রতি অনুরোধ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে আসুন সবাই ঘরে থাকি। একেবারে জরুরি না হলে একদমই ঘরের বাইরে না যাই। জয় আমাদের হবেই ইনশাআল্লাহ। উল্লেখ্য জনহিতকর কাজ ও সবার সঙ্গে মিশে যাওয়ার অদ্ভুত ক্ষমতার কারণে মেজবাহ উদ্দিন সবার কাছেই তুমুল জনপ্রিয়। তিনি গত জানুয়ারির শেষ দিকে সরকারী কর্মকর্তাদের প্রতিনিধিত্বকারী সর্ববৃহৎ সংগঠন অফিসার্স ক্লাব ঢাকার নির্বাচনে বিপুল ভোটে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে জনসেবামূলক কাজ, সাংস্কৃতিক পৃষ্ঠপোষকতাসহ নানা ক্ষেত্রে জড়িত থাকায় সবার সঙ্গেই তার হৃদ্যতা। বর্তমানে তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগে অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) হিসেবে কর্মরত। বিসিএস ১১ ব্যাচের এই কর্মকর্তা এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রির সাবেক পিএস, খুলনার জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম এর জেলা প্রশাসক হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ডিসি হিসাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে পুরস্কৃত হন মেজবাহ উদ্দিন তার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই সততা ও নিষ্ঠার জন্য প্রশংসিত হয়ে আসছেন। কর্মক্ষেত্রে সততা এবং দক্ষতার জন্য একাধিকবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ পর্যায় থেকে পেয়েছেন নানা স্বীকৃতি।
নিরাপত্তা বাড়াতে পুলিশকে নির্দেশ
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনার ছুটিতে বন্ধ অফিস-আদালত। নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সব বিপণীতে তালা। ছুটিতে যারা গ্রামে গেছেন, তালা ঝুলছে তাদের দুয়ারেও। মানুষও বের হচ্ছে না পথে। সুমসাম শহরে বাড়তে পারে চুরি-এমন আশঙ্কা থেকেই সারা দেশে আরও নিরাপত্তা বাড়াতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক অধিশাখা-২ থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শককে এ বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটিতে থাকবে সারা দেশ। দীর্ঘ এই সময়টায় ঢাকাসহ সারা দেশে গুরুত্বপূর্ণ অফিস-আদালত, দোকানপাট ও অনেক বাসা-বাড়িতে কেউ থাকবে না। তাই নিরাপত্তা বাড়ানোর প্রয়োজন আছে বলে মনে করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।ঢাকাটাইমস। সিনিয়র সহকারী প্রধান এইচ এম মনিরুজ্জামানের সই করা চিঠিতে বলা হয়, ১০ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে দেশব্যাপী করোনাভাইরাস মোকাবেলায় এবং বিস্তার রোধে অধিকতর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসাবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দেশের অফিস-আদালত, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট, বিভিন্ন ধরনের বিপণিবিতানসহ সকল গার্মেন্টস, কারখানা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ছুটিকালীন সময়ে অনেকেই ঢাকা মহানগরীসহ বিভিন্ন মেট্রোপলিটন শহর জেলা ও উপজেলা এলাকার আবাসিক বাড়িঘর তালাবদ্ধ রেখে গ্রামের বাড়িতে গমন করেছেন। ফলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বিপনী বিতান, শপিং মল, ব্যাংক, এটিএম বুথ, স্বর্ণের দোকান, ওষুধের দোকান, আবাসিক এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নজরদারি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। চিঠিতে আরো বলা হয়, এমতাবস্থায় দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল মেট্রোপলিটন, শহর, বিভাগ, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।
জনপ্রিতিনিধির বিরুদ্ধে ত্রাণ আত্মসাতের অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ত্রাণ আত্মসাৎকারীদের কঠোরভাবে দমন করতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, আমি অবাক হয়ে যাই কারা এসব মানুষ, যারা এই দুর্যোগের সময়ের অসহায় মানুষের ত্রাণ আত্মসাৎ করার কথা চিন্তা করে। এদেরকে মানুষ বলা যায় না। মানুষ রূপি জানোয়ার এদের প্রতি আমি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করি নিন্দা জানাই। আজ শনিবার দুপুরে এক ভিডিও বার্তায় প্রশাসনের প্রতি হানিফ এই আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি, এই দুর্যোগময় সময়ে অসহায় মানুষদের জন্য দেয়া ত্রাণ নিয়ে কিছু আত্মসাতের অভিযোগ উঠছে। আমি অবাক হয়ে যাই, কারা এইসব মানুষ? যারা এই সময়ও এই অসহায় মানুষের ত্রাণ আত্মসাত করতে পারে? মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, আমি প্রশাসনকে অনুরোধ করবো, আপনাদের উপজেলা পর্য্যায়ের সকল কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিন। এই ত্রাণ যাতে কেউ আত্মসাত করতে না পারে, এবং সে ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নিন। যদি কোন ব্যক্তি বা জনপ্রিতিনিধির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে ত্রাণ আত্মসাতের, তাহলে তাৎক্ষণিক ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। তিনি বলেন, আমরা এই অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্ধকৃত ত্রাণ জালিয়াতি আমরা বরদাস্ত করবো না। আমরা কঠোর ভাবে এটা দমন করতে চাই। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল দেশবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই দুর্যোগ মোকাবেলা করতে সক্ষম হব। মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বারবার সতর্ক করে দেওয়ার পরেও আমাদের কিছু মানুষের ভুলে সমগ্র দেশে আস্তে আস্তে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী দেশের জনগণকে ঘরে থাকার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল কিন্তু কিছু সংখ্যক মানুষের অসচেতনতার কারণেই এই লকডাউন পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। আর ফলে করোনাভাইরাস ধীরে ধীরে ছড়িয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আবারো সকলের প্রতি অনুরোধ করবো, সকলেই ঘরে থাকুন। নিজে বাঁচুন অন্যকে বাঁচতে দিন। এই দূর্যোগকালীন সময়ে যে সমস্ত ব্যক্তি বা সংগঠন বিশেষ করে ফ্রন্টলাইন এর সোলজার হিসেবে যারা কাজ করছেন চিকিৎসক নার্স ওয়ার্ড বয় প্যাথলজিস্টসহ আমাদের সেনাবাহিনী পুলিশ বাহিনী তারা চরম ঝুঁকি নিয়ে এই দুর্যোগ মোকাবেলা করে যাচ্ছেন তাদের সকলের প্রতি দেশবাসীর পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।
ঝুঁকি নিয়ে জনগণের কাছে সঠিক সংবাদ পৌঁছানোর জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক ও কর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করা ও বকেয়াসহ বেতন ভাতাদি পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন । তিনি আজ দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই আহ্বান জানান। তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার এই বৈশ্বিক দুর্যোগের সময় সংবাদকর্মীরা অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। টেলিভিশন সাংবাদিকদের বিভিন্ন জায়গায় ছুটে বেড়াতে হচ্ছে। তারা এ কাজটি শুরু থেকেই অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে কয়েকজন সংবাদকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অনেক সংবাদকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে। সুতরাং তারা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে। এই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে কিভাবে তাদের কি ধরনের সহায়তা করা যায়, স্বাস্থ্যসুরক্ষা দেয়া যায়- সেবিষয়ে আজ আলোচনা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা এবং জনগণের কাছে সঠিক সংবাদ পৌঁছানোর জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে গুজবের বিরুদ্ধে মূলধারার মিডিয়াগুলো, টেলিভিশন ও পত্রিকা যে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছে এজন্যও তাদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।বাসস। অনেক টেলিভিশন চ্যানেল বেতন-ভাতা দেয়নি বলে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার জানিয়েছে উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ এই পরিস্থিতিতে কোন কারণে অসুবিধা হলেও তাদের বেতন-ভাতা এবং একইসঙ্গে বকেয়া পরিশোধের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট চ্যানেলগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে অনুরোধ জানান। ড. হাছান আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কিভাবে সংবাদকর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা দেয়া যায় এবং আজকে যে ঝুঁকির মধ্যে তারা কাজ করছেন এটার ক্ষেত্রেও কি করা যায় সেগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি। ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সভাপতি রেজওয়ানুল হক রাজার নেতৃত্বে সেন্টার সচিব শাকিল আহমেদ এবং সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, নজরুল কবীর ও শাহনাজ শারমিন বৈঠকে অংশ নেন।
ছুটি বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন,গণমাধ্যম এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা মোকাবেলায় আবারো বাড়ানো হয়েছে সরকারি ছুটির মেয়াদ। সাধারণ ছুটি ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে শনিবার (১১ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পাঁচটি নির্দেশনা পালনের শর্তে আগামী ১৫ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সন্ধ্যা ৬টার পর কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা কোন সময় পর্যন্ত বলবৎ থাকবে তা প্রজ্ঞাপনে ছিল না। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জরুরি পরিষেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না জানিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানি, সংবাদপত্র, খাদ্য, শিল্প-পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে। জরুরি প্রয়োজনেও অফিস খোলা রাখা যাবে। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে সংবাদপত্র বাদ দিয়ে সেখানে গণমাধ্যম (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস রোধে দেশজুড়ে চলমান গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করেছে সরকার। শনিবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা আবু নাছেরের সই করা একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানা গেছে। সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সময়ে পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাইরে বের হওয়াও নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তবে জরুরি পরিষেবাসমূহ, খাদ্যদ্রব্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জ্বালানি, ঔষধ, ঔষধশিল্প ও চিকিৎসা বিষয়ক সামগ্রী পরিবহন, কৃষিপণ্য, সার ও কীটনাশক, মৎস্য এবং প্রাণীসম্পদ খাতের দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, শিশুখাদ্য, জীবনধারণের মৌলিক উপাদান উৎপাদন ও পরিবহন, গণমাধ্যম ও ত্রাণবাহী পরিবহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না বলেও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ জানিয়েছে। এদিকে করোনাভাইরাসের প্রকোপ মোকাবেলায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ে পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাইরে বের হওয়াও নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
কেন্দ্রীয় কারাগারে রাতেই কার্যকর হতে পারে বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসি
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি আব্দুল মাজেদের ফাঁসির রায় রাতেই কার্যকর হতে যাচ্ছে। এ জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির মঞ্চ। সূত্র জানায়, মাজেদের ফাঁসি কার্যকর হলে এটিই হবে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রথম ফাঁসি। কারাগার সূত্র জানায়, এরইমধ্যে মঞ্চটি ধোয়া-মোছার কাজ শেষ হয়েছে। সম্পন্ন প্রস্তুত রয়েছে ফাঁসি কার্যকরের জন্য। প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়েছে জল্লাদেরও। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে ফাঁসি কার্যকরের সময় পেলে মহড়া করা হবে। গতকাল মাজেদের সঙ্গে স্ত্রী সালেহা বেগমসহ তার পরিবারের পাঁচ সদস্য দেখা করেছেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর