পুলিশের সাফল্য শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:অপরাধের ধরণ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। অপরাধ নির্মূল ও সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। রোববার দুপুরে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৬তম বিসিএস ব্যাচের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গতানুগতিক অপরাধের পাশাপাশি সাইবার ক্রাইম, মানিলন্ডারিং, মানবপাচার ইত্যাদি বৈশ্বিক অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের মতো অশুভ সামাজিক ব্যাধি। জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের অব্যাহত সাফল্য শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এদেশের মাটিতে কোনোভাবেই জঙ্গি, সন্ত্রাসী ও যুদ্ধাপরাধীদের ঠাঁই হবে না। শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের সমস্যাকে দেখতে হবে একান্ত আন্তরিক ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে। জনগণের মনে পুলিশ সম্পর্কে যেন অমূলক ভীতি না থাকে সেজন্য জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সমাজের নারী, শিশু ও প্রবীণদের প্রতি সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে। সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে জনবান্ধব পুলিশ গঠনে আপনাদের অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করতে হবে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন। মনে রাখতে হবে, একজন মানুষ তার সবচেয়ে বিপদের সময় পুলিশের কাছে সাহায্যের জন্য আসে। তাই আপনাদেরকে সেবা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে গণমানুষের আস্থা অর্জনে সচেষ্ট থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু তার বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে সর্বদাই এ দেশের পুলিশকে জনগণের পুলিশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য অনুপ্রাণিত করতেন। বঙ্গবন্ধু পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলতেন- আপনারা স্বাধীন দেশের পুলিশ। আপনারা বিদেশি শোষকদের পুলিশ নন, জনগণের পুলিশ। আপনাদের কর্তব্য জনগণের সেবা করা, জনগণকে ভালোবাসা, দুর্দিনে জনগণকে সাহায্য করা। আমি আশা করি আপনারা জাতির পিতার সেই প্রত্যাশা পূরণে আপনাদের ওপর অর্পিত পবিত্র দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন। শেখ হাসিনা বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহার করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিভিন্ন সময় গুজব রটিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এসব গুজব রটনাকারীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় বিশেষ হেলিকপ্টার যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে পৌঁছান। পরে প্যারেড মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী তাকে স্বাগত জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী অভিবাদন মঞ্চে গিয়ে নবীন পুলিশদের সশস্ত্র সালাম গ্রহণ করেন। পরে একটি খোলা জিপে চড়ে তিনি নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। প্যারেড কমান্ডার শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার শাহিন আক্তার ও সহকারী প্যারেড কমান্ডার রবিউল ইসলাম খানের নেতৃত্বে এক এক করে মোট ৮টি কন্টিনজেন্ট প্যারেড অংশগ্রহণ করে। ৮টি কন্টিনজেন্ট থাকা মোট ১১৭জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার মার্চপাস্ট করে প্রধানমন্ত্রীকে সালাম জানান। এরপর পতাকাবাহী দল, পুলিশ একাডেমির বিশেষ অশ্বারোহী দল ও সর্বশেষ বাদক দল একে একে মার্চপাস্ট করে প্রধানমন্ত্রীকে সালাম ও অভিবাদন জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণের সময় বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সহকারী পুলিশ সুপারদের মধ্যে ট্রফি বিতরণ করেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপাররা হলেন- বেস্ট শ্যুটার খায়রুল কবির, বেস্ট ফিল্ড পারফমার আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, বেস্ট হর্সম্যানশিপ সালাহউদ্দিন, বেস্ট একাডেমিক সাইফুল ইসলাম খান এবং বেস্ট প্রবেশনার সালাহ্ উদ্দিন। প্যারেডে ১৭ জন নারী অফিসারসহ ১১৭ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বিভিন্ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্যরা, পুলিশের মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী, পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল মো. নজিবুর রহমান, সরকারের সিনিয়র সচিব ও সচিবরা, বিদেশি কূটনীতিকরা, অতিরিক্ত আইজিপিরা, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা, মুক্তিযোদ্ধা, রাজশাহী শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
দৈনিক ভিত্তিতে চালক নিয়োগ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সড়ক দুর্ঘটনা রোধে গণপরিবহনে মাসিক বেতনের ভিত্তিতে চালক নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একটি কোম্পানির অধীনে চালকদের এই নিয়োগ দিতে বলা হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী রাজীব হাসানের ক্ষতিপূরণ মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে রোববার এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ট্রিপ ও দৈনিক ভিত্তিতে চালক নিয়োগ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রায়ে বলা হয়েছে, বাস কোম্পানিগুলোকে একটি কোম্পানির অধীনে আনতে হবে। সব মহানগরে জোন বা লাইনভিত্তিক বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজ করতে হবে। যেখানে সব গাড়িকে একটি কোম্পানির অধীনে নিয়ে এসে একেকটি রুটের জন্য ভিন্ন ভিন্ন রঙের বাস সার্ভিস চালু করবে। বাস কোম্পানি ও চালকদের মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা দূর করতে এই ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়ার সময় চালকদের দৃষ্টিশক্তির পরীক্ষা ও ডোপ টেস্ট করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পরীক্ষা করবে বিআরটিএ। মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কের প্রতিটি ক্রসিংয়ে ও বাস স্টপেজে চালকরা বেপরোয়াভাবে গণপরিবহন চালাচ্ছে কি না, তা নজরদারি করতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। নির্মাণ করতে হবে যাত্রীদের জন্য যাত্রী ছাউনি। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ছয় মাসের মধ্যে এ নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন করতে বিবাদীদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের দুটি বাসের চালকের বেপরোয়া যান চালনার কারণেই সড়কে প্রান গেছে রাজীবের। এ জন্য রাজীবের দুই ভাই মেহেদী হাসান বাপ্পী ও আবদুল্লাহ হৃদয়কে ওই দুটি বাস কর্তৃপক্ষ দুই মাসের মধ্যে ২৫ লাখ টাকা করে ৫০ লাখ টাকা প্রদান করবে। গত বছরের ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার মোড়ে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের রেষারেষিতে দুই বাসের চিপায় শরীর থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় রাজীবের। মাথায় আঘাত পান তিনি। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ এপ্রিল মারা যান রাজীব। এ ঘটনায় হাইকোর্টে কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। ওই রিটের উপর গত ২০ জুন রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টি প্রার্থীকে সমর্থন দেবে
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, রংপুর-০৩ আসনটি ১৯৮৬ সাল থেকেই জাতীয় পার্টির। জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই আসনে বারবার নির্বাচিত হয়েছেন। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আমরা জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করেছি। আশা করছি, রংপুর-০৩ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টি প্রার্থীকে সমর্থন দেবে। রবিবার (১৫সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের যৌথ সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। মসিউর রহমান রাঙ্গা আরও বলেন, রংপুর-০৩ আসনের উপ-নির্বাচন পরিচালনার জন্য পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে আহ্বায়ক এবং মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাকে সদস্য সচিব করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী রাহগীর আল মাহি সাদ এরশাদের পক্ষে ইতোমধ্যেই প্রতিটি ওয়ার্ডে কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, রংপুর-০৩ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, রংপুর-০৩ আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী অন্তত ১ লাখ বেশি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হবেন। সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, পল্লীবন্ধু জীবদ্দশায় তাঁর ভাতিজা আসিফকে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করেছেন। তাই আসিফ এখন আর জাতীয় পার্টির কেউ না। গেল রংপুর সিটি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সামান্য সংখ্যক ভোট পেয়েছিলেন আসিফ। তাই রংপুর-০৩ আসনের উপ-নির্বাচনে আসিফ কোন আলোচ্য বিষয় নয়। বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগের আহ্বায়ক প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সদস্য হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, সদস্য সচিব আলমগীর সিকদার লোটন, বরিশাল বিভাগের আহ্বায়ক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু এমপি, সদস্য সচিব এমরান হোসেন মিয়া, সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান, সদস্য-পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল আহসান শাহজাদা, খুলনা বিভাগের আহ্বায়ক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য সাইদুর রহমান টেপা, সদস্য সচিব সুনীল শুভ রায়, সদস্য দিদার বখত, সিলেট বিভাগের সদস্য ও প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ্ব মো. আতিকুর রহমান আতিক, সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, সদস্য সচিব-কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পীর ফজলুর রহমান মেজবাহ এমপি, চট্টগ্রামের বিভাগের সদস্য সচিব ও প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সদস্য ও পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন ভূঁইয়া, রংপুর বিভাগের সদস্য প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. আজম খান, সদস্য এস.এম. ফয়সল চিশতী, সদস্য নূর-ই হাসনা লিলি চৌধুরী, এস.এম. ফখর উজ জামান জাহাঙ্গীর, ময়মনসিংহ বিভাগের সদস্য সচিব ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা আল মাহমুদ, সদস্য সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল দাস, রাজশাহী বিভাগ আহ্বায়ক প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. শেখ সিরাজুল ইসলাম, সদস্য সচিব আব্দুর রশিদ সরকার, সদস্য ভাইস চেয়ারম্যান সরদার শাহজাহান, সদস্য পার্টির যুগ্ম মহাসচিব নুরুল ইসলাম ওমর, আন্তর্জাতিক সাংগঠনিক কমিটির আহ্বায়ক জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, সদস্য পার্টির উপদেষ্টা মেজর (অব.) আশরাফ উদ দৌলা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির দফতর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ ও যুগ্ম দফতর সম্পাদক এম.এ. রাজ্জাক খান।
নাহিয়ান-লেখক আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেবেন সোমবার
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ছাত্রলীগের নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ কথা জানান। এ সময় তাদের সঙ্গে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। নতুন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান জয় বলেন, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে আমরা সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের দায়িত্ব গ্রহণ করবো। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবো।
নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশ,৮৫ শতাংশ বেতন বাড়ল সংবাদপত্রে
১৪সেপ্টেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংবাদপত্র কর্মীদের বেতন-ভাতা সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ বাড়িয়ে নবম ওয়েজবোর্ডের (নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ, ২০১৯) গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। গত বৃহস্পতিবারের (১২ সেপ্টেম্বর) গেজেটটি আজ শনিবার প্রকাশ করা হয়। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা আগের তুলনায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ বেড়েছে। নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের মতো পাঁচটি শ্রেণিতে সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থা বিন্যাস করেছে। অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের মতো শ্রেণিবিন্যাসে সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার বার্ষিক গ্ৰস আয় ও প্রচার সংখ্যার ভিত্তি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড বার্ষিক গ্রস আয় ও প্রচার সংখ্যা ছাড়াও দৈনিক সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানে জনবল এবং দৈনিক পত্রিকার পৃষ্ঠার সংখ্যা ভিত্তি হিসেবে সংযোজন করেছে। নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান গত বছরের ১ মার্চ থেকে নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের রোয়েদাদ ঘোষণা পর্যন্ত সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থায় নিয়োজিত সাংবাদিক, সাধারণ কর্মচারী ও প্রেস শ্রমিকদের মূল বেতনের ওপর ৪৫ শতাংশ হারে অন্তর্বর্তীকালীন মহার্ঘ ভাতা সুপারিশ করেছি, যা পরবর্তীতে নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদের সাথে অন্তর্ভুক্ত হবে বলে সুপারিশ করেছে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদের গেজেট নোটিফিকেশনের দিন থেকে তা কার্যকর হবে। সংবাদপত্র ও বার্তা সংস্থার কর্মীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের জন্য গত বছরের ২৯ জানুয়ারি নবম মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়। ১৩ সদস্যের এই বোর্ডে চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. নিজামুল হক। এছাড়া সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষ এবং সাংবাদিক ও সংবাদপত্র কর্মচারী বা শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী সমসংখ্যক প্রতিনিধিও ছিলেন ওয়েজবোর্ডে। সরকারের কাছে সুপারিশ দিতে বোর্ডকে ছয় মাস সময় দেয়া হয়েছিল। পরে নবম মজুরি বোর্ডের মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়ানো হয়। গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর নবম বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করার আগে প্রতি মাসের মূল বেতনের ওপর ৪৫ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করে সরকার। এ মহার্ঘ ভাতা ২০১৮ সালের ১ মার্চ থেকে কার্যকর ধরা হয়। এ মহার্ঘ ভাতা বোর্ডের নির্ধারিত সামগ্রিক বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বিত হবে। ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর সচিবালয়ে তখনকার তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর কাছে ‘নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ ২০১৮’ সুপারিশমালা জমা দেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. নিজামুল হক।’ পরে গত বছরের ৩ ডিসেম্বর নবম ওয়েজবোর্ডের সুপারিশ মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। ওই দিনই নতুন এই বেতন কাঠামো পরীক্ষা করে বাস্তবায়নের সুপারিশ দিতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়। নতুন সরকার গঠিত হলে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘৯ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ, ২০১৮’ পরীক্ষায় ইতোপূর্বে গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত সাত সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটির আহ্বায়ক করা হয় ওবায়দুল কাদেরকে।
নিয়মিত আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
১৪সেপ্টেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দিয়ে নিয়মিত সম্মেলন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শনিবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি নেতাকর্মীদের এই আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন এটা মনে রাখতে হবে। আমাদেরকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে। সংগঠনটাকে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠিত করে গড়ে তুলতে হবে। নিয়মিত যেন সম্মেলন হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বলেন, যে দেশে যে দল সংগ্রাম করে ত্যাগ স্বীকার করে, মানুষের কল্যাণে কাজ করে, যাদের আন্দোলনের সংগ্রামের ফলে স্বাধীনতা, সেই দল ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। আর অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে যারা ক্ষমতায় আসে তারা নিজেদের ক্ষমতা নিশ্চিত করে নিজেদের ভাগ্য গড়ার কাজে ব্যস্ত থাকে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ১০ বছর ক্ষমতায়। এই সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগ মানুষের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। মানুষ জানে যে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে তাদের উন্নতি হয়, ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। এই বিশ্বাস, আস্থাটা ধরে রাখতে হবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে। আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাহলে আমরা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়তে পারবো। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মনুষ্য সৃষ্ট দূর্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমি এটুকুই বলবো, এই যে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস,অগ্নিসন্ত্রাস সেগুলো আমরা কঠোর হাতে দমন করেছি। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। সেটা অব্যাহত থাকবে। সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলির সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাহারা খাতুন, ফারুক খান, আব্দুর রাজ্জাক, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, দলের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক,খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন ২৭ সেপ্টেম্বর। জাতিসংঘ সদর দফতরের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ মিশনে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিলিত হবেন গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে। এদিন দুপুরে টাইমস স্কোয়ার সংলগ্ন ম্যারিয়ট মারক্যুইস হোটেলের বলরুমে নাগরিক সংবর্ধনা সমাবেশে ভাষণ দেয়ার কথা তার। উল্লেখ্য, ২৮ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন, সে আলোকেই সবকিছু সাজানো হচ্ছে বলে জানান সংবর্ধনা সমাবেশের আয়োজকরা। কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে যোগদানের জন্যে ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আসবেন শেখ হাসিনা। এটি হবে তার ১৬তম ভাষণ এবং যথারীতি বাংলায় তা উপস্থাপন করবেন। এবারের ভাষণ ছাড়াও জলবায়ু, টেকসই উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য, শরণার্থী বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলনেও ভাষণ দেয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর। জাতিসংঘে সমস্ত কার্যক্রমের সমন্বয় ঘটাবে বাংলাদেশ মিশন। এ নিয়ে সকলেই ব্যস্ত রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে। এছাড়াও ঢাকা থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর লোকজন আগেই আসার কথা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেনও যথারীতি আগেই নিউইয়র্কে এসে সমস্ত কর্মসূচি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলবেন বলে জানা গেছে। আরও জানা গেছে, বেশ কটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের প্রধানদের সাথে শেখ হাসিনার বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সেগুলো জাতিসংঘ এবং শেখ হাসিনার হোটেল কক্ষে হতে পারে। সফরসঙ্গীর অধিকাংশই গ্র্যান্ড হায়াতে উঠলেও প্রধানমন্ত্রীসহ তার ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারা থাকবেন হোটেল প্যালেসে। সেই হোটেলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, প্রধানমন্ত্রী মোদিসহ বেশ কটি দেশের প্রেসিডেন্ট/প্রধানমন্ত্রীরা থাকবেন। এদিকে, দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাকে জেএফকে এয়ারপোর্টে বিপুলভাবে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি চলছে আওয়ামী পরিবারে। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে জনসংযোগ শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে সাংগঠনিক বিরোধী এবং সম্মেলনের দাবিতে পৃথক সভা-সমাবেশ হলেও শেখ হাসিনার সকল অনুষ্ঠানের প্রতি অঘোষিত ঐক্য বিরাজ করছে। এয়ারপোর্ট, জাতিসংঘের সামনে এবং নাগরিক সংবর্ধনাস্থলে সকলেই দলে দলে জড়ো হবার সংকল্প ব্যক্ত করছেন। সভাপতি ড.সিদ্দিকুর রহমানও চষে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকায়। সকলের প্রতি আহবান রাখছেন নেত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘ সফরের সময় সরব থাকার জন্যে। কোনো দল যদি কোন অশুভ আচরণে প্রবৃত্ত হয়, তাহলে তা যেন নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রতিহত করা হয়-সে অনুরোধ জানাচ্ছেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী। আওয়ামী লীগের অপর অংশের নেতৃত্বে রয়েছেন ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, মিসবাহ আহমেদ, ফরিদ আলমসহ অনেকে। তারাও একই ভাষায় প্রবাসীদের আহবান জানাচ্ছেন সভাপতি শেখ হাসিনার জাতিসংঘ সফরকে সর্বাত্মকভাবে সফল করার জন্যে।

জাতীয় পাতার আরো খবর