শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ জেলহত্যার সাথেও জড়িত,তার দণ্ডাদেশ কার্যকর হবে
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন বরখাস্ত আবদুল মাজেদ জেলহত্যার সাথেও জড়িত। মঙ্গলবার এক ভিডিওবার্তায় এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষের অন্যতম সেরা উপহার এটি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার দণ্ডাদেশ কার্যকর হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা দীর্ঘদিন দণ্ডপ্রাপ্ত বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে দণ্ডাদেশ কার্যকর করার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। তাদেরই একজন ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ আমাদের পুলিশের কাছে ধরা পড়েছে। আমরা কিছুক্ষণ আগে তাকে আদালতে সোপর্দ করেছি। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তার স্ত্রী সালেহা বেগম। বাড়ি নম্বর ১০/এ, রোড নম্বর ১, ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকা। তিনি সেখানে বসবাস করতেন। আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে তার সব তথ্য ছিল।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও প্রণোদনা দিতে সরকারকে আইনি নোটিশ
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে কর্মরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং বিশেষ প্রণোদনা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য মন্ত্রণালয় সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয় সচিব, বাংলাদেশ করোনা প্রতিরোধ সেল এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিবকে এ নোটিশ পাঠানো হয়। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিংকন নোটিশটি পাঠিয়েছেন। নোটিশে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস সারা বিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করেছে। যার ব্যাপকতা আমার প্রিয় স্বদেশকে দারুণভাবে আক্রান্ত করেছে এবং এর প্রভাবে জনজীবন স্থবির হয়ে গেছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বস্ব দিয়ে এই যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। করোনাভাইরাসের সুনির্দিষ্ট কোনও ওষুধ এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি এবং সামাজিক সচেতনতাই এই ভাইরাস নিবারণে একমাত্র স্বীকৃত পন্থা হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে আমাদের মিডিয়া এবং এর সঙ্গে কর্মরত সাংবাদিক বন্ধুরা। খবরের ভেতরে গিয়ে খবর সংগ্রহ করেন আমাদের সাংবাদিক সমাজ। এ কারণে এই সাংবাদিক সমাজকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণ্য করা হয়। বর্তমানে এই ক্রান্তিকালে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত যে সাংবাদিক সমাজ, যারা এই যুদ্ধে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করে মানুষকে অবহিত করছেন, মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পথে-ঘাটে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের জন্য একান্ত আবশ্যকীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংবাদ সরবরাহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা প্রতিরোধ যুদ্ধে সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে সাংবাদিকদের পিপিইসহ নিরাপত্তা সরঞ্জমাদি প্রদান এবং তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিয়েছে।সংবাদ একুশে টেলিভিশন। তাই নোটিশ পাওয়ার পর আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ঢাকা ছেড়ে গেলেন রাশিয়ার ১৭৮ নাগরিক
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের ব্যাপক বিস্তারের আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভুটান, মালয়েশিয়ারর পর এবার ১৭৮ জন রাশিয়ান নাগরিকও ঢাকা ছেড়েছেন। সোমবার সন্ধ্যা পেগাস ফ্লাই নামের রাশিয়ার একটি বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে (চাটার্ড) ৬টায় তাদের বহনকারী ইও-২৫৮৪ ফ্লাইটটি মস্কোর উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল-আহসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অবশ্য আগের দিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলীসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞ রাশিয়ান নাগরিকরা ফিরে যাচ্ছেন। সিভিল এভিয়েশন সূত্র জানায়, রোববার রাতেই তারা রুপপুর থেকে ঢাকায় পৌঁছান। এর ফেরারর যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। প্রকল্পটি করোনা পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ৩ স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা শনাক্ত, ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বন্ধ
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস(কভিড-১৯) সংক্রমণের শঙ্কায় নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ হাসপাতালের তিন স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা শনাক্ত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন। গত ৩০ মার্চ নারায়ণগঞ্জ বন্দরের রসুলবাগ এলাকার এক নারী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি এ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। এর জেরে এ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কয়েকজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। পরে তাদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সোমবার রাতে তিন স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা শনাক্ত হয়। এর পরপরই হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে চালু থাকছে হাসপাতালের বর্হিবিভাগ ও অন্যান্য সেবা। জীবানুমুক্ত করার পর ফের খুলে দেয়া হতে পারে জরুরি বিভাগ। এর মধ্যে রোগীদের বিকল্প হিসেবে শহরের খানপুরের ৩শ' শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন সিভিল সার্জন। নারায়ণগঞ্জে মৃত এ নারীর সংস্পর্শে আসা ৫৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়, যাদের মধ্যে ২৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
চলতি মাসে করোনার প্রভাব আরো বাড়তে পারে,চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য বীমা দেয়া হবে
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি এপ্রিল মাসে করোনা ভাইরাসের(কভিড-১৯) প্রভাব আরো বাড়তে পারে বলে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ অবস্থায় ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে গণভবন থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাসমূহের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনা পরিস্থিতিতে অনেক মানুষ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক পাচ্ছেন না, সেবা পাচ্ছেন না, এটা খুবই দুঃখজনক। তবে যারা চিকিৎসা না দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তারা ভবিষ্যতে কিভাবে মানুষের সেবা দেন তাও পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিনা চিকিৎসায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার ঘটনার জন্য যেসব চিকিৎসক দায়ী তাদের পরিচয় জানতে চাওয়ার পাশাপাশি চাকরি থেকে বের করে দেয়া উচিত বলেও হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংকটময় এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সবার ইনসিউরেন্সের ব্যবস্থা করা হবে। যারা জীবন বাজি রেখে কাজ করছে তারা যদি করোনায় আক্রান্ত হন তাহলে তার বা তাদের চিকিৎসার সব দায়িত্ব সরকার নেবে বলেও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, করোনায় চিকিৎসাসেবা দানকারীদের ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা স্বাস্থ্য বীমা দেয়া হবে। চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কেউ আক্রান্ত হলে দ্বিগুণ এবং কেউ মারা গেলে তার পরিবার ৫ গুণ অর্থ সহায়তা পাবে। পরে প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা, উপজেলা ইউনিয়ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের তালিকা তৈরি করে বাড়িতে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেয়ার আহ্বান জানান। এছাড়াও প্রণোদনা প্যাকেজ নিয়ে দুর্নীতিতে জড়ালে কাউকে ছাড় না দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। করোনা সারা বিশ্বে প্রলয় সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। শুরু থেকে এ পরিস্থিতি মোকাবেলার চেষ্টা করছে সরকার। চলতি মাসে করোনার ধাক্কাটা বাংলাদেশে আসবে এমন ধারণা করা হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সারাবিশ্ব হিমশিম খাচ্ছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায়। আওয়ামী লীগ সরকার চায় রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ করতে। এজন্য সবাইকে নিয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিরা মারা যাচ্ছে, এটা খুবই বেদনাদায়ক। এছাড়া দেশে যারা করোনায় মারা গেছেন তাদের বেশিরভাগেরই শারীরিক অবস্থা দুর্বল ছিল বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
দুর্যোগে চিকিৎসা নিয়ে যারা শর্ত দিয়েছেন তাদের কাজ করার দরকার নাই:প্রধানমন্ত্রী
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি মাসে দেশে আরও ব্যাপক আকারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার আভাস মিলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ কথা জানান। গণভবন থেকে এই ভিডিও কনফারেন্সে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাসমূহের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখচিব ড. আহমদ কায়কাউস। এসময় তিনি বলেন, দুর্যোগে চিকিৎসা নিয়ে যারা শর্ত দিয়েছেন তাদের কাজ করার দরকার নাই। করোনা পরিস্থিতিতে জরুরি সেবাদানকারীদের বিশেষ প্রণোদনা দেয়ারও ঘোষণা দেন তিনি।
করোনা: এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ দেশের জন্য মারাত্মক সময়,ছুটি বাড়ানোর পরামর্শ
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রথম শনাক্তের এক থেকে দেড়মাস পরে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে করোনা। সেই বিবেচনায় এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে এ দেশের জন্য মারাত্মক সময় বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সেক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক নয় দরকার দেশজুড়ে লকডাউন। তবে নিজেদের সীমাবদ্ধতা মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজালে করোনা মোকাবিলা সহজ হবে বলে মত তাদের। বিশ্বজুড়ে মহামারী তোলা করোনা বাংলাদেশে বলতে গেলে অনেকটা সহনীয় পর্যায়েই ছিলো। তবে শনাক্তের মাসখানেক পর এদেশেও স্বরূপে দেখা দিচ্ছে কোভিড-১৯। গত তিনমাসে বিশ্বব্যাপী করোনার প্রভাব পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়- প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর রোগীর সংখ্যা বেড়েছে গাণিতিক হারে। তখনই সীমিত আকারে দেখা দেয় কমিউনিটি ট্রান্সমিশন। এর পরের ধাপে আক্রান্তের সংখ্যা ছড়াতে থাকে জ্যামিতিক হারে। এই পর্যায়ে শুরু হয় গণসংক্রমণ। এক থেকে দেড় মাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে একপর্যায়ে ছোঁয় চূড়ান্ত সীমা। এরপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে সংখ্যা। তবে সেই সর্বোচ্চচূঁড়া কোথায় হবে তা নির্ভর করে সেই দেশের সার্বিক প্রস্তুতির ওপর। সেই হিসেবে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ এ দেশের জন্য সবচেয়ে কঠিন সময় হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগে সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে নজির আহমেদ বলেন, এপ্রিলের মাঝামাঝি বা শেষেও হতে পারে। এটা সবশেষে এক রকমভাবে হচ্ছে না। এখন যেভাবে বাড়তেছে সেটা জ্যামিতি হারে বাড়তেছে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, আগে টেস্ট কম হচ্ছিলো বলে কম পড়েছিলো। কিন্তু এখন টেস্ট বেশি হচ্ছে ধরাও বেশি পড়তেছে। তারা বলছেন, সাধারণ ছুটি ঘোষণায় অনেকটা সুফল মিলবে, তবে প্রতিদিনের টেস্টের রিপোর্ট দেখে ঠিক করতে হবে পরিকল্পনা। সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা প্রনয়ন করতে পারলে দেশের বাস্তবতায় বর্তমান সামর্থ্যের মধ্যেই করোনার লাগাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে মত তাদের। অধ্যাপক বে নজির আহমেদ আরও বলেন, ব্যবস্থাপনার জায়গা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ দিতে। আমার কত টাকা পয়সা ও জিনিসপত্র রয়েছে সেটা দেখার বিষয় নয়। ববং আমার যা আছে, সেটা কীভাবে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় সেটা দেখতে হবে। অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, আমাদের ক্লাস্টার করে হবে না। পুরো দেশ লকডাউন করতে হবে। প্রয়োজনে চলমান ছুটি আরো বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

জাতীয় পাতার আরো খবর