অবকাশকালীন ছুটি শেষে সোমবার থেকে খুলছে সুপ্রিম কোর্ট
অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘ ৪৬ দিন অবকাশকালীন ছুটি শেষে সোমবার (১ অক্টোবর) থেকে সুপ্রিমকোর্টে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এবং সকল আইনজীবীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবেন। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সকলকে উপস্থিত থাকার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা চলমান অবকাশকালীন ছুটির পর প্রথম কার্যদিবস কাল ১ অক্টোবর সোমবার সকালে সাড়ে দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত মুল ভবনের ভেতরের লনে অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন। নিয়ম অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে প্রতি অবকাশের পর প্রধান বিচারপতি আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনজীবী সমিতির সভাপতি-সম্পাদকসহ সকল আইনজীবীদের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৫ আগস্ট থেকে আজ ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঈদ-উল আযহার ছুটি, সরকার ঘোষিত অন্যান্য ছুটি, সাপ্তাহিক ছুটি এবং কোর্টে অবকাশের কারণে প্রায় দেড় মাস সুপ্রিমকোর্টে নিয়মিত বিচার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে এ সময়ে জরুরি বিষয় শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য সুপ্রিমকোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে অবকাশকালীন বেঞ্চ বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার দিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে অবকাশকালীন বিভিন্ন বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন। এছাড়াও সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে তারিখ ও সময় নির্ধারণ করে দিয়ে আদালত নির্ধারণ করে দেয়া হয়। এসব বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
৭৩তম অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের বিমানটি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দেয়। লন্ডন পৌঁছার পর শেখ হাসিনা সেখানে যাত্রাবিরতি করবেন। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। লন্ডনে ১০ ঘণ্টার বেশি যাত্রাবিরতির পর প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে (বাংলাদেশে সময় আজ রাত ১১টা ২০ মিনিটে) ঢাকার উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করবেন। সোমবার সকালে শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং ওই দিন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে সতর্ক পুলিশ
অনলাইন ডেস্ক: দুই দফা পিছিয়ে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির সমাবেশে যোগ দিতে জড়ো হচ্ছেন সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এই সমাবেশকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রোববার সকালে রমনা জোনের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার বলেন, সমাবেশকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটাতে না পারে, সে জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সমাবেশস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সাদা পোশাকেও সমাবেশস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন। এরপরও কেউ যদি কোনো প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে কঠোর হাতে দমন করা হবে। পুলিশ জানায়, জনসমাগম ঘটিয়ে যাতে কোনো সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য সার্বিক প্রস্তুতিও রয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের শর্তগুলো মেনেই সমাবেশ হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা হচ্ছে। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, কর্মসূচির নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বা জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, গত বছরের ৫ জানুয়ারি সমাবেশ ঘিরে বিএনপি ও জামায়াত-শিবির ঢাকাসহ দেশব্যাপী নাশকতা চালিয়েছিল। সে কারণে পুলিশের প্রস্তুতি রয়েছে। বিভিন্ন নাশকতার মামলার আসামিদের ওপর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে ফকিরাপুল, মতিঝিল, খিলগাঁও, রামপুরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের কার্যক্রম মনিটর করা হচ্ছে। সমাবেশের প্রবেশের গেটগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ। প্রস্তুত রাখা হয়েছে পুলিশের বিশেষ ইউনিটকে।
১০ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ
অনলাইন ডেস্ক: ১০ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, পটুয়াখালী, চাঁদপুর, দিনাজপুর, মেহেরপুর, কুড়িগ্রাম এবং সিলেটে নতুন ডিসি নিয়োগ দিয়ে বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বরগুনা, পিরোজপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, টাঙ্গাইল, নড়াইল, নাটোর, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, সাতক্ষীরা ও বগুড়ায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেয় সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক অতুল সরকারকে জয়পুরহাট, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর একান্ত সচিব সেবাস্টিন রেমাকে গাইবান্ধা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে সংযুক্ত উপসচিব সাবিনা ইয়াসমিনকে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক করে পাঠানো হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী আবেদ হোসেন ঠাকুরগাঁও, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী পটুয়াখালী এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব কে এম কামরুজ্জামান সেলিম চাঁদপুরের ডিসির দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগে সংযুক্ত উপসচিব মো. মাহমুদুল আলমকে দিনাজপুরে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংযুক্ত উপসচিব আতাউল গণিকে মেহেরপুর, ভূমি মন্ত্রীর একান্ত সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেনকে কুড়িগ্রাম এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এম কাজী এমদাদুল ইসলামকে সিলেটে পাঠানো হয়েছে ডিসি হিসেবে। আলাদা আদেশে ঠাকুরগাঁওয়ের ডিসি মো. আক্তারুজ্জামানকে রাজউকের পরিচালক, চাঁদপুরের ডিসি মো. মাজেদুর রহমান খানকে জীবন বীমা করেপোরেশনের জিএম এবং দিনাজপুরের ডিসি আবু নাঈম মুহাম্মদ আব্দুস সবুরকে রাজউকের পরিচালক পদে বদলি করা হয়েছে। মেহেরপুরের ডিসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে পায়রাবন্দর কর্তৃপক্ষের যুগ্ম-পরিচালক, জয়পুরহাটের ডিসি মোহাম্মদ হোসেনকে সুরক্ষা সেবা বিভাগের উপসচিব এবং গাইবান্ধার ডিসি গৌতম কুমার পালকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব করেছে সরকার। এছাড়া সিলেটের ডিসি নুমেরি জামানকে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব, কুড়িগ্রামের ডিসি মোছা. সুলতানা পারভিনকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এবং পটুয়াখালীর ডিসি মো. মাছুমুর রহমানকে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব পদে বদলি করা হয়েছে।
নির্বাচনে না এলে নিবন্ধন ঝুঁকিতে পড়বে বিএনপি: সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, কোন রাজনৈতিক দল নির্বাচনে আসবে কি না সেটা সেই দলের স্বাধীনতার বিষয়। এটা নির্বাচন কমিশনের সমস্যা নয়। রাজনৈতিক দল নির্বাচনে না এলে সেই দলের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সম্ভব নয়। বৃহষ্পতিবার বিকেলে বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে একাদশ নির্বাচন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি কে এম নুরুল হুদা। সিইসি বলেন, তবে নির্বাচন কমিশন চায়, সবদলের অংশগ্রহনে দেশে প্রতিযোগীতামূলক, প্রতিদ্বন্দিতামূলক, অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন হোক। এ জন্য কমিশন সব প্রস্ততি গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে বিএনপির নিবন্ধন ঝুঁকির মুখে পড়বে। নির্বাচন কমিশন আশাবাদি, বিএনপি নির্বাচনে আসবে। ভোটগ্রহণে ইভিএম ব্যবহারের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি নুরুল হুদা বলেন, ইভিএম ব্যবহারের চুড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচন কমিশন চাচ্ছে না, নির্বাচনে ব্যাপকভাবে ইভিএম ব্যবহার কমিশনও চাচ্ছে না। তবে ভোটকেন্দ্রে সীমিত আকারে ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। সিইসি বলেন, ইভিএম ব্যবহার করতে হলে আইনের পরিবর্তন করাতে হবে। এ জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আইন পাস হলে সীমিত আকারে যতটুকু সম্ভব হবে, ততটুকু ব্যবহার করার চেষ্টা করা হবে। তবে তার আগে ইভিএম নিয়ে প্রশিক্ষণ এবং সাধারণ মানুষকে এ পদ্ধতি সর্ম্পকে সচেতন করা হবে। দেশজুড়ে উন্নয়ন মেলায় ইভিএম সর্ম্পকে প্রদর্শন থাকবে। সেই প্রদর্শনী দেখে রাজনৈতিক দল, জনগণ সন্তুষ্ট হলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। সিইসি দাবি করেন, ইভিএম এমন এক পদ্ধতি যেখানে নির্বাচনে কোন অনিয়ম করা সম্ভব নয়। ইভিএম নিয়ে বিএনপিকে বোঝানোর চেষ্টা করা হবে। নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না প্রথম আলোর এমন প্রশ্নে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন এখনো ঠিক হয়নি, এটা পরিস্থিতি বুঝে নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে। সিইসি নুরুল হুদা আরও জানান, নির্বাচন কবে হবে সেটা এখনো চুড়ান্ত হয়নি। তবে বর্তমান সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই অনুযায়ী ভোটগ্রহণের প্রস্ততি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ নূরে আলম সিদ্দিকী, বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. আশরাফ আলী ভূঞা, আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার রাজশাহী সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, র‌্যাব-১২ বগুড়া কমান্ডার মেজর এসএম মোর্শেদসহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা। এর আগে সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা জেলা নির্বাচন কার্যালয় ও সার্ভার ষ্টেশনে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা করেন।
প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে বিশেষ ডাকটিকিট
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের উদ্দ্যোগে অস্ট্রেলিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিশেষ ডাকটিকিট প্রকাশ করা হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া পোস্টের পার্সোনালাইজড স্ট্যাম্প অফার প্রকল্পের আওতায় এ বিশেষ ডাকটিকিট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তার জন্মদিনে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ এ ডাকটিকিট প্রকাশ করা হবে। অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পর বিশেষ এ ডাকটিকিট অস্ট্রেলিয়া পোস্টের নির্দিষ্ট কয়েকটি দোকানে পাওয়া যাবে। এ উদ্যোগে দাফতরিক সহায়তা করেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এজন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. শাম্মী, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ড. আবুল হাসনাৎ মিল্টন ও নিউ সাউথ ওয়েলস আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান শিমুন ফারুক রবিন।
যে পাইলটের জন্য রক্ষা পেলেন ইউএস-বাংলার ১৭১ যাত্রী
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। ১৭১ যাত্রী নিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় ৭৩৭ মডেলের বোয়িং বিমানটি ক্র্যাস ল্যান্ডিং থেকে বাঁচিয়েছেন ক্যাপ্টেন জাকারিয়া। বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে এগারোটায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে বিমানটি। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পাইলটের অসাধারণ দক্ষতায় ৭৩৭ মডেলের বোয়িং বিমানটি ক্র্যাস ল্যান্ডিং থেকে বেঁচে গেছে। রক্ষা পেয়েছেন ফ্লাইটে থাকা ১১ শিশুসহ (ইনফ্যান্ট) ১৬৪ যাত্রী ও সাত ক্রু। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বিমানটি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের কথা নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক জসিম উদ্দিন বলেন, ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের পাঁচটি গাড়ি ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। এছাড়া অ্যাম্বুলেন্সসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে জানতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ইউএস-বাংলার ৭৩৭ মডেলের বোয়িং বিমানটির সামনের নোজ হুইল কাজ না করায় পেছনের চাকাগুলোর ওপর ভর করে বিমানটি শাহ আমানতে অবতরণ করে। অবতরণের সময় বিমানটির সামনের অংশে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। সেখানে উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে সব যাত্রী অক্ষত অবস্থায় বিমান থেকে নেমে আসতে সক্ষম হন। সূত্র আরো জানায়, ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটিতে ১৭১ জন যাত্রী ছিল। সামনের নোজ হুইল কাজ না করায় বিমানটি কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণে ব্যর্থ হয়। পরে বিমানটি চট্টগ্রামের আকাশে অনেক্ষণ উড়তে থাকে। অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন, বিমানটি ক্রাস ল্যান্ডিং করবে। তবে দুপুর দেড়টার দিকে পাইলটের দক্ষতায় বিমানটি শাহ আমানত বিমানবন্দরে শুধু পেছনের চাকাগুলোর ওপর ভর করে ল্যান্ডিং করে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম-পিআর) কামরুল ইসলাম বলেন, ফ্লাইটে ১১ শিশুসহ (ইনফ্যান্ট) ১৬৪ যাত্রী ও সাত ক্রু ছিল। তাদের সবাই নিরাপদে আছেন। ফ্লাইটটি পরিচালনা করছিলেন ক্যাপ্টেন জাকারিয়া। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করান বলেও জানান তিনি।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সংস্কার চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মর্যাদা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ এর সংস্কারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মর্যাদা সমুন্নত রাখার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাহিনীতে সেনা ও পুলিশ সদস্য পাঠানোর দিক থেকে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সংস্কারের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের উদ্যোগে অ্যাকশন ফর পিসকিপিং (এফোরপি) এর ওপর একটি উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সদরদপ্তরের ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল চেম্বারে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অ্যান্তোনিও গুতেরেসও বক্তব্য দেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা একটি বৈশ্বিক জনকল্যাণমুখী সেবা। এই বাহিনীর মর্যাদা ধরে রাখতে আমাদের সবাইকে অবশ্যই একটি ইতিবাচক চিন্তাধারা নিয়ে কাজ করে যেতে হবে। এটা অনেকের জীবনের আশার আলো জ্বালিয়েছে। আমাদের অবশ্যই এই আশার আলোকে সম্মান জানাতে হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের এখন নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে মোতায়েন করা হচ্ছে। ওই সব স্থানে শান্তি বজায় রাখার মতো পরিস্থিতি নেই। রাষ্ট্রবিরোধী সন্ত্রাসী ও বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে তারা ক্রমবর্ধমান হুমকির শিকার হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের মিশনগুলো প্রায়ই বিভিন্ন মান ও ধরনের বাহিনীর সঙ্গে কাজ করে থাকে। আর এটা জাতিসংঘ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানগুলোকে আরও জটিল ও বিপজ্জনক করে তুলছে। এজন্য শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া উচিত। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের মতো ক্ষমতা ও সরাঞ্জামাদি তাদের দেয়া উচিত। শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, কোনো রাষ্ট্রের সদস্যদের মোতায়েনের ক্ষেত্রে তাদের প্রতিশ্রুতি এবং সেই অনুযায়ী কতটা নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছে তা বিবেচনা করা উচিত। তাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার অবশ্যই উত্তরণ ঘটাতে হবে। আমরা আশা করছি এ ফোর পি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীকে তাদের লক্ষ্য পূরণে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দি ডিক্লিয়ারেশন অব শেয়ার্ড পিসকিপিং কমিটমেন্টস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল বয়ে এনেছে। -বাসস

জাতীয় পাতার আরো খবর