রবিবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৮
নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন: ইসি সচিব
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই-তিন দিন আগে নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। বৃহস্পতিবার সকালে ইসিতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ব্রিফ করার সময় তিনি এ কথা বলেন। ইসি সচিব বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। এ জন্য নির্বাচনের আগে বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা যাতে না হয়, সে জন্য তারা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। এ ছাড়া সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, এবারের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুখ দেখানো যাবে না। কেউ যদি নির্বাচন ভণ্ডুল করতে চায়, তবে আইনের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
নির্বাচন পেছানোর দাবি ভোট বানচাল করতেই: ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপিসহ সরকারবিরোধী দলগুলোর জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন পেছানোর যে দাবি করেছে তাকে অযৌক্তিক হিসেবে দেখছে সরকারি দল আওয়ামী লীগ। নির্বাচন বানচাল করতেই এই দাবি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তবে এবার আর নির্বাচন বানচালের কোনো সুযোগ নেই বলে মনে করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ভোট পেছানোর দাবি একেবারেই অযৌক্তিক। তারা নির্বাচন বানচাল করতেই এই দাবি করেছেন। আমাদের মতো বড় দল না চাইলে কীভাবে নির্বাচন পেছাবে? আরও দল আছে তারাতে চায়নি। বুধবার নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে কাদের বলেন, আন্দোলনের নামে সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছে বিএনপি। তারা পরিকল্পিতভাবে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে। ভিডিও ফুটেজ আপনারা (সাংবাদিক) দেখেছেন। তারা পুলিশের গাড়িতে উঠে শেখ হাসিনার পতন চেয়েছে। এটা কেন? তারা আসলে নির্বাচনে যেতে চান না, তারা নির্বাচন বানচাল করতে চান। এ ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। তবে আপনাদের ভাবতে হবে এর জন্য কে দায়ী? যোগ করেন কাদের। ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি ভাবতে পারিনি মির্জা ফখরুল এতটা মিথ্যা কথা বলবেন। তিনি গতকাল যে মন্তব্য করেছেন এটা কে বিশ্বাস করবে? ছাত্রলীগ নাকি হামলা করেছে-এটা কেউ বিশ্বাস করবে? আমি ভাবতেও পারিনি মির্জা ফখরুলের মুখে এমন মিথ্যা কথা শুনতে হবে। আপনারা এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন,আমরাতো নির্দেশ দিতে পারি না। এখন এটা নির্বাচন কমিশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণায়কে বলতে পারে তদন্তের জন্য। আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন কী ব্যবস্থা নিতে পারে। কাদের বলেন, নির্বাচনী সুবাতাস কারা বিনষ্ট করছে? এখানে সরকারের কোনো দায় দায়িত্ব নেই। ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। নির্বাচন নিয়ে ব্লু প্রিন্টের টেস্ট কেস আমরা কাল দেখেছি। নির্বাচন বিনষ্টের যে অশুভ তৎপরতা তা গতকাল প্রমাণ করেছে বিএনপি। তারা নির্বাচন চাইলে তাদের এই অশুভ তৎপরতা বন্ধ করতে হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এবার কোনো অশুভ শক্তি নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না। জনগণ সতর্ক পাহারায় রয়েছে। এ ধরনের কোনো অপতৎপরতা চালালে জনগণ তা প্রতিহত করবে। ঐক্যফ্রন্টের পিএম ফেইজ কে? ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমি ঐক্যফ্রন্টকে প্রশ্ন করতে চাই, হু ইজ দেয়ার পিএম ফেইজ এটা আমি জানতে চাই। এটা দেশবাসীও জানতে চায়। তাদের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? ড. কামাল নাকি তারেক রহমান? মন্ত্রীদের পদত্যাগ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,নির্বাচনকালীন সরকার বলে কোনো কিছু সংবিধানে নেই। পৃথিবীর সব দেশে যখন নির্বাচন হয় তখন বর্তমান সরকার দায়িত্বে থাকে। আর নির্বাচন কমিশন বাকি দায়িত্ব পালন করে। টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী থাকবেন না। প্রধানমন্ত্রী এটা গ্রহণ করলে রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। তারপর ফাইনালি তাদের পদত্যাগ হয়ে যাবে। তবে বর্তমান মন্ত্রিসভা থেকে মন্ত্রী আর কমার সম্ভাবনা নেই। ওবায়দুল কাদের বলেন,আমাদের কাছে মাঠ পর্যায়ের সার্ভে রিপোর্ট রয়েছে সব দলের বিষয়ে। আমাদের কাছে বিস্তারিত সার্ভে রিপোর্ট রয়েছে। এটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে রয়েছে। আমরা এ সার্ভে রিপোর্ট থেকে নির্বাচনের বিষয়ে বিজয়ের বিষয়ে আশাবাদী। খালেদা জিয়ার মুক্তি বিষয়ে সরকার কোনো উদ্যোগ নেবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন,বেগম জিয়ার বিষয়ে আমি সবিনয়ে বলবো এটা আদালতের বিষয়।
পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগকারীরা বিএনপির: ডিএমপি কমিশনার
অনলাইন ডেস্ক: পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগকারীদের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা সবাই বিএনপি এবং দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী। আমরা মামলা নিয়েছি। তাদের গ্রেফতারে পুলিশ ইতোমধ্যেই তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, নির্বাচনের আগে পুলিশকে উসকানি দিতে আর অসৎ উদ্দেশে আমাদের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। কারা আগুন দিয়েছেন, তাদের দেখা গেছে। এছাড়া মিডিয়ার ফুটেছে স্পষ্টই দেখে যায় তারা কীভাবে পুলিশের সদস্যদের লাঠিপেটা ও ইটপাটকেল মেরেছেন। তিনি আরো বলেন, বিএনপি এ হামলা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে। নির্বাচনের আগে তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতেই এ অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। তখন আমাদের পুলিশ সদস্যরা জীবন বাঁচাতে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। বুধবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতাকর্মীরা পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে জড়ান। এসময় নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিশ, করে লাঠিচার্জও। এক পর্যায়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের দু -টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণসহ ২৩তম অধিবেশনে পাস হওয়া ৯টি বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি
অনলাইন ডেস্ক: বর্তমান আওয়ামী সরকারের শেষ অধিবেশনে অর্থাৎ ২৩তম অধিবেশনে পাস হওয়া নয়টি বিলে সম্মতি জানিয়ে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এসব বিলের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল-২০১৮। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বিলটি আইনে পরিণত হলো। এখন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে এই আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সদ্য পাস হওয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ইয়াবা (অ্যামফিটামিন), কোকেন, হেরোইন পরিবহন, কেনাবেচা, ব্যবসা, সংরক্ষণ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তান্তর, সরবরাহ ইত্যাদি অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবনের বিধান রাখা হয়েছে। অবশ্য বহনের পরিমাণ অনুযায়ী সাজা কমবেশি হতে পারে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনে অর্থ বিনিয়োগ, সরবরাহ, মদদ ও পৃষ্ঠপোষকতা দিলেও একই ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে অর্থলগ্নি, পৃষ্ঠপোষকতা, মদদদাতা সবাই শাস্তির আওতায় আনা যাবে। এতদিন মাদকের মাস্টারমাইন বা গডফাদাররা বিচারের বাইরে থেকে যেত। বর্তমান আইনে সেই সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরিত অন্য বিল হলো- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বিল-২০১৮, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বিল-২০১৮, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বিল-২০১৮, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন বিল-২০১৮, মৎস্য সঙ্গনিরোধ বিল-২০১৮, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল-২০১৮, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস বিল-২০১৮ এবং বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল বিল-২০১৮।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে নির্বাচন পেছানোর বিষয়ে: নির্বাচন কমিশন সচিব
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেছেন, নির্বাচন জানুয়ারিতে হলে অনেক সমস্যা হবে। তবু নির্বাচন পেছানোর বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। কমিশন সভায় নিবার্চন পেছানোর বিষয়টি আলোচনা হবে, সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বুধবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন ভবনে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, নয়াপল্টনের বিষয় খতিয়ে দেখবে কমিশন। উল্লেখ্য, বুধবার (১৪ নভেম্বর) ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধি দল দেখা করেন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে। এসময় তারা আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সময় ফের পেছানোসহ কিছু দাবি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানান। কমিশন তাদের এ দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছিলেন ড. কামাল। পরে এদিন সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল দেখা করেন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে। এসময় তারা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ যেন আর পেছানো না হয় সেই দাবি জানায়। এইচ টি ইমাম বলেন, বিদেশিদের সুযোগ সুবিধা দেখে তারিখ পেছানো যৌক্তিক হবে না। বৈঠক শেষে এইচ টি ইমাম সাংবাদিকের বলেন, নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষক আসা নিয়ে ভোটের তারিখ পেছানোর দাবি যৌক্তিক নয়। বিদেশিদের সুযোগ সুবিধা দেখে তারিখ পেছানো ঠিক হবে না। তিনি বলেন, ডিসেম্বরের পর নির্বাচন সম্ভব নয়। কারণ জানুয়ারিতে স্কুলে শিক্ষার্থীদের নতুন বই দেয়া হবে। এ মাসে বিশ্ব ইজতেমা রয়েছে।
বিদ্রোহী হলে তাকে দল থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে :প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশের অগ্রগতির ধারা ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। তাই সবার সতর্ক থাকতে হবে। কোনো বিশ্বাসঘাতকদের দলে ঠাঁই হবে না। আওয়ামী লীগ চায় দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করতে। আর দেশকে এগিয়ে নিতে বিশ্বাসঘাতকদের প্রয়োজন নেই।’ বুধবার সকালে গণভবনে আগামী নির্বাচনে নৌকা পেতে আগ্রহী ৪ হাজার ২৩ জনের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে শেখ হাসিনা আরো বলেন, কেউ দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী হলে তাকে দল থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে। দলীয় সূত্র ইত্তেফাককে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘরের শত্রু বিভীষণ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দল করতে হলে দলের সিদ্ধান্ত মানতে হবে। যাকে নৌকা প্রতীক দেয়া হবে, সব নেতাকর্মীকে তার পক্ষেই কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন জরিপ রিপোর্ট আমার কাছে। জরিপের ভিত্তিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে। জানা গেছে, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বনামধন্য জরিপ প্রতিষ্ঠান এবং দলের অভিজ্ঞ একাধিক টিমের মাধ্যমে কয়েক দফা মাঠ জরিপ চালিয়ে তিনশ’ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জনপ্রিয়তার বাস্তবচিত্র এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ল্যাপটপে বন্দী। নেতা-এমপি-মন্ত্রীরা যত বড় বড়ই শো-ডাউন করুন না কেন, প্রধানমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নিজ নির্বাচনী এলাকায় সর্বশেষ অবস্থা ও বিস্তারিত আমলনামা। গত টানা ১০ বছরে কোন মন্ত্রী-এমপি বা সম্ভাব্য প্রার্থী নিজ এলাকায় কী করেছেন, জনপ্রিয়তা বেড়েছে নাকি কমেছে, অনিয়ম-দুর্নীতি কিংবা দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে কিনা, এ সকল আমলনামা রয়েছে দলীয় প্রধানের হাতে। তাই সংসদীয় বোর্ডের ধারাবাহিক বৈঠক থেকে সর্বশেষ জরিপসহ সবকিছু বিবেচনা করেই এবার আওয়ামী লীগ একক প্রার্থিতা ঘোষণা করা হবে। মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আওয়ামী লীগ জানিয়েছিল, মনোনয়ন প্রত্যাশীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাত্কার শুরু করতে বুধবার দলের ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে হিসেবে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছিল। দলের সভানেত্রীর আগমন উপলক্ষে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছিলেন নেতাকর্মীরা। তবে সাড়ে ১২টার দিকে জানা যায় বুধবার নয় আগামীকাল বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির কার্যালয়ে যেতে পারেন শেখ হাসিনা।
পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি পোড়ানোর ঘটনা পরিকল্পিত :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি পোড়ানোর ঘটনা ‘পরিকল্পিত’ বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বুধবার (১৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি এটা পরিকল্পিতভাবে হয়েছে। যখন দেশ একটি সুন্দর নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশন যখন সিডিউল ঘোষণা করেছে, দেশের মানুষ যখন একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে, সেই সময়ে এ ঘটনা পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মনে করি নাশকতা তৈরি করে, ধূম্রজাল সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচালের একটা অপচেষ্টা এটা। পুলিশের ওপর হঠাৎ আক্রমণ আমাদের সেটাই মনে করিয়ে দেয়।’ পুলিশের দুটি গাড়ি পোড়ানো এবং ১৬ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারী ও গাড়ি যারা পুড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পুলিশের উপর হামলা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র
অনলাইন ডেস্ক :মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিনা উস্কানিতে পুলিশের উপর হামলা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র। বুধবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, বিনা উস্কানিতে মনোনয়ন ফরম নিতে আসা নেতাকর্মীদের ওপর সরকার পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। রিজভী আরও বলেন, শেখ হাসিনার নির্দেশে নির্বাচন কমিশন পুলিশ দিয়ে এ হামলা চালাচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আপনাদের শান্ত হতে বলেছেন। আপনারা রাস্তা ছেড়ে ফুটপাতে বসে পড়ুন। এটা তারেক রহমানের নির্দেশ।
ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড সরিয়ে ফেলার জন্য তিন দিন সময়
অনলাইন ডেস্ক :ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড সরিয়ে ফেলার জন্য আরো তিন দিন সময় বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। বুধবার সকালে ইসি ভবনে এক কর্মশালায় নির্বাচন কমিশন সচিব এ কথা বলেন। নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জন্য কর্মশালার আয়োজন করা হয়। আগের ঘোষণা অনুযায়ী আজ বুধবার ছিল ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড সরিয়ে ফেলার শেষ দিন। এদিকে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিরেপেক্ষতার সাথে নির্বাচন পরিচালনার আহ্বান জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। সিইসি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরেপেক্ষতা এবং সব প্রার্থী যেন সমান সুযোগ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য আপনাদের আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে হবে। সিইসি আরো বলেন, কেন্দ্র নিয়ে যেন কোনো অভিযোগ না থাকে, সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর