বুধবার, এপ্রিল ২১, ২০২১
দেশে ঋণখেলাপি ৩ লাখ ৩৫ হাজার
২৫,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমানে (অক্টোবর ২০২০ পর্যন্ত) দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণগ্রহীতার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮২। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল এ তথ্য জানান। এ অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। সোমবারের প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়। বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারীর এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, চলতি ২০২০-২১ অর্থ বছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত আদায় হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অর্জন ৩২.৮৭%। আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসের টিকা কেনার জন্য এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেশ থেকে অবমূল্যায়ন বা অতিমূল্যায়নের মাধ্যমে অর্থ পাচারের কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এটি খতিয়ে দেখছে। যেসব ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে, সেসব ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। অর্থ পাচার বন্ধে সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব পদক্ষেপের ফলে বৈদেশিক মুদ্রা বা অর্থ পাচার অনেকাংশে কমে যাবে।
এলো আরও ৫০ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন
২৫,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৫০ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন এসেছে ভারত থেকে। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৫৬ মিনিটে ভ্যাকসিনবাহী এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। এর আগে সকালে ভারতের মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় ৮টা ২৮ মিনিটে টিকা নিয়ে রওনা হয় এয়ার ইন্ডিয়ার (এআই-১২৫৪) বিশেষ ফ্লাইটটি। এসব করোনার ভ্যাকসিন পরিবহনের জন্য বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকেছে বেক্সিমকোর স্টিকারযুক্ত নয়টি বিশেষ মিনি কাভার্ড ভ্যান। এ ভ্যাকসিনগুলো বিমানবন্দর থেকে নেওয়া হবে টঙ্গীতে অবস্থিত বেক্সিমকোর ওয়্যারহাউজে। সেখাসেই সংরক্ষণ করা হবে ভ্যাকসিনগুলো। এ মিনি কাভার্ড ভ্যানগুলোকে পুলিশ প্রহরায় নিয়ে যাওয়া হবে। বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তাজুল বলেন, বিমানবন্দর থানার একটি ও উত্তরা পশ্চিম থানার একটি মোট দুটি টিম আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তায় ভ্যাকসিনবাহী মিনি কাভার্ড ভ্যানগুলো নিয়ে যাবে। এরপর গাজীপুর জেলা পুলিশের টিম আব্দুল্লাহপুর থেকে নিয়ে যাবে।
ভারতের সঙ্গে মৈত্রীবন্ধন বাংলাদেশের উন্নয়নে সহায়ক : তথ্যমন্ত্রী
২৪,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের সঙ্গে মৈত্রীবন্ধনকে বাংলাদেশের উন্নয়নে অত্যন্ত সহায়ক বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। রোববার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশে নেতাজির জন্মবার্ষিকী উদযাপন ও দেশপ্রেম দিবস উদযাপন পরিষদ আয়োজিত- নবজাগরণে নেতাজির আদর্শ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। নেতাজির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কিছু রাজনৈতিক শক্তি আছে যাদের রাজনৈতিক মূল এজেন্ডা হচ্ছে ভারতবিরোধিতা। প্রতিবেশী তিন দিকের সীমান্তের দেশের সাথে বৈরী সম্পর্ক রেখে এ দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। ভারতবিরোধিতাকেই যারা মূল প্রতিপাদ্য ভেবে রাজনীতি করে, তারা আসলে ভুল পথে হাঁটছে। সৌহার্দ্যের মধ্যেই অগ্রগতি নিহিত। হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা উভয় দেশ যে মৈত্রীবন্ধনে এগিয়ে যাচ্ছি, এই মৈত্রীকে আরও সুদৃঢ় করার মধ্য দিয়ে এবং আমাদের আঞ্চলিক ও মানুষে মানুষে যোগাযোগ আরও বিস্তৃত করার মধ্য দিয়েই এ অঞ্চলের উন্নতি সম্ভব হবে এবং আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান আবেদ খান, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি উত্তম বড়ুয়া, আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম সেমিনারে বক্তব্য রাখেন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতাজির আহ্বানে আজাদ হিন্দ ফৌজের যে ২৬ হাজার সেনানী জীবন দিয়েছিলেন, তাদের স্মৃতির প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অবদান ইতিহাসে সবসময় স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ থাকবে। আমাদের জন্য গৌরবের যে নেতাজি বাঙালি ছিলেন এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, শৈশবেই তিনি নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন, তার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী আজ নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের ২০ লাখ ভ্যাকসিন উপহার ভালোবাসা এবং বন্ধুত্বের অনন্য উদাহরণ। ভারতের সব মানুষ এখনো ভ্যাকসিন পায়নি, তার আগেই আমাদের দেশে এটি এসেছে। এ জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। সেই সঙ্গে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের কয়েক হাজার সৈন্য জীবন দিয়েছেন, এ দেশের এক কোটি মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছে এবং এরও আগে পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধুকে যেন ফাঁসি দেয়া না হয়, সেজন্য ইন্দিরা গান্ধী ৩০টি দেশ সফর করে বিশ্ব জনমত গঠন করেছিলেন, সেকথাও গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিকতায় স্মরণ করি। ভারতের হাইকমিশনার দোরাইস্বামী তার বক্তব্যে বাংলাদেশে নেতাজির জন্মবার্ষিকী উদযাপনকে অত্যন্ত অন্তর ছুঁয়ে যাওয়া ঘটনা বলে অভিহিত করেন এবং দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর হবে বলে আশাপ্রকাশ করেন।
মশা অসহ্য যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে: তাজুল ইসলাম
২৪,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীতে মশা অসহ্য ও যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, কিউলেক্স মশার উপদ্রব অতীতের তুলনায় কমেছে। রোববার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে ঢাকা উত্তর সিটি ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক গৃহীত কর্মপরিকল্পনা পর্যালোচনা সভার শুরুতে এ কথা বলেন তিনি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে আপনারা মশা নিয়ে কিছু কিছু কথাবার্তা বলছেন। আমি যদিও এটা মনে করি অতীতের যেকোনো বছরের তুলনায় এখন কিউলেক্স মশার পরিমাণ কম। তাও (মশা) মানুষের কাছে অসহ্য ও যন্ত্রণার কারণ হিসেবে দাঁড়িয়েছে- এই কথাটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, এডিস মশা বাসা-বাড়িতে থাকে। বাড়ির মালিকরাসহ সবাই একত্রে এই মশা মারতে যোগ দিয়েছে, গত সেপ্টেম্বর থেকে কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছিলাম বলে আমরা সেখানে একটা সন্তোষজনক একটা জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি। কিউলেক্স মশা হয় ঝোপ-জঙ্গল, আর্বজনা এবং ময়লা পানিতে। এজন্য কচুরিপানাসহ ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে মেশিন কেনা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটিকে শুধু বসবাসের জন্য নয়, এনজয়েবল ঢাকা সিটি করতে চাই। সেজন্য যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা দূর করতে হবে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে জলাশয়গুলো পরিষ্কার করতে হবে। অবৈধ দখলমুক্ত করতে হবে। সেজন্য আমরা বেশ কিছু কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। ঢাকার খালগুলো দুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা স্টর্ম ওয়াটার ও খালগুলো নিয়ে আজকে বসেছি। শুধুমাত্র বৃষ্টির পানি যাওয়ার জন্য, খালগুলোকে পরিষ্কার করার জন্য সিটি কর্পোরেশনের কাছে এটা হস্তান্তর করা হয়নি। তারাও এজন্য এটা নেয়নি। উদ্দেশ্যটা হলো, যেসব খালের জায়গা অবৈধভাবে দখল হয়েছে তা দখলমুক্ত করা। দখলমুক্ত করে খালগুলোকে সংস্কার করা। তিনি বলেন, আমাদের ৩৯টি খাল আছে। এই ৩৯টি খাল দুই মেয়রের অধীনস্ত এলাকায় রয়েছে। খালগুলো সংস্কারে কর্মপরিকল্পনা করতে আজকে সভা ডাকা হয়েছে। দুই মেয়র বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। তা বাস্তবায়নে দুই মেয়র খুবই আন্তরিক। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করব। প্রতিটি সংস্থা যার যার কাজ করবে। আমরা সমন্বয় করে কাজ করব। সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. সাঈদ নূর আলমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।
পাস হলো বিল, এইচএসসির ফল প্রকাশ শিগগিরই
২৪,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পরীক্ষা ছাড়া ফলাফল প্রকাশ এবং পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পথে বিদ্যমান আইনি বাধা দূর করতে উত্থাপিত তিনটি বিল সংসদে পাস হয়েছে। আজ রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তা পাস হয়। এর ফলে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশে আর কোনো বাধা থাকলো না। শিগগিরই গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সেই ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এর আগে শিক্ষান্ত্রণালয় সম্পর্কি স্থায়ী কমিটি বিল তিনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংসদে অনুমোদনের সুপারিশ করে। গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বিল তিনটির প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করে তা পাসের সুপারিশ করেন। উত্থাপিত বিল তিনটি হচ্ছে- ইন্টারমিডিয়েট এন্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (সংশোধন) বিল, ২০২১, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল, ২০২১ এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল, ২০২১। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়ার পর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল দেওয়ার বিধান রয়েছে। সংশোধিত বিলে পরীক্ষা ছাড়াই বিশেষ পরিস্থিতিতে ফল প্রকাশের সুযোগ রাখা হয়েছে। গত ১৯ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংসদে বিল তিনটি উত্থাপন করেন। এ তিনটি বিলের মধ্যে প্রথমটি ১দিন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিলটি ২ দিনের মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংসদে রিপোর্ট প্রদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। সেই অনুযায়ী কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়।
জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে এগিয়ে নিতে পদক্ষেপ নেয়া হবে: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
২৪,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বাংলাদেশের বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতায় বেসরকারি খাত এগিয়ে এসেছে। জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে এগিয়ে নিতে আরো পদক্ষেপ নেয়া হবে। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে যন্ত্রকৌশল বিভাগের আয়োজিত- ট্রান্সফরমিং টু এ শিপবিল্ডিং অ্যান্ড এক্সপোর্টিং কান্ট্রি : চ্যালেঞ্জেস ফর বাংলাদেশ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত আয়ের দেশে উন্নীত করার রূপকল্প স্থির করে নৌপরিবহনসহ ব্যাপকভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সরকার ব-দ্বীপ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, দেশের ৯০ ভাগ পরিবহন হয় নৌপথে। বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছরে দেশের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন। ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো দেশকে উল্টোপথে পরিচালিত করে পিছিয়ে দেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। আইইবির যন্ত্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু সাঈদ হিরোর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম ফজলুল হক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং আইইবির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর, আইইবির প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. নূরুল হুদা, ভাইস প্রেসিডেন্ট (এইচআরডি) ইঞ্জিনিয়ার মো. নুরুজ্জামান এবং শিপবিল্ডিং এক্সপার্ট ও থ্রি এঙ্গেল মেরিন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েট ও চার্টার্ড ইঞ্জিনিয়ার, নেভাল আর্কিটেক্ট অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানার অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার খবিরুল হক চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আইইবির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদাৎ হোসেন (শীবলু)।
দু-একদিনের মধ্যেই আরও ৫০ লাখ টিকা আসবে: পাপন
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী দু-একদিনের মধ্যেই দেশে আরও ৫০ লাখ করোনা টিকা আসবে বলে জানিয়েছেন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন। শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ইকবাল রোডে উদয়াচল পার্কের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তির তিন কোটি করোনা টিকা আমদানির চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে গত ২১ জানুয়ারি ভারত সরকার বাংলাদেশকে ২০ লাখ করোনার টিকা উপহার দিয়েছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই চুক্তির প্রথম চালান ৫০ লাখ টিকা বাংলাদেশে আসবে।
মুক্তিযোদ্ধা তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ ফের পেছালো
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের প্রতি উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাইয়ের শুনানি ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পৌরসভা নির্বাচনের কারণে সেটা পেছানো হয়েছে। নতুন তারিখ আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি। এর আগে যাচাই-বাছাই কাজ ১৯ ডিসেম্বর হওয়ার কথা ছিল। পরে তা পরিবর্তন করে করা হয়েছিল ৯ জানুয়ারি। এরপর ৩০ জানুয়ারি। এখন ৯ জানুয়ারি তারিখও পরিবর্তন করা হলো। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) মহাপরিচালক জহরুল ইসলাম রোহেল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০০২ এর ৭ (ক) ধারা এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে সুপারিশবিহীনভাবে প্রকাশিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটসমূহকে নিয়মিতকরণের লক্ষ্যে যাচাই-বাছাই এর জন্য নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ৩০ জানুয়ারি। কিন্তু ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত যাচাই-বাছাই এর দিন দেশের কোনো কোনো স্থানে পৌরসভা নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় নির্বাচনী উপজেলায় যাচাই-বাছাই কার্যক্রম আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি তারিখ অনুষ্ঠিত হবে। চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, যেসব এলাকায় কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, সেসব স্থানে নির্ধারিত এক বা একাধিক তারিখে উক্ত যাচাই-বাছাই কার্যক্রম যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে এবং জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের জারি করা এ সংক্রান্ত নির্দেশনা অনুসরণযোগ্য হবে। উল্লেখ্য, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) অনুমোদন ছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকাশিত বেসামরিক গেজেট যাচাই-বাছাইয়ের জন্যই এই কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশের অংশ হিসেবে এই যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। গত ৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ৭১তম সভায় এই যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মুজিববর্ষ: ৭০ হাজার পরিবার পেলো শেখ হাসিনার উপহার
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম ধাপে প্রায় ৭০ হাজার পরিবার পেলো একটি আধাপাকা বাড়ি। মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে এসব ঘর ও জমি দেওয়া হচ্ছে। এক সঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক মানুষকে বিনামূল্যে ঘর করে দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বে অন্যন্য নজির সৃষ্টির করলো বাংলাদেশ। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘর বিতরণের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভূমিহীন, গৃহহীনদের তালিকা তৈরি করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৩ পরিবারকে সরকার জমি ও ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে। আর এ উদ্যোগটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আওতায়- দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি প্রকল্প, ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায়- গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের- আশ্রয়ন প্রকল্প-২ নামে তিনটি প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি পরিবারের জন্য ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে সেমিপাকা বাড়ি। প্রতিটি বাড়িতে থাকছে দুটি শোবার ঘর, একটা রান্নাঘর, একটা ইউটিলিটি রুম, একটি করে বারান্দা ও টয়লেট। ইটের দেয়াল, কংক্রিটের মেঝে এবং রঙিন টিনের ছাউনি ছাড়াও প্রতিটি ঘরে থাকবে ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা। জানা গেছে, প্রথম ধাপে- (ক) শ্রেণিভুক্ত ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে দুই শতাংশ খাস জমি দিয়ে ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। (ক) শ্রেণিভুক্ত এমন পরিবারের সংখ্যা (জুন ২০২০ পর্যন্ত) ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১টি। আর (খ) শ্রেণিভুক্ত অর্থাৎ যার ১-১০ জমি আছে কিন্তু ঘর নেই বা ঘর আছে খুবই জরাজীর্ণ এমন পরিবারের সংখ্যা ৫ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি। (ক) ও (খ) দুই শ্রেণিতে মোট পরিবারের সংখ্যা ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২। দেশের একটি মানুষও গৃহহীন বা ভূমিহীন থাকবে না এমন ঘোষণা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ২০২০ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন, মুজিবর্ষে দেশের কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না। সরকার সকল ভূমিহীন, গৃহহীন মানুষকে ঘর তৈরি করে দেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সেই ঘোষণা বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়। সে অনুযায়ী শুরু হয় প্রতিটি অঞ্চলে গৃহহীনদের তালিকা তৈরির কাজ। তালিকা তৈরি শেষে শুরু হয় করে বাড়ি নির্মাণের কাজ। এরইমধ্যে প্রায় ৭০ হাজার বাড়ির কাজ শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর