বুধবার, এপ্রিল ২১, ২০২১
দেশ এগোতে থাকলেই আঘাত আসার আশঙ্কা থাকে: প্রধানমন্ত্রী
১৬,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যখনই দেশ এগিয়ে যেতে থাকে, মানুষ ভালো থাকার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে, তখনই একটা আঘাত আসার আশঙ্কা থাকে। তেমন কোনো আঘাত মোকাবিলার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। গণভবন থেকে তিনি সভায় ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশে যখন ভালো পরিবেশ সৃষ্টি হলো, ব্যাপকভাবে ফসল উৎপাদন হলো, কল-কারখানা চালু হলো, উন্নয়নের পথে দেশ এগিয়ে যেতে লাগলো, তখনই ১৫ই আগস্টের মতো ঘটনা ঘটলো। আমি আজকে বঙ্গবন্ধুর প্রতি ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সবার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটু স্মরণ করতে চাই। বাংলাদেশের মানুষের যখন ভালো সময় আসে, দেশের মানুষ যখন ভালো থাকে, যখন মানুষের জীবনের মান একটু উন্নত হয়, তখনই আঘাত আসার আশঙ্কা থাকে। তাই সবাইকে একটু সতর্ক থাকা দরকার। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে করোনা ভাইরাস বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলেছে। মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে। আমরা সীমিত সম্পদ দিয়ে মোকাবেলা করেছি। আমাদের ভৌগোলিক সীমানা ছোট, জনসংখ্যার দিক দিয়ে বড় দেশ, সেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। করোনা মোকাবিলায় যথাসাধ্য চেষ্টা করে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হয়েছি। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের নির্দেশনা দিয়েছি। সাথে সাথে করোনা প্রতিরোধে টিকা দেওয়া শুরু করেছি। অনেক উন্নত দেশ এখনো ভ্যাকসিন আনতে পারেনি। ভ্যাকসিন নিয়ে যখন গবেষণা হচ্ছে, যে জায়গায় গবেষণা হচ্ছে সেখান থেকে ক্রয় করার জন্য আমরা চেষ্টা করেছি। এর পাশাপাশি আমরা আগাম টাকা দিয়েছি ভ্যাকসিনের জন্য। ডাব্লিউএইচও (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার) যখন ভ্যাকসিন অনুমোদন দেবে তখনই আমরা যেন ভ্যাকসিন পেতে পারি সেই ব্যবস্থা ব্যবস্থা করেছি, যেন দেশবাসীকে ভ্যাকসিন যথাসময়ে দিতে পারি এবং আমরা এ কাজ করতে সক্ষম হয়েছি। আমি সেই জন্য সবাইকে আন্তারিক ধন্যবাদ জানাই। দেশবাসী, প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী, রাজনৈতিক দল সবাই সহযোগিতা করেছে বলেই আমরা করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে পেরেছি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশবাসী আমাদের সহায়তা করেছে। তাদের সহায়তার জন্য তাদের সেবা করার সুযোগ পাচ্ছি। দেশবাসী ভোট দিয়েছে বলেই ক্ষমতায় এসে তাদের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। করোনা ভাইরাসে সারা বিশ্বের অর্থনীতিও অচল। উন্নত দেশও যেখানে ভ্যাকসিন দিতে পারেনি বাংলাদেশ কিন্তু সেটা পেরেছে এবং দৃষ্টান্ত আমরা দেখাতে পেরেছি।
অভিজিৎ হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন
১৬,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিজ্ঞান মনস্ক লেখক ব্লগার অভিজিৎ রায়কে হত্যা মামলার পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও একজনের যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বরখাস্ত হওয়া মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হোসেন ওরফে সাইমুম, আরাফাত রহমান ওরফে সিয়াম, শফিউর রহমান ফারাবী, আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান। তাদের মধ্যে মেজর জিয়া ও আকরাম পলাতক। গত ৪ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ওইদিনই আদালত রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। ২০১৯ সালের ১৩ মার্চ আদালতে এ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এরপর একই বছর ১ আগস্ট অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত। ওই বছরের ২৮ অক্টোবর অভিজিতের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অজয় রায়ের সাক্ষ্যের মাধ্যমে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। অবশ্য একই বছর ৯ ডিসেম্বর অজয় রায় পরলোকগমন করেন। গত ২০ জানুয়ারি মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ৩৪ সাক্ষীর মধ্যে মোট ২৮ জন সাক্ষ্য দেন। ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে অভিজিৎকে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে জখম করে। আহতাবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় পরে অভিজিতের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক অজয় রায় শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ফায়ার সার্ভিসের ২০ কর্মকর্তার পদোন্নতি
১৫,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদোন্নতি পেয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের ২০ জন কর্মকর্তা। তাদেরকে তৃতীয় শ্রেণির সাব-অফিসার পদ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির স্টেশন অফিসার পদে (১৫তম গ্রেড থেকে ১২তম গ্রেডে) পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে জানানো হয়, স্টেশন অফিসার পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তার পদ হওয়ায় এ পদে পদোন্নতির জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের মতামত প্রয়োজন হয়। এজন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের প্রেরিত পদোন্নতি প্রস্তাবের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পিএসসির মতামত চাওয়া হয়। গত ৭ ফেব্রুয়ারি ২৯ নম্বর স্মারকপত্রের মাধ্যমে পিএসসি উল্লিখিত পদোন্নতির বিষয়ে সুপারিশ পাঠায়। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ পদোন্নতি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এর ফলে ২৫ শতাংশ পদোন্নতি কোটায় ২০ জন কর্মকর্তা দ্বিতীয় শ্রেণির ফায়ার স্টেশন প্রধান হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। পদোন্নতিপ্রাপ্তরা ফায়ার-ফাইটার (সাবেক ফায়ার-ম্যান ও সমমান) পদে যোগদান করেছিলেন। এ সংক্রান্ত এক প্রতিক্রিয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) যুগ্ম-সচিব মো. হাবিবুর রহমান বলেন, অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় আমরা এই পদোন্নতি দিতে পেরে আনন্দিত। এ বিষয়ে অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, পদোন্নতি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করায় সুরক্ষা সেবা বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি মনে করি, এই পদোন্নতি ভালো কাজের স্বীকৃতি। তিনি পদোন্নতিপ্রাপ্তদের শুভ কামনা জানান এবং নতুন পদে তারা তাদের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এর প্রতিদান দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমান বাহিনীকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ
১৫,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ দেশের সেবা এবং জনগণের কল্যাণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য আজ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (বিএএফ) সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বিমান বাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে বলেন, এ দেশের সন্তান হিসেবে, আপনারাও দেশের মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার সমান অংশীদার। তাই পেশাদারিত্বের নিপুণতা বজায় রাখার পাশাপাশি জনগণের প্রয়োজনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আপনাদের কাজ করতে হবে। সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি আজ বিকেলে গণভবন থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বরিশাল রাডার ইউনিট এবং হেলিকপ্টার সিমুলেটর ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। বরিশালে বিমান বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির পক্ষে চিফ অব এয়ার স্টাফ চিফ মার্শাল মশিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বরিশাল রাডার ইউনিট এবং হেলিকপ্টার সিমুলেটর ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের ফলক উন্মোচন করেন।- বাসস
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা ২০ হাজার টাকা ঘোষণা
১৫,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা ১২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এখন যারা মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা ১২ হাজার, ১৫ হাজার টাকা করে পান আগামীতে তারা সবাই ২০ হাজার টাকা করে পাবেন বলে তিনি ঘোষণা দেন। সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে (জিটুপি) প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।
আরও ৩ হাজার রোহিঙ্গা ভাসানচরের পথে
১৫,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন শিবির থেকে চতুর্থ দফায় সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আরও প্রায় ৮শ রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর ভাসানচরে উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা হচ্ছে। একই প্রক্রিয়ায় রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ৪শ ৭৭টি পরিবারের ২ হাজার ১৪ জন রোহিঙ্গাকে চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। এদের মধ্যে সোমবার চট্টগ্রাম নৌবাহিনীর জেটি ঘাট থেকে ৮শ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শামসুদ্দৌজা নয়ন। তিনি জানান, চতুর্থ দফায় স্বেচ্ছায় যেতে আগ্রহী এমন প্রায় তিন হাজার রোহিঙ্গাকে সোমবার চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালীর ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিষয়টি দেখভাল করছে নৌবাহিনী। ইতোমধ্যে ২ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা চট্টগ্রাম পৌঁছেছে। সোমবার পৌঁছাবে আরও প্রায় ৮শ রোহিঙ্গা। জানা গেছে, উখিয়ার বালুখালীর ৮,৯, ১০, ১১, ১২, ও ১৮ নম্বর ক্যাম্প কুতুপালং-১ ইস্ট, ২ ইস্ট, এবং ২ ওয়েস্ট ক্যাম্প থেকে দুই দিনে প্রায় তিন হাজার রোহিঙ্গা ভাসানচরের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর আগে তিন দফায় প্রায় ১১ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় সাগর থেকে উদ্ধার করে ৩শ ৬ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীও ভাসানচরে অবস্থান করছে। স্বরাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা এখন ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫শ ৭৬ জন। এই হিসাব ২০২০ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে ৭ লাখ ৪১ হাজার ৮শ ৪১ জন মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। এদের মধ্যে থেকে সরকার ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে।
কোস্টগার্ডকে আরো শক্তিশালী করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৪,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উপকূল অঞ্চলের নিরাপত্তায় নিয়োজিত কোস্টগার্ডকে সরকার আরো শক্তিশালী করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) শেরেবাংলা নগরের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কোস্টগার্ডের ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, নতুন সরঞ্জামাদি ও কোস্টগার্ডের জনবল বাড়ানো হয়েছে। একইভাবে আরও কীভাবে জনগণের উপকারে আসে এবং বাহিনীকে শক্তিশালী করা যায় সে বিষয়ে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে বাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম আশরাফুল হক বলেন, বর্তমানে এ বাহিনীকে সুসংহত ও সংগঠিত করতে সরকার যে ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা অত্যন্ত প্রশংসার দাবিদার। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী কাজের সফলতা স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার তুলে দেন কোস্টগার্ড সদস্যদের হাতে।
বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় কুমুদিনীর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি: প্রধানমন্ত্রী
১৪,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। এ পর্যন্ত তাদের সবগুলো উদ্যোগ সফল হয়েছে। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের কুমুদিনী ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস অ্যান্ড ক্যান্সার রিসার্চ'র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। নারায়ণগঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, কুমুদিনী ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস অ্যান্ড ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার চালু হলে মানুষ আরও ভালোভাবে ক্যান্সারের চিকিৎসা পাবে। আমরা সব মানুষের সহজে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এ খাতে নজর দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রক্ত দিয়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি, ভালো থাকার জন্য। স্বাধীনতা পাওয়ার পর মানুষ ভাগ্যহারা থাকবে, এটা হতে পারে না। এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, আমরা অনেক কিছুতেই পিছিয়ে পড়েছিলাম। ৭৫র ট্র্যাজেডি-পরবর্তী ২১ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা ক্ষমতাকে ভোগের বস্তু বানিয়ে ফেলেছিল। নিজেদের স্বার্থ ও কল্যাণ ছাড়া মানুষের জন্য কিছু করেনি। আমরা এসে মানুষের সেবার জন্য সবই করেছি। সব জেলায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং বিভাগে বিভাগে বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। সময়োপযোগী আইন প্রণয়নে মনোনিবেশ করেছি৷ শেখ হাসিনা বলেন, আমি বেশ আনন্দিত যে, আজকে একটা ক্যান্সার হাসপাতাল ও রিসার্চ সেন্টার উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। তাও আবার নারায়ণগঞ্জ জেলা সদরে। আমরা গবেষণায় বেশি গুরুত্ব দেই। এজন্য চারটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি, যাতে সেখানে রিসার্চ হয়। টিকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা করোনা মোকাবিলায় টিকা নিয়ে এসেছি। প্রথম দিকে এটা নিয়ে নানা ভীতি ও গুজব ছড়ানো হয়েছিল। এই কুমুদিনী হাসপাতালের একজন নার্স সবার আগে টিকা নিয়ে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। তারপর এখন সবাই নিচ্ছে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, দেশে প্রতি বছর এক লাখ মানুষ কান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। নতুন করে আক্রান্ত হন আরও দেড় লাখ। ক্রমেই এ হার বাড়ছে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের শ্রীমতি সাহা, রাজিব প্রসাদ সাহা, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভি, সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, সেলিম ওসমান, নজরুল ইসলাম বাবু, লিয়াকত হোসেন খোকা প্রমুখ।
বসন্ত এসে গেছে
১৪,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ (১৪ ফেব্রুয়ারি) ফাল্গুনের প্রথম দিন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। করোনা মহামারীর প্রভাব খানিকটা তাল কাটলেও সংস্কৃতিমনা নানা বয়সী শ্রেণি-পেশার মানুষ মেতে উঠবে উৎসবে। বাঙালীর মনে চলছে বসন্ত আর ভালোবাসা নিয়ে উৎসব-উদ্দীপনা। করোনাকালে অনেক সংগঠন আগের ঐতিহ্য মেনে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করলেও একাধিক সংগঠন এই মহামারীর কারণে জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে আয়োজন থেকে বিরত থাকছে। ভিন্ন চিত্র রয়েছে অনেক সংগঠনেও। বসন্ত বরণকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করছে। জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে আজ- বসন্ত উৎসব ১৪২৭ এর আয়োজন করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এদিন সকাল সাতটা থেকে দশটা পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চে এবং বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত বসন্তবরণ অনুষ্ঠান হবে। প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণে- বসন্ত বরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হলেও এবার করোনা ভাইরাসের কারণে চলতি বছর এই উৎসব না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আজ বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নন্দনমঞ্চে সংগঠনটি আয়োজন করেছে- বসন্ত উৎসব ২০২১। অনুষ্ঠানে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী’র সভাপতিত্বে আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি সচিব মো. বদরুল আরেফীন। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড পারফরমিং আর্টস, স্পন্দন নৃত্যদল, নৃত্যালোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, বাংলাদেশ একাডেমি অফ ফাইন আর্টস, নৃত্যম, নন্দন কলা কেন্দ্র এবং মারমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়, ধৃতি নৃত্যালয় এর শিল্পীরা সমবেত নৃত্য পরিবেশন করবে। দ্বৈত সঙ্গীত পরিবেশন করবেন শিল্পী সাজেদ আকবর ও সালমা আকবর, ইবরার টিপু-বিন্দু কনা এবং খাইরুল আনাম শাকিল-কল্পনা আনাম। একক সঙ্গীত পরিবেশন করবেন শিল্পী অপু আমান, সাব্বির, বিউটি এবং দিতি সরকার। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ভাওয়াইয়া, সরকারি সঙ্গীত কলেজ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পীরা দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করবে। এদিকে, নাটকের অংশবিশেষ পাঠ করবেন শহীদুজ্জামান সেলিম ও রোজী সিদ্দিকী এবং অনন্ত হীরা ও নূনা আফরোজ। সবশেষে ব্যান্ডদল স্পন্দন এর পরিবেশনায় পরিবেশিত হবে ব্যান্ড সঙ্গীত। এছাড়া টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বসন্ত বরণ উপলক্ষ্যে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এদিন বাংলা পঞ্জিকার একাদশতম মাস ফাল্গুনের প্রথম দিন ও বসন্তের প্রথম দিন। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে ১৪ ফেব্রুয়ারি পহেলা ফাল্গুন পালিত হয়। ইংরেজি বর্ষপঞ্জির ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালন করা হয় সারা বিশ্বে। বাংলাদেশ জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ এই দিনকে বরণ করতে জাতীয় বসন্ত উৎসবের আয়োজন করে।

জাতীয় পাতার আরো খবর