শেখ হাসিনা উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান। তিনি তলাবিহীন ঝুঁড়ির বাংলাদেশকে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসায় উন্নত বাংলাদেশে পরিণত করেছেন। বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী। সভার শুরুতে শেখ হাসিনার জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি প্রাম্যাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, সমকালীন বিশ্বে শেখ হাসিনার ক্ষমতায় থাকা আমল একটা স্বর্ণালি অধ্যায়। এ অধ্যায় কেউ কোনদিন স্পর্শ করতে পারবে না। বাঙালি জাতির পরিত্রাণদাত্রী শেখ হাসিনা। তিনি শাসক হিসেবে আদর্শ, রাজনীতিক হিসেবে আদর্শ। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পরিচয় অতিক্রম করে তিনি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছেন। শেখ হাসিনার আমল ইতিহাসের অনন্য অধ্যায় হিসেবে সূচিত। শ ম রেজাউল করিম বলেন, এ দেশটা অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল এ দেশে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশে আবার পূর্ব পাকিস্তান কায়েম করা হয়েছিল। শেখ হাসিনা ফিরে এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে ফিরিয়ে এনেছেন। কলঙ্কিত অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে আজ উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের কাতারে নিয়ে এসেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড, জেলখানায় জাতীয় চার নেতা হত্যা, বিডিআর হত্যাকাণ্ড, বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের বিচারের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করে তিনি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার ও মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন এম এইচ আহমেদ আলোচনায় অংশ নেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মো. ইমদাদুল হক, সুবল বোস মনি, শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মো. তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দেশে কৃষির বিপ্লব ঘটিয়েছেন শেখ হাসিনা: শিল্পমন্ত্রী
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে উন্নয়ন ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি আমরা। আমাদের কৃষি নির্ভরশীল এই দেশে কৃষির বিপ্লব ঘটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে জেলার বোদা উপজেলায় নবনির্মিত সারের বাফার গুদাম উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন। শিল্পমন্ত্রী বলেন, যেখানে সারের জন্য এদেশের কৃষকদের প্রাণ দিতে হয়েছিল সেটা আপনারা নিশ্চয় জানেন। সেই কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে এই করোনাকালীন সময়ে সারাদেশে উন্নয়ন ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে করোনাকালীন সময়ে জীবন-জীবিকার যুদ্ধে আমরা যাত্রা শুরু করে ছিলাম। সেখানে সহকর্মীসহ সবাই আমরা এই যুদ্ধ অতিক্রম করেছি। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. সাবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, রেলমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন, পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট, বিসিআইসি চেয়ারময়ান মোস্তাফিজুর রহমান, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ ইউসুফ আলী প্রমুখ। জানা যায়, সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার জন্য দেশের বিভিন্ন জেলায় ১৩টি নতুন বাফার গুদাম নির্মাণ প্রকল্পের ঘোষণা দেয় সরকার। দেশের ১৩টি সারের বাফার গুদামের মধ্যে পঞ্চগড়ে সাড়ে ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সারের গুদামের কাজ প্রথমে শেষ হওয়ায় পঞ্চগরের সারের বাফার গুদামের শুভ উদ্বোধন করা হয় আর এই গুদামের উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে ১৩টি গুদামের সূচনা হলো।
বৃহস্পতিবার ৪শ জনকে টিকিট দিচ্ছে সৌদি এয়ারলাইন্স
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স বৃহস্পতিবার (অক্টোবর ০১) ৪০০ জনকে টিকিট দেবে। যারা রিটার্ন টিকিট করে দেশে এসে মহামারি করোনায় আটকা পড়েছেন, তারাই এই টিকিট পাচ্ছেন। এ দিন এয়ারলাইন্স কর্মকর্তারা নিউজ একাত্তরকে জানান, এ-১ থেকে এ-২০০ ও বি-১ থেকে বি-২০০ এই ৪০০ প্রবাসী যাত্রী বৃহস্পতিবার সৌদি ফিরে যাওয়ার টিকিট পাবেন। এই টোকেনধারীরা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এদিকে অন্যদিনের তুলনায় বৃহস্পতিবারও রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এয়ারলাইন্স কার্যালয়ে দীর্ঘ ভিড় দেখা গেছে। অনেকেই টোকেনের আশায় এসেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৪ অক্টোবর পরবর্তী টোকেন বিতরণ করা হবে।
কুয়েতের আমিরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। বুধবার এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আমি কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহর মৃত্যু সংবাদ জানতে পেরে গভীরভাবে শোকাহত হয়েছি। শেখ হাসিনা কুয়েতের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং মরহুমের পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আবেগাক্রান্ত ও শোকবিহ্বল হওয়া সত্ত্বেও তিনি সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাথমিক দিনগুলোতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও কুয়েতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত আমিরের মধ্যে আস্থা ও ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে সম্পর্কের কথা অতীব অনুরাগের সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তাঁর চমৎকার আলোচনার দক্ষতা এবং সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতার কারণে জাতির পিতা একটি সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বিশেষত মুসলিম উম্মাহর কাছ থেকে বাংলাদেশের পক্ষে স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হন। শেখ হাসিনা বলেন, কুয়েতে বাংলাদেশী প্রবাসীদের কল্যাণে আমি তাঁর অবদান গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষ তার নেতৃত্ব এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল গঠন ও এ অঞ্চল এবং এর বাইরেও শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানকে গভীরভাবে মূল্যবান করে উল্লেখ করে আরো বলেন, তার এ অবদান ইতিহাসে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে স্মরণীয় থাকবে। তিনি বলেন, আমরা কুয়েত এবং এর জনগণের জন্য তাঁর আত্মনিবেদিত সেবার কথা স্মরণ করি। প্রধানমন্ত্রী মরহুম আমিরের বিদেহী আত্মার শাশ্বত শান্তি ও জান্নাতে তাঁর উচ্চতম স্থানের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। তিনি বলেন, সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমিরের সম্মানিত পরিবারের শোকাহত সদস্য এবং কুয়েতের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার জন্য সাহস ও শক্তি দান করুন। শেখ সাবাহ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে (বাংলাদেশ সময়) যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে মারা যান।- বাসস
জাহালমকে ১৫ লাখ টাকা দিতে নির্দেশ হাইকোর্টের
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাটকল শ্রমিক জাহালমকে আসামি করে ঋণ জালিয়াতির ২৬ মামলায় জড়ানোর ঘটনায় তাকে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার এক মাসের মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকে ক্ষতিপূরণের টাকা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই টাকা পরিশোধের এক সপ্তাহের মধ্যে তা সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত মামলায় পুনরায় শুরু হওয়া তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে তা নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া এ ঘটনায় দুদকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে করা বিভাগীয় মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায়ের পর জাহালম সাংবাদিকদের বলেন, আদালত ১৫ লাখ টাকা দিতে রায় দিয়েছেন। আদালতের রায়ে আমি খুশী। এই টাকা তাড়াতাড়ি চাই। দ্রুত টাকা পেলে দায়দেনা পরিশোধ করবো। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দেশের একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। দুর্নীতি রোধ করাই যাদের প্রধান কাজ। তারা স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান ও তদন্ত কাজ করবে। জনগণের প্রত্যাশা, দুদক সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন করবে। আইনের আলোকে জাহালমের ঘটনায় দুদককে দায়ী করা না গেলেও দুদকের নবীন কর্মকর্তাদের চরম অবহেলা ও অদক্ষতা প্রতীয়মান হয়েছে। যদিও সিনিয়র কর্মকর্তাদের তদারকির দায়িত্ব ছিল। কিন্তু ওই তদারকি কর্মকর্তারা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেনি। আদালত বলেন, আমরা আইনের আলোকে বিবেচনায় নিচ্ছি যে দুদক কাজটি করেছে সরল বিশ্বাসে। এখানে দুদকের অন্য কোনো অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না। আদালত বলেন, আমরা আশাকরি, দুদক ভবিষ্যতে অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের ক্ষেত্রে আরো সতর্ক থাকবে। শুনানিতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আনিসুল হাসান ও সোনালী ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার শেখ মো. জাকির হোসেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি রুলের ওপর শুনানি সম্পন্ন হয়েছিল। এরপর মঙ্গলবারের কার্যতালিকায় এটি রায়ের জন্য ছিল। কিন্তু এদিন দুদক, সোনালী ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক নিজেদের পক্ষে শুনানি করেন। এরপর আদালত রায়ের জন্য বুধবার দুপুর দুইটায় সময় নির্ধারণ করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি খুরশীদ আলম খান বলেছিলেন, জাহালমের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে জারি করা রুলের ওপর শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। আদালত রায়ের জন্য সিএভি রেখেছেন। অর্থাৎ যে কোনো দিন এ রায় ঘোষণা করা হবে। গত বছরের জানুয়ারিতে একটি জাতীয় দৈনিকে ৩৩ মামলায় ভুল আসামি জেলে স্যার, আমি জাহালম, সালেক না... শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অমিত দাশ গুপ্ত। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা, মামলার বাদীসহ চারজনকে তলব করেন হাইকোর্ট বেঞ্চ। এছাড়া রুলও জারি করেন আদালত। পরে একই বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্টরা হাজিরের পর হাইকোর্ট জাহালমকে মুক্তির নির্দেশ দেন এবং দুদকের কাছে ঘটনার বিষয়ে হলফনামা আকারে জানতে চেয়েছেন। সে আদেশ অনুসারে দুদক হলফনামা আকারে তা উপস্থাপন করেন। পরে জাহালম প্রশ্নে ব্যাংক ঋণ জালিয়াতির ৩৩ মামলার এফ আই আর, চার্জশিট, সম্পূরক চার্জশিট এবং সকল ব্যাংকের এ সংক্রান্ত নথিপত্র দাখিল করতে দুদককে নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় হাইকোর্ট গত ১৭ এপ্রিল জাহালম কাণ্ডে কে বা কারা দায়ী তা দেখার জন্য এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতিবেদন চেয়েছিলেন। পরবর্তীতে এসব মামলায় দুদক, ব্র্যাক ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়। জাহালম নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, স্যার, আমি জাহালম। আমি আবু সালেক না আমি নির্দোষ। আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ানো লোকটির বয়স ৩০-৩২ বছরের বেশি না। পরনে লুঙ্গি আর শার্ট। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এ বিচারকের উদ্দেশে তাকে বারবার বলতে দেখা যায়, আমি আবু সালেক না। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আবু সালেকের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা জালিয়াতির ৩৩টি মামলা হয়েছে। কিন্তু আবু সালেকের বদলে জেল খাটছেন, আদালতে হাজিরা দিয়ে চলেছেন এই জাহালম। তিনি পেশায় পাটকল শ্রমিক।
ঢাকা-জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ রোড ১০ লেন হচ্ছে
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা-জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ চার লেন সড়কটিকে ১০ লেনের এক্সপ্রেসওয়েতে উন্নীত করার জন্য একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চ্যুয়াল সভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ইমপ্রুভমেন্ট ঢাকা-জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ রোড ইনটু এক্সপ্রেসওয়ে উইথ সার্ভিস লেইন বোথ সাইড বাস্তবায়নে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপের (পিপিপি) ভিত্তিতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান কেরিয়া ওভারসিস অ্যান্ড ডেভলেপমেন্ট করপোরেশেন এ রাস্তার নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করবে। এটা চার লেনের রাস্তা ছিলো এ রাস্তাকে আরও প্রশস্ত করাসহ আরও কিছু কাজ করা হবে। সরকার এবং কোরিয়ান কোম্পানি যৌথভাবে এ কাজটি করবে। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, কাজটির জন্য প্রাথমিকভাবে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা। এ টাকা পুরোটাই কোরিয়ান কোম্পানি দেবে। সরকারকে এক্ষেত্রে টাকা দিতে হবে না। কারণ এখন যে ফোর লেন রাস্তা রয়েছে সেটি সরকার নিজে করেছে। এ কাজের জন্য যে পুনর্বাসন করতে হবে তার জন্য ২৮০ কোটি টাকা আর ইউটিলিটি স্থানান্তরের জন্য ১০০ কোটি টাকা সরকার বহন করবে। বাকি তিন হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা কোরিয়ান কোম্পানি বহন করবে। উল্লেখ্য, বিদ্যমান চার লেন বিশিষ্ট জয়দেবপুর-ময়মনসিংহের ৮৭ দশমিক ১৮ কিলোমিটার সড়কটি এখন এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে ১০ লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। বিদ্যমান চার লেনের পাশাপাশি ১০ ফুট প্রশস্ত দুপাশে ব্যারিয়ার দিয়ে ইমার্জেন্সি লেন নির্মাণ করা হবে। যা দিয়ে শুধু অ্যাম্বুলেন্স, নিরাপত্তা গাড়ি, ভিআইপিসহ যেকোনো জরুরি প্রয়োজনীয় গাড়ি চলাচল করবে। এর পর আরও ১৮ থেকে ২৪ ফুট করে স্বল্প গতির যান চলাচলের জন্য আলাদা দুটি লেন করা হবে। একপাশে পাঁচটি সড়ক লেনসহ দুপাশে দশ লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। দুপাশের অন্য সড়ক থেকে এক্সপ্রেসওয়ে সড়কে উঠতে ও বের হতে প্রতি ২-৩ কিলোমিটার পর আন্ডারপাস ইউটার্ন নির্মিত হবে।
এমসি কলেজ ধর্ষণ মামলায় আসামি তারেক পাঁচদিনের রিমান্ডে
৩০সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার এজাহাভুক্ত আসামি তারেকুল ইসলাম তারেককে (২৮) পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মহানগরের শাহপরান থানা-পুলিশ তাকে সিলেটের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে বিচারক আবুল কাশেম তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমূল্য কুমার চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিমান্ড শুনানিকালে আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেননি জানিয়ে আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মাহফুজুর রহমান বলেন, বাদীপক্ষে স্বপ্রণোদিত হয়ে শতাধিক আইনজীবী অংশ নিলেও আসমিপক্ষে কোনো আইনজীবী অংশ নেননি। তারেককে রিমান্ডের নেয়ার মধ্য দিয়ে এই ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার হওয়া এজাহারভুক্ত ছয় আসমির সকলকেই পাঁচদিন করে রিমান্ডে পেলো পুলিশ। এছাড়া সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া আরও দুজনকেও ৫ দিন করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তারেকুল ইসলাম তারেককে সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে গ্রেপ্তার করেছে Rab-9। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার বিকালে এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়েছিলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার এক দম্পতি। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন যুবক জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে তারা। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে গৃহবধূকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ছয় জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করে শনিবার সকালে নগরীর শাহপরান থানায় মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগীর স্বামী।
মিন্নি গ্রেফতার, কারাগারই তার ঠিকানা
৩০সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনের ফাঁসির আদেশের পর মিন্নিকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান বাবু। তিনি বলেন, রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই মিন্নিকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সবাইকে কারাগারে পাঠানো হবে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ২টার দিকে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান। মামলার রায়ে রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনের ফাঁসির আদেশ দেন আদালত। একই মামলায় চারজনকে খালাস দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন বিচারক। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী (২৩), আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন (২১), মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৯), রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় (২২), মো. হাসান (১৯) ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি (১৯)। এছাড়া মামলায় চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মো. মুসা (২২), রাফিউল ইসলাম রাব্বি (২০), মো. সাগর (১৯) ও কামরুল হাসান সায়মুন (২১)।
রিফাত হত্যায় মিন্নিসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড
৩০সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মিন্নিসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজী, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয়, মোঃ হাসান এবং আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে আনা হয়। দুপুর ১টা ২০ মিনিটে বরগুনা জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা শুরু করেন। এ সময় জামিনে থাকা আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ও কারাগারে থাকা ৮ আসামি উপস্থিত ছিলেন। একবছর তিনমাস তিনদিনের মধ্যে এ হত্যা মামলার রায় এদিন ধার্য করে আদালত। ২০১৯ সালের ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে কিশোর গ্যাং বন্ড বাহিনী কুপিয়ে হত্যা করে রিফাত শরীফকে। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করে আদালত। গতবছর ২৬ জুন সকালটি অন্যান্য দিনের সকালের মতোই শুরু হয়েছিল। কিন্তু বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে একটি হত্যাকান্ড সারাদেশেকে নাড়িয়ে দিয়েছিলো। কিশোর গ্যাং বন্ড বাহিনী প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন রিফাত শরীফ। ঘটনার পরদিন ২৭ জুন রিফাতের বাবা মো. আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। রিফাতের ওপর হামলার ছয়দিন পর ২ জুলাই ভোর রাতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় এ মামলার আলোচিত প্রধান আসামি সাব্বির আহমেদ নয়ন ওরফে নয়ন বন্ড। মামলা তদন্তের এক পর্যায়ে তদন্ত কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো: হুমায়ুন কবির মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ডের সাথে সাক্ষী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির সম্পর্ক ও হত্যা পরিকল্পনার সাথে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়ায় মিন্নিকে এই মামলায় আসামি করা হয়। রিফাত হত্যাকাণ্ডের ২০ দিন পর ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রধান সাক্ষী থেকে মিন্নি আসামি হয়ে যাওয়ায় মামলাটি মোড় নেয় অন্যদিকে। রিফাত হত্যাকান্ডের দুই মাস ছয়দিন পর গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্তবয়স্ক এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই ভাগে বিভক্ত করে দুটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। এদের মধ্যে ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক আসামি এবং ১৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক। প্রাপ্ত বয়স্ক আসামীদের বিচারিক কার্যক্রম শুরুর জন্য ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত চার্জ গঠন করেন। তবে মামলার অন্যতম আসামী মুসা বন্ডকে এখনো ধরতে পারেনি পুলিশ। এরপর গত ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামি রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজী, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয়, মোঃ হাসান, মোঃ মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মোঃ সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন এর বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলার ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্নের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করে আদালত।- একুশে টেলিভিশন

জাতীয় পাতার আরো খবর