শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
ভাস্কর্য নিয়ে উসকানি দিলে সরকার বসে থাকবে না: হাছান মাহমুদ
৩০নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাস্কর্য নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য অনবরত করতে থাকলে সরকার বসে থাকবে না বলে হুঁশিয়ারি করে দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। সোমবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ হুঁশিয়ারিন দেন তিনি। হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভাস্কর্যকে মূর্তির সাথে তুলনা করে সমাজকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ইরানে আয়াতুল্লা খুমিনির ভাস্কর্য আছে। ইরাকে রাস্তায় রাস্তায় ভাস্কর্য আছে। তুরস্কে এরদোগানের ভাস্কর্য আছে এবং পৃথিবীর অন্যান্য ইসলামিক দেশসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও রাস্তায় রাস্তায় ভাস্কর্য আছে, বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ নেতা আরও বলেন, সৌদি আরবের জেদ্দাসহ বিভিন্ন শহরে ঘোড়া ও উটসহ সৌদি প্রশাসকদের ছবি সম্বলিত ভাস্কর্য আছে। এছাড়া জেদ্দায় পৃথিবীর বিখ্যাত ভাস্কর্য দিয়ে স্কাউচার মিউজিয়াম তৈরি করা হয়েছে সেখানে নারী-পুরুষ, জীবজন্তুর ভাস্কর্যসহ বহু কিছুর ভাস্কর্য এবং মাওলানা রুমিসহ বহু স্কলারের ভাস্কর্য আছে। ভাস্কর্য নিয়ে উস্কানিমূলক বক্তব্য অনবরত করতে থাকলে সরকার বসে থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা এ সমস্ত কথা বলেছিল তারা টেলিভিশনে বক্তব্য দেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গেলে খুশি হন। আসলে এসব কথা বলে সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চায়। তিনি বলেন, আমি আশা করব এ ধরনের বিভ্রান্তমূলক বক্তব্য ও উসকানিমূলক বক্তব্য তারা পরিহার করবে। এটি কখনো জনগণ মেনে নেয়নি। বাংলাদেশে কোনো মৌলবাদের, জঙ্গিবাদের স্থান নেই। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ভাস্কর্য একটি দেশের ইতিহাস, কৃষ্টি কালচারের অংশ। এমনকি সৌদি আরবেও এ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলেনি। যারা পাকিস্তানি ভাবধারার, তারা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তাদের সেই স্বাদের পাকিস্তানেও কায়েদে আজম, লিয়াকত আলীসহ বহুজনের ভাস্কর্য আছে। সেখানেও কেউ প্রশ্ন তোলেনি। আমাদের দেশের বিভিন্ন সময়ে বহু ভাস্কর্য নির্মিত হয়েছে। তখন কিন্তু কেউ প্রশ্ন তুলেনি। এখন এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে, বলেন তিনি।
৪২ ও ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
৩০নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৪২তম ও ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার (৩০ নভেম্বর) রাতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে এ দুই বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পিএসসি সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ৪২তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৭ ডিসেম্বর থেকে অনলাইন আবেদন শুরু হবে। চলবে ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। তবে প্রার্থীরা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আবেদনের ফি জমা দিতে পারবেন। এই বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৮১৪ জন কর্মকর্তা নেয়া হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ৪৩তম সাধারণ বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১০০ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫ জন, শিক্ষা ক্যাডারের জন্য ৮৪৩ জন, অডিটে ৩৫ জন, ট্যাক্সে ১৯ জন, কাস্টমসে ১৪ জন, সমবায়ে ২০ জন, ডেন্টাল সার্জন পদে ৭৫ জন এবং অন্যান্য ক্যাডারে ৩৮৩ জনকে নিয়োগের জন্য পিএসসিতে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এর আগে ৩৯তম বিসিএসে (বিশেষ) ২০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে পাঁচ হাজারের মতো চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
অক্সফোর্ডের ৩ কোটি ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেবে সরকার
৩০নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তসরাষ্ট্রের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কিনে দেশের মানুষকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। প্রত্যেকের জন্য দুই ডোজ ভ্যাকসিন দরকার। তাহলে দেশের দেড় কোটি মানুষ বিনামূলে এই টিকা পাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (৩০ নভেম্বর) সচিবালয়ে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে কোভিড-১৯ সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবিলা ও ভ্যাকসিন সংগ্রহের সবশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিতকরণ শেষে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গত ১৪ অক্টোবর ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ডের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তিন কোটি ডোজ বিক্রির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। গত ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সঙ্গে সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরপর ১৬ নভেম্বর অর্থ বিভাগ ভ্যাকসিন কেনার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। ভ্যাকসিন কেনার জন্য অর্থনৈতিক ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রস্তাব পাঠাবে। এ প্রস্তাব চলে এসেছে। তিনি বলেন, মানুষকে এই ভ্যাকসিন বিনা পয়সায় দেওয়া হবে। টাকা সরকার পে করে দিচ্ছে। তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন ফ্রি দেওয়া হবে। ভ্যাকসিন বিতরণ নিয়ে দুর্নীতি হলে ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মেজর করাপশন কেউ করলে আমাদের জানাবেন, আমরা তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেবো। ভ্যাকসিন কিনতে সরকারের খরচ কত হবে- প্রশ্নে তিনি বলেন, ক্রয়ের চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না। এই ভ্যাকসিন কারা পাবে- প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটা গাইডলাইন আছে। প্রথম কারা পাবে, দ্বিতীয় ধাপে কারা পাবে সে অনুযায়ী তারা একটা প্রোগ্রাম ডেভেলপ করছে। ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার- পুলিশ, প্রশাসনের লোক যারা মাঠে চাকরি করছে, তারপর বয়স্ক লোক, বাচ্চা- এরকম একটা প্রোটোকল আছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৪ অক্টোবর ভ্যাকসিন কেনার জন্য অনুমোদন দিয়েছেন। বুধবার অর্থনৈতিক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে আসবে। অন্য ভ্যাকসিনের সবশেষ নিয়ে তিনি বলেন, আরও অনেকগুলো ভ্যাকসিনের বিষয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে। তারা বলেছে যোগাযোগ রাখছে। এখনই বলা যাচ্ছে না কোনটা বেশি ইফেকটিভ হবে। আমাদের এক নম্বর কন্ডিশন হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল মানতে হবে। যার সঙ্গে চুক্তি করবেন, যদি মেজর কোনো সমস্যা হয় তাহলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকলের বাইরে গেলে ওই চুক্তির কোনো মূল্য থাকবে না। চীনের ভ্যাকসিন নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রিজেক্ট করেনি। ওরা একটা টাকা চাচ্ছে। সরকার এখনও দেয়নি বা অ্যাগ্রি করেনি। আমরা ওটা এখনও বাতিলও করিনি। প্রথমে টাকা চায়নি, এখন টাকা চাচ্ছে।
পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ
৩০নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে এই ডিগ্রি অর্জন করেন। রোববার (২৯ নভেম্বর) বিইউপির একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট সভায় এই পিএইচডি ডিগ্রির অনুমোদন দেয়া হয়। জেনারেল আজিজ আহমেদের পিএইচডির বিষয় ছিল বর্ডার ম্যানেজমেন্ট চ্যালেঞ্জেস অব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) : ইস্যু ইন ট্রানজিশনাল থ্রেট। সেনাবাহিনী প্রধানের পিএইচডির তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। এছাড়া এক্সটার্নাল এক্সামিনার ছিলেন প্রফেসর ড. মিতা ব্যানার্জি। তিনি পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর। অপর প্যানেল সদস্যরা হলেন বিইউপির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম এ কাশেম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. মুজাহিদুল ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রফেসর ড. রাশেদ-উজ-জামান। সেনাবাহিনী প্রধান বিইউপির ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষের পিএইচডির শিক্ষার্থী ছিলেন।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গ্রাম আদালত কার্যকর করতে হবে: তাজুল
২৮নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, দেশে আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে গ্রাম আদালতকে কার্যকর ও শক্তিশালী করার কোন বিকল্প নেই। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতকে শক্তিশালী করতে পারলে জেলা পর্যায়ের আদালতসমুহের মামলার সংখ্যা ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে। তাজুল ইসলাম আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউএনডিপির সহায়তায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত গ্রাম আদালতের আইনগত কাঠামো সংস্কার বিষয়ক এক সভায় এসব কথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, দেশের গ্রামাঞ্চলে অনেক ছোট ছোট এবং খুব সামান্য বিষয় নিয়ে মানুষ নানা রকম বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়ভাবে এসকল বিবাদ মীমাংশা করতে না পারায় তারা আদালতে চলে যান। তিনি বলেন, এতে একদিকে যেমন আদালতে মামলার জট তৈরি হয়, তেমনি অন্যদিকে ভূক্তভোগীদের সময় ও অর্থের অপচয় হয়। আর মামলার রায় পাওয়ার জন্যও অনেক সময় ব্যয় করতে হয়। তিনি আরও বলেন, এছাড়াও এক ধরনের অসাধু ব্যক্তি বিবাদ মীমাংশা করে দেয়ার নামে উভয় পক্ষের কাছ থেকে টাকা পয়সা আদায় করে। গ্রামীণ মানুষের মধ্যে দ্রুত রায় নিশ্চিত করায় বর্তমানে গ্রাম আদালতের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, গ্রাম আদালত পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ করতে এই আইনকে আরও যুগোপযোগী করতে হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি ও ইইউ রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিংক।
ধর্ম মন্ত্রণালয়কে আরও গতিশীল করতে চান নতুন প্রতিমন্ত্রী
২৮নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চান নতুন দায়িত্ব পাওয়া প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান। রোববার (২৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রথম দিন অফিস করতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গত ২৪ নভেম্বর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফরিদুল হককে ২৫ নভেম্বর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে নৈতিকতাভিত্তিক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ। প্রধানমন্ত্রীর সঠিক নির্দেশনার আলোকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হজ ব্যবস্থাপনার যুগান্তকারী উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সারাদেশে মডেল মসজিদ নির্মাণ, মঠ-মন্দির, প্যাগোডা সংস্কার ও উন্নয়ন, মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডাভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ফরিদুল হক খান বলেন, আগামী দিনে আপনাদের সকলের সহযোগিতায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চাই। এক্ষেত্রে আমি আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা পাব বলে বিশ্বাস করি। স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল সম্প্রদায়ের ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিপূর্ণ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে জাতির পিতার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, সততা, নিষ্ঠার সঙ্গে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেক্ষেত্রে আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা চাই। আমি বিশ্বাস করি, আমরা সকলে মিলে সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারব, ইনশাআল্লাহ। এ সময় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৯নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। রোববার (২৯ নভেম্বর) গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভিডিও কনফারেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখবেন। অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত রয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে নির্মিত হচ্ছে ডাবল লেনের ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রেল সেতু। জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই রেল সেতুটি নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে জাইকা। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের মধ্যে কাজ সমাপ্ত হবে। এই সেতু দিয়ে ১০০ কিলোমিটার বেগে একইসঙ্গে দুটি ট্রেন চলাচল করতে পারবে। পাশাপাশি সব ধরনের মালবাহী ট্রেন চলাচল করতে পারবে। ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালুর মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ চালু হয়। প্রথমে ব্রডগেজ ও মিটারগেজের চারটি ট্রেন দৈনিক আটবার পারাপারের পরিকল্পনা থাকলেও যাত্রী চাহিদা বাড়তে থাকায় সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলকারী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হয়। ২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় সেতুর ওপরে চলাচলকারী ট্রেনের গতিসীমা। বর্তমানে ৩৮টি ট্রেন নিয়মিত স্বল্প গতিতে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হলেও সময় অপচয়ের পাশাপাশি ঘটছে শিডিউল বিপর্যয়, বাড়ছে যাত্রী ভোগান্তি। ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে নির্মাণ করা হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ ডেডিকেডেট রেল সেতু।
মঙ্গলবার ফেসবুক লাইভে আসছেন আতিকুল
২৮নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরের মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে নগরবাসীর সামনে আসছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই নগরবাসীর মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি মেয়র। শনিবার (২৮ নভেম্বর) এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয় ডিএনসিসির পক্ষ থেকে। এতে বলা হয়, জনতার মুখোমুখি নগর সেবক- শিরোনামে ফেসবুকে এই লাইভ আয়োজিত হবে। ফেসবুকে সরাসরি যুক্ত হয়ে নগরবাসীরা মেয়রের উদ্দেশে তাদের প্রশ্ন, মতামত, সমস্যা এবং অন্যান্য বিষয়ে নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করতে পারবেন। ১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হয়ে এক ঘণ্টাব্যাপী এই লাইভ চলবে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। পুরো লাইভ তিনটি ভাগে সাজানো হয়েছে। চিত্রনায়ক ফেরদৌসের সঞ্চালনায় এই লাইভের প্রথম পর্বে নগরবাসীর উদ্দেশে নিজস্ব পরিকল্পনা এবং স্বপ্নের কথা জানাবেন। দ্বিতীয় পর্বে নগরবাসীরা লাইভে সংযুক্ত হবেন। আর তৃতীয় এবং শেষ পর্বে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের উত্তর দেবেন মেয়র আতিক। এ বিষয়ে মেয়র আতিক বলেন, এটা আমার নির্বাচনী ইশতেহার ছিল যে, আমি নগরবাসীদের কাছ থেকে তাদের মতামত শুনব এবং তাদের মতামতের ভিত্তিতেই শহরে আমরা সেভাবে গড়ে তুলব। মেয়র হিসেবে স্বচ্ছ এবং নগরবাসীদের কাছে নিজের জবাবদিহিতা করতে নগরের কাজে নগরবাসীদের আমরা সম্পৃক্ত রাখতে চাই। আতিক আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে সবার জন্য সুস্থ এবং আধুনিক ঢাকা গড়ার যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছি সেটিকে অনুপ্রেরণা দিতেই এই আয়োজন। www.facebook.com/dncc.gov.bd এবং www.facebook.com/atiqfordhaka- এই দুইটি পেজের যেকোনো একটিতে নগরবাসীরা এই লাইভে সংযুক্ত হতে পারবেন। লাইভের কমেন্ট সেকশনে নিজেদের বক্তব্য রাখতে পারবেন তারা।
রোববার বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী
২৮নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রোববার (২৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মসূচি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্ত থেকে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন। রেল মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু রেল সেতু হবে বিদ্যমান বঙ্গবন্ধু সেতুর সমান্তরাল ডুয়েল গেজ ডাবল ট্রাকসহ প্রায় ৪ দশমিক ৮০ কিলোমিটার। সেতুর উভয়প্রান্তে প্রায় দশমিক ০৫ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট, প্রায় ৭ দশমিক ৬৬৭ কিলোমিটার রেলওয়ে অ্যাপ্রোচ এমব্যাংকমেন্ট এন্ড এবং লুক ও সাইডিংসহ মোট প্রায় ৩০ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করা হবে। বঙ্গবন্ধু রেল সেতু ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক হওয়ায় পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে চলাচলকারী সংশ্লিষ্ট ট্রেনগুলোর ক্রসিংজনিত কারণে আগের মতো স্টেশনগুলোতে অপেক্ষা করতে হবে না। ফলে সংশ্লিষ্ট ট্রেনগুলোর রানিং টাইম আনুমানিক ২০ মিনিট কমবে, পরিচালন ব্যয় কমবে এবং রেলওয়ের আয় বাড়বে। এ সেতুতে গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন স্থাপন করা হবে। ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে এ রেলসেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে। ওই বছরই সেতুটি ট্রেন চলাচলের জন্য চালু করা হবে বলে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের আশা প্রকাশ করেছেন রেলপথ মন্ত্রী।

জাতীয় পাতার আরো খবর