আ. লীগ অফিসে হামলায় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী অাহত
অনলাইন ডেস্ক :শান্তির স্বার্থে শিক্ষার্থীদের বাড়ি ও ক্যাম্পাসে ফেরাতে অভিভাবকসহ সবার সহযোগিতা চাই। তবে যারা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢুকে রাজনীতির বিষবাষ্প দিতে চেয়েছেন, এর মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়, এদের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকতে হবে। আজ শনিবার আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সভা হয়। তিনি বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশকারীরা আন্দোলনে ঢুকেছে। তবে তাদের গতিবিধি লক্ষ্য রাখছে গোয়েন্দা বাহিনী। এক প্রশ্নের উত্তরে কাদের বলেন, শঙ্কায় চালকরা গাড়ি নিয়ে সড়কে নামতে চাচ্ছে না, আমরা নামাতে চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীদের দাবি নামার যৌক্তিকতা খুঁজে পেয়েছি। এগুলো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন। তাদের প্রতিবাদের কণ্ঠকে স্বাগত জানিয়েছি। এখানে কোনো গোপনীয়তা নেই। কেউ দলীয়ভাবে এ আন্দোলন সমর্থন দিয়েছেন, এটা সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দিতে চেয়েছে। আমাদের উদ্বেগ হলো, তাদের শান্তিপূর্ণ, ইনোসেন্ট আন্দোলনে রাজনৈতিক অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এগুলো খারাপ লক্ষণ। এদিকে আ. লীগ অফিসে হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউনিফর্ম পরিহিত কিছু ছাত্রছাত্রীরা অাওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর ইট পাটকেল ছোড়ে। এ ঘটনায় অাওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী অাহত হয়। অাহতদের জিগাতলার জাপান-বাংলাদেশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ হামলা সাধারণ শিক্ষার্থীরা করতে পারে না। এ হামলা বিএনপি জামাতের প্রশিক্ষিত ক্যাডার বাহিনী করেছে। বর্তমানে অাইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নেতাকর্মীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
আ.লীগ অফিসে হামলা ,গুলি
অনলাইন ডেস্ক :নিরাপদ সড়কের দাবিতে ঢাকার ধানমণ্ডির আ.লীগ অফিসের সামনে রাজপথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একদল যুবকের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। আাজ শনিবার দুপুর ২টার দিকে ঝিগাতলার কাছে ধানমণ্ডি ৩/এ সড়কের আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় তারা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছুড়ে। হামলার শিকার শিক্ষার্থীরা ওই সময় সেখানে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের কাজ করছিল। ঘটনা সম্পর্কে জানা যায়, ওই এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুপুরের আগ থেকেই জড়ো হতে শুরু করে। হাজার হাজার শিক্ষার্থী সেখানে অবস্থান নেয়। বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীদের একটি অংশের ওপর হঠাৎ করে হেলমেট পরা, লাঠি হাতে ২৫ থেকে ৩০ জনের একদল যুবক হামলা চালায়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ও হামলাকারীরা একে অপরের দিকে ইটপাটকেল ছোড়া শুরু করে। চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এক প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্র ধরে জানা গেছে, শিক্ষার্থীরা হঠাৎ করে জিগাতলা মোড় থেকে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ের দিকে আসতে থাকে। তখন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দেয়। ছাত্ররা বাধা না মানলে বাক-বিতণ্ডা হয়। ছাত্রছাত্রীরা স্লোগান দিয়ে পার্টি অফিসের দিকে গেলে অফিসের নেতাকর্মীরা ধাওয়া দেয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া পথচারীরাও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উস্কানি দিচ্ছেন আমির খসরু?
অনলাইন ডেস্ক :নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলনে বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উস্কানি দিচ্ছেন; এমন দাবি করে সোশ্যাল মিডিয়া ও ইউটিউবে একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, ওই অডিও ক্লিপটি তার নয় বলে দাবি করেছেন এই বিএনপি নেতা। অডিওটির বিষয়ে তিনি বলেন,এই আন্দোলন ছাত্রদের আন্দোলন। এরসঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। এ ধরনের কথা বলার কোনো প্রশ্নই আসে না। এর আগে খালেদা জিয়ার সাজার পর একটি ছড়িয়ে ছিল। এগুলো বানোয়াট।খবর সময় অনলাইন। শনিবার (০৪ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে ইউটিউব ও ফেসবুকে ওই অডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। ইউটিউবে নাফিয়া ইসলাম নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ক্লিপটি আপলোড করা হয়। অডিও ক্লিপটির শুরুতেই ফোনের রিং বাজতে শোনা যায়। এরপর মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি ফোন রিসিভ করে হ্যালো বলেন। অপর প্রান্ত থেকে শোনা যায় এক যুবকের কণ্ঠস্বর। তিনি বলেন, জ্বি, আসসালামু আলাইকুম, আঙ্কেল। অপর ব্যক্তি বলেন, হ্যাঁ, হ্যাঁ। ওই যুবক বলেন, আঙ্কেল নওমি বলছিলাম। অপর ব্যক্তি বলেন, ভালো আছো? ফোন দেয়া ব্যক্তি বলেন, হ্যাঁ ভালো আছি। আপনি ভালো আছেন। ওই ব্যক্তি বলেন, হ্যাঁ, ভালো আছি। তোমরা কি এগুলোতে কিছুটা ইনভলবড হচ্ছো? যুবক বলেন, হ্যাঁ, আঙ্কেল আমি তো কুমিল্লা আসলাম। অপরজন বলেন, কুমিল্লা না, নামাইয়া দেও না, তোমাদের লোকজন সব নামাইয়া দেও না। মানুষজন নামাইয়া দেও ভালো করে। তোমাদের তো চিনে না। তোমাদের বন্ধু-বান্ধব নিয়ে সব নেমে পড়ো না ঢাকায়। ওই যুবক বলেন, আমরা সবার সঙ্গে কন্ট্রাক্ট করতাছি। ওই ব্যক্তি বলেন, কন্ট্রাক্ট করো, কখন আর কন্ট্রাক্ট করবা? এখনই তো টাইম। এখন নামতে না পারলে তো এটা ডাই ডাউন করে যাবে। তোমাদের তো এত পরিচিত মুখ না। তোমরা নেমে যাও না, ওদের সঙ্গে। ওই যুবক বলেন, এখানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটু নেমেছিল। এমপি সাহেব গাড়ি নিয়ে সবাইকে উঠিয়ে দিয়েছে। অপরজন বলেন, হাইওয়ে-ঠাইওয়েতে অসুবিধা নেই, ঢাকায় নামাইয়া দেও। ঢাকা হইলে অন্য জায়গাতে এমনিতেই হয়ে যাবে। আমার তো কুমিল্লাতে দরকার নেই। তোমরা ঢাকায় এসে ২-৪শ বন্ধু-বান্ধব নিয়ে জয়েন করো। ওই যুবক বলেন, এমনিতে সবাই সংহতি জানাচ্ছে। তবে ওই যুবক বলেন, সংহতি-টংহতি দিয়ে কী হবে? তোমাদের মতো যারা আছে, তাদের নিয়ে নেমে যাও না। ফেসবুকে পোস্টিং-টোস্টিং করো সিরিয়াসলি। ওই যুবক বলেন, এটাতে অ্যাকটিভ আছে সবাই। আমি কাল-পরশু আসতেছি। তখন ওই ব্যক্তি বলেন, এসে এগুলো করো। কুমিল্লা বসে থেকে লাভ কী?
মা হিসেবে আমি বলতে চাই, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মেনে নেয়া হচ্ছে ,ক্লাসে ফিরে যাও
অনলাইন ডেস্ক :শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নুর নাহার ইয়াসমিন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, একজন অভিভাবক, শিক্ষক বা মা হিসেবে আমি বলতে চাই, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মেনে নেয়া হচ্ছে। সেগুলো পর্যায়ক্রমে ও অতি সত্ত্বর বাস্তবায়িত হবে। তাই শিক্ষার্থীদের বিনীতভাবে আহ্বান জানাচ্ছি, তোমরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ফিরে যাও। পড়াশোনায় মনযোগী হও, শনিবার (৪ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত পাঁচটি বাস পাওয়ার পর তিনি এ কথা বলেন। এ দিন শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিআরটিসির চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া বাসগুলোর চাবি হস্তান্তর করেন। ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনের বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম ও একই কলেজের ছাত্রী দিয়া খানম প্রাণ হারান। এ ঘটনার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে
অনলাইন ডেস্ক :নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকেছে বলে মন্তব্য করে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ‘আমরা গোয়েন্দা সূত্রে প্রমাণ পেয়েছি, স্কুল ড্রেস তৈরির হিড়িক পড়েছে। স্কুলড্রেস পরে ছাত্রদের মাঝে ঢুকে যৌক্তিক আন্দোলনকে অন্য খাতে প্রবাহিত করে ঘোলা জলে মাছ শিকার করতে চাচ্ছে একটি চক্র। এ কারণে আমরা ছাত্রছাত্রীসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।’ ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে শনিবার (৪ আগস্ট) দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার আরও বলেন, ‘ছাত্রদের উদ্দেশ্য মহৎ। একটা শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চায় তারা। নিরাপদ সড়ক চায় তারা। সরকার যেমন সমর্থন দিয়েছে, আমরাও পূর্ণ সমর্থন করি। তবে ইতোমধ্যে আমরা বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্স রিপোর্ট, সোশাল মিডিয়া রিপোর্ট ও সোর্স রিপোর্টের ভিত্তিতে এটা নিশ্চিত, এই আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে। যার কারণে আমরা কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। অনুপ্রবেশকারীদের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের বেশে ঢুকে নানা ধরনের অন্তর্ঘাতমূলক ভায়োলেন্স করার অপচেষ্টা লক্ষ করছি।
তারা নৈতিক ও সাহসিকতার শিক্ষা দিয়েছে
অনলাইন ডেস্ক :শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে একটি গোষ্ঠী বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ-ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, তারা নৈতিক ও সাহসিকতার শিক্ষা দিয়েছে। তাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে কমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান ডিএমপি কমিশনার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্বীকার করেন, তাদের অনেক ভুল ভ্রান্তি রয়েছে আগামীতে সেগুলো কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করবে। আগামীকাল ট্রাফিক সপ্তাহ শুরুর ঘোষণা দিয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, কঠোরভাবে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করা হবে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নৈতিক সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, ট্রাফিক আইন প্রয়োগের নৈতিক ভিত গড়ে দিয়েছে তারা। প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিমানবন্দর সড়কে রেডিসন হোটেলের বিপরীতে কালশী থেকে বিমানবন্দরগামী জাবালে নূর পরিবহনের একাধিক বাস প্রতিযোগিতা করে যাত্রী তুলতে গিয়ে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। এ সময় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী দিয়া খানম মীম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল করিম রাজীব নিহত হন। এছাড়া আরো কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। পরে এ ঘটনার জেরে নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তাসহ শিক্ষার্থীদের ‘হত্যার’ বিচারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ফেরাতে শিক্ষক-অভিভাবকদের সহযোগিতা চাইলেন কাদের
অনলাইন ডেস্ক :শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে কোনো দমনমূলক পদক্ষেপ নেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তাদের দাবির বেশিরভাগই বাস্তবায়ন হয়ে গেছে বাকিগুলোও হবে— শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যেতে আহ্বান জানান তিনি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শনিবার সকালে ধানমণ্ডি কার্যালয়ে দলের সম্পাদকরা সভা করেন। সভা শেষে ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ আন্দোলনে বিএনপির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। তিনি জানান, রাজনৈতিক মতলব নিয়ে ছাত্রদের এ যৌক্তিক অরাজনৈতিক আন্দোলনকে অযৌক্তিক খাতে প্রবাহিত করার সৃষ্টি করতে চাইছে। এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের বলেন, কেউ যেন এ আন্দোলনে রাজনীতির রং ছড়াতে না পারে সে ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান। আগামী দু'একদিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলেও আশা প্রকাশ করে তিনি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে শিক্ষক, অভিভাবকসহ সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক
অনলাইন ডেস্ক :আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক উল্লেখ করে সেগুলো বাস্তবায়নে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ। শনিবার দুপুরে সিলেট মেট্টোপলিটন ইউনিভার্সিটির ৩য় সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। বাস চাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক—উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। নূরুল ইসলাম নাহিদ আরো বলেন, রাস্তাঘাট দিনের পর দিন বন্ধ করে মানুষকে দুর্ভোগে ফেলা এটা আন্দোলনের কোনো পদ্ধতি হতে পারে না- এটা শিক্ষার্থীরা বুঝতে পেরেছেন। আশাকরছি এবার শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাবেন এবং পর্যায়ক্রমে তাদের সকল দাবি বাস্তবায়ন করে তাদের ক্ষোভ প্রশমিত করা হবে। গত ২৯ জুলাই বাসচাপায় ঢাকার রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামে ঢাকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। পরে অন্য জেলায়ও ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলন। আন্দোলন থেকে ওঠা ৯টি দাবি পূরণের ঘোষণা দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানানো হলেও শুধু আশ্বাসে সন্তুষ্ট নন শিক্ষার্থীরা।

জাতীয় পাতার আরো খবর