গাজীপুর সিটি নির্বাচনে তিন স্তরের নিরাপত্তা
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। নগরীকে কয়েকটি জোনে ভাগ করে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মাঠে নামানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১২ হাজার সদস্য। এর মধ্যে ১০ হাজার ২৪৪ জন ভোট কেন্দ্র পাহারায় থাকবেন। এছাড়া ভোটারদের নিরাপত্তায় পথে পথে থাকবে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের পৃথক মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স। ভোট গ্রহণ উপলক্ষে সোমবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্রিফিং করেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. হারুন-অর-রশিদ। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। পুলিশের জন্য আগেও গাজীপুরের কোনো নির্বাচন বিতর্কিত হয়নি, এবারের নির্বাচনও হবে না। পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি মিলে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব চেষ্টা করবে। নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে র‌্যাব-১ অধিনায়ক লে. কর্নেল সারওয়ার বলেন, ভোট গ্রহণের সময়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকবে। গাজীপুর সিটিকে প্রধানত দু’ভাগে ভাগ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজিয়েছি। নির্বাচনে র‌্যাবের সাতশ’ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। সোমবার ইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতি সাধারণ ভোট কেন্দ্রে পুলিশ-আনসারসহ ২২ জন ও গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্রে ২৪ জন করে সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারদের সমন্বয়ে মোবাইল টিম, প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স, প্রতি সাধারণ ওয়ার্ডে র‌্যাবের একটি টিম, প্রতি দুই সাধারণ ওয়ার্ডে এক প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স ভোট গ্রহণের দিন ও পরের দিন অবস্থান করবে। এতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন সম্পর্কিত অপরাধ বিচারের জন্য ১৯ জন জুডিশিয়াল ও ৫৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার দফতর থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১২ হাজার সদস্য কাজ করছেন। এর মধ্যে ১০ হাজার ২৪৪ জন ভোট কেন্দ্রের পাহারায় থাকবেন। ঝুঁকিপূর্ণ ৩৩৭টি ভোট কেন্দ্রে ২৪ জন করে ৮ হাজার ৮৮ জন এবং সাধারণ ৮৮টি কেন্দ্রে ২২ জন করে ১ হাজার ৯৩৬ জন নিয়োজিত থাকবেন। এর বাইরে পুলিশ, এপিবিএন ও আনসারের সমন্বয়ে গঠিত ৫৭টি মোবাইল ফোর্সে ৪৫৬ জন এবং ২০টি স্ট্রাইকিং ফোর্সে প্রায় ২০০ জন সদস্য মাঠে রয়েছেন। এ ছাড়া র‌্যাবের ৫৮টি টিম ও বিজিবির ২৯ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
জনগণের রায় মেনে নেবেন জাহাঙ্গীর
জনগণ যে রায় দেবেন, তা মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে এ সিটি করপোরেশনের ভোট শুরু হয়। ভোট চলবে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সকালে কানাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম। পরে তিনি বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বলেন, ‘আমি রাজনীতি করি, সংগঠন করি এবং এলাকার মানুষের জন্য কাজ করি। একজন জনপ্রতিনিধিকে সব জনগণকে সম্মান করতে হবে। সে হিসেবে মনে করি, জনগণ যে রায় দেবেন, সে রায় অবশ্যই আমি মানব। আমি বিরোধী পক্ষকেও বলেছি, জনগণের রায়কে মানেন। গাজীপুরের মানুষ যা চায়, সেটি বিশ্বাস করেন।’ আওয়ামী লীগ প্রার্থী নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে রোদের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। তিনি নির্বাচিত হলে একটি পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরী উপহার দেবেন। আরো প্রার্থী থাকলেও গাজীপুর সিটির মেয়র পদে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হলেন আওয়ামী লীগের (নৌকা) মনোনীত জাহাঙ্গীর আলম ও বিএনপির (ধানের শীষ) মনোনীত হাসান উদ্দিন সরকার। হাসান উদ্দিন সরকারও সকাল সোয়া ৮টার দিকে নগরীর বশিরউদ্দিন উদয়ন একাডেমি স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন। এদিকে, নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে পুরো সিটি করপোরেশন এলাকা। নির্বাচনী এলাকায় টহল দিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। আজ নির্বাচনী এলাকার সব অফিস, কল-কারখানা, স্কুল-কলেজসহ প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগরীর ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪২৫ কেন্দ্রের দুই হাজার ৭৬১টি বুথে পাঁচ সহস্রাধিক পোলিং এজেন্ট কাজ করছেন। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে চাপুলিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ভোটার-২৪৮০), চাপুলিয়া মফিজউদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয় (ভোটার-২৫৫২), পশ্চিম জয়দেবপুরের মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র-১ (ভোটার-২৫৬২), মারিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র-২ (ভোটার-২৮২৭), রানী বিলাসমনি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র-১ ( ভোটার-১৯২৭) ও রানী বিলাসমনি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র-২ (ভোটার-২০৭৭) এ ছয়টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হচ্ছে। সিটি মেয়র ও কাউন্সিলর পদে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ে ভোট দিচ্ছে গাজীপুরবাসী। এই নির্বাচনে ৪২৫টি কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। মোট সাত মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি ২৫৪ জন সাধারণ কাউন্সিলর ও ৮৪ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর আগে ২০১৩ সালে এ সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে মেয়র পদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক এম এ মান্নান নির্বাচিত হন। অধ্যাপক মান্নান মেয়র পদে নির্বাচিত হলেও সরকারের রোষানলে পড়ে গত পাঁচ বছরের অধিকাংশ সময় তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন। দ্বিতীয়বারের মতো এ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে মোট ৪২৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
নিউজ একাত্তর ডট কম এ নতুন নির্বাহী সম্পাদকের দায়ীত্ব গ্রহন
নিজেস্ব প্রতিনিধি,ঢাকা: প্রবীণ সাংবাদিক মোঃ আহাম্মদ হোসেন ভূইয়াকে নিউজ একাত্তর ডট কম এর নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়ীত্ব প্রদান করা হয়েছে। আজ ২৪ শে জুন পত্রিকার সম্পাদক মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী কতৃক এ দায়ীত্ব প্রদান করা হয়। প্রবীণ সাংবাদিক মোঃ আহম্মদ হোসেন ভূইয়া চট্টগ্রামের দৈনিক নয়া বাংলা,দৈনিক আজাদী এবং পরবর্ত্তীতে ঢাকায় দৈনিক ইত্তেফাক,দৈনিক যায়যায় দিন সহ অনেক পত্রিকায় সুনামের সহিত কাজ করেছেন। তিনি দির্ঘদিন যাবৎ ঢাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন এবং বর্তমানে তিনি একটি বক্তিতা প্রশিক্ষণ কোর্সের ট্রেনার হিসেবে কর্মরত আছেন। উল্লেখ্য নিউজ একাত্তর ডট কম এর সাবেক নির্বাহী সম্পাদক মোঃ নূরুল ইসলাম ভূইয়া দির্ঘদিন যাবৎ উক্ত পদে দায়ীত্ব পালন করা কালিন সময়ে বাধ্যক্যজনিত কারনে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা ধীন থাকা অবস্থায় গত ২২ শে জুন ২০১৮ ইং তারীখে বিকেল ৫.৩০ মিনিটের সময় মৃত্যু বরন করায় উক্ত পদে মোঃ আহম্মদ হোসেন ভুইয়াকে দায়ীত্ব প্রদান করা হয়।
গাজীপুর সিটি নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশন ভূমিকা রাখবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে নির্বাচন কমিশন ভূমিকা রাখবে বলে অাশাবাদ ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘সরকার এটাই আশা ও বিশ্বাস করে।’ রোববার সকালে গাজীপুরের সফিপুরে আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সার্কেল অ্যাডজুট্যান্ট/ সহকারী সার্কেল অ্যাডজুট্যান্ট/ উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা পদে নবনিযুক্ত ১৯১ জনের ছয় মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, গাজীপুর সিটিতে ভোটাররা যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে। এতে সরকারের কোনো পরামর্শ নেই। এ সময় তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে আনসার বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানান। মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুরুল আলম ও একাডেমির ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ খালেদসহ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অনুষ্ঠানে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে আশাব্যঞ্জক ফলাফলের জন্য তিনজন চৌকস প্রশক্ষণার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।
আঞ্চলিক কানেকটিভিটি জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
দক্ষিণ এশিয় দেশগুলোর মধ্যে কানেকটিভিটি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ভারতের সঙ্গে একটি রেল যোগাযোগ উন্মুক্ত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। যেটি ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় বন্ধ হয়ে যায়। আজ প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে ঢাকায় নবনিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. চোপ লাল ভূশাল তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন। খবর বাসস’র প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নেপাল এবং ভূটানের সঙ্গে কানেকটিভিটিজোরদার করার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং মালামাল পরিবহন ও ট্রানজিট হিসেবে সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে ব্যবহার করতে দেয়ার প্রস্তাবও পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিম্যমান সৌহাদ্যপূর্ণ এবং ঐতিহ্যগত সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেপালের সহযোগিতার কথা বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্রের জোগানদানের বিষয়টি স্মরণ করেন বলেও প্রেস সচিব উল্লেখ করেন। কানেকটিভিটি জোরদারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভূটান-ইন্ডিয়া-নেপাল (বিবিআইএন) সড়ক যোগাযোগ অবকাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়ে বাংলাদেশ অধিক গুরুত্বারোপ করছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, নেপালের রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তাঁর দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। কিছু খারাপ সময় অতিবাহিত করার পর তাঁর দেশ এখন একটি কেন্দ্রিয় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সংবিধান প্রণয়নে সক্ষম হয়েছে, এখনকার সরকার ও বেশ শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল, বলেন ড. চোপ লাল। রাষ্ট্রদূত বলেন, সংসদ সদস্যদের মধ্যে এখন ৩৪ শতাংশই নারী সদস্য এবং স্থানীয় সরকারে নারী প্রতিনিধিত্ব প্রায় ৪০ শতাংশ। মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিংসহ অন্যান্য বিষয়ে প্রায় ৩ হাজার নেপালি শিক্ষার্থী এখন বাংলাদেশে পড়াশোনা করছে, বলেন তিনি। নেপালের রাষ্ট্রদূত এ সময় তাঁর দেশের রাজধানী কাঠমুন্ডুতে ২০১৫ সালের প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশের প্রদত্ত খাদ্য এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা গড়ে ওঠার সম্ভবনার কথা উল্লেখ করে বলেন, নেপালের ৫০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে এই বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরীর জন্য সংলাপ চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় তাঁর সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্যও নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ স্থগিত
অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ স্থগিত করেছে মালয়েশিয়া। দেশটির দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে বলা হচ্ছে, দেশটিতে কর্মী প্রেরণে নিয়োজিত দশ এজেন্সির সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট এই অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। অভিযোগ রয়েছে, গত দুই বছরে সিন্ডিকেটটি অন্তত ২০০ কোটি রিংগিত হাতিয়ে নিয়েছে। এ অভিযোগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে কর্মী নিয়োগ। দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রীকে উদ্ধৃতি দিয়ে শুক্রবার এ খবর দিয়েছে মালয়েশিয়ার ইংরেজি সংবাদমাধ্যম স্টার অনলাইন। তবে কর্মী নিয়োগ স্থগিতের বিষয়টি অস্বীকার করেছে বাংলাদেশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। তারা বলছে, এ ব্যাপারে দেশটির পক্ষ থেকে অফিসিয়ালি কোনো ধরনের নোটিশ করা হয়নি। এমনকি কর্মী প্রেরণ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা। স্টার অনলাইন তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে যেখানে মাথাপিছু দুই হাজার রিংগিত খরচ হওয়ার কথা, সেখানে এজেন্টরা বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাছ থেকে ২০ হাজার রিংগিত আদায় করছে। এর অর্ধেক টাকা যাচ্ছে ওই চক্রের হাতে, যার বিনিময়ে তারা ওয়ার্ক পারমিট ও উড়োজাহাজের টিকিটের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। প্রবাসী এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগসাজশে শ্রমিকদের কাছ থেকে দুই বছরে অন্তত ২০০ কোটি রিঙ্গিত হাতিয়ে নিয়েছে। এ অভিযোগ ওঠার পর দেশটি কর্মী নেয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারানকে উদ্ধৃত করে দেশটির ইংরেজি সংবাদমাধ্যম স্টার অনলাইন জানিয়েছে, ওই চক্রের বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। স্টার অনলাইনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই চক্রটি মালয়েশিয়া সরকারের ওপরের মহলে যোগসাজসের মাধ্যমে বাংলাদেশে এজেন্ট অনুমোদন দিয়ে একচেটিয়া কারবার গড়ে তুলেছে। এই প্রক্রিয়ায় ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত এক লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক মালয়েশিয়ায় গেছে। আরও অন্তত এক লাখ লোক মালয়েশিয়ায় যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। মালয়েশিয়ান মন্ত্রী বলেন, একটি চক্র শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে মানবপাচারের মতো ব্যবহার করছে। তারা শ্রমিকদের শোষণ করছে। এ অভিযোগের পূর্ণ তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। এই অনিয়মের জন্য পূর্বের সরকারকে দোষারোপ করেন এম কুলাসেগারান। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী প্রশাসন শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যবসা করেছে। এতে লাভবান হয়েছে গুটিকয়েক ব্যক্তি। এটি পুরোপুরিভাবে একটি বিশৃঙ্খল প্রক্রিয়া। যার সুযোগ নিয়েছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। মূল সমস্যা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। আশা করি, দ্রুতই একটি সমাধানে পৌঁছাতে পারবো। তত দিন পর্যন্ত সরকারিভাবে আবেদন প্রক্রিয়া চলবে। তিনি বলেন, মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে মানবসম্পদ আমদানির বিষয়টি পরিচালনা করা হয়েছে ব্যক্তিগত ব্যবসার কায়দায়, যাতে কেবল ব্যক্তিবিশেষই লাভবান হয়। বলেন, যেভাবে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি নেয়া হচ্ছিল তাতে শ্রমিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের বাড়তি অর্থ আদায় করা হচ্ছিল, আর তা যাচ্ছিল দুই দেশের কিছু দালালের পকেটে। স্টার অনলাইনকে কুলাসেগারান জানান, তার আগ পর্যন্ত মালয়েশিয়া সরকার পুরনো পদ্ধতিতে (জি টু জি) ফিরে যাবে, যাতে আবেদন প্রক্রিয়া চালু রাখা যায়। একটি সূত্রের বরাত দিয়ে স্টার অনলাইন লিখেছে, ওই দশ এজেন্সির মধ্যে কয়েকটি ছিল রাতারাতি গজিয়ে ওঠা কোম্পানি। মালয়েশীয় চাকরিদাতা ও বাংলাদেশি শ্রমিকদের মধ্যে দালালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়াই ছিল সেসব কোম্পানি গড়ে তোলার উদ্দেশ্য। এসব কোম্পানি শ্রমিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি ২০ হাজার রিংগিত আদায় করে। অথচ দুই সরকারের চুক্তি অনুযায়ী বিমানভাড়াসহ সব মিলিয়ে এজেন্টের খরচ পড়ে দুই হাজার রিংগিতের কম। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, এ ব্যাপারে আমরা কোনো নির্দেশনা পাইনি। তিনি বলেন, সংবাদটি দেখেছি, তিনি কোন প্রেক্ষাপটে বলেছেন তা আমাদের জানা নেই। তিনি বলেন, স্থগিত হলে তো আমাদের জানার কথা। হাইকমিশনার এর বেশি মন্তব্য করতে চাননি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাংলাদেশের দশটি এজেন্সি এখন মালয়েশিয়ায় লোক পাঠায়। যারা কাজটি করে তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশে থাকে। মালয়েশিয়া স্টারের ওই প্রতিবেদনটি আমি পড়েছি। সেখানে যে প্রবাসী বাংলাদেশির কথা বলা হচ্ছে তার বিষয়ে কোনো তথ্য আমার জানা নেই। তিনি বলেন, আমার জানামতে এ ব্যাপারে অফিসিয়ালি কোনো চিঠি পায়নি। এছাড়া কর্মী প্রেরণ অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান। উল্লেখ্য, সরকারি হিসাবে পাঁচ লাখের বেশি নিবন্ধিত বাংলাদেশি দেশটিতে বিভিন্ন পেশায় কাজ করেন। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৩ সালে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে (জি টু জি) পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে শুরু করে মালয়েশিয়া। কিন্তু ওই প্রক্রিয়ায় মালয়েশিয়ার ‘প্ল্যান্টেশন’ খাতে কাজ করতে আগ্রহীর সংখ্যা কম হওয়ায় সে সময় ভালো সাড়া মিল ছিল না। পরে মালয়েশিয়া জনশক্তির জন্য বাংলাদেশকে তাদের ‘সোর্স কান্ট্রির’ তালিকাভুক্ত করে। ফলে সেবা, উৎপাদন, নির্মাণসহ অন্যান্য খাতেও বাংলাদেশি কর্মী নেয়ার সুযোগ তৈরি হয়। মালয়েশিয়া সরকার তাদের পাঁচটি খাতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে ‘জি টু জি প্লাস’ পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে রাজি হওয়ার পর ২০১৬ সালে ঢাকায় দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। পাঁচ বছর মেয়াদি এই চুক্তির আওতায় লোক পাঠানোর অনুমতি দেয়া হয় ওই দশটি জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিকে।
আওয়ামী লীগের হাত ধরেই বাঙালির অর্জন: প্রধানমন্ত্রী
বাঙালি যা কিছু অর্জন করেছে তা আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার গত সাড়ে ৯ বছরে দেশের কৃষি, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, তথ্য-প্রযুক্তি, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, কূটনৈতিক সাফল্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ প্রতিটি খাতে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ব্যাপক উন্নয়ন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। শনিবার সকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় বক্তৃতাকালে এ সব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশ নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সূচকে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি দেশের একটি বাংলাদেশ। সভায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য, জেলা, উপজেলা, মহানগর, পৌরসভার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, দলীয় এমপি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ চার হাজার প্রতিনিধি অংশ নেন।
আওয়ামী লীগ পেল নিজস্ব ভবন
স্বাধীনতা-সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো নিজস্ব ভবন পেলো। দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর নতুন দশতলা ভবন হচ্ছে আওয়ামী লীগের স্থায়ী ঠিকানা। ৮ কাঠা জায়গার উপর ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে বিশ্বমানের দলীয় কার্যালয়টি। পুরো কার্যালয়টি ওয়াইফাই জোনের আওতায়। আওয়ামী লীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে নতুন ভবনে দলীয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় একটি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। সরেজমিনে দেখা গেছে, দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের জন্য রাখা হয়েছে সুপরিসর কক্ষ। দলের সভাপতির কক্ষের সঙ্গে রয়েছে বিশ্রামাগার ও নামাজের জায়গা। এছাড়া ডিজিটাল লাইব্রেরি, ভিআইপি লাউঞ্জ, সাংবাদিক লাউঞ্জ, ডরমিটরি ও ক্যান্টিন থাকছে। দুই পাশ কাঁচ দিয়ে ঘেরা। এছাড়াও দুটি স্বতন্ত্র কার পার্কিং, একাধিক লিফট, সিঁড়ি, অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা রয়েছে। জানা গেছে, ভবনটির ছয় বা সাততলা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলালীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অফিস থাকবে। আওয়ামী লীগের পুরনো অফিস ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের চারতলা ভবনটি লিজ গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয় ২০১১ সালে। এর পর দলটি নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল নতুন কার্যালয়ের নতুন ভবনের নকশা অনুমোদন দেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই পুরনো স্থাপনা ভাঙা শুরু হয়। রাজধানীর গুলিস্তানের ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের ১০ তলা আধুনিক কার্যালয়টির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয় গত বছরের ২৩ জুন। কার্যালয়ের সামনে স্টিলের বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’। পাশেই দলীয় প্রতীক নৌকা। সবার উপরে রয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল। এরপর রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ম্যুরাল। দুই পাশ কাঁচ দিয়ে ঘেরা। আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নতুন ভবন উদ্বোধনের পর আওয়ামী লীগের সব সাংগঠনিক কার্যক্রম চলবে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউর এ কার্যালয় থেকে। আর ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয় থেকে দলের নির্বাচনী কার্যক্রম ও সিআরআইসহ দলের অন্যান্য সংস্থার গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। ভবনটির সামনের দেয়ালজুড়ে দলের সাইনবোর্ডসহ দলীয় স্লোগান ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’, চার মূলনীতি খোদাই করে লেখা। ভবনের সামনে-পেছনে ছেড়ে দেয়া জায়গায় হবে বাগান। এ ভবনের সামনে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে স্থায়ী স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ভবনটির প্রথম থেকে তৃতীয়তলা পর্যন্ত প্রতিটি ফ্লোর ৪ হাজার ১০০ বর্গফুট। চতুর্থতলা থেকে উপরের সব ক’টি ৩ হাজার ১০০ বর্গফুটের। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে আওয়ামী লীগের নতুন ভবন উদ্বোধন দলের নেতাকর্মীদের বাড়তি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। আওয়ামী লীগের নিজস্ব ফান্ড থেকে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু করা হলেও নির্মাণ সামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্মাণ খরচ বেড়েছে বলেও জানান তিনি।

জাতীয় পাতার আরো খবর