আমার মা খুব জ্ঞানপিপাসু ছিলেন :প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‌আমার মা খুব জ্ঞানপিপাসু ছিলেন। তার খুব বই পড়ার অভ্যাস ছিল। আব্বার জন্য বই কিনতেন। লেখাপড়ার তেমন সুযোগ না পেলেও চিন্তা ভাবনায় তিনি খুব উচ্চমানের ছিলেন। জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে নেপথ্যে থেকে মা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন বলে জানান তিনি। বুধবার (৮ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে জাতির পিতা হত্যাকারীদের নিষ্ঠুর, বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে তিনিও শাহাদাত্বরণ করেন। শহীদ বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মাত্র ৩ বছর বয়সে পিতা ও ৫ বছর বয়সে মাতাকে হারান। তার ডাক নাম ছিল ‘রেণু’। পিতার নাম শেখ জহুরুল হক ও মাতার নাম হোসনে আরা বেগম। দাদা শেখ কাসেম চাচাতো ভাই শেখ লুৎফর রহমানের পুত্র শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বেগম ফজিলাতুন্নেছার বিবাহ দেন। তখন থেকে বেগম ফজিলাতুন্নেছাকে শাশুড়ি বঙ্গবন্ধুর মাতা সাহেরা খাতুন নিজের সন্তানদের সঙ্গে মাতৃস্নেহে লালন-পালন করেন। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে তিনি প্রাথমিক লেখাপড়া করেন। অতঃপর সামাজিক রীতি-নীতির কারণে গ্রামে গৃহশিক্ষকের কাছে লেখাপড়া করেন।
আগামীকাল থেকে কোনও গাড়ি চুক্তিভিত্তিক চলবে না
অনলাইন ডেস্ক :প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে’ চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঢাকাভিত্তিক পরিবহন মালিকদের সংগঠন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। বুধবার বিকেলে বিআরটিসি ভবনে অবস্থিত সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা সবাই এই আইনের পূর্ণ সমর্থন করি। এই আইন ১৯৮৩ সালের আইন থেকে অনেক সময়োপযোগী ও গ্রহণযোগ্য। আমরা সমর্থন জানাই। তবে এই আইনে জরিমানার পরিমাণ অনেক বেশি। আমরা কিছু সংশোধনী প্রস্তাব দেবো। এগুলো সরকার মানলেও সমর্থন থাকবে, না মানলেও সমর্থন থাকবে।’ এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘আগে বাস কোম্পানিগুলো ক্ষতিপূরণ দিতো না বললেই চলে। কিন্তু এই আইনে ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার সুযোগ নেই। ক্ষতিপূরণ দিতেই হবে।’ আগামীকাল থেকে কোনও গাড়ি চুক্তিভিত্তিক চলবে না বলে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এভাবে চললে পারাপারি (প্রতিযোগিতা) বেশি হয়, দুর্ঘটনা বাড়ে। আমরা এটা করতে দেবো না। যে কোম্পানি এটা মানবে না তার লাইসেন্স বাতিল করার জন্য আমরা সুপারিশ করবো। আর আমাদের সমিতির আওতায় হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থাও নেবো।’ এনায়েত বলেন, ‘আগামীকাল থেকে আমরা প্রতিটি বাস টার্মিনালে চেক করবো কোনও গাড়ি ফিটনেস সনদ, চালকের লাইসেন্স ছাড়া চলে কিনা। কারও (চালকের) কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে তাকে চলতে দেওয়া হবে না। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ আমরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মালিকদের সময় দিচ্ছি তারা যেন এর মধ্যে সব কিছু ঠিক করে নেয়। এ সময় তিনি চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানো বন্ধ করতে সড়কের পাশে টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা রাখার জন্য সিটি করপোরেশনকে আহ্বান জানান।
বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী, সমাধিতে শ্রদ্ধা
অনলাইন ডেস্ক :জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অপর্ণের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। ঢাকার বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত তাঁর সমাধিতে আজ বুধবার সকালে দলের নেতা-কর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়াও সেখানে তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে কোরানখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি, ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি, মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, আব্দুর রহমান এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এমপি, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, একেএম এনামুল হক শামীম, ব্যরিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন নাহার লাইলী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন ও কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ১৯৩০ সালের এইদিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন নেসা মুজিব জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে মৃত্যুবরণ করেন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ, আওয়ামী যুবলীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ ও তাঁতীলীগ বঙ্গমাতার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এছাড়াও যুবলীগ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, ছাত্রলীগ মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ঢাকা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ, বঙ্গমাতা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সংগঠন বঙ্গমাতার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র একটি অত্যন্ত প্রযুক্তি নির্ভর
অনলাইন ডেস্ক :স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র একটি অত্যন্ত প্রযুক্তি নির্ভর এবং আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর একটি দলিল বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, ‘এটি বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত দলিল বলা যেতে পারে। আগামী ডিসেম্বর, জানুয়ারির মধ্যে সকল নাগরিকের কাছে এটি পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করবো।’ বুধবার (৮ আগস্ট) দুপুরে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভোলায় স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন সিইসি। তিনি বলেন, ‘আজকে ৮টি জেলায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের সব জেলায় স্মার্টকার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। আমরা আশা করি, যে উদ্দেশ্যে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হয়েছে এবং বিতরণ করা হলো তার যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।’ ‘আমি বারবার বলি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রকে এটি অত্যন্ত তথ্যসমৃদ্ধ এবং সর্বশেষ প্রযুক্তি নির্ভর একটি দলিল বলা যেতে পারে’, যোগ করেন সিইসি। কেএম নূরুল হুদা বলেন, ‘এটি সঙ্গে থাকলে মনে করবেন আপনি পৃথিবীর সঙ্গে আছেন। এটা যদি সঙ্গে থাকে তাহলে পৃথিবীর যেখানেই থাকবেন, সেখানেই আপনার পরিচিতি থাকবে। সুতরাং এটাকে যত্ন করে রাখবেন। এটার যাতে কোনো রকম অপব্যবহার না হয় এবং কেউ যাতে অপব্যবহার না করতে পারে সে ব্যাপারে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করি।’ ভোলায় সিইসি কেএম নূরুল হুদা, ময়মনসিংহে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, শ্বশুর বাড়ি চাঁদপুরে মো. রফিকুল ইসলাম, নিজ জেলা নওগাঁয় কবিতা খানম, যশোরে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, মৌলভীবাজারে অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান এবং মাদারীপুর জেলায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম। এই আট জেলার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম ব্যবহার করে ইসি সচিবালয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে উক্ত ভিডিও কনফারেন্স করা হয়। এই আটটি জেলায় উদ্বোধনকালে ময়মনসিংহ জেলা বাদে বাকি সাতটি জেলার জেলা প্রশাসক, এসপিদের বক্তব্য শোনে ইসি। আগামীকাল থেকে মাঠ পর্যায়ে এই আটটি জেলাসহ মোট ২৭টি জেলায় স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশনা দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার ২৭টি জেলার যেসব উপজেলায় স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হবে- মানিকগঞ্জ সদর, মুন্সীগঞ্জ সদর, নরসিংদী সদর, শেরপুর সদর, জামালপুর সদর, ময়মনসিংহ সদর, টাংগাইল সদর, কিশোরগঞ্জ সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, লক্ষ্মীপুর সদর, চাঁদপুর সদর, ফেনী সদর, নাটোর সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, সিরাজগঞ্জ সদর, নওগাঁ সদর, চুয়াডাঙ্গা সদর, মাগুরা সদর, ঝিনাইদহ সদর, সাতক্ষীরা সদর, কুষ্টিয়া সদর, যশোর সদর, রাজবাড়ী সদর, মাদারীপুর সদর, ফরিদপুর ভাঙ্গা, ভোলা সদর ও মৌলভীবাজার সদর।
বিএনপির আন্দোলন করার সক্ষমতা নেই :সেতুমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :বিএনপিকে আবারও ‘নালিশ পার্টি’ হিসেবে আখ্যা দিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘এখন দেখছি বিদেশিদের দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিয়ে নালিশ করা হচ্ছে। এই পার্টি আবারও প্রমাণ করলো, বিএনপি- বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি নয়; বাংলাদেশ নালিশ পার্টি।’ বুধবার (৮ আগস্ট) ঢাকার আজিমপুরে এতিমখানায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৮৮তম জন্মবার্ষিকীর এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এই মুহূর্তে দেশে আন্দোলন হওয়ার মতো বস্তুগত পরিস্থিতি বিরাজমান নেই। নানা খেলা চলছে। নানা অশুভ খেলা চলছে। আন্দোলন একবার কোটা আন্দোলনে ভর করে, একবার শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়কের ওপর ভর করে। শিশুরা বাড়ি ফিরে গেছে। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে ভর করে সফলতা আসেনি।’ বিএনপির আন্দোলন করার সক্ষমতা নেই দাবি করে তিনি বলেন, ‘নিজেদের আন্দোলন করার সক্ষমতা নেই। ব্যর্থ হয়ে বিদেশিদের কাছে দেশের কথা বলছে—এরা দেশপ্রেমী নয়।’ ‘আক্রান্ত হয়েও আওয়ামী লীগকে আক্রমণকারী বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করে কাদের বলেন, ‘আমাদের ৪৬ নেতাকর্মী আহত। শিলা-পাথর ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যাগে ছিল না। অরাজনৈতিক আন্দোলনে যে রাজনীতিক অনুপ্রবেশ ঘটেছে, তারাই পাথর বহন করেছে। মিরপুর থেকে হাজার হাজার স্কুলড্রেস ও ব্যাগ সংগ্রহ করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘নীলক্ষেত থেকে ভুয়া আইডি কার্ড সংগ্রহ করে ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনকে নোংরা রাজনীতিক আন্দোলনের দিকে নিয়ে যাওয়ার অশুভ এজেন্ডা যাদের, তাদের আমরা নিন্দা জানাই। তাদের ধিক্কার জানাই। আজ আরাফাত নামে আমাদের এক কর্মীকে বিদেশে পাঠাতে হচ্ছে। তার একটি চোখ সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।’ গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে—এমন দাবি করে তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো মিডিয়ায় এবং কোনো কোনো কাগজে এমনকি ফেসবুকে যেভাবে অপপ্রচার হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছিল সে (আরাফাত) আন্দোলনরত ছাত্র। তার চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। সে যে আমাদের দলের সেটা বলা হয়নি।’ বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তিনি ছিলেন সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণার উৎস; সাহসের উৎস। বেগম মুজিব সহধর্মিণী ছিলেন বলে শেখ মুজিব বঙ্গবন্ধু হয়েছিলেন। এ কথা অস্বীকারের কোনো উপায় নেই। বাংলাদেশে বহু ফাস্টলেডি দেখেছি কিন্তু বেগম মুজিবকে আমরা পদ ও প্রদীপের আলোয় খুব একটা দেখিনি। তিনি সব সময় ছিলেন পর্দার অন্তরালে।’ অনুষ্ঠান শেষে দুস্থদের মধ্যে খাবার ও বস্ত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সি। সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।
বিএনপি এখন দেওলিয়া হয়ে গেছে :হানিফ
অনলাইন ডেস্ক :এতিমের টাকা মেরে খাওয়ায় খালেদা জিয়াকে সাজা আদালত দিয়েছে বলে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, ‘একমাত্র আদালতই পারে তাকে মুক্তি দিতে। আন্দোলন ও বিদেশিদের কাছে নালিশ করে তাকে মুক্ত করা যাবে না।’ বুধবার (৮ আগস্ট) সকালে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে স্মার্ট পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি এখন দেওলিয়া হয়ে গেছে, তাই তাদের রাজনীতি এখন নালিশ করা—এমন মন্তব্য করে হানিফ বলেন, ‘এ দেশের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ যাদের ভোট দেবে তারা ক্ষমতা আসবে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। কে আসল আর কে না আসল তার জন্য নির্বাচন থেমে থাকবে না।’ শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলাকালে তাদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডাররা ঢুকে শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি তদন্ত করে বিচার দাবি করছি। সরকার ইতিমধ্যে শিক্ষার্থীদের অনেক দাবি মেনে নিয়েছে। বাস্তবায়ন শুরু হয়ে গেছে। সড়ক মৃত্যুর মিছিল যাতে কমে সেজন্য কঠোর আইন করা হয়েছে। আইনের প্রয়োগে শুরু হলেই দেশের সড়ক নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনা অনেক কমে আসবে।’ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজি রবিউল ইসলাম, পৌর মেয়র আনোয়ার আলী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নওয়াবুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার সোহেল রহমান, এডিএম হাসান হাবিব, স্থাণীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোস্তাক আহমেদ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা। এ সময় মাহবুবউল আলম হানিফ সাত সিনিয়র নাগরিকের হাতে স্মার্টকার্ড তুলে দিয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। ৯ আগস্ট থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত এ কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চলবে।
ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু
অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের জন্য আজ বুধবার থেকে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত। সকাল আটটা থেকে ২৬টি কাউন্টার থেকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে । টিকিটের জন্য কমলাপুর রেলস্টেশনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মানুষ। সকাল থেকে টিকিট কাউন্টারগুলোর সামনে লাইনে দাঁড়ান এসব টিকিটপ্রত্যাশীরা। ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে। আজ দেওয়া হচ্ছে ১৭ আগস্টের টিকিট। ৯ আগস্ট ১৮ আগস্টের, ১০ আগস্ট ১৯ আগস্টের, ১১ আগস্ট ২০ আগস্টের এবং ১২ আগস্ট ২১ আগস্টের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে। একইভাবে ১৫ আগস্ট থেকে শুরু হবে ঈদ ফেরত যাত্রীদের জন্য ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি। ঈদ ফেরত অগ্রিম টিকিট রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিরহাট স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় সকাল ৮টায় বিক্রি শুরু হবে। ২৪ আগস্টের ফিরতি টিকিট দেওয়া হবে ১৫ আগস্ট। একইভাবে ১৬, ১৭, ১৮ ও ১৯ আগস্ট যথাক্রমে পাওয়া যাবে ২৫, ২৬, ২৭ ও ২৮ আগস্টের টিকিট।
রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়ে মিয়ানমারকে বোঝান: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশ থেকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে মিয়ানমারকে রাজি করানোর জন্য জাপানসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের অবশ্যই তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে, এজন্য মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য বোঝাতে হবে।’ সফররত জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনো মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে শেখ হাসিনা একথা বলেন। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত বছরের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বহুসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী এসে এদেশে আশ্রয় গ্রহণ করেছে এবং তারা সংখ্যায় কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও ছাড়িয়ে যাওয়ায় নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণ এ কারণে ব্যাপক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে, কারণ তাদের চাষাবাদের জমিগুলোতে পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় নিতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাই আমরা স্থানীয় জনগণকেও সহায়তা প্রদান করছি।’ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, যদিও নিপেডো রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল তথাপি তারা এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তিনি বলেন, ‘আমরা এসব রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকরা রোহিঙ্গাদের কষ্ট লাঘব করতে কক্সবাজারে কাজ করে যাচ্ছে; তারাও দেশে ফেরার পর এসব রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরার বিষয়ে সহযোগিতা করতে পারে। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলেন, তিনি তার সাম্প্রতিক মিয়ানমার সফরে দেশটির রাষ্ট্রপতি উইস মিন্ট এবং স্টেট কাউন্সিলর অং সাং সুচির সঙ্গে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, মিয়ানমারের নেতৃবৃন্দ তাকে জানান, তারা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাবার পর যাতে ভালো পরিবেশে তারা বসবাস করতে পারে সেজন্য রাখাইন স্টেটে ঘরবাড়ি এবং স্কুল নির্মাণ কর্মসূচি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য আমি তাদের বলেছি।’ তারো কোনো বলেন, বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলো যাতে তাদের প্রতিনিধি দল পাঠিয়ে পরিদর্শন করানো হয় এবং রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়ে তারা যেন বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সেজন্যও তিনি মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষতে আহ্বান জানিয়েছেন। আলোকিত বাংলাদেশ
প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানো হবে আহতদের
অনলাইন ডেস্ক:নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ অফিসে দুর্বৃত্তদের হামলায় দলের আহত কর্মীদের দেখতে চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সেখানে চিকিৎসা নিতে যাওয়া অাহত কর্মীদের প্রয়োজনে বিদেশে নেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান তিনি। হাসপাতালে দুর্বৃত্তদের হামলায় এক চোখ বিকল হয়ে যাওয়া সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পিসহ চারজনের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী। উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে তাদের বিদেশে পাঠাতে নির্দেশ দেন তিনি। এই সময় দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. রুহুল হক এমপি, ডা. হাবিবে মিল্লাত এমপি ও দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, শনিবার ও রোববার রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় দলের উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় দুটি মামলা দায়ের করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর