শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
গণপরিবহন সংকট নিরসনে রাজধানীতে নামছে ৬০ দ্বিতল বাস
২,এপ্রিল,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ও সংক্রমণ প্রতিরোধে ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। বাসসহ সব গণপরিবহনে অর্ধেক আসন খালি রেখে যাত্রী তুলতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়। এতে ভাড়া বেড়েছে ৬০ শতাংশ। একই সঙ্গে অফিসে ৫০ শতাংশ উপস্থিতি ঠিকঠাক কার্যকর না হওয়ায় রাস্তায় বেরিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন অফিসযাত্রীরা। সড়ক অবরোধ করতেও বাধ্য হয়েছেন সাধারণ জনগণ। গত দু তিনদিন ঢাকায় গণপরিবহনের তীব্র এ সংকট নিরসনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ৬০টি দ্বিতল বাস নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রোববার (৪ এপ্রিল) ৬০টি ডাবল ডেকার বাস নগরীর বিভিন্ন রুটে চলাচল করবে। মূলত যেসব রুটে যাত্রী সংখ্যা বেশি এসব রুটকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। মূলত এখন বিশ্ববিদ্যালয়সহ নানা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ফলে বিআরটিসর বাসগুলোও ডিপোতে অলস পড়ে আছে। এসব বাস অতিরিক্ত হিসেবে নগরীতে নামানো হবে। এ বিষয়ে বিআরটিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ৬০টি ডাবল ডেকার বাস রোববার থেকে রাজধানীতে নামবো। ঢাকার রাস্তায় বিআরটিসির ৩৫টি ডাবল ডেকার বাস ইতোমধ্যে নামানো হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬০টি বাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমার বিশ্বাস ৬০টি ডাবল ডেকার ফুলফেজে নামানো হলে যাত্রীদের পরিবহন সংকট অনেকটাই কমে আসবে।
সাংবাদিকের ওপর হামলা মানে গণতন্ত্রে আঘাত করা: ফরিদা ইয়াসমিন
২,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের সহিংসতার ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পরিদর্শন করেছে জাতীয় প্রেসক্লাবের একটি প্রতিনিধি দল। শুক্রবার (০২ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব পরিদর্শনে আসেন। পরে দলটি বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। পরে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে বিনিময় করেন এবং আহত সাংবাদিকদের খোঁজ-খবর নেন। এ সময় জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা করা মানে গণতন্ত্রে আঘাত করা। সম্প্রতি সহিংসতার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাংবাদিকদের ওপর যে হামলা ও গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় তাদের লক্ষ্য ছিল সাংবাদিকদের আঘাত করা। তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতা দিবসে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ একটি ভয়াবহ ঘটনা। স্বাধীনতা দিবসে এ ধরনের ঘটনা মানে স্বাধীনতার মূলে আঘাত করা। তিনি এ সময় সব সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করার আহ্বান জানান। পরিদর্শনকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বিক্ষুব্ধদের হামলায় আহত রিয়াজউদ্দিন জামি, সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজনসহ জাতীয় প্রেসক্লাব ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে সহিংসতার ঘটনায় নতুন সাতটিসহ এখন পর্যন্ত ১৯টি মামলা হয়েছে। এতে গ্রেফতার হয়েছে ২৪ জন।
অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর প্রতি আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
২,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি প্রত্যেক অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আরও মমতাময়ী, যত্নবান ও দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস তাদের সম্ভাবনাগুলোকে চিহ্নিত করে সঠিক পরিচর্যা, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ ও মমতা দিয়ে গড়ে তোলা হলে তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের দক্ষ জনসম্পদে পরিণত হবে। শুক্রবার (২ এপ্রিল) বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২১ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৪তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তি এবং তাদের পরিবার ও পরিচর্যাকারীদের শুভেচ্ছা জানাই। তিনি আরও বলেন, এবারের প্রতিপাদ্য- মহামারিত্তোর বিশ্বে ঝুঁকি প্রশমন, কর্মক্ষেত্রে সুযোগ হবে প্রসারণ অত্যন্ত সময়োপযোগী হযেছে বলে আমি মনে করি। শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিসহ সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তির কল্যাণে নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট আইন ২০১৩, নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট বিধিমালা ২০১৫, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা বিধিমালা ২০১৫, বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন ২০১৮ এবং প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কিত সমন্বিত বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯ প্রণয়ন করেছে। এসব আইনের সফল বাস্তবায়নে যথাযথ কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশ অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন এর নিরলস প্রচেষ্টায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অটিজম বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টিসহ দেশের অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কল্যাণে আমরা বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছি। তিনি বলেন, আমাদের সরকার অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিসহ সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল স্তরে তাদের অন্তর্ভূক্তি তথা ক্ষমতায়নকে বিশেষ প্রাধান্য দিতে তাদের জন্য বিশেষ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে এবং মূলধারার বিদ্যালয়সমূহে যেন অন্তর্ভূক্তিমূলক পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত হয় সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা তাদের চিকিৎসাসেবা প্রদানে শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র স্থাপন করেছি। পাশাপাশি, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিসহ সকল প্রতিবন্ধী মানুষকে শতভাগ ভাতার আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তিসহ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিসহ সকল প্রতিবন্ধী মানুষের যোগাযোগ, শিক্ষা, সামাজিক দক্ষতা, স্পিচ বা ল্যাঙ্গুয়েজ দক্ষতা উন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি তাদের জীবনমান উন্নয়নে এ সকল কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, করোনা মহামারিতে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তির অনলাইন প্রশিক্ষণ ও ক্লাস এবং সুযোগ-সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখা হয়েছে। আমি প্রত্যাশা করি, বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় আমাদের সরকার গৃহীত নানামুখী উদ্যোগের ফলে তাদের জীবন আরো উন্নত ও আনন্দময় হবে। আমি বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস ২০২১ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
তাণ্ডবকারীদের অবস্থান কি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, প্রশ্ন আইজিপির
১,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হাটহাজারীসহ বিভিন্ন স্থানে হেফজাতে ইসলামের তাণ্ডবের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, বারবার কেন রাষ্ট্রীয় সম্পতির ওপর আঘাত করা হচ্ছে? তাদের অবস্থানটা কি বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে? বৃহস্পতিবার দুপুরে হেফাজতের তাণ্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের কাছে একথা বলেন তিনি। আইজিপি বলেন, আমরা দেখছি প্রায় প্রতিবছরই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমন ন্যাক্কারজনক হামলা ঘটছে। একইভাবে হাটহাজারীতেও হামলা হচ্ছে। বারবার রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে। বারবার কেন রাষ্ট্রীয় সম্পতির ওপর আঘাত করা হচ্ছে? অবস্থানটা কী বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে? তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীকে স্পষ্ট করে বলতে চাই, ১৮ কোটি বাংলাদেশি আপনাদের সঙ্গে রয়েছে। একসঙ্গে আমরা ভয়কে অতিক্রম করতে পারব। কোনও বিশেষ গোষ্ঠী কোনও একটি অঞ্চলকে উপদ্রুত এলাকা হিসেবে পরিণত করবে- এটা হতে দিব না। পুলিশপ্রধান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানুষের নিরাপদে ও নিশ্চিন্তে ঘুমানোর অধিকার আছে। এই অধিকার আমরা নিশ্চিত করব। যারা যার কাছে হামলার ভিডিও ও ছবি আছে তারা যেন তা পুলিশকে সরবরাহ করে। মামলা করেন, আমরা ব্যবস্থা নেব। তিনি বলেন, গত ৫০ বছরে আমাদের কী অর্জন তাহলে! বারবার সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এভাবে হামলা করছে, ৩০ লাখ শহীদের বিনিময়ে অর্জিত এই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে। আইজিপি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫৭৪টি মাদ্রসা রয়েছে। এখানে ১ লাখ ৩ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। দিনে একজন শিক্ষার্থীর পেছনে একশ' টাকা খরচ হলে বছরে ৩৫০ কোটি খরচ হয় এসব মাদ্রাসায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর প্রতি অনুরোধ করে তিনি বলেন, এই খরচ আপনারাই দিচ্ছেন। দ্বীনের খেদমতের জন্য দিচ্ছেন। আসলেই তারা দ্বীনের খেদমত করছেন? বারবার তারা সহিংসতার ঘটনা ঘটাচ্ছে। তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হাটহাজারীতে ভূমি অফিস জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫০ বছরেও এই রেকর্ড ব্যবস্থার পুনরুদ্ধার হবে কিনা সংশয় রয়েছে। হাজার হাজার মানুষকে ভুগতে হবে। পুলিশপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ঐহিত্যগতভাবে যার যার ধর্ম পালন করে থাকে। ধর্ম ব্যবসায়ী যারা, তাদের দুটি চরিত্র রয়েছে। তারা ওয়াজও করেন, আবার লাঠি নিয়ে মিছিলও করেন। আমাদের এখনই প্রকৃত ধার্মিক লোক ও ধর্ম ব্যবসায়ী- এই দুই শ্রেণির পার্থক্য বুঝতে হবে। তিনি বলেন, অনেক হুজুরের গাড়ি দেখেন, তারা গাড়ি কেনার টাকা পান কোথায়। দ্বীনের জন্য টাকা দেব, ধর্ম ব্যবসার জন্য টাকা দেব না। সাহস রাখবেন, ধৈর্য হারাবেন না। Rab এর মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (মিডিয়া) হায়দার আলীসহ উচ্চ পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এবার লঞ্চের ভাড়াও বাড়ল ৬০ শতাংশ
১,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনের সরকারি নির্দেশনার প্রেক্ষাপটে লঞ্চে ডেকের ভাড়া বাড়ল ৬০ শতাংশ। তবে কেবিনের ক্ষেত্রে কোনো ভাড়া বাড়বে না। বর্ধিত ভাড়া আজ (বৃহস্পতিবার) থেকেই কার্যকর হবে। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর আগে বুধবার (৩১ মার্চ) লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে আলোচনার পর ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাবের চিঠি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠান বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক। সেখানে ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় নেয়ার কথা বলা হয়। করোনা সংক্রমণ রোধে গত সোমবার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ১৮ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়। এতে বলা হয়, গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং ধারণক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। পরে মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) ৬০ শতাংশ বাস ভাড়া বাড়িয়ে ধারণক্ষমতার ৫০ ভাগ যাত্রী পরিবহনের সিদ্ধান্ত বুধবার থেকে কার্যকর করা হয়। অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলের ক্ষেত্রে আগে লঞ্চের ডেকের ভাড়ার হার ছিল ১০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য জনপ্রতি এক কিলোমিটারে এক টাকা ৭০ পয়সা। ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্ব অর্থাৎ ১০০ কিলোমিটার পরবর্তী প্রতি কিলোমিটারের জন্য জনপ্রতি ভাড়া ছিল প্রতি কিলোমিটারে এক টাকা ৮০ পয়সা। এছাড়া জনপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ছিল ১৮ টাকা। এখন এর সঙ্গে ৬০ শতাংশ যুক্ত হলো। লঞ্চের সুযোগ-সুবিধার ওপর ভিত্তি করে কেবিনের ভাড়া ডেকের (তৃতীয় শ্রেণি) ভাড়ার চার, তিন, দুই ও দেড়গুণ নির্ধারিত রয়েছে।
জনসমাগম না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
১,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় জনসমাগম না করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে করোনা সংক্রমণ যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল, এবারও সেভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলেও তিনি জানান। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনার সময় এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংসদ অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস আমরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছিলাম। আবার সারা বিশ্বে করোনা সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। এবার আমাদের দেশে হঠাৎ করে দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। আমরা আগেরবার নিয়ন্ত্রণ করেছিলাম। একেবারেই কমিয়ে এনেছিলাম। সবাই মনে করেছিল, করোনায় কিছুই হবে না। বিয়ের অনুষ্ঠানে যারাই গেছে, তারাই আক্রান্ত হয়েছে, পর্যটন এলাকায় যারাই ঘুরতে গেছে, তারাই আক্রান্ত হয়েছে। যেনো দাওয়াতে যাওয়াটাই বড় হয়ে গিয়েছিল। করোনা সংক্রমণ রোধে এর আগে যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছি, সেভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এরই মধ্যে কিছু নির্দেশনা দিয়েছি। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো, মার্কেটে যাওয়া, বেশি মানুষের সঙ্গে মেলামেশা, যত কম পারা যায়, তত ভালো। বাইরে গেলে, অফিসে গেলে, ঘরে গরম পানির ভাপ নেবেন। এটা করা বেশি কষ্ট না। ভাপ জীবানুটাকে দুর্বল করে ফেলবে, ওটাকে শেষ করে দেবে। বাইরে বের হওয়ার সময় নাকে সরিষার তেল নিতে পারেন। শুনতে হয়তো সেকেলে শোনাবে, কিন্তু উপকার আছে। আমি বাইরে বের হওয়ার সময় নাকে সরিষার তেল নিয়ে বের হই। বিয়ের অনুষ্ঠান ঘরোয়াভাবে করেন। জনসমাগম যাতে না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বাইরে বের হলেই মাস্ক পড়তে হবে। নিজে হয়তো ভুগছেন না, কিন্তু যার সঙ্গে মিশছেন তাকে আক্রান্ত করছেন, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
ইংল্যান্ড ছাড়া ইউরোপ ও ১২ দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ নিষেধ
১,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন করে করোনা ভাইরাস মহামারির প্রকোপ বাড়ায় ইংল্যান্ড ছাড়া পুরো ইউরোপ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশে যাত্রী পরিবহন দুই সপ্তাহের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। যুক্তরাজ্য ছাড়া ইউরোপের সবকটি দেশ এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। অন্য ১২টি দেশ হলো- আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, ব্রাজিল, চিলি, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, পেরু, কাতার, সাউথ আফ্রিকা, তুরস্ক ও উরুগুয়ে। আগামী ৩ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ঈদে এক কোটি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার
৩১,মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে অসহায়, দুস্থ ও অতিদরিদ্র এক কোটি ৯ হাজার ৯৪৯টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার। এজন্য ৪৫০ কোটি ৪৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার (৩১ মার্চ) এ বরাদ্দ দেয়া হয় বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ভিজিএফের আওতায় প্রতিটি পরিবারকে ৪৫০ টাকা হারে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৪ বা ১৫ এপ্রিল পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে। মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের ৬৪টি জেলার ৪৯২টি উপজেলার জন্য ৮৭ লাখ ৭৯ হাজার ২০৩টি এবং ৩২৮টি পৌরসভার জন্য ১২ লাখ ৩০ হাজার ৭৪৬টিসহ মোট এক কোটি ৯ হাজার ৯৪৯টি ভিজিএফ কার্ডের বিপরীতে এ বরাদ্দ দেয়া হয়। পরিবারপ্রতি ১০ কেজি চালের সমমূল্য অর্থাৎ কার্ডপ্রতি ৪৫০ টাকা হারে আর্থিক সহায়তা দিতে উপজেলাগুলোর জন্য ৩৯৫ কোটি ৬ লাখ ৪১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং পৌরসভাগুলোর জন্য ৫৫ কোটি ৩৮ লাখ ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা অর্থাৎ মোট ৪৫০ কোটি ৪৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, আনন্দের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে অসহায়, দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারকে এই আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। চলমান কোভিড পরিস্থিতিতে রমজানের প্রাক্কালে দেয়া এ সহায়তা অতি দরিদ্র পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বাদশ অধিবেশন শুরু কাল
৩১,মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বাদশ অধিবেশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শুরু হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ১৫ মার্চ এ অধিবেশন আহ্বান করেন। ষাট দিনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় এ অধিবেশন আহবান করা হয়েছে বলে এর মেয়াদ স্বল্পকালীন হবে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের এক অধিবেশন শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন বসতে হবে। সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়, দ্বাদশ অধিবেশন ৫-৬ কার্যদিবস চলতে পারে। বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে এবারও যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে এ অধিবেশন চলবে। ফলে এ অধিবেশনেও সাংবাদিকদের সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার থেকে সংবাদ সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। এদিকে গত ২ ফেব্রুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশন শেষ হয়। গত ১৮ জানুয়ারি ওই অধিবেশন শুরু হয়। বছরের প্রথম অধিবেশন হিসাবে সংবিধান অনুযায়ী সে অধিবেশনের প্রথম দিন রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন। ওই অধিবেশনের ১২ কার্যদিবসে মোট ৬টি বিল পাস হয়। আইন প্রণয়ন কার্যাবলী ছাড়াও সে অধিবেশনে কার্যপ্রণালী-বিধির ৭১ বিধিতে ৪৬ টি নোটিশ পাওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য সর্বমোট ৮৪টি প্রশ্ন পাওয়া যায়। তার মধ্যে তিনি ২৮টি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য মোট ১৬৮৯টি প্রশ্ন পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৮২০টি প্রশ্ন সম্পর্কে তারা উত্তর প্রদান করেন। সূত্র : বাসস

জাতীয় পাতার আরো খবর