এটি একটি বাস্তব সম্মত বাজেট
ভোলা বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছে, এ বাজেটে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে নিম্মস্তরের মানুষ উপকৃত হবে এবং এটি একটি বাস্তব সম্মত বাজেট । যা সকল মহলে প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু বিএনপি বাজেট না পড়েই তারা সমালোচনা করছে এটা তাদের চারিত্রকি বৈশিষ্ট। শুক্রবার দুপুরে ভোলা সদরের ধনিয়া, কাচিয় ও বাপ্তাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে যাকাতের কাপড় বিতরনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনকে সামন রেখে বাজেট দেয়া হয়নি। আমাদের প্রত্যেকটা বাজেটই জনবান্ধন ও গনমুখী বাজেট। এ বাজেটের বেনিফিট সাধারন মানুষ পাবে। তিনি বলেন, এ বাজেটের মধ্যদিয়ে গ্রামীন অর্থনীতির উন্নয়ন হবে, নদী ভাঙ্গা থেকে শুরু করে সকল কিছু এখানে অন্তভ’ক্ত করা হয়েছে। এতেই দারিদ্র বিমোচন হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্রের সীমা ৩ শতাংশের মধ্যে নেমে আসবে। বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপি নিজের প্রয়োজনে নির্বাচনে আসবে, কারন তারা অতিথে যে ভুল করেছে তার উপলদ্ধি করছে। তারা অস্তিত্ব রক্ষা করার জন্য বিএনপি অবশ্যই নির্বাচনে আসবে। এ সময় জেলা আ’লীগ সম্পাদক আবদুল মনিন টুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের সক্ষমতা রয়েছে
বড় বাজেট, বড় চ্যালেঞ্জ-নতুন অর্থ বছরের বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থের কথা চিন্তা করে বর্তমান সরকার বাজেট পেশ করে। বাজেটে কোনো বিষয়ে সংশোধনের প্রয়োজন হলে তা সংসদে আলোচনা করে ঠিক করা হবে। বাজেট নিয়ে বিএনপির বেপরোয়া মন্তব্যের সমালোচনা করেন মন্ত্রী। শুক্রবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনাঘাট পরিদর্শন করতে গিয়ে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। বলেন: বাজেট ভালো হয়েছে বলেই বিএনপির এ সমালোচনা। ভালো জিনিসে তাদের সমালোচনা থাকবেই। বড় বাজেট, বড় চ্যালেঞ্জ। বড় চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সক্ষমতা সরকারের রয়েছে। বুঝে বা না বুঝে বিএনপি সবসময়ই বিরোধী কথা বলে থাকে। ঢাকা-চট্টগ্রাম আট লেনের মহাসড়কে সোনারগাঁওয়ের মেঘনায় টোল আদায়ে খুচরা লেনদেনে দেরি হওয়াই যানজটের অন্যতম একটি কারণ বলে মনে করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। কাদের বলেন: সরকার নানাভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মেঘনা ও গোমতি নদীতে ১২ জুন থেকে ফেরি চালু হতে যাচ্ছে। ঈদুল ফিতরে যেন নিরাপদে মানুষ ঘরে ফিরতে পারে সে লক্ষ্যে মহাসড়কে যানজট কমাতেই মেঘনা-গোমতির এ ফেরি সার্ভিস চালু করা হচ্ছে বলে জানান সেতুমন্ত্রী।
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ.লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন যারা
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে এ ব্যাপারে আগেভাগেই সর্বোচ্চ প্রস্তুতি শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা তৈরির কাজও গুটিয়ে এনেছে দলটি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটির পাশাপাশি সরকারি একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে মোট তিনশ আসনে প্রায় এক হাজার দুইশ প্রার্থীর তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বল্পসংখ্যক আসনে এক বা একাধিক প্রার্থী থাকলেও বেশিরভাগ আসনেই ৪ থেকে ৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। এদের মধ্যে কারা জনসমর্থনে এগিয়ে তা জানতে মাসে দুইবার করে জরিপ চালানো হচ্ছে- যার প্রতিবেদন সরাসরি দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার কাছে জমা পড়ছে। দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যেসব সাংসদ বার্ধক্যে উপনীত, দলে সময় দিতে পারেন না, অপরাধের সঙ্গে জড়িত, গণবিচ্ছিন্ন, বিতর্কিত, সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন তাদের এবার মনোনয়ন দেয়া হবে না। এবার মনোনয়নের ক্ষেত্রে তরুণ, মেধাবী নেতাদের প্রাধান্য দেয়া হবে। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে দলের প্রার্থীর বিপক্ষে কে নির্বাচন করবেন সে বিষয়টিও বিবেচনায় নেয়া হবে। শক্তিশালী প্রার্থীর বিপরীতে জয়লাভ করতে পারবেন এমন প্রার্থীকে বেছে নেয়া হবে। দলের একাধিক সূত্র জানায়, ৭০ থেকে ১০০ জন বর্তমান সাংসদ এবার মনোনয়ন পাবেন না। যদিও দলের একজন সিনিয়র নেতার মতে, বড় দলে কখনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসে না। তবে ইতোমধ্যে বিতর্কিত হিসেবে যাদের নাম আলোচিত হয়েছে সেই সব আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণা ও উত্তেজনা অন্য আসনের চাইতে অনেক বেশি। দলের মনোনয়নের বিষয়ে জেলা নেতারা বলছেন, জেলা থেকে সব সময় সৎ, ত্যাগী ও যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়; এবারও পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্র থেকে আরও কয়েকবার এ তালিকা চাওয়া হতে পারে। তবে তালিকার বাইরে অনেক সময় কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়; সেক্ষেত্রে প্রার্থী যে-ই হোক কিছু বলার থাকে না। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা বিভাগের ৭০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৫৯টি আসনে জয়লাভ করে। এছাড়া জাতীয় পার্টি ৬, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩টি, বিএনএফ ১টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ১টি আসনে বিজয়ী হয়। নিচে ঢাকা বিভাগে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশী যাদের মধ্য থেকে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হবে সেই তালিকা দেয়া হলো: টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী): আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী চারজন। এরা বর্তমান সাংসদ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, ভোলা ও মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবু, স্কয়ার হাসপাতালের পরিচালক ডা. ছানোয়ার হোসেন ও সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাড. রেজাউল করিম। তবে এ আসনে ড. আব্দুর রাজ্জাকই মনোনয়ন পাবেন বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্র। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর): বয়সের ভারে ন্যুব্জ সংসদ সদস্য খন্দকার আসাদুজ্জামানের ছেলে সোনালী ব্যাংকের সাবেক পরিচালক খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান (ছোট মনি), কন্টিনেন্টাল কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসমত আলী, গোপালপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু ও গোপালপুর উপজেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শামছুল আলম। টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল): বর্তমান সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আমানুর রহমান খান রানা, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম লেবু এবং সদ্য দলে যোগদানকারী শিল্পপতি সৈয়দ আবু ইউসুফ আবদুল্লাহ তুহিন। এ আসনে তুহিনের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী): আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মন্ত্রিত্ব হারানো রাজনীতিক আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, তার স্ত্রী সাবেক সাংসদ বেগম লায়লা সিদ্দিকী, বর্তমান সাংসদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারি, এফবিসিসিআইর পরিচালক ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবু নাসের, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোজহারুল ইসলাম তালুকদার, টাঙ্গাইল বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এমএ আজিজ। টাঙ্গাইল-৫ (সদর): বর্তমান সাংসদ আলহাজ মো. ছানোয়ার হোসেন, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম। এছাড়া এ আসনে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য শিল্পপতি আবুল কাশেম মনোনয়ন চাইবেন। টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার): বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবদুল বাতেন এমপি, জেলা আ’লীগের বাণিজ্য ও শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু ও বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু। টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর): বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ মো. একাব্বর হোসেন, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ও হাকাম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) খন্দকার এ হাফিজ। এছাড়া উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ এবং উপজেলা চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারবেন। টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল): সংসদ সদস্য অনুপম শাজাহান জয়, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক জিএম আবদুল মালেক মিয়া ও ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ। কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর): জনপ্রশাসনমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমপি। কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদি-পাকুন্দিয়া): বর্তমান এমপি অ্যাড. মো. সোহরাব উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এম এ আফজাল, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদের পুত্র রাসেল আহমেদ তুহিন, সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মোখলেছুর রহমান বাদল, পাকুন্দিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রেনু ও আওয়ামী লীগ নেতা মঈনুজ্জামান অপু। কিশোরগঞ্জ-৩ (তাড়াইল-করিমগঞ্জ): সাবেক এমপি ড. মিজানুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ কবীর আহমেদ, করিমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ ও ব্যবসায়ী এরশাদ উদ্দিন। কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম): রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদের পুত্র ও বর্তমান এমপি রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. কামরুল আহসান শাহজাহান। কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর): বর্তমান এমপি মো. আফজাল হোসেন, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অজয় কর খোকন, জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ। কিশোরগঞ্জ-৬ (কুলিয়ারচর-ভৈরব): বর্তমান এমপি নাজমুল হাসান পাপন ও সিআইপি মো. মুছা মিয়া। তবে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের পুত্র নাজমুল হাসান পাপনই মনোনয়ন পাবেন বলে ধরণা করা হচ্ছে। মানিকগঞ্জ-১ (দৌলতপুর-ঘিওর-শিবালয়): জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এবং বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক ক্রিকেটার এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম জাহিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম পিপি, সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ারুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রহিম খান, আওয়ামী লীগ নেতা ও শিবালয় উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আকবর। মানিকগঞ্জ-২ (সিঙ্গাইর-হরিরামপুর): সিঙ্গাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাটিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মনির হোসাইন। মানিকগঞ্জ-৩ (সদর-সাটুরিয়া): জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বর্তমান সংসদ সদস্য এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট বাদরুল ইসলাম খান বাবলু ও রাবেয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম। মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর ও সিরাজদীখান): শ্রীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ এমপি, দলের সাবেক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক. ডা. বদিউজ্জামান ডব্লিউ, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম সারোয়ার কবীর। মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী): সাগুপ্তা ইয়াসমীন এমিলি এমপি, অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম, টঙ্গিবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার কাজী ওয়াহিদ। মুন্সীগঞ্জ-৩ (মুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া): দলের কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মৃণাল কান্তি দাস এমপি এবং সাবেক এমপি ও সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব এম ইদ্রিস আলী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনিসুজ্জামান আনিস। ঢাকা-১ (দোহার ও নবাবগঞ্জ): প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুল মান্নান খান ও ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান। ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ-কামরাঙ্গীরচর): খাদ্যমন্ত্রী ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাড. কামরুল ইসলাম, কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহিন আহমেদ। ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জ): একক প্রার্র্থী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। ঢাকা-৪ (শ্যামপুর): শ্যামপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, আওয়ামী লীগ সভাপতির সাবেক ব্যক্তিগত সমন্বয়কারী ড. আওলাদ হোসেন, সংরক্ষিত আসনের এমপি সানজিদা খানম, ঢাকা মহানগর কৃষকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুস সালাম বাবু। ঢাকা-৫ (ডেমরা-যাত্রাবাড়ী): হাবিবুর রহমান মোল্লা এমপি, তার ছেলে ডেমরা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান সজল, যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী মনিরুল ইসলাম মনু ও সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ মুন্না। ঢাকা-৬ (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি): ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী আশিকুর রহমান লাভলু, সূত্রাপুর থানার সভাপতি হাজী মো. শাহিদ। ঢাকা-৭ (লালবাগ-চকবাজার): হাজী মোহাম্মদ সেলিম এমপি, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তাফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা দক্ষিণের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ আকতার হোসেন। ঢাকা-৮ (রমনা): ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সাবেক কমিশনার, ঢাকা মহনাগর আওয়ামী লীগের প্রবাসী নেতা এবং দলের দুঃসময়ের মুখ কামাল চৌধুরী, মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাঈল হোসেন সম্রাট। ঢাকা-৯ (মুগদা-সবুজবাগ): একক প্রার্থী সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি। ঢাকা-১০ (ধানমন্ডি): একক প্রার্থী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস এমপি। ঢাকা-১১ (বাড্ডা-ভাটারা): বর্তমান সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতউল্লাহ, বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ওয়ার্ড কমিশনার ওসমান গণি, থানার সহ-সভাপতি তালাল রিজভী। ঢাকা-১২ (তেজগাঁও): স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি, যুবলীগের প্রেসডিয়াম সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সাবেক এমপি ডা. এইচবিএম ইকবাল। ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর-আদাবর): দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জাহাঙ্গীর কবীর নানক, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান। ঢাকা-১৪ (মিরপুর-শাহআলী): আসলামুল হক এমপি ও সংরক্ষিত আসনের এমপি সাবিনা আকতার তুহিন। ঢাকা-১৫ (কাফরুল): কামাল আহমেদ মজুমদার এমপি, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এন সাইফুল্লাহ সাইফুল, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম জাহিদ, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি মাঈনুল হোসেন খান নিখিল, সাংসদ ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লার ভাই এখলাছ উদ্দিন মোল্লা। ঢাকা-১৬ (পল্লবী): ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা এমপি, মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এম এ মান্নান কচি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফকির মহিউদ্দিন। ঢাকা-১৭ (গুলশান-ক্যান্টনমেন্ট): সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান এমপি (বঙ্গবন্ধু পরিবারের কোনো সদস্য গোপালগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচন করলে সেক্ষেত্রে তাকে এই আসনে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে), ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক গুলশান থানার সভাপতি ওয়াকিল উদ্দিন। ঢাকা-১৮ (উত্তরা): সাবেক মন্ত্রী ও দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. সাহারা খাতুন এমপি, মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিব হাসান, দক্ষিণখান ইউপি চেয়ারম্যান ও মহানগরের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, যুবলীগের সাবেক ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক সরদার বেলায়েত হোসেন মুকুল, হরিরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাসেম এবং ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন। ঢাকা-১৯ (সাভার): এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এনামূর রহমান এমপি, সাবেক এমপি তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ, পৌর মেয়র আব্দুল গণির ছেলে ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ কবির। ঢাকা-২০ (ধামরাই): ধামরাই থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মালেক এমপি, সাবেক এমপি ও ঢাকা জেলা উত্তরের সভাপতি বেনজির আহমেদ, পৌর মেয়র গোলাম কবির, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুল আলীম খান সেলিম, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহীর সাবেক এপিএস মনোয়ার হোসেন। গাজীপুর-১ (কালিয়াকৈর): মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম মোজাম্মেল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাড. শফিকুল ইসলাম বাবুল। গাজীপুর-২ (গাসিক ও ক্যান্টনমেন্ট): ক্রীড়া সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. আজমত উল্লাহ খান। গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর-সদর): অ্যাড. রহমত আলী এমপি ও তার ছেলে জামিল হাসান দুর্জোয়, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ। গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া): সাবেক প্রধানমন্ত্রী তাজ উদ্দিন আহমেদের মেয়ে সিমিন হোসেন রিমি ও তাজউদ্দিনের ভাই অ্যাড. আফসার উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ উল্লা। গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ): মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান, আকবর হোসেন পাঠান (নায়ক ফারুক) । নরসিংদী-১ (সদর): জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হিরু এমপি, আমেরিকার ফ্লোরিডা আওয়ামী লীগের নেতা আইয়ুব খান মন্টু। নরসিংদী-২ (পলাশ): কামরুল আশরাফ খান পোটন (স্বতন্ত্র এমপি), সাবেক এমপি আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলিপ, সাবেক মন্ত্রী নজরুল ইসলাম। নরসিংদী-৩ (শিবপুর): যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (স্বতন্ত্র এমপি), জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক সাংসদ জহিরুল হক ভূইয়া মোহন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুন-অর-রশিদ খান। নরসিংদী-৪ (বেলাব-মনোহরদী): নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এমপি, ডা. রউফ সরদার, মনোহরদী উপজেলার টানা চারবারের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বীরু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম মানিক । নরসিংদী-৫ (রায়পুরা): সাবেক মন্ত্রী ও দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সাবেক সদস্য রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু এমপি, তার ছেলে রাজিব আহমেদ পার্থ, রাজুর ভাই সালাহ উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, অ্যাড. রিয়াজুল কবীর কাউছার, ব্যারিস্টার তৌফিক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি এসএম কাইয়ূম। নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ): বর্তমান সাংসদ ও ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু, কেন্দ্রীয় যুবলীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল পারভেজ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ হোসেন। নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার): গাজী গ্রুপের চেয়ারম্যান গাজী গোলাম দস্তগীর এমপি, সাবেক এমপি ও সাবেক সেনা প্রধান একএম শফিউল্লাহ, রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও): সাবেক এমপি আবদুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম। নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ): বর্তমান এমপি একেএম শামীম ওসমান, জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাউছার আহম্মেদ পলাশ, এশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ। নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর ও বন্দর): সাবেক এমপি এসএম আকরাম, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, জেলা যুবলীগের সভাপতি আবদুল কাদির, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ মোহাম্মদ বাদল। রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ): বর্তমান এমপি আলহাজ কাজী কেরামত আলী, তার ভাই কাজী ইরাদত আলী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির আবদুল জব্বার, মেয়র মহাম্মদ আলী চৌধুরী। রাজবাড়ী-২ (পাংশা-কালুখালী-বালিয়াকান্দি): বর্তমান সাংসদ এমপি জিল্লুল হাকিম এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) নেতা ডা. ইকবাল হাসান আর্সেনাল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু, পাংশা উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরিদ হাসান ওদুদ। ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী-মধুখালী-আলফাডাঙ্গা): বর্তমান সাংসদ ও দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শিল্পপতি কাজী সিরাজুল ইসলাম, বোয়ালমারী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এম এম মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া,ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি লিয়াকত সিকদার, আলফাডাঙ্গা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা টাইমসের সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন, লায়ন শাখাওয়াত হোসেন। ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা): বর্তমান এমপি ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, তার ছেলে নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আয়মন আকবর চৌধুরী বাবলু, নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্র নেতা অ্যাড. জামাল হোসেন মিয়া, জেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লায়েকুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা শিল্পপতি মেজর (অব.) আ ত ম হালিম, নগরকান্দা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান সরদার। ফরিদপুর-৩ (সদর): একক প্রার্থী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জি. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি। ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন): দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক এমপি কাজী জাফরউল্লাহ, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও এফবিসিসিআইয়ে সাবেক সভাপতি একে আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা খন্দকার মঞ্জুর হোসেন। গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর একাংশ): সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ফারুক খান এমপি অথবা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহেনা। গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর ও কাশিয়ানীর একাংশ): দলের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি। গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া): প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এমপি। মাদারীপুর-১ (শিবচর): সাবেক হুইপ ও বর্তমান এমপি নূর-ই-আলম লিটন চৌধুরী। মাদারীপুর-২ (সদর ও রাজৈর): নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এমপি। মাদারীপুর-৩ (কালকিনি ও সদর একাংশ): প্রার্থীরা হলেন বর্তমান এমপি ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ফ.ম. বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবাহান গোলাপ। তবে এ আসনে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেনের পক্ষেই মনোনয়ন পাওয়ার পাল্লা ভারী বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। শরীয়তপুর-১ (সদর-জাজিরা): বর্তমান সাংসদ ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, শরীয়তপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল হাশেম তপাদার, শরীয়তপুর পৌরসভা মেয়র রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল, জাজিরা উপজেলা চেয়ারম্যান মোবারক আলী শিকদার। শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর): বর্তমান সাংসদ কর্নেল (অব.) শওকত আলী, দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম। শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-গোসাইরহাট-ভেদরগঞ্জ): প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আবদুর রজ্জাকের ছেলে বর্তমান সাংসদ নাহিম রাজ্জাক, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি বাহাদুর বেপারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে।সুত্র আমাদের রাজনীতি
কানাডার উদ্দেশে দুবাই প্রধানমন্ত্রীর ত্যাগ
জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দিতে ৪ দিনের এক সরকারি সফরে শুক্রবার ভোরে কানাডার উদ্দেশে দুবাই ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে এই সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। দুবাইয়ে ৫ ঘণ্টা যাত্রা বিরতির পরে প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটসের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় ভোররাত সাড়ে ৩টায় (বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৫টা) দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। ইউএই-তে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। টরেন্টোর স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়) ফ্লাইটটি টরেন্টো পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে পৌঁছার কথা রয়েছে। টরেন্টোতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নাঈম উদ্দিন আহমেদ এবং কানাডার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের পরিচালক ও উপ-প্রধান প্রটোকল জোনাথন সাউভি পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন। দুই ঘণ্টা যাত্রা বিরতি শেষে প্রধানমন্ত্রী টরেন্টো থেকে কানাডার প্রাদেশিক শহর কুইবেকে যাবেন। সেখানে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান এবং সে দেশের কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কুইবেকের জ্যাঁ লেসাগে ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে অভ্যর্থনা জানাবেন। সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে কানাডার গভর্নর জেনারেলের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী শনিবার লী ম্যানইর রিচেলিউ হোটেলে জি-৭ আউটরিচ নেতাদের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। রোববার সকালে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন। একই দিন তিনি কুইবেক থেকে টরেন্টোতে ফিরে আসবেন এবং সন্ধ্যায় হোটেল মেট্রোতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। প্রধানমন্ত্রী সোমবার কানাডার মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত বব রে’র সঙ্গে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থানস্থল হোটেল রিজ কার্লটনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। শেখ হাসিনা সাসক্যাচুওয়ান প্রদেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং বাণিজ্য ও রপ্তানি উন্নয়ন মন্ত্রী গর্ডন ওয়েন্ট কিউসি, অভিবাসনমন্ত্রী জেরেমি হ্যারিসন ও সাসক্যাচুওয়ান প্রদেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। টরেন্টো ত্যাগের আগে প্রধানমন্ত্রী তার হোটেল কক্ষে কমার্সিয়াল করপোরেশন অব কানাডার (সিসিসি) প্রেসিডেন্ট ও সিইও মার্টিন জেবলকের সঙ্গে বৈঠক করবেন। মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রী দুবাই হয়ে দেশে ফিরবেন।
কল্পলোকের অবাস্তব বাজেট, বললেন এরশাদ
২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে কল্পলোকের অবাস্তব বাজেট বলে অভিহিত করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বৃহস্পতিবার বাজেট অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সামনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন জাপার চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘এই বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়। বাস্তবতার সঙ্গে এই বাজেটের কোনো মিল নেই। এই বাজেট হয়েছে ঘাটতির রেকর্ড করা বাজেট। এই বাজেট দিয়ে মনোতুষ্টি করা গেলেও সাবির্কভাবে দেশের কল্যাণ হবে না।’ তিনি বলেন, ‘জনগণের করের টাকায় ঋণের নামে লুটপাট হওয়া ব্যাংকগুলোর ঘাটতি পূরণ কারার কথা বলা হয়েছে। এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না।’ সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বলেন, ‘এই বাজেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগে উৎসাহ দেয়ার কোনো বিষয় নেই। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কোনো উদ্যোগ বা দিকনির্দেশনাও নেই এই বাজেটে।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের তুষ্ট করার জন্যই এই বাজেট প্রনয়ণ করা হয়েছে। এ বাজেট বাস্তবের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আমাদের দেশের ভোটাররা অনেক সচেতন। বিশাল অঙ্কের ঘাটতি বাজেট দিয়ে তাদের তুষ্ট করা যাবে না।’
জমে উঠেছে কেনাকাটা
বছর ঘুরে আবারো আসছে ঈদ উৎসব। তাই শপিংমলগুলোর মতো রাজধানীর ফুটপাতের দোকানগুলোতেও জমে উঠেছে কেনাকাটা। এখানে মানভেদে ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকায় প্রতি পিচ পাঞ্জাবি, ১৬০ টাকায় শিশুদের টি-শার্ট ও ফ্রক এবং ২৬০ টাকায় শার্ট পাওয়া যাচ্ছে। তবে পুলিশ তাড়া করায় স্বস্তি মিলছে না বেচাকেনায়। গামের্ন্টস ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন বোনাস হয়ে গেলে বিক্রি আরো বাড়বে বলে প্রত্যাশা এসব দোকানিদের। সরেজমিন দেখা গেছে, সব বয়সী নারী-পুরুষের জন্য রং বে-রঙের বিভিন্ন ডিজাইনের জামা-কাপড় পাওয়া যাচ্ছে ফুটপাতে। সারি সারি এসব দোকানগুলো থেকে প্রতিনিয়তই পছন্দমতো জামা-কাপড় ও শার্ট কিনছেন নগরবাসী। এখানে শার্ট বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২৬০ টাকায়। এসব শার্ট রাজধানীর বিভন্ন কারখানা থেকে সংগ্রহ করে এখানে বিক্রি করছে ব্যবসায়ীরা। ফুটপাতে অল্প আয়ের মানুষ সাধ্যের মধ্যে পণ্য কিনতে পেরে যেমন খুশি, তেমনি পণ্য বিক্রি করে খুশি দোকানিরাও। ঈদ উপলক্ষে ফুটপাতের দোকানগুলোতে শিশুদের ফ্রক, টি-শার্ট ছাড়াও বাহারি ডিজাইন ও নানা রংয়ের শিশুদের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। যেগুলোর দাম ১৬০ থেকে ২শ’ টাকা পর্যন্ত। দাম নিয়ে সন্তোষ জানান ক্রেতারা। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা সাধ্যের মধ্যে পছন্দের জামা কাপড় খুঁজে নেন এই ফুটপাত থেকে। এখানে পাওয়া যাচ্ছে হরেক রকমের পায়জামা পাঞ্জাবি। রমজানের প্রথম দিকে তেমন জমজমাট না থাকলেও এরই মধ্যে জমে উঠেছে ফুটপাতের ব্যবসা। জাঁকজমকপূর্ণ আলো ঝলমলে মার্কেটে পোশাকের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষদের একমাত্র ভরসা এই ফুটপাত। নামিদামি শপিংমলে কেনাকাটার ইচ্ছা থাকলেও সামর্থ্য না থাকায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ফুটপাতের দোকানে ছুটছেন নগরীর অনেক মানুষ। নিজেদের আদরের ছেলেমেয়ে বা প্রিয়জনকে ঈদের পোশাকসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্য কিনে দেন এই ফুটপাত থেকে। কি নেই এই ফুটপাতে? শার্ট, প্যান্ট, জুতা, সালোয়ার, কামিজ, রং-বেরংয়ের থ্রি-পিস, গেঞ্জি, পাজামা-পাঞ্জাবি, কসমেটিকস, টুপি, আতর সবকিছুই রয়েছে ফুটপাতের দোকানে। দামও রয়েছে নাগালের মধ্যেই। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সব বয়সী নারী-পুরুষের জন্য রং-বেরংয়ের বিভিন্ন ডিজাইনের জামা-কাপড় পাওয়া যাচ্ছে ফুটপাতে। রাজধানীর ফুটপাতের বাজারে প্রতিনিয়তই ক্রেতারা আসছেন, পছন্দমতো জামা-কাপড় কিনছেন। কেউ কর্মস্থলে যাওয়ার সময় কেউবা ফেরার সময় পছন্দমতো নিজেদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সারছেন। সকাল থেকে শুরু হয়ে ফুটপাতের এই বেচাকেনা চলে রাত ১০টা বা তারও একটু বেশি সময় পর্যন্ত। একাধিক ফুটপাতের ব্যবসায়ী জানান, ঈদের সময় যত কাছে আসবে এই বেচাকেনা মধ্যরাত ছাড়িয়ে যাবে। মার্কেট ভেদে ছেলেদের শার্ট বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫শ’ টাকায়, জিন্স প্যান্ট ৩৫০ থেকে সাড়ে ৭শ’ টাকায়, টি-শার্ট ২৫০ টাকা থেকে ৪শ’ টাকা, মেয়েদের থ্রি-পিস ৪৫০ টাকা থেকে হাজার/১২শ’ টাকা, শাড়ি ৪৫০ থেকে ২ হাজার টাকা, বাচ্চাদের থ্রি-কোয়াটার জিন্স প্যান্ট ৩শ’ টাকা, গেঞ্জির সেট ২শ’ থেকে ৫শ’ টাকা, ফ্রক ও টপস ২৫০ থেকে ৫শ’ টাকা, ছেলে ও মেয়ে শিশুদের জন্য হাতাকাটা গেঞ্জি ২শ’ থেকে ৪শ’ টাকা। ফুটপাতের বেচাকেনা খোঁজ নিতে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে যেতেই কানে ভেসে এলো ‘দেইখ্যা লন ২শ’, বাইছ্যা লন ২শ’, একদাম ২শ’, যেটাই নেবেন ২শ’। এ রকম শব্দ শুধু এখানেই নয়, পুরো রাজধানীজুড়েই। বায়তুল মোকররমের সামনে ফুটপাতে গেঞ্জির ব্যবসা করেন আমজাদ হোসেন। এক দাম ৪০ টাকায় বেচাকেনা করছেন তিনি। পাশেই কয়েকটি জুতার দোকানে গিয়ে দেখা যায় তারাও এক দামেই ব্যবসা করছেন। যার যে জুতা পছন্দ হচ্ছে এক দাম বলে দিচ্ছেন বিক্রেতারা। ক্রেতার পছন্দ ও সাধ্যের মধ্যে হলে প্যাকেট করছেন আর সাধ্যের মধ্যে না হলে অন্য দোকানে ছুটছেন। এক দামের বিষয়ে ফুটপাতের ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান জানান, প্রতিদিন অনেক ক্রেতার সঙ্গে কথা বলি। রোজা রাইখা বেশি কথা ভালো লাগে না সীমিত লাভ রেখে মাল (পণ্য) ছেড়ে দিচ্ছি। মতিঝিল এলাকার শার্ট বিক্রেতা ইসলাম মিয়া জানান, বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় এখানে সারাক্ষণই ভিড় লেগে থাকে। বিক্রিও ভালো। বিভিন্ন অফিসের বড় বড় কর্মকর্তারা এখান থেকে কেনেন। রাজধানীর মৌচাক মার্কেটের ফুটপাতের ব্যবসার খোঁজ নিয়ে জানা গেল এখানে জমজমাট কসমেটিকস পণ্য। পরিবারের প্রয়োজনীয় পণ্যটি আগেভাগেই কিনে ফেলছেন সবাই। তবে এখানকার ফুটপাতের জামা বা জুতার ব্যবসায়ীরাও বসে নেই। তাদের বিকিকিনিও বেশ ভালো। ঈদ সামনে রেখে বসে নেই মৌসুমি হকাররাও। বিভিন্ন পণ্য নিয়ে ট্রাফিক সিগন্যালে থামা গাড়িগুলোর দিকে ছুটছেন একেকজন। কারো হাতে আতর, কারো হাতে টুপি, কারো হাতে নামাজ শিক্ষার বিভিন্ন ধরনের বই সামগ্রী। যানজটে গাড়িতে বসে থাকা মানুষের কাছে নিয়ে যাচ্ছেন এই পণ্যগুলো ভাসমান হকাররা।
রেকর্ড করেছেন মুহিত
একটানা ১০ বার জাতীয় বাজেট পেশ করে রেকর্ড গড়তে চলেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আজ (৭ জুন, বৃহস্পতিবার) দশম জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন তিনি। দেশের ৪৭তম এই বাজেট হবে আবুল মাল আবদুল মুহিতের টানা দশম এবং নিজের ১২তম জাতীয় বাজেট উপস্থাপন। এর আগে সর্বোচ্চ ১২টি বাজেট পেশ করেন সাইফুর রহমান। তবে তার একটানা ৫টির বেশি বাজেট উপস্থাপনের সুযোগ হয়নি। এবারের বাজেট উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে সাইফুর রহমানের রেকর্ডেও ভাগ বসাবেন আবুল মাল আবদুল মুহিত। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে মুহিত ১৯৮২-৮৩ ও ১৯৮৩-৮৪ দুই অর্থবছরে বাজেট পেশ করেছিলেন। এরপর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে অর্থমন্ত্রী মুহিত ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ১ লাখ ৩২ হাজার ১৭০ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন। সরকারের টানা দুই মেয়াদে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা মুহিতের চলতি (২০১৭-২০১৮) অর্থবছরে তা ছিল ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা। আর আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এসে তার পরিমাণ প্রায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সময়ে বাজেট পেশকারীর সংখ্যা ১১ জন। তারা হলেন- তাজউদ্দীন আহমেদ, ড. আজিজুর রহমান, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, ড. এম এন হুদা, এম. সাইফুর রহমান, আবুল মাল আবদুল মুহিত, এম সায়েদুজ্জামান, মেজর জেনারেল এম এ মুনিম, ড. ওয়াহিদুল হক, শাহ্ এএমএস কিবরিয়া ও ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম। এর মধ্যে তাজউদ্দীন আহমেদ ১৯৭২-৭৩, ১৯৭৩-৭৪ ও ১৯৭৪-৭৫, ড. আজিজুর রহমান ১৯৭৫-৭৬, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৬-১৯৭৭, ১৯৭৭-৭৮ ও ১৯৭৮-৭৯, ড. এম এন হুদা ১৯৭৯-৮০, এম. সাইফুর রহমান ১৯৮০-৮১ ও ১৯৮১-৮২ অর্থবছরে এবং ১৯৯১-৯২, ১৯৯২-৯৩, ১৯৯৩-৯৪, ১৯৯৪-৯৫, ১৯৯৫-৯৬ পর্যন্ত টানা ৫ বার এবং ২০০২-০৩, ২০০৩-০৪, ২০০৪-০৫, ২০০৫-০৬, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে বাজেট পেশ করেন। এ ছাড়া এম সায়েদুজ্জামান ১৯৮৪-৮৫, ১৯৮৫-৮৬, ১৯৮৬-৮৭ ও ১৯৮৭-৮৮, মেজর জেনারেল এম এ মুনিম ১৯৮৮-৮৯ ও ১৯৯০-৯১, ড. ওয়াহিদুল হক ১৯৮৯-৯০, শাহ্ এএমএস কিবরিয়া ১৯৯৬-৯৭, ১৯৯৭-৯৮, ১৯৯৮-৯৯, ১৯৯৯-২০০০, ২০০০-০১ ও ২০০১-০২ এবং ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম ২০০৭-০৮ ও ২০০৮-০৯ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সেতু (নতুন ব্রিজ) এলাকায় এনজিএস সিমেন্টের একটি ট্র‍াক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে দুই নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত নয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক আমির উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে আনা তিনজনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে একজন শহীদুল ইসলামের স্ত্রী নারগিস আকতার (৩৫)। অপর নারী হাসিনা আকতার (৪০)। অজ্ঞাতপরিচয় পুরুষটির বয়স আনুমানিক ২৮ বছর। তিনি আরো জানান, নয়জনকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে আবদুস সাত্তার (৪০), ইমরান (৬), আবদুর রহমান (৪০), অনীল বড়ুয়া (৫০), শারমিন (২৩), রিগান (৩৩), সিফাত (১৬) ও দিদারের (৩০) পরিচয় মিলেছে।
ভোটার আকর্ষণের বাজেট
বাজেট ঘোষণার পর এখন পর্যন্ত বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। ২০১৮-১৯ সালের বাজেট বিষয়ে বিএনপির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা গণমাধ্যমে বলেছেন, এবারের বাজেট নির্বাচনমুখী বাজেট। এই বাজেট বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। লোক দেখানো এবং ভোটার আকর্ষণই এই বাজেটের মূল লক্ষ্য। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ সালের বাজেট ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়। গত অর্থবছরে চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল। বাজেট বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সরকার বাজেট থেকে কত টাকা চুরি করবে, সেটা তো দেয়নি। সরকার কত টাকা আত্মসাৎ করবে, কত টাকা খাবে, কত টাকা কে কীভাবে পকেটস্থ করবে—সেটা বলেনি।’ তিনি বলেন, গরিবের পকেট কাটবে আর নিজেদের পকেট ভরবে, এই বাজেটের উদ্দেশ্য এটাই। বিএনপির আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এই বাজেট বাস্তবসম্মত নয়। এটি ভোটের বাজেট। জনগণকে ধোঁকা দিয়ে, প্রত্যাশা দিয়ে একটি বড় বাজেট করেছে। সরকার গত বছরের বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারেনি। ব্যাপক কাটছাঁট করেছে। গত বছরের সংশোধিত বাজেটে যে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছিল, সেই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি। এবার আরও ৬৪ হাজার কোটি টাকা বেশি, এই লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব না। বিএনপির অপর স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান বলেন , এই বাজেটে বেশ ভালো-ভালো কথা আছে। প্রতিশ্রুতি আছে। কিন্তু এটা বাস্তবায়ন কতটুকু সম্ভব, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী খাতে বরাদ্দ যথেষ্ট মনে হয়নি। কারণ সশস্ত্র বাহিনী এখন বড় হয়ে গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন ছিল। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই বাজেটকে ঢাউস বাজেট বলাই যায়। এই বাজেটের মূল উদ্দেশ্য নির্বাচন। এই বাজেট বাস্তবায়ন করা কতটুকু সম্ভব হবে, আমি জানি না। সামনে নির্বাচন রেখে এই বাজেট দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর