শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় যেতে জাতিসংঘের সুপারিশ পেল বাংলাদেশ
২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উন্নীত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছে। জাতিসংঘের এ সংক্রান্ত পাঁচ দিনব্যাপী এক বৈঠক শেষে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে এলডিসি স্ট্যাটাস পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ, নেপাল ও লাওসকে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উত্তরণের সুপারিশ করা হয়। পাঁচ দিনব্যাপী বৈঠকে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সূচক পর্যালোচনা করা হয়। বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণে সব ধরনের সূচকের অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এখন ১ হাজার ৮২৭ মার্কিন ডলার। তবে কোনো দেশ উন্নয়নশীল দেশ হতে হলে জাতিসংঘের মান অনুযায়ী মাথাপিছু আয় ১ হাজার ২৩০ মার্কিন ডলার হতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। অন্যদিকে, মানবসম্পদ সূচকেও এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। মানবসম্পদ সূচকে প্রয়োজন ৬৬ পয়েন্ট। আর বাংলাদেশের রয়েছে ৭৫ দশমিক ৩ পয়েন্ট। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে। এসব অগ্রগতি পর্যালোচনা শেষে বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণে চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে জাতিসংঘ।
পরিবর্তন হচ্ছে তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম
২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। নতুন নাম হচ্ছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) জাহানারা পারভীন বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলমান আছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছি। তবে কী কারণে নাম পরিবর্তন হচ্ছে তা জানাতে তিনি রাজি হননি। মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় যে কাজ করে নামে এর পুরো প্রতিফলন নেই। তথ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যপরিধিতে তথ্য ছাড়াও একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট গণমাধ্যমের সংক্রান্ত কার্যাবলী। তাই নামে সম্প্রচার শব্দটি যুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও বিধি অনুবিভাগ) সোলতান আহমদ বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের সামারি (সার-সংক্ষেপ) আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী এতে অনুমোদন দিলে নাম পরিবর্তের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পরিসংখ্যানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: রাষ্ট্রপতি
২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পরিসংখ্যানের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিসংখ্যানই কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়নের পূর্বশর্ত। অর্থনৈতিক, জনমিতিক, সামাজিক সব ক্ষেত্রে পরিমাণগত ও গুণগত পরিমাপে পরিসংখ্যানের ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, দেশকে উন্নয়নশীল থেকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রতিটি সেক্টরে নির্ভুল ও সময়ানুগ পরিসংখ্যানের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এ প্রেক্ষাপটে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস এর প্রতিপাদ্য নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান, টেকসই উন্নয়নের উপাদান যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি। রাষ্ট্রপতি বলেন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা হিসেবে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহে বিবিএস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়নে পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ ও এ সংক্রান্ত জাতীয় কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। এর ফলে সর্বক্ষেত্রে দাফতরিক পরিসংখ্যান হিসেবে বিবিএসের তথ্য-উপাত্ত ব্যবহারের বাধ্যবাধকতায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি), রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১, ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ এবং অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়নে বিবিএসের বস্তুনিষ্ঠ ও সময়োচিত পদক্ষেপ সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে বলে আমার বিশ্বাস। তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি, জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালনের মধ্য দিয়ে দেশের সব খাতে পরিসংখ্যানের প্রয়োগ বৃদ্ধি পাবে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক হবে। জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উদযাপন সফল হোক- এ কামনা করি।
অভিজিৎ স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন
২৬,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করছে প্রগতিশীল সংগঠনগুলো। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটের পাশে যেখানে ২০১৫ সালের এদিনে হামলার শিকার হয়েছিলেন সেখানেই এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। ডিজিটাল ব্যানারে বসানো হয়েছে অভিজিৎ রায়ের ছবি। শ্রদ্ধার ফুল দিয়ে লেখা হয়েছে অভিজিৎ স্মরণ। গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে লাগানো ব্যানারে লেখা হয়েছে অভিজিৎ রায়রা হারলে হারবে বাংলাদেশ। শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন অভিজিতের ভাই অনুজিৎ রায়। এসময় তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, দেরিতে হলেও আমার ভাই হত্যার রায়টা হয়েছে। আমি চাই রায়টা যাতে অবিলম্বে কার্যকর হয়। শুধু রায় কার্যকর করাটা যথেষ্ট না, আমি মনে করি পুলিশ প্রশাসনের দায়িত্ব আরো বেড়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি তাদের যেন গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়। না হলে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে আমাদের পরিবারের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। মূল যারা হোতা তাদের যেন দ্রুত গ্রেফতার করা হয় এবং রায় কার্যকর করা হয়। সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট মিছিল সহকারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল কাদেরী জয়, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন প্রিন্স।
কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করবে বাংলাদেশ ও জাপান
২৫,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও জাপান। এছাড়া বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ও জাপানের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে এ সহযোগিতা চাওয়া হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। জাপানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ভাইস মিনিস্টার হিরোশি সুজুকি। বৈঠক শেষে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বাংলাদেশ ও জাপান কৌশলগত অংশীদারিত্ব বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গামী ২০২২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দু দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের প্রথম বৈঠক ২০১৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৮ সালে দ্বিতীয় বৈঠক হয় টোকিওতে। এবার তৃতীয়বারের মতো বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। করোনা পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এবারের বৈঠক হয় ভার্চ্যুয়ালি।
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে মেরিন গ্রাজুয়েটদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
২৫,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সততা, দক্ষতা ও কর্তব্যনিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে মেরিন গ্রাজুয়েটদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ক্যাডেটরা আজ নতুন জীবনে পদার্পণ করবেন, সততা, দক্ষতা ও কর্তব্যনিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যাতে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়। তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করেছি। শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামস্থ বাংলাদেশ মেরিন একডেমিতে ৫৫ ব্যাচের ক্যাডেটদের মুজিবর্ষ গ্রাজুয়েশন প্যারেডে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন। তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী পাসিং আউট ক্যাডেটদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সমুদ্রচারণ বিষয়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং, খুব কঠিন একটা দায়িত্ব। কিন্তু দায়িত্বটা পালন করার মত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তোমরা কর্মক্ষেত্রে যোগ দেবে। তিনি বলেন, জাতির পিতা হাতেগড়া এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় মুমূর্ষু আবস্থায় তাঁর সরকার পেয়েছিল। কাজেই, তা উন্নত করবার জন্য ব্যাপক কর্মসূচিও তাঁর সরকার বাস্তবায়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি-সরকারি ৫টি ও বেসরকারি ৬টিসহ সমুদ্র-বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী, আমরা আরও চারটি মেরিন একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছি। যা এবছরেই চালু হচ্ছে। তিনি বলেন, তাঁর সরকার জাহাজ চলাচলে উচ্চতর শিক্ষার প্রবর্তনের জন্য ২০১৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করেছে। দায়িত্ব গ্রহনের পর ছেলে-মেয়েদের জন্য শিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর আওতায়, তোমাদের বিদ্যমান তিন বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অব মেরিটাইম সাইন্স পাস ডিগ্রি কোর্সকে, চার বছর মেয়াদী অনার্স কোর্সে উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রবর্তন করা হয়েছে মাস্টার অব মেরিটাইম সায়েন্স ডিগ্রী কোর্স। শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বেও সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে সর্বোচ্চ শিক্ষাটা গ্রহণ করা দরকার, সেভাবেই প্রশিক্ষিতও হবে হবে। তাই, সে সুযোগটা আমরা সৃষ্টি করে দিচ্ছি। বিগত ১০ বছরে এই একাডেমির শিক্ষাদান ট্র্যাডিশনাল থেকে ডিজিটালে রূপান্তরিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য মার্চেন্ট নেভি ট্রেনিং বোর্ডের স্বীকৃতিসহ অর্জিত হয়েছে নানাবিধ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তিনি বলেন, একাডেমির নটিক্যাল প্রশিক্ষণকে উন্নততর করার লক্ষ্যে, ২০১৯ সনে একাডেমিতে স্থাপন করা হয়েছে নেভিগেশন সিমুলেটর। পাশাপাশি, এবছরই উন্নততর মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রশিক্ষণের স্বার্থে চলমান রয়েছে ইঞ্জিন কন্ট্রোল সিমুলেটর স্থাপনের প্রক্রিয়া। অর্থাৎ এই একাডেমিকে পুর্ণাঙ্গ রূপ আমরা দিতে যাচ্ছি যাতে আমাদের ক্যাডেটরা দেশে এবং বিদেশে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিয়ে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী ৫৫ ব্যাচের ক্যাডেটদের মনমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। অনুষ্ঠান থেকে তাঁকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানানো হয়। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানে পাসিং আউট ক্যাডেটদের মাঝে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণ পদক এবং বাংলাদেশ শিপিং করের্পারেশন পদক প্রদান করেন। চিফ ক্যাডেট ক্যাপ্টেন আবির মোহাম্মদ সালমান নূর সার্বিক বিবেচনায় সফল চৌকষ ক্যাডেট হিসবে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক লাভ করেন। অনুষ্ঠানে ক্যাডেটদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রতিষ্ঠানের কমান্ড্যান্ট মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ড. সাজ্জাদ হুসেইন। এবারের ৫৫ ব্যাচে ১৯২জনসহ এই মেরিন একাডেমি থেকে এ পর্যন্ত পাসিং আউট ক্যাডেটের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে।
পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের এক যুগ : রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
২৫,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদরদফতরে সংগঠিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ১২ বছর পালিত হচ্ছে বৃহস্পতিবার। ২০০৯ সালের এই দিনে হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ প্রাণ হারান মোট ৭৪ জন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাদের সামরিক সচিবরা বৃহস্পতিবার সকালে বনানীর সামরিক কবরস্থানে নিহত সেনা সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। আইএসপিআর জানায়, রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমেদ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার এডমিরাল এম আবু আশরাফ, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ সাফিনুল ইসলাম বনানীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। নিহতদের বিদেহী আত্মার শান্তির জন্য বিজিবি কেন্দ্রীয় মসজিদ, ঢাকা সেক্টর মসজিদ এবং পিলখানার বর্ডার গার্ড হাসপাতাল মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিজিবির কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, শহীদদের আত্মীয়স্বজন, পিলখানায় কর্মরত সকল কর্মকর্তা দোয়া ও মিলাদে যোগ দেবেন। ২০০৯ সালে বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সপ্তাহ চলাকালে ২৫ ফেব্রুয়ারি সশস্ত্র বিদ্রোহ করেন বাহিনীর কয়েক শ সদস্য। তাদের হাতে পিলখানা সদরদফতরে নিহত হন ৫৭ জন সেনাকর্মর্তাসহ ৭৪ জন। পরে সরকারের সাথে বিদ্রোহীদের আলোচনা শেষে পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি অস্ত্র, গুলি ও গ্রেনেড জমাদানের মধ্য দিয়ে বিদ্রোহের সমাপ্তি হয়। ঘটনার জেরে আধা সামরিক বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) নাম বদলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রাখা হয়। হত্যা, লুটপাট ও বিদ্রোহের এ ঘটনায় মোট ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে হত্যার এক মামলায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ৪২৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ২৭৭ জনকে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ২৬২ জনকে তিন মাস থেকে ১৯ বছর করে কারাদণ্ড এবং বিএনপির প্রয়াত নেতা নাসিরুদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীনহ ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্যদিকে বিদ্রোহের জন্য দায়ের করা ৫৭ মামলায় বিডিআরের মোট পাঁচ হাজার ৯২৬ জন সদস্যের বিভিন্ন মেয়াদে (চার মাস থেকে সাত বছর) কারাদণ্ড দেয়া হয়। ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি বহুল আলোচিত পিলখানা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। রায় প্রদানকারী তিন বিচারপতির স্বাক্ষরের পর ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার এ রায়টি প্রকাশ করা হয়। রায়ের দৈর্ঘ্য এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যার দিক থেকে এটিই বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ রায়। সূত্র : ইউএনবি
বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ নিতে চায় ভুটান
২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট আমদানি করার আগ্রহ ব্যক্ত করেছে ভুটান। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সঙ্গে ওয়েবিনারে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন বাংলাদেশে ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েনতসি। ভুটানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ রপ্তানির ব্যাপারে মন্ত্রী সম্ভাব্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সাক্ষাতে তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়াদি বিশেষ করে ইন্টারনেটসহ টেলিযোগাযোগ ক্ষেত্রে কারিগরি ও বাণিজ্যিক বিষয়াদি নিয়ে আলোকপাত করেন। ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েনতসি বলেন, বাংলাদেশ ভুটানের পরিক্ষিত বন্ধুই নয়, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। বাংলাদেশ ভুটানের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের একটি বড় উৎস। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার বন্ধুপ্রতীম সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ভুটানের সহযোগিতা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশ হিসেবে ভুটানের ভূমিকা তুলে ধরেন এবং ভুটানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের ভূপ্রকৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং জীবনধারা প্রায় এক ও অভিন্ন। দেশের ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে পৃথিবীর যে কয়টি দেশ এগিয়ে বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বিশ্বে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সংযোগ পৌঁছে দিয়েছি। দেশের প্রতিটি গ্রামে সংযোগ পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিয়েছি। ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ বাংলাদেশ এখন রপ্তানি করছে। রাষ্ট্রদূত ভুটান ও বাংলাদেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আগামী দিনগুলোতে অনন্য এক উচ্চতায় উপনীত করতে তার প্রচেষ্টার কথা ব্যক্ত করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর