শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী
২০,জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদ আসাদ এ দেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার আত্মত্যাগ ভবিষ্যতেও আমাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে প্রেরণা যোগাবে। বুধবার (২০ জানুয়ারি) শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শহীদ আসাদসহ বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী সব শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এই দিনটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৬৯ সালের এ দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় চলমান মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ছাত্র মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এভাবে আরও অনেক প্রাণ ঝরে পড়ে এবং আহত হন। শহীদ আসাদের এই আত্মত্যাগ চলমান আন্দোলনে নতুনমাত্রা যোগ করে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যমূলক আচরণ এবং দমন পীড়নে বাংলার মানুষ যখন দিশেহারা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ছয়দফা তখন বাঙালির মুক্তির দিশারি হিসেবে আবির্ভূত হয়। ছয়দফা হয়ে ওঠে বাঙালির প্রাণের দাবি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছয় দফার সপক্ষে প্রবল জনমতের জোয়ার দেখে আতঙ্কিত সামরিক জান্তা আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে, যা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে সমধিক পরিচিত। বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা আন্দোলন নতুনমাত্রা পায়। বঙ্গবন্ধু পরিণত হন নিপীড়িত ও নির্যাতিত বাঙালির মুক্তির মূর্তপ্রতীকে। তিনি বলেন, কারাগারে আটক বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে গর্জে ওঠে সারা বাংলার মানুষ। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে আসাদুজ্জামান শহিদ হন এবং অনেকে আহত হন। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে। সেদিনের সেই আন্দোলন পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। পাকিস্তানি স্বৈরসরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে করা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারে বাধ্য হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের।
স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে শহীদ আসাদ একটি অমর নাম: রাষ্ট্রপতি
২০,জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে শহীদ আসাদ একটি অমর নাম। গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে শহীদ আসাদের অসামান্য অবদান দেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক। বুধবার (২০ জানুয়ারি) শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন দেশে গণতন্ত্রের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস একটি অবিস্মরণীয় দিন জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্র সমাজের ১১ দফা দাবির মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ। শহীদ আসাদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তিনি বলেন, তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে তার আত্মত্যাগ আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পরবর্তীতে সেই আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুবের। এ গণঅভ্যুত্থানের পথ ধরেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
ভবিষ্যতে রোহিঙ্গারা দলে দলে ভাসানচরে আসবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৯,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোহিঙ্গারা এতদিন ভুল বুঝেছিল যে, ভাসানচরে তাদের নানা ধরনের অসুবিধা হবে। কিন্তু ভাসানচরের সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা দেখে ভবিষ্যতে রোহিঙ্গারা দলে দলে এখানে আসবে। ভাসানচর থানা উদ্বোধনের পর এমনটাই বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি। মঙ্গলাবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নোয়াখালী জেলার দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার আওতাধীন নবগঠিত ভাসানচর থানা উদ্বোধন করেছেন। এটি জেলার দশম থানা। হাতিয়া উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের ৬টি মৌজা নিয়ে এই নতুন থানা গঠিত হয়। থানা উদ্বোধন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফেরৎ যাবে। ভাসানচর ও আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য এ থানা উদ্বোধন করা হয়েছে। রোহিঙ্গারা এতদিন ভুল বুঝেছিল যে, এখানে তাদের নানা ধরনের অসুবিধা হবে। ভাসানচরের সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তা দেখে ভবিষ্যতে রোহিঙ্গারা দলে দলে এখানে আসবে। ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প-৩ এ বসবাসকারী মিয়ানমার হতে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাসহ অন্যান্যদের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিতের জন্য একজন পুলিশ পরিদর্শক (অফিসার ইনচার্জ), দুইজন উপ-পরিদর্শক (এসআই), চার জন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই), ১৭ জন কনস্ট্রেবল সহ মোট ২৪টি পদ নিয়ে মঙ্গলবার ১৯ জানুয়ারি থেকে ভাসানচর থানার কার্যক্রম শুরু হল। পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আয়েশা ফেরদৌস, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল উদ্দিন, আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহিদুজ্জামান, বিজিবির মহা-পরিচালক মেজর জেনারেল মো. শফিকুল ইসলাম বিজিবিএম (বার), এনডিসি, পিএসসি এবং ডিআইজি, চট্টগ্রাম রেঞ্জ মো. আনোয়ার হোসেন বিপিএম (বার), পিপিএম (বার). জেলা প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম খান, ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্প-৩ এর প্রকল্প পরিচালক কমোডোর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী ও সরকারের উধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, ভাসানচরে এক লাখ রোহিঙ্গা স্থানান্তরের পরিকল্পনায় তাদের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে ২০১৭ সালে এ নবগঠিত থানা অনুমোদনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। ২০১৯ সালে ২১ অক্টোবর প্রশাসনিক পূনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এর ১১৬তম সভায় এ থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ভাসানচর থানার জন্য ২৪টি পদ অনুমোদন করে। ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ পদগুলির মঞ্জুরী প্রদান করে।
ভিভিআইপিরা নয়, ফ্রন্টলাইনাররাই আগে টিকা পাবেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১৯,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভিভিআইপিরা নয়, যাদের সবচেয়ে আগে টিকা প্রয়োজন তাদেরকেই আগে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাতকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা চিন্তাভাবনা করছি যাদের সবচেয়ে আগে টিকা প্রয়োজন তাদের আগে দেব। যেমন ফ্রন্টলাইনার হিসেবে ডাক্তার, নার্স, পুলিশ ও সাংবাদিকদেরও করোনার টিকা দেওয়া হবে। যেটা প্ল্যান করা আছে সেভাবেই হবে। ভিভিআইপিরা আগে টিকা পাবেন না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২০ লাখ ডোজ টিকা আগামীকাল অথবা পরশু আসছে। মন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি আমাদের যে সিডিউল আছে সেই অনুযায়ী আসবে। আগামীকালের একটা সিডিউল আছে। অথবা পরশুদিন আসবে। এটাই সবশেষ খবর। তিনি আরো বলেন, ভারত এই টিকা আমাদের কাছে পৌঁছে দেবে। আমি বিমানবন্দরে গিয়ে টিকা গ্রহণ করবো। স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা প্রয়োগ করে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথমে ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা দেওয়া হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই টিকা নিচ্ছেন তবে বাংলাদেশে এমন হবে কি না জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আপাতত এ ধরনের চিন্তা নেই।
দোয়া মাহফিলেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী
১৯,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি ও জামায়াত দোয়া মাহফিলকেও ষড়যন্ত্রের উপলক্ষ্য হিসেবে বেছে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। হাছান মাহমুদ বলেন, এটি খুব দুঃখজনক। এ ধরনের ষড়যন্ত্র আগেও হয়েছে, বিভিন্ন সময়ে বৈঠক করেছে। এগুলো করে কোনো লাভ হবে না। খবর বাংলানিউজের।রাজধানীর একটি হোটেলে বিএনপি ও জামায়াতের কিছু নেতা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন। সেখানে সরকারের পতনের দাবি তুলে পুন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়। ওই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জনগণের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত। দেশের আরও কিছু শক্তি, গোষ্ঠি আছে যারা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। শেষ পর্যন্ত দেখতে পেলাম দোয়া মাহফিলও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ে কোন্দল-সহিংসতার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমত সহিংসতা দেখেছেন সিলেটের একটি পৌরসভায়। বিএনপির হামলায়, আমাদের প্রার্থীর গাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এতে আমাদের অনেকেই আহত হয়েছে। এরকম অনেক জায়গায় বিএনপি হামলা চালিয়েছে। সেখানে প্রতিনিধি প্রার্থীদের মধ্যে নানা জায়গায় নানা ঘটনা ঘটেছে। তবে আপনি যেটি বলেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর কথা। এ বিষয়ে দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ইতোপূর্বে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এখনও যারা বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন তাদের জন্য গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এটা কাঙ্খিত নয়। আমরা যদি প্রতিবেশী দেশের নির্বাচনের দিকে তাকাই তাহলে আমরা দেখতে পাবো- ভারতে ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছিল। সে তুলনায় আমাদের নির্বাচন অনেক শান্তিপূর্ণ হয়েছে।
পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসির ফল প্রকাশের জন্য সংসদে বিল উত্থাপন
১৯,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশেষ কোনো পরিস্থিতিতে এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমানের শ্রেণির ফল পরীক্ষা ছাড়াই প্রকাশ করতে পৃথক পৃথক তিনটি আইন সংশোধনের প্রস্তাব জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) সংসদের অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২১, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল-২০২১, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল- ২০২১ নামে উত্থাপন করেন। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। শিক্ষামন্ত্রী উপস্থাপিত এই বিল তিনটির মধ্যে ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন বিলটি একদিনের মধ্যে এবং বাকি দুটি দুই দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। সংসদে বিলটি উপস্থাপনের সময় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আমাদের প্রস্তুত রয়েছে। বিদ্যমান আইনে যেহেতু রয়েছে পরীক্ষা পূর্বক ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে আমরা এবার পরীক্ষা নিতে পারিনি। বিশেষ পদ্ধতিতে ফলাফল দিতে চাচ্ছি। এজন্য আইনটি সংশোধন প্রয়োজন। মহান সংসদ থেকে আইনটি পাস করে দিলেই দ্রুততার সঙ্গে আমরা ফলাফল প্রকাশ করতে পারব। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত বছর ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সরকার পরীক্ষা ছাড়াই মূল্যায়নের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান শ্রেণির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়। এক্ষেত্রে জেএসসি এবং এসএসসির ফলাফলের গড় করে এইচএসসির ফল নির্ধারণ করার ঘোষণা করে সরকার। কিন্তু পরীক্ষা ছাড়া ফল প্রকাশে আইনগত জটিলতা নিরসনে সরকার আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় এবং মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর মঙ্গলবার সংসদে তা তোলা হলো। বিল তিনটির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ পরিস্থিতে অতিমারি, মহামারি, দৈব দুর্বিপাকের কারণে বা সরকার কর্তৃক সময় নির্ধারিত কোনো অনিবার্য পরিস্থিতিতে পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশ এবং সনদ করা সম্ভব না হলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা কোনো বিশেষ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ করে ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন এবং সনদ প্রদানের জন্য নির্দেশাবলি জারি করার বিষয় উল্লেখ রয়েছে। তবে ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২১ উত্থাপন নিয়ে সংসদে আপত্তি জানান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম। নিয়ম অনুযায়ী সংসদে উত্থাপনের আগে নোটিশ না পাওয়ায় তিনি আপত্তি জানান। একইসঙ্গে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের বক্তব্য নিয়েও আপত্তি জানান তিনি। সচিবের বক্তব্য সংসদকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। পরে এ বিষয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী জানান, তার অনুমোদন নিয়ে বিলটি উপস্থাপন করা হয়েছে।
সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ নির্মূলে আরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: রাষ্ট্রপতি
১৮,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে দল-মতের পার্থক্য ভুলে আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশ ও জাতির অগ্রযাত্রাকে বেগবান করতে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও সুশাসন সুসংহতকরণ, গণতন্ত্র চর্চা ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের নিরবচ্ছিন্ন প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। সোমবার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের বছরের প্রথম অধিবেশনের (শীতকালীন) ভাষণে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির আগমনের ঘোষণা দিলে সশস্ত্র বাহিনীর একটি বাদক দল বিউগলে- ফ্যানফেয়ার বাজিয়ে রাষ্ট্রপতিকে সম্ভাষণ জানান। সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রবেশের পর জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। সংসদে রাষ্ট্রপতির জন্য স্পিকারের ডান পাশে লাল রঙের চেয়ার সংরক্ষণ করা হয়। এ সময় অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত লিখিত ভাষণের সংক্ষিপ্ত অংশ সংসদে পাঠ করেন। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী নতুন বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। সে অনুযায়ী প্রতিবছরের মতো এবারও রাষ্ট্রপতি সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও উন্নয়ন তুলে ধরে ভাষণ দেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে দেশ থেকে দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলের লক্ষ্যে আমাদের আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আসুন, দল-মত-পথের পার্থক্য ভুলে ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে আমরা লাখো শহীদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করি। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দু। গণতন্ত্রায়ন, সুশাসন ও নিরবচ্ছিন্ন আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সব রাজনৈতিক দল, শ্রেণি ও পেশা নির্বিশেষে ঐকমত্য গড়ে তোলার সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাই। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, পরমতসহিষ্ণুতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন সুসংহতকরণ এবং জাতির অগ্রযাত্রায় সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে। আমি সরকারি দল ও বিরোধী দল নির্বিশেষে মহান জাতীয় সংসদে যথাযথ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাই। ভাষণে রাষ্ট্রপতি অর্থনীতি, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, খাদ্য-কৃষি, পরিবেশ-জলবায়ু, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের কার্যক্রম ও সাফল্য তুলে ধরেন। এছাড়া দেশে আইনের শাসন সুসংহত ও সমুন্নত রাখা এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে সব ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছে। সম্প্রতি সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো সাফল্যের সঙ্গে করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরিভিত্তিতে দুই হাজার চিকিৎসক ও পাঁচ হাজার ৫৪ জন নার্সকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে ১০ হাজার ৫২৫টি সাধারণ বেড, ৬৬৬টি আইসিইউ এবং ৭৩টি ডায়ালাইসিস বেড, ৫৫৪টি ভেন্টিলেটর, ১৩ হাজার ৫১৬টি অক্সিজেন সিলিন্ডার, ৬৭৮ হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা এবং ৬৩৯টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। করোনা টিকা দ্রুত সরকার দিতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, করোনা মহামারি মোকাবিলায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিকেলস লিমিটেড এবং ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অব লাইফ সাইনসেস প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরাসরি ক্রয়ের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সিএমএসডির মাধ্যমে জরুরিভিত্তিতে ভ্যাকসিন ক্রয় বাবদ ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দেওয়া হয়। আমি আশা করছি, সরকার খুব শিগগিরই দেশের জনগণকে করোনা টিকা দিতে পারবে। তিনি বলেন, সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দক্ষতা ও উৎকর্ষসাধন এবং প্রাজ্ঞ রাজস্বনীতি ও সহায়ক মুদ্রানীতি অনুসরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। গত এক দশকে গড়ে ছয় দশমিক ছয় শতাংশ ও পর পর তিনবছর সাত শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধি অর্জনের পর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আট দশমিক এক-পাঁচ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির এ ধারাবাহিক অর্জন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। করোনা মহামারিতে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কিছুটা হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ দশমিক দুই-চার শতাংশে। তবে একইসময়ে মাথাপিছু জাতীয় আয় আট দশমিক এক-দুই শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬৪ মার্কিন ডলারে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হয়েছে। আইএমএফ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০ সালে সবচেয়ে বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করা শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আরও বলেন, আমরা আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দারপ্রান্তে। শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির যে পথে আমরা হাঁটছি, সে পথেই আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে। এ বছর মধ্য-আয়ের দেশ হিসেবে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো। তবে, আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালে বিশ্বসভায় একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত হওয়া। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনগণের সর্বাত্মক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা একটি কল্যাণমূলক, উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সক্ষম হবো।
২৫ জানুয়ারি করোনা টিকা আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১৮,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী ২৫ বা ২৬ জানুয়ারি দেশে সিরামের ভ্যাকসিনের প্রথম চালানটি আসবে। এর এক সপ্তাহ পরেই ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। ভ্যাকসিন দেয়ার জন্য ঢাকায় তিনশর মতো ভ্যাকসিন প্রয়োগ কেন্দ্র এবং ৪২ হাজার কর্মীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমনের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যু কমে যাওয়ার পরিসংখ্যান এমন আভাস দিচ্ছে। সোমবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্যা রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে সফলভাবে করোনা নিয়ন্ত্রণ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে চিঠি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধের মতো ভ্যাকসিন দেয়ার কর্মসূচিতেও ভালো করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, আমাদের মাত্র একটি করোনা পরীক্ষার ল্যাব ছিল, বর্তমানে ২০০টি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী লকডাউন থাকায় পিপিই সংকট ছিল। বর্তমানে আমরা পিপিই রফতানি করছি। সকল কিছু অজানা থাকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শে করোনা চিকিৎসা পদ্ধতি সাত ধাপে পরিবর্তন করা হয়েছে। শুরুতে আমাদের কিছু ঘাটতি থাকলেও অব্যবস্থাপনা ছিল না। তবে বেসরকারিভাবে কিছু অনিয়ম হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, যারা বিদেশ যাচ্ছেন আমরা তাদের করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে কোটির বেশি মানুষ চিকিৎসা সুবিধা নিয়েছে। এটি আমাদের একটি সফল কার্যক্রম। করোনার মধ্যেও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন থেমে নেই। তিনি বলেন, দেশের পরীক্ষা স্থগিত থাকলেও মেডিকেল কলেজের সকল পরীক্ষা চলমান রয়েছে। চলতি বছরের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা এপ্রিলে আয়োজন করা হবে। বর্তমানে হাসপাতালে ৮০ শতাংশ সাধারণ বেড ও ৬০ শতাংশ আইসিইউ খালি রয়েছে। সারাদেশে ২ হাজার করোনা রোগী এবং ২০০ জন আইসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছে।
আজ সংসদ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি
১৮,জানুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইংরেজি নতুন বছরের একাদশ জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশন বসতে যাচ্ছে আজ সোমবার। এই অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতির ভাষণটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে গত ৩০ ডিসেম্বর এই অধিবেশন আহ্বান করেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে বলে জানা গেছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর বৈঠক মুলতবি করা হবে। এরপর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব আনা হবে, সেই প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেবেন সংসদ সদস্যরা। করোনার কারণে এবারও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অধিবেশন পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বয়স্ক ও অসুস্থ সংসদ সদস্যদের এবারও অধিবেশনে যোগদানের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। অধিবেশনে যেসব সংসদ সদস্য যোগ দেবেন তারা প্রত্যেকে নতুন করে করোনার পরীক্ষা করিয়েছেন। যাদের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ তারাই প্রথম বৈঠকে অংশ নিতে পারবেন। পরবর্তী কার্যদিবসগুলোতে আগের মতো পালা করে অংশ নেবেন সংসদ সদস্যরা। সংসদ অধিবেশন কাভারকারী সাংবাদিকদেরও করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে, যাদের করোনা নেই তারাই শুধু প্রথম বৈঠকের সংবাদ সরাসরি সংসদ ভবনে গিয়ে সংগ্রহ করতে পারবেন। বাকি কার্যদিবসগুলোর সংবাদ সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন দেখে সংগ্রহের অনুরোধ জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণ ছাড়াও এই অধিবেশনে বেশ কয়েকটি বিল উত্থাপন ও পাস হওয়ার কথা রয়েছে। সাধারণত বছরের প্রথম অধিবেশন দীর্ঘ হয়। তবে করোনার কারণে এই অধিবেশনও সংক্ষিপ্ত হবে। ১২ থেকে ১৪ কার্যদিবস অধিবেশন চলতে পারে বলে জানা গেছে। অবশ্য স্পিকার চাইলে অধিবেশনের মেয়াদ বাড়াতে বা কমাতে পারবেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উপলক্ষে গত ৮ থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত সংসদের বিশেষ অধিবেশন বসে। এটি ছিল চলতি সংসদের দশম অধিবেশন। ১০ কার্যদিবসের ওই অধিবেশনে ৯ থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ৫ কার্যদিবস বিশেষ অধিবেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ওই অধিবেশনে মোট ৯টি সরকারি বিল পাস হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর