সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
একনেক সভায় ৯ প্রকল্প অনুমোদন
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) ২৯তম সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ১৩ হাজার ৬৩৯ কোটি ১ লাখ টাকা খরচে ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এসব প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। অনুমোদন দেয়া প্রকল্পগুলোতে সরকার দেবে ৮ হাজার ৮৮৬ কোটি ৪৪ লাখ, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২৯৩ কোটি ১৬ লাখ এবং বৈদেশিক ঋণ ৪ হাজার ৪৫৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরেন। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের তিনটি প্রকল্প রয়েছে। এর মধ্যে নোয়াখালী জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হাজী কামাল উদ্দীন সড়ক (বেগমগঞ্জের গ্লোব ফ্যাক্টরি হতে কবিরহাটের ফলাহারী পর্যন্ত) (জেড-১৪৫৩) উন্নয়ন প্রকল্পে খরচ হবে ২৮২ কোটি ১১ লাখ টাকা। আনোয়ারা উপজেলা সংযোগ সড়কসহ কর্ণফুলী টানেল সংযোগ মড়ককে চারলেনে উন্নীতকরণ (শিকলবাহা-আনোয়ারা সড়ক) প্রকল্পে ৪০৭ কোটি ৮ লাখ টাকা খরচ হবে। আর ১ হাজার ৬৮২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা খরচে শরীয়তপুর-জাজিরা-নাওডোবা (পদ্মা ব্রিজ এপ্রোচ) সড়ক উন্নয়নপ্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে পাটুরিয়া এবং দৌলতদিয়ায় আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদীবন্দর আধুনিকায়ন প্রকল্পে ১ হাজার ৩৫১ কোটি ৭০ লাখ টাকা খরচ হবে। অন্য প্রকল্পটি হলো ৬ হাজার ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা খরচে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প। ১২৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা খরচে বিলুপ্ত ছিটমহল ও নদী বিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প এবং ১১৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা খরচে হাওর অঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন নামে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া সভায় ২ হাজার ৯৩১ কোটি ৬২ লাখ খরচে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের রাজশাহী জেলার চারঘাট ও বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীর বাম তীরের স্থাপনাসমূহ নদী ভাঙন হতে রক্ষা প্রকল্প এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৭২২ কোটি ২৪ লাখ টাকা খরচে রাজশাহী জেলার চারঘাট ও বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীর বাম তীরের স্থানসমূহ নদী ভাঙন হতে রক্ষা প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।
৬টি ইউনিটকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করলেন সেনাবাহিনী প্রধান
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬টি ইউনিটের রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করেছেন। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল সেনানিবাসস্থ ১৯ পদাতিক ডিভিশনে আজ অনুষ্ঠিত রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। সেনাবাহিনী প্রধান প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হলে ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম তাকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর প্যারেড কমান্ডার লে. কর্নেল খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯ পদাতিক ডিভিশনের একটি সম্মিলিত চৌকস দল কুচকাওয়াজ প্রদর্শন এবং সেনাবাহিনী প্রধানকে জেনারেল সালাম প্রদান করেন। গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক ইউনিটসমূহ কর্তৃক সেনাবাহিনী তথা দেশমাতৃকার সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য রেজিমেন্টাল কালার প্রদান করা হয়। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ১১ আর ই ব্যাটালিয়ন, ১৮ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৩ সিগন্যাল ব্যাটালিয়ন, ১৭ বীর এবং ১৯ বীর এই কালার প্যারেডে অংশগ্রহণ এবং প্রধান অতিথির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিমেন্টাল পতাকা গ্রহণ করে। সেনাবাহিনী প্রধান রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্ত ইউনিটসমূহকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্তি যে কোন ইউনিটের জন্য একটি বিরল সম্মান এবং পবিত্র আমানত। তিনি কর্মদক্ষতা, কঠোর পরিশ্রম ও কর্তব্যনিষ্ঠার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রাপ্ত পতাকার মর্যাদা রক্ষা এবং দেশ মাতৃকার যে কোন প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে ইউনিটসমূহকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রাক্তন সেনাবাহিনী প্রধানগণ, সেনাসদর ও বিভিন্ন ফরমেশনের উর্ধতন সেনাকর্মকর্তা, কোর অব আর্টিলারি, ইঞ্জিনিয়ার্স, সিগন্যালস ও বীর এ চাকুরীরত, অবসরপ্রাাপ্ত উর্ধতন সেনাকর্মকর্তা এবং রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্ত ইউনিটসমুহের প্রাক্তন অধিনায়কবৃন্দ ও সুবেদার মেজর এবং অসামরিক প্রশাসনের আমন্ত্রিত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মুজিববর্ষের নামে চাঁদাবাজির দোকান খোলা যাবে না
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামনে মুজিববর্ষ পালন করা হবে। এই মুজিববর্ষ পালন করতে গিয়ে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি করা যাবে না, মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মুজিববর্ষ পালনের নামে কোনো চাঁদাবাজির দোকান খোলা যাবে না। তিনি বলেন, এ বিষয়ে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার কড়া হুশিয়ারি রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের খুলনা বিভাগীয় অঞ্চলের বিশেষ যৌথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে মুজিববর্ষ পালন করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে হবে। বিরোধীপক্ষকে দুর্বল ভাবার কোনো কারণ নেই। বিএনপি একটা ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম। তাদের মধ্যে ঐক্য আছে। আমাদের দলে সুবিধাবাদী আছে, তারা আওয়ামী লীগে থেকে বিএনপির জন্য কাজ করে, বিএনপিকে ভোট দেয়। আমাদের সামান্য ভুলে বিরোধীপক্ষ সুযোগ নিতে পারে, তাই আমাদের মুজিববর্ষ পালনে সতর্ক থাকতে হবে। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, পরীক্ষিত নেতাদের সময়মতো মূল্যায়ন না করলে দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের মাঠে পাওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন, জেলাপর্যায়ে আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে হবে। তা না হলে দলের দুর্বল অবস্থা কাটানো যাবে না। তৃণমূল হলো দলের প্রাণ, আমাদের দলের থানাপর্যায়ে দুর্বলতা আছে এটি অপ্রিয় সত্য কথা। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক, অসিম কুমার উকিল, খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।
সরকার ও জনগণের বন্ধন যত বেশি মজবুত হবে গণতন্ত্র তত টেকসই হবে: রাষ্ট্রপতি
১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, চলমান অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকাশ টেকসই করার লক্ষ্যে সরকার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন বজায় রাখতে হবে। তিনি বলেন, আপনারা হচ্ছেন সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন। তাই এই বন্ধন যত বেশি মজবুত ও দৃঢ় হবে, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের বিকাশও তত বেশি টেকসই হবে। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্যদের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে ভাষণে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আপনারা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। জনগণ অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আপনাদেরকে ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি বানিয়েছেন। তাই আপনাদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের চাওয়া-পাওয়া খুবই সীমিত। অল্পতেই তারা খুশি হন। নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা থাকে প্রয়োজনের সময় তারা যেন তাকে কাছে পায়। তাই আপনারা নির্বাচনী এলাকার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন এবং জনগণের প্রয়োজনের সময় তাদের পাশে দাঁড়াবেন। এতে দল ও সরকারের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক ও যোগাযোগ মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে। বিরোধী দল সংসদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার উল্লেখ করে মো. আবদুল হামিদ বলেন, তাদের গঠনমূলক সমালোচনা ও ভূমিকা সংসদকে কার্যকর করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান ও বিগত সংসদে সরকারি ও বিরোধীদল সংসদকে কার্যকর করতে যে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছেন তা খুবই প্রশংসনীয়। আশা করি, ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, সংসদ হয়ে উঠবে সরকারের সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। উন্নয়ন ও গণতন্ত্র এগিয়ে যাবে একই সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশে এখন বিশ্বে রোল মডেল। সংসদ সদস্য হিসেবে আপনারাও এই সাফল্যের গর্বিত অংশীদার। জনগণ যাতে সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সুফল ভোগ করতে পারে, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তা নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্ব। ভাষণের শুরুতেই রাষ্ট্রপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষা আন্দোলনের সৈনিক এবং বিভিন্ন সময় দেশ ও জাতির জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা যোগ দেন। এর আগে ৭টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও তার পত্নী রাশিদা খানম তাকে স্বাগত জানান। এ সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দরবার হলে প্রবেশ করেন এবং মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ উপলক্ষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও পরিবেশিত হয়।
চসিক ভোট: প্রার্থী মনোনয়নকারীর নাম জানানোর নির্দেশ
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থীদের মনোনয়নকারীর নাম জানাতে দলগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য সময় আছে আর পাঁচদিন। ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্র জারি করে এরইমধ্যে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে- রাজনৈতিক দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের পদাধিকারী বা তাদের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষরিত এক মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র থাকবে যে, ওই প্রার্থীকে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। প্রত্যয়নপত্রটি মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ যে, একাধিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিলে সংশ্লিষ্ট দলের সব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থী মনোনয়নে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি নাম, পদবী, নমুনা স্বাক্ষর একটি চিঠি তফসিল ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে পাঠাতে হবে। যে চিঠির অনুলিপি দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। মো. আতিয়ার রহমান নিউজ একাত্তরকে বলেন, মেয়র পদে দলীয়ভাবে নির্বাচন হয় বলে, কেবল এই পদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ক্ষেত্রেই দলগুলোকে এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ১৬ ফেব্রুয়ারি তফসিল হয়েছে। তাই ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম জানানোর সময় শেষ হবে ২২ ফেব্রুয়ারি। এদিকে মেয়র পদে স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হতে হলে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে তিনশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের তথ্য জমা দিতে হবে। ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৭ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ মার্চ, আপিল ২ থেকে ৪ মার্চ, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ হবে ৯ মার্চ। আর ভোটগ্রহণ হবে ২৯ মার্চ। এদিন বগুড়া-১ এবং যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচন পুরোটাই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) সম্পন্ন করবে ইসি। ভোটগ্রহণ হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।- বাংলানিউজ
এসএসএফ-কে হোন্ডার দুটি ফ্ল্যাগশিপ মোটরসাইকেল হস্তান্তর
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে সোমবার বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ)-কে দুটি ফ্ল্যাগশিপ জিএল ১৮০০ গোল্ডউইং মোটরসাইকেল হস্তান্তর করেছে। আজ সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিমিহিকো কাৎসুকি এসএসএফ-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মজিবুর রহমানের কাছে দুটি ১৮০০সিসি মোটরসাইকেলের চাবি হস্তান্তর করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র সাংবাদিকদের জানায়, খুব শিগগিরই এই ব্র্যান্ডের আরো ছয়টি মোটরসাইকেল এসএসএফ-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশের সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার ও হোন্ডার মধ্যকার সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে বিশ্বের অত্যাধুনিক মোটরসাইকেল দুটি উপহার দেয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস, পিএমও সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, শিল্প সচিব আব্দুল হালিম, জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো, এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমতুল মুনিম, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)র নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরডিএ)র চেয়ারম্যান ড. মো. কামরুল আহসান। কর্মকর্তাদের মতে, বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন (বিএসইসি) এর সাথে যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড বাংলাদেশের গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে তাদের মোটরসাইকেল ব্যবসা বিস্তার করছে। এটা এই শিল্পে অন্যতম দ্রুত অগ্রসরমান একটি কোম্পানীতে পরিণত হয়েছে। হোন্ডা ও তার অংশীদার বিএসইসি (শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন) মুন্সিগঞ্জ জেলার আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২৫ একর জমিতে নতুন কারখানা নির্মাণে মোট ৩৬০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করলেই সবাই দেখবে মেট্রোর মকট্রেন
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সব চ্যালেঞ্জ জয় করে প্রতিনিয়তই এগিয়ে যাচ্ছে মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন বর্ষ-২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মেট্রোরেল প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) উত্তরার দিয়াবাড়িতে মেট্রোরেলের ডিপোতে কনটেইনার থেকে বের করে মেট্রোরেল এক্সিবিশন অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরেই জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানায়, দিয়াবাড়িতে নির্মিত হচ্ছে মেট্রোরেল এক্সিবিশন অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টার। এখানে মেট্রোরেলের সব ইতিহাস তুলে ধরা হবে। এখানে ঠাঁই পাবে মকট্রেন। সাধারণ মানুষকে ধারণা দিতেই এই মকট্রেন। ট্রেনের মধ্যে কী কী করা যাবে, রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন কেমন হবে- এ বিষয়ে ধারণা দিতেই মকট্রেন আনা হয়েছে। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা) মো. আবু নাসের নিউজ একাত্তরকে বলেন, মার্চ মাসের শেষের দিকে প্রদর্শনী সেন্টার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মকট্রেন ছাড়াও এই সেন্টারে থাকবে একটি লাইভ ট্রয়ট্রেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ মেট্রোরেল সমন্ধে একটা ধারণা পাবেন। ফলে যখন মেট্রোরেল চালু হবে তখন ঢাকাবাসী সহজেই এটা ব্যবহার করতে পারবেন। প্রদর্শনী সেন্টারে প্রবেশে কোনো টিকিট নেওয়া হবে না। উত্তরা তৃতীয় ফেজ ডিপোর গেটের পাশে উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে এতে মেট্রোরেলের নির্মাণশৈলীর ইতিহাস তুলে ধরা হবে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এটি পরিদর্শনে আসবেন। এর পাশেই আরও একটি জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় নিহত জাপানিদের স্মৃতি তুলে ধরা হবে। ২০১৬ সালের ওই ভয়াবহ হামলায় নিহত বিদেশিদের মধ্যে সাতজন জাপানি নাগরিক ছিলেন যারা মেট্রোরেল প্রকল্পে সমীক্ষক হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি বলেন, প্রদর্শনী সেন্টারটি হবে মূলত তাদের স্মৃতি তুলে ধরার জন্যই। এর নকশা করছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। নকশার কাজ শেষ হলেই তাদের কাছে জমি হস্তান্তর করা হবে। মেট্রোরেল এক্সিবিশন অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারের মাধ্যমে মেট্রোরেলের সব ইতিহাস ও নির্মাণশৈলীর তথ্য জানতে পারবেন দর্শকেরা। মকট্রেন যাত্রী পরিবহনের জন্য নয়, শুধুই প্রদর্শনীর জন্য। মকট্রেনের পাশাপাশি নিহত জাপানিদের স্মৃতি তুলে ধরতে এটি নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে যাত্রীবাহী মেট্রোরেলের মূল কোচগুলো আগামী ১৫ জুন বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে।
অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। রিটে কোন কর্তৃত্ববলে মাহবুবে আলম অ্যাটর্নি জেনারেল পদে বহাল আছেন তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি (রোববার) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হবে। আজ সোমবার রিটকারী আইনজীবী ড. ইউনুছ আলী আকন্দ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। রিটে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৬৪(১) ও ৯৬(১) অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও রাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগের ক্ষেত্রে সমান যোগ্যতা-দক্ষতার কথা বলা হয়েছে। ৬৪(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হওয়ার যোগ্য কোনও ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ প্রদান করবেন। ৯৬(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা ৬৭ বছর বয়সে অবসরে যাবেন। বিচারপতিরা ৬৭ বছর বয়সে অবসরে গেলেও অ্যাটর্নি জেনারেল ৭১ বছর বয়সেও এই পদে বহাল আছেন। এটা সংবিধানের সঙ্গে সাংর্ঘষিক বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে আইনজীবী ইউনুস আলী আখন্দ মাহবুবে আলমের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেছিলেন। ২০১৭ সালে ২৪ জানুয়ারি বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চ ঐ রিট সরাসরি খারিজ করে দেন।
জমে উঠেছে বইমেলা
১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লেখক ও পাঠকদের পদচারণায় জমে উঠছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। বাংলা একাডেমির আয়োজনে একাডেমি ও সোহরাওয়াদী উদ্যান প্রাঙ্গনে মাসব্যাপি অনুষ্ঠিত এ মেলার ১৫তম দিন ছিল গতকাল রোববার। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস থাকলেও মেলায় ছিল বইপ্রেমীদের ভিড়। বই কেনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা। এতে দারুন খুশি মেলার প্রকাশক, লেখক ও বিক্রেতারা। আরও জমজমাট হচ্ছে মেলা। দিন যতই যাচ্ছে, প্রতিদিনই মেলায় বাড়ছে বইপ্রেমীদের আনাগোনা। তবে বই কেনা বা বই বিক্রির বাইরে এসে বইমেলা এবছর সত্যিকার অর্থেই মেলা হয়ে উঠেছে। এবার মুজিববর্ষ উপলক্ষে বেশ ঘটা করে সাজানো হয়েছে বইমেলা। বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে চারটি ভাগে ভাগ করে বঙ্গবন্ধুর জীবনের নানা অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে পুরো মেলাজুড়ে। শেকড়, সংগ্রাম, মুক্তি এবং অর্জন চারটি ভাগে ভাগ করে বঙ্গবন্ধুর সমগ্র জীবনের অর্জনকে তুলে ধরার প্রয়াস রয়েছে বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে। সেদিক থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি, বঙ্গবন্ধুর কথামালা ও তার অর্জনের বিভিন্ন বিষয়কে দৃষ্টিনন্দনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বইমেলায় এবার দৃষ্টিনন্দন প্যাভিলিয়নগুলোও আকর্ষণীয় বিষয়ে পরিণত হয়েছে পাঠক দর্শনার্থীদের কাছে। এবারের মেলায় ৩৪টি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। এর মধ্যে কথাপ্রকাশ, ইউপিএল, বাংলা প্রকাশ, পাঞ্জেরী, ঐতিহ্য, জার্নিম্যান বুকস, শোভাপ্রকাশ, প্যাভিলিয়নগুলো দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে। মেলায় ঘুরতে আসা হালিমা বেগম নামে এক দর্শনার্থী বলেন, মেলায় ধুলোর ছড়াছড়ি নেই। স্টলে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে গেলে বসে জিরিয়ে নেওয়ারও ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া পুরো মেলাকে যেভাবে সাজানো তা সবাইকে মুগ্ধ করছে। মেলা পরিচালনা পরিষদের সদস্য সচিব জালাল আহমেদ বলেন, মেলার মাঝামাঝি আছি আমরা। এখন এর যে সত্যিকার জমজমাট রূপ তা দেখা যাচ্ছে। এ ধারা শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলেই আমরা আশা করছি। গতকালের নতুন বই : বাংলা একাডেমির জনসংযোগ উপবিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববার মেলায় নতুন বই এসেছে ১৪৬টি। আজকের মেলা : আজ সোমবার। অমর একুশে গ্রন্থমেলার ১৬তম দিন। মেলা চলবে বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ রচিত ৭ই মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব-ঐতিহ্য সম্পদ : বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম। আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ এবং ড. কুতুব আজাদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন। সন্ধ্যায় রয়েছে কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ, আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জাতীয় পাতার আরো খবর