একনেকে ৯ প্রকল্প অনুমোদন
১১ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) ২৮তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দুই হাজার ৪২২ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার দেবে দুই হাজার ১০৮ কোটি ৪৫ লাখ এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা। তবে সম্ভাব্যতা যাচাই না হওয়ায় একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়নি একনেক। আজ মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভার সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। সভা শেষে পরিকল্পনা কমিশনের সচিব মো. নূরুল আমিন সাংবাদিকদের সামনে এসব তথ্য তুলে ধরেন। সচিব জানান, আজকের একনেক সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে বানেশ্বর (রাজশাহী)-সারদা-চারঘাট-বাঘা-লালপুর (নাটোর)-ঈশ্বরদী (পাবনা) (আর-৬০৬) জেলা মহাসড়ককে আঞ্চলিক মহাসড়কের মানে উন্নীতকরণ প্রকল্প ও সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়ক (আর-৫৭০) প্রশস্তকরণ ও মজবুতকরণ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প; পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের হবিগঞ্জ জেলার বিবিয়ানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের সম্মুখে কুশিয়ারা নদীর উভয় তীরের প্রতিরক্ষা প্রকল্প; শিল্প মন্ত্রণালয়ের তিন প্রকল্প যথাক্রমে ‘তেজগাঁওয়ে বিসিকের বহুতল ভবন নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প, বিসিক প্লাস্টিক শিল্পনগরী (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প ও ‘বিসিকের ৮টি শিল্পনগরী মেরামত ও পুনঃনির্মাণ প্রকল্প; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পের প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন’ প্রকল্প, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর অবকাঠামো উন্নয়ন (প্রথম সংশোধন) প্রকল্প এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা ও জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিসি সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সেন্টমার্টিনে ট্রলার ডুবি, ১৫ জনের লাশ উদ্ধার
১১ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপের কাছে এক ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত ৬৩ জনকে জীবিত ও ১৫ ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড। এ ঘটনায় এখনো অনেক ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. কমান্ডার নাইম উল হক বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৬৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারের চেষ্টা করছি আমরা। নৌবাহিনী কর্মকর্তা বদিউজ্জামান সাফিন জানান, এখন পর্যন্ত ৬৩ ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাবার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে ধারনা করা হচ্ছে। মৃত ব্যক্তিরা সবাই রোহিঙ্গা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ঝুঁকি আছে, তবে আতঙ্কের কিছু নেই: আইইডিসিআর
১০ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন করোনা ভাইরাসের (২০১৯-এনসিওভি) ঝুঁকিতে আছে বাংলাদেশ, তবে এ বিষয়ে আতঙ্কের কিছু নেই বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। আজ সোমবার আইইডিসিআর সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। রোববার সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি এক নাগরিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সেক্ষেত্রে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে আমাদের ফ্লাইটগুলোর কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেবল সিঙ্গাপুর নয়, যেসব দেশে লোকাল ট্রান্সমিশন রয়েছে তাদের সঙ্গেও আমাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে। সিঙ্গাপুরে প্রতিদিন আমাদের অনেক ফ্লাইট যায়। সেদিক থেকে আমাদের ঝুঁকি রয়েছে বলেই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। অধ্যাপক ডা. ফ্লোরা আরো বলেন, সিঙ্গাপুরে একজন বাংলাদেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে বাংলাদেশের হাইকমিশন জানিয়েছে। ওই শ্রমিক সেখানে দেড় বছর ধরে কাজ করছেন। অন্য অসুস্থতার কারণে তিনি হাসপাতালে যাওয়ার পর পরীক্ষাতে তার শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। যেহেতু বাইরের দেশে রোগীর গোপনীয়তা খুব কঠিনভাবে মেনে চলা হয়, তাই তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত ২১শে জানুয়ারি থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৬ হাজার ৫২২ জনের স্ক্রিনিং করা হয়েছে। তবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। আর আইইডিসিআরের হটলাইনে কল এসেছে ১২০টি। এর মধ্যে ৮৪টি কল করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত। এছাড়া নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৫ জনের। তবে কারো মধ্যে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তাই বলা যায়, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি নেই। গৃহপালিত প্রাণীর মধ্যে করোনা ভাইরাস থাকতে পারে কীনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঘরের পোষা প্রাণী নোভেল করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয় এমন কোনও প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আশকোনা হজ ক্যাম্প এবং সম্মিলিতি সামরিক হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে থাকা উহানফেরতদের বিষয়ে ডা. সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, তারা ১লা ফেব্রুয়ারি এসেছেন। ১৪ দিনের ‘ইনকিউবিশন পিরিয়ড’ হিসিবে আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। ১৬ই ফেব্রুয়ারি তারা বাড়ি ফিরবেন বলে প্রাথমিকভাবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এরপরও যদি তারা কোনও অসুবিধা বোধ করেন তাহলে তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।-
স্মার্ট ফোন নয় সন্তানকে স্মার্ট করবে একটি ভাল বই: তথ্য মন্ত্রী
১০ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা-২০২০'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য মন্ত্রী ড হাসান মাহমুদ বলেছেন, তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে একটি বিষয় পরিবার,সমাজ এমনকি রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠছে। আজকাল অনেক অভিবাবকদের দেখা যায় সন্তানের বয়স ১০/১২ না পেরুতেই তার হাতে স্মার্ট ফোন তুলে দেন। কিন্তু অভিভাবকরা বুঝেন না যে, একটি স্মার্ট ফোন দিয়ে অনেক অপশনে কাজ করা যায়। যা আপনার সন্তান ব্যবহার করে নানামুখী অনৈতিক,অসামাজিক কর্মকাণ্ড করতে পারে। আমাদের অভিভাবকদেরকে স্মার্ট ফোনের ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি নেতিবাচক দিকগুলোর কথা মাথায় রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে স্মার্ট ফোন নয়, সন্তানকে স্মার্ট করতে পারে একটি ভাল বই। বিল গেটস মত মানুষ তার সন্তানকে ১৬ বছর বয়স পেরুনোর পর হাতে ফোন দিয়েছিলেন। অামাদের অভিবাবকদেরকে বিল গেটসের গল্প থেকে এই শিক্ষা নিতে হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। অনুষ্ঠানে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো সামসুদ্দোহা, শিক্ষা স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি নাজমুল হক ডিউক, চসিক প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদ সভাপতি শাহ আলম নিপু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
যুবাদের জয় মুজিব বর্ষের শ্রেষ্ঠ উপহার: প্রধানমন্ত্রী
১০ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ ক্রিকেটে যুবাদের জয়ে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই জয় মুজিব বর্ষের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ জয়। তারা দেশে ফিরলে দেয়া হবে বীরোচিত সংবর্ধনা। সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই জয় নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, এই বিশ্বকাপ জয় জাতির জন্য, সবার জন্য মুজিব বর্ষের একটা বিরাট উপহার। প্রধানমন্ত্রী বলেন,ভারত যেখানে পরপর তিনবার না চারবার যেন চ্যাম্পিয়ন তাদের হারানো চাট্টিখানি কথা নয়। সাহস আছে তাদের। আকবর ছেলেটা ওয়ান্ডারফুল। এর আগে আমরা একবার প্যারেড গ্রাউন্ডে সংবর্ধনা দিলাম, আরেকবার পল্টনে দিলাম, সে রকম একটা সংবর্ধনা তাদের আমরা দেব। মন্ত্রিসভার এক সদস্য বিশেষ ছুটি ঘোষণার কথা তুললে জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ছেলেরা চারটা বছর প্র্যাকটিস করেছে। এই খুশিতে আমরা আরও এক ঘণ্টা বেশি কাজ করব। ছুটি আবার কী। এই আনন্দে বেশি করে কাজ করতে হবে। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। গতকাল রোববার তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে জয় লাভ করে বাংলাদেশ। এই জয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, কোচ, ম্যানেজার এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।
সাগর-রুনি হত্যার ৮ বছর পূর্তি মঙ্গলবার
১০ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হত্যার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। শুধু ৪৮ ঘণ্টা নয়, কেটেছে দুইবারের মতো ৪৮ মাস বা ৮ বছর। কিন্তু প্রকৃত অপরাধীদের এখনও পাকড়াও করা যায়নি। আদালতে চাঞ্চল্যকর এই মামলার প্রতিবেদন এখনো জমা দিতে পারেনি তদন্ত সংস্থা Rab। এ হত্যাকাণ্ডের আট বছর পূর্তির একদিন আগে আজ সোমবার ফের মামলাটিতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য আছে। তদন্ত শেষ না হওয়ায় আজও আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে পারছে না Rab বলে এক সূত্রে জানা যায়। আজও আদালতে সময় চাওয়া হবে। আট বছরে এ মামলায় আদালতের মোট দুই শতাধিক কার্যদিবস ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে শুধু তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৭১ বার সময় নেয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। দিনটি ছিল ২০১২ সালে ১১ ফেব্রুয়ারি। রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সারোয়ার (সাগর সারোয়ার) ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন নাহার রুনা (মেহেরুন রুনী) দম্পতি খুন হন। ঘটনার পরের দিন রুনীর ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। আগামীকাল মঙ্গলবার এ চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ৮ বছর পূর্ণ হবে। এ পর্যন্ত মামলার কোন অগ্রগতি না হলে আশা ছাড়েননি তাদের স্বজনরা। সাগর সারোয়ারের মা সালেহা মনির বলেন, ৩০ বছর পর যদি সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার বিচার শুরু হতে পারে, তবে আমাদের সন্তান হত্যার বিচার কেন হবে না। একদিন না একদিন বিচার হবেই। হয়তো আমি দেখে যাব, না হয় দেখে যেতে পারব না। তদন্ত সংস্থার সদিচ্ছা দরকার। আর আদালতকে ভূমিকা নিতে হবে উল্লেখ করে সালেহা মনি বলেন, তারা (আদালত) তদন্তের জন্য একটি সময় বেঁধে দিতে পারেন। যদি আমার সন্তানরা রাষ্ট্রদ্রোহী হয়ে থাকে তদন্ত করে দেখাক, আমি বিচার চাইব না। মামলায় যারা গ্রেফতার হয়েছে তারা হতে পারে অন্য কোনো ক্ষেত্রে অপরাধী, তবে এ ঘটনায় নয়। তাই প্রকৃত আসামি গ্রেফতার এবং বিচারের আশায় আছেন বলে জানান তিনি। মামলাটি পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের (ডিবি) পর Rapid Action Battalion (Rab) তদন্তেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। ঘটনাস্থলে দুই অজ্ঞাত পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গেছে। তবে তাদের শনাক্ত করতে পারেনি তদন্ত সংস্থা। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবদুল্লাহ আবু বলেন, এটা দুঃখজনক যে, আট বছরেও মামলাটির তদন্ত শেষ হয়নি। বিলম্ব জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি করে। আশা করি তদন্ত সংস্থা সেটা উপলব্ধি করে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করবে। এ মামলার তদন্তকাজ প্রথমে শুরু করেন শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক মো. জহুরুল ইসলাম। এরপর ২০১২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি গোয়েরন্দা শাখার (উত্তর) পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলম এ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। হাইকোর্ট বিভাগের এক রিট পিটিশনে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলার তদন্তভার Rapid Action Battalion (Rab) কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়। পরদিন ১৯ এপ্রিল Rab সদর দফতরের জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার মো. জাফর উল্লাহ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। Rabর এ কর্মকর্তা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে যাওয়ায় ২০১৪ সালের ১২ মার্চ এ মামলার তদন্তভার পান Rab সদর দফতরের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মো. ওয়ারেছ আলী মিয়া। নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ কর্মকর্তা মামলার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী সাগর-রুনীর ছেলে মাহির সরোয়ার মেঘকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার জবানবন্দি ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধ করেন। ২০১৫ সালের মাঝামাঝি Rab সদর দফতরের সহকারী পরিচালক সহকারী পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহম্মদ এ মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। তিনি মামলার নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ২০১৮ সালের Rab সদর দফতরের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সহিদার রহমানের হাত ঘুরে বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম। তিনি আগের সাক্ষীদের পর্যালোচনা করে তদন্ত অব্যাহত রেখেছেন। আট বছরে Rab এ মামলার পাঁচটি তদন্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করেছে। ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, একই বছরের ৭ জুন, ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর ও সর্বশেষ ২০১৭ সালের ২১ মার্চ তদন্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। তদন্ত অগ্রগতি সংক্রান্ত প্রতিটি প্রতিবেদনে প্রায় একই ধরনের তথ্য উল্লেখ করা হয়। সর্বশেষ তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে আলামত পরীক্ষা করে ঘটনাস্থলে দুই অজ্ঞাত পুরুষ ব্যক্তির ডিএনএ পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। এছাড়া আগের চারটি অগ্রগতি প্রতিবেদনের মতো সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদনেও বলা হয়- ঘটনাস্থল থেকে চুরি যাওয়া ল্যাপটপ বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে কিনা। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। মামলার ভিকটিম মিডিয়া কর্মী হওয়ায় তদন্তকালে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন, বিভিন্ন আলামত পরীক্ষা, বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতামত, বিভিন্ন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণ, সমসাময়িক অন্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বিশ্লেষণ, ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী থানাসমূহে একই অপরাধ প্রক্রিয়ায় সংঘটিত অপরাধ ও অপরাধীদের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে। গ্রিল কাটা অপরাধে চোর-ডাকাতদের বিষয়েও নিবিড়ভাবে তদন্ত অব্যাহত আছে। হত্যাকাণ্ডের পর মামলাটিতে নিহত রুনির কথিত বন্ধু তানভীর রহমান, বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ গ্রেপ্তার হন। তাদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ রুদ্র পাল জামিনে আছেন।- একুশে টেলিভিশন
করোনা ভাইরাস: সর্বোচ্চ সতর্কতায় বাংলাদেশ
১০ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীনের উহানে শুরু হওয়া করোনা ভাইরাসে এখন পর্যন্ত চার বিদেশিসহ ৯০৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ হাজারের কাছাকাছি। যা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। নতুন এ ভাইরাস প্রতিরোধে গত ৩ ফেব্রুয়ারি এক জরুরি বৈঠকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেভাবেই হোক করোনাকে প্রতিরোধ করতে হবে বলে কঠোর বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। সে আলোকেই স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ করোনা ভাইরাস ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা নিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এর প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেশের সকল আন্তর্জাতিক চেকপোষ্টে প্রাথমিক সংক্রামক মেশিন বসানো হয়। একইসঙ্গে আকাশপথে প্রথম দিকে শুধু চীন ফেরত যাত্রীদের পরীক্ষা করেই দেশে ঢুকতে দেয়া হলেও পরে বিদেশ ফেরত প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ১২ হাজার যাত্রীকে পরীক্ষার আওতায় আনা হয়। তবে চীন ফেরত বর্তমান কাউকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। সরকারের জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) দেয়া সূত্র অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাবে কারও মধ্যে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। ফলে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ নতুন এই ভাইরাসমুক্ত। যদিও এখনও দেশে এই নতুন করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা পদ্ধতি সীমাবদ্ধ বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তারপরও ২০১৯-এনসিওভি প্রতিরোধে সকল প্রস্তুতি বাংলাদেশের রয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। অবশ্য, গতকাল রোববার সিঙ্গাপুরে প্রথমবারের মতো এক প্রবাসী বাংলাদেশি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তবে আশার কথা হল, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি দেশ বা অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে ভারত ও মিয়ানমার। এ তালিকায় নাম নেই বাংলাদেশের। সম্প্রতি জার্মানির হামবোল্ট ইউনিভার্সিটি ও রবার্ট কচ ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। উহান শহর থেকে ছড়ানো করোনাভাইরাস সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে থাইল্যান্ড, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। থাইল্যান্ডে এ পর্যন্ত নতুন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ জন। জাপানে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ জন; এদের মধ্যে ৬৪ জনই একটি প্রমোদতরীর। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ জন। তারপরও সর্বোচ্চ সতর্কতায় বাংলাদেশ। কেননা, এখানকার আবহওয়া ও প্রকৃতির অবস্থা বিবেচনা করলে দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, করোনা টেস্টের ফলাফল আরও দ্রুত পেতে কিছু সিস্টেম তৈরি হয়েছে, সেগুলোও শিগগিরই বাংলাদেশে পৌঁছে যাবে। প্রতিষ্ঠানটির একাধিক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, উন্নত বিশ্বের যে দুই থেকে তিনটা দেশ ল্যাবরেটরি নমুনা পরীক্ষার পদ্ধতি বের করেছে তা কয়েকদিনের ভেতরে আমাদের দেশেও আসবে। তখন আর নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পুরোপুরি নিশ্চিত হতে আর কোথাও পাঠাতে হবে না। আমরা নিশ্চিত করলেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সেটা মেনে নেবে। কারণ, আমাদের ল্যাব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। তবে Rapid টেস্টের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে বাংলাদেশে কিছু চাহিদার কথা জানিয়েছে। কিন্তু সেগুলো এখনও দেশে না পৌঁছায়নি। আগামি কয়েকদিনের মধ্যে সেগুলো পাওয়া যাবে। করোনার ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত কিনা প্রশ্নে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে জানান, আমি মনে করি আমরা প্রস্তুত। কারণ, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস চীনের মতো হবে-এটা আমরা মনে করি না। পৃথিবীতে সব দেশেরই এখন প্রস্তুতি রয়েছে। চীনে ঝুঁকিপূর্ণ যে এলাকা রয়েছে সেগুলো তারা সিল করে দিয়েছে। প্রথম দিকে তাদের প্রস্তুতির ঘাটতি থাকলেও এখন সেটা শক্তিশালী হয়েছে। চীন থেকে ঝুঁকিপূর্ণ বা আক্রান্ত যারা রয়েছেন তারা বাইরে বের হতে পারছেন না। একইসঙ্গে সারা পৃথিবীতে মানুষ যখন অন্য দেশে যাচ্ছে তখন সে দেশ থেকে বের হওয়ার আগেই সেখানে প্রথম স্ক্রিনিং হয়ে আসছে, সেখানেও কিন্তু প্রটেকশন আছে। আবার বাংলাদেশে যদি কেউ সেরকম অবস্থায় (আক্রান্ত হওয়ার পর) আসতে চায়, তাহলে তাদের শনাক্ত করে ফেলার মতো কৌশল বর্তমানে আছে আমাদের। তিনি বলেন, কাউকে যদি সন্দেহভাজন মনে হয় তাহলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। পরীক্ষার প্রয়োজন হলে সেটা করা হবে, যেমনটা এখন করা হচ্ছে। যদি কেউ আক্রান্ত হয় তাহলে রোগ যেন ছড়াতে না পারে তার ব্যবস্থাও করা হবে। সেজন্য আমাদের সব ধরনের সামর্থ্য এবং প্রস্তুতি রয়েছে অপরদিকে আইইডিসিআর বলছে, করোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এর সঙ্গে অনেক ধরনের হিসাব-নিকাশ আছে। তাই জ্বর-সর্দি-কাশি কিংবা শ্বাসকষ্ট হলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার দরকার নেই। আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, চীন থেকে ফেরত আসা অনেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন। তারা রোগ শনাক্তকরণের জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে যাচ্ছেন। কিন্তু প্রকৃত অবস্থা হচ্ছে, চীনের সব প্রদেশে একইসঙ্গে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা যদি উহানসহ চীনের অন্য এলাকা থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার ১৪ দিন আগে এসে থাকেন তাহলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আবার উহান থেকে আসার পর যদি ১৪ দিন অতিক্রান্ত হয়ে থাকে তাহলেও উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। চীন থেকে আসার ১৪ দিন পার হওয়ার আগে কারও মধ্যে যদি কোনও লক্ষণ দেখা যায় তাদেরই কেবল আইইডিসিআরের হটলাইনে যোগাযোগ করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা আশা করি বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস সেভাবে ছড়াবে না। যদি অনেক বেশি কেস হয়ে যায়,তখন আর পরীক্ষার প্রয়োজনই হবে না। কারণ এটা কমন ফ্লু। এর কোনও বিশেষ চিকিৎসা নেই। আর এর পরীক্ষা পদ্ধতি শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবীজুড়ে অপ্রতুল। আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, বর্তমানে করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করার পর ফলাফলের জন্য ৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। আর কয়েকদিন পরই Rapid টেস্টের সব ধরনের ফ্যাসিলিটিজ দেশে চলে আসবে। তখন আর ৪৮ ঘণ্টা নয়, ২৪ ঘণ্টাতেই নমুনা পরীক্ষার ফল জানা যাবে। এদিকে, করোনার মহামারিতে ভুগতে থাকা চীনে বসবাসরত ১৭১ বাংলাদেশি দেশে ফেরত আসতে চাইলেও বেইজিংয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় আপাতত তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তবে তাদের খাদ্য ও অন্যান্য সহযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস। চীনের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আপাতত তাদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ভেজাল ওষুধ: সাড়ে ১২ কোটি টাকা জরিমানা
০৯ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, গত বছর নকল-ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির দায়ে ২ হাজার ১৪৫টি মামলায় ১২ কোটি ৪১ লাখ ৬ হাজার ৪৮৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ রোববার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের বেনজীর আহমদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান। মন্ত্রী জানান, একই সময় ৩৯ জন আসামীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও ৪৪টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা এবং ৪৬ কেটি ৬২ লাখ টাকার মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করা হয়। তিনি বলেন, এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জিএমপি গাইডলাইন যথাযথভাবে অনুসরণ না করায় ৪১টি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। তিনটি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ওষুধ উৎপাদন সকল প্রকার ওষুধ উৎপাদন স্থগিত এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৯টি ওষুধ উৎপাদন স্থগিত করা হয়েছে। জাহিদ মালেক বলেন, এছাড়া সরকারি বিশ্লেষক কর্তৃক মানবর্হিভূত ৯টি ওষুধের নিবন্ধন সাময়িকভাবে বাতিল এবং ড্রাগ কন্ট্রোল কমিটি থেকে ৯৯টি জেনেরিক ওষুধ বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, ওষুধের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনকে আরো যুগোপযুগি করতে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে প্রস্তাবিত ওষুধ আইন অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মিজান-বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ
০৯ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবৈধভাবে তথ্যপাচার ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ আসামিদের উপস্থিতিতে এ চার্জশিট গ্রহণ করেন। আদালত মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এ বদলির আদেশ দেন। একই সঙ্গে ৪ এপ্রিল চার্জ শুনানির তারিখ ধার্য করে দেন। এর আগে ১৯ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েসের আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিলাহ। আদালত ৯ ফেরুয়ারি চার্জশিটটির শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন। ৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যলয়-১ এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলা করেছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর