নির্বাচন সুষ্ঠু হবে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আছে এবং অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। সবাই অংশগ্রহণ করবে সেরকম অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি। সিইসি কে এম নুরুল হুদা বলেন, আশা করি নির্বাচনে সবাই সহযোগিতা করবেন। আচরণবিধি, নির্বাচনের নিয়ম-কানুন সবাই মেনে চলবেন। এর আগে আজ সকাল পৌনে ৭টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সিইসি কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের কমিশনাররা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
নির্বাচন সুষ্ঠু হবে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আছে এবং অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। সবাই অংশগ্রহণ করবে সেরকম অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি। সিইসি কে এম নুরুল হুদা বলেন, আশা করি নির্বাচনে সবাই সহযোগিতা করবেন। আচরণবিধি, নির্বাচনের নিয়ম-কানুন সবাই মেনে চলবেন। এর আগে আজ সকাল পৌনে ৭টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সিইসি কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের কমিশনাররা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জাতীয় স্মৃতিসৌধে
অনলাইন ডেস্ক: মহান বিজয় দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। আজ ১৬ ডিসেম্বর (রোববার) সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এ সময় এক মিনিট নিরবতা পালন করে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান। এরপরই সর্বস্তরের মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। শুরু হয় স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল। শহীদদের উদ্দেশে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে শুরু করে মানুষ। আজ ৪৮তম মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্য-বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন। বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠার চিরস্মরণীয় দিন। ৯ মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে যৌথ বাহিনীর কাছে। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার রক্তিম সূর্যালোকে উদ্ভাসিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। সেই থেকে ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস। যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যে দিবসটি সাড়ম্বরে উদযাপন করা হয়। এবারের বিজয় দিবস উদযাপিত হচ্ছে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সাম্প্রদায়িক শক্তির ধারক-বাহকদের প্রত্যাখ্যান করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তিকে বিজয়ী করার প্রত্যয়ে উজ্জীবিত জাতি দিবসটি উদযাপন করবে।
৪৮তম বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ৪৮তম বিজয় দিবস উপলক্ষে আজ রোববার (১৬ ডিসেম্বর) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে নগরীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় তিনি দেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর আওয়ামী সভাপতি শেখ হাসিনা দলীয় প্রধান হিসেবে দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। জাতি আজ ৪৮তম বিজয় দিবস পালন করছে। এ দিনটি এদেশের মানুষের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান। দীর্ঘ ৯ মাস স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশ এই দিনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়। ৪৭ বছর আগে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এবং ৩০ লাখ শহীদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে জন্মলাভ করে।
আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস
আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্য-বীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন। বিশ্বের দরবারে বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডে র নাম জানান দেয়ার দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের এই দিনে বিকেলে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের। যে অস্ত্র দিয়ে বর্বর পাকবাহিনী দীর্ঘ ৯ মাস ৩০ লাখ বাঙালিকে হত্যা করেছে, দু’লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম কেড়ে নিয়েছে, সেই অস্ত্র পায়ের কাছে নামিয়ে রেখে এক রাশ হতাশা এবং অপমানের গ্লানি নিয়ে লড়াকু বাঙালির কাছে পরাজয় মেনে নেয় তারা। সেই থেকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালিত হয়ে আসছে। এবারের বিজয় দিবস পালিত হচ্ছে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাম্প্রদায়িক শক্তির ধারক-বাহকদের প্রত্যাখ্যান করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করার প্রত্যয়ে উজ্জীবিত জাতি দিবসটি পালন করছে ভিন্নভাবে। অন্যদিকে, অফুরন্ত আত্মত্যাগ এবং রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই মহান বিজয়ের ৪৭ বছর পূর্ণ হলো আজ। আজ ৪৮তম মহান দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। এ সময় এক মিনিট নিরবতা পালন করে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান। এরপরই সর্বস্তরের মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। শুরু হয় স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল। শহীদদের উদ্দেশে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে শুরু করে মানুষ। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সব প্রান্তের মানুষ আজ বিজয়ের আনন্দে আজ মাতোয়ারা। বঙ্গবন্ধুর বজ্রনিনাদ ভাষণ আর মুক্তিযুদ্ধের সময়ের জাগরণী গানে আকাশ-বাতাসে মুখরিত। যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০১৮ উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। আজ সরকারি ছুটির দিন। সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাসমূহ আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা ও অন্যান্য পতাকায় সজ্জিত করা হয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিভিন্ন বাহিনীর বাদক দল বাদ্য বাজাচ্ছেন। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আজ সংবাদপত্রসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। এ উপলক্ষে ইলেকট্রনিক মিডিয়াসমূহ মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করছে। এছাড়া, মহানগর, জেলা ও উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হবে আজ। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ স্মারক ডাক টিকিট প্রকাশ করেছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও উপাসনার আয়োজন করা হয়েছে এবং এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, হাসপাতাল, জেলখানা, সরকারি শিশুসদনসহ অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। দেশের সকল শিশু পার্ক ও জাদুঘরসমূহ বিনা টিকিটে প্রবেশর জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে অনুরূপ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
১৬ ডিসেম্বরের জাতীয় স্মৃতিসৌধকেন্দ্রিক ট্রাফিক নির্দেশনা
অনলাইন ডেস্ক: আগামীকাল ১৬ ডিসেম্বর রোববার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধকেন্দ্রিক চলাচলে ট্রাফিক নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি জানিয়েছে, আগামীকাল রোববার মহান বিজয় দিবসের প্রত্যুষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিদেশি কূটনৈতিকবৃন্দ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন সাভার স্মৃতিসৌধে গমনাগমন করবেন। তাদের সুষ্ঠু গমনাগমন নিশ্চিত করতে এদিন ভোর সাড়ে ৩টা হতে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ঢাকা হতে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এজন্য বাস, মিনিবাস, ট্রাক ও লরিসহ বড় যানবাহনের চালক/ব্যবহারকারীকে বিকল্প সড়কে চলাচল করতে অনুরোধ করা হয়েছে। বিকল্প সড়কগুলো হচ্ছে- গাবতলী-আমিন বাজার ব্রিজ-সাভার-নবীনগর রোড পরিহার করে বিকল্প রাস্তা হিসেবে ঢাকা এয়ারপোর্ট রোড-আব্দুল্লাহপুর ক্রসিং-আশুলিয়া সড়ক হয়ে চলাচল করবে। আরিচা/পাটুরিয়া হতে সাভার-আমিনবাজার হয়ে ঢাকাগামী যানবাহনসমূহ নবীনগর বাজার হতে বাইপাইল-আশুলিয়া হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করবে। টাঙ্গাইল হতে আশুলিয়া হয়ে ঢাকাগামী যানবাহনসমূহ কালিয়াকৈর-গাজীপুর চৌরাস্তা-টঙ্গী হয়ে ঢাকায় প্রবেশ করবে। ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ অনুষ্ঠান চলাকালীন যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা রক্ষা ও যানজট এড়ানোর লক্ষ্যে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।
সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না ভোটকক্ষ থেকে: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংবাদিকরা সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ) করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। তিনি বলেন, তবে ভোটকক্ষ থেকে না পরলেও কক্ষ থেকে বেরিয়ে গিয়ে সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবে। ভোটকক্ষের মধ্যে কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না বলেও এ সময় জানান সিইসি নূরুল হুদা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, নির্বাচনের সময় ভোটকক্ষে বিদেশি পর্যবেক্ষকরাও বেশিক্ষণ থাকতে পারবে না। শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান সিইসি কেএম নূরুল হুদা। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে সাংবাদিকরা অবাধে ভোটকক্ষে প্রবেশ করলে নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ভোট চলাকালীন সময়ে গণমাধ্যমকর্মীরা সীমিত আকারে প্রবেশ করতে পারবে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে রাজধানীর মিরপুরে ড. কামালের গাড়িবহরে হামলার বিষয়ে কেএম নূরুল হুদা বলেন, তার গাড়িবহরে হামলার বিষয়টা দুঃখজনক। এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব। তিনি আরও বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে হামলার বিষয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের নির্বাচনী তদন্ত কমিটি আছে, তাদের কাছে এ অভিযোগ পাঠানো হবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রয়েছে, কোনো সমস্যা হচ্ছে না, সব দল প্রচারণা করতে পারছে।
সন্ত্রাস করলে সে যে দলেরই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না: রফিকুল ইসলাম
অনলাইন ডেস্ক: সন্ত্রাস করলে সে যে দলেরই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম। শনিবার সকালে ময়মনসিংহে তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে সুশীল সমাজ, নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অ্যাওয়ারনেস রাইজিং অন ওমেনস পার্টিসিপেশন, সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি ইন ইলেকশন শীর্ষক এই সেমিনারে একথা বলেন তিনি। রফিকুল ইসলাম বলেন, শুধু সব দলই না, নির্বাচনে সব পর্যায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণ বিষয়ে তিনি বলেন,সব দলের হলেই হবে না, সব ভোটারের অংশগ্রহণে পার্টিসিপেটরি ইলেকশন হতে হবে। এ জন্য দেশের প্রায় অর্ধেক নারী ভোটারকে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। আঞ্চলিক কর্মকর্তা মো. আলিমুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন পুলিশের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, বিভাগীয় কমিশনার মাহমুদ হাসান, নির্বাচন কমিশনের উপসচিব সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন প্রমুখ।
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সাক্ষাৎ চেয়ে চিঠি ঐক্যফ্রন্টের
অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সাক্ষাৎ চেয়ে চিঠি দিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আগামী ১৭ ডিসেম্বর ড. কামাল হোসেন ও বিএনপির মহাসচিবর মির্জা ফখরুল ইসলামসহ ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান। জানা যায়, রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে একটি চিঠি গত ১৩ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার সাক্ষরিত ওই চিঠিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিরোধী রাজনৈতিক জোটের প্রার্থী, নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানি বন্ধে অ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়েছেন বলে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা জানিয়েছেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর