বদলীর তদবীর গ্রাহ্য করা হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ঢাকার বাইরে থেকে ঢাকায় আসার জন্য চিকিৎসক-নার্সদের আর কোনো তদবীর গ্রাহ্য করা হবে না।মঙ্গলবার সচিবালয়ের মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সারাদেশের হাসপাতালগুলোর পরিচালকদের সাথে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বলেন।জাহিদ মালেক বলেন, ঢাকার বাইরে থাকা চিকিৎসক ও নার্সদের নানা অজুহাতে ঢাকায় পদায়নের ব্যাপারে নানাভাবে তদবীর করা হয়। এসব তদবীরের কারণে ঢাকার বাইরে থাকা হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে চিকিৎসক ও নার্সদের সংকট দেখা যাচ্ছে, যা মোটেও কাম্য নয়।তিনি বলেন, ঢাকার মানুষদের যেমন স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার আছে, তেমনি ঢাকার বাইরের মানুষেরও চিকিৎসা সেবা দরকার আছে। সব চিকিৎসক, নার্সরা ঢাকায় আসার জন্য তদবীর করে সফল হলে ঢাকার বাইরে স্বাস্থ্যসেবা ঝুঁকিপূর্ণ হবে। কাজেই ঢাকার বাইরে থেকে ঢাকায় আসার জন্য চিকিৎসক-নার্সদের আর কোনো তদবীর গ্রাহ্য করা হবে না।স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ এনডিসি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হবে খালেদাকে
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশে কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে সরিয়ে নেয়া হবে। কেরানীগঞ্জের কারাগারের ভেতরে স্থাপিত বিশেষ আদালতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এর আগে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।এতে বলা হয়েছে, কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে একটি নবনির্মিত ভবনকে অস্থায়ী আদালত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিট্যাবল ট্রাস্ট মামলায় দণ্ডাদেশ পাওয়া বিএনপি প্রধান এখন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তরের ব্যাপারে চিকিৎসকদের ছাড়পত্রের নির্ভর করা হবে।খালেদা জিয়াকে কবে নাগাদ কেরানীগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর করা হতে পারে?এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, তাঁর চিকিৎসা হচ্ছে। ডাক্তার যখন বলবে যে তাঁর চিকিৎসা সম্পন্ন হয়ে গেছে, তখন তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে।আইনমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার সবগুলি মামলা বিশেষ আদালতে ছিল। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশেই। খালেদা জিয়া দোষী সাব্যস্ত করার আগে থেকেই কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে বিশেষ আদালত স্থানান্তর করে তাঁর বিচার কাজ চলছিল।ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যেহেতু কেরানীগঞ্জে চলে গেছে সেজন্য সেখানে বিচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতাল থেকে কারাগারে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলে খালেদা জিয়ার কি কোন স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে?আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা তো এমন কোন কথা বলি নাই যে কালকেই নিয়ে যাব, কালকেই বিচার শুরু হবে। ডাক্তাররা যতক্ষণ পর্যন্ত ছাড়পত্র না দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তো আমরা বলি নাই যে তাকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হবে।ডাক্তারদের ছাড়পত্রের উপর ভিত্তি করে খালেদা জিয়াকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নিয়ে যাওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।আইনমন্ত্রী বলেন, কেরানীগঞ্জ কারাগারের ভেতরে আদালত বসানো হয়েছে এবং সেখানেই খালেদা জিয়ার বিচার হবে। খালেদা জিয়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার কি বিশেষ কোন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ থাক আর না থাক, আমরা কোন ঝুঁকি নিতে চাইনা। ঝুঁকিপূর্ণ এমন কোন তথ্যাদি আমাদের কাছে নাই। কিন্তু আমরা সব ব্যাপারেই সিকিউরিটি কনসার্ন। তিনি বলেন, ঝুঁকি তৈরি হতে পারে এরকম কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন সরকার হতে চায়না। আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারের সুবিধার্থে এবং নিরাপত্তার বিবেচনায় কেরানীগঞ্জে ইতোমধ্যে একটি ভার্চুয়াল কোর্ট তৈরি করা হয়েছে। সরকার যে ই-জুডিশিয়ারি স্থাপন করছে সেখানে একটি বিধান রাখা হচ্ছে যাতে হাই সিকিউরিটি কারাবন্দীরা কারাগার থেকে সাক্ষ্য দিতে পারে। সে কারণে কেরানীগঞ্জে কারাগারের ভেতরে আদালত স্থাপন করা হয়েছে, বলছিলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন , ঢাকা শহরের ভেতরে বর্তমানে কোন কেন্দ্রীয় কারাগার নেই। যেহেতু কেন্দ্রীয় কারাগারটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা হয়েছে সেজন্য খালেদা জিয়াকেও সেখানে স্থানান্তর করা হবে। খালেদা জিয়া একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি। ওনাকে মুভ করার জন্য আগেও একটা স্পেশাল কোর্ট ছিল জেলখানার কাছে, বলছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সূত্র : বিবিসি
মুক্তিযোদ্ধারা কখনো ভুয়া হতে পারে না :হাইকোর্ট
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুক্তিযোদ্ধা শব্দের আগে ভুয়া বলে সম্বোধন করা যাবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। যদি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের কেউ এটা করে তাহলে তাদের তলব করা হবে বলেও হুঁশিয়ার করেছেন আদালত।আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানিতে এই আদেশ দেন। আদালত বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সনদ ভুয়া হতে পারে কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা কখনো ভুয়া হতে পারে না। তাই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শব্দের ব্যবহার করা যাবে না। একজন ভুয়া সনদধারীর কারণে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ভুয়া বলা যায় না।এ সময় আদালতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত মামলার শুনানিকালে আদালত বলেছেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে ভুয়া বলে সম্বোধন করা যাবে না। যদি সরকারি-বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যম এটা করে তাহলে তলব করা হবে।
বেগম খালেদা জিয়া নিয়মিত রোজা রাখছেন
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন ও নিয়মিত রোজা রাখছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমি যতটুকু জানি, উনি রোজা রাখছেন। ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিসের ওষুধ নিচ্ছেন, ইনসুলিন নিচ্ছেন। আগে ইনসুলিন নিতেন না, সে জন্য ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে ছিল না। এখন উনি (খালেদা জিয়া) ইনসুলিন নিচ্ছেন, এখন উনার শরীর মোটামুটি ভালো আছে- আমরা যেটুকু খবর পেয়েছি। আমরা খবর পেয়েছি- উনি আগের চেয়ে অনেক সুস্থ।গত বছর ৮ই ফ্রেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন সড়কের পুরনো কারাগারে বন্দি থাকার পর গত ১লা এপ্রিল চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।
দুই কিলোমিটার দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে পদ্মা সেতু
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দ্রুতগতিতে এগুচ্ছে পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ। এরইমধ্যে সেতুর ১২টি স্প্যান বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার পদ্মার বুকে বসানো হচ্ছে আরও একটি স্প্যান। এটি হবে পদ্মা সেতুর ১৩তম স্প্যান। এই স্প্যান বসানো হলে সেতুর ১৯৫০ মিটার বা প্রায় ২ কিলোমিটার দৃশ্যমান হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের '৩-বি' নম্বরের স্প্যানটি মাওয়া প্রান্তের ১৪ ও ১৫ নম্বর খুঁটির ওপর বসানো হবে। এখন চলছে শেষ সময়ের কর্মযজ্ঞ। স্প্যানটিকে বর্তমানে মাওয়া প্রান্তের কুমারভোগ কনস্ট্রাকশনের স্টেক ইয়ার্ডে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ৩৬০০ টন ওজন ক্ষমতার শক্তিশালী ক্রেনবাহী ভাসমান জাহাজ 'তিয়ান-ই' স্প্যানটিকে খুঁটির কাছে নিয়ে যাবে। সেতু প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর জানান, ৪২টি খুঁটির ওপর ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। এরপরই মাথা তুলবে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের স্বপ্নের পদ্মা সেতু। চলতি মাসের শেষদিকে জাজিরা প্রান্তে আরও একটি স্প্যান (১৪তম) বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে গত ৬ মে মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের মাঝামাঝি স্থানে ২০ ও ২১ নম্বর খুঁটির ওপর বসানো হয়েছে ১২তম স্প্যান।
মওদুদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা চলবে
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলাটি চলতে আর কোনো বাধা রইল না। এর আগে দুদকের মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে মওদুদ আহমদের করা আবেদন সরাসরি খারিজ করেন হাইকোর্ট। এ আদেশের বিপক্ষে আপিল করেন মওদুদ আহমদ। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে মওদুদের এই আবেদন খারিজ করে মঙ্গলবার (১৪ মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আদালতে মওদুদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। আর দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। গত ৮ এপ্রিল বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ মওদুদের আবেদন খারিজ করে দেন। পরে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন তিনি। প্রসঙ্গত জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৭ কোটি ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৭ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৪ কোটি ৪০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৭৫ টাকার তথ্য গোপনের অভিযোগে মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ।
চলতি বছরেই ঢাকা-চীন রুটে ফ্লাইট চালু
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে চীনের বাণিজ্যিক নগরী গুয়াংজুতে ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। আগামী জুলাইয়ে বহুল প্রত্যাশিত এই ফ্লাইটের যাত্রা শুরুর পর অক্টোবরে চালু হবে সৌদি আরবের মদিনাগামী সরাসরি ফ্লাইট। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গুয়াংজুতে সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে অনেকটাই কমবে পণ্য আমদানি-রফতানির ব্যয় ও সময়। আর মদিনার ফ্লাইটে উপকৃত হবেন প্রবাসী শ্রমিক ও হজ যাত্রীরা। তবে দু'টি রুট লাভজনক করতে সেবার মান ও শিডিউল ঠিক রাখার তাগিদ দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। দেশটি থেকে বছরে প্রায় ১২০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশ। চীনে রফতানি হয় বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ বেশ কিছু পণ্য। বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে ফ্লাইট চালুর দাবিও দীর্ঘ দিনের। এর আগে কয়েকবার উদ্যোগ নিলেও সফল হয়নি বিমান। অবশেষে আগামী জুলাইয়ে ঢাকা-গুয়াংজু রুটে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে বিমানের ফ্লাইট। এছাড়া, প্রবাসী শ্রমিক ও ওমরাহ যাত্রীদের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে অক্টোবরে সৌদি আরবের মদিনায় ফ্লাইট চালু করবে সংস্থাটি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ বলেন, এই ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আমরা চীন সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম। আমরা সেই অনুমোদন পেয়েছি। আগামী জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকে আমরা ঢাকা-গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে ঢাকা-মদিনা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করছি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গুয়াংজুতে সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে সহজ হবে পণ্য আমদানি ও রফতানি, কমবে ব্যয়। আর মদিনা ফ্লাইটে ওমরাহ যাত্রীদের পাশাপাশি উপকৃত হবেন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকরা। তবে যাত্রী আকর্ষণে সাশ্রয়ী ভাড়া ও সেবার মান ঠিক রাখার আহ্বান তাদের। বাংলাদেশ ফ্রেইটফলওয়াডার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক মোহাম্মদ বখতেয়ার বলেন, যদি ঠিকভাবে মার্কেটিং করতে পারে তবে ঢাকা-গুয়াংজু রুটের ফ্লাইট অবশ্যই লাভজনক হবে। দামের ক্ষেত্রে বর্তমান বাজার মূল্যের চাইতে কিছুটা সাশ্রয়ী হতে হবে। সদ্য চালু হওয়া নয়াদিল্লী ফ্লাইটসহ বর্তমানে ১৬টি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে বাংলাদেশ বিমান। গুয়াংজু ও মদিনায় ফ্লাইট চালু হলে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৮টিতে।
নিহত ২৭ বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৭ জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস)। এদের মধ্যে ২০ জনই বৃহত্তর সিলেটের। গত বৃহস্পতিবার রাতে তিউনিশিয়ায় উদ্ধার হওয়া ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন বাংলাদেশি। তাঁরা জানিয়েছেন, ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে ৫১ জন বাংলাদেশি ছিল। এদিকে ওই নৌকার আরোহী বাংলাদেশিদের স্বজনরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে ইতালি পৌঁছে দেওয়ার জন্য দালালচক্র প্রথমে পাঁচ থেকে আট লাখ টাকা নিয়েছে। এরপর লিবিয়া নিয়ে তাঁদের নির্যাতন করে দেশ থেকে স্থানীয় চক্রের মাধ্যমে আরো আড়াই লাখ করে টাকা আদায় করেছে। গতকাল সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিডিআরসিএসের পারিবারিক যোগাযোগ পুনঃস্থাপন বিভাগের পরিচালক জাফর ইমাম শিকদার জানান, তিউনিশিয়া রেড ক্রিসেন্টের প্রাদেশিক প্রধান ড. মাঙ্গি সিলামের মাধ্যমে জীবিত চার বাংলাদেশির সঙ্গে ফোনালাপের মাধ্যমে পাওয়া তথ্যানুযায়ী নিহত ২৭ জনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ছাড়া পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো গতকাল সকাল পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি নেভি ক্যাম্পে ছিল। বিডিআরসিএস জানায়, নিহতরা হলেন সিলেটের মনির, জিল্লুর রহমান ও কাসিম আহমেদ, ফেঞ্চুগঞ্জের আয়াত, লিমন আহমেদ, আব্দুল আজিজ ও আহমেদ, দক্ষিণ সুরমার জিল্লুর, হাউড়তোলার আমাজল, বিশ্বনাথের খোকন, রুবেল ও বেলাল, গোলাপগঞ্জের মারুফ, বিয়ানীবাজারের রফিক ও রিপন, সুনামগঞ্জের মাহবুব নামে দুজন ও নাদিম, মৌলভীবাজার কুলাউড়ার শামিম, বাইল্যাহারের ফাহাদ, নোয়াখালীর চাটখিলের জয়াগ গ্রামের নাসির, ঢাকার টঙ্গীর কামরান, কিশোরগঞ্জের জালাল উদ্দিন ও আল-আমিন, মাদারীপুরের সজীব ও শরীয়তপুরের পারভেজ ও কামরুল আহমেদ মারুফ প্রমুখ। নৌকাডুবি থেকে বেঁচে যাওয়া শিশির বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে ফোনে জানান, বেঁচে যাওয়া ছয়জনের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার চারুগা গ্রামে। তাঁরা হলেন, রাজীব, উত্তম, পারভেজ, রনি, সুমন ও জুম্মান। এদিকে নৌকাডুবিতে নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা উৎকণ্ঠায় আকুল। নিখোঁজদের মধ্যে শরীয়তপুরের চারজন রয়েছেন। তাঁরা হলেন নড়িয়া উপজেলার ভূমখাড়া ইউনিয়নের পাটদল গ্রামের মৃত হাসেম মোল্যার ছেলে সুমন মোল্যা (২৬), দক্ষিণ চাকধ গ্রামের গৌতম দাসের ছেলে উত্তম দাস (২৩), হারুন হাওলাদারের ছেলে জুম্মান হাওলাদার (১৯) ও চাকধ গ্রামের মোর্শেদ আলী মৃধার ছেলে পারভেজ মৃধা (২২)। ডুবে যাওয়া নৌকার আরোহী দক্ষিণ চাকধ গ্রামের আলাউদ্দিন মকদমের ছেলে শিশির মকদম (২২) ও শিশিরের মামা নলতা গ্রামের মিন্টু মিয়া (৩০) তিউনিশিয়ার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন বলে জানিয়েছে পরিবার। ওই যুবকরা গত বছর রমজান মাসে সময় স্থানীয় ‘মানবপাচারকারী’ কেদারপুর গ্রামের আক্কাছ মাদবরের সঙ্গে লিবিয়া যায়। নিখোঁজ যুবকদের পরিবারের সদস্যরা জানান, আক্কাছ মাদবরের সঙ্গে ওই যুবকদের চুক্তি হয় লিবিয়া পৌঁছে দেওয়ার জন্য। লিবিয়া পৌঁছে দিতে প্রত্যেকের কাছ থেকে চার লাখ ৭০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এরপর লিবিয়া থেকে ইতালি পৌঁছে দেওয়ার জন্য মাদারীপুরের আলাল হোসেন নামে এক দালালের সঙ্গে ওই যুবকদের চুক্তি হয়। এ জন্য তাদের জনপ্রতি দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। আলাল হোসেন ওই যুবকদের ইতালি পৌঁছে দেওয়ার জন্য নৌকায় তুলে দেয়। নিখোঁজ জুম্মান হাওলাদারের বাবা হারুন হাওলাদার বলেন, জমি বিক্রি করে গত রমজান মাসে দালাল আক্কাছ মাদবরের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দেই। এক মাসের মধ্যে ইতালি পৌঁছে দেওয়ার কথা। এরপর লিবিয়া থেকে ছেলে মাঝে মাঝে ফোন করে জানাত দালালরা ওদের টাকার জন্য নির্যাতন করছে। এরপর আবার আড়াই লাখ টাকা পাঠাইছি। এখন আমার ছেলেটাই সাগরে ডুবে গেল। হটলাইন চালু : নৌকাডুবিতে নিহত ও জীবিত বাংলাদেশিদের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বিডিআরসিএস দুটি হটলাইন চালু করেছে। হটলাইন নম্বর দুটি হলো +৮৮-০২-৪৯৩৫৪২৪৬ ও ০১৮১১৪৫৮৫২১। এ ছাড়া ৪৯৩৫৪২৪৬ নম্বরে অফিস চলাকালীন প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এবং ০১৮১১৪৫৮৫২১ নম্বরটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছে রেড ক্রিসেন্ট কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, জাতীয় সদর দপ্তর, ৬৮৪-৬৮৬, বড় মগবাজার অথবা ৬৪টি জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটে আহত ও নিহতের স্বজনরা সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ ও রেড ক্রিসেন্টের সেবা নিতে পারবেন।
২৮ মে জাপান ও সৌদি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
১৪মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান ও সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন আগামী ২৮ মে। প্রথমে জাপান, এর পর সৌদি আরব সফর করবেন তিনি। এ ছাড়া তৃতীয় আরও একটি দেশে প্রধানমন্ত্রী সফরে যেতে পারেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, জাপান ও সৌদি আরবের সফরসূচি চূড়ান্ত হয়েছে। তৃতীয় দেশে সফর চূড়ান্ত করার ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা চলছে। তৃতীয় দেশের সফর চূড়ান্ত হলে ঈদের পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সূত্রটি আরও জানায়, আগামী ২৮ মে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। ২৯ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে। এ বৈঠকে বাংলাদেশকে জাপানের ২২০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি সই হতে পারে। এ ছাড়া টোকিওতে ৩০ ও ৩১ মে অনুষ্ঠিতব্য দুদিনব্যাপী ফিউচার অব এশিয়া সম্মেলনে অংশ নেবেন শেখ হাসিনা। জাপান সফর শেষে ৩০ মে সৌদি আরব রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ৩১ মে অনুষ্ঠিতব্য ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী ওমরাহ পালন করবেন। তৃতীয় আর একটি দেশে সফর চূড়ান্ত হলে সৌদি আরব থেকে ওই দেশে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তা হবে ব্যক্তিগত সফর। তৃতীয় দেশের সফর চূড়ান্ত হলে প্রধানমন্ত্রী ঈদের পর দেশে ফিরবেন বলে সূত্রে জানা গেছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর