গুলশান হলি আর্টিসান হামলার আসামি রেজা গ্রেফতার
অনলাইন ডেস্ক: গুলশানের হলি আর্টিসান হামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ও জেএমবির অন্যতম সুরা সদস্য মো. মামুনুর রশিদ ওরফে রিপন ওরফে রেজাউল করিম ওরফে রেজাকে গ্রেফতার করেছে Rab। শনিবার রাতে গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকা হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। মো. মামুনুর রশিদ মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। রোববার সকালে Rab লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, শনিবার গভীর রাতে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার একটি বাস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক ছিল। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে কূটনৈতিক এলাকা গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা করে এবং দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে। এ সময় অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন খান নিহত হন। রাতের বিভিন্ন সময় তিন বাংলাদেশিসহ ২০ জন জিম্মিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। পরদিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে ছয় হামলাকারী নিহত হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জিম্মিকে। একই বছরের ৪ জুলাই নিহত ৫ জঙ্গিসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে গুলশান থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। -আলোকিত বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সব দূতাবাসকে সতর্কবার্তা,কুয়েতের মতো পরিস্থিতি এড়াতে
অনলাইন ডেস্ক: কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলাদেশি শ্রমিকদের হামলার বিষয়ে ইঙ্গিত করে এমন পরিস্থিতি যাতে আর কোথায়ও না ঘটে সেজন্য বিদেশে বাংলাদেশের সকল দূতাবাস ও প্রবাসীদের আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর ইউএনবির। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। কুয়েতের মতো পরিস্থিতি যেন বিদেশে বাংলাদেশের কোনো দূতাবাসে আর না ঘটে সেজন্য সতর্কও করেছেন। প্রসঙ্গত, কুয়েতের লেসকো কোম্পানিতে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের আক্রমণে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলরসহ তিনজন আহত হয়। স্থানীয় পুলিশ আসার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এসময় বেশ কিছু সংখ্যক শ্রমিককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ইতোমধ্যে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে দ্রুত মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। জানা গেছে, বাংলাদেশি শ্রমিকদের কয়েক মাসের বেতন বকেয়া বিষয়ে দেশটির লেসকো কোম্পানির মালিককে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। বৈঠকে ওই কোম্পানি ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বেতন পরিশোধ ও আকামা নবায়নসহ সকল সমস্যা সমাধানে রাজি হয়। বৈঠক শেষে কোম্পানির মালিকপক্ষ বের হয়ে এলে শ্রমিকদের রোষানলে পড়ে। এ সময় বাংলাদেশি শ্রমিকদের আক্রমণে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলরসহ তিনজন আহত হয়।
আজ শহীদ আসাদ দিবস
অনলাইন ডেস্ক: আজ রোববার (২০ জানুয়ারি) শহীদ আসাদ দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতনের দাবিতে মিছিল করার সময় ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। সে সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে এমএ শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। শহীদ আসাদ ১৯৪২ সালের ১০ জুন নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার ধানুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা দাবির পক্ষে এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় আসামিদের মুক্তির দাবিতে চলা আন্দোলনে আসাদের মৃত্যু পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তোলে। যা পরবর্তীতে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামকে তরান্বিত করে। ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রদের ১১ দফা এবং বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করেন ছাত্র সংগঠনের নেতারা। ১৭ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ছাত্ররা দেশব্যাপী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের ডাক দেয়। তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনেম খান ছাত্র আন্দোলন দমনের জন্য ১৪৪ ধারা আইন জারি করেন। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুসারে, ২০ জানুয়ারি দুপুরে ছাত্রদের নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে চাঁনখারপুল এলাকায় মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন আসাদুজ্জামান। পুলিশ তাদের চাঁনখারপুলে বাধা দেয়। এসময় আসাদ ও তার সহযোগিরা স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দিতে মিছিল নিয়ে এগুতে শুরু করে। ওই অবস্থায় খুব কাছ থেকে আসাদকে লক্ষ্য করে এক পুলিশ অফিসার গুলি চালালে তিনি গুরুতর আহত হন। আসাদকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আসাদের মৃত্যুতে একত্রিত হয়ে হাজারও ছাত্র-জনতা ফের মিছিল বের করে এবং শহীদ মিনারের পাদদেশে জমায়েত হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ তাকে শ্রদ্ধা জানাতে ২২, ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি সারাদেশে ধর্মঘট আহ্বান করে। ধর্মঘটের শেষ দিনে পুলিশ ফের গুলি চালায়। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখায় ২০১৮ সালে শহীদ আসাদকে মরণোত্তর সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়। শহীদ আসাদের ৫০তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ আসাদ দিবস ও ৬৯র গণঅভ্যুত্থানের ৫০ বছর পালন জাতীয় কমিটি রোববার সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে নির্মিত আসাদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। শহীদ আসাদ স্মৃতিস্তম্ভ এবং তার গ্রাম নরসিংদীর শিবপুরে তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি। সেই সঙ্গে বেলা ১১টায় নরসিংদীর শিবপুরে শহীদ আসাদের কবরেও পুষ্পস্তবক দিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে পোস্টার ও স্মরণিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ২৪ জানুয়ারি বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক দ্বীপে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
আমি কখনই কোনো উপহার গ্রহণ করি না: প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ
অনলাইন ডেস্ক: প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ এলাকায় আসেন সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ। এ সুযোগে প্রতিমন্ত্রীকে খুশি করতে গত বুধবার রাতে তার বাসায় ট্রাকভর্তি বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী পাঠান গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল জলিল। স্থানীয় বেশ কয়েকটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে ওঠে এই ট্রাক দেখে ক্ষুব্ধ হন প্রতিমন্ত্রী ইমরান। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি খাদ্যসামগ্রী সমেত ট্রাক ফেরত পাঠান ওসির কাছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আমি কখনই কোনো উপহার গ্রহণ করি না। সে (ওসি) না জেনেই এগুলো পাঠিয়েছিল। আমি তা ফিরিয়ে দিয়েছি। আগামীতে কেউ যেন আমার কাছে কোনো উপহার না নিয়ে আসে বিষয়টি স্পষ্ট করতে ওইসব ফেরত পাঠিয়েছি, বলেন প্রতিমন্ত্রী। তবে এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. আব্দুল জলিল কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন।
সবার জন্য কাজ করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: বর্তমান সরকার দলীয় সম্পৃক্ততা নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনা। একাদশ সংসদ নির্বাচনে অর্জিত বিশাল জয় উদযাপনে শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত মহাসমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন পর স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পেরেছে। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করায় তিনি দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়া, তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে এবং অবাধ নির্বাচন উপহার দেয়ায় নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান। নির্বাচনে অংশ নেয়া সব রাজনৈতিক দলকেও ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া একাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৫৭ আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৯৯ আসনের মধ্যে জয়লাভ করে ২৮৮ আসনে। জোট সঙ্গী জাতীয় পার্টি পায় ২২টি আসন।
প্রধানমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, গ্রেফতার ৫
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরির দায়ে পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে Rab। বাহিনীর এক ক্ষুদে বার্তায় জানানো হয়, গ্রেফতার ব্যক্তিদের পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে। তবে Rabসদরদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সাইবার অপরাধের অভিযোগ পাঁচজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সূত্র আরও জানায়, অভিযুক্তরা প্রধানমন্ত্রী, তার পরিবারের সদস্য ও অন্য জাতীয় নেতাদের নামে ভুয়া প্রোফাইল তৈরি করে মানুষের সাথে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও অপপ্রচার চালাতেন। এছাড়া তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো এবং মিথ্যা ও সরকারবিরোধী প্রচারণায় জড়িত ছিলেন।-ইউএনবি
যা প্রয়োজন তা মেটাচ্ছি, তাহলে দুর্নীতি কেন : প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধেও জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে সরকার। টেকসই উন্নয়নের জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলা দরকার। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এই মন্ত্রণালয়টি প্রধানমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছেন। দুর্নীতি দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ও প্রশাসনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জাবাবদিহি নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির যেমন আমরা ঘোষণা দিয়েছি, তেমনি দুর্নীতির বিরুদ্ধেও আমি জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা দিয়েছি। এই কারণে আমরা কিন্তু এখন যেমন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার জন্য বেতন-ভাতা থেকে শুরু করে সবকিছু ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করে দিয়েছি। আমি তো মনে করি যে, এখন আর ওই দুর্নীতির প্রয়োজন না। যা প্রয়োজন সেটা তো আমরা মেটাচ্ছি। তাহলে দুর্নীতি কেন হবে? কাজেই এখানে মানুষের মন-মানসিকতাটা পরিবর্তন করতে হবে। এবং সুনির্দিষ্ট একটা নির্দেশনা আপনাদের যেতে হবে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত যে, কেউ যদি এ ধরনের দুর্নীতিগ্রস্ত হয় সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে, বলেন শেখ হাসিনা। তিনি আরো বলেন, সব রকম সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া ও তৃণমূলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাই এই সরকারের লক্ষ্য। বিগত সময়ে সরকার ও রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৩-তে ডিসেম্বর থেকে ২০১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এই সন্ত্রাস চলতে থাকে। এরপর আবার ২০১৫-তে সেই অগ্নিসন্ত্রাস এবং... তা ছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বারবার দুর্নীতিতে, মানে সারা বিশ্বে দুর্নীতিবাজ একটা দেশ হিসেবে বাংলাদেশ স্বীকৃতি পায়। এ ধরনের... আর তা ছাড়া জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, বাংলা ভাই, মাদক নানা ধরনের ঘটনায় মানুষের জীবনযাপন অতিষ্ঠ হয়। আন্তর্জাতিকভাবেও বাংলাদেশের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ণ হয়। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, যে কারণে জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে বারবার নির্বাচিত করেছে। এবার নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছি একটানা তৃতীয়বার। কাজেই এ ক্ষেত্রে আমি এটুকু বলব যে, তৃতীয়বারে একটানা যেমন সরকার এসেছে, এটা একটা যেমন সুযোগ দেশের মানুষের জন্য কাজ করার, আমি সেটাই মনে করি। প্রধানমন্ত্রী হওয়াটা বড় কথা না, দেশের জন্য কতটুকু কাজ করতে পারব (সেটাই বড় কথা)। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে দ্রুত সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান। দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
যেসব রাস্তা বন্ধ থাকবে আ.লীগের বিজয় উৎসবের দিনে
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিজয় উদযাপন করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে আগামী শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিজয় উৎসব করবে দলটি। ঢাকা মহানগরীসহ আশপাশের জেলা থেকে দলের নেতাকর্মীরা এদিন সকাল থেকেই হাজির হবেন স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতিবিজড়িত এই উদ্যানে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ দিন তিনি সরকারের আগামী দিনের রূপরেখার ব্যাপারে নীতিনির্ধারণী বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে। বিশাল এই মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে। আজ বৃহস্পতিবার ডিএমপির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে গাবতলী, মিরপুর রোড হয়ে আগতরা সায়েন্সল্যাব-নিউমার্কেট হয়ে নীলক্ষেতে নেমে পায়ে হেঁটে টিএসসি হয়ে বিভিন্ন গেট দিয়ে উদ্যানে প্রবেশ করবেন এবং তাঁদের বাসগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বর এবং নীলক্ষেত হতে পলাশী পর্যন্ত রাস্তার উভয় পার্শ্বে এক লাইনে পার্ক করবেন। উত্তরা হতে এয়ারপোর্ট রোড হয়ে মহাখালী-মগবাজার-কাকরাইল চার্চ- রাজমনি ক্রসিং-নাইটিংগেল-পল্টন মোড়-জিরো পয়েন্ট অথবা খিলক্ষেত ফ্লাইওভার-বাড্ডা-গুলশান-রামপুরা রোড-মৌচাক ফ্লাইওভার-মালিবাগ- শান্তিনগর-রাজমনি ক্রসিং-নাইটিংগেল হয়ে পল্টন মোড়/জিরো পয়েন্ট হয়ে আগতরা পল্টন মোড়/জিরো পয়েন্টে নেমে হেঁটে দোয়েল চত্বর হয়ে উদ্যানের বিভিন্ন গেট দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে যাবেন এবং তাঁদের বাসগুলো মতিঝিল এলাকায় পার্ক করবেন। উত্তরা/এয়ারপোর্ট হতে আগত গাড়িগুলোর পার্কিং স্থান মতিঝিল/গুলিস্তানে সংকুলান না হলে প্রয়োজনে হাতিরঝিল এলাকায় পার্ক করা হতে পারে। পূর্বাঞ্চল হতে যাত্রাবাড়ী হয়ে এবং দক্ষিণাঞ্চল হতে পোস্তগোলা হয়ে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে আগত ব্যক্তিরা গুলিস্তানে নেমে হেঁটে জিরো পয়েন্ট-দোয়েল চত্বর হয়ে অনুষ্ঠানস্থলে গমন করবেন এবং তাদের বাসগুলো মতিঝিল/গুলিস্তান এলাকায় পার্ক করবেন। যাঁরা মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের ওপর দিয়ে চানখাঁরপুল হয়ে আসবেন, তাঁরা চানখাঁরপুল নেমে হেঁটে দোয়েল চত্বর হয়ে উদ্যানের বিভিন্ন গেট দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করবেন এবং তাঁদের বাসগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়াম মাঠে পার্ক করবেন। বাবুবাজার ব্রিজ হয়ে আগতরা গোলাপ শাহ মাজারে নেমে হেঁটে হাইকোর্ট-দোয়েল চত্বর হয়ে উদ্যানের বিভিন্ন গেট দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করবেন এবং তাঁদের বাসগুলো গুলিস্তান এলাকায় পার্ক করবেন। শাহবাগ হতে মৎস্য ভবন পর্যন্ত সড়ক সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য বন্ধ থাকবে এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চারদিকের রাস্তায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীসহ সম্মানিত ব্যক্তিদের গমনাগমন উপলক্ষে ওই দিন ভোর হতে অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনুষ্ঠানস্থলের চারপাশের বিভিন্ন ইন্টারসেকশন, যেমন বাংলামোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, শাহাবাগ, কাঁটাবন, নীলক্ষেত, পলাশী, বকশীবাজার, চানখাঁরপুল, গোলাপ শাহ মাজার, জিরো পয়েন্ট, পল্টন, কাকরাইল চার্চ, অফিসার্স ক্লাব, মিন্টো রোড ক্রসিংগুলো হতে গাড়ি ডাইভারশন দেওয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। অনুষ্ঠানস্থলে আগত ব্যক্তিদের কোনো প্রকার হ্যান্ডব্যাগ, ট্রলি ব্যাগ, দাহ্য পদার্থ বা ধারালো কোনো বস্তু বহন না করা এবং কর্তব্যরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

জাতীয় পাতার আরো খবর