পরীক্ষা বর্জন করে বিক্ষোভ,ভিকারুননিসায় কান্না
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সদস্যদের পদত্যাগের দাবিতে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে স্কুলের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রীরা। এতে যোগ দেন অভিভাবকরাও। ছাত্রীরা পরীক্ষা বর্জন করে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে কর্তৃপক্ষের বিরূপ আচরণের প্রতিবাদ জানায়। অরিত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্কুল কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। স্কুলের তদন্ত কমিটিকে তিনদিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট পাওয়ার পর তা আমলে নিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এদিকে অভিমান নিয়ে বন্ধু অরিত্রী অধিকারীর চলে যাওয়া কোনোভাবেই মানতে পারছে না তার সহপাঠীরা। অরিত্রীর কথা মনে করে কান্নায় ভেঙে পড়ছে তারা। অরিত্রীর আত্মহত্যার ঘটনার প্রতিবাদ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয় কেউ কেউ। তারা অভিযোগ করে, স্কুল কর্তৃপক্ষের অযাচিত আচরণের কারণেই অরিত্রী আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সামনে বিক্ষোভরত এক শিক্ষার্থী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলে, অবশ্যই তার (অরিত্রী) জন্য যদি পরীক্ষা বর্জন করতে হয় আমি করব। কিন্তু তবু আমি তার এ রকম অবস্থার বিচার চাই। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সহমত পোষণ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান অভিভাবকরা। বিক্ষোভরত আরেক শিক্ষার্থী বলে, আমরা স্টুডেন্ট আমরা কেন নিয়ম মানব না, আমরা সব নিয়ম মানব, যখনই প্রিন্সিপাল-ভাইস প্রিন্সিপাল আর গভর্নিং বডির উনারা উনাদের ভুল স্বীকার করে পদত্যাগ করবেন, সঙ্গে সঙ্গে এখনই আমরা মেয়েরা পরীক্ষার হলে ফিরে যাব। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্কুলের এক ছাত্রীর বাবা বলেন, এটার একটা সুষ্ঠু তদন্ত হোক, কে দোষী সেটা চিহ্নিত হোক, তার বিচার হোক, এই মুহূর্তে এটাই আমাদের দাবি। এক নারী অভিভাবক বলেন, যেখানে মরে গেলেও কিছুই বিচার হয় না। আর আমাকে বকা দিয়েছে, আমি তো প্রমাণই করতে পারব না, আপা আমাকে এগুলো বলেছে, তুমি কি চাও আমি স্কুলে যাই। তুমি যদি আমাকে স্কুলে পাঠাও, তুমি কি চাও আমি সুইসাইড করি? ঘটনা সম্পর্কে জানতে সকালে ভিকারুননিসা নূন স্কুলে যান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ সময় শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি আটকে দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তিনি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় করে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এদিকে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে স্কুল গেটের বাইরে প্ল্যাকার্ড নিয়ে মৌন প্রতিবাদ করায় দুই পথচারীকে আটকের চেষ্টা করে পুলিশ। আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের তোপের মুখে তাদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গতকাল সোমবার পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগে অরিত্রীর বাবাকে স্কুলে ডেকে অপমান করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। বাবার অপমান সইতে না পেরে নিজ বাসায় আত্মহত্যা করে ভিকারুন্নেসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারী।
নবম শ্রেণির ছাত্রী আত্মহত্যার ঘটনায় দুই কমিটি
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ ও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে করা দুই কমিটি আগামী তিন দিনের মধ্যে এই ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবে। সোমবার ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে। ঘটনাটি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে। মঙ্গলবার সকালে ভিকারুননিসা ক্যাম্পাসে আসেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সেখানে তিনি স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের তোপের মুখে পড়েন। পরে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। অভিযোগ ও ক্ষোভের কথা শুনেছি। তাদের বলেছি, কেউ অপরাধী হলে অবশ্যই শাস্তি পাবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন শিক্ষার্থী কতটা অপমানিত হলে, কতটা কষ্ট পেলে আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নেয়? যে ঘটনাগুলো আমরা শুনছি, এর পেছনের কথা শুনছি, ঘটনার পেছনে বা ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় তিন সদস্যর তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। এদিকে অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় ঘটনায় দুটি কমিটি হয়েছে। স্কুলের পক্ষ থেকে করা কমিটিতে আছেন শিক্ষক খুরশিদ জাহানা মালা, ফেরদৌসি বেগম ও আতাউর রহমান। অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস ঢাকাটাইমসকে জানান, গতরাতে অভিভাবকদের সঙ্গে স্কুলের শিক্ষকদের একটি সভায় এই কমিটি করা হয়। অভিভাবক প্রতিনিধি সিদ্দিকী নাসির উদ্দিন জানান, রাত তিনটায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় অভিযুক্ত শিক্ষক জিন্নাত আরাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের নির্দেশে এই কমিটি করা হয়।
প্রকাশিত হলো ৯ম জাতীয় সংসদ বক্তৃতা সমগ্র
অনলাইন ডেস্ক :নবম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বক্তৃতা সমগ্র নিয়ে দুই খণ্ডে প্রকাশিত হলো ৯ম জাতীয় সংসদ: বক্তৃতা সমগ্র।সংকলন দুটিতে ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মহান জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গুরুত্বপূর্ণ ভাষণসমূহ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সংকলনটির প্রধান সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম। এটি গ্রন্থনা ও সম্পাদনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব মো. নজরুল ইসলাম। গতকাল সোমবার সংকলন দুটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসতাক হোসেন এবং সহযোগিতায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম. এম. ইমরুল কায়েস, সহকারী পরিচালক (সংযুক্ত) শাওন চৌধুরী ও সহকারী পরিচালক (সংযুক্ত) গুল শাহানা উর্মি। সংকলন দুটি প্রকাশ করেছেন স. ম. ইফতেখার মাহমুদ, গৌরব প্রকাশন, ৩৮, বাংলাবাজার ঢাকা-১১০০।
ভিকারুননিসা ছাত্রীর আত্মহত্যা হৃদয়বিদারক: হাইকোর্ট
অনলাইন ডেস্ক: নিজের চোখের সামনে বাবা-মায়ের অপমান সইতে না পেরে ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ছাত্রী অরিত্রি অধিকারীর (১৫) আত্মহত্যার ঘটনা হাইকোর্টের নজরে আনা হয়েছে। বিষয়টিকে হৃদয়বিদারক বলে মন্তব্য করেছেন আদালত। ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে এনেছি। আদালত বিষয়টিকে হৃদয়বিদারক ঘটনা বলে আবেদন আকারে বুধবার রিট করতে বলেছেন। রিটে বিষয়টি তদন্ত করার আবেদন জানানো হবে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নকলের অভিযোগ তুলে বাবা-মাকে ডেকে অপমান ও টিসি দেয়ার কথা বলায় রাজধানীর শান্তিনগরে নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রি আত্মহত্যা করেন। স্কুলের অধ্যক্ষ অরিত্রির বাবা-মাকে ডেকে মেয়ের সামনেই অপমান করে বলেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে অরিত্রিকে নকলের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেয়া হবে। এ অপমান সইতে না পেরে বাসায় এসে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় অরিত্রি। আত্মহত্যার কিছুক্ষণ আগে সে তার মাকে জানায়, মা এ লজ্জা নিয়ে বাঁচতে চাই না।তার ছোট বোনও একই স্কুলে পড়ে। পুলিশ ও পরিবারের তথ্যানুযায়ী, সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় রাজধানীর শান্তিনগরে সাততলা ভবনের সপ্তম তলায় নিজ ফ্ল্যাটের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অরিত্রিকে পাওয়া যায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসকরা অরিত্রিকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ছাত্রীর গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদরে। অরিত্রির বাবা দিলীপ কুমার একজন সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী। অরিত্রির মা-বাবা জানান, অরিত্রির স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। রোববার সমাজবিজ্ঞান পরীক্ষা চলার সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এ জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের ডেকে পাঠায়। স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়, অরিত্রি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নকল করছিল, তাই তাকে বহিষ্কারের (টিসি) সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অরিত্রির বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। রোববার স্কুলে পরীক্ষার সময় তার মেয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে গিয়েছিল। মোবাইল ফোনে নকল আছে-এমন অভিযোগে ওই স্কুলের শিক্ষক তাদের স্কুলে আসতে বলেন। সোমবার পরীক্ষার সময় অরিত্রির সঙ্গে তারা স্কুলে যান। পরে তাদের ভাইস প্রিন্সিপালের কাছে নিয়ে গেলে তারা মেয়ের নকল করার ব্যাপারে ভাইস প্রিন্সিপালের কাছে ক্ষমা চান। কিন্তু ভাইস প্রিন্সিপাল কিছু করার নেই বলে তাদের প্রিন্সিপালের রুমে যেতে বলেন। সেখানে গিয়েও তারা ক্ষমা চান। কিন্তু প্রিন্সিপালও তাতে সদয় হননি। পরে তার মেয়ে প্রিন্সিপালের পায়ে ধরে ক্ষমা চাইলেও তাদের বেরিয়ে যেতে বলেন এবং পরের দিন টিসি নিয়ে আসতে বলেন। অরিত্রির মা-বাবার অভিযোগ, প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করায় তার মেয়ে দ্রুত বাসায় চলে যায়। পরে তারা গিয়ে দেখে অরিত্রি নিজ রুমে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় আছে। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পল্টন থানার এসআই আতাউল জানান, ঘটনা শুনে তিনি ঢামেকে গিয়েছেন। তিনি মেয়েটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছেন। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস যুগান্তরকে বলেন, ওই ছাত্রী পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোনের নকল করে পরীক্ষা দিচ্ছিল। বিষয়টি পরিদর্শক শিক্ষক বুঝতে পেরে খাতা নিয়ে নেন। তিনি আরও বলেন, মোবাইল ফোনে পুরো বই কপি করা ছিল। সোমবার ছাত্রীর মা-বাবা স্কুলে এসেছিল। মেয়েকে পরীক্ষা দিতে সুযোগদানের জন্য। আমাদের স্কুলে কেউ নকল করলে তাকে আর ওই বর্ষে পরীক্ষা দেয়ার নিয়ম নেই। আমরা তাকে পরবর্তী বর্ষের সঙ্গে পরীক্ষা দেয়ার পরামর্শ দিই। পরে জানতে পারি অরিত্রি আত্মহত্যা করেছে। অরিত্রির লাশ ময়নাতদন্ত শেষে ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে-মেয়েটি গলায় ফাঁস দিয়েছে। তার গলায় দাগ ছিল। তার নেক টিস্যু সংগ্রহ করা হয়েছে, পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। এদিকে অরিত্রির মৃত্যুর সংবাদ শুনে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ঢামেক হাসপাতালে যান ভিকারুননিসার প্রিন্সিপাল নাসরিন ফেরদৌস। সেখানে তিনি অরিত্রির স্বজনদের তোপের মুখে পড়েন। এ সময় তারা প্রিন্সিপালের গাড়ি ঘিরে রাখেন। কিছুক্ষণ পর তিনি দ্রুত হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান।
এবার যাচাই করেই ভোট দেবে কোটা আন্দোলনকারীরা
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপিকে ৬ দফা ইশতেহার দিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতারা। তারা বেকারত্ব নিরসনে কর্মসংস্থান, চাকরির নিয়োগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও গবেষণা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-শিক্ষক ও যুব অ্যাসেম্বলির আলোকে তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা শীর্ষক একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে। যা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে তুলে ধরবে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। কোটা আন্দোলনে আলোচনায় আসা এই সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, এবার যাচাই করেই ভোট দেবে আন্দোলনকারীরা। সোমবার দুপুরে প্রথমে নিজেদের ইশতেহার ভাবনা নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় নয়াপল্টনে যান কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতারা। সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক ফারুক হাসানের নেতৃত্বে ১৮সদস্যদের প্রতিনিধি দল সেখানে যান। প্রস্তাবনাটি গ্রহণ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এছাড়াও ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নার সাথেও দেখা করেন কোটা আন্দোলনের নেতারা। সেখান থেকে প্রতিনিধি দলটি ড. কামাল হোসেনের চেম্বার মতিঝিলে যান। পরে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহব্বায়ক নুরুল হক নুরুর নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে যান। সেখানে সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদকের কাছে ইশতেহার ভাবনা প্রস্তাবনাটি তুলে ধরেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতারা। সাধারণ ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুরু সাধারণ ছাত্র পরিষদের নেতাদের নামে যেসব হয়রানি ও মিথ্যা মামলা আছে-সেগুলো প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দাবির বিষয়গুলো আমরা ভেবে চিন্তে দেখব। মিথ্যা মামলা থাকলে আমি সেটা দেখব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলবো হয়রানি ও মিথ্যা মামলা থাকলে প্রত্যাহারের জন্য। তবে ভিসির বাড়ি ভাঙচুরে উপযুক্ত বিচার হবে। নুরু বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আমাদের নামে যে মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা দিয়েছে, তার জন্য এখনো আমাদের অনেক বেগ পেতে হয়। এর আগে ফারুক হাসান বলেন, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। আমরা চাই তারুণ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠা হোক। সাংগঠনিকভাবে আমরা কোন রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করবো না। তবে সকলের ভোটের অধিকার যেহেতু রয়েছে, তাই আমরা যাচাই-বাছাই করেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করবো। কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্য নেতারা বলেন, সত্যিকার অর্থে এ দেশের তরুণ, বিশেষ করে লাখ-লাখ শিক্ষিত বেকার কি চায়-আমাদের ইশতেহারে সেটিই উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা চাই, সব রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে তারুণ্যের জন্য আলাদা প্রতিশ্রতি দিক। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে তারুণ্যের ইশতেহার গ্রহণ করে আ ও ম শফিউল্লাহ বলেন, আমাদের যে ইশতেহার তৈরি হয়েছে, তাতে তরুণদের প্রায় সব ভাবনাই রয়েছে। শীর্ষ নিউজ
ইপিজেড শ্রমিকরা পাচ্ছেন ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার
অনলাইন ডেস্ক: ইপিজেড শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার দিয়ে সরকার বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন নামে একটি নতুন আইন করতে যাচ্ছে। আজ সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটিই ছিলো বর্তমান সরকারের শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আজকের বৈঠকই ছিলো এ সরকারের শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক। ইপিজেড শ্রম আইনের খসড়ার বিষয়ে সচিব বলেন, বিদ্যমান শ্রম আইনের সঙ্গে সংগতি রেখেই এ আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইনটি শিগগিরই রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি হবে। প্রস্তাবিত এ আইনে একজন শ্রমিক ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত কাজ করতে পারবেন। চাকরির বয়স ২৫ হলে তিনি পেনশন সুবিধা পাবেন। এই আইনে শ্রমিকদের শ্রমিক কল্যাণ সমিতি গঠন করে নিজেদের কল্যাণে কাজ করতে পারবেন। এটি ট্রেড ইউনিয়নের মতোই। তবে ইপিজেড শ্রমিকদের জন্য এ নামটি দেওয়া হয়েছে। এতে মালিক ও শ্রমিক উভয়পক্ষের সম্মতি রয়েছে বলেও জানান তিনি। মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, এ ছাড়াও আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বীমা করপোরেশন আইন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় আইন এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (সংশোধন) আইনের খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়াও আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড, ২০১৮ এর সুপারিশ পেশ করে তথ্য মন্ত্রণালয়। আলোচনা শেষে মজুরি বোর্ডের বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ করতে পাঁচ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। এ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী মজুরি বোর্ড গঠিত হবে বলে জানান সচিব।
তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ নামে একটি প্রস্তাবনা হস্তান্তর আ.লীগ, বিএনপিসহ ৭ দলের কাছে
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ নামে একটি প্রস্তাবনা আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ সাত দলের কাছে জমা দিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কয়েকটি প্রতিনিধিদল আজ সোমবার বিকেল থেকে এই ইশতেহার হস্তান্তর করেন। প্রথমে বিকেল ৩টার পরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসানের নেতৃত্বে ১৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এ সময় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হাতে তাদের প্রত্যাশিত তারুণ্যের ইশতেহার ভাবনা ২০১৮ তুলে দেন। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান বলেন,তারুণ্যের ইশতেহার আমরা সব রাজনৈতিক দলের কাছে হস্তান্তর করব। বিএনপির কার্যালয়ে তারুণ্যের ইশতেহার দেওয়ার পর সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীরা পুরানা পল্টনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কার্যালয়ে গিয়ে তাদের ইশতেহার দেন। এদিকে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান ও নূরুল হক নূরের নেতৃত্বে ২৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সন্ধ্যা ৬টার দিকে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে যায়। তারা দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের হাতে তারুণ্যের ইশতেহার তুলে দেন। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়াও আমরা আজ জাতীয় পার্টি, গণফোরাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও নাগরিক ঐক্যের কাছে আমাদের ইশতেহার ভাবনা হস্তান্তর করেছি। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর কাছেও আমাদের দাবি তুলে ধরব। ফারুক হাসান বলেন, বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক দলগুলো তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না। আশা করি এবার তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। তারুণ্যের ইশতেহারে থাকা উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো : ১। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কার আনতে হবে। ২। চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ করতে হবে। সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা করতে হবে। ৩। চাকরির আবেদনের ফি সম্পূর্ণ ফ্রি করতে হবে। ৪। শিক্ষায় জিডিপির ৫ ভাগ বা জাতীয় বার্ষিক বাজেটের ২০ ভাগ বরাদ্দ দিতে হিবে। ৫। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিতে হবে। ৬। প্রশ্ন ফাঁসবিরোধী সেল গঠন করতে হবে। ৭। বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধ করতে হবে। ৮। প্রতিবছর ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে। ৯। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বাজেটের ১০ ভাগ গবেষণায় দিতে হবে। যার ৬ ভাগ শিক্ষকদের জন্য এবং ৪ ভাগ হবে ছাত্রদের জন্য। ১০। শিক্ষক নিয়োগে ৮০ ভাগ নম্বর লিখিত পরীক্ষায় এবং ২০ ভাগ নম্বর মৌখিক পরীক্ষায় রাখতে হবে।
হাওলাদারের বিরুদ্ধে ওটা মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্ত করা হবে: রাঙ্গা
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় পার্টির নবনিযুক্ত মহাসচিব প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, সদ্য সাবেক হওয় মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে ওটা মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্ত করা হবে। রাঙ্গা বলেন, শুধু সাবেক মহাসচিবই নয়, মনোনয়ন বাণিজ্যের সঙ্গে অন্য কারও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সোমবার (৩ ডিসম্বর) বিকেলে রাজধানীর বনানীতে দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মসিউর রহমান রাঙ্গা। জাপা মহাসচিব বলেন, দলের মনোনয়ন কেনার জন্য টাকা দিয়েছেন এমন ভুক্তভোগী পাওয়া গেলে, কিংবা এ ধরনের কারও অভিযোগ থাকলে জাতীয় পার্টির কাছে জানান। মনোনয়ন বাণিজ্যের ঘটনা তদন্তে প্রেসিডিয়াম সদস্যদের নিয়ে একটি কমিটি তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর আগে সোমবার সকালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে মসিউর রহমান রাঙ্গাকে মহাসচিবের দায়িত্ব দেয়া হয়।
পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশকে জেতানোর লড়াইয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী: সাকিব
অনলাইন ডেস্ক: পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশকে জেতানোর লড়াইয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় এমন কথা বলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি-২০ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থাকার জন্য তরুণদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ২ মিনিট ৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে সাকিব বলেন, ১৯৯৯ থেকে ২০০৪ সাল, আমরা ৭২টি ম্যাচের বেশির ভাগ ম্যাচই হেরেছিলাম। কিন্তু আমরা জিততে চেয়েছিলাম। কারণ এটা আমাদের কাছে কেবল খেলা নয়, কারণ এটা আমাদের দেশ। তাই আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছিলাম। আমি এখনও যখন ক্রিজে গিয়ে দাঁড়াই, আমার সঙ্গে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। আমি যখন শুরু করেছিলাম, আমার বয়স ছিল ১৯। আর আজ তোমরা যারা তরুণ, আমি নিশ্চিত জানি তাদের প্রত্যেকেরই নিজের মতো করে স্বপ্ন আছে। কিন্তু স্বপ্ন থাকলেই তো হয় না। ব্যক্তির স্বপ্নকে দেশের স্বপ্ন করতে হয়। এগিয়ে আসতে হয়, তৈরি করতে হয় নিজেকে। চিনে নিতে হয় সঠিক পথ। আমি কোনো সুপারম্যান নই। এ দেশেরই একজন সাধারণ সন্তান। তোমরা যারা এখানে আছো, আমি জানি সবাই যার যার মতো আলাদা। কিন্তু একটা বিষয় আমরা সবাই এক। সেটা হলো, আমাদের প্রাণের বাংলাদেশ। এ দেশকে আমরা মা বলি। কিন্তু নিজের মাকে নিয়ে যেভাবে ভাবি, এ দেশকে নিয়ে কি আমরা সেভাবে ভাবি? অথচ, দেশ আমাদের নিয়ে ভাবছে। নজর রাখছে ভালো-মন্দের। তার ভালো থাকায় আমাদেরও ভালো থাকা। আর সবার ভালো থাকা মানে দেশের ভালো থাকা। তাকে নিয়ে এবার ভাবার সময় এসেছে আমাদের। কারণ দেশ মানে আর কিছু নয়, তুমি-আমি-আমরা। এই আমরাই দেশ। সবাইকে ভালো রাখার এগিয়ে যাওয়ার এক দুর্বার যাত্রায় এখন আমরা আছি। বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক ও মানব উন্নয়নে তো বটেই, অবকাঠামো, যোগাযোগ ও ডিজিটাল উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের উদাহরণ হতে চলেছে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশকে জেতানোর লড়াইয়ে আছেন। বাংলাদেশ এখন তার পরিবার। সবাইকে নিয়ে সবার ভালো থাকার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে তরুণদের নিয়ে। সবক্ষেত্রে সমৃদ্ধ আগামী বাংলাদেশ গড়ার নীতি গ্রহণ করেছেন তিনি। সেখানে চাই তোমার সক্রিয় সমর্থন। এ অগ্রযাত্রা আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজন তোমাকে। আমার বিশ্বাস আমরা দাঁড়ালে হারবে না বাংলাদেশ। কারণ তরুণরাই আগামীর বাংলাদেশ। এবার তোমার পালা।

জাতীয় পাতার আরো খবর