প্রচারণা চালাতে পারবেন এমপিরা সিটি নির্বাচনে
সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আচরণ বিধিমালা সংশোধন সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। সচিব বলেন, যেহেতু সংসদ সদস্য পদ লাভজনক নয়। তাই তাদের নাম অতি গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। তারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারণা চালাতে পারবেন এমন প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে তারা সরকারি সার্কিট হাউজ ব্যবহার করতে পারবেন না। এটি এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এছাড়াও বিদ্যমান সিটি করপোরেশন আচরণ বিধিমালায় ১১টি বিষয়ে সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে বলেও জানান সচিব। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা প্রচারণা চালাতে পারবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি সবেমাত্র কমিশন সভায় পাস হলো। এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে। সে হিসেবে গাজীপুরে এর সুযোগ খুবই কম।
সিনেটর পদে বিজয়ী বাংলাদেশি চন্দন যুক্তরাষ্ট্রে
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডিসট্রিক্ট ৫ নির্বাচনী এলাকা থেকে রাজ্যের সিনেটর প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়ে প্রাথমিক বাছাইপর্বে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক শেখ মোজাহিদুর রহমান চন্দন। যুক্তরাষ্ট্রে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির শেখ রহমান চন্দন ৪ হাজার ২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম অপর ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী কার্ট থম্পসন পেয়েছেন ২ হাজার ১১৭ ভোট। প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৪ হাজার ২টির মধ্যে শেখ রহমান ৬৮ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। আগামী নভেম্বরে জাতীয় নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের কোনো প্রার্থী না থাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে তিনিই হবেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ইতিহাস সৃষ্টিকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি সিনেটর। নরক্রস, লিলবার্ন ও লরেন্সভিল শহর নিয়ে গঠিত এই এলাকায় গত ৮ বছর ধরে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির পক্ষ থেকে কার্ট থম্পসন সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আসছিলেন। তবে এবার নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় সিনেটর পদটি দীর্ঘদিন পর হারাচ্ছেন তিনি। বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার কৃতিসন্তান শেখ মোজাহিদুর রহমান চন্দন রিপাবলিকান পার্টির হাউস ককাস চেয়ারম্যান ম্যাট হেচেটের সঙ্গে লরেন্স, উইয়িলকিন্স ও থান্ডুলেন কাউন্টিতে এর আগে ২০১২ সালে জর্জিয়া স্ট্রেট রিপ্রেজেন্টেটিভ প্রার্থী হিসেবে একবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই সময় অল্প ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত হন। তবে এবার মাত্র দুই বছর আগে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জাতীয় কমিটির কার্যকরী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েও সকলের নজর কেড়েছেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় শেখ রহমান এ বিজয়কে বাংলাদেশিদের বিজয় বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে সকল বাংলাদেশি ও এশিয়ান ভোটারসহ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সংগঠক ও সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
প্রিয়াঙ্কা বললেন চরম ভয়ংকর রোহিঙ্গাদের বর্ণনা শুনে
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাড়িবহর থেকে যখন ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া নেমে আসেন, রোদের তীব্রতা তখন বাড়ছে। রোদে দাঁড়িয়েই তিনি শুনতে থাকেন, অনিশ্চিত যাত্রাকে সঙ্গে করে রোহিঙ্গারা কীভাবে সীমান্ত পেরিয়েছে। কয়েক দিনের ওই বিপৎসংকুল যাত্রার কথা শুনে একপর্যায়ে রোদচশমা খুলে চোখের পানি মোছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তিনি বিড়বিড় করে ‘চরম ভয়ংকর’ শব্দ দুটি উচ্চারণ করে হাঁটতে শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে এই বলিউড তারকা গিয়েছিলেন টেকনাফের হাড়িয়াখালীর ভাঙ্গার এলাকায়। প্রায় নয় মাস আগে রোহিঙ্গা-ঢলের অন্যতম প্রবেশপথ ছিল এই এলাকা। নাফ নদী আর বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ সড়কের এই অংশ দিয়ে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গার বেশির ভাগই এসেছিল। এদের বড় অংশ ছিল নারী ও শিশু। সীমান্তের ওপাড়ে চোখ রাখলেই দেখা যায় মিয়ানমার। প্রিয়াঙ্কা রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে শুনতে থাকেন, তারা প্রথমে এক বা কখনো একাধিক পাহাড় ডিঙিয়ে, নদী আর সাগর পেরিয়ে সবশেষে দীর্ঘ পথ হেঁটে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আসে। কক্সবাজার সফরের দ্বিতীয় দিনে গতকাল দিনের শুরুতে তিনি এখানে আসার পর রোদ থেকে বাঁচতে একটি গাছের নিচে দাঁড়ান। তাঁর সামনে দাঁড়ানো ইমাম হোসেনকে নাফ নদীর দিকে দেখিয়ে প্রিয়াঙ্কা প্রশ্ন করেন, তোমরা কি ওই পথ দিয়ে এসেছ? জামা কোথায়? ইমাম জানায়, প্রচণ্ড গরম, তাই সে জামা গায়ে দেয়নি। এরপর আরও কয়েকজন শিশুকে কাছে ডাকেন প্রিয়াঙ্কা। এদের অনেকের গায়ে জামা ছিল না। পরে তাদের নিয়ে তিনি ছবি তোলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে ঘিরে ভিড় বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে নিরাপত্তাও জোরদার হয়। নিরাপত্তার বাড়াবাড়িতে বিরক্তও হন প্রিয়াঙ্কা। নিরাপত্তা কমানোর জন্য তিনি পুলিশকে অনুরোধ করেন। প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘প্লিজ, আমার জন্য এত নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। সামনে-পেছনে এত গাড়ি থাকতে হবে না। একটা গাড়ি থাকলেই চলবে।’ তারপরও কড়া নিরাপত্তা ছিল তাঁকে ঘিরে। টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ সড়ক থেকে প্রিয়াঙ্কা টেকনাফের নেটং (উঠনি) পাহাড়ের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে গেলে তাঁকে জানানো হয়, নাফ নদী দিয়ে মিয়ানমার থেকে কীভাবে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এসেছে। এখান থেকে পূর্ব দিকে মিয়ানমার ও পশ্চিমে টেকনাফ এবং জলিলের দিয়া। নাফ ট্যুরিজম পার্ক করা হচ্ছে জলিলের দিয়ায়। এখানে ১৫ মিনিট অবস্থান করে ছবি তোলেন প্রিয়াঙ্কা। এরপর প্রিয়াঙ্কা লেদা বিজিবি চৌকির কাছে ইউনিসেফ পরিচালিত রোহিঙ্গা শিশুদের খেলাধুলার জন্য তৈরি স্থান পরিদর্শন করেন। পরে প্রিয়াঙ্কা আসেন উখিয়ার বালুখালীতে অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরে। এখানে ইউনিসেফ পরিচালিত শিশুবান্ধব কেন্দ্রে এসে ঘণ্টাখানেক কাটান। তিনি শিশুদের সঙ্গে লুডু খেলেন। তাদের আঁকা ছবি নিয়ে গল্প করেন। তিনি খেলনা চায়ের কাপ নিয়েও শিশুদের সঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠেন। পরে প্রায় মিনিট ১৫ হেঁটে লোকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে শিবির ছেড়ে যান। শিবির ছাড়ার আগে তিনি শিশুদের হিন্দিতে স্কুলে যাবে কি না জানতে চান। এরপর তিনি তাদের স্কুলে যেতে বলেন, নিজের দিকে খেয়াল রাখার কথাও বলেন। সবার শেষে ‘খোদা হাফেজ’, ‘আবার দেখা হবে’ বলে বিদায় নেন। ইউনিসেফের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, রোহিঙ্গা শিশুদের দুর্দশা নিজের চোখে দেখতে এবং তাদের সহায়তায় বিশ্ব জনমত জোরদার করতে বাংলাদেশে এসেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। প্রায় এক দশক ধরে ইউনিসেফের সঙ্গে যুক্ত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ২০১৬ সালে শিশু অধিকারবিষয়ক বৈশ্বিক শুভেচ্ছাদূত মনোনীত হন। সিরিয়ার শরণার্থী শিশুদের দেখতে গত বছর জর্ডানে যান প্রিয়াঙ্কা। গতকাল সারা দিন ঘোরাঘুরির পর রোহিঙ্গাদের নিয়ে ইনস্টাগ্রামে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তিনি লিখেছেন, নদীর ওপারে মিয়ানমার। এখন সেটা শূন্য। কয়েক মাস আগেও সাবরাং নামে পরিচিত এলাকাটিতে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা ছিল। মিয়ানমার ছেড়ে রোহিঙ্গারা পালিয়ে এসেছে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার ছেড়ে বাংলাদেশ যাত্রা প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা লিখেছেন, তাদের সেই যাত্রা অনেক প্রতিকূলতা আর চরম বিপজ্জনক। অনেকে কয়েক দিন হেঁটে পাহাড় পেরিয়েছে। এরপর নাফ নদী কিংবা বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়েছে ভেলায় চড়ে। তাদের অনেকেই আহত, অন্তঃসত্ত্বা আর বয়োজ্যেষ্ঠও ছিল। এখানেই তাদের যন্ত্রণার শেষ নয়। শিশুদের ওপর ভয়াবহতার প্রভাব সম্পর্কে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বলছেন, ওই যন্ত্রণা জীবনের বাকিটা অংশ রোহিঙ্গা শিশুদের শারীরিক আর মানসিকভাবে আতঙ্কের মাঝে রাখবে। আপনার সহায়তা তাদের ভবিষ্যতের জন্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। কেননা এ মুহূর্তে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
সাংবাদিকতা ব্যাহত করা আমাদের উদ্দেশ্য না: আইনমন্ত্রী
প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি বিতর্কিত ধারা সম্পর্কে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল হক বলেছেন, ‘সাংবাদিকতা ব্যাহত করা আমাদের উদ্দেশ্য না। সাংবাদিকদের টার্গেট করে কোনো আইন করাও আমাদের উদ্দেশ্য না। সংবিধানে বাকস্বাধীনতার কথা বলা আছে এবং সংবিধানের উল্লেখ্যযোগ্য দিক প্রেসের স্বাধীনতার কথাও বলা আছে। তাই সংবিধানের বিপরীতে বা সাংঘর্ষিক কোনো আইন করতেই পারি না।’ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। বৈঠকে সংসদে উত্থাপিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ নিয়ে আলোচনা হয়। বিতর্কিত এই আইনের ৩২ ধারা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সাংবাদিক বা যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কাঠামোতে বারবার অনুপ্রবেশ করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আইনে যে কোনো ধরনের ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি দিয়ে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ কোনো সংস্থার তথ্য উপাত্ত, ধারণ, প্রেরণ বা সংরক্ষণ করা বা করতে সহায়তা করাকে গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এ জন্য ১৪ বছর কারাদণ্ড বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এ আইনটি সংসদে উত্থাপনের পর সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। এজন্য সাংবাদিকের সংগঠন এডিটরস কাউন্সিল, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক (বিএফইউজে)এবং বেসরকারি টেলিভিশস সংস্থার (অ্যাটকো) নেতাদের মতামত নেয়া হয়। বৈঠকে শেষে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা যে আইনটা করতে চাই সেটা সারা দেশের জন্য করতে চাই। কোনো গোষ্ঠি বা পেশার জন্য আইন করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। বৈঠকে ৮টি ধারা বিশেষ করে ১৫, ২১, ২৫, ২৮, ২৯ ,৩১, ৩২ এবং ৪৩ নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে। সেখানে যে কথাগুলো ওঠে আসছে তা হলো- বৈঠকে আমরা একমত হয়েছি ওই আইনের কিছু শব্দ সংজ্ঞায়িত করা উচিত। এগুলো স্পষ্ট না। এগুলো এতই বিস্তৃত যে, যে কাউকে এই নেটের মধ্যে আনা যাবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, প্রস্তাবিত আইনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা উল্লেখ আছে। কিন্তু সেটা বলতে কী বুঝায়- এটি কিন্তু সাংবাদিকদের প্রস্তাবনায় পরিষ্কার উল্লেখ আছে। এরকম আটটি ধারা নিয়ে এডিটরস কাউন্সিল, বিএফইউজে এবং অ্যাটকোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব ব্যাপারে সুস্পষ্টকরণের জন্য সুপারিশ করব। এগুলো সংজ্ঞার প্রয়োজন। যেসব শব্দ এই আইনের মধ্যে আনা বা ঢুকানোর প্রয়োজন সেগুলো আমরা করার সুপারিশ করব। এরপর আবারও যেন এই নিয়ে আলাপ আলোচনা হয় এটা নিয়ে ক্রিটিসিজম (সমালোচনা) না হয়, আজ সে উদ্দীপনায় আমরা আলোচনা করেছি- সেটা যেন ব্যর্থ না হয়। সে কারণে যখন সংসদীয় কমিটি এই আইনের চূড়ান্ত করবে, তারপর আবার এই সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে বসব। আসন্ন বাজেট অধিবেশনেই আইনটি পাস হবে কি না- এ প্রশ্নের জবাব আইনমন্ত্রী বলেন, এটা আমার হাতে না। বাজেট অধিবেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন। এই অধিবেশনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছাড়া সাধারণত কোনো আইন পাস হয় না। এই অধিবেশন বাজেট নিয়ে আলোচনার জন্য। তাই আমি এরকম কথা বলতে পারব না যে এটা এই অধিবেশনেই পাস হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ৫৭ ধারার অপব্যবহার রোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন পুলিশের সেল থেকে যতক্ষণ পর্যন্ত অনুমোদন পাওয়া না যাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত মামলা রুজু হবে না। এটা করার পর ৫৭ ধারায় শতকরা ৯৫ ভাগ হ্রাস পেয়েছে। এ আইনটা যখন হবে তখন নিশ্চয় ৫৭ ধারা বাতিল হবে।
মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে মোকাবিলা করতে হলে মুখোমুখি সংঘাত হতেই পারে:কাদের
মাদক ব্যবসা যারা করে তারা শক্তিশালী একটা চক্র। তাদের সাথে মোকাবিলা করতে হলে মুখোমুখি সংঘাত হতেই পারে- এ মন্তব্য করে মাদক নিয়ন্ত্রণে সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ আহ্বান জানান তিনি। কাদের বলেন, ‘সরকারের কোনো ভালো কাজ বিএনপির ভালো লাগবে না এটাই স্বাভাবিক। যারে দেখতে নারি, তার চলন বাঁকা। তিনি বলেন, ‘সারা দেশে মাদক বিরোধী যে অভিযান চলছে, তাতে দেশের মানুষ খুশি, মানুষ প্রশংসা করছে আর এটা বিএনপির ভালো লাগছে না।’ বর্তমান সরকারের সময়ে এই প্রত্যাশিত অভিযান দাবি করে সরকারের এই মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে এটা জনগণের বহু প্রত্যাশিত অভিযান। আজকে সুনামির মতো ছড়িয়ে পড়ছে মাদক। তরুণ সমাজের একটা অংশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এ অবস্থায় এ ধরনের অভিযান শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই প্রশংসিত হচ্ছে। এটা সবার মুখে মুখে যে, সরকার জনগণের স্বার্থে এই বিষয়টিতে কঠোরভাবে অবস্থান নিয়েছে। এটা একটা সর্বনাশা ধ্বংসের পথ থেকে তরুণ সমাজকে ফিরিয়ে আনার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।’ মাদক নিয়ন্ত্রণে সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, বিএনপি আজ পর্য‌ন্ত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিষোদগার ছাড়া আর কি করছে? তারা এই পর্যন্ত মাদকের মতো, সন্ত্রাসের মতো, জঙ্গিবাদের মতো ঘটনা নিয়ে কখনো কোনো কথা বলেনি। মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া এই দেশে কোনো রাজনৈতিক দল কথা বলেনি। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এটা একটা সামাজিক সমস্যা। একটা সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। এ বিষয়টায় অন্তত সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্য গড়ে তোলা দরকার। মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘাত হতেই পারে মন্তব্য করে কাদের বলেন, মাদক ব্যবসা যারা করে তারা কিন্তু শক্তিশালী একটা চক্র। তাদের সাথে মোকাবিলা করতে হলে মুখোমুখি সংঘাত হতেই পারে। নোয়াখালী সমিতির সভাপতি শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী, জেএসডির সভাপতি আ স ম রব, বিকল্ল ধারার মহাসচিব মেজর (অব.) এম এ মান্নান, এম মোরশেদ আলম এমপি, মামুনুর রশিদ কিরন এমপি, অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন প্রমুখ।
ভোগান্তিমুক্ত না হলেও সহনীয় থাকবে ঈদযাত্রা: কাদের
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসন্ন ঈদযাত্রা হয়তো ভোগান্তিমুক্ত হবে না, তবে তা সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। মঙ্গলবার মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের মেঘনা সেতু এলাকায় আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা ও টোল প্লাজা ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্টেক-হোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের সড়ক পথে যোগাযোগের একমাত্র অন্যতম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। আমদানি-রফতানি বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন ছাড়াও দেশের লাইফ লাইন খ্যাত এই মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করে দেশের প্রায় ১৭ জেলার মানুষ। তবে গত কয়েক মাসের ধারাবাহিক যানজটে কার্যত অচল হয়ে পড়া এই মহাসড়কের যানজটের তীব্রতা। এবার তা সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ঈদ আসন্ন হওয়ায় যানজট নিয়ে চিন্তার ভাজ যাত্রীদের কপালে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে স্বাভাবিক থাকবে পরিস্থিতি। সকালে মহাসড়কের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শনে আসেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এসময় মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের মেঘনা সেতু এলাকায় আসন্ন ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করা ও টোল প্লাজা ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্টেক-হোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন তিনি। এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, আসন্ন ঈদযাত্রা হয়তো ভোগান্তিমুক্ত হবে না তবে তা সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন, আগামী ঈদে ভাঙ্গা রাস্তার জন্য যাতে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি না হয় সেজন্য জুন মাসের ৮ তারিখের মধ্যে রাস্তা মেরামতের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দরকার হলে দিনের পাশাপাশি সারারাতও মেরামত কাজ চলবে। এক্সেল লোড স্টেশনের দুর্নীতির কথা উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় টোল সংক্রান্ত ভোগান্তি বা দুর্নীতির তথ্য পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় সংসদ সদস্য নাসিম ওসমান, লিয়াকত আলী খোকা, সুবিদ আলী ভূইয়া, নজরুল ইসলাম বাবুসহ নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও কুমিল্লার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই উপস্থিত ছিলেন।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিার ফাঁদ বিএনপিই তৈরি করেছিল
আগামী নির্বাচনে বিএনপি না আসলেও অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা কম হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রোববার দুপুরে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে যুব লীগের আলোচনা সভায় তিনি মন্ত্রী এসব কথা বলেন। কাদের বলেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিার ফাঁদ বিএনপিই তৈরি করেছিল, এবার আর তা হবে না। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি না এলেও অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা কম হবে না এবং গণতন্ত্র এগিয়ে যাবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, এই দেশে মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনী নিয়ে বিতর্ক চলছে। যে রণধ্বনী মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমাদের বিজয়ী করেছে। সেই রণধ্বনী এখন কেন জানি মনে হয় শুধু আওয়ামী লীগের। এই রণধ্বনী আর কেউ উচ্চারণ করে না। তিনি আরো বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্ট হতে চাই না। আমরা মুক্তিযুদ্ধকে ভাগ করতে চাই না। আমরা মুক্তিযুদ্ধকে কেবল আমাদের সম্পদ ভাবতে চাই না। কিন্তু এদেশে তারা কারা যারা মুক্তিযুদ্ধের রণধ্বনীকে তারা তাদের স্লোগান হিসেবে মেনে নেয় না
বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৬
পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দেশের ছয় জেলায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার দিনগত রাতে ময়মনসিংহ, ফেনী, বরিশাল, যশোর, দিনাজপুর ও টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এ ঘটনা ঘটে। এসব বন্দুকযুদ্ধে নিহত চারজন মাদক ব্যবসায়ী, একজন ডাকাত ও অপর একজনকে ছিনতাইকারী বলে দাবি করছে পুলিশ। ময়মনসিংহ শহরের মাসকান্দা গনশার মোড় এলাকায় শনিবার (১৯ মে) দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে বিপ্লব নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত বিপ্লবের বিরুদ্ধে মাদক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান জানান, কতিপয় মাদক বিক্রেতা মাদক ভাগাভাগি করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিম সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলি করলে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেলেও গুলিবিদ্ধ হন বিপ্লব। তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ফেনী ফেনীর ছাগলনাইয়ায় শনিবার (১৯ মে) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আলমগীর হোসেন (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আলমগীর উপজেলার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা বলেও জানায় পুলিশ। পুলিশ জানায়, গোপন সূত্রের ভিত্তিতে একটি মাদকের চালানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বিক্রেতা আলমগীর ও তার দল পুলিশকে লক্ষ্য গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় আলমগীর গুলিবিদ্ধ হলে তাকে উদ্ধার করে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ছাগলনাইয়া থানার পরিদর্শক (ওসি) এম মোর্শেদ পিপিএম জানান, অভিযানে ওই আস্তানা থেকে একটি বন্দুক, ৩ রাউন্ড গুলি, ১শবোতল ফেনসিডিল ও ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদে রোববার (২০ মে) ভোরের দিকে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সঙ্গে বন্ধুকযুদ্ধে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহত ওই যুবককে ডাকাত দলের সদস্য বলে দাবি করছে পুলিশ। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম পিপিএম জানান, রেবাবার রাত ৩টার দিকে শায়েস্তাবাদ সংলগ্ন নদীতে আলো দেখতে পেয়ে ডিবি পুলিশের একটি টিমের সন্দেহ হয়। এগিয়ে গেলে ডাকাত সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় ডিবি পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত পরিচয় ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৮ বছর। ঘটনাস্থল থেকে ১টি পাইপগান, ১টি রামদা, ১টি চাপাতি ও ৮ রাউন্ড গুলির খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। যশোর রোববার ভোরে যশোরের ছুটিপুর সড়কের রুদ্রপুর গ্রামে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি কেএম আজমল হুদা জানান, যশোরের ছুটিপুর সড়কের রুদ্রপুর গ্রামে দুদল মাদক বিক্রেতা বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে-এমন সংবাদে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি ছুড়লে পুলিশও গুলি ছোড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত-পরিচয় একজনের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই ব্যাক্তি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে দাবি করছে পুলিশ। একইসঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে ৪শপিচ ইয়াবা, ১টি ওয়ানশুটার গান, ১ রাউন্ড গুলি ও ৪টি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার তেগরা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে গালকাটা বাবু নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। রোববার ভোরে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মজিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গালকাটা বাবু দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা ফেনসিডিল ও ইয়াবার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) শনিবার দিনগত রাত দুইটার দিকে মির্জাপুর-বালিয়া-উয়ার্শী সড়কের পুষ্টকামুরী দক্ষিণপাড়া ব্রিজের কাছে বন্দুকযুদ্ধে অজ্ঞাতপরিচয় এক ছিনতাইকারী নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, টহলরত পুলিশ সদস্যার ওই ব্রিজের কাছে গেলে ছিনতাইকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ওই স্থানে তল্লাশি চালিয়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক ছিনতাইকারীকে উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মির্জাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহততের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর