জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সংস্কার চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মর্যাদা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ এর সংস্কারকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের অবশ্যই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের মর্যাদা সমুন্নত রাখার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাহিনীতে সেনা ও পুলিশ সদস্য পাঠানোর দিক থেকে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সংস্কারের প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের উদ্যোগে অ্যাকশন ফর পিসকিপিং (এফোরপি) এর ওপর একটি উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘ সদরদপ্তরের ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল চেম্বারে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অ্যান্তোনিও গুতেরেসও বক্তব্য দেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা একটি বৈশ্বিক জনকল্যাণমুখী সেবা। এই বাহিনীর মর্যাদা ধরে রাখতে আমাদের সবাইকে অবশ্যই একটি ইতিবাচক চিন্তাধারা নিয়ে কাজ করে যেতে হবে। এটা অনেকের জীবনের আশার আলো জ্বালিয়েছে। আমাদের অবশ্যই এই আশার আলোকে সম্মান জানাতে হবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের এখন নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে মোতায়েন করা হচ্ছে। ওই সব স্থানে শান্তি বজায় রাখার মতো পরিস্থিতি নেই। রাষ্ট্রবিরোধী সন্ত্রাসী ও বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে তারা ক্রমবর্ধমান হুমকির শিকার হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের মিশনগুলো প্রায়ই বিভিন্ন মান ও ধরনের বাহিনীর সঙ্গে কাজ করে থাকে। আর এটা জাতিসংঘ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানগুলোকে আরও জটিল ও বিপজ্জনক করে তুলছে। এজন্য শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া উচিত। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের মতো ক্ষমতা ও সরাঞ্জামাদি তাদের দেয়া উচিত। শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, কোনো রাষ্ট্রের সদস্যদের মোতায়েনের ক্ষেত্রে তাদের প্রতিশ্রুতি এবং সেই অনুযায়ী কতটা নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছে তা বিবেচনা করা উচিত। তাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার অবশ্যই উত্তরণ ঘটাতে হবে। আমরা আশা করছি এ ফোর পি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীকে তাদের লক্ষ্য পূরণে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দি ডিক্লিয়ারেশন অব শেয়ার্ড পিসকিপিং কমিটমেন্টস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল বয়ে এনেছে। -বাসস
স্বল্প খরচে প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় স্বল্প খরচে প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশ্বের দেশগুলোর কাছে স্বল্প ব্যয়ে প্রযুক্তি স্থানান্তরে বিশ্ব সম্প্রদায়ের একটি দায়িত্ব রয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকালে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের প্লেনারি হলে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে টেকসই উন্নয়ন শীর্ষক এক প্লেনারি সেশনে প্রদত্ত ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকের পর পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিয়েতো, হল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট, জনসন অ্যান্ড জনসন এর সিইও এবং মজিলা ফায়ার ফক্সের সিইও এই প্লেনারি সেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা সেশনে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের আবহের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে বিভিন্ন দেশের কর্মকাণ্ডের প্রতি বিশেষ করে শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং স্বাস্থ্য খাতের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে যে ধরনের চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকির সৃষ্টি হতে পারে সে সম্পর্কে তাদের চিন্তা-ভাবনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী এর উত্তরে বলেন, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ভূখণ্ডের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর দেশ। আমাদের সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জই হচ্ছে এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা এবং সুশিক্ষা নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রযুক্তি সমৃদ্ধ করা, যাতে করে তারা পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাদের কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা বিধান করতে পারে। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে বাংলাদেশকে সমগ্র বিশ্বের সঙ্গে সংযুক্ত করা যাতে করে সকলে যোগাযোগ ব্যবস্থার সুফল পেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য স্বল্প ব্যয়ে এবং সহজে প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, যেহেতু আমরা বৃহৎ প্রযুক্তি উৎপাদনকারী দেশ নই, তাই আমরা যাতে করে সহজে এবং স্বল্পমূল্যে প্রযুক্তি পেতে পারি সেজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে এর জনশক্তিকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত দক্ষতায় যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। তাই তার সরকার বিভিন্ন করিগরি প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যাতে করে শিল্প বিপ্লবের আমলে তাদেরকে কর্মচ্যুত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে পড়তে না হয়। প্রধানমন্ত্রী এ সময় শিক্ষার প্রসারে তার সরকারের পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে-বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, নানা বৃত্তি ও উপবৃত্তি প্রদান এবং নারী শিক্ষাকে উৎসাহ প্রদান। এখন প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী বাংলাদেশে বৃত্তি-উপবৃত্তি পাচ্ছে, বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার শুরুতেই তাকে নেদারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট প্রায় ১০ লাখের অধিক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় প্রদানের জন্য অভিনন্দিত করেন। এ সময় উপস্থিত সব অংশগ্রহণকারী জোরে করতালির মাধ্যমে এই অভিনন্দনকে স্বাগত জানান। -বাসস
আজ লন্ডন থেকে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লইটে লন্ডন থেকে আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেন। জাতিসংঘের এ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে শুক্রবার লন্ডন পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। শনিবার লন্ডনে কাটিয়েছেন তিনি। আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইটটি লন্ডনের স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। আগে শুক্রবার সকাল ১০টা ২৩ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। ১০ দিনের এ সফরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।
জয় আমাদের নিশ্চিত: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয় নিশ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন দলটি সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে গত ১০ বছরে যেসব উন্নয়ন হয়েছে তাতে নৌকা ভাসতে ভাসতে আগামী ডিসেম্বরে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে। শনিবার সকালে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে থেকে সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে সাংগঠনিক সফর শুরুর আগে এ কথা বলেন তিনি। আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী পথসভা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। গত ৩০ আগস্ট আকাশপথে ঢাকা থেকে সিলেটে যাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় নির্বাচনী যাত্রা। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর ট্রেনযোগে নীলফামারীর পথে দ্বিতীয় দফায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী যাত্রা হয়। এবারের যাত্রা শেষ হবে ২৪ সেপ্টেম্বর। সড়কপথে সাংগঠনিক সফরের রওনা হওয়ার আগে ওবায়দুল কাদের বলেন,এই সফরে আমরা নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার ব্যাপারে কথা বলবো। পাশাপাশি, কোন্দল মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দেব। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ সফর থেকে আমাদের সরকারের বিপুল উন্নয়ন ও অর্জনের বার্তাগুলো জনগণের কাছে পৌঁছে দেবো। আমরা আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার ব্যাপারে কথা বলব। আওয়ামী লীগের ওপর দেশের জনগণের আস্থা আছে এমনটা দাবি করে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন,আমাদের বিশ্বাস আছে। সেই সঙ্গে গত ১০ বছরে অর্জিত উন্নয়ন ও অর্জন এবং জনগণের ওপর যে আস্থা তাতে করে জয় আমাদের নিশ্চিত। পাশাপাশি আইআরআইয়ের যে সমীক্ষা, জনমত জরিপ তাতে দেখা গিয়েছে আমাদের নেত্রীর জনপ্রিয়তা ৬৬ শতাংশ। আর দল আওয়ামী লীগের ৬৪ শতাংশ পোলারিটি। এটিই বাংলাদেশের ছবি, এটিই জনমতের ছবি। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি তাহলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নৌকা ভাসতে-ভাসতে ডিসেম্বরে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে। এ সময় গুলিস্থানে মহানগর নাট্যমঞ্চে যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সমাবেশের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। অনুমতি নিয়ে তারা যেকোনো সময় মিটিং করতে পারেন। এক্ষেত্রে সরকারের সামান্যতম বাধা থাকার কোনো কারণ নেই। কাজেই তারা তাদের সভা করবে। আমাদের অসুবিধাটা কোথায়! তারা তাদের শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সভা করবে। এর মধ্যে সহিংস কোনো উপাদান যুক্ত হয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি তৈরি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।
শান্তির বাংলাদেশ গড়তে আমরা এখানে উপস্থিত হয়েছি: ড. কামাল
অনলাইন ডেস্ক: শান্তির বাংলাদেশ গড়ার জন্য সকলে এখানে উপস্থিত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন। আজ বিকালে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্যের নাগরিক সমাবেশে স্বাগত বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, আপনারা অনেক কষ্ট করে এখানে হাজির হয়েছেন। এই জন্য আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাই। আমরা এমন এক সময় এখানে উপস্থিত হয়েছি যখন দেশে গণতন্ত্র নেই। জনগণ উদ্বেগ উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নেই। দেশে কার্যকর গণতন্ত্র নেই। দুর্নীতি ও দুঃশাসনে ভরে গেছে দেশ। যখন দেশ থেকে দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর হবে তখন বাংলাদেশে শান্তি দৃশ্যমান হবে। তিনি বলেন, জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক। জনগণের মত প্রকাশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। সেই লক্ষ্যে সুস্পষ্ট ঘোষণা প্রণয়ণের জন্য আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি। এখানে অনেক নেতা উপস্থিত হয়েছেন। আশা করি জনগণকে অনুপ্রেরিত করে বক্তব্য পেশ করবেন তারা। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সদস্য সচিব আ ব ম মোস্তফা আমিনের পরিচালনায় ও ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী। এছাড়া ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মহসিন মন্টু, আওয়ামী লীগের সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মনসুর আহমদ, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন। শীর্ষ নিউজ
জাতীয় ঐক্য পক্রিয়ার সমাবেশ শুরু, যোগ দিয়েছে বিএনপি
অনলাইন ডেস্ক: ড. কামাল হোসেন, ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, আসম আব্দুর রব ও মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার উদ্যোগে গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে আয়োজিত আজকের সমাবেশে যোগ দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির সিনিয়র কয়েকজন নেতা। শনিবার বেলা পৌনে ৩ টার দিকে বিএনপি নেতারা সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। এরপর রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চের অডিটোরিয়ামে বিকাল তিনটার পর সমাবেশ শুরু হয়। গণফোরাম সভাপতি ও ঐক্য প্রক্রিয়ার আহবায়ক ড. কামাল হোসেনের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়। সূচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে এখন মানুষের ভোটাধিকার নেই। মানুষের ভোট ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেয়া হয়েছে। সমাবেশে বিএনপি মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতারা অংশ নিচ্ছেন। এছাড়া জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ ২০ দলের শরিক অন্যন্য দলের নেতারা মঞ্চে রয়েছেন। তিনটার পর সমাবেশ শুরু হলেও দুপুরের পর থেকেই নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। শীর্ষ নিউজ
ঢাকা উত্তর সিটির প্যানেল মেয়র ওসমান গণি আর নেই
অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মো. ওসমান গণি সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এই নতুন দায়িত্ব নেন। তিনি ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সভাপতি ছিলেন। মেয়র আনিসুল হক অসুস্থ হওয়ার পর মো. ওসমান গনিকে প্রধান করে তিন সদস্যের প্যানেল মেয়র মনোনয়ন দেয় সরকার। ওসমান গনি ছাড়াও প্যানেল মেয়র হিসেবে মনোনীত অন্য দুজন হলেন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. জামাল মোস্তফা এবং সংরক্ষিত নারী আসনের (৩১, ৩২ ও ৩৪ ওয়ার্ডের) কাউন্সিলর বেগম আলেয়া সরোয়ার ডেইজী। শীর্ষ নিউজ
সাগরে নিম্নচাপ- বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এ কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এজন্য চার সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৬৩৫ কিমি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৭৫ কিমি. দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৭০ কিমি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৪০ কিমি. দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। যা আরও উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিমি এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিমি, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর মাঝারি ধরনের উত্তাল রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আমি সাংবাদিক পরিবারেরই একজন: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: নিজেকে সাংবাদিক পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি আপনাদের বাইরের কেউ নই। আমাকেও আপনাদের পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে গণ্য করবেন। তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সংবাদপত্রের সহযোগিতা তিনি কখনও সেভাবে পাননি। যদিও কে কী লিখল তা নিয়ে তিনি ভাবেন না। তিনি কাজ করেন আত্মবিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে। বুধবার অসুস্থ ও অস্বচ্ছল সাংবাদিকদের মধ্যে অনুদান বিতরণকালে বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ১১৩ জন অসুস্থ ও অস্বচ্ছল সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রহমত আলী এবং কয়েকজন সাংবাদিক নেতা। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন,ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনও সংবাদপত্রের সহযোগিতা ওইভাবে পাইনি। তবে সাংবাদিকদের সঙ্গে সবসময় সম্পর্ক ছিল। এটা হয়েছে জাতির পিতার কারণে। তিনি ইত্তেহাদ, মিল্লাত, ইত্তেফাক এসব পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ইত্তেফাক নিজে বিক্রি করেছেন। সাংবাদিকতায় তিনি কাজ করেছেন। তাঁর আত্মজীবনীতে লেখা আছে, তিনি সংবাদপত্রের লোক ছিলেন। এ হিসেবে আপনারা আমাকেও আপনাদের পরিবারের সদস্য হিসেবে গণ্য করবেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘সংবাদপত্রকে অনেকে বলেন সমাজের দর্পণ। এখন যোগ হয়েছে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া। আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে টেলিভিশন উন্মুক্ত করে দিই। এর উদ্দেশ্য ছিল কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানুষের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা। আমরা সংবাদপত্র খাতও উন্মুক্ত করে দিয়েছি। সাংবাদিকদের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে নিয়মিত প্রেসক্লাবে যেতাম। আড্ডা দিতাম, চা-পুরি, সিঙ্গারা খেতাম। শেখ হাসিনা বলেন, সকালে এক কাপ চা ও একটি পত্রিকা যে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ! টেলিভিশন বন্ধ রেখে সকালে পত্রিকা নিয়ে বসি। সব পত্রিকা যে পক্ষে লেখে তা নয়। প্রয়োজনীয় সংবাদগুলো মার্ক করি। সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে বলি। সংবাদপত্র থেকে অনেক তথ্য পাই। দুর্গম জায়গার অনেক তথ্যও সংবাদপত্রে আসে। তাতে আমরা সহযোগিতা পাই। এজন্য সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। সরকার সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কথা বলার স্বাধীনতা সবারই আছে। কাউকে বাধা দিইনি। কেউ বলতে পারবে না কারও গলা চিপে ধরেছি। সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করার দরকার সবই করছি। সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের প্রতি জাতির জনক আন্তরিক ছিলেন এমনটা জানিয়ে তার কন্যা বলেন, আপনারা জানেন, স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানিরা পত্রিকা পুড়িয়ে দিয়েছিল। স্বাধীনতার পর সমস্ত সাংবাদিককে কিন্তু সরকারি চাকরির মর্যাদা দিয়ে ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন জাতির জনক। তাদের অনেককে সরকারি চাকরি দিয়েছিলেন। এই সুযোগ দেয়ার জন্য একটি কমিটিও করা হয়েছিল। যদিও সেই কমিটির সদস্যরা পঁচাত্তরের পর সবচেয়ে বড় সমালোচক হয়েছিল। ;বঙ্গবন্ধু সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করেছিলেন এমন অপপ্রচারের জবার দেন শেখ হাসিনা। বলেন, পত্রিকা চালানোর মতো অনেকের ক্ষমতাই ছিল না। তাছাড়া স্বাধীনতাবিরোধীরা তখন সক্রিয় ছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশে তখন যে ভয়াবহ অবস্থা ছিল সেটা তুলে ধরতো না। এ সময় সাংবাদিকদের কল্যাণে জাতির পিতার নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি। সাংবাদিকদের কল্যাণে ট্রাস্ট গঠনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি দেখলাম সাংবাদিকরা কষ্ট পাচ্ছেন, তখন কল্যাণ ট্রাস্ট করে দিই। প্রথমে ২০ লাখ দিয়ে শুরু করি। এখন এই ট্রাস্টে আছে ১৪ কোটি টাকা। আমি আরও ১০ কোটি টাকা দেব। পরে সাংবাদিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি জানান, সংবাদপত্রের মালিকদের কাছ থেকে পাওয়া সাপেক্ষে তিনি আরও ২০ কোটি টাকা দেবেন এই ট্রাস্টে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এত দিচ্ছি, মিডিয়ার মালিকরা কেন দেবে না? আমাদের বলার পর মাত্র দুইজন দিয়েছেন। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (ইত্তেফাক) ও অঞ্জন চৌধুরী। সবার আগে টাকা নিয়ে আসেন মাছরাঙার অঞ্জন চৌধুরী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী একটু মজা করে বলেন, অনুদান যারা পাচ্ছেন গোপালগঞ্জের তো কেউ নেই, সব দেখি কুষ্টিয়ার (তথ্যমন্ত্রীর এলাকা)। তবে আমি এক দিক দিয়ে খুশি, কারণ গোপালগঞ্জে কোনো অস্বচ্ছল নেই। আমি চাই সবাই স্বচ্ছল হয়ে যাক। প্রধানমন্ত্রী জানান, তার সরকার সম্প্রচার নীতিমালা করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কল্যাণে অনলাইন সংবাদপত্রেরও বিকাশ ঘটছে। তবে ভয়ংকর অপপ্রচার ও গুজবও অনলাইনে প্রচারিত হয়। এজন্য একটি অনলাইন নীতিমা লা করছে তার সরকার। সাংবাদিকদের আবাসন সমস্যা সমাধানের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাম ফ্ল্যাট যখন করা হয় তখন বলেছিলাম সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের জন্যও বরাদ্দ থাকবে। কিন্তু আমরা আর আসতে পারিনি। এখন কিছু ফ্ল্যাট হচ্ছে, যা ভাড়া দিয়েই মূল্য পরিশোধ করা যাবে। এছাড়া প্লট যখন দেয়া হয় তখন অনেকেই পেয়েছেন। তবে এখন মনে হচ্ছে প্লট না দিয়ে ফ্ল্যাট করে দিলে অনেককে দিতে পারতাম। জাতির পিতার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা সংবাদপত্রের পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। আমরাও তাতে বিশ্বাস করি। স্বাধীনতা ভালো, তবে বালকের জন্য নয়। বালকীয় আচরণ যেন কেউ না করে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচনে দিন বদলের কথা বলেছিলাম। দিন বদল হয়েছে, এটা এখন স্বীকার করবেন। তিনি বলেন, শুধু এতটুকু বলব, উন্নয়নে চেষ্টা করে যাচ্ছি, সফল কতটুকু, সুফল কতটুকু পেল মানুষই তা বিচার করবে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করা এটা আমার দায়িত্ব। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মাঝে মাঝে চিন্তা করি এত পরিশ্রম করি এতে লাভ কী। মূলত লাভের চিন্তা করি না। কী দিতে পারলাম, কী পরিবর্তন আনতে পারলাম সেটাই বিবেচ্য বিষয়।

জাতীয় পাতার আরো খবর