প্রধানমন্ত্রী ও টিউলিপকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন
বিশ্বের সৎ ও পরিশ্রমী সরকার প্রধানের তালিকায় স্থান লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছোটবোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের প্যাচওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের লেবার নিউকামার এমপি অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হওয়ায় মন্ত্রিসভা তাকেও অভিনন্দন জানিয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অভিনন্দন জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে দুটি অভিনন্দন প্রস্তাব গ্রহণ করে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিপলস অ্যান্ড পলিটিকস পরিচালিত গবেষণায় বিশ্বের সৎ রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের তালিকায় তৃতীয় এবং কর্মঠ ও পরিশ্রমী সরকার প্রধানের তালিকায় চতুর্থ স্থান লাভ করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছে মন্ত্রিসভা। জাতীয় সংসদেও এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এছাড়া যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির এমপি বঙ্গবন্ধুর নাতনী ও প্রধানমন্ত্রীর ছোটবোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের প্যাচওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের লেবার নিউকামার এমপি অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছেন। গত ১৫ নভেম্বর এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে হাউস অব কমেন্সের স্পিকারের কাছ থেকে তিনি এ সম্মানসূচক পুরস্কার গ্রহণ করেন। এ জন্য মন্ত্রিসভা অভিনন্দন প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।
সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে একত্রে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোকে মেরিটাইম ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে এবং সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। সোমবার কক্সবাজারে ইন্ডিয়ান ওশান নেভাল সিম্পোজিয়ামের (আইওএনএস) মাল্টিল্যাটারাল মেরিটাইম সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এক্সসারসাইজের (ইমসারেক্স) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। মহড়ায় আইওএনএস এর ৩২টি দেশের মধ্যে ২৩টি সদস্য ও ৯টি পর্যবেক্ষক দেশসমূহের নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ এবং নৌপ্রধান, ঊর্ধ্বতন নৌ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের মেরিটাইম বিশেষজ্ঞগণ অংশগ্রহণ করেন। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহের নৌবাহিনীর মধ্যকার আঞ্চলিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে এই আন্তর্জাতিক সমুদ্র মহড়ার আয়োজন করেছে। বাংলাদেশের নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নিজামউদ্দীন আহমেদ এ জোটের বর্তমান চেয়ারম্যান। আগামী ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজারে এই মহড়া চলবে। সশ্রস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আবদুল হামিদ বলেন, সাগরের সম্পদ উত্তোলন, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। সাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলেই সমৃদ্ধ এই মেরিটাইম ইকোনোমির উন্নতি হতে পারে। রাষ্ট্রপতি বলেন, সুনামি ও সাইক্লোনের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি রাষ্ট্রের একার পক্ষে মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আঞ্চলিক দায়িত্ব হয়ে পড়ে। যৌথ উদ্যোগ ছাড়া আমরা আমাদের নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারব না। এজন্য আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মতপার্থক্য দূর করতে মতামতের স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত আদান-প্রদানই একমাত্র পথ। স্থলভাগের সীমান্ত দেশগুলোকে আলাদা করে রাখলেও সাগরের বন্ধুত্বের বন্ধন আমাদের একসাথে রাখতে পারে। আইওএনএস শুধুমাত্র ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নয়, বরং এশিয়া-প্যাসেফিক ও সংলগ্ন অঞ্চলের আশার প্রতীক। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সেনা ও বিমান বাহিনী প্রধান, পদস্থ বেসামরিক-সামরিক কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
চিকিৎসা থেকে দেশে ফিরছেন মহিউদ্দিন চৌধরী
চিকিৎসা থেকে দেশে ফিরছেন সাবেক মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধরী। তাকে আপাতত ঢাকায় স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (২৬ নভেম্বর) রাত ১১টা ২৫মিনিটে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের একটি ফ্লািইটে করে মহিউদ্দিনকে নিয়ে তার স্বজনরা ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এই মুহূর্তে চট্টগ্রামে ফিরছেন না মহিউদ্দিন। আপাতত মাসখানেক তাকে ঢাকায় পূর্ণ বিশ্রামে রাখা হবে। স্কয়ার হাসপাতাল থেকে তাকে পরবর্তীতে ঢাকায় ছেলের বাসায় নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মহিউদ্দিনের ব্যক্তিগত সহকারী ওসমান গণি। মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল জানান, ‘বাবার অবস্থা স্থিতিশীল। তবে চিকিৎসকরা বলেছেন তিনি বিপদমুক্ত। রুটিন ডায়ালাইসিস চলবে। আর হাত-পা মুভমেন্টের জন্য ফিজিওথেরাপি দিতে হবে। চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী মাসখানেক পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পর তিনি চট্টগ্রাম ফিরবেন।’ উল্লেখ্য, নিজ বাসায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ১১ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর মেহেদিবাগে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন দুপুরে তাকে হেলিকপ্টারে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে। ১৬ নভেম্বর নেয়া হয় সিঙ্গাপুরে।
বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু, কিন্তু ধর্মান্ধ নয় :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহীদুল হক বলেছেন, মাদরাসার শিক্ষার্থীরা জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে না। জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে রয়েছে বড় ঘরের সন্তানরা। জঙ্গিবাদে এরাই জড়িত। তাই সমাজের অন্যায়-অবিচার প্রতিরোধের জন্য আলেম-ওলামাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। রোববার বেলা সোয়া ২টার দিকে শরীয়তপুরে এক সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। পুলিশ লাইন্স মাঠে জেলা পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং ওলামা-মাশায়েখ ফোরামের উদ্যোগে জঙ্গিবাদবিরোধী ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু, কিন্তু ধর্মান্ধ নয়। এদেশের আলেম-ওলামারা সহযোগিতা করলে দেশ থেকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব হবে। উপস্থিত আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মুক্ত দেশ গড়তে আপনাদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। ইমামরা মসজিদগুলোতে শুক্রবার জুমার দিনের খুতবায় জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের কুফল সম্পর্কে বক্তব্য দিলে জনগণ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কুফল সম্পর্কে সচেতন হবে। যে যেখানে সুযোগ পান, সেখানেই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী বক্তব্য দেবেন। রোহিঙ্গাদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা প্রতিবেশী দেশ ভারতে গিয়ে অবস্থান নিই। ১৯৭৮, ১৯৯২, ২০১৬ সালে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছে। এখন ২০১৭ সালেও তারা ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা যদি খেতে পারি, তাহলে ১০ লাখ রোহিঙ্গাদেরও খেতে দিতে পারব। প্রধানমন্ত্রী ২ হাজার একর জমিতে রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যবস্থা করেছেন। শরীয়তপুরের জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুনের সভাতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য বিএম মোজাম্মেল হক, সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৭) অ্যাডভোকেট নাভানা আক্তার, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের অ্যাডিশনাল আইজি মোহা. শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মাহবুবা আক্তার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল ইসলাম কোতোয়াল, ভোজেশ্বর ঐতিহাসিক জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা শওকত আলী ও আংগারিয়া কওমি মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকী।
স্বর্ণ খাতকে একটি পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামোর আওতায় আনা জরুরি :টিআইবি
দেশে স্বর্ণ খাতের ওপর সরকারের কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকারের মান ও বাজার নিয়ন্ত্রণ করেন ব্যবসায়ীরা। স্বর্ণ খাত জবাবদিহিহীন, হিসাব-বহির্ভূত, কালো বাজার নির্ভর। এই অবস্থায় স্বর্ণ খাতকে একটি পূর্ণাঙ্গ আইনি কাঠামোর আওতায় আনা জরুরি। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। রোববার সংস্থাটির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণা প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হয়। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশে দৈনিক ২৫ কোটি টাকার স্বর্ণ লেনদেন হয়। চাহিদার সিংহভাগ স্বর্ণ আসে চোরাচালানের মাধ্যমে। চোরাচালানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ সক্রিয় হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে চোরাকারবারিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নজির খুবই কম। তিনি বলেন, স্বর্ণ খাতের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রয়োজন। টিআইবি তাদের গবেষণায় ১৫টি ক্ষেত্রে ৯০টি সুপারিশ করেছে। এই গবেষণার ভিত্তিতে একটি খসড়া নীতিমালা তারা সরকারকে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, এই খাত সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা তৈরি করা হবে। টিআইবির গবেষণায় বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থলবন্দর ও বিমান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের একাংশের যোগসাজশ ও সম্পৃক্ততার স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। দেশে একটি সুষ্ঠু স্বর্ণ আমদানি নীতি না হওয়া এবং চোরাচালান বন্ধ না হওয়ার পেছনে চোরাচালান চক্র, স্বর্ণ ব্যবসায়ী এবং চোরাচালান নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের একাংশের প্রভাব রয়েছে। গবেষণায় বলা হয়, দেশে স্বর্ণের চাহিদা ও জোগান নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বছরে স্বর্ণের চাহিদা সর্বনিম্ন ২০ টন থেকে সর্বোচ্চ ৪০ টন। চাহিদার ১০ শতাংশ তেজাবি স্বর্ণ থেকে সংগ্রহ করা হয়। সে ভিত্তিতে প্রতিবছর নতুন স্বর্ণের জন্য দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা প্রায় ১৮ থেকে ৩৬ টন। গবেষণায় আরও বলা হয়, অভ্যন্তরীণ বাজারে বিভিন্ন ক্যারেটের যে গয়না বিক্রি করা হয় বাস্তবে তাতে কী পরিমাণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ থাকে তা পরিবীক্ষণ ও তদারকির জন্য সরকার অনুমোদিত ব্যবস্থা নেই। ফলে অতিরিক্ত খাদ মিশিয়ে ও অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ করে ক্রেতাদের প্রতারিত করার সুযোগ রয়েছে। মো. রফিকুল হাসান, মো. রেযাউল করিম ও অমিত সরকার গবেষণাটি পরিচালনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।
দেশ ও সমাজ থেকে মাদক নিমূলে সকলকে এক সাথে কাজ করতে হবে : বিচারপ্রতি জয়নুল আবেদীন
২৫ নভেম্বার ২০১৭ ইং শনিবার দৈনিক স্বাধীন সংবাদ এর আয়োজনে বাংলাদেশ ফটো র্জানালিষ্ট এ্যসোসিয়েশন মিলনায়তনে মাদক ও ভেজাল প্রতিরোধে করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা ও স্বাধীন সংবাদ শান্তি স্বর্ণপদক-২০১৭ প্রদান অনুষ্টানে প্রধান অতিথি বিচারপ্রতি জয়নুল আবেদীন বলেন ,দেশ ও সমাজ থেকে মাদক নিমূলে সকলকে এক সাথে কাজ করতে হবে, ভেজাল ও মাদকের বিরুদ্ধে দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকগণ তাদের লিখনির মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। মজিবুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ আবদুল্লাহ শহীদ যুগ্ন জেলা জজ ( অবসরপ্রাপ্ত) ঢাকা , শহীদুল্লাহ শহীদ সভাপতি ঢাকা প্রেসক্লাব,মুক্তিযোদ্ধা মো: জুলহাস উদ্দিন খান চেয়ারম্যান আই.বি.এম.এস টেকনোলজিন্স, মো: আনোয়ার হোসেন আকাশ সম্পাদক ও প্রকাশক দৈনিক স্বাধীন সংবাদ,আ ক ম রুহুল আসিন উপদেষ্টা সম্পাদক দৈনিক রূপবানী, মো : আতাউর রহমান মিঠু নির্বাহী পরিচালক রহমান গ্রুপ,এ্যাডভোকেট সুলতান আহমেদ খান ঢাকা জজ কোট,মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী সম্পাদক নিউজ একাত্তর ডট কম ও সংবাদের কাগজ ,মো: জিয়া উদ্দিন কাদের সম্পাদক অনলাইন অপরাধ অনুসন্ধান,আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান মানিক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে ডায়িং প্রমুখ।সভায় বিচারপ্রতি জয়নুল আবেদীন কতৃক মানবাধিকার ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরীকে স্বাধীন সংবাদ শান্তি স্বর্ণপদক ২০১৭ প্রদান করেন এবং সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য মো:জিয়া উদ্দিন কাদেরকে স্বাধীন সংবাদ শান্তি স্বর্ণপদক ২০১৭ প্রদান করেন।
আমাদের প্রবাসী বাঙালি যেন কোনোভাবে হয়রানির শিকার না হন :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
কূটনীতিকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের প্রবাসী বাঙালি যাঁরা আছেন, যেন কোনোভাবে হয়রানির শিকার না হন। তাঁদের দিকে মানবিক দৃষ্টি দিয়ে আচার-আচরণ করবেন। তাঁদের একটা আস্থার জায়গায় এনে দেবেন। আজ রোববার প্রথমবারের মতো আয়োজিত দূত সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর একটি হোটেলে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রবাসীদের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, অর্থনীতিতে তাঁরা বিরাট অবদান রাখছেন। আমরা এতগুলো কূটনীতিক মিশন চালাচ্ছি, এর সিংহভাগ উপার্জন কিন্তু তাঁরা করছেন। বিদেশের বিভিন্ন দূতাবাস ও মিশনে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের অংশগ্রহণে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে দূত সম্মেলন। যেখানে অংশ নিয়েছেন ৫৮টি দেশে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখতে বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বাধীনতাবিরোধী ও কয়েকটি এজেন্সির লোকজন বিদেশে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে তা মোকাবিলায় তৎপর হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি। এ ছাড়া প্রবাসীদের ভালো-মন্দ খেয়াল রাখতেও নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গ। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বৃহস্পতিবার মিয়ানমারে স্বাক্ষরিত দ্বিপক্ষীয় চুক্তিকে সরকারের কূটনৈতিক সাফল্য বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু প্রতিবেশী দেশ, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে একটা ভালো সদ্ভাব রেখে আমরা কিন্তু সমস্যাটা সমাধান করতে চাই। এ ব্যাপারে সমাধান করে মিয়ানমারের লোকদের যেন মিয়ানমারে পাঠাতে পারি, সে ব্যাপারেও আপনারা আরো সক্রিয় থাকতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। এ সময় বর্তমান সরকারের নেওয়া উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এখন আর কেউই বাংলাদেশকে করুণার চোখে দেখে না, বরং সমীহ করে। তবে অনেকেই বিদেশে বসে পরিকল্পিতভাবে দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। যা মোকাবিলায় বিদেশি মিশনগুলোকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা তো ক্ষমতায় ছিল ২১ বছর। অর্থ, সম্পদ অঢেল তাদের। তারা আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার বিভিন্ন দেশে চালাচ্ছে। সেই সাথে কিছু কিছু সংস্থাও আছে। পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচারগুলো চালানো হচ্ছে, সেদিকেও আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে। শেখ হাসিনা আরো বলেন, যেটা বাস্তব যেটা সত্য, সেটা যেন সে দেশগুলোতে তুলে ধরা যায়, সেদিকে আপনারা দৃষ্টি দেবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ যদি আবার ভোট দেয় আসব। আর যদি না দেয়, আসব না। কিন্তু এ উন্নয়নের ধারাটা যেন অব্যাহত থাকে। প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। আর অন্য দেশের সন্ত্রাসীদেরও কোনোভাবেই বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
আওলাদে রাসুল আল্লামা তাহের শাহ চট্টগ্রামে
আনজুমান–এ–রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম ও ঢাকায় আসন্ন পবিত্র জশ্নে জুলুসে ঈদ- এ- মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জুলুস ও মাহফিলে নেতৃত্বদানের লক্ষে আওলাদে রাসুল, রাহনুমায়ে শরীয়ত ও ত্বরিকত আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহ মাদ্দাজিল্লুহুল আলী, শাহাজাদা হযরতুলহাজ আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ্ মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ও শাহাজাদা আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ হামেদ শাহ্ মাদ্দাজিল্লুহুল আলী দোহা থেকে বাংলাদেশ বিমানযোগে গতকাল শনিবার বন্দরনগরী চট্রগ্রামস্থ হযরত শাহ আমানত (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুভাগমন করেন এবং সফরসঙ্গী হিসেবে সাথে আসেন আনজুমান ট্রাস্ট’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ মোহাম্মদ মহসিন। হুজুর কেবলায়ে আলম ও শাহাজাদাদ্বয়কে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন আনজুমান ট্রাস্ট’র সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি আলহাজ মোহাম্মদ সিরাজুল হক, এসিসটেন্ট জেনারেল সেক্রেটারি আলহাজ এসএম গিয়াস উদ্দিন শাকের, গাউসিযা কমিটি বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান আলহাজ পেয়ার মোহাম্মদ, পিএইচপি ফ্যামেলির চেয়ারম্যান আলহাজ সুফি মুহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, কেন্দ্রীয় পর্ষদ, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, সদস্যবৃন্দ।
পোপের বাংলাদেশ সফরে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা
খ্রিষ্ট ধর্মের রোমান ক্যাথলিক শাখার প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশ সফরে আসছেন। আগামী ৩০ নভেম্বর তিনদিনের সফরে তাঁর বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। পোপের আগমন উপলক্ষে তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া বিপিএম-বার,পিপিএম। আগামী ৩০ নভেম্বর ঢাকায় আসবেন পোপ ফ্রান্সিস। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফিরে যাবেন ২ ডিসেম্বর। ডিএমপি সদর দপ্তরে আজ রবিবার ২৬ নভেম্বর তাঁর আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা, আইন শৃংখলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্তে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কমিশনার বলেন, জাতীয় স্বার্থে তাঁকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়া হবে। পোপ ফ্রান্সিস বিশ্বের অন্যতম একজন সম্মানীয় ব্যক্তি। তাঁর বাংলাদেশ সফর আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের। সফরের সকল ভেন্যু, হোটেল ও বিমানবন্দরকেন্দ্রীক থাকবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গমনাগমনকালে পোশাকে এবং সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে প্রস্তুত থাকবে সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা। তিনি আরও বলেন, ধর্মগুরু পোপের আগমন সফল করতে আগত বিদেশী অতিথিদের জন্য নির্ধারিত হোটেল, সম্মেলনস্থলসহ প্রত্যেকটি ভেন্যু সুইপিংসহ সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আর্চওয়ে স্থাপন এবং পুরুষের পাশাপাশি মহিলা স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে। আবাসনস্থল ও যাতায়াত রাস্তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, রুফটপ ডিউটি, মোবাইল ডিউটি মোতায়েন থাকবে। সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি ও সরকারী সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণসহ বাংলাদেশে পোপের সফর উপলক্ষে গঠিত নিরাপত্তা ও স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক নির্মল রোজারিও এবং খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর