শুধু সার্টিফিকেট নয়, আলোকিত মানুষ হওয়ার শিক্ষা নিতে হবে
অনলাইন ডেস্ক: প্রধান বিচাপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, বিশ্বায়নের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তির সব শাখায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। শুধু সার্টিফিকেটসর্বস্ব শিক্ষা নয়, আলোকিত মানুষ হওয়ার শিক্ষা নিতে হবে। শনিবার দুপুরে নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ভাটিরটেকে ড. বশির আহমেদ কলেজের গরিব ও মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান, নবীণ বরণ ও কলেজের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধান বিচাপতি তার বক্তব্যে আরো বলেন, মানবসভ্যতার অগ্রগতি নির্ভর করে শিক্ষা তথা জ্ঞানবিজ্ঞানের ওপর। শিক্ষা উন্মোচন ঘটনায় নবদিগন্তের, মানুষকে সচেতন করায় তার দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে। শিক্ষা মানুষের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটায়, জ্ঞানের পরিধিকে বাড়িয়ে দেয়। স্কুল-কলেজ হচ্ছে জ্ঞান অন্বেষণের আলোকবর্তিকা। আর শিক্ষকরা হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। তাদের গভীর জ্ঞান, আদর্শ ও জীবনযাত্রা শিক্ষার্থীদের জন্য রোল মডেল। শিক্ষাজীবনের শুরুতে একজন শিক্ষার্থী যদি ব্যক্তিগত ও পারিপার্শ্বিক পরিচ্ছন্নতা, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, কর্মনৈপুণ্য ও পারস্পরিক সহমর্মিতা বোধ নিয়ে বেড়ে ওঠে, সে শিক্ষার্থী হয়ে উঠতে পারে উন্নত, সুখী ও সমৃদ্ধ স্বদেশ গড়ার কারিগর। গুণগত শিক্ষার পাশাপাশি, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মানবিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আলোচনা ও বৃত্তিপ্রদান শেষে কলেজের দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। এর আগে তিনি উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ক্রেস্ট বিতরণ করেন। কলেজের অধ্যক্ষ ব্যারিস্টার শাহীন মিরাজ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিচারপতি আশরাফুল কামাল, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এম অহিদুজ্জামান, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. প্রফেসর আবদুল হান্নান, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা বেগম (বাবলী), সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার, কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. বশির আহমেদ, নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহীদুল্যা খান সোহেল, নোয়াখালী বারের সভাপতি অ্যাড. আবদুর রহমান, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাড. আবুল খায়ের, অ্যাড. ওমর ফারুক, অ্যাড. আমিরুল ইসলাম বুুলবুল প্রমুখ। এর আগে তিনি নোয়াখালী জেলা জজ কোর্টে জজ ও বিচারক এবং বারের জিপি-পিপি নেতৃবৃন্দ সাথে মতবিনিময় করেন। বিকেলে তিনি তার নানার বাড়ি সোনাইমুড়ি উপজেলা বারগাঁও কবর জিয়ারত করেন।
কোন ধরনের নাশকতা বরদাস্ত করা হবে না: আইজিপি
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অরাজকতা, নাশকতা, আন্দোলনের নামে হুমকি ও দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, পুলিশ সে জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছে। শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে বাংলাদেশ পুলিশ মেধাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান ২০১৮ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিয়ে ফেরার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আন্দোলনের হুমকি, অরাজকতা কিংবা অপচেষ্টা রোধে পুলিশের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুলিশ যথাযথ প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ যথেষ্ট সক্ষম। যেকোনো ধরনের নাশকতা, জ্বালাও-পোড়াও দমাতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। আন্দোলনের নামে হুমকি ও শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করতে দেয়া হবে না। নির্বাচনেরর আগে গ্রেপ্তার আতঙ্ক, গণগ্রেপ্তার সম্পর্কে বিএনপির বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে গ্রেপ্তারের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা কখনও কোনো দলের নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করি না। শুধু তাদেরই গ্রেপ্তার করি যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, ওয়ারেন্ট আছে। সেক্ষেত্রে তাদের কী পরিচয় সেটা আমরা দেখি না। গ্রেপ্তারের সঙ্গে নির্বাচন কিংবা কোনো দলের নেতাকর্মীদের সম্পর্ক নেই। সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কর্তৃক জরিপে উঠে এসেছে- দেশের বিদ্যমান সেবা খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদন দেখার সুযোগ হয়নি। তবে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখেছি। টিআইবির ওই গবেষণা রিপোর্টটি পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। কীভাবে এই গবেষণা করা হয়েছে, কারা ছিল, কাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কী উত্তর তারা পেয়েছেন তা বিস্তারিত জেনে মন্তব্য করা যাবে। এর আগে অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) মো. মহসিন হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের জন্য পুলিশ পরিবারের ৩৬১ কৃতি শিক্ষার্থী বৃত্তি প্রদান করেন আইজিপি।
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করলে বহিষ্কার: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলের নেতাকর্মীদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। শনিবার ট্রেনে করে উত্তরবঙ্গ সফরে যাবার পথে বেলা পৌনে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল স্টেশনে এক পথসভায় ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন। এর আগে সকাল ৮টার দিকে বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে নীলফামারীগামী ‘নীলসাগর’ এক্সপ্রেসে করে উত্তরাঞ্চলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী সফর শুরু করেন ওবায়দুল কাদের। মন্ত্রী সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেল স্টেশনে এসে নামেন এবং সেখানে পথসভায় বক্তব্য রাখেন। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা যে প্রতিশ্রুতি দেন তা রক্ষা করেন। আগামীতে ক্ষমতায় এলে শতভাগ উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনুন, দেশে শতভাগ উন্নয়ন হবে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পাবেন। এ সময় দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলে, দলের আদেশ অমান্য করে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। তিনি বলেন, কেউ কোন্দলে জড়াবেন না, বিশৃঙ্খলা করবেন না। বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। আগামী দু-একদিনের মধ্যে বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে শোকজ পাঠানো হবে। মন্ত্রী বলেন, এই সরকার ডিজিটাল সরকার। দেশকে ডিজিটাল করতেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রেরণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তার সুফল আমরা পাচ্ছি। এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমেই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল টুর্নামেন্ট টিভিতে পাচ্ছি। ‘বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতির মূল শক্তি গুজব-সন্ত্রাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা আবারো ২০১৪ সালের মতো আগুন সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের পাঁয়তারা করছে। জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের এই অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।’ মন্ত্রী বলেন, গত নয় বছরে বিএনপি নয় মিনিটও রাস্তায় আন্দোলনে নামতে পারেনি। বরং তারা কোটা আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাঁধে ভর দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। দেশকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল। তারা দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করেছে। আগুন সন্ত্রাস করে তারা বিদেশিদের কাছে দেশের সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের সেই ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিয়েছি। বিএনপি গুজবের রাজনীতি করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ গুজবে বিশ্বাস করে না। জনগণ আর বিএনপির দুঃশাসনে ফিরে যেতে চায় না। দেশে যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে তা জনগণকে জানাতে হবে। তাতে জনগণ আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনবে। বক্তব্যের শুরুতেই টাঙ্গাইলবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি ঢাকা-টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেন সার্ভিস চালু সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আমরা ট্রেনে করে এসেছি। ট্রেনে করেই যাচ্ছি। এতে করে বোঝা যায় আপনারও ট্রেনে যেতে পারবেন। আমরা ঢাকা থেকে ট্রেনে এসে ইঙ্গিত দিলাম যে ঢাকা থেকে আপনাদের জন্য ট্রেন আসছে। একটু অপেক্ষা করেন, আপনারা ঢাকা-টাঙ্গাইল ট্রেন পাবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেটা কথা দেন, সেটা পালন করেন। তিনি টাঙ্গাইলবাসীদের ট্রেন দিতে চেয়েছেন। আপনারা ট্রেন পাবেন। তিনি কথা দিয়েছিলেন আপনারা মেডিক্যাল কলেজ পাবেন, পেয়েছেনও। পথসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল সদর আসনের সাংসদ ছানোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য নেতাকর্মী। পথসভা শেষে ওবায়দুল কাদের সফর সঙ্গীদেরসহ বেলা ১১টার দিকে ফের ট্রেনযোগে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
দলকে শক্তিশালী করতেই উত্তরাঞ্চলে আওয়ামী লীগের ট্রেন সফর: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের উন্নয়ন কাজ তৃণমূলে পৌঁছে দিতে এবং দলকে শক্তিশালী করতেই উত্তরাঞ্চলে আওয়ামী লীগের ট্রেন সফর। ভবিষ্যতে নৌ ও সড়ক পথেও সফর করা হবে। শনিবার সকালে নির্বাচনী ট্রেন যাত্রার শুরুতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে উদ্বাধনী বক্তব্যে সেতুমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, তৃণমূলের মানুষ যাতে বিএনপি জামায়াতের গুজবের রাজনীতির নিয়ে সচেতন হয়, সে বিষয়ে দলের এই সাংগঠিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সফরে উত্তরের বিভিন্ন স্টেশনে ১১টিরও বেশি পথসভা করার কথা রয়েছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা আমাদের নির্বাচনী যাত্রা। যা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। এই ট্রেন যাত্রার মধ্য দিয়ে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে নির্বাচনী সফর করবে আওয়ামী লীগ। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর লঞ্চযোগে নির্বাচনী সফর করব আমরা। এরপর সড়ক পথে আমাদের চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ যাওয়ার কথা রয়েছে। কিছুদিন আগে আমরা রাজশাহীতে নির্বাচনী সফর করে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন বার্তা তৃণমূলে পৌঁছে দেয়ার জন্যই আমাদের এই সফর। এর মাধ্যমে আমরা তৃণমূলের কিছু বার্তা দিতে চাই। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সামনের নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। প্রস্তুতি সেভাবেই নিতে হবে। অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যা থাকলে তা নিরসন করা হবে। আমাদের এই যাত্রা তৃণমূল নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করবে। ট্রেন যাত্রার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছেন আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সফর নিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে নীলফামারী যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল, পাবনার ঈশ্বরদী, নাটোর, বগুড়ার শান্তাহার, জয়পুরহাট, আক্কেলপুর, দিনাজপুরের বিরামপুর, ফুলবাড়ী, পার্বতীপুর ও নীলফামারীর সৈয়দপুর স্টেশনে পথসভা করা হবে। সফররত আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, স্বাভাবিক সময়ে ট্রেনের যাত্রাবিরতি তিন থেকে চার মিনিট হলেও পথসভা উপলক্ষে নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি হবে ১০ মিনিট। এই বিরতির ফাঁকেই উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে নির্বাচনী বক্তব্য রাখবেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী এই ট্রেন সফরে অন্যান্য নেতাদের মধ্যে আছেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি. এম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ দপ্তর সম্পাদিক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।
৩৯তম বিশেষ বিসিএসের ফল প্রকাশ
অনলাইন ডেস্ক: স্বাস্থ্য ক্যাডারে নিয়োগের জন্য ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বৃহস্পতিবার পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা ইশরাত শারমীন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩৯তম বিসিএসের (বিশেষ) এমসিকিউ টাইপ লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় সহকারি সার্জন পদে ১৩ হাজার ২১৯ জন প্রার্থী ও সহকারি ডেন্টাল সার্জন পদে ৫৩১ জন প্রার্থী পাস করেছেন। ফলাফল কমিশনের www.bpsc.gov.bd এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এছাড়া টেলিটক সিম থেকে এসএমসের মাধ্যমেও ফলাফল জানা যাবে। এসএমএস অপসনে গিয়ে PSC(space)39(space) registration number লিখে 16222 নাম্বারে পাঠাতে হবে। যেমন- PSC 39 123456 send to 16222. মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে যথাসময়ে জানানো হবে বলেও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। প্রসঙ্গত, ৩৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন করেন ৩৯ হাজার ৯৫৪ চিকিৎসক। এই বিসিএসে চার হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসককে নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে চার হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন ও ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন। সেই হিসাবে প্রতি পদের জন্য গড়ে আটজনের বেশি চিকিৎসক প্রতিযোগিতা করছেন। গত ৩ আগস্ট রাজধানীর ২৫টি কেন্দ্রে ৩৯তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকাশিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর তৃতীয় গ্রন্থ-নয়া চীন ভ্রমণ
অনলাইন ডেস্ক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তৃতীয় গ্রন্থ নয়া চীন ভ্রমণ প্রকাশিত হচ্ছে। বইটি প্রকাশ করছে বাংলা একাডেমি। একই সাথে বঙ্গবন্ধুর এই নয়া চীন ভ্রমণ বইটি ইংরেজী ভাষায়ও প্রকাশিত হচ্ছে। ইংরেজি ভাষায় বইটি অনুবাদ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ফকরুল আলম। তিনি বঙ্গবন্ধুর লেখা দ্বিতীয় গ্রন্থ এবং বাংলা একাডেমি প্রকাশিত কারাগারের রোজনামচা বইটিও ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেছেন। খবর বাসসর বঙ্গবন্ধুর নয়া চীন ভ্রমণ বইটির প্রথম প্রকাশ ২০ হাজার কপি ছাপা হবে। বাংলা একাডেমি আয়োজিত আগামী অমর একুশের গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী দিন থেকেই বইটি মেলায় পাঠকরা ক্রয় করতে পারবেন বলে একাডেমি কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছেন। ইংরেজী ভাষায়ও বইটি একই সময়ে প্রকাশের টার্গেট করেছে বাংলা একাডেমি। বইটি সম্পাদনার দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ও লোক গবেষক অধ্যাপক শামসুজ্জমান খান এ সব তথ্য জানান। তিনি জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু চীন সফর করেছিলেন। তাঁর এই সফরের উপর তিনি ডায়েরি লিখেছেন। এই ডায়েরিই হচ্ছে নয়া চীন ভ্রমণ বইটি। তিনি জানান, বইটির প্রকাশনার কাজ এগিয়ে চলছে। বইয়ের গ্রন্থস্বত্ব থাকছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরোরিয়াল ট্রাস্ট। ভূমিকা লিখছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা লেখা পাওয়া গেলেই বইটির ছাপার কাজ সম্পন্ন হবে। তিনি বলেন, বাংলা একাডেমিতে আগামী অমর একুশের গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী দিনেই বঙ্গবন্ধুর লেখা নয়া চীন ভ্রমণ বইটির আনুষ্ঠানিকভাবে মোড়ক উন্মোচন করার আশা করছেন তারা। তিনি জানান, একই সাথে নয়া চীন ভ্রমণ বইটির ইংরেজি প্রকাশনাও সম্পন্ন করার টার্গেট করা হয়েছে। দুটি বইয়ের কাজ একই সাথে চলছে। একাডেমি থেকে প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থটির ইংরেজী অনুবাদক অধ্যাপক ফকরুল আলম নয়া চীন বইটির অনুবাদের কাজ করছেন। বইটির প্রকাশক থাকছেন বাংলা একাডেমির গবেষণা, সংকলন ও অভিধান বিভাগের পরিচালক মোবারক হোসেন। তিনি জানান, বইটি প্রকাশের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রকাশনার কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশ করেছিল ঢাকার প্রকাশনা সংস্থা ইউপিএল। এরপর তাঁর দ্বিতীয় গ্রন্থ কারাগারের রোজনামচা প্রকাশ করে বাংলা একাডেমি। তৃতীয় গ্রন্থ নয়া চীন ভ্রমণ ও প্রকাশ করছে বাংলা একাডেমি।
শিক্ষাকে ব্যবসা হিসেবে নেওয়া যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: সার্টিফিকেট-বাণিজ্য করলে তা কখনো সহ্য করা হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে শিক্ষাকে সেবা হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, শিক্ষাকে ব্যবসা হিসেবে নেওয়া যাবে না। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরীর খুলশিস্থ পোর্টসিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ সব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষাখাতে আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে সরকার শিক্ষাখাতকে সফলতার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল খুবই কম, আজ দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪৪টি আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১০৮টি। বর্তমানে দেশে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ কোটি আর শিক্ষকের সংখ্যা ২৫ লাখ। স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করেছে বলে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় দেশ-জাতির কল্যাণে কাজ করেছে। শিক্ষাখাতকে গুরুত্ব দিয়ে সরকার শিক্ষার মান বাড়াতে সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছে। নতুন নতুন ভার্সিটির অনুমোদন দিচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়। নাহিদ আরো বলেন, নির্বাচনের আগে বিরোধীরা বলেছিল আওয়ামীলীগকে ভোট দিলে দেশে ইসলাম থাকবে না। আজান হবে না ও মাদ্রাসা শিক্ষা থাকবে না। অথচ এখন ইসলামী শিক্ষা অনেক উন্নত হয়েছে। দেশে নতুন করে সাড়ে তিন হাজার মাদ্রাসা নির্মাণের কাজ চলছে। আধুনিক মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে জেলা শহরে। পোর্টসিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. নুরুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম। অতিথি ছিলেন বিশ্বদ্যিালয়ের ভাইস চেয়ারম্যান জহির আহমদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এনামুল হক শামীম বলেন, পোর্টসিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে মডেল হিসেবে থাকবে। এখানে বর্তমানে ছয় হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। আগামী বছরের মার্চ মাসে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হবে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. শিরীন শারমিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোস্তাফিজুর রহমান, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক শহীদুল্লাহ, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন প্রমুখ।
ভবিষ্যতে বিদ্যুতে ভর্তুকি তুলে দেয়ার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক: ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি তুলে দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, বর্তমানে প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড়ে খরচ হচ্ছে ৬ টাকা ২০ পয়সা করে, বিক্রি হচ্ছে ৪ টাকা ৮২ পয়সা করে। দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সেবা পাচ্ছেন। সবাইকে এ সেবার আওতায় আনতে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ সুযোগ আর থাকবে না। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহের উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ২০ হাজার মেগাওয়াট। ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট আর ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি আমরা। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বিদ্যৎ উৎপাদন কমে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন যেখানে রেখে গেছি ২০০৯ সাল পরযন্ত যারা ক্ষমতায় ছিল তারা সেটি কমিয়ে ফেলল। ২০০৯ সালে আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল মাত্র ৪ হাজার মেগাওয়াট। কারযত তা ছিল মাত্র ৩২শ মেগাওয়াট ‘২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা হাতে নিই। প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়ার উদ্যোগ নিই। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হিসেবে আমরা ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পরযন্ত ৯ বছরে ২৪৩৫১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন উন্নীত করার জন্য ১৩৫টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিই। ইতোমধ্যে ১০১ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। ২০০৯ সালের পূর্ববর্তী একশ বছরে হয়েছিল মাত্র ২৭টি বিদ্যৎ উৎপাদন কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়ায় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে বিদ্যুৎ অপচয় রোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে ভারত, নেপাল-ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়ে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
ক্যান্টনমেন্ট রেলক্রসিং এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক সেনা সদস্যের মৃত্যু
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট রেলক্রসিং এলাকায় ট্রেন কাটা পড়ে এক সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আব্দুর রাজ্জাক। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) মর্গে নিয়েছে পুলিশ। কমলাপুর জিআরপি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে জানান, ‘জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ক্যান্টনমেন্ট রেলক্রসিং পার হচ্ছিল। এ সময় কর্পোরাল আব্দুর রাজ্জাক ট্রেনের নিচে কাটা পড়লে তার শরীর ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢামেকে নেওয়া হয়। এসআই রবিউল আরও জানান, ‘নিহত আব্দুর রাজ্জাক ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সেনা সদস্য বলে জানতে পেরেছি। কয়েকদিন আগে তিনি বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট থেকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বদলি হয়ে এসেছেন। ডিউটি করতে তিনি সেখান থেকে আর্মি স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর