ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই
অনলাইন ডেস্ক: মিথ্যা তথ্য দিয়ে যারা সংবাদ প্রচার করবে না তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, তবে যারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করবে তাদের শাস্তি পেতে হবে। কেউ তথ্য দিলে তার সত্যতা তাকে প্রমাণ করতে হবে। জাতিসংঘের ৭৩তম অধিবেশন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বুধবার বিকেল ৪টায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন হয়। আগামী নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কোনো আলোচনা হয়নি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন নিয়ে কেউ পরামর্শও দেয়নি। বরং উৎসাহ পেয়েছি। যেসকল রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানের সাথে কথা হয়েছে, তারা চায় আবার দেখা হবে। জনগণ ভোট দিলে আছি। না দিলে নাই। শেখ হাসিনা বলেন, ৬ হাজারেরও বেশি নির্বাচন হয়েছে। কোনো নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করা হয়নি। রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমায়ের সাথে চুক্তি হয়েছে। তারা ফিরিয়ে নিতে চেয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগদানের লক্ষ্যে গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। শেখ হাসিনা গত ২৭ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেন। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা, এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালজুলেইদ ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। সপ্তাহব্যাপী যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে সোমবার সকালে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন তিনি।
কাদেরের প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর-না
অনলাইন ডেস্ক: পদ্মা সেতুর নামকরণ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের প্রস্তাবে না করে দিয়েছেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে সোমবার সকালে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে ফেরার পর গণভবনে ওবায়দুল কাদের পদ্মা সেতুর নাম শেখ হাসিনা সেতু হবে-এমন প্রস্তাব করলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, না, পদ্মা সেতুর নাম পদ্মা সেতুই হবে। অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে অনেক কষ্ট করে, দেশীয় অর্থায়নে পদ্মা সেতু করছি নিজের নামের জন্য নয়। এই সেতু হবে দেশের মানুষের জন্য। উল্লেখ্য, গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে শরীয়তপুরের সিনোহাইড্রোর জাজিরা ঘাট এলাকায় পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন গিয়ে পদ্মা সেতুর নাম বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নামে করা হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের।
আত্মতুষ্টিতে না ভুগে নির্বাচনে বিজয়ের জন্য কাজ করুন
অনলাইন ডেস্ক: আত্মতুষ্টিতে না ভুগে আগামী নির্বাচনে প্রত্যেকটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করার জন্য একযোগে কাজ করতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আগামীতে ক্ষমতায় আসার বিষয়ে আমাদেরকে আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। মাত্রাতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বর্তমান সাংসদদের বিরুদ্ধে যেকোন ধরণের কুৎসা রটনা থেকে বিরত থাকতে হবে এবং প্রত্যেকটি আসনে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য একযোগে কাজ করে যেতে হবে। যাতে করে ১৯৯১ সাল এবং ২০০১ সালের মত আওয়ামী লীগকে খেসারত দিতে না হয়। এ ব্যাপারে নেতা কর্মীদেরকে সজাগ থাকতে হবে। শেখ হাসিনা আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফিরে গণভবনে এসে পৌঁছলে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে আসা দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এবং দলের বিরুদ্ধে দেশী- বিদেশী চক্রান্ত আগেও ছিল এবং এখনও এ চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। তিনি বলেন, ৭৫-এর পর থেকেই একটা বৈরী পরিবেশে তার দল সংগ্রাম করে করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা ১৯৯১ সালে দলের ভেতরে ও বাইরে থাকা ষড়যন্ত্রের কথা স্মরণ করে বলেন, একটি অংশ তাকে বাদ দিয়েই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে চেয়েছিল। আর এটা করতে গিয়ে অনেক যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ভূল প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হয়। তিনি বলেন, এদেশে একটা ষড়যন্ত্র সবসময়ই চলে আসছে যাতে আওয়ামী লীগ অথবা বঙ্গবন্ধু পরিবারের কেউ যেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না আসতে পারে। তাদের একটাই ভয় তাহলে জনগণ সেই নেতৃত্বের ওপর ভর দিয়ে শক্তি সঞ্চয় করে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে। ৭৫ এর বিয়োগান্তক অধ্যায়ের পর ৬ বছর প্রবাস জীবন কাটাতে বাধ্য হয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হলে দেশে ফিরে আসার সময়কার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটা সময়ে আমি দেশে ফিরেছিলাম যখন দেশে খুনীদের রাজত চলছিল, যুদ্ধাপরাধীরাই দেশ চালাচ্ছিল। তারা আমার উপর হামলা চালিয়েও বেশ কয়েকবার প্রাণনাশের চেষ্টা করেছে, কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাই আমাকে বাঁচিয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, সকল বাধা বিপত্তি অতিক্রম করেই আমরা তিন তিনবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছি এবং সুশাসনের মাধ্যমে দেশকে পরিচালনা করে আর্থসামাজিক উন্নয়নের পথে নিয়ে যেতে পেরেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন দেশের বর্তমান উন্নয়নের পেছনে দৃঢ় ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে তাঁর সরকারের সুচিন্তিত এবং সময়োপযোগী পরিকল্পনা। যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়ক হয়েছে। আওয়ামী লীগ বিরোধীরা এখনও ভীষণভাবে সক্রিয় উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫ পরবর্তী সামরিক শাসক শ্রেণির উচ্ছিষ্টভোগী ও সুবিধাভোগীরা এখনও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে চলেছে। যদিও জনগণের মধ্যে তাদের কোন ভিত্তি নেই, কিন্তু তারা ক্ষমতা লিপ্সু। ক্ষমতার লোভে তারা স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি এবং খুনী চক্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে, -বলেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা এক শ্রেণির সংবাদপত্রের সমালোচনা করে বলেন, তাঁর দলের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য নিয়ে কয়েকটি পত্রিকা বসেই আছে, জনগণকে তাঁর সরকার সম্পর্কে বিভ্রান্ত করার জন্য নির্বাচনের সময় তারা একটার পর একটা ছেড়ে দেবে। দলের সফল নেতা ও সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে এরা দুর্ভাগ্যজনক ভাবে লেগেই থাকে অভিযোগ করে তিনি এদের বিরুদ্ধে সকলকে সতর্ক থাকার আহবান জানান । সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এদিন প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তাঁরা শেখ হাসিনাকে তাঁর ৭২ তম জন্মদিনেরও শুভেচ্ছা জানান। ২৮ সেপ্টেম্বও ছিল তাঁর জন্মদিন। সেদিন তিনি জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগদানের জন্য নিউইয়র্কে অবস্থান করছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে যোগদান, বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং এসময়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তার বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসু হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, বিশ্ নেতৃবৃন্দ এখন বাংলাদেশকে মর্যাদার চোখে দেখছে। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা নিজেকে বিশ্বনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, বাংলাদেশকে অধিষ্ঠিত করেছিলেন বিশ্বে মর্যাদার আসনে। যেকোন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে তিনি যেতেন সেখানেই তিনি থাকতেন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। কিন্তু, ৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর বাঙালি জাতি বিশ্বে সেই মর্যাদার আসনটি হারিয়ে ফেলে। আমরা সেই হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনতে সবসময়ই সচেষ্ট ছিলাম তাই বঙ্গবন্ধু খুনিদের বিচার করেছি এবং দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে গেছি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা দাবি করতেই পারি যার অনেকটাতেই আমরা সফল হয়েছি। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা জাতির পিতার খুনী এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সম্মুখীন করে জাতির ললাটে লেপ্টে থাকা কালিমা দূর করেছি। জাতির পিতা যেমনটি বলেছিলেন, বাঙালিদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না, সেটা আজ বিশ্বে প্রমাণিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সকলকে পুণরায় সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আমাদেরকে মনে রাখতে হবে অনেক খুনী এবং বিশ্বসঘাতকের জন্মও এদেশে হয়েছে যারা এ মাটির সন্তান হয়েও বাংলাদেশের অভ্যুদ্দয়কে কখনও মেনে নিতে পারেনি। তারা একসময় পাকিস্তানি পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছিল এবং পাকিস্তানি প্রভুদেরই তারা দাসত্ব করতে চায়, তাদের বংশধরেরাও রয়ে গেছে, যারা এই ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে, -যোগ করেন তিনি। ভোটের রাজনীতি প্রসংগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকেই এখন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোটের কথা বলেন, কিন্তু তারা জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ-না ভোটের কথা ভুলে গেছেন। তিনি বলেন, তার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগই দেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, গত সাড়ে নয় বছরে উপনির্বাচন, পৌরসভা, মেয়র ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনসহ দেশে ছয় হাজারের বেশি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেউ এসব নির্বাচন নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলতে পারে নি। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, নিউইয়র্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্পের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাঁর ট্রাম্পের সংগে কথা হয়েছে। তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাপকালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেয়া জাতির পিতার খুনি রাশেদ চৌধুরীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ করেন এবং মার্কিন প্রেসিডন্ট সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী এবারের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক কারণে আশ্রয় প্রদান এবং রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষে শান্তিপূর্ণ কূটনীতি পরিচালনায় অবদানের জন্য ইন্টারপ্রেস সার্ভিসেস নিউজ এজেন্সি এবং গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশন-এর কাছ থেকে পাওয়া দু-টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও এসময় দেশের জনগণকে উৎসর্গ করেন।
এসকে সিনহার বিরুদ্ধে নাজমুল হুদার মামলা
অনলাইন ডেস্ক: দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট অ্যালায়েন্সের (বিএনএ) সভাপতি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। সোমবার বিকালে রাজধানীর শাহবাগ থানায় নাজমুল হুদা নিজে গিয়ে মামলাটি দায়ের করেন। নাজমুল হুদার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শামীম আহসান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান জানান, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তিনি বলেন, ‘মামলাটি নাজমুল হুদা করেছেন গত ২৭ সেপ্টেম্বর। মামলা নং ৪৯। ডিএমপির মিডিয়া সেন্টার থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’ একটি বই প্রকাশের জের ধরে সম্প্রতি সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন। নিউইয়র্কে ওই বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সিনহাকে নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার ভাই অনন্ত কুমার সিনহার বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার একটি অভিযোগের অনুসন্ধানে নামার কথা জানিয়েছে। এরপরই জানা গেল বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হতে চাওয়া নাজমুল হুদার মামলা করার কথা। তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছাড়াও বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতা এবং সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন। কয়েক বছর আগে বিএনপি ছেড়ে প্রথমে বিএনএফ গঠন করেন। সেটি হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার পর তৃণমূল বিএনপি নামে দল গঠন করেন নাজমুল হুদা। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট (বিএনএ) নামে একটি জোট গঠন করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলে যোগ দেয়ার চেষ্টা করছেন। আলোকিত বাংলাদেশ
ভোটের রাজনীতিতে পারবে না যারা তাদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: যারা ভোটের রাজনীতিতে পারেনি তাদের ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সকাল ১০ টার দিকে গণভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে দেয়া সংবর্ধনায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের একটা শক্তিশালী প্রতিপক্ষ আছে। তাদের চক্রান্ত অনবরত চলছে। তারা জানে, তারা ভোটের রাজনীতি পারবে না। কিন্তু ক্ষমতার লোভ আছে। তাই একাত্তরের পরাজিত শক্তির সাথেই হাত মেলায়, খুনি-ঘাতকদের সাথে হাত মিলিয়ে সারাক্ষণ আমাদের বিরুদ্ধে লেগে থাকে। তিনি বলেন, ২০০১ সালে গভীর চক্রান্ত করে আমাদের আসতে দেয়নি এবং ১৯৯১ সালে এই চক্রান্ত আমার দলের ভিতরেও ছিল বাইরেও ছিল। দলের ভিতর চক্রান্তটা কোথায়? যাই হোক, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক আমি যেন কিছু না হতে পারি। ওটা করতে গিয়ে এমন এমন প্রার্থীদের বেছে নেওয়া হল যারা জিতে আসতে পারেনি। আর যাদের আমরা মনোনয়ন দেই নাই। দিলে তারা জিততো তাদের তারা লুফে নিলো, এরকম বহু ঘটনা ও অভিজ্ঞতা আমি বলছি এবং বহু আছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে শক্তি চক্রান্ত করে ১৫ আগস্ট ঘটাল এদেশে। যে শক্তি বারবার আঘাত হেনেছে। শুধু ২১ আগস্ট না, ৮৮ সালে ২৪ জানুয়ারি বা ৮১ সাল থেকে আমি বাংলাদেশে পা দেওয়ার পর থেকেই একের পর এক যে ঘটনাগুলি ঘটেছে, তার পেছনে তারা রয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, আল্লাহর ইচ্ছা ছিল বোধহয় সেজন্য বাঁচিয়ে রেখেছে। কিন্তু ওই রকম বারবার মৃত্যুকে মুখোমুখি নিয়ে চলা, এটা অনেকেই চলতেও পারে না। সে সাহসও পায় না। সেভাবে করতেও পারে না। তারপর আবার আন্তর্জাতিক চক্রান্ত মোকাবিলা করতে হয়েছে। কারণ আমাদের দেশে একটা শ্রেণি; ৭১ সালে যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনঅর সাথে জড়িত তারা তো রয়ে গেছে। তাদের বংশধর তো রয়ে গেছে। তাদের চক্রান্ত তো অনবরত চলছে এবং তারা করেই যাচ্ছে। সেখান থেকে একটা শ্রেণি গড়ে উঠেছে, তারা জানেই যে তারা ভোটের রাজনীতি পারবে না। তারা জানে যে তারা দল করতে পারে না। তারা মাঠে যেতে পারে না। কিন্তু ক্ষমতার লোভ তাদের। শেখ হাসিনা বলেন, এই ক্ষমতার লোভে একাত্তরের পরাজিত শক্তির সাথেই তারা হাত মেলায়, খুনিদের সাথে ঘাতকের সাথে হাত মিলায় এবং তারা কিন্তু সারাক্ষণ আমাদের বিরুদ্ধে লেগেই থাকে। সেটা আমাদের সব সময় মাথায় রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কিছু পত্রিকা আছে আমি জানি তারা প্রস্তুত অনেকগুলি তথ্য নিয়ে বসে। তারা একটার পর একটা ছাড়বে। যেখানেই আমাদের কোন অর্জন, যেখানেই মানুষ একটা বাহবা দিচ্ছে, সেখানেই প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য একটা মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা। আর আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আমাদের মন্ত্রণালয় থেকেই হোক বা দুর্নীতি দমন কমিশন থেকেই হোক সেগুলোকে খুব গুরুত্ব দিয়েই আমাদের লোকগুলোর বিরুদ্ধে লেগে যায়। কাজেই এইসব ব্যাপারে আমাদের কিন্তু সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, যত অর্জন তা জনগণের দান। সুযোগ দিয়েছে বলেই বলেই এতো সাফল্য সাফল্য। ১৯৭৫ এর পর বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর পিছিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের সম্মান আজ ফিরে পেয়েছে। এর আগে, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সকাল ৯টার পর প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশের উদ্দেশে রওনা দেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সংবাদ সম্মেলন আজ
অনলাইন ডেস্ক: আলটিমেটামে সাড়া না দেয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে নতুন কর্মসূচি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া। ঐক্য প্রক্রিয়ার নতুন কর্মসূচির জানান দিতে আজ সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেছেন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আবম মোস্তফা আমিন। ধানমণ্ডির কার্যালয়ে বেলা ১১টায় এ সংবাদ সম্মেলন থেকে পরবর্তী করণীয়সহ কর্মসূচির বিষয়টি অবহিত করা হবে। ২২ সেপ্টেম্বর গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নাগরিক সমাবেশ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু, নির্বাচনকালীন সরকার গঠন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনসহ পাঁচ দফা দাবি মেনে নিতে সরকারকে সময় বেঁধে দেন ড. কামাল হোসেন। এতে বলা হয়েছিল, দাবি আদায়ে ১ অক্টোবর থেকে যুক্তফ্রন্ট এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতারা সারা দেশে সভা-সমাবেশ করবেন। একই সঙ্গে সারা দেশে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য নামে কমিটি গঠনের আহ্বানও জানানো হয়। কিন্তু এর মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। ২৬ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে চিকিৎসা নিতে ব্যাংকক যান ড. কামাল হোসেন। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতারা জানান, চিকিৎসা শেষে ৬ বা ৭ অক্টোবর ড. কামাল দেশে ফিরবেন। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতারা রোববার বিকালে তাদের ধানমণ্ডির কার্যালয়ে বৈঠক করেন। পরবর্তী করণীয় বিষয়ে জানান দিতে এ বৈঠকে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতারা সংবাদ সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নেন। এ প্রসঙ্গে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার কেন্দ্রীয় নেতা ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহম্মেদ গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারকে দেয়া আলটিমেটাম মাত্র শেষ হল। আমরা বসে আমাদের পরবর্তী করণীয় ঠিক করব। তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেন অসুস্থ। হাঁটুর চিকিৎসা নিতে তিনি এখন ব্যাংককে। তার অনুপস্থিতিতে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতারা বসে কর্মসূচি ঠিক করবেন। এক্ষেত্রে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া এবং যুক্তফ্রন্ট যৌথভাবেও বৈঠকে বসবে। এ বৈঠকে আলাপ আলোচনা করে নতুন কর্মসূচি দেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা একটি জাতীয় ঐক্যের ধারা সৃষ্টি করেছি। এ ধারাকে এগিয়ে নেবই। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আবম মোস্তফা আমিন বলেন, আগামী ৭ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আমরা মানববন্ধন করব। সেখান থেকে নতুন কর্মসূচি আসতে পারে। এর আগে সংবাদ সম্মেলন করে আমরা আমাদের কথা জানান দেব।
অবকাশকালীন ছুটি শেষে সোমবার থেকে খুলছে সুপ্রিম কোর্ট
অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘ ৪৬ দিন অবকাশকালীন ছুটি শেষে সোমবার (১ অক্টোবর) থেকে সুপ্রিমকোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এবং সকল আইনজীবীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবেন। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা চলমান অবকাশকালীন ছুটির পর প্রথম কার্যদিবস কাল ১ অক্টোবর সোমবার সকালে সাড়ে দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত মুল ভবনের ভেতরের লনে অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন। নিয়ম অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে প্রতি অবকাশের পর প্রধান বিচারপতি আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনজীবী সমিতির সভাপতি-সম্পাদকসহ সকল আইনজীবীদের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৫ আগস্ট থেকে আজ ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঈদ-উল আযহার ছুটি, সরকার ঘোষিত অন্যান্য ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি এবং কোর্টে অবকাশের কারণে প্রায় দেড় মাস সুপ্রিমকোর্টে নিয়মিত বিচার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে এ সময়ে জরুরি বিষয় শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য সুপ্রিমকোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে অবকাশকালীন বেঞ্চ বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে অবকাশকালীন বিভিন্ন বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন। এছাড়াও সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে দিয়ে আদালত নির্ধারণ করে দেয়া হয়। এসব বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
৭৩তম অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের বিমানটি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দেয়। লন্ডন পৌঁছার পর শেখ হাসিনা সেখানে যাত্রাবিরতি করবেন। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। লন্ডনে ১০ ঘণ্টার বেশি যাত্রাবিরতির পর প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে (বাংলাদেশে সময় আজ রাত ১১টা ২০ মিনিটে) ঢাকার উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করবেন। সোমবার সকালে শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং ওই দিন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে সতর্ক পুলিশ
অনলাইন ডেস্ক: দুই দফা পিছিয়ে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশে যোগ দিতে জড়ো হচ্ছেন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এই সমাবেশকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রোববার সকালে রমনা জোনের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার বলেন, সমাবেশকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটাতে না পারে, সে জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সমাবেশস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সাদা পোশাকেও সমাবেশস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। এরপরও কেউ যদি কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে কঠোর হাতে দমন করা হবে। পুলিশ জানায়, জনসমাগম ঘটিয়ে যাতে কোনো সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য সার্বিক প্রস্তুতিও রয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের শর্তগুলো মেনেই সমাবেশ হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা হচ্ছে। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, কর্মসূচির নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, গত বছরের ৫ জানুয়ারি সমাবেশ ঘিরে বিএনপি ও জামায়াত-শিবির ঢাকাসহ দেশব্যাপী নাশকতা চালিয়েছিল। সে কারণে পুলিশের প্রস্তুতি রয়েছে। বিভিন্ন নাশকতার মামলার আসামিদের ওপর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে ফকিরাপুল, মতিঝিল, খিলগাঁও, রামপুরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের কার্যক্রম মনিটর করা হচ্ছে। সমাবেশের প্রবেশের গেটগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ। প্রস্তুত রাখা হয়েছে পুলিশের বিশেষ ইউনিটকে।

জাতীয় পাতার আরো খবর