এবারের নির্বাচন হবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক : ইসি সচিব
অনলাইন ডেস্ক :নিবন্ধন যাতে বাতিল না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে সেদিকে লক্ষ্য করে দায়িত্বপালন করার আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থার ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সচিব। হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন যে, নির্বাচন আর পিছানো হবে না। আপনারা জানেন এবারের নির্বাচন একটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ নির্বাচন। কারণ এই নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে এবং বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এবারের নির্বাচনে সংসদ বহার থাকবে, সরকার থাকছে এবং সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। যার ফলে এবারের নির্বাচন হবে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক। আমি আশা করবো এবারের নির্বাচনটা সৌহার্দপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। সচিব বলেন, নির্বাচনে সেনা বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসার ভিডিপি, কোস্টগার্ডের সদস্যদের নিয়োগ করা হবে। এবার প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিছু কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে ১১৮টি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে আমরা নিবন্ধন দিয়েছে। প্রথমে আপনারা এনজিও ব্যুরো থেকে নিবন্ধিত হন। তারপর আমরা আহ্বান করলে আপনারা আবেদনপত্র দেন। তারপর আমরা সেগুলো যাচাই বাছাই কমিশনের অনুমোদন নিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেই এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে কি না। যদি কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আসে, তাহলে আমরা শুনানি গ্রহণ করে সেগুলো নিষ্পত্তি করি। তারপর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষণের জন্য অনুমতি দিয়ে থাকি। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আমাদের ১১৯টি পর্যবেক্ষক সংস্থা ছিল। তার মধ্যে একটি সংস্থার বিরুদ্ধে এনজিও ব্যুরো থেকে এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর থেকে অভিযোগ আসায় নির্বাচন পর্যাবেক্ষক নীতিমালা অনুসরণ করে সেটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। সচিব বলেন, একটি সেন্টারে অনেকগুলো সংস্থা লোক থাকবে। পোলিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, গণমাধ্যম থাকবে। এসব বিষয়গুলো মাথায় রেখে আপনাদের জন্য যে নীতিমালা সেটি অনুসরণ করে দায়িত্বপালন করবেন। সচিব আরো বলেন, একজন পর্যবেক্ষকের কারণে কিন্তু আপনি নিজেও বিপদে পড়ে যাবেন। আমাদের নীতিমালায় বলা আছে যে, আপনি যদি কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন। তাহলে কিন্তু আপনাদের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যেতে পারে। এজন্য খুব সতর্কভাবে এ পর্যবেক্ষণ নীতিমালা ফলো করে দায়িত্বপালন করবেন। পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে সচিব বলেন, যখন আপনারা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবেন তখন কয়েকটি সাবধান বাণী উচ্চারণ করবেন। নির্বাচন কমিশনের দেয়া পরিচয়পত্র সার্বক্ষণিক গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে। যাতে যে কেউ বুঝতে পারেন যে, আপনি একজন পর্যবেক্ষক। প্রথমে কেন্দ্রে গিয়ে প্রিজাইডিং অফিসারকে তার পরিচয় দিতে হবে। কেন্দ্রে কোনো মোবাইল ফোন নেয়া যাবে না, কোনো ছবি তুলতে পারবে না, কোনো কমেন্টস করতে পারবে না, শুধু মূর্তির মতো দায়িয়ে পর্যবেক্ষণ করবে। সেই কেন্দ্রে যত প্রবলেমই হোক সে পর্যবেক্ষণ করে আপনার কাছে একটি রিপোর্ট পেশ করবেন। তারপর আপনি সবার কাছ থেকে রিপোর্ট নিয়ে কম্পাইল করে আমাদের কাছে প্রতিবেদন দিবেন। পর্যবেক্ষণের সময় গোপন কক্ষে যাওয়া যাবে না, কাউকে নির্দেশনা দিতে পারবে না, প্রিজাইডিং, পোলিং অফিসারকে কোনো পরামর্শ দিতে পারবে না। এগুলো ক্লিয়ার করে বলে দেবেন। যদি কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম হয়, এটা তারা কমিশনকে অবহিত করতে পারেন বা আপনাকে লিখিতভাবে অবহিত করতে পারেন। সচিব আরো বলেন, অনেক সাংবাদিক তাদের সামনে ক্যামেরা ধরবেন, উনি কিন্তু কথা বলতে পারবেন না। কোনো সংবাদ পত্রে লাইভে কথা বলতে পারবে না, কমেন্টস করতে পারবে না। ব্রিটেনের পুলিশের মতো মূর্তির মতো দাড়িয়ে শুধু পর্যবেক্ষণ করবে। আপনাদের কাছে লিখিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগে কোনো মন্তব্য করবে না। আপনারাও যখন কম্পাইল করে জমা দেবেন, তার আগে আপনারাও কোনো কমেন্টস করবেন না। রিপোর্ট কম্পাইল হলে প্রয়োজনে সংবাদ সম্মেলন করতে পারেন। এবং আমাদের কাছে জমা দিতে পারেন। আপনাদের আচরণ হবে নিউট্রাল। এমন কোনো ব্যক্তিকে আপনারা নিয়োগ করবে না যে কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য। এগুলো আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সচিব বলেন, একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন নিবন্ধন যাতে বাতিল না হয়। সে দিকে আপনারা খুব বেশি খেয়াল রাখবেন। আপনারা অনেকে কিন্তু এনজিও হিসেবে কাজ করেন। অন্যান্য কাজের পাশাপাশি আপনারা নির্বাচনেও কাজ করেন। কিন্তু এখান থেকে যদি আমরা রিপোর্ট দেই যে, আপনি এই ধরণের একটি আচরণ করেছেন। যেটার জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়াটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেছে। তাহলে কিন্তু আপনার নিবন্ধনটা বাতিল করার জন্য যারা নিবন্ধন দেয় তাদেরকেও আমরা চিঠি দিয়ে দেবো। সুতরাং বি কেয়ারফুল। আপনারা এমন কোনো আচরণ করবেন না এমন কোনো কাজ করবেন না যেটার জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়াটা ভণ্ডুল হতে পারে বা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
২২৪ আসনে জাসদের ইনুর প্রার্থী ঘোষণা
অনলাইন ডেস্ক :আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য ২২৪জন প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করেছে হাসানুল হক ইনুর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ। ইনুর সভাপতিত্বে দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভায় এই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ১৪ দল ও মহাজোটের নির্বাচনী ঐক্যের স্বার্থে প্রয়োজনে জাসদ মনোনীত প্রার্থীরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন। প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়নপত্র দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চিঠিতে সইও নেয়া হচ্ছে। পরে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের চিঠি দেয়া হবে। জাসদের প্রার্থী যারা পঞ্চগড়-১: অলিয়ার রহমান আল কোরায়শী, পঞ্চগড়-২: তরিকুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-১: খাদেমুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২: রাজিউর রহমান, ঠাকুরগাঁও-৩: আবদুল বারেক, দিনাজপুর-১: সামসুল ইসলাম, দিনাজপুর-২: ইমামুল ইসলাম, দিনাজপুর-৩: শহিদুল ইসলাম শহীদুল্লাহ, দিনাজপুর-৪: লিয়াকত আলী, দিনাজপুর-৫: আতাউর রহমান, দিনাজপুর-৬: হারুন অর রশীদ, নীলফামারী-১: দিলিপ কুমার রায়, নীলফামারী-২: জাবির আকতার প্রামাণিক, নীলফামারী-৩: গোলাম পাশা এলিচ, নীলফামারী-৪: সুজাউদ্দিন সুজা, লালমনিরহাট-১: ছাদেকুল ইসলাম, লালমনিরহাট-২: উত্তম কুমার রায়, লালমনিরহাট-৩: খোরশেদ আলম, রংপুর-১: সানিউল ইসলাম লিটু, রংপুর-২: কুমারেশ চন্দ্র রায়, রংপুর-৩: সাখাওয়াত হোসেন রাঙ্গা, রংপুর-৪: আবুল কালাম আজাদ, রংপুর-৫: আইনুল কবির লিটন, রংপুর-৬: মীর মোহাম্মদ আলী মানিক, কুড়িগ্রাম-১: আনসার আলী, কুড়িগ্রাম-২: সলিমুল্লাহ, কুড়িগ্রাম-৩: কার্তিক চন্দ্র দাস, কুড়িগ্রাম-৪: আবুল কাশেম চান, গাইবান্ধা-১: মোহাম্মদ আলী প্রামাণিক, গাইবান্ধা-২: শাহ শরিফুল ইসলাম বাবলু, গাইবান্ধা-৩: এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি, গাইবান্ধা-৪: সেকান্দার আলী, গাইবান্ধা-৫: শাহ জামিল, জয়পুরহাট-১: আমেজ উদ্দিন, জয়পুরহাট-২: আবুল খায়ের মো. শাখাওয়াত হোসেন, বগুড়া-১: হাসান আকবর আফজাল, বগুড়া-২: রফিকুল ইসলাম ভা-ারি,বগুড়া-৩: আব্দুল মালেক সরকার/নজরুল ইসলাম বগুড়া-৪: এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন, বগুড়া-৫: রাসেল মাহমুদ, বগুড়া-৬: ইমদাদুল হক ইমদাদ, বগুড়া-৭: আব্দুর রাজ্জাক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: আরিফুল ইসলাম উইল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: মেহের আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: মুনিরুজ্জামান, নওগাঁ-১: শাহজামান আলী, নওগাঁ-২ : আব্দুল হাই, নওগাঁ-৩: জাকির হোসেন, নওগাঁ-৪: রিয়াজ আলী, নওগাঁ-৫: এস এম আজাদ হোসেন মুরাদ, নওগাঁ-৬: ইউসুফ আলী মিন্টু, রাজশাহী-১: প্রদীপ মৃধা, রাজশাহী-২ : আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সিদ্দিকী শিবলী, রাজশাহী-৬: শফিউর রহমান শফি, নাটোর-১: মোয়াজ্জেম হোসেন, নাটোর-২: বিপ্লব কুমার রাম, নাটোর-৪: ডি এম রনি পারভেজ আলম, সিরাজগঞ্জ-১: আব্দুল হাই তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-২: প্রাণ গোবিন্দ চৌধুরী, সিরাজগঞ্জ-৩: আক্কাস আলী, সিরাজগঞ্জ-৪: মোস্তফা কামাল বকুল, সিরাজগঞ্জ-৫: আইয়ূব আলী খান, সিরাজগঞ্জ-৬: শফিকুজ্জামান শফি, পাবনা-১: ইকবাল হোসেন মাষ্টার, পাবনা-২: রেজাউর রহিম, পাবনা-৩: আবুল বাশার শেখ, পাবনা-৪: বীর গোলাম মোস্তফা বাচ্চু, পাবনা-৫: শেখ আনিসুজ্জামান, মেহেরপুর-১: শফিকুল ইসলাম কাজল, মেহেরপুর-২: ওমর আলী, কুষ্টিয়া-১: শরিফুল কবির স্বপন, কুষ্টিয়া-২: হাসানুল হক ইনু, কুষ্টিয়া-৩: গোলাম মহসীন, কুষ্টিয়া-৪: রোকনুজ্জামানরোকন, চুয়াডাঙ্গা-১: সবেদ আলী, চুয়াডাঙ্গা-২: আকসিজুল ইসলাম রতন, ঝিনাইদহ-১: শরাফত ইসলাম, ঝিনাইদহ-৩: শামীম আকতার বাবু, যশোর-২: রবিউল আলম, যশোর-৩: রবিউল আলম, যশোর-৪: অশোক কুমার রায়, মাগুরা-১: জাহিদুল আলম, নড়াইল-১: এ বি এম আখতার হোসেন রাঙ্গা, নড়াইল-২: আব্দুস সালাম, বাগেরহাট-২: সবুজ চন্দ্র রায়, খুলনা-১: শেখ রওশন আলী, খুলনা-২: খালিদ হোসেন, খুলনা-৩: শেখ গোলাম মর্তুজা, খুলনা-৫: সুজিত মল্লিক, খুলনা-৬: স ম রেজাউল করিম, সাতক্ষীরা-১: শেখ মো. ওবায়দুস সুলতান বাবলু, সাতক্ষীরা-২: জাকির হোসেনলস্কর শেলী, সাতক্ষীরা-৪: আশেক-ই-এলাহী, বরগুনা-১: আব্দুল আলীম হিমু, পটুয়াখালী-১: হাবিবুর রহমান শওকত, পটুয়াখালী-২: আনোয়ারুজ্জামান চুন্নু, পটুয়াখালী-৩: নিজামউদ্দিন তালুকদার, পটুয়াখালী-৪: বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, ভোলা-১: সিদ্দিকুর রহমান, বরিশাল-২: সাজ্জাদ হোসেন, বরিশাল-৩: শাহজাহান হাওলাদার, বরিশাল-৪: আব্দুল হাই মাহবুব, বরিশাল-৬: মো. মোহসীন, ঝালকাঠি-১: মনির সিকদার, ঝালকাঠি-২: সুকমল ওঝা দোলন, পিরোজপুর-১: সাইদুল ইসলাম ডালিম, পিরোজপুর-২: আবুল কালাম খান, পিরোজপুর-৩: মঞ্জুরুলইসলাম খলিফা, টাঙ্গাইল-২: কামরুজ্জামান, টাঙ্গাইল-৪: এস এম আবু মোস্তফা/ শামসুল হক মোহসীন, টাঙ্গাইল-৫: শাহীনুল ইসলাম শাহীন, টাঙ্গাইল-৬: সৈয়দ নাভেদ হোসেন, টাঙ্গাইল-৭: মঞ্জুর রহমান মজনু, টাঙ্গাইল-৮: রফিকুল ইসলাম শিকদার, জামালপুর-২: লুৎফর রহমান, জামালপুর-৪: গোলাম মোস্তফা জিন্নাহ/ এম এল ফারুক, জামালপুর-৫: খন্দকার মো. ইতিমুদৌলা, শেরপুর-১: মনিরুল ইসলাম লিটন, শেরপুর-২: লাল মো. শাহজাহান কিবরিয়া, শেরপুর-৩: এ কে এম ছামেদুল হক, ময়মনসিংহ-১: আমিনুল ইসলাম আমিন, ময়মনসিংহ-২: শিব্বির আহমেদ লিটন, ময়মনসিংহ-৪: নজরুল ইসলাম চুন্নু, ময়মনসিংহ-৫: কাওছার আহমেদ, ময়মনসিংহ-৬: সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু, ময়মনসিংহ-৭: রতন কুমার সরকার, ময়মনসিংহ-৯: গিয়াস উদ্দিন, ময়মনসিংহ-১১: সাদিক হোসেন, নেত্রকোণা-২: মো. মোখলেছুর রহমান মুক্তাদির, কিশোরগঞ্জ-১: নজরুল ইসলাম নুরু, কিশোরগঞ্জ-৩: শওকত আলী, কিশোরগঞ্জ-৫: নন্দন কুমার শেঠ, কিশোরগঞ্জ-৬: রফিকুল ইসলামরাজা, মানিকগঞ্জ-১: আফজাল হোসেন খান জকি, মানিকগঞ্জ-২: মোসলেহ উদ্দিন খান, মানিকগঞ্জ-৩: ইকবাল হোসেন খান, মুন্সীগঞ্জ-১: এ কে এম নাসিরুজ্জামান খান, ঢাকা-১: আইয়ূব খান, ঢাকা-৫: শহীদুল ইসলাম, ঢাকা-৬: কাজী সালমা সুলতানা, ঢাকা-৭: ইদ্রিস বেপারী, ঢাকা-৯: নিলঞ্জনা রিফাত সুরভী, ঢাকা-১০: শওকত রায়হান, ঢাকা-১৩: নাদের চৌধুরী, ঢাকা-১৪: নুরুল আখতার, ঢাকা-১৫: সামছুল ইসলাম সুমন, ঢাকা-১৬: নুরুন্নবী, ঢাকা-১৭: মীর হোসাইন আখতার, ঢাকা-১৮: এস এম ইদ্রিস আলী, ঢাকা-১৯: জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর-১: আব্দুর রফিক, গাজীপুর-২: হানিফ প-িত, গাজীপুর-৩: জহিরুল হক ম-ল বাচ্চু, গাজীপুর-৪: আব্দুল্লাহ আল মামুন, নরসিংদী-২: জায়েদুল কবির, নারায়ণগঞ্জ-২: আব্দুল মতিন, নারায়ণগঞ্জ-৩: শফিকুল ইসলাম ভূইয়া, নারায়ণগঞ্জ-৪: সৈয়দ আলম, নারায়ণগঞ্জ-৫: মোহর আলী চৌধুরী, রাজবাড়ী-১: মুনিরুল হক মুনির, রাজবাড়ী-২: সুশান্ত কুমার বিশ্বাস, ফরিদপুর-১: হারুন-অর-রশীদ রতন, ফরিদপুর-৩: শেখ মজিবর রহমান, ফরিদপুর-৪: নাজমুল কবির মনির, গোপালগঞ্জ-১: ফায়েকুজ্জামান, গোপালগঞ্জ-২: শেখ মাসুদুর রহমান, মাদারীপুর-২: ওবায়দুর রহমান চুন্নু, মাদারীপুর-৩: শেখ বজলুর রশিদ, শরীয়তপুর-১: স ম আব্দুল মালেক, শরীয়তপুর-২: ফিরোজ মিয়া, শরীয়তপুর-৩: শিকদার সেলিম, সুনামগঞ্জ-১: এ কে এম ওহীদুল ইসলাম কবীর, সুনামগঞ্জ-২: আমিনুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৪: এনামুজ্জামান চৌধুরী, সিলেট-১: রফিকুল হক, সিলেট-২: শামীম আখতার, সিলেট-৩: ময়নুল ইসলাম, সিলেট-৪: নেসার আহম্মেদ কায়সার, সিলেট-৫: গিয়াস আহমেদ, সিলেট-৬: লোকমান আহমেদ, মৌলভীবাজার-২: বদরুল হোসেন ইকবাল, মৌলভীবাজার-৩: আব্দুল হক, মৌলভীবাজার-৪: এলেমান কবির, হবিগঞ্জ-১: আব্দুল মান্নান, হবিগঞ্জ-২: মোস্তফা কামাল/জসিমউদ্দিন, হবিগঞ্জ-৩: তাজ উদ্দিন আহমেদ সুফি, হবিগঞ্জ-৪: জিয়াউল হাসান তরফদার মাহিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: আখতার হোসেন সাঈদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: শাহ জিকরুল আহমেদ, কুমিল্লা-২: বড়ুয়া মনোজিত ধীমন, কুমিল্লা-৫: ফরিদউদ্দিন, কুমিল্লা-৬: শফিকুর রহমান, কুমিল্লা-৭: শাহজালাল সুমন, কুমিল্লা-৮: দিলীপ মজুমদার, কুমিল্ল-৯: মনিরুল আনোয়ার, কুমিল্লা-১০: চন্দন কুমার দাশ, কুমিল্লা-১১: আবু তাহের, চাঁদপুর-১: সাইফুল ইসলাম সোহেল, চাঁদপুর-২: শহীদ আলমগীর, চাঁদপুর-৩: মাসুদ হাসান, চাঁদপুর-৪: মোহসীন পাটওয়ারী, চাঁদপুর-৫: মনির হোসেন মজুমদার, ফেনী-১: শিরীন আখতার, নোয়াখালী-১: হারুন রশিদ/ হারুন-অর-রশিদ, নোয়াখালী-২: নইমুল আহসান জুয়েল, নোয়াখালী-৩: জয়নাল আবেদীন সরকার/মফিজুর রহমান, নোয়াখালী-৪: মকছুদের রহমান মানিক, নোয়াখালী-৫: আজিজুল হক বকশী, নোয়াখালী-৬: ঈশরাজুর রহমান শামীম, লক্ষ্মীপুর-২: আমির হোসেন মোল্লা, লক্ষ্মীপুর-৩: কাজী সিদ্দিকুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-৪: মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩: আবুল কাসেম, চট্টগ্রাম-৪: আ ফ ম মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম-৮: আজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম-১০: আনিসুর রহমান, চট্টগ্রাম-১১: জসিমউদ্দিন, চট্টগ্রাম-১৪: ওসমান গনি চৌধুরী, কক্সবাজার-১: আবু তাহের, কক্সবাজার-২: আশরাফুল করিম নোমান, কক্সবাজার-৩: নাইমুল হক চৌধুরী টুটুল, কক্সবাজার-৪: আব্দুস শুকুর, বান্দরবান: সুযশময় চৌধুরী।
নির্বাচন কমিশনকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে :ইসিকে সুজন
অনলাইন ডেস্ক :সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন বিভাগসহ সকল অংশীজনকে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সুজন নেতৃবৃন্দ বলেন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি যে কোনো ধরনের অনিয়মের ঘটনা রোধে নির্লিপ্ত না থেকে কমিশনকে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন করেন সুজন-এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। সুজন সমপাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা তা নিয়ে আমাদের তিনটি প্রধান সংশয় রয়েছে। প্রথমত, এই নির্বাচন হচ্ছে দলীয় সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়। এই অবস্থায় প্রশাসন তথা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রভাবিত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। তাই এ ব্যাপারে কমিশনকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নির্বাচন কমিশনকে মনে রাখতে হবে যে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সংসদ বহাল রেখেই। তাই সতর্ক থাকতে হবে যে, মন্ত্রী বা এমপিরা যেন নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে মেনে চলেন এবং তাদের পদের প্রভাব ব্যবহার না করতে পারেন। তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশনকে আইনি ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে নৈতিকতা ও সাহসিকতার সঙ্গে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়মের ঘটনা কর্ণোগোচর বা দৃষ্টিগোচর হলে, অভিযোগ দায়েরের অপেক্ষা না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি যে কোনো অভিযোগে পেলেও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের নির্লিপ্ত থাকার কোনো সুযোগ নেই। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের অগাধ ক্ষমতা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বর্তমান কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কিনা- সাংবাদিকদের করা এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান কমিশনের অধীনেই রংপুর সিটিতে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন, সরকার, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বহিনীসহ নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলেই যদি তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে, তাহলে আমরা একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ তথা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যক্ষ করবো। একাদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া অত্যন্ত জরুরি। এ নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে তরুণরা বিপথগামী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন বদিউল আলম মজুমদার। গণমাধ্যম হলো ইসির সহায়ক শক্তি। গণমাধ্যমের ওপর বিধি-নিষেধ তুলে দিয়ে তাদেরকে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করার সুযোগ করে দিতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, প্রতিবারই জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি সংকট তৈরি হয়। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আমরা সুজন-এর পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলসমূহের প্রতি পারস্পরিক আলোচনা ও একটি সমঝোতা স্মারক বা জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের দাবি জানিয়ে আসছিলাম। অনেক দেরিতে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সংলাপ অনুষ্ঠিত হলেও দলগুলোর মধ্যে কোনো সমঝোতা হয়নি। তবে আশার কথা এই যে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে বলেই আমাদের ধারণা। ছোট-বড় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যেই উৎসবমুখর পরিবেশে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমাদানের কাজ সম্পন্ন করেছে বা করার পথে। যদিও দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমাদানকালে শোডাউন নিয়ে বড় দুটি দলের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গেরও অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান: সংবাদ সম্মেলনে সুজনের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের প্রতি বেশকিছু পরামর্শ দাবি আকারে উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে আছে- সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন বিভাগসহ সকল অংশীজনকে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা, নিকট অতীতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনসমূহে ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ থেকে সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করা এবং তা থেকে উত্তরণের জন্য যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ, সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানের ভালো দৃষ্টান্তসমূহ অনুসরণ করা, সকল দল ও প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা। প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের জন্য যাদের মনোনীত করা হয়েছে তাদের পরিচয় সমপর্কে নিশ্চিত হওয়া। কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থক বা কোনো প্রার্থীর আত্মীয়-স্বজন যেন এসব পদে দায়িত্ব না পান সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা। কেউ নিরপেক্ষতা ভঙ্গ করলে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, যাতে তারা পক্ষপাতমূলক আচরণ না করে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়া কাউকে গেপ্তার না করে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে হয়রানি না করার ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখা। নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনোভাবেই কোনো দলের পক্ষে প্রভাবিত না করতে সুজনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া অসৎ, অযোগ্য, অপরাধপ্রবণ, কালোটাকার মালিক, উড়ে এসে জুড়ে বসা ও সামপ্রদায়িক মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিদের পরিহার এবং সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রকৃত রাজনীতিকদের তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মনোনয়ন দিতে রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান রেখেছে এ নাগরিক সংগঠন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান: পক্ষপাতহীনভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে পক্ষপাতমূলক আচরণ বা দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য দেয়া থেকে বিরত থাকা, এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সুজন।
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাইছি :ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক :ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে তার বেইলি রোডের বাসায় সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইক। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৫টা ৪৫ মিনিটে কামাল হোসেনের বাসায় যান অ্যালিসন ব্লেইক। সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে যান। হাইকমিশনারের সাথে সাক্ষাতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন বর্তমান দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেন,তারা মাঝে মধ্যে দেখা করতে আসেন। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিষয়ে তারা জানতে চেয়েছেন। বিশেষ করে আগামী নির্বাচনকে আমরা কিভাবে দেখছি এবং কী ধরনের নির্বাচন হতে যাচ্ছে, হাইকমিশনার তা জানতে চেয়েছেন। জবাবে আমরা বলেছি, আমরা অবাধ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাইছি। এখনও আমাদের একই দাবি, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চাইছি। সেই লক্ষ্যে সাত দফা দাবিও দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, আগে আমাদের নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছিল। তারপর একটি জাজমেন্ট দিয়ে তা সরিয়ে দেয়া হয়। এরপর থেকেই সমস্যা হচ্ছে। হাইকমিশনারের কাছে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ১৫৪ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে জানিয়ে ড. কামাল বলেন, &৫ জানুয়ারির পর নির্বাচিত সরকার না থাকার কারণে দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তারাই (বর্তমান সরকার) বলেছিল ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি নির্বাচন দেয়া হবে। সেই দ্রুততম সময় পাঁচ বছরে শেষ হয়েছে। কামাল হোসেন আরো বলেন,নিরপেক্ষ সরকার মানেই হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী কোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না। প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী যদি রেফারির ভূমিকা পালন করেন, পুলিশ প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ না থাকে তাহলে তো ফেয়ার ইলেকশন হয় না।
ইন্টারন্টেভিত্তিক যোগাযোগমাধ্যম স্কাইপি বন্ধ
অনলাইন ডেস্ক :ইন্টারন্টেভিত্তিক যোগাযোগমাধ্যম স্কাইপি বাংলাদেশ থেকে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) স্কাইপি বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও কর্তৃপক্ষ বিষয়টি এখনো স্বীকার করেনি। তবে সোমবার বিটিআরসি’র একটি সূত্র ইন্টারনেটভিত্তিক জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যমটি বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণেও এমনটি হতে পারে। বিষয়টি দেখা হচ্ছে। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিটিআরসির ওই নির্দেশনা পাওয়ায় তারা স্কাইপি বন্ধ করে দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে স্কাইপির সব সেবা বন্ধ রয়েছে।
মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়নি : ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সোমবার (১৯ নভেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সেতুমন্ত্রী এ কথা জানান। ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তালিকা মনগড়া দাবি করে বলেন,জোটগতভাবেই দলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। মনোনয়ন নিয়ে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত তালিকা মনগড়া, এগুলোর বাস্তবসম্মত ভিত্তি নেই। এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা (বিএনপি) দাগি আসামিদের জড়ো করেছে। এতে তাদের উদ্দেশ্য ভালো নয়। এর আগে গতকাল রোববার (১৮ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে কারা মনোনয়ন পাবেন সেটি প্রায় চূড়ান্ত।মনোনয়ন নিয়ে সবকিছুই ঠিক, এখন শুধু ফিনিশিং টাচটা বাকি আছে। আশা করছি, ৪-৫ দিনের মধ্যেই তালিকা দিতে পারব। ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আমাদের শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করে মনোনয়নের বিষয়টি ফাইনাল করা হবে। আমাদের অলমোস্ট ক্লোজড। তবে শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করে একসঙ্গে ঘোষণা করা হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা নমিনেশনটা ঠিক করেছি জরিপের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে। যাদের ছয় মাস আগেও খারাপ ছিল তারা হয়তো এখন ভালো হয়েছে। তাই তাদের নমিনেশন দেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা উইনেবল ও ইলেক্টেবল প্রার্থী চাই। যিনি উইনেবল ও ইলেক্টেবল প্রার্থী বলে বিবেচিত হবেন, তাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। এক্ষেত্রে যদি আওয়ামী লীগের বাইরে ১৪ দলের অন্য কাউকে বেশি সম্ভাবনাময় মনে হয়, তবে তাকেই আমরা মনোনয়ন দেব। সেই প্রার্থী জাতীয় পার্টি কিংবা অন্য কোনো শরিক দলেরও হতে পারে।
তারেক রহমানের বিষয়ে কিছু করার নেই নির্বাচন কমিশনের: হেলালুদ্দিন আহমেদ
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় প্রার্থীদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার নেয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ। সোমবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে ইসির এক জরুরি বৈঠক শেষে ইসি সচিব সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। ইসি সচিব বলেন, তারেক রহমানের অনলাইন কার্যক্রম আচরণবিধি লঙ্ঘনের মধ্যে পড়ে না। রাজধানীর পল্টনের ঘটনায় ফৌজদারি অপরাধ হয়েছে, এ ঘটনা তদন্তাধীন। তদন্ত চলতে আপত্তি নেই। ইসি সচিব হেলালুদ্দিন আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগ তারেক রহমানকে নিয়ে যে অভিযোগ দিয়েছিল সেটা নিয়ে ইসি সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অনলাইনে মনোনয়ন সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছেন তারেক রহমান। আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী তিনি দেশে নেই, তাই আচরণ বিধিমালা উনার জন্য প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু যেহেতু হাইকোর্টের একটি নির্দেশনা রয়েছে, সেই নির্দেশনা পালন করা সবার দায়িত্ব। কমিশনে আজকের এ জরুরি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা।
বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষের নাম সংশোধন চেয়ে হাইকোর্টে রিট
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষের নাম সংশোধন চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী হারুন উর রশীদ। হারুন সাংবাদিকদের বলেন, প্রতীকের সঙ্গে ধানের শীষের ছবির মিল না থাকায় রিটটি দায়ের করেছি। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটির শুনানি হতে পারে। বিএনপি যে প্রতীকে নির্বাচন করছে তা ভুল। কেননা, তারা বলছে ধানের শীষ কিন্তু ছবিতে দেখা যাচ্ছে ধানের ছড়া। অর্থাৎ ছবির সঙ্গে প্রতীকের নামের কোন মিল নেই। কেননা, ধানের শীষ আর ধানের ছড়া একই বিষয় না। বিএনপির প্রতীক হচ্ছে ধানের ছড়া। তাই তাদের প্রতীক ঠিক থাকবে কিন্তু ধানের শীষের পরিবর্তে লিখতে হবে ধানের ছড়া। এই আইনজীবী জানান, ১৯৯১ সালেও এই ভুলটি তিনি বিএনপির দৃষ্টিগোচর করেছিলেন। তবুও ভুলটি তারা সংশোধন করেনি। তাই প্রতিকার চেয়ে তিনি রিট আবেদন করেছেন। আইনজীবীর রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে এই আইনজীবী বলেন, আমার কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আমি রাজনীতি করি না। আমি একজন আইনজীবী।
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ
অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ হয়েছে। এর ফলে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ১৫৬৪ পৃষ্ঠার এই রায় প্রকাশ করা হয়। গত ১৫ নভেম্বর রায় প্রদানকারী বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম মামলার রায়ে সই করেন। আইনজীবীরা জানান, এই রায় প্রকাশের মধ্য দিয়ে মামলাটি চূড়ান্ত মীমাংসার পথে এগিয়ে গেল। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের মীসাংসার পর রিভিউ আবেদনের সুযোগ আছে। সেখানেও কেউ দণ্ডিত হলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ পাবে। গত বছরের ২২ আগস্ট সাত খুন মামলায় নূর হোসেন, তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন, মাসুদ রানাসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। তবে বিচারিক আদালতে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া ১১ জনকে দেয়া হয় যাবজ্জীবন দণ্ড। নিম্ন আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ৯ জনের দণ্ডও বহাল রাখে উচ্চ আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন: এমদাদুল হক, আরিফ হোসেন, হীরা মিয়া, বেলাল হোসেন, আবু তৈয়ব, শিহাব উদ্দিন, পুর্নেন্দু বালা, আব্দুল আলীম, মহিউদ্দিন মুন্সী, তাজুল ইসলাম ও আল আমিন। মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- আসাদুজ্জামান নূর, এনামুল কবীর, মর্তুজা জামান চার্চিল, আলী মোহাম্মদ, মিজানুর রহমান দিপু ওরফে মিজান, রহমত আলী, আবুল বাসার, সেলিম, সানাউল্লাহ ওরফে সানা, শাহজাহান ও জামাল উদ্দিন। গত বছরের ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নূর হোসেন, তারেক সাঈদসহ আসামিরা খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন। এর আগে ওই বছরের ১৬ জানুয়ারি সাত খুনের মামলায় নূর হোসেন, তারেক সাঈদসহ ২৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। বাকি নয় আসামির সবাইকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাত জন। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ভেসে ওঠে ছয়টি লাশ। পরের দিন মেলে আরেকটি লাশ। নিহত অন্যরা হলেন: নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহিম। ঘটনার একদিন পর কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা নূর হোসেনসহ ছয় জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর