বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা মানেনা যারা তারা দেশবিরোধী:ইনু
তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন,যারা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, গণহত্যা দিবস, ৩০ লাখ শহীদ, সংবিধানের চার নীতি মানে না, তারা দেশবিরোধী ও পাকিস্তানের প্রেতাত্মা। এরাই ১৫ আগস্টের পর বাংলাদেশকে পাকিস্তানপন্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালায়। সোমবার রাজধানীর কাকরাইলে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর আয়োজিত মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসতাক হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান তথ্য অফিসার কামরুন নাহার ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জাকির হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে সভায় বক্তৃতা করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানি শাসকরা কোনোদিনও বাঙালিদের মেনে নিতে পারেনি। তারা বাঙালির আত্মপরিচয় মুছে ফেলতে চেষ্টা করেছে, ভাষার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছে, স্বাধিকারের দাবির জবাব দিয়েছে বর্বরতম গণহত্যা আর অকথ্য নির্যাতনে। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে আজকের জঙ্গি ও তাদের সঙ্গী-পৃষ্ঠপোষকরা হচ্ছে সেই পাকিস্তানি শাসকদের প্রক্সি দালাল। জাসদ সভাপতি বলেন, পাকিস্তানের ভেতরে যেমন বাংলাদেশ যায় না, বাংলাদেশের ভেতরও তেমনি পাকিস্তানপন্থী ও রাজাকার-জঙ্গি থাকতে পারে না। দেশকে দেশের পথে রাখতে গণতন্ত্র-নির্বাচনের উছিলায় জঙ্গি-রাজাকার এবং জঙ্গিসঙ্গী রাজাকার পৃষ্ঠপোষকদের রাজনীতিতে হালাল করার কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচন ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া চালু থাকবে। জঙ্গিদের ধ্বংস এবং জঙ্গিসঙ্গী পাকিস্তানপন্থীদের ক্ষমতা ও রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে।
ইউএস বাংলা বিধ্বস্তের ঘটনায় চলে গেলেন শাহীন ব্যাপারীও
কাঠমান্ডুতে ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত শাহীন ব্যাপারীও (৪২) চলে গেলেন না ফেরার দেশে। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিদের মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ জনে। সোমবার শাহীন ব্যাপারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিকেল পাঁচটায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্লাস্টিক সার্জারি বার্ন ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক আবুল কালাম । গত কয়েক দিন ধরে তিনি ঢাকা মেডিকেলের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ১৮ মার্চ শাহীন ব্যাপারীকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে করে দেশে আনা হয়। তাঁর গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানায়। আট বছর বয়সী এক কন্যা সন্তানের এই জনক স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতেন নারায়ণগঞ্জে। তিনি সদরঘাটে একটি কাপড়ের দোকানে ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত ছিলেন। উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় মাথার কিছু অংশ পুড়ে যাওয়ার পাশাপাশি শাহীনের ডান পা ভেঙে গিয়েছিল। এ ছাড়া তাঁর শরীরে পেছন দিকেও আঘাত লাগে। দুর্ঘটনার পরপর শাহীনকে নেপাল সেনাবাহিনীর সদস্যরা কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ১২ মার্চ নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার ড্যাশ ৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ৪ ক্রুসহ উড়োজাহাজটির ৭১ জনের সবাই হতাহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২৬ বাংলাদেশি , ২২ নেপালি, ১ জন চীনা নাগরিকসহ ৪৯ জন নিহত হন। আর ১০ বাংলাদেশি, ৯ নেপালি, ১ মালদ্বীপের নাগরিকসহ ২০ জন আহত হন। শাহীন ব্যাপারীর এই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশিদের নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে। নেপালে নিহত বাকি ২৬ জনের সবাইকে দেশে এনে সমাহিত করা হয়েছে।
পাকিস্তানি শক্তি প্রক্সি খেলছে দেশে:তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, বাংলাদেশ এখনো আশঙ্কামুক্ত হয়নি। কারণ দেশে পাকিস্তানি শক্তি প্রক্সি খেলায় মেতে উঠেছে। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সোমবার (২৬ মার্চ) সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদনে এসে তিনি এ কথা করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, রোববার (২৫ মার্চ) ছিলো গণহত্যা দিবস। দেশের সব সংগঠন গণহত্যা দিবসে কর্মসূচি দিলেও বিএনপি কোনো কর্মসূচি দেয়নি। এরা জাতির পিতা, গণহত্যা দিবস ও ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা মানে না। এর পাকিস্তানি আদর্শে চলে। ইনু আরো বলেন, আমরা এখনো জঙ্গিবাদ ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির জন্য নিরাপদ হতে পারেনি। জঙ্গিবাদ ও রাজাকার যেমন দেশের শত্রু, তার চেয়েও বড় শত্রু তারা, যারা কি-না এদের লালন করে। আমাদের সামনে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ। একটি হলো সঠিক সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা এবং অপরটি হলো জঙ্গিবাদ ও রাজাকার লালনকারী দল বিএনপিকে ক্ষমতার বাইরে রাখা। সকাল ৬টা ১ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এরপর ৬টা ২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তা উন্মুক্ত দেওয়া হয়।
লাখো মানুষের ঢল
যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষে এবার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধারা, বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণ জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এবারই প্রথম স্বাধীনতা দিবসের দিন সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু কিশোর সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সারাদেশে ও বিদেশে একযোগে একই সময়ে শুদ্ধসুরে জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়।
আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারাই আগামীতে দেশ পরিচালনা করবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন,স্বাধীনতার লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সব মানুষ উন্নত জীবন পাবে। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তোমরাই ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনা করবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হবে। দেশকে গভীরভাবে ভালোবাসবে। আমরা যেখানে রেখে যাবো তোমরা সেখান থেকে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি বলেন, আমরা তোমাদের জন্য বিনামূল্যে বই দিচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি। সারাদেশে স্কুল প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছি। সেখানে কম্পিউটার ও আধুনিক প্রযুক্তির শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সন্তানের শিক্ষার জন্য এক কোটি ৩০ লাখ মায়ের মোবাইলে টাকা পাঠানো হচ্ছে। তোমরা ঠিকমতো লেখাপড়া করবে। দেশের ও মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করবে। শেখ হাসিনা বলেন,বাংলাদেশকে বিশ্ব সভায় মর্যাদার আসনে নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য ছিল। আমরা বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে এসেছি। কারও কাছে হাত পেতে নয়, মাথা নত করে নয়, আমরা বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবো। সবশেষে সমাবেশে উপস্থিত ছোট্ট সোনমনিদের দোয়া, আর্শীবাদ ও ভালোবাসা জানিয়ে তিনি বক্তব্য শেষ করে। এর আগে ৪৭তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় শিশু-কিশোর সমাবেশে লাখো কণ্ঠে ধ্বনিত হয় জাতীয় সংগীত।জাতীয় সংগীতের পর প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করেন শিশু-কিশোর সমাবেশের নেতার কাছ থেকে। পরে তিনি পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সমাবেশের উদ্বোধন করেন।
সারাদেশে লাখো কণ্ঠে পরিবেশিত হয়েছে জাতীয় সঙ্গীত
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে লাখো কণ্ঠে সারাদেশে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়েছে। সোমবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলান গোটা দেশ। সকাল ৮টার আগেই গোটা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ। সন্তানদের নিয়ে এসেছেন অভিভাবকরা। সঙ্গে শিক্ষক ও দর্শনার্থীরা। ঘড়ির কাটায় ঠিক আটটা বাজার সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়াম মঞ্চে উঠে শিল্পীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কণ্ঠ মেলান,আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সারাদেশে ও বিদেশে একযোগে শুদ্ধসুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। সবাইকে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আগেই আহ্বান জানানো হয়েছিল। জাতীয় সংগীতের পর প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করেন। পরে তিনি পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সমাবেশের উদ্বোধন করেন। সমাবেশ উদ্বোধনের পর শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের মাঠ পরিদর্শন করেন। এ সময় ডিসপ্লেতে দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হয়। এই কর্মসূচি সফলে গত ২০ জানুয়ারি থেকে ১৫ মার্চ দেশব্যাপী প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে দলগত জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৬৪টি জেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসার ৬২ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৩ জন ছাত্র, ৬৩ লাখ ৭০ হাজার ২৯৫ জন ছাত্রী (মোট ১ কোটি ২৬ লাখ ২২ হাজার ৬৪৮ জন শিক্ষার্থী) অংশগ্রহণ করে।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সোমবার সকাল ৬টায় স্মৃতিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সেখানে তারা কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। এর আগে রীতি অনুযায়ী প্যারেড গ্রাউন্ডে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় ৪৭তম স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। এরপর একে একে স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রীপরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ ছাড়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন নেতৃত্বে আপিল বিভাগ ও হাইকোর্টের বিচারপতিরা স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সর্বস্তরে মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয় জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এরপর স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল নামে।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের অভিনন্দন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পৃথক বার্তায় অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের এই ঐতিহ্য ও ইতিহাস উদযাপনে তাঁর দেশের জনগণ বাংলাদেশের জনগণের পাশে রয়েছে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়,আমরা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ভাষা ও সংস্কৃতির স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং দেশটির গণতন্ত্র, উন্নয়ন, সন্ত্রাস দমন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রশ্নে আমাদের অংশীদারত্ব পুনর্ব্যক্ত করছি। বার্তায় ট্রাম্প বলেন,আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা আমাদের দুই দেশের নিরাপত্তা সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জীবন বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে ধন্যবাদ জানান। বার্তায় রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দেওয়ায় বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানানো হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া পৃথক বার্তায় বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। ট্রাম্প রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুদের সব ধরনের সহায়তা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। বার্তায় ট্রাম্প বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানান।

জাতীয় পাতার আরো খবর