শেখ হাসিনাকে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর ফোন
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে আসন্ন বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী সাত দেশের জোট বিমসটেক সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নেপালের প্রধানমন্ত্রী শনিবার (০৪ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করেন। দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ১০ মিনিট কথা হয়। তারা পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। এসময় কে পি শর্মা অলি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আসন্ন বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (বিমসটেক) সম্মেলনের আমন্ত্রণ জানান ও এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেন। বাংলা নিউজ
মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গুজবে কান দেবেন না, মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। প্রযুক্তি যেন গঠনমূলক কাজে ও মানুষের কল্যাণে ব্যবহার হয় সেই আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার করে কেউ কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। এ সময় কল্যানমূলক কাজে প্রযুক্তির ব্যবহারে ছোটদের উদ্বুদ্ধ করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। রোববার (০৫ আগস্ট) সকালে গণভবন থেকে ১০ জেলার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদে অপটিক্যাল ফাইবার কানেক্টিভিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেছে, সে জন্য আমরা অত্যন্ত দুঃখিত। আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরিয়ে নেওয়ারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যথেষ্ট হয়েছে আর না, ঘরের ছেলে-মেয়ে ঘরে ফিরে যেতে হবে। লেখাপড়া করতে হবে। আর কোনো বাবা-মায়ের কোল খালি হোক আমি চাই না। কারণ, হারানোর বেদনা আমি বুঝি। অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ, সন্তানদের ঘরে ফিরিয়ে নিন। রাস্তায় চলাচলে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কুল থেকেই ট্রাফিক রুল শেখাতে হবে। স্কুলের সামনেই ট্রাফিক থাকবে, জেব্রা ক্রসিং থাকবে, যেখানে আন্ডারপাস প্রয়োজন তার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, তা যতদূর সম্ভব রোধ করতে হবে। দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোবাইল ফোন প্রত্যেকটা মানুষের হাতে আমরা পৌঁছে দিয়েছি। আজকে হাতে হাতে মানুষের মোবাইল ফোন। সব ধরনের ইন্টারনেট আমরা দিয়ে দিচ্ছি। ঘরে বসে আজকে ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে।
কূটনৈতিক এলাকার সড়কে এলইডি বাতি
অনলাইন ডেস্ক: নিরাপত্তা ও দুর্ঘটনা এড়াতে কূটনৈতিক এলাকার পুরনো নিয়ন বাতির জায়গায় বসছে অত্যাধুনিক এলইডি বাতি। এতে একদিকে যেমন রাতের রাস্তা নিরাপদ হবে তেমনি চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ কমে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অধিকাংশ ওয়ার্ডেই এলইডি বাতির আলোয় ঝলমল করছে অনেক আগ থেকেই। এরপর কথা উঠেছিল দক্ষিণ আলোকিত কিন্তু উত্তর (ডিএনসিস) অন্ধকারে নিমজ্জিত। তাই এবার উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকাও এলইডি বাতির আলোয় আলোকিত হবে। তবে এখনই ডিএনসিসির সব ওয়ার্ডে জ্বলবে না এলইডি বাতি। এজন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। আগে রাজধানীর ভিআইপি এলাকাখ্যাত কূটনৈতিক জোন এবং সংসদ এলাকায় এলইডি বাতি জ্বলবে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে অর্থাৎ ৪৫ দিনের মধ্যে ভিআইপি এলাকার রাতের সড়ক আলো ঝলমলে হবে। সর্বোচ্চ সময় ধরা হয়েছে দুই মাস। জানা যায়, জার্মানির ভালকান কোম্পানির নরডন গ্রুপের অত্যাধুনিক এলইডি বাতি বসছে ডিএনসিসি'র ১, ৩ ও ৫ নং অঞ্চলে। এজন্য মোট ৩ হাজার ৩৪৩টি বাতি আনা হচ্ছে। প্রতিটি এলইডি বাতির জন্য খরচ পড়বে ৪৭ হাজার টাকা। সেনাকল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে এই বাতি আনা হচ্ছে। প্রত্যেক বাতির দশ বছরের ওয়ারেন্টি নিশ্চিত করা হয়েছে। কোন বাতির আলো ৭০ শতাংশে নেমে এলে তা পরিবর্তন