বোমারু মিজান ভারতে গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক: নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির শীর্ষ নেতা মিজান ওরফে জাহিদুল ইসলাম ওরফে বোমারু মিজানকে ভারতে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার ভারতের বেঙ্গালুরু শহরের এক গোপন আস্তানা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা-এনআইএ। সংস্থাটির এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয় বলে মঙ্গলবার দুপুরে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে টাইমস অব ইনডিয়া। ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংয়ের ত্রিশালে প্রিজন ভ্যানে বোমা মেরে ও গুলি করে আরও দুই জঙ্গির সঙ্গে বোমারু মিজানকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বাকি দুই জঙ্গি ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সালাউদ্দিন সালেহীন ওরফে সানি ও রাকিব ও রাকিবুল হাসান ওরফে হাফেজ মাহমুদ। এর মধ্যে হাফেজ মাহমুদকে ওই দিন দুপুরেই টাঙ্গাইলে স্থানীয় জনতার সহায়তায় আটক করে পুলিশ। পরে গভীর রাতে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন তিনি। অন্যদিকে বোমারু মিজান ও সালেহীনের আর খুজেঁ পাওয়া যায়নি। পরে ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বর্ধমান শহরের খাগড়াগড়ের একটি দোতলা বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দুই জঙ্গি নিহত এবং একজন আহত হন। এই ঘটনার পর ভারতীয় সংস্থা এনআইএ জানতে পারে, খাগড়াগড়ে জঙ্গি প্রশিক্ষণের অন্যতম হোতা বোমারু মিজান। তিনি পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান নিয়ে জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পরে খাগড়াগড় মামলার আসামি হিসেবে বোমারু মিজানকে ধরতে ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
জাতিসংঘ ও মার্কিন দূতাবাস যে বক্তব্য দিয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক
অনলাইন ডেস্ক: তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন,সম্প্রতি ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন দূতাবাস যে বক্তব্য দিয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা বলেছেন, শিশুদের আন্দোলনকে বর্বরোচিত হামলার মধ্য দিয়ে দমন করা হয়েছে। অথচ এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। কোনো গণমাধ্যমে এমন কোনো রিপোর্ট প্রকাশ হয়নি। শিশুরা আন্দোলন করেছে, সমাবেশ করেছে তাদের ওপর কোনো হামলা করা হয়নি। মঙ্গলবার (৭ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দফতরে চলমান ঘটনা নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আন্দোলন চলাকালে ঢাকা শহরের প্রকৃত চিত্র নিয়ে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি মার্কিন দূতাবাস। তারা মনগড়া বিবৃতি দিয়েছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদেরও দেয়া বিবৃতির মধ্যে দিয়ে মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয়ে শিষ্টাচারবহির্ভূত নাক গলানোর অপপ্রয়াস করেছেন। আমরা এর নিন্দা করি। বিবৃতিকে প্রত্যাখ্যান করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন,মার্কিন দূতাবাসকে এ বিবৃতি প্রত্যাহার করার অনুরোধ করছি। একইসঙ্গে বাংলাদেশে নিয়োজিত জাতিসংঘের যে প্রধান তিনিও এ ধরনের একটি বিবৃতি দিয়েছেন। আমার কথা হচ্ছে এ দুটো বিবৃতিই নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলনের বিষয়ে সঠিক নয়। মন্ত্রী বলেন,বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা যখন মাঠে নেমে কোনো অরাজকতা ছাড়াই বিভিন্ন যানবাহনে লাইসেন্স চেকিং করে তখন আমরা পুলিশকেও বলেছি, তারা যেন শিক্ষার্থীদের একাজে বাধা না দেয়। এ ফাঁকে তারা বিভিন্ন পরিবহনে অনিয়মগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। প্রশাসন এসময় তাদের পাহারা দিয়ে রাখে। ইনু বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধান করেন এবং তাদের নয় দফা দাবি মানতে নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে কিছু দাবি প্রধানমন্ত্রী ত্বরিৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্যদিয়ে কার্যকর করা শুরু হয়। তথ্যমন্ত্রী বলেন,ঠিক সেই মুহূর্তে আমরা খেয়াল করলাম বাইরে থেকে কেউ কেউ উস্কানি দিচ্ছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়কের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাওয়ার একটা অপচেষ্টা করা হচ্ছে। কতিপয় চিহ্নিত মহল আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে আক্রমণ করে। সেই ক্ষেত্রে যখন বাইরের উস্কানিদাতাদের সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের সংঘর্ষ হয় এবং আমরা শিশুদের রক্ষার চেষ্টা করি। তবে পরিষ্কার কথা হচ্ছে শিশুদের ওপর কোনো দমন পীড়ন করা হয়নি। তিনি বলেন,আমি সরকারের পক্ষ থেকে দেশের তথ্যমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘের এ বিবৃতি অনভিপ্রেত মনে করি। এটা অযাচিত বলে মনে করি। মন্ত্রী বলেন,আপনারা জানেন নয় দফা দাবি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন হচ্ছে। সড়ক পরিবহন আইন তৈরি করা হয়েছে। সব ধরনের দাবিতে সরকারের আন্তরিকতা আছে। আর যারা মিথ্যাচার করার চেষ্টা করেছে তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। সাংবাদিকদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে ইনু বলেন, কিছু জায়গায় সাংবাদিক বন্ধুদের যারা হামলা করেছে এটা দুঃখজনক ঘটনা। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করতে আমরা আজই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিব। তবে আমাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মৌখিকভাবে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। তবে আমি আবারও বলবো কর্তব্যরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। আমি এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য আমরা সজাগ থাকবো। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারিদের ছবি আমরা সংগ্রহ করেছি। তাদের বিষয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আপনারা বলছেন সাংবাদিকদের ওপর হামলা হলে তথ্য মন্ত্রণালয় কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এটা সঠিক নয়। আমরা এর আগেও যেসব ঘটনা ঘটেছে সেখানেও ভূমিকা রেখে তা সমাধানের চেষ্টা করেছি। আপনারা খেয়াল করেছেন সম্প্রতি সাংবাদিকরা জঙ্গি হামলার শিকার হচ্ছে বেশি। সরকারের কোনো বাহিনীর হামলার শিকার হচ্ছে না।
মার্শা বার্নিকাটের গাড়িতে হামলার তদন্তভার যাচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশে
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকার মোহাম্মদপুরে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের গাড়িতে হামলার তদন্তভার যাচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশ। মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ওই ঘটনায় সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার যে সাধারণ ডায়েরি করেছেন, তার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে দুয়েক দিনের মধ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি মহানগর পুলিশ ওই ঘটনার ছায়া তদন্তে থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা তদন্ত করে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। তবে তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্য বলা সম্ভব নয়। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। শনিবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের বাড়িতে নৈশভোজ করে বের হওয়ার সময় হামলার মুখে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের গাড়ি। ওই সময় বদিউল আলম মজুমদারের বাড়িতেও ঢিল ছোড়া হয়। পুরো ঘটনা নিয়ে তিনি পরে থানায় জিডি করেন। রোববার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মোটরসাইকেল আরোহীসহ একদল সশস্ত্র লোক শনিবার মোহাম্মদপুর এলাকায় ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে বহনকারী দূতাবাসের একটি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। হামলায় কারো কোনো ক্ষতি হয়নি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, রাষ্ট্রদূত ও তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত দল অক্ষত অবস্থায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তবে রাষ্ট্রদূতের নিরাপত্তা দলের দুটি গাড়ির কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। এদিকে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, বদিউল আলম মজুমদারের বাসায় সেই নৈশভোজে ড. কামাল হোসেন, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, হাফিজউদ্দীন, বিচারপতি আব্দুর রউফসহ বেশ কয়েকজন উপস্থিত থাকলেও জিডিতে কেবল বার্নিকাটের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, শুধু বার্নিকাটের নাম দেয়ার পেছনে অন্য কোনো বিষয় আছে কিনা, তাও তদন্তে আসবে। তা ছাড়া ওই বাসায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের যাওয়ার বিষয়ে পুলিশকে না জানানোর কারণও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসব বিষয়ে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের কোনো সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এখন পর্যন্ত পায়নি বলে জানান তিনি।
নির্বাচনে অনিয়ম হবে না, এরকম নিশ্চয়তা নেই
অনলাইন ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, বড় বড় পাবলিক নির্বাচনে কিছু কিছু অনিয়ম হয়ে থাকে। আমরা সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়ে থাকি। বরিশালে বেশি অনিয়ম হয়েছে সেখানে আমরা বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েছি। পাবলিক নির্বাচনগুলোতে অনিয়ম হবে না সে নিশ্চয়তা দেয়া যায় না। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিবন্ধী ভোটাররা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়ার সময় কী ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করবে সে বিষয়ে এক কর্মশালার উদ্বোধন করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের প্রতি জাতির আস্থা নেই ড. কামাল হোসেনের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, কোন জাতি তাকে কি বলেছে আমি জানি না। একটা কথা বললে তো তার একটা পরিসংখ্যান দরকার। জাতি কি তাকে বলেছে নির্বাচন কমিশনের ওপর আমাদের আস্থা নেই? এ সম্পর্কে আমি তো কিছু জানি না। বিএনপিসহ স্টকহোল্ডারদের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন অস্বস্তিতে নেই বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, গত পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যেখানে যত বেশি অনিয়ম হয়েছে আমরা সেখানে তত বেশি অ্যাকশন নিয়েছি। এ ধরনের পাবলিক নির্বাচনে কিছু অনিয়ম হয়। জাতীয় নির্বাচনেও এমন অনিয়ম হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মনে করি না যে, জাতীয় নির্বাচনে এমন কোনো অসুবিধা হবে। কোনো অনিয়ম হবে না এরকম নিশ্চয়তা দেওয়ার সুযোগ আমাদের নেই। তবে যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার সেভাবে আমরা নিয়ন্ত্রণ করবো। নির্বাচনের পরিবেশের সুব্যবস্থা আছে। আমরা কোনো অসুবিধা দেখি না। তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথমে অনুষ্ঠিত হবে। আমরা অক্টোবরের শেষে তফসিল ঘোষণা করবো। সংবিধান অনুযায়ী ২২ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রযেছে। এ আয়োজনে যৌথভাবে অংশ নিচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএফইএস। প্রতিবন্ধীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গেলে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হন, যারা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী তাদের জন্য আলাদা ব্যালট পেপার ছাপানো যায় কি না? এসব বিষয়ে ২০/২৫ জন প্রতিবন্ধীকে নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।
সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে আলটিমেটাম অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক: সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী হেলমেটধারী সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে সার্ক ফোয়ারার সামনে মানববন্ধন ও প্রতীকী কর্মবিরতি পালন করার সময় সাংবাদিকরা প্রশাসনকে ওই আলটিমেটাম দেন। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত সাংবাদিকদের ওপর গত কয়েক দিন একের পর এক হামলা চালানো হয়। পুলিশের পাশে দাঁড়িয়ে সাংবাদিক বেছে বেছে এমন হামলা চালায় হেলমেটধারীরা। বাংলাদেশ ফেডারেশন সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ বলেন, প্রশাসন উসকানিদাতার পরিচয় প্রকাশ করছে। সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের ফুটেজ আছে। প্রশাসন চাইলে সাংবাদিকদের কাছ থেকে ফুটেজ নিয়ে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে পারে। সাংবাদিকরা আহত হলে সমাজের অন্য সবাই আহত হন। অন্যদের সংবাদ প্রকাশ বন্ধ থাকে। ফলে রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, চলমান আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারী, আন্দোলনবিরোধী ও পুলিশ- তিন পক্ষেরই হামলা-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দায়িত্বপালনরত সাংবাদিকরা। সাংবাদিকরা কারও প্রতিপক্ষ নন, তবু কেন তাদের ওপর এমন হামলা হচ্ছে? হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত শনিবার ও রোববার রাজধানীর বিভিন্নস্থানে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের সময় পুলিশের উপস্থিতিতে হামলার শিকার হন সাংবাদিকরা। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান খান, বাংলাভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার দীপন দেওয়ানসহ অন্য সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম: পরিকল্পনামন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, একটি জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। আর শিক্ষকতা হচ্ছে একটি মহান পেশা। শিক্ষকরা হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। শিক্ষকতা হচ্ছে পৃথিবীর প্রাচীন পেশাগুলোর একটি। ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে গেলে শিক্ষকদের ভূমিকা অনন্য। তিনি বলেন, সোনার বাংলা বিনির্মাণ সময়ের দাবি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। শিক্ষকমণ্ডলী যারা আগামীর জন্য মানুষ সৃষ্টি করেন তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। একজন শিক্ষকই পারেন একজন সুন্দর ও জ্ঞানী মানুষ তৈরি করতে। সোমবার কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় “শিক্ষার আলো জ্বালবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো” শিরোনামে উপজেলার সকল পর্যায়ের শিক্ষক শিক্ষিকাদের সাথে শিক্ষার মান উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একমত পোষণ করে মন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে, তাদের সাথে আমরাও সমব্যথী। সরকার শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। কিছু দাবি আছে, তা মানতে সময় প্রয়োজন। তারা আমাদেরই সন্তান, আমাদেরই ভাই-বোন। আমাদের কোমলমতি ছেলে-মেয়েরা অত্যন্ত মেধাবী এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত। তাই আমাদের অনুরোধ তারা যের ধৈর্য ধারন করে, ঘরে ফিরে যায়। মুস্তফা কামাল বলেন, মানুষ যদি জ্ঞানী না হয় এবং জ্ঞান সমৃদ্ধ না হয় তাহলে সমাজের কোনো কাজে আসতে পারে না। সমাজের ভাল কাজ করার জন্য শিক্ষকদের প্রয়োজন। জাতির ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে আর সেটা করবে একজন শিক্ষক। নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দাউদ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. ইমরান কবির চৌধুরী, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন ভূইয়া, নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন কালু, পৌরসভার মেয়র আব্দুল মালেক, ভাইস-চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম ও সদস্য সচিব ইউসুফ প্রিন্সিপাল, উপজেলা মাধ্যমিক ও কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ আবু ভুইয়া এবং অধ্যক্ষ সাদেক।
চিকিৎসায় অবহেলাকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে সংঘর্ষ-,আহত ১৩
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মায়ের চিকিৎসায় অবহেলাকে কেন্দ্র করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও শেকৃবির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। সোমবার (৬ আগস্ট) সকাল ১০ টার দিকে মেডিকেল কলেজের ৪নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রায় ৩ ঘণ্টা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে আগারগাঁও পুলিশ এসে পরস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা যায়, শেকৃবির তৃতীয় বর্ষের সাদিদ নামে এক শিক্ষার্থীর মা গত ২ আগস্ট ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪নং ওয়ার্ডের ১৮ নং বেডে ভর্তি হন। ভর্তি হওয়ার পর থেকে তার মায়ের স্বাস্থ্যের কোন উন্নতি হচ্ছিল না বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়াও ওয়ার্ডে দায়িত্বরত নার্সদের সেবা নিয়েও অভিযোগ তোলেন রোগী। এ ব্যাপারে রোগীর ছেলে সাদিদ বলেন, চারদিন ধরে আমার মা এই মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন। কিন্তু মায়ের চিকিৎসা ভালো মত চলছিল না। দায়িত্বরত নার্স ও ইন্টার্ন ডাক্তাররা চিকিৎসায় গাফিলতি করছিলেন। এ ব্যাপারে আজ (সোমবার) সকালে কথা বলতে গেলে তারা প্রথমে খারাপ ব্যবহার শুরু করেন আমার সঙ্গে এবং এক পর্যায়ে ইন্টার্ন একজন ডাক্তার আমার মাকে বেড থেকে বের করে দেন এবং আমার মায়ের গায়ে ধাক্কা দেন। এর প্রতিবাদ করার পরে ইন্টার্ন ডাক্তার, মেডিকেল শিক্ষার্থী ও স্টাফরা মিলে আমার ওপর আক্রমণ করে। পরে এ ঘটনা আমি আমার বন্ধুদের জানাই। আমার বন্ধুরা হাসপাতালে এলে আমাদের কোন কথা বলার সুযোগ না দিয়েই মেডিকেলের ছাত্ররা আমাদের ওপর আক্রমণ করে। এতে আমিসহ আমার ৩ জন বন্ধু গুরুতর আহত হয়ে পার্শ্ববর্তী পুপুলার হাসপাতালে চিকিৎসা নিই। এ ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের দুই ইন্টার্ন ডাক্তার লাঞ্ছিত এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ জন গুরুতর আহতসহ মোট ১৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এছাড়াও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান। এ বিষয়ে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেডিকেলে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তারা দায়িত্বরত ইন্টার্ন ডাক্তারের সঙ্গে বাকবিতন্ডাও করেন। তবে এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের রোগীর সঙ্গে কথা বলতে দেননি মেডিকেল প্রশাসন। এ ব্যাপারে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সহকারী পরিচালক ড. কে এম মামুন মোর্শেদ বলেন, ব্যাপারটা গুরুতর কিছু নয়, তাদের সঙ্গে শুধু হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধান করব আমরা। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, এ ঘটনায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে এবং শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান লাঞ্ছিত হয়েছেন। আমরা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ব্যাপারটা সমাধানের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরতে শুরু করেছে
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। বেশির ভাগ আন্দোলন কারী শিক্ষার্থী ঘরে ফিরে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের নয়দফা আন্দোলনের সব দাবি মেনে নিয়েছি এবং তা বাস্তবায়নও শুরু করেছি।’ ওবায়দুল কাদের আজ বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপুমণি এমপি, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এ কে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ও উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একই দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বক্তব্য সমর্থন করার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে তারা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অরাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর ভর করে ফায়দা হাসিল করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন। তিনি বলেন, সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা কেউ অস্ত্র হাতে নিয়ে রাস্তায় নামেন নি। এ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলার কোন এজেন্ডাও তাদের ছিল না। সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর আহ্বানকে তারা গোপনে সারাদেশে পৌঁছে দিয়েছে। এ নির্দেশে বিএনপি-জামায়াতের তরুণ ক্যাডাররা ঢাকায় একত্রিত করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত তাদের নয় বছরের আন্দোলন করতে না পারার ব্যর্থতা ঢাকতে শিক্ষার্থীদের অরাজনৈতিক আন্দোলনে দলীয় ক্যাডারদের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে সরকার হঠাও আন্দোলনের নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রীপরিষদের সভায় আজ সড়ক পরিবহন আইনটি অনুমোদিত হয়েছে। তবে এটা চুড়ান্ত পর্যায় নয়। এরপর এটি বিল আকারে সংসদে যাবে। সংসদ সময় নির্ধারণ করে তা স্থায়ী কমিটিতে পাঠাবে। চুলচেরা বিশ্লেষণের পর স্থায়ী কমিটি বিলটি পার্লামেন্টে উপস্থাপিত হওয়ার পর তা পাশ হলে আইনে পরিনিত হবে। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনে শাস্তির বিষয়ে বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার উদ্দেশে দুর্ঘটনা ঘটালে দন্ডবিধির ৩০২ ধায় বিচার হবে। আর বেপরোয়া ড্রাইভিংয়ের জন্য দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে ৫ বছরের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এক ক্র্যাশ কর্মসূজচি গ্রহণ করেছে। এ কর্মসূচী অনুযায়ী শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের ৬ দিন সকাল ১০ থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত বিআরটি’র সদরদপ্তরসহ দেশের সকল কার্যালয় খোলা থাকবে। এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, এ কর্মসূচির আওতায় যানবাহনে ফিটনেস সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নসহ সকল জরুরি সেবা প্রদান করা হবে। সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ হামলার সঙ্গে ছাত্রলীগের কেউ জড়িত থাকলে তার প্রমান দিন। উপযুক্ত শাস্তি দেব।
সর্বোচ্চ ৫ বছরের দণ্ড-সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া অনুমোদন
অনলাইন ডেস্ক: সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে। সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। নতুন আইন অনুযায়ী বেপরোয়াভাবে বা অবহেলা করে গাড়ি চালানোর কারণে কেউ গুরুতর আহত বা নিহত হলে দণ্ডবিধির ৩০৪ (খ) ধারায় মামলা দায়ের হবে। এই ধারায় সাজা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড এবং সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা। বর্তমান আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ডের বিধান আছে। তবে গাড়ি চালানোর কারণে কারো নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্তে হত্যা বলে প্রমাণিত হলে ফৌজদারি আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রয়োগ হবে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, গাড়ি চালানোর অপেশাদার লাইসেন্স পেতে হলে অষ্টম শ্রেণি পাস ও ১৮ বছর হতে হবে। আর পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ২১ বছর হতে হবে। লাইসেন্সে চালকের জন্য ১২ পয়েন্ট থাকবে। অপরাধ করলে চালকের পয়েন্ট কাটা যাবে। এভাবে ১২ পয়েন্ট শেষ হয়ে গেলে তার লাইসেন্স বাতিল হবে। কোনো অপরাধী ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন না। আগে যেসব অপরাধী লাইসেন্স পেয়েছেন তা বাতিল করা হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর