বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এই দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। আজ শুক্রবার সকাল সাতটায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কিছু সময় নিরবতা পালন করেন। এ সময় তোপধ্বনি ও বিউগলের করুণ সুর বেজে ওঠে। এর পরেপরেই সর্বস্তরের মানুষ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা জানান শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরাও। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ছাড়াও রাজধানীর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও আসেন শ্রদ্ধা জানাতে। ১৯৭১ সালে এই দিনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের একের পর এক হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর আলবদর রাজাকাররা। শিক্ষক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, সাংবাদিক বেছে বেছে জাতির মেধাবী সন্তানদের হত্যা করে বর্বর কায়দায়। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের তখন চূড়ান্ত পর্যায়। হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী প্রায় পর্যুদস্ত। তখনই ১০ থেকে ১৪ই ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিকল্পিতভাবে তালিকা ধরে বুদ্ধিজীবী হত্যার ঘৃণ্যতম অপকর্মটি করে ঘাতক চক্র। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বিজয়ী বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করে দেয়া যাতে ভবিষ্যতে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। এ সময় সান্ধ্য আইনের মধ্যে রাতের আঁধারে তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের বাসা থেকে অপহরণ করে চোখ বেঁধে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নিয়ে হত্যা করা হয়। ১৪ই ডিসেম্বর চারদিকে যখন পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের রব, ঠিক তখনই পাকিস্তানি ঘাতকরা মুনীর চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, সন্তোষ ভট্টাচার্য, শহীদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুদ্দিন হোসেন, আবুল খায়ের, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, মনিরুজ্জামান, আনোয়ার পাশা, নিজাম উদ্দিন আহমেদ, রশিদুল হাসান, সিরাজুল হক খান, ডা. আলীম উদ্দিন, ডা. ফজলে রাব্বি, নাজমুল হক, খন্দকার আবু তালেব, ডা. আমির উদ্দিন, সাইদুল হাসান প্রমুখ বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। এ ছাড়া অনেক বুদ্ধিজীবীকে তুলে নিয়ে যায়। যাদের আজ পর্যন্ত কোনো খোঁজ মেলেনি। এরপর থেকেই প্রতি বছর ১৪ই ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করে আসছে দেশবাসী। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ পৃথক বাণী দিয়েছেন। বিকেল ৩টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশন মিলতনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ। এতে সভাপতিত্ব করবেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২৪ ডিসেম্বর সেনা মোতায়েন,নির্বাচনে ৩ স্তরের নিরাপত্তা
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে নানা পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সংস্থাটি। ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে সেনাবাহিনী। প্রতি জেলায় ছোট আকারে সেনাবাহিনীর একটি টিম পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়। দেশের ভৌগোলিক অবস্থা বিবেচনা করে, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদন ও সার্বিক দিক লক্ষ্য রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। বৃহস্পতিবার জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে করে নির্বাচন কমিশন। বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা, অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে জানানো হয়, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদন অনুযায়ী ভোটের নিরাপত্তা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিপত্রের মাধ্যমে তা জানিয়ে দেবে। কার্যপত্রে উল্লেখ করা হয়, ভোটকেন্দ্রের বাইরে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল দেবেন। তারা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনা কক্ষে ঢুকতে পারবেন না। অবশ্য রিটার্নিং বা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা চাইলে স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিমের সদস্যরা প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন। নির্বাচনের আগে ও পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, মেট্রোপলিটন এলাকা, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ও বিশেষ এলাকায় (পার্বত্য অঞ্চল, দ্বীপ এলাকা ও হাওর) পৃথক সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। এছাড়া, গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী সহিংসতাপ্রবণ এলাকাগুলোর জন্য থাকবে আলাদা সতর্কমূলক ব্যবস্থা। ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের পাহারায় মেট্রোপলিটন এলাকার সাধারণ কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৬ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ ৩ থেকে ৫ জন, অঙ্গীভূত আনসার ১১ জন ও গ্রাম পুলিশের ১ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৭ জন ও অস্ত্রসহ ৪ থেকে ৬ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবেন ন্যূনতম ৪ জন। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৪ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ ১ জন, অঙ্গীভূত আনসার ১২ জন ও গ্রাম পুলিশের ১ থেকে ২ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ন কেন্দ্রে মোট ১৫ জন ও অস্ত্রসহ ৩ থেকে ৪ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবেন ন্যূনতম ২ জন। অন্যদিকে, পার্বত্য এলাকা, হাওর, দ্বীপাঞ্চলকে বিশেষ এলাকা চিহ্নিত করে সেসব এলাকায় পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের মোট ১৫ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ ২ জন, অঙ্গীভূত আনসার ১২ জন ও গ্রাম পুলিশের ১ থেকে ২ জন সদস্য নিযুক্ত থাকবেন। এসব এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে মোট ১৬ জন ও অস্ত্রসহ ৪ থেকে ৫ সদস্য নিযুক্ত থাকবেন এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ থাকবেন ন্যূনতম ৩ জন। ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা ভোট গ্রহণের দুই দিন আগে এবং ভোটের দিন ও ভোটের পরের দিনসহ চার দিন মাঠে থাকবেন। আনসার সদস্যরা ভোট গ্রহণের তিন দিন আগে মাঠে নেমে থাকবেন পরের দিন পর্যন্ত। আগামী ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে যেকোনো দিন মাঠে নামবে সেনাবাহিনী। তবে এর আগে ১৫ ডিসেম্বর থেকে পরিস্থিতি অবলোকন (রেকি) করবেন তারা। সেনাবাহিনীর প্রতিটি টিমের সঙ্গে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশের সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও থানাসমূহে মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন। তারা রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারের চাহিদার ভিত্তিতে ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরে কিংবা ভোট গণনাকক্ষের শান্তিশৃংখলা রক্ষার্থে থাকবেন। এছাড়া, ইভিএমের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্বে থাকবেন। অন্যদিকে, র‌্যাব স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে এবং নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবে। নির্বাচনি সামগ্রী আনা-নেওয়া, নির্বাচন কার্যালয়সমূহের নিরাপত্তা, ভোট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে। ভোটারদের জন্য আস্থার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য কাজ করবেন পুলিশ সদস্যরা। নির্বাচনে পুলিশের ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫৭ জন মোতায়েন থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আচরণবিধি প্রতিপালনে ১ হাজারের বেশি জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন। প্রার্থী ও সমর্থকদের আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মাঠে থাকবেন ৬৫২ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও ৬৪০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। সবমিলিয়ে ভোটের মাঠের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৬ লাখের বেশি সদস্য মাঠে নামছেন। নির্বাচন কমিশনের একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোট গ্রহণের আগে ও পরে সব মিলিয়ে মোট সাত দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য প্রায় ৪১০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ টাকা নির্বাচনের আগে অগ্রিম দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সরকার আবার ক্ষমতায় না ফিরলে পদ্মা সেতু হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন। বৃহস্পতিবার ফরিদপুরের কোমরপুর আব্দুল আজিজ ইনস্টিটিউশন মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আর একবার আমাদের সেবা করার সুযোগ দেন তাহলে আমরা তা করতে পারবো। তিনি বলেন, দেশকে আমরা উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এই গতি যেন সচল থাকে। এটাই আপনাদের কাছে চাওয়া। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যখন সরকারে এসেছি তখনই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। ২০২১ সালের মধ্যে প্রতিটি ঘরে ঘরে আলো জ্বালাব। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করব। ২০২০ সালে জাতির পিতা জন্ম শতবার্ষিকী পালন করব। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন,আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। অব্যাহত থাকবে। এই ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা চাই। মাদক একটা পরিবার নষ্ট করে দেয়। যুবকদের জীবনকে ধ্বংস করে দেয়। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক রুখতে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। মানুষ যেন জঙ্গিবাদ ও মাদক থেকে দূরে থাকে এ জন্য আপনারা কাজ করবেন। তিনি বলেন, আমাদের তরুণ সমাজকে দেশ গড়ায় কাজে লাগাতে চাই। তরুণ সমাজের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আজ বাংলাদেশে খাদ্যের অভাব নেই। শুধু খাদ্য নয় আমরা পুষ্টির ব্যবস্থাও করেছি। কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছি। বিনা পয়সায় ৩৩ প্রকারের ওষুধ দিচ্ছি। এক কোটি চল্লিশ লাখ মা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার সন্তানের উপবৃত্তির টাকা পাচ্ছেন।
আওয়ামী লীগ ১৬৮ থেকে ২২০টি আসনে জয়লাভ করবে: জয়
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬৮ থেকে ২২০টি আসনে জয়লাভ করবে বলে উল্লেখ করেছেন সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। বুধবার রাতে নিজের ভেরিভাইড ফেসবুক পেজে একটি জনমত জরিপের বরাত দিয়ে এই তথ্য তিনি তুলে ধরেন। সেই জরিপের ভিত্তিতে জয় জানান, বর্তমান ক্ষমতাসীল দল আওয়ামী লীগের প্রতি ৬৬ শতাংশ মানুষের সমর্থন রয়েছে। অন্যদিকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপিকে সমর্থন করে ১৯.৯ শতাংশ মানুষ। আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে চালানো এই জরিপকে তিনি এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় জাতীয় জনমত জরিপ বলে উল্লেখ করেন। পাঠকদের জন্য জয়ের স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে দেয়া হল: এই বছরের আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত আমরা এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় জাতীয় জনমত জরিপটি করাই। নিরপেক্ষ গবেষণা সংগঠন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (আরডিসি) দ্বারা এই জরিপটি পরিচালনা করা হয়। এ বছরের মেয়র নির্বাচনের জরিপটিও এই সংগঠনটি করেছিল। আপনাদের হয়তো মনে আছে আমার পেজ থেকে সেই জরিপটিও শেয়ার করি। যার ফলাফল নির্বাচনের ফলাফলের সঙ্গে মোটামুটি ভালোই মিলেছিল। এই জরিপটির জন্য আমরা ৫১টি নির্বাচনী আসনের ৫১ হাজার নিবন্ধিত ভোটারের সঙ্গে কথা বলি। অর্থাৎ প্রতি আসনে অন্তত এক হাজার ভোটারের সঙ্গে। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সব নির্বাচনের ফলাফল আমলে নিয়েই এই ৫১টি আসন আমরা বৈজ্ঞানিকভাবে বেছে নিয়েছিলাম। এই আসনগুলোতে আমরা সবচেয়ে বেশি ভিন্ন ভিন্ন দলের জন্য ভোট দেয়ার প্রবণতা দেখতে পাই বা সাধারণত জয়ের পার্থক্য সবচেয়ে কম থাকে। অর্থাৎ এই আসনগুলো নিয়েই আমাদের দল সবচেয়ে বেশি চিন্তিত ছিল। যেহেতু জরিপটি মনোনয়ন প্রক্রিয়ার আগে করা হয়েছিল, সেহেতু আমরা প্রার্থীদের ব্যাপারে জনমত জানতে পারিনি। কিন্তু দলগতভাবে ৫১টি আসনেই আওয়ামী লীগ এগিয়ে আছে। ১২.২ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে কম ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনা জয়পুরহাট-১ আসনে আর ৭৫ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবণা বরিশাল-৪ আসনে। যারা এখনো সিদ্ধান্ত নেননি তাদের সবচেয়ে কম সংখ্যা দেখা যাচ্ছে টাঙ্গাইল-৩ আসনে, ২.৫ শতাংশ। এই আসনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে নিকটবর্তী দলের ব্যবধান ৪১.৫ শতাংশ। অন্যদিকে, ১৯.৮ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সিদ্ধান্তহীনদের সংখ্যা সাতক্ষীরা-৩ আসনে, যেখানেও আওয়ামী লীগের জয়লাভের ব্যবধান ৬৪.৭ শতাংশ। আওয়ামী লীগের জন্য গড় সমর্থন ৬৬ শতাংশ মানুষের, বিএনপির জন্য ১৯.৯ শতাংশ আর ৮.৬ শতাংশ ভোটার সিদ্ধান্ত নেননি। যারা সিদ্ধান্ত নেননি তাদের থেকে আওয়ামী লীগের সমর্থনের ব্যবধান অনেক বেশি। আরও গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হচ্ছে কোনো আসনেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সমর্থনের পার্থক্য ১০ শতাংশের এর মধ্যে নেই। শুধু দুটি আসনেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সমর্থনের পার্থক্য ২০ শতাংশ। এর মধ্যে ২৮টি আসনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সমর্থনের পার্থক্য ৫০ শতাংশের বেশি। সমর্থনের পার্থক্য ১০ শতাংশের বেশি হলেই দ্বিতীয় দলটির জন্য তা পার করা মোটামুটি অসম্ভব হয়ে যায়। আর ২০ শতাংশের বেশি পার্থক্য থাকলে একাধিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের দ্বারাও তা টপকানো সম্ভব হয় না। এই ফলাফলগুলো বয়স ও লিঙ্গের ওপর নির্ভর করে বের করা হয়েছে। তাই মোট ফলাফল সর্বক্ষেত্রে শতভাগ নয়। আসন অনুযায়ী মার্জিন অফ এরর ৩ শতাংশ এবং আস্থা স্তর বা Confidence Level ৯৫%। এই জরিপগুলোর ওপর ভিত্তি করে এবং ১৯৯১-২০০৮ এর নির্বাচনের তথ্য বিশ্লেষণ করার পর আমার বিশ্বাস, আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে ১৬৮ থেকে ২২০টি আসনে জয়লাভ করবে।
সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা ২৪-২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে
অনলাইন ডেস্ক: ২৪ থেকে ২৬শে ডিসেম্বরের মধ্যে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন। এই ফোর্স মোতায়েন থাকবে পহেলা জানুয়ারি পর্যন্ত। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মোতায়েন হওয়া স্ট্রাইকিং ফোর্স বিজিবি, কোস্টগার্ড ব্যাটালিয়ন, আনসারের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সঙ্গে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাখতে বলা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লেখা চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, নির্বাচনের আচরণবিধি পালনের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধের জন্য ভোট গ্রহণের দুইদিন আগে থেকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ প্রয়োজন।
ঢাকার উদ্দেশে শেখ হাসিনা, পথসভায় বক্তব্য দেবেন
অনলাইন ডেস্ক: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আসার পথে ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও মানিকগঞ্জে বিভিন্ন পথসভায় বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে টুঙ্গিপাড়া ছাড়ার আগে প্রধানমন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। গতকাল বুধবার বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারকাজ শুরু করেন আওয়ামী লীগ প্রধান। পরে তিনি বিকেলে নিজ নির্বাচনী এলাকায় জনসভা করেন। আজ ঢাকা ফেরার পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গা মোড়, ফরিদপুর মোড়, রাজবাড়ী সড়ক মোড়, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, ধামরাইয়ের রাবেয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণ এবং সাভার বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত সমাবেশেও বক্তব্য দেবেন। গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শেখ হাসিনা। এ আসন থেকে তিনি পর পর ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সভাপতি রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) থেকে মনোনয়নপত্র নিয়ে জমা দিয়েছিলেন। পরে এই আসনটি তিনি স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ছেড়ে দেন।
আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসছে
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগই আবার সরকার গঠন করবে বলে মনে করছে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট-ইআইইউ। ডিসেম্বরের শুরুতে বাংলাদেশ বিষয়ে প্রকাশিত সর্বশেষ কান্ট্রি ব্রিফিংয়ে ইকোনমিস্ট গ্রুপের এই গবেষণা উইং বলেছে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গত কয়েক বছর ভালো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পেয়েছে বাংলাদেশ। তৃণমূলের সমর্থন আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ে বড় ভূমিকা রাখবে। ২০১৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের যে ভবিষ্যত ইআইইউ দেখতে পাচ্ছে, তাতে সন্ত্রাসী হামলা, বিরোধী দলের আন্দোলন এবং জনতার বিক্ষোভের কারণে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আভাসের কথা রয়েছে। ইআইইউর পূর্বাভাস বলছে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা আগামী পাঁচ বছরও অব্যাহত থাকবে। এই সময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে গড়ে ৭.৭ শতাংশ হারে। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও ভোগ বৃদ্ধি এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় বিভিন্ন জরিপে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার অনেক এগিয়ে থাকার তথ্য তুলে ধরে ইআইইউর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে অসাধারণ অগ্রগতির পাশাপাশি ভোটের মাঠে একটি কার্যকর বিরোধী শক্তির অনুপস্থিতির কারণে বিএনপি বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ গড়ে তুলতে পারবে না বলেই ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট মনে করছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি বিনিয়োগপ্রাপ্তি অব্যাহত রাখা, এবং দেশের অর্থনীতিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা বাড়াতে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয় পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আর আওয়ামী লীগ সেই জয় পেলে আগামী দিনগুলোতে বঙ্গোপসাগরের তীরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভৌগলিক অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ প্রতিবেশী ভারত, চীন ও জাপানের কাছ থেকে আরও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আদায় করে নিতে পারবে বলে ধারণা করছে ইআইইউ। অবশ্য রোহিঙ্গা সঙ্কটকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কোন্নয়নের আশু কোনো সম্ভাবনা ইআইইউ দেখছে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে পাঁচ বছরের পূর্বাভাস ইআইইউ দিচ্ছে, তার প্রথম ভাগে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিষয়টি বড় একটি সমস্যা হিসেবেই থেকে যাবে বলে তারা মনে করছে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
কেউ অধিকার বঞ্চিত হয় না নৌকায় ভোট দিলে: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের উন্নয়ন তৃণমূলের উন্নয়ন, নৌকায় ভোট দিলে কেউ কোনোদিন অধিকার বঞ্চিত হয় না বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে সবার সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, দেশে কোনো দরিদ্র থাকবে না, বেকার থাকবে না। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে শেখ লুৎফর রহমান কলেজ মাঠে জনসভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে আবারও দেশের সেবা করার সুযোগ চান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা আমার একমাত্র লক্ষ্য। ২০১৪ সালে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল বলে সারাবিশ্বে বাংলাদেশে আজ উন্নয়নের রোল মডেল। দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আগুন সন্ত্রসীদের ক্ষমতায় আসার পথ বন্ধ করুন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার ছোটবোন শেখ রেহানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ ও ফেরদৌস। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান প্রমুখ। এ নির্বাচনী জনসভার মধ্য দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি। এদিন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান। দুপুরে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান। এরপর সেখান থেকেই তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন। বুধবার দুপুর ২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান। সেখানে প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন। পরে পৈতৃক বাড়িতে দুপুরের খাবার শেষে নির্বাচনী সভায় অংশ নিতে কোটালীপাড়ায় যান। বৃহস্পতিবার সড়কপথে ঢাকায় ফেরার পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গা মোড়, ফরিদপুর মোড়, রাজবাড়ী মোড়, পাটুরিয়া ফেরিঘাট, মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, ধামরাই রাবেয়া মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল মাঠে ও সাভার বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলেও একটি সূত্রে জানা গেছে।
বারবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি, মৃত্যুকে ভয় করিনি: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাকে মারার জন্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করা হয়। বারবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি, মৃত্যুকে ভয় করিনি। কখনো ষড়যন্ত্রকে ভয় করিনি। আমার নিজের আত্মবিশ্বাস ছিল। তিনি বলেন, ‘আমার বাবার মতো বাংলার মানুষের জন্য কাজ করছি। আমার লক্ষ্য ছিল বাংলার মানুষের জন্য স্বাধীনতার সুফল নিশ্চিত করা। এ কারণে যতই ষড়যন্ত্র হোক আমি ভয় পাই না। বুধবার কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমাকে মারার জন্য কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে রাখা হয়েছিল। যে বোমা পুঁতেছিল সেও কোটালীপাড়ার সন্তান। কিন্তু যে বোমা খুঁজে পেয়েছিল সেও একজন চায়ের দোকানদার। আমি ওই সময় প্রাণে বেঁচে গিয়েছি। সে চা দোকানদার বোমা উদ্ধার করেছিল আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এর আগে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে শেখ হাসিনা জনসমাবেশ স্থলে আসেন। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের জনসংযোগ শুরু হওয়ার পর এটিই সংগঠনের সভাপতি শেখ হাসিনার প্রথম জনসভা। জনসভায় সভাপতিত্ব করছেন কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র জয়ধর। সভা পরিচালনা করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আয়নাল হোসেন। এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়ক পথে টঙ্গীপাড়ায় যান বঙ্গবন্ধুকন্যা। সেখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান এবং দোয়ায় অংশ নেন শেখ হাসিনা। ফেরার পথে বেশ কয়েকটি নির্বাচনী পথসভায় অংশ নেবেন তিনি।

জাতীয় পাতার আরো খবর