শেখ হাসিনাকে সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের অভিনন্দন
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় লাভ করায় সৌদি আরবের বাদশাহ ও পবিত্র দুই মসজিদের রক্ষক সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদ আজ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম জানান, সৌদি বাদশাহ রোববার অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আজ এক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। সৌদি বাদশাহ্ বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য কামনা করেন এবং বাংলাদেশের জনগনের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। প্রেস সচিব আরও জানান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদ অপর এক বার্তায় দলের নিরঙ্কুশ বিজয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান।-বাসস
মন্ত্রিসভায় থাকছে চমক
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৯টি আসনসহ মহাজোটগতভাবে ২৮৮ আসনে বিজয়ী হয়ে টানা তৃতীয় বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের এ নিরঙ্কুশ জয়ে ৫৪ ও ৭০ এর নির্বাচনের প্রতিফলন দেখছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। এরই মধ্যে প্রতিবেশী দুই পরাশক্তি ভারত, চীনসহ শ্রীলঙ্কা, সৌদি আরব এবং বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সব অনিশ্চয়তা ও শঙ্কা দূর করে সব দলের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করার পর এবার দ্রুত সরকার গঠনের কথা ভাবছে আওয়ামী লীগের হাই কমান্ড। কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সরকার গঠন করে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস জাঁকজমকভাবে করার মধ্য দিয়ে বিজয় উৎসব করতে চান আওয়ামী লীগের শীর্ষ মহল। এজন্য বৃহস্পতিবার এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান শেষ করার পর ৬ জানুয়ারি (রোববার) মন্ত্রিদের শপথের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিতকা সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এরই মধ্যে সরকারের দুই মন্ত্রী সরকার গঠন ও শপথ নিয়ে কথা বলেছেন। কাল বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান ও ১০ জানুয়ারির মধ্যে সরকার গঠনের কথা জানিয়েছেন তারা। এদিকে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একটি সূত্রে জানা গেছে, রোববার মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা তৃতীয় বারের মতো সরকার গঠন করবে মহাজোট। সূত্রটি আরও জানায়, এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে মন্ত্রিসভা গঠন হবে। তাতে কিছুটা চমক থাকবে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার মতোই। মূলত বয়স্ক ও বিতর্কিতদের বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে এবার। তবে, যেসব মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের অধীনে বৃহৎ বা মেগা প্রজেক্ট চলমান রয়েছে তাদের পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলেও দাবি করেন সূত্রটি। অপর একটি সূত্র দাবি করেছেন, ২০১৪ সালের মন্ত্রিসভায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা বাদ পড়তে পারেন নতুন মন্ত্রিসভা থেকে। এবারের মন্ত্রিসভায় তারুণ্যের প্রাধান্য থাকবে। দলের ক্লিন ইমেজের নেতাদের দিয়ে নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে হতে পারে নতুন মন্ত্রিসভা। এবারের মন্ত্রিসভাতেও টেকনোকেট কোটায় মন্ত্রী করা হবে বলেও দাবি করে সূত্রটি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের পরিবর্তে কাকে অর্থমন্ত্রী করা হবে, তা নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগের নতুন মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, সেই আলোচনায় মুহিতের নামও আসছে। সংসদে না থাকলেও মুহিতকে আরও কিছুদিন অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে দেখা যেতে পারে বলে গুঞ্জন চলছে দুই দিন ধরে। এ প্রসঙ্গে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, সেটা ঠিক। আমাদের সরকার পর পর দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার কারণে যে ধারাবাহিকতার সৃষ্টি হয়েছিল; সেজন্যই এ উন্নয়ন হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে অবিশ্বাস্য উন্নয়ন হবে বলে আমি মনে করি। তিনি বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে অনুরোধ করেন অর্থমন্ত্রী থাকতে, তাহলে তো আমি না করতে পারব না। সেক্ষেত্রে আরও কিছুদিন আমি দায়িত্ব পালন করে যাব। এদিকে এমপিদের শপথ ও নতুন মন্ত্রিসভা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত এমপিরা শপথ নেবেন। আর ৫ কিংবা ৬ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা শপথ নেবেন বলে শুনেছি। জনগণ উন্নয়নের পক্ষে শান্তির পক্ষে নিজেদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করেছেন। এর মধ্যে থেকেই মন্ত্রিসভার সদস্য নির্বাচিত করবেন আমাদের নেত্রী। বরাবরের মতো এবারের মন্ত্রী সভাতেও নতুন মুখ থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন পুরানোর সমন্বয় ঘটিয়ে একটি ভালো মন্ত্রিসভা গঠন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা হবে- এটা নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে পরিবর্তনের ব্যাপ্তি কেমন হবে- সেটা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। ২০০৮ সালের নির্বাচনের বিপুল বিজয়ের পর সরকার গঠনে শেখ হাসিনা সবাইকে চমকে দেন। ওই সময় আওয়ামী লীগের হেভি ওয়েট নেতাদের বাদ দিয়ে নতুনদের প্রধান্য দিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করে চমক সৃষ্টি করেন শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের বেগম মতিয়া চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছাড়া কেউই ২০০৮ সালের মন্ত্রিসভায় সুযোগ পাননি। আবার ২০১৩ সালে এসে নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদের মতো আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের মন্ত্রিসভায় ফিরিয়ে আনেন। আর শরিকদের মধ্য থেকে আনেন রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনুর মতো বড় নেতাদের। আবার ২০১৪ সালের মন্ত্রিসভায় তিনি ২০০৮ সালের অধিকাংশ মন্ত্রীদের বাদ দেন। কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, হাসান মাহমুদ, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, জাহাঙ্গীর কবির নানক বাদ পড়েন মন্ত্রিসভা থেকে। গেল মেয়াদে এদের বারবার মন্ত্রিসভায় ফিরিয়ে আনার গুঞ্জন শোনা গেলেও পাঁচ বছরে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল হয়নি খুব একটা। এদিকে ১০ জানুয়ারির মধ্যেই সরকার গঠন হতে পারে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আজ-কালের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট হতে পারে। গেজেট হওয়ার পর এমপিদের শপথ হবে। তারপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবেন। রাষ্ট্রপতি তাকে বিজয়ী দলের প্রধান হিসেবে সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন। আমার মনে হয়, এমপিদের শপথ, মন্ত্রীদের শপথ এবং সরকার গঠনসহ সব আনুষ্ঠানিকতা ১০ জানুয়ারির মধ্যেই সম্পন্ন হবে। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার শপথ নেবেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। বুধবার গেজেট প্রকাশ হবে। তিনি বলেন, মহাজোট বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে। এটি নিশ্চিত যে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে। মহাজোট মানুষের জোট। শয়তান বা ফেরেস্তার জোট নয়। তাই চলার পথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে তবে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ে কাতারের আমীরের অভিনন্দন
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ব্যাপক বিজয় অর্জনের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন কাতারের আমীর শেখ তামীম বিন হামাদ আল থানি। খবর বাসস’র প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, রোববার অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন কাতারের আমীর। তিনি বলেন, বার্তায় কাতারের আমীর বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাফল্য কামনা করেন।
দুর্নীতি বন্ধে গুরুত্ব দিতে হবে নতুন সরকারকে: অর্থমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দেশের উন্নয়নধারা অব্যাহত রাখতে নতুন সরকারকে দুর্নীতি বন্ধে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। তিনি মঙ্গলবার তার সচিবালয়ের কার্যালয়ে নববর্ষ ২০১৯-এর শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, নতুন সরকারকে দুর্নীতি দমনের মাধ্যমে সব ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে। আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্ব দিতে হবে। মুহিত বলেন, অতীতের মতো আওয়ামী লীগ সরকারকে দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বিগত ১০ বছরে দারিদ্র্য বিমোচনে আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছি। আমরা নতুন মেয়াদে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে চাই। অর্থমন্ত্রী এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নতুন মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে আহবান জানালে তিনি সাড়া দিবেন। কেননা তিনি সবসময় প্রধানমন্ত্রীকে মান্য করে চলেন। তিনি বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জনগণ শেখ হাসিনার পক্ষে ভোট দিয়েছে। তারা জানে শেখ হাসিনা ছাড়া দেশের উন্নয়ন হবে না।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর শহীদ হওয়ার স্থানেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এসময় আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনে শীর্ষ নেতারা শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন। পরে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ধানমন্ডি থেকে বনানী কবরস্থানে যান। সেখানে ১৫ আগস্টের শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। একাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটে আওয়ামী লীগ সফলতা পেয়েছে বিস্ময়কর। ১৯৭৩ সালের প্রথম সংসদ নির্বাচনে দলটি যে হারে ভোট পেয়েছে, এবার পেয়েছে তার চেয়ে বেশি। ২৫৯টি আসনে প্রার্থী দিয়ে জিতেছে ২৫৬টিতেই। আবার শরিক দলকে দেওয়া ১৪টি আসনের ১১টি আসনেই জয় এসেছে। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, ২ জানুয়ারি বুধবার চূড়ান্ত ফলাফলে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ করা হতে পারে। বিধান অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে হিসেব অনুযায়ী, ৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবারই হতে পারে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। কাল ২ জানুয়ারি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
স্বাগত ২০১৯ নতুন সূর্যের উদয়ে
অনলাইন ডেস্ক: নতুন সূর্যের উদয়ে স্বাগত ২০১৯। উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় নতুন বছরেও এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ এমন প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের। অন্যদিকে, নতুন বছরে সম্প্রীতির বন্ধন আরো সুদৃঢ় হবে এমন স্বপ্নের কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন নিয়ে দিনের সূচনা। পেছনে ফেলে আসা আনন্দ-বেদনা, প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির হিসাব; সরল অংকের মত মিলে যায় না সব। তবুও এগিয়ে যাবার আকাঙ্খা তো মানুষের আজন্ম লালিত। নতুন বছরের শুরুতেই তাই সবারই প্রত্যয় ভালো থাকুক প্রতিটি প্রাণ। মুক্তিযুদ্ধের ধারায়েই এগুবো স্বপ্নের বাংলাদেশ এমন প্রত্যাশার কথা বলছেন অনেকেই। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী বলেন, অন্তরের অংশ গুলো প্রতিটি মানুষের জীবনে বিস্তারিত হোক। যাতে করে দু বেলা খেয়ে পড়ে শিক্ষায় স্বাস্থ্য সামাজিকতায় নিরাপত্তায় এবং চলমানতায় মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। হাজারো বছর ধরে এগিয়ে চলা বাঙালি সংস্কৃতির ধারক এই জনপদের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন নতুন বছরে আরো দৃঢ় হবে এমন স্বপ্নের কথা বলছেন গবেষকরা। কাল নিরবধি উজান স্রোত ঠেলেই এগিয়েছে বাংলাদেশ। তাই যতই বাঁধা আসুক বাঙালির থাকবে সমৃদ্ধি ধারায়।
রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে
অনলাইন ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় এ কথা বলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ে আমি আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি দেশবাসীসহ বিজয়ী সব প্রার্থীকে। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে, যাদের সক্রিয় সহযোগিতায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’ তিনি বলেন, এ নির্বাচন সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এবং স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও উন্নয়ন-অগ্রগতির পক্ষে জনগণের মতামতের সুস্পষ্ট প্রতিফলন। আবদুল হামিদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে বাঙালি স্বাধীনতা অর্জন করে। বঙ্গবন্ধু সবসময় রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক মুক্তি তথা সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীচক্র বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে সে স্বপ্ন স্তব্ধ করে দেয়। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের চাকা উল্টোপথে চলতে শুরু করে। তিনি বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব নেন। বাংলাদেশ এগুতে থাকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে। ২০০১ সালে এ ধারা থেমে গেলেও ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ আবারও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন। তার প্রজ্ঞা ও সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পার আলোকে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সার্বিক অর্জনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গোটা জাতি এ দুটি উৎসব উদযাপন করবে ইনশাল্লাহ। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। শেখ হাসিনার বিচক্ষণ ও গতিশীল নেতৃত্বে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসিক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হোক—এ আমার একান্ত কামনা। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সব সদস্যের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। সূত্র: বাসস
নিজস্ব ভুল এবং দুর্বলতার কারণেই ভরাডুবি হয়েছে বিএনপির: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিরোধীদের বিভ্রান্তি এবং ভুল রোববারের নির্বাচনে তাদের ভরাডুবির জন্য দায়ী। তিনি বলেন, তিনি সবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই আগামী পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন। এটি একটি প্রশংসাযোগ্য এবং স্বচ্ছ নির্বাচন ছিল। কিন্তু বিএনপির নিজস্ব ভুল এবং দুর্বলতার কারণেই তাদের ভরাডুবি হয়েছে, যোগ করেন তিনি। খবর বাসসর। শেখ হাসিনা সোমবার বিকালে গণভবনে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। তিনি বিএনপির নেতৃত্বের শূন্যতা প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এটাই ছিল তাদের প্রধানতম দুর্বল দিক। কারণ তাদের দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া একটি দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান পলাতক তারেক রহমানও বিদেশে অবস্থান করছেন। কারণ, ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করে ২৪ জনকে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছেন। জনগণ জানেই না বিরোধী দলের নেতা কে, যদিও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন বিরোধী ঐক্যজোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যাদের মূল শরিক বিএনপি, বলেন তিনি। এছাড়া, তারা প্রতিটি আসনে টাকার বিনিময়ে চার থেকে পাঁচজন প্রার্থী দিয়েছে, যে কারণে দলের আসল প্রার্থী নিয়ে জনগণের মধ্যে সন্দেহ দেখা দেয় এবং তাদের অধিকাংশ প্রার্থীই জনগণের কাছে ছিল অপরিচিত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিজয়ের আরেকটি প্রধান কারণ ছিল গেল ১০ বছরে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন। দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনা এবং জনগণের জীবন-মানের উন্নয়ন এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করা। তিনি বলেন, তারা (জনগণ) সরকারের ধারাবাহিকতা চেয়েছিল, উন্নয়ন চেয়েছিল যে কারণে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই আমাদের ভোট প্রদান করেছে। তবে, আমি সকলেরই প্রধানমন্ত্রী যোগ করেন শেখ হাসিনা। তার আগামী সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, এরই মধ্যে যেসব উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো গৃহিত হয়েছে সেগুলো সমাপ্ত করা এবং তার সরকারের আরেকটি অন্যতম প্রধান কাজ হচ্ছে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা প্রদান করা। তিনি বলেন, আমাদের প্রধান দায়িত্ব হবে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকা-কে অব্যাহত রাখা, যাতে করে মানুষ উন্নত জীবন পেতে পারে। নির্বাচনকালীন সহিংসতার জন্য প্রধানমন্ত্রী বিএনপি এবং তাদের সহযোগীদের দায়ী করে বলেন, নিহতদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীদের হাতে তারা প্রাণ হারিয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামাতের লোকজন আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করেছে, তারা ব্যালট পেপার এবং ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করেছে এবং নির্বাচনে ভীতির সঞ্চার করতে চেয়েছে। কিন্তু তাদের এ পরিকল্পনা সম্পর্কে জনগণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী সজাগ ছিল। তিনি বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মূল কারণই ছিল বিশ্বকে দেখানো যে, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি বা তাদের ষড়যন্ত্র ছিল অন্যকিছুর বাস্তবায়ন করা। তিনি বলেন, এখন জনগণ এসব (বিএনপি-জামায়াত) রাজনৈতিক দলকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনে করে এবং তাদের দুর্নীতির কথা সবারই জানা, তাই জনগণ মনে করে দেশের কোনো উন্নতিই তারা করতে পারবে না। বিবিসির এক সাংবাদিকের নির্বাচনের স্বচ্ছতা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুরো ব্যাপরটিই সাজানো ছিল। তিনি বলেন, এ ব্যালট ভর্তি বাক্সের ফুটেজটি ৩০ ডিসেম্বরের ছিল না। এটি ছিল মেয়র নির্বাচনের সময়কার, যে বাক্সটি তখন ভোট গণনার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। শেখ হাসিনা বলেন, যেখানেই কোনো অভিযোগ উঠেছে এবং তাদের গোচরে এসেছে নির্বাচন কমিশন সেখানেই তৎক্ষণাৎ ভোটগ্রহণ বন্ধ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমরা কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দিই না। কোনো কোনো জায়গায় কিছু ঘটনা ঘটে থাকতে পারে, কিন্তু তৎক্ষণাৎ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এইচটি ইমামও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। দলের জ্যেষ্ঠ নেতা এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব বিপ্লব বড়ুয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। গতকাল তার নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। প্রধানমন্ত্রী হতে যাওয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করলেন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তারা। সোমবার সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন তার বোন শেখ রেহানা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন। প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান রাজনৈতিক ব্যক্তি, সচিব, সামরিক ও বেসামরিক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা, পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাব কর্মকর্তারা। সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বেসরকারি খাতবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল মসিহুজ্জামান সেরনিবায়াত, নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, পুুলিশের পক্ষ থেকে আইজিপি মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারি, Rab মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম, ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও শুভেচ্ছা জানানো হয়। বিএসএমএমইউ ভিসির অভিনন্দন : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদমুক্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নাই। উন্নয়নের গণতন্ত্রের রূপকার শেখ হাসিনার পক্ষেই বাংলাদেশ সঠিকভাবে সঠিকপথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। ইউজিসি চেয়ারম্যানের অভিনন্দন : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল ও দৃঢ় নেতৃত্বের মাধ্যমে সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশ আরও সাফল্য ও অগ্রগতি অর্জন করবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিনন্দন : জনগণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত শান্তিপূর্ণ এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে কৃষিদরদি, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্ত ভোটের মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোটকে নিরঙ্কুশ বিজয়ী করায় দেশের জনগণকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ। ঢাবি ভিসি-শিক্ষকদের অভিনন্দন : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়লাভ করায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসি আখতারুজ্জামান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষকরা। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিনন্দন জানানো হয়। তারা নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে রায় দেওয়ায় বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
ঢাবি ভিসি-শিক্ষকদের অভিনন্দন শেখ হাসিনাকে
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়লাভ করায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভিসি আখতারুজ্জামান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষকরা। সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক দুই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অভিনন্দন জানানো হয়। তারা নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে রায় দেয়ায় বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। বিবৃতিতে ঢাবি ভিসি বলেন, এ বিজয়ের মাধ্যমে দেশে বিরাজমান গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক মূল্যবোধ আরও বিকাশ লাভ করবে এবং উন্নয়নের অব্যাহত ধারা বেগবান হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক জেডএম পারভেজ সাজ্জাদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাবি শিক্ষকরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, টানা তিনবারসহ চারবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিপুল উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর