বিএনপির ষড়যন্ত্রে বায়তুল মোকাররমও রেহায় পায়নি
অনলাইন ডেস্ক :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্যাতন করেই দল ও সরকার চালাতো বিএনপি। বিএনপি, জামাত ও জামাত ইলামী তারা ধর্মের নামে রাজনীতি করে। ধর্মের নামে রাজনীতি করেও তারা পবিত্র কোরআন শরীফ পুড়িয়েছিলো। শুক্রবার গণভবনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে গণভবনে তিনি এসব কথা বলেন এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিএনপির ষড়যন্ত্র দেখেছি, ২০১৩ সালের ষড়যন্ত্র। তাদের ষড়যন্ত্রে বায়তুল মোকাররমও রেহায় পায়নি। মসজিদের ভেতরে কোরআন শরীফ পড়া অবস্থায় মানুষ হত্যা করছে তারা। শত শত কোরআন শরীফ পুড়িয়েছে। তিনি বলেন,বিএনপির মাহমুদর রহমানের মতো উপদেষ্টার জন্য দুর্নীতি হয়েছে, তাদের দুর্নীতির কারণে তখন দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গিয়েছিলো। তিনি আরো বলেন, তাদেরই ক্যাডাররা যে বায়তুল মোকাররমের বাইরে বসে যে কোরআন শরীফ বিক্রি করে তারা জীবিকা অর্জন করে। তাদের শত শত কোরআন শরীফ পড়িয়ে দিয়েছিলো। তারা পাড়ে না এমন কোনো কাজ নেই। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন ঠেকানোর নামে তারা (বিএনপি) প্রিজাইডিং অফিসার ও সহপ্রিজাইডিং অফিসারকে হত্যা করেছে। পাওয়ার প্লান্টে আগুন দিয়ে ইঞ্জিনিয়ারকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। সে সময় ২৭ জন পুলিশ বাহিনীর লোকজনকে হত্যা করেছিলো। তাদের হাতে শুধু রাজনৈতিক নেতা না শুধু কেউ রেহাই পায়নি।
বড় পুকুরিয়া কয়লা চুরিতে বিএনপি জড়িত :ড. হাছান মাহমুদ
অনলাইন ডেস্ক :বড় পুকুরিয়া কয়লা চুরিতে বিএনপি জড়িত। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন থেকেই কয়লা চুরি শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। শুক্রবার (২৭ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন রাজধানী শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন,বিএনপি যখন ২০০৫ সালে ক্ষমতায় ছিলেন তখন থেকেই বড় পুকুরিয়া কয়লা চুরি শুরু হয়েছে। তারা চোর ধরতে পারেনি, তার মানে তারা এ কয়লা চুরি সাথে জড়িত। এখন চুরের মার বড় গলা। বিএনপি নেতা রিজভী আহমেদর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় হাছান মাহমুদ বলেন, আপনাদের আমলে থেকেই শুরু হয়েছে। সরকার বরং এখন চোর ধরেছে। এজন্য সরকার কে ধন্যবাদ দেয়া উচিত। দুর্নীতি করার দায়ে খালেদা জিয়া কারাগারে আটক আছেন এটা তো সারা পৃথিবীর মানুষ জানে। কানাডার আদালতেও প্রমাণিত হয়েছে। তার ছেলে তারেক রহমান বাংলাদেশে দুর্নীতি করে লন্ডনে বসে ষড়যন্ত্র করছে। লন্ডনের সরকার তার সম্পাত্তির হিসাব চেয়েছে, তিনি বলেছেন জোয়া খেলে টাকা আয় করেছেন। যে জোয়া খেলে টাকা আয় করে, সে কি ভাল নেতা? রিজভী কে উদ্দেশ্য করে বলেন, থুথু ওপর দিকে ফেল্লে নিজের গায়ে পড়ে। বিএনপি সবসময় চোরের মার বড় গলায় কথা বলে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন কোনো আন্দোলন বেগমান হয় না উল্লেখ করে বলেন, বিএনপি কোনো আন্দোলনই মাঠে নেমে সফল করতে পারে না। তারা শুধু কার্যালয়ে মধ্যে মিথ্যা কথা বলতে পারে। বিএনপি আন্দোলন করতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ঢাকা ডেকেছে। আপনার আন্দোলন করেন আমরা ও চাই কিন্তু কোন জ্বালাও পোড়াও ভাংচুর করলে ছাড়া দেয়া হবে। বিএনপি রাজনৈতিক কোনো ইস্যু নেই মন্তব্য করে বলেন, বিএনপি রাজনৈতিক কোনো ইস্যু না পেয়ে, এখন তারা একটার পর একটা ষড়যন্ত্র লিপ্ত হচ্ছে, কখনো কোটা সংস্কার নিয়ে,আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টের সোনা, এখন আবার বড়পুকুরিয়া কয়লা চুরির ঘটনায় কে ইস্যু তৈরি করতে চায়। তারা ষড়যন্ত্র আর পুরানো কোনো ইস্যু ছাড়া এবং মিথ্যা কথা ছাড়া রাজনৈতিক কর্মকান্ড নাই। অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বলেন, আজ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান। দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্রের কে প্রতিহত করে বাংলাদেশের কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যতদিন শেখ হাসিনার হাতে থাকবে দেশ পথ হারাবে না বাংলাদেশ। আগামী নির্বাচনে জন্য সবাই কে ঐক্য হয়ে শেখ হাসিনা কে আবার ও ক্ষমতা আনতে হবে মন্তব্য করেন। নির্বাচনের জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানান। শেখ নওশের আলী সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েত ইসলাম স্বপন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আকতার হোসেন,বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি মো. জিন্নাত আলী জিন্নাহ, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন টয়েল প্রমূখ।
নিজেদের জনগণের সেবক মনে করি: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের সেবা করা দায়িত্ব ও কর্তব্য বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন, তারা নিজ নিজ এলাকায় কাজ করে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করবেন। আমরা নিজেদের জনগণের সেবক মনে করি এবং সেভাবেই কাজ করি।’ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র এবং কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রকৌশলী খন্দকার মোশাররফ হোসেন কাউন্সিলরদের শপথ পাঠ করান। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব জাফর আহমেদ খান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং গাজীপুরের রাজনৈতিক নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত মেয়র এবং ৭০ জন কাউন্সিলর শপথ গ্রহণ করেন। হাইকোর্টের নির্দেশে কাউন্সিলরদের ৬টি আসনের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ ভোট দিয়েছে। আপনারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। সবাইকে একটা অনুরোধ করব, দেশের মানুষের সেবা করতে হবে।’ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তার সরকার সব এলাকার সমউন্নয়নে বিশ্বাসী। কাজেই দলমত নির্বিশেষে যারাই নির্বাচিত হয়েছেন, আপনারা এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে পারবেন। আমরা পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে সে সুযোগ সৃষ্টি করেছি।’ সরকারের বিভিন্ন সফলতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার দেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছে এবং জনগণের ঘরে ঘরে এই উন্নয়নের সুফলকে পৌঁছে দিতে হবে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশকে ক্ষুধা মুক্ত করেছি, এখনও দারিদ্র্য মুক্ত করতে পারিনি। এই দেশকে আমরা দারিদ্র্য মুক্ত করে গড়ে তুলব। ইনশাল্লাহ ২০২১ সালে বাংলাদেশকে দারিদ্র্য মুক্ত করে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করব।’ উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন হওয়ার পর মো. জাহাঙ্গীর আলম হয়েছেন এই মহানগরীর দ্বিতীয় নগরপিতা। এ সিটিতে এবারই প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। এই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীক নিয়ে চার লাখ ১০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান উদ্দিন সরকার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পান এক লাখ ৯৭ হাজার ৬১১ ভোট।
জাসদ ও আ.লীগের মধ্যে ঐক্য আছে থাকবে: ইনু
অনলাইন ডেস্ক: জাসদ ও আওয়ামী লীগের মধ্যে মহাঐক্য আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার খারঘর গণকবর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ আশাবাদ করেন তিনি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছর ধরে জাসদ-আওয়ামী লীগ মহাঐক্যের মধ্যে রয়েছে। ভবিষ্যতেও থাকবে। এ ঐক্যের ফসল হিসেবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসন থেকে শাহ্ জিকরুল আহমেদ (জাসদ নেতা) বিজয়ী হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের বন্ধুরা তখন একসঙ্গে কাজ করেছেন। আওয়ামী লীগ এবং জাসদের কর্মীদের মাঝে কোনো বিভেদ বা বিভাজন নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজাকার এবং জঙ্গিরা মানুষরূপী দানব। ‘সেই দানবদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপি এবং খালেদা জিয়া। তারা বাংলাদেশের রাজনীতির কলঙ্ক’। বিএনপি’র নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত একটি দল। তাই তারা নির্বাচন করলে করবে। তবে তিনি বলেন, ‘আমি রাজাকার, জঙ্গি এবং দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীদের নির্বাচন না করার পক্ষে’। হাসানুল হক ইনু এ সময় উল্লেখ করেন,নির্বাচনে কে আসবে কে আসবে না সেটি বিবেচ্য বিষয় না। বিবেচ্য বিষয় হলো সংবিধান রক্ষা করা। সংবিধান মতোই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাসদের কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শাহ্ জিকরুল আহমেদ, জাসদ নেতা নাট্যশিল্পী নাদের চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোসেনসহ জেলা জাসদের নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ৮ আগস্ট থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
অনলাইন ডেস্ক: ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আগামী ৮ আগস্ট থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। আর ফিরতি টিকিট বিক্রি কার্যক্রম শুরু হবে ১৫ আগস্ট থেকে। তাছাড়া এবার ঈদ উপলক্ষে বিশেষ ৯ জোড়া ট্রেন দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) রেল ভবনের সভাকক্ষে এ বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক এসব তথ্য জানান। ঈদের আগাম টিকিট বিক্রি চলবে আগামী ১২ আগস্ট পর্যন্ত। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে টিকিট দেওয়া হবে। ৮ আগস্ট দেওয়া হবে ১৭ আগস্টের টিকিট। ৯ আগস্ট ১৮ আগস্টের টিকিট, ১০ আগস্ট ১৯ আগস্টের টিকিট, ১১ আগস্ট ২০ আগস্টের টিকিট এবং ১২ আগস্ট ২১ আগস্টের আগাম টিকিট দেওয়া হবে। অন্যদিকে ১৫ আগস্ট থেকে ঈদ ফেরত যাত্রীদের জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। ফেরতি টিকিট রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিহাট স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় সকাল ৮টা থেকে বিক্রি শুরু হবে। ফিরতি টিকিট ১৫ আগস্টে পাওয়া যাবে ২৪ আগস্টের টিকিট। একইভাবে ১৬, ১৭, ১৮ ও ১৯ আগস্ট যথাক্রমে পাওয়া যাবে ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ আগস্টের টিকিট। সংবাদ সম্মেলনে রেলওয়ে মহাপরিচালক আমজাদ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিতি ছিলেন।
দুই দিনব্যাপী সিসিক নির্বাচনে ৩ হাজার ২শ' কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ শুরু
সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে ভোটগ্রহণে প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে নগরের মদন মোহন কলেজে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। প্রশিক্ষণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। একইভাবে পরদিন শুক্রবারও (২৭ জুলাই) প্রশিক্ষণ চলবে। অনলাইন ডেস্ক: দু দিনে ৩ হাজার ২শ জন কর্মকর্তা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেবেন। তাদের মধ্যে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ১৩৪ জন, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ৯২৬ জন এবং পোলিং কর্মকর্তা ১ হাজার ৮৫২ জন। এছাড়া ২৮৮ জন অতিরিক্ত হিসেবে প্রশিক্ষণ নেবেন। দু দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মুখলেছুর রহমান, কমিশনের অন্য কর্মকর্তারা, আঞ্চলিক নির্বাচনী কর্মকর্তাসহ অন্তত ৩৪ জন প্রশিক্ষক হিসেবে থাকবেন। সিসিক নির্বাচনে তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা প্রলয় কুমার সাহা বলেন, দু দিনের প্রশিক্ষণে প্রথমদিনে অর্ধেকের বেশি নির্বাচনী কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। বাকিরা পরদিন প্রশিক্ষণ নেবেন। এছাড়া ৩ হাজার ২শ কর্মকর্তার মধ্যে অতিরিক্ত হিসেবে ২৮৮ জনকে রাখা হয়েছে যাতে কারও অসুবিধা বা অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক তার পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া যায়।
আর্টিজান মামলা এখন মহানগর আদালতে
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলা বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার ইয়াসমিন মামলাটি বদলির জন্য চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) মো. সাইফুজ্জামান হিরোর কাছে পাঠিয়েছেন। তিনি মহানগর আদালতে মামলাটি বদলি করবেন বলে জানান সংশ্লিষ্ট গুলশান থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) রকিবুল ইসলাম। গত ২৩ জুলাই ২১ জনকে চিহ্নিত করে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। এ নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসি ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত ২১ জনের মধ্যে ১৩ জন বিভিন্ন সময়ে নিহত হয়েছে আর জীবিত আছে আট জন। এর মধ্যে ছয়জন কারাগারে ও দুইজন পলাতক। বিভিন্ন অভিযানে নিহত আট আসামি হলেন- তামিম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান। আর হলি আর্টিজানে সেনাবাহিনীর অপারেশন থান্ডারবোল্টে ঘটনাস্থলেই নিহত পাঁচজন হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল। জীবিত অভিযুক্ত আটজনের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন- রাজীব গান্ধী, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ। তাছাড়া পলাতক দুই আসামি হচ্ছেন- শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন। অন্যদিকে হামলার পরদিন সকালে হলি আর্টিজান বেকারি থেকে গ্রেফতার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিমের নাম অভিযোগপত্রে আসেনি। হলি আর্টিজানে জিম্মি সংকট তৈরির পর হাসনাতকে ওই রেস্তোরাঁর ছাদে জঙ্গিদের সঙ্গে আলাপরত অবস্থায় দেখা যায়, এমন একটি ছবিও ওই সময় প্রকাশিত হয় সংবাদমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। ২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে (স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ) হামলা চালানো হয়। এতে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। জঙ্গিদের আক্রমণের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। সে হামলায় ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহমেদ নিহত হন। পরে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। অভিযানে পাঁচ জঙ্গির সবাই নিহত হয়। হলি আর্টিজান হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান নাগরিক তামিম আহমেদ চৌধুরীকে। ২০১৬ সালের ২৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় জঙ্গিবিরোধী এক অভিযানে দুই সহযোগীসহ নিহত হন তামিম। রায়হান কবির তারেক ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানায় পুলিশের অভিযানে আট সহযোগীসহ নিহত হন। সেনাবাহিনী থেকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর মিরপুরের রূপনগরে সিটিটিসি’র জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিহত হন। হামলাকারীদের আশ্রয়দাতা তানভীর কাদেরী ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর আজিমপুরে এক অভিযানে নিহত হন। হামলার পরিকল্পনায় অন্যতম সহযোগী সরোয়ার জাহান মানিক ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর আশুলিয়ায় র‌্যাবের অভিযান চলাকালে পালাতে গিয়ে পাঁচ তলা থেকে নিচে পড়ে নিহত হন। নুরুল ইসলাম মারজান ২০১৭ সালের ৬ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় সিটিটিসি ইউনিটের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক সহযোগীসহ নিহত হন। বাশারুজ্জামান ওরফে চকোলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সিটিটিসি’র অভিযানে নিহত হন।
বরিশাল সিটি নির্বাচনে গ্রেফতার না করার নির্দেশ হাইকোর্টের
অনলাইন ডেস্ক: শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গ্রেফতার সংক্রান্ত আপিল বিভাগের নির্দেশনা ভঙ্গ করে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের নেতা, সমর্থক ও নির্বাচন প্রচারকারীদের গ্রেফতার বা হয়রানি না করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট রুলসহ এ আদেশ দেন। আবেদনের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন। সগীর হোসেন লিয়ন বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে বরিশাল সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গ্রেফতার বিষয়ে আপিল বিভাগের নির্দেশনা ভঙ্গ করে সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো নেতা, সমর্থক ও নির্বাচন প্রচারকারীকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তাছাড়া, বরিশালের বিএনপির নেতা, কর্মী, সমর্থক, ভোটের প্রচারণাকারীদের মহানগর পুলিশ কর্তৃক গণগ্রেফতার, হয়রানি করা কেন অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ব বর্হিভূত ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, নির্বাচন কমিশন, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বরিশালের পুলিশ কমিশনার ও পুলিশের সুপারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আগে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচন ঘিরে দলের নেতাকর্মীদের নির্বিচারে গ্রেফতারের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে রিট করেন বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরওয়ার।
ফেসবুক ব্যবহারে বয়স নির্ধারণের প্রস্তাব:
অনলাইন ডেস্ক: কোমলমতি শিশু-কিশোরদের নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে ফেসবুক এবং অন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য ন্যূনতম বয়স নির্ধারণের প্রস্তাব এসেছে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে। নরসিংদী ও ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের দেওয়া প্রস্তাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে তা বাস্তবায়নের সুপারিশ করেছে। জেলা প্রশাসক সম্মেলন উপলক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো প্রস্তাবনা থেকে কার্যপত্র প্রস্তুত করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য ন্যূনতম বয়স নির্ধারণের প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে শিশু-কিশোরদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয় হচ্ছে। স্বাভাবিক মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। সঠিক সামাজিকায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অংশে প্রস্তাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তা বাস্তবায়নের সুপারিশে বলেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য ন্যূনতম বয়স নির্ধারণ করা যেতে পারে। তাছাড়া সরকারি ই-মেইলে স্পেস বৃদ্ধি ও বুকমার্ক করার সুবিধা সৃষ্টির সুপারিশ করেছে খুলনা জেলা প্রশাসক। যুক্তিতে বলা হয়, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সরকারি ই-মেইলের জন্য বরাদ্দ করা স্পেস মাত্র এক গিগাবাইট। এটি সচল রাখতে পুরনো ই-মেইল ডিলেট করতে হয়। ফলে অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে ই-মেইলে পাঠানো প্রয়োজনীয় তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হয় না। সুপারিশে খুলনা জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, সরকারি ই-মেইলে স্পেস বৃদ্ধি ও বুকমার্ক করার সুবিধা সৃষ্টি করা যেতে পারে। জেলা পর্যায়ে একটি কম্পিউটার/ডিজিটাল সামগ্রী মেরামত কেন্দ্র স্থাপন, প্রত্যেক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের সুপারিশ করেছেন ডিসিরা। ডাক বিভাগের প্রস্তাবনায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসক সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার প্রস্তাব করেছেন। তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, নেটওয়ার্ক না থাকায় সমুদ্রগামী লোকজনের সঙ্গে তাদের পরিবারের যোগাযোগ রক্ষা করা সম্ভব হয় না। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় তাদের সতর্ক করা সম্ভব না হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে জীবনহানি হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সুপারিশে বলেছে, সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা যেতে পারে। বান্দরবান জেলা প্রশাসক পার্বত্য জেলায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দিতে প্রস্তাব করেছেন। এতে সায় দিয়েছে মন্ত্রিপিরষদ বিভাগ।অালোকিত বাংলাদেশ

জাতীয় পাতার আরো খবর