প্রধানমন্ত্রী ঠিক লোককে ঠিক জায়গায় বসিয়েছেন : কাদের
অনলাইন ডেস্ক: নতুন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ঠিক লোককে ঠিক জায়গায় বসিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সঠিক লোকই নির্বাচিত করেছেন। ঠিক মানুষকে ঠিক জায়গায় দায়িত্ব দিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সেতুমন্ত্রী এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা আমাদের যেটি ফোকাস, আমরা জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেব, কাজ করব- সেটিই অঙ্গীকার। শরিকদের মন্ত্রিত্ব নিয়ে তিনি বলেন, জোটে কোনো টানাপড়েন নেই। সবে একটি সভা হল। মেনন বা ইনু মন্ত্রিসভায় অনেক পরে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হবে, রিশাফল হবে। পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারণ হবে- সেটাই স্বাভাবিক। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, জোটের কোনো শর্ত ছিল না যে, তাদের কাউকে মন্ত্রী করতে হবে। ‘টানাপড়েন নেই। ভুল বোঝাবুঝি আছে, ঠিক হয়ে যাবে। কারণ তারা দুঃসময়ের সঙ্গী। তিনি বলেন, আমাদের অনেকে বাদ পড়েছেন। এটি বাদ নয়, দায়িত্ব পরিবর্তন করা হয়েছে। তাদের দায়িত্ব পরিবর্তন হয়েছে। দলের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করবেন।
পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ মিরপুরে
অনলাইন ডেস্ক: সরকারি মজুরি কাঠামো বৃদ্ধি ও বাস্তবায়নের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করেছে পোশাকশ্রমিকরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টার পর থেকে তারা মিরপুরের কালশী সড়কে অবস্থান নেন। তাদের সরিয়ে দিতে একবার ধাওয়া দেয় পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকাল থেকে ২২ তলার পোশাক শ্রমিকরা রাস্তায় অবস্থান নেন। তাদের অবস্থানের কারণে বর্তমানে সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একবার সরে গেলেও শ্রমিকরা আবার অবস্থান নেন। এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোবারক করিম বলেন, মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের দাবিতে তারা মূল সড়কে অবস্থান নিয়েছে। ওসি নজরুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এর আগে গত দুই দিনও বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ, ন্যূনতম মজুরি কাঠামো বৃদ্ধি ও বাস্তবায়নের দাবিতে এয়ারপোর্ট, উত্তরা, টঙ্গী, গাজীপুর সড়কে অবস্থান নেন পোশাক শ্রমিকরা।
প্রধানমন্ত্রী ও নতুন মন্ত্রী পরিষদের শ্রদ্ধা জাতির পিতার প্রতি
অনলাইন ডেস্ক: টানা তৃতীয় বারের মতো তাঁর সরকার গঠন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর শপথ গ্রহণের একদিন পরে শেখ হাসিনা আজ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পর স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলের নবনিযুক্ত মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের নিয়ে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে আরেকবার শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ এবং হুইপবৃন্দ, আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সদস্যবৃন্দ এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের পরেই প্রধানমন্ত্রী তাঁর নবনিযুক্ত মন্ত্রী সভার সদস্যদের নিয়ে ৭১র মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিপুল বিজয়ের পর গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী টানা তৃতীয় বার এবং এ নিয়ে মোট চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং তাঁর নবগঠিত ৪৭ সদস্যের মন্ত্রী সভা শপথ গ্রহণ করেন। বঙ্গভবনের দরবার হলে এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধামন্ত্রী এবং নতুন মন্ত্রী সভায় ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং ৩ জন উপমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ এই শপথ বাক্য পাঠ করান।
যত অর্জন শেখ হাসিনার
অনলাইন ডেস্ক: টানা তৃতীয়বার এবং দেশের ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে নতুন রেকর্ড গড়লেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে নতুন মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। আজ সোমবার বিকেল ৩টা ৩৭ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বঙ্গভবনের দরবার হলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ৫৬ অনুচ্ছেদের তিন দফা অনুযায়ী প্রথমে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড শেখ হাসিনার। টানা তিনবার তো কেউ প্রধানমন্ত্রী হননি বরং চারবার প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার দৃষ্টান্ত তিনিই স্থাপন করেছেন। শেখ হাসিনা নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী ও বৃহত্তম দল আওয়ামী লীগকে। ওই দলের প্রধান হিসেবে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা। টানা ৩৮ বছর ধরে দলটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। ওই বছর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়। ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন তিনি প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এরপর ২০০৮, ২০১৪ ও সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বিপুল আসনে জয়ী হয়। তিনটি জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শেখ হাসিনা বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন। ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ২০০১ সালে তিনি ছিলেন সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা। সংগ্রামী শেখ হাসিনা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের পাঁচ সন্তানের মধ্যে শেখ হাসিনা সবার বড়। গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সরকারি ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজের (বর্তমানে ইডেন মহিলা কলেজ) ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) হয়েছিলেন। তিনি এই কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পরের বছর সভাপতি ছিলেন। শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন সদস্য এবং ছাত্রলীগের রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই শেখ হাসিনা সব গণআন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা ওই সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান। পরবর্তীকালে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছয় বছর ভারতে অবস্থান করেন। ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ডে থেকে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষ করে অবশেষে তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।
দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপন জারি নতুন মন্ত্রীদের
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আজ সোমবার বিকালে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী রুলস অব বিজনেস-১৯৯৬ এর রুল ৩ (৪) অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সদস্যদের মাঝে দপ্তর বণ্টন করেছেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ তথ্য দিয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে থাকবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এছাড়া, পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আ ক ম মোজাম্মেল হক (মুক্তিযুদ্ধ), ওবায়দুল কাদের (সড়ক পরিবহন ও সেতু), আবদুর রাজ্জাক (কৃষি), আসাদুজ্জামান খান (স্বরাষ্ট্র), মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ (তথ্য), আনিসুল হক (আইন, বিচার ও সংসদ), আ হ ম মুস্তফা কামাল (অর্থ), তাজুল ইসলাম (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়), ডা. দীপু মনি (শিক্ষা), এ কে আবদুল মোমেন (পররাষ্ট্র), এম এ মান্নান (পরিকল্পনা), নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (শিল্প), গোলাম দস্তগীর গাজী (বস্ত্র ও পাট), জাহিদ মালেক (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ), সাধন চন্দ্র মজুমদার (খাদ্য), টিপু মুনশি (বাণিজ্য), নুরুজ্জামান আহমেদ (সমাজকল্যাণ), শ ম রেজাউল করিম (গৃহায়ন ও গণপূর্ত), মো. শাহাব উদ্দিন (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন), বীর বাহাদুর ঊশৈসিং (পার্বত্য চট্টগ্রাম), সাইফুজ্জামান চৌধুরী (ভূমি), নুরুল ইসলাম সুজন (রেলপথ), স্থপতি ইয়াফেস ওসমান (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) ও মোস্তাফা জব্বার (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি)। তাদের মধ্যে শেষের দুজন টেকনোক্র্যাট হিসেবে মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন- কামাল আহমেদ মজুমদার (শিল্প), ইমরান আহমেদ (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান), জাহিদ আহসান রাসেল (যুব ও ক্রীড়া), নসরুল হামিদ (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ), আশরাফ আলী খান খসরু (মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ), মন্নুজান সুফিয়ান (শ্রম ও কর্মসংস্থান), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (নৌ পরিবহন), জাকির হোসেন (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা), শাহরিয়ার আলম (পররাষ্ট্র), জুনায়েদ আহমেদ পলক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ), ফরহাদ হোসেন (জনপ্রশাসন), স্বপন ভট্টাচার্য (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়), জাহিদ ফারুক (পানিসম্পদ), মো. মুরাদ হাসান (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ), শরীফ আহমেদ (সমাজকল্যাণ), কে এম খালিদ (সংস্কৃতি), এনামুর রহমান (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ), মাহবুব আলী (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন) ও টেকনোক্র্যাট হিসেবে শেখ মো. আবদুল্লাহ (ধর্ম)। উপমন্ত্রী হয়েছেন- বেগম হাবিবুন নাহার (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন), এ কে এম এনামুল হক শামীম (পানিসম্পদ) ও মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (শিক্ষা)। এর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সোমবার টানা তৃতীয়বারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। সেই সাথে তাঁর নতুন মন্ত্রিসভার ৪৬ সদস্যও শপথগ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বঙ্গভবনে বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী, ৩টা ৪৬ মিনিটে ২৪ মন্ত্রী, ৩টা ৫৩ মিনিটে ১৯ প্রতিমন্ত্রী ও ৩টা ৫৭ মিনিটে তিন উপমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করান।
বুধবার টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আগামী বুধবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চতুর্থবারের মত প্রধানমন্ত্রী ও একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভা গঠন শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব কাজী নিশাত রসুল স্বাক্ষরিত গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমানের কাছে পাঠানো এক ফ্যাক্স বার্তায় জানানো হয়, আগামী বুধবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৯ টা ৫০ মিনিটে গণভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ১০টায় বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে হেলিকপ্টার যোগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কমপ্লেক্স মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করবেন। বেলা ১১টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে উপস্থিত হয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। পরে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নিবেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার প্রদান করবেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের টুঙ্গিপাড়ায় আগমন উপলক্ষে জেলার সর্বত্র ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আমি সম্পূর্ণ সুস্থ ৮৫ বছর বয়সেও: মুহিত
অনলাইন ডেস্ক: বিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ৮৫ বছর বয়সেও আমি সম্পূর্ণ সুস্থ। বার্ধক্য ছাড়া আমার কোনো রোগ নেই। মস্তিষ্কও ঠিকমতো কাজ করছে। তারপরও আমাকে অবসর দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ। আজ সোমবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। এ সময় নতুন মন্ত্রিসভার পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানসহ অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মুহিত বলেন, আগেও একবার অবসরের আবেদন করেছিলাম। তখন প্রধানমন্ত্রী বললেন, আপনি এখনো পুরোপুরি অ্যাকটিভ। আরো কাজ করতে হবে আপনাকে। অবসরে বই পড়ে ও বই লিখে সময় পার করবেন বলে জানালেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বললেন, আমার সংগ্রহে ৫০ হাজার বই আছে। এগুলো পড়ে শেষ করব। ৩৪টি বই লেখা হয়েছে। আরো একটি বই লেখার কাজে হাত দিয়েছি। এটা শেষ করতে পারলে জীবনে আর কোনো অপূর্ণতা থাকবে না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেননি মুহিত। ২০০৮ ও ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত হন তিনি। এবার ওই আসন থেকে নির্বাচন করে জয়ী হন তাঁরই ছোট ভাই এ কে আবদুল মোমেন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে মোট ১২টি বাজেট উপস্থাপন করেছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে চলতি অর্থবছর পর্যন্ত টানা ১০টি বাজেট উপস্থাপন করেছেন মুহিত। অন্য দুটি যখন উত্থাপন করেন, তখন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিলেন শেখ হাসিনা
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। আজ সোমবার বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে এই অনুষ্ঠান শুরু হয়। জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর বঙ্গভবন জামে মসজিদের পেশ ইমাম কোরআন তিলাওয়াত করেন। এরপরই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে টানা তৃতীয়বারের মতো শপথবাক্য পাঠ করান। শপথবাক্য পাঠ শেষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করমর্দন করেন। পরে সেখানে রাখা শপথবাক্য পত্রে স্বাক্ষর করেন। এর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঞ্চ থেকে নেমে এসে প্রথমেই সেখানে বসে থাকা ছোট বোন ও বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানাকে জড়িয়ে ধরেন। পরে নিজের আসনে গিয়ে বসেন এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান দেখেন। এর আগে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে বঙ্গভবনে পৌঁছান। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সেখানে পৌঁছান সাড়ে ৩টার দিকে। নতুন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে বিলোপ হয়ে গেল পুরোনো মন্ত্রিসভা। শুরু হলো আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন একাদশ জাতীয় সংসদের নতুন মন্ত্রিপরিষদের কাজ। দুপুরের পর থেকেই মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির জন্য ডাক পেয়েছেন এমন সংসদ সদস্য ও ব্যক্তিরা বঙ্গভবনে আসতে শুরু করেন। তিন স্তরের নিরাপত্তা পেরিয়ে তাঁদের দরবার হলে প্রবেশ করতে হয়। সেখানে প্রায় এক হাজার অতিথি বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিখুঁতভাবে শপথপর্ব সম্পন্ন করার জন্য শেষ মুহূর্তের তদারকির কাজ করছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিপুলভাবে জয়লাভ করে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট। এর পর গত ৩ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ, তার নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিকরা এবং জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ নেন। ওই দিনই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি তাঁকে সরকার গঠনের আহ্বান জানান। এরপর গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রীসহ ৪৭ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে আগে মন্ত্রী ছিলেন বা জ্যেষ্ঠ নেতা এমন ৩৬ জন বাদ পড়েছেন। বাদ পড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিকরাও। মন্ত্রিসভায় নতুন এসেছেন ৩১ জন। এর মধ্যে ২৭ জন একেবারেই নতুন। অন্যান্যবারের মতো এবারও মন্ত্রিপরিষদে শরিকদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে, এটা বিভিন্ন গণমাধ্যমে নানাভাবে আলোচনায় ছিল। কিন্তু মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য ডাক পাওয়ার তালিকায় শরিকদের কারো নাম না থাকায় অনেকেই অবাক হন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা আর বিশ্লেষণ। আজ দুপুর ২টার দিকে বঙ্গভবনে প্রবেশ করতে দেখা গেছে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে ডাক পাওয়া এনামুল হক শামীম, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ডা. দীপু মনি, টিপু মুনশি প্রমুখ। আসছেন আজকের অনুষ্ঠানের অতিথিরাও। বঙ্গবভনের ভেতর ও বাইরে থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের অনুষ্ঠানটি কাভার করতে দেখা গেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রদত্ত তালিকা অনুযায়ী ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রীরা ও তাঁদের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় হচ্ছে—মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় আ ক ম মোজাম্মেল হক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ওবায়দুল কাদের, কৃষি মন্ত্রণালয় মো. আবদুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আসাদুজ্জামান খাঁন, তথ্য মন্ত্রণালয় ড. হাছান মাহমুদ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় আনিসুল হক, অর্থ মন্ত্রণালয় আ হ ম মুস্তফা কামাল, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় মো. তাজুল ইসলাম, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ডা. দীপু মনি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কে আবদুল মোমেন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এম এ মান্নান, শিল্প মন্ত্রণালয় নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় গোলাম দস্তগীর গাজী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় জাহিদ মালেক, খাদ্য মন্ত্রণালয় সাধন চন্দ্র মজুমদার, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় টিপু মুনশি, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নুরুজ্জামান আহমেদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় শ. ম. রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় মো. শাহাব উদ্দিন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় বীর বাহাদুর উ শৈ সিং, ভূমি মন্ত্রণালয় সাইফুজ্জামান চৌধুরী, রেলপথ মন্ত্রলণালয় মো. নূরুল ইসলাম সুজন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় স্থপতি ইয়াফেস ওসমান এবং ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় মোস্তাফা জব্বার। ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন—শিল্প মন্ত্রণালয় কামাল আহমেদ মজুমদার, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ইমরান আহমদ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জাহিদ আহসান রাসেল, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় নসরুল হামিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় মো. আশরাফ আলী খান খসরু, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় মন্নুজান সুফিয়ান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মো. জাকির হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মো. শাহরিয়ার আলম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ জুনাইদ আহমেদ পলক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ফরহাদ হোসেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় স্বপন ভট্টাচার্য, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জাহিদ ফারুক, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় মো. মুরাদ হাসান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় শরীফ আহমেদ, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় কে এম খালিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ডা. মো. এনামুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় মো. মাহবুব আলী এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন বিকেলে
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে বিকেলে। সোমবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটায় বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন। গতকাল রোববার (৬ জানুয়ারি) এক ঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে ঘোষণা করা হয় মন্ত্রিসভার ৪৬ সদস্যের নাম। নতুন মন্ত্রিসভার সবাই আওয়ামী লীগের। এ সভায় পূর্ণমন্ত্রী থাকছেন ২৪ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৯ এবং উপমন্ত্রী ৩ জন। ৩১ জন নতুন মুখের মধ্যে ২৭ জনই প্রথমবারের মতো স্থান পেয়েছেন মন্ত্রিসভায়। ওবায়দুল কাদের ও ইয়াফেস উসমান ছাড়া দুই মেয়াদে মন্ত্রী ছিলেন এমন কেউই স্থান পাননি নতুন মন্ত্রিসভায়। এই প্রথম শেখ হাসিনার সরকারে শরিকদের কারো জায়গা হয়নি। ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নাম ও দফতর চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে নতুন গাড়ি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত ৩ জানুয়ারি নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। এরপর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

জাতীয় পাতার আরো খবর