শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
ছাত্রী ধর্ষণ : দোষীদের শাস্তির দাবিতে ক্ষোভে উত্তাল ঢাবি
০৬জানুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষিত হওয়ার প্রতিবাদে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা ক্যাম্পাস। গতকাল রোববার দিবাগত রাতেই দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এ ঘটনায় আজ সোমবার বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ধর্ষণের প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বেলা ১১টায় সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিশাল মানববন্ধন করে তারা। এ সময় ধর্ষণের প্রতিবাদ ও বিচার চেয়ে নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড-ব্যানার ছিল তাদের হাতে। অন্যদিকে ছাত্রী নির্যাতন ও ধর্ষণে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এ ছাড়া ছাত্রী নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাবি শামসুন নাহার হলের ভিপি তাসনীম আফরোজ ইমির আহ্বানে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীদের আরেকটি অংশ। এদিকে ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের এক ছাত্র একাই অনশনে বসেছেন বলে জানা গেছে। অনশনে বসা ওই ছাত্রের নাম সিফাতুল ইসলাম। তিনি দর্শন বিভাগের ২০১৩/১৪ সেশনের ছাত্র। পরে তার সঙ্গে যোগ দেন আর কয়েকজন শিক্ষার্থী। সেখানে ব্যানারে লেখা রয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে অনশন। সিফাতুল ইসলাম বলেন,আমাদের বোন ধর্ষণের শিকার হয়েছে তার প্রতিবাদে আমরা অনশন পালন করছি। আমরা দ্রুত ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় কুর্মিটোলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী। জানা গেছে, গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শেওড়া যাওয়ার উদ্দেশে ঢাবির বাসে ওঠেন ওই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেওড়ার বিপরীত পাশে কুর্মিটোলায় বাস থেকে নামেন তিনি। সেখানে অজ্ঞাত ব্যক্তি মুখ চেপে তাকে পাশের একটি স্থানে নিয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে নির্জন স্থানে আবিষ্কার করেন। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় গন্তব্যে পৌঁছান ওই ছাত্রী। পরে রাত ১২টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করান তার সহপাঠীরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত আছেন। আর সুচিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
সাবেক প্রধান বিচারপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
০৫জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এস কে সিনহা) পলাতক ১১ আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পরোয়ানা কার্যকরের বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে আগামী ২২ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েস তাদের বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন। মামলায় মোট ১১ আসামীর মধ্যে সাবেক ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড) নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতীর (বাবুল চিশতী) অন্য মামলায় কারাগারে আছেন। এর আগে গত ৯ই ডিসেম্বর ১১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়।www.mzamin.com
পুলিশ সপ্তাহে ১১৮ জনকে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
০৫জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেবা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য পুলিশ সপ্তাহে ১১৮ জনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৫ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর রাজারবাগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশ সপ্তাহ-২০২০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই পদক ও ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পদকপ্রাপ্তরা হলেন- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, (ডিএমপির উপ-কমিশনার জামিল হাসান, উপ-কমিশনার শ্যামল কুমার মুখার্জী, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মশিউর রহমান, ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার শাহ ইফতেখার আহমেদ, ডিবি দক্ষিণের উপ-কমিশনার রাজীব আল মাসুদ, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আর এম ফয়জুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আরিফুল ইসলাম, ডিবি পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আতিকুল ইসলাম, ডিএমপির মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার জাহিদুল ইসলাম সোহাগ, ডিএমপির গেন্ডারিয়া থানার ওসি সাজু মিয়া, ডিএমপির আরওআই কাইয়ুম শেখ, শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান, ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম, শ্যামপুর থানার এসআই সোহাগ চৌধুরী ও এএসআই মাসুম বিল্লাহ। একনজরে পদকপ্রাপ্তদের তালিকা- কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মিশুক চাকমা, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এসএম নাজমুল হক, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মাহফুজা লিজা, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রহমত উল্লাহ চৌধুরী, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আহসান হাবীব, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার তৌহিদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার অহিদুজ্জামান নুর, সহকারী কমিশনার আতিকুর রহমান চৌধুরী, সহকারী পুলিশ কমিশনার ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ, পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ, এসআই আশুতোষ শীল, এএসআই সোলাইমান হোসেন, নায়েক মোহাম্মদ রাসেল মিয়া ও কনস্টেবল সালমান হাজারী। Rapid Action Battalion এর মহাপরিচালক ড. বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার, সদর দফতরের লে. কর্নেল মীর আসাদুল আলম, পরিচালক (গোয়েন্দা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব আলম, RAB-6এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ মোহাম্মদ নূরুস সালেহীন ইউসুফ, RAB-15এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ, RAB-2 এর পুলিশ সুপার মুহম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী, RAB এর গোয়েন্দা শাখার মেজর শাহীন আজাদ, RAB হেডকোয়ার্টার্সের উপ-পরিচালক মেজর এসএম সুদীপ্ত শাহীন, RAB এর গোয়েন্দা শাখার মেজর মনিরুল ইসলাম, মেজর মাহমুদ হাসান তারিক, RAB-8 এর মেজর খান সজিবুল ইসলাম, RAB-11এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন, RAB এর গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদ আহম্মেদ, RAB-1 এর সহকারী পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন ও সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান, RAB হেডকোয়ার্টার্সের সার্জেন্ট শহীদুল ইসলাম ও RAB-1 এর সৈনিক রাকিব হোসেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি মহাবুবুর রহমান ভুইয়া, এআইজি এ এফ এম আনজুমান কালাম, এআইজি তামান্না ইয়াসমীন, এআইজি মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম, এআইজি মিলন মাহমুদ, পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুল হুদা আশরাফী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ নেওয়াজ রাজু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরে আলম, পরিদর্শক জিয়াউর রহমান ও এসআই সোহাগ মিয়া। পুলিশের বিশেষ শাখা-এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম, বিশেষ পুলিশ সুপার জেরিন আখতার, বিশেষ পুলিশ সুপার জাহিদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম মিয়া, পুলিশ পরিদর্শক কাওছার আহম্মেদ, পরিদর্শক ইউনুস আলী শেখ, এসআই মনিরুজ্জামান ও এএসআই মোহাম্মদ মোহন মিয়া। পিবিআই-এর ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার, পিবিআই যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন, পিবিআই ফেনী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, পিবিআই গাজীপুর জেলার পরিদর্শক হাফিজুর রহমান ও পিবিআই ফেনী জেলার পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহ আলম। পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম, ১১ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান-এর অধিনায়ক শাহীন আমীন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ-জিএমপির উপ-কমিশনার কে এম আরিফুল হক ও জিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মনজুর রহমান, বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আরিফুর রহমান মন্ডল, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা রেজা, সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন ফাহিম, গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন, হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, নরসিংদীর সহকারী পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসান, এসএসএফ-এর এএসপি মিরাজুল ইসলাম, সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল চাকমা, বরিশাল হিজলা নৌপুলিশের পরিদর্শক বেলাল হোসেন, শরীয়তপুরের ডামুড্যা থানার ওসি মেহেদী হাসান, বাগেরহাটের পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রামের রাউজান থানার ওসি মোহাম্মদ কেপায়েত উল্লাহ, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-সিএমপির পুলিশ পরিদর্শক রাজেস বড়ুয়া, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এইচ এম আব্দুর রহমান মুকুল, সিআইডির পরিদর্শক ইব্রাহিম হোসেন, চট্টগ্রামের ডাবলমুরিং থানার এসআই মোস্তাফিজুর রহমান, রংপুরের তাজহাট থানার এসআই মামুনুর রশীদ, ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই আক্রাম হোসেন, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ফিরোজ সরকার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নারী ও শিশু সহায়তা কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই ইসমাতারা, সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ইয়াছিন আরাফাত, মানিকগঞ্জ সিংগাইর থানার এসআই আল মামুন, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই জুলহাজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ তাড়াইল থানার এসআই রাজীব আহম্মেদ, টাঙ্গাইল দেলদুয়ার থানার এসআই হারুন অর রশিদ, বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই ওয়াদুদ আলী, ঢাকা জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই বিলায়েত হোসেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই মাইনুল ইসলাম, বগুড়া শেরপুর থানার এএসআই নান্নু মিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডিবির এএসআই বিকাশ চন্দ্র সরকার, বগুড়া ডিবির এএসআই রানা হামিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার এএসআই আনোয়ার হোসেন, হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিওন এএসআই মরহুম আক্তার হোসেন, ঝিনাইদহ জেলার এএসআই শরিফুল ইসলাম, নৌ পুলিশ ঢাকার কনস্টেবল জীবন সিকদার ও খাগড়াছড়ির মহালছড়ির-৬ এপিবিএন-এর কনস্টেবল ফয়সাল আহমেদ। প্রধানমন্ত্রীর অভিবাদন গ্রহণের মধ্য দিয়ে আজ শুরু হয় পাঁচ দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২০। মুজিববর্ষের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতারএ প্রতিপাদ্য নিয়ে পুলিশ সপ্তাহ পালন হচ্ছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে সারা দেশের বিভিন্ন পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত দৃষ্টিনর্ন্দন প্যারেড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। এরপর পুলিশ বাহিনীর সদস্যকে বিপিএম, পিপিএম ও আইজিপি পদক দেন। সেবা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য পুলিশ সপ্তাহে চারটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদকের (পিপিএম) জন্য তুলে দেন। এ ছাড়া প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর আইজিপিস এক্সেমপ্ল্যারি গুড সার্ভিসেস ব্যাজ প্রদান করেন। পুলিশবাহিনীর দৃষ্টিনন্দন ও সুশৃংখল প্যারেড মুগ্ধ করেছে বলেও অনুভূতি ব্যক্ত করেন তিনি সূত্র: সারাবাংলা
কেরানীগঞ্জে কেমিকেল বিস্ফোরণ: আগুন নিয়ন্ত্রণে, আহত ১০
০৫জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব বন্দডাকপাড়া আবাসিক এলাকায় রবিবার দুপুর ১২ টায় মারুক আহমেদের কেমিকেল গোডাউনে বিস্ফারণ হওয়ার পর অবশেষে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নেভাতে গিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী বর্ণনা থেকে জানা যায়, বিস্ফারণে গোডাউনের টিনের চাল উড়ে যায়। এলাকাবাসী এ সময় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে তিনটি ইউনিট ঘটনা স্থালে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীদের সহযোগিতায় ও তাদের চেষ্টায় দ্রুত আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে। এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায়, তারা নিজেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেমিকেল গোডাউনের আগুন নেভাতে সাহায্য না করলে ওই এলাকায় প্রায় ৫০ বাড়ি আগুনে পুড়ে যেত। এ ক্ষেত্রে প্রাণহানির সম্ভাবনা ছিলো বলে জানান তারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, বিস্ফোরণে গোডাউনের প্রায় এক হাজার ফুটের মধ্যে থাকা সকল বাড়ি-ঘর এবং একটি মসজিদের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের পর কেমিকেল ব্যবসায়ীরা কেরানীগঞ্জের আতাশুর, কালিন্দী, ডাকপাড়া, চুনকুটিয়া সহ ১২ টি আবাসিক এলাকায় এরকম ৫০টি কেমিকেলের গোডাউন রয়েছে। এ নিয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ইত্তেফাক পত্রিকায় কেরানীগঞ্জ আবাসিক এলাকায় রাসায়নিক গোডাউন, এলাকাবাসী আতংকিত শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর সরকার কেরানীগঞ্জের আবাসিক এলাকা থেকে কেমিকেল গোডাউন সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিলেও স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশ এখনো কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এলাকাবাসীর দাবি, সরকার যেন দ্রুত কেরানীগঞ্জের আবাসিক এলাকা থেকে সব কেমিকেল সরিয়ে নিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
রবিকে ১৩৮ কোটি টাকা পাওনা পরিশোধের নির্দেশ
০৫জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পাওনা ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকার মধ্যে আপাতত ১৩৮ কোটি টাকা পরিশোধ করতে বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর রবি অজিয়াটারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাঁচ মাসে সমান পাঁচটি কিস্তিতে এ টাকা দিতে বলা হয়েছে। রোববার (৫ জানুয়ারি) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রবির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী, আইনজীবী তানজীব উল আলম ও ব্যারিস্টার কাজী এরশাদুল আলম। আর বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন খন্দকার রেজা-ই-রাকিব। পরে কাজী এরশাদুল আলম জানান, পাঁচ মাসের সমান কিস্তিতে ১৩৮ কোটি টাকা দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। প্রথম কিস্তি ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দিতে হবে। গতবছরের ২০ অক্টোবর কাজী এরশাদুল আলম জানিয়েছিলেন, গত বছরের ৩১ জুলাই ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা দাবি করে বিটিআরসি রবিকে চিঠি দিয়েছিল। পরে রবি ওই চিঠির বিষয়ে নিম্ন আদালতে টাইটেল স্যুট (মামলা) করে। একই সঙ্গে ওই মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থ আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করে। পরে নিম্ন আদালত রবির অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে রবি। ২০ অক্টোবর রোববার হাইকোর্ট আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন।
পুলিশের অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে
০৫জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,দেশে পুলিশের অবদান ইতিহাসে সবসময় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। পুলিশ বাহিনী প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে সাহসিকতা ও দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। বিশেষ করে সড়ক নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। পথচারীসহ সকলের চলাচলে ট্রাফিক পুলিশ অক্লান্ত পরিশ্রম করছে। রোববার রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পুলিশ সপ্তাহ-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার মূল প্রতিপাদ্য ধারণ করে প্রতিবারের ন্যায় এবারও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় শুরু হয়েছে পুলিশ সপ্তাহ। ৫ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ছয় দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহে নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি। অনুষ্ঠানে সকাল সাড়ে নয়টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে তাকে ছালাম জানানো হয় এবং একই সঙ্গে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খোলা জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রী পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) স্টল পরিদর্শন করেন এবং পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কল্যাণ প্যারেডে অংশগ্রহণ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে জনগণ তাৎক্ষণিক সুবিধা পাচ্ছেন। ফায়াস সার্ভিস কর্মীরাও বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। সরকারপ্রধান আরও বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি তারাই ২১ বছর সরকারে ছিল। এ সময় তারা দেশের উন্নয়ন করতে পারেনি। আওয়ামী লীগ সরকারে এসে দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে কাজ শুরু করে। এ সময় পুলিশের প্রত্যেকটি কাজে সাহসিকতা ও দক্ষতা দেখেছি। বিএনপি জামায়াতের জ্বালাও পোড়াওয়ের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, পুলিশ বাহিনী তাদের জীবনবাজী রেখে দেশের মানুষ ও জাতীয় সম্পদ রক্ষা করেছে। এজন্য আমি পুলিশ বাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বাংলাদেশ থেকে আমরা জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতি দূর করবো এবং তাই সরকার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। মাদক, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে বিভিন্ন বিদেশি বিনিয়োগ আসছে। এই বিনিয়োগ যাতে কোনভাবে বাধাগ্রস্ত না হয় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আর সে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৪ জনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), ২০ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২৮ জনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)- সেবা এবং ৫৬ জনকে রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)- সেবা প্রদান করা হয়।
আবরার হত্যা: পলাতক ৪ আসামিকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
০৫জানুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ (২২) হত্যা মামলায় পলাতক চার আসামিকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. কায়সারুল ইসলাম এ আদেশ দেন। আদালত সূত্র জানায়, গেল ৩ ডিসেম্বর আদালত আবরার হত্যা মামলার পলাতক চার আসামির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেন। কিন্তু আসামিদের ব্যক্তিগত কোনও মালামাল না থাকায় সম্পত্তি ক্রোক করা যায়নি। এরপর আদালত আসামিদের আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। আগামী ১৩ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে। আদালতে হাজির হতে যাদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেয়া হয়েছে তারা হলেন- বুয়েটের ইলেকট্রিক এন্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র মুহাম্মাদ মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল ওরফে জিসান (২২), বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম (২০), বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র মোর্শেদ অমত্য ইসলাম (২২) ও বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র মুজতবা রাফিদ (২১)। চকবাজার থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা মাঝহারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নতুন বছরেই বন্ধ হচ্ছে ২ কোর্স!
০৪জানুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছর থেকেই কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় থাকা মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং কোর্স বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এরপর এককভাবে ওই কোর্সগুলো পরিচালনার সুযোগ পাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি এ-সংক্রান্ত সুপারিশ করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সদ্য সাবেক সচিব ফয়েজ আহম্মদ বলেন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ওই কোর্স দুটি পরিচালনা নিয়ে সমস্যার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এসেছিল। তার নির্দেশ অনুযায়ী সমস্যা সমাধানে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটি আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে একটি যৌক্তিক বিষয়ে উপনীত হতে পেরেছে। সংশ্নিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় ১৯৬২ সাল থেকে মেডিকেল টেকনোলজি কোর্সটি পরিচালিত হয়ে আসছিল। এরপর ২০০৫ সালে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মেডিকেল টেকনোলজি কোর্স পরিচালনা শুরু করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত টেকনোলজি কোর্সে শুধু বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ থাকলেও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ওই কোর্সে সব বিভাগের শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেতেন। কারিগরি বোর্ডের ওই কোর্স চালুর শুরুতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আপত্তি জানিয়েছিল। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয় তখন তা আমলে নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। জটিলতা নিরসনে ২০০৭ সালে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ওয়ান আমব্রেলা কনসেপ্টের মাধ্যমে ওই কোর্স পরিচালনার সুপারিশ করে। কিন্তু সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি। এরপর ২০১৩ সালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আওতায় পাস করা টেকনোলজিস্টরাই শুধু আবেদন করতে পারবে বলে উল্লেখ করা হয়। এতে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা ওই বিজ্ঞপ্তির বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলা করলে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ২০১৬ সালে নভেম্বরে ওয়ান আমব্রেলা কনসেপ্ট বাস্তবায়নের আদেশ দেন। ওই জটিলতার মধ্যেই ২০১২ সালে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড টেকনোলজিস্টের পাশাপাশি নার্সিং কোর্সও পরিচালনা শুরু করে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এরপর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে গড়ায়। বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৭ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ৮ সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিপিটি শাখার অতিরিক্ত সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, আইন ও বিচার বিভাগের উপসচিব, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার, রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের সচিব ওই কমিটিতে ছিলেন। কমিটি গত ২ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিটির সুপারিশে যা আছে: কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং কোর্স বন্ধে সুপারিশ করে কমিটি। একই সঙ্গে আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং সংক্রান্ত সব ধরনের শিক্ষা ওয়ান আমব্রেলা কনেসেপ্টের আওতায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালনার সুপারিশ করে কমিটি। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আধীনে থাকা মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং কোর্স পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়। ওই তালিকা পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদন বাতিল এবং পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ ও নার্সিং কাউন্সিলে নিবন্ধন অন্তর্ভুক্তকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন করে শিক্ষার্থী ভর্তি ও নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ রাখতে সুপারিশ করা হয়। ওই সুপারিশ বাস্তবায়নে ৫ সদস্যের একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সংশ্নিষ্ট শাখার একজন উপসচিব রয়েছেন। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে শেখ ইউসুফ হারুন যোগদান করেছেন। তিনি আগে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। তার সময়েই বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়। শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯৬টি প্রতিষ্ঠানে মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং কোর্স পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। ওইসব প্রতিষ্ঠানে নতুন কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করতে মানা করা হয়েছে। মেডিকেল টেকনোলজি ও নার্সিং কোর্স নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা এতে দূর হবে বলে জানান সচিব।
ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
০৪জানুয়ারী,শনিবার,বিশেষ প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে তিনি উদ্বোধন করেন। বাঙালির স্বাধিকার অর্জনের লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৪৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জন্ম হয়েছিল। উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ও প্রচীন ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭২তম বার্ষিকী উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। সংগঠনটির এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্যভাবে পালন করতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে তিনদিন ব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে ৬টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সব সাংগঠনিক কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৭টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কেক কাটা হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর