শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
বিশ্বের দ্রুতগতির উন্নয়নশীল পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক
৪এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিল্পখাতের উন্নয়ন ছাড়াই বিশ্বের দ্রুতগতির উন্নয়নশীল পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। এমন পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রকাশ করেছে। এ উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন হয়। এতে প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন। বক্তব্য দেন কান্ট্রি ডিরেক্টর রবার্ট জে সউম। সংস্থাটি বলেছে, এ বছর প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিতে বাকি চারটি দেশ হলো ধারাবাহিকভাবে ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা, ভুটান এবং ভারত। জিবুতি, আইভরি কোস্ট ও ঘানার সঙ্গে পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। এসময় তিনি বলেন, আমরা একটা টেকসই প্রবৃদ্ধির কথা বলছি। যেটা হবে ৭ শতাংশের বেশি। এটা ধরে রাখতে দেশকে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হবে। একদিকে, ডলারের অবমূল্যায়ন, অন্যদিকে, বেক্সিট ইস্যু, চীনের অর্থনীতি, চীন-আমেরিকা সম্পর্ক ইত্যাদি। তবে আমাদের যদি ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে যেতে হয়, তাহলে এখানে ভালো বিনিয়োগ থাকতে হবে। ব্যক্তি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। মানবসম্পদকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি আর্থিকখাতে সংস্কার আনতে হবে। তবে বিশ্ব ব্যাংক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা বললেও সরকার দাবি করছে, দেশে বছর শেষে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এশিয়া ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) আর বিশ্ব ব্যাংকের মত একই। জাহিদ হোসেন বলেন, শক্তিশালি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে আর্থিক স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীলতা রাখতে হবে। একইসঙ্গে রাজস্ব বাড়াতে হবে। মনে রাখতে হবে রাজস্বখাতে লক্ষে পৌঁছাতে না পারায় প্রতি বছর ঘাটতি বাজেট বাড়ছে। তার মতে, রাজস্ব না বাড়ায় কারণ হতে পারে, হয় রাজস্ব আইন যুগোপযোপী না অথবা প্রশাসনের দুর্বলতা।
চালকদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে: মেয়র মো. আতিকুল
৪এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালকদের ডোপ টেস্ট করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)-এর মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, চালকদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। ডোপ টেস্ট ছাড়া কোনও চালক মাঠে নামতে পারবে না। এই পরীক্ষার মাধ্যমে চালক নিয়োগ দেয়া হলে তারা আর নেশা জাতীয় অপরাধের সঙ্গে জড়াতে পারবে না। তবে এটি বাস্তবায়নের জন্য কিছুদিন সময় চেয়েছেন মেয়র। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে ডিএনসিসি এর কনফারেন্স রুমে সরকারি অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। সড়ক দুর্ঘটনায় বিইউপি শিক্ষার্থী আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের ধারাবাহিতায় এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ওই সভায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল, বিআরটিএ-কে দালালমুক্ত করা, চুক্তিভিত্তিক গাড়ি চালানোর পরিবর্তে চালকদের বেতন কাঠামোর আওতায় আনা, বাস স্টপেজ, রোড সাইন কার্যকর করা, গণ পরিবহনের সংখ্যা বাড়ানো, ছাত্র-ছাত্রীদের অর্ধেক ভাড়া নিশ্চিত করা, হালকা যানবাহনের লাইসেন্স নিয়ে ভাড়ি যানবাহন চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ফুট ওভার ব্রিজ না করে জেব্রা ক্রসিং ব্যবহারে জোর দেওয়া। এসব দাবির প্রেক্ষিতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান বলেন, আমরা বিআরটিএ-কে দালালমুক্ত করতে এরই মধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করেছি। তারা সার্বক্ষণিকভাবে বিআরটিএ-তে কাজ করছেন এবং অনেক দালালকে শাস্তি দিয়েছেন। এসময় ছাত্রদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দালালদের শাস্তি দিলেও কর্মকর্তাদের কেন দেওয়া হচ্ছে না। এসময় তিনি বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটরা আমাদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবেন। পরে ছাত্রদের দাবির প্রেক্ষিতে বিআরটিএর অভিযানে ছাত্রদের যুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় ছাত্রদের দাবি এবং অন্যান্য সংস্থার সিদ্ধান্ত নিয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চালকদের ডোপ টেস্টরে আওতায় নিয়ে আসছি। এটা করতে পারলে সড়কে শৃঙ্খলা অনেকটাই ফিরে আসবে। এজন্য কিছুদিন সময় চেয়ে মেয়র বলেন, আমি দক্ষিণের মেয়রের সঙ্গে কথা বলবো, বাসমালিক ও চালকদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। মেয়র আরো বলেন, আমরা অনেকগুলো কাজ শুরু করেছি। তার মধ্যে লাল রং দিয়ে বাস স্টপেজ লেখা নিশ্চিত করা হবে। জেব্রা ক্রসিং, পুস বাটন ও ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হবে। এবার শুধু জেব্রা ক্রসিং নয়, ফ্লাস লাইট সিস্টেমও চালু হবে। এছাড়া প্রগতি স্মরণীকে মডেল সড়কে রূপান্তর করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান মেয়র। আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা চাই সবাই মিলে কাজ করতে। সেজন্য আমরা সবকিছু জবাব দিহিতার আওতায় নিয়ে এসেছি। আজ ছাত্ররা সরাসরি প্রশ্ন করতে পারছে এবং সেই প্রশ্নের উত্তরও পাচ্ছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আব্দুল হাই, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক বিভাগ) মীর রেজাউল আলম, বিআরটিএ পরিচালক (রোড সেফটি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী প্রমুখ।
রাজধানীর কামারপট্টি বাজারে আগুন,প্রায় ৪০টি দোকান পুড়ে ছাই
৪এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচে কামারপট্টি বাজারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিটের প্রায় আড়াই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় ভোর সোয়া ৫টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে খিলগাঁও বাজারে সহস্রাধিক দোকানের মধ্যে আনুমানিক ৪০টি দোকান পুড়ে গেছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক (অপারেশন এন্ড মেইনটেনেন্স) দিলীপ কুমার ঘোষ। বুধবার (৩ এপ্রিল) মধ্যরাত ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে খিলগাঁও বাজারে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টাতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দিলীপ কুমার ঘোষ বলেন, ভোর ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও তা পুরোপুরি নিভেছে ৫টা ৩৫ মিনিটের দিকে। এই বাজারে ছোট ছোট প্রায় ১৩শ দোকান ছিল। তার মাঝে আনুমানিক ৪০টির মতো দোকান পুড়েছে। এদিকে এখনো পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। এই ঘটনায় এখনো কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রমজানে নিত্যপণ্যের দাম না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৩এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন রমজানে তেল ও চিনিসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সামনে রোজা। এই সময় তেল, ছোলা, চিনিসহ নিত্যপণ্যের দাম যাতে না বাড়ে, সেজন্য আমি আপনাদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত সরবরাহ যেন থাকে, সে বিষয়টিও আপনাদের দেখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বুধবার সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী ১১টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্বোধন এবং ১৩টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ ৬৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে ভাষণে একথা বলেন। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কতৃর্পক্ষর (বেজা) আওতাধীন বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১৬টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু, ২০টি নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ৫টি চলমান কাজের শুভ উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ফসলি জমি নষ্ট না করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ সঙ্গে সঙ্গে দিতে হবে। একইসঙ্গে তাদের বিকল্প জায়গার ব্যবস্থাও করতে হবে সংশ্লিষ্টদের। তিনি বলেন, আমরা ফসলি জমি নষ্ট করব না। মানুষের জন্য কাজ করি, সেই মানুষকে কষ্ট দেয়ার জন্য নয়। এক্ষেত্রে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাদের যেন কোন কষ্ট না হয়। সেদিকে নজর দিতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুই প্রথমে বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তুলেছেন। এজন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাঙালিদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না। আজ বাঙালিদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারে নাই। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ ভিডিও কনফারেন্স সঞ্চালনা করেন। ভিডিও কনফারেন্সে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরী মিরেরসরাই, মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোমনিক জোন সোনারগাঁও নারায়ণগঞ্জ, মৌলভীবাজার শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল, সিটি ইকোনমিক জোন রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন এবং মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার জনগণ, উপকারভোগী এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেনের সঞ্চলনায় মীরসরাই প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণ সমাজ দেশে বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের উদ্যোগ গ্রহণ করে যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে আমি তাদের উদ্যোগের প্রশংসা করি। তার সরকারের উন্নয়ন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা উৎপাদিত পণ্যের বাজার সৃষ্টির জন্য আমি কেবল রপ্তানির ওপর নির্ভর করতে পারি না, দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যেন বাড়ে এবং দেশে যেন আমাদের বাজার সৃষ্টি হয় সে পদক্ষেপও আমরা নিয়েছি। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ করে আমরা সারা বাংলাদেশে ডিজিটাল সেন্টার করে দিয়েছি। এর ফলে এখন ক্রয়-বিক্রয় থেকে শুরু করে সবকিছু ঘরে বসেই মানুষ অনলাইনে সারতে পারছে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে দেশের পোস্ট অফিসগুলোকেও তার সরকার আধুনিকায়ন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অর্থাৎ সমগ্র বাংলাদেশটাকে নিয়ে আমরা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্য স্থির করেছি। আপনারা যারা আজ দেশের শিল্পায়নের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তারা এর সুফল পাচ্ছেন। এ সময় আঞ্চলিক কানেকটিভি জোরদারে তার সরকারের বিবিআইএন (বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল) এবং বিসিআইএন-ইসি (বাংলাদেশ, চীন, ভারত, মিয়ানমার) পদক্ষেপসমূহও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানটা এমন চমৎকার একটা জায়গায় যেখান থেকে প্রয়োজন পূর্ব-পশ্চিম এবং উত্তর-দক্ষিণ-সবখানেই যাওয়া যায়। এসব জায়গাতেই একটি ভালো বাজার পাবার সুযোগটা আমাদের রয়েছে। সে যোগাযোগটাও আমরা স্থাপন করেছি। পায়রায় নতুন সমুদ্র বন্দর তৈরিতে তার সরকারের উদ্যোগও তুলে ধরেন সরকার প্রধান। তিনি বেসরকারি খাতে বিনিয়োগে এগিয়ে আসা উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারের কাজ হচ্ছে অবকাঠামোগত যে সুযোগগুলোর একান্ত প্রয়োজন সেই সুযোগটা সৃষ্টি করে দেয়া। এসবের ফলে দেশের মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে, দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি জনগণের জীবন-মানের উন্নয়ন হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সরকার প্রধান বলেন, এ দেশের কোন তরুণ বেকার থাকবে না। তারা প্রশিক্ষণ পাবে, উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে যার ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি, পাশাপাশি শিক্ষার ব্যবস্থাও করে দিচ্ছি এবং তরুণদের জন্য বহুমুখী এবং বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় আমরা করে দিচ্ছি। প্রশিক্ষিত জনবল সৃষ্টি করাই তার সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এর পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধির কাজও সরকার করে যাচ্ছে। সারাদেশে একশ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন,এর আগে আমি ১০টি অর্থনৈাতক অঞ্চল করে দিয়েছি। আজকে আরো ১১টি করা হলো এবং ১৩টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হলো। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের জন্য সাহস করে যারা বাংলাদেশে এসেছেন তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। আমি মনে করি এটা আামাদের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখবে। তিনি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ইনশাল্লাহ বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি লাভ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই মর্যাদাকে ধরে রেখে বাংলাদেশকে আমাদের উন্নত-সমৃদ্ধশালী করে গড়ে তুলতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ, সেই লক্ষ্য আমরা স্থির করেছি। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী, ২০২১ সালে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী আমরা উদযাপন করব। তখন বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ। আমরা ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য তার সরকার পঞ্চবার্ষিক এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবং ডেল্টা পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।-আলোকিত বাংলাদেশ
আমার মূল লক্ষ্যই এখন তরুণদের কর্মসংস্থান তৈরি করা: প্রধানমন্ত্রী
৩এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার খুব ভালো লাগছে অনেক ছেলেমেয়ে বিদেশ থেকে পড়াশোনা করে দেশে এসে ব্যবসার হাল ধরছে। শিল্পায়ন নিয়ে কাজ করছে। এভাবেই এগিয়ে যাবে দেশের অর্থনীতি। আমার মূল লক্ষ্যই এখন তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা, দারিদ্র্য বিমোচন করা। এসব পদক্ষেপেই দেশের জিডিপি এখন ৮ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছে গেছে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৬৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, একটা সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে যদি কোনও দেশ এগুতে পারে, তাহলে উন্নয়ন সম্ভব। গত ১০ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার তা প্রমাণ করেছে। সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়নি। বক্তব্যের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ গড়তে জাতির পিতা যা যা করা প্রয়োজন তাই করে গেছেন। তিনি ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ করতে চেয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। অবহেলিত শোষিত-বঞ্চিত মানুষদের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই ছিল জাতির জনকের উদ্দেশ্য। দেশ স্বাধীন হয়েছে বলেই চাকরি-বাকরি, ব্যবসা বাণিজ্য বাংলাদেশ এখন উন্নতি করতে পেরেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় এক দশক রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার ফলে আমাদের যে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ছিল তা করতে পেরেছি। শিল্পায়ন ছাড়া একটি দেশের অর্থনীতি কখনও বিকশিত হয়না। ১০০টা অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার পরিকল্পনা হয়েছে। যেন কৃষি জমি নষ্ট না করে শিল্প বিকশিত করা যায়, সেই চেষ্টা করছি।
আজ পবিত্র শবে মেরাজ
৩এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে আজ বুধবার রাতে মুসলিম বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও পালিত হবে পবিত্র শবে মেরাজ। দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোরআনখানি, নফল নামাজ, জিকির, ওয়াজ মাহফিল, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে পবিত্র শবে মেরাজ উদযাপন করবেন। পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ উদযাপন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ আজ বাদ আসর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে লাইলাতুল মেরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক এক ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। লাইলাতুল মেরাজ বা মেরাজের রজনী, যা সচরাচর শবে মেরাজ হিসেবে আখ্যায়িত হয়। ইসলাম ধর্মমতে, ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এই রাতে ঐশ্বরিক উপায়ে ঊর্ধ্বাকাশে আরোহণ করেছিলেন এবং আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, হযরত মুহাম্মদের (সা.) নবুওয়াত প্রাপ্তির একাদশ বছরের (৬২০ খ্রিষ্টাব্দ) রজব মাসের ২৬ তারিখের দিনগত রাতে হযরত জিব্রাঈল (আ.)-এর সঙ্গে পবিত্র কাবা হতে পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস হয়ে সপ্তাকাশের উপর আরশে আজিমে মহান আল্লাহর দিদার লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে দুনিয়াতে প্রত্যাবর্তন করেন। এসময় তিনি অবলোকন করেন সৃষ্টি জগতের সমস্ত কিছুর অপার রহস্য। রাসূল (সা.)-এর জীবনের সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা হচ্ছে মেরাজ। মেরাজ ইসলামের ইতিহাসে এমনকি পুরা নবুওয়াতের ইতিহাসেও এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। কারণ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছাড়া অন্যকোনও নবী এই পরম সৌভাগ্য লাভ করতে পারেননি। ইসলামে মেরাজের বিশেষ গুরুত্ব হচ্ছে, এই মেরাজের মাধ্যমেই ইসলাম ধর্মে নামাজ মুসলমানদের জন্য ফরজ নির্ধারণ করা হয় এবং দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নির্দিষ্ট করা হয়। পবিত্র শবে মেরাজ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ বুধবার বাদ আসর বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে লাইলাতুল মেরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক এক ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দিন কাসেম মেরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ে আলোচনা করবেন। অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নূরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করবেন। সূত্র: বাসস।
শপথ নিলেন মোকাব্বির
২এপ্রিল,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন সিলেট-২ আসন থেকে জয় পাওয়া গণফোরাম নেতা মোকাব্বির খান। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে তিনি শপথ নেন। তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। এ সময় সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকার নেতৃবৃন্দ ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে শপথ নিতে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সংসদ ভবনে আসেন মোকাব্বির খান। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জোটসঙ্গী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন গণফোরামের দুই নেতা সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান। ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করে জয়ী হওয়া সুলতান মনসুর গত ৭ মার্চ শপথ নিয়ে এরইমধ্যে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। ওই সময় মোকাব্বিরও শপথ নেবেন বলে জানানো হলেও তখন তিনি পিছু হটেন।
অটিজম পরিচর্যা কেন্দ্র করা হবে প্রতিটি বিভাগে
২এপ্রিল,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগে অটিজম পরিচর্যা কেন্দ্র করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০১৯ এর উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১২তম বিশ্ব অটিজম দিবসের কর্মসূচিতে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। তার আগে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। প্রত্যেক প্রতিবন্ধীরা ভাতা পাবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন- অটিজন আক্রান্তরা বোঝা নয়, তাদের অধিকার সুরক্ষিত করতে হবে। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা-ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে তাদের কল্যাণে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন, ২০১৩ প্রণয়ন এবং এ-সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, আমরা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুল, বিশেষ শিক্ষাকেন্দ্র, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্যকেন্দ্র এবং অটিজম রিসোর্স সেন্টার স্থাপন করেছি। অটিস্টিকসহ সকল প্রতিবন্ধী মানুষের যোগাযোগ, শিক্ষা, সামাজিক দক্ষতা, স্পিচ বা ল্যাঙ্গুয়েজ দক্ষতা তৈরির পাশাপাশি তাদের জীবনমান উন্নয়নে এ সকল কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
১২তম বিশ্ব অটিজম দিবস আজ
২এপ্রিল ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১২তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আজ মঙ্গলবার। দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। দিবসটি উপলক্ষে আজ সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দিবস উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে, সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদে, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন প্রমুখ। বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে ও দেশে অটিজম দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে আজ থেকে তিন দিন পর্যন্ত দেশের সকল সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহে নীলবাতি প্রজ্বলন করা হবে। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর নীলবাতি প্রজ্বলনের পর থেকেই তিনদিনব্যাপী নীলবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি কার্যকর হবে। পাশাপাশি অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ অবদান রাখায় অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন সফল ব্যক্তিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকার চেক, একটি ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করা হবে। অন্যান্য পুরষ্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে একটি করে ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মোট সংখ্যা প্রসঙ্গে সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মোট ১৬ লাখ ৪৪ হাজার ৬০৮ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে, যাদের মধ্যে ৪৭ হাজার ৪১৭ জন রয়েছে অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যক্তি। এবারের অটিজম দিবসের প্রতিপাদ্য হলো সহায়ক প্রযুক্তির ব্যবহার, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তির অধিকার। প্রতিপাদ্যটি দিবসটি পালন করা হবে। অটিজমে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে ২ এপ্রিলকে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস হিসেবে পালনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এক সময় অটিজম ছিল একটি অবহেলিত জনস্বাস্থ্য ইস্যু। এ সম্পর্কে সমাজে নেতিবাচক ধারণা ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা ও স্কুল সাইকোলজিস্ট সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নিরলস প্রচেষ্টায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অটিজম বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ২০০৭ সালে এ বিষয়ে দেশে কাজ শুরু করেন। সায়মা ওয়াজেদ এ অবহেলিত জনস্বাস্থ্য ইস্যুতে তার বিরাট অবদানের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃতি পেয়েছেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর