সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, বিজিবি মোতায়েন ৪ কারখানায় ছুটি
অনলাইন ডেস্ক: সরকারি মজুরি কাঠামো বৃদ্ধি ও বাস্তবায়নের দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো সাভার এবং আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছে। এ সময় পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল ৯টা থেকে সাভারের হেমায়েতপুর ও আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শ্রমিক বিক্ষোভের মুখে সেখানে চারটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেন মালিকপক্ষ। ছুটি হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো হলো সাভারের উলাইল ও হেমায়েতপুরের বাগবাড়ি এলাকায় স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের তিনটি ও আশুলিয়ার চারাবাগ এলাকার মেট্রো নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড। বুধবার সকালে সাভারের উলাইল এলাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ তাদেরকে বুঝিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। শিল্প পুলিশ জানায়, বেতন বৈষম্যের দাবি তুলে সকালে স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের শ্রমিকরা সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা একটি কারখানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় কারখানার ভেতর থেকেও বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল মারা হয়। সাভারে যখন বিক্ষোভ চলছিল, তখন আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকায় টেক্সটাউন গার্মেন্টসসহ প্রায় ৪টি গার্মেন্টস এর শ্রমিকরা বিশমাইল জিরাবো সড়ক অবরোধ করে রাখেন। শ্রমিক বিক্ষোভের মুখে ওই চারটি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কারখানা কর্তৃপক্ষ। এদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পোশাক কারখানাগুলোর সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে পুলিশের জলকামান ও সাঁজোয়া যানবাহন। শিল্পপুলিশ-১ এর পরিচালক শানা শামীনুর রহমান বলেন, পোশাক কারখানাগুলোতে কাজের গতি ফিরিয়ে আনার জন্য পুলিশ মালিক পক্ষের সাথে আলোচনা করে যাচ্ছে। আলোকিত বাংলাদেশ
জাতির জনকের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
অনলাইন ডেস্ক: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ এবং নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর প্রথম টুঙ্গিপাড়ায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (০৯ জানুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ১০টায় বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে হেলিকপ্টার যোগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। এরপর সোয়া ১২টার দিকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কমপ্লেক্স মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন তিনি। পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেয় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকশ দল। মন্ত্রিপরিষদের নবনিযুক্ত সদস্যরাও বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বলে জানা গেছে। কর্মসূচি শেষে দুপুরে ঢাকার উদ্দেশ্য রওয়ানা হবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
আজ শুরু হচ্ছে ২৪তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা
অনলাইন ডেস্ক: আজ শুরু হচ্ছে ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। বুধবার (০৯ জানুয়ারি) বিকেলে মাসব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। রাজধানীর শের-ই বাংলানগরে মেলা প্রাঙ্গণে এরই মধ্যে প্রায় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো- ইপিবি। এবার মেলার মূলগেট করা হয়েছে মেট্রোরেলের আদলে। আর প্রথমবারের মতো রাখা হয়েছে অনলাইন টিকেটিং সুবিধা। ইপিবি জানিয়েছে, এবারের ৬০৫টি স্টল ও প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশ নিবে বিশ্বের ২২টি দেশের ৫২টি প্রতিষ্ঠান। প্রবেশ মূল্য প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৩০ টাকা ও অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইপিবি সূত্র জানায়, মেলায় থাকছে মা ও শিশু কেন্দ্র, শিশুপার্ক, ই-পার্ক ও পর্যাপ্ত এটিএম বুথ। থাকছে রেডিমেড গার্মেন্টস পণ্য, হোমটেক্স, ফেব্রিকস পণ্য, হস্তশিল্প, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহস্থালি ও উপহারসামগ্রী, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। আরও থাকবে তৈজসপত্র, সিরামিক, প্লাস্টিক পলিমার পণ্য, কসমেটিকস হারবাল ও প্রসাধনী সামগ্রী। থাকবে খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, ইমিটেশন ও জুয়েলারি, নির্মাণ সামগ্রী ও ফার্নিচার সামগ্রী। বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের মধ্যে রয়েছে-ভারত, পাকিস্তান, চীন, ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ভুটান, নেপাল, মরিশাস, ভিয়েতনাম, মালদ্বীপ, রাশিয়া,আমেরিকা, জার্মানি, সোয়াজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও হংকং।
আগামী আগস্টের মধ্যে উৎপাদনে যাচ্ছে পায়রা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
অনলাইন ডেস্ক; আগামী আগস্টের মধ্যে ১৩শ ২০ মেগাওয়াটের পায়রা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে যাচ্ছে। তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে দিনরাত নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন কর্মকর্তা কর্মচারী ও শ্রমিকরা। ইতোমধ্যে কাজ শেষের পথে জেটি ও বয়লার একের। এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জনবল নিয়োগ ও যারা আছেন তাদেরকে দক্ষ করার কথা ভাবছেন কর্মকর্তারা। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল উপাদান কয়লা। আর পটুয়াখালীর পায়রা কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগামী ১০ বছর এই কয়লা আসবে ইন্দোনেশিয়া থেকে সমুদ্র পথে। এই কয়লা খালাস করে বিদ্যুৎ প্লান্টে সরবরাহ করতে ইতোমধ্যে আগুনমুখা নদীতে নির্মাণ করা হয়েছে ৩শ ৮৫ মিটার জেটি। জেটিটিতে একসাথে দুটি জাহাজের কয়লা খালাস করা যাবে। আর খালাস হওয়া কয়লা শ্রমিক ছাড়াই অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে চলে যাবে বিদ্যুৎ প্লান্টে। বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের সহকারী প্রকৌশলী রিফাত আল মাহমুদ বলেন,কয়লা আনলোড করার জন্যে আমরা গ্রেডশীপ আনলোডার প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। এর মাধ্যমে জাহাজ থেকে কয়লা নিয়ে কনভেয়ার গ্যালারির মধ্যে দিয়ে দেয়া হবে। প্লান্টে আসা কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করে পানিকে স্টিম করা আর সেই স্টিমকে সবেগে টারবাইনের মাধ্যমে পাঠিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য শেষের পথে বয়লার এক ও টারবাইনের কাজ। আর প্লান্ট থেকে নির্গত ধোঁয়া যাতে পরিবেশের কোন ক্ষতি না করে, সে জন্য নির্মাণাধীন ২শ ৭৫ মিটার চিমনির ২৫ মিটার সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো তারিকুর নুর বলেন, '৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। টারবাইন অল্টারনেটর এরইমধ্যে বসে গেছে। এদিকে বয়লার ও টারবাইন বাদে পুরো ১শ একর জুড়ে চলছে আরো বিভিন্ন স্থাপনার নির্মাণ কাজ। যার মধ্যে আছে প্রশাসনিক ভবন,ডরমেটরি ভবন, আরো একটি ১৩শ ২০ মেগাওয়াট কয়লা বিদ্যুৎ প্লান্ট,৩৬শ মেগাওয়াট গ্যাস বিদ্যুৎ প্লান্টস। তবে আগামী এপ্রিলে বয়লার এক থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা থাকলেও নানা জটিলতায় আগস্টের মধ্যে শুরু করা সম্ভব হবে বলে জানালেন এই কর্মকর্তা। মোঃ রেজয়ান (ইকবাল খান, নির্বাহী প্রকৌশলী, বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড) বলেন, 'কিছু কারণে একটু ডিলে হচ্ছে, আশা করছি আমরা দ্রুত এটার সমাধান করতে পারব।' এই বিদ্যুৎ প্লান্টের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। শুধু ১৩শ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না পায়রা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এর সাথে যুক্ত হচ্ছে আরো ১৩শ ২০ মেগাওয়াট কয়লা ও ৩৬শ মেগাওয়াট গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আর তখন দেশের সবথেকে বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরিণত হবে এটি।
টুঙ্গিপাড়ার পথে বাসে করেই মন্ত্রীরা
অনলাইন ডেস্ক: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রওনা দিয়েছেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও। তবে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টার যোগে রওনা দিলেও মন্ত্রীরা যাচ্ছেন বাসে করেই। বুধবার( ৯ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৬টায় জাতীয় সংসদ ভবন থেকে বাসে করে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেন মন্ত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল ১০টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার যোগে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছানোর পর জাতির জনকের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেবে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকশ দল। মন্ত্রিপরিষদের নবনিযুক্ত সদস্যরাও বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বলে জানা গেছে। কর্মসূচি শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওয়ানা হবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে সকল ধরনের নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে। আজকে আরো বেশি নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।' এর আগে, মঙ্গলবার সকালে ধানমন্ডি থেকে সাভার যেতেও মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রীরা নিজস্ব গাড়ি ব্যবহার না করে চারটি এসি বাস ব্যবহার করেন।
শক্ত হাতে দমন,আন্দোলনের নামে নাশকতা করলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপি যদি আন্দোলনের নামে কোনো নাশকতার চেষ্টা করে তাহলে শক্ত হাতে তা দমন করা হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে উন্নয়নের ধারা চলছে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে সেটা হারিয়ে যাবে। তাই যেকোনো মূল্যে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানানোর পর বেলা ১১টায় স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সচিবালয়ে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির আন্দোলনের বিষয়ে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তারা একটি রাজনৈতিক দল। তাই তারা রাজনীতি থাকতে পারে। তবে নাশকতা, অগ্নিসংযোগ এদেশের মানুষ পছন্দ করে না। এর আগেও তারা এ ধরনের আন্দোলন করে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, জনসম্পৃক্ত নয় এমন আন্দোলন যদি বিএনপি করে তাহলে তারা আরো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,এটা আমাদের চলমান প্রক্রিয়া। জঙ্গি, সন্ত্রাস দমন ও মাদককে আমরা জিরো টলারেন্সের (শূন্য সহনশীলতা) কথা বলেছিলাম। আমরা সবগুলোই কিছুটা কন্ট্রোল করেছি। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, আশা করি আমরা সামনের দিনগুলোতে মাদককে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। তিনি বলেন,মাদককে নিয়ন্ত্রণ আমাদের করতেই হবে, তা নাহলে আমাদের মেধা ও স্বপ্ন হারিয়ে যাবে।
৫০ বিলিয়ন ডলারে নিতে জোর দেয়া হবে রফতানি: বাণিজ্যমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি ও বিনিয়োগ উন্নয়নে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে চান। এক্ষেত্রে দেশের রফতানি আয় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে সর্বোচ্চ জোর দেয়া হবে। বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, উৎপাদন বহুমুখীকরণ, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি ও অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন গুরুত্ব পাবে বলে তিনি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার শেরেবাংলানগর ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা চত্বরে স্থাপিত অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমেলা-২০১৯ এর বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব মফিজুল ইসলাম ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুারোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ৫০ বিলিয়ন ডলার রফতানির টার্গেট রয়েছে। এক্ষেত্রে তৈরি পোশাক মূল। এর প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি। চামড়াটা বাদে ওষুধটা ভালো করেছে। মাত্রই দায়িত্ব নিলাম। আমাদের টার্গেট পূরণে কাজ করব। তিনি বলেন, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি, বিদিশি বিনিয়োগ বাড়ানোসহ সব জায়গায় কাজ করতে চাই। ময়মনসিংহে মাছ উদ্বৃত্ত আছে। সেখানে হিমাগার করা যায় কিনা তা নিয়ে ভাবব। রংপুরে কৃষিপণ্য আছে, এসব পণ্যের সঠিক ব্যবহার ও অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়নে কাজ করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। বাণিজ্যমেলার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটা শুধুমাত্র বাণিজ্য নয়, আনন্দ-বিনোদনের ব্যাপার। বহু দূর-দূরান্ত থেকে মেলায় মানুষ আসেন। এজন্য মেলায় যেসব বৈচিত্র্যতা আছে- মানুষের কাছে তা তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে। মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, এ মাসে নতুন সেলারি (বেতন) যুক্ত হতে যাচ্ছে। নতুন কোন কিছু শুরু করতে গেলে কিছু আপত্তি আসে। গতকাল সোমবার পোশাক মালিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা আজ আবার বসছি। আশা করি এর ভাল সমাধান পাব। উল্লেখ্য, সরকারি মজুরি কাঠামো বৃদ্ধি এবং এর বাস্তবায়ন দাবিতে পোশাক শ্রমিকরা গত তিন দিন যাবৎ আন্দোলন করছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুারোর (ইপিবি) যৌথ আয়োজনে আগামীকাল বুধবার শেরেবাংলানগর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পশ্চিম পাশে মাঠে ২৪তম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুরু হচ্ছে। বুধবার বিকেল ৩টায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মেলার উদ্বোধন করবেন। চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে এবার বাণিজ্যমেলা এক সপ্তাহ দেরিতে শুরু হচ্ছে। সাধারণত প্রতিবছর ১ জানুয়ারি মেলা শুরু হয়ে থাকে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে। প্রথমবারের মতো মেলায় থাকবে অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থা, এতে ঘরে বসেই দর্শনার্থীরা মেলার টিকিট কিনতে পারবেন। মেলায় প্যাভিলিয়ন ও স্টলের সংখ্যা ৬০৫৷ ২২টি দেশ এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে।
ভুঁইফোঁড় অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য শপথ নেয় তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, ভুঁইফোঁড় অনলাইন সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন।মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে প্রথম দিন অফিস করতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ ঘোষণা দেন তিনি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, গতকাল (সোমবার) শপথ নেয়ার পর অনেক সাংবাদিক বন্ধু প্রশ্ন করেছিলেন, দেশে অনেক ভুঁইফোড় অনলাইন সংবাদমাধ্যম তৈরি হয়েছে। তারা অনেক সময় ভুল সংবাদ পরিবেশন করে থােকে। এতে অনেকের চরিত্র হননের ঘটনাও ঘটে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক হারে ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন সংবাদমাধ্যমগুলোর জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। এই সুযোগে তৈরি হয়েছে অনেক ভুঁইফোঁড় অনলাইন সংবাদমাধ্যম, যারা ফেসবুকে বিভিন্ন মনগড়া খবরও ছড়াচ্ছে। নতুন মন্ত্রী হওয়ার পর এ মন্ত্রণালয়ের কোন বিষয়গুলো চ্যালেঞ্জ মনে করছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি নিজের জীবনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি সব সময়। লাইফ ইজ ফুল অফ চ্যালেঞ্জেস। আমি মনে করি, সব কাজই সমাধানযোগ্য এবং সব কাজই সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করা সম্ভব। সাংবাদিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে নতুন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, সাংবাদিক বন্ধুদের অনেক অভাব অভিযোগ আছে, আমি আগে থেকেই জানি। সেগুলো সমাধান করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, সে কাজটি আমি করব। হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে অনলাইন মিডিয়ার যে ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে, সেটি শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়েছে। বাংলাদেশে আজকে যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রচণ্ড শক্তিশালী হয়েছে, সেটিও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে হয়েছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। হাছান মাহমুদ বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রের চতুর্থ অঙ্গ হচ্ছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ। সমাজের সব চিত্র দেখায় গণমাধ্যম। সমাজকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে। আলোকিত বাংলাদেশ
আমার অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি: মাহবুব তালুকদার
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য অনুষ্ঠিত হওয়া একাদশ সংসদ নির্বাচন অংশীদারমূলক হয়েছে- নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে এমন বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মাহবুব তালুকদার বলেছেন, আমার অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক লিখিত বক্তব্যে ইসি মাহবুব তালুকদার এ কথা বলেন। তিনি বলেছেন, গত ৩ জানুয়ারিতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে আমি যে বক্তব্য রাখি, তাতে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। অনেক সাংবাদিক আমাকে প্রশ্ন করেছেন, আমি আমার অবস্থান পরিবর্তন করেছি কি না। এ সম্পর্কে বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতে বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে আমি কোনো কথা বলিনি। কেমন নির্বাচন হয়েছে- সাংবাদিকদের এহেন প্রশ্নের জবাবে আমি আগে বলেছি, নিজেদের বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন, তাহলে এ প্রশ্নের জবাব পেয়ে যাবেন। এখনো আমি সে কথাই বলি। আমার অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। মাহবুব তালুকদার বলেন, আমি বক্তব্যে বলেছি, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দিয়েছি। ইতিপূর্বে ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখের বক্তব্যে আমি বলেছিলাম, সব দল অংশগ্রহণ করলে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলা হয়। সুষ্ঠু নির্বাচনের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হওয়া একটা প্রাথমিক প্রাপ্তি। আসল কথা হচ্ছে, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হচ্ছে কিনা এবং বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে কিনা। নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য না হলে অংশগ্রহণমূলক হলেও কোনো লাভ নেই।

জাতীয় পাতার আরো খবর