উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালকদের যে নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
৯এপ্রিল,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনরায় ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে আবাদি জমি, ক্ষুদ্রচাষি ও বর্গাচাষিদের জমি পারত পক্ষে না নেওয়ার নির্দেশনাই ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যতটা সম্ভব জমি না অধিগ্রহণ করেই উন্নয়নের চেষ্টা করবেন। যদি একান্তই না পারেন তবে ভূমির দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে এবং যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেই অধিগ্রহণ করবেন বলে সাফ জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, শিল্পায়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ান সম্ভব নয়। তবে শিল্পায়নের নামে অবাধে আবাদি জমি অধিগ্রহণ করবেন না। তবে জাতীয় স্বার্থে একান্ত বাধ্য হয়ে তা যদি করতে হয়, তাহলে জমির মালিককে কয়েকগুণ দাম এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেই তবে নিতে হবে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ বিষয়ের (আবাদি জমি) উপর জোরালো নির্দেশনা দেন তিনি। এছাড়াও উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকদের প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় থেকে দায়িত্ব পালনেরও নির্দেশ দেন। বৈঠকে মিরসরাইয়ে ভারতীয় অথনৈতিক অঞ্চল স্থাপন প্রকল্পসহ মোট ৭টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক। মোট ১৮ হাজার ১৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে চলতি অর্থবছরের ২০তম একনেক সভায় এ প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়। নতুন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে আখাউড়া সিলেট সেকশনের মিটারগেজ রেললাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ, খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের নতুন কার্যালয় ভবন ও অডিটোরিয়াম নির্মাণ।
ক্ষতিপূরণ নয়, বীর সোহেলের পরিবার চাকরি পাবে
৯এপ্রিল,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিকিৎসাধীন মারা যাওয়া ফায়ার সার্ভিসকর্মী সোহেল রানার পরিবারে কে ক্ষতিপূরণ নয়, উপযুক্ত কেউ থাকলে তাকে চাকরি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদর দফতরে সোহেল রানার প্রথম জানাজা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফায়ারম্যান সোহেল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। ফায়ার সার্ভিসসহ আমরা সবাই তার পরিবারের প্রতি লক্ষ রাখব। তার পরিবারে যদি উপযুক্ত কেউ থাকে তাকে একটি চাকরি দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সোহেল রানার পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ক্ষতিপূরণ নয়, আমরা তার পরিবারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। ইতিমধ্যে ফায়ার সার্ভিস তাকে সহযোগিতা করেছে, প্রধানমন্ত্রীও সহযোগিতা করবেন। ভবিষ্যতে আপনারা তা দেখতে পারবেন। সোহেলের সাহসী উদ্ধার অভিযান নিয়ে মন্ত্রী বলেন, সোহেল রানা মানুষকে ভালোবাসতেন, দেশকে ভালোবাসতেন- এর প্রমাণ তিনি রেখে গেছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এফআর টাওয়ারে উদ্ধার করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। তার মৃত্যুতে গোটা জাতি শোকাহত। তার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। সোহেল রানার চিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে তাকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার চেষ্টা করেছি। প্রথমে তাকে সিএমএইচে নেয়া হয়েছে, এর পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। প্রসঙ্গত ২৮ মার্চ বনানীর এফআর টাওয়ারের ভয়াবহ আগুনে ঘটনাস্থলে ২৫ জন ও হাসপাতালে একজন নিহত হন। আগুনের ঘটনায় উদ্ধার অভিযানে গিয়ে আহত ফায়ার সার্ভিসকর্মী সোহেল রানা সিঙ্গাপুরে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা গেছেন। সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।
না ফেরার দেশে চলে গেলেন সেই ফায়ারম্যান সোহেল রানা
৮এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অন্যের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবন বাজি রাখা ফায়ার কর্মী সোহেল রানা মারা গেছেন। সিঙ্গাপুর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়ার অফিসার খুরশিদ আনোয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কখন সোহেল রানার মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কে কিছুই জানাতে পারেননি তিনি। এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয় সোহেল রানাকে। পরে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে দেখাশোনা করার জন্য ফতুল্লা ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার রায়হানুল আশরাফ তার সঙ্গে ছিলেন। গত ২৮ মার্চ বনানীর এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। যা কেড়ে নেয় ২৬ জনের প্রাণ, আহত হন কমপক্ষে ৭০ জন। অগ্নিকাণ্ডের পর কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের ফায়ারম্যান সোহেল রানা ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের উঁচু ল্যাডারে (মই) উঠে আগুন নেভানো ও আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার কাজ করছিলেন। এক পর্যায়ে সোহেলের শরীরে লাগানো নিরাপত্তা হুকটি মইয়ের সঙ্গে আটকে যায়। তিনি মই থেকে পিছলে পড়ে বিপজ্জনকভাবে ঝুলছিলেন। এ সময় তার একটি পা ভেঙে যায়। পরে তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেয়া হয়।
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নির্ভর যেকোনো ধরনের নাটক-প্রতিযোগিতার জন্য অনুমতির প্রয়োজন নেই
৭এপ্রিল,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নির্ভর যেকোনো ধরনের নাটক নির্মাণ, লেখালেখি এবং ক্রীড়ানুষ্ঠান/টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কোনও প্রকার অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধনীর ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবনে অনুষ্ঠিত ট্রাস্টের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ট্রাস্টের চেয়ারপারসন বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় ট্রাস্টের সমাজ কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা ও ট্রাস্টের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ আরও দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। আগের সভায় গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়েও সভায় পর্যালোচনা করা হয় এবং বিভিন্ন উপ-কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। সভায় ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ এ এম রফিকের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়। সভায় ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের শহিদ সদস্যদের নামে ১৩টি প্রতিষ্ঠানের নামকরণ এবং মোট ৫০ হাজার ২শ টাকা শিক্ষা বৃত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। সভায় অন্যদের মধ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, বঙ্গবন্ধুর পৌত্র রাদোয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন, নূর-ই-আলম লিটন চৌধুরী ও সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমানসহ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সরকার দেশের ফুটবলের উন্নয়নে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে: প্রধানমন্ত্রী
৪এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের ফুটবলের আরও উন্নয়নে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- ফুটবল জনপ্রিয় খেলা। এই খেলার আরও উন্নয়নে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। আমরা প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম করছি যাতে করে আমাদের ছেলে-মেয়েরা সেখানে অনুশীলন করতে পারে। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৮ এর বিজয়ীদের মধ্যে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা চাই দেশের ছেলে-মেয়েরা তাদের মানসিকভাবে সুস্থ ও শারীরিকভাবে ফিটনেস ধরে রেখে এবং শৃঙ্খলা অর্জন করে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেবে। শেখ হাসিনা বলেন, এমন বড় একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে বাংলাদেশ বিশ্ব ইতিহাসে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ৬৫ হাজার ৭৯০টি স্কুলের ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫১৫ জন ছাত্র বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৮ তে অংশ নেয়। অন্যদিকে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৮ তে ৬৫ হাজার ৭০০ স্কুলের ১১ লাখ ১৬ হাজার ৯০০ ছাত্রী অংশ নেয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ভিআইপি লাউঞ্জে বসে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করেন। ফাইনালে রংপুর বিভাগের লালমনিরহাটের তেপুরগাড়ি বিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে ময়মনসিংহ বিভাগের নান্দাইলের পাঁচরুখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের ফাইনালে সিলেট বিভাগের জৈয়ন্তাপুরের হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রংপুর বিভাগের নীলফামারীর দক্ষিণ কানাইলঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে। বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপের ফাইনাল ম্যাচ যথাক্রমে বেলা দেড়টা ও বিকাল সাড়ে ৩টায় অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ টুর্নামেন্ট ২০১০ সালে শুরু হয়। অন্যদিকে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ শুরু হয় ২০১১ সালে। দুই টুর্নামেন্টই যথাক্রমে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয় এবং সমাপ্তি ঘটে জাতীয় পর্যায়ে ফাইনালের মাধ্যমে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় টুর্নামেন্ট দুটি আয়োজন করে।
