আজ লন্ডন থেকে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লইটে লন্ডন থেকে আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেন। জাতিসংঘের এ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে শুক্রবার লন্ডন পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। শনিবার লন্ডনে কাটিয়েছেন তিনি। আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইটটি লন্ডনের স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। আগে শুক্রবার সকাল ১০টা ২৩ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। ১০ দিনের এ সফরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।
জয় আমাদের নিশ্চিত: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয় নিশ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন দলটি সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে গত ১০ বছরে যেসব উন্নয়ন হয়েছে তাতে নৌকা ভাসতে ভাসতে আগামী ডিসেম্বরে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে। শনিবার সকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে থেকে সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে সাংগঠনিক সফর শুরুর আগে এ কথা বলেন তিনি। আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী পথসভা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। গত ৩০ আগস্ট আকাশপথে ঢাকা থেকে সিলেটে যাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় নির্বাচনী যাত্রা। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর ট্রেনযোগে নীলফামারীর পথে দ্বিতীয় দফায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী যাত্রা হয়। এবারের যাত্রা শেষ হবে ২৪ সেপ্টেম্বর। সড়কপথে সাংগঠনিক সফরের রওনা হওয়ার আগে ওবায়দুল কাদের বলেন,এই সফরে আমরা নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার ব্যাপারে কথা বলবো। পাশাপাশি, কোন্দল মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দেব। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ সফর থেকে আমাদের সরকারের বিপুল উন্নয়ন ও অর্জনের বার্তাগুলো জনগণের কাছে পৌঁছে দেবো। আমরা আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার ব্যাপারে কথা বলব। আওয়ামী লীগের ওপর দেশের জনগণের আস্থা আছে এমনটা দাবি করে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন,আমাদের বিশ্বাস আছে। সেই সঙ্গে গত ১০ বছরে অর্জিত উন্নয়ন ও অর্জন এবং জনগণের ওপর যে আস্থা তাতে করে জয় আমাদের নিশ্চিত। পাশাপাশি আইআরআইয়ের যে সমীক্ষা, জনমত জরিপ তাতে দেখা গিয়েছে আমাদের নেত্রীর জনপ্রিয়তা ৬৬ শতাংশ। আর দল আওয়ামী লীগের ৬৪ শতাংশ পোলারিটি। এটিই বাংলাদেশের ছবি, এটিই জনমতের ছবি। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি তাহলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নৌকা ভাসতে-ভাসতে ডিসেম্বরে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে। এ সময় গুলিস্থানে মহানগর নাট্যমঞ্চে যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। অনুমতি নিয়ে তারা যেকোনো সময় মিটিং করতে পারেন। এক্ষেত্রে সরকারের সামান্যতম বাধা থাকার কোনো কারণ নেই। কাজেই তারা তাদের সভা করবে। আমাদের অসুবিধাটা কোথায়! তারা তাদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সভা করবে। এর মধ্যে সহিংস কোনো উপাদান যুক্ত হয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি তৈরি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।
শান্তির বাংলাদেশ গড়তে আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি: ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক: শান্তির বাংলাদেশ গড়ার জন্য সকলে এখানে উপস্থিত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। আজ বিকালে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্যের নাগরিক সমাবেশে স্বাগত বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, আপনারা অনেক কষ্ট করে এখানে হাজির হয়েছেন। এই জন্য আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাই। আমরা এমন এক সময় এখানে উপস্থিত হয়েছি যখন দেশে গণতন্ত্র নেই। জনগণ উদ্বেগ উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নেই। দেশে কার্যকর গণতন্ত্র নেই। দুর্নীতি ও দুঃশাসনে ভরে গেছে দেশ। যখন দেশ থেকে দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর হবে তখন বাংলাদেশে শান্তি দৃশ্যমান হবে। তিনি বলেন, জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক। জনগণের মত প্রকাশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। সেই লক্ষ্যে সুস্পষ্ট ঘোষণা প্রণয়ণের জন্য আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি। এখানে অনেক নেতা উপস্থিত হয়েছেন। আশা করি জনগণকে অনুপ্রেরিত করে বক্তব্য পেশ করবেন তারা। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমিনের পরিচালনায় ও ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী। এছাড়া ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মহসিন মন্টু, আওয়ামী লীগের সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মনসুর আহমদ, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন। শীর্ষ নিউজ
জাতীয় ঐক্য পক্রিয়ার সমাবেশ শুরু, যোগ দিয়েছে বিএনপি
অনলাইন ডেস্ক: ড. কামাল হোসেন, ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, আসম আব্দুর রব ও মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার উদ্যোগে গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে আয়োজিত আজকের সমাবেশে যোগ দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির সিনিয়র কয়েকজন নেতা। শনিবার বেলা পৌনে ৩ টার দিকে বিএনপি নেতারা সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। এরপর রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চের অডিটোরিয়ামে বিকাল তিনটার পর সমাবেশ শুরু হয়। গণফোরাম সভাপতি ও ঐক্য প্রক্রিয়ার আহবায়ক ড. কামাল হোসেনের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়। সূচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে এখন মানুষের ভোটাধিকার নেই। মানুষের ভোট ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেয়া হয়েছে। সমাবেশে বিএনপি মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতারা অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ ২০ দলের শরিক অন্যন্য দলের নেতারা মঞ্চে রয়েছেন। তিনটার পর সমাবেশ শুরু হলেও দুপুরের পর থেকেই নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। শীর্ষ নিউজ
ঢাকা উত্তর সিটির প্যানেল মেয়র ওসমান গণি আর নেই
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মো. ওসমান গণি সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এই নতুন দায়িত্ব নেন। তিনি ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সভাপতি ছিলেন। মেয়র আনিসুল হক অসুস্থ হওয়ার পর মো. ওসমান গনিকে প্রধান করে তিন সদস্যের প্যানেল মেয়র মনোনয়ন দেয় সরকার। ওসমান গনি ছাড়াও প্যানেল মেয়র হিসেবে মনোনীত অন্য দুজন হলেন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. জামাল মোস্তফা এবং সংরক্ষিত নারী আসনের (৩১, ৩২ ও ৩৪ ওয়ার্ডের) কাউন্সিলর বেগম আলেয়া সরোয়ার ডেইজী। শীর্ষ নিউজ
সাগরে নিম্নচাপ- বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এ কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য চার সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৬৩৫ কিমি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৭৫ কিমি. দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৭০ কিমি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৪০ কিমি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। যা আরও উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিমি এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিমি, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর মাঝারি ধরনের উত্তাল রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আমি সাংবাদিক পরিবারেরই একজন: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: নিজেকে সাংবাদিক পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি আপনাদের বাইরের কেউ নই। আমাকেও আপনাদের পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে গণ্য করবেন। তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সংবাদপত্রের সহযোগিতা তিনি কখনও সেভাবে পাননি। যদিও কে কী লিখল তা নিয়ে তিনি ভাবেন না। তিনি কাজ করেন আত্মবিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে। বুধবার অসুস্থ ও অস্বচ্ছল সাংবাদিকদের মধ্যে অনুদান বিতরণকালে বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ১১৩ জন অসুস্থ ও অস্বচ্ছল সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রহমত আলী এবং কয়েকজন সাংবাদিক নেতা। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন,ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনও সংবাদপত্রের সহযোগিতা ওইভাবে পাইনি। তবে সাংবাদিকদের সঙ্গে সবসময় সম্পর্ক ছিল। এটা হয়েছে জাতির পিতার কারণে। তিনি ইত্তেহাদ, মিল্লাত, ইত্তেফাক এসব পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ইত্তেফাক নিজে বিক্রি করেছেন। সাংবাদিকতায় তিনি কাজ করেছেন। তাঁর আত্মজীবনীতে লেখা আছে, তিনি সংবাদপত্রের লোক ছিলেন। এ হিসেবে আপনারা আমাকেও আপনাদের পরিবারের সদস্য হিসেবে গণ্য করবেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘সংবাদপত্রকে অনেকে বলেন সমাজের দর্পণ। এখন যোগ হয়েছে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া। আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে টেলিভিশন উন্মুক্ত করে দিই। এর উদ্দেশ্য ছিল কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানুষের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা। আমরা সংবাদপত্র খাতও উন্মুক্ত করে দিয়েছি। সাংবাদিকদের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে নিয়মিত প্রেসক্লাবে যেতাম। আড্ডা দিতাম, চা-পুরি, সিঙ্গারা খেতাম। শেখ হাসিনা বলেন, সকালে এক কাপ চা ও একটি পত্রিকা যে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ! টেলিভিশন বন্ধ রেখে সকালে পত্রিকা নিয়ে বসি। সব পত্রিকা যে পক্ষে লেখে তা নয়। প্রয়োজনীয় সংবাদগুলো মার্ক করি। সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে বলি। সংবাদপত্র থেকে অনেক তথ্য পাই। দুর্গম জায়গার অনেক তথ্যও সংবাদপত্রে আসে। তাতে আমরা সহযোগিতা পাই। এজন্য সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। সরকার সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কথা বলার স্বাধীনতা সবারই আছে। কাউকে বাধা দিইনি। কেউ বলতে পারবে না কারও গলা চিপে ধরেছি। সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করার দরকার সবই করছি। সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের প্রতি জাতির জনক আন্তরিক ছিলেন এমনটা জানিয়ে তার কন্যা বলেন, আপনারা জানেন, স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানিরা পত্রিকা পুড়িয়ে দিয়েছিল। স্বাধীনতার পর সমস্ত সাংবাদিককে কিন্তু সরকারি চাকরির মর্যাদা দিয়ে ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন জাতির জনক। তাদের অনেককে সরকারি চাকরি দিয়েছিলেন। এই সুযোগ দেয়ার জন্য একটি কমিটিও করা হয়েছিল। যদিও সেই কমিটির সদস্যরা পঁচাত্তরের পর সবচেয়ে বড় সমালোচক হয়েছিল। ;বঙ্গবন্ধু সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করেছিলেন এমন অপপ্রচারের জবার দেন শেখ হাসিনা। বলেন, পত্রিকা চালানোর মতো অনেকের ক্ষমতাই ছিল না। তাছাড়া স্বাধীনতাবিরোধীরা তখন সক্রিয় ছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশে তখন যে ভয়াবহ অবস্থা ছিল সেটা তুলে ধরতো না। এ সময় সাংবাদিকদের কল্যাণে জাতির পিতার নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি। সাংবাদিকদের কল্যাণে ট্রাস্ট গঠনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি দেখলাম সাংবাদিকরা কষ্ট পাচ্ছেন, তখন কল্যাণ ট্রাস্ট করে দিই। প্রথমে ২০ লাখ দিয়ে শুরু করি। এখন এই ট্রাস্টে আছে ১৪ কোটি টাকা। আমি আরও ১০ কোটি টাকা দেব। পরে সাংবাদিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি জানান, সংবাদপত্রের মালিকদের কাছ থেকে পাওয়া সাপেক্ষে তিনি আরও ২০ কোটি টাকা দেবেন এই ট্রাস্টে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এত দিচ্ছি, মিডিয়ার মালিকরা কেন দেবে না? আমাদের বলার পর মাত্র দুইজন দিয়েছেন। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (ইত্তেফাক) ও অঞ্জন চৌধুরী। সবার আগে টাকা নিয়ে আসেন মাছরাঙার অঞ্জন চৌধুরী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী একটু মজা করে বলেন, অনুদান যারা পাচ্ছেন গোপালগঞ্জের তো কেউ নেই, সব দেখি কুষ্টিয়ার (তথ্যমন্ত্রীর এলাকা)। তবে আমি এক দিক দিয়ে খুশি, কারণ গোপালগঞ্জে কোনো অস্বচ্ছল নেই। আমি চাই সবাই স্বচ্ছল হয়ে যাক। প্রধানমন্ত্রী জানান, তার সরকার সম্প্রচার নীতিমালা করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কল্যাণে অনলাইন সংবাদপত্রেরও বিকাশ ঘটছে। তবে ভয়ংকর অপপ্রচার ও গুজবও অনলাইনে প্রচারিত হয়। এজন্য একটি অনলাইন নীতিমা লা করছে তার সরকার। সাংবাদিকদের আবাসন সমস্যা সমাধানের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাম ফ্ল্যাট যখন করা হয় তখন বলেছিলাম সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের জন্যও বরাদ্দ থাকবে। কিন্তু আমরা আর আসতে পারিনি। এখন কিছু ফ্ল্যাট হচ্ছে, যা ভাড়া দিয়েই মূল্য পরিশোধ করা যাবে। এছাড়া প্লট যখন দেয়া হয় তখন অনেকেই পেয়েছেন। তবে এখন মনে হচ্ছে প্লট না দিয়ে ফ্ল্যাট করে দিলে অনেককে দিতে পারতাম। জাতির পিতার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। আমরাও তাতে বিশ্বাস করি। স্বাধীনতা ভালো, তবে বালকের জন্য নয়। বালকীয় আচরণ যেন কেউ না করে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচনে দিন বদলের কথা বলেছিলাম। দিন বদল হয়েছে, এটা এখন স্বীকার করবেন। তিনি বলেন, শুধু এতটুকু বলব, উন্নয়নে চেষ্টা করে যাচ্ছি, সফল কতটুকু, সুফল কতটুকু পেল মানুষই তা বিচার করবে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করা এটা আমার দায়িত্ব। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মাঝে মাঝে চিন্তা করি এত পরিশ্রম করি এতে লাভ কী। মূলত লাভের চিন্তা করি না। কী দিতে পারলাম, কী পরিবর্তন আনতে পারলাম সেটাই বিবেচ্য বিষয়।
ছয় দিনের সফরে লন্ডন-নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৩তম অধিবেশনে যোগ দিতে ছয় দিনের সরকারি সফরে আগামী শুক্রবার নিউইয়র্কের পথে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন। প্রধানমন্ত্রী ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন এবং একই দিনে তার জাতিসংঘ মহাসচিব এন্টোনিও গুতেরেজের সঙ্গে বৈঠক করারও কথা রয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। যাদের মধ্যে রয়েছেন- এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালিজুলেইদ এবং নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট। প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট মাইক পম্পের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। শুক্রবার সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট ব্রিটিশ রাজধানী লন্ডনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। একই দিনে লন্ডনের স্থানীয় সময় ৩টা ৫৫ মিনিটে বিমানটির হিথরো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাবেন। ব্রিটিশ রাজধানীতে দুই দিনের যাত্রাবিরতির পর প্রধানমন্ত্রী রবিবার সকালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটযোগে নিউইয়র্কের পথে লন্ডন ত্যাগ করবেন। বিমানটির ওইদিনই স্থানীয় সময় ১টা ৪০ মিনিটে নিউ জার্সির নিউইয়র্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ জিয়াউদ্দিন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাবেন। বিমানবন্দরে অর্ভ্যথনা পর্ব শেষে একটি সুশোভিত মোটর শোভাযাত্রা সহযোগে প্রধানমন্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের গ্রান্ড হায়াত হোটেলে নিয়ে যাওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন। প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রথম দিন সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের মিডটাউনের হোটেল হিলটনে প্রবাসী বাংলাদেশি আয়োজিত এক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী মিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠেয় গ্লোবাল কল টু অ্যাকশন অন ড্রাগ প্রবলেম শীর্ষক হাই লেভেল ইভেন্টে যোগদান করবেন। প্রধানমন্ত্রী সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশগ্রহণ করবেন। পরে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ইকোসক চেম্বারর (ইসিওএসওসি) ইউএন হাইকমিশনার ফর রিফ্যুজিস আয়োজিত গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন রিফ্যুজিস: এ মডেল ফর গ্রেটার সলিডারিটি অ্যান্ড কোঅপারেশ শীর্ষক হাইলেভেল ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের দ্বিপাক্ষিক সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন। প্রধানমন্ত্রী হোটেল গ্রান্ড হায়াতে যুক্তরাষ্ট চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত গোলটেবিল মধ্যাহ্নভোজন বৈঠকেও অংশ নেবেন। বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ পরিষদের সম্মেলন কক্ষে নেলসন ম্যান্ডেলা পিস সামিটেও বক্তৃতা প্রদানের কথা রয়েছে। নিউ ইয়র্কের কনভেন কনফারেন্স সেন্টারে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইমপ্যাক্ট সামিট-এও তাঁর যোগদানের কথা রয়েছে। শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুম ১১তে কানাডার প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত মহিলা এবং নারী শিক্ষায় বিনিয়োগ সংক্রান্ত একটি গোলটেবিল আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন। তিনি জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূতের আয়োজনে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ৩ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠেয় মেকিং ইমপসিবল পসিবল: আনলকিং হিউম্যান পটেনশিয়াল থ্রো দ্যা ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স ফ্যাসিলিটি ফর এডুকেশন শীর্ষক হাই লেভেল ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন। সন্ধ্যায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প আয়োজিত স্বাগত সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করবেন। সংবর্ধনাটি নিউ ইয়র্কের লোটিস্থ নিউ ইয়র্ক প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে। শেখ হাসিনা ২৫ সেপ্টেম্বর সাইবার নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক হাই লেভেল ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক কার্যালয় (ইউএনওডিএ) যৌথভাবে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ৩ নং কক্ষে এটির আয়োজন করবে। সাধারণ পরিষদ ভবনের নর্থ ডেলিগেট লাউঞ্জে জাতিসংঘের মহাসচিব আয়োজিত মধ্যাহ্ন ভোজে যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেলে জাতিসংঘের অছি পরিষদ আয়োজিত জাতিসংঘ মহাসচিবের হাই লেভেল ইভেন্ট অ্যাকশন ফর পিস কিপিং (এ ফোর পি) এ অংশগ্রহণ করবেন তিনি। ২৬ সেপ্টেম্বর, ইউনিসেফ-এর নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর, ইউএন হাই কমিশনার ফর রিফ্যুজিস (ইউএনএইচসিআর) ফিলিপ্পো গ্রান্দি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি মঘেরনিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের দ্বিপাক্ষিক সম্মেলন কক্ষে পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। একই স্থানে প্রধানমন্ত্রী এস্তোনিয়ার প্রেসিডেন্ট ক্রেস্টি কালিজুলেইদর সঙ্গেও বৈঠক করবেন। ২৭ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা সৌদি আরবের স্থায়ী মিশন এবং ওআইসি সচিবালয়ের যৌথ উদ্যোগে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ১২নং কক্ষে অনুষ্ঠেয় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কিত হাইলেভেল সাইড ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচি অ্যান্টোনিও গুতেরেজের সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে তাঁর সভাকক্ষে বৈঠক করবেন। আন্তর্জাতিক কমিটি অব রেডক্রস (আইসিআরসি) এর প্রেসিডেন্ট পিটার মওরার-এর জাতিসংঘের দ্বিপাক্ষিক সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। একইদিনে যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট মাইক পম্পেওর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে। নারীর ক্ষমতায়মের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শীর্ষক এই উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এটি লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্টের আয়োজনে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ৩ নং কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইন্টার প্রেস সার্ভিসেস (আইপিএস) আয়োজিত সংবর্ধনাতেও যোগদানের কথা রয়েছে। সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৭৩ তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করবেন এবং নিউ ইয়র্কের পার্ক অ্যাভেনিউয়ে গ্লোবাল হোপ কোয়ালিশন আয়োজিত বার্ষিক নৈশভোজে যোগ দেবেন। অন্যান্যবারের মত এবারো সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ প্রদানের পরের দিন, ২৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের নিউইয়র্কস্থ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেলে শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইত্তেহাদ এয়ারওয়েজের একটি বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করবেন। তার ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে আবুধাবি হয়ে দেশে ফেরার কথা রয়েছে। বাসস

জাতীয় পাতার আরো খবর