রবিবার, জুলাই ১৫, ২০১৮
কিছু মহল নানা ধরনের ভয়ভীতি সৃষ্টি করে
অনলাইন ডেস্ক :সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কিছু মহল নানা ধরনের ভয়ভীতি সৃষ্টি করে। ভয়ের কোনো কারণ নেই। আজ শনিবার (১৪ জুলাই) রূপপুরে নির্মাণাধীন দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের মূল নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ইউরি ইভানোভিচ বোরিচভ দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন প্রযুক্তি অনেক এগিয়ে গেছে, অনেক উন্নত হয়েছে। রাশিয়া তাদের সর্বশেষ ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে এটা নির্মাণ করছে। শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রশিক্ষণ আমরা দিচ্ছি আমাদের লোকজনকে। আমাদের সেনাবাহিনীসহ সব বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে প্রশিক্ষিত আলাদা একটি ইউনিট গঠন করছি। এজন্য রাশিয়ায় যেমন প্রশিক্ষণ হচ্ছে, ভারতেও প্রশিক্ষণ চলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্যও নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব রাশিয়া নিয়েছে। কাজেই কারো কোনো আতঙ্কগ্রস্ত হওয়ার কিছু নেই। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি শান্তির জন্য ব্যবহার করবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। রাশিয়ার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, আর্থিক সহায়তা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংস্থা আণবিক শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এএসই গ্রুপ অব কোম্পানিজ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের রিয়েক্টর ভবনের প্রথম কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে ইউনিটটির মূল নির্মাণকাজ শুরু হবে। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর ইউনিয়নে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রায় ১২শ’ একর জমির উপর নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে সবচেয়ে বৃহৎ ও ব্যয়বহুল প্রকল্প। গত বছর ৩০ নভেম্বর এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কংক্রিট ঢালাইয়ের উদ্বোধন করা হয়। প্রথম ইউনিটের এই কংক্রিট ঢালাইয়ের কাজ শুরুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব পরমাণু ক্লাবে (নিউক্লিয়ার নেশন) যুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্ব পরমাণু ক্লাবের ৩২তম সদস্য দেশ। বর্তমানে বিশ্বের ৩১টি দেশে ৪৫০টি পারমাণবিক বিদ্যুতের ইউনিট চালু আছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকে বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় অর্জন হিসেবে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এটা আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন। আমাদের এই অগ্রগতি অব্যাহত থাকুক, এটা আমরা চাই। আমরা এই অগ্রগতি অব্যাহত রাখবো। রাশিয়াকে সুসময়ের বন্ধু ও দুঃসময়ের বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশকে শুধু মুক্তিযুদ্ধের সময় সহযোগিতাই করে নাই, যুদ্ধের পরে দেশ গড়ে তোলার ‍কাজেও সহযোগিতা করেছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম বন্দরে পোতা মাইন স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে অপসারণ করতে গিয়ে রাশিয়ার কয়েকজন আত্মত্যাগ করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই রাশিয়া আজ আমাদের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সহযোগিতা করছে। আমি ২০১৩ সালে রাশিয়া সফরে পুতিনের সঙ্গে কথা বলি। তখন তিনি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। উন্নত দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সাল পর্যন্ত যেসব পরিকল্পনা ছিল সেগুলো বাস্তবায়ন করছি। ২০২১ থেকে ৪১ সাল পর্যন্ত কিভাবে দেশকে এগিয়ে নেবো তার একটা খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। আমি সেটা একবার দেখেছি। আমরা পরিকল্পনা তৈরি করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাবো, কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (আইএইএ) পরিচালক দহী হান, রাশিয়ার কৃষি উপমন্ত্রী ইলিয়া শেস্তাকফ, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থার (রোসাটম) ডেপুটি ডিরেক্টর আলেক্সান্ডার লাক্সি, ভারতের পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান অভিলাস ভরদ্বাজ প্রমুখ৷ আরও উপস্থিত ছিলেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধিরী, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরিফ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম প্রমুখ।
বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২
অনলাইন ডেস্ক :সাতক্ষীরায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আব্দুল কালাম আজাদ ও দেলোয়ার হোসেন নামে দুই মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে তিন কেজি গাঁজা, ২০ বোতল ফেনসিডিল, একটি ওয়ান শুটার গান, এক রাউন্ড গুলি ও চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার বাশদাহ ইউনিয়নের কয়ার বিল এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত কালাম জেলার কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি ইউনিয়নে আবুল কাসেমের ছেলে ও কেড়াগাছি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এবং দেলোয়ার বাশদাহ গ্রামের বাসিন্দা। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শনিবার বিকালে বাশদাহ বাজার এলাকা থেকে দুই কেজি গাঁজা ও ২০ বোতল ফেনসিডিলসহ কালাম ও দেলোয়ারকে আটক করে ডিবি পুলিশের সদস্যরা। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে রাতেই সীমান্ত দিয়ে মাদকের বড় একটি চালান দেশে প্রবেশ করছে। তাদের দেওয়া তথ্য মতে, তাদের সঙ্গে নিয়ে রাত সাড়ে ৩টায় সীমান্তবর্তী বাশদাহ ইউনিয়নের কয়ার বিলে অভিযানে যায় সদর থানা ও ডিবি পুলিশের একটি দল। সেখানে পৌঁছানো মাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছোড়ে মাদক চোরাকারবারীরা। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে কালাম ও দেলোয়ার দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় গোলাগুলির মধ্যে পড়ে যায়। এসময় মাদক চোরাকারবারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কালাম ও দোলোয়ারকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে তাদের সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। অভিযানে সদর থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের পাঁচ সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ওসি মারুফ আহমেদ।
আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায় বাংলাদেশ
অনলাইন ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশসমূহের সঙ্গে বাংলাদেশ সব সময় আলোচনার মাধ্যমে সকল সমস্যা সমাধান করতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ সফররত ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ শনিবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে একথা বলেন তিনি। সাক্ষাতের পর প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত স্থল সীমান্ত চুক্তিসহ বিভিন্ন চুক্তি বাস্তবায়ন দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তাঁর সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ, তার ভূখন্ডকে ব্যবহার করে কখনোই কোনভাবেই কোন সন্ত্রাসী বা সন্ত্রাসবাদি গোষ্ঠীকে প্রতিবেশি দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসি কার্যকলাপ পরিচালনা করতে দেবে না। বাংলাদেশের মাটি থেকে ভারতসহ কোন প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে কোন ধরনের সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী কার্যক্রম চালাতে দেয়া হবে না। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সন্ত্রাসবাদ সমূলে উৎপাটনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ সমূহের মধ্যে আঞ্চলিক পর্যায়ে আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকলে এ সামাজিক ব্যাধিকে মোবাবেলা করা সম্ভব। তবে তিনি বলেন, এ অঞ্চলের কোন কোন দেশের কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে রাজনাথ সিং বলেন, ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভবত বিশ্বে সর্বোচ্চ এবং দ্রুত বর্ধনশীল জিডিপি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা স্মরণ করে বলেন, সে বৈঠক ফলপ্রসু হয়েছিল। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্পেশাল সেক্রেটারি বর্ডার ম্যানেজমেন্ট ব্রজরাজ শর্মা, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলা এবং বাংলাদেশের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন এবং সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দীন আহম্মদ চৌধুরী এবং পুলিশের আইজিপি ড.মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।-বাসস
সঠিক পথেই কোটা সমস্যার সমাধান: সেতুমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোটা সমস্যার সমাধান সঠিক পথেই আছে। আজ শনিবার সেতু কর্তৃপক্ষের কার্যালয় সেতু ভবনে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাটের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। কোটা সংস্কার আন্দোলন সমস্যার ইতিবাচক সমাধানের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী বলেন, কোটা সমস্যার সমাধানে সরকার এখন একেবারে রাইট ট্র্যাকে আছে। এখানে ফর্মালি একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে কেবিনেট সেক্রেটারির নেতৃত্বে। এই কমিটি খোঁজ-খবর নিচ্ছে, অন্যান্য দেশেরও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে। আমার মনে হয় বিষয়টা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, আমি শুধু কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা আছে তাদের অনুরোধ করব ধৈর্য ধরার জন্য। প্রধানমন্ত্রী যে স্টেপ নিয়েছেন এই পদক্ষেপের প্রতি আস্থা রেখে আরেকটু ধৈর্য ধরতে অনুরোধ করব। তাছাড়া দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় ছাড়াও আলোচনায় আসন্ন তিন সিটি নির্বাচন এবং জাতীয় নির্বাচনের বিষয়টিও উঠে আসে। বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তার কথা যুক্তরাষ্ট্র বারবার বলবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট। বিএনপি নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে। তবে বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে আসতে আওয়ামী লীগ আগ বাড়িয়ে কোনো ব্যবস্থা নেবে না বলেও জানান তিনি।
বিএফইউজের মহাসচিব শাবান মাহমুদ
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) নির্বাচনে ১৯৬০ ভোট পেয়ে মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন শাবান মাহমুদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকারিয়া কাজল পেয়েছেন ৭০০ ভোট। তবে সভাপতি পদের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। এছাড়া ১১০৩ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. উৎপল কুমার সরকার পেয়েছেন ৭৫৫ ভোট। যুগ্ম-মহাসচিব পদে আবদুল মজিদ, কোষাধ্যক্ষ দীপ আজাদ এবং দফতর সম্পাদক পদে বরুণ ভৌমিক নয়ন নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ মামুনূর রশিদ (৮৬৬), নূরে জান্নাত সীমা (৭১০), সেবিকা রানী (৬২১), খায়রুজ্জামান কামাল (৬১৮)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আলমগীর হোসেনের পক্ষে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম রতন এ ফল ঘোষণা করেন। এর আগে শুক্রবার (১৩ জুলাই) সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৫টায় শেষ হয়। ঢাকায় তিন হাজার ২৪৯ ভোটারের মধ্যে এক হাজার ৯১৮ জন তাদের ভোটা দেন। ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, যশোর, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, কক্সবাজার, কুষ্টিয়া ও বগুড়ার ভোটাররাও তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শ্রম আদালতের নির্দেশে নির্বাচনের ঠিক আগের দিন অর্থাৎ ৫ জুলাই নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলে ১৩ জুলাই নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হয়। আমাদের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি জানান, চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ভোটে রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ১৮৪ভোট পেয়ে সহ সভাপতি,মহসিন কাজী ১৬০ভোট পেয়ে যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া রুবেল খান চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ২৮৭ ভোট এবং আজহার মাহমুদ ১৩০ভোট পেয়ে নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
যমুনা ফিউচার পার্কে ভারতীয় ভিসা সেন্টার উদ্বোধন
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা সংলগ্ন যমুনা ফিউচার পার্কে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ভারতীয় ভিসা সেন্টার উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ সফররত ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। শনিবার (১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় ভিসা সেন্টারটি উদ্বোধনের সময় উভয় দেশের শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্রে ঢাকায় বিদ্যমান সব ভিসা আবেদন কেন্দ্র (মতিঝিল, উত্তরা, গুলশান ও মিরপুর রোড) প্রতিস্থাপিত হবে। একই সঙ্গে ভারতীয় ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার জন্য বিদ্যমান ই-টোকেন (সাক্ষাৎকার) ব্যবস্থাও থাকবে না। মতিঝিল ও উত্তরায় অবস্থিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো ১৫ জুলাই ২০১৮ থেকে যমুনা ফিউচার পার্কের নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্রে প্রতিস্থাপিত হবে। বাকি দু’টি ভিসা আবেদন কেন্দ্রও (গুলশান ও মিরপুর রোড) ৩১ আগস্ট ২০১৮ এর মধ্যে নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্রে স্থানান্তরিত হবে। এখন থেকে ঢাকায় এটিই হবে পূর্ব নির্ধারিত সাক্ষাৎকারসূচি ছাড়াই সব শ্রেণীর ভিসা আবেদনের জন্য একমাত্র ভিসা আবেদন কেন্দ্র। যমুনা ফিউচার পার্কে নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র একটি মডেল ভিসা কেন্দ্র হবে। ১৮ হাজার ৫শ বর্গফুট বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত এ ভিসা আবেদন কেন্দ্রে থাকবে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত টোকেন ভেন্ডিংমেশিন (প্রত্যাশিত প্রতীক্ষা সময় নির্দেশিত হবে, আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অপেক্ষার স্থান, কফি ও কোমল পানীয় ভেন্ডিং মেশিন, খাবার দোকান ও আবেদন জমা দেওয়ার জন্য ৪৮টি কাউন্টার। জ্যেষ্ঠ নাগরিক, নারী, মুক্তিযোদ্ধা ও ব্যবসা ভিসা আবেদনের জন্য আলাদা কাউন্টার থাকবে। একটি বিশেষ সহায়তা ডেস্ক ও প্রিন্টিং, ফটোকপি ইত্যাদি সেবাগুলির জন্য কাউন্টার থাকবে যেখানে মূল্য পরিশোধ করে সেবাগুলো পাওয়া যাবে। একটি প্রশস্ত ও নিরাপদ বিপণীকেন্দ্রে নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র হওয়ায় আবেদনকারীদের আরামদায়ক ও নিরবচ্ছিন্ন ভিসা সেবা সম্ভব হবে এবং আবেদনের জন্য অপেক্ষা করার সময়ও কমবে। যমুনা ফিউচার পার্কে ভিসা আবেদনসেবা সমন্বয় ও সুযোগ-সুবিধাগুলো ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও সুদৃঢ় করতে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের সম্পর্ক শক্তিশালী করার জন্য ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের সহযোগিতায় ভারতীয় হাইকমিশনের অব্যাহত প্রচেষ্টারই প্রতিফলন এই ভিসা সেন্টার। উল্লেখ্য, তিনদিনের সফরে শুক্রবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।
শিক্ষার্থীদের ডাটাবেজ তৈরি করছে ঢাবি
অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিত থাকার পর ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে এক রায়ে এ নির্বাচন দিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ডাকসু নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনের জন্য শিক্ষার্থীদের অনলাইন ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, আদালতের আদেশ রিসিভ করার পর ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে, প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাহায্য নিতে হবে। জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অফিস ৪ এপ্রিল আদালতের আদেশ রিসিভ করে। সে অনুযায়ী অক্টোবরের ১০ তারিখের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে জাতীয় নির্বাচনসহ পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সময় বৃদ্ধির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবেদন করেছে, যেটি এখনও শুনানি হয়নি। আদালতের রায়ের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কমিটির সভায় ডাকসু নির্বাচনের বিষয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে ২০১৯ সালের মার্চে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তাব করা হয়। আর ভোটার তালিকা ও নির্বাচনের নমুনা ফরম তৈরি করার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডাকসু নির্বাচনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন থেকে এখনও কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থীদের ডাটাবেজ হলে রয়েছে। যেকোনো সময় সেটি তৈরি করা হবে। আবার অনেক হলে নিজ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস থেকেও শিক্ষার্থীদের তথ্য হলগুলোতে দেওয়া হচ্ছে। সবগুলো সমন্বয় করার কাজ শুরু হবে শিগগিরই। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল ও ফজলুল হক মুসলিম হলে এ সংক্রান্ত নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেখানে হল অফিসে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে বলা হয়েছে। জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক অসীম কুমার সরকার বলেন, আমরা প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে থাকতে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছি। পরবর্তীতে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের এক কর্মকর্তা বলেন, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন-চারটি সেকশন ডাকসু দেখাশোনা করে। এখনও অফিসিয়ালি কোনো কিছু প্রস্তুত হয়নি। হলগুলোতেও চিঠি দেওয়া হয়নি। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামান এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ চলছে। অনলাইন ডাটাবেজ করার কারণে সময় লাগছে। সেটি তৈরি হলে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয় ছাত্র সংগঠনগুলোকে নিয়ে বসবো। আর মার্চে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, ডাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। ডাটাবেজের ফরম্যাট অনুমোদনের পর হলগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সেটি প্রতিদিন হালনাগাদ হবে। সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ডাকসু নির্বাচনের লক্ষ্যে ভোটার তালিকা তৈরির কাজ চলছে। আদালতের নির্দেশনা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান। অালোকিত বাংলাদেশ
জেদ্দার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছে এ বছরের প্রথম হজ ফ্লাইট
অনলাইন ডেস্ক: হজপ্রত্যাশীদের নিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছে এ বছরের প্রথম হজ ফ্লাইট। ৪১৯ জন যাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শনিবার (১৪ জুলাই) সকাল পৌনে ৮টায় হজ ফ্লাইটটি ছেড়ে যায়। বাংলাদেশ থেকে এ বছর মোট ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন হজ পালনে সৌদি আরব যাবেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার ৭৯৮ জন, আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জন হজ পালনে সৌদি আরব যাবেন। এবার বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫২৮টি হজ এজেন্সি হজের কার্যক্রম পরিচালন করছে। যাত্রীদের বহনের জন্য আগেই ঠিক করে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ বিমান ও সৌদি এয়ারলাইনস। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ ১৮৭টি ফ্লাইটে ৬৪ হাজার ৯৬৭ জন এবং সৌদি এয়ারলাইনসের ১৮৮টি ফ্লাইটে ৬১ হাজার ৮৩১ জন যাত্রী পরিবহন করবে। হজের শেষ ফ্লাইট ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে ১৫ আগস্ট। হজ পালন শেষে ২৭ আগস্ট প্রথম ফিরতি ফ্লাইট জেদ্দা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে। হজ ক্যাম্পে সার্বিক সহযোগিতায় পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশাপাশি পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রোভার স্কাউট সদস্য, আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামসহ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সদস্যরা। ১১ জুলাই আশকোনায় হজ অফিসে হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ঢাকা পৌঁছেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক :ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ঢাকা পৌঁছেছেন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের আমন্ত্রণে তিন দিনের সরকারি সফরে শুক্রবার (১৩ জুলাই) বিকেলে তিনি ঢাকায় পৌঁছান। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা রয়েছেন। ঢাকা পৌঁছানোর পর তিনি সরাসরি হোটেল প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁওয়ে যাবেন। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ডিনারের আয়োজন করা হয়েছে। ডিনার শেষে ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটি সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করবেন। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, ভারতীয় স্বারষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এদিন সকাল সাড়ে ১১টায় যমুনা ফিউচার পার্কে ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার উদ্বোধন করবেন। ওইদিন বেলা আড়াইটা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিকাল সোয়া ৪টা থেকে পৌনে ৫টা পর্যন্ত ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে অবস্থান করবেন। সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় তিনি বিজিবি সদর দফতরে যাবেন। সেখানে নৈশভোজে অংশ নেবেন। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করবেন। রাজনাথ সিং রোববার সকাল পৌনে ৯টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ঢাকেশ্বরী মন্দিরে অবস্থান করবেন। এদিন একটি বিশেষ এয়ারক্রাফটে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে তিনি রাজশাহীতে পৌঁছবেন। সকাল সাড়ে ১০টার পর তিনি রাজশাহীর সারদায় অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে আইটি এবং ফরেনসিক ল্যাব উদ্বোধন করবেন। বেলা দেড়টায় রাজশাহী বিমানবন্দর থেকে বিশেষ এয়ারক্রাফটে নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিজিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে সন্ত্রাস দমনবিষয়ক সহযোগিতা, তরুণদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর চেষ্টা এবং রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবৈধ চলাচল, গবাদিপশু, অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য সামগ্রীর চোরাচালান প্রতিরোধে বিদ্যমান ব্যবস্থা শক্তিশালী করা নিয়ে আলোচনা হবে।