শুক্রবার, মার্চ ২২, ২০১৯
আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকার ক্ষতিপূরণ দেবে: ওবায়দুল কাদের
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরান ঢাকার চকবাজারের ভয়াবহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকার ক্ষতিপূরণ দেবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়া ঘটনা খতিয়ে দেখে কঠোর ব্যবস্থাও নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) আজিমপুর কবরস্তানে ভাষা শহীদদের সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, তাদের বিষয়ে অবশ্যই সরকার ব্যবস্থা নেবে। এসব মানবিক দিক সরকার সবসময় দেখে আসছে এখনও দেখবে। সরকাররে অবস্থান এখানে অনেক কঠোর। সরকার যা যা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সব নেবে। এসময় তিনি আরো বলেন, 'বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার দাবিও জানান ওবায়দু কাদের। উল্লেখ্য, বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদের পেছনের একটি ভবন থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে স্থানীয়রা জানান। পরে তা পাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। সর্বশেষ রাত ৩টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিসের প্রায় ২০০ কর্মী।
ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি এ দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান । বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং আহতদের আশু সুস্থতা কামনাও করেন তিনি। রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদের পেছনের ভবনগুলোতে লাগা ভয়াবহ আগুনে দগ্ধ এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া মরদেহের মধ্যে ৪৮ পুরুষ ৫ জন নারী ও ২ জন শিশু রয়েছে।
রাজধানীর চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৭০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এখনো কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট। অগ্নিকাণ্ডে নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ। তিনি এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সকলকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক বিবৃতিতে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।
পুরান ঢাকার চকবাজারে আগুনে পুড়ল ৭০, বাড়ছে লাশের সংখ্যা
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরান ঢাকার চকবাজারে ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এ ঘটনায় ৭০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। নিহতদের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাবেদ পাটোয়ারী জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখন পর্যন্ত ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার রাত ১০টা ১০ মিনিটে চকবাজারের নন্দকুমার দত্ত সড়কের চুরিহাট্টা মসজিদ গলির রাজ্জাক ভবন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। চার তলার ওই ভবনে আগুন লাগার পর তা ছড়িয়ে পড়ে পাশের কয়েকটি ভবনে। ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিটের কর্মীরা চেষ্টা চালিয়ে রাত ৩টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে এখনো তারা কাজ করছেন। ওই এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের একটি অস্থায়ী কমান্ডপোস্ট বসিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ভোর ৪টা ৫২ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয় অগ্নিকাণ্ডে ৪১ জন মারা গেছেন। ওই সময়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ৪১ জন। এর মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফট্যানেন্ট কর্নেল জুলফিকার বলছেন, ভেতরে আরো লাশ থাকতে পারে। এ কারণে তল্লাশি অব্যাহত আছে। উদ্ধারকাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার পর নিহতের সঠিক সংখ্যা জানা যাবে। স্থানীয়রা জানান, রাজ্জাক ভবনের নিচতলায় রাসায়নিক দ্রব্যের কারখানা ছিল। সেখানে রাখা গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ওই ভবনের পাশে বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ ছিল। যার প্রত্যেকটিতে একাধিক গ্যাসের সিলিন্ডার ছিল। আগুন ছড়িয়ে যাওয়ার কারণে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হতে পারে। আগুন লাগার পর থেমে থেমে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছিল বলে স্থানীয়রা জানান। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরু গলি হওয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছাতে পারেনি। চকবাজার থানার সামনে গাড়ি রেখে সেখান থেকেই পাইপের মাধ্যমে পানি নেওয়া হয়। আশপাশের ভবনের পানির ট্যাংক থেকেও আগুন নিয়ন্ত্রণে পানি নেওয়া হয়।
বাংলাদেশের মানুষ মাথা উঁচু করে চলবে: প্রধানমন্ত্রী
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মর্যাদার সাথে দেশের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে সুরক্ষা এবং চর্চার আহবান জানিয়ে বলেছেন, আসুন আমাদের মাতৃভূমিকে এমনভাবে গড়ে তুলি যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এর সুফল ভোগ করতে পারে এবং আমরা এক অনন্য মর্যাদায় চলতে পারি। তিনি একুশের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ মাথা উঁচু করে চলবে কারণ একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা নত না করা। একুশ আমাদের শিখিয়েছে কিভাবে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করা যায়। কীভাবে নিজের মাতৃভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সবকিছুকেই রক্ষা করা যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত একুশে পদক ২০১৯ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের ভাষার অধিকার আমাদের সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে রক্ষার চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করা আমাদের কর্তব্য। আমরা অনেক সংগ্রামের মধ্যদিয়ে যেটা অর্জন করেছি তার সুফলটা যেন আগামী প্রজন্ম ভোগ করতে পারে, তারা যেন একটা সুন্দর জীবন পায় সেটাই আমরা চাই। একুশে পদক বিজয়ীদের উদ্দেশ্যে সরকার প্রধান বলেন, আজকে যারা একুশে পদক পেয়েছেন তারা গুণীজন। তারা স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কীর্তিমান, তাদের বিশাল অবদান রয়েছে। সেই অবদানের কথা সবসময়ই আমরা স্মরণ করি এবং আমি মনে করি, আমাদের আগামী দিনের প্রজন্মও তাদের অনুসরণ করে নিজেদের গড়ে তুলবে। তিনি বলেন, আমরা বাঙালি জাতি, বাংলাদেশ আমাদের দেশ, বাংলা আমাদের ভাষা- যে কথা জাতির পিতা বারবার বলে গেছেন। সেই দেশকেই আমরা গড়ে তুলতে চাই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দরবারে একটি মর্যাদার আসনে বাংলাদেশ যেন অধিষ্ঠিত হয় এবং বাঙালি জাতি যেন বিশ্বসভায় সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদক বিতরণ করেছেন। তিনি স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২১ জন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক ২০১৯ এ ভূষিত করেন। গত ৬ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই পদক বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। এ বছরের একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন : ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য মরহুম অধ্যাপক হালিমা খাতুন (মরণোত্তর), যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি গোলাম আরিফ টিপু এবং অধ্যাপক মনোয়ারা ইসলাম। ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য একুশে পদক পেয়েছেন মহান মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য। প্রয়াত পপ শিল্পী আজম খান (মরণোত্তর) ও নজরুল সংগীত শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিলের সঙ্গে এবার সংগীত বিভাগে এ পুরস্কার পান গায়ক সুবীর নন্দী। সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে লাকী ইনাম ও লিয়াকত আলী লাকী একুশে পদক পান অভিনয়ের জন্য। দেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রী সাইদা খানম আলোকচিত্রে অবদানের জন্য এবং চিত্রশিল্পী জামাল উদ্দিন আহমেদ চারুকলায় এ পুরস্কার পান। গবেষণায় ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ ও ড. মাহবুবুল হক এবং শিক্ষায় ড. প্রণব কুমার বড়ুয়াকে এ পদক প্রদান করা হয়। এছাড়া ভাষা সাহিত্যে রিজিয়া রহমান, ইমদাদুল হক মিলন, অসীম সাহা, আনোয়ারা সৈয়দ হক, মইনুল আহসান সাবের ও হরিশংকর জলদাস একুশে পদক পান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একুশে পদকপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন এবং মরণোত্তর একুশে পদক বিজয়ী মরহুম অধ্যাপক হালিমা খাতুনের পক্ষে তার কন্যা বেগম প্রজ্ঞা লাবনী এবং পপ সম্রাট আজম খানের পক্ষে তার কন্যা বেগম ইভা খান পুরস্কার গ্রহণ করেন। সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মুস্তফা কামাল স্বাগত বক্তৃতা করেন। মন্ত্রী পরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং পদক বিজয়ীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সরকারের উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, বিচারপতিগণ, পদস্থ সামরিক ও বেসাসরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, শিল্পীসহ বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকবৃন্দ, পূর্বের একুশে পদক বিজয়ী ব্যক্তিবর্গ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, এককালীন দুই লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয়। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে সরকার ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে। এ পর্যন্ত ৪৫৭ জন সুধী এবং ৩টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে।
রাজধানীর শুক্রাবাদে গ্যাস লাইনের লিকেজ বিস্ফোরণে দগ্ধ ৭
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর শুক্রাবাদে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে চলন্ত যানে আগুন লেগে সাতজন দগ্ধ হয়েছেন। এতে পুড়ে গেছে একটি বাস ও পিকআপ ভ্যান। তিতাসের মেরামত কাজ করার কয়েক ঘণ্টা পর এ দুর্ঘটনা ঘটে। এদিকে, এ দুর্ঘটনার কারণে মিরপুর, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুরসহ কয়েকটি এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে গেছে। রাত ১০টা নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানিয়েছে তিতাস কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুক্রাবাদ এলাকায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে আগুন ধরে যায় চলন্ত বাস ও একটি পিকআপ ভ্যানে। মুহূর্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। দগ্ধ হন বেশ কয়েকজন। এতে বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে ওই এলাকার যান চলাচল। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার কিছুক্ষণ পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বুধবার সকালে একই এলাকায় গ্যাস লাইনে মেরামত কাজ করে তিতাস কর্তৃপক্ষ। এর কয়েক ঘণ্টার মাথায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী বলেন, তিন চারদিন আগে এখানে কাজ করেছে তিতাস কর্তৃপক্ষ, আজ সকালেও তারা কাজ করছে। দুপুর থেকে গ্যাসের সমস্যা শুরু হয়, কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তারা আসেনি। দুপুরের দিকে গ্যাস লিকেজ হয়ে গাড়িতে আগুন লেগে যায়। হঠাৎ এ বিস্ফোরণের কোনো সদুত্তোর দিতে পারেনি তিতাস কর্তৃপক্ষ। ঘটনা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পদ্মা সেতুতে বসল অষ্টম স্প্যান
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা বহুমুখী সেতুতে বসল অষ্টম স্প্যান। বুধবার দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যানটি বসানো হয়। এর ফলে দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর টানা ১ হাজার ২০০ মিটার। এর আগে বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হয়। কিন্তু ঘন কুয়াশার কারণে কাজ কিছুটা বিলম্বিত হয়। পদ্মা সেতু প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ূন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে অষ্টম স্প্যানটি প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে স্প্যানটি জাজিরার নাওডোবার উদ্দেশে রওনা হয়। স্প্যানটি বিকেলে জাজিরার নাওডোবার প্রান্তে পৌঁছে। বুধবার দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে স্প্যানটি পিলারের ওপর বসানো হয়। পদ্মা সেতু প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি তিন হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ক্রেন তিয়ান ই দিয়ে মাওয়া থেকে জাজিরা প্রান্তে আনা হয়। জাজিরা নাওডোবা প্রান্তের ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারের ওপর ধূসর রঙের স্প্যানটি বসানো হয়। এর আগে ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের ওপর প্রথম স্প্যান, ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিলারের ওপর দ্বিতীয় স্প্যান, ১১ মার্চ ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের ওপর তৃতীয় স্প্যান, ১৩ মে ৪০ ও ৪১ নম্বর পিলারের ওপর চতুর্থ স্প্যান, ২৯ জুন ৪১ ও ৪২ নম্বর পিলারের ওপর পঞ্চম স্প্যান ও সর্বশেষ গত ২৩ জানুয়ারি ৩৬ ও ৩৭ নম্বর পিলারের ওপর ষষ্ঠ স্প্যান বসানো হয়। এছাড়া মাওয়া প্রান্তে ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের ওপর একমাত্র স্প্যানটি বসানো হয়। পুরো সেতুতে মোট পিলারের সংখ্যা ৪২টি। একটি থেকে আরেকটি পিলারের দূরত্ব ১৫০ মিটার। এর আগে ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের ওপর প্রথম স্প্যান, ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিলারের ওপর দ্বিতীয় স্প্যান, ১১ মার্চ ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিলারের ওপর তৃতীয় স্প্যান, ১৩ মে ৪০ ও ৪১ নম্বর পিলারের ওপর চতুর্থ স্প্যান, ২৯ জুন ৪১ ও ৪২ নম্বর পিলারের ওপর পঞ্চম স্প্যান ও সর্বশেষ গত ২৩ জানুয়ারি ৩৬ ও ৩৭ নম্বর পিলারের ওপর ষষ্ঠ স্প্যান বসানো হয়। এছাড়া মাওয়া প্রান্তে ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের ওপর একমাত্র স্প্যানটি বসানো হয়। আর আজ বুধবার জাজিরার নাওডোবায় বসানো হলো আরেকটি স্প্যান। এ নিয়ে পদ্মা সেতুতে মোট স্প্যান বসলো আটটি। পুরো সেতুতে মোট পিলারের সংখ্যা ৪২টি। একটি থেকে আরেকটি পিলারের দূরত্ব ১৫০ মিটার।
শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিরা
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শপথ নিয়েছেন একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যরা (এমপি)। বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার ড. শিরীর শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। সংসদ ভবনের নিচতলায় শপথ কক্ষে তাদের শপথ পাঠ করানো হয়। সংসদের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব আ ই ম গোলাম কিবরিয়া শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। এর আগে নারী সংসদ সদস্যদের নির্বাচিত ঘোষণা করে রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির যুগ্ম সচিব ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম বলেন, ৪৯টি নারী আসনের কোনোটিতে একাধিক প্রার্থী না থাকায় কমিশন সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন এবং স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী রয়েছেন। বিএনপি এমপিরা এখনও শপথ না নেয়ায় তাদের নির্ধারিত ১টি আসন এখনও শূন্য। যারা শপথ নিলেন তাদের মধ্যে : আওয়ামী লীগের ৪৩ জন হলেন- ঢাকার শিরীন আহমেদ, জিন্নাতুল বাকিয়া, শবনম জাহান শিলা, সুবর্ণা মোস্তফা ও নাহিদ ইজহার খান, চট্টগ্রামের খাদিজাতুল আনোয়ার ও ওয়াশিকা আয়েশা খানম, কক্সবাজারের কানিজ ফাতেমা আহমেদ, খাগড়াছড়ির বাসন্তী চাকমা, কুমিল্লার আঞ্জুম সুলতানা ও অ্যারোমা দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, গাজীপুরের শামসুন্নাহার ভূঁইয়া ও রুমানা আলী, বরগুনার সুলতানা নাদিরা, জামালপুরের মিসেস হোসনে আরা, নেত্রকোনার হাবিবা রহমান খান ও জাকিয়া পারভীন খানম, পিরোজপুরের শেখ এ্যানী রহমান, টাঙ্গাইলের অপরাজিতা হক ও খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, সুনামগঞ্জের শামীমা আক্তার খানম, মুন্সীগঞ্জের ফজিলাতুন্নেছা, নীলফামারীর রাবেয়া আলী, নরসিংদীর তামান্না নুসরাত বুবলী, গোপালগঞ্জের নার্গিস রহমান, ময়মনসিংহের মনিরা সুলতানা, ঝিনাইদহের খালেদা খানম, বরিশালের সৈয়দা রুবিনা মিরা, পটুয়াখালীর কানিজ সুলতানা, খুলনার অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, দিনাজপুরের জাকিয়া তাবাসসুম, নোয়াখালীর ফরিদা খানম সাকী, ফরিদপুরের রুশেমা বেগম, কুষ্টিয়ার সৈয়দা রাশেদা বেগম, মৌলভীবাজারের সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, রাজশাহীর আদিবা আনজুম মিতা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফেরদৌসী ইসলাম জেসী, শরীয়তপুরের পারভীন হক শিকদার, রাজবাড়ীর খোদেজা নাসরীন আক্তার হোসেন, মাদারীপুরের তাহমীনা বেগম, পাবনার নাদিয়া ইয়াসমিন জলি ও নাটোরের রত্না আহমেদ। জাতীয় পার্টির চারজন হলেন-অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, অধ্যাপিকা মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী, অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নান ও নাজমা আকতার। অন্যদিকে ওয়ার্কার্স পাটির মনোনীত প্রার্থী লুৎফুন নেসা খান ও স্বতন্ত্র সেলিনা ইসলাম।
আপ্রাণ চেষ্টার অঙ্গীকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে: প্রধানমন্ত্রী
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণ যে আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নির্বাচনে ভোট দিয়ে তাঁদের বিজয়ী করেছেন, তাঁদের সেই প্রত্যাশা পূরণে তিনি সাধ্যমত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশটা আমাদের, কাজেই এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার। বাংলাদেশকে মাদক, সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ মুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে যা যা করণীয় তার সবই তাঁর সরকার করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আজ সন্ধ্যায় সেন্ট রেগিজ হোটেলে আরব আমিরাতের বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে সেখানে বসবাবকারী বাংলাদেশীদের প্রদত্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে পুনর্নির্বাচিত করায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই দেশকে সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। প্রবাসীকল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, জায়েদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাবিবুল হক খন্দোকার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ইফতেখার ইসলাম বকুল অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। সেখানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। আরব আমিরাতে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি শাখার নেত্রী জাকিয়া হাসনাত ইমরান, প্রবাশী বাংলাদেশী বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, জনতা ব্যাংক আরব আমিরাত শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ বিমান এবং সেখানকার দুটি বাংলাদেশের বিদ্যালয়, আরব আমিরাতে বসবাসকারী বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। শেখ হাসিনা বলেন, বিগত নির্বাচনে তরুণ প্রজন্ম এবং দেশের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার জনগণ বিপুলভাবে আওয়ামী লীগ ভোট প্রদান করে কারণ তাঁরা জানে যে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই কেবল দেশের উন্নয়ন হয়। আরব আমিরাতের আইন-কানুন মেনে চলার জন্য তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, তাঁর সরকার সেখানে বিভিন্ন অপরাধে সাজাভোগকারী প্রায় ৭শ’ বাংলাদেশীকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় দেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানিয়ে তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশের স্বার্থে প্রচলিত ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে দেশে পাঠানোর অনুরোধ করেন। তাঁদের কষ্টার্জিত আয়ের প্রতিটি পয়সা যথাযথ ব্যবহারের বিষয়ে প্রবাসীদের আশ্বস্থ করে প্রধানমন্ত্রী তাঁদেরকে দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সারাদেশে গড়ে তোলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগের আহবান জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর এবারের আরব আমিরাত সফরকে অত্যন্ত সফল আখ্যায়িত করে বলেন, জাতির পিতার ১৯৭৪ সালে এদেশ সফরের সময়ই আরব অমিরাতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের গোড়াপত্তন হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার এবং একইসঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক সংস্থাগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বিদেশী বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন। প্রবাসীদের কল্যাণে তাঁর সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে আগের মত ভিটেমাটি বিক্রী না করেও বিদেশগামী জনগণ এই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে যাবার সুযোগ পাচ্ছেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আয়োজিত এক নৈশ ভোজেও তিনি অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর