বরিশালে নির্মিত হবে দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র : প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, আমরা ২৪শ মেগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছি রূপপুরে। আমরা ইতোমধ্যে বরিশাল বিভাগের কয়েকটি দ্বীপ সার্ভে করেছি। আমার ভবিষ্যত পরিকল্পনা রয়েছে বরিশালের এই দ্বীপগুলোর একটিকে বেছে নিয়ে ভবিষ্যতে আরেকটি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমরা করবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (বিএসএমসি) সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারী বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সরকার প্রধান বলেন, বরিশালসহ সারাদেশে তাঁর সরকার একশ টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে। ভোলা থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে বরিশালে যেন গ্যাস আসে তার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে। এই অঞ্চলে কিছু শিল্পাঞ্চল গড়ে ওঠা একান্তভাবেই প্রয়োজন এবং আমরা সেভাবেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ সময় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বক্তৃতা করেন। আর স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালিক গণভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ-র শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তাঁর সরকারে গবেষণায় প্রণোদনা দানের ফলে দেশীয় বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যেই লবণাক্ততা সহিষ্ণু ধান বীজ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলমগ্ন ধান উৎপাদনেরও আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি, আর আমাদের গোপালগঞ্জের ধাপের ওপর করা সবজির চাষ বা ফ্লোটিং চাষ পদ্ধতি আমরা এ অঞ্চলসহ সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছি। এক সময় শস্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত বরিশালে যেন আবার সুদিনে ফিরতে পারে, সেজন্যও আমরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছি। জনগণের দোড়গোড়ায় সব ধরনের সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাঁর সরকার ব্যাপক কর্মসূটি বাস্তবায়ন করে যচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণের সাথে সাথে তাদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা-দীক্ষা সব দিক থেকে মানুষ যেন আরো উন্নত হয়, সমৃদ্ধশালী হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবং যার উন্নয়নের ছোঁয়াটা দেশের মানুষ পাচ্ছে। জিনিসপত্রের দামও আমরা নিয়ন্ত্রণে রেখেছি, তেমনি মানুষের মাথাপিছু আয়ও আমরা বৃদ্ধি করেছি। সরকার প্রধান বলেন, নদীগুলো ড্রেজিং করে নৌপথগুলোকে আমরা পুনরায় চালু করছি। তার ফলে অল্প খরছে ব্যবসা-বাণিজ্যেও আরো সম্প্রসারণ হতে পারবে। যোগাযোাগের ক্ষেত্রে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে। বরিশালসহ পুরো দক্ষিণ জনপদটিই তাঁর সরকারের শাসনামলে আর অবহেলিত নয় স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি পায়রা সমুদ্র বন্দরের কথা উল্লেখ করে বলেন, ভবিষ্যতে ওটা গভীর সমুদ্রবন্দরে রুপান্তরিত হবে এবং ইতোমধ্যেই সেখানে ১৩শ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ এক হাজার বেডের করা সহ সরকারের অন্যান্য পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাশাপাশি আমাদের একটা পরিকল্পনা রয়েছে- প্রত্যেক বিভাগে আমরা একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করবো। ইতোমধ্যে ৪টি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আমরা করেছি। এ অঞ্চলেও করবো। তবে, একটি কথা আমি স্পষ্ট বলে দেই- কোন মেডিকেল কলেজকে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তর করবো না। বিশ্ববিদ্যালয় হবে সম্পূর্ণ আলাদা। আর বিশ্ববিদ্যালয় হবে গবেষণামূলক, বিশ্ববিদ্যালয়ে হবে পোষ্ট গ্রাজুয়েশন। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেবল পোষ্ট গ্রাজুয়েশন এবং গবেষণা থাকবে এবং সেখানে শুধু নার্সিং ট্রেনিয়ের ব্যবস্থাটা থাকবে, এটা সম্পূর্ণ আলাদাভাবে করবো। সকল মেডিকেল কলেজগুলো সেখানকার স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এফিলিয়েটেড থাকবে. যোগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, তাঁর দেশের মানুষ যেন সেবা পায় সেজন্য তাঁর সরকার ইতোমধ্যেই ডাক্তার এবং নার্স একের পর এক নিয়োগ দিয়ে চললেও দু:খজনক যে আমাদের উপজেলাগুলোতে ডাক্তার থাকছেনা। তিনি বলেন, জনসংখ্যার ভিত্তিতে জেলা এবং উপজেলা হাসপাতালগুলোতে তাঁর সরকার শয্যা এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করে দিলেও বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় অপারেশন থিয়েটার পড়ে আছে কিন্তু অপারেশনের জন্য, সার্জন, এনেসথেসিষ্ট, নার্স কেউ নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শুধু প্রতিষ্ঠান করে যাব আর সেগুলি অবহেলিত থাকবে, এটা কিন্তু হতে পারে না। মানুষের সেবা দেওয়াটা প্রত্যেকের দায়িত্ব আমি আশা করি এই সেবাটা প্রত্যেক মানুষই পাবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় প্রত্যক উপজেলায় বহুতল ভবন নির্মাণে তাঁর সরকারের পরিকল্পনা পুণর্ব্যক্ত করে বলেন, এই সব ভবনে তাঁরা (চিকিৎসকবৃন্দ) ভাড়ায় আবাসন সুবিধা লাভ করতে পারবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর দয়াগঞ্জ ও ধলপুর সিটি কলোনিতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য নির্মিত ৪টি বহুতল আবাসিক ভবনে ৩৪৫টি আবাসিক ফ্লাটের উদ্বোধন করেন। এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দোকার মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান অনুষ্ঠানে প্রকল্পের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা খান মোহাম্মাদ বিলাল সহ স্থানীয় উপকারভোগী জনগণ এসময় দয়াগঞ্জ প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন। সরকার সিটি কর্পোারেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আবাসনের জন্য ২০১৩ সালে দয়াগঞ্জে ৫টি, ধলপুরে ৫টি এবং সূত্রাপুরে দুটি বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। যার নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ১৯০ কোটি টাকা। সেই প্রকল্পের আওতায় আজকে ৪টি ভবনের উদ্বোধন হলো এবং আরো ৮টি নির্মাণ কাজ এখনো চলছে। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ছেলে-মেয়েরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নিজেদের উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মত দক্ষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলবে। দৈনিক পরিস্কার পরিচ্ছতা অভিযানের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতির সন্নিবেশন ঘটাতে প্রধানমন্ত্রী এ সময় সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছনা বিভাগগুলোর প্রতি নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী গৃহহীনকে ঘর দেওয়ায় তাঁর সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যাদের ঘর-বাড়ি নেই তাদের আমরা ঘরবাড়ি করে দেব এবং দিচ্ছি। আর যারা আমাদের চারপাশকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখছে তাদের জীবন ধারণের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশের নিশ্চয়তা বিধান করাও সরকারের কর্তব্য।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
অনলাইন ডেস্ক: মন্ত্রিসভা ইয়াবা বহন, বিক্রি, সেবন, চোরাচালানে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি, মৃত্যুদন্ডের প্রস্তাব রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সোমবার তাঁর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়া ইয়াবার বিষয়ে কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। আইনে ৫ গ্রামের বেশি ইয়াবা বহন, বিক্রি, সেবন, চোরাচালানে যুক্ত থাকলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই অপরাধে সর্বনিম্ন সাজার প্রস্তাব করা হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদন্ড। ৫ গ্রামের কম ইয়াবা বহনে সর্বনিম্ন ৫ বছর ও সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদন্ড। এছাড়াও উভয় ক্ষেত্রেই অর্থ দন্ড জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম একথা বলেন। তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের আগের আইনটি ১৯৯০ সালে করা। ২৮ বছরের পুরনো আইনটির সঙ্গে বর্তমানে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী সব আইনের সমন্বয় করে নতুন খসড়া তৈরি করা হয়েছে। মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, নতুন আইনে এই সময়কালে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়া ইয়াবা নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া হেরোইন-কোকেনসহ সমজাতীয় ক শ্রেণিভুক্ত মাদকদ্রব্য ২৫ গ্রাম বা তার বেশি পরিমাণে বহনে সর্বোচ্চ মৃত্যুদন্ড এবং সর্বনিম্ন যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ২৫ গ্রামের কম বহনে সর্বোচ্চ ১০ বছরের এবং সর্বনিম্ন ২ বছরের কারাদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। সচিব জানান, যদি কোনও পানীয়তে ০.৫ শতাংশ বা এর বেশি পরিমাণ অ্যালকোহল থাকে তবে সেটি বিয়ার হিসেবে গণ্য হবে। এই জাতীয় পণ্য বিক্রির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্সের কোনও শর্ত ভঙ্গ করলে, লিখিত মুচলেকা প্রদান সাপেক্ষে এক লাখ টাকা জরিমানা পরিশোধ করতে হবে। তিনি বলেন, শিসাবার ও ডোপ টেস্টের মত বিষয়গুলো আইনে নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। সব ধরনের মাদককে নতুন আইনে যুক্ত করা হয়েছে। এমন কোনো বিষয় নেই এই আইন যা কভার করবে না। এছাড়াও বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন-২০১৮ এর খসড়ার চূড়ান্ত এবং ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আইন,-২০১৮ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। এছাড়াও সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবলে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বাংলাদেশ সাফ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী ফুটবল দলকে মন্ত্রীসভার পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়।-বাসস
ডিজিটাল নিরাপত্তা বিলসহ ৭টি বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি
অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল, ২০১৮সহ সংসদের ২২তম অধিবেশনে পাস হওয়া ৭টি বিলে সম্মতি দিয়েছেন। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় রাষ্ট্রপতি আজ এ বিলগুলোতে সম্মতি প্রদান করেছেন। সম্মতি দেয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল, ২০১৮ ছাড়া অন্য বিলগুলো হচ্ছে, সড়ক পরিবহন বিল-২০১৮, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’য়া আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন কওমি মাদরাসা সমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমীল) এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) এর সমমান প্রদান বিল, ২০১৮, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বিল, ২০১৮ পণ্য উৎপাদনশীল রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শিল্প প্রতিষ্ঠান শ্রমিক (চাকরির শর্তাবলী) বিল, ২০১৮,বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট বিল,২০১৮ ও কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট বিল,২০১৮।-বাসস
তিন বিচারপতি নিয়োগ আপিল বিভাগে
অনলাইন ডেস্ক: চার সদস্য নিয়ে দীর্ঘদিন বিচার কার্যক্রম চালিয়ে আসার পর নতুন তিনজন বিচারক পেল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বাংলাদেশ হাই কোর্টের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা বিচারপতি জিনাত আরা, বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী এবং বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান এখন থেকে আপিল বিভাগে বিচারিক দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের তিনজনকে সোমবার আপিল বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে হাই কোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান। নিয়োগপ্রাপ্তরা আগামীকাল মঙ্গলবার তারা শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। সোমবার রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের অনুমোদন পাওয়ার পর তাদের নিয়োগ দেয় মন্ত্রণালয়। সুপ্রিমকোর্টের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার সাইফুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় এ তিন বিচারপতি শপথ নেবেন। সুপ্রিমকোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন তাদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ চারজন বিচারপতি কর্মরত আছেন। প্রধান বিচারপতি ছাড়া বাকিরা হলেন- বিচারপতি ইমান আলী, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও মির্জা হোসেইন হায়দার। নতুন এ নিয়োগের ফলে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ৮ জনে উন্নীত হলো।
দ্বিতীয় মেয়াদে আজ মেয়রের দায়িত্ব নিচ্ছেন আরিফুল
অনলাইন ডেস্ক: সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিচ্ছেন আরিফুল হক চৌধুরী। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, বিকালে নবনির্বাচিত মেয়র হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর বিকালে নগর ভবনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে সিটি করপোরেশনের সচিব মো. বদরুল হকের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার বুঝে নেবেন। দায়িত্বভার গ্রহণ শেষে তিনি সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের জন্য নিটল-নিলয় গ্রুপের সৌজন্যে দেওয়া বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করবেন। করপোরেশনের যেসব কর্মকর্তা মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত গাড়ি ব্যবহার করেন না, তারা এ বাসটি ব্যবহার করবেন। গত ৩০ জুলাই সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ধানের শীষ প্রতীকে ৯২ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হন আরিফুল হক চৌধুরী। সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার জয়লাভের পর আরিফুল হক চৌধুরী গত ৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় মেয়াদে শপথগ্রহণ করেন। এরপর ঢাকা থেকে তিনি সপরিবারে ইংল্যান্ড চলে যান। সেখানে প্রায় ২৩ দিন অবস্থান শেষে গত ২৭ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরেন।
খালাফ হত্যায় মামুনের মৃত্যুদণ্ড বহাল
অনলাইন ডেস্ক: সৌদি আরবের দূতাবাস কর্মকর্তা খালাফ আল আলীকে হত্যার দায়ে আসামি সাইফুল ইসলাম মামুনের মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে করা আবেদন খারিজ করেদিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ রোববার (৭ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কাজী আকতার হামিদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। গত বছরের ১ নভেম্বর মামুনের মৃত্যুদণ্ডাদেশসহ হাইকোর্টের পুনর্বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ওই রায়ের ফলে অন্য তিন আসামি আল আমিন, আকবর আলী লালু ওরফে রনি ও রফিকুল ইসলাম খোকনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও বহাল রয়েছে। ৫ আসামির মধ্যে অন্যজন পলাতক সেলিম চৌধুরী ওরফে সেলিম আহমেদকে হাইকোর্টের মতই সর্বোচ্চ আদালত থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। পরে মামুনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করা হয়। যার ওপর বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদেশের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ঠিক করেছিলেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার মধ্য খোন্তাকাটা গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের ছেলে। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আল আমিন পটুয়াখালীর হাজিখালী গ্রামের ফারুক ঘরামীর ছেলে, লালু শরিয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার গোয়ালকোয়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে এবং খোকন ময়মনসিংহ নগরের নাটকঘর বাইলেনের আব্দুস সালামের ছেলে।খালাসপ্রাপ্ত সেলিম ভোলার শশীভূষণ থানার উত্তর চরমঙ্গল গ্রামের সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরীর ছেলে। এ মামলায় পাঁচ আসামিকেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। আর হাইকোর্ট তাদের মধ্যে সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড বহাল, আল আমিন, লালু ও খোকনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সেলিমকে খালাস দেন। ২০১২ সালের ৫ মার্চ রাত ১টার দিকে রাজধানীর গুলশানে কূটনৈতিক এলাকার ১২০ নম্বর সড়কের ১৯/বি নম্বর বাসার সামনে গুলিবিদ্ধ হন খালাফ আল আলী (৪৫)। ৬ মার্চ ভোরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওই বছরের ৪ জুন দক্ষিণখান থানার গাওয়াইর এলাকা থেকে চার ছিনতাইকারী সাইফুল, লালু, আল আমিন ও খোকনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশের ডাকাতি, দস্যুতা ও ছিনতাই প্রতিরোধ টিম। এসময় তাদের কাছ থেকে কালো রঙের একটি বিদেশি পয়েন্ট ২২ বোরের রিভলবার জব্দ করা হয়। অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে ওইদিনই তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়। খালাফ হত্যার আসামি সাইফুল ও আল আমিন আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে স্বীকার করেন যে, ৫ মার্চ দিনগত রাতে ছিনতাই করতে বাধা দেওয়ায় তারা চারজনসহ পলাতক সহযোগী সেলিম খালাফ আল আলীকে এ অস্ত্র দিয়ে গুলি করে হত্যা করেন। তবে আল আমিন তার জবানবন্দিতে সাইফুল গুলি করেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সাইফুলসহ বাকি চারজন ওই রাতে খালাফকে ঘিরে ধরেন এবং তার কাছে ডলার চান। ডলার না দেওয়ায় তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে সাইফুল তার হাতে থাকা রিভলবার দিয়ে খালাফকে গুলি করে পালিয়ে যান। এরপর সাইফুল, আল আমিন, লালু ও খোকনকে খালাফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখায় (শ্যো’ন অ্যারেস্ট) পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. ওবায়দুল হক ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ওই চারজনসহ পলাতক সেলিমকে আসামি করে এ মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। একই বছরের ৩১ অক্টোবর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে এ মামলার বিচার শুরু করেন ঢাকার ৪ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোতাহার হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষ্য দেন। গ্রেফতারকৃত চার আসামি ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেদের নির্দোষ দাবি এবং ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষে ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর খালাফ আল আলীকে হত্যার দায়ে ৫ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। রায়ের পর কারাগারে থাকা আসামিরা হাইকোর্টে জেল আপিল ও জামিনের আবেদন জানান। অন্যদিকে বিচারিক আদালত থেকে ডেথ রেফারেন্স আসে এবং কারা কর্তৃপক্ষ নিয়ম অনুসারে দণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমতি চান। ২০১৩ সালের ১ আগস্ট থেকে ডেথ রেফারেন্স ও সবগুলো জেল আপিলের শুনানি একসঙ্গে শুরু হয়ে ৩ নভেম্বর শেষ হয় হাইকোর্ট বেঞ্চে। ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর আসামি সাইফুলকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন হাইকোর্ট। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত অন্য তিনজন আল আমিন, লালু ও খোকনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন এবং পলাতক সেলিমকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন রাষ্ট্রপক্ষ। ২০১৪ সালের ২৩ জুলাই আপিলটি মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ।
আজ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ
অনলাইন ডেস্ক: মা ইলিশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে আজ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় উপকূল চিহ্নিত সাত হাজার বর্গ কিলোমিটার ইলিশের প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র ও অন্য এলাকায় ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ এবং ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কার্যক্রম সফল করতে দেশের ৩৭ জেলার নদ-নদী, হাট-বাজার এবং মৎস্য আড়তে বিশেষ অভিযান চালানো হবে। এই আদেশ অমান্য করলে কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড হতে পারে। মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাসুদ আরা মমি জানিয়েছিলেন, ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণের অংশ হিসেবে ইলিশ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এই নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের জন্য ২৭টি জেলার সব নদ-নদী, সমুদ্র উপকূল এবং মোহনায় এই রূপালী মাছ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। দেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকা ২৭ জেলা হচ্ছে- বাগেরহাট, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, শরীয়তপুর, ব্রাক্ষনবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ি, জামালপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, খুলনা, কুষ্টিয়া ও রাজশাহী। একইসঙ্গে সমুদ্র উপকূল এবং মোহনায় ইলিশ ধরা যাবে না। প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুদ ও বিনিময় নিষিদ্ধ। এজন্য এই সময়ে দেশের মাছঘাট, মৎস্য আড়ৎ, হাটবাজার, চেইনশপে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।
আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছে। একসময় যারা বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুঁড়ি এবং বিশ্বের দরিদ্র দেশের মডেল বলেছেন, আজ তারাই বাংলাদেশকে উন্নয়ন বিষ্ময় বলছেন। বাণিজ্যমন্ত্রী আজ ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় ইনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের নবনির্মিত অডিও ভিস্যুয়াল সেন্টার উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন। তোফায়েল আহমেদ বলেন, আগামী জাতীয় সংসদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে বিএনপির অস্তিত্ব বিলিন হয়ে যাবে। বিগত জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার জন্য বিএনপি জোট আপ্রাণ চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। এবারও সে রকম চেষ্টা করে লাভ হবে না। তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের মেয়াদ আগামী ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে, এর ৯০ দিন আগে যে কোন দিন দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের প্রচলিত পবিত্র সংবিধান মোতাবেক জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এর বাইরে কিছুই হবে না। আগামী নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণ মূলক হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাণিজ্যবান্ধব এবং শ্রমিক বান্ধব। তার প্রতিফলন ঘটেছে এই ইনভয় টেক্সটাইলস ফ্যাক্টরিতে। এ অত্যাধুনিক ফ্যাক্টরিতে শ্রমিকরা শ্রমবান্ধব পরিবেশে কাজ করছে। মাসের বেতন সে মাসেই পাচ্ছেন। শিক্ষা, স্বাস্থসহ সবধরনের সুবিধা পেয়ে শ্রমিকরা খুশি। এই বাংলাদেশই তো জাতির পিতা দেখতে চেয়েছিলেন। ইনভয় গ্রুপের চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবুল কাশেম মো. শিরিন, ভোলা জেলার আওয়ামী লীগ নেতা মঈনুল হোসেন বিপ্লব এবং ইনভয় গ্রুপের পরিচালক তানভির আহমেদ।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় পাঁচ সদস্যের নতুন মেডিকেল বোর্ড
অনলাইন ডেস্ক: কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় পাঁচ সদস্যের নতুন একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। শনিবার (৬ অক্টোবর) বিকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল প্রশাসন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিএসএমএমইউর মেডিসিন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো আব্দুল জলিল চৌধুরীর নেতৃত্বে এই ৫ সদস্যের বোর্ডে রয়েছেন অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, অধ্যাপক ডা. সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জী, অধ্যাপক ডা. নকুল কুমার দত্ত ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. বদরুনেসা। বিএসএমএমইউ সূত্র জানায়, বিকাল পৌনে চারটায় খালেদাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। পরে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে আগের চিকিৎসা বোর্ড পরিবর্তন করে খালেদার জন্য ৫ সদস্যের নতুন বোর্ড প্রস্তুত করা হয়। আগের বোর্ডের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অভিযোগ থাকায় নতুন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আর এই বোর্ডে যারা আছেন তারা দেশের সেরা চিকিৎসক।

জাতীয় পাতার আরো খবর