গাজীপুরে নির্বাচনী প্রচার শুরু
ঈদের আমেজ না কাটতেই সোমবার হতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা। দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনী প্রচারণার প্রথমদিনে প্রার্থীরা কর্মী সমর্থকদের নিয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে আনুষ্ঠাণিকভাবে নির্বাচনী প্রচার ও গণসংযোগ শুরু করেছেন। দিনভর পথসভা, বৈঠক ও গনসংযোগের মধ্য দিয়ে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। সকাল হতেই শুরু হয়েছে প্রার্থীদের সমর্থনে মাইকিং। গত ১৫ মে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আদালতের নির্দেশে নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করায় প্রায় এক মাস ১২ দিন পর সোমবার থেকে শুরু হয় দ্বিতীয় দফায় আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা। তবে ভেঙ্গে যাওয়া নির্বাচনের মাঠ এখনো জমাতে পারছেন না প্রার্থীরা। শিল্পাঞ্চল হওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে লোকজন গাজীপুরে এসে অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন এবং এখানকার বিভিন্ন মিল কারখানায় চাকুরি করেন। এদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য সংখ্যক লোকজন এ সিটি কর্পোরেশনের ভোটার। রবিবার সরকারী ছুটি শেষ হলেও সোমবার পর্যন্ত প্রায় সবক’টি মিল কারখানা বন্ধ রয়েছে। এসব কারখানা প্রতিষ্ঠাণের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ঈদের ছুটি কাটাতে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছেন। তারা ছুটি কাটিয়ে ফিরে না আসায় এখনও পর্যন্ত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বিরাজ করছে ঈদের ছুটির আমেজ। ফলে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা ও নির্জীব। তাই অনেকটা খালি মাঠেই শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী প্রার্থীদের প্রচারণা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রার্থীরা পবিত্র রমজান মাসে ইফতার মাহফিল আয়োজন করে ঝিমিয়ে পড়তে থাকা কর্মী, সমর্থক ও ভোটারদের চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করেছেন। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রচারণার প্রথমদিনেই সোমবার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দুই মেয়র প্রার্থী ১৪ দলীয় জোটের আওয়ামীলীগ মনোনীত (নৌকা) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও ২০ দলীয় জোটের বিএনপি মনোনীত (ধানের শীষ) হাসান উদ্দিন সরকার নির্বাচনী প্রচারণা ও জনসংযোগে জোরেসোরে নেমে পড়েন। নির্বাচনে সমান পাল্লা দিয়ে অন্য প্রার্থীরাও তাদের কার্যক্রম শুরু করেছেন। প্রার্থী ও তাদের কর্মী সমর্থকদের পদচারণায় সরব হয়ে উঠছে গাজীপুর।
নতুন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫তম প্রধান হিসেবে তিন বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন লে. জে. অাজিজ অাহমেদ। তিনি জেনারেল হিসাবে জেনারেল অাবু বেলাল শফিউল হকের স্থলাভিষিক্ত হবেন অাগামী ২৫ জুন। আজ সোমবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. আবু বক্কর সিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিএ-২৪২৪ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিজিবিএম, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, পিএসসি, জি কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেলকে ২৫ জুন অপরাহ্ন থেকে জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমূহের প্রধানদের আইন, ২০১৮ অনুসারে তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। অাইএসপিআর পরিচালক লে. কর্নেল অালমগীর কবীর নিশ্চিত করেছেন যে, ২৫ জুন অপরাহ্ন থেকে সেনা প্রধান হবেন জেনারেল অাজিজ অাহমেদ। লে. জে. অাজিজ অাহমেদ এর আগে ২০০৯ সালে বিজিবিতে ঢাকা সেক্টরে প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি নিয়ে কুমিল্লা সেনানিবাসে স্থলাভিষিক্ত হন। সেখানে তিনি মেজর জেনারেল পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে কুমিল্লা সেনানিবাসে জিওসি দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে তিনি বিজিবির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে লে. জে. পদে পদোন্নতি পান। এরপর তিনি আরডকের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকে তিন মাস আগে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নুরজাহান রোডে তার বাড়ি। তার বাবা আবদুল ওয়াদুদ ছিলেন বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা।
দলের প্রয়োজনে নির্বাচন করবো: অর্থমন্ত্রী
দলের প্রয়োজনে আবারও সংসদ নির্বাচন করার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, আমি বলেছি, ‘আমি নির্বাচন করতে চাই না। কিন্তু পার্টির প্রয়োজনে, অপজিশনে যদি এরশাদ সাহেব প্রার্থী হয়ে যান, খালেদা জিয়া হয়ে যান, তাহলে অবশ্যই আমি নির্বাচন করবো। সোমবার সচিবালয়ে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রার্থী হিসেবে আপনার বিপরীতে কাকে যোগ্য মনে করছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সিলেটে এরশাদ বিশেষভাবে জনপ্রিয়, কারণ ওনার সময় সিলেটে অনেক কিছু হয়েছে। আমি মনে করি এরশাদ খালেদা জিয়ার চেয়ে বেশি জনপ্রিয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি সিলেটে ঈদ করলাম। সিলেট ও ঢাকায় মোটামুটিভাবে এটা খুশির ঈদই ছিল। আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী হইচই তেমন নেই। আশা করছি এবার শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে, সবাই এতে অংশ নেবেন। আমি মনে করি, বিএনপির নীতিনির্ধারকরা ভালো করেই বোঝেন, তারা যতকিছুই বলেন না কেন- এবার নির্বাচন না করলে এ পার্টি আর থাকবে না।
আজ বিশ্ব বাবা দিবস,
কাটে না সময় যখন আর কিছুতে বন্ধুর টেলিফোনে মন বসে না জানালার গ্রিলটাতে ঠেকাই মাথা মনে হয় বাবার মতো কেউ বলে না আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও শ্রাবন্তী মজুমদারের গাওয়া এই গানটি সন্তানদের মনে করিয়ে দেয় বাবা আসলে কী? তিনি বটবৃক্ষ, নিদাঘ সূর্যের তলে সন্তানের অমল-শীতল ছায়া তিনি বাবা। আজ বিশ্ব বাবা দিবস। জুন মাসের তৃতীয় রোববার প্রতি বছর বিশ্বের ৫২টি দেশে দিবসটি পালিত হয়। এ বছর তৃতীয় রোববার হিসেবে ১৭ জুন পালিত হচ্ছে দিবসটি। ইতিহাস থেকে জানা যায়, বিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে থেকে বাবা দিবস পালন শুরু হয়। আসলে মায়েদের পাশাপাশি বাবারাও যে তাদের সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল- এটা বোঝানোর জন্যই এই দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে। পৃথিবীর সব বাবার প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছা থেকে যার শুরু। ধারণা করা হয়, ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই, আমেরিকার পশ্চিম ভার্জেনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় এই দিনটি প্রথম পালিত হয়। আবার, সনোরা স্মার্ট ডড নামের ওয়াশিংটনের এক ভদ্রমহিলার মাথাতেও বাবা দিবসের আইডিয়া আসে। যদিও তিনি ১৯০৯ সালে, ভার্জিনিয়ার বাবা দিবসের কথা একেবারেই জানতেন না। ডড এই আইডিয়াটা পান গির্জার এক পুরোহিতের বক্তব্য থেকে, সেই পুরোহিত আবার মাকে নিয়ে অনেক ভালো ভালো কথা বলছিলেন। তার মনে হয়, তাহলে বাবাদের নিয়েও তো কিছু করা দরকার। ডড আবার তার বাবাকে খুব ভালবাসতেন। তিনি সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগেই পরের বছর, অর্থ্যাৎ ১৯১০ সালের ১৯ জুন থেকে বাবা দিবস পালন করা শুরু করেন। বাবা দিবস বেশ টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই পালিত হতো! আসলে মা দিবস নিয়ে মানুষ যতটা উৎসাহ দেখাতো, বাবা দিবসে মোটেও তেমনটা দেখাতো না, বরং বাবা দিবসের বিষয়টি তাদের কাছে বেশ হাস্যকরই ছিল। ধীরে ধীরে অবস্থা পাল্টায়, ১৯১৩ সালে আমেরিকান সংসদে বাবা দিবসকে ছুটির দিন ঘোষণা করার জন্য একটা বিল উত্থাপন করা হয়। ১৯২৪ সালে তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ বিলটিতে পূর্ণ সমর্থন দেন। অবশেষে ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন বাবা দিবসকে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে জুন মাসের তৃতীয় রোববার বাবা দিবস হিসেবে পালিত হয়। সূত্র: জাগো নিউজ
বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড়
ঈদকে কেন্দ্র করে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর অন্যান্য বছরগুলোর মতই। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে নিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে জড়ো হন নানা বয়সী মানুষ। একইভাবে জমে ওঠে রাজশাহীর পদ্মার পাড় এবং খুলনার অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র রূপসা সেতু এলাকা। চট্টগ্রাম: ঈদের দিনে চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে জমে ওঠে আনন্দ প্রিয় মানুষের ভিড়। উৎসবের আনন্দ উপভোগ করতে সমুদ্রের কাছাকাছি ছুটে আসেন তারা। সৈকতে নেমে জলকেলিতে মেতে ওঠে শিশু-কিশোররা। স্পিডবোটে দাপিয়ে উপভোগ করছেন নির্মল আনন্দ। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষীবাহিনী। রাজশাহী: রাজশাহীর বড় কুটির পদ্মার পাড়ে জড়ো হন হাজারো মানুষ। ঈদের বিকেলটা পরিবার ও বন্ধু-স্বজনদের সাথে নিয়ে পদ্মা নদীর পাড়ে হাজির হন তারা। আবহাওয়া ভালো থাকায় দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন নানা বয়সী মানুষ। এ সময় ঘুরে ঘুরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন তারা। পদ্মারপাড় ছাড়াও শহরের অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও ছিলো দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়। খুলনার রূপসা ব্রিজকে কেন্দ্র করে ঢল নামে বিনোদন প্রিয় মানুষের। তরুণ-তরুণীসহ নানা বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে রূপসা নদীর পাড়। এ সময় অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যদিয়ে রূপসা ব্রিজ এলাকায় বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি জানান তারা।
উন্নয়নের পথে হাঁটছে দেশ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ আজ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী। বাংলাদেশের গণতন্ত্র সুরক্ষিত। বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক অধিকার আমরা নিশ্চিত করতে পেরেছি। মানুষের মৌলিক অধিকার পূরণ করে উন্নয়নের পথে হাঁটছে দেশ।এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ইনশাল্লাহ এগিয়ে যাবে। শনিবার (১৬ জুন) দুপুরে গণভবনে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় এ কথা বলেন শেখ হাসিনা। খুশির এই দিনে বিচারপতি, কূটনীতিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বসহ সর্বস্তরের মানুষ শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রীকে। দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন- উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
গণভবনে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী
মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত একই স্থানে বিচারক ও বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন সরকারপ্রধান। ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে এই শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়েছে। বেলা ১১টা পর্যন্ত দলীয় নেতা-কর্মীসহ সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ে উপস্থিত আছেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্যবৃন্দ, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা।
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বিনিময়
পবিত্র ঈদুল ফিতরের উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। শনিবার সকালে বঙ্গভবনে তিনি এ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। রাজনৈতিক দলের নেতা ছাড়াও বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সিনিয়র সাংবাদিকরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। কুশল বিনিময় শেষে রাষ্ট্রপতি ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান। এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সকালে হাইকোর্ট সংলগ্ন রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। একই সময় মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ এবং উর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা নামাজ আদায় করেন। ঈদগাহে পৌঁছার পর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন ও অন্যান্য কর্মকর্তারা স্বাগত জানান। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন। ঈদের নামাজ শেষে দেশের শান্তি ও অগ্রগতি, জনগণের কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টে শহীদ তার পরিবারের অন্যান্য সদস্য, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এবং দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর