বিএনপি লুটপাটই করেছে কোন উন্নয়নমূলক কাজ করেনি
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকা কালীন অবস্থায় শুধু লুটপাটই করেছে কোন উন্নয়নমূলক কাজ করেনি। তারা শুধু নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন করেছে। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশে গরিবের সংখ্যা কমেছে। দারিদ্র বিমোচন হয়েছে।’ শনিবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া, ভেদুরিয়া, চরসামাইয়া, আলিনগর ইউনিয়নে মসজিদের ইমাম ও দুস্থ অসহায়দের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘১৪ সালের ৫ ই জানুয়ারি নির্বাচন করেনি। তারা আগুন সন্ত্রাস করেছে নিষ্পাপ শিশুদের পেট্রোল বোমা দিয়ে মেরেছে। প্রিজাইডিং অফিসারদেরকে ও মেরেছে। পাঁচ শ’ পুলিং বুথ পুরিয়ে দিয়েছে, কিন্তু সফল হয়নি।’ উন্নয়নের স্বার্থে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
কানাডায় নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দিতে কানাডায় যাওয়ার পর কুইবেকে দেশটির গভর্নর জেনারেল জুলি পায়াতের দেয়া নৈশভোজে অন্য নেতাদের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লা সেটাডেল ডি কুইবেকে শুক্রবারের এই নৈশভোজে সম্মেলনে যোগ দিতে আসা সরকার ও রাষ্ট্র প্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। কমনওয়েলথ রাষ্ট্র কানাডায় ব্রিটিশ রানির প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গভর্নর জেনারেল, তিনিই কানাডার রাষ্ট্রপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের জানান, নৈশভোজে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী নগুয়েন জুয়ান ফুক, হাইতির প্রেসিডেন্ট ও ক্যারাবিয়ান কমিউনিটির চেয়ারপারসন জোভেনাশ মইসসহ অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন শেখ হাসিনা। নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে জি-৭ আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার দুপুরে কুইবেকে পৌঁছান শেখ হাসিনা। এয়ার কানাডার একটি ফ্লাইটে স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ২টায় কুইবেক সিটির জিন লিসএজ বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান কানাডায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার মিজানুর রহমান ও কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক জনাথন সুভে। কুইবেক হোটেল শ্যাতো ফঁতেনেক-এ অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ব অর্থনীতির সাত পরাশক্তির জোট জি-৭ সম্মেলনের পাশাপাশি আঞ্চলিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনার জন্য জোটের বাইরে থেকে বিভিন্ন দেশকে আলাদা বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। একেই বলা হয় জি-৭ আউটরিচ মিটিং। এবার এই সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধান ও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে কানাডা সরকার। শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে রওনা হয়ে দুবাই ও টরেন্টোতে যাত্রাবিরতির পর কুইবেকে পৌঁছান। জি-৭ আউটরিচ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও জি টোয়েন্টি জোটের বর্তমান সভাপতি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট; ক্যারিবিয়ান কমিউনিটির চেয়ার হাইতির প্রেসিডেন্ট; জ্যামাইকার প্রধানমন্ত্রী; কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট; মার্শাল আইল্যান্ডসের প্রেসিডেন্ট; নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী; আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ার রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট; সেনেগালের প্রেসিডেন্ট; সেসেলসের প্রেসিডেন্ট; দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট; ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী; আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ এর এমডি; অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (ওইসিডি) সেক্রেটারি জেনারেল; জাতিসংঘ মহাসচিব এবং বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে ২০১৬ সালে জাপানে এবং ২০০১ সালে ইতালিতে জি সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দেন। কানাডা ছাড়া জি-৭ এর বাকি ছয় সদস্য দেশ হল ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। এবারের আউটরিচ সম্মেলনে সমুদ্রকে দূষণ থেকে রক্ষা করা এবং উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের প্রতিকূলতা মোকাবেলার সক্ষমতা বৃদ্ধির উপায় খুঁজতে আলোচনা হবে। সফরের তৃতীয় দিন রোববার সকালে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকের পর টরেন্টো যাবেন শেখ হাসিনা। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। টরেন্টো থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সোমবার সকালে কানাডার মিয়ানমার বিষয়ক দূত বব রে, কানাডার সাসকাচোয়ান প্রদেশের উপ প্রধানমন্ত্রী জেরেমি হ্যারিসন এবং কমার্শিয়াল কোঅপারেশন অব কানাডার প্রেসিডেন্ট মার্টিন জাবলোকি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। কানাডার স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে টরন্টো থেকে দেশের পথে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি করে মঙ্গলবার রাতে তার ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এবার সড়কের অবস্থা বেশ ভালো
এবারের আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের জন্য সড়কপথে কোনো যানজট হবে না দাবি করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যদি কোনো সমস্যা হয় তবে আমি ঘটনাস্থলে ছুটে যাবো। আজ শনিবার সকালে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) কার্যালয়ে সড়কের নানা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি একথা বলেন। এবার সড়কের অবস্থা বেশ ভালো দাবি করে তিনি জানান, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সড়কপথে যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা মহানগরীর বাস টার্মিনালগুলোতে ভিজিলেন্স টিম কাজ করবে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন-বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল আলম, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্ল্যাহ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সালাউদ্দিন প্রমুখ। সড়কে ঈদযাত্রা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঈদে আপনারা আতঙ্ক ছড়াবেন না। আমি আশ্বস্ত করছি অন্য সময়ের থেকে এবার সড়কের অবস্থা ভালো। ঈদে সড়কে বড় কোনো সমস্যা হবে না। সড়কপথে কোনো যানজট হবে না। ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের অবস্থা ভালো। ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে ফোরলেনের কাজ চলছে, ঈদের সামনে এই সড়কের খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ আছে। হাইওয়ে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবার হাইওয়েতে অতিরিক্ত পুলিশ থাকবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলে অতিরিক্ত পুলিশের ব্যবস্থা করেছি। ঈদে ঘরমুখো মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আবারও বলছি ঈদে সড়কে যানজট হবে না। উল্টোপথে যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করে মন্ত্রী বলেন, আপনারা সজাগ থাকবেন উল্টোপথে যেন কোনো ভিআইপি যাতায়াত না করতে পারে। এটা আমার দায়িত্ব, উল্টোপথে কোনো ভিআইপিকে আমি অ্যালাউ করতে পারি না। ১০ জন ভিআইপির জন্য লাখো মানুষের সমস্যা মেনে নেওয়া হবে না। সবার মানসিকতার পরিবর্তন করে উল্টোপথে না গিয়ে সঠিকপথে যাতায়াত করতে হবে। রং সাইডে কোনো গাড়ি চলবে না। ব্যাটারিচালিত ও ভারী যানবাহন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঈদে ব্যাটারিচালিত কোনো যানবাহন মহাসড়কে চলবে না। ভারী যানবাহনও ঈদের ৩ দিন বন্ধ থাকবে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি হাইওয়েতে চলবে না। এগুলোর কারণে সড়কে প্রাণ ঝরছে। বিআরটিএ নাকে তেল দিয়ে ঘুমায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন তারা বন্ধ করে না। বিআরটিএ কয়েকটি লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে। হাইওয়েতে ফিটনেসবিহীন গাড়ি জটলা তৈরি করতে পারে। রাজধানীর খিলক্ষেতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) ডিপোতে আগুন লেগে বাস পোড়ার ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আগামী ৩ দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে তদন্ত হবে। আমি জানি বিআরটিসির ‘শর্ষের মধ্যে ভূত’ আছে এগুলো ছাড় দেওয়া হবে না।
মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে গেলে ফায়ারিং হবেই
দেশের যেখানে মাদক আছে, সেখানেই অবৈধ অস্ত্র, অবৈধ টাকা। তাই মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে গেলে ফায়ারিং হবেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। শনিবার দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে মাদকবিরোধী অভিযান ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বেই মাদকবিরোধী অভিযানে ফায়ারিং হয়ে থাকে। আমরা কাউকে হত্যা করছি না। সেটা আমাদের উদ্দেশ্যও নয়। আমাদের পঁচটি গোয়েন্দা সংস্থা আলাদা আলাদা তালিকা করেছে। যাদের নাম কমন পড়েছে, তাদের কাছে যাচ্ছে আমাদের আইন প্রয়োগকারী বাহিনী।' একরাম হত্যা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। একরাম নির্দোষ হলে দায়ী ব্যক্তিরা শাস্তি পাবেন। চলমান অভিযান সম্পর্কে মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা অলআউট যুদ্ধে গেছি। এ যুদ্ধে জিততে হবে। আমরা বর্ডার সিল করেছি। কোস্টগার্ডকে শক্তিশালী করছি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াচ্ছি, অপরাধীদের বিচারের সম্মুখীন করছি। আমরা বলেছি, কাউকে মাদকের ব্যবসা করতে দেব না। অভিযান সস্পর্কে সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, আমাদের কারাগারের ধারণক্ষমতা ৩৫ হাজার। সেখানে বর্তমানে আছে ৮৬ হাজার ৩৬৯ জন। এর ৪৪ ভাগই মাদক মামলার আসামি। আমরা প্রকৃত দোষীদের ধরতে আইন সংশোধন করছি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দীন আহমেদ গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
৩ নম্বর সতর্ক সঙ্কেত
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের সব সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সঙ্কেত জারি করা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার সকালে আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার (বজ্রমেঘ) সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করারও পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এদিকে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সঙ্কেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বাস ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড
রাজধানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন বিআরটিসির বাস ডিপোতে আগুনে পাঁচটি দ্বিতল বাস পুড়ে গেছে। শুক্রবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর রাত ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নিয়ন্ত্রণ রুমের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান, শুক্রবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায় বিআরটিসির বাস ডিপোতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট দেড় ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তার আগে আগুনে বিআরটিসির পাঁচটি দ্বিতল বাস ও একটি পরিত্যক্ত বাস পুড়ে গেছে। তাৎক্ষণিক আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা।
চট্টগ্রামে ২ সাংবাদিককে লাঞ্ছিত, অভিযুক্ত পুলিশ প্রত্যাহার
একাত্তর প্রতিবেদন,চট্টগ্রাম :চট্টগ্রাম নগরীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের পর একটি টেলিভিশন চ্যানেলের দুই সংবাদকর্মী ও তাদের গাড়িচালককে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা মারধর ও লাঞ্ছিত করেছে। নগরীর বাদামতলি মোড়ে এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের দাবির মুখে ঘটনার জন্য অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়। এই ঘটনায় নিউজ টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপার্সন আহাদুল ইসলাম বাবু এবং চালক নুরুল আলম আহত হয়েছেন। চ্যানেলটির সাংবাদিক নয়ন বড়ুয়া জয়ও লাঞ্ছিত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ বাদামতলি মোড়ে প্রতিবাদে কর্মসূচি পালনের ডাক দেয়।পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা এসে ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। ঘটনার বিষয়ে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপার্সন আহাদুল ইসলাম বাবু বলেন, চৌমুহনীর দিক থেকে গাড়ি নিয়ে আমরা আগ্রাবাদ সিঙ্গাপুর-ব্যাংকক মার্কেটের বিপরীতের জামান হোটেলে যাচ্ছিলাম।বাদামতলির মোড়ে ডান দিকে মোড় নেওয়ার সময় গোল চত্বর না ঘুরে কোণাকুণি পথে গাড়ি নিয়ে এগিয়ে যান চালক। আমাদের গাড়ির সামনে আরও চার-পাঁচটি গাড়ি ছিল। ওই গাড়িগুলোর মধ্যে কোনোটিকেই পুলিশ বাধা দেয়নি। আহাদুল ইসলাম বাবু বলেন,কিন্তু হঠাৎ করে ট্রাফিক সার্জেন্ট মশিউর এসে চালককে মারধর শুরু করে। চালককে মারতে নিষেধ করলে তিনি আমাকেও লাঞ্ছিত করেন। এক পর্যায়ে বাদামতলি মোড়সংলগ্ন ট্রাফিক বক্সের কাছে গাড়ি দাঁড় করায়। তারপর অদূরে মোড়ের পুলিশ বক্সে গেলে আমার গায়ে হাত দেয় এবং চালককে লাঠি দিয়ে পেটায় ট্রাফিক সার্জেন্ট মশিউর ও সাখাওয়াত। এসময় পুলিশ সদস্যদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে রিপোর্টার নয়ন বড়ুয়া জয়কেও লাঞ্ছিত করা হয় বলে জানান বাবু।এ ঘটনার খবর পেয়ে ইফতারের পরই বাদামতলির মোড়ে ছুটে যান চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) নেতারা। সেখানে তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপ শেষে ট্রাফিক পুলিশের উপ-কমিশার (বন্দর) ফাতিহা ইয়াসমিন অভিযুক্ত দুই ট্রাফিক সদস্যকে প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি আগামীকাল এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণেরও আশ্বাস দেন তিনি। অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- সিইউজে সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব তপন চক্রবর্তী, সিইউজের সাবেক সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি নিরূপম দাশগুপ্ত, সদস্য উত্তম সেনগুপ্ত, টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি শফিক আহমেদ সাজিব ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম বাবু। সাংবাদিকদের সাথে আলোচনায় অংশ নেন ট্রাফিক পুলিশের উপ-কমিশার (বন্দর) ফাতিহা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (বন্দর) ছত্রধর ত্রিপুরা, টিআই (এডমিন) আবুল কাশেম ও ডবলমুরিং থানার ওসি মহিউদ্দিন সেলিম। উক্ত ঘটনায় নিউজ একাত্তর ডট কম ও সাপ্তাহিক সংবাদের কাগজ পত্রিকার পক্ষ থেকে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
টরেন্টো পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দিতে টরেন্টো পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় টরেন্টোতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নাঈম উদ্দিন আহমেদ এবং কানাডার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের পরিচালক ও উপপ্রধান প্রটোকল জোনাথন সাউভি পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এর আগে দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি করেন প্রধানমন্ত্রী। দুবাই থেকে স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী কানাডার উদ্দেশে রওনা হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী। আরব আমিরাতের স্থানীয় সময় রাত ১০.৫ মিনিটে তিনি দুবাইয়ে পৌঁছান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান। আগামী ৯ জুন অনুষ্ঠেয় ওই সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও কয়েকটি দেশের সরকারপ্রধান ও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ২ ঘণ্টা যাত্রাবিরতি শেষে প্রধানমন্ত্রী টরেন্টো থেকে কানাডার প্রাদেশিক শহর কুইবেকে যাবেন। সেখানে এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান এবং সে দেশের কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক গণ্যমান্য ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কুইবেকের জ্যাঁ লেসাগে ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে অভ্যর্থনা জানাবেন। সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মানে কানাডার গভর্নর জেনারেলের দেয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী শনিবার লি ম্যানইর রিচেলিউ হোটেলে জি-৭ আউটরিচ নেতাদের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। স্থানীয় সময় রোববার সকালে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন। এদিন তিনি কুইবেক থেকে টরেন্টোতে ফিরে আসবেন এবং সন্ধ্যায় হোটেল মেট্রোতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। প্রধানমন্ত্রী সোমবার (স্থানীয় সময়) কানাডার মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত বব রের সঙ্গে বৈঠক করবেন। হোটেল রিজ কার্লটনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। শেখ হাসিনা সাসক্যাচুওয়ান প্রদেশের উপপ্রধানমন্ত্রী এবং বাণিজ্য ও রফতানি উন্নয়নমন্ত্রী গর্ডন ওয়েন্ট কিউসি, অভিবাসনমন্ত্রী জেরেমি হ্যারিসন ও সাসক্যাচুওয়ান প্রদেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। টরেন্টো ত্যাগের আগে প্রধানমন্ত্রী তার হোটেল কক্ষে কমার্শিয়াল কর্পোরেশন অব কানাডার (সিসিসি) প্রেসিডেন্ট ও সিইও মার্টিন জেবলকের সঙ্গে বৈঠক করবেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি দুবাই হয়ে দেশে ফিরবেন। শেখ হাসিনা জি-৭ দেশগুলোর এ শীর্ষ সম্মেলনে ১৬টি দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগ দেবেন। এটি বিশ্বের অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর একটি প্লাটফর্ম। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে প্লাটফর্মটি গঠিত। আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট এবং জি-২০ এর সভাপতি মাউরিকো ম্যাকরি, হাইতির প্রেসিডেন্ট ও ক্যারিবিয়ান কমিউনিটির সভাপতি জোভেনেল মইসি, জ্যামাইকার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ড্রিউ হোলনেস, কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহরো কেনিয়াত্তা, মার্শাল আইল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট হিলদা হেইনি, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গ, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট ও আফ্রিকান ইউনিয়নের সভাপতি পল ক্যাগামি, সেনেগালের প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল, সিসিলির প্রেসিডেন্ট ড্যানি ফেউরি, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসা, ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান পুউচ, ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিন ল্যাগারডি, ইকোনমিক কো-অপারেশন ও ডেভেলপমেন্ট সংস্থার মহাসচিব জোসে অ্যাঞ্জেল গুরিয়া, জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস এবং বিশ্বব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস্টালিনা গিউরগিভা সম্মেলনে যোগ দেবেন।
ঈদ ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তায় পুলিশ প্রস্তুত
হুমকি না থাকলেও ঈদের জামাত ঘিরে জঙ্গি তৎপরতাসহ যে কোনো নাশকতা এড়াতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশর মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত করতে পুলিশ সদস্যদেরকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশের বার্ষিক কেরাত, আযান ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, জঙ্গিদের পুরোপুরি নির্মূল করা না গেলেও তাদের সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেয়া সম্ভব হয়েছে। আগামীতে যেন জঙ্গিরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত আছে। এবারের ঈদ ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফলে, প্রতিটি জামাত নিরাপদে অনুষ্ঠিত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। আইজিপি বলেন, ঈদ জামাতের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়চ্ছে। গতকয়েক বছর ধরে শোলাকিয়ার মতো লাখ লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে দিনাজপুরেও বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমরা প্রতিটি ঈদের জামাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ঈদের জামাতের আগে ও পরের সতর্কতা প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, আমরা মনে করি প্রত্যেকটি জামায়াত নিরাপদে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরো বলেন, নির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই আমাদের এখন পর্যন্ত এবং আমরা আশঙ্কা করছি না এমন কোনো হুমকির। আমাদের সকল ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। যে কোনো হুমকির জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি। এবং সেই প্রস্তুতি অনুযায়ী কিন্তু সবাই পরিকল্পনা সাজিয়েছে। এর আগে পুলিশ লাইন মসজিদে সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেননের উপস্থিতিতে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন আইজিপি। এ সময় তিনি বলেন, বলেন, পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধ গড়ে তোলার জন্য প্রতি বছর আযান, কেরাত ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। যাতে তারা ইসলামী আদর্শে উজ্জীবিত হতে পারে। আযানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নায়েক মো. সাইফুল ইসলাম ১ম, নৌ-পুলিশ, ঢাকার এএসআই এম মহিউদ্দিন ২য় এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের নায়েক মো. ওমর ফারুক ৩য় স্থান অর্জন করেন। কেরাতে পুলিশ একাডেমী, সারদা, রাজশাহীর নায়েক মো. আরিফুর রহমান ১ম স্থান, পুলিশ স্টাফ কলেজের কনস্টবল খান হাসিবুর রহমান ২য় এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নায়েক মো, সাইফুল ইসলাম ৩য় স্থান অধিকার করেন। মাদক দ্রব্যের ব্যবহার ও বিস্তার রোধে ইসলামের ভূমিকা’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় নৌ-পুলিশের এএসআই এম মহিউদ্দিন ১ম, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এএসআই হাফেজ ওমর আহমাদ ২য় এবং এসবি, ঢাকার উচ্চমান সহকারী শেখ রেজাউল কবীর ৩য় স্থান অধিকার করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর