আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর
১জুন,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ শনিবার দিবাগত রাতে পালিত হবে পবিত্র লাইলাতুল কদর। সেই মহিমান্বিত রজনী- যা হাজার মাস থেকেও শ্রেষ্ঠ। আল্লাহতায়ালা এরশাদ করেন- নিশ্চয়ই আমি পবিত্র কোরআন লাইলাতুল কদরে অবতীর্ণ করেছি। আপনি কি জানেন লাইলাতুল কদর কী? লাইলাতুল কদর হচ্ছে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এই রজনীতে ফেরেশতারা ও জিবরাইল (আ) তাদের প্রতিপালকের নির্দেশে প্রত্যেক বিষয় নিয়ে অবতীর্ণ হন। এটা শান্তিময় রজনী, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। (সূরা কদর)। হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী আজকের রাতটি পবিত্র লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা অধিক। হজরত উবাই ইবনে কাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ করে বলছি, আমি যতদূর জানি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের যে রজনীকে কদরের রাত হিসেবে কিয়ামুল লাইল করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা হলো রমজানের ২৭তম রজনী। (সহিহ মুসলিম)। প্রায় মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে আজ রাতে বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ পবিত্র লাইলাতুল কদর পালন করবেন। এ রাতের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় কদরের রাতে নামাজে দণ্ডায়মান থাকবে, তার পূর্ববর্তী সব গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। (সহিহ বোখারি ও মুসলিম)। হজরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (স) এরশাদ করেন- যদি তোমরা কবরকে আলোকময় পেতে চাও, তা হলে লাইলাতুল কদরে জাগ্রত থেকে ইবাদত করো। (মিশকাত শরিফ)। হজরত ওমর (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স) এরশাদ করেন, রমজানের ২৭ তারিখের রাতের ভোর পর্যন্ত করা ইবাদত-বন্দেগি আমার কাছে সারা রমজানের অন্য সব রাতের ইবাদতের চেয়ে বেশি প্রিয়। (তিরমিজি)। কদরের রাতে অঝোরে দয়াময় রবের বিশেষ রহমত বর্ষিত হয়। এ রাতে এত অধিকসংখ্যক রহমতের ফেরেশতা পৃথিবীতে অবতরণ করেন যে, সকাল না হওয়া পর্যন্ত এক অভূতপূর্ব শান্তি বিরাজমান থাকে। রাসুল (স) এরশাদ করেন- শবেকদরের রাতে হজরত জিবরাইল (আ) ফেরেশতাদের বিরাট এক দল নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন এবং যত নারী-পুরুষ নামাজরত অথবা তসবিহ-তাহলিল আদায়ে রত থাকেন, তাদের জন্য রহমতের দোয়া করেন। (মাজহারি)। লাইলাতুল কদরে পরবর্তী এক বছরের অবধারিত ভাগ্যলিপি ফেরেশতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে প্রতিটি মানুষের রিজিক, বয়স, মৃত্যু ইত্যাদির উল্লেখ থাকে। এমনকি এ বছর কে হজ করবে, তা-ও লিখে দেওয়া হয়। (তাফসিরে মাআরেফুল কোরআন)। কদরের রাতে, বিশেষ করে নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, তাসবিহ পাঠ, দরুদ শরিফ ও ইস্তেগফার আদায় করা চাই; তওবা করে আল্লাহতায়ালার দরবারে রোনাজারি করা চাই, যেন তার অপার রহমত নসিবে জোটে, যেন তার ক্ষমা লাভ হয়। হযরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা আমি রাসুলকে (স) জিজ্ঞেস করলাম- হে আল্লাহর রাসুল, আমি যদি কদরের রাত সম্পর্কে অবহিত হতে পারি, তবে আমি কী করব? তখন রাসুল (স) আমাকে এই দোয়া পাঠ করার জন্য বললেন। আর তা হলো- আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নি। অর্থাৎ হে আল্লাহ! আপনি তো ক্ষমার আধার, আর ক্ষমা করাকে আপনি ভালোবাসেন। কাজেই আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। (তিরমিজি)। লাইলাতুল কদর উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে রাতব্যাপী ওয়াজ মাহফিল, বয়ান ও মোনাজাতের আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি রেডিওগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে। সংবাদপত্রগুলোতে প্রকাশ করা হবে বিশেষ নিবন্ধ।
হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন ওসি মোয়াজ্জেম
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইসিটি আইনের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন। বুধবার (২৯ মে) আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন তিনি। এর আগে সোনাগাজী থেকে ১০ এপ্রিল তাকে প্রত্যাহারের পর রংপুর রেঞ্জে বদলি করা হয়। এরপর ১৫ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন শিক্ষার্থী নুসরাতের অনুমতি ছাড়াই তার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেন। আইনজীবী সুমন তার অভিযোগপত্রে জানান, নুসরাতের সঙ্গে একজন শিক্ষার্থী এবং মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাকে ওসি তার কার্যালয়ে নিয়ে আসেন এবং নুসরাতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওসি মোয়াজ্জেম নুসরাতকে প্রশ্ন করার সময় অনুমতি ছাড়াই তার বক্তব্য ভিডিও রেকর্ড করেন এবং তা আইন বহির্ভূতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় ভূমিকা রাখেন। ভিডিওতে দেখা যায় ওসি শিক্ষার্থী নুসরাতকে একের পর এক অপমানজনক ও আপত্তিকর প্রশ্ন করছেন। ৮ মে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার পর গত সপ্তাহে তিনি রংপুর রেঞ্জ অফিসে যোগ দেন। মঙ্গলবার তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর তার খোঁজ নিতে রংপুর ডিআইজি অফিসে সংবাদমাধ্যম কর্মীরা খোঁজ নিতে গেলে কেউই বলতে পারেননি ওসি মোয়াজ্জেম কোথায় আছেন। এদিকে সোমবার এ মামলার তদন্তে থাকা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানায়, বরখাস্তকৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিও রেকর্ড করেন এবং তা অন্য আরেকজনের মোবাইলে দিয়ে দেন। একটি জাতীয় দৈনিকে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার জানান, সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে মোয়াজ্জেমের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়নি। মোয়াজ্জেম যাকে সেই ভিডিওটি পাঠিয়েছিলেন, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে থাকতে পারেন। অভিযোগকারী মোয়াজ্জেমকে গ্রেপ্তারের জন্যে আদালতে আবেদন করেন। গত ১০ এপ্রিল নুসরাতের পরিবার তাদেরকে সহযোগিতা না করার অভিযোগ আনলে ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়। দায়িত্বে অবহেলার জন্যে গত ৮ মে মোয়াজ্জেমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তাকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, পরিকল্পিতভাবে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দিলে ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজে তার মৃত্যু হয়।
নুসরাত হত্যার চার্জশিট দাখিল
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাতকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) মাত্র ৪৮ দিনের তদন্তে নুসরাত খুনের এ অভিযোগপত্র প্রস্তুত করেছে। আজ বুধবার ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেনের আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা উঠে এসেছে পিবিআইর ৮২২ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে। এতে হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, নুসরাত মাদরাসার সবার স্বার্থে ঘা দিয়েছিল। অভিযোগপত্রে মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তারা সবাই গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে রয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বলেন, প্রথমে হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে অনেকেই বলেছেন, মাদরাসার আলেমদের অপমান ও প্রেমের ব্যর্থতা। কিন্তু আমরা সেটি পাইনি। আমরা পেয়েছি ওই মাদরাসার সকলের স্বার্থে এই মেয়েটি ঘা দিয়েছিল। ওই মাদরাসার নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক ক্ষমতা, ছাত্রীদের এখানে বিভিন্ন ধরনের নিপীড়ন করার ক্ষমতা ভয়াবহ। এই মেয়েটি এর প্রতিবাদ করে। যে কারণে তাকে তারা সবাই মিলে পরিকল্পনা করে হত্যা করে। বনজ কুমার আরো বলেন, সিরাজ-উদ-দৌলার ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দির পুরো ঘটনায় সবার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করেছে। জবানবন্দিতে তিনি নুসরাতের গায়ে হাত দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি (অধ্যক্ষ) বলেছেন যে নুসরাতকে প্রথমে প্রেসার দিবা। না হলে খুন করবা। খুনের পদ্ধতিও বলে দিয়েছেন যে আগুন দিয়ে খুন করবা এবং আত্মহত্যা বলে চালাবা। সেদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে পিবিআই প্রধান বলেন, নুসরাত পরীক্ষা দিতে এলে পরিকল্পনা মতো উম্মে সুলতানা পপি নুসরাতকে তার বান্ধবীকে মারধরের কথা বলে। নুসরাত দৌড়ে ছাদে যায়। ছাদে যাওয়ার পর মামলা তুলতে চাপ দিয়ে তাকে একটা সাদা কাগজে স্বাক্ষর করতে বলা হয়। সেখানে পাঁচজন বোরকা পরে অংশ নেয়। তাদের দুজন মেয়ে উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ও কামরুন নাহার মনি। কিন্তু নুসরাত রাজি না হওয়ায় শামীম তার মুখ চেপে ধরে এবং পপিকে বলে নুসরাতের বোরকার ভেতর থেকে তার ওড়না বের করে নিতে। পপি ওড়না বের করে নিয়ে জোবায়েরকে দেয়। জোবায়ের ওড়নার এক অংশ দিয়ে নুসরাতের পা বাঁধে এবং পপি পেছনে হাত বাঁধে। এরপর তিনজন মিলে নুসরাতকে শুইয়ে ফেলে। শামীম মুখ চেপে ধরে। পপি ও জুবায়ের পা চেপে ধরে ওড়না দিয়ে গিঁট দেয়। আগে থেকে ছাদে কালো পলিথিনে রাখা ছিল কেরোসিন ও কাচের গ্লাস। সেই গ্লাসে কেরোসিন নিয়ে নুসরাতের গায়ে ঢেলে দেয় জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন। পরে শামীমের ইঙ্গিতে জোবায়ের দিয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। তিনি আরো বলেন, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়াদের মধ্যে দুজন মেয়ে সামনের দিকে থেকে বের হয়ে আস্তে আস্তে পরীক্ষার হলে ঢোকে। আরেকজন পরীক্ষার্থী ছিল জাবেদ। সেও পরীক্ষার হলে যায়। সে পরীক্ষার হলে যাওয়ার আগে বোরকা দিয়ে যায় শামীমকে। শামীম মূল গেট দিয়ে না গিয়ে পেছনে দিক হয়ে বের হয়ে যায়। জোবায়ের অত্যন্ত সাহসী। সে বোরকা পরে ঘুরে মূল গেটে আসে। সেখান দিয়ে একজন মেয়ে হিসেবে সে বের হয়ে পাশেই কৃষি ব্যাংকের সিঁড়িতে উঠে বোরকা ও হাতমোজা খুলে ফেলে।
২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চালু হবে মেট্রোরেল: সেতুমন্ত্রী
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছর ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মেট্রোরেল চালু হবে। আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মেট্রোরেল নির্মাণের অগ্রগতি বিষয়ক সভা শেষ এ কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চলমান মেট্রোরেল রুট ৬- এর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। ২০১৯ সালের মধ্যে আগারগাঁও পর্যন্ত এবং ২০২০ সালের মধ্যে মতিঝিল পর্যন্ত অংশের পূর্ত কাজ শেষ হবে। আমরা আশা করছি, ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবে মেট্রো রুট।
ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার (২৯ মে) সকাল ৯টা থেকে ৭ জুনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। এর আগে ঘরমুখো মানুষের জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম চলে গত ২২ মে থেকে ২৬ মে পর্যন্ত। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অগ্রিম টিকিট বিক্রি শেষে আজ থেকে শুরু হয়েছে ফিরতি টিকিট বিক্রি। পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী- ২৯ মে মিলবে ৭ জুনের টিকিট, ৩০ মে মিলবে ৮ জুনের, ৩১ মে মিলবে ৯ জুনের, ১ জুন মিলবে ১০ জুনের এবং ২ জুন টিকিট মিলবে ১১ জুনের। রেল মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, একজন যাত্রী একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট কিনতে পারবেন। এ জন্য অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে। এছাড়া প্রতিদিন ৭০ থেকে ৭২ হাজার টিকিট বিক্রি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সেই হিসেবে ঈদের ৫ দিনে ৩ লাখ ৫০ হাজার যাত্রীকে সেবা দেবে রেলওয়ে। ৯৬টি আন্তঃনগর ট্রেনের পাশাপাশি ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেনও নামবে। এছাড়া জানা যায়, যাত্রীরা ৫০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে অ্যাপের মাধ্যমে কিনতে পারবেন। স্টেশন কাউন্টার থেকে ৫০ শতাংশ টিকিট অগ্রিম কিনতে পারবেন। অনলাইনে ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি না হলে অবিক্রিত টিকিট কাউন্টার থেকে দেয়া হবে। রেল সূত্রে আরও জানা গেছে, ঈদের ১০ দিন আগে এবং পরের ১০ দিন ট্রেনে ভিআইপিদের জন্য সেলুন সংযোজন করা হবে না। আগামী ৩ ও ৪ জুন ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করবে না। রেলে প্রতিদিন গড়ে আড়াই লাখ মানুষ চলাচল করলেও ঈদের সময় তা প্রায় তিন লাখ হয়ে যায়। ঈদুল ফিতরের পাঁচদিন আগে ৩১ মে থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর ট্রেন সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও চলাচল করবে। ছুটি প্রত্যাহারের কারণে পূর্ব ও পশ্চিম মিলে প্রায় ৪৮টি ট্রেন বিশেষ ট্রিপ হিসেবে পরিচালিত হবে। যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের সুবিধার্থে ঈদের তিনদিন আগে থেকে কন্টেইনার ও জ্বালানি তেলবাহী ট্রেন ছাড়া কোনো পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে না। এর আগে গত বুধবার (১৫ মে) রাজধানীর রেলভবনে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রস্তুতির বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন জানান, রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি আগামী ২২ মে থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৬ মে পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টিকিট বিক্রি করা হবে। তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন রুটে আট জোড়া স্পেশাল ট্রেন চলবে। ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে এক জোড়া, চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটে দুই জোড়া, মৈত্রী রেক দিয়ে স্পেশাল হিসেবে চলবে খুলনা-ঢাকা-খুলনা রুটে। এছাড়া ঢাকা-ঈশ্বরদী-ঢাকা রুট একটি, লালমনিরহাট-ঢাকা-লালমনিরহাট রুটে একটি, শোলাকিয়া স্পেশাল-১ ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরববাজার রুটে ঈদের দিন, শোলাকিয়া স্পেশাল-২ ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে ঈদের দিন স্পেশাল ট্রেন হিসেবে চলবে। ঈদের অগ্রিম টিকিট কবে কোনদিনেরটা মিলবে এই সম্পর্কেই জানান রেলমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী ২২ মে দেয়া হবে ৩১ মে’র টিকিট, ২৩ মে দেয়া হবে ১ জুনের, ২৪ মে দেয়া হবে ২ জুনের, ২৫ মে দেয়া হবে ৩ জুনের এবং ২৬ মে দেয়া হবে ৪ জুনের টিকিট। এছাড়া রেলের ফিরতি টিকিট বিক্রি ২৯ মে শুরু হয়ে ২ জুন পর্যন্ত চলবে বলেও জানান রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২৯ মে দেওয়া হবে ৭ জুনের, ৩০ মে দেওয়া হবে ৮ জুনের, ৩১ মে দেওয়া হবে ৯ জুনের, ১ জুন দেওয়া হবে ১০ জুনের এবং ২ জুন দেওয়া হবে ১১ জুনের টিকিট। মন্ত্রী আরও জানান, অ্যাপসের মাধ্যমে ট্রেনের ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হবে। তবে স্পেশাল ট্রেনের কোন সীট মোবাইল অ্যাপে পাওয়া যাবে না। তিনি বলেন, ঈদের পাঁচদিন আগে ৩১ মে থেকে রেলওয়েতে ট্রেনের কোনো ডে-অফ থাকবে না। ফলে ৪৮টি বিশেষ ট্রিপ পরিচালিত হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, আগামী ২৫ মে ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস চালু করা হবে। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ট্রেনটির উদ্বোধন করবেন। এছাড়া টিকিট কালোবাজারী প্রতিরোধে জেলা প্রশাসকদের সহায়তায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঢাকা, ঢাকা বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খূলনাসহ সকল বড় বড় স্টেশনে জিআরপি, আরএনবি, বিজিবি ও স্থানীয় পুলিশ এবং Rab এর সহযোগিতায় টিকেট কালোবাজারী প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক প্রহরার ব্যবস্থা থাকবে। তিনি বলেন, টিকিট কালোবাজারি রুখতে ন্যাশনাল আইডি কার্ড দেখিয়ে একজন সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। ঈদের আগে ও পরে মালবাহী ট্রেন বন্ধ থাকবে।
ক্ষুধা-দারিদ্র্য থেকে মুক্তির পথে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ক্ষুধা-দারিদ্র্য থেকে মুক্তির পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। আজ বুধবার সকালে জাপানের টোকিওতে দু দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। বাংলাদেশকে আগামী দিনের উদীয়মান অর্থনীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্ষুধা-দারিদ্র্য থেকে মুক্তির পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। এশিয়ার মধ্যে জাপানকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি আয়ের উৎস হিসেবেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশে যে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হয়েছে তার মধ্যে থেকে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারেরটি জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্ক কীভাবে আরও দৃঢ় করা যায় সে ব্যাপারে ব্যবসায়ী নেতাদের পরামর্শও চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার যে অবস্থানে আছে, তাতে আশা করা যায় শিগগিরই এটি দুই অংকের ঘরে পৌঁছবে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ১২ দিনের সরকারি সফরে জাপান, সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে শুরুতেই জাপান সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী।
তিন দিনের সফরে আজ ভারতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
২৯মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিন দিনের সফরে বুধবার (২৯ মে) বিকালে ভারতে যাবেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নুল আবেদীন মঙ্গলবার বাসসকে বলেন, রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী একটি বিশেষ বিমান (বিজি ১৫১৩) বিকাল সাড়ে পাঁচটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবে। তিনি বলেন,শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ভারতের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কবিন্দের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে মিলিত হবেন। ভারতের রাষ্ট্রপতি আগামী ৩০ মে সন্ধ্যা সাতটায় রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি ও পরবর্তীতে মোদির মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন বলে ভারতের রাষ্ট্রপতির দফতর থেকে ঘোষণা করা হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে বিজিপির নেতৃত্বে এনডিআই জোট ব্যাপক বিজয় অর্জন করায় ভারতের রাষ্ট্রপতি নরেন্দ্র মোদিকে দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন। গত শনিবার এনডিআই নেতারা মোদিকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করেন। আগামী ৩১ মে বিকালে একটি ভিভিআইপি বিমানে (বিজি-১৫১৪) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। বাসস
নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান ডিএমপি কমিশনারের
২৮মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীতে পুলিশ ভ্যানে ককটেল হামলার ঘটনাকে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা দাবি করে নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। মঙ্গলবার (২৮ মে) রাজধানীর নিউমার্কেটে ঈদের কেনাকাটা উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। মালিবাগে পুলিশের গাড়িতে হামলা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে তদন্ত কাজ কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোচ্ছে। তদন্তে কি উদ্দেশে, কারা, কেন এবং কাদের টার্গেট করে এ হামলা করা হয়েছে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করি, দ্রুত এ ঘটনার তদন্ত শেষ হবে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসব ঘটনার মোটিভ দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা জন্য এ হামলা করা হয়েছে। তাই চক্রান্তকারীরা পুলিশের ওপর হামলা করেছে। এর মাধ্যমে চক্রান্তকারীরা বিশেষ ফায়দা নেওয়ার জন্য বসে আছে। ২০১৪ ও ২০১৫ সালে আমরা এ ভীতিকর পরিবেশ দেখেছি। তবে জনগণকে বলবো আপনারা সতর্ক থাকুন। কিন্তু ভয় পাবে না। আমরা আপনাদের নিরাপত্তায় সচেষ্ট আছি। আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, বিস্ফোরিত ককটেলের অংশ আমাদের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এখন এ বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু বলা যাবে না। তবে আমরা জানতে পেরেছি, এটি সাধারণ ককটেলের চাইতে অনেক শক্তিশালী। এর আগে ডিএমপি কমিশনার নিউমার্কেটের বেশ কয়েকটি দোকান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি নগরবাসী যেন নিরাপদে ঈদের কেনাকাটা ও ঈদ উৎসব পালন করতে পারেন। ঈদ উপলক্ষে মার্কেট, শপিংমল, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও রেলস্টেশনে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে।
মেয়র আতিকুলকে মন্ত্রী, লিটন-খালেককে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা
২৮মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামকে মন্ত্রী এবং রাজশাহীর মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ও খুলনার মেয়র তালুকদার আবদুল খালেককে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়েছে সরকার। এই তিন মেয়রের পদমর্যাদা নির্ধারণ করে মঙ্গলবার আদেশ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। স্ব স্ব পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে তারা সরকার নির্ধারিত পদমর্যাদার পাশাপাশি বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। বাংলাদেশে বর্তমানে ১২টি সিটি করপোরেশেন রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন মন্ত্রী এবং নারায়ণগঞ্জ সিটির মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী উপমন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগ করেন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হককেও সরকার মন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়েছিল। সিটি করপোরেশন আইনে মেয়রদের পদমর্যাদার বিষয়ে কিছু বলা নেই। সরকার কোনো কোনো মেয়রের পদমর্যাদা নির্ধারণ করে দেয়। বিগত বিএনপি সরকারের আমলে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদেক হোসেন খোকাকে মন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। মেয়রদের পদমর্যাদা নির্ধারিত না থাকায় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তাদের প্রটোকল নিয়ে মাঝেমধ্যে সমস্যা দেখা দেয় বলে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তরা বলে আসছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর