দেশের প্রথম নারী সলিসিটর জেসমিন আরা বেগম
দেশের প্রথম নারী সলিসিটর হিসেবে যোগ দিয়েছেন জুডিশিয়াল সার্ভিসের সিনিয়র জেলা জজ ও শহীদ বুদ্ধিজীবীর কন্যা জেসমিন আরা বেগম। এর আগে তিনি কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সুনামগঞ্জ বারের প্রথম মহিলা আইনজীবী জেসমিন আরা বেগম তৎকালীন সুনামগঞ্জ মহকুমা (বর্তমানে) শহরের শহীদ বুদ্ধিজীবী অ্যাডভোকেট সুনাওর আলীর কন্যা ও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান কবি ড. মোহাম্মদ সাদিকের সহধর্মিণী। জেসমিন আরা বেগম প্রায় ৩১ বছর বিচার বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন। একাধারে তিনি ঢাকা, কুমিল্লা, মুন্সীগঞ্জ ও সিলেটে বিচার বিভাগে দায়িত্ব পালনসহ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ও সুইডেনের স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি বিসিএস ১৯৮৫ ব্যাচে বিচার বিভাগে যোগদান করেছিলেন।
গাজীপুর সিটি নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে
বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি) নির্বাচনে ভোটগ্রহণ। এখন চলছে ভোট গণনা। পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পাওয়ার পর বলা যাবে কত শতাংশ ভোট পড়েছে। মঙ্গলবার(২৬জুন) সকাল আটটায় শুরু হয়ে বিকেল চারটা পর্যন্ত একটানা এ ভোটগ্রহণ চলে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সমন্বয়ক তারেক আহম্মদ বলেন, চারটা থেকে গণনা শুরু হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রেই ফলাফল ঘোষণা হবে। আর কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষণা করা হবে রিটার্নিং কর্মকর্তার অস্থায়ী কার্যালয় থেকে। গাজীপুর সিটির দ্বিতীয় নগরপিতা হতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগ সমর্থিত মো. জাহাঙ্গীর আলম (নৌকা মার্কা) আর বিএনপি সমর্থিত মো. হাসান উদ্দিন সরকার (ধানের শীষ)।
নতুন সেনাপ্রধানকে জেনারেল ব্যাজ প্রদান
বাংলাদেশের নতুন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদকে জেনারেলের র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন নৌ বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন ও বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত। মঙ্গলবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে নবনিযুক্ত সেনাপ্রধানকে এই র‌্যাংক ব্যাজ পরানো হয়। এর আগে সোমবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। দেশের ১৫তম সেনাপ্রধান হিসেবে আগামী ৩ বছর এ দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ পরানোর পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নবনিযুক্ত সেনা প্রধানকে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে অভিনন্দন জানান। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদও এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যথনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে তখনই তার দল সশস্ত্রবাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, আমাদের সরকার সেনাবাহিনীকে উন্নত এবং আধুনিক একটি বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সুইপার, ক্লিনার ও বারবার-এর মতো নিম্নতম পদগুলো যুগোপযোগী করতে এসব পদের পদবী পরিবর্তন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মাদ জয়নুল আবেদীন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুর নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করবে
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেখানকার জনগণ বিএনপিকে প্রত্যাখ্যান করবে বলে মন্তব্য করেছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে মিথ্যাচার বিএনপির অনেক দিনের পুরনো অভ্যাস। মঙ্গলবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বিজ্ঞান সম্পাদক আব্দুস সবুর, ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সদস্য গোলাম রাব্বানী চিনু, জিয়াউল কবির কাউছার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। নানক বলেন, গাজীপুরে শান্তিপূর্ণ ভোট চলছে। অথচ বিএনপি তাদের পুরনো অভ্যাস অনুযায়ী মিথ্যাচারের বাক্স খুলে বসেছে। তারা সরকারকে দোষারোপ করে আত্মপ্রবঞ্চনা বা স্ববিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে। তাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন। কারণ, এই সরকারের অধীনেই নির্বাচনে ২০১৩ সালে গাজীপুরে তারা জিতেছে। তিনি বলেন, গাজীপুর সিটিতে আজকের নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে বিএনপি কোনো এজেন্ট দেয়নি। এর দুটি কারণ, এক প্রার্থীর দুর্বলতা দুই দলীয় কোন্দল। তারা দলীয় দৈন্য অবস্থায় ভুগছে। তাই নানা অভিযোগ করে উধোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে তারা।
বন্দুকযুদ্ধে নিহত দুই
কুষ্টিয়ার মিরপুরে পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শিশু অপহরকারী চক্রের দুই সদস্য নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬জুন) ভোরে উপজেলা চিথলিয়া ইউনিয়নের পাহাড়পুর ও চিথলিয়া গ্রামের এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পাহাড়পুর ব্রীজের নিকট বন্দুকযুদ্ধে নাঈম ইসলাম (২৭) ও চিথলিয়া গ্রামের বন্দুকযুদ্ধে জোয়ার আলী (২৮) নামে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়- নিহতরা মিরপুরের আলোচিত স্কুল ছাত্র দেবদত্ত অপহরণ ও হত্যা মামলার আসামী। তাদের স্বীকারোক্তিনুযায়ী সোমবার দুপুরে নাঈমের বাড়ির শৌচাগোরের পরিত্যাক্ত টাংকি ভিতর থেকে দেবদত্তের হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি বন্দুকযুদ্ধে ৭ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও রামদা উদ্ধার করেছে। মিরপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, স্কুল ছাত্র দেবদত্ত অপহরন ও হত্যা মামলার বাকি আসামিদের ধরতে নাঈম ও জোয়ার এর দেয়া তথ্যমতে তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে চিথলিয়া ইউনিয়নের পাহাড়পুর ও চিথলিয়া গ্রামে পৃথক অভিযান চালানো হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জোয়ার ও নাঈম গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে মিরপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক গুলিবিদ্ধ দুইজনকে মৃত ঘোষনা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের ৭ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুইটি দেশীয় তৈরী বন্দুক, ৭ রাউন্ড গুলি ও ৪টি রামদা উদ্ধার করেছে। নিহত নাঈম ইসলাম মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের মালিথাপাড়ার জহুরুল ইসলামের ছেলে ও জোয়ার আলী একই গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে।
গাজীপুরে ভোটগ্রহণ চলছে
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। আজ মঙ্গলবার সকাল আটটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্যমতে, ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে ৪২৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। রাজধানীর পার্শ্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ এই শহরে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীকে এবং বিএনপির মো. হাসান উদ্দিন সরকার ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এছাড়াও বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র পাঁচজন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. হারুন অর রশিদ বলেছেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোটারদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।’ চানদোরা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। কয়েকটি কেন্দ্রে বিএনপির পোলিং এজেন্ট না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ভোট কেন্দ্রে কোনো পোলিং এজেন্ট না এলে আমরা তো জোর করে আনতে পারব না। সকালে নিজ বাসভবন সংলগ্ন ৫৪নং ওয়ার্ডের আউচপাড়ায় বশির উদ্দিন উদয়ন একাডেমি কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার বলেন, জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। ফলাফল যাই হোক জনগণ মেনে নিলে আমিও মেনে নেব। নির্বাচনে আছি, থাকব। শেষ পর্যন্ত দেখতে চায়। একইসুরে কথা বলেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীও। নগরীর কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকালে নিজের ভোটপ্রদান শেষে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। জনগণ যে রায় দেবে, সেই রায় আমি মেনে নিতে প্রস্তুত আছি। জয়-পরাজয় মেনে নিতে আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত।
গাজীপুর সিটি নির্বাচনে তিন স্তরের নিরাপত্তা
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। নগরীকে কয়েকটি জোনে ভাগ করে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মাঠে নামানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১২ হাজার সদস্য। এর মধ্যে ১০ হাজার ২৪৪ জন ভোট কেন্দ্র পাহারায় থাকবেন। এছাড়া ভোটারদের নিরাপত্তায় পথে পথে থাকবে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের পৃথক মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স। ভোট গ্রহণ উপলক্ষে সোমবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্রিফিং করেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. হারুন-অর-রশিদ। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। পুলিশের জন্য আগেও গাজীপুরের কোনো নির্বাচন বিতর্কিত হয়নি, এবারের নির্বাচনও হবে না। পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি মিলে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব চেষ্টা করবে। নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে র‌্যাব-১ অধিনায়ক লে. কর্নেল সারওয়ার বলেন, ভোট গ্রহণের সময়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকবে। গাজীপুর সিটিকে প্রধানত দু’ভাগে ভাগ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজিয়েছি। নির্বাচনে র‌্যাবের সাতশ’ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। সোমবার ইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতি সাধারণ ভোট কেন্দ্রে পুলিশ-আনসারসহ ২২ জন ও গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্রে ২৪ জন করে সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারদের সমন্বয়ে মোবাইল টিম, প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স, প্রতি সাধারণ ওয়ার্ডে র‌্যাবের একটি টিম, প্রতি দুই সাধারণ ওয়ার্ডে এক প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স ভোট গ্রহণের দিন ও পরের দিন অবস্থান করবে। এতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন সম্পর্কিত অপরাধ বিচারের জন্য ১৯ জন জুডিশিয়াল ও ৫৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার দফতর থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১২ হাজার সদস্য কাজ করছেন। এর মধ্যে ১০ হাজার ২৪৪ জন ভোট কেন্দ্রের পাহারায় থাকবেন। ঝুঁকিপূর্ণ ৩৩৭টি ভোট কেন্দ্রে ২৪ জন করে ৮ হাজার ৮৮ জন এবং সাধারণ ৮৮টি কেন্দ্রে ২২ জন করে ১ হাজার ৯৩৬ জন নিয়োজিত থাকবেন। এর বাইরে পুলিশ, এপিবিএন ও আনসারের সমন্বয়ে গঠিত ৫৭টি মোবাইল ফোর্সে ৪৫৬ জন এবং ২০টি স্ট্রাইকিং ফোর্সে প্রায় ২০০ জন সদস্য মাঠে রয়েছেন। এ ছাড়া র‌্যাবের ৫৮টি টিম ও বিজিবির ২৯ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
জনগণের রায় মেনে নেবেন জাহাঙ্গীর
জনগণ যে রায় দেবেন, তা মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে এ সিটি করপোরেশনের ভোট শুরু হয়। ভোট চলবে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সকালে কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম। পরে তিনি বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি, সংগঠন করি এবং এলাকার মানুষের জন্য কাজ করি। একজন জনপ্রতিনিধিকে সব জনগণকে সম্মান করতে হবে। সে হিসেবে মনে করি, জনগণ যে রায় দেবেন, সে রায় অবশ্যই আমি মানব। আমি বিরোধী পক্ষকেও বলেছি, জনগণের রায়কে মানেন। গাজীপুরের মানুষ যা চায়, সেটি বিশ্বাস করেন।’ আওয়ামী লীগ প্রার্থী নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে রোদের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। তিনি নির্বাচিত হলে একটি পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরী উপহার দেবেন। আরো প্রার্থী থাকলেও গাজীপুর সিটির মেয়র পদে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হলেন আওয়ামী লীগের (নৌকা) মনোনীত জাহাঙ্গীর আলম ও বিএনপির (ধানের শীষ) মনোনীত হাসান উদ্দিন সরকার। হাসান উদ্দিন সরকারও সকাল সোয়া ৮টার দিকে নগরীর বশিরউদ্দিন উদয়ন একাডেমি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন। এদিকে, নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে পুরো সিটি করপোরেশন এলাকা। নির্বাচনী এলাকায় টহল দিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আজ নির্বাচনী এলাকার সব অফিস, কল-কারখানা, স্কুল-কলেজসহ প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগরীর ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪২৫ কেন্দ্রের দুই হাজার ৭৬১টি বুথে পাঁচ সহস্রাধিক পোলিং এজেন্ট কাজ করছেন। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চাপুলিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ভোটার-২৪৮০), চাপুলিয়া মফিজউদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয় (ভোটার-২৫৫২), পশ্চিম জয়দেবপুরের মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র-১ (ভোটার-২৫৬২), মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র-২ (ভোটার-২৮২৭), রানী বিলাসমনি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র-১ ( ভোটার-১৯২৭) ও রানী বিলাসমনি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র-২ (ভোটার-২০৭৭) এ ছয়টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হচ্ছে। সিটি মেয়র ও কাউন্সিলর পদে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ে ভোট দিচ্ছে গাজীপুরবাসী। এই নির্বাচনে ৪২৫টি কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। মোট সাত মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি ২৫৪ জন সাধারণ কাউন্সিলর ও ৮৪ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর আগে ২০১৩ সালে এ সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে মেয়র পদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক এম এ মান্নান নির্বাচিত হন। অধ্যাপক মান্নান মেয়র পদে নির্বাচিত হলেও সরকারের রোষানলে পড়ে গত পাঁচ বছরের অধিকাংশ সময় তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন। দ্বিতীয়বারের মতো এ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মোট ৪২৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নিউজ একাত্তর ডট কম এ নতুন নির্বাহী সম্পাদকের দায়ীত্ব গ্রহন
নিজেস্ব প্রতিনিধি,ঢাকা: প্রবীণ সাংবাদিক মোঃ আহাম্মদ হোসেন ভূইয়াকে নিউজ একাত্তর ডট কম এর নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়ীত্ব প্রদান করা হয়েছে। আজ ২৪ শে জুন পত্রিকার সম্পাদক মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী কতৃক এ দায়ীত্ব প্রদান করা হয়। প্রবীণ সাংবাদিক মোঃ আহম্মদ হোসেন ভূইয়া চট্টগ্রামের দৈনিক নয়া বাংলা,দৈনিক আজাদী এবং পরবর্ত্তীতে ঢাকায় দৈনিক ইত্তেফাক,দৈনিক যায়যায় দিন সহ অনেক পত্রিকায় সুনামের সহিত কাজ করেছেন। তিনি দির্ঘদিন যাবৎ ঢাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন এবং বর্তমানে তিনি একটি বক্তিতা প্রশিক্ষণ কোর্সের ট্রেনার হিসেবে কর্মরত আছেন। উল্লেখ্য নিউজ একাত্তর ডট কম এর সাবেক নির্বাহী সম্পাদক মোঃ নূরুল ইসলাম ভূইয়া দির্ঘদিন যাবৎ উক্ত পদে দায়ীত্ব পালন করা কালিন সময়ে বাধ্যক্যজনিত কারনে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা ধীন থাকা অবস্থায় গত ২২ শে জুন ২০১৮ ইং তারীখে বিকেল ৫.৩০ মিনিটের সময় মৃত্যু বরন করায় উক্ত পদে মোঃ আহম্মদ হোসেন ভুইয়াকে দায়ীত্ব প্রদান করা হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর