শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে অনুকূল পরিবেশের অপেক্ষা: কাদের
০৬সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পর সেখানে সংক্রমণের হার বাড়ার অভিজ্ঞতায় সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে অনুকূল পরিবেশের জন্য অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়েছে। আমেরিকারও বেশ কয়েকটি রাজ্যে খুলে দিয়েছে। এতে সেখানে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অভিজ্ঞতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার বিষয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আমাদের শিক্ষামন্ত্রী। গতকাল জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত বঙ্গবন্ধু: বাঙালির চেতনার বাতিঘর শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা সভায় যুক্ত হন। সেতুমন্ত্রী বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরিস্থিতি অনুকূলে হলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতের নাগরিক, ভবিষ্যতের নেতা; তাই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কিছুদিন ধৈর্য ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। অনেক দেশে সংক্রমণের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয়েছে উল্লেখ করে জনগণকে আরো বেশি সতর্কভাবে চলতে এবং সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। বঙ্গবন্ধুকে যারা মুছে ফেলতে চেয়েছে তারাই ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যকাণ্ডের খুনিরা ছাড় পাবে না। পালিয়ে থাকা খুনিদের ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক তত্পরতা জোরদার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণকাজে নিজেকে প্রস্তুত করার আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, আবেগহীন রোবট নয়, চাই সমাজঘনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক নিউ জেনারেশন। আমরা পরীক্ষার্থী নয়, শিক্ষার্থী চাই। আমরা জীবিকা না জীবনের জন্য শিক্ষা চাই। এ বাস্তবতা শিক্ষার্থীদের উপলব্ধি করতে হবে। প্রতি শিক্ষাবর্ষে কতজন মানবিক মানুষ আমরা পাচ্ছি শিক্ষা ব্যবস্থার এ ব্যপারে আমাদের নজর দেয়া দরকার। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি থাকবে সেটা স্বাভাবিক, কিন্তু ছাত্র রাজনীতি আর শিক্ষক রাজনীতির আকার-প্রকার আর ধরনে ভিন্নতা রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা বিভেদের দেয়াল চাই না। বিভেদের রাজনীতি আমাদের পিছিয়ে দেবে। সম্প্রীতি এগিয়ে নেবে অর্জনের সোনালি দিগন্তে। শেখ হাসিনার সরকার অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই দেখে বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নজিরবিহীন মহানুভবতা: তথ্যমন্ত্রী
০৬সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তির মেয়াদ দ্বিতীয় দফায় আরো ছয় মাস বৃদ্ধি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজিরবিহীন মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন। অন্যদিকে ধন্যবাদের সংস্কৃতি লালন করে না বলে বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতেও ব্যর্থ হয়েছে। গতকাল দুপুরে ঢাকায় তথ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে টেলিভিশন শিল্পী-কলাকুশলীদের বিভিন্ন সংগঠনের জোট ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন (এফটিপিও)-এর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নজিরবিহীনভাবে একজন শাস্তিপ্রাপ্ত আসামি (খালেদা জিয়া) যিনি ১০ বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত, তাও এতিমের টাকা আত্মসাতের কারণে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত, তাকে নজিরবিহীনভাবে দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার ক্ষমতাবলে মুক্তি দিয়েছেন। ছয় মাসের জন্য প্রাথমিকভাবে মুক্তি দেয়া হয়েছে, পরে আরো ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। এই প্রথম সিআরপিসির (দণ্ডবিধি) ৪০১ ধারায় যে প্রদত্ত ক্ষমতা, সেটা প্রধানমন্ত্রী প্রয়োগ করেছেন। এতে বিএনপির ধন্যবাদ জানানো উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে বিএনপি ধন্যবাদ জানানোর সংস্কৃতিটা লালন করে না। এজন্য তারা ধন্যবাদ জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। মন্ত্রী এ সময় বলেন, বিএনপির কাছে আমার প্রশ্ন- এ পরিস্থিতি যদি উল্টোভাবে ভাবি, বেগম খালেদা যদি প্রধানমন্ত্রী থাকতেন, তিনি কি শেখ হাসিনার জন্য এ ব্যবস্থা গ্রহণ করতেন? আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি করতেন না। কারণ যিনি ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডকে উপহাস করার জন্য, হত্যাকারীদের উৎসাহিত করার জন্য নিজের জন্মের তারিখটাই বদলে ১৫ আগস্ট কেক কাটেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী তার দরজায় গিয়ে ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পরও দরজা খোলেননি, যার জ্ঞাতসারে তার ছেলে ২১ আগস্ট শেখ হাসিনা ওপর গ্রেনেড হামলা চালায়, প্রধানমন্ত্রী সব কিছু ভুলে তাকে এ মহানুভবতা দেখিয়েছেন।
মসজিদে বিস্ফোরণ: ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাঁদলেন শামীম ওসমান
০৫সেপ্টেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিম তল্লার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে মসজিদের ভেতরের চিত্র দেখে কেঁদে ফেলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) এ কে এম শামীম ওসমান। এ ঘটনায় তিনি গভীর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি এ ঘটনায় নাশকতায় আশঙ্কাকেও উড়িয়ে না দিয়ে সব বিষয় মাথায় রেখে তদন্তের আহ্বান জানান এমপি শামীম ওসমান। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে মসজিদে বিস্ফোরণের পর শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শামীম ওসমান ফতুল্লার পশ্চিম তল্লার বাইতুস সালাত জামে মসজিদ পরিদর্শন করতে যান। এ সময় তিনি মসজিদের ভেতরে ঘুরে দেখেন। মসজিদ পরিদর্শন শেষে শামীম ওসমান সাংবাদিকদের বলেন, মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনাকে তুচ্ছভাবে দেখার সুযোগ নেই। এটা ছোট কোনো বিষয় না। শুধু গ্যাসের কারণেই এত বড় বিস্ফোরণ ঘটেছে এটাকেই প্রাধান্য দিয়েই শেষ করা যাবে না। কারণ এর আগেও আমাদের ওপরেও ১৬ জুন বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। সে কারণেই আমি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্টদের আহবান জানাচ্ছি। তিনি বলেন, আমি কোনো এক্সপার্ট না। সে কারণেই আমি এক্সপার্টদের দিয়ে গভীরভাবে তদন্তের কথা বলছি। এটা এসির বিস্ফোরণ কি না সেটাও তদন্ত করা উচিত। তবে সচরাচর এসির গ্যাস সিলিন্ডার থাকে বাইরে। সেটা ভেতরে বিস্ফোরণের কথা না। এছাড়া গ্যাসের কথা বলা হচ্ছে। যদি মসজিদের ভেতরে এতই গ্যাসের রিজার্ভ থাকতো তাহলে সেটা তো মাগরিবের সময়ে কিংবা এশার আগে দরজা খোলার কারণে বের হয়ে যেত। শামীম ওসমান বলেন, যেহেতু অনেক ঘটনা ঘটেছে। আমার ওপর ১৬ জুনের বোমা হামলা হয়েছিল। হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারে হামলার পরিকল্পনা হয়েছিল। আমি বলছি না এর সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে। তবে আমি এর গভীর তদন্ত হতে হবে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় দয়া করে কোনো পারসেপশন তৈরি করবেন না। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন জরুরি। তিনি আর বলেন, এটা দুর্ঘটনা বা নাশকতা আমি কোনটিই বলবো না। কিন্তু আমি নাশকতার বিষয়টিকেও ফেলে দিচ্ছি না। তবে এর গভীর তদন্ত হতে হবে। আর গ্যাসের লাইন থাকে বাইরে। আর ভেতরে থাকলেও কতটুকু গ্যাস জমে থাকবে। এত বড় বিস্ফোরণ ঘটবে সেটা তদন্ত করে দেখা উচিত। আর আল্লাহর ঘরে তো কেউ সিগারেটে আগুন ধরায়নি। এছাড়া অনেক প্রশ্নও সামনে চলে আসে। কারণ বিস্ফোরণ ঘটলে এক কোনায় ঘটতে পারতো। কিন্তু পুরোটায় ছড়ালো কীভাবে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এশার নামাজের সময় ওই মসজিদে বিস্ফোরণে ৩৭ জন দগ্ধ হন। ইতোমধ্যে বিস্ফোরণের ঘটনায় মসজিদের মুয়াজ্জিন ও স্কুলছাত্রসহ ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরীর মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক
০৫সেপ্টেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান মুক্তিযুদ্ধের আট নম্বর সেক্টরের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আবু ওসমান চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, রাজনৈতিক দল, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট আরও অনেকে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) পৃথক পৃথক শোকবার্তায় তারা মরহুম আবু ওসমান চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ দিন সকাল ৮টার দিকে সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমান রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমানের বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার ২০১৪ সালে আবু ওসমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে। তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, কৃষিমন্ত্রী ডা. আব্দুর রাজ্জাক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এবং হুইপরা, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু। এছাড়া আবু ওসমানের মৃত্যুতে আরও শোক জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্না, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। শোকবার্তায় তারা জানান, স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরীর বীরত্বগাঁথা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বায়ান্নের মহান ভাষা আন্দোলনেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ওই বীর মুক্তিযোদ্ধা। সাহিত্যচর্চার প্রতিও তার ঝোঁক ছিল। তার মৃত্যুতে বাঙালি জাতি এক শ্রেষ্ঠ সূর্য সন্তানকে হারালো।
জাতীয় সংসদের ৯ম অধিবেশন বসছে রোববার
০৫সেপ্টেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশন। এদিন বেলা ১১টায় এ অধিবেশন শুরু হবে। করোনা ভাইরাসজনিত কারণে সংসদের এ অধিবেশনও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে। গত বুধবার (১৯ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ একাদশ জাতীয় সংসদের নবম ও চলতি বছরের চতুর্থ অধিবেশন আহ্বান করেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এদিকে এবারের অধিবেশনও সংক্ষিপ্ত হবে বলে জানা গেছে। সংসদ সদস্যদের উপস্থিতির জন্য ইতোমধ্যে রোস্টার করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং দূরত্ব বজায় রেখে যাতে বসতে পারে সেজন্য ৮০ জনের মতো সংসদ সদস্য নিয়ে প্রতিদিন সংসদ চালানো হবে। অধিবেশনে প্রয়োজনের বাইরে অতিরিক্তি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আসতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা অধিবেশনে আসবেন সেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হয়েছে। পাশাপশি সংসদ সদস্যদেরও বলা হয়েছে কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য। তাদের জন্য সংসদের মেডিক্যাল সেন্টারে ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে তারা বাইরে থেকেও নমুনা পরীক্ষা করাতে পারবেন। সূত্র জানায়, এ অধিবেশন এক সপ্তাহ বা তার অধিক চলতে পারে। এ অধিবেশনে কয়েকটি বিল পাস করা হবে। সংসদ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া সংসদ ভবনে অন্য কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এবারও অধিবেশন কাভারের জন্য সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
নারায়ণগঞ্জে মসজিদের এসি বিস্ফোরণ, বহু মুসল্লি আহত
০৪সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জের পশ্চিমতল্লা এলাকায় একটি মসজিদে এশার নামাজের পরপর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ মুসল্লি দগ্ধ হওয়াসহ বহু লোক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, মসজিদটির শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বিস্ফোরিত হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আজ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর উপজেলার পশ্চিমতল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। আহতদের শহরের ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল ও ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
চুরির উদ্দেশ্যে ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা, Rab কে বলেছেন আটক আসাদুল
০৪সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তাঁর বাবা ওমর আলীর ওপর হামলার ঘটনায় আটক তিনজন Rabর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। চুরির অভিপ্রায় থেকেই নৃশংস এই হামলার ঘটনা ঘটে বলেও তারা Rab কে জানিয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় রংপুর নগরের Rab-13 এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান Rab-13 এর অধিনায়ক কমান্ডার রেজা আহমেদ ফেরদৌস। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয়জনকে আটক করেছিল Rab। এদের মধ্যে আসাদুল ইসলাম, নবীরুল ইসলাম ও সান্টু কুমারের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। আসাদুলের দাবি অনুয়ায়ী এটি একটি চুরির ঘটনা। প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য আরও সময় দিতে হবে, আরও তদন্ত করতে হবে, প্রয়োজনে সম্পৃক্তদের রিমান্ডে নিতে হবে। আসাদুল ইসলাম (৩৫) ওসমানপুর সাগরপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। Rab-13 অধিনায়ক সাংবাদিকদের বলেছেন, আসাদুল জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন নবীরুল এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। তাঁকে ঘোড়াঘাট উপজেলা সংলগ্ন চক বামনদিয়া বিশ্বনাথপুর গ্রাম থেকে আটক করা হয়। নবীরুল ও সান্টু কুমার দুজনেই পেশায় রংমিস্ত্রি। আসাদুল ও নবীরুলের বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাট থানায় চুরি মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে লাল টিশার্ট পড়ে হালকা-পাতলা গড়নের যে ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছিল তিনিই নবীরুল। জিজ্ঞাসাবাদে নবীরুল এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইউএনওর ওপর হামলা- যুবলীগ নেতাসহ আটক ৪
০৪সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরে ঘোড়াঘাট উপজেলার ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন ৪ জনকে আটক করেছে, Rab ও পুলিশ। পৃথক পৃথকভাবে তাদের আটক করা হয়। আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টায় সন্দেহভাজন প্রধান আসামী আসাদুল হক (৩২)কে Rab আটক করে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি সীমান্তের চুড়িপট্রি এলাকায়। তার বাড়ি ঘোড়ঘাট উপজেলার ৪ নং ঘোড়াঘাট ইউপির সাগরপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আমজাদ হোসেন। এর আগে ঘোড়াঘাট থেকে জাহাঙ্গীর (৩৬) ও মাসুদ রানা (৩৪) নামে আরও দু জনকে আটক করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। জাহাঙ্গীর ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক এবং মাসুদ ঘোড়াঘাট সিংড়া ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা। ঘোড়াঘাট কাছিগাড়ি গ্রামের আবুল কালামের ছেলে জাহাঙ্গীর এবং মাসুদ ঘোড়াঘাট উপজেলার দক্ষিণ দেবিপুর গ্রামের আদু মিয়ার ছেলে। এর আগে বৃহস্পতিবার দিনাজপুর ডিবি গোয়েন্দা পুলিশ ইউএনওর বাসভবনের নৈশ্য প্রহরী পলাশ (৪০)কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। ইউএনও ওয়াহিদা খানমের উপর হামলার ঘটনায় এপর্যন্ত আটক হয়েছে, ৪জন। তবে, এ বিষয়ে প্রশাসনের কেউ সঠিকভাবে মুখ খুলছেন না। ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম এর আগে আসাদুল ও জাহাঙ্গীরকে আটক করার কথা স্বীকার করলেও এখন এ বিষয়ে আর বেশি কিছু বলতে চাইছেন না। ইাম প্রকাশে অনিচ্ছুক Rab-13 এর এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কোন ক্লু পাওয়া গেলে গণমাধ্যমের সামনে আটককৃতদের হাজির করা হবে। এদিকে ইউএনও ওয়াহিদা খানম এর উপর হামলা ঘটনায় তার ভাই ফরিদ শেখ ঘোড়াঘাট থানায় গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টায় একটি মামলা করেছেন। তবে.মামলায় কারো নাম উল্লেখ নেই বলে জানান, ওসি আমিরুল ইসলাম। অন্যদিকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নৈশ্যপ্রহরী পলাশকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩রা সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ইমাম আবু জাফর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘোড়াঘাট ইউএনওর বাসভবনের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলায় অংশ নেয় দুজন। এদের মধ্যে একজন ছিল মুখোশ ও অন্যজন পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট) পরা। যাতে তাদের চেনা না যায়। পাতলা হালকা গরনের দুজন রাতে তারা এক এক করে বাড়িতে প্রবেশ করে এবং ঘটনার পর একই সঙ্গে বের হয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এমন কথা নিশ্চিত করেন, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার ওয়াদুদ ভুইয়া ও পুলিশের রংপুর জোনের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য। এর আগেও একই কথা জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা। সেই সিসি ফুটেজ ধরেই এগোচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। অন্যদিকে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হওয়া দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট ইউএনও ওয়াহিদা খানম দুর্বৃত্তদের নৃশংস হামলার বিষয়ে মুখ খুলেছেন,তাঁর আহত বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখ। তিনি জানিয়েছেন, বাসায় ঢুকে হামলাকারীরা বারবার ওয়াহিদা খানমের কাছে আলমারির চাবি চেয়েছে। চাবি না দিলে তার ৪ বছরের সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় দেশজুড়ে আলোচিত এই হামলায় অংশ নেয়া এক ব্যক্তি। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেডে শুয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে সেই হামলার ঘটনা তুলে ধরেন ইউএনওর বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখ। দেশজুড়ে তোলপাড় কেন্দ্র বিন্দু ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে,বুধবার দিবাগত রাত তিনটায় তাঁর সরকারি নিজ বাসভবনে। এই হামলায় তাঁর বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলীও গুরুতর আহত হয়েছেন। ওয়াহিদা খানমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলেও তার বাবা চিকিৎসাধীন আছেন রংপুরে।
ফেসবুকে নতুন নিয়ম, যেসব কারণে মুছে যেতে পারে পোস্ট
০৪সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেসবুকে চাইলেই আর ইচ্ছামত পোস্ট দেওয়া যাবে না। ফেসবুকের এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী নিয়মের বিরুদ্ধে গেলে ফেসবুক ঐ পোস্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। তবে নতুন নিয়ম নিয়ে ব্যবহারকারীদের উদ্বিগ্ন হতে নিষেধ করেছে ফেসবুক। ফেসবুক প্রধান মার্ক জাকারবার্গ জানিয়েছেন আগামী ১ অক্টোবর থেকে কোন ইউজারের পোস্ট যদি ফেসবুক নিয়মের বিরুদ্ধে যায় সে ক্ষেত্রে ফেসবুকের তরফে সংশ্লিষ্ট পোস্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। সেই পোস্ট ব্লক করা হতে পারে অথবা সেই পোস্ট মুছে দেওয়া হতে পারে। গ্রাহকদের কাছে ফেসবুকের আকর্ষণ ধরে রাখার জন্য তাদের তরফে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আনা হয়েছে একাধিক ফিচার। এবার আপডেট করা হল ফেসবুকের নিয়মাবলী। সম্প্রতি ডিজিটাল মিডিয়ার গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়াতে মানুষ আরও বেশি করে ব্যবহার শুরু করেছেন এই মিডিয়া ব্যবহার। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ফেক নিউজ ছড়ানোর বিষয়। আর সেই কারণেই একাধিক অভিযোগ জমা পরেছিল ফেসবুকের কাছে। মনে করা হচ্ছে সেই কারণেই ফেসবুক বদল করছে নিজেদের গাইডলাইন। জানানো হয়েছে, ভুয়া সংবাদ ছড়ানো, অথবা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত হানে এই জাতীয় পোস্ট ফেসবুকে করা হলে সরাসরি সেই সকল পোস্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে ফেসবুক। এর ফলে রোধ করা যাবে এই ভুয়া সংবাদ ছড়িয়ে পরা। পাশাপাশি ফেসবুকের তরফে জানা গেছে কোন ইউজার অপর কোন প্রোফাইলে যদি বিরক্ত করার চেষ্টা করেন সে ক্ষেত্রেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে ফেসবুকের তরফে। অর্থাৎ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এবার যথেষ্ট কড়া হতে চলেছে ফেসবুক।

জাতীয় পাতার আরো খবর