সৈয়দ আশরাফের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রথম জানাজা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা সকাল সাড়ে ১০টায় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জানাজায় অংশ নেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ,আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাধারী ব্যক্তিসহ সাধারণ মানুষ। জানাজা শেষে সৈয়দ আশরাফের মরদেহে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। শ্রদ্ধা জানানো শেষে তার লাশ নেওয়া হবে কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহে। সেখানে জানাজার পর ঢাকার বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। প্রসঙ্গত, গত শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজধানীর ২১, বেইলি রোডে সৈয়দ আশরাফের সরকারি বাসভবনে নেওয়া হয়। সেখানে প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে আসেন আত্মীয়-স্বজন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ। সেখান থেকে রাতেই মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে নেওয়া হয়। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ০৫ মিনিটে থাইল্যান্ড থেকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ বিমানযোগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ গ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার রাতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈয়দ আশরাফ মারা যান। দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জে শোলাকিয়া ঈদগাহে মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয় জানাজা বেলা ২টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর হেলিকপ্টারযোগে কিশোরগঞ্জ থেকে আবার ঢাকায় ফিরিয়ে এনে বনানী কবরস্থানে বাদ আসর সৈয়দ আশরাফকে দাফন করা হবে।
শেখ হাসিনাকে পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক, রাজনীতিকদের শুভেচ্ছা
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যিক ও রাজনীতিকরা। তারা মনে করেন, শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্ব, সুশাসন প্রতিষ্ঠা আর উন্নয়নের কারণে এ বিজয় অর্জন সম্ভব হয়েছে। শনিবার (৫ জানুয়ারি) দক্ষিণ কলকাতার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এবং রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সময় সংবাদকে এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করেন তিনি। সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, সারা পৃথিবীতে যেখানে উগ্রবাদী রাজনীতি চলমান, সেখানে বাংলাদেশে খুনোখুনি, লাঠালাঠি অনেক কম। শেখ হাসিনা মানুষকে স্বস্তিতে থাকতে দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন এই সাহিত্যিক। বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশ ভারতের বন্ধু। দুটো দেশ হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাবে। পাকিস্তানি শোষণে ছিবড়ে হয়ে যাওয়ার পরও আজ বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে, মন্তব্য করেন শোভনদেব।
প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা সৈয়দ আশরাফের মরদেহে
অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। রোববার সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আওয়ামী লীগের সাবেক এ সাধারণ সম্পাদকের প্রথম জানাজা শেষে এই শ্রদ্ধা জানান তারা। এসময় স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও তার মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এর আগে তাকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হয়। রোববার সকালে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘর থেকে তার মরদেহ সংসদ ভবনে নেয়া হয়। এরপর সাড়ে ১০টার দিকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি, আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীসহ বিশিষ্টজনরা। সংসদ ভবন থেকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ তার সংসদীয় এলাকায় (কিশোরগঞ্জ-১ আসনে) নেয়া হবে। সেখানে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। কিশোরগঞ্জ থেকে আশরাফের মরদেহ নেয়া হবে তার জন্মস্থান ময়মনসিংহে। ময়মনসিংহে তৃতীয় জানাজার পর বিকেলে তার মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। এরপর বনানী কবরস্থানে বাদ আসর তাকে দাফন করা হবে। প্রসঙ্গত, থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন ইউনিটে চিকিৎসারত অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) মৃত্যুবরণ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।
সৈয়দ আশরাফের জানাজায় অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি
অনলাইন ডেস্ক: সদ্যপ্রয়াত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জানাজায় অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। শনিবার (৫ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। আগামীকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দ আশরাফের মরদেহ রোববার বাদ আসর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। দশম সংসদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন তিনি। এর আগে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। এর আগে তিনি ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন। এ অবস্থায়ই একাদশ সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে নৌকা প্রতীকে জয়ী হন সৈয়দ আশরাফ। একাদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত এমপিদের মধ্যে ২৮৯ জন শপথ নিয়েছেন বৃহস্পতিবার। অসুস্থতার কারণে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এদিন শপথ নিতে পারেননি। তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর তার শপথ নেয়ার কথা ছিল।
ঢাকায় আনা হয়েছে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ ঢাকায় আনা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে তার মরদেহবাহী বাংলাদেশ বিমানের (বিজি০৮৯) ফ্লাইটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। পরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা মরদেহ গ্রহণ করেন। বিমানবন্দর থেকে সৈয়দ আশরাফের কফিন সরাসরি নিয়ে যাওয়া হবে তার সরকারি বাসভবনে (২১ বেইলি রোড)। সেখান থেকে নিয়ে রাতে মরদেহ রাখা হবে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে। আগামীকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সৈয়দ আশরাফের জানাজা হবে। এর পর হেলিকপ্টারে করে মরদেহ নেয়া হবে সৈয়দ আশরাফের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে জানাজা হবে। এরপর দুপুর ২টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে জানাজার পর আশরাফের মরদেহ ঢাকায় আনা হবে। বাদ আসর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। গত বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বামরুগ্রাদ হাসপাতালের ১১৩২ নম্বর কেবিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কয়েক মাস ধরে সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। গুরুতর অসুস্থতার কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন তিনি। ২০১৭ সালের ২৩ অক্টোবর মারা যান আশরাফ পত্মী শিলা ইসলামও। তিনি থাকতেন যুক্তরাজ্যে। তিনিও ভুগছিলেন জটিল রোগে। স্ত্রী বিয়োগের ব্যাথায় কাতর আশরাফের শরীরেও মারণব্যাধি ক্যান্সার ধরা পড়ে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম শপথ নেয়ার জন্য সময় চেয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে চিঠি দিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত আর শপথ নেওয়া হলো না তার। স্পিকারকে চিঠি দেয়ার পরদিনই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন তিনি।
দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারের কাছে আহ্বান মাহফুজা খানমের
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের পাশাপাশি দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি মাহফুজা খানম। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ডাকসুর সাবেক এই ভিপি আরো বলেন, অ্যাবসল্যুট পাওয়ার মেক্স আ ম্যান করাপ্ট। এই কথাটা যেন আমরা ভুলে না যাই। অ্যাবসল্যুট পাওয়ার আমরা পেয়েছি, এটা কিন্তু করাপ্ট হওয়ার অনেক সুযোগ আছে। আমাদের দুর্নীতিকে কমিয়ে ফেলতে হবে। বাংলাদেশকে গড়ার জন্য যে ইশতেহার দেওয়া হয়েছে, যে নীতিগুলো ২০১০ সাল থেকে রচনা করা হয়েছে, নারী নীতি, শিশু নীতি, শিক্ষা নীতি, এই নীতিগুলো যেন বাস্তবায়ন করা হয়। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, অমুক লীগ, তমুক লীগ তাদের আপনারা কন্ট্রোল করুন। এটা আমাদের একটা বড় দাবি। তারা আমার সন্তান, তাদের আমি অমানুষ করে এই বাংলাদেশে রাখতে চাইব না। পীযূষ বন্দোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, আরমা দত্ত, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের পাশাপাশি দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সেই সঙ্গে চলমান উন্নয়নমূলক বড় প্রকল্পগুলো যথাসময়ে বাস্তবায়ন করতে হবে বলেও জানান তারা। বক্তারা আরো বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্যই জনগণ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটকে নিরঙ্কুশ বিজয় উপহার দিয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মনিটরিং সেল গঠন এবং ১০০০, ২০০ ও ৫০০ দিনের কর্মসূচি নির্দিষ্ট করে তা বাস্তবায়নের পরামর্শ দেন তারা।
শনিবার দেশে আসছে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ শনিবার (০৫ জানুয়ারি) বিকেলে দেশে আনা হচ্ছে। শুক্রবার (০৪ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ভাই মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ সাফায়েত ইসলাম। ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে কয়েক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান। ১৯৭১ সালের অস্থায়ী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের সন্তান সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ ৭ জানুয়ারি
অনলাইন ডেস্ক: আগামী সোমবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের নতুন মন্ত্রিসভার শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ নেয়ার বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমও সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। আজ বিকেলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সরকার গঠন করার জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানান। এর আগে সকালে একাদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত এমপিদের মধ্যে ২৮৯ জন শপথ নেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছাড়াও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাতজন শপথ নেননি। ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে ২৯৮ আসনের মধ্যে ২৫৭টিতে জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। জোটগতভাবে তারা পেয়েছে ২৮৮ আসন। অন্যদিকে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপি ও তাদের জোট পেয়েছে মাত্র সাতটি আসন। জয়ের পর টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট, টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন শেখ হাসিনা। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্ধারণ করবেন, সেভাবে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন। রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়াবেন। এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। শপথের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দফতর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে তারাই হবে দেশের নতুন সরকার। শপথ নেয়া পর্যন্ত আগের মন্ত্রিসভা বহাল থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে আগের মন্ত্রিসভা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভায় সদস্যদের শপথ নিতে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর