সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
সাহেদ সহ সব দুর্নীতিবাজদের গ্রেফতার করুন- মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটি
১২,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ১২ জুলাই ২০২০ বেলা ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব সম্মুখে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক শাহেদ, স্বাস্থ্যখাতের মাফিয়া ঠিকাদার মিঠু গং সহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের গ্রেফতার এর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহেদী হাসান এর নেতৃত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম রেজার সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মাধবী ইয়াসমিন রুমা, মাহাবুবুর রহমান, জাফর ইকবাল নানটু, গোলাম রহমান লিখন, ইকবাল, আলমগীর প্রমুখ। কর্মসূচিতে বক্তারা অনতিবিলম্বে শাহেদ কে গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। কর্মসূচির সমাপনী বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি মেহেদী হাসান তার বক্তব্যে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান শাহেদ সহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গ্রেফতার করা না হলে ১৫ এপ্রিল ২০২০ বুধবার বেলা ১১ মহাখলিস্থ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করে নিম্ন লিখিত দাবি পেশ করেন। (১) মৌলিক চাহিদার অন্যতম স্বাস্থ্যখাতের দুর্বিত্তায়ন রোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কে ডাক্তার চক্রের সিন্ডিকেট মুক্ত করে স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সকল পেশার লোকদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
যে কোন সময় সাহেদ গ্রেফতার হতে পারে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১২,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম যে কোন সময় গ্রেফতার হতে পারে, তার বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। তিনি হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, সাহেদ বড় অন্যায় করেছেন, তার অপকর্মের ব্যাপারে ইতোমধ্যে Rab-পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তাকে খোঁজা হচ্ছে, তিনি যেখানেই থাকুক, তাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে, নতুবা পুলিশ তাকে ধরে ফেলবে। আইন শৃংখলা বাহিনী শিগগির তাকে ধরতে সক্ষম হবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সাহেদ যে কোন সময় গ্রেফতার হতে পারে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ রোববার ঈদুল আজহা উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভা শেষে এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহিদুজ্জামান, আইজিপি ড. বেনজির আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা,কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা ও চামড়া পাচার রোধকরণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, সাহেদ যত বড় ক্ষমতাবানই হোন না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তার বিদেশ যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাহেদের সকল অপরাধ তদন্ত করা হচ্ছে, দ্রুত এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেয়া হবে। সাহেদ কি ধরনের অন্যায় করেছে সেগুলো পুলিশ এবং Rab তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে তার অন্যায়ের গভীরতাটা কতটুকু জানা যাবে। সাহেদ দেশে আছে নাকি বাইরে চলে গেছেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের বাইরে যাওয়ারতো কোনো উপায় নাই। তার পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে, বর্ডার যাতে ক্রশ করতে না পারে সে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করি, শিগগিরই তাকে ধরতে সক্ষম হবো। এসময় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ প্রসঙ্গে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, সকল তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সাহেদকে গ্রেফতারে সবধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সব তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান আইজিপি। সভায় পশুরহাট ও কোরবানির পশু পরিবহনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জানানো হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পশুর হাটে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য একটি গাইড লাইন তৈরি করছে। এ গাইড লাইন বাস্তবায়নের জন্য আইন শৃংখলা বাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ঢাকা শহরের বাহিরে পশুর হাট বসানোর জন্য ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সিটি কর্পোরেশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সভায় জানানো হয়। এ বছর কোরবানির পশু অনলাইন কেনাকাটার উপর সভায় গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। কোরবানীর হাটের ইজারাদারদের হাটের প্রবেশ পথে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা (বেসিনসহ) হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। ক্রেতাদের মাস্ক পরিধান করে হাটে প্রবেশ করতে হবে। কোন ক্রেতা মাস্ক পড়ে না আসলে ইজারাদারদের নিকট সংরক্ষিত মাস্ক ক্রয় করে হাটে প্রবেশ করতে হবে। হাটের কাছে ব্যাংক বুথ থাকবে। রাস্তাঘাটের উপর পশুর হাট দেয়া যাবে না। কোন হাটে যাবে পশুর ট্রাকের সামনে ব্যানারে হাটের নাম লেখা থাকবে। পশুর ট্রাক অন্য কোথাও থামানো যাবে না। পশুবাহী কোন গাড়ী রাস্তায় থামানো যাবে না। নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিবারের মতো এবারও জাল নোট, চাদাবাজি, অজ্ঞান-মলম পার্টি হতে নিরাপত্তা দিবে। নদীপথে ফেরি, লঞ্চ ও জাহাজে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহণ করা যাবেনা। অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহণ করলে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নদীপথে পশুবাহী ট্রলার যাতে অতিরিক্ত বোঝাই (ওভারলোড) না হয় সে ব্যাপারে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশ লক্ষ্য রাখবে। পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ ও যথাযথভাবে বিপণনের বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি অন্যান্য বারের চেয়ে কম সময়ের জন্য বন্ধ রাখা যেতে পারে। শ্রমিকদের বেতন বোনাস যথাসময়ে পরিশোধে বিজিএমইএ এবং কারখানা মালিকগণ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এবারের ঈদ-উল-আযহার জামায়াত মসজিদে আদায়ের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলেও সভায় জানানো হয়।
বিদেশগামীদের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে যেতে হবে
১২,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিদেশ গমনকারী সকল বাংলাদেশিকে এখন থেকে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে গমন করতে হবে। সরকার অনুমোদিত করোনা টেস্টিং সেন্টার থেকে করোনা পরীক্ষা করে এ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা যাবে। আজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে এক বিশেষ ভার্চুয়াল আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের সুবিধার্থে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে দেওয়ার বিষয়ে এ সভায় সুপারিশ করা হয়। তাছাড়া কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে গমনকারীদের করোনা পরীক্ষার সুবিধার জন্য প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নিবেদিত করোনা টেস্টিং সেন্টার স্থাপনেরও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মুহিবুল হক, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন সভায় সংযুক্ত ছিলেন।
জেকেজি চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা গ্রেফতার
১২,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরীক্ষা না করে মনগড়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফ চৌধুরীর স্ত্রী ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির তেজগাঁও উপ-কমিশনারের (ডিসি) কার্যালয়ে সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিউজ একাত্তরকে নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ। এর আগে তিনি জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডা. সাবরিনাকে ডেকেছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অধিকতর তদন্তের স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে বলেও তখন জানান সংশ্লিষ্টরা। জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফ চৌধুরীর প্রতারণার নেপথ্যে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। জেকেজির চেয়ারম্যান হিসেবে সব যোগাযোগ রক্ষা করতেন সাবরিনাই। গত ২৩ জুন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর থানা হাজতে থাকা অবস্থায় আরিফুলের ক্যাডার বাহিনী ভাঙচুর ও হামলা করে থানায়। মারধর করে পুলিশকে। এছাড়া রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর কলেজে নমুনা সংগ্রহের বুথ বসিয়ে সেখানে প্রশিক্ষণের নামে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও পাওয়া যায়। কলেজের কক্ষে নারী-পুরুষের আপত্তিকর অবস্থানসহ নানা অনৈতিক কাজে বাধা দিলে তিতুমীর কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রদের ওপরও হামলা করে আরিফুলের লোকজন। অভিযোগ পাওয়া যায়, রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্নজনকে হুমকি দিতেন আরিফ। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম ব্যবহার করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালককেও দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তিনি। জানা যায়, জেকেজির কর্ণধার স্বামী-স্ত্রী মিলে করোনা টেস্টের ভুয়া সনদ বিক্রি করেছেন। প্রতিটি টেস্টের জন্য জনপ্রতি নিয়েছেন সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা। আর বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি তারা নিতেন ১০০ ডলার।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার স্বাধীনতা দুদকের আছে
১২,জুলাই,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যখাতসহ সব খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যেখানেই দুর্নীতি হবে সেখানেই তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণে দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা রয়েছে। প্রয়োজনে নিজের মন্ত্রণালয়ের যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধেও তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো বাধা নেই। রোববার (১২ জুলাই) সকালে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকাস্থ নিজ বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন, জানানো হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। করোনার সংক্রমণ রোধে কোরবানির পশুরহাটের সংখ্যা কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কোরবানীর পশু ক্রয়-বিক্রয়ে বাড়তি চাপ মোকাবিলায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হতে পারে সম্ভাব্য বিকল্প। অনলাইন বাজারে কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয়ে লেনদেনে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্টদের তদারকি বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। করোনার নমুনা পরীক্ষায় দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রতারণা প্রসঙ্গে মন্ত্রী দ্রুত তদন্তপূর্বক অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অপরাধীর কোনো দল নেই। অপরাধ লুকোতে তারা নানান দলের পরিচয় বহন করলেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের রক্ষা করতে পারে না। করোনার সংক্রমণ রোধ, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করে কোরবানির পশুরহাটের অনুমতি প্রদান সরকারের সামনে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ সময়ে পারস্পরিক সহযোগিতা, আন্তরিকতা এবং মমত্ববোধ জাগিয়ে তোলার পাশাপাশি সংকট উত্তরণে প্রয়োজন দৃঢ় মনোবল। এসময় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক দুর্যোগ ও সংকটের কষ্টিপাথরে উত্তীর্ণ মানবিক নেতৃত্ব শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রাখার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
কোভিড মেডিকেল টেক্সটাইল বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করেছে : পরিকল্পনামন্ত্রী
১১জুলাই,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, কোভিড-১৯ অতিমারি বাংলাদেশের জন্য পিপিই ও মাস্কের মত মেডিকেল টেক্সটাইলে রফতানি ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিশেষ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। তিনি বেসরকারিখাতের উদ্যোক্তাদের এই সুযোগ কাজে লাগানোর আহবান জানান। শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত বেসরকারি খাতের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত শীর্ষক ওয়েবিনার সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিল্ড চেয়ারম্যান আবুল কাশেম খান, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. মাশরুর রিয়াজ,চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম, ডিসিসিআই সাবেক সভাপতি রাশেদ মাকসুদ খান, হোসেন খালেদ, এমএইচ রহমান, আফতাব-উল ইসলাম, বেনজীর আহমেদ, সাইফুল ইসলাম ও মো. সবুর খান বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআইয়ের বর্তমান সভাপতি শামস মাহমুদ। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, এবারের বাজেট অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি ব্যবসাবান্ধব। বাজেটে কর্পোরেট কর ও ব্যাক্তি কর রেয়াতসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে আপনারা আরো সুযোগ পাবেন। তিনি কোভিড পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ও বেসরকারিখাতকে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বিশে^র অনেক দেশের অবকাঠামোখাতের উন্নয়নে বেসরকারিখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমাদেরও সেদিকে যেতে হবে। তিনি দেশে যোগাযোগ,বিদ্যুৎ ও চিকিৎসাসহ অন্যান্য অবকাঠামোখাতের উন্নয়নে বেসরকারিখাতের উদ্যোক্তাদের বড় বিনিয়োগ নিয়ে আসার আহবান জানান। পরিকল্পনামন্ত্রী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ব্যাংকিং খাতে আরো ডিজিটাইলাইজেশন এখন সময়ের দাবী। তিনি বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ের জনগনের ব্যাংক হিসাব না থাকায় সরকার করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সবার কাছে নগদ আর্থিক সহায়তা পৌঁছাতে পারেনি। তিনি আরো বলেন, কোভিড-১৯ সম্পর্কে প্রথমদিকে ধারণা না থাকায় স্বাস্থ্যখাত কিছুটা অগোছালো ছিল, তবে সময়ের ব্যবধানে আমরা সেটা কাটিয়ে উঠেছি। এখন আমরা প্রস্তুত। তিনি জানান,আশিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোতে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে হলে,বাংলাদেশকে আশিয়ানের পর্যবেক্ষক মর্যাদা অর্জন করতে হবে। তিনি প্রতিবেশি দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণের উপর গুরুত্বারোপ করেন। মান্নান বলেন, কোন অসাধু ব্যক্তির অসৎ কাজের জন্য দেশ-বিদেশে ইমেজ যেন নষ্ট না হয়, সে দিকে আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে কেবল সরকার নয়, বেসরকারিখাতকেও আরো মনোযোগি হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। মূল প্রবন্ধে ডিসিসিআই সভাপতি শামস মাহমুদ কোভিড পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন এবং অর্থনীতির ২০টি খাতের বর্তমান অবস্থা ও এর উন্নয়নে সুপারিশ দেন। তিনি বলেন,চলমান কোভিড অতিমারি পরিস্থিতিতে জীবন-জীবিকার চাকা সচল রাখতে অনেক কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। তাই কোভিড-উত্তর অর্থনৈতিক পুণঃউদ্ধার প্রক্রিয়ায় সরকারের যথাযথ নীতি সহায়তা ও প্রণোদনার সঠিক ব্যবহার একান্ত অপরিহার্য। তিনি রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য উৎসে কর কমিয়ে শুন্য দশমিক ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন। চীন থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে সুনিদিষ্ট রোডম্যাপ ও কৌশল এখনই নেয়া জরুরী বলে তিনি মন্তব্য করেন। ডিসিসিআই সভাপতি জানান, গত অর্থবছরে রফতানি আয় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২৬ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে জিএসপি ফিরে পাওয়া,অশুল্ক বাধা দূর ও সম্ভাবনাময় অংশীদারদের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, কোভিডের কারণে এমএসএমই খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ব্যাংক হতে প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় তারা ঋণ পাচেছ না, এ অবস্থা উত্তরণে স্বল সুদে ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম ও রিফাইন্যান্সিং স্কিম আরো বেশি হারে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে ড. মাশরুর রিয়াজ বলেন, কোভিডের ফলে বৈশি^ক চাহিদা ও সাপ্লাই দুটোই উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তিনি অর্থনীতির এ অবস্থা উত্তরণে স্বল ও মধ্য মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি কর্পোরেট কর, টার্ণওভার কর প্রভৃতি কমানোর প্রস্তাব করেন এবং কোম্পানী আইন যুগোপযোগি করার ওপর গুরুপত্বারোপ। তিনি কোভিড মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট নীতিমালা সমূহের সংষ্কার ও বন্ড মার্কেট আরো কার্যকরের উপর জোরারোপ করেন। আবুল কাসেম খান বলেন,দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আরো বাড়ানোর জন্য আমাদের অবশ্যই সহায়ক করা কাঠামা থাকতে হবে, যা কিনা এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে উদাহরণ তৈরি করবে। তিনি সরকার ঘোষিত প্রণোদনার প্যাকেজ হতে বিশেষ করে এসএমই খাতের উদ্যোক্তাবৃন্দ যেন ঋণ সহায়তা পেতে পারেন, সে ব্যাপারে সরকারের আরো মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আশিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ়করণ এবং বিভিন্ন দেশগুলোর সাথে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তিগুলো আরো কার্যকরের প্রস্তাব করেন। হোসেন খালেদ বলেন, ব্যাংক খাত হতে সরকারের বেশিমাত্রায় ঋণ নেওয়ার প্রবনতা বেসরকারীখাতে ঋণ প্রবাহকে কমিয়ে দিতে পারে। তিনি বলেন, শিল্পখাত বর্তমান কর্মসংস্থান ধরে রাখার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে এবং এ অবস্থা মোকাবেলায় ব্যাংক ও বেসরকারিখাতকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। আসিফ ইব্রাহীম দেশের বন্ড মার্কেট আরো কার্যকর করার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পসমূহে অর্থায়ন নিশ্চিতকল্পে সেগুলোকে পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার প্রস্তাব করেন।
করোনাকালে নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার : ইন্দিরা
১১,জুলাই,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেছেন, সরকার করোনার সময়েও নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীতে ডিজিটাল প্লাটফর্মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ এবং ইউনাইটেড নেশনস পপুলেশন ফান্ডের (ইউএনএফপিএ) যৌথ উদ্যোগে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন,অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনীতিতে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এক লাখ কোটি টাকার বেশী ১৯টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করছেন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এসব প্রণোদনা থেকে আমাদের দেশের নারী উদ্যোক্তা ও কর্মজীবী নারীরা সরাসরি উপকৃত হবেন বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন,নারী ও শিশুর নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালসহ দেশব্যাপী ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ৩ হাজারের বেশি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া হেল্পলাইন ১০৯, মনোসামাজিক ও আইনি সেবা দেয়া হচ্ছে। দিবসটির গুরুত্ব সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন,দেশে এখন কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ যাদের বয়স ১৫- ৫৯ বছরের মধ্যে। গত একদশকে দেশে দারিদ্র্যের হার ২০দশমিক ৫০ শতাংশে ও উচ্চ দারিদ্যের হার ১০ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে কর্মক্ষম মানুষের এই শ্রেণী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের যে সুবর্ণ সময় পার করছে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যেতে তার শতভাগ সুবিধা কাজে লাগাতে হবে জানান তিনি। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২০ এর উদ্বোধন পর্বে ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম জুমের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আকতারজ্জামান সূচনা বক্তব্য করেন। চলতি বছর ৩১ তম বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য মহামারি কোভিড-১৯ প্রতিরোধ করি, নারী ও কিশোরীর সুস্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিত করি।
লোক সমাগম পরিহার করে কোরবানির পশুর হাট বসানোর জন্য তাজুলের আহবান
১১,জুলাই,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহায় করোনাভাইরাস প্রতিরোধে লোক সমাগম কম রেখে কোরবানির পশুর হাট বসানোর জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি আজ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন কোরবানির পশু অনলাইনে বিক্রির প্লাটফর্ম ডিএনসিসি ডিজিটাল হাট এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অনলাইনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহবান জানান। এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ডিজিটাল হাট থেকে প্রথম কোরবানির পশু ক্রয় করে অনলাইনে বেচাকেনারও উদ্বোধন করেন। তাজুল ইসলাম বলেন, দেশের শহর অঞ্চল ছাড়াও গ্রামে-গঞ্জে দু একটি জায়গায় কোরবানির পশু বেচাকেনা করার জন্য জায়গা নির্ধারণ না করে একটি ওয়ার্ডে বা ইউনিয়নে খোলামেলা স্থানে হাটের আয়োজন করলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তার রোধে ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, এতে করে একদিকে যেমন পশু বেচাকেনার ওপর কোন প্রভাব পড়বে না, তেমনি সাধারণ মানুষকে করোনাভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করাও সম্ভব হবে। কোরবানির পশুর বেচাকেনার জন্য যেখানেই হাট বসানো হোক না কেন, অবশ্যই সেখানে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব সহ সরকারের অন্যান্য নির্দেশনা মেনেই বসতে হবে এবং সেই লক্ষ্যে তার মন্ত্রণালয় প্রাথমিক একটি বৈঠকও করেছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। যে সকল এলাকায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেশি বা যে এলাকাগুলোকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে সে সব এলাকায় পশুর হাট বসানো বর্জন করারও আহবান জানান তিনি। করোনাভাইরাসের সংকটে ডিজিটাল পদ্ধতিতে গবাদিপশু বেচাকেনার গুরুত্ব তুলে ধরে তাজুল বলেন, এটি দেশে গবাদিপশু ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যুক্ত করবে। করোনাভাইরাসের সংকট থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও অনলাইনে গবাদিপশু ছাড়াও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাবেচা অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী অনলাইনে ক্রয়-বিক্রয়ে লেনদেন ও পণ্যের মান সহ বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে বলেন, এই প্লাটফর্মে বেচাকেনার জন্য সাধারণ মানুষের আস্থা নিশ্চিত করার কোন বিকল্প নেই। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে এই অনলাইন সভায় অংশ গ্রহণ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান ও এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।

জাতীয় পাতার আরো খবর