শনিবার, এপ্রিল ১৭, ২০২১
জন্মদিন পালনের প্রস্তাব গ্রহণ করছি না: প্রধানমন্ত্রী
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। সীমিত আকারে জন্মদিন উদযাপন করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তবে শেখ হাসিনা সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। আজ বুধবার ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলীয় সভাপতির সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনার শুরুতের সভার সভাপতি ওবায়দুল কাদের বৈঠকের এজেন্ডা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। আওয়ামী লীগ সভাপতিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা আমাদের সভাপতির একটা গাইডলাইন চাই। আমরা নিজেরা কিছু বিষয় আলোচনা করেছি। এর মধ্যে রয়েছে- আমাদের যেসব জেলা, মহানগর ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে, সেগুলোকে আগামী ১৫ তারিখের মধ্যে আপনার অফিসে (সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়, ধানমণ্ডি) পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। আরেকটি হলো এই সময়ের মধ্যে প্রত্যেক সম্পাদককে চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট উপ-কমিটি গঠনের সুপারিশ তৈরি করেছি, সিদ্ধান্ত নেয়ার মালিক আপনি। তিনি আরো বলেন, আর আমরা সীমিত আকারে সাংগঠনিক কর্মসূচি তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পালন করার জন্য একটি নির্দেশনা দিচ্ছি। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আপনার জন্মদিন। এটা আমরা খুব সীমিত আকারে পালন করবো। এটা প্রতিবছরই করে থাকি। আপনি না বললেও করবো। জবাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, আমার জন্মদিন পালনের প্রস্তাব আমি গ্রহণ করছি না। বাকিগুলোর মধ্যে সাব-কমিটিগুলো পূর্ণাঙ্গ করার সিদ্ধান্ত খুবই ভালো। এটা করা উচিত। যাতে সাব-কমিটিগুলো বসতে পারে। বিষয়ভিত্তিক সেমিনার করা, আলোচনা করা। আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যত কর্মসূচি সেগুলো ঠিক করা। সাব কমিটিগুলো এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারবে।
প্রণব মুখার্জির জন্য রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে বাংলাদেশ
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার (২সেপ্টেম্বর) এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে বাংলাদেশে। রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে এদিন বাংলাদেশের সব সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হবে। এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।
সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের সাথে ভারত, ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার ও চীনের ক্রস বর্ডার সংযোগসহ উপ-আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ স্থাপন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক পৃথক এসএমভিটি লেনসহ ৪ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৫৮৬ কোটি ৪ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সভাকক্ষে একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন। সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত ব্রিফ করেন। তিনি জানান, একনেক সভায় ৬ হাজার ৬২৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ২ হাজার ৭১ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য হিসেবে বৈদেশিক সহায়তা পাওয়া যাবে ৪ হাজার ৫৯৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। অনুমোদিত ৬ প্রকল্পের মধ্যে ২টি নতুন প্রকল্প এবং ৪টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক পৃথক এসএমভিটি লেনসহ ৪ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পটি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ২০২৫ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়ন সম্পন্ন করবে। প্রাক্কলিত ব্যয়ের ২ হাজার ৯৭০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা প্রকল্প ঋণ হিসেবে এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি)-র কাছ থেকে পাওয়া যাবে। প্রকল্পের আওতায় সিলেট হতে তামাবিল পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক লেনসহ ৪-লেনে উন্নীতকরণ এবং ঢাকা-সিলেট-তামাবিল করিডোরের মাধ্যমে উপ-আঞ্চলিক সংযোগ স্থাপন করা হবে। মান্নান বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তামাবিল স্থলবন্দর, সিলেটের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে যাতায়াত সহজ হবে এবং পর্যটন বিকাশের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটবে। সারাদেশে আন্ত:জেলা সড়কের উন্নয়ন ও সকল মহাসড়ককে ৪ লেনে উন্নীকরণে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। পরিকল্পনামন্ত্রী আরও জানান, সভায় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে গাছ লাগানোর বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। একইসাথে তিনি হাওড় এলাকায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মাছ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মংৎস্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেন। এক প্রশ্নের উত্তরে মান্নান বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী বা বন্যার মত দূর্যোগসহ নানা কারণে প্রকল্প সংশোধন করতে হয়। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে অত্যন্ত সজাগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তকর্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ প্রদান ও প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকল্প সংশোধনী আনার প্রবনতা হ্রাস করার চেষ্টা করছি। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, সুনামগঞ্জে প্রস্তাবিত শেখ হাসিনা ফ্লাইওভার প্রকল্প অত্যন্ত চমৎকার একটি প্রকল্প এবং এই প্রকল্প নেত্রকোনা, সিলেট ও সুনামগঞ্জের মধ্যে সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সংযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি বিকাশে সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পসমূহ হলো-মতলব-মেঘনা-ধনাগোদা-বেড়ীবাঁধ সড়ক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প, যার বাস্তবয়ন খরচ ধরা হয়েছে ১২১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। সারাদেশে পুকুর, খাল উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের অতিরিক্ত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪২২ কোটি ৫২ লাখ। আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের অতিরিক্ত খরচ হবে ১ হাজার ৬৪৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। এছাড়া, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন (২য় পর্যায়) (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, যার প্রাক্কলিত বাস্তবায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪১ কোটি ৭১ লাখ টাকা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ (২য় পর্যায়) (২য় সংশোধিত) প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১০৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।- একুশে টেলিভিশন
বাসে সরকার অনুমোদিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শনের আহ্বান
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনাকালেও অনেকে নিয়ম মেনে চলেছে। কিন্তু কিছু কিছু পরিবহন, যারা সরকারি নির্দেশনা মানবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি বাসে সরকার অনুমোদিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। এ বিধান কার্যকর করতে আমি বিআরটিএ ও মালিক সমিতিকে অনুরোধ করছি। আজ মঙ্গলবার ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বলেন, আজ থেকে গণপরিবহন করোনাকালের জন্য সমন্বয় করা ভাড়ার পরিবর্তে আগের ভাড়ায় ফিরছে। জনস্বার্থে এবং যাত্রীদের স্বার্থে আমি সরকারের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পরিবহন মালিক এবং শ্রমিকসহ সকল স্টেকহোল্ডারের সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি বলেন, গণপরিবহনে ভ্রমণকালে যাত্রীসহ পরিবহন সংশ্লিষ্ট সকলকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। যত আসন তত যাত্রী অর্থাৎ দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। সাবান পানি কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে পর্যাপ্ত। এর আগে গত ৩১ মে সরকার আন্তঃজেলা বাস পরিষেবাসহ সব বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। করোনার কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য মোট আসনের অর্ধেক যাত্রীকে নিয়ে যানবাহন চলাচলের শর্ত হিসেবে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দেখা যায়, গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। ভাড়াও নেয়া হচ্ছে বর্ধিত হারে। এজন্য বিভিন্ন সংগঠন থেকে বর্ধিত ভাড়া বাতিলের দাবি ওঠে।- বণিক বার্তা অনলাইন
আইআইইউসিতে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর: জামায়াত নেতা শামসুলসহ ৬ জন কারাগারে
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুরের ঘটনার মামলায় জামায়াত নেতা আ ন ম শামসুল ইসলাম ও অধ্যাপক আহসান উল্লাহ ভূঁইয়াসহ ৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন। কারাগারে পাঠানোর আদেশপ্রাপ্ত জামায়াত নেতারা হলেন- আ ন ম শামসুল ইসলাম, অধ্যাপক আহসান উল্লাহ চৌধুরী, ড. মাহবুব রহমান, ড. কাওসার, মো. শফিকুল আলম ও নিজাম উদ্দিন। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামে (আইআইইউসি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা হয়েছিল। ওই মামলায় আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। আজ চট্টগ্রাম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে সীতাকুণ্ড থানায় মামলাটি দায়ের করেন চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা পিপি ও দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক কামাল উদ্দীন। মামলায় আইআইইউসির বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও জামায়াতের নায়েবে আমীর আ ন ম শামসুল ইসলাম, ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ, শিক্ষক মাহবুবুর রহমান, কাউছার আহমেদ, শফিউল আজম ও নিজাম উদ্দিনের নাম উল্লেখ করে ৬০ থেকে ৭০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে বাদি উল্লেখ করেন, গত ২৯ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ওই ক্যাম্পাসে গিয়ে ছবি ভাঙচুরের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা তাকে হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি দেয়া হয়।
সংবাদপত্রের অনলাইন নিবন্ধন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে: তথ্যমন্ত্রী
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মূলধারার সংবাদপত্রগুলোর অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। একই সঙ্গে সংবাদপত্রের সরকারি বকেয়া বিল পরিশোধে আবারও তাগাদাপত্র দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদ নঈম নিজাম, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, দৈনিক সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মুনিরুজ্জামান, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত প্রমুখ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত বৈঠক হয়। আজ সে রকম একটি বৈঠক ছিল। আমরা সবসময় সংবাদপত্রের বিশেষ করে মিডিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। আজ সে বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে পত্রিকার অনলাইন ভার্সনগুলোকে সহসা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়। আমরাও মনে করি যেসমস্ত পত্র-পত্রিকাগুলো বের হয় বিশেষ করে প্রথম শ্রেণির পত্র-পত্রিকার অনলাইন ভার্সন রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে খুব বেশি তদন্তের কিছু নেই। কারণ, এগুলো তদন্ত করেই পত্র-পত্রিকাগুলো বের হয়। আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পত্রিকাগুলোর অনলাইন ভার্সনের রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করব। মূলত আজকে এটিই আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, পত্র-পত্রিকার বিল বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আটকে আছে, একেকটি পত্রিকার অনেক বিল। কোনো পত্রিকার ১০ কোটি, ১৫ কোটি, ২০ কোটি টাকা একটি পত্রিকার ক্ষেত্রে এরকম। এরকম করে কয়েকশ কোটি টাকার বিল বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে আটকে আছে। সে বিলগুলো যাতে বিভিন্ন দপ্তরগুলো ছাড় করে। আমরা আলোচনা করেছি তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দপ্তর-মন্ত্রণালয়ে একটি তাগাদাপত্র দেব। কারণ, ইতোপূর্বে কেবিনেট ডিভিশন থেকে সব মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে পত্র-পত্রিকার বিল ছাড় করার জন্য তাগাদাপত্র দেওয়া হয়ছিল। সেটির আলোকে আমরাও একটি তাগাদাপত্র দিয়েছিলাম। সেটা দেওয়ার পরে কিছু বিল ছাড়ও হয়েছিল। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, যে পরিমাণ বিল বকেয়া আছে আর যে পরিমাণ ছাড় হয়েছে সেটি খুবই নগণ্য। সেজন্য আমরা আরও একটি তাগাদাপত্র দেব। আজকে সবার সঙ্গে আলোচনাক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বকেয়া বিলগুলো কতোদিনের মধ্যে ছাড় হবে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বলতে পারে। তবে আমি মনে করি এ বিলগুলো সহসাই দিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। এগুলো দিতে হবে। যেহেতু দিতে হবে, এখন করোনাকালে পত্র-পত্রিকা নানা সংকটে আছে। সুতরাং এখন দিলে সেটি কাজে বেশি লাগবে। সুতরাং দিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। বৈঠকে সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, মূলত অনলাইন মিডিয়াটা নিয়ে সংকটটুকু ছিল। সে সমস্যাটা কীভাবে সমাধান করবে, নতুন আইনের পর সেটা কত দ্রুত করা যায় সে বিষয় নিয়ে আমাদের প্রস্তাব উপস্থাপন করার পর মন্ত্রী আশ্বস্ত করলেন খুব দ্রুত এ সংকট নিরসন হবে। মূলধারার পত্র-পত্রিকাগুলোর অনলাইন দ্রুত নিবন্ধন দিয়ে দেওয়া হবে। কারণ, আমরা প্রথমত একটা আইনের মধ্য দিয়ে অনুমোদন নিয়ে থাকি সংবাদপত্রের। সেখানে নতুন করে আবার তদন্ত সম্পন্ন হলো। আবার দীর্ঘ সময় যাতে অতিক্রম করতে না হয় সে কারণে আমাদের প্রস্তাবনা ছিল দ্রুততম সময়ে করার জন্য। মন্ত্রী সেটা আশ্বস্ত করেছেন। দ্রুততম সময়ে আমাদের অনলাইনের অনুমোদন দিয়ে দেবেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ত হলো, সংবাদপত্র বা মিডিয়া সারা পৃথিবীতে একটা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। বাংলাদেশ এর বাইরে নয়। বাংলাদেশের সংবাদপত্র থেকে শুরু করে প্রতিটি মিডিয়া একটা কঠিন সময় অতিক্রম করছে। সেই জায়গাগুলো আমরা আলোচনা করেছি। তিনি (তথ্যমন্ত্রী) পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন। সেই জায়গা থেকে তিনি বললেন, যেখানে যে সংকট থাকে সেটা সমাধানে তিনি সচেষ্ট থাকবেন এবং আমাদের সহায়তা করবেন। আগামীতে মিডিয়ার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতার আঙ্গিকে বাংলাদেশকেও একই রকমভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে তথ্যমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করলেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আটকে থাকা বিলগুলো দ্রুত ছাড় করার ব্যবস্থা নেবেন। বৈঠকের শুরুতে তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির সময় মেইন স্ট্রিমের সমস্ত মিডিয়া অত্যন্ত দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। করোনাকালে সব ধরনের মিডিয়ারই নানা সংকট ছিল। তবে সংবাদপত্রের সংকট অনেকের চেয়ে বেশি ছিল। সংকট থাকা সত্ত্বেও সংবাদপত্রগুলো প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশে বিলিও হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা দেখেছি যখনই দেশে কোনো সংকট দেখা দেয় তখন গুজব রটানোর চেষ্টা করা হয়। মানুষের মধ্যে ভয়ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এর বিরুদ্ধেও মেইন স্ট্রিমের গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বড় কথা হচ্ছে, করোনাকালে গণমাধ্যম-সংবাদপত্র এবং সরকার একযোগে কাজ করেছে। এর ফলে এ সময় গুজব রটানোর চেষ্টা করা হলেও সেটি হালে পানি পায়নি।
অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন আমরা পাব : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৩১আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, চীন ছাড়া এখন পর্যন্ত অন্য কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের আবেদন করেনি। এ ছাড়া অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি। সচিবালয়ে আজ সোমবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন জাহিদ মালেক। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বেক্সিমকোর চুক্তি হয়েছে। সরকারিভাবেও ওদের ভ্যাকসিন আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। জাহিদ মালেক জানান, সক্ষমতা থাকলে বাংলাদেশে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারে রাশিয়াও। দেশের কয়েকটি কোম্পানির সে সক্ষমতা রয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া রাশিয়ার ভ্যাকসিনের ব্যাপারে তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সূত্র: এনটিভি

জাতীয় পাতার আরো খবর