যানজটে দিনে নষ্ট ৩২ লাখ কর্মঘণ্টা
অনলাইন ডেস্ক :যানজটের কারণে ঢাকায় দিনে ৩২ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়। বিগত ১০ বছরে যান চলাচলের গড় গতি ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার থেকে কমে ৭ কিলোমিটারে পর্যন্ত নেমে এসেছে; যেখানে পায়ে হেঁটে চলার গড় গতি হচ্ছে ৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে ঢাকার এমন চিত্র উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক। গ্লোবাল সিটির অংশ হিসেবে ঢাকাকে কীভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘পাওয়ার হাউস’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়, সেই গবেষণা করেছে সংস্থাটি।প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকায় অতিরিক্ত ৫০ লাখ লোকের জন্য বসবাসের ব্যবস্থা করা যাবে। একই সঙ্গে ১৮ লাখ মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান করা সম্ভব। যেটা করতে হলে তিনটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সেগুলো হলো- বন্যার হাত থেকে বাঁচতে ও পানির গতি ঘোরাতে বালু নদীর তীরে একটি বাঁধ দিতে হবে, ক্রমবর্ধমান সাধারণ ট্রান্সপোর্ট ও পাবলিক ট্রান্সপোর্টের চলাচলের উন্নয়নে সমন্বয় সাধন করতে হবে। এর বাইরে ঢাকার পূর্বে একটি ‘বিজনেজ ডিস্ট্রিক্ট’ গড়ে তুলতে হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তিন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে ব্যয় হবে দেড় হাজার কোটি ডলার। আর এই টাকা ব্যয়ের ফলে ২০৩৫ সালের মধ্যে বছরে ৫ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্ভব হবে। সংস্থাটি বলছে, এই অর্থনৈতিক কার্যক্রম রাজধানীবাসীর আয় বাড়িয়ে দেবে। এখন যেখানে মাথাপিছু আয় ৮ হাজার ডলারের নিচে সেটা ২০৩৫ সাল নাগাদ ৯ হাজার ২০০ ডলারে উন্নীত করবে।বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশীয়বিষয়ক প্রধান অর্থনীতিবিদ মার্টিন রামা, পিপিআরসির চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, অক্সফোর্ডের প্রফেসর এনথনি ভেনাবল।বিশ্বব্যাংক বলছে, ঢাকা মহানগরীর দ্রুত সম্প্রসারণের সঙ্গে ঢাকার নগর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সামঞ্জস্য রাখা হয়নি। ফলে একটি বিশৃঙ্খল প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। প্রায় ৩৫ লাখ বস্তিবাসীসহ অনেক অধিবাসী মৌলিক সেবা, অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে এনথনি ভেনাবল বলেন, গড় হারে প্রতিদিন ঢাকায় মানুষ বাড়ছে। বর্তমান হার অব্যাহত থাকলে আগামী ২০৩৫ সালে ঢাকার জনসংখ্যা হবে সাড়ে ৩ কোটি। ঢাকা এখন প্রচুর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। সেটা ভবিষ্যতে আরো বাড়বে।
রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ানোর প্রচেষ্টা অাছে
অনলাইন ডেস্ক :কোটাবিরোধী আন্দোলনের পক্ষে ও বিপক্ষে দুইটাতেই অবস্থান আছে, তাই বুঝে শুনে কোটা সংস্কার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির কার্যক্রম পরিচালনার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।হাছান মাহমুদ বলেন, কোটার পক্ষে যেমন লোকজন অাছে তেমন কোটার বিপক্ষেও লোকজন অাছে। দুই পক্ষের সাথে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা হলে সেখানে পুলিশ হস্তক্ষেপ করতে পারে। এই যে অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো তার দায়ভার ছাত্রলীগের ওপর চাপানোর কোনো সুযোগ নেই।তিনি বলেন, কোটার অান্দোলনে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ানো প্রচেষ্টা রয়েছে। ১৬টি বিকাশ এবং ৫টি রকেট একাউন্ট থেকে টাকা অাসছে। এটার সাথে রাজনীতি যুক্ত হয়ে গেছে। এটি নিছক কোটার অান্দোলন না রাজনীতি যুক্ত হয়ে গেছে। এদের উদ্দেশ্য কী? এরা কারা? সরকার সুরাহা করার ব্যাপারে অত্যন্ত যন্তশীল। প্রধানমন্ত্রী সংসদে বক্তব্য রেখেছেন। ইতোমধ্যে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরপরও অামরা যা দেখতে পারছি, রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ানোর প্রচেষ্টা অাছে। বিএনপির নেতাদের সাথে কোটা অান্দোলনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন কথোপকথন প্রকাশ হয়েছে।পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করছে তখন কোন লোক সাধারণ মানুষের পক্ষে দাঁড়ায়নি উল্লেখ করে বলেন, প্রেস ক্লাবের সামনে সাধারণ নাগরিকের ব্যানারে একটি সমাবেশ করার হয়েছে। এসমস্ত সাধারণ নাগরিকরা যখন বাংলাদেশে প্রেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়েছিলো তাদের তখন দেখিনি। তখন তারা কোথায় ছিলো। কোটা সংস্কার অান্দোলনে যখন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলো তথন তারা ঘর থেকে বের হয়ে প্রেসক্লাবের সামনে হাজির হলো। হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পৃতি নষ্ট করলো তখন তারা কোথায় ছিলো? তখন তাদের দেখা যায়নি?এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, আওয়ামী লীগের উপকমিটির প্রকাশনা সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আকতার হোসেন প্রমুখ।
জয়ের পেছনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ব্যাপক নির্বাচনি প্রস্তুতি ছিল
অনলাইন ডেস্ক :সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) নেতৃবৃন্দ বলেছেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনেও খুলনা মডেলে নির্বাচন হয়েছে, যা ছিল নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন।আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সুজন আয়োজিত ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কেমন জনপ্রতিনিধি পেলাম’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনের তারা এ মন্তব্য করেন।সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। তিনি বলেন, খুলনা মডেলের কিছু বৈশিষ্ট্যের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় প্রধান প্রতিপক্ষকে মাঠ ছাড়া করা, বিএনপি প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া, নির্বাচনের দিন জোর জবরদস্তি করা এবং নির্বাচন কমিশনের নির্বিকার ভূমিকা গাজীপুরেও পালন করতে দেখা গেছে।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ব্যাপক নির্বাচনি প্রস্তুতিও তার জয়ের পেছনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। কেননা আগে থেকেই মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের ব্যাপক নির্বাচনি প্রস্তুতি ছিল। একজন তরুণ প্রার্থী হিসেবে সবগুলো এলাকা চষে বেরিয়েছেন। অন্যদিকে নির্বাচনের আগে, বিশেষ করে দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রচারণার সময় বেশিরভাগ এলাকায় বিএনপির কর্মী স্বল্পতা এবং প্রচারণার ক্ষেত্রে ব্যাপক ঘাটতি দেখা গেছে।সুজনের পক্ষ বলা হয়, ‘হঠাৎ করে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে রোজার আগে এক মাসের বেশি সময়ের জন্য নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় ইফতার অনুষ্ঠানের নামে প্রার্থীরা বা তাদের পরে লোকজন বিরাট অংকের অর্থ ব্যয় করে। যার লাগাম টেনে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ ধরনের টাকার খেলা বিত্তবান প্রার্থীদের জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত সুবিধা সৃষ্টি করেছিল। অন্যদিকে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও বিশেষ প্রভাব ফেলেছিল। যেহেতু বিগত পাঁচ বছরে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচিত গাজীপুরের মেয়র বিভিন্নভাবে মামলা, গ্রেফতার, বরখাস্ত এবং জেল জুলুমের শিকার হয়েছিলেন। তাই গাজীপুরবাসী উন্নয়ন বঞ্চিত ছিলেন। তাই ভোটারদের সামনে অঘোষিত কিছু সুস্পষ্ট বার্তা ছিল যে উন্নয়ন চাইলে সরকারি দলের প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সুজনের সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, নির্বাহী সদস্য ড. হামিদা হোসেন প্রমুখ।
এমপিও দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
অনলাইন ডেস্ক :বিভিন্ন জেলার ৪৩ জন শিক্ষিককে এমপিও দেয়ার নির্দেশনা দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে, এসব শিক্ষকদের এমপিও পাওয়ার পথ সুগম হলো বলে জানান রিটকারী আইনজীবী।এ সংক্রান্ত চারটি রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো: আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে আজ রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমিন সরকার।রিটকারীর আইনজীবী বলেন, বেসরকারি নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন যাবৎ চাকরি করলেও তারা সরকারি বেতনের অংশ (এমপিও) পাচ্ছিল না। তাই শিক্ষকগণ এমপিও পাওয়ার জন্য হাইকোর্টের নির্দেশনা চেয়ে শিক্ষকরা পৃথক পৃথক চারটি রিট করেন। ওই রিটের শুনানিতে রুল জারি করেন আদালত। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে আদালত আজ নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রায় ঘোষণা করেন।আইনজীবী জানান, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ) শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদির সরকারি অংশ প্রদান ও জনবল কাঠামো সম্পর্কিত নির্দেশিকা অনুযায়ী বেতন প্রদান করে থাকে। নীতিমালা অনুযায়ী এমপিও প্রদানে কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকা সত্ত্বেও তাকে এমপিও প্রদান করা হয়নি। ভুক্তভোগী বিভিন্ন দফতরে যোগাযোগ করেও এমপিও না পেয়ে এসব রিট পিটিশনটি দায়ের করেন।
রাইফার মৃত্যুর তদন্তকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টির অভিযোগ, মুক্তিয
সাংবাদিক কন্যা রাইফার মৃত্যুর তদন্তকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে চিকিৎসক সমাজ এবং সাংবাদিক সমাজকে সাধারণ মানুষের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন-সিইউজে। সিইউজের সভাপতি নাজিমুদ্দীন শ্যামল, সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস এক বিবৃতিতে বলেছেন, বুধবার রাতে বিএমএর একটি সভায় বিএনপি ও ড্যাব নেতা ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী সাংবাদিকদের মারধর করা, স্ট্রাইক করাসহ নানা উস্কানী মুলক বক্তব্য দিয়ে বিএমএ, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের মুখোমুখি করার কথা বলেছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএমএ একটি ঐতিহ্যবাহী পেশাজীবি সংগঠন। বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচার-সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গৌরবজ্জ্বল ভুমিকা রয়েছে। চট্টগ্রামের বেসরকারী হাসপাতাল ম্যাক্সে সাংবাদিক কন্যার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে একটি চক্র গোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় বলে সিইউজে মনে করে। বর্তমান সরকার রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসাবে গড়ে তুলতে চায়। এ জন্য স্বাস্থ্য সেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলস ভাবে কাজ করছে । সরকারের এই উদ্যেগকে বাধাগ্রস্থ করার পাশাপাশি দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি, স্বাস্থ্যখাতে সরকারের ব্যর্থতা প্রচার করতে একটি চক্র বিএমএর মত একটি ঐতিহ্যবাহী পেশাজীবি সংগঠনকে ব্যবহার করছে। যা দু:খজক এবং অনভিপ্রেত। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল পেশাজীবি, দেশপ্রেমিক নাগরিক, রাজনৈতিক দলসহ আইন শৃংখলাবাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থাকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির যে কোন ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সর্তক থাকার আহবান জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকরা কখনো বিএমএর বিরুদ্ধে বক্তব্য, বিবৃতি কিংবা আন্দোলন করেনি। রাইফার চিকিৎসায় অবহেলা,অবৈধ ম্যাক্স হাসপাতাল বন্ধের দাবি, অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে নিয়মতান্ত্রিক ধারাবাহিক আন্দোলন করে আসছে। এই আন্দোলনে সাধারণ জনগনকে জিম্মি করা হয়নি। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী পেশাজীবি সংগঠন বিএমএকে ব্যবহার করে একটি চক্র রোগীদের জিম্মি করে নানা ভাবে চট্টগ্রামের চিকিৎসা ব্যবস্থায় অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, চট্টগ্রামে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে যারা বিএমএকে ব্যবহার করছেন, যারা বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছেন, চিকিৎসক এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি করে ফায়দা লুটার চেষ্টা করছেন তাদের সেসব কর্মকান্ড এবং গোপন বৈঠকের ভিডিও চিত্র সাংবাদিক ইউনিয়ন সংগ্রহ করেছে। আইনশৃংখলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে সিইউজের কাছ থেকে এসব ভিডিও কিংবা তথ্য চিত্র সংগ্রহ করতে পারেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ, দাবি আদায়ের কৌশল হিসাবে রোগীদের জিম্মি করার প্রবণতা বন্ধ, চট্টগ্রামে চিকিৎসা ব্যবস্থায় অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি এবং উস্কানী মুলক কর্মসুচি দিয়ে সাংবাদিক, জনগন এবং চিকিৎসকদের মুখোমুখি করা থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি এ ব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক দল, পেশাজীবি সংগঠন, ছাত্র-যুব-শ্রমিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের নাগরিকদের সজাগ থাকার আহবান জানানো হয়। একই সাথে দেশের আইন শৃংখলাবাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও সর্তক থাকার আহবান জানান সিইউজে নেতৃবৃন্দ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি ,০৫.০৭.২০১৮
হাসপাতালে মন্ত্রী মেনন
অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন পিচ্ছিল রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনার পর তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টায় প্রাতঃভ্রমণের সময় মন্ত্রী মিন্টু রোডের তার সরকারি বাসভবনের সামনের রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলেন। এ সময় পিচ্ছিল রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। যোগাযোগ করা হলে স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক মির্জা নাজিম উদ্দিন জানান, ‘মন্ত্রীর পায়ের হিপ জয়েন্টের হাড়ে হালকা চোট আছে। বিষয়টি গুরুতর না হলেও বয়স্ক মানুষ হওয়ায় কিছুটা জটিলতা থাকতে পারে। বিকালে এই বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।
পরিত্যক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে
বাংলাদেশে অনুপস্থিত, নিরুদ্দিষ্ট, স্বীয় সম্পত্তি ব্যক্তিগতভাবে দখল, তত্ত্বাবধান কিংবা ব্যবস্থাপনা করতে অযোগ্য বলে বিবেচিত ব্যক্তি, ব্যক্তিবর্গের সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ, তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি আইন প্রণয়ন করছে সরকার। এটা বাংলাদেশ পরিত্যক্ত সম্পত্তি (নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা ও নিষ্পত্তি) আইন ২০১৮ নামে অভিহিত হবে। এ আইন বলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যক্তি ও সংস্থার নামে হস্তান্তর করা যাবে। এরই মধ্যে এ আইনের খসড়া প্রস্তুত করে ভূমি মন্ত্রণালয় অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত নিয়েছে। পরিত্যক্ত সম্পত্তির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, সেই ব্যক্তির মালিকানাধীন সম্পত্তি যিনি বাংলাদেশে অনুপস্থিত ও সন্ধানহীন, যিনি তার সম্পত্তি ব্যক্তিগতভাবে দখল, তত্ত্বাবধান অথবা ব্যবস্থাপনা করতে অযোগ্য অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর যে কোনো সময় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধে, সামরিক সংঘাতে লিপ্ত থাকা রাষ্ট্রের কোনো নাগরিকের যে কোনো সম্পত্তি পরিত্যক্ত সম্পত্তি বলে গণ্য হবে। এ আইনটি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশের সব পরিত্যক্ত সম্পত্তি বলে ঘোষিত সম্পত্তি সরকারের বরাবর ন্যস্ত হবে। এ আইনে ভূমি মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কাছে সমর্পণ করা সম্পত্তি প্রয়োজনমতো নিজেরা ব্যবহার করতে পারবে। সরকারপ্রধানের পূর্বানুমতিতে নির্ধারিত পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার অনুকূলে হস্তান্তর করা যাবে। হস্তান্তরিত সম্পত্তি ব্যক্তি অথবা সংস্থার অনুকূলে রেকর্ড সংশোধন করা যাবে। এ আইনের বিধান অনুসারে তা পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা এবং হস্তান্তর অথবা অন্য কোনোভাবে নিষ্পত্তি করা হবে। ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে আইনটির খসড়া তৈরি করে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। দেশে বর্তমানে প্রায় ৬ হাজার একর পরিত্যক্ত সম্পত্তি রয়েছে। তার মধ্যে শুধু ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনেই রয়েছে ৫ হাজার একর। এছাড়া শিল্প, বাণিজ্য, তথ্য, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়সহ মোট আটটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে এক হাজার একর। এসব সম্পত্তি রাষ্ট্রপতির জারি করা অধ্যাদেশ এবং বিভিন্ন সময় জারি করা পরিপত্র বলে এতদিন পরিচালিত হয়ে আসছে। আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর যে কোনো সময়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধে অথবা সামরিক সংঘাতে লিপ্ত রাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি কিংবা রাষ্ট্রীয় এলাকায় অথবা আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত ও সংঘবদ্ধ কোনো কোম্পানিও এ আইনের আওতায় আসবে। সম্পত্তি স্থাবর কিংবা অস্থাবর যাই হোক, তা এ আইনের আওতায় আসবে। অর্থাৎ শেয়ার, স্ক্রিপ, স্টক, বন্ড, ডিভেঞ্চার স্টক, কিংবা কারও অনুরূপ প্রকৃতির বিপণনযোগ সংস্থাবদ্ধ ও সরকারি জামানত এ আইনের আওতায় পরিত্যক্ত সম্পত্তি বলে গণ্য হবে। পরিত্যক্ত সম্পত্তি পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনা এবং হস্তান্তর অথবা অন্য কোনোভাবে নিষ্পত্তির নিশ্চয়তা বিধানের জন্য সরকার যে ধরনের প্রয়োজন মনে করবে, সে ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। এ আইন জারি অথবা আইনের অধীনে প্রণীত বিধিমালা জারির সঙ্গে সঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওপর নিরঙ্কুশভাবে ন্যস্তকৃত পরিত্যক্ত সম্পত্তি খাস করে তা ১নং খতিয়ানভুক্ত করতে হবে। একই পদ্ধতিতে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা পরিত্যক্ত সম্পত্তি ওইসব মন্ত্রণালয়ের নামে রেকর্ড করতে হবে। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় সরকার এক বা একাধিক বোর্ড গঠন করতে পারবে। শর্তসাপেক্ষে পরিত্যক্ত সম্পত্তির রিসিভার নিযুক্ত করতে পারবে। পরিত্যক্ত সম্পত্তির ব্যবসা চালু করতে পারবে। পরিত্যক্ত সম্পত্তির অনাদায়ি অর্থ আদায়ে কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারবে। পরিত্যক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত যে কোনো দলিল বা চুক্তি সম্পাদন করতে পারবে। পরিত্যক্ত সম্পত্তি অথবা তা থেকে সৃষ্ট বর্তমান অথবা ভবিষ্যৎ কোনো সুবিধা, স্বার্থ, লভ্যাংশ কিংবা অধিকার বিক্রি, বন্ধক, হস্তান্তর বা অন্য কোনো উপায়ে নিষ্পত্তি করতে পারবে। এ আইনের বিধান প্রতিপালন ছাড়া কোনো ব্যক্তি পরিত্যক্ত সম্পত্তি কোনোভাবে হস্তান্তর বা ওই সম্পত্তির ওপর দায় সৃষ্টি করতে পারবেন না। খসড়ায় বলা হয়েছে, পরিত্যক্ত সম্পত্তি কারও দখলে না থাকলে তা জেলা প্রশাসক নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে দখলে নেবেন। চিহ্নিত পরিত্যক্ত সম্পত্তি জেলা প্রশাসক দখল অব্যাহত রাখবেন। যদি পরিত্যক্ত সম্পত্তি কোনো ব্যক্তির দখলে থাকে, এ আইন কার্যকর হওয়ার সাত কর্মদিবসের মধ্যে তা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর সমর্পণ করবে। সাত কর্মদিবসের মধ্যে কেউ পরিত্যক্ত সম্পত্তি জেলা প্রশাসক কিংবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে সমর্পণ না করলে তাকে পরবর্তী সাত কর্মদিবস সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং কোনো যৌক্তিক দাবি পেশ করতে না পারলে জেলা প্রশাসক অথবা মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে ওই সম্পত্তির দখল গ্রহণ করবেন। পরিত্যক্ত সম্পত্তি কোনো কোম্পানির শেয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হলে সেক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা হবে তা আইনটিতে বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সরকার ওই শেয়ারের মালিক হবে। কোম্পানি আইন ১৯১৩ এর বিধানের আলোকে সরকার ওই শেয়ারের সার্বিক তত্ত্বাবধান করতে পারবে। সরকার এ আইন বলে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর বরাদ্দকৃত, ইজারাকৃত, কোনো ব্যক্তির অধিকার, দখল অথবা পরিচালনায় রাখার দায়িত্ব এবং পরিত্যক্ত সম্পত্তির যে কোনো বরাদ্দ বাতিল করতে পারবে। এছাড়া যে কোনো ইজারা বিলুপ্ত করতে এবং চুক্তির শর্তাদি পরিমার্জন করতে পারবে। সরকারের চাহিবামাত্র কোনো পরিত্যক্ত সম্পত্তি সরকারের বরাবর সমর্পণ করতে ব্যর্থ হলে সরকার যেরূপ নির্ধারণ করবে সেই রূপ পদ্ধতিতে ব্যক্তিকে উচ্ছেদ করে দখল গ্রহণ করতে পারবে। পরিত্যক্ত সম্পত্তি কল্যাণের উদ্দেশে ধর্মীয় কিংবা দাতব্য প্রকৃতির ট্রাস্ট ও ওয়াকফ সম্পত্তি হলে সরকার নতুন ট্রাস্টি অথবা মোতাওয়াল্লি নিযুক্ত করতে পারবে। যতদিন মোতাওয়াল্লি বা ট্রাস্টি নিযুক্ত না হবে, ততদিন ওই সম্পত্তি সরকারের তত্ত্বাবধানে থাকবে। ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে থাকা পরিত্যক্ত সম্পত্তি সরকারের কাছে সমর্পণের নোটিশ পাওয়ার পর ওই আদেশের বিরুদ্ধে দেশের কোনো আদালতে মামলা করা চলবে না। পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত ১৯৭৬ সালের অধ্যাদেশ জারির আগে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া থাকলে তাও বাতিল হয়ে যাবে। যদি কোনো ব্যক্তি কোনো পরিত্যক্ত সম্পত্তির অংশিক বা সম্পূর্ণ ক্ষতি সাধন করেন, তা হলে তিনি সরকার ধার্যকৃত ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবেন। আইনের প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে যদি কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোনো পরিত্যক্ত সম্পত্তির সম্পূর্ণ কিংবা অংশবিশেষ হস্তান্তর করেন অথবা ক্ষতি সাধন করেন, হস্তান্তরের অনুমতি প্রদান করেন তাহলে তিনি পাঁচ বছরের কারাদন্ড অথবা জরিমানার দন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। তবে জরিমানার পরিমাণ আইনের খসড়ায় উল্লেখ করা হয়নি। সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি কেউ পরিত্যক্ত সম্পত্তি সমর্পণ করতে ব্যর্থ হন, তা হলে তিনি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা জরিমানার দন্ডে দন্ডিত হবেন। উল্লিখিত অপরাধগুলো ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং প্রতিকারের জন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকার আদালতে মামলা করতে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচার করতে পারবে। এ আইন বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের সরল বিশ্বাসে কৃত কর্মের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো ব্যক্তি তাদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি কিংবা ফৌজদারি আদালতে কোনো মামলা করতে পারবেন না। অর্থাৎ আইনে তাদের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। এ আইনে ভূমি মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কাছে সমর্পণ করা সম্পত্তি প্রয়োজনমতো নিজেরা ব্যবহার করতে পারবে। সরকারপ্রধানের পূর্বানুমতিতে নির্ধারিত পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার অনুকূলে হস্তান্তর করা যাবে। হস্তান্তরিত সম্পত্তি ব্যক্তি অথবা সংস্থার অনুকূলে রেকর্ড সংশোধন করা যাবে। এ আইনের অধীনে সম্পদিত কোনো কার্যক্রম অথবা গৃহীত ব্যবস্থা অথবা আদেশের বিষয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না। এ আইন কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর আগে জারি করা পরিত্যক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত সব অধ্যাদেশ, আদেশ, পরিপত্র, প্রজ্ঞাপন বাতিল হয়ে যাবে।
ভাষা সংগ্রামী হালিমা খাতুনকে শেষ শ্রদ্ধা
অনলাইন ডেস্ক :সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হলেন সাহিত্যিক ও ভাষা সংগ্রামী হালিমা খাতুন। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য হালিমা খাতুনের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে আসা হয়। এ সময় ভাষাসংগ্রামী, মুক্তিযোদ্ধা, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিসেবীসহ সর্বস্তরের মানুষ ভাষা সংগ্রামী হালিমা খাতুনের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে হালিম খাতুনের জানাজা হবে। এর পর মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার স্বীকৃতির দাবিতে পশ্চিম পাকিস্তানে কারফিউ ভেঙে বের হওয়া নারীদের প্রথম মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন হালিমা খাতুন। ৮৫ বছরের এ সংগ্রামী নারী হৃদরোগ, কিডনিসহ রক্তদূষণের মতো নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মঙ্গলবার তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর