শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
সুবর্ণজয়ন্তী কলঙ্কিত করতেই হেফাজতের নাশকতা : আইজিপি
৩১,মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে কলঙ্কিত করতে হেফাজতে ইসলাম এই নাশকতা চালিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। বুধবার (৩১ মার্চ) সকালে সিএমএইচ-এ আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যারা হামলা ও নাশকতা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এই হামলার নির্দেশদাতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিতর্ক এড়াতে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়নি বলেও জানান আইজিপি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, মামলায় হেফাজত নেতাদের নাম দেয়া হয়নি বিষয়টি এমন নয়, যারা হামলা করেছে তাদের নামে মামলা হয়েছে। যারা নির্দেশদাতা তাদের নামও তদন্তে বেরিয়ে আসবে। এরপরই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। উল্লেখ্য, দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় হেফাজতে ইসলামের একাধিক সহিংস বিক্ষোভের ঘটনায় কমপক্ষে ৩৪টি মামলায় ৩০০ চিহ্নিত ব্যক্তিসহ প্রায় ২০ হাজার লোকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তবে কোনো মামলায় হেফাজতের শীর্ষ নেতাদেরকে আসামি করা হয়নি।
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা-প্রশমনের সমঝোতা স্মারক সই
৩০,মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সহনশীলতা এবং প্রশমনের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে । দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন এবং বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী নিজ নিজ সরকারের পক্ষে সই করেন। সম্প্রতি ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, বিবেচ্য বিষয়সমূহ- বাংলাদেশ এবং ভারতে সম্ভাব্য দুর্যোগের ঘটনার ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি; দুই দেশের জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সক্ষমতা বৃদ্ধি; প্রশমন ও সহনশীলতা সৃষ্ট; স্ব-স্ব অঞ্চলে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট দুর্যোগের সময়ে যেকোনো পক্ষের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ত্রাণ, সাড়াদান ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো; দুর্যোগ সহনশীলতা নিশ্চিতকরণে দুর্যোগ সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক তথ্য, রিমোট সেন্সিং ডাটা ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক তথ্য উপাত্ত এবং অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম চর্চাসমূহ বিনিময়; দুর্যোগ প্রস্তুতি, সাড়াদান এবং প্রশমনে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উন্নত তথ্যপ্রযুক্তি, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, রিমোট সেন্সিং, নেভিগেশন পরিষেবা এবং রিয়েল টাইম ডাটা শেয়ারিংয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ সহায়তা প্রদান; উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক যৌথ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মহড়া পরিচালনা; দুর্যোগ সহনশীল জনগোষ্ঠী গঠনের লক্ষ্যে মানদণ্ড, সর্বশেষ প্রযুক্তি ও টুলস বিনিময়; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রকাশনা এবং উপকরণাদি যেমন পাঠ্যপুস্তুক, নির্দেশিকা বিনিময় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি হ্রাস সম্পর্কিত যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা; এ সমঝোতা স্মারকের আওতাধীন কার্যক্রম পরিচালনায় উভয়পক্ষ একটি করে যোগাযোগ কেন্দ্র স্থাপন; বাস্তবায়িত সহযোগিতার অগ্রগতি ও ফলাফল পর্যালোচনার পাশাপাশি সহযোগিতার ক্ষেত্রসমূহ নির্ধারণ ও শনাক্তকরণ, সম্মত কার্যক্রমের বাস্তবায়ন ও ত্বরান্বিতকরণ এবং সহযোগিতার বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও গ্রহণের জন্য উভয় দেশই সিনিয়র লেভেলে ওয়ার্কিং ভিজিট এবং সভার আয়োজন; উভয়পক্ষ সহযোগিতার একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে এবং এই পরিকল্পনায় সহযোগিতার জন্য সম্মত প্রকল্পসমুহ, সেগুলো বাস্তবায়নের সময়সীমা ও পক্ষগুলোর বাধ্যবাধকতাসমূহ এবং নিজ নিজ দেশে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনায় যেসব সুনির্দিষ্ট বিষয় পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে সেগুলো অন্তর্ভুক্তকরণ। এ সমঝোতা স্মারকটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার সম্মত কাঠামো যেমন যৌথ নদী কমিশন, ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি এবং বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ সম্পর্কিত সহযোগিতাকে প্রভাবিত করবে না; স্বাক্ষরের পরে এ সমঝোতা স্মারক তথ্য শেয়ারিংয়ে সহযোগিতার বিদ্যমান সম্মত কাঠামোতে কোনোভাবেই প্রভাব ফেলবে না; সংশ্লিষ্ট দেশের নির্ধারিত অনাপত্তি সাপেক্ষে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিদেশিরা সফর করতে পারবেন; এ সমঝোতা স্মারকের আওতাধীন কার্যক্রম বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির (আইপি) সৃষ্টি করলে পক্ষসমূহ পৃথক একটি চুক্তি সম্পাদন করবে। এ চুক্তি প্রতিটি পক্ষের সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান, উভয়পক্ষের দেশ দু'টি পক্ষ-এ রূপ বহুজাতিক চুক্তির বিধান অনুসারে এ জাতীয় বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির মালিকানা, ব্যবস্থাপনা এবং বাণিজ্যিকীকরণের ব্যবস্থা করবে। এ সমঝোতা স্বারকটি তিন বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। তবে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এর মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে ।
গণপরিবহনের ভাড়া বাড়লো ৬০ শতাংশ
৩০,মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার সংক্রমণ এড়াতে গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী বহনের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারা দেশে গণপরিবহনের ভাড়া ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সকালে নিজ সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আগামীকাল বুধবার (৩১ মার্চ) থেকে কার্যকর হয়ে দুই সপ্তাহ এই বর্ধিত ভাড়া বহাল থাকবে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগামীকাল থেকে দেশের সকল গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী নেওয়া সাপেক্ষে ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ভাড়া পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন খালি রেখে এবং শতভাগ মাস্ক পরিধান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়ে ওবায়দুল কাদের গণপরিবহনের মালিক শ্রমিকদের এ বিষয়ে কঠোর হবার নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ায় সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনা মেনে চলার জন্য দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস ও কারখানায় অর্ধেক জনবল দ্বারা পরিচালনা এবং উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা, জনসমাগম সীমিত করার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এখন থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের যে কোনো কার্যক্রম বাইরে করা যাবে না। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গণপরিবহন চলাচলে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। সোমবার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা বলা হয়, গণপরিবহনের ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিতে হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আন্তঃজেলা যান চলাচল সীমিত করতে হবে। প্রয়োজনে যান চলাচল বন্ধ করতে হবে। দেশে দিনদিন করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) নতুন করে ৫ হাজার ১৮১ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে, যা দেশে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ৭ মাসের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ অবস্থায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গণপরিবহন চলাচলে বিধিনিষেধসহ ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা
৩০,মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের কিছু এলাকায় ঝড়ো হাওয়া ও বিক্ষিপ্ত শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসের নিয়মিত বুলেটিনে এ কথা জানানো হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাঙ্গামাটিতে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ১৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সিলেটে ৭৪ মিলিমিটার, নেত্রকোনায় ৪৬ মিলিমিটার এবং শ্রীমঙ্গলে ৪১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার (তিন দিন) আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা হ্রাস পেতে পারে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।
রাত ১০টার পর বাইরে ঘোরাফেরা নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ
২৯,মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাত ১০টার পর অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সিভিল প্রশাসন মাঠে থাকবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। অপ্রয়োজনে কেউ বের হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে প্রশাসন। গত কয়েকদিন ধরে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় সোমবার (১৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ১৮ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই নির্দেশনার ১১ নম্বর এমন কথা উল্লেখ কর হয়েছে। করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার এমন ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট নির্দেশনায় বলা হয়, অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরা/আড্ডা বন্ধ করতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাইরে বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আজ সোমবার (২৯ মার্চ) সরকারের ১৮ দফা নিয়ে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আমরা গতবছরে প্রথমে রাত ৮টা, পরে ১০টা করে দিয়েছিলাম। এখন এই জায়গাটা একটু নিয়ন্ত্রণ করা যে অযথা বাইরে আসা মানে আক্রান্ত হওয়া। এখনকার ভাইরাসের স্ট্রেইনটা ভয়াবহ এবং ৭০ শতাংশ দ্রুত ছড়াচ্ছে। আপনি আক্রান্ত হলে আপনার পরিবারের বৃদ্ধ সদস্য আক্রান্ত হবে এবং তার জীবনের ঝুঁকি আছে। সেই কথা চিন্তা করে অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরায় সতর্ক থাকতে হবে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাত ১০টার পরে বাইরে বের হওয়ার বিষয়টা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আমরা অবশ্যই রাস্তাঘাটে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করবো। আমাদের পুলিশ প্রশাসন এখানে কাজ করবে। জরুরি কাজ ছাড়া অপ্রয়োজনে কেউ যাতে বাইরে না যায় সেটি আমরা নিশ্চিত করবো। মোবাইল কোর্টও চলমান থাকবে।
ইসলামের চেতনাকে সব স্তরে প্রতিষ্ঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
২৯,মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসুন, সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি। সোমবার (২৯ মার্চ) পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে দেয়া একা বাণীতে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সরকারপ্রধান বলেন, পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আমি আন্তরিক মোবারকবাদ জানাই। মানবজাতির জন্য সৌভাগ্যের এই রজনী বয়ে আনে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমত ও বরকত। এ রাতে আল্লাহপাক ক্ষমা প্রদর্শন এবং প্রার্থনা পূরণের অনুপম মহিমা প্রদর্শন করেন। তিনি বলেন, পবিত্র শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাস বর্তমানে সমগ্র বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছে। আমাদের সরকার এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমরা জনগণকে সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছি। এই মহামারিতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইবাদত করার আহ্বান জানাই। আল্লাহ তায়ালার কাছে বিপদের এ সময় বিশেষ দোয়া করি যেন- এই সংক্রমণ থেকে আমরা সবাই দ্রুত মুক্তি পাই। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে হেফাজত করুন, আমিন।
পবিত্র শবে বরাতের পূর্ণ ফজিলত আমাদের ওপর বর্ষিত হোক: রাষ্ট্রপতি
২৯,মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, মাহে রমজান ও সৌভাগ্যের আগমনী বার্তা নিয়ে পবিত্র লায়লাতুল বরাত আমাদের মাঝে সমাগত। উপমহাদেশে শবে বরাত প্রধানত সৌভাগ্য রজনী হিসেবে পালিত হয়। মানবজাতিকে এই পবিত্র রজনী আল্লাহ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহ ও ক্ষমা লাভের অপার সুযোগ এনে দেয়। তিনি বলেন, ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। মানুষের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির জন্য ইসলামের সুমহান আদর্শ আমাদের পাথেয়। শবে বরাতের এই পবিত্র রজনীতে আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর দরবারে অশেষ রহমত বরকত কামনার পাশাপাশি দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্যের প্রার্থনা জানাই। সৌভাগ্যমন্ডিত পবিত্র শবে বরাতের পূর্ণ ফজিলত আমাদের ওপর বর্ষিত হোক। সোমবার (২৯ মার্চ) পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে দেয়া একা বাণীতে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। আবদুল হামিদ বলেন, পবিত্র শবে বরাত মুসলমানদের জন্য মহিমান্বিত ও বরকতময় এক রজনী। এ উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে জানাই আন্তরিক মোবারকবাদ। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণে সারাবিশ্ব আজ বিপর্যস্ত। বাংলাদেশও করোনা সংক্রমণের হার বর্তমানে ঊর্ধ্বমুখী। তাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হচ্ছে দেশ ও দেশের জনগণকে করোনার ছোবল থেকে রক্ষা করা। আর এজন্য স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সরকার ইতোমধ্যে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাই আসুন আতঙ্কিত না হয়ে করোনা মোকাবিলা করি। রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, পরম করুণাময় বিশ্ববাসীকে এ মহামারি থেকে রক্ষা করুন। পবিত্র শবে বরাত সবার জন্য ক্ষমা, বরকত, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক, মহান আল্লাহর দরবারে এ প্রার্থনা করি।

জাতীয় পাতার আরো খবর