এবার আরও ১১টি আইটি ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করতে যাচ্ছে সরকার: পলক
২৬আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে আরও ১১টি জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার গড়ে তুলতে যাচ্ছে সরকার। এর মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক তরুণ বেকারদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। দেশের ৬৪ জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের অধীন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের ১২টি জায়গায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়। এর মধ্যে রাজশাহী ও নাটোরে আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এবার আরও ১১টি আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন বিষয়ক একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হলে তা অনুমোদন পায়। প্রকল্পটি চলতি মাস থেকে শুরু হয়ে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ। এটি বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯৮ কোটি ৯১ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের কাজীপুর, জয়পুরহাটের কালাই, দিনাজপুর সদর, মানিকগঞ্জের শিবালয়, কিশোরগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ সদর, চাঁদপুরের মতলব, বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, ভোলা সদর, কুষ্টিয়া সদর ও মেহেরপুর সদর উপজেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার গড়ে তোলা হবে। জানা যায়, এর আগে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীতে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন প্রকল্প নিয়ে আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আরও ১১টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তোলা হবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলায় এই ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার তৈরি করা হবে। এ সেন্টারের মাধ্যমে হাজারো তরুণ প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞানভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন। দেশের সব জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা হলে ২০৪১ সাল নাগাদ এখান থেকে প্রায় ১০ লাখ প্রশিক্ষনার্থীদের প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং প্রায় ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম বলেন, আমরা সব প্রকল্প তরুণ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে হাতে নিই। এখান থেকে সৃষ্ট মানবসম্পদ হাই-টেক ও সফটওয়ার পার্কগুলোর চাহিদা পূরণ করবে। সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন
ইতিহাস তার আপন গতিতে এগিয়ে যায় : প্রধানমন্ত্রী
২৬আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইতিহাস তার আপন গতিতে এগিয়ে যায়। কেউ ইতিহাস মুছতে পারে না এটা আজকে প্রমাণিত সত্য। আজকে শুধু বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্ব, এমনকি জাতিসংঘও জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল। যদিও করোনা ভাইরাসের কারণে তা হয়ে ওঠেনি। তবে ইতোমধ্যে তারা একটা স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে। বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু-কন্যা বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাজাতে দেওয়া হতো না। ভাষণ বাজাতে চাওয়ায় অনেককে গ্রেপ্তার পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে এখন সবাই বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে পারছে। নতুন প্রজন্মের আগ্রহটা, বিশেষ করে তারা যে সুন্দরভাবে বিষয়গুলো উপস্থাপন করেছে এ জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট সেই অগ্রযাত্রাকে স্তিমিত করেছিল। পনেরো আগস্ট পরাজিত শক্তির উত্থান ঘটেছিল। তারা আমাদের বিজয়কে নস্যাৎ করতে চেয়েছিল। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা যে পথ আমাদের দেখিয়ে গেছেন, সেই পথ ধরেই দেশকে এগিয়ে নিতে চাই। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে যদি আমরা ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্যমুক্ত করে সোনার বাংলা হিসেবে গড়তে চাই, অবশ্যই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারও পরামর্শে নয়, সম্পূর্ণ নিজস্ব ধারণা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা প্রণয়ন করেছিলেন। আর দেশের স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে ছয় দফার ভূমিকা অনেক। তিনি বলেন, তিনি যখন লাহোরে যান, লাহোরে গিয়ে এটা পেশ করার চেষ্টা করেন, সেখানে প্রচণ্ড বাধা আসে। বাধা পাওয়ার পর তিনি ওখানেই একটা সাংবাদিক সম্মেলন করে তাদের কাছে এটা তুলে ধরেন। তারপর ওরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার বিভিন্ন উদ্যোগের একটি পর্যায় উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যে আজকে স্বাধীন দেশ, স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি, আমাদের আত্মপরিচয় সুযোগ হয়েছে, আত্মমর্যাদার সুযোগ হয়েছে, এই সুযোগটা যিনি এনে দিয়েছিলেন এবং কীভাবে তিনি দিয়েছিলেন তারই একটি পর্যায় হচ্ছে এই ছয় দফা।- একুশে টেলিভিশন
দুটি প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর
২৫আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুটি প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচন করেছেন। প্রতিবেদন দুটো হলো- বাংলাদেশ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১ (বাংলাদেশ পার্সপেক্টিভ প্ল্যান ২০২১-২০৪১) এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট : বাংলাদেশ অগ্রগতি প্রতিবেদন ২০২০ (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস : বাংলাদেশ প্রগ্রেস রিপোর্ট ২০২০)। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে গণভবন থেকে রাজধানীর শেরে-ই-বাংলা নগরের ন্যাশনাল ইকোনমিক কাউন্সিলের (এনইসি) কনফারেন্স রুমে এনইসির নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর সাপ্তাহিক বৈঠকের শুরুতে প্রতিবেদন দুটির মোড়ক উন্মোচন করেন। একনেকের চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। এনইসি কনফারেন্স রুম থেকে একনেক সদস্যরা এ সময়ে তাঁর সাথে যুক্ত হন।- বাসস
ডিআইজি প্রিজনস পার্থের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
২৫আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতির মামলায় সাময়িক বরখাস্ত সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ৮০ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার হওয়া এ কারা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গতকাল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন এ চার্জশিট দাখিল করেন। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ চার্জশিটের বিষয়ে ৩১ আগস্ট শুনানির দিন ধার্য করেছেন। এর আগে ২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর নগদ ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার এফডিআর, ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেক ও ফেনসিডিলসহ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ট্রেন থেকে গ্রেফতার হন চট্টগ্রামের তত্কালীন জেলার সোহেল রানা বিশ্বাস। ওই সময় তিনি গোয়েন্দা জিজ্ঞাসাবাদে নিজের ঘুষবাণিজ্যের পেছনে সহায়ক শক্তি হিসেবে ডিআইজি পার্থ গোপাল বণিকের কথা বলেন। সেই থেকে কারাগারের বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। এতে উঠে আসে কারাগারকে মাদকের হাট বানানোর চিত্র। এই সূত্র ধরে দুদকের অনুসন্ধানী টিম সেগুনবাগিচার কার্যালয়ে পার্থ গোপালকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই বেলা ২টার দিকে তার ফ্ল্যাটে অভিযানে গেলে ফ্ল্যাটে না ঢুকতে দিয়ে বণিকের স্ত্রী চিকিৎসক রতন মনি সাহা প্রায় ২ ঘণ্টা দুদক টিমের সঙ্গে টালবাহানা করেন। তিনি মোবাইল ফোনে বলেন, পার্থ বাসায় নেই, মিরপুরে আছেন। অথচ সে সময় পার্থ ফ্ল্যাটেই ছিলেন। দুদক টিম বিকল্পভাবে ভেতরে প্রবেশের কথা জানালে দরজা খুলে দেন মনি সাহা। তবে এর আগেই বাসায় রাখা ওই ৮০ লাখ টাকা দুটি বস্তায় ভরে পাশের বাসার ছাদে ফেলে দেন পার্থের স্ত্রী। এ ঘটনায় ওইদিনই পার্থকে গ্রেফতার করা হয় এবং এর পর থেকে তিনি কারাগারেই আছেন।- বণিক বার্তা অনলাইন
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার সি আর দত্ত আর নেই
২৫আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব:) চিত্তরঞ্জন দত্ত (সি আর দত্ত) বীর উত্তম আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর ৮ মাস। সি আর দত্ত যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার বয়েন্টনবীচ বেথেষ্ডা সাউথ হাসপাতালের হসপিস কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কনিষ্ঠ কন্যা কবিতা দাসগুপ্ত হ্যাপির ফ্লোরিডার বাসায় ছিলেন সি আর দত্ত। গত বৃহস্পতিবার ওই বাসার বাথরুমে পড়ে গিয়ে ডান পায়ের গোড়ালি ভেঙে যায় বলে তার জামাতা শংকর গুপ্ত জানান। সাথে সাথে তাকে নিকটস্থ বেথেস্ডা ওয়েস্ট হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। এরপর চিকিৎসকরা তার গোড়ালিতে মাইক্রো সার্জারি করেন। সে সময় তাকে সম্পূর্ণভাবে অজ্ঞান (এনেসথেসিয়া) করতে হয়। সি আর দত্ত এ্যাজমায় আক্রান্ত থাকায় ওই সার্জারির পর শ্বাসকষ্ট মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। একইসাথে তার কিডনিও অচল হয়ে পড়ে। কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে জ্ঞান ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলেও কথা বলছিলেন অসংলগ্নভাবে।
ভ্যাকসিন যেখানে দ্রুত মিলবে সেখান থেকেই নেয়া হবে
২৪আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বের যেখান থেকেই দ্রুত ও সাশ্রয়ী মূল্যে করোনার কার্যকর ভ্যাকসিন বা টিকা পাওয়া যাবে সেখান থেকেই সংগ্রহ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশ ভ্যাকসিন উৎপাদনের অ্যাডভান্স স্টেজে চলে গেছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, চায়নার বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও রাশিয়া অ্যাডভান্স স্টেজে আছে। এছাড়া আমেরিকায় ফাইজা এবং মডার্না অ্যাডভান্স স্টেজে আছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব রোধে তাইওয়ান সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান, ঢাকায় তাইওয়ান ট্রেড সেন্টারের পরিচালক তিমথি ডব্লিড. ডি. সো, ম্যানেজার রঞ্জন চক্রবর্তী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা গত জুলাই মাসেই এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা আমাদের জানিয়েছেন, যখন তারা ভ্যাকসিন পাবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে তারা ২০ শতাংশ পর্যন্ত দিতে পারবে। এমন আশ্বাস তাদের কাছ থেকে আমরা পেয়েছি। তিনি বলেন, অন্যান্য দেশের যেসব প্রতিষ্ঠান ভ্যাকসিন উৎপাদনে এগিয়ে আছে তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ আছে। এসব বিষয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা জানিয়েছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীই নেবেন। যখন সময় হবে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আমরা সিদ্ধান্ত পেয়ে যাব। সে সিদ্ধান্ত পেলেই আমরা জানাতে পারব। ভ্যাকসিনের বিষয়ে বাংলাদেশ কোনো আঞ্চলিক রাজনৈতিকের শিকার হচ্ছে কি না- জানতে চাইলে জাহিদ মালেক বলেন, এটা কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটা স্বাস্থ্যসেবার বিষয়। কোভিড-১৯ একটি বৈশ্বিক মহামারি। পৃথিবীর সব দেশেই এটা ছেয়ে গেছে। লাখ লাখ মানুষ মারা গেছেন। বিশ্বব্যাপী প্রায় দুই কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। কাজেই এগুলো নিয়ে কোনো রাজনীতির জায়গা হয় না। তিনি বলেন, যখন ভ্যাকসিন তৈরি হবে এবং সেটা কার্যকরী ও অ্যাভেলেবল হবে, যে ভ্যাকসিনটা সাশ্রয়ী দামে তাড়াতাড়ি পাব আমরা সেটিই সংগ্রহ করব। রাশিয়ায় ইতোমধ্যে করোনার ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ কি সে ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য কোনো চেষ্টা চালাচ্ছে- জবাবে মন্ত্রী বলেন, সবার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হচ্ছে। আমাদের অ্যাম্বাসি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দুই জায়গা থেকেই যোগাযোগ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরও এ বিষয়ে অবহিত আছেন। সব জায়গায় যোগাযোগ করা হচ্ছে সময় মতোই আমরা ভ্যাকসিন পেয়ে যাব।
সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আইভি রহমানের অবদান রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
২৪আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তার ১৬তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে প্রয়াত এই নেত্রীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে নিয়মিত সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্বকালে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আইভি রহমান দেশের প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে সম্মুখসারির যোদ্ধা ছিলেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিনী আইভি রহমান ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহত হয়ে ২৪ আগস্ট মারা যান। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ওই গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের আরো ২১ নেতা-কর্মী নিহত হয়। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমি আজকের এই দিনে আওয়ামী লীগের ওই ২২ নেতা-কর্মী বিশেষত আইভি রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি ও তাদের স্মরণ করছি, যারা ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, আইভি রহমান আওয়ামী লীগের প্রতিটি সভা-সমাবেশে সাধারণ কর্মীদের সাথেই বসতেন। শেখ হাসিনা বলেন, তার মতো এমন একজন চমৎকার নিরহংকারী মানুষের মৃত্যুকে মেনে নেয়া খুবই কষ্টের। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী আরো বলেন, আইভি রহমান স্কুলজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন একসাথে রাজনীতি করেছি। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ২৪ আগস্ট আইভি রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হচ্ছে, কারণ ২০০৪ সালের এই দিনেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তিনি বলেন, আমরা জানতেও পারিনি আমাদের এই নেত্রী কখন মারা গেছেন। কারণ, ২১ আগস্ট ঘৃণ্য ওই গ্রেনেড হামলার পর তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার সমন্বিত সামরিক হাসপাতালে সিএমএইচ নিয়ে যাওয়া হয়। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী আরো বলেন, ২১ আগস্টের ওই গ্রেনেড হামলায় মহিলা আওয়ামী লীগের চার নেত্রীসহ আমাদের ২২ নেতাকর্মী প্রাণ হারান। তিনি বলেন, এই ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দুই জনকে সনাক্ত করা যায়নি। কেউ তাদের লাশ নিতেও আসেনি। তারা সন্দেহজনক হামলাকারী হতে পারে অথবা অন্য কেউও হতে পারে। তিনি আরো বলেন, আমরা এই গ্রেনেড হামলায় ২২ জন নেতাকর্মীকে হারিয়েছি। এতে আমাদের আরো ৬শ থেকে ৭শ নেতাকর্মী আহত হয়েছিলেন। আহতদের অবস্থা ছিল গুরুতর। অনেকেই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরও মারা যান। কারণ, তারা দেহে গ্রেনেডের স্প্রিন্টার বহন করছিলেন। এ সময় মন্ত্রিসভার সদস্যরা সচিবালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।
মানবতার কোমরে দড়ি
২৪আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও। এরইমধ্যে হাজার হাজার বার শেয়ার হয়েছে। মা-মেয়ের কোমরে দড়ি। তাদের ঘুরানো হচ্ছে এলাকায়। আশপাশে শ শ উৎসুক মানুষ। একপর্যায়ে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় চেয়ারম্যান অফিসে। নিষ্ঠুর, অমানবিক এক দৃশ্য। প্রখ্যাত সাংবাদিক ফয়েজ আহমদ বহু আগে লিখেছিলেন, সত্য বাবু মারা গেছেন। সেসময় বা তার আগে পরে মানবতাও যে মারা গেছে তা একেবারেই স্পষ্ট। অথচ সংবিধানে, আইনে কত সুন্দর সুন্দর কথাই না লেখা আছে। কাউকে নিষ্ঠুর, অমানবিক সাজা দেয়া যাবে না। এটা বলে নেয়া ভালো, মা-মেয়েসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গরু চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। আইনের শাসনের দাবি হচ্ছে, আইন আইনের গতিতে চলবে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে, বিচার হবে। এতেতো নিশ্চয়ই কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু বহুক্ষেত্রে আমরা দেখছি, পাবলিক কোর্টে নানা রকম অমানবিক দণ্ড দেয়া হচ্ছে মানুষকে। এটা এদেশে চলে আসছে বহুকাল। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মানুষ সভ্যতার পথে হাঁটছে না। বরং তাদের একটি অংশ দিনকে দিন হয়ে ওঠছে আরো অমানিবক, নিষ্ঠুর। স্কুলে সন্তানের ভর্তির খবর নিতে যাওয়া মাকেও কী অবলীলায় তারা পিটিয়ে মেরে ফেলেন। সন্তানেরা যে সারা জীবন তার মাকে আর খুঁজে পাবে না সে কথাটা একবারও হত্যাকারী মানুষগুলো বা অমানুষগুলোর মনে আসে না। এটি একমাত্র বা শেষ ঘটনা নয়। ট্র্যাজেডি হচ্ছে এই অমানবিক এবং নিষ্ঠুরতা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হয় সাধারণ আমজনতার ক্ষেত্রে। যারা হাজার কোটি টাকা চুরি করেন তাদের ক্ষেত্রে আপনি এমনটা ঘটতে দেখবেন না। তাই বলে তাদের ক্ষেত্রেও আইনের কোনো অমানবিক প্রয়োগ সমর্থন যোগ্য নয়। প্রতিটি এবং প্রত্যেকটা মানুষের ওপর আইনের সমপ্রয়োগই কেবল পারে পরিস্থিতি পাল্টাতে। না হয় ক্রসফায়ারে আপনি হয়তো হাততালি দিবেন, মিষ্টি বিতরণ করবেন, কিন্তু পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হবে না। বরং সন্ত্রাসীদের ক্রসফায়ার দিতে গিয়ে আপনি কখনো কখনো আইনকেও ক্রসফায়ারে ফেলে দিতে পারেন। হত্যার শিকার হতে পারেন নিরীহ, নিরাপরাধ মানুষও। ইনসাফের অনুপস্থিতি মানুষকে ক্রমশ অমানবিক করে তোলো। আশার কথা হচ্ছে মা-মেয়েকে কোমরে দড়ি বেঁধে নির্যাতনের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এই নিষ্ঠুরতায় জড়িতরা আইনের আওতায় আসুক সে দাবি ওঠেছে সর্বত্র। আওয়াজ ওঠেছে অমানবিকতার বিরুদ্ধে। এ আওয়াজ তোলার গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ভারতের আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী প্রশান্ত ভূষণ। অবমাননার অভিযোগে হয়তো আদালতের দণ্ড অপেক্ষা করছে তার জন্য। কিন্তু কী সাহসিকতার সঙ্গেই না তিনি উচ্চারণ করেছেন, কাল বাঁচতে হলে আজ সরব হতেই হবে।- মানবজমিন
একুশ আগস্ট হামলার দায় বেগম জিয়ারও: তথ্যমন্ত্রী
২৩আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় বেগম খালেদা জিয়ারও। রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাবে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দ্রুত বিচারের দাবিতে স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। মন্ত্রী এসময় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্য এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান ও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। হাছান মাহমুদ বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেগম জিয়া দেশের প্রধান বিরোধীদলীয় নেত্রীর নিরাপত্তা বিধান করতে পারেননি, সেই দায় তিনি এড়াতে পারেন না। তার জ্ঞাতসারেই এটা হয়েছে। এবং এই হামলার বিচারকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য তখন যা কিছু করা হয়েছে, সবকিছুর দায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার ওপর বর্তায়। অর্থাৎ তিনিও এই অভিযোগে অভিযুক্ত বিধায় পরিপূর্ণ বিচারের জন্য তাকেও বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন। ১৬ বছর আগে ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পাহারায় বাধা দিয়ে, গ্রেনেড হামলা করে নিহত-আহতদের উদ্ধারে ও চিকিৎসায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কথা স্মরণ করে সেই হামলায় আহত সাক্ষী হিসেবে ড. হাছান বলেন, এই গ্রেনেড হামলা শুধু বাংলাদেশের নয় পৃথিবীর ইতিহাসেই একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। সমসাময়িক বিশ্বে আর কোথায় সংসদের বিরোধী দলের নেতা যেখানে বক্তব্য রাখছেন, সেখানে এরকম গ্রেনেড হামলা করা হয়েছে?- প্রশ্ন রাখেন তিনি। হত্যা-খুনই বিএনপির রাজনীতির মূল প্রতিপাদ্য উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মসনদে আরোহণ করেন। তিনি ক্ষমতা নিষ্কণ্টক রাখতে সেনাবাহিনীর শতশত জওয়ানকে হত্যা করেন। বেগম জিয়াও একইপথ অনুসরণ করেন। বিএনপি আমলে শাহ এএমএস কিবরিয়া, আহসানউল্লাহ মাস্টার, মমতাজ উদ্দীন, মঞ্জুরুল ইমামকে জনসভার মধ্যে হামলা করে হত্যা করা হয়েছে। শেখ হেলাল, সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের ওপর হামলা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিন ক্ষমতা ধরে রাখার প্রয়াসে এবং খায়েশে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এইসব হামলা পরিচালিত হয়েছিল। তথ্য মন্ত্রী বলেন, এইসব কারণেই কানাডার আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে রায় দিয়েছে, অর্থাৎ আন্তর্জাতিকভাবেও বিএনপি একটা সন্ত্রাসী দল হিসেবে স্বীকৃত। তিনি বলেন, গতকাল শুক্রবার বিএনপি নেতারা অনেকে অনেক কথা বলেছেন। সেগুলো সবই ঠাকুর ঘরে কে রে! আমি কলা খাই না ধরনের কথা। তাদের উচিত এই ঘৃণ্য হামলার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। তাহলে হয়তো জনবিচ্ছিন্ন বিএনপিকে আবার জনগণ কাছে নিলেও নিতে পারে। আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার জাকির আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো: শাহাদত হোসেন টয়েলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম সামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, এম এ করিম, আহমেদ ইমতিয়াজ মন্নাফী, স্বাধীনতা পরিষদ সভাপতি জিন্নাত আলী জিন্নাহ প্রমুখ।- একুশে টেলিভিশন

জাতীয় পাতার আরো খবর