উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগকে পুনঃনির্বাচিত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা এবং আবারো জনগণের সেবা করার সুযোগ দিতে তাঁর দলকে পুনঃনির্বাচিত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যে দেশে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। এছাড়া অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এজন্য আমি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা এবং জনগণকে আবারো সেবা করার সুযোগ দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই। তিনি আজ বিকেলে তাঁর ধানমন্ডির সুধাসদন বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজশাহী, জয়পুরহাট, নড়াইল ও গাইবান্ধায় নির্বাচনী সমাবেশে বক্তৃতাকালে এ আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগ সভাপতি বিশাল উৎসবের মধ্য দিয়ে ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনে তাঁর সরকারকে পুনঃনির্বাচিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমরা ২০২০-২০২১ কে ইতোমধ্যে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করেছি। এ জন্য আমরা বিশাল উৎসবের সাথে যথাযোগ্য মর্যাদায় মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের সুযোগ চাই। প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে নির্বাচিত করার জন্য রাজশাহীর মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এজন্য আমি আপনাদের কাছে চাই যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে যেভাবে আমাদের প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছেন একইভাবে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ ও মহাজোট প্রার্থীকে বিজয়ী করবেন।বাসস
সারা দেশে সাধারণ ছুটি ভোটের দিন
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দিন সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এস এম শাহীন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ৩০ ডিসেম্বর রোববার সারা দেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ তথ্য জানায়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৩০ ডিসেম্বর রোববার সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। এতে উল্লেখ করা হয়, সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/ প্রতিষ্ঠান/ সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/ কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে সব নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
মানুষের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনমুখী আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে : সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: ধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) খান মো. নূরুল হুদা বলেছেন, দেশব্যাপী মানুষের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনমুখী আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা প্রত্যক্ষ করেছি যে, সমগ্র দেশে নির্বাচনের একটি সুবাতাস, একটি অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনমুখী আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনের সাথে সম্পৃক্ত প্রার্থীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে এবং তাদের কর্মকান্ডের মধ্যে তা প্রতিফলিত হচ্ছে। তারা অনবরত সভা-মিছিল করে যাচ্ছেন এবং প্রার্থীরা তাদের ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছেন। দেশব্যাপী একটি সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ-পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সিইসি আজ আগারগাঁওস্থ ইটিআই ভবনে নির্বাচনের দিন সফটওয়্যার সংক্রান্ত ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ইএমএস), ক্যানডিডেট ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইএমএস) এবং রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আরএমএস) বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন। ভোট নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি আমানত উল্লেখ করে খান মো. নূরুল হুদা বলেন, সেই আমানত, সেই ভোটের ফলাফলগুলো বিশ্লেষণ এবং বিতরণ করার জন্য আপনাদের হাতে চলে যাবে। কোন রকমের ভুল-ত্রুটির মাধ্যমে প্রার্থীদের অবস্থান নির্ধারণে যেন ব্যাঘাত না ঘটে, এটা অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটু ভুলের কারণে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। অনেক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সঠিকভাবে ফলাফল বিতরণ ও বিশ্লেষণ করা অত্যন্ত কঠিন। অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সঠিকভাবে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে ৩০ তারিখের পর একটা নতুন সরকার গঠন হবে, সেটার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি যে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেটার নিয়ামক হিসেবে যে যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। সিইসি বলেন, কমিশনের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে যে, যে সকল কর্মকর্তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে, তারা সক্ষমতার সাথে, স্বার্থকতার সাথে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে অবশ্যই সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। প্রশিক্ষণের এমন কোনো স্তর বাদ রাখিনি যে কারণে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের কোন ঘাটতি থাকে। তিনি বলেন, ইভিএমসহ নতুন কতগুলো দিক নিয়ে এ বছর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এবারই প্রথম প্রার্থীদের যে এজেন্ট কেন্দ্রে থাকবেন সেই পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আমরা তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেব। তারা তাদের এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দেবে। এটার উদ্দেশ্য ছিল, এর মাধ্যমে নির্বাচন কার্যক্রমের যে নীতি, আচরণ-বিধি, নির্বাচন পরিচালনা বিধি, পোলিং বুথের ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক অবস্থা এসবগুলো ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পোলিং এজেন্টদের ধারণা দেয়া। যাতে পোলিং এজেন্ট বুঝতে পারে তার দায়িত্ব কী। সিইসি বলেন, কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা যার যার দায়িত্ব বুঝতে পারেন। যার ফলে আইনগত দিকগুলো পোলিং এজেন্টরা ভালোভাবে বুঝতে পারবেন এবং নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু এবং স্বাভাবিক থাকবে। খান মো. নূরুল হুদা বলেন, প্রায় এক বছর ধরে প্রস্তুতি নিয়ে ধীরে ধীরে নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাই। ৩০ তারিখে সেটার শেষ দিন। সেদিন প্রার্থী, সমর্থক এবং ভোটাররা ভোট দেবেন। মাঠ পর্যায়ে অভিযোগ জমা দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে সিইসি বলেন, আমাদের যেটা অসুবিধা হয়, সেটি হলো অভিযোগগুলো নির্বাচন কমিশনের কাছে চলে আসে। এই অভিযোগগুলো আমাদের কাছে না এসে রিটার্নিং অফিসার এবং ইলেকট্রোরাল ইনকুয়ারি কমিটির কাছে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান পাবেন। নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসি সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের মূল কাজ হলো নির্বাচনের রেজাল্ট পাঠানো। দায়িত্বশীলতার সাথে এই কাজটি করতে হবে। পরিসংখ্যানগত কোন ভুল যাতে না হয় এদিকে খেয়াল রাখতে হবে, এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তা নাহলে আপনার একটি ভুলের কারণে এলাকায় লঙ্কা কান্ড ঘটে যেতে পারে। তিনি বলেন,এখানে আপনারা যারা আছেন, তাদের প্রত্যেকেই কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ। নির্বাচনের ফলাফল যতটা সম্ভব দ্রুততার সাথে পাঠাবেন। তবে আবার দ্রুততার সাথে পাঠাতে গিয়ে যাতে ভুল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রেজাল্ট পাঠানোর সময় ভালভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে হবে যে কোন ভুল আছে কি না। বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচন কমিশন এবারই প্রথমবারের মতো বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন সকলের সহযোগিতায় সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বাসস
যেনতেনভাবে নয়, জনগণের ভোটেই আবার ক্ষমতায় আসতে চাই: শেখ হাসিনা
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন। আমরা চাই জনগণ স্বতস্ফূর্তভাবে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক। যেনতেনভাবে নয়, জনগণের ভোটেই আবার ক্ষমতায় আসতে চাই। নির্বাচনে যেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে সেজন্য সবার সাহায্য চাই। বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এফবিসিসিআই এর সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। দুর্নীতি করে নিজেদের জীবনমান উন্নয়ন করা নয়, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাই আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমি কী পেলাম না পেলাম সেটা নিয়ে চিন্তা করি না। আমি চিন্তা করি বাংলাদেশের মানুষের জন্য কী করে গেলাম, কী রেখে গেলাম। কীভাবে বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন হয় সেদিকে লক্ষ রাখা। শেখ হাসিনা আরও বলেন, গ্রামীণ জনগণের সচ্ছলতা বাড়াতে চায় আওয়ামী লীগ সরকার। এ জন্য যা যা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দেখানো দরকার সরকার তা করবে। আমরা চাই বাংলাদেশ হবে একটি শান্তিপূর্ণ দেশ।
নেটের গতি কমানোর কথা ভাবছে ভোটের দিন ইসি: হেলালুদ্দীন
অনলাইন ডেস্ক: আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কম রাখার কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচনের ফল পাঠানোর সময় অর্থাৎ বিকেল ৪টার পর থেকে নেটের গতি স্বাভাবিক থাকবে। বুধবার এ কথা বলেছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। এদিন সকালে নির্বাচন কমিশনের ইটিআই ভবনে সফটওয়্যার সংক্রান্ত ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট সিসটেম (ইএমএস), ক্যানডিডেট ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিসটেম (সিআইএমএস) এবং রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিসটেম (আরএমএস) প্রশিক্ষণে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে ইসি সচিব বলেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছিল। তারা আমাদের বলেছেন, ভোটের দিন ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দিতে হবে। ভোটের দিন ইন্টারনেটের গতি কমানো বা বাড়ানোর ব্যাপারে কোনো মন্তব্য না করলেও বিকেল ৪টার পর ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক রাখার ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
একজন ইসির অস্তিত্বে আঘাত করেছেন সিইসি
অনলাইন ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যের কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তিনি বলেছেন, মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা বলেছেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে আমি মিথ্যা কথা বলেছি। আমি তার এই বক্তব্যের কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কারণ এ কথা বলে তিনি একজন নির্বাচন কমিশনারের অস্তিত্বে আঘাত করেছেন। একটা কথা মনে রাখতে হবে যে, সিইসিসহ সকল নির্বাচন কমিশনার সমান। আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এভাবেই তার বক্তব্য তুলে ধরেন। গত সোমবার সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। বিভিন্ন সময় নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) দিয়ে আলোচনায় আসা এই কমিশনার সেদিন আরো বলেন,নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলে কিছু আছে, আমি এটা মোটেই মনে করি না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কথাটাই এখন অর্থহীন কথায় পর্যবসিত হয়েছে। সম্প্রতি একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্রিফিংকালে সিইসি বলেন, সারা দেশে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রার্থীরা প্রচারণায় সমান সুযোগ পাচ্ছেন। এই বক্তব্য সামনে এনে সাংবাদিকরা সেদিন জানতে চান আপনি কি তাহলে সিইসির বিরোধিতা করছেন? জবাবে মাহবুব তালুকদার বলেন, আমি কখনো তার বক্তব্যের বিরোধিতা করি না। তিনি তার কথা বলেন। আমি প্রয়োজনে আমার ভিন্নমত প্রকাশ করে থাকি। আপনারা তো সাংবাদিক, দেশের সব খবর রাখেন, সবকিছু দেখেন। আপনারা নিজের বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন, নির্বাচনে এখন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি না? আশা করি, উত্তর পেয়ে যাবেন। মাহবুব তালুকদারের সোমবারের সেই বক্তব্যের বিরোধীতা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা মঙ্গলবার রাঙ্গামাটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মিলনায়তনে বলেন, মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য ব্যক্তিগত ও অসত্য। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বুধবার মাহবুব তালুকদার বলেন, ইতোপূর্বে সিইসি মহোদয় আমার বিরুদ্ধে নানারূপ উক্তি করেছেন। আমি কখনো তার কথার প্রতিবাদ করিনি। কিন্তু নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে আমি মিথ্যা কথা বলেছি। এ কথার প্রতিবাদ না করে পারলাম না।আলোকিত বাংলাদেশ
জাতীয় প্রেস ক্লাব নির্বাচনে সাইফুল-ফরিদা পরিষদের জয়জয়কার
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী ‘সাইফুল-ফরিদা’ পরিষদের জয়জয়কার। নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন দৈনিক যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়লাভ করেছেন একই প্যানেলের দৈনিক ইত্তেফাকের ফরিদা ইয়াসমিন। বিজয়ীরা আগামী দু’বছর জাতীয় প্রেসক্লাবের নেতৃত্ব দেবেন। নির্বাচনে সাইফুল আলম ৬২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। আর ফরিদা ইয়াসমিন ৫৬৯ ভোট পেয়ে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক পদে জয়লাভ করেন। এর আগে সাইফুল আলম প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি আর ফরিদা ইয়াসমিন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। হিমেল হাওয়া আর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি সত্ত্বেও নবীন-প্রবীণ সদস্যদের উৎসবমুখর পদচারণায় মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে ভোটগ্রহণ হয়। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ২১২ জনের মধ্যে ১ হাজার ৬৭ সদস্য ভোট প্রদান করেন। উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের ১৭টি পদে ৪৪ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। নির্বাচনে ক্লাবের বর্তমান সিনিয়র সহসভাপতি সাইফুল আলমের নেতৃত্বে সাইফুল-ফরিদা এবং শওকত মাহমুদের নেতৃত্বে শওকত-ইলিয়াস নামে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়াও প্যানেলের বাইরে ১০ জন বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে আলাদা ব্যাংকিং ও ঋণ সুবিধা করা হবে
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়ে আবারও সরকার গঠন করলে দেশের নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে আলাদা ব্যাংকিং ও ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। আজ মঙ্গলবার সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঘোষিত ইশতেহার এ কথা জানানো হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ইশতেহার ঘোষণা করেন। ইশতেহারে শেখ হাসিনা বলেন, নারীর প্রতি সকল বৈষম্যমূলক আচরণ/প্রথা বিলোপ করা হবে। বাল্যবিবাহ শূন্যেও কোঠায় নামিয়ে আনা হবে। কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান মজুরি নিশ্চিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ এবং রাষ্ট্র ও জনজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের শুরু হয় জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে। পরে আওয়ামী লীগের শাসনমালের উন্নয়নের বিবরণ তুলে ধরা হয় তথ্যচিত্রের মাধ্যমে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ড. আব্দুর রাজ্জাকের স্বাগত বক্তব্যের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তারপর ইশতেহার ঘোষণা করেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। এ সময়ে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, প্রকৌশলী, বুদ্ধিজীবী, তরুণ সমাজের প্রতিনিধি, দেশি-বিদেশি সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০২৩ সালের মধ্যে: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০২৩ সালের মধ্যে ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে এবং ২০২০ সালের মধ্যে সকলের জন্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হবে। তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণাকালে আগামী পাঁচ বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দলের পরিকল্পনা তুলে ধরে এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকায় ২৩ হাজার সার্কিট কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের মধ্যে ৫ লাখ কিলোমিটার বিতরণ লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এ ছাড়া মহেশখালী, মাতারবাড়ীতে একটি এবং পায়রাতে একটি করে এনার্জি হাব গড়ে তোলা হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে মোট ৫ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সমপরিমাণ এলএনজি সরবরাহ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে ইশতেহার ঘোষণায় তিনি বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে অধিকতর কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন করতে ভারতের শিলিগুড়ি টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপ লাইন , গভীর সমুদ্র থেকে চট্টগ্রামে তেল আনার লক্ষ্যে পাইপ লাইনসহ ইতোপূর্বে গৃহীত অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। শেখ হাসিনা আরো বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারি (ইআরএল) জ্বালানি তেল পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লাখ মেট্রিক টন থেকে বৃদ্ধি করে ৪৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করা হবে। এছাড়া বেসরকারী উদ্যোগে রিফাইনারি প্রতিষ্ঠায় সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। দেশের কয়লা সম্পদের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর