শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ নামে একটি প্রস্তাবনা হস্তান্তর আ.লীগ, বিএনপিসহ ৭ দলের কাছে
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ নামে একটি প্রস্তাবনা আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ সাত দলের কাছে জমা দিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কয়েকটি প্রতিনিধিদল আজ সোমবার বিকেল থেকে এই ইশতেহার হস্তান্তর করেন। প্রথমে বিকেল ৩টার পরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসানের নেতৃত্বে ১৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এ সময় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হাতে তাদের প্রত্যাশিত তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ তুলে দেন। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান বলেন,তারুণ্যের ইশতেহার আমরা সব রাজনৈতিক দলের কাছে হস্তান্তর করব। বিএনপির কার্যালয়ে তারুণ্যের ইশতেহার দেওয়ার পর সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীরা পুরানা পল্টনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কার্যালয়ে গিয়ে তাদের ইশতেহার দেন। এদিকে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান ও নূরুল হক নূরের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সন্ধ্যা ৬টার দিকে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যায়। তারা দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের হাতে তারুণ্যের ইশতেহার তুলে দেন। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়াও আমরা আজ জাতীয় পার্টি, গণফোরাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও নাগরিক ঐক্যের কাছে আমাদের ইশতেহার ভাবনা হস্তান্তর করেছি। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর কাছেও আমাদের দাবি তুলে ধরব। ফারুক হাসান বলেন, বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক দলগুলো তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না। আশা করি এবার তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। তারুণ্যের ইশতেহারে থাকা উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো : ১। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কার আনতে হবে। ২। চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ করতে হবে। সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা করতে হবে। ৩। চাকরির আবেদনের ফি সম্পূর্ণ ফ্রি করতে হবে। ৪। শিক্ষায় জিডিপির ৫ ভাগ বা জাতীয় বার্ষিক বাজেটের ২০ ভাগ বরাদ্দ দিতে হিবে। ৫। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিতে হবে। ৬। প্রশ্ন ফাঁসবিরোধী সেল গঠন করতে হবে। ৭। বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধ করতে হবে। ৮। প্রতিবছর ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে। ৯। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বাজেটের ১০ ভাগ গবেষণায় দিতে হবে। যার ৬ ভাগ শিক্ষকদের জন্য এবং ৪ ভাগ হবে ছাত্রদের জন্য। ১০। শিক্ষক নিয়োগে ৮০ ভাগ নম্বর লিখিত পরীক্ষায় এবং ২০ ভাগ নম্বর মৌখিক পরীক্ষায় রাখতে হবে।
হাওলাদারের বিরুদ্ধে ওটা মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্ত করা হবে: রাঙ্গা
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় পার্টির নবনিযুক্ত মহাসচিব প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, সদ্য সাবেক হওয় মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে ওটা মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্ত করা হবে। রাঙ্গা বলেন, শুধু সাবেক মহাসচিবই নয়, মনোনয়ন বাণিজ্যের সঙ্গে অন্য কারও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সোমবার (৩ ডিসম্বর) বিকেলে রাজধানীর বনানীতে দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মসিউর রহমান রাঙ্গা। জাপা মহাসচিব বলেন, দলের মনোনয়ন কেনার জন্য টাকা দিয়েছেন এমন ভুক্তভোগী পাওয়া গেলে, কিংবা এ ধরনের কারও অভিযোগ থাকলে জাতীয় পার্টির কাছে জানান। মনোনয়ন বাণিজ্যের ঘটনা তদন্তে প্রেসিডিয়াম সদস্যদের নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর আগে সোমবার সকালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে মসিউর রহমান রাঙ্গাকে মহাসচিবের দায়িত্ব দেয়া হয়।
পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশকে জেতানোর লড়াইয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী: সাকিব
অনলাইন ডেস্ক: পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশকে জেতানোর লড়াইয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় এমন কথা বলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি-২০ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থাকার জন্য তরুণদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ২ মিনিট ৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে সাকিব বলেন, ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল, আমরা ৭২টি ম্যাচের বেশির ভাগ ম্যাচই হেরেছিলাম। কিন্তু আমরা জিততে চেয়েছিলাম। কারণ এটা আমাদের কাছে কেবল খেলা নয়, কারণ এটা আমাদের দেশ। তাই আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছিলাম। আমি এখনও যখন ক্রিজে গিয়ে দাঁড়াই, আমার সঙ্গে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। আমি যখন শুরু করেছিলাম, আমার বয়স ছিল ১৯। আর আজ তোমরা যারা তরুণ, আমি নিশ্চিত জানি তাদের প্রত্যেকেরই নিজের মতো করে স্বপ্ন আছে। কিন্তু স্বপ্ন থাকলেই তো হয় না। ব্যক্তির স্বপ্নকে দেশের স্বপ্ন করতে হয়। এগিয়ে আসতে হয়, তৈরি করতে হয় নিজেকে। চিনে নিতে হয় সঠিক পথ। আমি কোনো সুপারম্যান নই। এ দেশেরই একজন সাধারণ সন্তান। তোমরা যারা এখানে আছো, আমি জানি সবাই যার যার মতো আলাদা। কিন্তু একটা বিষয় আমরা সবাই এক। সেটা হলো, আমাদের প্রাণের বাংলাদেশ। এ দেশকে আমরা মা বলি। কিন্তু নিজের মাকে নিয়ে যেভাবে ভাবি, এ দেশকে নিয়ে কি আমরা সেভাবে ভাবি? অথচ, দেশ আমাদের নিয়ে ভাবছে। নজর রাখছে ভালো-মন্দের। তার ভালো থাকায় আমাদেরও ভালো থাকা। আর সবার ভালো থাকা মানে দেশের ভালো থাকা। তাকে নিয়ে এবার ভাবার সময় এসেছে আমাদের। কারণ দেশ মানে আর কিছু নয়, তুমি-আমি-আমরা। এই আমরাই দেশ। সবাইকে ভালো রাখার এগিয়ে যাওয়ার এক দুর্বার যাত্রায় এখন আমরা আছি। বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক ও মানব উন্নয়নে তো বটেই, অবকাঠামো, যোগাযোগ ও ডিজিটাল উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের উদাহরণ হতে চলেছে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশকে জেতানোর লড়াইয়ে আছেন। বাংলাদেশ এখন তার পরিবার। সবাইকে নিয়ে সবার ভালো থাকার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে তরুণদের নিয়ে। সবক্ষেত্রে সমৃদ্ধ আগামী বাংলাদেশ গড়ার নীতি গ্রহণ করেছেন তিনি। সেখানে চাই তোমার সক্রিয় সমর্থন। এ অগ্রযাত্রা আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজন তোমাকে। আমার বিশ্বাস আমরা দাঁড়ালে হারবে না বাংলাদেশ। কারণ তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ। এবার তোমার পালা।
বাংলাদেশের মানুষ রাজাকারমুক্ত একটি সংসদ চায়: নৌমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: নৌপরিবাহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ রাজাকারমুক্ত একটি সংসদ চায়। কিন্তু বিএনপির ২৫ জনের মতো প্রার্থী করেছে যারা চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান ও জামায়াত ইসলামীর সদস্য। এতেই প্রমাণিত হয়, বিএনপি জঙ্গি-সন্ত্রাসদের দ্বারা আবারো পাকিস্তানি ভাবনায় একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বানাতে ষড়যন্ত্র করছে। সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নৌমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএনপির নেতা নজরুল ইসলাম খানের বলা এক প্রশ্নের জবাবে শাজাহান খান আরো বলেন, নজরুল ইসলাম খান বলেছিলেন, তারা কোন যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্যকে ধানের শীষে প্রার্থী করবন না। কিন্তু মওলানা সাইদীর ছেলে সামীম সাইদী, জয়পুরহাটের আলীম সাহেবের ছেলে, চট্টগ্রামে সাকা চৌধুরীর ভাইসহ অনেকেই আছে যারা যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সদস্য। সুতরাং বিএনপি সব সময় মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য মিথ্যে কথা বলে যায়। আসন্ন সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে উল্লেখ করে নৌমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে নানা ধরনের অভিযোগ দিয়ে থাকে। তারা বলেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। কিন্তু তাদের এসব অভিযোগ সবটা সত্য নয়। যেটুকু সত্য হবে সেটুকু আইন অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ব্যবস্থা নিবে। শাজাহান খান বলেন, বিএনপির রাজনীতি জন্ডিসের রাজনীতি। তারা যা দেখে সবই হলো খারাপ। সবই তারা হলুদ দেখে। নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় বলেই সিলেট, কুমিল্লায় সিটি নির্বাচনসহ কয়েকটি নির্বাচনেই বিএনপি বিজয়ী জয়। তাহলে সেটা কি? নির্বাচনী আচারণবিধি নিয়ে নৌমন্ত্রী বলেন,প্রথমত আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নির্বাচনী আচারণবিধি ভঙ্গ করার কোন সুযোগ নেই। আমার বিধি মেনেই প্রচারণা চালাব। দ্বিতীয়ত, কারো প্রতি জোর করে আমরা নির্বাচনের বিজয় ছিনিয়ে আনব না। শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেখে বাংলাদেশের জনগণ যদি আওয়ামী লীগকে ভোট দেয় তবে আমরা আবার ক্ষমতায় আসব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান খান, সহকারী পুলিশ সুপার (অপারেশন) আনোয়ার হোসেন ভূইয়া, জজ কোর্টের পিপি এমরান লতিফ প্রমুখ।
দল ও জোটের চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম জানাতে হবে ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে
অনলাইন ডেস্ক: দল ও জোটের একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে একজনকে চূড়ান্ত মনোনয়নের তথ্য ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে জানাতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়ে দল ও জোটের একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে একজনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিতে বলেছে। অন্যথায় কোনো এক দল অন্য দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবে না। ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব আব্দুল হালিম খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ ও ধারা অনুযায়ী, জোটের প্রার্থী বা দলের একাধিক প্রার্থী হলে তা একক করে ৯ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়ে জানাতে হবে। নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান বলেন, যাদের দল ইসিতে নিবন্ধিত নয়, কিন্তু অন্য দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে চান, তাদের সংশ্লিষ্ট নিবন্ধিত দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে। ইতোমধ্যে ৩৯টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে তিন হাজার ৬৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রোববার বাছাই করে ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ৯ ডিসেম্বর প্রত্যাহারের শেষ সময় রয়েছে। ওইদিন যেসব দল বা জোট একাধিক প্রার্থী দিয়েছে, তাদের একজন প্রার্থীর নাম জানাতে হবে। অন্যগুলো বাতিল হয়ে যাবে। আর কোন প্রার্থীর নাম না জানালে জোটের বৈধ প্রার্থীরা সকলেই যার যার প্রতীকে ভোট করবেন। এক্ষেত্রে কোন দলের একাধিক প্রার্থী থেকে গেলে সংশ্লিষ্ট আসনে ওই দলে সবার মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
৯ ডিসেম্বরের মধ্যে জোটের চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম জানাতে হবে
অনলাইন ডেস্ক :দল ও জোটের একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে একজনকে চূড়ান্ত মনোনয়নের তথ্য ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে জানাতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়ে দল ও জোটের একাধিক প্রার্থীর ক্ষেত্রে একজনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিতে বলেছে। অন্যথায় কোনো এক দল অন্য দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবে না।ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব আব্দুল হালিম খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ ও ধারা অনুযায়ী, জোটের প্রার্থী বা দলের একাধিক প্রার্থী হলে তা একক করে ৯ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়ে জানাতে হবে।নির্বাচন পরিচালনা শাখার যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান বাসসকে বলেন, যাদের দল ইসিতে নিবন্ধিত নয়, কিন্তু অন্য দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে চান, তাদের সংশ্লিষ্ট নিবন্ধিত দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে। ইতোমধ্যে ৩৯টি দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে তিন হাজার ৬৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রোববার বাছাই করে ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা।তিনি বলেন, ৯ ডিসেম্বর প্রত্যাহারের শেষ সময় রয়েছে। ওইদিন যেসব দল বা জোট একাধিক প্রার্থী দিয়েছে, তাদের একজন প্রার্থীর নাম জানাতে হবে। অন্যগুলো বাতিল হয়ে যাবে। আর কোন প্রার্থীর নাম না জানালে জোটের বৈধ প্রার্থীরা সকলেই যার যার প্রতীকে ভোট করবেন। এক্ষেত্রে কোনো দলের একাধিক প্রার্থী থেকে গেলে সংশ্লিষ্ট আসনে ওই দলে সবার মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
চাকরিতে প্রতিবন্ধীসহ অন্যদের জন্য বিশেষ নীতিমালা
অনলাইন ডেস্ক: চাকরিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীসহ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন হয়েছিল। কিছুদিন পর পরই এই আন্দোলন হয়। সেজন্য আমরা কোটা পদ্ধতি বাতিল করে দিয়েছি এটা ঠিক। তবে, একটা নীতিমালা আমরা তৈরি করছি। খবর বাসসর প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিবন্ধী, সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠী বা অনগ্রসর জাতি- তারা যেন যথাযথভাবে চাকুরি পায় এবং চাকরিতে তাদের অধিকার নিশ্চিত হয় নীতিমালায় সেই ব্যবস্থাটা অবশ্যই করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২৭তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস এবং ২০তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন। ১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পর থেকেই প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষায় তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ হিসেবে তাদের প্রাপ্য অধিকারটা আমরা যেন দিতে পারি এবং তাদের ভেতরে যে শক্তি আছে সেটাকে আমরা যেন কাজে লাগাতে পারি, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য কল্যাণ ফাউন্ডেশন তৈরি এবং তাদের মধ্যে যারা খেলাধূলায় সম্পৃক্ত তাদেরকে বিশেষ অলিম্পিকে সম্পৃক্ত করাসহ আরো নানা ধরনের সুযোগ আওয়ামী লীগ সরকারই করে দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারাই আমাদের জন্য স্বর্ণ জয় করে আনছে, এর মাধ্যমেই বোঝা যায় তাদের সুপ্ত প্রতিভাটা। কাজেই আমাদের দেশের কাজেও তারা লাগতে পারে। সাম্য ও অভিন্ন যাত্রায় প্রতিবন্ধী মানুষের ক্ষমতায়ন শীর্ষক প্রতিপাদ্য দিয়ে সরকারের সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সভাপতিত্ব করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জিল্লার রহমান এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের সভাপতি সায়েদুল হকও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ডা. মোজাম্মেল হোসেন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন, ২০১৩ নামে দুটি আইন পাশ করে। ইতোমধ্যে এর বিধিমালাও প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের নির্দেশনা হচ্ছে যত স্থাপনা হবে প্রতিটি জায়গায় প্রতিবন্ধীদের যাতায়াতের এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যেন থাকে। তিনি বলেন, বিশেষ টয়লেটের ব্যবস্থাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সকল স্থানে তাদের জন্য যেন সুযোগ-সুবিধা থাকে সেই নির্দেশনা দেয়া আছে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় দুই ঈদ, বাংলা ও ইংরেজি নববর্ষ এবং বড় দিন উপলক্ষে যে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠান তা এই প্রতিবন্ধীদের আঁকা ছবি দিয়েই করা হয় বলেও উল্লেখ করেন।
কলঙ্কিত হতে চাই না প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করে: ইসি মাহবুব
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন এমন কর্মকর্তাদের নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় দৃঢ় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কমিশনার (ইসি) মাহবুব তালুকদার। তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আইন প্রয়োগ ঠিকভাবে না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে, আর প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করে কলঙ্কিত হতে চাই না। সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রশিক্ষণে দুই হাজার ২৬ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যয় ব্যক্ত করে মাহবুব তালুকদার বলেন, দেশে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রক্রিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে, কখনও সেনাসমর্থিত সরকারের অধীন কিংবা কখনও দলীয় সরকারের অধীনে। তবে এবারের ভোট যেই প্রক্রিয়াই হোক না কেন-নির্বাচনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেবে না কমিশন। সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোটের আগে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। প্রার্থী যেন নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন যে, সুষ্ঠু ভোট হবে। সেই পরিবেশ সৃষ্টি করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাছে আমাদের চাওয়া খুবই সামান্য একজন ভোটার যেন ভয়ডরহীনভাবে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সেই আস্থার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কোনো ধরনের দায়িত্বে অবহেলা কমিশন বরদাশত করবে না বলে হুশিয়ার করেন মাহবুব তালুকদার। তিনি বলেন, সাহসিকতার সঙ্গে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, যুদ্ধের ময়দানের মতো নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সাফল্যের কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচন ব্যর্থ হবে যদি আপনারা ব্যর্থ হন। আপনারা সফল হলে উদ্ভাসিত হবে পুরো জাতি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান ও নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুক।
বিভিন্ন কারণে নামিদামি অনেকেই বাদ
অনলাইন ডেস্ক: ঋণ খেলাপি, আদালতে দণ্ডা, তথ্য প্রদানে ঘাটতিসহ বিভিন্ন কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বাদ পড়ছেন ৭৮৬ জন। এদের মধ্যে নামিদামি অনেক প্রার্থীও রয়েছেন। ৩০০ আসনে নির্বাচনে বৈধ মনোনয়নপত্র ঘোষণা করা হয়েছে ২ হাজার ২৭৯টি। রোববার দেশের সব আসনে বাছাই শেষে এ তথ্য জানান ইসির জনসংযোগ পরিচালক যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান। তবে ৩৯টি রাজনৈতিক দলভিত্তিক মনোনয়নপত্র বাতিলের তথ্য দিতে পারেনি ইসি। ইসি কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন দলের হেভিওয়েট প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলেও আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়নি। সূত্র মতে, বাদ পড়াদের তালিকায় আছেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, এম মোর্শেদ খান, আমানউল্লাহ আমান, আসলাম চৌধুরী, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আফরোজা আব্বাস, আওয়ামী লীগের শাহীন চাকলাদার, সদ্য বিএনপিতে যোগদানকারী গোলাম মাওলা রনি ও গণফোরামে যোগদানকারী রেজা কিবরিয়া প্রমুখ। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিলের ওপর শুনানি হবে ৬, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর। নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আতিয়ার রহমান জানান, নির্বাচন কমিশন যদি আপিল বাতিল করে, তবে ওই প্রার্থী আদালতেও যেতে পারবেন। বিভাগওয়ারি আসন-দাখিল মনোনয়নপত্রের সংখ্যা-বাছাইয়ে বাতিল-বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা হচ্ছে, রংপুরের ৩৩ আসনে ৩৫৩টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বাদ পড়েছে ৯১টি, বৈধ হয়েছে ২৬২টি; রাজশাহী ৩৯ আসনে ৩৫৫টির মধ্যে বাদ পড়েছে ৯৬টি, বৈধ হয়েছে ২৫৯ টি; খুলনা ৩৬ আসনে ৩৫১টির মধ্যে বাদ পড়েছে ৯০টি, বৈধ হয়েছে ২৬১টি; বরিশাল ২১ আসনে ১৮৩টির মধ্যে বাদ পড়েছে ৩৮টি, বৈধ হয়েছে ১৪৫ টি; ময়মনসিংহ ২৪ আসনে ২৩১টির মধ্যে বাদ পড়েছে ৬২টি, বৈধ হয়েছে ১৬৯ টি; ঢাকা ৭০ আসনে ৭৩১টির মধ্যে বাদ পড়েছে ১৯২টি, বৈধ হয়েছে ৫৩৯ টি; সিলেট ১৯ আসনে ১৮৪টির মধ্যে বাদ পড়েছে ৪৪টি, বৈধ হয়েছে ১৪০টি; চট্টগ্রাম ৫৮ আসনে ৬৭৭টির মধ্যে বাদ পড়েছে ১৭৩টি, বৈধ হয়েছে ৫০৪টি; সর্বমোট ৩০০ আসন ৩ হাজার ৬৫টি, ৭৮৬টি বাতিল এবং ২২৭৯টি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সূত্রমতে, খেলাপি ঋণ থাকার কারণে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) এবং টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। টাঙ্গাইলের জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম রোববার দুপুরে যাচাই-বাছাইয়ের পর এসব মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। জানা গেছে, যাচাই-বাছাই চলার সময় কাদের সিদ্দিকীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সোনার বাংলা প্রকৌশল সংস্থা ঋণখেলাপির তালিকায় আছে বলে অগ্রণী ব্যাংক টাঙ্গাইল শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. নাজিম উদ্দিন রিটার্নিং অফিসারকে জানান। এ সময় কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্য জানতে চান রিটার্নিং অফিসার। কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমার বলার তেমন কিছু নেই, যা হয়েছে সব সরকারের ইচ্ছাতেই হয়েছে। তিনি এ ব্যাপারে আপিল করবেন। ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে পটুয়াখালী-১ আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব (জাপা) এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এছাড়া হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মাওলা রনির মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাঠানো ঋণ খেলাপির তালিকায় নাম থাকায় রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় গোলাম মাওলা রনির মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। দুর্নীতির মামলায় দ-প্রাপ্ত হওয়ায় ঢাকা-২ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আমানউল্লাহ আমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। মামলার কারণে সাবেক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন ও তার ছেলে মীর মো. হেলাল উদ্দিনের চট্টগ্রাম-৫ আসনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী) আসনে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির প্রার্থী এম মোর্শেদ খানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসার অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় এম মোর্শেদ খানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ঋণ খেলাপির কারণে ঢাকা-৯ আসনে বিএনপি প্রার্থী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এর আগে রিটার্নিং অফিসার ঋণ খেলাপি হিসেবে তার প্রার্থিতা স্থগিত করেন। তখন প্রার্থী ২ ঘণ্টা সময় চান। ওই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও প্রার্থীর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কেএম আলী আজম। ঢাকা-১৭ আসনে মনোনয়নপত্র ফরমে নিজ দলের নাম বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনোটিই উল্লেখ না থাকায় সাবেক মন্ত্রী ও বিএনএ চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। তিনি চট্টগ্রাম-৪ আসনে দলের প্রার্থী ছিলেন। ঋণখেলাপি হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মামলা সংক্রান্ত সার্টিফাইড কপি না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন রিটার্নিং অফিসার। নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। দুটি মামলায় তার দণ্ডাদেশ থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বসতবাড়িতে আগুন লাগানো ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুটি মামলায় রুহুল কুদ্দুস তালুকদারকে নিম্ন আদালত দুই বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে আপিল করলেও আদালত সাজা বহাল রাখেন। এ কারণে রিটার্নিং অফিসার তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেননি। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিলকৃত ভোটার তালিকায় গরমিল রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। যশোর-৩ (সদর) ও যশোর-৪ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. আবদুল আওয়াল গণমাধ্যমকে বলেন, যেহেতু তিনি দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন, কিন্তু এর সপক্ষে কোনো কাগজপত্র জমা দেননি, সে কারণে তার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। কুড়িগ্রাম-৪ আসন (রাজিবপুর, রৌমারী ও চিলমারী উপজেলা) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সম্পর্কিত তথ্যে ঘাটতি থাকায় তার মনোনয়নটি বাতিল করা হয়। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর না থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ঋণ খেলাপির অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের বর্তমান এমপি এবং জাকের পার্টির প্রার্থী এমএ আউয়ালের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে আউয়ালের অভিযোগ, আমার ১২ ব্যাংকে ১২ কোটি টাকার ঋণ ছিল। এ ঋণের ব্যাপারে হাইকোর্টে স্টে অর্ডার ছিল। হাইকোর্টের কাগজপত্র নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আসার পথে নৌকার প্রার্থী আনোয়ার খানের সমর্থক ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ কারণে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আমি এ বিষয়ে আপিল করব। ঢাকা-২০ আসনে ধামরাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. তমিজ উদ্দিন ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি সুলতানা আহম্মেদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ঋণ খেলাপির কারণে বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস কাদের চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) ও চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। একই সঙ্গে দ-প্রাপ্ত হওয়ায় চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে গিয়াস কাদের চৌধুরীর ছেলে সামির কাদের চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। দ-িত হওয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ইসির জনসংযোগ শাখার দেওয়ার তথ্য অনুযায়ী, ৩৫টি আসনে কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি। ২৬৫টি আসনে এক বা একাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। সর্বোচ্চ বাতিল হয়েছে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে; এখানে ১৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। জমা পড়েছিল ২৩টি মনোনয়নপত্র। যেসব আসনে ছয়টির বেশি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে : ঢাকা-১৭ আসনে ২৭টির মধ্যে ১১টি বাতিল হয়েছে। ফরিদপুর-৪ আসনে ১৪টির মধ্যে ১০টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ২৭টির মধ্যে ১১টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে ১৬টির মধ্যে ১০টি, কুমিল্লা-৩ আসনে ২৭টির মধ্যে ১০টি, বগুড়া-৭ আসনে ১৪টির মধ্যে সাতটি, রাজশাহী-১ আসনে ১২টি মধ্যে আটটি, যশোর-২ আসনে ১৫টির মধ্যে সাতটি, ময়মনসিংহ-৩ আসনে ১৭টির মধ্যে ১০টি, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে ১০টির মধ্যে সাতটি এবং ঢাকা-৮ আসনে ২২টির মধ্যে সাতটি বাতিল। ৩৫টি আসনে কারও মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি : ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৫, জয়পুরহাট-২, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, নওগাঁ-২, নাটোর-৩, পাবনা-২ ও ৪, কুষ্টিয়া-৩, বাগেরহাট-৩, খুলনা-১, ৩, ৪, ৫, সাতক্ষীরা-৩, পটুয়াখালী-৪, ভোলা-৩, বরিশাল-৪ ও ৫, পিরোজপুর-২, টাঙ্গাইল-২, ৫, জামালপুর-২, নেত্রকোণা-৩, ঢাকা-১২ ও ১৩, নরসিংদী-৪, গোপালগঞ্জ-২, মৌলভীবাজার-৪, কুমিলা-৭, চাঁদপুর-৩, ফেনী-২, নোয়াখালী-৫, লক্ষ্মীপুর-৩ এবং কক্সবাজার-১। কোন দলের কয়টি মনোনয়নপত্র এবং কজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে- এ সংক্রান্ত একীভূত তথ্য জানাতে ইসি কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আজ এ তথ্য জানানো হতে পারে। রোববার বিএনপি চেয়ারপারসন, জাপা মহাসচিবসহ যে ৭৮৬টি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ইসি। রাত ৯টার দিকে ইসি সচিব কমিশন সচিবালয় ত্যাগ করার সময় সাংবাদিকদের জানান, রিটার্নিং অফিসার বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন; এ নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি তিনি। জানা গেছে, কুষ্টিয়ায় ৯ প্রার্থী, ফেনীতে খালেদা জিয়াসহ সাতজন, ভোলায় তিনজন, সাতক্ষীরায় সাতজন, গোপালগঞ্জে তিনজন, মাগুরায় চারজন, ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) পাঁচজন, কুড়িগ্রামে ১৯, কিশোরগঞ্জে ২১, ঝিনাইদহে ১৫, মেহেরপুরে ১০, টাঙ্গাইলে কাদের সিদ্দিকীর দুটিসহ ১৩, মানিকগঞ্জে আটজন, ঠাকুরগাঁওয়ে পাঁচজন, রাঙ্গামাটিতে দুইজন, রাজশাহীতে ২৩, কুমিল্লায় ৩৬, রামগঞ্জে দুই, বান্দরবা?নে ছয়জন, খুলনায় চারজন, ঝিনাইদহে ১৪, পিরোজপুরে তিনজন, বাগেরহাটে তিনজন, লালমনিরহাটে পাঁচজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাঁচজন, ফরিদপুরে ২১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের খবর- কুষ্টিয়া : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে সাবেক এমপি আফাজ উদ্দিন আহমদ, জাসদের (বাদল গ্রুপ) রেজাউল হক ও মুসলিম লীগের আবদুল খালেক সরকার, ২ আসনে স্বতন্ত্রের উপজেলা জামায়াতের আমির আবদুল গফুর ও বশির আহমদ, ৪ আসনে বর্তমান এমপি আবদুর রউফ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মেহেদী হাসান, জাকের পার্টির তসির উদ্দিন ও জাসদের রোকনুজ্জামান রোকন। ফেনী : ফেনী-১ আসনে প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন। খালেদা জিয়া ছাড়া আরও ছয়জনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। ভোলা : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে বিএনপির গোলাম নবী আলমগীর, ২ আসনে স্বতন্ত্রের হুমায়ুন কবির, ৪ আসনের জাপার এমএ মান্নান হাওলাদার। সাতক্ষীরা : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে আওয়ামী লীগের বিএম নজরুল ইসলাম, বিশ্বজিত সাধু, স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম মুজিবুর রহমান, নুরুল ইসলাম এবং ন্যাপের মো. হায়দার আলী, ২ আসনে জেএসডির আফসার আলী এবং ৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খলিলুর রহমান। গোপালগঞ্জ : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সামছুল আলম খান চৌধুরী, ৩ আসনে বিএনপি এসএম জিলানী ও জাপার এজেডএম অপু শেখ। মাগুরা : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে গণফোরামের ডা. মিজানুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী কুতুবুল্লাহ হোসেন মিয়া কুটি, স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন এবং ২ আসনের বিএনপি প্রার্থী খন্দকার মেহেদী আল মাসুদ। নবাবগঞ্জ (ঢাকা) : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ঢাকা-১ আসনে বিএনপির খোন্দকার আবু আশফাক ও ফাহিমা হোসাইন জুবলী এবং জাকের পার্টির মো. সামসুদ্দিন আহম্মেদ, জাসদের আইয়ুব খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন। কুড়িগ্রাম : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা ওসমান গনি, ২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী চৌধুরী সফিকুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু সুফিয়ান, জাসদের সলিমুল্লাহ ছলি, বীরপ্রতীক আবদুল হাই সরকার, ৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী আবদুল খালেক, ৪ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাকির হোসেন, জাকের পার্টির প্রার্থী শাহ আলম, গণফোরামের প্রার্থী মাহফুজার রহমান, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুল হক ম-ল ও এড. জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপির বিদ্রোহী ঈমান আলী ও শাসসুল হক মৌলভী, জাপার বিদ্রোহী অধ্যক্ষ ইউনুছ আলী, জামাতের আবুল হাসেম ও মোস্তাফিজুর রহমান, বাবুল খান ও আবিদ আলভী জ্যাপ। কিশোরগঞ্জ : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে বিএনপির শরীফুল ইসলাম, খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, জেএসডির অ্যাডভোকেট মুহ. আবদুর রহমান, জাপার মো. মোস্তাইন বিল্লাহ, বিকল্প ধারার মোহাম্মদ ইউসুফ। ২ আসনে বিএনপির মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন, জাপার এরশাদ উদ্দিন, সিপিবির নূরুল ইসলাম, জেএসডির মো. লুৎফুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের মো. সালাউদ্দিন রুবেল, মুসলিম লীগের মীর আবু তৈয়ব মো. রেজাউল করিম, স্বতন্ত্রের আনিসুজ্জামান খোকন। ৩ আসনে বিএনপির সাইফুল ইসলাম সুমন, সিপিবির ডা. এনামুল হক, স্বতন্ত্রের মো. আম্মান খান, মো. মনিরুজ্জামান নয়ন ও ডক্টর মিজানুল হক। ৪ আসনে বিএনপির সুরঞ্জন ঘোষ। ৫ আসনে জাসদের সেলিনা সুলতানা। ৬ আসনে স্বতন্ত্রের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবুল হোসেন ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ মুছা খান। ঝিনাইদহ : খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মসিউর রহমান এবং শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল ওহাবের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। মেহেরপুর : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে সাবেক এমপি প্রফেসর আবদুল মান্নান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান, বিএনপি নেতা আবদুুর রহমান, ২ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক নুরজাহান বেগম, গাংনী পৌরসভার সাবেক মেয়র আহম্মদ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক মকলেছুর রহমান মুকুল ও জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম সাজ্জাদ লিখন। টাঙ্গাইল : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে বিএনপির মাহাবুব আনাম স্বপন ফকির, ৩ আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. চাঁন মিয়া ও বিএনএফের মো. আতাউর রহমান, ৪ আসনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর দুটি, স্বতন্ত্র প্রার্থী বাকির আলী ও আবুল কাশেম, ৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী নুর মোহাম্মদ খান ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মামুনুর রহমান, ৭ আসনে খেলাফত মজলিসের মজিবুর রহমান, ৮ আসনে খেলাফত মজলিসের আবদুল লতিফ ও জাপার কাজী আশরাফ সিদ্দিকী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শহীদুল ইসলাম। মানিকগঞ্জ : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে বিএনপির তোজাম্মেল হক, জাকের পার্টির আতাউর রহমান। ২ আসনে বিএনপির মঈনুল ইসলাম খান ও আবিদুর রহমান রোমান, জাপার এসএম আবদুল মান্নান, স্বতন্ত্রের মোশারফ হোসেন ও মাসুম মিয়া, ৩ আসনে বিএনপির আতাউর রহমান আতা। ঠাকুরগাঁও : যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা হলেন- ১ আসনে জাকের পার্টির আল মামুন, ৩ আসনে ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির শাফি আল আসাদ, বিকল্পধারার খলিলুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় ও আবদুল জলিল।

জাতীয় পাতার আরো খবর