বিশ্বের দ্রুতগতির উন্নয়নশীল পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক
৪এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিল্পখাতের উন্নয়ন ছাড়াই বিশ্বের দ্রুতগতির উন্নয়নশীল পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। এমন পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রকাশ করেছে। এ উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন হয়। এতে প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন। বক্তব্য দেন কান্ট্রি ডিরেক্টর রবার্ট জে সউম। সংস্থাটি বলেছে, এ বছর প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে বাকি চারটি দেশ হলো ধারাবাহিকভাবে ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা, ভুটান এবং ভারত। জিবুতি, আইভরি কোস্ট ও ঘানার সঙ্গে পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। এসময় তিনি বলেন, আমরা একটা টেকসই প্রবৃদ্ধির কথা বলছি। যেটা হবে ৭ শতাংশের বেশি। এটা ধরে রাখতে দেশকে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হবে। একদিকে, ডলারের অবমূল্যায়ন, অন্যদিকে, বেক্সিট ইস্যু, চীনের অর্থনীতি, চীন-আমেরিকা সম্পর্ক ইত্যাদি। তবে আমাদের যদি ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে যেতে হয়, তাহলে এখানে ভালো বিনিয়োগ থাকতে হবে। ব্যক্তি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। মানবসম্পদকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি আর্থিকখাতে সংস্কার আনতে হবে। তবে বিশ্ব ব্যাংক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা বললেও সরকার দাবি করছে, দেশে বছর শেষে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এশিয়া ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) আর বিশ্ব ব্যাংকের মত একই। জাহিদ হোসেন বলেন, শক্তিশালি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে আর্থিক স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীলতা রাখতে হবে। একইসঙ্গে রাজস্ব বাড়াতে হবে। মনে রাখতে হবে রাজস্বখাতে লক্ষে পৌঁছাতে না পারায় প্রতি বছর ঘাটতি বাজেট বাড়ছে। তার মতে, রাজস্ব না বাড়ায় কারণ হতে পারে, হয় রাজস্ব আইন যুগোপযোপী না অথবা প্রশাসনের দুর্বলতা।
চালকদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে: মেয়র মো. আতিকুল
৪এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালকদের ডোপ টেস্ট করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)-এর মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, চালকদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। ডোপ টেস্ট ছাড়া কোনও চালক মাঠে নামতে পারবে না। এই পরীক্ষার মাধ্যমে চালক নিয়োগ দেয়া হলে তারা আর নেশা জাতীয় অপরাধের সঙ্গে জড়াতে পারবে না। তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য কিছুদিন সময় চেয়েছেন মেয়র। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে ডিএনসিসি এর কনফারেন্স রুমে সরকারি অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। সড়ক দুর্ঘটনায় বিইউপি শিক্ষার্থী আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের ধারাবাহিতায় এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ওই সভায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল, বিআরটিএ-কে দালালমুক্ত করা, চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানোর পরিবর্তে চালকদের বেতন কাঠামোর আওতায় আনা, বাস স্টপেজ, রোড সাইন কার্যকর করা, গণ পরিবহনের সংখ্যা বাড়ানো, ছাত্র-ছাত্রীদের অর্ধেক ভাড়া নিশ্চিত করা, হালকা যানবাহনের লাইসেন্স নিয়ে ভাড়ি যানবাহন চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ফুট ওভার ব্রিজ না করে জেব্রা ক্রসিং ব্যবহারে জোর দেওয়া। এসব দাবির প্রেক্ষিতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান বলেন, আমরা বিআরটিএ-কে দালালমুক্ত করতে এরই মধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করেছি। তারা সার্বক্ষণিকভাবে বিআরটিএ-তে কাজ করছেন এবং অনেক দালালকে শাস্তি দিয়েছেন। এসময় ছাত্রদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দালালদের শাস্তি দিলেও কর্মকর্তাদের কেন দেওয়া হচ্ছে না। এসময় তিনি বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটরা আমাদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবেন। পরে ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে বিআরটিএর অভিযানে ছাত্রদের যুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় ছাত্রদের দাবি এবং অন্যান্য সংস্থার সিদ্ধান্ত নিয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চালকদের ডোপ টেস্টরে আওতায় নিয়ে আসছি। এটা করতে পারলে সড়কে শৃঙ্খলা অনেকটাই ফিরে আসবে। এজন্য কিছুদিন সময় চেয়ে মেয়র বলেন, আমি দক্ষিণের মেয়রের সঙ্গে কথা বলবো, বাসমালিক ও চালকদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। মেয়র আরো বলেন, আমরা অনেকগুলো কাজ শুরু করেছি। তার মধ্যে লাল রং দিয়ে বাস স্টপেজ লেখা নিশ্চিত করা হবে। জেব্রা ক্রসিং, পুস বাটন ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হবে। এবার শুধু জেব্রা ক্রসিং নয়, ফ্লাস লাইট সিস্টেমও চালু হবে। এছাড়া প্রগতি স্মরণীকে মডেল সড়কে রূপান্তর করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান মেয়র। আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চাই সবাই মিলে কাজ করতে। সেজন্য আমরা সবকিছু জবাব দিহিতার আওতায় নিয়ে এসেছি। আজ ছাত্ররা সরাসরি প্রশ্ন করতে পারছে এবং সেই প্রশ্নের উত্তরও পাচ্ছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আব্দুল হাই, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক বিভাগ) মীর রেজাউল আলম, বিআরটিএ পরিচালক (রোড সেফটি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী প্রমুখ।
রাজধানীর কামারপট্টি বাজারে আগুন,প্রায় ৪০টি দোকান পুড়ে ছাই
৪এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচে কামারপট্টি বাজারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের প্রায় আড়াই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় ভোর সোয়া ৫টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে খিলগাঁও বাজারে সহস্রাধিক দোকানের মধ্যে আনুমানিক ৪০টি দোকান পুড়ে গেছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক (অপারেশন এন্ড মেইনটেনেন্স) দিলীপ কুমার ঘোষ। বুধবার (৩ এপ্রিল) মধ্যরাত ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে খিলগাঁও বাজারে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টাতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দিলীপ কুমার ঘোষ বলেন, ভোর ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও তা পুরোপুরি নিভেছে ৫টা ৩৫ মিনিটের দিকে। এই বাজারে ছোট ছোট প্রায় ১৩শ দোকান ছিল। তার মাঝে আনুমানিক ৪০টির মতো দোকান পুড়েছে। এদিকে এখনো পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। এই ঘটনায় এখনো কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রমজানে নিত্যপণ্যের দাম না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৩এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন রমজানে তেল ও চিনিসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সামনে রোজা। এই সময় তেল, ছোলা, চিনিসহ নিত্যপণ্যের দাম যাতে না বাড়ে, সেজন্য আমি আপনাদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত সরবরাহ যেন থাকে, সে বিষয়টিও আপনাদের দেখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বুধবার সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী ১১টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্বোধন এবং ১৩টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ ৬৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে ভাষণে একথা বলেন। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কতৃর্পক্ষর (বেজা) আওতাধীন বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১৬টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু, ২০টি নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ৫টি চলমান কাজের শুভ উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ফসলি জমি নষ্ট না করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ সঙ্গে সঙ্গে দিতে হবে। একইসঙ্গে তাদের বিকল্প জায়গার ব্যবস্থাও করতে হবে সংশ্লিষ্টদের। তিনি বলেন, আমরা ফসলি জমি নষ্ট করব না। মানুষের জন্য কাজ করি, সেই মানুষকে কষ্ট দেয়ার জন্য নয়। এক্ষেত্রে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাদের যেন কোন কষ্ট না হয়। সেদিকে নজর দিতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুই প্রথমে বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তুলেছেন। এজন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাঙালিদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না। আজ বাঙালিদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারে নাই। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ ভিডিও কনফারেন্স সঞ্চালনা করেন। ভিডিও কনফারেন্সে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরী মিরেরসরাই, মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোমনিক জোন সোনারগাঁও নারায়ণগঞ্জ, মৌলভীবাজার শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল, সিটি ইকোনমিক জোন রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন এবং মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার জনগণ, উপকারভোগী এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেনের সঞ্চলনায় মীরসরাই প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণ সমাজ দেশে বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের উদ্যোগ গ্রহণ করে যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে আমি তাদের উদ্যোগের প্রশংসা করি। তার সরকারের উন্নয়ন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা উৎপাদিত পণ্যের বাজার সৃষ্টির জন্য আমি কেবল রপ্তানির ওপর নির্ভর করতে পারি না, দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যেন বাড়ে এবং দেশে যেন আমাদের বাজার সৃষ্টি হয় সে পদক্ষেপও আমরা নিয়েছি। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ করে আমরা সারা বাংলাদেশে ডিজিটাল সেন্টার করে দিয়েছি। এর ফলে এখন ক্রয়-বিক্রয় থেকে শুরু করে সবকিছু ঘরে বসেই মানুষ অনলাইনে সারতে পারছে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে দেশের পোস্ট অফিসগুলোকেও তার সরকার আধুনিকায়ন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অর্থাৎ সমগ্র বাংলাদেশটাকে নিয়ে আমরা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্য স্থির করেছি। আপনারা যারা আজ দেশের শিল্পায়নের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তারা এর সুফল পাচ্ছেন। এ সময় আঞ্চলিক কানেকটিভি জোরদারে তার সরকারের বিবিআইএন (বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল) এবং বিসিআইএন-ইসি (বাংলাদেশ, চীন, ভারত, মিয়ানমার) পদক্ষেপসমূহও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানটা এমন চমৎকার একটা জায়গায় যেখান থেকে প্রয়োজন পূর্ব-পশ্চিম এবং উত্তর-দক্ষিণ-সবখানেই যাওয়া যায়। এসব জায়গাতেই একটি ভালো বাজার পাবার সুযোগটা আমাদের রয়েছে। সে যোগাযোগটাও আমরা স্থাপন করেছি। পায়রায় নতুন সমুদ্র বন্দর তৈরিতে তার সরকারের উদ্যোগও তুলে ধরেন সরকার প্রধান। তিনি বেসরকারি খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসা উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারের কাজ হচ্ছে অবকাঠামোগত যে সুযোগগুলোর একান্ত প্রয়োজন সেই সুযোগটা সৃষ্টি করে দেয়া। এসবের ফলে দেশের মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে, দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি জনগণের জীবন-মানের উন্নয়ন হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সরকার প্রধান বলেন, এ দেশের কোন তরুণ বেকার থাকবে না। তারা প্রশিক্ষণ পাবে, উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে যার ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি, পাশাপাশি শিক্ষার ব্যবস্থাও করে দিচ্ছি এবং তরুণদের জন্য বহুমুখী এবং বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় আমরা করে দিচ্ছি। প্রশিক্ষিত জনবল সৃষ্টি করাই তার সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এর পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধির কাজও সরকার করে যাচ্ছে। সারাদেশে একশ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন,এর আগে আমি ১০টি অর্থনৈাতক অঞ্চল করে দিয়েছি। আজকে আরো ১১টি করা হলো এবং ১৩টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হলো। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের জন্য সাহস করে যারা বাংলাদেশে এসেছেন তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। আমি মনে করি এটা আামাদের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখবে। তিনি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ইনশাল্লাহ বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি লাভ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই মর্যাদাকে ধরে রেখে বাংলাদেশকে আমাদের উন্নত-সমৃদ্ধশালী করে গড়ে তুলতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ, সেই লক্ষ্য আমরা স্থির করেছি। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী, ২০২১ সালে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী আমরা উদযাপন করব। তখন বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ। আমরা ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য তার সরকার পঞ্চবার্ষিক এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবং ডেল্টা পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।-আলোকিত বাংলাদেশ

জাতীয় পাতার আরো খবর