করার কথা থাকছে চুক্তিতে। পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হচ্ছে ২৫ কোটি টাকা। এলইডি বাতির আওতায় আসছে সার্ক ফোয়ারা থেকে শুরু হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দিয়ে জাহাঙ্গীর গেট হয়ে মহাখালী। সেখান থেকে স্টাফ কোয়াটার। অন্যদিকে প্রগতি সরণির আবুল হোটেল থেকে শুরু হয়ে যমুনা ফিউচার পার্ক পর্যন্ত। এদিকে বিজয় সরণি ঘুরে খেজুর বাগান হয়ে সংসদের দক্ষিণে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় বসানো হবে এলইডি বাতি। অন্যদিকে নতুন বাজার থেকে শুরু করে কাকলী সড়ক পর্যন্ত এবং পাকিস্তান দূতাবাস থেকে শুরু করে সুইমিংপুল পর্যন্ত নতুন এ বাতি বসানো হবে। উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার উত্তরা এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সামনের রাস্তায় এরই মধ্যে এলইডি বাতি বসানো হয়েছে। পুরো শহরের এলইডি বাতি ডিএনসিসি কন্ট্রোল রুম থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ বিষয়ে ডিএনসিসি’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) লে. কর্নেল মো. আজাদুর রহমান বলেন, আমরা আগামী দেড় মাস থেকে সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে ডিপ্লোম্যাটিক জোন এবং সংসদ এলাকায় এলইডি বাতি স্থাপন করবো। বাতিগুলো সব ইউরোপিয়ান মডেলের। সবচেয়ে বড় কথা প্রতিটি বাতিতে থাকছে ১০ বছরের ওয়ারেন্টি। আর পুরো ডিএনসিসি এলাকা ধাপে ধাপে এলইডি বাতির আলোয় আলোকিত হবে। সে জন্য সময় নির্ধারিত আছে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
৫ আগস্ট শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী
অনলাইন ডেস্ক: রোববার (৫ আগস্ট) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ কামালের ৬৯তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৪৯ সালের এই দিনে তিনি তদানীন্তন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বহুমাত্রিক ও অনন্য সৃষ্টিশীল প্রতিভার অধিকারী শেখ কামালের লেখাপড়ার পাশাপাশি ছাত্র রাজনীতি, খেলাধুলা, শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি অঙ্গণেও বিচরণ ছিল। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। শেখ কামাল শাহীন স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.এ. অনার্স পাস করেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ছিলেন। ৬৯-র গণঅভ্যুত্থান ও ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে যথোচিত ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশনন্ড লাভ করেন শেখ কামাল। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানির এডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি অঙ্গনের শিক্ষার অন্যতম উৎসমুখ ছায়ানট-এর সেতার বাদন বিভাগের ছাত্র ছিলেন কামাল। মঞ্চ নাটক আন্দোলনের ক্ষেত্রে তিনি প্রথমসারির সংগঠক ছিলেন। বন্ধু শিল্পীদের নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন স্পন্দন শিল্পী গোষ্ঠী। শেখ কামাল ছিলেন ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। অভিনেতা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যাঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি উপমহাদেশের অন্যতম সেরা ক্রীড়া সংগঠন, বাংলাদেশে আধুনিক ফুটবলের প্রবর্তক আবাহনী ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৪ জুলাই দেশবরেণ্য অ্যাথলেট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লু সুলতানা খুকুর সাথে তার বিয়ে হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালো রাত্রিতে মাত্র ২৬ বছর বয়সে জাতির জনকের হত্যাকারী মানবতার ঘৃণ্য শত্রুদের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে তিনিও প্রাণ হারান। এ সময় বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সংগঠন জাতীয় ছাত্র লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের এম. এ শেষ পর্বের পরীক্ষা দিয়েছিলেন। রোববার (৫ আগস্ট) শেখ কামালের ৬৯তম জন্মবাষির্কী যথাযোগ্যভাবে পালনের জন্যে আওয়ামী লীগ সকালে ধানমন্ডির আবাহনী ক্লাব প্রাঙ্গণে শহীদ শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও বনানী কবরস্থানে শেখ কামালের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, কোরানখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে। এছাড়াও বিভিন্ন ক্রীড়া ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
আ. লীগ অফিসে হামলায় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী অাহত
অনলাইন ডেস্ক :শান্তির স্বার্থে শিক্ষার্থীদের বাড়ি ও ক্যাম্পাসে ফেরাতে অভিভাবকসহ সবার সহযোগিতা চাই। তবে যারা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢুকে রাজনীতির বিষবাষ্প দিতে চেয়েছেন, এর মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়, এদের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকতে হবে। আজ শনিবার আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সভা হয়। তিনি বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশকারীরা আন্দোলনে ঢুকেছে। তবে তাদের গতিবিধি লক্ষ্য রাখছে গোয়েন্দা বাহিনী। এক প্রশ্নের উত্তরে কাদের বলেন, শঙ্কায় চালকরা গাড়ি নিয়ে সড়কে নামতে চাচ্ছে না, আমরা নামাতে চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীদের দাবি নামার যৌক্তিকতা খুঁজে পেয়েছি। এগুলো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন। তাদের প্রতিবাদের কণ্ঠকে স্বাগত জানিয়েছি। এখানে কোনো গোপনীয়তা নেই। কেউ দলীয়ভাবে এ আন্দোলন সমর্থন দিয়েছেন, এটা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দিতে চেয়েছে। আমাদের উদ্বেগ হলো, তাদের শান্তিপূর্ণ, ইনোসেন্ট আন্দোলনে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এগুলো খারাপ লক্ষণ। এদিকে আ. লীগ অফিসে হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউনিফর্ম পরিহিত কিছু ছাত্রছাত্রীরা অাওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর ইট পাটকেল ছোড়ে। এ ঘটনায় অাওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী অাহত হয়। অাহতদের জিগাতলার জাপান-বাংলাদেশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ হামলা সাধারণ শিক্ষার্থীরা করতে পারে না। এ হামলা বিএনপি জামাতের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী করেছে। বর্তমানে অাইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নেতাকর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
আ.লীগ অফিসে হামলা ,গুলি
অনলাইন ডেস্ক :নিরাপদ সড়কের দাবিতে ঢাকার ধানমণ্ডির আ.লীগ অফিসের সামনে রাজপথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একদল যুবকের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। আাজ শনিবার দুপুর ২টার দিকে ঝিগাতলার কাছে ধানমণ্ডি ৩/এ সড়কের আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তারা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছুড়ে। হামলার শিকার শিক্ষার্থীরা ওই সময় সেখানে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের কাজ করছিল। ঘটনা সম্পর্কে জানা যায়, ওই এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুপুরের আগ থেকেই জড়ো হতে শুরু করে। হাজার হাজার শিক্ষার্থী সেখানে অবস্থান নেয়। বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীদের একটি অংশের ওপর হঠাৎ করে হেলমেট পরা, লাঠি হাতে ২৫ থেকে ৩০ জনের একদল যুবক হামলা চালায়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ও হামলাকারীরা একে অপরের দিকে ইটপাটকেল ছোড়া শুরু করে। চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এক প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্র ধরে জানা গেছে, শিক্ষার্থীরা হঠাৎ করে জিগাতলা মোড় থেকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ের দিকে আসতে থাকে। তখন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দেয়। ছাত্ররা বাধা না মানলে বাক-বিতণ্ডা হয়। ছাত্রছাত্রীরা স্লোগান দিয়ে পার্টি অফিসের দিকে গেলে অফিসের নেতাকর্মীরা ধাওয়া দেয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া পথচারীরাও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উস্কানি দিচ্ছেন আমির খসরু?
অনলাইন ডেস্ক :নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলনে বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উস্কানি দিচ্ছেন; এমন দাবি করে সোশ্যাল মিডিয়া ও ইউটিউবে একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, ওই অডিও ক্লিপটি তার নয় বলে দাবি করেছেন এই বিএনপি নেতা। অডিওটির বিষয়ে তিনি বলেন,এই আন্দোলন ছাত্রদের আন্দোলন। এরসঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। এ ধরনের কথা বলার কোনো প্রশ্নই আসে না। এর আগে খালেদা জিয়ার সাজার পর একটি ছড়িয়ে ছিল। এগুলো বানোয়াট।খবর সময় অনলাইন। শনিবার (০৪ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে ইউটিউব ও ফেসবুকে ওই অডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। ইউটিউবে নাফিয়া ইসলাম নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ক্লিপটি আপলোড করা হয়। অডিও ক্লিপটির শুরুতেই ফোনের রিং বাজতে শোনা যায়। এরপর মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি ফোন রিসিভ করে হ্যালো বলেন। অপর প্রান্ত থেকে শোনা যায় এক যুবকের কণ্ঠস্বর। তিনি বলেন, জ্বি, আসসালামু আলাইকুম, আঙ্কেল। অপর ব্যক্তি বলেন, হ্যাঁ, হ্যাঁ। ওই যুবক বলেন, আঙ্কেল নওমি বলছিলাম। অপর ব্যক্তি বলেন, ভালো আছো? ফোন দেয়া ব্যক্তি বলেন, হ্যাঁ ভালো আছি। আপনি ভালো আছেন। ওই ব্যক্তি বলেন, হ্যাঁ, ভালো আছি। তোমরা কি এগুলোতে কিছুটা ইনভলবড হচ্ছো? যুবক বলেন, হ্যাঁ, আঙ্কেল আমি তো কুমিল্লা আসলাম। অপরজন বলেন, কুমিল্লা না, নামাইয়া দেও না, তোমাদের লোকজন সব নামাইয়া দেও না। মানুষজন নামাইয়া দেও ভালো করে। তোমাদের তো চিনে না। তোমাদের বন্ধু-বান্ধব নিয়ে সব নেমে পড়ো না ঢাকায়। ওই যুবক বলেন, আমরা সবার সঙ্গে কন্ট্রাক্ট করতাছি। ওই ব্যক্তি বলেন, কন্ট্রাক্ট করো, কখন আর কন্ট্রাক্ট করবা? এখনই তো টাইম। এখন নামতে না পারলে তো এটা ডাই ডাউন করে যাবে। তোমাদের তো এত পরিচিত মুখ না। তোমরা নেমে যাও না, ওদের সঙ্গে। ওই যুবক বলেন, এখানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটু নেমেছিল। এমপি সাহেব গাড়ি নিয়ে সবাইকে উঠিয়ে দিয়েছে। অপরজন বলেন, হাইওয়ে-ঠাইওয়েতে অসুবিধা নেই, ঢাকায় নামাইয়া দেও। ঢাকা হইলে অন্য জায়গাতে এমনিতেই হয়ে যাবে। আমার তো কুমিল্লাতে দরকার নেই। তোমরা ঢাকায় এসে ২-৪শ বন্ধু-বান্ধব নিয়ে জয়েন করো। ওই যুবক বলেন, এমনিতে সবাই সংহতি জানাচ্ছে। তবে ওই যুবক বলেন, সংহতি-টংহতি দিয়ে কী হবে? তোমাদের মতো যারা আছে, তাদের নিয়ে নেমে যাও না। ফেসবুকে পোস্টিং-টোস্টিং করো সিরিয়াসলি। ওই যুবক বলেন, এটাতে অ্যাকটিভ আছে সবাই। আমি কাল-পরশু আসতেছি। তখন ওই ব্যক্তি বলেন, এসে এগুলো করো। কুমিল্লা বসে থেকে লাভ কী?
মা হিসেবে আমি বলতে চাই, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মেনে নেয়া হচ্ছে ,ক্লাসে ফিরে যাও
অনলাইন ডেস্ক :শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নুর নাহার ইয়াসমিন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, একজন অভিভাবক, শিক্ষক বা মা হিসেবে আমি বলতে চাই, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মেনে নেয়া হচ্ছে। সেগুলো পর্যায়ক্রমে ও অতি সত্ত্বর বাস্তবায়িত হবে। তাই শিক্ষার্থীদের বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, তোমরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ফিরে যাও। পড়াশোনায় মনযোগী হও, শনিবার (৪ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত পাঁচটি বাস পাওয়ার পর তিনি এ কথা বলেন। এ দিন শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিআরটিসির চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া বাসগুলোর চাবি হস্তান্তর করেন। ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনের বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম ও একই কলেজের ছাত্রী দিয়া খানম প্রাণ হারান। এ ঘটনার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।

জাতীয় পাতার আরো খবর